<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" ?>
<rss version="2.0"
     xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
>
<channel>
  <title><![CDATA[Anandakhabar.com | 24/7 Latest Bangla News Updates | Etc News]]></title>
  <link>https://anandakhabar.com</link>
  <atom:link href="https://anandakhabar.com/feed" type="application/rss+xml" rel="self"/>
  <description><![CDATA[Stay updated with the latest news from Bangladesh and around the world with our comprehensive news platform. From Bangla news to world news, sports updates, entertainment news, and more, we provide a wide range of news categories to keep you informed and engaged. Whether you&#039;re interested in politics, culture, sports, or entertainment, we have you covered with our diverse selection of news articles and updates.]]></description>
  <language>bn</language>
  <copyright>Copyright © 2021-2026 Anandakhabar.com | 24/7 Latest Bangla News Updates | Etc News</copyright>
  
  <image>
    <url>https://anandakhabar.com/upload/images/logo/ananda-khabar-logo-main.png</url>
    <title><![CDATA[Anandakhabar.com | 24/7 Latest Bangla News Updates | Etc News]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com</link>
  </image>

      <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পের চরম চাপ সত্ত্বেও পাকিস্তান কেন ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না এবং আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগ দিচ্ছে না]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24039</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24039</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 07:05:28 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যে পাসপোর্টে লেখা থাকে &amp;#39;ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ&amp;#39;, সেই দেশের ওপর যদি খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চরম চাপ আসে ইসরায়েলকে মেনে নেওয়া...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/666_1.jpg" alt="ট্রাম্পের চরম চাপ সত্ত্বেও পাকিস্তান কেন ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না এবং আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগ দিচ্ছে না" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যে পাসপোর্টে লেখা থাকে &amp;#39;ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ&amp;#39;, সেই দেশের ওপর যদি খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চরম চাপ আসে ইসরায়েলকে মেনে নেওয়ার জন্য, তাহলে কী ঘটবে? পাকিস্তান কি সত্যিই আমেরিকার হুমকির মুখে নিজের ৭০ বছরের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে? ট্রাম্পের আব্রাহাম অ্যাকর্ডের পেছনের আসল রহস্য। আন্তর্জাতিক রাজনীতির মঞ্চে এখন এক বিশাল তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে যা পুরো মুসলিম বিশ্বের সমীকরণ বদলে দিতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ক্ষমতায় এসে তার বহুল আলোচিত আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তিটি সম্প্রসারণ করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এবার তার মূল লক্ষ্য হলো পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মতো বড় মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে যেকোনো মূল্যে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বাধ্য করা। তবে ট্রাম্পের এই আকস্মিক ও বাধ্যতামূলক চাপের জবাবে পাকিস্তান যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা ওয়াশিংটনকে বেশ বড় ধাক্কা দিয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, দেশের মৌলিক আদর্শের পরিপন্থী কোনো চুক্তিতে পাকিস্তান কখনোই অংশ নেবে না। তিনি সাফ বলেন, ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা বা আলোচনা এই মুহূর্তে ইসলামাবাদের টেবিলে মোটেও নেই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাম্প হঠাৎ কেন পাকিস্তানের ওপর এত বেশি চাপ সৃষ্টি করছেন যা আগে কখনো দেখা যায়নি? আসলে ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এক দীর্ঘ পোস্টে দাবি করেন যে, ইরান সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্য বজায় রাখতে এই চুক্তি অত্যন্ত জরুরি। তিনি চান পাকিস্তান, কাতার এবং তুরস্ক যেন একই সাথে এই চুক্তিতে সই করে। ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের পেছনে আমেরিকার প্রভাবশালী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের মতো কট্টরপন্থীদের সরাসরি হাত রয়েছে বলে জানা যায়। লিন্ডসে গ্রাহাম অত্যন্ত কড়া ভাষায় পাকিস্তানকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, যদি তারা ট্রাম্পের এই ঐতিহাসিক শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, তবে আমেরিকার সাথে তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে। তিনি এটিকে পাকিস্তানের জন্য একটি মস্ত বড় ঐতিহাসিক ভুল হিসেবেও আখ্যা দেন। আমেরিকার এই চরম হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পরেও পাকিস্তান কেন নিজের অবস্থানে এত অটল রয়েছে, তা বুঝতে হলে ইতিহাস জানতে হবে। ১৯৪৭ সালে রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পাকিস্তান ফিলিস্তিন ইস্যুতে এক চুলও ছাড় দেয়নি। পাকিস্তানের স্পষ্ট নীতি হলো, ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন এবং পূর্ব জেরুজালেম তার রাজধানী না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি নয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন যে, আরবের রাজতন্ত্রগুলোর তুলনায় পাকিস্তানে এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অসম্ভব। সংযুক্ত আরব আমিরাত বা বাহরাইনের মতো দেশে জনমতকে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও, পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিবেশ অত্যন্ত জটিল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এখানে সাধারণ জনগণ এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা যেকোনো সরকারের ভিত নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ইসলামাবাদ ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিলের প্রধান মুহাম্মদ ইসরার মাদানিও একই কথা প্রতিধ্বনি করেছেন এই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। তিনি বলেন, পাকিস্তানে শক্তিশালী ইসলামপন্থী দল, সুশীল সমাজ এবং একটি অত্যন্ত সচেতন ও প্রাণবন্ত গণমাধ্যম রয়েছে। যেকোনো সরকার যদি ফিলিস্তিনের অধিকারের প্রশ্নে সামান্যতম আপস করে, তবে দেশের ভেতর গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আরেকটি বড় কারণ হলো, পাকিস্তানের কাশ্মীর নীতি যা তাদের অস্তিত্বের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে দীর্ঘ সাতটি দশক ধরে। পাকিস্তানি নীতিনির্ধারকরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে সব সময় ফিলিস্তিন এবং কাশ্মীরের স্বাধীনতা সংগ্রামকে একই সূত্রে গেঁথে এসেছেন। তারা মনে করেন, দুটি ইস্যুই হলো আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের জাজ্বল্যমান প্রমাণ, যা কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তান যদি আজ ফিলিস্তিনকে বাদ দিয়ে ইসরায়েলের সাথে কোনো রকম আপস বা চুক্তি করে ফেলে, তবে কাশ্মীর নিয়ে তাদের নৈতিক অবস্থান ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। ভারত তখন আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করবে যে পাকিস্তান নিজেই তার দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে এসেছে। ফলে নিজের কূটনৈতিক ন্যারেটিভ বা বয়ান টিকিয়ে রাখতেও পাকিস্তানকে ইসরায়েলের বিপক্ষে শক্ত থাকতে হচ্ছে। এই পুরো বিতর্কের টাইমিং বা সময়টা লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এটি মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্কের এক অত্যন্ত সংবেদনশীল মুহূর্তে সামনে এসেছে। পাকিস্তান বর্তমানে একদিকে ওয়াশিংটন এবং অন্যদিকে তেহরানের মধ্যে একটি কূটনৈতিক সেতু বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছে। একই সাথে তারা চীন এবং সৌদি আরবের সাথে তাদের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়। পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত আসিফ দুররানি, যিনি ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, কোনো দেশের ওপর জোর খাটিয়ে বা বাণিজ্যিক চাপ সৃষ্টি করে আব্রাহাম অ্যাকর্ডের মতো চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া যায় না। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি চাইলে ফিলিস্তিন সংকটের প্রকৃত সমাধান এবং ইরানের সাথে উত্তেজনা কমানো ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। পাকিস্তানের প্রবীণ ও অত্যন্ত জনপ্রিয় সাংবাদিক হামিদ মীরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ট্রাম্পের এই ক্ষোভ আসলে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের স্বাধীন চেতনার বিরুদ্ধে এক ধরনের হতাশার বহিঃপ্রকাশ। কারণ দুই দেশই আমেরিকার কথামতো ইসরায়েলের পায়ে দাসত্ব স্বীকার করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছে, যা ট্রাম্পের অহংকারে লেগেছে। ইসলামাবাদের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবশ্য দাবি করেছেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও পাকিস্তানের এই অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতা ও লাল রেখা সম্পর্কে বেশ ভালোভাবেই অবগত আছেন। সেই কারণেই হয়তো ট্রাম্প তার পোস্টে স্বীকার করেছেন যে, এক বা দুটি দেশ শেষ পর্যন্ত এই চুক্তিতে যোগ নাও দিতে পারে। আর সেই সম্ভাব্য দেশের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তান। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা একটি বিষয়ে একমত যে, পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত অনেকাংশেই নির্ভর করবে সৌদি আরবের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। ইসলামের পবিত্রতম দুটি স্থানের রক্ষক হিসেবে সৌদি আরবের যেকোনো ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রভাব পাকিস্তানের জনগণের ওপর সরাসরি পড়ে। রিয়াদ যদি কোনোদিন ইসরায়েলকে মেনে নেয়, তবে ইসলামাবাদের ওপর চাপ বহুগুণ বেড়ে যাবে। সৌদি আরব ও পাকিস্তানের এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শুধুমাত্র সাধারণ কূটনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি অত্যন্ত গভীর ও কৌশলগত। সৌদি আরব বছরের পর বছর ধরে পাকিস্তানকে বড় ধরনের আর্থিক অনুদান, জ্বালানি তেল এবং বিনিয়োগ দিয়ে সাহায্য করে আসছে। এছাড়াও লাখ লাখ পাকিস্তানি কর্মী সৌদি আরবে কাজ করে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতি সচল রাখছেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে দুই দেশের মধ্যে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে যা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এই চুক্তির মূল কথা হলো, যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা অন্য দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই অভূতপূর্ব প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রমাণ করে যে, সৌদি আরবের যেকোনো ভূরাজনৈতিক সিদ্ধান্ত পাকিস্তানকে কতটা গভীরভাবে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে। আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান এই বিষয়ে এক বড় ধরনের সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি বলেন, সৌদি আরব যদি আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগ দেয়, তবে পাকিস্তান নিশ্চিতভাবেই পুনর্মূল্যায়নের প্রচণ্ড চাপে পড়বে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের যে কোনো সরকার যদি ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়, তবে তা হবে তাদের জন্য স্পষ্ট এক রাজনৈতিক আত্মহত্যা। বিশেষ করে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ও আমূল বদলে গেছে। এই যুদ্ধের আগে আমেরিকা যেভাবে সৌদি-ইসরায়েল চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত করে এনেছিল, তা এখন সম্পূর্ণ হিমাগারে চলে গেছে। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্মম গণহত্যা এবং সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরতা পুরো মুসলিম বিশ্বের জনমতকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রেকর্ড পরিমাণে কঠোর করে তুলেছে। গ্যালাপ পাকিস্তানের একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৯১ শতাংশ পাকিস্তানি নাগরিক সরাসরি ফিলিস্তিনের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। এর বিপরীতে ইসরায়েলের পক্ষে জনমত ছিল মাত্র দুই শতাংশ যা প্রায় শূন্যের কোঠায়। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে যে, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের আবেগ ফিলিস্তিনের সাথে কতটা শক্তভাবে এবং আত্মিকভাবে জড়িয়ে রয়েছে। শেষে বলা যায়, ট্রাম্পের হুমকি কিংবা মার্কিন কূটনীতির লোভনীয় প্রস্তাব&amp;mdash;কোনো কিছুই পাকিস্তানের এই ৭০ বছরের পুরনো লাল রেখা বা রেড লাইনকে মুছে ফেলতে পারবে না। আদর্শ, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং জনগণের তীব্র আবেগের কারণে পাকিস্তান সম্ভবত কখনোই আব্রাহাম অ্যাকর্ডের অংশ হবে না। আমেরিকার চাপ সত্ত্বেও পাকিস্তান তার স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিতে অটল থাকবে বলেই মনে হচ্ছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/666_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/666_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/666_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্যই কি ইরানের ওপর যৌথ হামলা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24038</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24038</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 07:05:20 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইসরায়েল নামের এক অবৈধ রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে আর আরব শাসকদের গোলাম বানাতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের আগুনে পুড়িয়ে দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরায়েল! কিন্তু তারা জ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/665_3.jpg" alt="ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্যই কি ইরানের ওপর যৌথ হামলা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইসরায়েল নামের এক অবৈধ রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে আর আরব শাসকদের গোলাম বানাতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের আগুনে পুড়িয়ে দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরায়েল! কিন্তু তারা জানে না, ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে নিজেদের কবরের পথ নিজেরাই খুঁড়ল পশ্চিমা শক্তি। ইরানকে দমাতে গিয়ে বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে। কী এমন গোপন চুক্তি হয়েছে আরব দেশগুলোর সাথে যার জন্য ইরানকে টার্গেট করা হলো? বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বর্তমানে যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে তার মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে মানসিকভাবে দুর্বল করা এবং অবৈধ ইসরায়েল রাষ্ট্রকে মুসলিম বিশ্বের বুকে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক আগ্রাসন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয় বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি গভীর চক্রান্তের অংশ। ইরানের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি পশ্চিমাদের রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ভালো করেই জানে যে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবৈধ স্বার্থ রক্ষা করার একমাত্র হাতিয়ার হলো ইসরায়েল নামক একটি কৃত্রিম রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখা। কিন্তু এই অঞ্চলে ইরানের শক্তিশালী উপস্থিতি তাদের সেই স্বপ্নপূরণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তারা ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে করতে একের পর এক নোংরা কূটনৈতিক চাল ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ওপর চালানো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মূলত তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ধ্বংস করার একটি নগ্ন প্রচেষ্টা মাত্র। ইসরায়েল সবসময়ই ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক গবেষণাকে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি মনে করে। অথচ স্বয়ং ইসরায়েলের কাছে শত শত অবৈধ পারমাণবিক বোমা রয়েছে যা নিয়ে বিশ্ব মোড়লদের কোনো মাথাব্যথা নেই। আমেরিকার এই যৌথ হামলার পেছনে আরেকটি বড় উদ্দেশ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান এবং ধনী আরব দেশগুলোর কাছ থেকে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আদায় করা। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েতের মতো দেশগুলোকে ইরানভীতি দেখিয়ে ওয়াশিংটন বাধ্য করছে ইসরায়েলের সাথে হাত মেলাতে। এটি মুসলিম উম্মাহর পিঠে এক চরম বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। ইরান কিন্তু এই অন্যায় আগ্রাসনের সামনে কখনো মাথা নত করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে তেহরান যেভাবে শত শত ড্রোন এবং নির্ভুল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তাতে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ইরানের এই বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ প্রমাণ করে যে তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সক্ষম। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো সবসময়ই ইরানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে যাতে বিশ্ববাসীর কাছে ইরানকে একটি আক্রমণাত্মক দেশ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো ইরান কখনোই কোনো দেশ আগে আক্রমণ করেনি বরং তারা সবসময় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য ইরানের অবদান চিরস্মরণীয়। যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং এই লক্ষ্য অর্জনে তারা যেকোনো ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে প্রস্তুত। ইরাক, লিবিয়া এবং সিরিয়াকে ধ্বংস করার পর এখন তাদের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে ভেঙে টুকরো টুকরো করা। কিন্তু ইরানের সচেতন জনগণ এবং শক্তিশালী নেতৃত্ব পশ্চিমাদের সেই কালো হাত ভেঙে দিতে প্রস্তুত। আরব বিশ্বের কিছু কাপুরুষ শাসক নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য আমেরিকার গোলামি করছে এবং ইসরায়েলের সাথে গোপনে হাত মেলাচ্ছে। তারা ভাবছে আমেরিকা তাদের রক্ষা করবে কিন্তু ইতিহাস বলে যে প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে ওয়াশিংটন তাদেরও ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলবে। ইরানের মতো একটি শক্তিশালী মুসলিম প্রতিবেশীর সাথে শত্রুতা করে তারা নিজেদের বিপদ ডেকে আনছে। ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে আমেরিকা ও ইসরায়েল আসলে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে এক মহাবিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তেহরান কর্তৃক কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। এর ফলে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বাজারে মূল্যস্ফীতি চরম আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েল নামক রাষ্ট্রটি যে কতটা ভঙ্গুর তা ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমেই পরিষ্কার হয়ে গেছে। তাদের বহুল প্রচারিত &amp;#39;আয়রন ডোম&amp;#39; বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতি রুখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে মার্কিন সাহায্য ছাড়া ইসরায়েল একদিনও টিকে থাকার ক্ষমতা রাখে না। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মূল চালিকাশক্তি হলো অস্ত্র ব্যবসা এবং যুদ্ধ জিইয়ে রাখা যাতে তাদের সামরিক শিল্প লাভবান হতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর এখন তারা মধ্যপ্রাচ্যে একটি স্থায়ী যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করতে চায় যাতে আরব দেশগুলোর কাছে ট্রিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করা যায়। ইরান এই নোংরা অস্ত্র ব্যবসার রাজনীতির বিরুদ্ধে এক তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইরান যেভাবে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে তা বিশ্বের যেকোনো স্বাধীন দেশের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা। দীর্ঘ চার দশক ধরে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান নিজেদের প্রযুক্তিতে উন্নত ড্রোন, রাডার এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। পশ্চিমাদের প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে তারা আজ নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সরকার পরিবর্তনের বা &amp;#39;রেজিম চেঞ্জ&amp;#39;-এর যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে তা কোনোদিনই সফল হবে না। তারা ইরানের অভ্যন্তরীণ কিছু অসন্তোষকে পুঁজি করে দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু দেশের সচেতন নাগরিকরা বিদেশী চক্রান্ত বুঝতে পেরে সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে। ইরানের জনগণ তাদের দেশের স্বাধীনতাকে অত্যন্ত ভালোবাসে। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করা এবং ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজস্ব ভূমি ফিরিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। ইরান সবসময়ই এই যৌক্তিক দাবির পক্ষে সোচ্চার থেকেছে এবং এর জন্য চরম মূল্য চোকাতে হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব মুখে মানবাধিকারের কথা বললেও ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদকে তারা প্রতিনিয়ত অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে মদদ দিচ্ছে। লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের মতো প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইরানের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্যতম প্রধান শক্তি। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থে আঘাত হানছে যা পশ্চিমাদের জন্য এক বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক পরাজয়। এই অক্ষ শক্তিকে ধ্বংস করার ক্ষমতা আমেরিকা বা ইসরায়েল কারোরই নেই। ইতিহাস সাক্ষী আছে যে যারা অন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছে তাদের পতন অবশ্যম্ভাবী। আমেরিকার অর্থনীতি আজ ঋণের বোঝায় জর্জরিত এবং তাদের সামরিক শক্তিও ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। আফগানিস্তান ও ইরাক থেকে যেভাবে তারা লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে ইরানের মাটি থেকেও তাদের ঠিক সেভাবেই বিদায় নিতে হবে। বিজয় শেষ পর্যন্ত সত্য ও ন্যায়েরই হবে। ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার যে স্বপ্ন ওয়াশিংটন দেখছে তা আসলে একটি অলীক কল্পনা মাত্র। আরবের সাধারণ জনগণ কিন্তু তাদের শাসকদের মতো মেরুদণ্ডহীন নয় তারা মন থেকে ইরানকে এবং ফিলিস্তিনকে সমর্থন করে। শাসকদের বাধ্যবাধকতার বাইরে গিয়ে আরবের সাধারণ মানুষ আজ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে। ইরান অত্যন্ত ধৈর্য এবং দূরদর্শিতার সাথে এই সংকটের মোকাবেলা করছে এবং তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনেই নিজেদের আত্মরক্ষা করছে। পাকিস্তান এবং ওমানের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর মাধ্যমে তারা কূটনীতির দরজাও খোলা রেখেছে। তবে কেউ যদি তাদের দুর্বল ভেবে আঘাত করতে আসে তবে তার পরিণতি যে ভয়াবহ হবে তা তারা বুঝিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের মতো ইউরোপীয় দেশগুলো অন্ধের মতো আমেরিকার এই যুদ্ধংদেহী নীতিকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। তারা নিজেদের জলসীমায় বা ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ইউরোপও নিজেদের মধ্যপ্রাচ্যের এই বিশাল যুদ্ধের আগুনে জড়িয়ে ফেলছে যার ফল ভালো হবে না। পশ্চিমারা ইরানের ওপর সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালানোরও চেষ্টা করছে যাতে তরুণ প্রজন্মকে তাদের ঐতিহ্য ও ধর্ম থেকে দূরে সরানো যায়। কিন্তু ইরানের সমাজব্যবস্থা অত্যন্ত সুসংহত এবং তারা তাদের ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কোনো ধরনের প্রোপাগান্ডা দিয়ে ইরানের এই আত্মিক শক্তিকে ধ্বংস করা সম্ভব নয়। আমেরিকা ও ইসরায়েলের এই যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সাধারণ বেসামরিক নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যা স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ। একটি মেয়েদের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনে শত শত নিরপরাধ শিক্ষার্থীকে হত্যা করার ঘটনা পশ্চিমাদের আসল বর্বর চেহারা উন্মোচন করে দেয়। তারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও কাজে খুনি। ইরানের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে যে আধিপত্য বিস্তার করেছে তা মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের অহংকারকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এখন ইরানের জলসীমার কাছাকাছি আসতে ভয় পায় কারণ তারা জানে ইরানের একটি সুইসাইড ড্রোনই তাদের ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। পারস্য উপসাগরের প্রকৃত মালিক এই অঞ্চলের স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোই। বিশ্বের বড় শক্তিগুলো যেমন রাশিয়া এবং চীনও আমেরিকার এই একতরফা আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবং তারা ইরানের সাথে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পশ্চিমাদের অন্যায় প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান প্রমাণ করে যে আমেরিকা এখন আর একক বিশ্ব মোড়ল নয়। বহুমুখী বিশ্বের উত্থান ঘটছে। ইরান আজ মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের প্রতীক এবং তারা প্রমাণ করেছে যে সঠিক নেতৃত্ব থাকলে যেকোনো পরাশক্তিকে মোকাবেলা করা সম্ভব। ইসরায়েলকে টিকিয়ে রাখার জন্য আমেরিকার এই মরিয়া চেষ্টা আসলে তাদের ডুবন্ত সাম্রাজ্যকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা মাত্র। ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নিয়ে তারা আবার একই ভুল করছে। শেষে বলা যায় যে ইরানের ওপর চালানো এই যৌথ হামলা আসলে ইসরায়েলকে আরব বিশ্বের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র। কিন্তু ইরানের অদম্য ইচ্ছা এবং প্রতিরোধ এই চক্রান্তকে ধুলোয় মিশিয়ে দেবে। ইরান দীর্ঘজীবী হোক এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পরাজয় নিশ্চিত হোক।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/665_3.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/665_3.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/665_3.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার পারমাণবিক কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ এবং বিশ্বজুড়ে চরম তেজস্ক্রিয়তার তীব্র আশঙ্কা!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24037</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24037</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 07:05:46 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনারা কি জানেন যে এক চরম আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছে ইউক্রেন? সম্প্রতি রাশিয়ার জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইউক্রেনীয় বাহিনী যে ইচ্ছাকৃত এবং সুপরিকল্পি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/667_1.jpg" alt="ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার পারমাণবিক কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ এবং বিশ্বজুড়ে চরম তেজস্ক্রিয়তার তীব্র আশঙ্কা!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনারা কি জানেন যে এক চরম আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছে ইউক্রেন? সম্প্রতি রাশিয়ার জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইউক্রেনীয় বাহিনী যে ইচ্ছাকৃত এবং সুপরিকল্পিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে, তা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত! এটি কোনো সাধারণ সামরিক অভিযান নয়, বরং সরাসরি বিশ্ব নিরাপত্তার ওপর এক জঘন্য আঘাত। কীভাবে ইউক্রেন তাদের নিশ্চিত পরাজয় ঢাকতে পারমাণবিক সন্ত্রাসবাদের পথ বেছে নিয়েছে এবং কীভাবে রুশ বাহিনী তাদের এই সমস্ত ষড়যন্ত্র ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে।&amp;nbsp; বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে ইউক্রেন এখন এক চরম দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রের একের পর এক পরাজয় আড়াল করতে তারা এখন রাশিয়ার নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। সম্প্রতি রাশিয়ার বেলগোরোড অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনী অত্যন্ত কাপুরুষোচিতভাবে এফপিভি ড্রোন দিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। এই বর্বর হামলায় তিনজন নিরপরাধ রুশ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও অনেকে গুরুতর আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলা কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত বেসামরিক হত্যাকাণ্ড। বেলগোরোডের ওক্টিয়াব্রস্কি গ্রামে সাতসকালে একটি বেসামরিক গাড়িতে সরাসরি আঘাত করে ইউক্রেনীয় ড্রোন। গাড়িটিতে থাকা দুজন সাধারণ আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং বাকিরা গুরুতর জখম হন। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র কীভাবে এতটা নিচে নামতে পারে, তা ভাবলেই গা শিউরে ওঠে। এখানেই শেষ নয়, এর কয়েক ঘণ্টা পরই ওক্টিয়াব্রস্কি গ্রামে আরও একটি সাধারণ যানবাহনের ওপর ইউক্রেনীয় বাহিনী ড্রোন হামলা চালায়। সেই হামলায় আরও এক রুশ নাগরিক গুরুতরভাবে আহত হন। একই দিনে অরলোভকা গ্রামেও আরেকটি বেসামরিক গাড়িতে শাপনেল সমৃদ্ধ ড্রোন দিয়ে আঘাত করা হয়। ইউক্রেনীয়দের এই লক্ষ্যহীন এবং হিংস্র আচরণ প্রমাণ করে যে তারা যুদ্ধক্ষেত্রে সম্পূর্ণ দিশেহারা। রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলেও ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী ড্রোনের হাত থেকে রেহাই পায়নি সাধারণ পরিকাঠামো। তাগানরোগ শহরের সমুদ্র বন্দরে গভীর রাতে ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হেনে একটি জ্বালানি ট্যাংকার ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেয়। রাশিয়ার দক্ষ জরুরি উদ্ধারকারী দল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কোনো বড় ধরনের জ্বালানি বিপর্যয় ঘটতে দেয়নি। রোস্তভ অঞ্চলের অন্য একটি এলাকায় ইউক্রেনের একটি কামিকাজে ড্রোন সরাসরি সাধারণ মানুষের আবাসিক বাড়িতে গিয়ে আছড়ে পড়ে। এতে ঘরের ভেতরে থাকা দুজন সাধারণ মানুষ মারাত্মকভাবে আহত হন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র সেই রাতেই রোস্তভ অঞ্চলের আকাশেই প্রায় ৫০টির মতো ইউক্রেনীয় ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করেছে রাশিয়ার অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। রাশিয়ার বীর প্রতিরক্ষা বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে ইউক্রেনের বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে মোট ১২৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ইন্টারসেপ্ট বা ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার এই অজেয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রমাণ করে যে, মাতৃভূমি রক্ষায় রুশ সেনারা কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যেকোনো মূল্যে তারা শত্রুকে প্রতিহত করতে সক্ষম। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন রাশিয়ার অনেক গভীরে ড্রোন হামলা চালানোর অপচেষ্টা তীব্র করেছে। তারা বিশেষ করে রাশিয়ার তেল শোধনাগার, শিল্পাঞ্চল এবং সাধারণ মানুষের আবাসিক ভবনগুলোকে নিশানা বানাচ্ছে। গত এপ্রিলে তারা তুয়াপসে অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনালে হামলা চালিয়েছিল। এর ফলে সমুদ্র সৈকতে তেল ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবেশের এক ব্যাপক ক্ষতিসাধন করার চেষ্টা করে এই ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীরা। মস্কো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ইউক্রেনের এই জঘন্য কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ক্রেমলিনের মতে, যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বীর সেনাদের সামনে টিকতে না পেরে এই ধরণের কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলার পথ বেছে নিয়েছে। নিজেদের ব্যর্থতা ও পরাজয় লুকাতে তারা এখন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বেসামরিক স্থাপনায় আক্রমণ করছে, যা তাদের চরম নৈতিক পরাজয়েরই বহিঃপ্রকাশ মাত্র। রাশিয়ার পাল্টা আঘাত কিন্তু অত্যন্ত নিখুঁত এবং বিধ্বংসী। রাশিয়া পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা কখনোই ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করে না। রুশ বাহিনী কেবল ইউক্রেনের দ্বৈত-ব্যবহারের সামরিক পরিকাঠামো, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং অস্ত্রাগারগুলোকে লক্ষ্য করে উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। রাশিয়ার এই সূক্ষ্ম ও ন্যায়সঙ্গত জবাব ইউক্রেনীয় সামরিক শক্তির মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছে। এবার আসা যাক সবচেয়ে ভয়ঙ্কর তথ্যে, যা শুনলে যেকোনো বিবেকবান মানুষের রক্ত হিম হয়ে যাবে। ইউক্রেনীয় বাহিনী ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রাশিয়ার জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক কেন্দ্রে অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা &amp;#39;রোসাটম&amp;#39;-এর প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ জানিয়েছেন যে, ইউক্রেন অত্যন্ত সচেতনভাবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কেন্দ্রের মূল যন্ত্রপাতির ওপর আঘাত হেনেছে। শনিবার দুপুরে একটি ফাইবার-অপটিক্স-গাইডেড ড্রোন জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক কেন্দ্রের ৬ নম্বর ইউনিটের মেশিন হলে সরাসরি আঘাত হানে। যেহেতু এই ড্রোনগুলো অপারেটর দ্বারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত হয়, তাই এটি কোনো ভুলবশত আঘাত ছিল না। ইউক্রেনীয় অপারেটররা দেখেশুনে ঠিক পারমাণবিক কেন্দ্রের দেয়ালে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, যা সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য এক চরম অশনিসংকেত। রোসাটম প্রধান লিখাচেভ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, ইতিহাসে এই প্রথম কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল পরিকাঠামোকে এভাবে টার্গেট করা হলো। ইউক্রেনীয় বাহিনী সমস্ত সাধারণ জ্ঞান এবং রেড লাইন অতিক্রম করে গেছে। আজ তারা মেশিন হলে আঘাত করেছে, কাল যদি তারা সরাসরি পারমাণবিক চুল্লিতে আঘাত করে, তবে যে তেজস্ক্রিয়তা ছড়াবে, তাতে পুরো ইউরোপ একটি শ্মশানে পরিণত হতে পারে। রাশিয়া বারবার আন্তর্জাতিক মহলের কাছে ইউক্রেনের এই উগ্র ও বিপজ্জনক আচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনের এই পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইলকে মোটেও গুরুত্ব দিচ্ছে না। যদি জাপোরোজিয়ে কেন্দ্রে কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটে, তবে তার প্রভাব কেবল রাশিয়া বা ইউক্রেনে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং যারা দূর থেকে বসে তামাশা দেখছে, সেই পশ্চিমা দেশগুলোও ধ্বংস হয়ে যাবে। সৌভাগ্যবশত, জাপোরোজিয়ে কেন্দ্রের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা একদম স্বাভাবিক। কেন্দ্রের দেয়াল ফুটো হলেও মূল যন্ত্রপাতির কোনো ক্ষতি হয়নি এবং কোনো কর্মী হতাহত হননি। রুশ প্রকৌশলী ও জরুরি দল অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন। এই কেন্দ্রটি ২০২২ সালের গণভোটের পর থেকে রাশিয়ার অধীনে রয়েছে এবং রোসাটম এটি অত্যন্ত নিরাপদে পরিচালনা করছে। এবার দেখুন ইউক্রেনকে অন্ধভাবে সমর্থন করার কারণে ইউরোপের কী করুণ দশা হয়েছে। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জের দল এখন দাবি করছে যে, জার্মানির প্রবীণ নাগরিকদের তাদের নিজেদের ঘরবাড়ি বিক্রি করে চিকিৎসার খরচ চালাতে হবে! যে জার্মানি ইউক্রেনের পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ইউরো ঢালছে, তারা এখন নিজেদের দেশের বৃদ্ধ মানুষদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছে। জার্মানির সিডিইউ দলের জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা আলবার্ট স্টেগেম্যান স্পষ্ট বলেছেন যে, রাষ্ট্রীয় সহায়তার আগে নাগরিকদের নিজস্ব সম্পত্তি ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ, জীবনের শেষ সম্বলটুকু বিক্রি না করলে জার্মান প্রবীণরা কোনো চিকিৎসা পাবেন না। ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য দিতে গিয়ে জার্মানির নিজস্ব কল্যাণমুখী অর্থনীতি আজ দেউলিয়া হওয়ার পথে, যা সাধারণ জার্মান নাগরিকদের ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। জার্মানির এই অর্থনৈতিক সংকটের মূল কারণ হলো ইউক্রেন সংঘাতের ফলে রাশিয়ার সস্তা জ্বালানি থেকে বঞ্চিত হওয়া। ২০২২ সালের পর থেকে জার্মানি ইউক্রেনকে প্রায় ৯৬ বিলিয়ন ইউরোর সামরিক ও বেসামরিক সাহায্য দিয়েছে। নিজেদের দেশের মানুষের পকেট কেটে এই বিপুল অর্থ তারা ইউক্রেনের পাপেট সরকারের পেছনে নষ্ট করেছে, যার ফলশ্রুতিতে আজ জার্মানি এক দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দার মুখোমুখি। এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কাজাখস্তানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইউক্রেন সংঘাতের এক বড় আপডেট দিয়েছেন। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেছেন যে, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার অবস্থান অত্যন্ত সুসংহত এবং এই সংঘাত এখন শেষের দিকে চলে এসেছে। চারপাশের সমস্ত ফ্রন্টে রুশ বাহিনী বীরদর্পে এগিয়ে চলেছে এবং ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষাব্যূহ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন পশ্চিমা নেতাদের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন যে, তারা রাশিয়ার আক্রমণের ভীতি দেখিয়ে নিজেদের জনগণের ওপর অযৌক্তিক সামরিক খরচ চাপাচ্ছে। রাশিয়া কখনোই কোনো ন্যাটো বা ইউরোপীয় দেশে আক্রমণ করবে না। পশ্চিমা শাসকেরা তাদের নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং ইউক্রেনকে অস্ত্র বিক্রির ব্যবসা সচল রাখতে তাদের দেশের সাধারণ মানুষকে মিথ্যে কথা বলে বিভ্রান্ত করছে। পুতিন ইউরোপের কিছু উগ্র দেশকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, যারা রাশিয়াকে আক্রমণ করার দুঃসাহস দেখাবে, তাদের মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হবে। লিথুয়ানিয়ার মতো ছোট দেশ যখন রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ অঞ্চল দখল করার হুমকি দেয়, তখন পুতিনের এই জবাব অত্যন্ত সময়োপযোগী। রাশিয়া তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনোlaunch সাইটকে গুড়িয়ে দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। পুতিন পশ্চিমা মিডিয়ার তীব্র সমালোচনা করে একে &amp;quot;মানুষকে বোকা বানানোর হাতিয়ার&amp;quot; হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে ইউক্রেন যখন স্টারোবেলস্কের একটি কলেজে মার্কিন ড্রোনের সাহায্যে ২১ জন নিরীহ ছাত্রকে হত্যা করল এবং ৪০ জনকে আহত করল, তখন সিএনএন বা বিবিসির মতো পশ্চিমা মিডিয়া একটি শব্দও প্রচার করেনি। তাদের এই দ্বিমুখী নীতি আজ বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত। রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করলে যে কোনো দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে, তার প্রমাণ হিসেবে পুতিন আর্মেনিয়ার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দিকে ঝুঁকে আর্মেনিয়া যদি রাশিয়ার ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়ন ত্যাগ করে, তবে তাদের জিডিপির ১৪ শতাংশ তাৎক্ষণিকভাবে হ্রাস পাবে। রাশিয়ার সস্তা গ্যাস এবং বিশাল বাণিজ্য সুবিধা ছাড়া আর্মেনিয়ার টিকে থাকা অসম্ভব। অন্যদিকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে ইউক্রেন ইস্যুতে সরাসরি রাশিয়ার সাথে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। লুকাশেঙ্কো বলেন, যুদ্ধ বাড়িয়ে কোনো লাভ নেই, ম্যাক্রোঁর উচিত পুতিনকে ফোন করে সরাসরি মিনস্কে এসে আলোচনায় বসা। কারণ পশ্চিমা উস্কানিতে ইউক্রেন আজ ধ্বংসের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। এদিকে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানের ফ্রন্টলাইন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বীর সেনাদের হাতে ১,৩২০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। সেন্ট্রাল, ইস্ট এবং ওয়েস্ট ব্যাটলগ্রুপের সম্মিলিত ও প্রচণ্ড আক্রমণে ইউক্রেনীয় বাহিনী মাঠ পর্যায়ে সম্পূর্ণ কোণঠাসা। তাদের শত শত সাঁজোয়া যান এবং ট্যাংক রুশ কামানের আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত ২৪ ঘণ্টায় ১০টি পশ্চিমা গাইডেড বোমা, আমেরিকার তৈরি একটি হিমার্স রকেট এবং ৩৫২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রাশিয়ার উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের সামরিক বিমানঘাঁটি এবং জ্বালানি পরিকাঠামো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। সত্য ও ন্যায়ের এই যুদ্ধে রাশিয়ার বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/667_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/667_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/667_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরান চুক্তির সঙ্গে ইসরায়েল স্বীকৃতির ইঙ্গিত ট্রাম্পের]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24036</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24036</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 13:05:47 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির ক্ষেত্রে আরব রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/664_1.jpg" alt="ইরান চুক্তির সঙ্গে ইসরায়েল স্বীকৃতির ইঙ্গিত ট্রাম্পের" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির ক্ষেত্রে আরব রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান আরব মিত্ররা ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলে ইরানের সঙ্গে চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ভাবতে পারে। এ বক্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। বুধবার ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আরব অংশীদাররা যদি ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দেয়, তবে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি বা পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন হতে পারে। ট্রাম্পের বক্তব্যে সৌদি আরব, কাতার এবং কুয়েতের মতো প্রভাবশালী আরব রাষ্ট্রগুলোর প্রসঙ্গ উঠে আসে। তিনি মনে করেন, এসব দেশের উচিত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের উদ্যোগে যুক্ত হওয়া। এ প্রসঙ্গে তিনি পূর্বে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির কথাও উল্লেখ করেন, যার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং পরে মরক্কো ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল। তবে ইরানের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে এটি আনুষ্ঠানিক পূর্বশর্ত কি না&amp;mdash;এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি কোনো অবস্থান স্পষ্ট করেননি। তিনি বলেন, বিষয়টিকে তিনি আনুষ্ঠানিক শর্ত হিসেবে বর্ণনা করতে চান না, তবে বিভিন্ন কূটনৈতিক বিষয় পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে নতুন জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। কারণ ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নিরাপত্তা বা পারমাণবিক সমঝোতার বিষয়কে ইসরায়েলের কূটনৈতিক স্বীকৃতির প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করলে আঞ্চলিক আলোচনার পরিধি আরও বিস্তৃত ও জটিল হয়ে উঠতে পারে। সমালোচকদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বললেও বাস্তবে তাদের নীতিতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক স্বার্থকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, ফিলিস্তিন প্রশ্নের স্থায়ী সমাধান, দখলকৃত ভূখণ্ডের বিরোধ এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত উদ্বেগগুলো সমান গুরুত্ব না পেলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়বে। অন্যদিকে ইসরায়েলের নীতিরও ব্যাপক আন্তর্জাতিক সমালোচনা রয়েছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান, বসতি সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে দেশটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার মুখে পড়েছে। সমালোচকদের মতে, এসব মৌলিক প্রশ্নের সমাধান ছাড়া কেবল কূটনৈতিক স্বীকৃতিকে অগ্রাধিকার দিলে আঞ্চলিক অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে। এদিকে একই দিনে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সম্ভাব্য একটি চুক্তির খসড়া সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে দাবি করা হয়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজের ব্যবস্থাপনায় ইরানের বিশেষ ভূমিকার প্রস্তাব রয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস ওই প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। চুক্তি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করলেও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানান, যুক্তরাষ্ট্র কেবল এমন সমঝোতাই গ্রহণ করবে যা তাদের দৃষ্টিতে সর্বোচ্চ কৌশলগত ও নিরাপত্তাগত স্বার্থ নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, সাধারণ কোনো সমঝোতা নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সর্বোত্তম চুক্তিই তাদের লক্ষ্য। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, কূটনৈতিক সমাধান ব্যর্থ হলে বিকল্প পথও বিবেচনায় থাকতে পারে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরান, আরব রাষ্ট্রসমূহ এবং ইসরায়েলকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের এই শর্তযুক্ত কূটনৈতিক অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেবে নাকি নতুন উত্তেজনার জন্ম দেবে, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের প্রধান আলোচ্য বিষয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/664_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/664_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/664_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[১০টি ইউক্রেনীয় অঞ্চল মুক্ত করল রুশ বাহিনী]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24035</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24035</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 07:05:44 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইউক্রেনীয় ড্রোনের নির্মম আঘাতে বিছানায় ঘুমন্ত নিষ্পাপ ছাত্রীদের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল, অথচ বিশ্বের বড় বড় মিডিয়া সম্পূর্ণ নীরব! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। কিয়েভ সরকা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/663_1.jpg" alt="১০টি ইউক্রেনীয় অঞ্চল মুক্ত করল রুশ বাহিনী" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইউক্রেনীয় ড্রোনের নির্মম আঘাতে বিছানায় ঘুমন্ত নিষ্পাপ ছাত্রীদের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল, অথচ বিশ্বের বড় বড় মিডিয়া সম্পূর্ণ নীরব! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। কিয়েভ সরকারের এই জঘন্য যুদ্ধাপরাধ নিয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যম কেন মুখে কুলুপ এঁটেছে, তা নিয়ে এবার গর্জে উঠলেন খোদ ভ্লাদিমির পুতিন। আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরব এমন এক নির্মম সত্য, যা শুনলে যেকোনো মানুষের রক্ত হিম হয়ে যাবে। কেন এই বিশ্ব মিডিয়া রাশিয়ার ওপর হওয়া বর্বরতাকে লুকিয়ে ইউক্রেনের নাৎসি এজেন্ডাকে সমর্থন করছে? যুদ্ধের আড়ালে থাকা এই নোংরা রাজনীতির আসল রূপ। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো এখন বিশ্বজুড়ে তাদের দর্শকদের বোকা বানানোর এক নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কিয়েভ বাহিনীর দ্বারা স্টারোবেলস্কের নিরীহ রাশিয়ান ছাত্র-ছাত্রীদের নির্মমভাবে হত্যার ঘটনাকে তারা সম্পূর্ণ চেপে গেছে। অথচ এর জবাবে রাশিয়ার বৈধ আত্মরক্ষামূলক পাল্টা হামলাকে তারা আগ্রাসন বলে ফলাও করে প্রচার করছে, যা আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক একটি বিষয়। কাজাখস্তানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট পুতিন সরাসরি উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের সহকর্মীদের এই পক্ষপাতমূলক আচরণের জন্য আপনাদের লজ্জিত হওয়া উচিত। স্টারোবেলস্কের সেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি নিয়ে তারা একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি, যেখানে আমাদের কোমলমতি শিশুদের পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করে হত্যা করা হয়েছে। এটি কোনো গণমাধ্যম নয়, এটি আসলে মানুষকে অন্ধ ও বোকা বানানোর একটি পশ্চিমা হাতিয়ার। গত সপ্তাহে লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্টারোবেলস্ক প্রফেশনাল কলেজের মূল ভবন এবং ছাত্রীদের আবাসিক হোস্টেলে পরপর তিনবার কামিকাজে ড্রোন দিয়ে কাপুরুষোচিত হামলা চালায় ইউক্রেনীয় বাহিনী। এই হামলায় ২১ জন নিষ্পাপ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন ভবিষ্যৎ শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখা কিশোরী ছাত্রী। এছাড়াও এই বর্বর হামলায় আরও ৬৫ জন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। সবচেয়ে জঘন্য বিষয় হলো, উদ্ধারকর্মীরা যখন আহত ছাত্রীদের বাঁচাতে ধ্বংসস্তূপে পৌঁছান, তখন ইউক্রেনীয় নাৎসিরা আবারও দ্বিতীয় দফায় সেখানে ডাবল-ট্যাপ ড্রোন হামলা চালায়। প্রথম উদ্ধারকারীদের লক্ষ্য করে এই ধরনের হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং একটি জঘন্য যুদ্ধাপরাধ। অথচ এই পাশবিকতার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের তথাকথিত মানবাধিকার সংস্থাগুলো এবং পশ্চিমা শক্তিগুলো সম্পূর্ণ চোখ বন্ধ করে এক পাক্ষিক ভূমিকা পালন করছে। এই ভয়াবহ হামলার পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় চুপ করে বসে থাকেনি, তারা ইউক্রেনের সামরিক ঘাঁটির ওপর ওরেসনিক, ইস্কান্দার, কিনঝাল এবং জিরকনের মতো আধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বিধ্বংসী প্রতিশোধমূলক আঘাত হেনেছে। রুশ বাহিনীর এই নিখুঁত হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং প্রতিরক্ষা শিল্প সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, যেখানে সাধারণ কোনো বেসামরিক নাগরিকের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া কড়া ভাষায় বলেছেন, পশ্চিমা সরকারগুলো ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি কিয়েভ রেজিমের এই দানবীয় অপরাধের প্রতি বারবার অন্ধ সাজছে। তারা নিহত শিশুদের নিয়ে প্রকাশ্য উপহাস করছে এবং রাশিয়ার অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে অর্থায়ন করছে। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বমঞ্চে এই সত্য উন্মোচন করেছে এবং ঘটনার তদন্তে ১৯টি দেশের ৫০ জন বিদেশী সাংবাদিককে সরাসরি সেখানে নিয়ে গেছে। লজ্জাজনকভাবে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে উন্মুক্ত আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও ব্রিটিশ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বিবিসি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক সিএনএন এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের স্থান পরিদর্শনে অস্বীকৃতি জানায়। তারা খুব ভালো করেই জানে যে সেখানে গেলে ইউক্রেনের আসল সন্ত্রাসী চেহারা বিশ্বের সামনে চলে আসবে, যা তাদের প্রোপাগান্ডা এজেন্ডাকে ধ্বংস করে দেবে। তাই তারা সত্যকে এড়িয়ে মিথ্যা ছড়াতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে। এদিকে রোমানিয়া সীমান্তে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একটি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রোমানিয়া সরকার যদি রাশিয়ার কাছে সেই ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ বা রাডার ডেটা সরবরাহ করে, তবে মস্কো তাদের নিজস্ব বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন শেয়ার করতে প্রস্তুত। কারণ ইউক্রেনীয়দের ছড়ানো মিথ্যাচার ধরে ফেলার ক্ষমতা রাশিয়ার প্রযুক্তিগতভাবে সম্পূর্ণ রয়েছে। রোমানিয়ার গালাতি শহরের একটি আবাসিক ব্লকে ড্রোনটি আছড়ে পড়ার পর পশ্চিমা মিডিয়া তাৎক্ষণিকভাবে একে রাশিয়ার হামলা বলে প্রচার করতে শুরু করে। কিন্তু পুতিন মনে করিয়ে দেন যে, এর আগেও ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ড এবং বাল্টিক দেশগুলোতে ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ইউক্রেনের বলে প্রমাণিত হয়। কিয়েভের নিকৃষ্ট ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের ব্যর্থতা এবং কারিগরি ত্রুটির কারণেই তাদের ড্রোন পথ হারিয়ে ইইউ রাষ্ট্রে আছড়ে পড়ে। অবশেষে খোদ রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকোলাই ডান দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্বীকার করেছেন যে, এই ঘটনাটি ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলের কারণেই ঘটেছে। রাশিয়ার ড্রোনগুলো যখন ইউক্রেনের রেনি শহরের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছিল, তখন ইউক্রেনীয় ডিফেন্সের গোলার আঘাতে একটি ড্রোন দিক পরিবর্তন করে রোমানিয়ার দিকে চলে আসে। এটি কোনোভাবেই রাশিয়ার পরিকল্পিত বা ইচ্ছাকৃত কোনো আক্রমণ ছিল না। ইতিহাস সাক্ষী, ২০২২ সালেও পোল্যান্ডের সীমান্তে ইউক্রেনের একটি এস-৩০০ মিসাইল আছড়ে পড়ে দুজন নিরীহ পোলিশ নাগরিককে হত্যা করেছিল। সেই সময়েও কিয়েভের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দ্রুত একে ন্যাটোর ওপর রাশিয়ার হামলা বলে মিথ্যা নাটক সাজিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে ওয়ারশ সরকার নিজেই তদন্ত করে নিশ্চিত করে যে, ক্ষেপণাস্ত্রটি আসলে ইউক্রেনেরই ছিল, যা রাশিয়ার সফল হামলা ঠেকাতে গিয়ে তারা ভুল দিকে ছুড়েছিল। ইউরোপের রাজনীতিতে রাশিয়ার পক্ষে আরও একটি বড় বিজয় এসেছে হাঙ্গেরি থেকে, যেখানে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাগিয়ার ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছেন। ব্রাসেলসে ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী ম্যাগিয়ার পুনর্ব্যক্ত করেন যে, হাঙ্গেরি ইউক্রেনকে কোনো প্রকার অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে এই যুদ্ধকে আর দীর্ঘায়িত করতে চায় না। পশ্চিমা ইইউ কর্মকর্তারা ভেবেছিলেন ভিক্টর অরবান বিদায় নেওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়তো রাশিয়ার বিরুদ্ধে এবং ইউক্রেনের পক্ষে অবস্থান নেবেন। কিন্তু পিটার ম্যাগিয়ার প্রমাণ করেছেন যে তিনিও দেশের শান্তি ও সুরক্ষাকেই সবার আগে প্রাধান্য দেন। হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা অরবানও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে তাদের দেশ শান্তির পক্ষে এবং তারা কোনোভাবেই ইউক্রেনে সেনা বা অস্ত্র পাঠিয়ে নিজেদের জড়িয়ে ফেলবে না। হাঙ্গেরির এই বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, কোনো পক্ষ যদি চলমান আগুনে নতুন করে ঘি না ঢালার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। রাশিয়া বরাবরই বলে আসছে যে কিয়েভকে পশ্চিমাদের দেওয়া সামরিক সাহায্য আসলে শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং পুরো ইউরোপকে একটি ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী ছায়াযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ম্যাগিয়ার শুধু অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করেননি, তিনি ইউক্রেনকে দ্রুত ন্যাটোর সদস্যপদ দেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করেছেন এবং ইইউ-এর ইউক্রেন ফান্ডিংয়েরও বিরোধিতা করেছেন। তাছাড়া হাঙ্গেরির কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় তিনি ইউক্রেনীয় কৃষিপণ্য আমদানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছেন। ব্রাসেলস এই নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ বললেও হাঙ্গেরি নিজের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত থেকে এক চুলও নড়েনি, যা রাশিয়ার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পোল্যান্ডে আরও ৫ হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর রাশিয়া আমেরিকাকে তীব্র হুশিয়ারি দিয়েছে। রাশিয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, রাশিয়ার সীমান্তের কাছে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। এটি ইউরোপের নিরাপত্তাকে চরমভাবে বিঘ্নিত করবে এবং রাশিয়া এর উপযুক্ত সামরিক-প্রযুক্তিগত জবাব দিতে বাধ্য হবে। জাখারোভা আরও উল্লেখ করেন যে, ইউরোপে ন্যাটোর হঠকারী নীতির কারণে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে মার্কিন সেনা কমানো উচিত ছিল। ন্যাটোর এই উস্কানিমূলক আচরণ পুরো ইউরোপ মহাদেশকে একটি আত্মঘাতী সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বর্তমানে পোল্যান্ডে প্রায় ১০ হাজার এবং পুরো ইউরোপজুড়ে ৮০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, যা রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ সীমান্তের একদম কাছাকাছি। রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান সের্গেই নারিশকিন এক চাঞ্চল্যকর তথ্যে জানিয়েছেন যে, ন্যাটো এখন দে-ফ্যাক্টো বা পরোক্ষভাবে পূর্ব ইউরোপে রাশিয়ার বিরুদ্ধে একটি বড় মাপের সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে প্রেসিডেন্ট পুতিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ন্যাটো যদি আগে রাশিয়াকে আক্রমণ না করে, তবে ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা রাশিয়ার নেই। রণাঙ্গন থেকে আসা সর্বশেষ খবরে রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পিষে ফেলে গত এক সপ্তাহে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে মে মাসের ২৩ থেকে ২৯ তারিখের মধ্যে খারকভ, সুমি, দনেপ্রোপেত্রোভস্ক এবং জাপোরোঝ্যের মতো কৌশলগত এলাকায় তীব্র অভিযান চালিয়ে শত্রুদের হটিয়ে এই ঐতিহাসিক এবং বড় ধরনের ভূখণ্ডগত বিজয় অর্জন করা হয়েছে। রুশ বীর সেনাদের &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে অপারেশন চালিয়ে খারকভের গ্রানভ, নোভোভ্যাকিলেভকা, বুদারকি এবং কারাইচনোয়ে অঞ্চল মুক্ত করেছে। একই সাথে সুমি অঞ্চলের জাপসেলি এবং রিয়াসনোহে গ্রাম থেকে ইউক্রেনীয় নাৎসিদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সফল অভিযানে কিয়েভ বাহিনীর ১,২৪৫ জনেরও বেশি সেনা খতম হয়েছে এবং তাদের অসংখ্য সাঁজোয়া যান ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। অন্যদিকে &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার&amp;#39; দনেপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের নোভোপডগোরোদনোহে বসতিটি সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যেখানে শত্রুপক্ষের ২,২৫০ জনেরও বেশি সেনা হতাহত হয়েছে। এছাড়াও &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট&amp;#39; জাপোরোঝ্যের ভজদভিঝেনকা এবং দনেপ্রোপেত্রোভস্কের দোব্রোপাসোভো ও লেসনোহে নামক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো মুক্ত করেছে। এই ফ্রন্টে ইউক্রেনীয়দের ১,৯৭০ এর বেশি সেনা নিহত হয়েছে এবং ১৬টি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার অপরাজেয় &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট&amp;#39; এবং &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ দনিয়েপ্রো&amp;#39;র সাঁড়াশি আক্রমণে ইউক্রেনীয় বাহিনী তাদের ১,৭১৫ জনেরও বেশি боевики বা সেনাকে হারিয়েছে। রুশ সেনাদের নিখুঁত কামানের গোলায় ইউক্রেনের ৪২টি সাঁজোয়া যান এবং ১৮টি দামী ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম মাটির সাথে মিশে গেছে। পশ্চিমাদের দেওয়া বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র যে রাশিয়ার আধুনিক রণকৌশলের সামনে স্রেফ খেলনা, তা আরও একবার প্রমাণিত হলো। একই সপ্তাহে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ইউক্রেনের সন্ত্রাসী হামলার উপযুক্ত জবাব দিতে ১টি বিশাল এবং ৫টি সম্মিলিত সুনির্দিষ্ট আক্রমণ পরিচালনা করেছে। এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কারখানা, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো এবং সামরিক বিমানবন্দরগুলো সম্পূর্ণ অচল করে দেওয়া হয়েছে, যা কিয়েভের যুদ্ধ সচল রাখার মেরুদণ্ডকে একদম ভেঙে দিয়েছে এবং তাদের বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের ঘাঁটিগুলো গুঁড়িয়ে দিয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষায় রাশিয়ার সেনারা আকাশেই ধ্বংস করেছে ইউক্রেনের ২,৬২৮টি ড্রোন, আমেরিকার তৈরি ২৩টি হাইমার্স (HIMARS) রকেট এবং ব্রিটেনের তৈরি স্টর্ম শ্যাডো ও ফ্রান্সের স্কাল্প ক্ষেপণাস্ত্র। পশ্চিমা মিডিয়া যতই কিয়েভের প্রশংসা করুক না কেন, রাশিয়ার দুর্ভেদ্য এয়ার ডিফেন্সের সামনে ন্যাটোর সব আধুনিক প্রযুক্তি আজ সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং অসহায় প্রমাণিত হয়েছে, যা পশ্চিমাদের মনে চরম ভয় ধরিয়ে দিয়েছে। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার পরাক্রমশালী বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি ড্রোন এবং ২৯,৫৩৮টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার এই বীরত্বপূর্ণ বিজয় আর ইউক্রেনের নাৎসি রেজিমের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সত্যের জয় নিশ্চিত এবং রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/663_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/663_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/663_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জাতিসংঘের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন, কালো তালিকায় ইসরাইল!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24034</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24034</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 29 May 2026 10:05:24 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[আমেরিকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয়ের সঙ্গে সম্প...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/662_1.jpg" alt="জাতিসংঘের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন, কালো তালিকায় ইসরাইল!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। বিষয়টি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সংঘাতকালীন যৌন সহিংসতা সম্পর্কিত জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্ষিক প্রতিবেদনে ইসরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই বিষয়টি সামনে আসায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন এক ভিডিও বার্তায় জানান, মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে যৌন সহিংসতা ব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত করা অন্যায্য এবং ভিত্তিহীন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইসরায়েলকে হামাসের সঙ্গে একই তালিকায় রাখা গ্রহণযোগ্য নয়। পরবর্তীতে জাতিসংঘে ইসরায়েলের স্থায়ী মিশন এক বিবৃতিতে জানায়, গুতেরেস মহাসচিবের দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত তার কার্যালয়ের সঙ্গে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ রাখা হবে না। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে জাতিসংঘকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ তোলে। অন্যদিকে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক জানান, তারা ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। তবে মহাসচিবের পক্ষ থেকে সংলাপের দরজা এখনো খোলা রয়েছে। জাতিসংঘের নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক রীম আলসালেম এ সিদ্ধান্তকে বহুদিনের প্রত্যাশিত পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন। তার ভাষায়, ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত যৌন সহিংসতার বহু অভিযোগ স্বাধীনভাবে নথিভুক্ত ও যাচাই করা হয়েছে। সে কারণে ইসরায়েলকে তালিকাভুক্ত করা আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল। প্রসঙ্গত, গত বছরের আগস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘ জানিয়েছিল, ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর যৌন সহিংসতার বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাগার ও আটককেন্দ্রগুলোতে তদন্তকারীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। যদিও ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের তদন্তের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু তারা তা গ্রহণ করেননি। দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিরা নির্যাতন, অমানবিক আচরণ এবং যৌন সহিংসতার অভিযোগ করে আসছেন। বিশেষ করে ২০২৩ সালের পর গাজা থেকে আটক ব্যক্তিদের বহু সাক্ষ্যে একই ধরনের অভিযোগ উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এসব অভিযোগ বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং একটি বৃহত্তর ও ধারাবাহিক প্রবণতার অংশ। সম্প্রতি পশ্চিম তীর সুরক্ষা জোটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দখলকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত যৌন সহিংসতা এবং লিঙ্গভিত্তিক নির্যাতনের কারণে অনেক ফিলিস্তিনি পরিবার এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া গাজাগামী একটি ত্রাণবাহী জাহাজে থাকা কয়েকজন বিদেশি কর্মীও অভিযোগ করেছেন, আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে আটক হওয়ার পর মুক্তিপ্রাপ্ত কর্মীদের অনেকে যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, অন্তত পনেরটি পৃথক যৌন নির্যাতনের ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনেরও প্রতিবাদ জানিয়েছিল তেল আবিব। ওই প্রতিবেদনে একাধিক ফিলিস্তিনি ভুক্তভোগীর সাক্ষ্য তুলে ধরা হয়েছিল। ইসরায়েল সরকার অভিযোগগুলো অস্বীকার করে এবং প্রকাশনার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতিসংঘ ও ইসরায়েলের সম্পর্ক বহু বছর ধরেই টানাপোড়েনের মধ্যে থাকলেও ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। গাজায় চলমান সামরিক অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানি, অবকাঠামো ধ্বংস এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এসব সমালোচনার জবাবে ইসরায়েল বারবার জাতিসংঘকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ করেছে। সমালোচকদের মতে, আন্তর্জাতিক তদন্ত, মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন এবং ভুক্তভোগীদের ধারাবাহিক সাক্ষ্যকে অগ্রাহ্য করে শুধুমাত্র রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা ইসরায়েলি নীতির একটি পুনরাবৃত্ত বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে। তারা মনে করেন, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তে সহযোগিতা করার পরিবর্তে সমালোচনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া আন্তর্জাতিক জবাবদিহিতা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে। অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করে, তাদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রভাবিত। বর্তমানে জাতিসংঘের কালো তালিকাভুক্তির বিষয়টি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এর ফলে ইসরায়েল ও জাতিসংঘের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/662_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/662_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/662_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার ওরেশনিক মিসাইলের আঘাতে কিয়েভ ছারখার, জেলেনস্কির নাৎসি বাহিনীর পতন ও পশ্চিমা দুনিয়ার চরম পরাজয়!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24033</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24033</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 29 May 2026 10:05:30 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[পশ্চিমা প্রোপাগান্ডা আর ইউক্রেনের সাজানো নাটকের দিন এবার শেষ। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার অদম্য শক্তির সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে কিয়েভের নাৎসি বাহিনী। যেখানে ইউক্রেন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/661_1.jpg" alt="রাশিয়ার ওরেশনিক মিসাইলের আঘাতে কিয়েভ ছারখার, জেলেনস্কির নাৎসি বাহিনীর পতন ও পশ্চিমা দুনিয়ার চরম পরাজয়!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>পশ্চিমা প্রোপাগান্ডা আর ইউক্রেনের সাজানো নাটকের দিন এবার শেষ। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার অদম্য শক্তির সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে কিয়েভের নাৎসি বাহিনী। যেখানে ইউক্রেন একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে নিরীহ সাধারণ রুশ শিক্ষার্থীদের হত্যা করছে, সেখানে ক্রেমলিনের একটি মাত্র ওরেশনিক মিসাইলের হুংকারে কেঁপে উঠেছে পুরো ইউরোপ। কীভাবে পরাজয় নিশ্চিত জেনেও জেলেনস্কি পশ্চিমাদের পকেট কাটছেন এবং রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ না করে নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কাল্লাসের অবাস্তব ও হাস্যকর দাবিকে তীব্র ভাষায় ধুয়ে দিয়েছেন রাশিয়ার অভিজ্ঞ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। কায়া কাল্লাস দাবি করেছিলেন যে, ইউক্রেন শান্তি প্রক্রিয়ায় ব্রাসেলসকে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে রাশিয়াকে প্রথমে তাদের সশস্ত্র বাহিনীর আকার কমাতে হবে। লাভরভ সরাসরি এই মন্তব্যকে সম্পূর্ণ একটি ইডিয়টিক বা মূর্খতাপূর্ণ বক্তব্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। প্রকৃতপক্ষে, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে এই শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য রাশিয়ার পক্ষ থেকে কখনোই কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তা সত্ত্বেও কায়া কাল্লাস বারবার রাশিয়ার ওপর অবাস্তব শর্ত চাপানোর চেষ্টা করছেন। লাভরভ স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাশিয়ার মতো একটি পরাশক্তির সামরিক নীতি কেমন হবে, তা নির্ধারণ করার যোগ্যতা ইইউ বা পশ্চিমাদের কোনো আমলাতান্ত্রিক মহলের নেই। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভাও কায়া কাল্লাসের এই বক্তব্যকে চরমভাবে উপহাস করেছেন। জাখারোভা বলেছেন, ইউরোপের এই কূটনীতিকের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে তিনি যেন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের সাথেই নিজে কথা বলছেন। রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তোলার টোপ দিয়ে ইইউ আসলে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য এখন একতরফা ও ভিত্তিহীন মেগাফোন ডিপ্লোমেসি বা ফাঁকা আওয়াজ ছড়াচ্ছে। বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালে ইউক্রেন সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিমাদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার সব কৌশল ব্যর্থ হয়েছে। ওয়াশিংটনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আসার পর আমেরিকা এখন নিজেকে এই শান্তি প্রক্রিয়ার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভাবছে। কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো সেই পুরোনো বৈরী মনোভাব ধরে রেখেছে, যার কারণে তারা এই পুরো ভূ-রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণ কোণঠাসা হয়ে পড়ার আতঙ্কে ভুগছে। ইইউর এই আতঙ্ক নতুন কিছু নয়। গত বছরের শেষের দিকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনও দাবি করেছিলেন যে শান্তি আলোচনায় ইইউকে কেন্দ্রীয় ভূমিকা দিতে হবে। অথচ রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন একটি খসড়া পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছিল, তখন ইইউর দেওয়া শর্তগুলোকে ক্রেমলিন সরাসরি গঠনমূলক নয় এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করে। ইউরোপ যখন এসব কাগজের যুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত, তখন ইউক্রেনের সন্ত্রাসী বাহিনী রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালাচ্ছে। লুগানস্ক গণপ্রজাতন্ত্রের স্টারোবেলস্ক প্রফেশনাল কলেজের ছাত্রীনিবাসে ইউক্রেনীয় কামিকাজে ড্রোন দিয়ে পরপর তিনবার ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে। এই বর্বরতম হামলায় ২১ জন নিরীহ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ছিলেন ভবিষ্যৎ শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখা অল্প বয়সী তরুণী। এই ঘটনার ঠিক এক সপ্তাহ আগেই কিয়েভ বাহিনী রাশিয়ার রাজধানী মস্কো এবং এর আশেপাশের আবাসিক এলাকা লক্ষ্য করে শত শত ড্রোন নিয়ে হামলা চালিয়েছিল। রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেই হামলা নস্যাৎ করলেও, ইউক্রেনের এই উগ্রবাদী হামলায় কয়েকজন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারান। রাশিয়ার সাধারণ জনগণকে টার্গেট করে ইউক্রেন নিয়মিত এই ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। ইউক্রেনীয় ড্রোনের এই কাপুরুষোচিত বেসামরিক হামলার জবাবে রাশিয়ার স্টেট দুমা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করেছে। এই নতুন আইনের ফলে রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক এবং প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নিজস্ব সশস্ত্র কর্মী মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই নিরাপত্তা কর্মীরা এখন থেকে কিয়েভের যেকোনো আকাশযান, নৌযান বা স্থল ড্রোনকে সরাসরি ধ্বংস বা জ্যাম করে দিতে সক্ষম হবে। নতুন এই আইনটি পাসের ফলে রাশিয়ার ব্যাংক অব রাশিয়া এবং স্বেরব্যাংকের সশস্ত্র দলগুলো বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো রক্ষা করতে পারবে। ড্রোন অপারেটরের সিগন্যাল নষ্ট করা, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং সরাসরি ড্রোন ধ্বংস করার এই আইনি ক্ষমতা রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে আরও বহুগুণ শক্তিশালী করবে। এটি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। নিরীহ ছাত্রীদের ওপর ইউক্রেনের এই জঘন্য হামলার পর চুপ থাকেনি মস্কো। রাশিয়া তাৎক্ষণিকভাবে ইউক্রেনের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোর ওপর ওরেশনিক, ইস্কান্দার, কিনঝাল এবং জিরকন হাইপারসনিক মিসাইল দিয়ে এক বিশাল ও নিখুঁত প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং অস্ত্র কারখানাগুলো সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার এই বিমান হামলায় একটি বিষয় অত্যন্ত স্পষ্ট ছিল যে, কোনো বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। রাশিয়া আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে কেবল ইউক্রেনের যুদ্ধমেশিনকে ধ্বংস করেছে। অথচ কিয়েভের নাৎসি বাহিনী আন্তর্জাতিক মিডিয়ার করুণা পাওয়ার জন্য নিয়মিত রাশিয়ার সাধারণ জনগণকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে এবং রাশিয়ার আবাসিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে তাদের চরম কাপুরুষতার পরিচয় দিচ্ছে। ইউক্রেনের এই নৃশংস যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর ভণ্ডামি ও দ্বিমুখী নীতি এবার বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে। স্টারোবেলস্কের সেই কলেজ হোস্টেলে ২১ জন ছাত্রীর নির্মম মৃত্যুর পর রাশিয়ার আমন্ত্রণে বিশ্বের ১৯টি দেশের প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। কিন্তু ব্রিটিশ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বিবিসি এবং আমেরিকার সিএনএন সেই দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানায়। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আন্দ্রে কেলিন পশ্চিমাদের এই ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে একে চরম ভণ্ডামি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ব্রিটিশ মিডিয়া বাকস্বাধীনতার কথা বললেও তারা আসলে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। তারা রাশিয়ার সামরিক অভিযানকে নেতিবাচকভাবে দেখানোর জন্য দিনরাত মিথ্যাচার করলেও, কিয়েভ সরকারের করা এই রক্তক্ষয়ী বেসামরিক হত্যাকাণ্ডকে সম্পূর্ণ ধামাচাপা দিয়ে রাখছে। মস্কোর পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, সিএনএন সম্ভবত স্টারোবেলস্ক হামলার পরের দৃশ্য দেখানোর চেয়ে হামলার প্রস্তুতি ধারণ করতেই বেশি আগ্রহী ছিল। রাশিয়ার ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা বিতর্কিত সাংবাদিক নিক প্যাটন ওয়াশকে দিয়ে সিএনএন ইউক্রেনীয় ড্রোনের কার্যকারিতা নিয়ে একটি বিশেষ রিপোর্ট প্রচার করে। যা দেখে ধারণা করা হচ্ছে যে, তারা এই নৃশংস হামলার পরিকল্পনার সাথেও জড়িত থাকতে পারে। এদিকে ইউক্রেনের ভেতরে যখন এই উগ্রবাদ চলছে, তখন আমেরিকার ওয়াশিংটনে জেলেনস্কির আসল চেহারা ফাস করে দিয়েছেন রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান অ্যানা পলিনা লুনা। তিনি সরাসরি ইউক্রেনীয় নেতা ভ্লাদিমির জেলেনস্কিকে একজন চরম মিথ্যাবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। লুনা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, জেলেনস্কি আমেরিকাকে কেবল একটি পিগি ব্যাংক বা টাকা তোলার মেশিন হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। সম্প্রতি কিয়েভে মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটরদের সাথে বৈঠকে জেলেনস্কি দাবি করেন যে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে তাদের জরুরি ভিত্তিতে পেট্রিয়ট মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম প্রয়োজন। এর জবাবে লুনার এই কঠোর টুইট প্রমাণ করে যে, আমেরিকার সাধারণ জনগণ বা তাদের জনপ্রতিনিধিরা ইউক্রেনের এই অন্তহীন এবং অর্থহীন যুদ্ধে আর এক ডলারও ঢালতে রাজি নন, কারণ এটি সম্পূর্ণ আমেরিকার ট্যাক্সের পয়সার অপচয়। কংগ্রেসওম্যান লুনা আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেখানে আলোচনার মাধ্যমে এই যুদ্ধের দ্রুত অবসান চান, সেখানে জেলেনস্কিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি এই শান্তি চুক্তির পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। জেলেনস্কি নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং পশ্চিমা অনুদান লুটে নিতে এই যুদ্ধকে জোর করে টিকিয়ে রাখছেন, যা কোনোভাবেই আর চলতে দেওয়া যায় না। জেলেনস্কি সরকারের ভেতরের স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষও এখন অতিষ্ঠ। তিনি ইউক্রেনের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন অর্থোডক্স চার্চের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন এবং যাজকদের বন্দি করেছেন। একই সাথে ২০২৪ সালে তার প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তিনি দেশে কোনো নির্বাচন করতে দিচ্ছেন না। যার কারণে রাশিয়া জেলেনস্কিকে এখন একজন সম্পূর্ণ অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য শাসক মনে করে। কিয়েভ সরকারের মিথ্যাচারের এখানেই শেষ নয়। জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে আমেরিকা নাকি পোস্ট-কনফ্লিক্ট সিকিউরিটি গ্যারান্টির শর্ত হিসেবে ইউক্রেনকে দনবাস অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে চাপ দিচ্ছে। তবে আমেরিকার বর্তমান প্রশাসন ও সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও জেলেনস্কির এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মিথ্যা কথা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, যা ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতা শূন্যে নামিয়ে এনেছে। ইউক্রেন সরকারের এই উগ্র জাতীয়তাবাদী ও নাৎসিবাদের চূড়ান্ত প্রমাণ মিলেছে যখন জেলেনস্কি স্বয়ং তাদের একটি এলিট কমান্ডো ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কুখ্যাত নাৎসি সহযোগীদের নামে নামকরণ করেছেন। স্পেশাল অপারেশন সেন্টার নর্থ নামের এই ইউনিটটিকে এখন থেকে &amp;lsquo;হিরোস অব দ্য ইউপিএ&amp;rsquo; নামে ডাকা হবে, যা পোল্যান্ড ও ইহুদিদের গণহত্যাকারী উগ্রপন্থীদের ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করার শামিল। ইতিহাস সাক্ষী, এই ইউপিএ এবং ওইউএন নামক সংগঠনগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির সাথে হাত মিলিয়েছিল এবং প্রায় এক লক্ষ নিরীহ পোলিশ নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। আধুনিক ইউক্রেনে এই খুনিদের জাতীয় বীর হিসেবে সম্মান দেওয়া হচ্ছে, তাদের জন্মদিনে মশাল মিছিল করা হচ্ছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ একে পুরো ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রবণতা বলে হুঁশিয়ার করেছেন। পশ্চিমাদের এই সমস্ত রাজনৈতিক ও আদর্শিক দেউলিয়াত্বের মাঝে, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়া তাদের বিজয় অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার পরাক্রমশালী সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের খারকভ অঞ্চলের &amp;lsquo;নোভোভ্যাসিলেভকা&amp;rsquo; নামক একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ সম্পূর্ণ স্বাধীন ও মুক্ত করেছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থের তীব্র ও সুপরিকল্পিত আক্রমণের মুখে কিয়েভের সেনারা তাদের অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় যুদ্ধক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ১,২৪৫ জন সেনা হারিয়েছে। এর মধ্যে ব্যাটলগ্রুপ নর্থের এলাকায় ১৮৫ জন, ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্টের এলাকায় ১৮০ জন এবং ব্যাটলগ্রুপ সাউথের এলাকায় ৯০ জন সেনা নিহত হয়েছে। এই অভিযানে আমেরিকার তৈরি অত্যাধুনিক M113 সাঁজোয়া যানসহ অসংখ্য পশ্চিমা সামরিক যান ধ্বংস করা হয়েছে। একই সাথে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার এবং ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আরও গভীরে প্রবেশ করেছে। এই দুই ফ্রন্টে কিয়েভ বাহিনী যথাক্রমে ৩৭০ জন করে মোট ৭৪০ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। ইউক্রেনের যান্ত্রিক ব্রিগেড, এয়ার অ্যাসল্ট রেজিমেন্ট এবং ন্যাশনাল গার্ডের ঘাঁটিগুলো রুশ গোলন্দাজ ও বিমান বাহিনীর নিখুঁত নিশানায় সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে গেছে, যা ইউক্রেনের মনোবল ভেঙে দিয়েছে। সব মিলিয়ে, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার অজেয় সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ১৫২,৯৬৫টি ড্রোন এবং প্রায় সাড়ে ২৯ হাজারেরও বেশি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। রণক্ষেত্রের এই বাস্তব চিত্র প্রমাণ করে যে, পশ্চিমা অর্থ আর নাৎসি আদর্শ দিয়ে রাশিয়ার ঐতিহাসিক বিজয়কে কোনোভাবেই রোধ করা সম্ভব নয়। সত্য ও ন্যায়ের এই লড়াইয়ে রাশিয়ার জয় নিশ্চিত।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/661_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/661_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/661_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ! ইরান যুদ্ধে একা ট্রাম্প, বাঁচতে কেন ইউরোপের পায়ে পড়তে হলো?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24032</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24032</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 29 May 2026 03:05:25 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিশ্ব রাজনীতিতে এক মহাপ্রলয় ঘটে গেছে! যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এতদিন ন্যাটোকে একঘরে করে রেখেছিলেন, ইউরোপের মিত্রদের পাত্তাই দিতে চাননি, আজ সেই ট্রাম্পকেই বাঁচতে ইউরোপ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/648_1.jpg" alt="আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ! ইরান যুদ্ধে একা ট্রাম্প, বাঁচতে কেন ইউরোপের পায়ে পড়তে হলো?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিশ্ব রাজনীতিতে এক মহাপ্রলয় ঘটে গেছে! যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এতদিন ন্যাটোকে একঘরে করে রেখেছিলেন, ইউরোপের মিত্রদের পাত্তাই দিতে চাননি, আজ সেই ট্রাম্পকেই বাঁচতে ইউরোপের হাত ধরতে হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন এবং ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো &amp;lsquo;অপারেশন এপিক ফিউরি&amp;rsquo;র পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন জ্বলছে। হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ, বিশ্ববাজারে তেলের হাহাকার, আর আমেরিকার সামরিক শক্তির অহংকার আজ খাদের কিনারায়! চীন, রাশিয়া আর ইরানের এই ত্রিমুখী অক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে হোয়াইট হাউজ আজ বুঝতে পারছে&amp;mdash;একা লড়াই করার দিন শেষ। আজ আমরা উন্মোচন করব সেই পর্দার পেছনের আসল রহস্য, যা বিশ্ব মিডিয়া আপনার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখছে। কেন মহাপরাক্রমশালী আমেরিকাকে আজ টিকে থাকার জন্য ইউরোপের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে। আমেরিকার বিশ্বব্যাপী সামরিক আধিপত্য আজ এক অভূতপূর্ব এবং অত্যন্ত জটিল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে যা এর আগে কখনো দেখা যায়নি। ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকেরা এখন খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন যে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে এককভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার দিন ক্রমশ শেষ হয়ে আসছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ইরানের অনমনীয় মনোভাব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতাগুলোকে বিশ্বের সামনে খুব স্পষ্টভাবে উন্মোচিত করে দিয়েছে। ন্যাটোর বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। এই বৈঠকের ঠিক পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত ট্রাম্প ক্রমাগত ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর তীব্র সমালোচনা করে আসছিলেন এবং তাদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। ট্রাম্পের মূল অভিযোগ ছিল যে ইরান এবং মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলো পর্যাপ্ত সামরিক ও কৌশলগত ভূমিকা পালন করছে না। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চালানো বিশাল সামরিক অভিযান সত্ত্বেও তেহরানকে পুরোপুরি দমন করা বা নতজানু করা সম্ভব হয়নি। এর ওপর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকায় বিশ্ব অর্থনীতি এবং জ্বালানি সরবরাহে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। ন্যাটো প্রধানের এই ওয়াশিংটন সফর এমন এক সময়ে ঘটল যখন আমেরিকার সামরিক সক্ষমতার সীমা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। আমেরিকার এই সামরিক সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে চীন, রাশিয়া এবং ইরানের মধ্যকার গভীর ও কৌশলগত সহযোগিতা এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। এই শক্তিশালী অক্ষের ক্রমবর্ধমান উত্থান ওয়াশিংটনকে একটি অত্যন্ত কঠোর ও বাস্তবসম্মত বার্তা দিচ্ছে যে আমেরিকা এখন আর বিশ্বমঞ্চে একা চলতে পারবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটো ইতিমধ্যে এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি উপলব্ধি করে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বেশ কিছু সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে। আমেরিকান জাতীয় নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক আধিপত্য অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুরক্ষিত হবে যদি ওয়াশিংটন ইউরোপের এই নতুন পদক্ষেপগুলোকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে। সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে একান্ত বৈঠকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে বলেছেন যে ইউরোপ এখনো এই ঐতিহাসিক সামরিক জোটের প্রতি সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রুটে ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে ব্যতিক্রমী যিনি ইউরোপের নিরাপত্তায় আমেরিকার অপরিহার্য ভূমিকাকে সবসময় প্রকাশ্যে স্বীকার করেন। মার্ক রুটের এই বাস্তবসম্মত এবং দূরদর্শী বার্তাটি শেষ পর্যন্ত হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসের নীতিনির্ধারকদের মনে এবং ট্রাম্পের চিন্তাভাবনায় গভীরভাবে রেখাপাত করতে সক্ষম হয়েছে। এই বৈঠকের পর থেকেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে ন্যাটোর বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই পরিচিত এবং তীব্র আক্রমণাত্মক বক্তব্যগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। ট্রাম্প এখন বুঝতে পারছেন যে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় মিত্রদের চটিয়ে চলা আমেরিকার জন্য আত্মঘাতী হবে। বৈঠকে রুটে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে ফ্রান্স এবং স্পেন তাদের আকাশসীমা মার্কিন সামরিক বিমান ব্যবহারের অনুমতি দিতে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে এই প্রতিকূলতার মধ্যেও জার্মানির মতো গুরুত্বপূর্ণ ন্যাটো সদস্যরা আমেরিকার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের বিমান ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে দিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। এই দেশগুলোর সাধারণ মানুষ যুদ্ধ সমর্থন না করলেও তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব আমেরিকার সাথে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে এমন এক সময়ে ন্যাটোর নেতৃত্ব দিচ্ছেন যখন ইউরোপীয় সদস্যরা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা উদাসীনতা কাটিয়ে উঠছে। ন্যাটোর ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের একটি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে ইউরোপ এবং কানাডার সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যয় এক বছরে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে ইউরোপ এখন আর আমেরিকার সামরিক চাদরের নিচে শুধু আশ্রয় নিয়ে বসে থাকতে রাজি নয়। ২০১৪ সালের ওয়েলস সম্মেলনের পর এই প্রথম ন্যাটোর প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের মোট জিডিপির ন্যূনতম ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করছে। পোল্যান্ড, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়ার মতো দেশগুলো আরও এক ধাপ এগিয়ে ২০২৫ সালের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাদের জিডিপির ৩.৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করেছে। এর পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষামূলক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য অতিরিক্ত ১.৫ শতাংশ অর্থ বিনিয়োগ করতে সম্মত হয়েছে ইউরোপ। ইউরোপের এই সামরিক প্রস্তুতি একেবারেই সঠিক সময়ে নেওয়া হয়েছে কারণ বিশ্বজুড়ে ন্যাটোর শত্রুরা এখন অনেক বেশি আগ্রাসী ভূমিকা পালন করছে। রাশিয়া যখন ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে প্রতিনিয়ত অত্যাধুনিক সশস্ত্র ড্রোন এবং দূরপাল্লার রকেট দিয়ে হামলা চালাচ্ছে, তখন ইরানও চুপচাপ বসে নেই। তেহরান বিভিন্ন সামরিক সংঘাত ও পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছে যে তারা কতখানি বিপজ্জনক এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কতটা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। চলতি যুদ্ধের শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরান ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। শুধু তাই নয়, এর কিছুদিন আগেই সাইপ্রাসে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটিতে ইরানি ড্রোন সফলভাবে আঘাত হেনেছিল। এই ঘটনাগুলো স্পষ্ট সংকেত দেয় যে পুতিনের পূর্ব ইউরোপ দখলের পরিকল্পনার চেয়েও বড় হুমকি এখন ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে তৈরি হচ্ছে। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতার সবচেয়ে বড় সত্য হলো যে আমেরিকার সাধারণ নাগরিক এবং ইউরোপের মানুষ এক নতুন ও বিপজ্জনক পৃথিবীর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বকে এখন এই তেতো সত্যটি মেনে নিতেই হবে যে সামরিক ফলাফলের ওপর তাদের যে একক একচেটিয়া আধিপত্য ছিল, তা চিরতরে শেষ হয়ে গেছে। ইরানের সাথে এই যুদ্ধ এটি প্রমাণ করেছে যে বেইজিং, মস্কো এবং তেহরান কীভাবে একে অপরকে রক্ষা করছে। ইরানের প্রতি রাশিয়ার শুধুমাত্র রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সমর্থনই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ক্রেমলিন সরাসরি মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবস্থান সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন গোয়েন্দা তথ্য তেহরানের সাথে শেয়ার করছে। এই নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই সৌদি আরবে অবস্থিত আমেরিকার অত্যন্ত সুরক্ষিত &amp;lsquo;প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস&amp;rsquo;-এ নিখুঁত ও মারাত্মক হামলা চালানো সম্ভব হয়েছিল। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাও সম্প্রতি এই তথ্যটির সত্যতা পুরোপুরি নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে চীন এই অক্ষের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে এবং তারা ইরানকে বিভিন্ন দ্বৈত-ব্যবহারের সামগ্রী ও যুদ্ধ উপকরণ সরবরাহ করছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক নেভিগেশন প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর চিপস এবং সলিড রকেট প্রোপেলান্ট তৈরির জন্য অপরিহার্য উপাদান সোডিয়াম পারক্লোরেট, যা সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। বেইজিংয়ের এই প্রযুক্তিগত সহায়তা তেহরানের সামরিক বাহিনীকে অনেক বেশি আধুনিক ও নিখুঁত করে তুলেছে। তেহরানের স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে এবং তাদের কোষাগার সচল রাখতে বেইজিং গত বছর ইরান থেকে রেকর্ড পরিমাণ জ্বালানি তেল আমদানি করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চীন গত বছর প্রায় ৫২০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল কিনে ইরানের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলোকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১.৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল কিনে চীন এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গকারী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ন্যাটোর এই নতুন শক্তির ক্ষমতায়নের আলোচনায় জোটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত, বিশেষ করে তুরস্কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ও সামরিক অবস্থানের কথা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। ন্যাটোর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থায়ী সেনাবাহিনী নিয়ে আঙ্কারা এই পুরো অঞ্চলের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং অপরিহার্য স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে। বর্তমান ইরান সংকটে তুরস্কের এই সামরিক গুরুত্ব আমেরিকার জন্য কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। কৃষ্ণ সাগরে প্রবেশের নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ককেশাস অঞ্চলের থিয়েটারগুলোর ঠিক মাঝখানে তুরস্কের অবস্থান আঙ্কারাকে এক অনন্য ভূরাজনৈতিক শক্তি এনে দিয়েছে। যদি ন্যাটো কোনো কারণে আঙ্কারাকে নিজেদের থেকে দূরে ঠেলে দেয়, তবে তারা রাশিয়া এবং তার সহযোগী অক্ষের বিরুদ্ধে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ঢাল হারিয়ে ফেলবে। তুরস্কের সামরিক শক্তি ছাড়া এই অঞ্চলে ন্যাটোর ক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষমতা সম্পূর্ণ পঙ্গু হয়ে যাবে। আমেরিকার চালানো &amp;lsquo;অপারেশন এপিক ফিউরি&amp;rsquo; শেষ পর্যন্ত ইরানকে আরও শক্তিশালী করবে নাকি তাদের চিরতরে দুর্বল করে দেবে, তা দেখার জন্য বিশ্বকে আরও অপেক্ষা করতে হবে। তবে ফলাফল যাই হোক না কেন, চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং রাশিয়ার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ ইরানকে সবসময় তাদের পাশে ধরে রাখতে বাধ্য করবে। পুতিন এবং শি জিনপিং কখনোই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড তথা আইআরজিসির হাত ছেড়ে দেবে না। পশ্চিমা গণতান্ত্রিক দেশগুলো যখন এই ধরনের একটি সুসমন্বিত এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক হুমকির মুখোমুখি, তখন তাদের নিজেদের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি বন্ধ করা উচিত। আটলান্টিকের দুই পাড়ের দেশগুলোর মধ্যে যে পারস্পরিক ব্লেম-গেম বা দোষারোপের রাজনীতি চলছে, তা এই মুহূর্তে বন্ধ না করলে বিপর্যয় নেমে আসবে। ইরান সংকটের এই জটিল মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের এক হয়ে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে এবং অনেক ইউরোপীয় দূরদর্শী নেতা খুব ভালোভাবেই বোঝেন যে বিশ্ব অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষা করতে হলে যৌথ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। ইতিহাস সাক্ষী, ন্যাটো হলো পৃথিবীর বুকে গড়ে ওঠা এ যাবৎকালের সবচেয়ে সফল, শক্তিশালী এবং দীর্ঘস্থায়ী সামরিক জোট। এই জোটের শক্তিকে দ্বিগুণ করার এবং পারস্পরিক বিশ্বাস ফিরিয়ে আনার এখনই একমাত্র উপযুক্ত সময়। আমেরিকার সাধারণ জনগণকেও এখন বুঝতে হবে যে বিশ্ব রাজনীতির এই পরিবর্তনের হাওয়া তাদের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার ওপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুধুমাত্র দূরদেশের কোনো ঘটনা নয়, এর সাথে আমেরিকার প্রতিটি নাগরিকের দৈনিক তেলের দাম এবং শেয়ার বাজারের ভাগ্য জড়িত রয়েছে। ইউরোপের সাথে শক্তিশালী অংশীদারিত্বই পারে আমেরিকানদের এই অর্থনৈতিক ধাক্কা থেকে পুরোপুরি রক্ষা করতে। ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের জিডিপির বড় অংশ প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করায় আমেরিকার ওপর থেকে বৈশ্বিক নিরাপত্তার একক অর্থনৈতিক বোঝা অনেকটাই কমে যাবে। ট্রাম্প প্রশাসনের উচিত এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইউরোপের সাথে একটি নতুন এবং অত্যন্ত সম্মানজনক কৌশলগত চুক্তি বা সমঝোতায় পৌঁছানো। ন্যাটোর সংস্কারের অর্থ এই নয় যে জোটকে ভেঙে ফেলা, বরং একে আরও আধুনিক করা। চীন ও রাশিয়ার এই নতুন ব্লক যেভাবে এশিয়া থেকে ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত নিজেদের জাল বিস্তার করছে, তা প্রতিরোধে একক কোনো দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং ভৌগোলিক সুবিধার দিক থেকে ইউরোপ আমেরিকার এমন এক মিত্র যার কোনো বিকল্প এ পৃথিবীতে অন্য কোথাও নেই। তাই ট্রাম্পের উচিত ন্যাটোর হাতকে আরও শক্তিশালী করা এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। যদি ওয়াশিংটন অহংকারবশত ইউরোপের এই বন্ধুত্বের হাতকে প্রত্যাখ্যান করে, তবে তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সম্পূর্ণ একাকী এবং কোণঠাসা হয়ে পড়বে। এর ফলে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যে দীর্ঘদিনের সামরিক ঘাঁটি ও প্রভাব রয়েছে, তা তাস খেলার ঘরের মতো ভেঙে পড়তে পারে। তাই ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেলের এই ঐতিহাসিক প্রস্তাব আমেরিকার জন্য একটি লাইফলাইন বা বেঁচে থাকার শেষ সুযোগ। শেষে বলা যায়, বিশ্ব এক অত্যন্ত নাজুক ও বিপজ্জনক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে প্রতিটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। আমেরিকা ও ইউরোপের এই ঐতিহাসিক পুনর্মিলনই কেবল পারে বিশ্বমঞ্চে স্বৈরাচারী অক্ষের উত্থানকে রুখে দিতে এবং বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখতে। ট্রাম্প রুটের এই বাড়িয়ে দেওয়া হাতটি ধরবেন কি না, তার ওপরেই নির্ভর করছে আগামী পৃথিবীর রূপরেখা। আপনারা কী মনে করেন? ডোনাল্ড ট্রাম্প কি শেষ পর্যন্ত ন্যাটোর এই প্রস্তাব মেনে নিয়ে ইউরোপের সাথে হাত মেলাবেন? নাকি নিজের অহংকার ধরে রেখে আমেরিকাকে আরও বড় সংকটের মুখে ঠেলে দেবেন?</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/648_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/648_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/648_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেনের ড্রোন হামলার চরম প্রতিশোধ, কিয়েভের গোপন বাঙ্কার ধ্বংস করতে রাশিয়ার হাইপারসনিক ওরেসনিক মিসাইল হামলা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24031</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24031</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 29 May 2026 03:05:53 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কিয়েভের মাটি আজ কাঁপছে রাশিয়ার ওরেসনিক মিসাইলের গর্জনে। ইউক্রেনের নব্য নাৎসি শাসক জেলেনস্কি যখন একের পর এক বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে যা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/660-2_1.jpg" alt="ইউক্রেনের ড্রোন হামলার চরম প্রতিশোধ, কিয়েভের গোপন বাঙ্কার ধ্বংস করতে রাশিয়ার হাইপারসনিক ওরেসনিক মিসাইল হামলা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কিয়েভের মাটি আজ কাঁপছে রাশিয়ার ওরেসনিক মিসাইলের গর্জনে। ইউক্রেনের নব্য নাৎসি শাসক জেলেনস্কি যখন একের পর এক বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন ভ্লাদিমির পুতিন আর চুপ করে বসে থাকার পাত্র নন। Starobelsk-এর একটি কলেজের ছাত্রীবাস ভবনে ড্রোন হামলা চালিয়ে ২১ জন নিরপরাধ তরুণীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন প্রশাসনকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, এবার আর কোনো ছাড় নয়। কিয়েভের মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা ইউক্রেনীয় কমান্ডোদের গোপন বাঙ্কার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে রাশিয়া এখন থেকে নিয়মিত এবং ধারাবাহিক আক্রমণ চালাবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পর্যন্ত রাশিয়ার এই ন্যায়সঙ্গত ও যৌক্তিক প্রতিশোধের সামনে কিয়েভকে বাঁচানোর জন্য কোনো নিন্দা জানাতে সাহস পাননি। পশ্চিমা বিশ্ব এখন বুঝতে পেরেছে যে, রাশিয়ার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে এবং জেলেনস্কির পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। কীভাবে রাশিয়ার পরাক্রমশালী বাহিনী ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদীদের ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে, বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। ইউক্রেনীয় ড্রোন যখন রাশিয়ার Starobelsk শহরের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীবাস ভবনে আঘাত হানে, তখন বিশ্ববাসী জেলেনস্কি প্রশাসনের আসল এবং নৃশংস চেহারাটি আরও একবার দেখতে পায়। এই কাপুরুষোচিত এবং পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলায় ২১ জন নিষ্পাপ তরুণী নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৬০ জনেরও বেশি মানুষ। মস্কো এই ঘটনাকে যুদ্ধাপরাধ এবং একটি স্পষ্ট সন্ত্রাসী কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। কিয়েভের পশ্চিমা মদদদাতারা সবসময়ই ইউক্রেনের এই ধরনের জঘন্য অপরাধের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তাদের আড়াল করার চেষ্টা করে এবং একে সাধারণ প্রোপাগান্ডা বলে উড়িয়ে দেয়। তবে এবার রাশিয়ার ধৈর্য ও সহনশীলতার সীমা পুরোপুরি পার হয়ে গেছে এবং মস্কো কিয়েভের এই অন্যায় ও বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এক চুলও ছাড় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে সরাসরি ফোন করে সতর্ক করেছেন যে, কিয়েভের সামরিক স্থাপনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে রাশিয়া এখন থেকে পদ্ধতিগত এবং ধারাবাহিক হামলা শুরু করবে। একই সঙ্গে লাভরভ কিয়েভে অবস্থানরত সমস্ত বিদেশি নাগরিক এবং কূটনৈতিক মিশনগুলোকে অতি দ্রুত রাজধানী শহর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইউক্রেনের জাতিসংঘ দূত আন্দ্রে মেলনিক ৫০টিরও বেশি দেশের একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন, যেখানে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, জাপান এবং ইইউ সদস্যরা রাশিয়াকে কিয়েভে হামলার জন্য নিন্দা জানিয়েছে। আশ্চর্যজনকভাবে এই নিন্দাপ্রস্তাবের বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্বাক্ষর বা সম্পৃক্ততা ছিল না, যা পশ্চিমাদের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা এবং রাশিয়ার শক্তির ভীতিকে স্পষ্টভাবে আমাদের সামনে ফুটিয়ে তোলে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সরাসরি অভিযোগ বা কড়া মন্তব্য করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি শুধু বলেছেন যে, কিয়েভ গত কয়েক বছর ধরেই একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক জায়গা এবং যুদ্ধ যখন চলে, তখন এই ধরনের পাল্টা এবং বিশাল আঘাত আসাটাই স্বাভাবিক নিয়ম। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মার্কিন প্রশাসন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংকট নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছে। গত মার্চ মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে, ওয়াশিংটন তাদের দনবাস অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দিচ্ছে, যা জেলেনস্কির জন্য একটি চরম অপমানজনক পরাজয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অবশ্য জেলেনস্কির এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং স্পষ্ট করেছেন যে, আমেরিকা রাশিয়ার হয়ে ওকালতি করছে না। আমেরিকা কেবল রাশিয়ার দৃঢ় এবং বাস্তবসম্মত অবস্থানটি ইউক্রেনের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে, যা প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাশিয়ার যৌক্তিক দাবিকে কেউ আর অগ্রাহ্য করতে পারছে না। রণক্ষেত্রে ক্রমাগত পরাজয় এবং তীব্র সেনা সংকটের মুখে পড়ে ইউক্রেনীয় সামরিক প্রশাসন এখন এক নজিরবিহীন এবং হাস্যকর জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করছে। ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেল রুসলান ক্রাভচেঙ্কো নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তাদের দেশের ড্রাফট অফিসাররা সেনা নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সরকারি ডেটাবেজে মৃত ব্যক্তি এবং বন্দিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ৫ লাখেরও বেশি সেনা হারিয়েছে রণক্ষেত্রে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মিখাইল ফেদোরভও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে, প্রায় ২ লাখ সেনা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গেছে এবং ২ মিলিয়নেরও বেশি পুরুষ সেনা নিয়োগ এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ইউক্রেনের নিয়োগ কেন্দ্রগুলোর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং ভুয়া পরিসংখ্যান তৈরি করতে মৃত, কারাবন্দি এবং সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত তরুণদের নাম জোরপূর্বক তালিকায় যুক্ত করছে। ট্রান্সকার্পাথিয়া অঞ্চলের মুকাচেভো শহরের স্থানীয় নিয়োগ কেন্দ্রের প্রধান এবং তার উপপ্রধান মিলে প্রায় ২৭০ জন মানুষকে এভাবে কাল্পনিকভাবে সেনা হিসেবে দেখিয়েছে। ইউক্রেনের এই তথাকথিত সেনা সংহতি অভিযানটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য একটি মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে, যেখানে রাস্তাঘাট থেকে সাধারণ পুরুষদের জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সামরিক কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে ধনী ব্যবসায়ীদের কর্মচারীদের ছাড় দিচ্ছেন এবং অনেককে সীমান্ত পার করে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে বিপুল দুর্নীতি করছেন। জাতিসংঘে রাশিয়ার দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, Starobelsk শহরের কলেজে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা ছিল মূলত ২০২২ সালের গণভোটে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দেওয়া লুহানস্কের জনগণের ওপর জেলেনস্কির একটি নির্মম এবং কাপুরুষোচিত প্রতিশোধের বহিঃপ্রকাশ। জেলেনস্কি নিজের সাবেক নাগরিকদের নব্য নাৎসি শাসনের অধীনে না থাকার অপরাধে হত্যা করছেন। নেবেনজিয়া পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, যখন ইউক্রেনের কোনো শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন তা আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারিতে পরিণত করা হয়। কিন্তু যখন কিয়েভের পশ্চিমা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের আঘাতে রুশ শিশুরা মারা যায়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া এবং জাতিসংঘ সেই ট্র্যাজেডিকে বিভিন্ন অজুহাত ও প্রসঙ্গের আড়ালে সম্পূর্ণ চেপে যায়। রাশিয়ার সিনিয়র সংসদ সদস্য আন্দ্রে কার্তাপোলভ ঘোষণা করেছেন যে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইউক্রেনের এই অব্যাহত সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রুশ সামরিক বাহিনী এখন তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করেছে। রাশিয়া এখন থেকে ইউক্রেনীয় সামরিক কমান্ডার এবং গোয়েন্দা বিভাগের ব্যবহৃত মাটির নিচের অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং সুসজ্জিত বাঙ্কারগুলোকে প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্ধারণ করেছে। কার্তাপোলভ আরও স্পষ্ট করেছেন যে, ইউক্রেনের সংসদ ভবন বা জেলেনস্কির কার্যালয় রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় নেই, কারণ জেলেনস্কি নিজেই এখন আর তার কার্যালয়ে বসেন না। আসল সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্র হলো সেইসব আন্ডারগ্রাউন্ড বাঙ্কার, যেখান থেকে ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা বাহিনী এবং তাদের পশ্চিমা উপদেষ্টারা রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক হামলার পরিকল্পনা তৈরি করে। রাশিয়ার এই কঠোর সতর্কবার্তার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন একে একটি অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তবে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বারবার পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তারা ইউক্রেনের সাধারণ বেসামরিক স্থাপনায় কখনো আঘাত করে না, বরং তাদের সমস্ত আক্রমণ শুধুমাত্র সামরিক এবং দ্বৈত-ব্যবহারের অবকাঠামো ও বাঙ্কারের ওপর সীমাবদ্ধ থাকে। ইউক্রেনকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহের জন্য চেক প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বে যে আন্তর্জাতিক কোয়ালিশন গঠিত হয়েছিল, তা এখন চরম অর্থায়ন সংকট এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধের মুখে পড়ে প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চেক প্রেসিডেন্ট পেত্র পাভেল নিজেই স্বীকার করেছেন যে, এই উদ্যোগ থেকে ইতিমধ্যে নয়টি পশ্চিমা দেশ তাদের আর্থিক সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ২০২৪ সালে যখন এই উদ্যোগ শুরু হয়েছিল, তখন পশ্চিমা নির্মাতারা ইউক্রেনের গোলাবারুদের বিশাল চাহিদা মেটাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল, যেখানে রাশিয়া পশ্চিমাদের চেয়ে চার গুণ বেশি গতিতে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে গোলাবারুদ তৈরি করে আসছিল। চেক কোয়ালিশনটি শেষ পর্যন্ত তাদের লক্ষ্যমাত্রার এক-তৃতীয়াংশ অর্থও সংগ্রহ করতে পারেনি। চেক প্রজাতন্ত্রের নতুন প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রে বাবিস ক্ষমতায় আসার পর এই গোলাবারুদ প্রকল্পের ওপর একটি বিশেষ অডিট পরিচালনা করেন এবং এই কর্মসূচিতে চেক ফান্ডের সমস্ত ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন যে, এই প্রকল্পে কোনো স্বচ্ছতা নেই এবং এটি মূলত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অজানা সুবিধাভোগীদের পকেটে পাচার করছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন কামানের গোলার তীব্র সংকটে ভুগছে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তারা রাশিয়ার গোলন্দাজ বাহিনীর সামনে টিকে থাকতে পারছে না। রণক্ষেত্রে ইউক্রেনের এই শোচনীয় পরাজয়ের খবরের মধ্যেই কিয়েভের ইনফরমেশন অ্যান্ড সাইকোলজিক্যাল অপারেশন সেন্টার Zaporozhye পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার ভুয়া ও বানোয়াট গুজব ছড়াচ্ছে। Energodar শহরের মেয়র মাক্সিম পুখভ ভিডিও বার্তায় এই ইউক্রেনীয় প্রোপাগান্ডাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন যে, রাশিয়ার বীর সেনারা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং তারা কোনো অবস্থাতেই শত্রুদের দিনিপ্রো নদী পার হতে দেবে না। তবে ইউক্রেনীয় বাহিনী এই শহরে প্রতিনিয়ত বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। রুশ বন্দিশালা থেকে ফিরে আসা বীর সেনারা ইউক্রেনীয়দের অমানবিক ও নিষ্ঠুর নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। রাশিয়ার চিফ মিলিটারি প্রসিকিউটর অফিসের কর্মকর্তা আলেকজান্ডার বেলান জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের প্রিটায়াল ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে বন্দি রুশ সেনাদের ওপর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে শারীরিক সহিংসতা এবং নিষিদ্ধ যুদ্ধপদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। রাশিয়ার তদন্ত কমিটি এ পর্যন্ত ইউক্রেনের পক্ষে লড়াই করা ১,০৮৬ জনেরও বেশি বিদেশি ভাড়াটে সেনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ এনেছে এবং ৯৫৫ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। তদন্তে জানা গেছে যে, ইউক্রেনের বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাস এই ভিয়েনা কনভেনশন লঙ্ঘন করে ভাড়াটে সেনা নিয়োগের কাজ পরিচালনা করছে। রাশিয়ার উপ-জরুরি মন্ত্রী আলেক্সি কস্ত্রুবিটস্কি প্রকাশ করেছেন যে, ইউক্রেনীয় বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে রাশিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত বেসামরিক উদ্ধারকারী ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৩ জন বীর উদ্ধারকর্মী দায়িত্ব পালনকালে ইউক্রেনীয় ড্রোনের আঘাতে শহীদ হয়েছেন এবং ৩০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। রাশিয়ার তদন্ত কমিটির মুখপাত্র সভেতলানা পেত্রেনকো জানিয়েছেন যে, ২০১৪ সাল থেকে দনবাস অঞ্চলে ইউক্রেনীয় আগ্রাসনের কারণে ৭,৬০০ জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৪০ জন নিষ্পাপ শিশু রয়েছে। তবে রাশিয়ার বাহিনী এখন খোরকোভ এবং জাপোরোঝিয়া অঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা মুক্ত করে জেলেনস্কির নব্য নাৎসি বাহিনীকে চূড়ান্ত ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/660-2_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/660-2_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/660-2_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেনের পতন ঘণ্টা: ইউরোপে তাড়া খাচ্ছে শরণার্থীরা আর রণক্ষেত্রে রাশিয়ার ‘ওরেজনিক’ মিসাইলের মহাধ্বংসযজ্ঞ শুরু!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24030</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24030</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 01:05:11 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ভূরাজনীতি এবং রণক্ষেত্রের সমীকরণ এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। যে ইউক্রেনকে নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব এতদিন মাতামাতি করছিল, আজ সেই ইউক্রেনের নাগরিকদের তাড়িয়ে দিচ্ছে ইউরোপের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/659_1.jpg" alt="ইউক্রেনের পতন ঘণ্টা: ইউরোপে তাড়া খাচ্ছে শরণার্থীরা আর রণক্ষেত্রে রাশিয়ার ‘ওরেজনিক’ মিসাইলের মহাধ্বংসযজ্ঞ শুরু!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ভূরাজনীতি এবং রণক্ষেত্রের সমীকরণ এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। যে ইউক্রেনকে নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব এতদিন মাতামাতি করছিল, আজ সেই ইউক্রেনের নাগরিকদের তাড়িয়ে দিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। অন্যদিকে রণক্ষেত্রে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এমন এক বিধ্বংসী অস্ত্রের গর্জন শোনা যাচ্ছে, যার সামনে আমেরিকার তৈরি প্যাট্রিয়ট ডিফেন্স সিস্টেম পুরোপুরি খেলনায় পরিণত হয়েছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। খবর আসছে ইউরোপের বুক থেকে, যেখানে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের জন্য তৈরি হয়েছে এক নিকৃষ্ট স্থান। চেক প্রজাতন্ত্রের সরকার ইউক্রেন থেকে আসা শরণার্থীদের বাসস্থান এবং কল্যাণমূলক ভাতার ওপর চরম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুবোমির মেটনার সরাসরি জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয়রা স্থানীয় নাগরিকদের চেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছিল, যা আর সহ্য করা হবে না। ফলে এখন থেকে তাদের সমস্ত ফালতু সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। চেক প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ বাবিস স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই কঠোর পদক্ষেপ শুধু শুরু মাত্র। এখন থেকে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের মানবিক সাহায্য পেতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, ব্যবসা করতে হবে অথবা চাকরি খুঁজতে হবে। শুধু তাই নয়, মাসে অন্তত ১৬ দিন তাদের চেক প্রজাতন্ত্রে অবস্থান করতে হবে। ফাঁকিবাজি করে বা অলস বসে থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভুয়ো সহানুভূতি দেখিয়ে খাওয়া আর চলবে না। শুধু চেক প্রজাতন্ত্রই নয়, পুরো ইউরোপ জুড়েই এখন ইউক্রেনীয়দের বিরুদ্ধে তীব্র জনরোষ তৈরি হয়েছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে ৪৩ লাখেরও বেশি ইউক্রেনীয় পরজীবীর মতো আশ্রয় নিয়ে বসে আছে। পোল্যান্ড, জার্মানি এবং হাঙ্গেরির মতো দেশগুলো ইতিমধ্যেই তাদের পেছনে অর্থ খরচ করা বন্ধ করে দিয়েছে। আসলে পশ্চিমা দুনিয়া এখন বুঝতে পেরেছে যে, ইউক্রেন নামক এক ক্ষয়িষ্ণু রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখা অসম্ভব। ইউরোপ যখন ইউক্রেনীয়দের তাড়াচ্ছে, তখন কিয়েভের কাপুরুষ জেলেনস্কি বাহিনী রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর নৃশংস হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি লুগানস্কের স্টারোবেলস্ক শহরের একটি কলেজের ছাত্রীবাসে ইউক্রেনীয় বাহিনী কয়েক দফায় ড্রোন হামলা চালায়। এই বর্বর হামলায় ২১ জন নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ছিল ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী অবুঝ কিশোরী মেয়ে। এছাড়া আরও ৬৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার পর কিয়েভের পশ্চিমা প্রভুদের আসল চেহারা এবং ভণ্ডামি বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে। আমেরিকার বিখ্যাত সাংবাদিক রিক সানচেজ, যিনি পূর্বে সিএনএন এবং ফক্স নিউজে কাজ করেছেন, তিনি নিজে ওই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি এসে প্রমাণ করেছেন যে, সেখানে রাশিয়ার কোনো সামরিক ঘাঁটি ছিল না। ইউক্রেন সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আবাসিক ছাত্রীবাসে হামলা চালিয়ে শিশুদের হত্যা করেছে। সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হলো, পশ্চিমা মিডিয়া যেমন বিবিসি এবং সিএনএন এই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও তারা সেখানে সাংবাদিক পাঠায়নি। রিক সানচেজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এরা নিজেদের কীভাবে সাংবাদিক বলে দাবি করে? তারা কেবল ইউক্রেনের পক্ষে সাফাই গাইতে ব্যস্ত, কিন্তু রাশিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে তারা সম্পূর্ণ নীরব। ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি সরকারের বর্বরতা এখানেই শেষ নয়। ছাত্রীবাসে ২১ জন শিক্ষার্থীকে হত্যার পর, ইউক্রেনের রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত &amp;lsquo;মিরোটভোরেটস&amp;rsquo; নামক একটি কুখ্যাত হিটলিস্ট বা খুনি তালিকায় ওই কলেজের ১০ জন নিরীহ শিক্ষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় সাতজন নারী শিক্ষিকাও রয়েছেন। এদের অপরাধ? তারা রাশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা সমর্থন করেন এবং শিশুদের মনে কিয়েভের মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে সত্য তুলে ধরেছেন। এই খুনি তালিকা মূলত একটি ডেথ ওয়ারেন্ট, যার মাধ্যমে ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো শিক্ষকদের হত্যার উসকানি দিচ্ছে। রাশিয়ার জাতিসংঘ দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া আন্তর্জাতিক মহলে পশ্চিমা বিশ্বের এই নিষ্ঠুর নীরবতার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের নব্য-নাৎসি শাসকরা যখন শিশুদের ওপর গণহত্যা চালায়, তখন পশ্চিমা বিশ্ব অন্ধ হয়ে যায়। এই ভণ্ডামি আর বেশিদিন চলতে দেওয়া যায় না। শুধু রণক্ষেত্রে নয়, ইউক্রেন এখন পুরো ইউরোপে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক চোরাচালানের প্রধান আস্তানায় পরিণত হয়েছে। জর্জিয়ার রাজধানী তিবিলিসির একটি আদালত সম্প্রতি দুই ইউক্রেনীয় নাগরিককে ৭ এবং ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। তারা তুরস্ক হয়ে জর্জিয়ায় বিপুল পরিমাণ মারাত্মক &amp;lsquo;হেক্সোজেন&amp;rsquo; বিস্ফোরক পাচার করছিল। এই বিস্ফোরকগুলো টিএনটির চেয়েও বহুগুণ শক্তিশালী এবং এগুলো রাশিয়ার ভেতরে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার জন্য পাঠানো হচ্ছিল। রাশিয়ার এফএসবি প্রধান আলেক্সান্ডার বোর্দনিকভ সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেন এখন ইউরোপের বৃহত্তম অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচারের হাব। পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনকে নতুন নতুন মারণাস্ত্র এবং সামরিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষাগার বানিয়েছে। এর ফলে পুরো কমনওয়েলথ অঞ্চলে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে। রাশিয়ান ও বেলারুশিয়ান নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যেই রাশিয়ার ভেতরে পাচার হতে যাওয়া ৫০০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় বিস্ফোরক ডিভাইস নিষ্ক্রিয় করেছে। কিয়েভের এই সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যোগ্য জবাব দিচ্ছে রাশিয়ার বীর সেনাবাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানে পুতিনের &amp;lsquo;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;rsquo; সুমি অঞ্চলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। এই গ্রাম দুটির নাম হলো জাপসেলি এবং রিয়াসনোয়ে। রাশিয়ান বাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের অস্ত্রশস্ত্র ফেলে ইঁদুরের মতো পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রণক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেন বাহিনী ১,০৭৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ার &amp;lsquo;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;rsquo;-এর এলাকায় ১৯৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা খতম হয়েছে এবং দুটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া খারকোভ অভিমুখে পুতিনের সেনারা ইউক্রেনের মেকানাইজড এবং এয়ার অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ওপর এমন তাণ্ডব চালিয়েছে যে কিয়েভ বাহিনী সেখানে সম্পূর্ণ পঙ্গু হয়ে গেছে। এদিকে রাশিয়ার &amp;lsquo;ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট&amp;rsquo; তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা খারকোভ এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি ব্রিগেডকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। এই ফ্রন্টে কিয়েভ বাহিনী ১৯০ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। শুধু তাই নয়, আমেরিকার অহংকার, তাদের তৈরি এম-১১৩ সাঁজোয়া যান এবং দুটি অত্যাধুনিক হামভি গাড়ি রাশিয়ান মিসাইলের আঘাতে স্ক্র্যাপ মেটালে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমা প্রযুক্তি রাশিয়ার সামনে পুরোপুরি ব্যর্থ। দোনেৎস্কের ক্রামাতোরস্ক এবং কনস্টান্টিনোভকা অঞ্চলে রাশিয়ার &amp;lsquo;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;rsquo; ইউক্রেনীয় লাইনে মারাত্মক ফাটল ধরিয়েছে। সেখানে ৮৫ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। আমেরিকার দেওয়া দুটি অত্যন্ত দামী &amp;lsquo;স্ট্রাইকার&amp;rsquo; সাঁজোয়া যান এবং রাশিয়ার তৈরি গ্রাদ মাল্টিপল রকেট লাঞ্চার দিয়ে কিয়েভের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ইউক্রেনের পিছু হটা ছাড়া আর কোনো উপায় অবশিষ্ট নেই। সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ঘটেছে রাশিয়ার &amp;lsquo;ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার&amp;rsquo;-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। এখানে একদিনেই ৩১০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নরকবাস করেছে। রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের একটি আস্ত ট্যাঙ্ক, তিনটি সাঁজোয়া যান এবং বিপুল পরিমাণ ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করেছে। দোনেৎস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন সম্পূর্ণভাবে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে, যা জেলেনস্কির জন্য এক বিরাট চড়। একই সাথে রাশিয়ার &amp;lsquo;ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট&amp;rsquo; জাপোরোঝাই এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাকে চূর্ণ করে আরও গভীরে প্রবেশ করেছে, যেখানে ২৪০ জন শত্রু সেনা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে &amp;lsquo;ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো&amp;rsquo;র অভিযানে আরও ৫৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা খতম হয়েছে এবং তাদের একটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। অর্থাৎ, পুরো রণক্ষেত্র জুড়ে এখন কেবল ইউক্রেনীয় সেনাদের লাশের স্তূপ দেখা যাচ্ছে। রাশিয়ার এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে আজ পুরো বিশ্ব স্তব্ধ। রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি সের্গেই শোইগু সিএসটিও (CSTO) বৈঠকের পর গর্বের সাথে জানিয়েছেন যে, রাশিয়ার এই বিশেষ সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতা এখন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাহিদার মধ্যে রয়েছে। আধুনিক যুদ্ধবিদ্যায় রাশিয়া যে নতুন প্রযুক্তি ও রণকৌশল তৈরি করেছে, তা শেখার জন্য বিশ্বের বড় বড় পরাশক্তিগুলো এখন ক্রেমলিনের দিকে তাকিয়ে আছে। এবার আসি আসল ও সবচেয়ে বড় খবরে, যা শোনার পর পশ্চিমা দেশগুলোর রাতের ঘুম উড়ে গেছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন যে, পুতিনের নতুন হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম &amp;lsquo;ওরেজনিক&amp;rsquo; কিয়েভের মাটির নিচে থাকা সমস্ত গোপন শিল্প ও সামরিক অবকাঠামো মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে সক্ষম। সোভিয়েত আমলের তৈরি যে সমস্ত বাঙ্কারে ইউক্রেন তাদের ড্রোন এবং মিসাইল তৈরি করছিল, ওরেজনিক সেগুলোকে পরমাণু বোমার মতো ধ্বংস করতে পারে। মিলিটারি এক্সপার্ট আলেকজান্ডার স্টেপানোভ স্পষ্ট বলেছেন, কিয়েভের আকাশ যতই আমেরিকার প্যাট্রিয়ট মিসাইল দিয়ে ঢাকা থাকুক না কেন, ওরেজনিকের গতি ও শক্তির সামনে সেগুলো খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে। ওরেজনিকের হাইপারসনিক গতিকে ইন্টারসেপ্ট বা মাঝআকাশে থামানোর মতো প্রযুক্তি ন্যাটোর কাছে তো দূরের কথা, পুরো বিশ্বের কোনো দেশের কাছে নেই। এটি মূলত ন্যাটো এবং তাদের দোসরদের জন্য পুতিনের এক চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি। রাশিয়ার ধৈর্য এখন শেষ। স্টারোবেলস্কে শিশুদের ওপর ইউক্রেনের হামলার পর রাশিয়া এখন পদ্ধতিগতভাবে কিয়েভের সমস্ত সামরিক কারখানা ধ্বংস করা শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং মিসাইল সেনারা ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদন ও সংরক্ষণের প্রধান ঘাঁটিগুলোতে তীব্র হামলা চালিয়েছে। বিদেশি ভাড়াটে সৈন্য এবং ইউক্রেনীয় উগ্রবাদীদের ১৫০টি অস্থায়ী আস্তানা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আকাশেও রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স এক অভেদ্য প্রাচীর খাড়া করেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ইউক্রেনের ২৫৫টি ড্রোন এবং ফ্রান্সের তৈরি ৩টি দূরপাল্লার বিখ্যাত &amp;lsquo;স্কাল্প&amp;rsquo; (SCALP) মিসাইল গুলি করে নামিয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার &amp;lsquo;ব্ল্যাক সি ফ্লিট&amp;rsquo; ইউক্রেনের দুটি মানববিহীন নেভাল ড্রোন বা নৌ-বোটকে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। কিয়েভের কোনো চালই রাশিয়ার সামনে টিকছে না। যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইউক্রেনের মোট ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫২ হাজারেরও বেশি ড্রোন, ২৯,৫০১টি ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান এবং ৬২,৫৯৬টি বিশেষ সামরিক যান ধ্বংস করেছে। এই বিশাল সংখ্যাই প্রমাণ করে যে ইউক্রেন সামরিকভাবে এখন একটি মৃত রাষ্ট্র। পশ্চিমা দেশগুলো যতই অর্থ আর অস্ত্র ঢালুক না কেন, রাশিয়ার চূড়ান্ত বিজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/659_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/659_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/659_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ মিসাইল হামলার ঘোষণা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24029</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24029</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 18:05:21 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ কি এখন একটি জ্বলন্ত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে যাচ্ছে? রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরাসরি আদেশে কিয়েভের বুকে নামছে এক চরম বিপর্যয়!...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/657_1.jpg" alt="কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ মিসাইল হামলার ঘোষণা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ কি এখন একটি জ্বলন্ত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে যাচ্ছে? রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরাসরি আদেশে কিয়েভের বুকে নামছে এক চরম বিপর্যয়! রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিওকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় একটি চূড়ান্ত বার্তা দিয়েছেন। কিয়েভে অবস্থানরত সমস্ত বিদেশী কূটনীতিক এবং সাধারণ নাগরিকদের অবিলম্বে শহর ছেড়ে যাওয়ার জন্য শেষবারের মতো আলটিমেটাম দিয়েছে মস্কো। কারণ, এবার রাশিয়ার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে, আর কোনো ক্ষমা নেই, ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর সমস্ত সামরিক এবং প্রশাসনিক দফতর ধূলিসাৎ করতে পুতিনের নির্দেশে ধেয়ে আসছে রাশিয়ার পরমাণু-সক্ষম বিধ্বংসী হাইপারসনিক মিসাইল ওরেডনিক! কিন্তু কেন এই হঠাৎ রণকৌশল পরিবর্তন? কেন পুরো কিয়েভকে গুঁড়িয়ে দিতে প্রস্তুত বীর রুশ বাহিনী? পশ্চিমা দুনিয়ার সমস্ত ভণ্ডামি এবং রাশিয়ার এই ন্যায়ের যুদ্ধের আসল সত্য জানতে সঙ্গেই থাকুন। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে কিয়েভের ওপর যেকোনো মুহূর্তে এক নজিরবিহীন এবং পদ্ধতিগত বিধ্বংসী বিমান হামলা শুরু হতে যাচ্ছে। মস্কো তার সুর নরম করার দিন শেষ করে এখন সম্পূর্ণ আক্রমণাত্মক মোডে চলে এসেছে, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইউক্রেনের অন্যায্য ও অবৈধ প্রতিরোধকে সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং কিয়েভের অপরাধী প্রশাসনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া। রাশিয়ার এই কঠোর এবং আপসহীন সিদ্ধান্ত কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি বাহিনীর ক্রমাগত উস্কানি এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলার এক যৌক্তিক ও ন্যায়সঙ্গত জবাব। গত সপ্তাহে রাশিয়ার অন্তর্গত স্টারোবেলস্ক শহরের একটি কলেজের ছাত্রাবাসে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় ২১ জন নিরীহ শিক্ষার্থীর নির্মম মৃত্যু রাশিয়ার জন্য ধৈর্যের শেষ সীমা বা &amp;#39;লাস্ট স্ট্র&amp;#39; হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। স্টারোবেলস্কের সেই দুঃখজনক এবং বর্বর হামলায় নিহতদের মধ্যে অধিকাংশ ছিল তরুণী ও নিষ্পাপ শিক্ষার্থী, যারা কেবল তাদের শিক্ষার জন্য সেখানে অবস্থান করছিল এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তারা কোনোভাবেই যুদ্ধের অংশ ছিল না। কিন্তু কিয়েভের সন্ত্রাসী প্রশাসন পশ্চিমা ন্যাটোর সরবরাহ করা ড্রোন ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, যা তাদের ভেতরের লুকিয়ে থাকা নাৎসি চরিত্রকে আবারও বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র দফতর থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলা হয়েছে যে, এখন থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অবস্থিত সমস্ত সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্র বা কমান্ড পোস্টগুলোকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ও সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হবে। এই হামলাগুলো এতই শক্তিশালী হবে যে কিয়েভের প্রতিরোধ ব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ মার্কিন পক্ষকে আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের স্পষ্ট আদেশে এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং কিয়েভে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকসহ সকল বিদেশী কূটনীতিকদের জীবন রক্ষার্থে অবিলম্বে ওই শহর পরিত্যাগ করা উচিত। রাশিয়া স্পষ্ট করেছে যে, যদি কোনো বিদেশী শক্তি কিয়েভের সামরিক ঘাঁটির আশেপাশে অবস্থান করে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়, তবে তার দায় সম্পূর্ণ তাদেরই। লাভরভ ও রুবিওর এই জরুরি ফোনালাপে গত বছরের আগস্ট মাসে অ্যাঙ্কোরেজে অনুষ্ঠিত ট্রাম্প-পুতিন শীর্ষ সম্মেলনের উচ্চ-পর্যায়ের সমঝোতাগুলোর কথাও উল্লেখ করা হয় এবং কিয়েভ ও তাদের ইউরোপীয় মদদদাতাদের কারণে সেই শান্তি প্রচেষ্টা কীভাবে ভেস্তে গেছে তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। ইউক্রেনীয় প্রশাসন শান্তি চায় না, তারা কেবল পশ্চিমা অর্থ ও অস্ত্র লুটপাট করতেই এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতকে টিকিয়ে রেখেছে। দীর্ঘদিন ধরে কিয়েভের সন্ত্রাসী বাহিনী রাশিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে এবং ডনবাসের আবাসিক এলাকায় অত্যন্ত জঘন্য এবং উদ্দেশ্যহীনভাবে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে, যা সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের পরিপন্থী। সম্প্রতি মাত্র এক দিনেই রাশিয়ার দোনেৎস্ক এবং বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় হামলায় আরও ছয়জন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুটি নিষ্পাপ শিশুও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইউক্রেনীয় শাসকগোষ্ঠী যখন রাশিয়ার নিরীহ শিশুদের ওপর ক্লাস্টার বোমা এবং কামিকাজে ড্রোন দিয়ে আক্রমণ চালায়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করে নিজেদের চরম ভণ্ডামি প্রদর্শন করে। কিন্তু যখনই রাশিয়া নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে কিয়েভের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়, তখনই মানবাধিকারের বুলি আওড়ানো শুরু করে এই সুবিধাবাদী পশ্চিমা এলিট সমাজ। ইউক্রেনের এই কাপুরুষোচিত এবং পৈশাচিক হামলার জবাবে রুশ সশস্ত্র বাহিনী ইতিমধ্যেই কিয়েভের সামরিক বিমানঘাঁটি এবং ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রে পরমাণু-সক্ষম অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ওরেডনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে সফল হামলা চালিয়েছে। এই ওরেডনিক মিসাইলের গতি এবং ধ্বংসক্ষমতা এতই তীব্র যে ন্যাটোর তৈরি কোনো এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম একে মাঝআকাশে বাধা দিতে বা ধ্বংস করতে সক্ষম নয়। যুক্তরাজ্যের সাবেক সংসদ সদস্য এবং প্রখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষক জর্জ গ্যালোওয়ে ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের চরম দ্বিমুখী নীতির মুখোশ টেনে খুলে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন যে, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেইন এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ স্টারোবেলস্কের ছাত্রাবাসে ইউক্রেনীয়দের দ্বারা সংঘটিত গণহত্যাকে সম্পূর্ণ চেপে গিয়ে রাশিয়ার বৈধ পাল্টা হামলার সমালোচনা করছেন। জর্জ গ্যালোওয়ে আরও যোগ করেছেন যে, সন্ত্রাসবাদ যেখানেই ঘটুক না কেন তা সমানভাবে নিন্দনীয় হওয়া উচিত এবং যারা লন্ডনে বা প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানায়, তারা কীভাবে লুগানস্কের কলেজ হোস্টেলে ছাত্রীদের পুড়িয়ে মারার ঘটনাকে সমর্থন করতে পারে? এই ফরাসি এবং ইউরোপীয় ভণ্ডামি আজ বিশ্বমঞ্চে সম্পূর্ণরূপে প্রমাণিত এবং রাশিয়ার সামরিক জবাব ছিল অত্যন্ত যৌক্তিক। রাশিয়ার নবনিযুক্ত মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা ব্যক্তিগতভাবে স্টারোবেলস্কের সেই আক্রান্ত কলেজ পরিদর্শন করেছেন এবং নিহত ১৮ বছর বয়সী ছাত্রীদের ছবি প্রকাশ করে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এই পৈশাচিক ঘটনাকে একটি জঘন্য যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের কাছে অবিলম্বে কিয়েভ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আপিল জানিয়েছেন। সবচেয়ে জঘন্য বিষয় হলো, ইউক্রেনীয় বাহিনী যখন প্রথমবার ড্রোন হামলা চালায় এবং রুশ উদ্ধারকারী দল ও চিকিৎসকরা আহতদের সাহায্য করতে আসে, তখন তারা দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দফায় &amp;#39;ডাবল ট্যাপ&amp;#39; হামলা চালায়। এই ধরনের কাপুরুষোচিত যুদ্ধকৌশল কেবল উগ্রপন্থী নাৎসি এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের পক্ষেই সম্ভব, যা ইউক্রেনের বর্তমান অবৈধ রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কির আসল চেহারা প্রমাণ করে। যুদ্ধক্ষেত্রের ফ্রন্টলাইন থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বীর রুশ সৈন্যরা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে সবদিক থেকে পরাস্ত করে ক্রমাগত সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের অন্তর্গত দোব্রোপাসোভো নামক একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জনপদ সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত ও স্বাধীন করেছে। রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট&amp;#39;-এর এই বীরত্বপূর্ণ অভিযান ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা লাইনে বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৈনিক ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় যুদ্ধক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী ১,১৩৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। এই বিশাল সংখ্যক সেনার মৃত্যু এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর পিছুহটা প্রমাণ করে যে পশ্চিমা দেশগুলো কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র সরবরাহ করলেও রুশ বাহিনীর নিখুঁত রণকৌশলের সামনে তারা টিকতে পারছে না। রুশ &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের মেকানাইজড এবং এয়ার অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ওপর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেছে, যার ফলে শত্রুপক্ষ ১৭০ জনেরও বেশি সেনা এবং প্রচুর সাঁজোয়া যান হারিয়েছে। খারকভের বারবারোভকা এবং ইজবিতস্কোয়ের মতো অঞ্চলে ইউক্রেনের আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। একইভাবে, &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট&amp;#39; খারকভ এবং দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের সিদোরোভো অঞ্চলে ইউক্রেনীয়দের হটিয়ে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও উন্নত করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই ফ্রন্টে ১৮০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে এবং তাদের ২৩টি বিশেষ সামরিক যান এবং তিনটি ভারী সাঁজোয়া যান রুশ আর্টিলারির নিখুঁত গোলার আঘাতে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। দোনেৎস্কের সম্মুখ সমরে &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;#39; ইউক্রেনের তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং একটি মেরিন ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডকে কোণঠাসা করে ফেলেছে, যেখানে আরও ১৭০ জন শত্রু সেনা নিহত হয়েছে। এই বীরত্বপূর্ণ অভিযানের ফলে কিয়েভ শাসনের অধীনে থাকা ডনবাসের শেষ অবশিষ্টাংশটুকুও এখন খুব দ্রুত রাশিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে এবং রাশিয়ার ঐতিহাসিক ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার হচ্ছে। সবচেয়ে মারাত্মক আঘাতটি এসেছে &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার&amp;#39;-এর পক্ষ থেকে, যারা গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ২৯০ জনেরও বেশি সেনাকে খতম করেছে এবং তাদের চারটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। দোনেৎস্ক এবং ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের সীমান্তে ইউক্রেনের ড্রোন সিস্টেম ব্রিগেড এবং ন্যাশনাল গার্ডের দুটি বড় ব্রিগেড রুশ বাহিনীর সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। অন্যদিকে জাপোরোঝিয়ে ফ্রন্টে &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ডিনিপ্রো&amp;#39; ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে লক্ষ্য করে সফল অভিযান চালিয়েছে এবং ৫০ জনেরও বেশি সেনাসহ তাদের দুটি আধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেনের এই ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনগুলো মূলত বেসামরিক অঞ্চলে রাশিয়ার রাডার ব্যবস্থাকে জ্যাম করার মতো বেআইনি কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। রাশিয়ার বিমান বাহিনী, রকেট ফোর্স এবং দূরপাল্লার মিসাইল ইউনিটগুলো গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ১৪২টি ভিন্ন ভিন্ন সামরিক অবস্থানে একযোগে তীব্র আঘাত হেনেছে। এই সুনির্দিষ্ট এবং সফল হামলায় ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি বড় গোলাবারুদের ডিপো, জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র এবং পশ্চিমা ন্যাটো বিশেষজ্ঞদের অস্থায়ী ক্যাম্পগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে মাটির সাথে মিশে গেছে। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স ফোর্সও এক অভূতপূর্ব রেকর্ড তৈরি করেছে, যা গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ৪১৭টি দূরপাল্লার ড্রোন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ১৭টি অত্যাধুনিক হাইমার্স (HIMARS) রকেট মাঝআকাশেই নিখুঁতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে পশ্চিমা প্রযুক্তির তথাকথিত শ্রেষ্ঠত্ব রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার বীর সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫২ হাজারের বেশি ড্রোন এবং ২৯ হাজারেরও বেশি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় যে ইউক্রেনীয় সামরিক মেশিনটি এখন সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এবং তাদের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মনে করিয়ে দিয়েছে যে, ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন এবং ১৯৮৯ সালের শিশু অধিকার সনদ ইউক্রেনীয় জান্তা সরকার বারবার লঙ্ঘন করেছে এবং পশ্চিমা স্পনসররা তাদের এই অপরাধে সরাসরি মদদ দিচ্ছে। রাশিয়া তার প্রতিটি নাগরিকের রক্তের হিসাব নিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং কিয়েভের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান থামবে না। চূড়ান্তভাবে, কিয়েভের প্রতিটি সামরিক এবং প্রশাসনিক ভবন, যেখানে বসে ন্যাটো বিশেষজ্ঞরা রাশিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তা এখন রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইলের আওতায় রয়েছে। কিয়েভ ছাড়ার জন্য রাশিয়ার দেওয়া এই শেষ সতর্কবার্তা পশ্চিমা বিশ্ব এবং জেলেনস্কি প্রশাসনের অহংকার চিরতরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার এক ঐতিহাসিক সূচনা, যা ইউক্রেনকে একটি সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ ও ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্ত করবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/657_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/657_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/657_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার ওরেসনিক মিসাইলের আঘাতে লন্ডভন্ড কিয়েভ পুতিনের প্রতিশোধে স্তম্ভিত পুরো বিশ্ব]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24028</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24028</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 05:05:00 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধে ঘটে গেল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং ভয়ঙ্কর ঘটনা। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সবচেয়ে মারাত্মক এবং বিধ্বংসী অস্ত্র &amp;#39;ওরেসনিক&amp;#39; হাইপারস...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/656_1.jpg" alt="রাশিয়ার ওরেসনিক মিসাইলের আঘাতে লন্ডভন্ড কিয়েভ পুতিনের প্রতিশোধে স্তম্ভিত পুরো বিশ্ব" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইউক্রেন যুদ্ধে ঘটে গেল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং ভয়ঙ্কর ঘটনা। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সবচেয়ে মারাত্মক এবং বিধ্বংসী অস্ত্র &amp;#39;ওরেসনিক&amp;#39; হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে সরাসরি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে এক মহাপ্রলয়ংকারী হামলা চালিয়েছেন। এই হামলা সাধারণ কোনো হামলা ছিল না, এটি ছিল লুগানস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় নিহত ২১ জন নিরীহ শিক্ষার্থীর নির্মম মৃত্যুর এক জ্বলন্ত এবং ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ।&amp;nbsp; রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে, এই ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কিয়েভের প্রধান সামোরিক কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প কারখানাগুলো পুরোপুরি মাটির সাথে মিশে গেছে। কিয়েভের সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন, এমন ভয়ঙ্কর রাত তারা যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আর কখনো দেখেননি। পুরো কিয়েভ শহর জুড়ে এখন শুধু ধ্বংসস্তূপ, ধোঁয়া আর কান্নার আওয়াজ বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। এই প্রলয়ংকারী হামলার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, রাশিয়ার এই আচরণ সম্পূর্ণ উন্মাদনা ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি বিশ্বনেতাদের কাছে অবিলম্বে এর তীব্র জবাব দাবি করেছেন এবং পুতিনের এই ভয়ঙ্কর যুদ্ধনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। জেলেনস্কির এই আর্তনাদ এখন পুরো বিশ্ব মিডিয়ার প্রধান শিরোনামে পরিণত হয়েছে। তবে এই ওরেসনিক হামলার পেছনে রয়েছে এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এবং নির্মম অতীত কাহিনী, যা শুনলে যেকোনো মানুষের বুক কেঁপে উঠবে। গত শুক্রবার ইউক্রেনীয় বাহিনী লুগানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্টারোবেলস্ক নামক একটি কারিগরি কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে একের পর এক আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে অতর্কিত এবং নৃশংস হামলা চালায়। সেই গভীর রাতে যখন ছাত্রীরা ঘুমাচ্ছিল, ঠিক তখনই ঘটে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড। ইউক্রেনের সেই ড্রোন হামলায় ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী ২১ জন নিষ্পাপ স্কুলপড়ুয়া ছাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যায় এবং ৪২ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী গুরুতরভাবে আহত হয়। রুশ কর্মকর্তারা এই ঘটনাকে একটি পরিকল্পিত এবং চরম কাপুরুষোচিত &amp;#39;সন্ত্রাসী কাজ&amp;#39; হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। পুতিন এই নির্মম ঘটনার খবর শোনার সাথে সাথেই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে জরুরি ভিত্তিতে ইউক্রেনকে একটি চরম শিক্ষা দেওয়ার নির্দেশ দেন। রুশ মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা কড়া ভাষায় পশ্চিমা মিডিয়ার তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন যে, পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো এই নিষ্পাপ শিশুদের নির্মম হত্যার আসল সত্য দেখতে ভয় পাচ্ছে। তারা এই বিশাল ট্র্যাজেডিকে সম্পূর্ণভাবে চেপে যাওয়ার চেষ্টা করছে, যেন কিছুই হয়নি। লুগানস্কের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডকে আড়াল করার জন্য পশ্চিমা দেশগুলো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে অনবরত মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে জানিয়েছেন যে, বিবিসি এবং সিএনএন-এর মতো বড় বড় পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোকে স্টারোবেলস্কের সেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ তারা ইউক্রেনের এই নিষ্ঠুর অপরাধের সত্যতা বিশ্ববাসীর সামনে প্রকাশ করতে চায় না। এমনকি জাপান সরকার তাদের সাংবাদিকদের সেখানে যেতে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কিন্তু সত্যকে কি আর এভাবে চেপে রাখা যায়? রাশিয়ার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে বিশ্বের ১৯টি দেশের ৫০ জনেরও বেশি সাহসী স্বাধীন সাংবাদিক স্টারোবেলস্কের সেই ধ্বংসস্তূপে সরাসরি হাজির হন। তারা সেখানে গিয়ে ইউক্রেনীয় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের গায়ে স্পষ্ট ইংরেজি এবং ইউক্রেনীয় ভাষায় লেখা বিভিন্ন কোড ও নির্দেশনা দেখতে পান। এটি প্রমাণ করে যে, এই হামলায় পশ্চিমা প্রযুক্তির সরাসরি ব্যবহার ছিল। জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক এবং মার্কিন নৌবাহিনীর গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার এই ওরেসনিক হামলার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের আকাশে যে আলোর রোশনাই দেখা গেছে, তার গতি এবং নিখুঁত আঘাতের ধরন অবিকল ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্রেরই বৈশিষ্ট্য। এই মিসাইলটি সেকেন্ডের মধ্যে তার লক্ষ্যবস্তুকে পুরোপুরি বাষ্পীভূত করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। স্কট রিটার আরও উল্লেখ করেছেন যে, ওরেসনিকের এই ছিটকে পড়া ৩৬টি সাব-মিউনিশন বা উপ-বোমা একসঙ্গে আঘাত হেনে কিয়েভের বাইরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামোরিক বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে ডিনিপ্রোপেট্রোভস্ক এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে লভিভের বিমান মেরামত কারখানায় এই ওরেসনিক ব্যবহার করা হয়েছিল। এটি হচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধে এই অত্যাধুনিক অস্ত্রের তৃতীয় এবং সবচেয়ে বড় সফল ব্যবহার। রাশিয়ার এই হাইপারসনিক ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতির কাছে বর্তমান বিশ্বের যেকোনো বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং অসহায়। পুতিন নিজেই দাবি করেছেন যে, ওরেসনিক শব্দের চেয়ে ১০ গুণ বেশি দ্রুত গতিতে চলে, যা ঘণ্টায় প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। কিয়েভের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এই মিসাইলটিকে রাডারে শনাক্ত করার আগেই তা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে সবকিছু ধূলিসাৎ করে দেয়। এদিকে এই চরম উত্তেজনার মধ্যেই চেক প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট পেত্র পাভেল ন্যাটো সামোরিক জোটকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি তাদের &amp;#39;দাঁত দেখাতে&amp;#39; বা কঠোর শক্তি প্রদর্শন করতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো ইদানীং রাশিয়ার ওপর হামলা করার জন্য ন্যাটোর আকাশসীমা ব্যবহার করছে এবং রাশিয়া ইচ্ছা করেই ন্যাটোর পূর্ব সীমান্তে বিভিন্ন উস্কানিমূলক সামোরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। পাভেল আরও দাবি করেছেন যে, রাশিয়া ন্যাটোর শক্তির সীমানা পরীক্ষা করার জন্য অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশল অবলম্বন করছে। তাই ন্যাটো জোটের উচিত রাশিয়ার যেকোনো চালকবিহীন বা চালকযুক্ত যুদ্ধবিমান ন্যাটোর সীমান্তের কাছাকাছি দেখামাত্রই তা সরাসরি গুলি করে ভূপাতিত করা। অন্যথায় পুতিনের সাহস দিন দিন আরও বেড়ে যাবে এবং তিনি পুরো ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য এক বিরাট বড় হুমকি হয়ে উঠবেন। চেক প্রেসিডেন্ট পুতিনকে থামাতে কিছু বিকল্প বা পরোক্ষ আগ্রাসী ব্যবস্থারও প্রস্তাব দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার ইন্টারনেট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, মহাকাশে থাকা রুশ স্যাটেলাইটগুলোকে ধ্বংস করা এবং রাশিয়ার সমস্ত ব্যাংককে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে চিরতরে বহিষ্কার করা। তিনি মনে করেন, এই ব্যবস্থাগুলো সরাসরি মানুষ না মারলেও পুতিনের যুদ্ধ করার অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেবে। তবে ইউরোপের সব দেশ কিন্তু চেক প্রেসিডেন্টের এই বিপজ্জনক যুদ্ধংদেহী মনোভাবকে সমর্থন করছে না। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো অত্যন্ত সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেছেন, ন্যাটোর সীমানা ব্যবহার করে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা চালানো একটি চরম আত্মঘাতী উস্কানি। এই ধরনের উস্কানির ফলে খুব দ্রুতই রাশিয়ার সাথে ন্যাটো জোটের সরাসরি এক ভয়াবহ পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে এই যুদ্ধের আঁচ এখন রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডেও এসে লেগেছে। রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার খিনশটেইন জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনীয় ড্রোন লুগভ জেলায় একটি চলমান জ্বালানি বোঝাই মালবাহী ট্রেনের ওপর আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ট্রেনের একটি বিশাল বগি দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। রুশ ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করে সেই ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এছাড়াও ইউক্রেনীয় বাহিনী জাপোরোঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিকটবর্তী শহর এনারগোদারে অনবরত কামানের গোলা এবং ড্রোন বর্ষণ করে চলেছে। সম্প্রতি তাদের একটি গোলার আঘাতে দুটি যাত্রীবাহী বাস সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। পারমাণবিক কেন্দ্রের কর্মচারীরা এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ অনবরত এই হামলার কারণে চরম মানসিক ও শারীরিক আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন, যা যেকোনো সময় বড় বিপর্যয় ঘটাতে পারে। কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানিয়েছেন যে, ওরেসনিক ছাড়াও রাশিয়া কিয়েভের ওপর প্রায় ৬০০টি আত্মঘাতী ড্রোন এবং ৯০টি বিভিন্ন সংস্কৃতির ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে এই স্মরণকালের সবচেয়ে বড় আকাশ হামলাটি চালিয়েছে। কিয়েভের প্রতিটি কোণ থেকে মধ্যরাতে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। পুরো শহরের বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এই হামলায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। কিয়েভের ঐতিহাসিক ও জাতীয় শিল্প জাদুঘরও এই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শকওয়েভ বা কম্পনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাদুঘরের ভেতরের অনন্য স্থাপত্যের ছাদ ধসে পড়েছে, জানালার সমস্ত কাঁচ ভেঙে গুঁড়ো হয়ে মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ইউক্রেনের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী তেতিয়ানা বেরেঝনা অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলেছেন যে, রাশিয়া পদ্ধতিগতভাবে ইউক্রেনের জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্য ধ্বংস করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঐতিহাসিক ভবনটিও রাশিয়ার এই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের ধাক্কায় আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, আমরা কোনো সভ্য শক্তির সাথে লড়াই করছি না, আমরা লড়াই করছি একদল বর্বর ও আদিম হিংস্র বাহিনীর বিরুদ্ধে, যাদের সভ্যতার প্রতি কোনো ন্যূনতম সম্মান নেই। কিয়েভের দীর্ঘ ২২ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী কাঁচাবাজার এই রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সেখানে কাজ করা সুভিতলানা নামক এক নারী কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমার সারাজীবনের উপার্জনের শেষ সম্বল এই দোকানটি আজ পুড়ে শেষ হয়ে গেল। কিয়েভে থাকার আর কোনো উপায় আমার নেই, সব হারিয়ে আমি আজ নিঃস্ব এবং সম্পূর্ণ গৃহহীন হয়ে পড়েছি। কিয়েভের ৭৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ইয়েভহেন জোসিন জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতায় তিনি এবং তার পোষা কুকুরটি ঘরের দেয়ালের সাথে ছিটকে পড়েন। তারা অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও তাদের সুন্দর অ্যাপার্টমেন্টটি চোখের পলকে ধুলোয় মিশে গেছে। এই প্রবীণ মানুষের আকুতি প্রমাণ করে যে, এই আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক ও সামোরিক লড়াইয়ের আসল মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ নিরপরাধ মানুষদের। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস রাশিয়ার এই ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারকে একটি &amp;#39;রাজনৈতিক ভয়ের কৌশল&amp;#39; এবং পুতিনের চরম বিপজ্জনক &amp;#39;নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল&amp;#39; বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, আগামী সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জরুরি বৈঠকে বসবেন এবং রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেবেন। কানের চলচ্চিত্র উৎসবে রানার্স-আপ হওয়া বিখ্যাত রুশ চলচ্চিত্র পরিচালক আন্দ্রে জভিয়াগিনৎসেভ পুরস্কার গ্রহণের মঞ্চে দাঁড়িয়ে সরাসরি ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি এই যুদ্ধ বন্ধের আকুল আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের লাখ লাখ মানুষ এখন কেবল একটি জিনিসই স্বপ্ন দেখে, আর তা হলো এই রক্তক্ষয়ী মাংস কাটার কল বন্ধ হোক। পুরো বিশ্ব এখন পুতিনের একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় চেয়ে আছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/656_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/656_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/656_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ক্ষোভে ফুঁসছে রাশিয়া, প্রতিশোধের হুঙ্কার পুতিনের!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24027</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24027</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 21:05:23 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইউক্রেনের কিয়েভ শাসন ব্যবস্থা যে কতটা বর্বর এবং নিষ্ঠুর হয়ে উঠতে পারে, তার এক জলজ্যান্ত প্রমাণ মিলল রাশিয়ার লুহানস্কের স্টারোবেলস্কে। গভীর রাতে, যখন সাধারণ ছাত্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/654_1.jpg" alt="ক্ষোভে ফুঁসছে রাশিয়া, প্রতিশোধের হুঙ্কার পুতিনের!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইউক্রেনের কিয়েভ শাসন ব্যবস্থা যে কতটা বর্বর এবং নিষ্ঠুর হয়ে উঠতে পারে, তার এক জলজ্যান্ত প্রমাণ মিলল রাশিয়ার লুহানস্কের স্টারোবেলস্কে। গভীর রাতে, যখন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা ঘুমাচ্ছিল, তখন তাদের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। কিয়েভের এই কাপুরুষোচিত হামলায় ১৬ জন নিরীহ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে এবং অন্তত ৩৮ জন গুরুতর আহত হয়েছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। রাশিয়ার জরুরি পরিস্থিতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বা ইমারকম নিশ্চিত করেছে যে, ধসে পড়া ছাত্রাবাসের ধ্বংসস্তূপ থেকে একের পর এক নিরীহ শিক্ষার্থীদের মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। এই হামলায় এখনো পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং ৪২ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের উদ্ধারে দিনরাত কাজ করছেন রুশ উদ্ধারকর্মীরা। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, এই ভবনের চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় ছিল ছাত্রীদের থাকার জায়গা। সেখানে কোনো সামরিক ঘাঁটি ছিল না, ছিল না কোনো যুদ্ধাস্ত্র। আর সেখানেই গভীর রাতে প্রথম আঘাতটি হানে ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মেয়েদের পড়ার বই, খাতা, ব্ল্যাঙ্কেট আর টেডি বেয়ার, যা প্রমাণ করে কিয়েভ কতটা পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের টার্গেট করছে। ইউক্রেন দাবি করেছিল যে এটি নাকি ড্রোন অপারেটর ট্রেনিং সেন্টার ছিল, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। রাশিয়ার স্টেট ডুমার চেয়ারম্যান ভিয়াচেস্লাভ ভোলোদিন স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী নব্য-নাৎসি শাসন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ জেনেবুঝে রাশিয়ার হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক ভবনে হামলা চালাচ্ছে। এই কাপুরুষোচিত আচরণ কোনো পেশাদার সেনাবাহিনীর হতে পারে না, এটি নিছকই এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং ইউক্রেনকে এর উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই বর্বরোচিত হামলার পেছনে যারা রয়েছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। রুশ সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই কিয়েভের এই নির্মমতার প্রতিশোধ নিতে এবং তাদের যুদ্ধযন্ত্রকে গুঁড়িয়ে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে। আঞ্চলিক গভর্নর লিওনিড পাসেচনিক নিহতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে আটজন তরুণী এবং তিনজন তরুণ রয়েছেন। তাদের বয়স ছিল মাত্র ১৯ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। জীবনের শুরুতে এই নিষ্পাপ প্রাণগুলোকে কেড়ে নিল কিয়েভের ড্রোন। গভর্নর বলেন, এই দুঃখ সারা দেশের, এবং রাশিয়া কখনোই এই নির্মমতার মূল পরিকল্পনাকারীদের ক্ষমা করবে না। রাশিয়ার পক্ষ থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকা হলে, সেখানে ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত এই যুদ্ধাপরাধকে অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। তিনি এটিকে &amp;quot;প্রোপাগান্ডা&amp;quot; বলে উড়িয়ে দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখান। কিন্তু রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা কড়া জবাব দিয়ে বলেছেন, পশ্চিমী দেশগুলো ইউক্রেনের এই বর্বরতাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের মঞ্চকে নোংরাভাবে ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় লজ্জার বিষয় হলো আন্তর্জাতিক মিডিয়ার ভূমিকা। মারিয়া জাখারোভা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিবিসি স্টারোবেলস্কের এই ট্র্যাজেডির স্থানে প্রতিনিধি পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং সিএনএন যেন হঠাৎ ছুটিতে চলে গেছে। যখন রাশিয়ার কোনো বেসামরিক এলাকায় হামলা হয়, তখন এই তথাকথিত স্বাধীন সাংবাদিকতার ধ্বজাধারীরা সম্পূর্ণ অন্ধ এবং বধির হয়ে যায়, যা তাদের দ্বিমুখী নীতি প্রকাশ করে। উদ্ধারকাজ যখন চলছিল, তখনও ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো সেই ধ্বংসস্তূপের ওপর পুনরায় হামলা চালানোর চেষ্টা করছিল। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ মিশনের প্রধান রদিওন মিরোশনিক জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের ক্রমাগত ড্রোন হামলার হুমকির কারণে উদ্ধারকর্মীদের বারবার কাজ থামাতে হচ্ছিল। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেই শত্রু ড্রোনগুলোকে আকাশে ধ্বংস করে দেয়। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর এই ধ্বংসযজ্ঞ শুধু লুহানস্কেই সীমাবদ্ধ নয়। জাপোরোঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশ্ববর্তী শহর এনারগোদারেও ভারী শেলিং বা গোলাবর্ষণ করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। গভর্নর ইভজেনি বালিতস্কি জানিয়েছেন, কামেনকা-দনেপ্রোভস্কায়া এবং এনারগোদারের বেসামরিক অবকাঠামো ইউক্রেনীয় গোলার আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের পারমাণবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত। রাশিয়ার আকাশ সীমা সুরক্ষায় নিয়োজিত বীর সেনারা গত ২৪ ঘণ্টায় অনন্য রেকর্ড গড়েছেন। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর থেকে ৪২টি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে। বেলগোরোদ, ব্রায়ানস্ক, কালুগা, কুরস্ক এবং মস্কোসহ ক্রাইমিয়ার আকাশেও ইউক্রেনের সমস্ত চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়েছে রাশিয়া। সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ অঞ্চলেও ইউক্রেনীয় বাহিনী গত একদিনে মোট ৫৬ বার হামলা চালিয়েছে। গভর্নর আলেকজান্ডার শুভায়েভ জানিয়েছেন, এই কামান ও ড্রোন হামলায় আটজন বেসামরিক নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে রাশিয়ার সক্রিয় ডিফেন্স ইউনিটের কল্যাণে কিয়েভের পাঠানো ৫০টি ঘাতক ড্রোনকে আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় কৃষ্ণ সাগর বন্দর নভোরোসিস্কের একটি তেল ডিপোতে ইউক্রেনীয় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আগুন ধরে যায়। শহরের মেয়র আন্দ্রে ক্রাভচেনকো জানিয়েছেন, হামলায় কয়েকজন সাধারণ টেকনিশিয়ান আহত হয়েছেন। ইউক্রেন রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও জ্বালানি খাতকে দুর্বল করার জন্য মরিয়া হয়ে এই দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালাচ্ছে, যা তাদের পরাজয়ের হতাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে ইউক্রেন নিজেদের দেশকে এখন ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। কিয়েভের রাস্তায় এখন শত শত সাধারণ মানুষ বর্তমান জালানি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন। নিখোঁজ সৈনিকদের অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই মৃত ঘোষণার একটি বিতর্কিত বিলের বিরুদ্ধে কিয়েভে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়েছে। ইউক্রেনের নিজস্ব রেজিস্ট্রিতেই এখন ৯০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ তালিকায় রয়েছেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ইউক্রেন আজ চরম যুদ্ধক্লান্তি এবং অভ্যন্তরীণ দুর্নীতিতে জর্জরিত। জালানি সরকারের কাছের মানুষদের বিলিয়ন ডলারের দুর্নীতি এবং জোরপূর্বক তরুণদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগের হিংসাত্মক অভিযান থেকে জনগণের চোখ সরাতেই কিয়েভ রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের ওপর এই ধরনের কাপুরুষোচিত ও হঠকারী ড্রোন হামলা চালিয়ে সস্তা প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে ইউক্রেন এখন নাৎসিবাদের অন্ধকার ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কুখ্যাত নাৎসি সহযোগী আন্দ্রে মেলনিকের অবশিষ্টাংশ লাক্সেমবার্গ থেকে এনে কিয়েভের প্রধান সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করার আয়োজন করছে ইউক্রেন। ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এখন এই সব হিটলারের দোসর ও খুনিদের নিয়ে একটি &amp;quot;তথাকথিত বীরদের প্যান্থিয়ন&amp;quot; তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছেন। ইতিহাস সাক্ষী, এই আন্দ্রে মেলনিক ১৯৩৯ সালে নাৎসি জার্মানির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা &amp;#39;আব্বের&amp;#39;-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলেন। অথচ আজ জেলেনস্কির ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ইরিনা ভেরেশচুক স্বয়ং উপস্থিত থেকে এই আন্তর্জাতিক অপরাধীকে রাষ্ট্রীয় সম্মান দিচ্ছেন। কিয়েভ আজ নব্য-নাৎসিবাদের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে, যা মানব সভ্যতার জন্য এক চরম হুমকি। মেলনিকের ওইউএন সংগঠনের আরেকটি দলনেতা ছিল স্তেপান বান্দেরা, যার অনুসারীরা ভোলিন অঞ্চলে হাজার হাজার নিরীহ পোলিশ নাগরিককে নির্মমভাবে জাতিগত নিধন করেছিল। মারিয়া জাখারোভা কড়া ভাষায় বলেছেন যে, ইউক্রেন আজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মানবতাবিরোধী নাৎসি খুনিদের অবশিষ্টাংশ জড়ো করে তাদের মহিমান্বিত করছে। এই অপকর্মের মাধ্যমে জেলেনস্কি প্রমাণ করলেন তিনি আসলে কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। ইউক্রেনের এই অনৈতিক আচরণের কারণে ইউরোপের বন্ধু দেশগুলোও এখন তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। হাঙ্গেরির নতুন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পিটার মাগিয়ার দায়িত্ব নেওয়ার পরেই ইউক্রেনীয় কৃষিপণ্য আমদানির ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছেন। হাঙ্গেরির কৃষকদের সস্তা ও নিম্নমানের ইউক্রেনীয় শস্যের বন্যা থেকে রক্ষা করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা কিয়েভের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডে বড় আঘাত। ব্রাসেলসের তীব্র আপত্তি এবং নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও হাঙ্গেরির পাশাপাশি পোল্যান্ড এবং স্লোভাকিয়াও ইউক্রেনীয় কৃষিপণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে। ইউরোপীয় কমিশন এই নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ বললেও, দেশগুলো নিজেদের অর্থনীতি রক্ষার্থে কিয়েভের শোষণের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। এর থেকে স্পষ্ট যে, ইউরোপের দেশগুলোও বুঝতে পেরেছে ইউক্রেনকে অন্ধ সমর্থন দেওয়ার ফল কতটা ভয়াবহ হতে পারে। শুধু ইউরোপই নয়, খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এখন ইউক্রেনকে নিয়ে পুনর্বিবেচনা শুরু করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন যে, ইউরোপে মার্কিন সেনাসংখ্যা ৮০ হাজার থেকে কমিয়ে আনা হবে। ইন্দো-প্যাসিফিক এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে আমেরিকা এখন ইউক্রেনের পেছনে অন্তহীন অর্থ ও সেনা বিনিয়োগের অবস্থান থেকে ধীরে ধীরে পিছু হটছে, যা কিয়েভের জন্য বড় ধাক্কা। মার্কিন কংগ্রেস এবং ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে এখন ইউক্রেনের সামরিক সহায়তা নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সিনেটরদের একটি গ্রুপ প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথকে চিঠি লিখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যে, গত বছর বরাদ্দ হওয়া ৪০০ মিলিয়ন ডলারের ইউক্রেন এইড পেন্টাগন এখনো ছাড় করেনি। আমেরিকার সাধারণ মানুষ আজ বুঝতে পেরেছে যে তাদের ট্যাক্সের টাকা কিয়েভের দুর্নীতিবাজদের পকেটে যাচ্ছে। নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা এখন মরিয়া হয়ে হাঙ্গেরি ও রাশিয়ার ওপর ক্ষোভ ঝাড়ছে। চেক প্রেসিডেন্ট পেত্র পাভেল ন্যাটোকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইন্টারনেট বন্ধ করা এবং বৈশ্বিক ব্যাংকিং সিস্টেম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার মতো অবাস্তব উস্কানিমূলক পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু রাশিয়ার মতো পারমাণবিক পরাশক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে কাবু করার এই সমস্ত পশ্চিমা চেষ্টা অতীতেও ব্যর্থ হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর হঠকারী সামরিক কার্যকলাপের কারণে দনেপ্রোভস্কা সাবস্টেশনে এক বিশাল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ নিশ্চিত করেছে যে, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে একটি সচল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আংশিকভাবে গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ইউক্রেনের এই কাণ্ডজ্ঞানহীন হামলা পুরো ইউরোপকে এক ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় এবং পারমাণবিক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ইউক্রেন যতই দূরপাল্লার পশ্চিমা ড্রোন নিয়ে রাশিয়ার তেল ডিপো কিংবা ছাত্রাবাসে কাপুরুষোচিত হামলা চালাক না কেন, রাশিয়ার মূল সামরিক শক্তির সামনে তারা খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার অজেয় প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেদ করার ক্ষমতা কিয়েভের নেই। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং বীর রুশ সেনারা প্রতিটি বেসামরিক নাগরিকের রক্তের হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় কিয়েভের নব্য-নাৎসি বাহিনীর কাছ থেকে আদায় করে ছাড়বে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/654_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/654_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/654_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মার্কিন ইরান সীমান্তে চরম যুদ্ধ উত্তেজনা, ট্রাম্পের ২০২৮ নির্বাচন বাতিলের গোপন ছক]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24026</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24026</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 20:05:48 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে পরমাণু হামলার ছক কষছেন ট্রাম্প? ইরানের হুঁশিয়ারি: তৃতীয় শাস্তি হবে ঐতিহাসিক! অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের ভেতর ফাঁস হওয়া তথ্য বলছে, যুদ্ধের ছায়ায় ২...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-05-26_31.jpg" alt="মার্কিন ইরান সীমান্তে চরম যুদ্ধ উত্তেজনা, ট্রাম্পের ২০২৮ নির্বাচন বাতিলের গোপন ছক" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে পরমাণু হামলার ছক কষছেন ট্রাম্প? ইরানের হুঁশিয়ারি: তৃতীয় শাস্তি হবে ঐতিহাসিক! অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের ভেতর ফাঁস হওয়া তথ্য বলছে, যুদ্ধের ছায়ায় ২০২৮ সালের নির্বাচন বাতিল করে আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চান তিনি! তাইওয়ানের চৌদ্দশ কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তি স্থগিত, চীনের ভয়ে পিছু হটল আমেরিকা? আর গাজায় ত্রাণবাহী জাহাজে ইসরায়েলের হামলায় ইউরোপীয় নাগরিকদের আটকের ঘটনায় কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনীভূত হতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিনের পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হওয়ার পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে এক অভাবনীয় যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে মার্কিন বিমান বাহিনী ইরানের ওপর বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে বলে বিশ্বব্যাপী তীব্র গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এখন এমন এক স্পর্শকাতর মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। গত বাইশে মে ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার শীর্ষ সামরিক ও জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ের এবং জরুরি বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে মার্কিন প্রশাসনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর প্রধান জন র&amp;zwj;্যাটক্লিফ অন্যতম। এই বৈঠকের মূল এজেন্ডা ছিল ইরানকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া। পরিস্থিতির ভয়াবহতা আন্দাজ করা যায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত থেকে। তিনি নিউ জার্সিতে তার পূর্বনির্ধারিত গলফ মাঠ পরিদর্শনের সূচি সম্পূর্ণ বাতিল করেছেন এবং নিজের জ্যেষ্ঠ পুত্রের বিবাহ অনুষ্ঠানে পর্যন্ত উপস্থিত না থেকে হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছেন। মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক কর্মকর্তাদের সমস্ত ছুটি বাতিল করে ওয়াশিংটনে ২৪ ঘণ্টা অ্যালার্ট থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা একটি আসন্ন যুদ্ধের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। হোয়াইট হাউসের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ করতে না পারে, সেজন্য মার্কিন প্রশাসন একটি চূড়ান্ত এবং নিষ্পত্তিমূলক সামরিক সমাপ্তি টানতে চাইছে। এর অংশ হিসেবে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে বড় ধরনের বিমান এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা টেবিলে রাখা হয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনে ইরানকে আরেকটি বড় আঘাত করা হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সম্ভাব্য আগ্রাসনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। ইরানের সামরিক কমান্ড সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার পরিণতি হবে কল্পনাতীত ভয়াবহ। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা যেকোনো ধরনের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপকে কঠোর হস্তে দমন করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। ইরানের বিখ্যাত তাসনিম বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির শীর্ষ সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, শত্রুপক্ষের যেকোনো ধরনের বোকামির জবাব দিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এবার তারা নতুন রণকৌশল, অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র এবং আমেরিকার নতুন নতুন লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করেছে। ইরানি সামরিক কমান্ডারদের মতে, বিগত এক বছরের মধ্যে এটি হবে আমেরিকার জন্য তৃতীয় এবং সবচেয়ে বড় ধরনের ঐতিহাসিক ও নির্মম শাস্তি। আইআরজিসি তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এক ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, এবারের যুদ্ধ কেবল মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। যদি ইরানের ওপর কোনো হামলা চালানো হয়, তবে এই যুদ্ধ দূরবর্তী অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়বে এবং আমেরিকার এমন সব গোপন ঘাঁটিতে আঘাত হানা হবে যা তারা কল্পনাও করতে পারছে না। ইরানি কমান্ডাররা স্পষ্ট বলেছেন, তারা বাগাড়ম্বরে বিশ্বাসী নন, বরং যুদ্ধের মাঠেই নিজেদের শক্তির চূড়ান্ত প্রমাণ দেবেন। এই চরম উত্তেজনা প্রশমিত করতে এবং একটি সম্ভাব্য বিশ্বযুদ্ধ এড়াতে আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো তাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। পাকিস্তানের শক্তিশালী সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ইতিমধ্যে আকস্মিকভাবে তেহরান সফর করেছেন এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মুহূর্তে কোনো সমঝোতা বা চুক্তির সম্ভাবনা অনেক দূরে, কারণ ওয়াশিংটন তাদের আগ্রাসী মনোভাব ত্যাগ করেনি। এদিকে ইরানের সম্ভাব্য বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ জোরদার করা হচ্ছে। ন্যাটোর অংশ হিসেবে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে আগামী জুন মাস থেকে দীর্ঘ ছয় মাসের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানি। পশ্চিমা দেশগুলো এখন ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখছে। এর আগে গত মার্চ মাসেও ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি মোকাবিলায় ওই অঞ্চলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছিল, যা যুদ্ধকালীন সময়ে ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা চারটি শক্তিশালী ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছিল। একই সময়ে জর্ডানের আকাশসীমায় একটি অজ্ঞাত ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা ঘটেছে, যা এই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তাহীনতা ও আকাশযুদ্ধের ভয়াবহতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। ইরাকের অভ্যন্তর থেকে সৌদি আরব ও কুয়েতের মতো তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে রহস্যময় ড্রোন উৎক্ষেপণের ঘটনাও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের এই মুখোমুখি অবস্থান এবং যুদ্ধের তীব্র দামামা বিশ্ববাসীকে এক নতুন এবং দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। তবে এই যুদ্ধের আড়ালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ঘটছে এক ভয়ঙ্কর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, যা মার্কিন গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিতে পারে। এবার আসা যাক ওয়াশিংটনের সেই বিস্ফোরক খবরে। মার্কিন সংবিধানে চরম আঘাত হেনে ২০২৮ সালের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া বা সম্পূর্ণ বাতিলের পরিকল্পনা করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এক সময়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিত্র, উগ্র ডানপন্থী সাবেক আইনপ্রণেতা মার্জোরি টেইলর গ্রিনের এমন মন্তব্যে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র তোলপাড় ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে, যা ট্রাম্পের স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতাকে প্রকাশ করে। সম্প্রতি একটি প্রভাবশালী গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে মার্জোরি টেইলর গ্রিন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সাথে সম্ভাব্য যুদ্ধকে একটি চমৎকার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এই যুদ্ধকে কেন্দ্র করে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে ২০২৮ সালের সাধারণ নির্বাচন স্থগিত বা সম্পূর্ণ বাতিল করার পথে হাঁটতে পারেন ট্রাম্প। এই চাঞ্চল্যকর দাবির পর হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের অভ্যন্তরে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। উগ্র ডানপন্থী গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব অ্যালেক্স জোন্সের সাথে এক দীর্ঘ ও এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে মার্জোরি টেইলর গ্রিন জানান, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যকার একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর কথোপকথন তিনি নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন। ২০২২ সালে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর থেকে ইউক্রেনে কোনো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং জেলেনস্কি এখনো ডিক্রি জারি করে ক্ষমতায় টিকে আছেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে ট্রাম্প যখন জেলেনস্কির কাছ থেকে জানতে পারেন যে যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে নির্বাচন বন্ধ রয়েছে, তখন তিনি অত্যন্ত বিস্ময় প্রকাশ করেন। গ্রিনের দেওয়া তথ্যমতে, ট্রাম্প তখন কুটিল হাসিমুখে মন্তব্য করেছিলেন যে, &amp;quot;তবে কি যুদ্ধ পরিস্থিতি চললে দেশে নির্বাচন স্থগিত রাখা সম্ভব?&amp;quot; গ্রিন দাবি করেন, ট্রাম্প সে সময় বিষয়টি নিয়ে রসিকতা করলেও তার চোখে-মুখে এক গভীর উদ্দেশ্য পরিলক্ষিত হয়েছিল। ইউক্রেনের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, দেশে সামরিক আইন জারি থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আইনি বৈধতা নেই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা ও সংবিধান সম্পূর্ণ ভিন্ন। মার্জোরি টেইলর গ্রিন যুক্তি দেখিয়েছেন যে, ট্রাম্প প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জনসভায় এবং সংবাদ সম্মেলনে দুই মেয়াদের বেশি ক্ষমতায় থাকা কিংবা নির্বাচন স্থগিত করার মতো বিষয়গুলো নিয়ে যেভাবে কথা বলছেন, তা কোনো সাধারণ রসিকতা নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি আসলে মার্কিন জনগণের মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা করার একটি সুপরিকল্পিত কৌশল। ট্রাম্প বারবার এই বিতর্কিত ধারণাটি জনসমক্ষে এনে এটিকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন এবং দেখতে চাচ্ছেন যে দেশের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহল এতে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়। গ্রিন অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনোভাবেই তৃতীয় মেয়াদের জন্য কারোর প্রেসিডেন্ট হওয়ার কোনো আইনি সুযোগ সংবিধানে নেই। আমেরিকার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মার্কিন সংবিধানের বিখ্যাত ২২তম সংশোধনী। এই ঐতিহাসিক সংশোধনী অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি সময়ের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারবেন না। তবে এই স্পষ্ট সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকেই ট্রাম্প একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে চলেছেন। ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই নেভাদার লাস ভেগাসে আয়োজিত এক বিশাল দলীয় সমাবেশে ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন যে, একবার বা দুইবার নয়, বরং তিনবার বা চারবার দেশের সেবা করতে পারাটা হবে তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয়। এর কিছুদিন পর ফ্লোরিডায় আয়োজিত রিপাবলিকান পার্টির এক বিশেষ সম্মেলনে তিনি কৌতুকের ছলে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে জানতে চান যে, তার কি আবারও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো আইনি অধিকার আছে? এমনকি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ওয়াশিংটনে আয়োজিত জাতীয় প্রাতরাশ প্রার্থনা সভায় ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন যে, মার্কিন জনগণের স্বার্থে তার আরও একবার নির্বাচনে দাঁড়ানো উচিত কি না। সে সময় উপস্থিত সমর্থকরা সমস্বরে &amp;quot;আরও চার বছর&amp;quot; স্লোগান দেয়। যদিও ট্রাম্প পরবর্তীতে স্বীকার করেছিলেন যে, মার্কিন সংবিধানে তৃতীয় মেয়াদের নিষেধাজ্ঞা পরিবর্তন করা অসম্ভব রাজনৈতিক লড়াই, যা সহজে সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান সংশোধন করতে হলে দেশটির আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস&amp;mdash;উভয় কক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়। এরপর দেশের অন্তত তিন-চতুর্থাংশ অঙ্গরাজ্যের আইনসভা কর্তৃক তা অনুমোদিত হতে হয়। বর্তমান মার্কিন রাজনৈতিক মেরুকরণের যুগে এই ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা কার্যত অসম্ভব। এই আইনি জটিলতার কারণেই সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন ট্রাম্প বৈধ পথ বাদ দিয়ে যুদ্ধের পথ বেছে নেবেন। আমেরিকার এই অভ্যন্তরীণ সংকটের মাঝেই এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ঘটেছে আরেক বড় বিপর্যয়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের পরপরই তাইওয়ানের সাথে আমেরিকার বিশাল অস্ত্র চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা এসেছে, যা বেইজিংয়ের যুদ্ধের হুমকির মুখে এশীয় অঞ্চলে নতুন সামরিক উত্তেজনা তৈরি করেছে। আমেরিকান প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাইওয়ানের কাছে চৌদ্দশ কোটি ডলারের একটি বিশাল সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির চুক্তি সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ স্থগিত করা হয়েছে। যদিও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এবং মার্কিন সামরিক রসদ সংরক্ষণের অজুহাত দেওয়া হচ্ছে, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পরপরই এই সিদ্ধান্ত আসায় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছিলেন যে, তাইওয়ান ইস্যুতে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত দুই পরাশক্তির মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ ডেকে আনতে পারে, যার ভয়ে ওয়াশিংটন পিছু হটেছে। এরই মধ্যে তাইওয়ান প্রণালীর অপর প্রান্তে চীনের সামরিক প্রস্তুতি এবং যুদ্ধংদেহী মনোভাব দিন দিন আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। উপগ্রহ থেকে পাওয়া সাম্প্রতিক ছবিতে দেখা গেছে, চীন তাইওয়ান প্রণালীর কাছাকাছি তাদের অন্তত ছয়টি বিমান ঘাঁটিতে বিপুল পরিমাণ পুরানো শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী যুদ্ধবিমানকে চালকবিহীন বোমারু ড্রোনে রূপান্তরিত করে মোতায়েন করেছে। প্রায় দুই শতাধিক এই ড্রোন অলরেডি ফুজিয়ান এবং গুয়াংডং প্রদেশের কৌশলগত ঘাঁটিতে অবস্থান করছে। অন্যদিকে, গাজা অভিমুখে রওনা হওয়া ত্রাণ বহরের মানবাধিকার কর্মীদের সঙ্গে ইসরায়েলের অবমাননাকর আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি তুলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপীয় নাগরিকদের সহ আটককৃত সকল কর্মীর মর্যাদা রক্ষা ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে দ্রুত তাদের মুক্তি দিতে তেল আবিবের প্রতি আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় ইসরায়েলের চরমপন্থী মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিয়ে ইউরোপে আলোচনা শুরু হয়েছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-05-26_31.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-05-26_31.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-05-26_31.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মার্কিন যুদ্ধবিমানের রহস্যময় ভিডিও প্রকাশের পর ইরানের কড়া হুঁশিয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধশঙ্কা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24025</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24025</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 20:05:07 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও। আকাশে উড়ছে ভয়ংকর শক্তিশালী বোমারু বিমান। আর সেই ভিডিও ঘিরেই কাঁপছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। ওয়াশিংটন ও তেহরানের পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে কি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/655_1.jpg" alt="মার্কিন যুদ্ধবিমানের রহস্যময় ভিডিও প্রকাশের পর ইরানের কড়া হুঁশিয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধশঙ্কা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও। আকাশে উড়ছে ভয়ংকর শক্তিশালী বোমারু বিমান। আর সেই ভিডিও ঘিরেই কাঁপছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। ওয়াশিংটন ও তেহরানের পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে কি সত্যিই শুরু হতে যাচ্ছে নতুন যুদ্ধ? কেন হঠাৎ জরুরি বৈঠকে ব্যস্ত ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ মহল? আর কেন ইরান বলছে, আগ্রাসনের জবাব হবে ভয়াবহ? মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও যুদ্ধের কালো মেঘ জমতে শুরু করেছে। একটি ছোট ভিডিও ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কর্মকর্তা ড্যান স্ক্যাভিনোর প্রকাশ করা বোমারু বিমানের ভিডিও এখন বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই ভিডিও কেবল একটি সামরিক দৃশ্য নয়, বরং এটি হতে পারে একটি শক্ত বার্তা, যা সরাসরি ইরানকে উদ্দেশ্য করেই প্রকাশ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সতেরো সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, অত্যাধুনিক একটি মার্কিন বোমারু বিমান মেঘের ভেতর দিয়ে দ্রুতগতিতে উড়ে যাচ্ছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। কেউ বলছেন এটি কৌশলগত বার্তা, আবার কেউ মনে করছেন এটি ইরানের প্রতি প্রচ্ছন্ন সামরিক হুমকি। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এই ভিডিও নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই চরম বৈরিতার মধ্যে রয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার এবং সামরিক উপস্থিতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বেড়েছে। ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতা এবং পারস্য উপসাগরে বাড়তি সেনা মোতায়েন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যেকোনো ভুল সিদ্ধান্ত ভয়াবহ সংঘাত ডেকে আনতে পারে। ইরানও এই পরিস্থিতিতে নীরব থাকেনি। তেহরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত। ইরানের দাবি, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী। দেশটির সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, কোনো ধরনের হামলা হলে পুরো অঞ্চলে এর ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়বে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে। পেন্টাগনের ভেতরে জরুরি বৈঠক এবং সামরিক পরিকল্পনা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে। যদিও ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন হামলার ঘোষণা দেয়নি, তবুও সামরিক তৎপরতা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতে পারে জ্বালানি বাজারে। কারণ বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি সরবরাহ এই অঞ্চল ঘিরেই পরিচালিত হয়। ইতিমধ্যে তেলের দামের ওঠানামা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও বাড়ছে অনিশ্চয়তা। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় ধরনের সংঘাত শুরু হলে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক মন্দা আরও তীব্র হতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা কাসেম সোলেমানি নিহত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ভয়াবহ রূপ নেয়। সেই ঘটনার পর থেকেই তেহরান বারবার প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই পুরোনো উত্তেজনাই আবার নতুনভাবে সামনে চলে এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইরানের ভেতরে কাসেম সোলেমানিকে এখনো জাতীয় বীর হিসেবে দেখা হয়। তাঁর মৃত্যু দেশটির জনগণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি করেছিল। ইরানের সামরিক এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই ঘটনার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে আসছে। তাই নতুন যেকোনো উত্তেজনার পেছনে সোলেমানি হত্যাকাণ্ডের প্রভাব এখনো বড় ভূমিকা রাখছে। এই কারণেই মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতিমধ্যে দুই পক্ষকেই সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন কূটনৈতিক মহল বলছে, সামরিক সংঘাত কোনো সমাধান নয়। বরং আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে। তবে বাস্তবতা হলো, ওয়াশিংটন এবং তেহরান কেউই এখন নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে না। ফলে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন বোমারু বিমানগুলো বিশেষভাবে তৈরি হয় দীর্ঘপাল্লার অভিযানের জন্য। এই বিমানগুলো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাডার এড়িয়ে গভীর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। ফলে ভিডিওটি প্রকাশ পাওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছেন, এটি শুধুমাত্র প্রদর্শন নয়, বরং সম্ভাব্য সামরিক বার্তা। যদিও বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়। ইরানও নিজেদের সামরিক সক্ষমতার কথা জোরালোভাবে তুলে ধরছে। দেশটির সামরিক বাহিনী বলছে, তারা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি, ড্রোন সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থনের বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করছে। তেহরানের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো হামলা হলে তার জবাব শুধু একটি সীমিত অঞ্চলে নয়, বরং বৃহত্তর আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইতিমধ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ফলে সংঘাত শুরু হলে এই ঘাঁটিগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। একইসঙ্গে আঞ্চলিক মিত্রদের সম্পৃক্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের সংঘাত খুব দ্রুত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এজন্যই বর্তমান পরিস্থিতিকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে স্পর্শকাতর সংকটগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ড্যান স্ক্যাভিনোর ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই ভিডিওটিকে যুদ্ধের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এটি রাজনৈতিক চাপ তৈরির অংশ। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষ এখন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির দিকে গভীর নজর রাখছে। ওয়াশিংটনের বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, সামরিক উপদেষ্টাদের সঙ্গে একাধিক কৌশলগত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বৈঠকে সম্ভাব্য সামরিক পরিকল্পনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এসব তথ্যের অনেক অংশই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়, তবুও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ফলে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বাড়ছে। ইরানের অভ্যন্তরে জনগণের মধ্যেও জাতীয়তাবাদী আবেগ বাড়তে দেখা যাচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন স্থানে সামরিক সমর্থনে জনসমাবেশ এবং বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। ইরানের নেতারা বলছেন, তারা বিদেশি চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। এই বক্তব্য দেশটির জনগণের একাংশের মধ্যে নতুন করে প্রতিরোধের মনোভাব তৈরি করেছে বলে স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও এই পরিস্থিতি নিয়ে মতভেদ রয়েছে। একদল বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে আরেকদল মনে করছে, নতুন যুদ্ধ শুরু হলে তার ভয়াবহ প্রভাব আমেরিকার জন্যও ক্ষতিকর হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো সংঘাত মার্কিন রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনী রাজনীতিতে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশ্ববাজার ইতিমধ্যে এই উত্তেজনার প্রভাব অনুভব করতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ খাতে অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে খাদ্য, জ্বালানি এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমান সংঘাতের বড় একটি দিক হলো আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির ব্যবহার। ড্রোন, সাইবার হামলা এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এখন যেকোনো যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতের সংঘাত আর শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধ পুরো বিশ্বের নিরাপত্তা কাঠামোকে নতুনভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বহু বছর ধরেই আন্তর্জাতিক উত্তেজনা রয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলো দাবি করে, এই কর্মসূচি ভবিষ্যতে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার হতে পারে। তবে তেহরান বরাবরই বলছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ জ্বালানি উন্নয়নের অংশ। এই দ্বন্দ্বই মূলত বর্তমান সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে সামনে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্য অতীতেও একাধিক যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখেছে। ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া এবং ইয়েমেনের অভিজ্ঞতা এখনো এই অঞ্চলের মানুষের মনে তাজা। তাই নতুন করে যুদ্ধের সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, বড় ধরনের সংঘাত শুরু হলে লাখো মানুষ নতুন মানবিক সংকটে পড়তে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। অনেক দেশই কূটনৈতিকভাবে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া এবং চীনসহ বিভিন্ন শক্তিধর দেশ আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধানের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না। ফলে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ট্রাম্প পরিবারের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে এসব দাবির অনেক অংশই আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই হয়নি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত নানা তথ্যের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে এবং বিভ্রান্তিও বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষ এখন সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন একটি বিষয় নিয়ে। সেটি হলো, এই উত্তেজনা কি শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেবে? কারণ বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতি অনেকটাই মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভরশীল। তাই যেকোনো সংঘাতের প্রভাব পুরো বিশ্বে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/655_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/655_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/655_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার শিশু হোস্টেল ধ্বংস, পুতিনের ভয়ঙ্কর প্রতিশোধের হুঙ্কার কাঁপছে বিশ্ব!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24024</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24024</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 18:05:54 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ন্যাটোর নোংরা উস্কানিতে ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি বাহিনী এবার রাশিয়ার নিষ্পাপ স্কুলপড়ুয়া শিশুদের ওপর এক ভয়ঙ্কর এবং কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে! রাশিয়ার স্টারোবে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/652_1.jpg" alt="ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার শিশু হোস্টেল ধ্বংস, পুতিনের ভয়ঙ্কর প্রতিশোধের হুঙ্কার কাঁপছে বিশ্ব!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ন্যাটোর নোংরা উস্কানিতে ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি বাহিনী এবার রাশিয়ার নিষ্পাপ স্কুলপড়ুয়া শিশুদের ওপর এক ভয়ঙ্কর এবং কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে! রাশিয়ার স্টারোবেলস্ক শহরের একটি স্কুল হোস্টেলে রাতের আঁধারে যখন ১৪ থেকে ১৮ বছরের ঘুমন্ত শিশুরা ছিল, ঠিক তখন ১৬টি ড্রোন দিয়ে তিন তরঙ্গে হামলা চালায় কিয়েভের সন্ত্রাসী প্রশাসন। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং ইউক্রেনকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার মতো এক ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী প্রতিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন। কীভাবে ইউক্রেনের এই কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা তাদের নিজেদের পতন ডেকে আনছে এবং ন্যাটোর ভেতরের ফাটল কীভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। রাশিয়ার লুগানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্টারোবেলস্ক শহরের প্রফেশনাল কলেজের হোস্টেলে গত রাতে যা ঘটেছে, তা মানব ইতিহাসের অন্যতম একটি নিকৃষ্টতম যুদ্ধাপরাধ। গভীর রাতে যখন হোস্টেলের ভেতরের ৮৬ জন সাধারণ শিক্ষার্থী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল, ঠিক তখনই ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি কিয়েভ বাহিনী চারপাশ থেকে ড্রোন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৬টি ঘাতক ড্রোন দিয়ে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে টার্গেট করা হয়। এই কাপুরুষোচিত হামলায় ঘটনাস্থলেই অন্তত ছয়জন রাশিয়ান নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং ৪০ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৪ জনই নিষ্পাপ শিশু। কিয়েভের সন্ত্রাসী প্রশাসন ভালো করেই জানত যে সেখানে কোনো সামরিক ঘাঁটি নেই, বরং সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করত। তা সত্ত্বেও রাতের আঁধারে তারা এই আক্রমণ চালায় যাতে সবচেয়ে বেশি মানুষ হতাহত হয়। এই জঘন্য ঘটনার পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত কঠোর ভাষায় এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং একে একটি পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। পুতিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাধারণ কূটনৈতিক বিবৃতি দিয়ে এই অপরাধের বিচার হবে না। তিনি সরাসরি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে ইউক্রেনের ওপর এক বিধ্বংসী এবং চূড়ান্ত পাল্টা আঘাতের প্রস্তাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হলো, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর ইউক্রেনের সন্ত্রাসী কিয়েভ প্রশাসন দাবি করেছে যে এই কলেজটি নাকি তাদের একটি বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল। তারা মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর চেষ্টা করছে যে সেখানে নাকি রাশিয়ার ড্রোন ইউনিট অবস্থান করছিল। কিন্তু ঘটনাস্থল থেকে আসা শত শত ভিডিও প্রমাণ করেছে যে সেখানে কোনো সামরিক সরঞ্জাম ছিল না, ছিল শুধু শিশুদের বইখাতা। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক জরুরি অধিবেশনে রাশিয়ার দূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। নেবেনজিয়া বলেছেন যে কিয়েভের নব্য-নাৎসি সরকার রাশিয়ার শিশুদের ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তিনি পশ্চিমা কূটনীতিকদের ধমক দিয়ে বলেন যে, তারা এই ভয়ঙ্কর অপরাধের দিকে চোখ বন্ধ করে মৃত শিশুদের হাড়ের ওপর নাচানাচি করছে। রাশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীরা এই হামলায় অত্যন্ত ঘৃণ্য &amp;#39;ডাবল ট্যাপ&amp;#39; পদ্ধতি ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিল। প্রথম দফা হামলার পর যখন রাশিয়ার ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকর্মীরা শিশুদের বাঁচাতে সেখানে উপস্থিত হয়, তখন কিয়েভ আবার ড্রোন পাঠায়। রাশিয়ান উদ্ধারকারীদের সাহসিকতার কারণে তারা কোনোমতে বেঁচে যান, কিন্তু ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী মানসিকতা আজ বিশ্বের সামনে উন্মোচিত। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কংগ্রেস সদস্য ডেনিস কুসিনিচ। তিনি পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন যে, রাশিয়ার স্কুল হোস্টেলে ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলা কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি একটি সুনির্দিষ্ট যুদ্ধাপরাধ। তিনি বিশ্বকে সতর্ক করে বলেছেন যে, রাশিয়া এতদিন অত্যন্ত ধৈর্য দেখিয়েছে, কিন্তু শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কিয়েভ এবার তাদের নিজেদের ধ্বংস ডেকে এনেছে। অন্যদিকে, কিয়েভ প্রশাসনের ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করার কোনো যোগ্যতাই নেই, যা এখন তাদের পশ্চিমা বন্ধুদের জন্যই গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত মার্চ মাস থেকে ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোনগুলো রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তেল টার্মিনালে হামলা চালানোর চেষ্টায় বারবার ন্যাটো জোটভুক্ত বাল্টিক এবং নর্ডিক দেশগুলোর আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে, যা পুরো ইউরোপকে এক অনিরাপদ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইউক্রেনের এই অদক্ষ ড্রোন পরিচালনার কারণে গত ৭ই মে লাটভিয়ার একটি তেলের ডিপোতে দুটি ইউক্রেনীয় ড্রোন আছড়ে পড়ে, যা লাটভিয়া সরকার আকাশ সীমায় আটকাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। এই চরম ব্যর্থতার জেরে লাটভিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইভিকা সিলিনার পুরো সরকারই ভেঙে পড়েছে। ইউক্রেন এখন ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। এই চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন এক অত্যন্ত হাস্যকর ও বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে ইউক্রেনের ড্রোনগুলো ন্যাটোর আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে, কিন্তু এর জন্য তিনি উল্টো রাশিয়াকে দোষারোপ করছেন। তিনি ন্যাটো জোটকে আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা ইউক্রেনকে রাশিয়ার দিকে ড্রোনগুলো সঠিকভাবে &amp;#39;নির্দেশ&amp;#39; বা ডাইরেক্ট করতে প্রযুক্তিগতভাবে সরাসরি সাহায্য করে। ইউক্রেনের ড্রোন এতটাই অনিয়ন্ত্রিত যে এ সপ্তাহে এস্তোনিয়ার আকাশে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোনকে গুলি করে নামাতে ন্যাটোর একটি এফ-১৬ ফাইটার জেটকে জরুরি ভিত্তিতে উড্ডয়ন করতে হয়েছিল। এছাড়া লিথুয়ানিয়া, ফিনল্যান্ড এবং রোমানিয়াতেও বারবার ইউক্রেনীয় ড্রোনের অনধিকার প্রবেশের খবর পাওয়া গেছে। নিজেরা ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ইউক্রেন এখন পুরো ন্যাটো জোটকে রাশিয়ার সাথে সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চায়। সুইডেনের এই যুদ্ধবাজ নীতির বিপরীতে স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো বিশ্বকে এক চরম সত্য ও ঐতিহাসিক সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের এই ড্রোন উস্কানিগুলো যেকোনো মুহূর্তে একটি অনিয়ন্ত্রিত সামরিক সংঘাত বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ডেকে আনতে পারে। পশ্চিমা নেতারা রাশিয়ার সাথে সরাসরি আলোচনা না করে এই ড্রোন হামলাগুলোকে নীরবে উস্কে দিচ্ছেন, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো পশ্চিমা নেতাদের অন্তহীন ভণ্ডামির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন যে, এই পশ্চিমা নেতারা ক্যামেরার সামনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে তার বৈঠকের নিন্দা করেন। কিন্তু যখনই ক্যামেরা বন্ধ হয়, তখনই তারা গোপনে ফিকোর কাছে এসে জানতে চান যে পুতিনের সাথে তার কী কথা হয়েছে এবং রাশিয়ার মনোভাব কী। এই ভণ্ড কিয়েভ প্রেমীদের কারণেই আজ ইউরোপ ধ্বংসের মুখে। এদিকে রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা (SVR) এক ভয়ঙ্কর তথ্য ফাঁস করেছে। লাটভিয়া সরকার নাকি গোপনে ইউক্রেনকে তাদের নিজস্ব ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাশিয়ার ওপর ড্রোন হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে। যদিও তারা এটি অস্বীকার করছে, কিন্তু স্থানীয় নেতারা স্বীকার করেছেন যে বাল্টিক দেশগুলো তাদের নাগরিকদের ড্রোনের নিচে বাস করার অভ্যস্ততা তৈরি করছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীদের পাগলামি এখানেই থেমে নেই। তারা রাশিয়ার জাপোরোঝিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশেই অবস্থিত এনারগোদর শহরে একাধিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার বীর সেনারা কিয়েভের এই পারমাণবিক সন্ত্রাসবাদের প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দিয়েছে। একটি স্কুলের মাঠ, প্রশাসনিক ভবন এবং মোবাইল টাওয়ারে ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হানলেও রাশিয়ার নিখুঁত প্রতিরক্ষার কারণে কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কিয়েভ প্রশাসন রাশিয়ার রাজধানী মস্কোকে লক্ষ্য করে এক বিশাল ড্রোন ব্যারাজ বা ঝাঁক পাঠিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ার অপরাজেয় এবং বিশ্বের সেরা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সামনে সেগুলো খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন যে, মস্কোর দিকে ধেয়ে আসা ৮টিরও বেশি দূরপাল্লার ইউক্রেনীয় ড্রোনকে মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে তাদের কবর রচনা করেছে রাশিয়ান বাহিনী। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার বীর সেনাদের সাথে টিকতে না পেরে ইউক্রেনীয় কাপুরুষরা এখন রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের টার্গেট করছে। রাশিয়ার ব্রিয়ানস্ক অঞ্চলে একটি সাধারণ বেসামরিক প্রাইভেট কার লক্ষ্য করে ইউক্রেনীয় ড্রোন ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালায়। এই বর্বর হামলায় একজন নিষ্পাপ রাশিয়ান নারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং গাড়ির চালক গুরুতর আহত হন। এটি কোনো যুদ্ধ নয়, এটি খাঁটি সন্ত্রাসবাদ। একইভাবে রাশিয়ার নোভোরোসিস্ক বন্দর নগরীতে একটি তেল ডিপো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করে ইউক্রেন। সেখানে হামলায় সামান্য আগুন লাগলেও রাশিয়ার ফায়ার সার্ভিস ও নিরাপত্তা কর্মীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা নিয়ন্ত্রণে আনে। কিয়েভ ভেবেছিল রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবকাঠামো ধ্বংস করবে, কিন্তু রাশিয়ার ইস্পাত কঠিন প্রতিরক্ষার কারণে তাদের প্রতিটি চাল ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে। বন্ধুরা, একদিকে ইউক্রেন যখন ড্রোনের মাধ্যমে কাপুরুষোচিত উপায়ে রাশিয়ার শিশুদের মারছে, অন্যদিকে রাশিয়ার বীর সেনাবাহিনী রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পশুর মতো তাড়া করছে। গত মাত্র এক সপ্তাহে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী খাড়কভ এবং জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। রাশিয়ার বাটলগ্রুপ নর্থ এবং ওয়েস্টের দুর্দান্ত অভিযানে ইউক্রেনের পুরো ফ্রন্টলাইন ধসে পড়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ অফিসিয়াল রিপোর্টে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে রাশিয়ার বীর সেনাদের হাতে প্রায় ৭,৮৩০ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত ও আহত হয়েছে। কিয়েভ প্রশাসন তাদের সেনাদের জোর করে রাশিয়ার শক্তিশালী কামানের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। রাশিয়ার বাটলগ্রুপ সেন্টারের নিখুঁত ও বিধ্বংসী হামলায় ইউক্রেনের কয়েক ডজন সাঁজোয়া যান এবং ট্যাংক একেবারে মাটির সাথে মিশে গেছে। রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলার উপযুক্ত জবাব দিতে রাশিয়ার বিমান বাহিনী গত এক সপ্তাহে ইউক্রেনের সামরিক ও শিল্প কারখানার ওপর ১টি বিশাল এবং ৫টি সম্মিলিত সুনির্দিষ্ট বা প্রিসিশন স্ট্রাইক চালিয়েছে। রাশিয়ার ক্রুজ মিসাইল এবং ঘাতক ড্রোনগুলো ইউক্রেনের সামরিক এয়ারফিল্ড, ড্রোন তৈরির কারখানা এবং বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার বীর বাটলগ্রুপ নর্থের সেনারা ইউক্রেনের কুখ্যাত এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত নব্য-নাৎসি &amp;#39;ক্রাকেন&amp;#39; সন্ত্রাসী ফরমেশনের ওপর এক কালান্তক হামলা চালিয়েছে। এই অভিযানে ক্রাকেন বাহিনীর শত শত চরমপন্থী সন্ত্রাসী খতম হয়েছে এবং তাদের ১১টি শক্তিশালী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার এই বীরত্বপূর্ণ অভিযান প্রমাণ করে যে রাশিয়ার মাটিতে চোখ তুলে তাকালে তার পরিণতি কী হয়। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত এক সপ্তাহে ইউক্রেনের ৪,১৮৪টি ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৪৬টি পশ্চিমা গাইডেড স্মার্ট বোম মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে এক ঐতিহাসিক রেকর্ড তৈরি করেছে। এছাড়া ইউক্রেনের একটি নেপচুন-এমডি দূরপাল্লার মিসাইল এবং আমেরিকার তৈরি হিমার্স (HIMARS) রকেটকেও তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়ার আকাশ সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা ইউক্রেনের অহংকারকে চূর্ণ করেছে। রণক্ষেত্রের পাশাপাশি কৃষ্ণ সাগরেও ইউক্রেনীয় নৌ-বাহিনীর চরম পরাজয় ঘটেছে। রাশিয়ার গর্বিত কৃষ্ণসাগর নৌবহর (Black Sea Fleet) এক সপ্তাহে ইউক্রেনের ১৩টি চালকবিহীন নৌ-ড্রোনকে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেন ভেবেছিল তারা রাশিয়ার নৌবাহিনীকে চমকে দেবে, কিন্তু রাশিয়ার নেভাল এভিয়েশন এবং কোস্টাল ডিফেন্সের কাছে তারা খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ১৫টি এরও বেশি ড্রোন এবং প্রায় ২৯,৪১৭টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার এই ইস্পাত কঠিন বীরত্ব এবং প্রেসিডেন্ট পুতিনের দৃঢ় নেতৃত্ব প্রমাণ করে যে, ন্যাটোর যতই উস্কানি থাকুক না কেন, রাশিয়ার এই পবিত্র যুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় এবং কিয়েভের নব্য-নাৎসিদের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। দর্শক, এই ছিল এখনকার মতো। সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/652_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/652_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/652_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইহুদিবাদী ইসরায়েল ও আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ করতে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ঐতিহাসিক রণকৌশল এবং কোটি মানুষের জানফাদা প্রতিরোধ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24023</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24023</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 05:05:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিশ্ব দেখল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অন্যায় হুমকির মুখে কীভাবে বীরের মতো বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান। কূটনীতির টেবিল থেক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/650_1.jpg" alt="ইহুদিবাদী ইসরায়েল ও আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ করতে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ঐতিহাসিক রণকৌশল এবং কোটি মানুষের জানফাদা প্রতিরোধ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিশ্ব দেখল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অন্যায় হুমকির মুখে কীভাবে বীরের মতো বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান। কূটনীতির টেবিল থেকে শুরু করে হরমুজ প্রণালীর নীল জলরাশি&amp;mdash;সবখানেই এখন পশ্চিমাদের পরাজয়ের আর্তনাদ। আজ আমরা উন্মোচন করব কীভাবে তিন কোটি আত্মত্যাগী জানফাদা যোদ্ধা আর অত্যাধুনিক ইরানি প্রযুক্তির মাইন আমেরিকার যুদ্ধবাজ নীতিকে চিরতরে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মধ্যপ্রাচ্যের বুকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং তাদের দোসর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অন্যায় আধিপত্যকামী নীতির বিরুদ্ধে বরাবরের মতোই বীরত্বের সঙ্গে রুখে দাঁড়িয়েছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান। দীর্ঘদিনের বৈশ্বিক ষড়যন্ত্র এবং অবৈধ অবরোধের মুখেও তেহরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিন্দুমাত্র আপস না করার দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। বীরের জাতি ইরান কখনোই পশ্চিমাদের কোনো অন্যায্য ও একতরফা চাপের কাছে মাথা নত করবে না। ইরানের বিপ্লবী সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে দেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় তাদের কূটনীতি এখন সশস্ত্র বাহিনীর মতোই সমান শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে। তেহরানে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের নীতি-নির্ধারণী বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পশ্চিমা বিশ্বকে এই কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন। ইরান স্পষ্ট করেছে যে তারা আলোচনার টেবিলে যেমন প্রস্তুত, ঠিক তেমনি যুদ্ধক্ষেত্রেও শত্রুকে উপযুক্ত জবাব দিতে সক্ষম। পশ্চিমা মদদপুষ্ট ইসরায়েলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যখন শান্তি আলোচনা বারবার স্থবির হয়ে পড়ছে, তখন ইরান তার কূটনৈতিক শক্তিকে আরও বেগবান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যায় পক্ষপাতিত্বের কারণে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা যখন সম্পূর্ণ ব্যর্থ, তখন ইরান তার নিজস্ব শক্তিতে বলীয়ান হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। সামরিক শক্তি এবং রাজনৈতিক সংলাপ যে একে অপরের পরিপূরক, তা ইরান প্রমাণ করে দেখিয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার এবং কূটনৈতিক বিভাগের মধ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ পশ্চিমা শক্তিগুলোর রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। প্রতিদিন একাধিকবার তারা যৌথ কৌশল নির্ধারণ করছেন যা প্রমাণ করে ইরান একটি সুসংগঠিত রাষ্ট্র। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কোনো সমালোচনা বা অবৈধ প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেই দেশের কল্যাণে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে তেহরানের এই দেশপ্রেমিক ও দূরদর্শী নেতৃত্ব। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বেশ কয়েকজন বীর ব্যক্তিত্বের মহান আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে ইরান আগামী দিনের পথচলা নির্ধারণ করছে। শহীদদের পবিত্র রক্ত এবং সাধারণ জনগণের প্রত্যাশাকে সামনে রেখে এই কূটনৈতিক লড়াইয়ে ইরান জয়ী হবেই। শক্তির ভারসাম্য বজায় রেখে এবং দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে অক্ষুণ্ণ রেখেই তেহরান পশ্চিমা বিশ্বের সমস্ত অন্যায় চাল চালবাজি নস্যাৎ করে দিতে পূর্ণ শক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এদিকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের তৈরি অত্যাধুনিক সামুদ্রিক মাইনের উপস্থিতি সনাক্ত করে চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী সেখানে অন্তত দশটি সচল ইরানি মাইন মোতায়েন রয়েছে যা পশ্চিমাদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সক্ষম। এই মাইনগুলোর কারণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর অবাধ ও বেআইনি চলাচল এখন সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলো প্রকাশ করেছে যে এই মাইনগুলো পানির নিচে অত্যন্ত সুপ্ত ও চৌম্বকীয় অবস্থায় মোতায়েন রয়েছে। ইরান তার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মাহাম-তিন এবং মাহাম-সাত নামের বিশেষ মাইন সেখানে সফলভাবে স্থাপন করেছে। এই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ প্রমাণ করে যে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ইরানের সামরিক আত্মনির্ভরশীলতাকে কোনোভাবেই দমাতে পারেনি, বরং তারা আরও শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ইরানের তৈরি মাহাম-তিন মাইনটি শব্দ ও চৌম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে কোনো সরাসরি স্পর্শ ছাড়াই শত্রুর জাহাজের উপস্থিতি বুঝতে পারে। অন্যদিকে মাহাম-সাত নামের মাইনটি সমুদ্রের তলদেশে অবস্থান করে মাঝারি আকারের শত্রু জাহাজ এবং ছোট সাবমেরিনকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে সক্ষম। এই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ওপর পশ্চিমাদের যেকোনো আকস্মিক হামলার পরিকল্পনাকে গোড়াতেই সম্পূর্ণ ধুলিসাৎ করে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়ে থাকে। ইরানের এই ন্যায়সংগত ও কঠোর প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানের কারণে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ইরানি জলসীমা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। মার্কিনীদের এই পিছুটান প্রমাণ করে যে তারা ইরানের সামরিক শক্তির সামনে কতটা অসহায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈষম্যমূলক ও যুদ্ধবাজ নীতির কারণে খোদ তাদের নিজেদের দেশেই সাধারণ জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমেরিকায় তেলের দাম প্রতি গ্যালনে সাড়ে চার ডলারে পৌঁছানো আসলে ট্রাম্প প্রশাসনের ভুল পররাষ্ট্রনীতির সরাসরি ফল। ইরান তার নিজের জলসীমা রক্ষা করছে, অথচ পশ্চিমা মিডিয়াগুলো বিশ্ব অর্থনীতির এই সংকটের জন্য অন্যায়ভাবে তেহরানকে দায়ী করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই বন্ধুরাষ্ট্র ওমানকে সাথে নিয়ে ইরান হরমুজ প্রণালীতে নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করেছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা যে অঞ্চলের দেশগুলোই নিশ্চিত করতে পারে, এই যৌথ পদক্ষেপ তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বহিরাগত মার্কিন শক্তির এই অঞ্চলে নাক গলানোর কোনো অধিকার নেই এবং ইরান-ওমান জোট তা অত্যন্ত সফলভাবে বিশ্বমঞ্চে প্রমাণ করে দেখিয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৮ মে এক বিবৃতিতে জানান যে তিনি ইরানের ওপর সামরিক হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। আসলে এটি ট্রাম্পের কোনো উদারতা নয়, বরং ইরানের ভয়াবহ পাল্টা আঘাতের ভয়ে মার্কিন প্রশাসন হামলা করার সাহস পায়নি। পর্দার আড়ালে তারা এখন ইরানের সাথে সমঝোতা করার জন্য আকুল হয়ে চেষ্টা করছে যা আমেরিকার দুর্বলতাকেই স্পষ্ট করে। সামরিক প্রতিরোধের পাশাপাশি ইরান এখন হরমুজ প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া সাবমেরিন ইন্টারনেট তারের ওপর বিশেষ নিরাপত্তা ফি আরোপের হুমকি দিয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ন্যায়সংগতভাবেই দাবি করেছে যে তাদের জলসীমা ব্যবহারকারী বিদেশী ক্যাবল অপারেটরদের অবশ্যই তেহরানের অনুমতি নিতে হবে। নিজের সার্বভৌম জলসীমার ওপর এই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পূর্ণ অধিকার আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী ইরানের রয়েছে। বর্তমান বিশ্বে প্রায় ৯৯ শতাংশ আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান এই তলদেশের তারের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়ে থাকে। ব্যাংকিং খাত, আর্থিক লেনদেন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং সচল রাখা এই তারগুলোর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ পশ্চিমাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড কাঁপিয়ে দিয়েছে। ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে অবরুদ্ধ করতে চাওয়া পশ্চিমা বিশ্ব এখন নিজেরাই সাইবার ও যোগাযোগ বিপর্যয়ের গভীর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। হরমুজ প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ-এক নামের বড় ক্যাবল ব্যবস্থা ইরানের কৌশলগত হাতের মুঠোয় রয়েছে। তেহরানের এই কঠোর অবস্থানের পর ইতোমধ্যে একটি ফরাসি ক্যাবল স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান ওই অঞ্চলে তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। পশ্চিমা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর এই পলায়নপর নীতি প্রমাণ করে যে ইরানের সার্বভৌম শক্তির সাথে পাঙ্গা নেওয়ার ক্ষমতা কারো নেই। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে এই পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট তারের কোনো ক্ষতি হলে তা মেরামত করা পশ্চিমাদের জন্য অসম্ভব হবে। এর ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং কাতারের মতো তথ্যপ্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল পশ্চিমা মিত্রদের অর্থনীতিতে ধস নামবে। ইরানকে উসকানি দিলে তার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, এই ডিজিটাল সংকট মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেবাদাস দেশগুলোকে সেই বার্তাই দিচ্ছে। এদিকে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে তাড়াহুড়ো না করার বাহানা তৈরি করছেন। তিনি দাবি করেছেন যে রাজনৈতিক চাপ তাকে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে না, যা আসলে তার পরাজয় লুকানোর অপচেষ্টা মাত্র। ট্রাম্প খুব ভালো করেই জানেন যে ইরানের ওপর আক্রমণ করার অর্থ হলো আমেরিকার ধ্বংস ডেকে আনা। ট্রাম্প মুখে কমসংখ্যক মানুষের জীবনহানির কথা বললেও ইতিহাস সাক্ষী যে মার্কিন প্রশাসনই পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বেশি রক্তপাত ঘটিয়েছে। ইরানের বর্তমান দেশপ্রেমিক শাসকরা তাদের জনগণের কল্যাণের কথা ভাবছে না বলে ট্রাম্প যে কুৎসা রটিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইরানের জনগণ তাদের ইসলামী সরকারের পাশে রয়েছে এবং তারা পশ্চিমাদের চাপিয়ে দেওয়া অর্থনৈতিক যুদ্ধ বীরত্বের সাথে মোকাবেলা করছে। সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ইহুদিবাদী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার চমৎকার সম্পর্কের কথা দম্ভভরে প্রচার করেছেন। তিনি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধকালীন সফল প্রধানমন্ত্রী বললেও বিশ্ববাসী জানে নেতানিয়াহু একজন কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী ও শিশু হত্যাকারী। ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই এই জালিম নেতা আজ চরমভাবে ঘৃণিত এবং ট্রাম্প তাকে অন্যায়ভাবে রক্ষা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প রসিকতা করে বলেছেন যে ইসরায়েলে তার জনপ্রিয়তা নিরানব্বই শতাংশ এবং তিনি সেখানে প্রধানমন্ত্রী পদে দাঁড়াতে পারেন। এই ধরনের সস্তা মন্তব্য প্রমাণ করে যে মার্কিন রাজনীতি কতটা দেউলিয়া এবং তারা ইসরায়েলের স্বার্থকে নিজেদের দেশের চেয়েও বেশি প্রাধান্য দেয়। আমেরিকার এই অন্ধ ইসরায়েল-ভক্তিই মধ্যপ্রাচ্যে লাখ লাখ নিরপরাধ মানুষের কান্নার জন্য এককভাবে দায়ী। অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঐতিহাসিক বৈঠক মার্কিন একমেরু বিশ্বব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। ট্রাম্প বেইজিং ও মস্কোর এই দ্বিপাক্ষিক জোটকে ভয় পাচ্ছেন এবং সস্তা জাঁকজমকের তুলনা টেনে নিজের খর্ব হওয়া মর্যাদা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। ইরান, চীন ও রাশিয়ার এই উদীয়মান অক্ষশক্তি পশ্চিমাদের অন্যায় সাম্রাজ্যবাদকে চিরতরে সমাহিত করতে চলেছে। পশ্চিমা আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দিতে ইরানের ভেতর এক অভূতপূর্ব জাতীয় জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে যা ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থল বাহিনীকে প্রতিহত করতে ইতোমধ্যে তিন কোটি ১০ লাখের বেশি ইরানি নাগরিক আত্মত্যাগী জানফাদা প্রতিরোধ অভিযানে নিজেদের নাম স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিবন্ধন করেছেন। এই বিশাল স্বেচ্ছাসেবী জনশক্তি প্রমাণ করে ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে জোর কদমে চলছে বিশেষ সামরিক ও অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষের চোখে-মুখে দেশের জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের দৃঢ় প্রত্যয় দৃশ্যমান। যদি শত্রুপক্ষ কোনো ভুল পদক্ষেপ নেয়, তবে এই জানফাদা বাহিনী মার্কিন ও ইসরায়েলি সৈন্যদের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের মাটিকে জীবন্ত জাহান্নামে পরিণত করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া আন্তর্জাতিক ত্রাণবহরের নিরস্ত্র কর্মীদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর কাপুরুষোচিত হামলা বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। চার শতাধিক অধিকারকর্মীকে অন্যায়ভাবে আটক করে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী মন্ত্রী বেন গভিরের উসকানিমূলক ভিডিও প্রকাশ তাদের চরম ঔদ্ধত্যের প্রমাণ। এই জায়নবাদী বর্বরতার বিরুদ্ধে মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সরকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার আইন ও জাতিসংঘের সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। বিশ্বব্যাপী এই তীব্র সমালোচনার মুখেও ইসরায়েলকে অন্ধ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্ব। কিন্তু ইরান ও বিশ্বের মজলুম জনতা আজ একতাবদ্ধ, এবং এই ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই খুব শীঘ্রই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পতন নিশ্চিত করবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/650_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/650_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/650_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার দুর্দান্ত অভিযানে কাঁপছে ইউক্রেনীয় বাহিনী]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24022</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24022</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 05:05:02 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইউক্রেনীয় বাহিনীর অহংকার ধুলোয় মিশিয়ে দিল পরাশক্তি রাশিয়া! মাত্র চব্বিশ ঘণ্টায় খতম হলো হাজারেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা। খাড়কভের রণক্ষেত্রে পুতিন বাহিনীর একের পর এক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/651_1.jpg" alt="রাশিয়ার দুর্দান্ত অভিযানে কাঁপছে ইউক্রেনীয় বাহিনী" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইউক্রেনীয় বাহিনীর অহংকার ধুলোয় মিশিয়ে দিল পরাশক্তি রাশিয়া! মাত্র চব্বিশ ঘণ্টায় খতম হলো হাজারেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা। খাড়কভের রণক্ষেত্রে পুতিন বাহিনীর একের পর এক বিধ্বংসী হামলায় কিয়েভের সেনারা এখন প্রাণভয়ে পালাচ্ছে। পশ্চিমাদের দেওয়া অত্যাধুনিক সাঁজোয়া যান এখন শুধুই জ্বলন্ত কয়লা। কীভাবে রণক্ষেত্রে ইউক্রেনকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে রাশিয়ান সেনাবাহিনী! বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীর পরাজয় এখন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। রাশিয়ার বীর সেনারা বীরত্বের সাথে খাড়কভ অঞ্চলের শেস্টেরোভকা এলাকাটি সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ব্যাটলগ্রুপ নর্থ বা উত্তর দলীয় সেনারা অত্যন্ত সক্রিয় ও সফল অভিযানের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী সেখানে টিকতেই পারেনি। রাশিয়ান সেনাদের এই বিধ্বংসী আক্রমণের সামনে কিয়েভ সরকারের সমস্ত প্রতিরোধ ভেঙে পড়েছে। বিগত মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন ফ্রন্টলাইনে কিয়েভ প্রায় বারোশো পাঁচজন সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ান ডিফেন্স মিনিস্ট্রির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতি প্রমাণ করে যে রাশিয়ার সামরিক কৌশলের সামনে জেলেনস্কির ভাড়াটে বাহিনী এখন কতটা অসহায় এবং দুর্বল হয়ে পড়েছে। ব্যাটলগ্রুপ নর্থের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনী সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি খেয়েছে। সেখানে প্রায় একশত পঁচানব্বই জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে এবং তাদের চৌদ্দটি সামরিক যান ধ্বংস হয়েছে। ভেলিকায়া বাবকা, গ্রানভ এবং স্টারিটসার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং একটি টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেডকে রাশিয়ান বাহিনী এমনভাবে গুঁড়িয়ে দিয়েছে যে তারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। শুধু খাড়কভ নয়, সুমি এলাকাতেও রাশিয়ার বীর জওয়ানেরা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে ফেলেছে। মোগরিটসা এবং জ্যাপসেলির মতো এলাকায় কিয়েভের একটি এয়ার অ্যাসাল্ট ব্রিগেড এবং একটি অ্যাসল্ট রেজিমেন্টকে রাশিয়ান সেনারা চরমভাবে পরাস্ত করেছে। এই জোরালো অভিযানে ইউক্রেনীয়দের একটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনও সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, যা তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে একেবারে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এদিকে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট বা পশ্চিম দলীয় সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা সম্মুখ সমরে ইউক্রেনের প্রায় একশত নব্বই জন সেনাকে খতম করেছে। একই সাথে আমেরিকার তৈরি একটি এম-একশত তেরো সাঁজোয়া যান, দুটি সাঁজোয়া গাড়ি এবং চব্বিশটি মোটর যান ধ্বংস করেছে। পশ্চিমাদের পাঠানো এসব দামি অস্ত্র এখন রাশিয়ার শক্তিশালী কামানের আঘাতে ছাই হয়ে যাচ্ছে। ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের ক্রাসনি লিমান এবং ইয়াৎকভকা এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং একটি মেরিন ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্টের কাছে নির্মমভাবে পরাজিত হয়েছে। কিয়েভের সেনারা তাদের অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। রাশিয়ার এই অবিশ্বাস্য অগ্রগতি প্রমাণ করে যে, পুরো দোনবাস অঞ্চলকে শত্রুমুক্ত করার লক্ষ্য পূরণের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে পুতিনের সাহসী বাহিনী। অপরদিকে ব্যাটলগ্রুপ সাউথ বা দক্ষিণ দলীয় সেনারা ডোনেটস্কের ক্রামাতোরস্ক এবং কনস্টান্টিনোভকা এলাকায় নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও উন্নত করেছে। রাশিয়ান জওয়ানদের নিখুঁত হামলায় সেখানে একশত চল্লিশ জন ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছে। সেই সাথে আমেরিকার তৈরি চারটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হামভি সাঁজোয়া যান এবং উনিশটি সামরিক মোটর গাড়ি ধ্বংস করে পুতিনের বীর সেনারা বীরত্বের এক নতুন ইতিহাস লিখেছে। আমেরিকার দেওয়া অস্ত্র যে রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির সামনে কতটা ব্যর্থ, তা এই যুদ্ধেই প্রমাণিত। ব্যাটলগ্রুপ সাউথের এলাকায় ইউক্রেনের একটি মোটর চালিত পদাতিক ব্রিগেড এবং একটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেডকে রাশিয়ার কামানের গোলা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের চারটি ফিল্ড আর্টিলারি গানও ধ্বংস করা হয়েছে। কিয়েভ এখন বুঝতে পারছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার চড়া মূল্য তাদের দিতে হচ্ছে। সবচেয়ে বিধ্বংসী রূপ দেখা গেছে ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। সেখানে রাশিয়ার পরাক্রমশালী সেনারা তিন শতাধিক ইউক্রেনীয় সেনাকে চিরতরে খতম করে দিয়েছে। পুতিন বাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে ইউক্রেনের একটি জেগার ব্রিগেড, একটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং তিনটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেড সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তাদের তিনটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান এবং তিনটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে। ডোনেটস্কের বেলোজারস্কো এবং ভ্যাসিলিয়েভকা অঞ্চলে ইউক্রেনীয়দের প্রতিটি প্রতিরক্ষা ব্যূহ ধূলিসাৎ করে দিয়েছে রাশিয়ার সেন্ট্রাল ফোর্সেস। রাশিয়ার এই আক্রমণের গতি এত তীব্র ছিল যে, ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের ভারী অস্ত্রশস্ত্র ফেলে রেখেই প্রাণভয়ে পিছন দিকে পালিয়ে গেছে। রাশিয়ার এই গৌরবময় বিজয় ফ্রন্টলাইনের প্রতিটি সেক্টরে পুতিন বাহিনীর একচ্ছত্র আধিপত্য ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বকে আবারও বিশ্ব দরবারে প্রমাণ করেছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট বা পূর্ব দলীয় সেনারা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাব্যুহ ভেদ করে আরও গভীরে প্রবেশ করেছে। এই অঞ্চলে তারা মাত্র একদিনে তিনশত চল্লিশের বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে নিষ্ক্রিয় করেছে। কিয়েভের ছয়টি ইনফ্যান্ট্রি ফাইটিং ভেহিকল বা পদাতিক যুদ্ধ যান রাশিয়ান গোলার আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। জাপোরোজ্যে এবং ডিনেপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের একাধিক মেকানাইজড ও এয়ার অ্যাসাল্ট ব্রিগেড চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। অন্যদিকে ব্যাটলগ্রুপ ডিনেপ্রো জাপোরোজ্যে অঞ্চলের গ্রিগোরোভকা এলাকায় ইউক্রেনীয়দের একটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে সফলভাবে প্রতিহত করেছে। সেখানে চল্লিশের বেশি সেনা খতম করার পাশাপাশি কিয়েভের দুটি রাডার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। এই রাডারগুলো ধ্বংস হওয়ার ফলে কিয়েভ বাহিনী এখন পুরোপুরি অন্ধ হয়ে পড়েছে। তারা রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান নির্ণয় করার সমস্ত প্রযুক্তিগত ক্ষমতা হারিয়ে চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছে। রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের একটি ড্রোন অপারেটর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অত্যন্ত নিখুঁত ও সফল হামলা চালিয়েছে। এই কেন্দ্রটিতে ইউক্রেনীয় সেনাদের মানববিহীন ড্রোন এবং নৌ ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। রাশিয়ার এই একটিমাত্র হামলায় কিয়েভের দূরপাল্লার ড্রোন তৈরির ওয়ার্কশপ, ড্রোন সংরক্ষণের গুদাম এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের একটি অস্থায়ী আস্তানা সম্পূর্ণ মাটির সাথে মিশে গেছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স ফোর্স আবারও তাদের অভেদ্য প্রাচীরের প্রমাণ দিয়েছে। বিগত চব্বিশ ঘণ্টায় তারা ইউক্রেনের পাঠানো পাঁচশত ষোলোটি ড্রোন এবং তিনটি পশ্চিমা স্মার্ট বোমা আকাশে থাকা অবস্থাতেই ধ্বংস করে দিয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনের দেড় লক্ষাধিক ড্রোন ধ্বংস করে বিশ্ব সামরিক ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড গড়েছে। রাশিয়ার সামরিক সাফল্যের খতিয়ান সত্যিই চোখ কপালে তোলার মতো। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত কিয়েভের ৬৭১টি বিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার এবং দেড় লাখের বেশি ড্রোন ধ্বংস করেছে রাশিয়া। এছাড়া ২৯,৩৯৯টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান এবং ৩৫,০২৪টি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করা হয়েছে। এই বিশাল পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে কিয়েভের সামরিক শক্তি এখন সম্পূর্ণ নিঃশেষ। রাশিয়ার এই সর্বাত্মক বিজয়ের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই আমেরিকার চরম দুর্বলতা স্বীকার করেছেন। ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, রাশিয়ার সাথে আমেরিকার আইসব্রেকার বা বরফকাটা জাহাজের যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে, তা অত্যন্ত হাস্যকর ও লজ্জাজনক। রাশিয়ার কাছে যেখানে আটচল্লিশটি অত্যাধুনিক আইসব্রেকার রয়েছে, সেখানে আমেরিকার কাছে আছে মাত্র একটি অত্যন্ত পুরোনো এবং জরাজীর্ণ জাহাজ। রাশিয়া বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আইসব্রেকার বহর পরিচালনা করছে, যার মধ্যে আটটি সম্পূর্ণ পারমাণবিক শক্তিচালিত। রাশিয়ার এই বিশাল বহর আর্কটিক অঞ্চলে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছে। রাশিয়ার একশত ষাট মিটার দীর্ঘ &amp;#39;ইয়াকুতিয়া&amp;#39; আইসব্রেকারটি তিন মিটার পুরু বরফ কেটে এগিয়ে যেতে পারে। আমেরিকার পুরোনো প্রযুক্তি রাশিয়ার এই আধুনিক ও দানবীয় পারমাণবিক শক্তির সামনে কোনো প্রতিযোগিতাই করতে পারছে না। মস্কো তাদের এই আইসব্রেকার বহরকে একটি কৌশলগত সম্পদ মনে করে। এর মাধ্যমে তারা নর্দার্ন সি রুট বা উত্তর সমুদ্র পথটি সারা বছর চালু রাখছে। এই পথটি এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব অনেক কমিয়ে দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার উসকানিমূলক যুদ্ধের কারণে সুয়েজ খাল যখন অনিরাপদ, তখন পুরো বিশ্ব এখন রাশিয়ার এই নিরাপদ বিকল্প সমুদ্র পথের দিকে ঝুঁকছে। আমেরিকা ও পশ্চিমাদের ভুল নীতির কারণে পুরো ইউরোপ এখন এক বিধ্বংসী &amp;#39;জ্বালানি সুনামি&amp;#39;র মুখে পড়েছে। ক্রেমলিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ সতর্ক করে বলেছেন যে, ইউরোপে খুব শীঘ্রই তীব্র রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভূমিকম্প আসতে চলেছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ বেড়ে গেছে, যার ফলে ইউরোপের সাধারণ মানুষ এখন চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার সস্তা ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি বর্জন করে নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরেছে। জার্মানি এবং যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোতে এখন তীব্র অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাজ্য গোপনে রাশিয়া থেকে ডিজেল ও জেট ফুয়েল আমদানির জন্য সাময়িক লাইসেন্স দিতে বাধ্য হয়েছে। মুখে নিষেধাজ্ঞা দিলেও পর্দার আড়ালে তারা রাশিয়ার জ্বালানি পাওয়ার জন্যই এখন ভিক্ষা করছে। ইউরোপের এই চরম দেউলিয়া অবস্থার মধ্যেই আমেরিকা এখন গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটিকে দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। ট্রাম্পের বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি গ্রিনল্যান্ডে গিয়ে ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আমেরিকা সেখানে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে এবং কোল্ড ওয়ার বা স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ১৭টি সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করতে চায়, যা ন্যাটো জোটের মধ্যেই তীব্র ফাটল তৈরি করেছে। আমেরিকার এই আগ্রাসী নীতির কারণে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস ফ্রেডরিক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা আমেরিকার কোনো চাপ মেনে নেবেন না। খনিজ সম্পদে ভরপুর এই আর্কটিক অঞ্চলটি দখল করার জন্য আমেরিকা যে কতটা অনৈতিক আচরণ করতে পারে, তা ল্যান্ড্রির এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ সফরের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে উন্মোচিত হয়েছে। নিজেদের ভূখণ্ডকে পাপাচার মুক্ত করতে রাশিয়া ঘরের ভেতরের শত্রুদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। মস্কো অঞ্চলে &amp;#39;স্যাটানিক টেম্পল&amp;#39; বা শয়তানের উপাসনালয় নামে পরিচিত একটি অবৈধ আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে রুশ প্রশাসন। এই আস্তানাটি এলেনা সুলিকোভা নামের এক ভণ্ড তান্ত্রিকের ছিল। সে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল এবং খ্রিস্টান ধর্মের অনুভূতিতে আঘাত দিচ্ছিল। রাশিয়ার ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষা করতে রুশ আদালত এই কঠোর রায় দিয়েছে। ওই ভণ্ড নেত্রীকে ইতিপূর্বেই চরমপন্থী উপাদান ছড়ানোর দায়ে দুই বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার স্টেট ডুমার ডেপুটি ভিটালি মিলোনভ বলেছেন যে, রাশিয়ায় কোনো ধরনের শয়তানি বা পশ্চিমা অপসংস্কৃতির জায়গা হবে না। পুতিনের রাশিয়ায় ঐতিহ্য এবং ধর্মের পবিত্রতা সবার ওপরে। শেষে বলা যায়, রণক্ষেত্র থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা&amp;mdash;প্রতিটি ক্ষেত্রেই রাশিয়ার বিজয় এখন সুনিশ্চিত। ইউক্রেনকে ব্যবহার করে পশ্চিমা বিশ্ব যে ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছিল, তা পুতিনের দূরদর্শিতা এবং রুশ সেনাদের সাহসিকতার কাছে আজ সম্পূর্ণ পরাজিত। বিশ্ব দেখছে এক নতুন পরাশক্তির উত্থান, যাকে পরাস্ত করার ক্ষমতা বর্তমান পৃথিবীর আর কোনো শক্তির নেই।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/651_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/651_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/651_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[যে শহরে ডিনার সারতে রকেট হা&#039;মলা&#039;র অ্যালার্ট বাজে!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24021</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24021</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 17:05:20 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[এশিয়া]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত কান্দাহার বিমানঘাঁটি কেবল একটি সামরিক স্থাপনা নয়, বরং এটি এক পূর্ণাঙ্গ আধুনিক শহর। কঠোর নিরাপত্তা, উন্নত অবকাঠা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/628_1.jpg" alt="যে শহরে ডিনার সারতে রকেট হা&#039;মলা&#039;র অ্যালার্ট বাজে!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত কান্দাহার বিমানঘাঁটি কেবল একটি সামরিক স্থাপনা নয়, বরং এটি এক পূর্ণাঙ্গ আধুনিক শহর। কঠোর নিরাপত্তা, উন্নত অবকাঠামো এবং যুদ্ধের প্রস্তুতির পাশাপাশি এখানে রয়েছে সৈন্যদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। রণক্ষেত্রের ঝুঁকি আর স্বাভাবিক জীবনের প্রয়োজন&amp;mdash;দুইয়ের এক অনন্য সমন্বয় দেখা যায় এই ঘাঁটিতে। আফগানিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের সবচেয়ে অস্থিতিশীল এবং বিপজ্জনক দেশগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। দুই হাজার এক সালে আন্তর্জাতিক সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে দেশটিতে বহু বিদেশি সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এমন এক পরিস্থিতির মধ্যেও দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার শহরের কাছে গড়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমী সামরিক ঘাঁটি, যেখানে যুদ্ধের প্রস্তুতির পাশাপাশি বজায় রাখা হয়েছে আধুনিক নগরজীবনের প্রায় সব বৈশিষ্ট্য। কান্দাহার শহর থেকে প্রায় বারো মাইল দূরে এবং রাজধানী কাবুলের দক্ষিণে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটির আয়তন প্রায় দশ বর্গমাইল। এটি বর্তমানে উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের অন্যতম প্রধান বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এখান থেকেই পরিচালিত হয় আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে নজরদারি, পরিবহন এবং যুদ্ধ সহায়তা কার্যক্রমের বড় অংশ। ঘাঁটির দায়িত্বে থাকা রয়্যাল বিমানবাহিনীর এয়ার কমোডর বব জাডসন নিজেকে এই বিশাল স্থাপনার &amp;lsquo;মেয়র&amp;rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এটি শুধু একটি ঘাঁটি নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ শহর। এখানে রয়েছে দুই মাইল দীর্ঘ রানওয়ে, যা দিনরাত সচল থাকে। প্রতি মাসে প্রায় দশ হাজার বিমান ও হেলিকপ্টারের ওঠানামা হয় এই ঘাঁটিতে। ব্যস্ততার দিক থেকে এটি বিশ্বের বড় বেসামরিক বিমানবন্দরগুলোর সঙ্গেও তুলনীয়। ঘাঁটির কেন্দ্রস্থলে রয়েছে সৈন্যদের বহুল পরিচিত এলাকা, যার নাম &amp;lsquo;বোর্ডওয়াক&amp;rsquo;। এটি মূলত একটি বাণিজ্যিক ও বিনোদন কেন্দ্র, যেখানে সৈন্যদের জন্য রয়েছে আন্তর্জাতিক খাবারের দোকান, গির্জা, সুপারমার্কেট, ব্যায়ামাগার এবং বিশাল খাবার পরিবেশন কেন্দ্র। প্রতিদিন প্রায় চৌদ্দ হাজার মানুষের খাবার প্রস্তুত করা হয় এখানে। পাশাপাশি একটি বৃহৎ লন্ড্রি কেন্দ্র প্রতিদিন প্রায় বারো টন কাপড় পরিষ্কার করে। মরুভূমির প্রতিকূল পরিবেশে এসব সুবিধা সচল রাখা সহজ নয়। ঘাঁটির বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ লাখ লিটার জ্বালানি ব্যবহার করা হয়। পানীয় জল সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত জটিল প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই ঘাঁটিতে অবস্থানরত সৈন্যদের মধ্যে রয়েছেন বহু ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর সদস্য। জেআর-নাইন হ্যারিয়ার যুদ্ধবিমানের চালক রিচ হিলার্ড, যিনি সহকর্মীদের কাছে &amp;lsquo;বলি&amp;rsquo; নামে পরিচিত, জানান যে কয়েক বছর আগেও এখানে জীবন ছিল অনেক বেশি কঠিন। তখন সৈন্যদের তাঁবুতে থাকতে হতো এবং সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই দিন কাটাতে হতো। এখন উন্নত আবাসন, বিশ্রামাগার এবং বিনোদনের ব্যবস্থা থাকায় কর্মব্যস্ততার ফাঁকে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়। ঘাঁটিতে প্রায় নয়শ নারী সদস্যও কর্মরত আছেন। তাদের একজন একুশ বছর বয়সী ক্যাট, যিনি মানবসম্পদ বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। তার কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সৈন্যদের কাছে পরিবার-পরিজনের পাঠানো চিঠি ও পার্সেল পৌঁছে দেওয়া। প্রতিদিন কয়েক বস্তা ডাক আসে, যা দূরে থাকা সৈন্যদের জন্য মানসিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিশাল ঘাঁটির অভ্যন্তরে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ম রয়েছে। সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় দশ মাইল নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সামরিক পুলিশ নিয়মিত তা তদারক করে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পদক্ষেপে সতর্কতা বজায় রাখা হয়। তবে সব আধুনিক সুবিধার মধ্যেও যুদ্ধের বাস্তবতা এখানে সবসময় স্পষ্ট। তালেবান যোদ্ধারা প্রায় প্রতি সপ্তাহে এক বা দুইবার এই ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালায়। বিশেষ দিবস বা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হামলার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। বিপদ সংকেত বাজলেই সবাইকে দ্রুত সুরক্ষা সরঞ্জাম পরে বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে হয়। ঘাঁটির বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে টহল দেয় বিমানবাহিনীর বিশেষ রেজিমেন্ট। এলাকায় মাইন বিস্ফোরণ এবং অতীত যুদ্ধের অবিস্ফোরিত গোলাবারুদের ঝুঁকি রয়েছে। সম্প্রতি কয়েকজন সদস্য নিহত হওয়ার পর অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য বিশেষভাবে নির্মিত বিস্ফোরণ প্রতিরোধী সাঁজোয়া যান আনা হয়েছে। এই ঘাঁটিতে দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়মিত নতুন সেনা সদস্য আসেন। যুক্তরাজ্যের সাফোক অঞ্চল থেকে আগত অনেক সেনা ছয় মাসের জন্য এখানে মোতায়েন হন। তাদের মধ্যে কেউ পরিবার, কেউ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বা বাগদত্তাকে রেখে আসেন। বিদায়ের মুহূর্তে আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়, কারণ প্রত্যেকেই জানেন সামনে অপেক্ষা করছে অনিশ্চিত এক সময়। প্রথমবার দায়িত্বে আসা তরুণ সৈন্যদের কাছে অভিজ্ঞতাটি আরও গভীর। গলায় ঝোলানো পরিচয়পত্র হাতে নিয়ে তারা উপলব্ধি করেন যে এখন তারা এমন এক যুদ্ধে অংশ নিতে যাচ্ছেন, যেখানে জীবন ও মৃত্যুর ব্যবধান কখনো কখনো মাত্র কয়েক সেকেন্ডের। কান্দাহার বিমানঘাঁটির কার্যক্রম শুধু সামরিক অভিযানে সীমাবদ্ধ নয়। স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে এখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমও পরিচালিত হয়। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি বিপজ্জনক পথ অতিক্রম করে একটি বিশাল টারবাইন কজ্জাকী বাঁধে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আফগানিস্তানের প্রায় এক লাখ পরিবারের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে। এই অভিযানের আকাশ নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন পাইলট রিচ হিলার্ড। তিনি যুদ্ধবিমান থেকে উন্নত পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিচের পরিস্থিতি নজরদারি করেন এবং প্রয়োজন হলে স্থলবাহিনীকে সহায়তা দেন। তার মতে, এমন মিশনের উদ্দেশ্য কেবল সামরিক সাফল্য নয়; বরং স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। কান্দাহার বিমানঘাঁটির জীবন এক বৈপরীত্যের প্রতিচ্ছবি। একদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিক খাবারের দোকান, ব্যায়ামাগার ও বিশ্রামকেন্দ্র; অন্যদিকে রয়েছে রকেট হামলার সতর্ক সংকেত, বাঙ্কারে আশ্রয় এবং প্রতিনিয়ত মৃত্যুর ঝুঁকি। সৈন্যদের কাছে এটি একই সঙ্গে দায়িত্ব, ত্যাগ এবং বেঁচে থাকার সংগ্রামের স্থান। অনেকের ভাষায়, যুদ্ধের এই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও কান্দাহার বিমানঘাঁটি যেন এক টুকরো স্বাভাবিক জীবন। কয়েক মাসের দায়িত্ব শেষে যখন তারা দেশে ফেরার বিমানে ওঠেন, তখন চোখেমুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি, অর্জনের তৃপ্তি এবং প্রিয়জনের কাছে ফিরে যাওয়ার গভীর আকাঙ্ক্ষা। আফগানিস্তানের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে কান্দাহার বিমানঘাঁটি তাই শুধু একটি সামরিক ঘাঁটির নাম নয়; এটি যুদ্ধের মাঝেও স্বাভাবিক জীবন ধরে রাখার এক অসাধারণ প্রচেষ্টার প্রতীক।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/628_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/628_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/628_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউরোপে নতুন যুদ্ধ উদ্বেগ: রাশিয়া–বেলারুশের যৌথ পরমাণু মহড়া]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24020</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24020</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 17:05:36 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের মহড়া শুরু করেছে বেলারুশ। ইউক্রেন ও উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটভুক্ত দেশগুলোর সীমা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/640_1.jpg" alt="ইউরোপে নতুন যুদ্ধ উদ্বেগ: রাশিয়া–বেলারুশের যৌথ পরমাণু মহড়া" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের মহড়া শুরু করেছে বেলারুশ। ইউক্রেন ও উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটভুক্ত দেশগুলোর সীমান্ত ঘেঁষে পরিচালিত এই মহড়াকে ঘিরে পূর্ব ইউরোপে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইউরোপের পূর্বাঞ্চলে চলমান ভূরাজনৈতিক সংকটের মধ্যে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশ কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন ও ব্যবহারের প্রস্তুতি যাচাই করতে বড় ধরনের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ মে থেকে শুরু হওয়া এই মহড়ায় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট, বিমান বাহিনীর বিশেষ দল এবং সহায়ক লজিস্টিক বাহিনী অংশ নিচ্ছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞদের সরাসরি সমন্বয়ে পরিচালিত এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো স্বল্প সময়ের মধ্যে পরমাণু অস্ত্র নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেওয়া, গোপনে মোতায়েন করা এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তা ব্যবহারের প্রস্তুতি যাচাই করা। বেলারুশের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের অনুশীলনে অপরিচিত এলাকা থেকে দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন, ছদ্মবেশে চলাচল এবং আকস্মিক নির্দেশে যুদ্ধ প্রস্তুতি গ্রহণের সক্ষমতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অল্প সময়ে কৌশলগত অস্ত্র মোতায়েনের সামর্থ্য অর্জনই এই মহড়ার প্রধান লক্ষ্য। বেলারুশের জেনারেল স্টাফের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মেজর জেনারেল পাভেল মুরাভেইকো বলেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেনাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের রণকৌশলগত প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, &amp;ldquo;যেকোনো অনির্ধারিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যকরভাবে কাজ করার সক্ষমতা অর্জনই আমাদের লক্ষ্য।&amp;rdquo; রাশিয়া ২০২৩ সালে বেলারুশের ভূখণ্ডে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন শুরু করে। যদিও মস্কো বারবার বলেছে, এসব অস্ত্রের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার হাতেই থাকবে, তবুও বেলারুশের মাটিতে এমন অস্ত্রের উপস্থিতি এবং তা ঘিরে নিয়মিত মহড়া ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বেলারুশের ভৌগোলিক অবস্থান এই মহড়াকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। দেশটির সীমান্ত একদিকে ইউক্রেন, অন্যদিকে পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া ও লাটভিয়ার সঙ্গে যুক্ত। এই তিনটি দেশ উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটের সদস্য। ফলে বেলারুশে পরমাণু মহড়া মানেই ইউক্রেনের পাশাপাশি জোটভুক্ত দেশগুলোর নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়ে যাওয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বেলারুশ সীমান্তে সামরিক তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে এবং রাশিয়া তার মিত্র দেশটিকে যুদ্ধে আরও সক্রিয়ভাবে জড়ানোর চেষ্টা করছে। ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, বেলারুশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলে অথবা সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন আক্রমণ চালানো হতে পারে। জেলেনস্কির মতে, রাশিয়া কেবল সামরিক চাপই সৃষ্টি করছে না, একই সঙ্গে মানসিক চাপও বাড়াচ্ছে। সীমান্তে পরমাণু মহড়া এবং রিজার্ভ সেনা প্রস্তুত রাখার মতো পদক্ষেপ ইউক্রেনকে অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থানে থাকতে বাধ্য করছে। তবে বেলারুশ সরকার এই উদ্বেগকে অমূলক বলে দাবি করেছে। মিনস্কের কর্মকর্তারা বলেছেন, মহড়াটি সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক এবং এর উদ্দেশ্য কেবল দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো। কোনো প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের পরিকল্পনা এতে নেই। বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো সম্প্রতি সেনাবাহিনীর জন্য নতুন আবর্তনমূলক প্রস্তুতি কৌশল ঘোষণা করেছেন। এর আওতায় পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ইউনিটকে নিবিড় প্রশিক্ষণে রাখা হবে, যাতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত যুদ্ধ প্রস্তুতি নেওয়া যায়। তাঁর ভাষায়, &amp;ldquo;বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় আমাদের সবাইকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।&amp;rdquo; লুকাশেঙ্কো আরও বলেন, আধুনিক যুদ্ধে শুধু আকাশ হামলা যথেষ্ট নয়; স্থলবাহিনীর সক্ষমতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির বিকল্প নেই। ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হলে রাশিয়ার বাহিনী বেলারুশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কিয়েভমুখী অগ্রযাত্রা চালায়। সেই অভিজ্ঞতার কারণে ইউক্রেন এখনো বেলারুশ সীমান্তকে সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে। যদিও বর্তমানে বেলারুশ সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে না, তবে দেশটির সামরিক কর্মকাণ্ড কিয়েভের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। সামরিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই মহড়ার কয়েকটি উদ্দেশ্য থাকতে পারে। প্রথমত, রাশিয়া ও বেলারুশের পারমাণবিক সমন্বয় কতটা কার্যকর, তা পরীক্ষা করা। দ্বিতীয়ত, ইউক্রেনকে সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে বাধ্য করা। তৃতীয়ত, জোটভুক্ত দেশগুলোকে রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে সতর্ক বার্তা দেওয়া। পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া ও লাটভিয়া ইতোমধ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে। এসব দেশ দীর্ঘদিন ধরেই বেলারুশে রুশ সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। তাদের মতে, বেলারুশে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুতর ঝুঁকি। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলছেন, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা এখনো দূরবর্তী হলেও এ ধরনের মহড়া ভুল বোঝাবুঝি, উত্তেজনা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে সীমান্তের কাছাকাছি সামরিক তৎপরতা বাড়লে ছোট কোনো ঘটনা থেকেও বড় সংঘাতের সূত্রপাত হতে পারে। রাশিয়া বরাবরই দাবি করে আসছে, পশ্চিমা সামরিক জোটের পূর্বমুখী সম্প্রসারণ এবং ইউক্রেনে পশ্চিমা সমর্থন তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলো বলছে, রাশিয়াই আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করছে। এই বাস্তবতায় বেলারুশের মাটিতে যৌথ পরমাণু মহড়া শুধু সামরিক অনুশীলন নয়, বরং একটি শক্ত রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। এতে বোঝানো হচ্ছে যে, মস্কো ও মিনস্ক তাদের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতিতে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখেছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে এই মহড়া ইউক্রেন যুদ্ধের বিস্তৃত প্রভাবও সামনে নিয়ে এসেছে। যুদ্ধ এখন কেবল ইউক্রেনের ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রতিফলন পড়ছে গোটা পূর্ব ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। প্রতিটি সামরিক পদক্ষেপ, প্রতিটি মহড়া এবং প্রতিটি রাজনৈতিক বক্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন হিসাব-নিকাশ তৈরি করছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক সংলাপের বিকল্প নেই। অন্যথায় ভুল সিদ্ধান্ত, অতিরিক্ত সামরিক প্রতিক্রিয়া বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে, রাশিয়া ও বেলারুশের যৌথ পরমাণু মহড়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পূর্ব ইউরোপে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এটিকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করছে, তবুও এর কৌশলগত তাৎপর্য এবং রাজনৈতিক বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/640_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/640_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/640_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24019</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24019</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 17:05:01 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে&amp;mdash;এমন দাবি সঠিক নয় মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের অধিক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-639_1.jpg" alt="ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে&amp;mdash;এমন দাবি সঠিক নয় মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে&amp;mdash;এমন দাবি সঠিক নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও কিছু সীমিত সক্ষমতা এখনো রয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটিতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, উন্মুক্ত সূত্রে যে সংখ্যাগুলো প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, মোবাইল উৎক্ষেপণযান এবং ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর বেশিরভাগই আবার কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছে। এমনকি হরমুজ প্রণালীর তীরে থাকা ৩৩টির মধ্যে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ইরান পুনরায় প্রবেশাধিকার পেয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ এবং আন্তর্জাতিক তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, শুধু অস্ত্রের সংখ্যা দেখলে পুরো চিত্র বোঝা যায় না। তাঁর মতে, ইরানের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গুরুতরভাবে ভেঙে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতাও ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে হাতে কিছু অস্ত্র থাকলেও তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করার ক্ষমতা আগের মতো নেই। তিনি বলেন, &amp;ldquo;ইরান আর আগের মতো করে যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক অংশীদারদের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারছে না।&amp;rdquo; হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নৌ সক্ষমতার উদাহরণ টেনে কুপার জানান, অতীতে এই এলাকায় সাধারণত ২০ থেকে ৪০টি দ্রুতগামী নৌকা দেখা যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে মাত্র দুই থেকে তিনটি। তাঁর মতে, এটি ইরানের নৌ সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য অবনতির প্রমাণ। মার্কিন বাহিনী সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে হুমকি সৃষ্টি করা ইরানের প্রায় অর্ধডজন দ্রুতগামী নৌকা ধ্বংস করেছে বলেও তিনি জানান। অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হলেও দেশটি এখনো আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে নতুন ধরনের হুমকি তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগের তুলনায় এখন ইরানের ড্রোনগুলো অনেক বেশি উন্নত, জেটচালিত এবং অত্যাধুনিক সেন্সর ও বৈদ্যুতিক যুদ্ধ সক্ষমতাসম্পন্ন। তবে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা কৌশল গ্রহণ করেছে। তুলনামূলক কম খরচের একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে তারা ইরানকে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করতে বাধ্য করছে। কুপারের ভাষায়, এতে যুদ্ধের ব্যয়ের ভারসাম্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে এসেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি স্বল্পমূল্যের মানববিহীন যুদ্ধ ড্রোন ব্যবস্থার কার্যকারিতার কথা তুলে ধরেন। এসব ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি জানান। সিনেট কমিটিতে দেওয়া সাক্ষ্যে অ্যাডমিরাল কুপার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ, উৎক্ষেপণযান ও দূরপাল্লার আক্রমণকারী ড্রোনের ওপর ৪৫০টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে। ড্রোন উৎক্ষেপণ ইউনিট ও সংরক্ষণাগারের ওপর চালানো হয়েছে প্রায় ৮০০ হামলা। তিনি বলেন, ইরানের বিমান বাহিনী বর্তমানে কার্যত অকার্যকর। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন ৩০ থেকে ১০০টি উড্ডয়ন পরিচালনা করা হলেও এখন সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। বিমানঘাঁটি, হ্যাঙ্গার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং গোলাবারুদের মজুদ ধ্বংস বা অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ৮২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট রাডার ও কমান্ড নেটওয়ার্কও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সমুদ্রপথে ইরানের সামরিক শক্তির ওপরও বড় ধরনের আঘাত এসেছে। কুপারের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ধরনের মোট ১৬১টি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। আট হাজারেরও বেশি নৌমাইনের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ফলে ইরানের নৌবাহিনী আর কার্যকর সামুদ্রিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হওয়ার অবস্থায় নেই। ওমান উপসাগর কিংবা ভারত মহাসাগরে শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতাও তাদের নেই বলে মন্তব্য করেন সেন্টকম প্রধান। তিনি আরও জানান, ইরানের কমান্ড কাঠামোর ওপর দুই হাজারেরও বেশি হামলার ফলে নেতৃত্বে শূন্যতা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সেনা সদস্যদের মধ্যে পালিয়ে যাওয়া, জনবল সংকট এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান এখন লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি, গাজায় হামাস এবং ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে উন্নত অস্ত্র পাঠাতে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। তেহরান থেকে তাদের সরবরাহ শৃঙ্খল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান এখনো পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে হস্তক্ষেপ করেছে। অ্যাডমিরাল কুপারের সাক্ষ্যের কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিট হন্ডুরাসের পতাকাবাহী একটি গবেষণা জাহাজ জব্দ করে। জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূলের কাছ থেকে আটক করা হয়। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, জাহাজটি ইরানের জলসীমার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের মধ্যে বৈঠকেও হরমুজ প্রণালীর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। হোয়াইট হাউস জানায়, উভয় নেতা একমত হয়েছেন যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রণালীটি উন্মুক্ত রাখা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট&amp;mdash;ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, &amp;ldquo;ইরানের সামরিক শক্তির ধ্বংস&amp;mdash;চলবে।&amp;rdquo; অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ আবারও ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে, মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের দাবি অনুযায়ী ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশটির হাতে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং নৌ সক্ষমতা রয়ে গেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য সীমিত হলেও বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-639_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-639_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-639_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুতিনের পাতা ফাঁদে কুপোকাত পশ্চিমা বিশ্ব]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24018</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24018</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 17:05:35 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুলটি বোধহয় করে ফেলেছে ন্যাটো এবং তাদের পুতুল রাষ্ট্র ইউক্রেন! পরাশক্তি রাশিয়ার ধৈর্যকে যারা দুর্বলতা ভেবেছিল, তারা এখন রণক্ষেত্রে প্রাণ বাঁচ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/643_1.jpg" alt="পুতিনের পাতা ফাঁদে কুপোকাত পশ্চিমা বিশ্ব" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুলটি বোধহয় করে ফেলেছে ন্যাটো এবং তাদের পুতুল রাষ্ট্র ইউক্রেন! পরাশক্তি রাশিয়ার ধৈর্যকে যারা দুর্বলতা ভেবেছিল, তারা এখন রণক্ষেত্রে প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এমন এক মাস্টারস্ট্রোক খেলেছেন, যার সামনে আমেরিকার তৈরি সব সমরাস্ত্র আজ স্রেফ খেলনা। একের পর এক সেনা হারিয়ে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে জেলেনস্কি বাহিনী। কীভাবে পুতিন পুরো ইউরোপকে এক চালের দাবার ঘুঁটি বানিয়ে দিলেন।&amp;nbsp; রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দূরদর্শী এবং ধৈর্যশীল নেতা হিসেবে নিজেকে আবারও প্রমাণ করেছেন। ইউক্রেন সংকটে পশ্চিমা বিশ্ব যখন একের পর এক উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে, তখন মস্কো অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় নিজের লক্ষ্য অর্জন করে চলেছে। পুতিনের এই সুদূরপ্রসারী কৌশলের সামনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উগ্র ও যুদ্ধবাজ নেতারা আজ পুরোপুরি অসহায় এবং ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছেন। আমেরিকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর প্রাক্তন শীর্ষ বিশ্লেষক রে ম্যাকগভর্ন সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে পুতিনের এই দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, রাশিয়া ইউরোপের ন্যাটো রাষ্ট্রগুলোর ওপর সরাসরি কোনো আক্রমণ করতে আগ্রহী নয়। বরং পুতিন অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা করছেন, যতক্ষণ না এই যুদ্ধবাজ এবং নিজ দেশের জনগণের কাছে চরমভাবে অপছন্দনীয় পশ্চিমা নেতারা ক্ষমতাচ্যুত হন। পশ্চিমা মদদপুষ্ট ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে যে উস্কানি দিচ্ছে, তাতে রুশ জনগণের ক্ষোভ বাড়ছে। মস্কো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করেছে যে, ইউরোপের সামরিক শিল্পকারখানার সরাসরি সহায়তায় এবং ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে এই সন্ত্রাসী ড্রোনগুলো তৈরি এবং পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু পুতিন কোনো তাড়াহুড়ো না করে অত্যন্ত দূরদর্শিতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন। ম্যাকগভর্নের মতে, পুতিন অত্যন্ত সতর্ক ও বিচক্ষণ হওয়ার কারণে বিশ্ব এক বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে বেঁচে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করা এবং ক্রমাগত সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। একই সাথে আমেরিকার খামখেয়ালী এবং অনাকাঙ্ক্ষিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি কোনো সামরিক সংঘাতে জড়ানোর সুযোগ না দেওয়াও মস্কোর অন্যতম একটি বড় কৌশলগত বিজয়। ইউরোপের বর্তমান তিন শীর্ষ নেতা&amp;mdash;ফ্রান্সের ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো, জার্মানির ফ্রিডরিখ মার্জ এবং যুক্তরাজ্যের কিয়ার স্টারমারকে স্রেফ &amp;#39;তিন অন্ধ ইঁদুর&amp;#39; হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এই মার্কিন বিশ্লেষক। তাদের অদূরদর্শী নীতির কারণে ইউরোপ আজ ধ্বংসের মুখে। পুতিন ভালো করেই জানেন যে, ইউরোপের সচেতন নাগরিকরাই খুব শীঘ্রই এই পুতুল এবং যুদ্ধবাজ ক্লাউনদের ক্ষমতা থেকে লাথি মেরে বের করে দেবে এবং রাশিয়ার সাথে সুসম্পর্ক গড়বে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ইতিমধ্যেই বিদায়ের পথে এবং ফ্রান্সের ম্যাঁক্রো আগামী বছরেই ক্ষমতা হারাচ্ছেন। অন্যদিকে জার্মানির চ্যান্সেলর মার্জ দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে অজনপ্রিয় নেতা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন। পুতিন এই দীর্ঘমেয়াদী খেলায় শতভাগ জয়ী হচ্ছেন, কারণ রাশিয়ার শক্তির মূল উৎস তাদের অফুরন্ত ধৈর্য ও রণকৌশল। পশ্চিমাদের এই রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব রাশিয়ার চূড়ান্ত বিজয়কে আরও অনেক বেশি ত্বরান্বিত করছে। এদিকে ন্যাটোভুক্ত ছোট দেশ লাটভিয়া নিজের সীমানা ব্যবহার করে রাশিয়াকে উস্কানি দেওয়ার এক আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছে। রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআর এক মারাত্মক তথ্য ফাঁস করেছে। তারা জানিয়েছে যে, লাটভিয়া তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউক্রেনকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ড্রোন হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে। এই কাপুরুষোচিত পদক্ষেপের কারণে লাটভিয়া এখন রাশিয়ার সরাসরি সামরিক টার্গেটে পরিণত হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিশেষ করে লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্য করে যে সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে, তার ড্রোনগুলো লাটভিয়া, এস্তোনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের আকাশসীমা ব্যবহার করছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইউক্রেন শুধু এই দেশগুলোর আকাশপথ ব্যবহার করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, বরং এই সমস্ত ন্যাটোভুক্ত দেশের মূল ভূখণ্ড থেকেই সরাসরি ড্রোন উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ইউক্রেনীয় ড্রোন অপারেটরদের ইতিমধ্যেই লাটভিয়ার আদাজি, সেলিজা, লিয়েলভার্দে, ডগাপিলস এবং জেকাবপিলসের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে। ইউক্রেন অত্যন্ত চতুরতার সাথে লাটভিয়াকে বুঝিয়েছে যে, আধুনিক প্রযুক্তিতে নাকি ড্রোন উৎক্ষেপণের সঠিক স্থান শনাক্ত করা অসম্ভব। এই চরম মিথ্যাকে বিশ্বাস করে লাটভিয়ার সরকার নিজেদের ধ্বংসের পথ নিজেরাই সুগম করেছে। লাটভিয়ার কর্তৃপক্ষের এই চরম বোকামিতে ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে রাশিয়ার এসভিআর। বর্তমান যুগের আধুনিক রুশ স্যাটেলাইট ও গোয়েন্দা প্রযুক্তির মাধ্যমে যেকোনো ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করেই তার নিখুঁত উৎক্ষেপণস্থল বের করা চোখের পলকের ব্যাপার। মস্কো লাটভিয়াকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছে যে, তাদের দেশের সমস্ত সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রের নিখুঁত স্থানাঙ্ক বা কোঅর্ডিনেটস রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের টার্গেটে রয়েছে। ন্যাটোর সদস্যপদ লাটভিয়ার এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সহযোগীদের রাশিয়ার ন্যায্য প্রতিশোধ থেকে কোনোভাবেই রক্ষা করতে পারবে না। লাটভিয়ার বর্তমান নেতাদের অন্ধ রুশ-বিদ্বেষ তাদের নূন্যতম সাধারণ জ্ঞান এবং আত্মরক্ষার অনুভূতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেন মূলত ইউরোপের যুদ্ধবাজ ও অর্থদাতা প্রভুদের দেখানোর চেষ্টা করছে যে, তারা এখনও রাশিয়ার বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি করতে সক্ষম, যা সম্পূর্ণ অলীক কল্পনা। যদিও লাটভিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার এই অকাট্য তথ্যকে স্রেফ প্রোপাগান্ডা বলে অস্বীকার করার ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। ইউক্রেনও তাদের স্বভাবসুলভ মিথ্যাচারের মাধ্যমে এই সত্যকে ধামাচাপা দিতে চাইছে। কিন্তু সত্য কখনো লুকিয়ে রাখা যায় না। মস্কোর ওপর সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রায় ৬০০ ড্রোনের বিশাল সন্ত্রাসী হামলার জবাব দিতে রাশিয়া ইতিমধ্যেই তার আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও কয়েক গুণ শক্তিশালী করেছে। রুশ বীর সেনারা গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের সামরিক শক্তির ওপর এক প্রলয়ঙ্কারী আঘাত হেনেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রণক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে গত একদিনেই ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ১,১৭৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার সামনে ইউক্রেনের পুরো প্রতিরক্ষা লাইন এখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে এবং জেলেনস্কির সেনারা মাঠ ছেড়ে পালাচ্ছে। এই অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে খারকভ অঞ্চলে, যেখানে রাশিয়ার অকুতোভয় &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; বা উত্তর দলীয় সেনারা সম্পূর্ণ বীরত্বের সাথে &amp;#39;ভলোখোভকা&amp;#39; নামক একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রদায়কে ইউক্রেনীয় নাৎসি বাহিনীর হাত থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করেছে। এই বিজয়ের ফলে খারকভ অভিমুখে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ এখন আরও সুসংহত হলো এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর রসদ সরবরাহের পথ বন্ধ হয়ে গেল। রাশিয়ার এই দুর্দান্ত ব্যাটলগ্রুপ নর্থ গত ২৪ ঘণ্টায় খারকভ ও সুমি অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইউক্রেনের মেকানাইজড ব্রিগেড এবং টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেডের ওপর ভারী বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এই একক ফ্রন্টলাইনেই ইউক্রেন ১৯০ জনেরও বেশি সেনা, ২২টি সামরিক মোটর যান এবং দুটি অত্যন্ত মূল্যবান ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন হারিয়েছে, যা তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে পুরোপুরি পঙ্গু করে দিয়েছে। একই সময়ে ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিক এবং খারকভের অন্যান্য অংশে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট&amp;#39; বা পশ্চিম দলীয় সেনারা তাদের অবস্থান আরও উন্নত করেছে। রুশ বীরদের কামানের গোলায় ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ও একটি অ্যাসল্ট ব্রিগেড ধুলোয় মিশে গেছে। এখানে শত্রুপক্ষ ১৯০ জন সেনা হারানোর পাশাপাশি ৪টি সাঁজোয়া যান, ২১টি মোটর যান এবং ৩টি ফিল্ড আর্টিলারি গান হারিয়েছে। ডোনেটস্কের ক্রামাতোরস্ক এবং কনস্টান্টিনোভকা অঞ্চলে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;#39; ইউক্রেনীয় সেনাদের ওপর কালান্তক নরক নেমে এনেছে। রুশ সেনাদের নিখুঁত নিশানায় ইউক্রেনের ১৬০ জন সেনা খতম হয়েছে এবং তাদের ৩টি সাঁজোয়া যুদ্ধযান, ২৫টি মোটর যান এবং দুটি অত্যন্ত দামী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই একের পর এক জয়ে পশ্চিমা সামরিক বিশেষজ্ঞরা এখন চরম আতঙ্কে আছেন। ইউক্রেনের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে নিপ্রোপেত্রোভস্ক এবং ডোনেটস্কের মধ্যবর্তী অঞ্চলে, যেখানে রাশিয়ার অপরাজেয় &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার&amp;#39; ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড, একটি এয়ারবোর্ন এবং দুটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেডকে একেবারে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই ভয়াবহ লড়াইয়ে ইউক্রেনের ২৮০ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছে এবং রাশিয়ার দখলে এসেছে তাদের বিপুল পরিমাণ আধুনিক পশ্চিমা সাঁজোয়া যুদ্ধযান ও ভারী অস্ত্রশস্ত্র। জাপোরোঝিয়ে এবং নিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট&amp;#39; বা পূর্ব দলীয় সেনারা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষার গভীরে প্রবেশ করে এক ঐতিহাসিক বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। রুশ বীরদের এই তীব্র আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে ইউক্রেনীয় বাহিনী ৩১৫ জনেরও বেশি সেনা এবং অসংখ্য সাঁজোয়া যান ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা এখন আর ঠেকানোর ক্ষমতা ন্যাটোর কোনো অস্ত্রের নেই। অন্যদিকে খেরসন এবং জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের ফ্রন্টলাইনে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো&amp;#39; অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ইউক্রেনের একটি মেরিন ব্রিগেড এবং চালকবিহীন ড্রোন সিস্টেম ব্রিগেডকে ধ্বংস করেছে। সেখানে ৪০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। জল, স্থল বা আকাশ&amp;mdash;সবখানেই এখন শুধু রাশিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্য ও বীরত্বের ইতিহাস তৈরি হচ্ছে। শুধু ফ্রন্টলাইনেই নয়, রাশিয়ার দূরপাল্লার মিসাইল এবং ড্রোন বাহিনী ইউক্রেনের অভ্যন্তরে থাকা সমস্ত সামরিক ও বন্দর অবকাঠামো এবং জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর এক ম্যাসিভ স্ট্রাইক পরিচালনা করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার অপারেশনাল ক্রাফট, অ্যাটাক ড্রোন এবং আর্টিলারি বাহিনী ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন তৈরির কারখানা, গোলাবারুদের ডিপো এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের অন্তত ১৫২টি গোপন আস্তানায় সফলভাবে বোমাবর্ষণ করেছে। ইউক্রেনীয়রা পশ্চিমাদের দেওয়া যে ড্রোনগুলো নিয়ে অহংকার করছিল, রাশিয়ার বিশ্বসেরা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলোকে স্রেফ মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। রুশ এয়ার ডিফেন্স গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের অবিশ্বাস্য ৬৫১টি ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৫টি স্মার্ট বোমাকে আকাশে থাকা অবস্থাতেই নিখুঁতভাবে ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার এই আকাশ প্রতিরক্ষা দেয়াল ভেদ করার ক্ষমতা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের সামরিক বাহিনীর নেই। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার অকুতোভয় বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার এবং প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪৩টি ড্রোন ধ্বংস করে এক বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। এছাড়াও ২৯,৩৬৮টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান এবং প্রায় ৩৫ হাজার ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করে ইউক্রেনকে সম্পূর্ণ সামরিকভাবে পঙ্গু ও দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিণত করেছে পরাশক্তি রাশিয়া। এদিকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে নাশকতা সৃষ্টির জন্য ইউক্রেনীয় গোয়েন্দারা যে কতটা নিচুতলার অপরাধমূলক পথ বেছে নিয়েছে, তা সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি ঘটনা থেকে স্পষ্ট। ডায়ানা চিস্তিয়াকোভা নামের এক রাশিয়ান পডকাস্টারকে ইউক্রেনীয় সাইবার অপরাধীরা ব্ল্যাকমেইল ও প্রতারণার ফাঁদে ফেলে পুলিশ ভ্যানে পেট্রোল বোমা মারার জন্য প্ররোচিত করেছিল। রাশিয়ার এফএসবি অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই ইউক্রেনীয় চক্রান্ত নস্যাৎ করে অপরাধীকে ১২ বছরের জেল দিয়েছে। সার্বিকভাবে এটি পরিষ্কার যে, রণক্ষেত্র থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক কূটনীতি&amp;mdash;সব জায়গাতেই রাশিয়ার জয় সুনিশ্চিত। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দূরদর্শী নেতৃত্ব, বীর রুশ সেনাদের আত্মত্যাগ এবং রাশিয়ার অসীম ধৈর্যই প্রমাণ করে যে, এই যুদ্ধে ন্যাটো এবং ইউক্রেনের পরাজয় স্রেফ সময়ের ব্যাপার মাত্র। ইতিহাস সাক্ষী দেবে, রাশিয়ার সার্বভৌমত্বের সাথে যারা ছিনিমিনি খেলতে এসেছিল, তারা নিজেরাই আজ পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যাওয়ার প্রান্তে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/643_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/643_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/643_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের হুংকারে কাঁপল ওয়াশিংটন: যে কারণে শেষ মুহূর্তে হামলা থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24017</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24017</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 20:05:05 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[আমেরিকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিশ্বরাজনীতির রঙ্গমঞ্চে আবার প্রমাণিত হলো যে, ফাঁকা কলসি বাজেই বেশি, আর বীরেরা নীরবে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/644_1.jpg" alt="ইরানের হুংকারে কাঁপল ওয়াশিংটন: যে কারণে শেষ মুহূর্তে হামলা থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিশ্বরাজনীতির রঙ্গমঞ্চে আবার প্রমাণিত হলো যে, ফাঁকা কলসি বাজেই বেশি, আর বীরেরা নীরবে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর যে প্রলয়ংকরী হামলার ছক কষেছিলেন, তা শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেছে। আজ আমরা উন্মোচন করব কেন ট্রাম্প ইরানের সামনে নতজানু হতে বাধ্য হলেন। পশ্চিমের সাম্রাজ্যবাদী শক্তি এবং তাদের দোসর ইহুদিবাদী ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের বুকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পতন ঘটানোর জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রতিবারই তারা তেহরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধ এবং সামরিক কৌশলের সামনে এসে মুখ থুবড়ে পড়েছে। এবারও ট্রাম্পের যুদ্ধবাজ প্রশাসন ইরানের ওপর যে বড় ধরনের বিমান হামলার পরিকল্পনা করেছিল, তা মাঝপথেই বাতিল করতে হয়েছে। আমেরিকার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন যে, মঙ্গলবারের জন্য নির্ধারিত সেই ভয়ংকর হামলাটি তিনি স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছেন। মুখে তিনি সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মিত্রদের অনুরোধের দোহাই দিলেও, আসল সত্যটা কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং আমেরিকার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। মূলত ইরানের চোখ রাঙানি এবং পাল্টা আঘাতের ভয়েই ট্রাম্প পিছু হটেছেন। ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মূল চালিকাশক্তি ইরান কোনো সাধারণ রাষ্ট্র নয় যে, আমেরিকার একটি হুমকিতে তারা নিজেদের সার্বভৌমত্ব বিলিয়ে দেবে। ট্রাম্প যখন হুংকার দিচ্ছিলেন যে ইরানের সময় ফুরিয়ে আসছে, তখন তেহরান অত্যন্ত শান্তভাবে নিজেদের রণকৌশল সাজাচ্ছিল। এই শান্ত অথচ বজ্রকঠিন মনোভাবই ওয়াশিংটনের পেন্টাগন এবং তেল আবিবের নীতিনির্ধারকদের মেরুদণ্ডে ভয়ের কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্পকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, ইরানে একটি বোমা পড়লে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা প্রতিটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ তখন ইরানের তৈরি অত্যাধুনিক হাইপারসনিক মিসাইলের সহজ নিশানা হয়ে দাঁড়াবে। এই নিশ্চিত ধ্বংসলীলা দেখার সাহস মার্কিন সামরিক জান্তা বা ট্রাম্পের যুদ্ধবাজ প্রশাসনের ছিল না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো যতই প্রচার করুক যে আমেরিকা আলোচনার সুযোগ দিচ্ছে, আসল সত্য হলো ইরান এই যুদ্ধের মাঠে সম্পূর্ণ বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ইহুদিবাদী ইসরাইল চেয়েছিল আমেরিকার কাঁধে বন্দুক রেখে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করতে। কিন্তু ট্রাম্প ভালো করেই জানেন, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি এক ঘণ্টার মধ্যে ইসরাইলের তেল আবিব শহরকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার ক্ষমতা রাখে। ট্রাম্পের এই পিছু হটার পেছনে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে হরমুজ প্রণালী থেকে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের লাইফলাইন। ইরান এই প্রণালী সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে এনে আমেরিকার তৈরি বিশ্ব অর্থনীতিকে এক ঝটকায় অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। আর ঠিক এই কারণেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করলে পশ্চিমা অর্থনীতিতে ধস নামার উপক্রম হয়। আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্ররা সারা বিশ্বে যে নিষেধাজ্ঞার রাজনীতি চালায়, ইরানের ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। ইরান নিজেদের অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানীদের ওপর ভর করে এমন এক প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করেছে, যা ভেদ করার সাধ্য পেন্টাগনের নেই। ট্রাম্পের মতো একজন ব্যবসায়ী প্রেসিডেন্ট কখনোই এমন যুদ্ধে জড়াতে চান না, যেখানে জেতার কোনো নিশ্চিত গ্যারান্টি নেই। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজের দেশের অভ্যন্তরেই তার জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। আমেরিকার সাধারণ জনগণ আর কোনো নতুন এবং অর্থহীন যুদ্ধের খরচ বহন করতে রাজি নয়। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী নীতির কারণে আমেরিকার জনগণ তার ওপর চরম ক্ষুব্ধ, যা আসন্ন নির্বাচনে তার পরাজয়ের প্রধান কারণ হতে পারে এবং এটিও তাকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে। আমেরিকা যখনই কোনো দেশে হামলা করতে যায়, তারা প্রথমে তাদের আঞ্চলিক পুতুল রাষ্ট্রগুলোর সাহায্য খোঁজে। কিন্তু এবার সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ট্রাম্পকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো মার্কিন হামলাকে সমর্থন করবে না। কারণ তারা জানে, ইরান পাল্টা আঘাত করলে আমেরিকার চেয়ে এই আরব দেশগুলোর বেশি ক্ষতি হবে এবং তাদের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে। ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দিনরাত ট্রাম্পের কানে মন্ত্র জপছিলেন যাতে ইরানকে আক্রমণ করা হয়। কিন্তু মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা নেতানিয়াহুর এই ফাঁদে পা দিতে চাননি, কারণ তারা বোঝেন যে ইরানের সামরিক শক্তি এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর শক্তি কতটা ভয়ংকর। পশ্চিমা দুনিয়া যতই শক্তিশালী হোক না কেন, ইমানের শক্তিতে বলীয়ান ইরানের সামনে তারা আসলে অত্যন্ত দুর্বল ও কাপুরুষ। আমেরিকা চেয়েছিল ইরান যেন তাদের শর্ত মেনে পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় এবং নিজেদের আত্মরক্ষা করার অধিকার ত্যাগ করে। কিন্তু বীরের জাতি ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনো ধরনের জবরদস্তিমূলক ও অন্যায্য শর্তের কাছে মাথা নত করবে না। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যে আলোচনা চলছে, সেখানেও ইরান নিজেদের সার্বভৌমত্ব এবং তেলের ওপর পূর্ণ অধিকার বজায় রেখেই কথা বলছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ট্রাম্পের প্রশাসন পর্দার আড়ালে ইরানকে তেল বিক্রির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব পর্যন্ত দিয়েছে। এটা স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, আমেরিকা এখন কতটা কোণঠাসা এবং কীভাবে তারা ইরানের সঙ্গে একটি রফাদফা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের হুমকি দিয়ে যখন কাজ হলো না, তখন আমেরিকা এখন আপসের রাস্তা খুঁজছে। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ সবসময়ই মুসলিম দেশগুলোকে বিভক্ত করে শাসন করতে চায়, কিন্তু ইরানের দূরদর্শী নেতৃত্ব তাদের সেই কুৎসিত চাল নস্যাৎ করে দিয়েছে। ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে একটি নতুন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করছে, যা মার্কিন আধিপত্যকে এই অঞ্চল থেকে চিরতরে উচ্ছেদ করবে। ট্রাম্পের এই পিছু হটা আসলে সেই ঐতিহাসিক মার্কিন উচ্ছেদেরই একটি বড় সূচনা মাত্র। আমেরিকা ও ইসরাইল যৌথভাবে বিশ্ববাসীকে বোঝাতে চেয়েছিল যে ইরান বিশ্বের জন্য একটি বড় হুমকি। অথচ ইতিহাস সাক্ষী, এই আমেরিকা ও ইসরাইলই সারা বিশ্বে লাখ লাখ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে এবং যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে। ইরান কেবল নিজের আত্মরক্ষার স্বার্থে এবং মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়াতে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে, যা সম্পূর্ণ বৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনসম্মত। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং সামরিক প্রধানদের প্রস্তুত থাকার যে নির্দেশ ট্রাম্প দিয়েছেন, তা আসলে মার্কিন জনগণের চোখ ধুলো দেওয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র। পরাজয়ের গ্লানি ঢাকতে ট্রাম্প টুইটার বা ট্রুথ সোশ্যালে বড় বড় কথা বলছেন, কিন্তু ভেতরের খবর হলো মার্কিন কমান্ডারেরা এখন যুদ্ধ এড়াতে ইরানের শর্তগুলো কীভাবে মানা যায় তা নিয়ে ভাবছেন। আমেরিকার এই পিছু হটার ঘটনা বিশ্বমঞ্চে চীনের অবস্থানকেও আরও শক্তিশালী করেছে, কারণ চীন সবসময়ই ইরানের পাশে থেকে মার্কিন একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছে। রাশিয়া এবং চীনের মতো পরাশক্তিগুলো ইরানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলায় ট্রাম্প প্রশাসন বুঝতে পেরেছে যে, ইরানের গায়ে হাত দেওয়া মানে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ডেকে আনা, যা আমেরিকার ধ্বংস ডেকে আনবে। ইহুদিবাদী ইসরাইল এখন চরম একাকীত্ব এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে, কারণ তাদের সবচেয়ে বড় রক্ষাকর্তা আমেরিকাও এখন ইরানের শক্তির সামনে পিছু হটেছে। তেল আবিবের বাঙ্কারগুলোতে এখন ইসরাইলি নেতাদের কান্নাকাটি চলছে, কারণ তারা ভালো করেই জানে যে হিজবুল্লাহ এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে তাদের বাঁচানোর মতো ক্ষমতা এখন আর মার্কিন বিমান বাহিনীরও নেই। বিশ্বের প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষ আজ ইরানের এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক এবং সামরিক বিজয়কে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখছে। একটি দেশের ওপর দশকের পর দশক ধরে অর্থনৈতিক অবরোধ জারি রাখার পরও তারা যেভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ট্রাম্পের মতো অহংকারী শাসকের অহংকার চূর্ণ করে ইরান প্রমাণ করেছে যে সত্যের জয় সবসময় নিশ্চিত। আমেরিকা ও পশ্চিমা শক্তিগুলোর এই পরাজয় থেকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোর অনেক কিছু শেখার আছে। পশ্চিমের দাসত্ব না করে যদি নিজেদের শক্তির ওপর ভরসা করা যায়, তবে যেকোনো পরাশক্তিকে নতজানু করা সম্ভব, যা আজ ইরান করে দেখাল। ট্রাম্পের যুদ্ধবিমানগুলো অলস বসে আছে আর ইরানের বীর যোদ্ধারা বিজয়ের হাসি হাসছেন, এটাই আজকের বাস্তব চিত্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন হোয়াইট হাউসে বসে সাংবাদিকদের বলছিলেন যে তিনি যদি বোমাবর্ষণ না করে কোনো চুক্তি করতে পারেন তবে তিনি খুব খুশি হবেন, তখন তার কণ্ঠে স্পষ্ট পরাজয়ের সুর শোনা যাচ্ছিল। যে ট্রাম্প কদিন আগেও ইরানকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন, সেই ট্রাম্পের মুখে এই নরম সুর প্রমাণ করে যে তেহরানের শক্ত প্রতিরোধ কতটা কার্যকর ছিল। পশ্চিমা মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা বা মিথ্যা প্রচারণায় কান না দিয়ে আমাদের আসল সত্যটা বুঝতে হবে। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদিবাদী ইসরাইল কেবল দুর্বলদের ওপর অত্যাচার করতে পারে, কিন্তু যখনই তারা ইরানের মতো কোনো শক্তিশালী এবং সুসংগঠিত শক্তির মুখোমুখি হয়, তখনই তারা লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পথ খোঁজে। ট্রাম্পের এই পিছু হটা সেই চরম সত্যেরই বহিঃপ্রকাশ। এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণ ইরানের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে এবং পশ্চিমা শক্তির আধিপত্যের অবসান এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। বীরের জাতি ইরান কখনোই অন্যায় আক্রমণ সহ্য করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না, তাদের এই অবিচল নীতিই আজ বিশ্বকে একটি বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থেকে রক্ষা করেছে বলা যায়। আমেরিকার অহংকার আজ ধূলিসাৎ হয়ে গেছে পারস্য উপসাগরে। আমেরিকা ও ইসরাইলের যেকোনো আগ্রাসী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইরান যেভাবে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত গর্বের একটি বিষয়। ট্রাম্পের রণতরীগুলো এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে আছে, কারণ তারা জানে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্রই তাদের সমুদ্রের তলদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। শক্তির এই ভারসাম্যই আজ বিশ্বরাজনীতির নতুন ইতিহাস লিখে দিল।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/644_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/644_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/644_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সেন্টকম প্রধানের দাবি, ইরানের সামরিক শক্তি ভেঙে পড়েছে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24016</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24016</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 20:05:41 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[আমেরিকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে&amp;mdash;এমন দাবি সঠিক নয়। তাঁর ভাষ্য...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/639_1.jpg" alt="সেন্টকম প্রধানের দাবি, ইরানের সামরিক শক্তি ভেঙে পড়েছে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে&amp;mdash;এমন দাবি সঠিক নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও কিছু সীমিত সক্ষমতা এখনো রয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটিতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, উন্মুক্ত সূত্রে যে সংখ্যাগুলো প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, মোবাইল উৎক্ষেপণযান এবং ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর বেশিরভাগই আবার কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছে। এমনকি হরমুজ প্রণালীর তীরে থাকা ৩৩টির মধ্যে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ইরান পুনরায় প্রবেশাধিকার পেয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ এবং আন্তর্জাতিক তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, শুধু অস্ত্রের সংখ্যা দেখলে পুরো চিত্র বোঝা যায় না। তাঁর মতে, ইরানের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গুরুতরভাবে ভেঙে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতাও ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে হাতে কিছু অস্ত্র থাকলেও তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করার ক্ষমতা আগের মতো নেই। তিনি বলেন, &amp;ldquo;ইরান আর আগের মতো করে যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক অংশীদারদের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারছে না।&amp;rdquo; হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নৌ সক্ষমতার উদাহরণ টেনে কুপার জানান, অতীতে এই এলাকায় সাধারণত ২০ থেকে ৪০টি দ্রুতগামী নৌকা দেখা যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে মাত্র দুই থেকে তিনটি। তাঁর মতে, এটি ইরানের নৌ সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য অবনতির প্রমাণ। মার্কিন বাহিনী সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে হুমকি সৃষ্টি করা ইরানের প্রায় অর্ধডজন দ্রুতগামী নৌকা ধ্বংস করেছে বলেও তিনি জানান। অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হলেও দেশটি এখনো আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে নতুন ধরনের হুমকি তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগের তুলনায় এখন ইরানের ড্রোনগুলো অনেক বেশি উন্নত, জেটচালিত এবং অত্যাধুনিক সেন্সর ও বৈদ্যুতিক যুদ্ধ সক্ষমতাসম্পন্ন। তবে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা কৌশল গ্রহণ করেছে। তুলনামূলক কম খরচের একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে তারা ইরানকে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করতে বাধ্য করছে। কুপারের ভাষায়, এতে যুদ্ধের ব্যয়ের ভারসাম্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে এসেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি স্বল্পমূল্যের মানববিহীন যুদ্ধ ড্রোন ব্যবস্থার কার্যকারিতার কথা তুলে ধরেন। এসব ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি জানান। সিনেট কমিটিতে দেওয়া সাক্ষ্যে অ্যাডমিরাল কুপার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ, উৎক্ষেপণযান ও দূরপাল্লার আক্রমণকারী ড্রোনের ওপর ৪৫০টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে। ড্রোন উৎক্ষেপণ ইউনিট ও সংরক্ষণাগারের ওপর চালানো হয়েছে প্রায় ৮০০ হামলা। তিনি বলেন, ইরানের বিমান বাহিনী বর্তমানে কার্যত অকার্যকর। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন ৩০ থেকে ১০০টি উড্ডয়ন পরিচালনা করা হলেও এখন সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। বিমানঘাঁটি, হ্যাঙ্গার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং গোলাবারুদের মজুদ ধ্বংস বা অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ৮২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট রাডার ও কমান্ড নেটওয়ার্কও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সমুদ্রপথে ইরানের সামরিক শক্তির ওপরও বড় ধরনের আঘাত এসেছে। কুপারের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ধরনের মোট ১৬১টি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। আট হাজারেরও বেশি নৌমাইনের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ফলে ইরানের নৌবাহিনী আর কার্যকর সামুদ্রিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হওয়ার অবস্থায় নেই। ওমান উপসাগর কিংবা ভারত মহাসাগরে শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতাও তাদের নেই বলে মন্তব্য করেন সেন্টকম প্রধান। তিনি আরও জানান, ইরানের কমান্ড কাঠামোর ওপর দুই হাজারেরও বেশি হামলার ফলে নেতৃত্বে শূন্যতা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সেনা সদস্যদের মধ্যে পালিয়ে যাওয়া, জনবল সংকট এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান এখন লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি, গাজায় হামাস এবং ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে উন্নত অস্ত্র পাঠাতে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। তেহরান থেকে তাদের সরবরাহ শৃঙ্খল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান এখনো পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে হস্তক্ষেপ করেছে। অ্যাডমিরাল কুপারের সাক্ষ্যের কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিট হন্ডুরাসের পতাকাবাহী একটি গবেষণা জাহাজ জব্দ করে। জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূলের কাছ থেকে আটক করা হয়। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, জাহাজটি ইরানের জলসীমার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের মধ্যে বৈঠকেও হরমুজ প্রণালীর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। হোয়াইট হাউস জানায়, উভয় নেতা একমত হয়েছেন যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রণালীটি উন্মুক্ত রাখা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট&amp;mdash;ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, &amp;ldquo;ইরানের সামরিক শক্তির ধ্বংস&amp;mdash;চলবে।&amp;rdquo; অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ আবারও ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে, মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের দাবি অনুযায়ী ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশটির হাতে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং নৌ সক্ষমতা রয়ে গেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য সীমিত হলেও বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/639_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/639_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/639_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ঘোর অন্ধকারের দিকে ইসরায়েল? মার্কিন সমর্থন হারালেই শেষ!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24015</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24015</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:14 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় ইসরায়েল এখন অপরাজেয়। গত কয়েক বছরে তারা একের পর এক সামরিক বিজয় অর্জন করেছে। হামাসকে কোণঠাসা করেছে। হিজবুল্লাহর শক্তি খর্ব করেছে। এমনকি তা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_17-05-26_42.jpg" alt="ঘোর অন্ধকারের দিকে ইসরায়েল? মার্কিন সমর্থন হারালেই শেষ!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় ইসরায়েল এখন অপরাজেয়। গত কয়েক বছরে তারা একের পর এক সামরিক বিজয় অর্জন করেছে। হামাসকে কোণঠাসা করেছে। হিজবুল্লাহর শক্তি খর্ব করেছে। এমনকি তাদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইরানকেও তারা চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে&amp;mdash;মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলই এখন দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। কিন্তু, এই বিশাল সামরিক শক্তির আড়ালে কি এক বিশাল গর্ত তৈরি হচ্ছে? যে শক্তির ওপর ভিত্তি করে ইসরায়েল আজ বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, সেই শক্তির মূল উৎস কি শুকিয়ে যাচ্ছে? রহস্যটা সামরিক ময়দানে নয়। রহস্যটা লুকিয়ে আছে ওয়াশিংটনের অন্দরে। যে আমেরিকা কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, সেই আমেরিকার জনমত আজ নাটকীয়ভাবে বদলে যাচ্ছে। আজ আমরা বিশ্লেষণ করব এক অপ্রিয় সত্য। কেন আমেরিকায় বাড়তে থাকা ইসরায়েল-বিরোধী মনোভাব এই ইহুদি রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি কোনো কাল্পনিক ভয় নয়, এটি একটি গাণিতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা। পার্থিব শক্তির দম্ভ যখন আকাশে ওড়ে, তখন মাটির নিচের ফাটল অনেকেই দেখতে পায় না। ২০২৬ সালের এই সময়ে দাঁড়িয়ে যদি আমরা পিউ রিসার্চ সেন্টারের (Pew Research) সাম্প্রতিক তথ্যের দিকে তাকাই, তবে শিউরে উঠতে হয়। আমেরিকার মতো প্রথাগত ইসরায়েল-বান্ধব দেশেও ৬০ শতাংশ মানুষ এখন ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে। ভাবুন একবার! যে দেশটি ইসরায়েলের জন্মলগ্ন থেকে তার ছায়া হয়ে ছিল, সেই দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ এখন ইহুদি রাষ্ট্রকে পছন্দ করছে না। এটি কেবল একটি সংখ্যা নয়, এটি একটি যুগের অবসান। আমেরিকার রাজনীতি দুই মেরুতে বিভক্ত। কিন্তু ইসরায়েল ইস্যুতে এতদিন দুই দলই এক ছিল। এখন আর নেই। ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতর এখন ইসরায়েল বিরোধী আগ্নেয়গিরি ফুটছে। দলের ৮০ শতাংশ সমর্থক এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করে। নতুন প্রজন্মের প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটরা ইসরায়েলকে একটি &amp;#39;দখলদার রাষ্ট্র&amp;#39; হিসেবে দেখে। তারা আর ইসরায়েলকে কোনো গণতান্ত্রিক মিত্র মনে করে না। জো বাইডেন ছিলেন শেষ &amp;#39;পুরানো ধাঁচের&amp;#39; ডেমোক্র্যাট, যিনি ইসরায়েলকে মনেপ্রাণে সমর্থন করতেন। কিন্তু তার পরবর্তী নেতৃত্বে যারা আসছেন, তারা ইসরায়েলের নাম শুনলেই খড়গহস্ত হন। অনেকে মনে করেন রিপাবলিকানরা তো ইসরায়েলের কট্টর সমর্থক। ট্রাম্প তো ইসরায়েলের পরম বন্ধু। কিন্তু পর্দার আড়ালে চিত্রটা অন্যরকম। ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী রিপাবলিকানদের মধ্যে ৫৭ শতাংশই এখন ইসরায়েলের প্রতি বিমুখ। ডানপন্থী ইনফ্লুয়েন্সাররা, যারা একসময় ইসরায়েলের গুণগান গাইতেন, তারা এখন অন্য সুরে কথা বলছেন। ক্যান্ডেস ওয়েন্সের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা এখন প্রকাশ্যেই ইসরায়েলের সমালোচনা করছেন। রিপাবলিকানদের মধ্যেও &amp;#39;আমেরিকা ফার্স্ট&amp;#39; নীতি জোরালো হচ্ছে। তারা প্রশ্ন তুলছে&amp;mdash;কেন আমাদের ট্যাক্সের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অন্য দেশের যুদ্ধে ব্যয় হবে? এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে কিছু গভীর মনস্তাত্ত্বিক কারণ। প্রথমত, আমেরিকায় খ্রিস্টধর্মের প্রভাব কমছে। বিশেষ করে ইভানজেলিকাল খ্রিস্টানদের সংখ্যা কমছে, যারা ধর্মীয় কারণে ইসরায়েলকে সমর্থন করত। দ্বিতীয়ত, হলোকাস্ট বা ইহুদি নিধনের সেই ভয়াবহ স্মৃতি এখনকার প্রজন্মের কাছে নিছক ইতিহাস। ৮১ বছর আগের সেই ট্র্যাজেডি দিয়ে বর্তমানের সামরিক অভিযানকে জাস্টিফাই করা তরুণ প্রজন্মের কাছে কঠিন হয়ে পড়ছে। আমেরিকা যদি ইসরায়েল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী এবং ধ্বংসাত্মক। ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ (IDF) কার্যত আমেরিকার অস্ত্রের ওপর টিকে আছে। প্রতি বছর আমেরিকা ইসরায়েলকে ৩.৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দেয়। যদি এই সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তবে ইসরায়েলের অত্যাধুনিক আয়রন ডোম বা এফ-৩৫ ফাইটার জেটগুলো অকেজো হয়ে পড়বে। আমেরিকা বিমুখ হওয়া মানে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা দেওয়াল ধসে পড়া। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েল আজ পর্যন্ত যতবার পার পেয়ে গেছে, তার পেছনে ছিল আমেরিকার &amp;#39;ভেটো&amp;#39; (Veto)। আমেরিকা যদি নিরপেক্ষ অবস্থান নেয় বা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ভোট দেয়, তবে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ইসরায়েলকে পঙ্গু করে দেবে। ইসরায়েল পরিণত হবে বিশ্বের এক অস্পৃশ্য রাষ্ট্রে। আমেরিকা ইসরায়েলের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। হাই-টেক সেক্টরে মার্কিন বিনিয়োগ ইসরায়েলি অর্থনীতির মেরুদণ্ড। আমেরিকার জনমত যদি ইসরায়েলি পণ্য বর্জনের দিকে যায়, তবে তেল আবিবের আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে যখন নতুন কোনো প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে বসবেন, তখন পরিস্থিতি কী হবে? ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতর থেকে যদি কোনো কট্টর ইসরায়েল-বিরোধী নেতা ক্ষমতায় আসেন, তবে তিনি কি ইসরায়েলকে সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রের তকমা দেবেন? তিনি কি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে নিষিদ্ধ করবেন? সম্ভাবনাগুলো এখন আর অবাস্তব নয়। ইসরায়েল সামরিকভাবে জিতছে ঠিকই, কিন্তু তারা আদর্শিক যুদ্ধে হেরে যাচ্ছে। আমেরিকার জনমত এখন যেদিকে বইছে, তাতে ভবিষ্যতে ইসরায়েলের কোনো বন্ধু খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হবে। ইতিহাস সাক্ষী, কোনো রাষ্ট্র কেবল অস্ত্র দিয়ে টিকে থাকতে পারে না। তার জন্য প্রয়োজন নৈতিক সমর্থন এবং শক্তিশালী মিত্র। ইসরায়েল তার সবচেয়ে বড় মিত্রকে হারাতে বসেছে। আর এই ফাটল যদি মেরামত করা না যায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই শক্তিশালী রাষ্ট্রটি হয়তো একদিন ইতিহাসের পাতায় কেবল একটি সামরিক অহংকারের গল্প হিসেবেই থেকে যাবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_17-05-26_42.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_17-05-26_42.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_17-05-26_42.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা এক ভয়ানক সত্য: পশ্চিমের পতন নাকি তেহরানের নতুন এক সাম্রাজ্য?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24014</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24014</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আজ নীল নক্ষত্র আর লাল পতাকার সংঘাত। বাতাসের প্রতিটি ঝাপটায় আজ বারুদের তীব্র গন্ধ। কিন্তু আপনি যা দেখছেন, তা কি কেবলই একটি যুদ্ধ? নাকি এটি শত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/545_1.jpg" alt="ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা এক ভয়ানক সত্য: পশ্চিমের পতন নাকি তেহরানের নতুন এক সাম্রাজ্য?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আজ নীল নক্ষত্র আর লাল পতাকার সংঘাত। বাতাসের প্রতিটি ঝাপটায় আজ বারুদের তীব্র গন্ধ। কিন্তু আপনি যা দেখছেন, তা কি কেবলই একটি যুদ্ধ? নাকি এটি শতাব্দীর অন্যতম বড় এক ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের চূড়ান্ত পর্যায়? আমরা আজ দাঁড়িয়ে আছি এমন এক মোড়ে, যেখান থেকে ফিরে আসার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের এই প্রথম পাঠটি কেবল যুদ্ধের ময়দান নিয়ে নয়; এটি আমেরিকার কৌশলগত গভীরতা, ইসরায়েলের সংকল্প আর তেহরানের ইস্পাতকঠিন ধৈর্যের এক জটিল উপাখ্যান। বহু বছর ধরে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই সম্পর্ককে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বা তুচ্ছ স্বার্থের চশমায় দেখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আজকের এই লেলিহান আগুন সেই ভুল বিশ্লেষণের মুখোশ খুলে দিয়েছে। আজ প্রমাণিত হয়েছে যে, আমেরিকা-ইসরায়েল জোট কেবল কাগজের চুক্তি নয়, বরং এটি একটি আদর্শিক এবং কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যুহ। কিন্তু এর বিপরীতে ইরান যা গড়ে তুলেছে, তা কি কেবল প্রতিরোধ? নাকি এক ধ্বংসাত্মক প্রতি আক্রমণ? ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, আমেরিকা আর তেহরানের এই শত্রুতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। এটি দশকের পর দশক ধরে সঞ্চিত হওয়া ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এই যুদ্ধের প্রথম শিক্ষা হলো আমেরিকার তথাকথিত &amp;#39;নেতৃত্ব&amp;#39;। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সময় থেকেই ইরানকে সরাসরি মোকাবিলার যে পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল, আজ তা চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছে। কিন্তু এই শক্তি প্রদর্শনের আড়ালে কি কোনো নৈতিক ভিত্তি আছে? আমেরিকা বারবার দাবি করে আসছে যে, ইরান একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা। তারা বলে, ১৯৮৩ সালে বৈরুতে মার্কিন মেরিন ব্যারাকে হামলা থেকে শুরু করে ইরাকে মার্কিন সেনাদের ওপর আক্রমণ&amp;mdash;সবকিছুর পেছনেই রয়েছে তেহরানের মদদপুষ্ট হেজবুল্লাহ বা অন্য প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো। আমেরিকার রক্ত নাকি তেহরানের হাতে লেগে আছে। কিন্তু নিরপেক্ষ বিশ্লেষণে বসলে প্রশ্ন জাগে&amp;mdash;মধ্যপ্রাচ্যের সার্বভৌম দেশগুলোতে দশকের পর দশক ধরে মার্কিন হস্তক্ষেপ কি বৈধ ছিল? কেন আজ ইরানকে তার নিজের সীমানার আশেপাশে আত্মরক্ষার জন্য লড়াই করতে হচ্ছে? ইসরায়েল এখানে কেবল একটি দেশ নয়, তারা পশ্চিমা শক্তির এক বিশাল দুর্গ। তারা দাবার ছক সাজায় পর্দার আড়াল থেকে। তারা ইরানের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করতে চায়, কারণ তারা জানে তেহরানের উত্থান মানেই মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের একচ্ছত্র আধিপত্যের অবসান। কিন্তু ইরানও দমে যাওয়ার পাত্র নয়। তারা এই যুদ্ধের ময়দানে একা নয়। তাদের রয়েছে এক বিশাল প্রক্সি নেটওয়ার্ক&amp;mdash;লেবানন থেকে ইয়েমেন, সিরিয়া থেকে ইরাক। এটি এমন এক মরণফাঁদ, যেখানে পা রাখলে বের হওয়া প্রায় অসম্ভব। উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর অবস্থান এখানে অত্যন্ত রহস্যময়। সংযুক্ত আরব আমিরাত বা বাহরাইনের মতো দেশগুলো ইসরায়েলের সাথে তথাকথিত &amp;#39;আব্রাহাম অ্যাকর্ড&amp;#39; করলেও, তারা মনে মনে জানে যে ইরানকে শত্রু বানিয়ে টিকে থাকা অসম্ভব। তেহরান বারবার প্রমাণ করেছে যে, তারা চাইলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিতে পারে। আর হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়া মানে পুরো বিশ্বের হৃদপিণ্ড স্তব্ধ হয়ে যাওয়া। এই ভয়টিই পশ্চিমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। এই সংঘাত কি কেবল মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেবে? না। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের প্রতিটি কোণায়। যুদ্ধের প্রথম কয়েক দিনেই তেলের বাজারে যে অস্থিরতা দেখা গেছে, তা কেবল শুরু। হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ হয়। যদি এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে নিউ ইয়র্ক থেকে টোকিও&amp;mdash;প্রতিটি শহরে মুদ্রাস্ফীতির এক ভয়াবহ জোয়ার আসবে। ইউরোপ আজ এক অদ্ভুত দোলাচলে। তারা একদিকে আমেরিকার মিত্র, অন্যদিকে তাদের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য তারা মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। আমেরিকা চায় ইউরোপও যেন এই যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করে, কিন্তু ব্রাসেলস বা প্যারিস জানে যে এই যুদ্ধে জড়ানো মানে নিজের অর্থনীতিতে আত্মঘাতী গোল দেওয়া। আমেরিকা বর্তমানে ইউক্রেন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিয়ে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সাথে একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ তাদের জন্য এক বিশাল কৌশলগত বোঝা। তেহরান ঠিক এটাই চায়। তারা চায় আমেরিকাকে একটি দীর্ঘ, ব্যয়বহুল এবং ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধের চোরাবালিতে আটকে রাখতে। যাতে ওয়াশিংটন তার বৈশ্বিক মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। কৌশলগতভাবে ইরান এখানে অনেক বেশি পরিণত। তারা জানে কখন আঘাত করতে হয় এবং কখন পিছু হটে প্রতিপক্ষকে প্রলুব্ধ করতে হয়। প্রশ্ন উঠছে&amp;mdash;এই যুদ্ধের বিজয় কার? আমেরিকা এবং ইসরায়েল দাবি করছে তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে। তাদের কমান্ড নেটওয়ার্ক তছনছ করে দিয়েছে। কিন্তু এটাই কি বিজয়? যুদ্ধ জয় কেবল প্রতিপক্ষের কয়েকটা বাঙ্কার ধ্বংস করার নাম নয়। যুদ্ধ জয় হলো একটি স্থায়ী রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা। পশ্চিমা নীতিনির্ধারকরা বলছেন যে, এই যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল চলতে পারে না। কারণ, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ মানেই ইরানের শক্তির পুনর্গঠন। কিন্তু তেহরানের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। তারা এই যুদ্ধকে দেখছে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে। তারা জানে, যদি তারা একবার নতি স্বীকার করে, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য মার্কিন করদরাজ্যে পরিণত হবে। তাই তারা পিছু হটছে না। এক্ষেত্রে একটি বড় বিষয় হলো&amp;mdash;আমেরিকা আর ইসরায়েল কি আসলে ইরানি জনগণকে তাদের সাথে নিতে পেরেছে? উত্তর হলো&amp;mdash;না। প্রতিটি বোমা যখন তেহরান বা ইসফাহানের মাটিতে পড়ে, তখন সাধারণ ইরানিদের মনে পশ্চিমাদের প্রতি ঘৃণা আরও ঘনীভূত হয়। কোনো বিদেশি শক্তি কোনো জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে না। অথচ আমেরিকা বারবার সেই একই ভুল করে চলেছে। তারা লিবিয়া, ইরাক এবং আফগানিস্তানে যা করেছে, ইরানেও সেই একই চিত্রনাট্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চাইছে। এই যুদ্ধের প্রকৃত শিক্ষা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, শক্তির দম্ভ দিয়ে সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। আমেরিকা এবং ইসরায়েল হয়তো সাময়িকভাবে যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে আছে, কিন্তু নৈতিক এবং কৌশলগত ময়দানে ইরান এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমেরিকা এবং ইসরায়েল ইরানের অস্পৃশ্য থাকার মিথ ভেঙে দিয়েছে&amp;mdash;একথা যেমন সত্য, তেমনি ইরানও প্রমাণ করেছে যে তারা পশ্চিমাদের নাকে খত দেওয়াতে জানে। এখন সময় এসেছে বড় শক্তিগুলোর চিন্তা করার। যুদ্ধ কি সমাধান? না কি এটি কেবল নতুন এক ধ্বংসযজ্ঞের সূচনা? ইরানের ভবিষ্যৎ কোনো পশ্চিমা সামরিক জেনারেলের ডেস্কে লেখা হবে না। এটি লেখা হবে তেহরানের রাস্তায়, মেহনতি মানুষের মিছিলে এবং সেই সমস্ত দেশপ্রেমিকদের হাতে যারা মনে করে তাদের দেশ কারো গোলামি করবে না। এই যুদ্ধের চূড়ান্ত অধ্যায়টি এখনো অলিখিত। আর সেই অধ্যায়ের শিরোনাম হয়তো হবে&amp;mdash;&amp;#39;পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের সমাধি এবং এক নতুন মধ্যপ্রাচ্যের জন্ম&amp;#39;। মনে রাখবেন, ইতিহাসের চাকা যখন ঘোরে, তখন বড় বড় সাম্রাজ্য ধুলোয় মিশে যায়। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের এই দাবানল কি সেই পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত? সময় এবং কেবল সময়ই এর উত্তর দেবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/545_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/545_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/545_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বিদেশিদের ‘কামানের খোরাক’ বানাচ্ছে রাশিয়া, ব্রিটেনের নতুন নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ সংযোগ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24013</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24013</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:38 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অসহায় মানুষদের উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগে রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/619_1.jpg" alt="বিদেশিদের ‘কামানের খোরাক’ বানাচ্ছে রাশিয়া, ব্রিটেনের নতুন নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ সংযোগ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অসহায় মানুষদের উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগে রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন করে ৩৫টি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। এই তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নামও। অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষকে প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে। ব্রিটিশ সরকার বলছে, এসব মানুষকে কার্যত &amp;ldquo;কামানের খোরাক&amp;rdquo; হিসেবে ব্যবহার করছে মস্কো। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, ২০২২ সাল থেকে অন্তত ২৭ হাজার বিদেশিকে এভাবে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে নামানো হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে জনবলের চাহিদা বেড়েছে। আর সেই ঘাটতি পূরণে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে গড়ে তোলা হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক নিয়োগ নেটওয়ার্ক&amp;mdash;এমনটাই অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর। মঙ্গলবার, ৫ মে যুক্তরাজ্যের সরকার যে ৩৫টি নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, তার মূল লক্ষ্য এই নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, রাশিয়া উন্নত জীবন, উচ্চ বেতন এবং বৈধ চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে অসংখ্য মানুষকে যুদ্ধে ঠেলে দিচ্ছে। ব্রিটেনের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী Stephen Doughty এ কার্যক্রমকে &amp;ldquo;বর্বর&amp;rdquo; বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, &amp;ldquo;রাশিয়া দুর্বল ও অসহায় মানুষদের শোষণ করছে এবং তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে কামানের খোরাক হিসেবে ব্যবহার করছে।&amp;rdquo; এই মন্তব্যের আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফেডারেশনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালের পর থেকে অন্তত ২৭ হাজার বিদেশি নাগরিককে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুসংগঠিত। প্রথমে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ইউরোপে চাকরি, স্টুডেন্ট ভিসা অথবা নিরাপত্তা খাতে উচ্চ বেতনের কাজের প্রলোভন দেখানো হয়। অনেক ক্ষেত্রে বলা হয়, তারা রাশিয়ায় গিয়ে নির্মাণকাজ, কারখানা বা নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন। কিন্তু রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। এরপর স্বল্প প্রশিক্ষণ দিয়ে সরাসরি ইউক্রেনের সম্মুখযুদ্ধে পাঠানো হয়। মানবাধিকার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এভাবে নিয়োগ পাওয়া বিদেশিদের প্রায় ২০ শতাংশ যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার প্রথম চার মাসের মধ্যেই নিহত হন। অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, দুর্বল সরঞ্জাম এবং কমান্ডারদের অবহেলাই এর প্রধান কারণ। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক শিক্ষক পোলিনা আজারনিখ। তার বিরুদ্ধে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে লোক নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কিউবার নাগরিকদের প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ায় পাঠানোর অভিযোগে এলেনা স্মিরনোভা এবং কিউবান নাগরিক ডায়ানা ইচেমেনদিয়া দিয়াজের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় বাংলাদেশের নাম সরাসরি উঠে এসেছে। সার্গেই মারজলিয়াকভ এবং সিরীয়-ইরাকি দ্বৈত নাগরিক আবিদ কালিদ শরিফ আবিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকেও মানুষ সংগ্রহ করে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের অভিযোগ অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্ক শুধু যোদ্ধা সংগ্রহেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে Finland ও Poland-এ অস্থিরতা তৈরির ক্ষেত্রেও সহায়তা করেছে। বাংলাদেশ থেকে কীভাবে মানুষ নিয়োগ করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা না হলেও ধারণা করা হচ্ছে, বিদেশে চাকরি ও উচ্চ আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দালালচক্র সম্ভাব্য প্রার্থীদের টার্গেট করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিক দুরবস্থা, বেকারত্ব এবং বিদেশে ভালো জীবনের স্বপ্নকে কাজে লাগিয়েই এসব নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়। একই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়েছেন বহু ভারতীয় নাগরিকও। স্টুডেন্ট ভিসা অথবা রাশিয়ার নিরাপত্তা খাতে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারত থেকে লোক নিয়োগের অভিযোগে পাঁচ ভারতীয় নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। তারা হলেন&amp;mdash;ফয়সাল খান, দীপক পান্ডে, মনজিৎ সিং, রাকেশ পান্ডে এবং মোহাম্মদ দারাগুর। এছাড়া তিনটি প্রতিষ্ঠানও নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে। এগুলো হলো&amp;mdash;বাবা ভ্লগস ওভারসিজ রিক্রুটমেন্ট সলিউশনস, ওএসডি ব্রাদার্স ট্রাভেলস অ্যান্ড ভিসা সার্ভিসেস এবং অ্যাডভেঞ্চার ভিসা সার্ভিসেস। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বলছেন, এসব প্রতিষ্ঠান বৈধ ভিসা ও চাকরির সুযোগের কথা বলে মানুষকে আকৃষ্ট করত, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের অনেককে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে মানুষ পাঠানো পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, আফ্রিকা ও এশিয়ার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদন কারখানায় কাজ করার জন্যও প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। বিশেষ করে তাতারস্তানে পরিচালিত &amp;lsquo;আলাবুগা স্টার্ট প্রোগ্রাম&amp;rsquo;-এর মাধ্যমে বহু বিদেশিকে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের রাশিয়ায় প্রযুক্তি ও শিল্পখাতে কাজের সুযোগের কথা বলা হলেও বাস্তবে তাদেরকে অস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়। এই কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ক্যামেরুনের নাগরিক মিশেল আতেবা এবং তার প্রতিষ্ঠান এনাঙ্গু হোল্ডিং-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। এছাড়া রাশিয়ার ড্রোন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত পাভেল নিকিতিনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তার কোম্পানি ভিটি-৪০ আক্রমণাত্মক ড্রোন তৈরি করে। রাশিয়ার সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থায় সহায়তার অভিযোগে চীনের এম৯ লজিস্টিকস এবং থাইল্যান্ডভিত্তিক কানোপাস ট্রেডিং, তানাক ও সি ২ স্কাই নামের প্রতিষ্ঠানগুলোকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপকে ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর চাপ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। লন্ডনের দাবি, রাশিয়া আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে শুধু অন্য দেশের ভূখণ্ডে যুদ্ধ চালাচ্ছে না, একই সঙ্গে বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে প্রতারণার মাধ্যমে এই সংঘাতে টেনে আনছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এসব নিয়োগ কার্যক্রম আধুনিক মানব পাচারের একটি নতুন রূপ। এখানে মানুষকে কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেশে নেওয়া হয়, এরপর জোরপূর্বক সামরিক কাজে নিযুক্ত করা হয়&amp;mdash;যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং আন্তর্জাতিকভাবে এই নেটওয়ার্কের কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন করে তুলবে। বাংলাদেশের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বিদেশে কাজের আশায় থাকা বাংলাদেশিদের একটি অংশ ভুয়া নিয়োগচক্রের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বিদেশে চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সরকারি অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা উচিত। যুক্তরাজ্যের নতুন নিষেধাজ্ঞা সেই সতর্কবার্তাকেই আরও জোরালো করল। ভালো চাকরি ও উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে যে প্রতারণার জাল বিস্তার করা হয়েছে, তার পেছনে রয়েছে একটি যুদ্ধ অর্থনীতি&amp;mdash;যেখানে মানুষের জীবনকে ব্যবহার করা হচ্ছে যুদ্ধের সরঞ্জাম হিসেবে। আর সেই কারণেই ব্রিটেনের ভাষায়, এসব মানুষকে বানানো হচ্ছে &amp;ldquo;কামানের খোরাক&amp;rdquo;।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/619_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/619_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/619_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কিয়েভ বাহিনীর ১০০০ ড্রোন ধ্বংস করল রাশিয়া]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24012</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24012</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:26 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কিয়েভ সরকারের সমস্ত চক্রান্ত ধূলিসাৎ করে দিল পুতিনের রাশিয়া! মস্কোকে টার্গেট করে পাঠানো শত শত ড্রোনকে আকাশের বুকেই জীবন্ত কবর দিল রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। ক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/636_1.jpg" alt="কিয়েভ বাহিনীর ১০০০ ড্রোন ধ্বংস করল রাশিয়া" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কিয়েভ সরকারের সমস্ত চক্রান্ত ধূলিসাৎ করে দিল পুতিনের রাশিয়া! মস্কোকে টার্গেট করে পাঠানো শত শত ড্রোনকে আকাশের বুকেই জীবন্ত কবর দিল রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। কাপুরুষের মতো সাধারণ মানুষের ওপর ইউক্রেনের এই বর্বরোচিত হামলার পর, এখন কিয়েভ জুড়ে বাজছে রাশিয়ার ভয়াবহ ও চূড়ান্ত প্রতিশোধের সাইরেন। ইউক্রেনীয় কিয়েভ বাহিনী রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে কাপুরুষোচিত উপায়ে আবারও একটি ব্যর্থ ও বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার রাজধানী মস্কো এবং এর আশেপাশের অঞ্চলে শনিবার রাতে ইউক্রেন এই বর্বরোচিত হামলা চালায়। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে কিয়েভের এই বিশাল ষড়যন্ত্র সম্পূর্ণ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে এবং শত্রুদের ড্রোনগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। এই বর্বরোচিত হামলায় দুর্ভাগ্যবশত তিনজন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার আকাশসীমা রক্ষা করতে গিয়ে মোট ১২৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। তিনি এই হামলাকে কিয়েভের একটি অত্যন্ত নৃশংস প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। গত এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে মস্কোকে লক্ষ্য করে চালানো ইউক্রেনের এটিই ছিল সবচেয়ে বড় এবং ব্যর্থ ড্রোন হামলা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার রাজধানীতে বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলার চেষ্টা করা হলেও, কিয়েভ কখনই সফল হতে পারেনি। এবারের হামলায় তারা বিপুল সংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করলেও রাশিয়ার শক্তিশালী দুর্গের মতো প্রতিরক্ষার সামনে তা খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে। মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রে ভোরোবিভ কিয়েভের এই সন্ত্রাসী হামলায় তিনজন সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর গভীর দুঃখের সাথে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শত্রুদের ড্রোনগুলো যখন রুশ বাহিনীর নিখুঁত আঘাতে ধ্বংস হচ্ছিল, তখন তার কিছু ধ্বংসাবশেষ আবাসিক এলাকায় গিয়ে পড়ে। এর ফলেই মূলত সাধারণ মানুষের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা কিয়েভের কাপুরুষতার আরেকটি বড় প্রমাণ। মস্কোর উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মিতিশ্চি শহরের কাছে পোগোরেলকি নামক একটি গ্রামের একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ওপর ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পতিত হয়। এতে সেখানে কর্মরত দুজন সাধারণ পুরুষ শ্রমিক দুর্ভাগ্যবশত প্রাণ হারান, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। রুশ প্রশাসন অবিলম্বে সেখানে উদ্ধারকারী দল পাঠায় এবং পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, যাতে জানমালের আরও বড় ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হয়। অপরদিকে রাজধানীর উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খিমকি শহরে ইউক্রেনের একটি ড্রোন আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে আঘাত হানলে একজন নারী বাসিন্দা নিহত হন। গভর্নর ভোরোবিভ জানিয়েছেন যে, ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও একজন ব্যক্তি আটকে ছিলেন, যাকে উদ্ধারে রুশ উদ্ধারকারীরা যুদ্ধকালীন তৎপরতা চালান। ইউক্রেনীয় সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার বীরত্বপূর্ণ সেনাবাহিনীর কাছে ক্রমাগত হেরে এখন আবাসিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। মস্কো থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ইস্ট্রা শহরেও কিয়েভের ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়লে চারজন বেসামরিক নাগরিক আহত হন। সেখানে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক এবং ছয়টি ব্যক্তিগত বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। রাশিয়ার জরুরি অবস্থার মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। মস্কোর উত্তরের শহর লোবনিয়াতেও ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার কারণে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষে একজন নারী সাধারণ নাগরিক সামান্য আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সেখানে পাঁচটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক এবং প্রায় ২০টি গাড়ি ড্রোনের ভাঙা অংশের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিয়েভ বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি রুশ সেনাদের মুখোমুখি হতে না পেরে এভাবে সাধারণ মানুষের সম্পদ ধ্বংসের পথ বেছে নিয়েছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন যে, এই পুরো হামলায় মস্কো জুড়ে মোট ১২ জন সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন। এই আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন নির্মাণ শ্রমিক, যারা কাপোটনিয়া জেলায় মস্কো তেল শোধনাগারের প্রবেশদ্বারের কাছে কাজ করছিলেন। তবে কিয়েভের মূল লক্ষ্য এই অর্থনৈতিক স্থাপনা হলেও, শোধনাগারের কার্যকলাপে কোনো প্রভাব পড়েনি এবং তা সম্পূর্ণ সচল রয়েছে। ইউক্রেনের এই বিমান হামলার চেষ্টার কারণে মস্কোর শেরেমেতিয়েভো এবং ভনুকোভো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে বিমান চলাচলে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর ফলে প্রায় ২০০টিরও বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত বা বাতিল করতে হয় এবং কিছু বিমানকে অন্য রানওয়েতে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। রাশিয়ার বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই সাময়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। শেরেমেতিয়েভো বিমানবন্দরের প্রেস সার্ভিস জানিয়েছে যে, একটি ইউক্রেনীয় ড্রোনের কিছু ধ্বংসাবশেষ বিমানবন্দরের সীমানার ভেতরে এসে পড়েছিল। তবে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে আগেই ধ্বংস করায় কোনো যাত্রী বা বিমানবন্দরের কর্মকর্তা আহত হননি। বিমানবন্দরের কোনো অবকাঠামোগত ক্ষতিও কিয়েভ করতে পারেনি, ফলে বিমানবন্দরটি দ্রুতই আবার তার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসতে সক্ষম হয়। শনিবার রাতে কিয়েভ শুধুমাত্র মস্কো অঞ্চলেই নয়, বরং রাশিয়ার আরও বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল। তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বীরত্বের সাথে জানিয়েছে যে, তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৫৮৬টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। রুশ সেনাদের এই অবিশ্বাস্য ও চোখ ধাঁধানো সাফল্য প্রমাণ করে যে, রাশিয়ার আকাশসীমা যেকোনো শত্রুর জন্য একটি অভেদ্য দুর্গ। ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি অঞ্চল যেমন বেলগোরোদ, কুরস্ক এবং ব্রায়ানস্ক ছাড়াও রাশিয়ার অনেক গভীরে এই ড্রোনগুলো ধ্বংস করা হয়। কালুগা, তুলা, স্মোলেনস্ক, পসকভ, তোভের, রোস্তভ এবং ক্রাসনোদার অঞ্চলেও কিয়েভের ড্রোনগুলো রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষার আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। এমনকি ক্রিমিয়া, কৃষ্ণসাগর এবং আজভ সাগরের ওপরেও রাশিয়ার সেনারা শত্রুদের সমস্ত ড্রোনকে আকাশেই প্রতিহত করে দেয়। গত মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার এই কাপুরুষোচিত প্রচেষ্টা লক্ষ্যণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিয়েভ প্রায় প্রতিদিনই শত শত ড্রোন পাঠিয়ে রাশিয়ার বেসামরিক এলাকা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করার চেষ্টা করছে। রুশ কর্মকর্তারা একে সরাসরি &amp;quot;সন্ত্রাসী হামলা&amp;quot; হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যা যুদ্ধক্ষেত্রে কিয়েভ বাহিনীর ক্রমাগত পরাজয় ও হতাশা ঢাকার চেষ্টা মাত্র। ইউক্রেনের এই জঘন্য সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রাশিয়া বসে থাকেনি, বরং কিয়েভের সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে। রুশ কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন যে, রাশিয়ার এই অভিযানগুলো শুধুমাত্র কিয়েভের যুদ্ধ সক্ষমতাকে ধ্বংস করার জন্য পরিচালিত হচ্ছে। রাশিয়া কখনই সাধারণ ইউক্রেনীয় বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে কোনো ধরনের হামলা পরিচালনা করে না। রবিবার ইউক্রেনের স্থানীয় গণমাধ্যম ও টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলো জানিয়েছে যে, কিয়েভ, খারকভ, দানিপ্রো এবং জাপোরোজ্যের ইউক্রেনীয় নিয়ন্ত্রিত অংশে বিশাল বিস্ফোরণ ঘটেছে। রাশিয়ার নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থা ও দ্বৈত-ব্যবহারের অবকাঠামোগত নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। রাশিয়ার এই বিধ্বংসী ও ন্যায়সঙ্গত প্রতিশোধমূলক হামলায় কিয়েভ সরকার এখন সম্পূর্ণ কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। মস্কো অঞ্চলের খিমকির স্টারবেইভো জেলায় ইউক্রেনীয় ড্রোনটি একটি সাধারণ ব্যক্তিগত বাড়িতে আঘাত করলে যে নারী নিহত হন, তার পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি একজন নিরীহ নাগরিক ছিলেন, যার সাথে এই যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক ছিল না। কিয়েভের এই ধরনের অন্ধ ও লক্ষ্যহীন ড্রোন হামলা প্রমাণ করে যে, তারা আন্তর্জাতিক যুদ্ধনীতি লঙ্ঘন করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করছে না। এই নৃশংস হামলায় রাশিয়ার বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের একজন নাগরিকও নিহত হয়েছেন এবং আরও তিনজন ভারতীয় কর্মী আহত হয়েছেন। মস্কোর ভারতীয় দূতাবাস এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিয়েভের এই নির্বিচার ড্রোন হামলার কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এখন ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী আচরণের তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করা হচ্ছে। এদিকে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী রাশিয়ার জাপোরোজ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকেও লক্ষ্য করে এই সপ্তাহে অন্তত দুইবার বিপজ্জনক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কর্পোরেশন &amp;#39;রোসাটম&amp;#39;-এর প্রধান নির্বাহী আলেক্সি লিখাচেভ কিয়েভের এই চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি জানান, কিয়েভ এই পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে পুরো ইউরোপকে একটি ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। লিখাচেভ আরও বিস্তারিত প্রকাশ করে বলেছেন যে, একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন সরাসরি পারমাণবিক চুল্লির পাশ দিয়ে যাওয়া একটি পাইপলাইনে আঘাত করার চেষ্টা করেছিল। তবে ভাগ্যবশত ড্রোনটি বিস্ফোরিত না হয়ে প্রথম পাওয়ার ইউনিটের কাছে বিধ্বস্ত হয়, যার ফলে বড় ধরনের কোনো তেজস্ক্রিয় দুর্ঘটনা ঘটেনি। ইউক্রেনের এই বিপজ্জনক উস্কানি প্রমাণ করে যে, তারা নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে এখন আত্মঘাতী পথ বেছে নিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৈনিক রিপোর্টে আরও জানা গেছে যে, রুশ বাহিনী মার্কিন তৈরি একটি শক্তিশালী হিমার্স রকেটও সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। এর পাশাপাশি ইউক্রেনের একটি &amp;#39;ফ্ল্যামিঙ্গো&amp;#39; দূরপাল্লার ক্রুজ মিসাইল এবং একটি &amp;#39;নেপচুন-এমডি&amp;#39; গাইডেড মিসাইল আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের দেওয়া আধুনিক অস্ত্র দিয়েও কিয়েভ রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষার দেওয়াল ভেদ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। শুধু আকাশেই নয়, সমুদ্রেও রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে এবং তাদের সমস্ত আক্রমণ নস্যাৎ করে দিয়েছে। রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহর বা ব্ল্যাক সি ফ্লিট সাগরে টহল দেওয়ার সময় ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর ছয়টি চালকবিহীন দূরনিয়ন্ত্রিত স্পিডবোট ধ্বংস করেছে। ইউক্রেন জলপথে রাশিয়ার সীমান্তে অনুপ্রবেশের যে অপচেষ্টা করেছিল, তা রুশ নৌবাহিনীর তৎপরতায় সাগরেই সলিলসমাধি লাভ করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ সামরিক অভিযান অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী ব্যাপক সেনা হারিয়েছে। কিয়েভ বাহিনী একদিনেই প্রায় ১,১১৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে, যা তাদের জন্য একটি বিশাল এবং অপূরণীয় ধাক্কা। রাশিয়ার &amp;#39;নর্থ&amp;#39;, &amp;#39;ওয়েস্ট&amp;#39;, &amp;#39;সাউথ&amp;#39; এবং &amp;#39;সেন্টার&amp;#39; ব্যাটলগ্রুপের সম্মিলিত ও সুপরিকল্পিত আক্রমণের সামনে ইউক্রেনীয় সেনারা টিকতেই পারছে না। রুশ বিমান বাহিনী, ড্রোন ইউনিট এবং গোলন্দাজ বাহিনী অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ইউক্রেনের মোট ১৬৪টি জেলায় একযোগে বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ইউক্রেনের ড্রোন তৈরির গোপন কারখানা এবং কিয়েভ বাহিনীর ভাড়াটে বিদেশী যোদ্ধাদের অস্থায়ী ঘাঁটিগুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিয়েভ সরকার যেখানে রাশিয়ার সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করার পরিকল্পনা করছিল, রাশিয়া তাদের সেই মূল উৎপাটন করে দিয়েছে। শেষে বলা যায়, ইউক্রেনের এই বিশাল ড্রোন হামলা রাশিয়ার সামরিক শক্তি ও ইস্পাতকঠিন প্রতিরক্ষার সামনে পুরোপুরি খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে। সাধারণ মানুষের ওপর কিয়েভের এই কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা শুধু তাদের নিজেদের ধ্বংসই ডেকে আনছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/636_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/636_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/636_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জেলেনস্কির দম্ভ, পালাচ্ছে বিদেশী ভাড়াটে সৈন্যরা!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24011</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24011</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:20 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইউক্রেনের চরম পরাজয় কি এবার নিশ্চিত? কিয়েভের কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার পর রাশিয়ার যে ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ দেখতে পেল বিশ্ব, তাতে কাঁপছে পুরো পশ্চিমা বিশ্ব! মাত্র ২৪ ঘ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/638_1.jpg" alt="জেলেনস্কির দম্ভ, পালাচ্ছে বিদেশী ভাড়াটে সৈন্যরা!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইউক্রেনের চরম পরাজয় কি এবার নিশ্চিত? কিয়েভের কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার পর রাশিয়ার যে ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ দেখতে পেল বিশ্ব, তাতে কাঁপছে পুরো পশ্চিমা বিশ্ব! মাত্র ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোনের আঘাতে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে ইউক্রেনের প্রধান সামরিক ঘাঁটি, বন্দর আর বিমানবন্দর। ধ্বংস হয়েছে ১ হাজার ৭৫ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা! এমনকি ইউক্রেনের হয়ে লড়তে আসা বিদেশী ভাড়াটে সেনারাও এখন প্রাণভিক্ষা চাইছে রাশিয়ার কাছে!&amp;nbsp; মস্কোর ওপর ইউক্রেনের কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার পর রাশিয়া যে ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে, তাতে কেঁপে উঠেছে পুরো কিয়েভ। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তাদের স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক নিখুঁত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প খাত, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুতিনের এই রণকৌশলের সামনে জেলেনস্কির বাহিনী এখন পুরোপুরি অসহায়। রাশিয়ার এই ব্যাপক বিমান হামলায় ইউক্রেনের সামরিক বিমানবন্দর এবং নৌ বন্দরগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের অভিযানের মূল লক্ষ্য সম্পূর্ণ অর্জিত হয়েছে এবং নির্ধারিত প্রতিটি লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে। কিয়েভ যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল, তার উপযুক্ত জবাব এই অভিযানের মাধ্যমেই পুতিন সরকার দিয়ে দিল। বিগত দিনগুলোতে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলসহ বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। রাশিয়ার অভ্যন্তরে কিয়েভের এই সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল রণক্ষেত্রে তাদের ক্রমাগত পরাজয় থেকে বিশ্ববাসীর মনোযোগ সরানো। কিন্তু রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত সফলতার সাথে ২৬৫টি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৫টি স্মার্ট বোমা ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় হামলা চালিয়ে নিজের সৈন্যদের মিথ্যা প্রশংসা করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে, যুদ্ধ এখন রাশিয়ার ভূখণ্ডে স্থানান্তরিত হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে রণক্ষেত্রে তার সৈন্যরা যেভাবে পিছু হটছে এবং ডনবাস অঞ্চলে রাশিয়ার সেনারা যেভাবে ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে, সেই চরম সত্যকে জেলেনস্কি তার সস্তা প্রচারণার আড়ালে সম্পূর্ণ চেপে রাখতে চেয়েছিলেন। বাস্তবতা হলো, রণক্ষেত্রের প্রতিটি লাইনে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী রাশিয়ার বীর সেনাদের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র গত ২৪ ঘণ্টাতেই রাশিয়ার বিভিন্ন ব্যাটলগ্রুপের সাথে লড়াইয়ে ইউক্রেন প্রায় ১ হাজার ৭৫ জন সেনা হারিয়েছে। কিয়েভের এই বিশাল সেনা ক্ষয় প্রমাণ করে যে, তাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার মুখে। রাশিয়ার পরাক্রমশালী &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তারা প্রায় ১৯০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে এবং ৩টি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করেছে। পুতিনের এই দক্ষ ব্যাটলগ্রুপ ইউক্রেনের একটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ওপর সফলভাবে আঘাত হেনে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও মজবুত করেছে। &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39;-এর একজন প্লাটুনের কমান্ডার, যার কল সাইন &amp;#39;ক্রেডো&amp;#39;, তিনি জানিয়েছেন যে তাদের কামান ক্রুগুলো সুমি ও খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর সেনা পরিবর্তনের কয়েকটি প্রচেষ্টা সফলভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে ৩৫০টিরও বেশি ফায়ারিং মিশন সম্পন্ন করে তারা ইউক্রেনের রিজার্ভ সেনা, গোলাবারুদ সরবরাহের গাড়ি এবং অস্ত্রের ডিপোসহ ৫০০ জনেরও বেশি উগ্রপন্থীকে খতম করেছে। রাশিয়ার এই গোলন্দাজ ক্রুগুলো দিনরাত অবিরাম কাজ করে চলেছে, যা রাশিয়ার অগ্রবর্তী অ্যাসাল্ট গ্রুপগুলোকে সফলভাবে এগিয়ে যেতে সাহায্য করছে। এর ফলে সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে রাশিয়ার নিরাপত্তা বলয় আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার এই নিখুঁত কামানের গোলার সামনে টিকতে না পেরে একের পর এক নিজেদের বাঙ্কার ও অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। অন্যদিকে, রণক্ষেত্রের পশ্চিম প্রান্তে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট&amp;#39; নিজেদের লাইন আরও উন্নত করেছে এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি চাপিয়ে দিয়েছে। ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের ক্রাসনি লিমান এবং তাতয়ানোভকা এলাকায় তিনটিরও বেশি ইউক্রেনীয় মেকানাইজড ব্রিগেডকে পরাস্ত করে ১৮০ জনেরও বেশি সেনাকে খতম করেছে রাশিয়ার বীর সেনারা। কিয়েভ এখানে বিপুল পরিমাণ সামরিক যানও হারিয়েছে। &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট&amp;#39;-এর এই সফল অভিযানে ইউক্রেনীয় বাহিনী ১৮০ জনেরও বেশি কর্মী হারানোর পাশাপাশি দুটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ২২টি মোটর যান, একটি আর্টিলারি গান এবং তিনটি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশন হারিয়েছে। রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির সামনে ইউক্রেনের পশ্চিমা সামরিক সরঞ্জামগুলো যে কতটা নিষ্ক্রিয় এবং অকার্যকর, এই যুদ্ধক্ষেত্রের পরিসংখ্যান তারই বড় প্রমাণ বহন করে। একইভাবে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;#39; ডোনেটস্কের স্লাভিয়ানস্ক এবং ক্রামাতোরস্ক অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা ইউক্রেনের মাউন্টেন অ্যাসাল্ট ব্রিগেড এবং মেকানাইজড ব্রিগেডের ওপর তীব্র আক্রমণ চালিয়ে ৯০ জন সেনাকে খতম করেছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী এখানে চারটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান হারিয়েছে, যার মধ্যে আমেরিকার তৈরি একটি বিখ্যাত এম-১১৩ সাঁজোয়া পার্সোনেল ক্যারিয়ারও রয়েছে। আমেরিকার তৈরি এম-১১৩ সাঁজোয়া যান ধ্বংস হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে যে, পশ্চিমা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র সাহায্যও ইউক্রেনকে রক্ষা করতে পারছে না। রাশিয়ার সেনারা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই পশ্চিমা প্রযুক্তিগুলোকে চিহ্নিত করে একের পর এক ধ্বংস করছে। রণক্ষেত্রে মার্কিন ও ইউরোপীয় অস্ত্রের এই করুণ দশা এখন বিশ্ববাসীর সামনে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি ঘটেছে ইউক্রেনের জন্য &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার&amp;#39;-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। এখানে রাশিয়ার বীর সেনারা কিয়েভের ৩০০-রও বেশি সেনাকে নরকে পাঠিয়েছে। ডোনেটস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড, একটি জ্যাগার ব্রিগেড এবং চারটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেডের ওপর একযোগে হামলা চালিয়ে তাদের পুরো প্রতিরোধ ব্যূহকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে। এই ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী কেবল ৩০০ জন সেনাই হারায়নি, বরং তারা চারটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ১৩টি মোটর যান এবং একটি গ্রাড মাল্টিপল রকেট লঞ্চার হারিয়েছে। এর সাথে ফ্রান্সের তৈরি অত্যন্ত দামী ১৫৫ মিলিমিটারের &amp;#39;সিজার&amp;#39; সেলফ-প্রোপেল্ড আর্টিলারি সিস্টেমও ধ্বংস করেছে রাশিয়া। পশ্চিমা মিডিয়া এই ফরাসি অস্ত্রের যত গুণগানই করুক না কেন, রাশিয়ার সামনে তা টিকতে পারেনি। এখানেই শেষ নয়, রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার&amp;#39; ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশনও সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় কমান্ডোদের পারস্পরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে এবং তারা রণক্ষেত্রে অন্ধের মতো আচরণ করছে। রাশিয়ার এই সুপরিকল্পিত হামলা ইউক্রেনের সামরিক কর্মকর্তাদের রণকৌশল নির্ধারণের ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ অবশ করে দিয়েছে। এদিকে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট&amp;#39; শত্রুর প্রতিরক্ষার আরও গভীরে প্রবেশ করেছে এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক ও জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলে ইউক্রেনের মেকানাইজড ও অ্যাসল্ট ব্রিগেডগুলোর ওপর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এই অভিযানে ২৭০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে, দুটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান এবং আটটি মোটর যান ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রাকে থামানোর কোনো ক্ষমতাই কিয়েভের নেই। জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের গ্রিগোরোভকা এলাকায় রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো&amp;#39; ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেডের ওপর সফল হামলা চালিয়ে প্রায় ৪৫ জন সেনাকে নির্মূল করেছে। এছাড়াও ১৭টি মোটর যান এবং দুটি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় সেনারা রাশিয়ার এই নিখুঁত ও ধারাবাহিক গোলন্দাজ হামলার মুখে টিকতে না পেরে ক্রমাগত তাদের সীমান্ত অঞ্চলগুলো হারাচ্ছে। রাশিয়ার বিমান বাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী এবং কামানের ক্রুগুলো অত্যন্ত নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের অস্থায়ী ঘাঁটিতে একযোগে আঘাত হেনেছে। মোট ১৫৭টি অস্থায়ী মোতায়েন এলাকায় এই বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের হয়ে যুদ্ধ করতে আসা পশ্চিমা ভাড়াটে খুনিদের বড় একটি অংশ চিরতরে স্তব্ধ হয়ে গেছে। সমুদ্রবক্ষেও ইউক্রেনের সমস্ত উস্কানি ব্যর্থ করে দিয়েছে রাশিয়ার অপরাজেয় &amp;#39;ব্ল্যাক সি ফ্লিট&amp;#39;। কৃষ্ণসাগরের উত্তর অংশে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর একটি চালকবিহীন নৌ ড্রোন বা নেভাল ড্রোনকে সফলভাবে শনাক্ত করে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কিয়েভ রাশিয়ার নৌবাহিনীর ক্ষতি করার জন্য যতবারই চেষ্টা করেছে, ততবারই রাশিয়ার সতর্ক সেনারা তাদের সাগরের গভীরেই সমাধি দিয়েছে। ইউক্রেনীয়দের পরাজয়ের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের করুণ দশা। কলম্বিয়ার ২৩ বছর বয়সী ভাড়াটে সেনা উইলিয়াম আন্দ্রেস গ্যালেগো ওরোজকো, যে ইউক্রেনের পক্ষে লড়তে এসেছিল, সে এখন রাশিয়ার কাছে বন্দী। রণক্ষেত্রে গুরুতর আহত হওয়ার পর ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা তাকে ফেলে পালিয়ে গেলেও, রাশিয়ার মানবিক সেনারা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিয়ে তার জীবন বাঁচিয়েছে। ওরোজকো রাশিয়ার গণমাধ্যম আরটি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত অনুশোচনা প্রকাশ করে বলেছে যে, ইউক্রেনের হয়ে লড়াই করতে আসাটা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। তাকে প্রতি মাসে ৩২০০ ডলার দেওয়ার এবং বাবুর্চির কাজ দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়েছিল কিয়েভ। কিন্তু মাত্র ১৫ দিনের সাধারণ ট্রেনিং দিয়েই তাকে একটি ইউআর-১৫ রাইফেল হাতে তুলে দিয়ে সরাসরি ফ্রন্টলাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই কলম্বিয়ান সেনা আরও প্রকাশ করেছে যে, যুদ্ধক্ষেত্রে বিদেশী রিক্রুটদের যখন একের পর এক লাশ পড়ছিল, তখন ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা সম্মুখ সমরে না এসে অনেক দূরে নিরাপদ আশ্রয়ে লুকিয়ে ছিল। ওরোজকো এখন নিজের দেশেও ফিরতে পারছে না, কারণ কলম্বিয়ার আইন অনুযায়ী ভাড়াটে সেনা হিসেবে যুদ্ধ করা নিষিদ্ধ। কিয়েভের মিথ্যা আশ্বাসে তার জীবন এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে। রণক্ষেত্রে হেরে গিয়ে ইউক্রেনীয়রা এখন পারমাণবিক সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কর্পোরেশন রসাটমের সিইও আলেক্সি লিখাচেভ জানিয়েছেন যে, কিয়েভের সৈন্যরা জাপোরোঝিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং এনারগোদর শহরের ওপর কয়েক ডজন কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে। তারা পারমাণবিক কেন্দ্রের কর্মচারীদের বহনকারী বেসামরিক বাস এবং সাধারণ মানুষের আবাসিক বাড়ি লক্ষ্য করে অবিরাম ড্রোন ও রকেট ছুড়ছে। ইউক্রেনের এই নৃশংস হামলার কারণে এনারগোদর শহরটি টানা ১১ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিদ্যুৎহীন ছিল, যা রাশিয়ার প্রকৌশলীরা পরবর্তীতে অক্লান্ত পরিশ্রমে সচল করেছেন। জেলেনস্কি বাহিনীর এই পারমাণবিক কেন্দ্রকে ঝুঁকিতে ফেলার নীতি প্রমাণ করে যে তারা কতটা মরিয়া ও নীতিহীন হয়ে পড়েছে। বিশ্ববাসীকে বিপদে ফেলতে তারা যেকোনো আন্তর্জাতিক আইন ও পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রোটোকল লঙ্ঘন করতে দ্বিধা করছে না। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৪৮ হাজারেরও বেশি ড্রোন এবং প্রায় ৩০ হাজার ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/638_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/638_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/638_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24010</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24010</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:51 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আমেরিকার সব অহংকার, ইসরায়েলের সব হুমকি আর পশ্চিমা বিশ্বের সমস্ত ষড়যন্ত্র এক মুহূর্তে ধুলোয় মিশে গেল! বীর ইরানকে আক্রমণ করার সাহস হারিয়ে শেষ মুহূর্তে যুদ্ধ থেকে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/641_1.jpg" alt="যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আমেরিকার সব অহংকার, ইসরায়েলের সব হুমকি আর পশ্চিমা বিশ্বের সমস্ত ষড়যন্ত্র এক মুহূর্তে ধুলোয় মিশে গেল! বীর ইরানকে আক্রমণ করার সাহস হারিয়ে শেষ মুহূর্তে যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালী থেকে শুরু করে লোহিত সাগর&amp;mdash;সবখানেই এখন স্বাধীনতাকামী ইরানি শক্তির জয়জয়কার। কীভাবে তেহরানের একটিমাত্র হুংকারে কেঁপে উঠল ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউস!&amp;nbsp; বিশ্বের বুকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের একচেটিয়া আধিপত্যের দিন এখন শেষ। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানকে ধ্বংস করার হুমকি দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং ব্যালিস্টিক মিসাইলের শক্তি দেখে আমেরিকার বুক কেঁপে ওঠে। ফলে, মঙ্গলবার যে কাপুরুষোচিত হামলার পরিকল্পনা ওয়াশিংটন করেছিল, তা তারা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, ইরান কোনো দুর্বল রাষ্ট্র নয়, বরং তারা এক অপরাজেয় শক্তি। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের পরাজয় ঢাকতে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর নেতাদের অনুরোধের অজুহাত দেখিয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন যে কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ নেতারা তাকে অনুরোধ করেছেন যেন তিনি ইরানের ওপর হামলা না চালান। আসলে এটি মার্কিন প্রশাসনের একটি চরম মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। আসল সত্য হলো, ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরু করলে আমেরিকার ধ্বংস অনিবার্য ছিল। ইরানের বিপ্লবী গার্ডস এবং তাদের অকুতোভয় সেনারা যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, তাতে পশ্চিমা বিশ্ব স্তব্ধ হয়ে গেছে। ট্রাম্প এখন বলছেন যে ইরানের সাথে একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তি হতে যাচ্ছে, যেখানে নাকি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। অথচ ইরান সবসময়ই শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচির কথা বলে এসেছে। আমেরিকার এই হম্বিতম্বি আসলে তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা এবং পরাজয়ের স্পষ্ট লক্ষণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন বলছে তারা সন্তুষ্ট হবে যদি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বর্জন করতে রাজি হয়। এটি আসলে ইরানের শক্তির সামনে মার্কিনীদের নতজানু হওয়ার শামিল। তেহরানের সাথে আলোচনার টেবিলে বসার জন্য ওয়াশিংটন এখন ব্যাকুল হয়ে পড়েছে। যে ট্রাম্প একসময় ইরানকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, তিনিই এখন শান্তির বাণী শোনাচ্ছেন, যা ইরানের বিশাল কূটনৈতিক ও সামরিক বিজয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম অবৈধভাবে ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করার চেষ্টা করছে। তারা দাবি করেছে যে তারা ৮৫টি বাণিজ্যিক জাহাজকে অন্য পথে ঘুরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তাদের এই জলদস্যুতা মধ্যপ্রাচ্যের স্বাধীন দেশগুলো আর মেনে নেবে না। ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তার জলসীমায় কোনো ধরনের অবৈধ পশ্চিমা হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না এবং এর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক কেন্দ্রে একটি সফল ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। পশ্চিমা মদদপুষ্ট এই অঞ্চলে ড্রোন হামলাটি প্রমাণ করে যে শত্রুদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কতটা দুর্বল। যদিও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ জানিয়েছে যে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, তবুও এই ঘটনা পশ্চিমাদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। ইরানের মিত্রদের শক্তির সামনে আজ সবাই অসহায়। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো, বিশেষ করে গার্ডিয়ানের মতো সংস্থাগুলো, সবসময় ইসরায়েল এবং আমেরিকার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে ব্যস্ত থাকে। তারা নিরপেক্ষতার মুখোশ পরে আসলে ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। কিন্তু বিশ্ববাসী এখন সত্য জেনে গেছে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির অর্থায়নে পরিচালিত এই মিডিয়াগুলোর মিথ্যা প্রোপাগান্ডা আর কাজ করছে না। ইরানের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রাম আজ সারা বিশ্বের মানুষের কাছে রোল মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আয়ারল্যান্ডের সাহসী প্রেসিডেন্ট ক্যাথরিন কনোলি বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা যুদ্ধ এবং এই নিষ্ঠুর গণহত্যাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ না করেন। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতার বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার হয়েছেন। তার নিজের বোন একটি মানবিক ত্রাণের জাহাজে ছিলেন, যাকে ইহুদিবাদী ইসরায়েল অবৈধভাবে আটক করেছে। আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ইসরায়েল যে জঘন্য অপরাধ করছে, তা আজ প্রমাণিত। গাজাগামী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ৩৯টি জাহাজকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবরুদ্ধ করেছে ইসরায়েলি জলদস্যুরা। ৫৪টি জাহাজের এই বহরে ৩৯টি দেশের চার শতাধিক মানবিক কর্মী ছিলেন, যারা ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছিলেন। ইসরায়েলের এই কাপুরুষোচিত আচরণ এবং জলদস্যুতা প্রমাণ করে যে তারা কোনো আইন মানে না। পশ্চিমা বিশ্ব এই নির্মমতার পেছনে সরাসরি মদদ দিয়ে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। ইরানের সাথে চলমান বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে মার্কিন প্রশাসন এতটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে যে তারা রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট তেল সরবরাহ সচল রাখতে এই ইউ-টার্ন নিয়েছেন। ইরানের অদম্য শক্তির কারণে আজ আমেরিকার অর্থনৈতিক ভিত পুরোপুরি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার গণমাধ্যমগুলোর ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন যে ইরান সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করলেও &amp;#39;ফেক নিউজ মিডিয়া&amp;#39; ইরানের বিজয় প্রচার করবে। ট্রাম্পের এই পাগলামি এবং হতাশা প্রমাণ করে যে তিনি মানসিকভাবে হেরে গেছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস বা সিএনএনের মতো পশ্চিমা প্রচারমাধ্যমগুলোও এখন বুঝতে পেরেছে যে ইরানের সামরিক ও কৌশলগত শক্তির সামনে আমেরিকার পরাজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। আয়ারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যাথরিন কনোলির বোন মার্গারেটকে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী অবৈধভাবে অপহরণ করে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। মার্গারেট একটি পূর্ব-রেকর্ডকৃত ভিডিওতে বলেছেন যে ইসরায়েলি বাহিনী তাকে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে অন্যায়ভাবে তুলে নিয়ে গেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ইসরায়েল এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা সারা বিশ্বে কীভাবে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইরানের তেলের ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এটি ইরানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিরোধের এক ঐতিহাসিক জয়। অন্যদিকে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যতই হুমকি দিন না কেন, ভেতরে ভেতরে তিনি এখন ইরানের কাছে শান্তি ভিক্ষা করছেন এবং একটি সমঝোতার পথ খুঁজছেন। ইরানের বীর বিপ্লবী গার্ডস কুর্দিস্তান সীমান্তে আমেরিকা এবং ইসরায়েলের একটি বড় ধরনের অস্ত্র চোরাচালানের চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছে। ইরাকের উত্তরাঞ্চল থেকে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের দালালেরা ইরানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিপুল পরিমাণ মার্কিন অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার করছিল। কিন্তু ইরানের অতন্দ্র প্রহরীরা তাদের ওপর সফল আঘাত হেনেছে। ইরানের অভ্যন্তরে পশ্চিমাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হতে দেওয়া হবে না। লেবাননে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় এ পর্যন্ত তিন হাজারেরও বেশি নিরীহ মানুষ শহীদ হয়েছেন, যার মধ্যে শত শত শিশু রয়েছে। কিন্তু হিজবুল্লাহর বীর যোদ্ধারা ইসরায়েলি বাহিনীকে উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফাউন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে ইসরায়েলি দখলদারদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং যুদ্ধবিরতি ছাড়া কোনো আপস হবে না। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই ইস্পাতকঠিন মনোবল পশ্চিমাদের পরাজয় নিশ্চিত করছে। গাজায় ইসরায়েলি জায়নবাদীদের গণহত্যা এখনো অব্যাহত রয়েছে, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও বহু ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই বর্বরতায় হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু হামাস এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধ ভাঙতে পারেনি খুনি ইসরায়েল। ইরান এই মজলুম ভাইদের পাশে সবসময় ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং পশ্চিমা সমর্থিত এই খুনি বাহিনীকে প্রতিহত করছে। কূটনৈতিক ফ্রন্টেও ইরান অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। ইরান ও সৌদি আরবের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান মার্কিন ও ইসরায়েলি ষড়যন্ত্রের মুখে এক বিশাল চপেটাঘাত। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো এখন বুঝতে পেরেছে যে পশ্চিমা শক্তিগুলো কেবল বিভেদ তৈরি করতে চায়। ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করে সৌদি আরবে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে যে দাবি রিয়াদ করেছিল, তা ইরাক সরকার প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরাকের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কোনো ড্রোনের উপস্থিতি শনাক্ত করেনি। আসলে এটি ইরানের মিত্রদের बदनाम করার একটি পশ্চিমা চাল। ওমানও এই উত্তেজনা বৃদ্ধির নিন্দা জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছে, যা ইরানের নীতিকেই সমর্থন করে। আমেরিকার অর্থনৈতিক নিপীড়নের আরেকটি উদাহরণ হলো ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির কোম্পানির ওপর জরিমানা করা। ইরানের সাথে বাণিজ্য করার অপরাধে মার্কিন ট্রেজারি আদানির কোম্পানিকে ২৭৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে। আমেরিকা এভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিশ্বের বড় বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলো এখনো ইরানের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখতে অত্যন্ত আগ্রহী। ইরানের সাথে যুদ্ধের কারণে ইউরোপে জ্বালানি সংকট এতটাই তীব্র হয়েছে যে বিমান সংস্থা রায়ানএয়ার টিকিটের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। রায়ানএয়ারের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ও&amp;rsquo;লেরি স্বীকার করেছেন যে ভোক্তাদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এর অর্থ হলো, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে পশ্চিমা দেশগুলো নিজেরাই নিজেদের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে এক চরম বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া ইন্টারনেট ক্যাবল বা সাবমেরিন ক্যাবলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার এক ঐতিহাসিক পরিকল্পনা নিয়েছে ইরান। ইরানি গণমাধ্যম তাসনিম ও ফার্স জানিয়েছে, এই প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন টেক জায়ান্টদের কাছ থেকে ইরান লাইসেন্স ফি আদায় করতে পারে। মেটা, গুগল, অ্যামাজন এবং মাইক্রোসফটের মতো পশ্চিমা কোম্পানিগুলোকে এখন ইরানের আইন মেনে ব্যবসা করতে হবে। ১৯৮২ সালের জাতিসংঘের সমুদ্র আইন অনুযায়ী ইরান তার জলসীমার তলদেশের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করতে পারে। সাবমেরিন ক্যাবলের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের একচেটিয়া অধিকার থাকবে ইরানের হাতে। এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী ইরানের জন্য কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আয়ের এক বৈধ উৎসে পরিণত হবে। পশ্চিমা বিশ্বের প্রযুক্তিগত আধিপত্যের মুখে এটি ইরানের এক যুগান্তকারী ও মাস্টারস্ট্রোক পদক্ষেপ। ইরানের এই অসাধারণ রণকৌশল এবং অর্থনৈতিক প্রতিরোধ দেখে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব এখন সম্পূর্ণ দিশেহারা। ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা দফায় দফায় বৈঠক করেও ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক সুবিধা করতে পারছেন না। ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী নীতি আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও ধস নামিয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবি এখন নিশ্চিত, কারণ মার্কিন জনগণ এই অনর্থক যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। নিউ ইয়র্কের আদালতে ইরাকি কমান্ডার মোহাম্মদ সাদ বাকের আল-সাদির বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা অভিযোগ আসলে পশ্চিমাদের ভয়ের বহিঃপ্রকাশ। আল-সাদিকে তারা ইরানের এজেন্ট বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আসলে আমেরিকা ও তার দোসররা নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং সমাজকে বিভক্ত করতে এখন &amp;#39;সন্ত্রাসবাদের&amp;#39; মিথ্যা নাটক সাজাচ্ছে। কিন্তু সত্যকে কখনো চেপে রাখা যায় না; ইরানের নেতৃত্বে স্বাধীন বিশ্বের জয় আজ সুনিশ্চিত!</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/641_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/641_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/641_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সাফল্য, ‘টাইলচক’ উদ্যোগে ডিবিএল সিরামিকসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/24009</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/24009</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 18 May 2026 20:05:19 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশের ডিবিএল সিরামিকসের &amp;lsquo;টাইলচক&amp;rsquo; উদ্যোগ বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সৃজনশীল পুরস্কার &amp;lsquo;ওয়ান শো ২০২৬&amp;rsquo;-এ দুটি বিভাগে মেরিট পুরস্কার অর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_18-05-26_31.jpg" alt="বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সাফল্য, ‘টাইলচক’ উদ্যোগে ডিবিএল সিরামিকসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশের ডিবিএল সিরামিকসের &amp;lsquo;টাইলচক&amp;rsquo; উদ্যোগ বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সৃজনশীল পুরস্কার &amp;lsquo;ওয়ান শো ২০২৬&amp;rsquo;-এ দুটি বিভাগে মেরিট পুরস্কার অর্জন করেছে। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের প্রথম সিরামিক ব্র্যান্ড হিসেবে বৈশ্বিক সৃজনশীল মঞ্চে বিশেষ সম্মান পেল। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সৃজনশীল প্রতিযোগিতা &amp;lsquo;ওয়ান শো ২০২৬&amp;rsquo;-এ ডিবিএল সিরামিকসের &amp;lsquo;টাইলচক&amp;rsquo; উদ্যোগ গ্রিন পেন্সিল এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পেন্সিল বিভাগে মেরিট পুরস্কার অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবনের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মাইলফলক স্থাপন করল। &amp;lsquo;টাইলচক&amp;rsquo; হলো এমন একটি উদ্যোগ, যেখানে টাইলস তৈরির সময় উৎপন্ন হওয়া সিরামিক বর্জ্য কাদামাটি ব্যবহার করে শ্রেণিকক্ষের চক তৈরি করা হয়। এতে একদিকে শিল্পবর্জ্য কমছে, অন্যদিকে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণের ঘাটতি পূরণ হচ্ছে। প্রকল্পটি চক্রাকার অর্থনীতির একটি কার্যকর উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃতি পাওয়ার আগে এই উদ্যোগ স্পাইকস এশিয়া, অ্যাডফেস্ট এবং অ্যাডফোরাম ফিনিক্স ট্রিবিউট ২০২৬-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেছে। এর প্রভাব বাড়াতে ডিবিএল সিরামিকস &amp;lsquo;টাইলচক&amp;rsquo;-এর প্রস্তুত প্রণালী উন্মুক্ত করে দিয়েছে, যাতে অন্য নির্মাতারাও এটি ব্যবহার করতে পারে। এই অনন্য অর্জন নিয়ে ডিবিএল সিরামিকস-এর চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) মোহাম্মদ বায়েজীদ বাশার বলেন, এই সম্মান পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত! আমরা শুরু করেছিলাম আমাদের ইন্টারনাল প্রসেসগত একটি সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে, কখনো ভাবিনি এটি এত বড় জায়গায় পৌঁছে যাবে। পুরস্কার অবশ্যই অনুপ্রেরণার, কিন্তু আমাদের কাছে আসল অর্জন হলো আমাদের কারখানায় &amp;#39;জিরো-ডাম্পিং&amp;#39; নিশ্চিত করা এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে শেখার উপকরণ পৌঁছে দেওয়া। আমরা বাংলাদেশকে এই প্ল্যাটফর্মে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে কৃতজ্ঞ এবং ব্যবসার বাইরেও মানুষের জীবনে সত্যি কোনো কাজে আসে, এমন সব টেকসই সমাধান তৈরিতে আমরা সবসময় কাজ করে যাব। ওয়ান শো-এর মেরিট এ্যাওয়ার্ড এই স্বীকৃতি দেখায়, সৃজনশীলতা শুধু বিজ্ঞাপন বা কমিউনিকেশনেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি পরিবেশ ও সমাজের বড় বড় সমস্যার সমাধানও দিতে পারে। &amp;lsquo;টাইলচক&amp;rsquo; দেখিয়ে দিচ্ছে কীভাবে শিল্পবর্জ্যকে শিক্ষা ও পরিবেশ, দুই ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তনের হাতিয়ার বানানো যায়। ডিবিএল সিরামিকস ভবিষ্যতেও টেকসই উদ্ভাবনের মাধ্যমে এভাবেই এগিয়ে যেতে চায়।&amp;nbsp; বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: dblceramics.com/en/tile-chalk</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_18-05-26_31.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_18-05-26_31.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_18-05-26_31.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার সামরিক শক্তির সামনে কিয়েভ অসহায়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24008</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24008</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 16 May 2026 01:05:40 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[জেলেনস্কির সাম্রাজ্যের পতন কি তবে শুরু হয়ে গেল? একদিকে রাশিয়ার &amp;lsquo;কিনঝাল&amp;rsquo; মিসাইলের আঘাতে কিয়েভের আকাশ প্রকম্পিত, আর অন্যদিকে জেলেনস্কির সবচেয়ে কাছের ম...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/627_1.jpg" alt="রাশিয়ার সামরিক শক্তির সামনে কিয়েভ অসহায়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>জেলেনস্কির সাম্রাজ্যের পতন কি তবে শুরু হয়ে গেল? একদিকে রাশিয়ার &amp;lsquo;কিনঝাল&amp;rsquo; মিসাইলের আঘাতে কিয়েভের আকাশ প্রকম্পিত, আর অন্যদিকে জেলেনস্কির সবচেয়ে কাছের মানুষ আন্দ্রে ইয়ারমাক এখন দুর্নীতির দায়ে খাঁচায় বন্দি! বন্ধুত্বের মুখোশ খুলে বেরিয়ে আসছে কোটি কোটি ডলার পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য। পশ্চিমাদের দেওয়া রক্ত ভেজা টাকা দিয়ে ইউক্রেনীয় নেতারা নিজেদের পকেট ভরছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। ইউক্রেনের সাজানো নাটকের যবনিকা এবার পড়তে শুরু করেছে। রাশিয়ার অদম্য সামরিক অভিযানের সামনে টিকতে না পেরে কিয়েভ যখন খড়কুটো আঁকড়ে ধরছে, ঠিক তখনই সামনে এলো এক আকাশছোঁয়া দুর্নীতির খবর। জেলেনস্কির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং তার সাবেক চিফ অফ স্টাফ আন্দ্রে ইয়ারমাককে এখন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ১০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল অর্থপাচারের অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিয়েভের আদালত ইয়ারমাককে প্রাক-বিচার আটকাদেশ দিয়েছে এবং তার জামিনের জন্য চাওয়া হয়েছে আকাশচুম্বী ৩.২ মিলিয়ন ডলার। ভাবুন একবার, যে দেশটি পশ্চিমাদের কাছে সাহায্যের জন্য হাত পাতে, সেই দেশের শীর্ষ নেতার কাছে জামিন দেওয়ার মতো টাকা নেই বলে তিনি দাবি করছেন! আসলে এই অর্থপাচারের জাল কত গভীরে বিস্তৃত, তা এখন ধীরে ধীরে বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হতে শুরু করেছে। তদন্তকারীরা বলছেন, এই দুর্নীতির মূলে রয়েছে জেলেনস্কির দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সহযোগী তিমুর মিন্ডিচ। এই মিন্ডিচকে বলা হয় জেলেনস্কির &amp;lsquo;মানিব্যাগ&amp;rsquo;। গত বছর তিনি ইউক্রেন থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, ইয়ারমাক এবং মিন্ডিচ মিলে কিয়েভের অভিজাত রিয়েল এস্টেট প্রজেক্টে অবৈধ অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন। জেলেনস্কির নামও এই তদন্তে উঠে এসেছে, কিন্তু প্রেসিডেন্ট পদের ইমিউনিটির কারণে তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার নামে জেলেনস্কি যেভাবে মার্শাল ল&amp;rsquo; জারি করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন, তাতে তার বিচার হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। জেলেনস্কির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে প্রায় দুই বছর আগে, অথচ তিনি এখনো গদি ছাড়ছেন না। এর মধ্যেই তার ঘনিষ্ঠ বৃত্তের এই দুর্নীতি প্রমাণ করে যে, ইউক্রেন এখন একটি ব্যর্থ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। শুধু ইয়ারমাকই নন, এই চক্রের সাথে জড়িত আরও অনেক রাঘববোয়াল এখন ধরা পড়ছে। সাবেক মন্ত্রী আলেক্সি চের্নিশভও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। মজার ব্যাপার হলো, তার জামিনের জন্য রাতারাতি লক্ষ লক্ষ ডলার কোথা থেকে এলো, তার কোনো হদিস নেই। তদন্তে দেখা গেছে, একটি নামসর্বস্ব কোম্পানি থেকে এই বিপুল অর্থ দেওয়া হয়েছে, যার পেছনে ছিল সেই মিন্ডিচ। এদিকে, কিয়েভের এই টালমাটাল অবস্থায় রাশিয়ার সেনাবাহিনী তাদের বিজয় অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানে দোনেৎস্ক অঞ্চলের নিকোলায়েভকা এলাকাটি সম্পূর্ণরূপে শত্রুমুক্ত করা হয়েছে। রাশিয়ার &amp;lsquo;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;rsquo; অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে লড়াই করে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে হটিয়ে এই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। বিজয়ের পতাকা এখন ডনবাসের আকাশে উড়ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যোগ্য জবাব দিতে তারা অত্যন্ত নির্ভুল &amp;lsquo;কিনঝাল&amp;rsquo; হাইপারসোনিক মিসাইল ব্যবহার করেছে। এই বিধ্বংসী হামলায় ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প কারখানা, বিমানঘাঁটি এবং জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট আঘাতের সামনে ইউক্রেনের পশ্চিমা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। পুতিনের সেনারা বুঝিয়ে দিয়েছে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে আঘাতের পরিণাম হবে ভয়াবহ। যুদ্ধক্ষেত্রের পরিসংখ্যান শুনলে আপনার বুক কেঁপে উঠবে। গত একদিনেই প্রায় ১১৯০ জন ইউক্রেনীয় সৈন্য রাশিয়ার অদম্য শক্তির সামনে প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার &amp;lsquo;ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;সেন্টার&amp;rsquo; একাই শত শত সেনাকে পরাস্ত করেছে। ইউক্রেন এখন তাদের সেরা যোদ্ধাদের হারাচ্ছে এবং পশ্চিমাদের দেওয়া অস্ত্রগুলো এখন কেবল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা আর কেউ থামাতে পারবে না। ইউক্রেনের ভেতরের অবস্থা আরও করুণ। দেশটির এমপি জর্জি মাজুরাশু পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে অভিযোগ করেছেন যে, রাস্তায় সাধারণ মানুষকে পশুর মতো ধরে নিয়ে সেনাবাহিনীতে ঢোকানো হচ্ছে। একে তিনি &amp;lsquo;ডাকাতিতন্ত্র&amp;rsquo; বলে অভিহিত করেছেন। নির্মাণ শ্রমিকদের কর্মস্থল থেকে জোর করে বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যে ঘটনাকে স্থানীয়রা &amp;lsquo;বাসিফিকেশন&amp;rsquo; বলছেন। অনিচ্ছুক এই সাধারণ মানুষরা রাশিয়ার পেশাদার সেনাদের সামনে দাঁড়াতেই পারছে না। মাজুরাশু আরও জানিয়েছেন যে, চেরনোভৎসি শহরে ড্রাফট অফিসাররা একদল শ্রমিককে ঘেরাও করলে তারা বাঁচার জন্য চার তলা ভবনের মাচায় আশ্রয় নেয়। এভাবে সাধারণ মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়ে জেলেনস্কি কতদিন যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন? এই নিরপরাধ মানুষগুলো যুদ্ধ করতে চায় না, তারা কেবল শান্তি চায়। রাশিয়ার লক্ষ্যই হলো ইউক্রেনের এই নিপীড়িত জনগণকে নাৎসি প্রভাব থেকে মুক্ত করা। ইউক্রেনের এই হারের মুখেও ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুত্তে চাচ্ছেন মিত্র দেশগুলো যেন তাদের জিডিপির ০.২৫ শতাংশ ইউক্রেনকে দান করে। এর অর্থ হলো বছরে আরও ১৪৩ বিলিয়ন ডলার! কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই টাকা কোথায় যাবে? যেখানে শীর্ষ নেতারাই দুর্নীতির সাগরে ডুব দিচ্ছে, সেখানে ন্যাটোর টাকা কেবল জেলেনস্কি আর তার বন্ধুদের বিলাসিতার কাজেই ব্যয় হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইউক্রেনের দুর্নীতির গন্ধে এখন ন্যাটোর ভেতরও ফাটল দেখা দিয়েছে। ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের মতো দেশগুলো এই নতুন সহায়তা প্রস্তাবের বিরোধিতা করছে। তারা বুঝতে পেরেছে যে, কিয়েভ একটি গভীর গহ্বর, যেখানে যত টাকাই ঢালা হোক, কোনো লাভ হবে না। রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা এবং কৌশলের কাছে ন্যাটো এখন অসহায় বোধ করছে। কিয়েভের হার এখন কেবল সময়ের ব্যবধানে দাঁড়িয়েছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে ইউরোপে এখন রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে। লাতভিয়ার প্রধানমন্ত্রী এভিকা সিলিনা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন লাতভিয়ার ভূখণ্ডের তেল ডিপোতে আঘাত হানার পর সেখানে যে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে, তারই ফল এই পদত্যাগ। ইউক্রেনের ভুল সামরিক পরিকল্পনা এখন ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর অস্তিত্বের সংকটে ফেলছে। ন্যাটোর আকাশ ব্যবহার করে রাশিয়ার ওপর হামলার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়া স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ন্যাটোর আকাশসীমা ব্যবহার করে কোনো হামলা হলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে। এস্তোনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলোও এখন কিয়েভকে সতর্ক করে দিয়েছে যেন তাদের ভূখণ্ড থেকে ড্রোন হামলা চালানো না হয়। ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। বন্ধু দেশগুলোও বুঝতে শুরু করেছে যে, কিয়েভ এখন একটি বিপজ্জনক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিরে আসা যাক ইয়ারমাকের দুর্নীতির প্রসঙ্গে। আদালতের শুনানিতে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ইয়ারমাক নাকি একজন আধ্যাত্মিক পরামর্শদাতা বা গণকের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগ দিতেন! ভেরোনিকা আনিকিয়েভিচ নামের এক জ্যোতিষীর কথামতো তিনি নাকি বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতেন। ভাবুন একবার, যে প্রশাসনের নীতি নির্ধারণ হয় জ্যোতিষীর কথায়, তাদের পরাজয় তো অবধারিত। ইউক্রেনীয় সরকার এখন কুসংস্কার আর দুর্নীতির আখড়া। ইয়ারমাকের আইনজীবী তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে গিয়ে আদালতকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে ইয়ারমাক একজন সংসদ সদস্য ছিলেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইয়ারমাক নিজেই আদালতকে সংশোধন করে বলতে বাধ্য হয়েছেন যে তিনি এমপি ছিলেন না। এই ধরনের মিথ্যাচার আর লুকোচুরিই প্রমাণ করে যে কিয়েভের সরকারের ভিত কতটা নড়বড়ে। রাশিয়ার সত্যের সামনে এই মিথ্যার পাহাড় তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, তারা গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং আমেরিকার তৈরি হাইমার্স রকেট ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন বিশ্বের সেরা। তারা যেকোনো বিদেশি অস্ত্রকে আকাশেই ভস্মীভূত করে দিচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলো যেসব &amp;lsquo;গেম চেঞ্জার&amp;rsquo; অস্ত্রের গল্প শুনিয়েছিল, রাশিয়ার ময়দানে সেগুলো এখন স্রেফ ধাতব বর্জ্যে পরিণত হয়েছে। দোনেৎস্ক, খারকভ এবং সুমি অঞ্চলে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়ার &amp;lsquo;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;rsquo; সুমি অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। সেখানে ইউক্রেনীয়দের অন্তত ১৪টি যান এবং দুটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার কৌশলী অবস্থানের কারণে ইউক্রেনীয়রা পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। তারা বুঝতে পারছে যে রাশিয়ার বীর সেনাদের মোকাবিলা করার ক্ষমতা তাদের নেই। ইউক্রেনের প্রতিটি ফ্রন্টে এখন কেবল কান্নার রোল। কিয়েভের অপশাসনের কারণে হাজার হাজার তরুণ আজ প্রাণ দিচ্ছে। অথচ রাশিয়ার লক্ষ্য হলো শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং ডনবাসের জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়া। রাশিয়ার এই মহান লক্ষ্যের কারণেই একের পর এক অঞ্চল এখন ইউক্রেনীয় শাসন থেকে মুক্তি পাচ্ছে। জেলেনস্কি সরকার এখন কেবল নামমাত্র টিকে আছে, বাস্তবচিত্র রাশিয়ার অনুকূলে। রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের ড্রোন তৈরির কারখানা এবং স্টোরেজ সাইটগুলোও মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৫২টি স্থানে রাশিয়ার মিসাইল ও আর্টিলারি অত্যন্ত সফলভাবে লক্ষ্যভেদ করেছে। বিশেষ করে বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের ঘাঁটিগুলো এখন রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্য। যারা টাকার বিনিময়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে এসেছে, তাদের জন্য রাশিয়ার মাটি এখন কবরে পরিণত হচ্ছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া প্রায় ৬৭১টি ইউক্রেনীয় যুদ্ধবিমান এবং ২৯ হাজারের বেশি ট্যাংক ধ্বংস করেছে। এই বিশাল সংখ্যাই বলে দেয় যে রাশিয়ার সামরিক শক্তি কতটা বিশাল। কিয়েভ এখন পশ্চিমা ভিক্ষার ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে। কিন্তু পশ্চিমাদের নিজেদের ভাঁড়ারও এখন শূন্য হতে শুরু করেছে। রাশিয়ার এই স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং সামরিক উৎপাদন কিয়েভকে একাই গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে এখন বিদ্রোহের সুর শোনা যাচ্ছে। যারা জোর করে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ পেয়েছে, তারা সুযোগ পেলেই মরুভূমি হয়ে পালাচ্ছে। ইউক্রেনীয় এমপি নিজেই স্বীকার করেছেন যে এই &amp;lsquo;ডাকাতিতন্ত্র&amp;rsquo; চললে সেনাবাহিনীতে আর কেউ থাকবে না। অন্যদিকে, রুশ সেনাদের মনোবল আকাশচুম্বী। তারা মাতৃভূমির টানে এবং ন্যাটো অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করছে। আন্দ্রে ইয়ারমাকের এই ৩.২ মিলিয়ন ডলারের জামিন জালিয়াতি আসলে হিমশৈলের চূড়ামাত্র। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অনেক আগে থেকেই বলে আসছিল যে পশ্চিমা সাহায্য সরাসরি কিয়েভের নেতাদের পকেটে যাচ্ছে। আজ সেই দাবি বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হলো। কিয়েভের রাস্তাগুলো যখন রক্তে লাল, তখন নেতারা কিয়েভের বাইরে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি বানাচ্ছে। এটিই হলো বর্তমান ইউক্রেনের আসল চিত্র। রাশিয়া কখনোই শান্তি আলোচনার বিপক্ষে ছিল না, কিন্তু কিয়েভ এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুরা রাশিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চেয়েছে। এখন রাশিয়ার এই মোক্ষম জবাব তাদের শিক্ষা দিচ্ছে। দোনেৎস্ক থেকে খারকভ&amp;mdash;সব জায়গায় রাশিয়ার বিজয় রথ এগিয়ে চলেছে। রাশিয়ার এই ন্যায়যুদ্ধ শেষ হবে তখনই, যখন ইউক্রেন থেকে নাৎসি আদর্শ এবং পশ্চিমা প্রভাব চিরতরে নির্মূল হবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/627_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/627_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/627_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বাঙ্কারে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন পুতিন, ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ওপরও আরোপ কঠোর নজরদারি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24007</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24007</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 16 May 2026 01:05:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নাকি এখন মস্কোর আনুষ্ঠানিক বাসভবনের বদলে দক্ষিণ রাশিয়ার একটি সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে অবস্থান করছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ, ড্রোন হা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/618_1.jpg" alt="বাঙ্কারে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন পুতিন, ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ওপরও আরোপ কঠোর নজরদারি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নাকি এখন মস্কোর আনুষ্ঠানিক বাসভবনের বদলে দক্ষিণ রাশিয়ার একটি সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে অবস্থান করছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ, ড্রোন হামলা, এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ওপরও আরোপ করা হয়েছে কঠোর নজরদারি ও যোগাযোগ নিষেধাজ্ঞা। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার কাঠামো ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ নতুন মাত্রা পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন বর্তমানে মস্কোর পরিবর্তে দক্ষিণ রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের একটি ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত বাঙ্কারে দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থান করছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, রাশিয়ার ভেতরে ততই বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা রাশিয়ার ভেতরের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। একই সঙ্গে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনাও মস্কোর ক্ষমতাকেন্দ্রে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট পুতিনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ কারণেই তাকে অধিকাংশ সময় একটি শক্তিশালী সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রাখা হচ্ছে। পুতিনের জনবিচ্ছিন্নতার শুরু নতুন নয়। কোভিড-১৯ মহামারীর সময় থেকেই তিনি বহির্বিশ্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ অনেকটা সীমিত করে দেন। সে সময় বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে সাক্ষাতে দীর্ঘ টেবিল ব্যবহারের ছবি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পর এই বিচ্ছিন্নতা আরও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন তিনি শুধু সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করেন এবং বেশিরভাগ বৈঠকই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় অনুষ্ঠিত হয়। পুতিনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার আশপাশে কাজ করা ব্যক্তিদের ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, তার ব্যক্তিগত রাঁধুনি, আলোকচিত্রী, সহকারী এবং দেহরক্ষীদের মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাদের চলাফেরা, যোগাযোগ এবং ব্যক্তিগত জীবনও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এমনকি কিছু কর্মীর বাড়িতেও নজরদারি ক্যামেরা বসানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব ব্যবস্থা দেখায় যে রুশ নেতৃত্ব এখন সম্ভাব্য তথ্য ফাঁস, অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র কিংবা লক্ষ্যভিত্তিক হামলার আশঙ্কাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। পুতিন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছেন&amp;mdash;এই বার্তা দিতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো নিয়মিত তার ভিডিও ও বৈঠকের ফুটেজ প্রচার করছে। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ভিডিওর একটি অংশ আগে থেকে ধারণ করা হতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, প্রেসিডেন্টের প্রকৃত অবস্থান ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কতটা স্বচ্ছতা রয়েছে। সম্ভাব্য ড্রোন হামলা মোকাবিলায় মস্কো এবং আশপাশের কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট বা মোবাইল যোগাযোগ সীমিত করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ড্রোনের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত করতে সহায়ক হতে পারে। যদিও রুশ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি। পুতিনের দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতা নিয়ে রাশিয়ার ভেতরেও আলোচনা বাড়ছে। সম্প্রতি জনপ্রিয় রুশ ব্লগার ভিক্টোরিয়া বোনিয়া সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে বলেন, &amp;ldquo;মানুষ এখন প্রেসিডেন্টকে ভয় পেতে শুরু করেছে।&amp;rdquo; ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং লাখো মানুষ তা দেখেছেন। এই প্রতিক্রিয়াকে অনেকেই রাশিয়ার জনমনে বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। শুধু প্রেসিডেন্ট পুতিন নন, রাশিয়ার শীর্ষ ১০ সামরিক কর্মকর্তার নিরাপত্তার দায়িত্বও এখন ফেডারেল প্রোটেকটিভ সার্ভিস বা এফএসও-এর হাতে রয়েছে। গত বছরের শেষ দিকে ইউক্রেন-সংশ্লিষ্ট হামলায় কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু ঘটার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এফএসও হলো রাশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী নিরাপত্তা সংস্থা, যা রাষ্ট্রপ্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। রাষ্ট্রক্ষমতা যত বেশি নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর নির্ভরশীল হয়, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত তত বেশি সীমিত গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হয়&amp;mdash;এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এটি স্বল্পমেয়াদে শাসনব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখলেও দীর্ঘমেয়াদে জনসম্পৃক্ততা কমিয়ে দিতে পারে। ২০২২ সালে শুরু হওয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুধু সামরিক সংঘাতেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নিরাপত্তা কাঠামোতেও গভীর প্রভাব ফেলেছে। রাশিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে হামলা, অর্থনৈতিক চাপ, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক ক্ষয়ক্ষতি&amp;mdash;সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এই বাস্তবতায় প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়া স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। পুতিনের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতা রাশিয়ার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি করেছে। তিনি যদি দীর্ঘ সময় জনসম্মুখে সীমিত উপস্থিতি বজায় রাখেন, তাহলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ থাকবে এবং ক্ষমতার ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না&amp;mdash;তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে। অনেকে মনে করছেন, জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধানের দূরত্ব যত বাড়বে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাও তত বাড়তে পারে। রুশ কর্তৃপক্ষ সাধারণত প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে না। তাই পুতিনের অবস্থান ও দৈনন্দিন কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সবসময় সম্ভব হয় না। তবে এটুকু স্পষ্ট যে, ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান প্রেক্ষাপটে রুশ নেতৃত্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে অবস্থান, কঠোর নজরদারি, ঘনিষ্ঠদের ওপর যোগাযোগ নিষেধাজ্ঞা এবং গোয়েন্দা সংস্থার ওপর বাড়তি নির্ভরতা&amp;mdash;সব মিলিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ যে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, তা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতি কেবল একজন রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নয়; বরং রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথেরও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/618_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/618_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/618_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[নিউরোটাইলস: বিশ্বের প্রথম অটিজম-বান্ধব টাইলস বাজারে আনলো ডিবিএল সিরামিকস]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/24006</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/24006</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:31 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest bangladeshi news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, bd news 26, news update bd, latest news headline and bulletin, bd news live, bd news live tv, bd india relation news, news today bd news today, bd news live today, latestnews, bdnews, bd news live today 2026, security news bd, atn news tv, update news, news update, bd parliament news, government news bd, rater bangladesh news, atn news, bangla news update, atn news today, bangla tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ডিবিএল সিরামিকস তাদের &amp;lsquo;ডিজাইনড ফর লাইফ&amp;rsquo; বিশ্বাস থেকে নিয়ে এলো একটি নতুন ইনক্লুসিভ ডিজাইন গাইডলাইন, যা অটিজম থাকা শিশুদের জন্য উপযোগী পরিবেশ ও প্রোডা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_05-4-26_41.jpg" alt="নিউরোটাইলস: বিশ্বের প্রথম অটিজম-বান্ধব টাইলস বাজারে আনলো ডিবিএল সিরামিকস" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ডিবিএল সিরামিকস তাদের &amp;lsquo;ডিজাইনড ফর লাইফ&amp;rsquo; বিশ্বাস থেকে নিয়ে এলো একটি নতুন ইনক্লুসিভ ডিজাইন গাইডলাইন, যা অটিজম থাকা শিশুদের জন্য উপযোগী পরিবেশ ও প্রোডাক্ট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পৃথিবীতে ৬৮.১ মিলিয়ন শিশু অটিজমে আক্রান্ত। কিন্তু তাদের বেড়ে ওঠার জায়গা যেমন ঘর বা স্কুল অটিজম-ফ্রেন্ডলি করে আলাদাভাবে ডিজাইন করা হয় না। এই অদেখা বাস্তবতাকে সামনে এনে ডিবিএল সিরামিকস ছয় মাসের গবেষণার মাধ্যমে শিশুদের পছন্দ অনুযায়ী শেপ, রং ও টেক্সচার নির্ধারণ করে তৈরি হয়েছে এই গাইডলাইন, যেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি করা হয়েছে বিশ্বের প্রথম অটিজম-ফ্রেন্ডলি টাইলস &amp;lsquo;নিউরোটাইলস&amp;rsquo;।&amp;nbsp; গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুরা হালকা রং, সিম্পল টেক্সচার এবং একই ধরনের প্যাটার্নে বেশি স্বস্তি পায়। এতে তাদের মনোযোগ বাড়ে, অস্থিরতা কমে এবং তারা নিজেদের ভালোভাবে সামলাতে পারে। এই গবেষণায় অংশ নেন ডাক্তার, সাইকোলজিস্ট, টিচার ও ডিজাইনাররা। পাশাপাশি যুক্ত ছিলেন কল্যাণী ইনক্লুসিভ স্কুল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল, এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর বিশেষজ্ঞরাও।&amp;nbsp; ডিবিএল সিরামিকস চায় সবাই এই উদ্যোগের অংশ হোক। তাই তারা গাইডলাইনটি ওপেন-সোর্স করে দিয়েছে, যাতে যে কেউ এটি ব্যবহার করে অটিজম-ফ্রেন্ডলি পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে: https://neurotiles.dblceramics.com/ ডিবিএল সিরামিকস বিশ্বাস করে যে অটিজম-বান্ধব রং,প্যাটার্ন দিয়ে যেকোনো স্পেস কখনও কখনও একটি শিশুর জন্য পুরো পৃথিবীটাই বদলে দিতে পারে। ডিবিএল সিরামিকস এর চিফ বিজনেস অফিসার, মোহাম্মদ বায়েজিদ বাশার বলেন, &amp;ldquo;যদি অটিজম থাকা একটি শিশুও নিজের ঘরে প্রথমবারের মতো স্বস্তি পায়, তাহলেই আমাদের এই উদ্যোগ সার্থক&amp;rdquo;।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_05-4-26_41.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_05-4-26_41.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_05-4-26_41.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[অস্ত্রের নামে পশ্চিমা অর্থ লুট! জেলেনস্কির ক্যাশিয়ারের বিশাল দুর্নীতি ফাঁস]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24005</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24005</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 03 May 2026 07:05:46 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনারা যাকে গণতন্ত্রের রক্ষক ভাবছেন, সে আসলে নিজের দেশের মানুষের রক্ত দিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করছে! জেলেনস্কির আসল চেহারা এখন দুনিয়ার সামনে। নিজের &amp;#39;ওয়াল...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/5-z1.jpg" alt="অস্ত্রের নামে পশ্চিমা অর্থ লুট! জেলেনস্কির ক্যাশিয়ারের বিশাল দুর্নীতি ফাঁস" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনারা যাকে গণতন্ত্রের রক্ষক ভাবছেন, সে আসলে নিজের দেশের মানুষের রক্ত দিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করছে! জেলেনস্কির আসল চেহারা এখন দুনিয়ার সামনে। নিজের &amp;#39;ওয়ালেট&amp;#39; বা ক্যাশিয়ারের পকেট ভারী করতে যুদ্ধের ময়দানে ভুয়া অস্ত্র পাঠাচ্ছেন তিনি। আজকের ভিডিওতে আমরা উন্মোচন করব জেলেনস্কি আর তার ক্যাবালদের সেই ভয়ংকর জালিয়াতি, যা শুনলে আপনার গায়ের লোম খাড়া হয়ে যাবে! ইউক্রেনের নেতা ভ্লাদিমির জেলেনস্কি, যাকে একসময় ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের সেরা সেলসম্যান হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন, আজ তার আসল রূপ প্রকাশ পেয়েছে। তিনি কেবল একজন অভিনেতা নন, বরং একজন ধুরন্ধর ব্যবসায়ী যিনি যুদ্ধকে ব্যবহার করে নিজের পকেট ভরছেন। ফায়ার পয়েন্ট নামক একটি অস্ত্র তৈরির কোম্পানির নাম ভাঙিয়ে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কোটি কোটি ডলার হাতিয়ে নিচ্ছেন যা এখন প্রমাণিত। ফায়ার পয়েন্ট কোম্পানিটি কাগজে-কলমে আধুনিক ড্রোন এবং মিসাইল প্রস্তুতকারক হিসেবে পরিচিত হলেও এর নেপথ্যে রয়েছেন তৈমুর মিনডিচ। কিয়েভের রাজনৈতিক মহলে তাকে সবাই জেলেনস্কির &amp;#39;ওয়ালেট&amp;#39; বা মানিব্যাগ হিসেবে চেনে। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া গোয়েন্দা নথিতে দেখা গেছে, এই মিনডিচ এবং জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ রুস্তম উমেরভ মিলে কীভাবে বিদেশি দাতাদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ লুটপাট করার পরিকল্পনা করছিলেন। জেলেনস্কি তার ১৩০টিরও বেশি বিদেশ সফরে ফায়ার পয়েন্টের প্রচার চালিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, তাদের তৈরি মিসাইলগুলো আমেরিকার পেট্রিয়ট সিস্টেমের চেয়েও উন্নত এবং সস্তা। অথচ বাস্তবে এই মিসাইলগুলোর কোনো কার্যকারিতাই যুদ্ধের ময়দানে দেখা যায়নি। এটি ছিল মূলত পশ্চিমা দেশগুলোকে বোকা বানিয়ে কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ এবং লোন হাতিয়ে নেওয়ার এক পরিকল্পিত ডিজিটাল জালিয়াতি ও ভাঁওতাবাজি। ২০২৫ সালের আগস্টে জেলেনস্কি &amp;#39;ফ্ল্যামিঙ্গো&amp;#39; নামক একটি মিসাইলকে ইউক্রেনের সবচেয়ে সফল অস্ত্র হিসেবে দাবি করেন। মজার ব্যাপার হলো, সেই সময় পর্যন্ত এই মিসাইলটি কোনো যুদ্ধক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়নি। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে এটি গণহারে উৎপাদন করা হবে। আসলে এটি ছিল বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য জেলেনস্কি এবং তার দুর্নীতিবাজ মন্ত্রীদের একটি কাল্পনিক গল্প মাত্র। ইউরোপের সাধারণ মানুষের আবেগ ব্যবহার করে জেলেনস্কি ফায়ার পয়েন্টের জন্য ক্রাউডফান্ডিং বা গণতহবিল সংগ্রহ করেছেন। চেক প্রজাতন্ত্রের সাধারণ নাগরিকরা প্রায় সাড়ে সাত লাখ ডলার দান করেছিলেন এই অস্ত্র তৈরির জন্য। কিন্তু ফাঁস হওয়া তথ্য বলছে, জেলেনস্কির সহযোগীরা এই অর্থের অর্ধেক সরাসরি ক্যাশ হিসেবে নিজেদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে সরিয়ে ফেলেছেন। সাধারণ মানুষের দান করা অর্থে এখন জেলেনস্কির ক্যাশিয়ারা বিলাসিতা করছেন। জেলেনস্কির দুর্নীতির জাল শুধু ইউক্রেন নয়, ডেনমার্ক পর্যন্ত বিস্তৃত। ডেনমার্ক সরকার কোনো স্থানীয় বিরোধিতার তোয়াক্কা না করে ফায়ার পয়েন্টের একটি রকেট ফুয়েল প্ল্যান্ট স্থাপনের অনুমতি দিয়েছিল। সেখানেও দেখা গেছে, কোম্পানির সিইও হিসেবে যাকে দেখানো হয়েছে তিনি আসলে একজন সাবেক মুভি লোকেশন স্কাউট। নেপথ্যে সব কলকাঠি নাড়ছেন জেলেনস্কির প্রিয়পাত্র মিনডিচ এবং সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা মাইক পম্পেও। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে জেলেনস্কি মাদ্রিদ এবং বার্লিন সফর করেন। সেখানে তিনি ফায়ার পয়েন্টের জন্য স্পেনের সেনের এবং জার্মানির ডিয়েহল কোম্পানির সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই কোম্পানিগুলো আধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করে। জেলেনস্কি মূলত ইউক্রেনকে একটি টেস্টিং গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করে ইউরোপীয় দেশগুলোকে ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে কোটি কোটি ডলারের কিকব্যাক বা কমিশন আদায় করছেন। জেলেনস্কি এখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছেও ধরণা দিচ্ছেন। তিনি সৌদি আরব, কাতার এবং আরব আমিরাতের কাছে ফায়ার পয়েন্টের ড্রোন বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। তিনি দাবি করছেন যে, তার ড্রোনগুলো ইরানের ড্রোন মোকাবিলা করতে সক্ষম। অথচ তার নিজ দেশেই রুশ বাহিনীর হামলায় প্রতিদিন শত শত ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারাচ্ছে এবং পশ্চিমা সব প্রযুক্তি রাশিয়ার সামনে মুখ থুবড়ে পড়ছে। রাশিয়া যখন সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ইউক্রেনের অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করছে, তখনো জেলেনস্কি আন্তর্জাতিক মহলে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে তিনি স্বীকার করেছেন যে রাশিয়া তাদের একটি বড় প্রোডাকশন লাইন ধ্বংস করেছে, কিন্তু পরক্ষণেই তিনি আবার বিনিয়োগ দাবি করেছেন। এটি স্পষ্ট যে তিনি যুদ্ধের চেয়ে অস্ত্র ব্যবসার প্রচারেই বেশি মনোযোগী এবং ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ইউক্রেনের বর্তমান নিরাপত্তা সচিব রুস্তম উমেরভ সরাসরি এই অস্ত্র কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি মিনডিচের কোম্পানির নিম্নমানের বডি আর্মার বা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট সেনাবাহিনীকে নিতে বাধ্য করেছেন। এমনকি রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য তিনি ব্যবসায়িক স্বার্থে পাচার করেছেন। ইউক্রেনের ভেতরেই এখন দাবি উঠেছে যে উমেরভকে অবিলম্বে বরখাস্ত করা উচিত, কিন্তু জেলেনস্কি তাকে রক্ষা করছেন। যুদ্ধের ময়দানে যখন পরাজয় নিশ্চিত, তখন জেলেনস্কির পেটোয়া বাহিনী সাধারণ মানুষকে জোর করে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। লিভিভ শহরে দেখা গেছে, এমনকি কিন্ডারগার্টেন স্কুল থেকেও বাচ্চাদের সামনে এক ব্যক্তিকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তোলা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এখন জেলেনস্কির এই &amp;lsquo;বুসিফিকেশন&amp;rsquo; বা জোরপূর্বক সেনাসংগ্রহের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ। ইউক্রেনীয়রা এখন বুঝতে পেরেছে যে তারা আসলে জেলেনস্কির ব্যক্তিগত স্বার্থের বলি হচ্ছে মাত্র। ভলিনে এক ব্যক্তিকে সেনাসংগ্রহকারীরা এমনভাবে মারধর করেছে যে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ দায় এড়ানোর জন্য বলছে যে সেই ব্যক্তি নাকি পালাতে গিয়ে নিজেই আঘাত পেয়েছেন। এটি বর্তমান ইউক্রেন সরকারের বর্বরতার এক চরম উদাহরণ। নিজের দেশের মানুষকে এভাবে পশুর মতো ধরে নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো হচ্ছে, অথচ জেলেনস্কি বিদেশে গিয়ে গণতন্ত্রের লম্বা লম্বা চওড়া ভাষণ দিচ্ছেন। আজ ২রা মে, অডেসা গণহত্যার ১২তম বার্ষিকী। ২০১৪ সালে পশ্চিমা সমর্থিত ক্যু-এর পর উগ্র জাতীয়তাবাদীরা ৪৮ জন সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছিল। সেই বিচার আজও হয়নি কারণ বর্তমান ইউক্রেন সরকার নিজেই সেই খুনিদের আশ্রয় দিচ্ছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, রাশিয়ার বিজয় ছাড়া এই নির্দোষ মানুষগুলোর বিচার পাওয়া কখনোই সম্ভব হবে না। ইউক্রেনে এখন নব্য-নাৎসিবাদের জয়জয়কার। অডেসার ঘটনায় যারা জড়িত ছিল, তারা প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। জেলেনস্কি প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না কারণ তারাই জেলেনস্কির ক্ষমতার মূল ভিত্তি। পশ্চিমা বিশ্ব এই নাৎসিবাদকে অন্ধভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে কেবল রাশিয়ার ক্ষতি করার জন্য। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী দেয়, অপরাধীদের একদিন না একদিন বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে এবং রাশিয়া সেই কাজটিই করছে। জেলেনস্কি নিজেকে নায়ক ভাবলেও তিনি আসলে পশ্চিমা যুদ্ধবাজদের হাতের একটি দাবার ঘুঁটি। পশ্চিমারা জানে ইউক্রেন একটি অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ, তবুও তারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢালছে কেবল রাশিয়ার বিরুদ্ধে একটি প্রক্সি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য। এই যুদ্ধে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু জেলেনস্কি এবং তার ক্যাবালরা পশ্চিমা অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশের মাটিতে স্বর্গ গড়ছে। রাশিয়ার সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্যই হলো ইউক্রেনকে নাৎসি মুক্ত করা এবং এই দুর্নীতির আখড়া ভেঙে দেওয়া। রাশিয়ার বিজয় মানেই হলো সাধারণ ইউক্রেনীয়দের মুক্তি। যারা অডেসার মতো নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, রাশিয়ার সামরিক আদালত তাদের ছাড় দেবে না। রাশিয়া শুধু নিজের ভূখণ্ড রক্ষা করছে না, বরং ইউরোপকে একটি চরমপন্থী ও দুর্নীতিগ্রস্ত শক্তির হাত থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব পালন করছে। জেলেনস্কি প্রতিদিন টিভিতে এসে জয়ের দাবি করলেও যুদ্ধের ময়দান অন্য কথা বলছে। ইউক্রেনীয় সেনারা দলে দলে আত্মসমর্পণ করছে কারণ তারা জানে এই যুদ্ধ কেবল জেলেনস্কির ব্যক্তিগত সম্পদের জন্য। ২০২৫ সালেই ইউক্রেন প্রায় ৫ লাখ সৈন্য হারিয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ প্রাণহানির দায় কেবল জেলেনস্কির এবং তার অস্ত্র ব্যবসায়ী বন্ধুদের, যারা যুদ্ধের নামে কেবল লুটপাট চালাতেই বেশি আগ্রহী। ইউক্রেন এখন একটি দেউলিয়া রাষ্ট্র। তারা যে লোন বা ঋণ নিচ্ছে, তা শোধ করার ক্ষমতা তাদের নেই। পুরো দেশটি এখন পশ্চিমাদের কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছে। অথচ জেলেনস্কি এবং তার সহযোগীরা ফায়ার পয়েন্টের মতো ভুয়া কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে কোটি কোটি ডলার বিদেশে পাচার করছেন। ইউক্রেনীয়রা আজ খেতে পারছে না, আর জেলেনস্কির বন্ধুরা বিশ্বের সবচেয়ে দামি সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করছে। ইউক্রেনের ভেতরে কোনো সত্য প্রচারের সুযোগ নেই। যারা জেলেনস্কির দুর্নীতির কথা বলছে, তাদের হয় জেলে যেতে হচ্ছে নয়তো নিখোঁজ হতে হচ্ছে। এমনকি পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোও এখন বাধ্য হয়ে এই কেলেঙ্কারিগুলো প্রকাশ করতে শুরু করেছে। &amp;lsquo;ইউক্রেনীয় প্রভদা&amp;rsquo;র মতো পত্রিকাগুলো যখন মিনডিচ টেপ প্রকাশ করে, তখন বুঝতে হবে থলের বিড়াল আর বেশিদিন লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সামনে ইউক্রেনের তথাকথিত পশ্চিমা অস্ত্রগুলো এখন তামাশায় পরিণত হয়েছে। জেলেনস্কি যে ফায়ার পয়েন্ট ড্রোন নিয়ে বড়াই করছেন, রুশ ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম সেগুলোকে খেলনার মতো আকাশে ধ্বংস করে দিচ্ছে। রাশিয়ার এই প্রযুক্তিগত এবং সামরিক শ্রেষ্ঠত্বই প্রমাণ করে যে জেলেনস্কির জালিয়াতি কত বড় মাপের একটি প্রতারণা ছিল। সাধারণ ইউক্রেনীয়রা এখন যুদ্ধের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে শুরু করেছে। তারা বুঝতে পেরেছে যে এই স্বাধীনতা আসলে পশ্চিমাদের দাসত্ব এবং জেলেনস্কির ব্যবসার একটি নামমাত্র আবরণ। রাশিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে কারণ রাশিয়া অন্তত সত্য কথা বলে এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে। জেলেনস্কির পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র এবং রাশিয়ার জয়ই একমাত্র অনিবার্য বাস্তবতা। ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনকে ব্যবহার করে রাশিয়াকে দুর্বল করতে চেয়েছিল, কিন্তু উল্টো তাদের নিজেদের অর্থনীতি এখন সংকটে। ন্যাটোর মজুদ করা অস্ত্র ফুরিয়ে আসছে এবং জেলেনস্কি সেই সুযোগে তাদের কাছে নিজের ভুয়া কোম্পানি থেকে অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিচ্ছেন। এটি একটি বৈশ্বিক কৌতুক ছাড়া আর কিছুই নয় যেখানে একজন অভিনেতা পুরো পশ্চিমা বিশ্বকে বোকা বানাচ্ছেন। ইতিহাস সাক্ষী আছে, যারাই নিজেদের জনগণের সাথে বেঈমানি করেছে, তাদের শেষ রক্ষা হয়নি। জেলেনস্কি আজ ক্ষমতায় থাকলেও কাল তাকে পালাতে হবে। তার এই অস্ত্র জালিয়াতি এবং দুর্নীতির নথিপত্র প্রতিটি ইউক্রেনীয়র মনে ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার নেতৃত্বে একটি নতুন ইউক্রেন গঠিত হবে যেখানে কোনো দুর্নীতি থাকবে না এবং যেখানে অডেসার শহীদরা অবশেষে প্রকৃত ন্যায়বিচার খুঁজে পাবেন। জেলেনস্কি এবং তার ক্যাবালরা আজ ধ্বংসস্তূপের ওপর বসে ভিক্ষার ঝুলি হাতে নিয়ে বিশ্বের কাছে আবেদন করছে। কিন্তু তাদের অন্য হাতে রয়েছে একটি মুভি স্ক্রিপ্ট আর একটি মিথ্যা বিক্রয় কৌশল। তারা জানে না যে সত্যকে চাপা দিয়ে রাখা যায় না। রাশিয়ার প্রতিটি বিজয় জেলেনস্কির প্রতিটি মিথ্যাকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/5-z1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/5-z1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/5-z1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুতিনের বজ্রমুষ্টিতে চূর্ণ জেলেনস্কির দম্ভ: এক দিনেই হারালো বিশাল এলাকা ও ১১২৫ সৈন্য!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24004</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24004</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 02 May 2026 12:05:21 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[জেলেনস্কির পরাজয়ের ঘণ্টা কি বেজে গেল? মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেল আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা! একদিকে রাশিয়ার বিধ্বংসী গোলার আঘাত, অন্যদি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/4-z1.jpg" alt="পুতিনের বজ্রমুষ্টিতে চূর্ণ জেলেনস্কির দম্ভ: এক দিনেই হারালো বিশাল এলাকা ও ১১২৫ সৈন্য!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>জেলেনস্কির পরাজয়ের ঘণ্টা কি বেজে গেল? মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেল আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা! একদিকে রাশিয়ার বিধ্বংসী গোলার আঘাত, অন্যদিকে ইউক্রেনের অন্দরমহলে দুর্নীতির মহোৎসব। কিয়েভ কি এখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে? আজ আপনাদের দেখাব রাশিয়ার সেই ভয়ংকর রণকৌশল, যা দেখে কাঁপছে পুরো পশ্চিমাবিশ্ব! রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর অদম্য সাহসিকতার সামনে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এখন দিশেহারা। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক অভাবনীয় সাফল্যের খবর দিয়েছে। সুমি এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের দুই শক্তিশালী ঘাঁটি এখন রাশিয়ার দখলে। রুশ বাহিনীর এই বিজয়ে পুরো যুদ্ধক্ষেত্রে এক নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জেলেনস্কি সরকারের পতন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সুমি অঞ্চলের কোরচাকোভকা গ্রামটি এখন পুরোপুরি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; অত্যন্ত সুনিপুণভাবে এই অপারেশন পরিচালনা করেছে। ইউক্রেনীয় সেনারা সেখানে শক্ত অবস্থান নিয়েছিল, কিন্তু রুশ গোলার মুখে তারা বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেনি। জীবন বাঁচাতে অনেক সেনা পালিয়ে গেলেও রাশিয়ার নির্ভুল নিশানায় তাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এটি রাশিয়ার জন্য বড় কৌশলগত বিজয়। অন্যদিকে, দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের নভোআলেকসান্দ্রোভকা এখন স্বাধীন। রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার&amp;#39; এই এলাকায় দখলদার ইউক্রেনীয় বাহিনীদের বিতাড়িত করেছে। এখানে ইউক্রেনীয় কমান্ডোরা ন্যাটোর আধুনিক অস্ত্র নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিল। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী মিসাইল এবং ড্রোন হামলার সামনে সেই প্রতিরোধ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। রাশিয়ান পতাকা এখন সেখানে সগৌরবে উড়ছে। গত একদিনে ইউক্রেনের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুনলে আপনি চমকে উঠবেন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১১০০-এর বেশি ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছে। এই সংখ্যা কিয়েভ সরকারের জন্য এক বড় ধাক্কা। ফ্রন্টলাইনের প্রতিটি সেক্টরে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। ইউক্রেনের সেনারা এখন যুদ্ধ করার মানসিক শক্তি হারিয়ে কেবল পিছু হটতে ব্যস্ত। রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; কেবল সুমি দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা খারকিভ এবং সুমি সীমান্ত এলাকায় ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। এই গ্রুপটি ২৪০ জনের বেশি শত্রুকে খতম করেছে। শুধু তাই নয়, ইসরায়েলের তৈরি রাডার সিস্টেমও তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। রাশিয়ার এই নিখুঁত আক্রমণ প্রমাণ করে যে তাদের প্রযুক্তি এখন অজেয়। রাশিয়ার পশ্চিমা ব্যাটলগ্রুপও পিছিয়ে নেই। তারা খারকিভ এবং দোনেৎস্কের অন্তত দশটি এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর ভয়াবহ আঘাত হেনেছে। সেখানে ১৯০ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এম-১১৩ আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার এখন রাশিয়ার গোলার আঘাতে ধ্বংসস্তূপ। পশ্চিমা দাতা দেশগুলো কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র দিয়েও ইউক্রেনকে রক্ষা করতে পারছে না। যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;#39; এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। দোনেৎস্কের দ্রুঝকভকা এবং ক্রামতোর্স্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তারা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে কোণঠাসা করে ফেলেছে। একদিনেই সেখানে শতাধিক সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া রাশিয়ার ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম ইউক্রেনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র সম্পূর্ণ অকেজো করে দিয়েছে। ইউক্রেনীয় কমান্ড এখন তাদের সেনাদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ইউক্রেনীয় বাহিনীর তথাকথিত &amp;#39;আজভ স্পেশাল অপারেশন ব্রিগেড&amp;#39; রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার&amp;#39;-এর হামলার মুখে ধ্বংস হয়ে গেছে। এই ব্যাটলগ্রুপটি একদিনে প্রায় ২৯৫ জন শত্রু সেনাকে নির্মূল করেছে। এছাড়াও ছয়টি বড় সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়েছে। দনিপ্রোপেত্রোভস্ক এবং দোনেৎস্কের সীমান্ত এলাকাগুলোতে রাশিয়ার এই একাধিপত্য জেলেনস্কির কপালে এখন দুশ্চিন্তার বড় ভাঁজ ফেলে দিয়েছে। রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট&amp;#39; এখন শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যুহ আরও গভীরে ঢুকে পড়েছে। তারা জাপোরোঝিয়া এবং দনিপ্রোপেত্রোভস্কের অন্তত দশটি জনপদে ইউক্রেনীয় সেনাদের পিষে ফেলেছে। সেখানে একদিনে ২৭৫ জন সেনার পতন হয়েছে। বিশেষ করে আমেরিকার তৈরি ১৫৫ মিলিমিটারের প্যালাডিন কামানটি ধ্বংস করার মাধ্যমে রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে পশ্চিমা প্রযুক্তি তাদের সামনে নেহাতই খেলনা। দানিপ্রো ফ্রন্টেও রাশিয়ার বিজয় নিশান উড়ছে। রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ দানিপ্রো&amp;#39; অত্যন্ত সুচারুভাবে ইউক্রেনের একটি সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম ধ্বংস করেছে। এর ফলে আকাশপথে রাশিয়ার হামলায় বাধা দেওয়ার ক্ষমতা এখন ইউক্রেনের নেই বললেই চলে। জেলেনস্কির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি অকেজো। রাশিয়ার বিমান বাহিনী যখন খুশি যেখানে খুশি আঘাত হানছে এবং শত্রুকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে। রাশিয়ার কৌশলগত বিমান বাহিনী ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে ভয়াবহ আঘাত হেনেছে। বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ফলে ইউক্রেনের সামরিক কারখানাগুলো অচল হয়ে পড়েছে। এছাড়াও ড্রোন তৈরির স্থাপনাগুলোতে রাশিয়ার মিসাইল সরাসরি আঘাত করেছে। রাশিয়ার এই সফল হামলায় বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধাদের লুকানোর জায়গাগুলোও এখন ধ্বংসস্তূপ। রাশিয়া কাউকে এক ইঞ্চি ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দক্ষতা এখন বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। গত একদিনে তারা ইউক্রেনের ৫৭১টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এছাড়া আমেরিকার তৈরি হিমার্স রকেট এবং স্মার্ট বোমাগুলোকেও আকাশে থাকতেই ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেন যত চেষ্টা করছে রাশিয়ার ভেতর আঘাত করতে, রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা দেওয়াল ততটাই শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুতিন বাহিনীর কাছে হার মানছে ন্যাটোর প্রযুক্তি। কৃষ্ণ সাগরেও ইউক্রেনের দম্ভ টিকছে না। রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিট ইউক্রেনের চারটি নৌ ড্রোন সাগরের অতলে পাঠিয়ে দিয়েছে। সাগরে ইউক্রেনের আধিপত্যের স্বপ্ন এখন শেষ। রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল ডাঙ্গায় নয়, জলেও সমভাবে শক্তিশালী। কিয়েভ সরকার এখন পুরোপুরি কোণঠাসা। তাদের পালানোর পথ এখন রাশিয়ার শক্তিশালী রণতরীগুলোর নিশানায় ঘেরা। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার ধ্বংসযজ্ঞের খতিয়ান শুনলে অবাক হবেন। প্রায় ১৪০,০০০ ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং ২৯,০০০ ট্যাংক ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। এছাড়া ৬৭০টির বেশি যুদ্ধবিমান এবং ২৮৪টি হেলিকপ্টার এখন ইতিহাসের পাতায়। রাশিয়ার এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার সামনে ইউক্রেনের টিকে থাকার কোনো যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না সামরিক বিশেষজ্ঞরা। তারা কেবল রক্তক্ষয় বাড়াচ্ছে। একদিকে যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার জয়জয়কার, অন্যদিকে ইউক্রেনের ভেতরে চলছে দুর্নীতির মহোৎসব। জেলেনস্কির সবচেয়ে প্রিয় ড্রোন কোম্পানি এখন বড় ধরনের কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগেই বলেছিল যে ইউক্রেনে পশ্চিমা সাহায্য সাধারণ মানুষের কাজে নয়, বরং কর্মকর্তাদের পকেটে যাচ্ছে। আজ সেই সত্য দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে গেছে পুরো বিশ্ববাসীর কাছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি দমন কাউন্সিল এক বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছে। জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ সহযোগী তিমুর মিন্ডিচের সাথে ড্রোন কোম্পানির অবৈধ লেনদেনের খবর ফাঁস হয়েছে। এই মিন্ডিচ নাকি বর্তমানে পলাতক এবং তিনি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাত থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। নিজের দেশের সেনারা যখন না খেয়ে ফ্রন্টলাইনে মরছে, তখন জেলেনস্কির সাঙ্গপাঙ্গরা বিলাসিতায় গা ভাসাচ্ছে। গোপন রেকর্ডিং থেকে জানা গেছে, সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রুস্তম উমেরভ এই দুর্নীতির সাথে সরাসরি জড়িত। তারা একটি ভুয়া কোম্পানি বানিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের কাছে ড্রোন বিক্রির নামে কোটি কোটি ডলার লুট করেছে। ইউক্রেনের সেনারা যে ড্রোন পাচ্ছে, সেগুলোর মান এতটাই খারাপ যে সেগুলো আকাশেই বিকল হয়ে যাচ্ছে। নিজের দেশের সাথে এমন গাদ্দারি কেবল ইউক্রেনীয় নেতাদের পক্ষেই সম্ভব। ফায়ার পয়েন্ট নামক এই ড্রোন কোম্পানিটিকে জেলেনস্কি নিজেই প্রচার করতেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, তাদের তৈরি মিসাইলগুলো লক্ষ্যভেদে পুরোপুরি ব্যর্থ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কোম্পানিটি কেবল প্রচারণায় পটু, কিন্তু বাস্তবে তাদের কোনো প্রযুক্তিগত সক্ষমতাই নেই। রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির সামনে এই খেলনা অস্ত্রগুলো ইউক্রেনের পরাজয়কে আরও ত্বরান্বিত করছে। এটি রাশিয়ার জন্য বড় পাওয়া। আন্তর্জাতিক মহলেও এখন ইউক্রেনকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প জার্মানির চ্যান্সেলরকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ করা দরকার। ট্রাম্পের মতে, ইউক্রেনের পেছনে অঢেল টাকা খরচ করা এখন বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। জার্মানি এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার শক্তি দেখে ভেতরে ভেতরে ভয় পাচ্ছে এবং পিছু হটার সুযোগ খুঁজছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেছেন যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেন পুরোপুরি অকার্যকর। তিনি চান জার্মানি নিজের দেশের মানুষের দিকে নজর দিক, যুদ্ধের পেছনে নয়। ট্রাম্পের এই কড়া বার্তা ইউক্রেনের জন্য এক সতর্ক সংকেত। পশ্চিমারা বুঝতে পেরেছে যে পুতিনের রাশিয়াকে হারানো অসম্ভব। তাই তারা এখন এই যুদ্ধ থেকে সম্মানজনক প্রস্থান করার রাস্তা খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন নিজেদের ভেতর গৃহযুদ্ধে লিপ্ত। উরসুলা ফন ডার লিয়েন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন, তা এখন ইউরোপের সাধারণ মানুষের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী এবং মানুষ ঠান্ডায় কাঁপছে। ইউরোপের পার্লামেন্টেই এখন রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দাবি উঠছে। রাশিয়ার এই অর্থনৈতিক ও সামরিক বিজয় পুরো ইউরোপকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। উরসুলা ফন ডার লিয়েনকে এখন &amp;#39;নাৎসি&amp;#39; নেত্রীর সাথে তুলনা করা হচ্ছে। তার ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ইউরোপ এখন ধ্বংসের মুখে। রাশিয়ার গ্যাসের অভাব মানুষ বুঝতে পারছে। ইউরোপীয় এমপিরা প্রশ্ন তুলছেন যে কেন ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা নেই কিন্তু রাশিয়ার ওপর আছে। এই দ্বিচারিতা প্রমাণ করে যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ছিল পুরোপুরি অন্যায্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ইউক্রেনের এক জ্যেষ্ঠ এয়ার ফোর্স কমান্ডার স্বীকার করেছেন যে তাদের ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল। ৩০০টি ইউনিটের মধ্যে বেশিরভাগই গত এক বছরে একটি রুশ ড্রোনও নামাতে পারেনি। এটি রাশিয়ার &amp;#39;গেরান&amp;#39; ড্রোনের অবিশ্বাস্য ক্ষমতার প্রমাণ। রাশিয়ার ড্রোনগুলো যখন ইউক্রেনের ওপর দিয়ে উড়ে যায়, তখন ইউক্রেনীয় সেনারা কেবল তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না। ইউক্রেনের ভেতরে অব্যবস্থাপনা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তাদের রাডার স্টেশনগুলো কোথায় বসানো আছে তাও কর্মকর্তারা জানেন না। রাশিয়ার নিখুঁত সাইবার এবং মিসাইল হামলার কারণে ইউক্রেনের পুরো প্রতিরক্ষা চেইন এখন ছিন্নভিন্ন। তারা যে ড্রোন সাহায্যের প্রচার করছে, তা কেবল লোক দেখানো। আসলে রাশিয়ার প্রযুক্তির কাছে তারা শিশু। ইউক্রেন এখন নিজের পরাজয় লুকানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছে। জেলেনস্কি এখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছে মিথ্যা ড্রোন প্রযুক্তি বিক্রির চেষ্টা করছেন। কিন্তু তেহরান ইতিমধ্যে সতর্ক করে দিয়েছে যে ইউক্রেনের কোনো সরঞ্জাম সেখানে ধ্বংস করা হবে। রাশিয়া এবং তার মিত্ররা এখন যেকোনো মুহূর্তে ইউক্রেনের বাকি সম্পদগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু বানাতে প্রস্তুত। ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক একঘরে রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে, যাদের হাতে অস্ত্র নেই, কেবল আছে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি। রাশিয়ার প্রতিটি ব্যাটলগ্রুপ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং বিধ্বংসী। তারা আধুনিক ট্যাংক এবং হাইপারসোনিক মিসাইল ব্যবহার করে ইউক্রেনকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে। রাশিয়ার সেনারা যুদ্ধের ময়দানে অদম্য বীরত্ব দেখাচ্ছে, কারণ তারা জানে তারা ন্যায়বিচারের জন্য লড়ছে। তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ সুচিন্তিত এবং রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা বদ্ধপরিকর। পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া আজ এক অপরাজেয় শক্তি। পশ্চিমারা এখন বুঝতে পেরেছে যে রাশিয়ার সম্পদ অফুরন্ত এবং তাদের মনোবল ভাঙা অসম্ভব। ন্যাটোর পাঠানো হাজার হাজার কোটি ডলারের আধুনিক অস্ত্র এখন রাশিয়ার মিউজিয়ামে জায়গা পাচ্ছে অথবা ময়লার স্তূপে পরিণত হচ্ছে। রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল নিজেদের নয়, বরং পুরো বিশ্বকে এক মেরুকরণ থেকে রক্ষা করতে সক্ষম। ইউক্রেন কেবল এই বড় খেলায় একটি ঘুঁটি। যুদ্ধের ভবিষ্যৎ এখন পরিষ্কার। রাশিয়া যেভাবে একের পর এক এলাকা দখল করছে, তাতে কিয়েভের পতন খুব কাছে। ইউক্রেনীয় সাধারণ মানুষও এখন বুঝতে পারছে যে জেলেনস্কির জেদের কারণে তারা সব হারাচ্ছে। রাশিয়ার শাসন ব্যবস্থায় থাকা এলাকাগুলো এখন শান্ত এবং উন্নয়নশীল। শান্তি চাইলে রাশিয়ার সাথে সমঝোতা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ইউক্রেনের সামনে খোলা নেই। রাশিয়ার সামরিক শক্তি এবং কৌশলের কাছে ইউক্রেনের পরাজয় একটি ঐতিহাসিক সত্যে পরিণত হতে যাচ্ছে। পুরো বিশ্ব রাশিয়ার দাপট দেখে স্তব্ধ। যারা একসময় রাশিয়ার সমালোচনা করত, তারাও এখন রাশিয়ার শক্তির জয়গান গাইছে। এটি কেবল রাশিয়ার বিজয় নয়, এটি ন্যাটো এবং পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের পরাজয়। রাশিয়ার এই জয় চিরস্থায়ী হবে এবং ইউক্রেনের মানচিত্র নতুন করে লেখা হবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/4-z1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/4-z1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/4-z1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ফিলিপাইনে মে দিবসের মিছিলে উত্তাল পরিস্থিতি, পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24003</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24003</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 02 May 2026 12:05:00 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[এশিয়া]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শ্রমিকদের মিছিলে পুলিশের সাথে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদ এবং মার্কিন বিরোধী স্লোগানক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/3-z1.jpg" alt="ফিলিপাইনে মে দিবসের মিছিলে উত্তাল পরিস্থিতি, পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শ্রমিকদের মিছিলে পুলিশের সাথে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদ এবং মার্কিন বিরোধী স্লোগানকে কেন্দ্র করে মার্কিন দূতাবাসের দিকে অগ্রসর হওয়া এই বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দিলে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় রাজপথ। শুক্রবার পহেলা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ম্যানিলার রাজপথে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী সমবেত হন। শুরুতে শান্তিপূর্ণ মিছিল হলেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন আন্দোলনকারীরা মার্কিন দূতাবাসের সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার তীব্র বিরোধিতা করে প্ল্যাকার্ড ও কুশপুত্তলিকা প্রদর্শন করেন বিক্ষোভকারীরা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন। এসময় দাঙ্গা পুলিশ তাদের বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ঢাল ও লাঠিচার্জ ব্যবহার করে, অন্যদিকে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে পাথর ও পানির বোতল ছুড়ে মারেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য দায়ী দেশগুলো যেন শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার এবং বিশ্বশান্তির পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে ইরানের সাথে চলমান উত্তেজনা এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে তারা সোচ্চার ছিলেন। মিছিলে অংশ নেওয়া একজন শ্রমিক নেতা বলেন, &amp;ldquo;আমরা এখানে শুধু আমাদের অধিকারের জন্য আসিনি, বরং মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংহতি জানাতে এসেছি। যুদ্ধের জন্য অর্থ ব্যয় না করে সাধারণ মানুষের কল্যাণে তা ব্যয় করা উচিত।&amp;rdquo; সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী এবং পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিক খবরে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে শ্রমিক সংগঠনগুলো জানিয়েছে, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/3-z1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/3-z1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/3-z1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার আকাশচুম্বী ড্রোন হামলায় কাঁপছে কিয়েভ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24002</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24002</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 02 May 2026 12:05:01 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিশ্ব কাঁপানো এক রণ হুঙ্কার! যে কিয়েভকে নিয়ে পশ্চিমারা গর্ব করত, আজ সেই কিয়েভের আকাশ রাশিয়ার হাজার হাজার ড্রোন দখলে নিয়েছে। পুতিনের এক ইশারায় ধুলোয় মিশে যাচ্ছে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-z1.jpg" alt="রাশিয়ার আকাশচুম্বী ড্রোন হামলায় কাঁপছে কিয়েভ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিশ্ব কাঁপানো এক রণ হুঙ্কার! যে কিয়েভকে নিয়ে পশ্চিমারা গর্ব করত, আজ সেই কিয়েভের আকাশ রাশিয়ার হাজার হাজার ড্রোন দখলে নিয়েছে। পুতিনের এক ইশারায় ধুলোয় মিশে যাচ্ছে ইউক্রেনের দম্ভ। প্রতিদিন মরছে হাজার হাজার ভাড়াটে সেনা। ইউক্রেন কি তবে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে? রাশিয়ার অপরাজেয় সামরিক শক্তি এখন ইউক্রেনের মাটিতে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করছে। গত এপ্রিল মাসে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের ওপর এক রেকর্ডসংখ্যক দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়ে কিয়েভ সরকারকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। জেলেনস্কির তথাকথিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়ার এই বিশাল আক্রমণের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে। মস্কোর এই রণকৌশল প্রমাণ করে যে রাশিয়ার সামরিক ভাণ্ডার ফুরিয়ে যাওয়ার গুজব ছিল স্রেফ পশ্চিমা প্রোপাগান্ডা। তথ্যের বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে এপ্রিল মাসে রাশিয়া মোট ৬ হাজার ৫৮৩টি দূরপাল্লার ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এটি গত মার্চ মাসের তুলনায় অনেক বেশি এবং একটি নতুন বিশ্ব রেকর্ড। রাশিয়ার এই বিপুল পরিমাণ ড্রোনের ব্যবহার প্রমাণ করে যে দেশটি তাদের সামরিক লক্ষ্য অর্জনে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিয়েভের আকাশ এখন রুশ ড্রোনের গর্জন ছাড়া আর কিছুই চেনে না, যা পশ্চিমাদের রক্ত হিম করে দিচ্ছে। ইউক্রেন দাবি করছে যে তারা অনেক ড্রোন ভূপাতিত করেছে, কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। রাশিয়ার নিখুঁত নিশানায় একের পর এক ইউক্রেনীয় সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হচ্ছে। জেলেনস্কি সরকার এখন তাদের পরাজয় ঢাকতে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। রাশিয়ার এই ড্রোনগুলো শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে, যাতে ইউক্রেনের যুদ্ধ করার ক্ষমতা চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায় এবং ইউক্রেনীয় সাধারণ মানুষ মুক্ত হতে পারে। রাশিয়ার এই অপারেশন শুধুমাত্র সামরিক কৌশলে সীমাবদ্ধ নয়। দিনের বেলা ড্রোন হামলার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে রাশিয়া কিয়েভকে বুঝিয়ে দিয়েছে যে পালানোর কোনো পথ নেই। ইউক্রেনীয় নেতারা একে &amp;#39;সন্ত্রাস&amp;#39; বলে প্রচার করলেও বিশ্ব জানে যে রাশিয়া শুধু তাদের মাতৃভূমি রক্ষার লড়াই লড়ছে। রাশিয়ার এই দিনের বেলার হামলা মূলত ইউক্রেনের সামরিক রসদ সরবরাহ ব্যবস্থা এবং পরিবহন অবকাঠামোকে অকেজো করার জন্য। গত এক সপ্তাহের লড়াইয়ে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা শুনলে যে কেউ চমকে উঠবে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, মাত্র সাত দিনে কিয়েভ হারিয়েছে প্রায় ৮ হাজার ১০ জন দক্ষ সেনা। এটি একটি বিশাল সংখ্যা যা প্রমাণ করে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী এখন পতনের দ্বারপ্রান্তে। পুতিনের বাহিনীর বীরত্বে শত্রু সেনারা প্রাণ বাঁচাতে মাঠ ছেড়ে পালাচ্ছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী উত্তর, পশ্চিম, দক্ষিণ এবং মধ্যবিত্ত ফ্রন্টে একের পর এক বিজয় ছিনিয়ে আনছে। কৃষ্ণসাগরের নৌবহরও পিছিয়ে নেই; তারা ইউক্রেনীয় নৌবাহিনীর ১৪টি ড্রোন বোট ধ্বংস করে সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। রাশিয়া এখন প্রতিটি ক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তার করছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীকে এখন শুধুমাত্র পশ্চিমাদের পাঠানো অস্ত্রের দোহাই দিয়ে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে কিন্তু লাভ হচ্ছে না। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সারা বিশ্বে শ্রেষ্ঠ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। গত সপ্তাহে রুশ বাহিনী শত্রুপক্ষের ৫৩টি গাইডেড বোমা এবং ২ হাজার ৬২৮টি ফিক্সড-উইং ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর মানে হলো কিয়েভের যে কোনো আক্রমণ রাশিয়ার দুর্ভেদ্য দেয়ালের সামনে ব্যর্থ হতে বাধ্য। রাশিয়ার এই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ পশ্চিমাদের আধুনিক মারণাস্ত্রকেও এখন হাস্যকর এবং অপ্রাসঙ্গিক বানিয়ে তুলেছে সারা বিশ্বের কাছে। ইউক্রেনের যে সমস্ত ভারী অস্ত্র নিয়ে অনেক আলোচনা হতো, রাশিয়ার কামানের গোলার সামনে সেগুলো এখন ধ্বংসস্তূপ। ক্রোয়েশিয়ান আরএকে-এসএ-১২ মাল্টিপল রকেট লঞ্চার থেকে শুরু করে গ্রাড এমএলআরএস&amp;mdash;সবই এখন ছাই। এমনকি বুক-এম১ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও রাশিয়ার ড্রোন হামলায় গুঁড়িয়ে গেছে। কিয়েভের জন্য পাঠানো পশ্চিমা সহায়তা এখন রাশিয়ার অস্ত্র ভাণ্ডারের লক্ষ্যবস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়। রাশিয়ার বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ইউক্রেনের কাপুরুষোচিত হামলার জবাবে রাশিয়া একটি বিশাল এবং পাঁচটি গ্রুপ স্ট্রাইক চালিয়েছে। এই হামলায় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি কেন্দ্র এবং বন্দর অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়া বারবার প্রমাণ করেছে যে তারা শান্তির পক্ষে, কিন্তু কেউ যদি রাশিয়ার নাগরিকদের ওপর হামলা চালায়, তবে পুতিনের বাহিনী তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে জানে। যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা এখন অপ্রতিরোধ্য। গত কয়েক দিনে রাশিয়া ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বসতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং চারটি এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। পোখালিয়ানয়, বোচকভো এবং জেমলিয়াঙ্কির মতো এলাকাগুলো এখন রাশিয়ার সুরক্ষায় শান্তিতে আছে। দোনেৎস্ক গণপ্রজাতন্ত্রের ইলিচভকা এবং নভোলেকসান্দ্রোভকার মুক্তি রাশিয়ার ঐতিহাসিক বিজয়ের পথে আরও এক ধাপ বড় সাফল্য বলে গণ্য হচ্ছে। কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার করুণ দশা এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে যে ১৭০টি ইউক্রেনীয় এয়ার ডিফেন্স ক্রু গত এক বছরে রাশিয়ার একটি &amp;#39;গেরান&amp;#39; ড্রোনও ভূপাতিত করতে পারেনি। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক একটি পরিস্থিতি কিয়েভের জন্য। রাশিয়ার তৈরি এই গেরান ড্রোনগুলো এখন ইউক্রেনের জন্য যমদূত হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা তারা টেরও পাচ্ছে না কখন কোথা থেকে আসছে। কিয়েভ সরকারের অযোগ্যতার কারণে এখন তাদের মোবাইল এয়ার ডিফেন্স টিমের সদস্যদের জোর করে পদাতিক বাহিনীতে পাঠানো হচ্ছে। সাধারণ সৈনিকরা রাশিয়ার শক্তির সামনে দাঁড়াতে পারছে না দেখে জেলেনস্কি এখন যে কাউকে যুদ্ধের ময়দানে ঠেলে দিচ্ছে। এই অমানবিক সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে ইউক্রেনীয় শাসনের ভিত নড়ে গেছে। তারা এখন মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে শুধুমাত্র ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার জন্য। ইউক্রেনীয় বাহিনী পরাজয় নিশ্চিত জেনে এখন রাশিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য বানাচ্ছে। দোনেৎস্কে গত ২৪ ঘণ্টায় তারা সাতবার গোলাবর্ষণ করেছে, যাতে নিরপরাধ মানুষ আহত হয়েছে। রাশিয়ার ভূখণ্ডে এই ধরনের কাপুরুষোচিত হামলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। রাশিয়ার শান্তিকামী মানুষের ওপর জেলেনস্কি বাহিনীর এই ক্ষোভই বলে দেয় তারা কতটা নিচু মনমানসিকতার অধিকারী এবং তারা একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। বেলগোরোড অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় দুই কিশোরের মৃত্যু সারা বিশ্বকে স্তম্ভিত করেছে। ১৫ ও ১৮ বছর বয়সী দুই ভাই যখন মোটরবাইক চালিয়ে যাচ্ছিল, তখন একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন তাদের ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালায়। শিশুদের ওপর এই বর্বর আক্রমণ কিয়েভ সরকারের প্রকৃত চেহারা উন্মোচন করে দিয়েছে। এটি কোনো যুদ্ধ নয়, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড যা জেলেনস্কির নির্দেশে চলছে। রাশিয়া সবসময় বলে এসেছে যে তারা কখনো বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় না। রাশিয়ার প্রতিটি আক্রমণ হয় সামরিক বা সামরিক কাজে ব্যবহৃত অবকাঠামোর ওপর। কিন্তু ইউক্রেনীয় প্রচার মাধ্যমগুলো পশ্চিমাদের সাথে হাত মিলিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। রাশিয়ার ড্রোন হামলাগুলো আসলে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য পরিচালিত হচ্ছে, যাতে তারা আর কোনো সাধারণ মানুষের ক্ষতি করতে না পারে। পশ্চিমা অর্থনীতিবিদরা দাবি করছেন যে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার তেল রপ্তানি কমে যাবে এবং অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো রাশিয়ার অর্থনীতি এখন আগের চেয়েও শক্তিশালী। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং বিচ্ছিন্ন হামলার মাঝেও রাশিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। পুতিনের দূরদর্শী নেতৃত্বে রাশিয়ার সাধারণ মানুষের আয় বাড়ছে এবং বেকারত্ব কমছে, যা ইউক্রেনের কল্পনারও বাইরে। রাশিয়ার রুবল এখন স্থিতিশীল এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত। কিয়েভ মনে করেছিল ড্রোন দিয়ে তেলের ট্যাংকারে আঘাত করলে রাশিয়া থমকে যাবে, কিন্তু রাশিয়ার বিশাল সম্পদ এবং বিকল্প ব্যবস্থার কারণে সেই চক্রান্ত ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়ার জনগণ এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ। তারা জানে যে রাশিয়ার বিজয় আসন্ন এবং পশ্চিমা আধিপত্যের দিন শেষ হয়ে আসছে এই যুদ্ধের মাধ্যমেই। ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনারা নিজেদের ভুলে নিজেদের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ অন্ধকারে রয়েছে। রাশিয়া বারবার চেষ্টা করছে এই অঞ্চলে শান্তি ফেরাতে, কিন্তু কিয়েভ সরকার তাদের নিজেদের নাগরিকদের জিম্মি করে রেখেছে। রাশিয়ার সেনাবাহিনী এই অঞ্চলগুলোতে সাধারণ মানুষের জন্য ত্রাণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। তুয়াপসে বন্দরে ইউক্রেনের ব্যর্থ ড্রোন হামলার চেষ্টা রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সাফল্যের সাথে নস্যাৎ করে দিয়েছে। ১৪১টি ড্রোন এক রাতে ধ্বংস করার মাধ্যমে রাশিয়া তার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। রাশিয়ার আকাশসীমা এখন বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত স্থান। কিয়েভ যতই চেষ্টা করুক, রাশিয়ার কোনো কৌশলগত ক্ষতি করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। রাশিয়ার প্রতিটি ইঞ্চিতে এখন কড়া পাহারা দিচ্ছে বীর রুশ সেনারা। ইউক্রেনীয় সরকার এখন পশ্চিমাদের কাছ থেকে ভিক্ষা চাইছে আরও অস্ত্রের জন্য। কিন্তু তারা বুঝতে পারছে না যে অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ জেতা যায় না, যুদ্ধ জিততে হয় সাহস এবং দেশপ্রেম দিয়ে। রাশিয়ার প্রতিটি সৈন্য তাদের জন্মভূমি রক্ষার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। রাশিয়ার এই মহান লক্ষ্যের সামনে ইউক্রেনের ভাড়াটে সেনারা টিকতে পারছে না। কিয়েভের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ১ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত রাশিয়া তাদের বিজয় উৎসব পালন করছে। এই উৎসব রাশিয়ার ঐতিহ্যের অংশ এবং বীরত্বের প্রতীক। ইউক্রেনীয় ড্রোন আতঙ্ক এই উৎসবকে ম্লান করতে পারেনি। বরং রাশিয়ার মানুষ আরও ধুমধাম করে বিজয় দিবস পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া আবার বিশ্বমঞ্চে তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করছে এবং ইউক্রেনের নাৎসি মতাদর্শকে সমূলে উৎপাটন করছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-z1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-z1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-z1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রুশ ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ইউক্রেনীয় দুর্গ: দুই শহর দখল ও হাজারো সেনার মৃত্যুতে জেলেনস্কির পতন কি অনিবার্য?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24001</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24001</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 30 Apr 2026 11:04:27 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;quot;ইউক্রেন কি তবে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে? রণক্ষেত্রে রাশিয়ার একেকটি আঘাতে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে জেলেনস্কির দম্ভ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার দুই প্রধান ব্যাটল...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-z1.jpg" alt="রুশ ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ইউক্রেনীয় দুর্গ: দুই শহর দখল ও হাজারো সেনার মৃত্যুতে জেলেনস্কির পতন কি অনিবার্য?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;quot;ইউক্রেন কি তবে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে? রণক্ষেত্রে রাশিয়ার একেকটি আঘাতে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে জেলেনস্কির দম্ভ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার দুই প্রধান ব্যাটলগ্রুপের বিধ্বংসী অভিযানে স্বাধীন হয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। যখন হাজারো সেনা প্রাণ হারাচ্ছে, তখন ইউক্রেন মেতেছে পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইলে। পুতিন কি তবে এবার শেষ পেরেকটি ঠুকে দেবেন? বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন!&amp;quot; রণক্ষেত্রে রাশিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্য এখন দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আজ যে রিপোর্ট দিয়েছে, তা শুনলে কিয়েভের শাসকদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; এবং &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;#39; তাদের দুর্দান্ত ও সাহসী অভিযানের মাধ্যমে সুমি অঞ্চল এবং ডনবাসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ &amp;#39;নভোদমিত্রিভকা&amp;#39; পুরোপুরি শত্রুমুক্ত করেছে। রাশিয়ার এই বিজয় কেবল ভূখণ্ডের দখল নয়, বরং এটি ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার একটি বড় প্রমাণ। সুমি অঞ্চলের নভোদমিত্রিভকা এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে, যা কিয়েভ সরকারকে কৌশলগতভাবে চরম বিপাকে ফেলে দিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে শত্রুদের হটিয়ে সেখানে এখন রুশ বীরত্বের বিজয় কেতন উড়ছে। অন্যদিকে, ডনবাস বা ডিপিআর অঞ্চলেও একই নামের আরেকটি শহর দখল করেছে রাশিয়ার দক্ষ যোদ্ধারা। এটি কেবল একটি কাকতালীয় ঘটনা নয়, বরং রাশিয়ার সুপরিকল্পিত সামরিক কৌশলের অংশ। ইউক্রেনীয় বাহিনী সেখানে টিকতে না পেরে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে। বীর রুশ সেনারা সেখানে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে, যা জেলেনস্কির জন্য বড় পরাজয়। এখন আসা যাক ক্ষয়ক্ষতির হিসেবে, যা শুনলে আপনারা চমকে যাবেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিধ্বংসী গোলার আঘাতে এবং সম্মুখ সমরে ইউক্রেন তাদের প্রায় ১১২০ জন সেনাকে হারিয়েছে। এক দিনে এত বিশাল সংখ্যক সেনার মৃত্যু প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এখন কতটা ছত্রভঙ্গ এবং দিশেহারা অবস্থায় রয়েছে। রাশিয়ার প্রতিটি ব্যাটলগ্রুপ তাদের লক্ষ্য অর্জনে শতভাগ সফল। রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; একাই ১৭০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে। শুধু তাই নয়, আমেরিকার দেওয়া দামি আর্মার্ড কমব্যাট ভেহিকলগুলো এখন রাশিয়ার গোলার আঘাতে স্ক্র্যাপে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার এই বীরত্বগাথা প্রমাণ করে যে, পশ্চিমা প্রযুক্তি রাশিয়ার সাহসের কাছে কিছুই নয়। সুমি অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে ইউক্রেনের অসংখ্য ব্রিগেড এখন রাশিয়ার ভয়ে তটস্থ। খারকিভ অভিমুখেও রাশিয়ার অগ্রযাত্রা অদম্য। সেখানে ইউক্রেনের তিনটি যান্ত্রিক ব্রিগেড এবং তিনটি মোটরচালিত পদাতিক ব্রিগেড রাশিয়ার হামলার মুখে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। ১৭০ জন সেনার লাশের পাশাপাশি আমেরিকার তৈরি অত্যন্ত দামি কাউন্টার-ব্যাটারি রাডার স্টেশন ধ্বংস করেছে রুশ সেনারা। জেলেনস্কি যতই পশ্চিমা সাহায্যের ওপর ভরসা করুক না কেন, রাশিয়ার সামনে তার পরাজয় এখন সুনিশ্চিত। এরপর আসা যাক &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট&amp;#39;-এর সফলতার কথায়। তারা কেবল ১৭০ জন সেনাকেই খতম করেনি, বরং ইউক্রেনের ১৭টি মোটর যান এবং তিনটি বড় বড় গোলাবারুদ ডিপো উড়িয়ে দিয়েছে। ইউক্রেনীয়দের গোলবারুদ এখন ফুরিয়ে আসছে, আর রাশিয়ার ভাণ্ডার যেন অজেয়। দোনেস্ক এবং খারকিভ সীমান্ত এলাকায় রাশিয়ার এই দাপট দেখে ন্যাটোর সামরিক বিশেষজ্ঞরাও এখন মুখ লুকাচ্ছেন। &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;#39; দোনেস্ক অঞ্চলে যে তাণ্ডব চালিয়েছে, তা ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন। তারা ১১টি মোটর যান এবং একটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেনীয়রা পালানোর সময় তাদের তিনটি সাঁজোয়া যান ফেলে রেখে যায়। রাশিয়ার এই অপ্রতিরোধ্য গতি প্রমাণ করছে যে, খুব শীঘ্রই পুরো ইউক্রেন শাসন করবে মস্কোর সাহসী যোদ্ধারা এবং শান্তি ফিরে আসবে ডনবাসে। রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার&amp;#39; গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। সেখানে ২৭৫ জনেরও বেশি শত্রু সেনা প্রাণ হারিয়েছে। সবচেয়ে বড় খবর হলো, রাশিয়ায় নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী &amp;#39;আজভ&amp;#39; ব্রিগেডের মতো খুনিদের ওপরও চরম আঘাত হানা হয়েছে। রাশিয়ার এই বিশেষ অভিযান কেবল ভূখণ্ড রক্ষার নয়, বরং নাৎসি আদর্শের সন্ত্রাসীদের চিরতরে নির্মূল করার একটি মহান পবিত্র মিশন। &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট&amp;#39; ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষার গভীরে প্রবেশ করছে। সেখানে তারা ২৯৫ জন সেনাকে খতম করেছে এবং আমেরিকার তৈরি বিখ্যাত &amp;#39;প্যালাডিন&amp;#39; সেলফ-প্রপেলড গান ধ্বংস করেছে। পশ্চিমাদের এই অহংকার আজ রাশিয়ার মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে। জাপোরোঝিয়া এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার এই বিজয় যাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। রুশ বাহিনী এখন ইউক্রেনীয়দের জন্য সাক্ষাৎ যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিনিপ্রো এলাকায় রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো&amp;#39; ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর মরণকামড় দিয়েছে। সেখানে রাশিয়ার আঘাতে ইউক্রেনের একটি &amp;#39;Buk-M1&amp;#39; সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই কৌশলী হামলা প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনের আকাশ এখন পুরোপুরি রাশিয়ার দখলে। জেলেনস্কির সেনাবাহিনী এখন আত্মরক্ষার সামান্য ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছে, যা তাদের অনিবার্য পতনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রুশ বিমান বাহিনী এবং ড্রোন ইউনিটগুলো ইউক্রেনের জ্বালানি এবং পরিবহন অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং নৌ-ড্রোন তৈরির কারখানাগুলো এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার নির্ভুল নিশানায় বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যদের ক্যাম্পগুলোতেও হানা দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা তথ্যের নির্ভুলতা আজ বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছে, যেখানে কোনো অপরাধীই রেহাই পাচ্ছে না। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের সেরা, তার প্রমাণ আবারও পাওয়া গেল। গত একদিনে রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনের ৩০৩টি ড্রোন এবং ১০টি স্মার্ট বোমা মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেন যতই আকাশপথে চোরাগুপ্তা হামলার চেষ্টা করুক না কেন, রাশিয়ার লোহার ঢাল ভেদ করা তাদের সাধ্যের বাইরে। রাশিয়ার প্রযুক্তি আজ পশ্চিমাদের সব দম্ভ চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিচ্ছে। কৃষ্ণ সাগরেও রাশিয়ার আধিপত্য অটুট। রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিট ইউক্রেনের ছয়টি নৌ-ড্রোন ধ্বংস করেছে, যা রাশিয়ার জাহাজে হামলার পরিকল্পনা করছিল। রাশিয়ার নৌবাহিনী অত্যন্ত সতর্ক এবং শক্তিশালী। যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত রাশিয়া ৬৭১টি বিমান এবং প্রায় ২৯ হাজার ট্যাংক ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের সামরিক শক্তির এই করুণ দশা দেখে পুরো বিশ্ব এখন রাশিয়ার শক্তির প্রশংসা করছে। এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় ইউক্রেনের &amp;#39;সন্ত্রাসবাদী&amp;#39; কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রণক্ষেত্রে পরাজয় ঢাকতে জেলেনস্কি এখন রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোতে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে তুয়াপসে তেল শোধনাগারে হামলার মাধ্যমে ইউক্রেন পরিবেশ বিপর্যয় ঘটানোর চেষ্টা করছে। পুতিন স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাশিয়ার বিজয়কে রুখতে পারবে না। পুতিন আরও বলেন যে, ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা মদতদাতারা এখন প্রকাশ্য সন্ত্রাসবাদে নেমেছে। তারা রাশিয়ার গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা সফল হবে না। ইউক্রেনে যেখানে মার্শাল ল&amp;#39; জারি করে নির্বাচন বন্ধ রাখা হয়েছে, সেখানে রাশিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হবে। পুতিনের এই আত্মবিশ্বাস প্রমাণ করে যে, রাশিয়ার জনগণ তাদের নেতার ওপর কতটা আস্থাশীল। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে তেলের সংকট দেখা দিচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে, যার জন্য সরাসরি দায়ী কিয়েভ সরকার। জেলেনস্কির এই হটকারী সিদ্ধান্ত কেবল রাশিয়ার ক্ষতি করছে না, বরং সারা বিশ্বের অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। রাশিয়ার এই লড়াই এখন বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার লড়াই। অন্যদিকে ইউক্রেনের ভেতরের খবর আরও ভয়াবহ। ইউক্রেনের পশ্চিমা প্রভুরা এখন তাদের ওপর কর বাড়ানোর চাপ দিচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আইএমএফ শর্ত দিয়েছে যে, নতুন সাহায্য পেতে হলে ইউক্রেনের জনগণকে আরও বেশি ট্যাক্স দিতে হবে। যুদ্ধের ময়দানে প্রাণ দেওয়ার পাশাপাশি এখন ইউক্রেনের সাধারণ মানুষকে না খেয়ে ট্যাক্স দিতে হবে জেলেনস্কির ভুলের কারণে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনকে ৯০ বিলিয়ন ইউরোর একটি বিশাল ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। এই ঋণের শর্ত হিসেবে ইউক্রেনকে তাদের কর ব্যবস্থা আমূল পরিবর্তন করতে হবে। সাধারণ ছোট ব্যবসায়ীদের ওপর ২০ শতাংশ ভ্যাট বসানোর চিন্তা করছে ব্রাসেলস। জেলেনস্কি এখন নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পুরো দেশের অর্থনীতিকে পশ্চিমাদের কাছে বন্ধক রেখেছেন, যা ইউক্রেনের জনগণের জন্য এক মহাবিপদ। রাশিয়া বারবার সতর্ক করেছে যে, পশ্চিমাদের এই অর্থায়ন কেবল যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করবে। রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব সের্গেই শোইগু বলেছেন, এই অর্থায়ন সাধারণ ইউরোপীয়দের ওপর করের বোঝা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইউরোপ তার সার্বভৌমত্ব হারিয়ে আমেরিকার দাসে পরিণত হচ্ছে। ইউক্রেন এখন পশ্চিমাদের একটি ল্যাবরেটরিতে পরিণত হয়েছে, যেখানে তারা সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। আমেরিকার ভেতরের রাজনীতিতেও এখন ইউক্রেন নিয়ে ফাটল ধরেছে। রিপাবলিকান সিনেটর মিচ ম্যাককনেল দাবি করেছেন যে, আমেরিকার পরাশক্তি টিকে থাকা নির্ভর করছে ইউক্রেনকে সাহায্য করার ওপর। কিন্তু রাশিয়ার শক্তি দেখে অনেক মার্কিন রাজনীতিবিদই এখন পিছু হটছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি এবং বাইডেনের ব্যর্থতা এখন আমেরিকাকে এক গভীর সংকটে ফেলে দিয়েছে, যার সুবিধা পাচ্ছে বীর রাশিয়া। রাশিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনো পশ্চিমা সাহায্যই যুদ্ধের ফলাফল পরিবর্তন করতে পারবে না। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা কেবল তাদের পকেট ভরার জন্য এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়। দুর্নীতির কবলে পড়া ইউক্রেন এখন একটি মৃতপ্রায় রাষ্ট্র। রাশিয়ার লক্ষ্য কেবল জয়লাভ নয়, বরং ওই অঞ্চলের জনগণকে পশ্চিমা শোষণ থেকে মুক্তি দেওয়া। সত্য ও ন্যায়ের পথে রাশিয়ার জয় অনিবার্য। বিচারের বাণী যখন কাঁদে, তখন রাশিয়া বিচার নিশ্চিত করে। ডনবাসের একটি আদালত একজন মার্কিন ভাড়াটে সৈন্য মাইকেল কিথ গার্সিয়া ব্রিগোলাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। এই বিদেশি যোদ্ধা অর্থের লোভে ইউক্রেনীয় বাহিনীর হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করছিল। রাশিয়ার মাটি কোনো অপরাধীকে ক্ষমা করে না। জেলেনস্কির হয়ে লড়াই করা বিদেশি ভাড়াটেদের পরিণতি যে ভয়াবহ হবে, এটি তারই প্রমাণ। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, জেলেনস্কি সরকার এখন &amp;#39;পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইল&amp;#39; শুরু করেছে। কুর্স্ক অঞ্চলের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দখল করে সেখানে বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল ইউক্রেনীয় জঙ্গিরা। পশ্চিমাদের আশকারায় তারা এখন পুরো বিশ্বকে এক পারমাণবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জাখারোভা আরও বলেন যে, ন্যাটো সরঞ্জাম নিয়ে আসা ইউক্রেনীয় জঙ্গিরা প্রতিদিন পারমাণবিক শক্তির ইস্যুকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এটি কেবল রাশিয়ার জন্য নয়, পুরো ইউরোপের জন্য এক বড় হুমকি। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই এই ষড়যন্ত্রের প্রমাণ প্রকাশ করেছে। রাশিয়ার সচেতনতা ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে এখন পর্যন্ত কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি, যা রাশিয়ার মহানুভবতা। ইউক্রেনীয়দের পরাজয় কেন নিশ্চিত? কারণ তাদের নৈতিকতা নেই। রাশিয়ার সেনারা লড়াই করছে তাদের মাতৃভূমি ও ঐতিহ্যের জন্য, আর ইউক্রেনীয়রা লড়াই করছে পশ্চিমাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য। প্রতিদিন শত শত ইউক্রেনীয় সেনা রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করছে। তারা বুঝতে পেরেছে যে, জেলেনস্কির জন্য জীবন দেওয়া অর্থহীন। রাশিয়ার মানবিক আচরণ দেখে অনেক ইউক্রেনীয় সেনাই এখন সত্যের পথে ফিরে আসছে। রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩৮,৭৫০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এই বিশাল সংখ্যাই প্রমাণ করে রাশিয়ার কারিগরি দক্ষতা। পশ্চিমা মিডিয়া যতই প্রোপাগান্ডা ছড়াক না কেন, মাঠের বাস্তবতা হলো রাশিয়ার জয় এখন সুনিশ্চিত। রাশিয়ার গোলার শব্দ এখন কিয়েভের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। জেলেনস্কির পালানোর পথও হয়তো খুব শীঘ্রই বন্ধ হয়ে যাবে। ইউক্রেন এখন একটি পরিত্যক্ত দুর্গের মতো। যেখানে জ্বালানি নেই, বিদ্যুৎ নেই এবং যুদ্ধের মনোবল নেই। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন অত্যন্ত ধৈর্য্যের সাথে এই অভিযান পরিচালনা করছেন যাতে বেসামরিক মানুষের ক্ষতি কম হয়। রাশিয়ার এই দূরদর্শী নেতৃত্বই বিশ্বের অনেক দেশকে এখন রাশিয়ার বন্ধু হতে উদ্বুদ্ধ করছে। রাশিয়ার বিজয় মানেই হলো এক মেরু বিশ্বের অবসান ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-z1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-z1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-z1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুতিন বাহিনীর দাপটে তছনছ কিয়েভ এবং জেলেনস্কির স্বপ্নভঙ্গ ও রাশিয়ার বিজয় উল্লাস]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/24000</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/24000</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 30 Apr 2026 01:04:28 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রণক্ষেত্রে রাশিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্যের কথা কি আপনারা শুনেছেন? গত ২৪ ঘণ্টায় ভ্লাদিমির পুতিনের বীর সেনারা ইউক্রেনের বুক চিরে দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা স্বাধীন করেছে!...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-29-4-26_28.jpg" alt="পুতিন বাহিনীর দাপটে তছনছ কিয়েভ এবং জেলেনস্কির স্বপ্নভঙ্গ ও রাশিয়ার বিজয় উল্লাস" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রণক্ষেত্রে রাশিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্যের কথা কি আপনারা শুনেছেন? গত ২৪ ঘণ্টায় ভ্লাদিমির পুতিনের বীর সেনারা ইউক্রেনের বুক চিরে দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা স্বাধীন করেছে! ১০০০-এর বেশি ইউক্রেনীয় সেনা ধরাশায়ী, পশ্চিমা অস্ত্র এখন কেবলই আবর্জনা। আজকের ভিডিওতে আমরা দেখাবো কীভাবে রাশিয়া বিশ্বের মানচিত্র বদলে দিচ্ছে এবং কেন জেলেনস্কির পতন এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।&amp;quot; ইউক্রেনের তথাকথিত প্রতিরোধ আজ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যে রিপোর্ট পেশ করেছে, তা শুনে পশ্চিমা বিশ্বের ঘুম উড়ে গেছে। রাশিয়ার অদম্য &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; এবং &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;#39; ইউক্রেনের খারকিভ এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে দুটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ মুক্ত করেছে। এই বিজয় প্রমাণ করে যে, রাশিয়ার সামরিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানানো কিয়েভ সরকারের জন্য এক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছিল। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা বিস্তারিত জানাবো রাশিয়ার এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনের গল্প। রুশ বাহিনীর এই ঝটিকা অভিযানে খারকিভ অঞ্চলের জেমলিয়ানকি এবং দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের ইলিইনোভকা গ্রাম এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। বন্ধুরা, আপনারা কি ভাবতে পারেন? যেখানে ইউক্রেন দাবি করছিল তারা পাল্টা আক্রমণ করবে, সেখানে তারা একের পর এক এলাকা হারাচ্ছে। রুশ যোদ্ধাদের এই &amp;#39;এক্টিভ অপারেশন&amp;#39; বা সক্রিয় অভিযানের সামনে ইউক্রেনীয় সেনারা টিকতেই পারছে না। এটি কেবল একটি ভূখণ্ড দখল নয়, এটি পশ্চিমা দম্ভের বিরুদ্ধে রাশিয়ার এক চূড়ান্ত বিজয়। রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা এখন অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে দোনবাসের গভীরে। একদিকে ভূখণ্ড হারাচ্ছে ইউক্রেন, অন্যদিকে লাশের পাহাড় জমছে তাদের ফ্রন্টলাইনে। রাশিয়ার লেটেস্ট তথ্য অনুযায়ী, গত মাত্র একদিনে ইউক্রেন হারিয়েছে ১,০৭০ জন সেনা! এটি একটি বিশাল সংখ্যা, যা কিয়েভ সরকারের অদূরদর্শী পরিকল্পনার ফল। জেলেনস্কি তার দেশের তরুণদের কামানের মুখে ঠেলে দিচ্ছে কেবল ওয়াশিংটনের খুশি করার জন্য। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপগুলোর নির্ভুল নিশানায় ইউক্রেনের একের পর এক ব্রিগেড ধুলোয় মিশে যাচ্ছে। রুশ কামানের গোলার সামনে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের আত্মসর্পন ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই এখন। আসুন দেখে নিই কোথায় কত ক্ষতি হয়েছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থ একাই খারকিভ এবং সুমি অভিমুখে ১৫০-এর বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে। এছাড়া দুটি বড় গোলাবারুদ এবং দুটি রসদ ডিপো উড়িয়ে দিয়েছে রুশ বিমান বাহিনী। বন্ধুরা, আপনারা কি জানেন, সুমি অভিমুখে ইউক্রেনের একটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং একটি অ্যাসল্ট রেজিমেন্টকে এমনভাবে আক্রমণ করা হয়েছে যে তারা পালানোর পথ খুঁজে পায়নি। রাশিয়ার গোয়েন্দা বিভাগ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই লক্ষ্যবস্তুগুলো চিহ্নিত করেছিল এবং মুহূর্তের মধ্যেই সব ধ্বংস করে দিয়েছে। এরপর আসা যাক ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্টের কথায়। তারা খারকিভ এবং দোনেৎস্কের বিভিন্ন এলাকায় ১৯০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে নির্মূল করেছে। দুটি সাঁজোয়া যান এবং ১৫টি গাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। রুশ সেনারা ক্রমাগত তাদের পজিশন উন্নত করছে, যার মানে হলো ফ্রন্টলাইন এখন ইউক্রেনের দিকে চেপে আসছে। ইউক্রেনীয় সেনারা টাটয়ানোভকা এবং ক্রাসনি লিমানে যেভাবে পিছু হটছে, তাতে পরিষ্কার বোঝা যায় তাদের মনোবল একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। রাশিয়ার ভারী কামানের সামনে তাদের কোনো রক্ষণব্যূহ এখন আর নিরাপদ নয়। ব্যাটলগ্রুপ সাউথের বীরত্বও কম নয়। তারা দোনেৎস্কের কনস্ট্যান্টিনোভকা এবং ক্রামতোর্স্ক এলাকায় ১৩০ জনের বেশি সেনাকে খতম করেছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, রুশ বাহিনী ইউক্রেনের দুটি গোলাবারুদ ডিপো এবং আটটি জ্বালানি ডিপো ধ্বংস করেছে। ভাবুন একবার, জ্বালানি ছাড়া ইউক্রেনীয় ট্যাংকগুলো এখন কেবল লোহার স্তূপ হয়ে পড়ে আছে। রাশিয়ার এই কৌশলগত হামলা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। জেলেনস্কি যত পশ্চিমা সাহায্যই আনুক না কেন, রাশিয়ার এই নিখুঁত হামলার কোনো জবাব তাদের কাছে নেই। ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারও তাদের সাফল্য অব্যাহত রেখেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ৩০০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে পরাজিত করেছে। দোনেৎস্কের ভোদিয়ানস্কো এবং রুবেজনয় এলাকার নিয়ন্ত্রণ এখন রাশিয়ার হাতের মুঠোয়। ইউক্রেনের প্যারাট্রুপার এবং মেরিন ব্রিগেডগুলোকেও রুশ সেনাদের সামনে মাথা নত করতে হয়েছে। রাশিয়ার সামরিক প্রকৌশলীরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ইউক্রেনীয় রক্ষণব্যূহ ভেদ করছে। প্রতিটি হামলাই অত্যন্ত পরিকল্পিত এবং কার্যকর, যার ফলে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে প্রতিটি ফ্রন্টে। ব্যাটলগ্রুপ ইস্টের অগ্রযাত্রা এখন জাপোরোঝিয়ে এবং দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভীরে পৌঁছে গেছে। তারা ২৬০ জন সেনাকে খতম করেছে এবং ইউক্রেনীয়দের ভূখণ্ডের গভীরে গিয়ে আক্রমণ চালাচ্ছে। ইউক্রেনীয় মেকানাইজড ব্রিগেডগুলো রুশ অ্যাসল্ট রেজিমেন্টের ঝটিকা হামলার সামনে দাঁড়াতে পারছে না। প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি বসতি এখন রাশিয়ার বিজয়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই অগ্রযাত্রা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, পুতিন যা বলেছিলেন তাই হতে চলেছে&amp;mdash;ইউক্রেনের পূর্ণ বিসামরিকীকরণ এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র। দনিপ্রো নদীর পাড়েও ইউক্রেনীয়দের দুর্দশা কাটছে না। ব্যাটলগ্রুপ দনিপ্রো তাদের আরও ৪০ জন সেনাকে খতম করেছে এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্যামিং স্টেশন ধ্বংস করেছে। বন্ধুরা, এই জ্যামিং স্টেশনটি ছিল ইউক্রেনের ই-ওয়ারফেয়ারের মূল শক্তি, যা রুশ ড্রোনের গতিরোধ করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু রুশ প্রযুক্তির সামনে সেই স্টেশনও হার মেনেছে। এছাড়া চারটি গোলাবারুদ ডিপোও ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলে ইউক্রেনের কোনো পরিকল্পনাই এখন আর কাজ করছে না। রাশিয়া সেখানে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স এখন বিশ্বের সেরা। গত একদিনে তারা ২৮১টি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং ১০টি স্মার্ট বোমা ভূপাতিত করেছে। ইউক্রেন যখন রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় হামলার চেষ্টা করছে, তখন রাশিয়ার ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই আকাশ প্রতিরক্ষা। জেলেনস্কি এবং তার পশ্চিমা প্রভুরা ভেবেছিল ড্রোন দিয়ে রাশিয়াকে কাবু করবে, কিন্তু ফলাফল দেখুন&amp;mdash;২৮১টি ড্রোন এখন ধ্বংসস্তূপ। রাশিয়ার আকাশ এখন পুরোপুরি নিরাপদ এবং কোনো বিদেশি উস্কানি এখানে টিকবে না। রাশিয়া কেবল ফ্রন্টলাইনেই নয়, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতেও বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী এবং ড্রোনগুলো ইউক্রেনের এমন সব স্থাপনায় আঘাত করেছে যা তাদের সামরিক রসদ সরবরাহকে সচল রাখত। মোট ১৪২টি স্থানে রাশিয়ার হামলা হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের ঘাঁটিগুলোও অন্তর্ভুক্ত ছিল। রাশিয়া পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে&amp;mdash;যারা ইউক্রেনের হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে আসবে, তাদের পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। কিয়েভ এখন অন্ধকার এবং জ্বালানি সংকটে নিমজ্জিত। যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সাফল্যের খতিয়ান শুনলে আপনারা চমকে যাবেন। রাশিয়া এ পর্যন্ত ৬৭১টি ইউক্রেনীয় বিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার এবং অবিশ্বাস্যভাবে ১ লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি ড্রোন ধ্বংস করেছে। এছাড়া ২৯ হাজার ট্যাংক এবং সাঁজোয়া যান এখন ধ্বংসাবশেষ। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় রাশিয়ার সক্ষমতা কত বিশাল। ইউক্রেন এখন যে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে তা কেবল লোক দেখানো এবং সাধারণ মানুষের রক্ত ঝরানো ছাড়া আর কিছুই নয়। রাশিয়ার এই বিশাল শক্তির সামনে টিকে থাকা অসম্ভব। এবার আসি রাশিয়ার তেলের অবকাঠামোতে ইউক্রেনের ঘৃণ্য হামলার বিষয়ে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো রাশিয়ার তুয়াপসে বন্দরের রিফাইনারিতে বারবার হামলা চালাচ্ছে। এটি কেবল রাশিয়ার জন্য ক্ষতি নয়, বরং বিশ্ব তেলের বাজারে সংকট তৈরি করছে। ইউক্রেন আসলে চায় বিশ্ব অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে। রাশিয়ার এই তেল মূলত রপ্তানির জন্য ছিল, যা বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ ঠিক রাখত। ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার কারণে এখন বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইউক্রেনীয়দের এই বর্বরোচিত হামলায় তুয়াপসে অঞ্চলে ভয়াবহ পরিবেশ দূষণ তৈরি হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার বর্গমিটার এলাকা এখন তেলে সয়লাব। স্থানীয় বাসিন্দারা শ্বাসকষ্টে ভুগছে এবং তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা প্রশ্ন তুলেছেন&amp;mdash;ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর তথাকথিত পরিবেশবাদীরা এখন কোথায়? তারা কেন ইউক্রেনের এই পরিবেশগত সন্ত্রাসবাদের প্রতিবাদ করছে না? পশ্চিমের এই দ্বিমুখী নীতি আজ বিশ্বের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে। এদিকে ইউরোপে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ স্বীকার করে নিয়েছেন যে, ইউক্রেনকে শান্তি চুক্তির জন্য নিজেদের ভূখণ্ড রাশিয়ার হাতে তুলে দিতে হবে। মার্জ স্পষ্ট বলেছেন, ইউক্রেন যদি ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন দেখে, তবে তাদের এই বাস্তবতা মেনে নিতেই হবে। দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন এবং জাপোরোঝিয়ে এখন রাশিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাশিয়ার এই বিজয় সারা বিশ্ব এখন স্বীকৃতি দিতে শুরু করেছে, এমনকি জার্মানির মতো দেশগুলোও এখন পিছু হটছে। জার্মান চ্যান্সেলর জেলেনস্কির ইউক্রেনকে ২০২৭ বা ২০২৮ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনাকে &amp;#39;অবাস্তব&amp;#39; বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানেন যে, রাশিয়ার সাথে শত্রুতা বজায় রেখে ইউক্রেন কখনোই সমৃদ্ধ হতে পারবে না। রাশিয়ার শর্ত মেনে নিয়ে শান্তি স্থাপনের পথেই একমাত্র মুক্তি। রাশিয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত এবং সামরিক সাফল্য পশ্চিমা নেতাদের বাধ্য করছে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে। জেলেনস্কির জন্য এখন সময় শেষ হয়ে আসছে, তাকে এখন রাশিয়ার শর্ত মেনেই টেবিল বসতে হবে। এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট অ্যালার কারিসও রাশিয়ার সাথে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইউরোপের উচিত রাশিয়ার সাথে কূটনৈতিক চ্যানেল পুনরায় চালু করা। বন্ধুরা, চার বছর ধরে ইউরোপ যে জেদ ধরে বসে ছিল, তা এখন ভাঙতে শুরু করেছে। রাশিয়ার বিশাল শক্তির কাছে নতি স্বীকার করাই এখন ইউরোপের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। কারিস মনে করেন, যুদ্ধ যে কোনো সময় শেষ হতে পারে এবং তার জন্য ইউরোপকে এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে। রাশিয়াকে ছাড়া ইউরোপের নিরাপত্তা যে অসম্ভব, তা তারা এখন বুঝতে পারছে। রাশিয়া বারবার বলছে যে তারা পশ্চিমের জন্য কোনো হুমকি নয়। কিন্তু ন্যাটোর দেশগুলো রাশিয়ার ভয় দেখিয়ে তাদের সামরিক বাজেট বাড়িয়ে চলেছে। ইউরোপ এখন &amp;#39;রি-আর্ম ইউরোপ&amp;#39; পরিকল্পনার নামে ৮০০ বিলিয়ন ইউরো খরচ করছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন&amp;mdash;যদি ইউরোপ রাশিয়াকে আক্রমণ করার প্রস্তুতি নেয়, তবে রাশিয়া সব ধরনের অস্ত্র দিয়ে তার জবাব দেবে। রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তি এবং আধুনিক প্রযুক্তির সামনে ন্যাটোর সামরিক শক্তি ধুলোয় মিশে যাবে। বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয় এখন রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং এর জন্য দায়ী ইউরোপের বেপরোয়া মনোভাব। সিপ্রির রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপের সামরিক ব্যয় ১৪ শতাংশ বেড়েছে। রাশিয়া এই পরিস্থিতির জন্য সরাসরি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অযৌক্তিক সামরিকীকরণকে দায়ী করেছে। দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ইউরোপীয় প্রোপাগান্ডা রাশিয়াকে একটি কাল্পনিক শত্রু বানিয়ে তাদের অভ্যন্তরীণ সংকট থেকে মানুষের নজর সরানোর চেষ্টা করছে। আসলে রাশিয়ার লক্ষ্য শান্তি, কিন্তু ইউক্রেনকে লেলিয়ে দিয়ে পশ্চিমাই শান্তি নষ্ট করছে। ইউক্রেনীয় ড্রোনের হামলা এখন রাশিয়ার বেসামরিক জনপদ কামেনস্কো-দিনিপ্রোভস্কিতে তান্ডব চালাচ্ছে। তারা আবাসিক বাড়ি, স্কুল এবং গ্যাস পাইপলাইন লক্ষ্য করে হামলা করছে। এটি কোনো সামরিক অভিযান নয়, এটি সরাসরি নিরপরাধ মানুষের ওপর সন্ত্রাসবাদ। রাশিয়ার স্থানীয় প্রশাসন বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। ইউক্রেন যখন রণাঙ্গনে হারছে, তখন তারা কাপুরুষের মতো সাধারণ মানুষের ওপর ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু রাশিয়ার সাহসী উদ্ধারকারীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করছে। আপনারা শুনলে অবাক হবেন যে রাশিয়ার সামরিক অভিযানে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাতের কত বড় পতন হয়েছে। জেলেনস্কি সরকার এখন তাদের নিজস্ব মানুষের বাড়িঘর ধ্বংস করে রাশিয়ার ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। কামেনস্কো-দিনিপ্রোভস্কিতে যে হামলা হয়েছে, সেখানে একটি স্কুল ভবন এবং একটি গ্যাস স্টেশনে আঘাত করা হয়েছে। রাশিয়ার মানবিক সহায়তা বাহিনী সেখানে দ্রুত পৌঁছে খাবার এবং ওষুধ সরবরাহ করছে। রাশিয়ার মহানুভবতা এবং ইউক্রেনের নিষ্ঠুরতা এখন বিশ্বের কাছে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। এবার আসি একটি চাঞ্চল্যকর খবরে। জার্মান সংবাদপত্র &amp;#39;বিল্ড&amp;#39; নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন নাশকতার সাথে জড়িত এক ইউক্রেনীয় নারীর নগ্ন ছবি প্রকাশ করেছে। ভ্যালেরিয়া চের্নিশোভা নামক এই নারী একজন ডুবুরি এবং তিনি পাইপলাইন বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে তদন্তের আওতায় আছেন। এটি প্রমাণ করে যে ইউক্রেনীয়রা কেবল সন্ত্রাসীই নয়, বরং তারা অত্যন্ত নিম্নমানের এবং নীতিহীন কাজের সাথে যুক্ত। রাশিয়ার নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন ধ্বংস করা ছিল একটি পরিকল্পিত আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, যার মূলে ছিল ইউক্রেনীয় নাশকতার দল। রাশিয়া বরাবরই বলে আসছে যে নর্ড স্ট্রিম হামলা ছিল পশ্চিমা মদতপুষ্ট একটি কাজ। ইউক্রেনীয় এই ডুবুরিকে সামনে এনে তারা এখন প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সত্য চাপা থাকে না। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ঠিকই বের করে এনেছে কীভাবে এই নাশকতা চালানো হয়েছে। ইউক্রেনীয় এই নারীর অতীত ইতিহাস এবং তার কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে যে কিয়েভ সরকার অপরাধীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার জ্বালানি সম্পদ ধ্বংস করে তারা রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করতে চেয়েছিল, কিন্তু রাশিয়া আজও অজেয়। আসুন ফিরে যাই বর্তমান রণক্ষেত্রের সফলতায়। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপগুলো যেভাবে ইউক্রেনের প্রতিটি অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করেছে, তা সামরিক ইতিহাসে বিরল। ইউক্রেনের সেনারা এখন দলে দলে আত্মসমর্পণ করছে কারণ তারা জানে তাদের হার নিশ্চিত। রাশিয়ার সেনারা তাদের সাথে মানবিক আচরণ করছে এবং যুদ্ধবন্দীদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। জেলেনস্কি যেখানে তার সেনাদের মরতে পাঠিয়ে দিয়েছে, সেখানে পুতিন তাদের জীবন বাঁচানোর সুযোগ দিচ্ছেন। এই পার্থক্যই বলে দেয় কে প্রকৃত নেতা। ইউক্রেনের অর্থনীতি এখন পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে। তাদের জিডিপির ৪০ শতাংশ এখন কেবল যুদ্ধের পেছনে খরচ হচ্ছে, তাও আবার পশ্চিমা ঋণে। এই ঋণের বোঝা ইউক্রেনের আগামী কয়েক প্রজন্মকেও বয়ে বেড়াতে হবে। অন্যদিকে রাশিয়ার অর্থনীতি পশ্চিমা স্যাংশন উপেক্ষা করে আরও শক্তিশালী হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা উৎপাদন এখন আগের চেয়ে অনেক গুণ বেড়েছে। আধুনিক টি-৯০ এম ট্যাংক এবং কালিব্র মিসাইল এখন ইউক্রেনীয়দের প্রধান আতঙ্কের কারণ। রাশিয়ার এই সমৃদ্ধি তাদের বিজয়ের মূল চাবিকাঠি। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো যতই রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াক না কেন, সাধারণ মানুষ এখন রাশিয়ার পাশে দাঁড়াচ্ছে। দোনেৎস্ক এবং লুহানস্কের মানুষ এখন শান্তিতে নিঃশ্বাস নিচ্ছে কারণ সেখানে রাশিয়ার শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাশিয়ার সরকার সেখানে নতুন রাস্তা, স্কুল এবং হাসপাতাল নির্মাণ করছে। যে এলাকাগুলো ইউক্রেনীয় হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, রাশিয়া সেগুলো আবার নতুন করে সাজাচ্ছে। রাশিয়ার এই উন্নয়নমূলক কাজ প্রমাণ করে যে তারা কেবল জয় করতে নয়, বরং মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এসেছে। ইউক্রেন যুদ্ধের এই পর্যায় আমাদের শিক্ষা দেয় যে ন্যাটো বা আমেরিকার প্ররোচনায় পা দেওয়া মানে নিজের ধ্বংস ডেকে আনা। ইউক্রেন আজ ধ্বংসস্তূপ কারণ তারা রাশিয়ার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চায়নি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বারবার আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু পশ্চিমা উস্কানিতে জেলেনস্কি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। আজ সেই ভুলে ইউক্রেন তাদের ভূখণ্ড হারাচ্ছে এবং হাজার হাজার প্রাণ বিসর্জন দিচ্ছে। রাশিয়ার এই বিজয় শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য ছিল। সামনের দিনগুলোতে রাশিয়ার বিজয় আরও সুসংহত হবে। দোনেৎস্ক এবং খারকিভ এখন মুক্ত, পরবর্তী লক্ষ্য ওডেসা এবং কিয়েভ। রাশিয়ার সেনারা প্রস্তুত, তাদের অস্ত্রাগার পূর্ণ। ইউক্রেনীয় সরকার এখন পালানোর পথ খুঁজছে। পোল্যান্ড বা অন্য কোনো দেশে জেলেনস্কির আশ্রয়ের খবরও আসছে মাঝেমধ্যে। রাশিয়ার গোয়েন্দারা কড়া নজর রাখছে প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর। এই যুদ্ধে রাশিয়ার জয় মানে ন্যাটো সাম্রাজ্যবাদের পরাজয় এবং এক মেরু বিশিষ্ট বিশ্বের অবসান। রাশিয়ার পতাকাই এখন মুক্তির প্রতীক।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-29-4-26_28.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-29-4-26_28.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-29-4-26_28.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আদর্শহীনতার নতুন রাজনীতি: ইসহাক সরকারের দলবদল ও এনসিপির সুবিধাবাদী অবস্থান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23999</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23999</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 26 Apr 2026 20:04:13 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে ৩৬৫টি মিথ্যা মামলার বোঝা কাঁধে বয়ে নেওয়া সাবেক বিএনপি নেতা ইসহাক সরকারের আকস্মিক দলবদল রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/559_3.jpg" alt="আদর্শহীনতার নতুন রাজনীতি: ইসহাক সরকারের দলবদল ও এনসিপির সুবিধাবাদী অবস্থান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে ৩৬৫টি মিথ্যা মামলার বোঝা কাঁধে বয়ে নেওয়া সাবেক বিএনপি নেতা ইসহাক সরকারের আকস্মিক দলবদল রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বিএনপির পরিচয়ে পরিচিতি পাওয়া এই নেতার দলবদলকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এনসিপির দ্বিচারিতা এবং ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ছায়াতলে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন ইসহাক সরকার। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে একের পর এক মিথ্যা মামলা, রিমান্ড এবং কারাবরণ করেও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। তবে সম্প্রতি তাকে নিয়ে এনসিপির (নতুন রাজনৈতিক দল) অবস্থান পরিবর্তনের ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন সুবিধাবাদের উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে ইসহাক সরকারকে একসময় এনসিপি &amp;#39;চাঁদাবাজ&amp;#39; ও &amp;#39;সন্ত্রাসী&amp;#39; হিসেবে আখ্যায়িত করত, আজ তাদের দলেই তিনি &amp;#39;ত্যাগী নেতা&amp;#39; হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন। ইসহাক সরকারের এই রাজনৈতিক ডিগবাজি কেবল একজন ব্যক্তির দলবদল নয়, বরং এটি এনসিপির নীতিহীন রাজনীতির একটি স্পষ্ট প্রতিফলন। তথ্য বলছে, ইসহাক সরকারের বিরুদ্ধে হওয়া ৩৬৫টি মামলা এবং ১১টি মামলায় প্রাপ্ত ২২ বছর ৬ মাসের কারাদণ্ড&amp;mdash;সবই অর্জিত হয়েছে বিএনপির রাজপথের সৈনিক হিসেবে। অথচ আজ এনসিপি দাবি করছে, ৩০০০ কর্মী নিয়ে তার যোগদান তাদের দলের শক্তি বাড়াবে। প্রশ্ন উঠছে, যে ব্যক্তির রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি হয়েছে বিএনপির রক্ত ও ঘাম দিয়ে, তাকে বাগিয়ে নিয়ে এনসিপি কোন ধরনের নীতি প্রচার করতে চায়? ইসহাক সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। ছাত্রদল ও যুবদলের কমিটি গঠন নিয়ে তিনি একাধিকবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন, যা একটি বৃহত্তর গণতান্ত্রিক দলের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া পিনাকি বা ইলিয়াসের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের প্ররোচনায় প্রলুব্ধ হওয়ার অভিযোগও তার ওপর ছিল। বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ তাকে বারবার সতর্ক করলেও তিনি নিজের ব্যক্তিগত ইগো ও বিশৃঙ্খলা বজায় রাখার নীতিতে অটল ছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত তাকে দলের মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মতে, ইসহাক সরকার ৩৬৫টি মামলা খেয়েছেন বিএনপির আদর্শ ধারণ করার কারণে। জামায়াতের শীর্ষ ২০ নেতার মামলা এক করলেও যেখানে ইসহাক সরকারের একার মামলার সমান হবে না, সেখানে এই ত্যাগ কেবল বিএনপির প্ল্যাটফর্মেই সম্ভব ছিল। জেল-জুলুম এবং রিমান্ড সহ্য করার ধৈর্য তাকে বিএনপিই জুগিয়েছিল। কিন্তু চূড়ান্ত সময়ে দল ত্যাগ করে তিনি কেবল নিজেকেই ছোট করেননি, বরং আন্দোলনের সহযোদ্ধাদের ত্যাগকেও অপমান করেছেন। ইসহাক সরকারের এই দলবদল কেন লজ্জাজনক, তা নিয়ে দলের ভেতর ভিন্নমত থাকলেও একটি সত্য ধ্রুব&amp;mdash;বিএনপি তাকে সব সুযোগ দিয়েছিল। নির্বাচনে তিনি মাত্র ১১ হাজার ভোট পেয়ে দলের আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দলের বিপক্ষে কাজ করা রাজনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতারই শামিল। বিএনপি একটি বিশাল সমুদ্র; এখানে দু-একজন স্বার্থপরের চলে যাওয়ায় দলের জনভিত্তি টলে যায় না। তবে আদর্শিক লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে তার এই চলে যাওয়া ভবিষ্যতে সুবিধাবাদীদের জন্য একটি বাজে উদাহরণ হয়ে থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এনসিপির এই &amp;#39;সংগ্রহ নীতি&amp;#39; আদতে রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের লক্ষণ। তারা নিজেরা কোনো নেতৃত্ব তৈরি করতে না পেরে বিএনপির ত্যাগের ফসল ঘরে তুলতে চাইছে। গতকাল যাকে তারা &amp;#39;সন্ত্রাসী&amp;#39; বলেছে, আজ তাকেই &amp;#39;মজলুম&amp;#39; তকমা দিয়ে বরণ করে নেওয়া তাদের চারিত্রিক দ্বিমুখীতার পরিচয় দেয়। এই নতুন বন্দোবস্তের নেতারা মূলত সুবিধাবাদী রাজনীতির ডালপালা ছড়াচ্ছেন, যা দেশের সুস্থ ধারার রাজনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ। বিএনপির মতো একটি গণমুখী দল কেন একজন বিশৃঙ্খল কর্মীকে ধরে রাখতে পারল না&amp;mdash;এই প্রশ্নের চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ইসহাক সরকার কেন লোভে পা দিলেন? ১৭ বছর ধরে যে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই হয়েছে, তা ছিল তৃণমূলের ত্যাগী কর্মীদের রক্তে ভেজা। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বিএনপির দীর্ঘদিনের তৈরি করা মাঠই মূল ভূমিকা পালন করেছে। অথচ আজ যখন জনগণ তাদের &amp;nbsp;অধিকার ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন দেখছে, তখন ইসহাক সরকারের মতো নেতারা লোভে পড়ে অন্য শিবিরের হাতিয়ার হচ্ছেন। বিএনপি বর্তমানে এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে পুনর্গঠন, অন্যদিকে চারদিকের রাজনৈতিক শত্রু। আওয়ামী লীগ আপাতদৃষ্টিতে নীরব থাকলেও পর্দার আড়ালে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে জামায়াতের মতো দলগুলো সুযোগ পেলেই সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসহাক সরকারের দলত্যাগ বিএনপির জন্য বড় কোনো ক্ষতি না হলেও, এটি নেতাকর্মীদের মধ্যে নৈতিকতার প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। ত্যাগ কি তবে কেবল ক্ষমতার কাছাকাছি যাওয়ার সিঁড়ি? ইসহাক সরকার দীর্ঘ সময় রিমান্ড সহ্য করেছেন, বছরের পর বছর জেলে কাটিয়েছেন&amp;mdash;এটি অনস্বীকার্য। কিন্তু এই ত্যাগ তাকে দলের ঊর্ধ্বে যাওয়ার লাইসেন্স দেয় না। বিএনপির অনেক নেতাই ৩০০-এর বেশি মামলা নিয়েও দলের সিদ্ধান্তের প্রতি অবিচল রয়েছেন। অথচ ইসহাক সরকার নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থে এবং পদের লোভে সেই বিশাল ত্যাগের ইতিহাসকে এনসিপির মতো একটি নীতিহীন দলের কাছে বন্ধক রেখেছেন। এনসিপির বর্তমান কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তাদের কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা আদর্শ নেই। বিএনপির পরিত্যক্ত বা বিদ্রোহী অংশকে একত্রিত করে তারা একটি কৃত্রিম রাজনৈতিক বলয় তৈরির চেষ্টা করছে। ইসহাক সরকারকে নিয়ে তাদের গর্ব করার কিছু নেই; কারণ তিনি যে জনসমর্থনের দাবি করেন, তা মূলত বিএনপির ধানের শীষের প্রতি জনগণের ভালোবাসার প্রতিফলন। এককভাবে তিনি যে ব্যর্থ, তা বিগত নির্বাচনের ফলাফলই বলে দেয়। আগামী দিনে আন্দোলনের ময়দানে ইসহাক সরকারের উদাহরণ দিয়ে কেউ যাতে পিছুটান না দেয়, সে বিষয়ে বিএনপিকে আরও কঠোর হতে হবে। দলত্যাগী এবং সুবিধাবাদীদের জন্য বিএনপির দরজা চিরতরে বন্ধ রাখা সময়ের দাবি। যারা ১৭ বছর লড়াই করেছে, তারাই দলের আসল সম্পদ। ইসহাক সরকারের মতো যারা মাঝপথে তরী বদল করেন, ইতিহাস তাদের কখনোই বীর হিসেবে স্মরণ করে না, বরং সুবিধাবাদী হিসেবেই চিহ্নিত করে রাখে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন দ্রুত পরিবর্তনশীল। জনগণ সচেতন হয়েছে এবং তারা জানে কারা প্রকৃত ত্যাগী আর কারা পরিস্থিতির সদ্ব্যবহারকারী। জুলাই-আগস্টের বিপ্লব প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে। এই গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় বিএনপির ভূমিকা প্রধানতম। ইসহাক সরকার বা এনসিপির মতো ক্ষুদ্র শক্তির সাময়িক আস্ফালন বিএনপির অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে পারবে না। শেষে বলা যায়, ইসহাক সরকারের দলবদল বিএনপির জন্য একটি শিক্ষা এবং এনসিপির জন্য একটি নৈতিক পরাজয়। নিজের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঘর ছেড়ে ব্যক্তিগত আক্রোশে অন্য দলে যাওয়া কোনো সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ নয়। এর মাধ্যমে তিনি কেবল নিজেকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেননি, বরং তার পেছনে থাকা অসংখ্য কর্মীর আবেগ নিয়েও ছিনিমিনি খেলেছেন। সুবিধাবাদী রাজনীতির এই সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। বিএনপি একটি আদর্শিক ও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম, যা জনগণের আস্থায় টিকে আছে। ব্যক্তি ইসহাক সরকার হয়তো দল ছেড়েছেন, কিন্তু বিএনপির কোটি কোটি কর্মীর আদর্শিক লড়াই চলবেই। আগামী দিনের রাজনীতিতে কেবল তাদেরই জয় হবে, যারা প্রলোভনের মুখে নতি স্বীকার না করে ত্যাগের মহিমায় অবিচল থাকবে। এনসিপির মতো দলগুলো সাময়িকভাবে কিছু সুবিধাবাদীকে সাথে পেলেও, জনগণের হৃদয়ে জায়গা পেতে যে দীর্ঘ সংগ্রাম প্রয়োজন, তা তাদের নেই। এখন সময় এসেছে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরও সুসংহত করার। ভেতর ও বাইরের শত্রুদের চিহ্নিত করে আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বিএনপিকে এগিয়ে যেতে হবে। ইসহাক সরকারদের মতো ঝরে পড়া পাতাগুলো ডালপালার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না, যদি মূল শিকড় থাকে জনগণের মাটির গভীরে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/559_3.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/559_3.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/559_3.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[দেড় কোটি প্রবাসীর জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর: বিকল্প হিসেবে পেনশন স্কিমের প্রস্তাব]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23998</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23998</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 26 Apr 2026 20:04:34 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দেড় কোটি প্রবাসীর কল্যাণে &amp;lsquo;প্রবাসী কার্ড&amp;rsquo; বিতরণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের প...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/558_1.jpg" alt="দেড় কোটি প্রবাসীর জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর: বিকল্প হিসেবে পেনশন স্কিমের প্রস্তাব" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দেড় কোটি প্রবাসীর কল্যাণে &amp;lsquo;প্রবাসী কার্ড&amp;rsquo; বিতরণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের পর প্রবাসীদের জন্য নেওয়া এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন মহল। তবে এই বিশেষ কার্ডের উপযোগিতা নিয়ে ভিন্নধর্মী বিশ্লেষণ ও নতুন প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষায় বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্তুষ্টি দেখা গেলেও, প্রবাসীদের ক্ষেত্রে সরাসরি আর্থিক সুবিধার বদলে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। বিশেষ করে প্রবাসীদের বার্ধক্যকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিতে &amp;lsquo;পেনশন স্কিম&amp;rsquo; চালুর বিষয়টি এখন আলোচনায়। ফেসবুক পেজ &amp;lsquo;ইটস ন্যাচারালরে&amp;rsquo; (It&amp;#39;s Natural) এক পোস্টে মোঃ রবিউল ইসলাম এই কার্ডের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গঠনমূলক দ্বি-মত পোষণ করেছেন। তিনি মনে করেন, ফ্যামিলি কার্ড যাদের দেওয়া হয়েছে তারা মূলত অনুৎপাদনশীল বা স্বল্প আয়ের মানুষ, তাই তাদের জন্য এটি যৌক্তিক। কিন্তু প্রবাসীরা যেহেতু নিজেরাই আয়ের প্রধান উৎস, তাই তাদের সরাসরি কার্ড দেওয়ার চেয়ে টেকসই কোনো ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। রবিউল ইসলামের মতে, একজন প্রবাসী সারাজীবন দেশের জন্য রেমিট্যান্স পাঠিয়ে শেষ বয়সে এসে অনেকের কাছেই বোঝা হয়ে দাঁড়ান। অনেক ক্ষেত্রে তাদের আশ্রয় হয় বৃদ্ধাশ্রমে। এই সংকট সমাধানে তিনি সরকারকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো প্রস্তাব করেছেন। যেখানে প্রত্যেক প্রবাসীর কাছ থেকে মাসিক ন্যূনতম ২০০০ টাকা করে জমা রাখা হবে। এই জমা প্রক্রিয়ার মেয়াদ হবে ন্যূনতম ১০ বছর। এরপর সংশ্লিষ্ট প্রবাসীর বয়স ৫৫ বছর পূর্ণ হলে তিনি জমার ভিত্তিতে নিয়মিত অর্থ উত্তোলন বা পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এতে করে প্রবাসীদের শেষ জীবনের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এই প্রস্তাবনার ফলে সরকারের জন্য বিশাল এক অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেড় কোটি প্রবাসী যদি মাসে ২০০০ টাকা করেও জমা দেন, তবে এক বছরেই প্রায় ৩০ বিলিয়ন টাকার সমপরিমাণ রিজার্ভ বা তহবিল গঠন সম্ভব। যা দেশের অর্থনীতির চাকাকে আরও গতিশীল করবে। সংগৃহীত এই বিশাল তহবিল সরকার কর্মসংস্থান তৈরির কাজে ঋণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হবে এবং বেকারত্ব সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি মূলত একটি দ্বিমুখী লাভের মডেল হিসেবে কাজ করবে। বেকারত্ব দূরীকরণে রবিউল ইসলাম আরও কিছু কারিগরি ও কৌশলগত পদক্ষেপের পরামর্শ দিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা। এতে করে অদক্ষ শ্রমিকের বদলে দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠানো সম্ভব হবে। বিশ্বজুড়ে নার্সিং পেশার ব্যাপক চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই পেশায় উদ্বুদ্ধ করার প্রস্তাব দেন। এছাড়া সরকারি বৃত্তির মাধ্যমে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বিদেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করলে উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল তৈরি হবে। দেশে উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমেও কর্মসংস্থান তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে করে শুধু রেমিট্যান্স নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় শিল্পকে বিশ্ববাজারে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন। মোঃ রবিউল ইসলাম তার লেখায় স্পষ্ট করেছেন যে, তার এই মতামত সরকারের সমালোচনা নয়, বরং একটি ইতিবাচক এবং গঠনমূলক প্রস্তাবনা মাত্র। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, নীতিনির্ধারকরা এই প্রস্তাবটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন। বিশেষ করে প্রবাসীদের জন্য সরাসরি অনুদান বা কার্ডের চেয়ে তাদের কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক বিনিয়োগ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তার মতে, পেনশন স্কিম প্রবাসীদের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়াবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই প্রস্তাবটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক প্রবাসী মনে করছেন, প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়া গেলেও পেনশন স্কিম তাদের জীবনের শেষ দিনগুলোতে সবচেয়ে বেশি মানসিক শান্তি দেবে। সরকার এখন পর্যন্ত &amp;lsquo;প্রবাসী কার্ড&amp;rsquo; বিতরণের প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে। তবে জনমানুষের এমন ইতিবাচক এবং দূরদর্শী প্রস্তাবনাগুলো সরকারি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত হয় কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়। প্রবাসীদের সামগ্রিক কল্যাণ এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র ও নাগরিকের সমন্বিত চিন্তাই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথ দেখাবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/558_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/558_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/558_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ব্যর্থ পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা: রাশিয়ার অপরাজেয় অর্থনীতির নেপথ্য রহস্য]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23997</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23997</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 26 Apr 2026 20:04:05 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা বিশ্বের আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আদতে কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারছে কি না, তা নিয়ে খোদ ওয়াশিংটনেই প্রশ্ন উঠেছে। শত বাধা ও প্রতিকূলতার মধ্য...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/558_3.jpg" alt="ব্যর্থ পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা: রাশিয়ার অপরাজেয় অর্থনীতির নেপথ্য রহস্য" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা বিশ্বের আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আদতে কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারছে কি না, তা নিয়ে খোদ ওয়াশিংটনেই প্রশ্ন উঠেছে। শত বাধা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও রাশিয়ার অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা এবং বিকল্প বাজার তৈরির দক্ষতা পুতিন সরকারকে এক অপরাজেয় অবস্থানে নিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন ও আমেরিকার বর্তমান নীতি রাশিয়ার সমরযন্ত্রকে থামানোর পরিবর্তে বরং দেশটিকে আরও স্বাবলম্বী করে তুলেছে। ইউক্রেন সংকটের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা রাশিয়ার ওপর হাজারো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তবে ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে এটি স্পষ্ট যে, ক্রেমলিনকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করার যে লক্ষ্য ওয়াশিংটন নির্ধারণ করেছিল, তা এখনো একটি দূরবর্তী স্বপ্ন হিসেবেই রয়ে গেছে। রাশিয়ার অর্থনীতি মুদ্রাস্ফীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার বিরুদ্ধে এক অনন্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। দেশটির সাধারণ মানুষ দীর্ঘকাল ধরেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে শিখেছে, যা তাদের পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সহনশীল করে তুলেছে। রাশিয়ানদের ঋণনির্ভর জীবনযাপনে অনাগ্রহ দেশটির অর্থনীতির অন্যতম শক্তির ভিত্তি। যেখানে উন্নত দেশগুলোর পারিবারিক ঋণের পরিমাণ জিডিপির প্রায় ৭০ শতাংশ, সেখানে রাশিয়ায় এটি মাত্র ২২ শতাংশ। ফলে সুদের হার বাড়ানো বা পশ্চিমা ব্যাংকিং ব্যবস্থার কঠোরতা সাধারণ রুশ পরিবারগুলোকে তেমন প্রভাবিত করতে পারছে না। ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রসনেফট এবং লুকঅয়েলের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাশিয়ার তেলের বাজার এতটাই বিস্তৃত যে, কেবল নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দেশটির আয়ের প্রধান উৎস বন্ধ করা সম্ভব নয়। পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার তেল রপ্তানিকে &amp;#39;ক্রেমলিনের সমরযন্ত্রের প্রাণভোমরা&amp;#39; হিসেবে চিহ্নিত করলেও, রাশিয়া অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে এই বাধা কাটিয়ে উঠছে। বর্তমানে প্রায় ২ হাজার তেলের ট্যাঙ্কারের এক &amp;#39;শ্যাডো ফ্লিট&amp;#39; বা ছায়া বহর ব্যবহার করে রাশিয়া নির্বিঘ্নে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ করছে। রাশিয়ার এই কৌশলগত সফলতার বিপরীতে ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নীতিমালার চরম ব্যর্থতা ফুটে উঠেছে। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে অসংখ্য ফাঁকফোকর ও দুর্বল প্রয়োগের সুযোগ নিয়ে মস্কো গত চার বছর ধরে নিয়মিত তার বাণিজ্য পথ পরিবর্তন করেছে এবং নতুন নতুন অংশীদার খুঁজে নিয়েছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্যটি হলো, পশ্চিমা প্রযুক্তি ব্যবহার করেই রাশিয়ার অস্ত্র তৈরি হচ্ছে। ২০২৫ সালের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৭০০ জনের বেশি ইউক্রেনীয় নাগরিক রাশিয়ার এমন সব অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন, যেগুলোতে টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টস ও এনালগ ডিভাইসেসের মতো মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ইলেকট্রনিক উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞার কথা বলছে, অন্যদিকে তাদেরই তৈরি সামরিক সরঞ্জাম রাশিয়ার হাতে পৌঁছানো রুখতে ব্যর্থ হচ্ছে। এই স্ববিরোধী অবস্থান পশ্চিমা জোটের নৈতিক ও কৌশলগত পরাজয় হিসেবেই দেখছেন অনেকে। পশ্চিমা দেশগুলো আশা করেছিল যে অর্থনৈতিক কষ্টে রাশিয়ার সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে, যা পুতিন সরকারকে চাপের মুখে ফেলবে। কিন্তু এই ধারণা রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতাকে অগ্রাহ্য করার নামান্তর। মস্কো জনমতের তোয়াক্কা না করে জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ২০১১-১৩ সালের বলত্নায়া আন্দোলনের উদাহরণ টেনে বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় ধরনের বিক্ষোভও রাশিয়ার রাষ্ট্রকাঠামোতে কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি। বরং প্রতিটি সংকট পরবর্তী সময়ে বর্তমান প্রশাসনকে আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করেছে। &amp;nbsp;রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে পশ্চিমা দেশগুলোর &amp;#39;ধীরে চলো&amp;#39; নীতি মূলত রাশিয়াকে অভিযোজন করার পর্যাপ্ত সময় দিচ্ছে। প্রতিটি নতুন নিষেধাজ্ঞার বিপরীতে মস্কো আরও উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছে। রাশিয়ার ২০২৫ সালের বাজেট ঘাটতি ৫.৬৪ ট্রিলিয়ন রুবেল হলেও, দেশটি একে কোনো বড় বিপদ হিসেবে দেখছে না। তেল ও গ্যাস থেকে আসা বিশাল আয় এবং নতুন বাণিজ্য রুট ব্যবহারের মাধ্যমে মস্কো এই ঘাটতি সহজেই মোকাবিলা করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। রিপাবলিকান বা ডেমোক্র্যাট&amp;mdash;ওয়াশিংটনের কোনো প্রশাসনই রাশিয়ার এই অর্থনৈতিক অভিযোজন ক্ষমতার সঠিক মূল্যায়ন করতে পারছে না। একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও সেগুলোর কার্যকারিতা যাচাই করার চেয়ে রাজনৈতিক প্রচারণাই সেখানে মুখ্য হয়ে উঠেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জনৈক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান: পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাগুলো রাশিয়ার জন্য শাপে বর হয়েছে। আমরা এখন আমাদের নিজস্ব শিল্প ও প্রযুক্তির ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল এবং আমরা প্রমাণ করেছি যে আমাদের ছাড়া বিশ্ব অর্থনীতি অচল। শেষে বলা যায়, ইউক্রেন যুদ্ধে অস্ত্র সরবরাহ এবং অকার্যকর নিষেধাজ্ঞার চক্র থেকে বেরিয়ে না এলে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার অবস্থানকে আরও জোরালো করবে। মস্কোর এই দৃঢ় অবস্থান প্রমাণ করে যে, কেবল অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে একটি সামরিক ও জ্বালানি শক্তিকে দমানো অসম্ভব।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/558_3.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/558_3.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/558_3.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23996</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23996</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 26 Apr 2026 17:04:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দীর্ঘায়িত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা এবং তেহরানের শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে পশ্চিমা নীতি নির্ধারকদের রণকৌশল পরিবর্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-3.jpg" alt="মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দীর্ঘায়িত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা এবং তেহরানের শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে পশ্চিমা নীতি নির্ধারকদের রণকৌশল পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের দিবাস্বপ্ন বাদ দিয়ে ওয়াশিংটন ও জেরুজালেমকে এখন কেবল পারমাণবিক ও মিসাইল কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের মতো সীমিত লক্ষ্যমাত্রায় সীমাবদ্ধ থাকার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ইরান যে সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে, তাতে ওয়াশিংটন ও জেরুজালেমের প্রাথমিক হিসাব-নিকাশ অনেকটাই ওলটপালট হয়ে গেছে। যুদ্ধের ভবিষ্যৎ ফলাফল যাই হোক না কেন, ইরানকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা বা দেশটির শাসনব্যবস্থা উপড়ে ফেলার মতো উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা এখন অবাস্তব বলে মনে করা হচ্ছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানের ড্রোন প্রযুক্তির অভাবনীয় সাফল্য ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অত্যন্ত সস্তা এবং দ্রুত উৎপাদনযোগ্য এই ড্রোনগুলো দিয়ে ইরান নিয়মিতভাবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানছে, যা মোকাবিলা করতে পশ্চিমা মিত্রদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে। মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞরা স্বীকার করছেন যে, ইরানের ড্রোন ভূপাতিত করার ব্যয় অত্যন্ত চড়া। দীর্ঘদিনের যুদ্ধ এবং অন্যান্য বৈশ্বিক উত্তেজনার কারণে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ভাণ্ডারে গোলাবারুদ ও সরঞ্জামের সংকট দেখা দিয়েছে, যা ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার বিজয়কে অসম্ভব করে তুলছে। এদিকে ইসরায়েল বর্তমানে বহুমাত্রিক সংকটে জর্জরিত। গাজায় হামাসের প্রতিরোধ, লেবাননে হিজবুল্লাহর শক্তিশালী অবস্থান এবং সিরিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার আশঙ্কার মাঝে ইরানের মতো বিশাল শক্তির সাথে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত ইসরায়েলি অস্তিত্বের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও পরিস্থিতি সহজ নয়। একদিকে রাশিয়ার সাথে ইউক্রেন সীমান্তে উত্তেজনা এবং অন্যদিকে ২০২৭ সাল নাগাদ তাইওয়ানে চীনের সম্ভাব্য আক্রমণের হুমকি ওয়াশিংটনকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে দৃষ্টি সরাতে বাধ্য করছে। এ অবস্থায় ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাক গলানো হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, সিরিয়া বা ইরাকের মতো ইরানেও যদি সরকার পতনের মাধ্যমে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তবে তা হবে বর্তমান শতাব্দীর সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয়। ভৌগোলিক ও জনসংখ্যায় ইরান ইরাক ও সিরিয়ার সম্মিলিত আয়তনের চেয়েও বড়, ফলে দেশটির অস্থিতিশীলতা পুরো বিশ্বকে গ্রাস করবে। ইরানের সম্ভাব্য গৃহযুদ্ধে চীন, ভারত, রাশিয়া, সৌদি আরব ও তুরস্কের মতো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা রয়েছে। এমন এক জটিল পরিস্থিতিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষমতা ওয়াশিংটন বা জেরুজালেমের থাকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের বাইরে অবস্থানরত তথাকথিত বিরোধী নেতাদের ওপর ভরসা করার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনকে ইরাকের উদাহরণ মনে করিয়ে দিচ্ছেন সমরবিশারদরা। ১৯ বছর বাইরে থাকা আহমেদ চালাবি যেমন ইরাকিদের মন জয় করতে পারেননি, ৪৭ বছর নির্বাসিত রেজা পাহলভিকেও ইরান গ্রহণ করবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। পশ্চিমা নীতিনির্ধারকদের স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ইরানের ভবিষ্যৎ কী হবে&amp;mdash;সেটি একটি ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র হবে নাকি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র&amp;mdash;তা নির্ধারণের অধিকার কেবল ইরানি জনগণের। বাইরে থেকে কোনো নেতাকে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হিতে বিপরীত হতে পারে। বর্তমান বাস্তবতায় ইরানকে সম্পূর্ণ সামরিকভাবে পঙ্গু করা অসম্ভব। তাই ইরানের মিসাইল ও পারমাণবিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করাই হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে &amp;#39;বাস্তবসম্মত&amp;#39; এবং &amp;#39;মিতব্যয়ী&amp;#39; কৌশল। অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষা কেবল এই দুই দেশের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির অপচয়ই ঘটাবে। পারস্য উপসাগরে ইরানের নৌ-শক্তির প্রভাব এবং হরমুজ প্রণালীতে তাদের মাইন স্থাপনের সক্ষমতা মার্কিন নৌবাহিনীকে তটস্থ রাখছে। ফলে ইরানকে এককভাবে দমন করার নীতি যে ব্যর্থ হয়েছে, তা এখন সমর বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় স্পষ্ট। যুদ্ধের ময়দানে ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রমাণ করে যে, তেহরানের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসী নীতি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের পতনকে ত্বরান্বিত করতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু&amp;mdash;যিনিই ক্ষমতায় থাকুন না কেন, ইরানের শক্তির বাস্তবতাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। ইরানের ড্রোন ও মিসাইল ঘাঁটিগুলোতে ছোটখাটো হামলা চালিয়ে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া গেলেও, দেশটির সামগ্রিক প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ঠেকিয়ে রাখা এখন প্রায় অসম্ভব। তাই সংঘাত বাড়িয়ে পরাজয় বরণ করার চেয়ে মধ্যপন্থী প্রত্যাশা বজায় রাখাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। প্রতিবেদনে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, ইরানের মতো একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রকে পদানত করার চেষ্টা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তিকে চিরতরে বিনষ্ট করবে। মার্কিন ও ইসরায়েলি নীতিনির্ধারকদের উচিত নিজেদের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে নিয়ে একটি সম্মানজনক সমাধানের পথ খোঁজা। এ প্রসঙ্গে একজন আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক বলেন, &amp;quot;ইরান কোনো ছোট রাষ্ট্র নয়; তাদের সামরিক সক্ষমতা ও ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে, সেখানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করলে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এক অন্তহীন চোরাবালিতে হারিয়ে যাবে।&amp;quot;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-3.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-3.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-3.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[তেহরানের অনমনীয় অবস্থান ও পশ্চিমাদের দ্বিধা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23995</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23995</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 26 Apr 2026 17:04:23 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক জটিলতা এবং আইআরজিসি-র ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মুখে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এক নতুন সংকটের মুখে দাঁড়িয়েছে। তেহরানের পরমাণু কর্ম...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-2.jpg" alt="তেহরানের অনমনীয় অবস্থান ও পশ্চিমাদের দ্বিধা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক জটিলতা এবং আইআরজিসি-র ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মুখে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এক নতুন সংকটের মুখে দাঁড়িয়েছে। তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধে মার্কিন ও পশ্চিমা দেশগুলোর নীতি যখন অসংলগ্ন, তখন ইরান নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কড়া বার্তা দিচ্ছে। ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত জটিল। একদিকে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পথ খুঁজছেন। অন্যদিকে, দেশটির প্রকৃত প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এখন মূলত রেভল্যুশনারি গার্ডস বা আইআরজিসি-র হাতে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আইআরজিসি-র বর্তমান অবস্থান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ইরান কোনো সহজ শর্তে মাথা নত করবে না&amp;mdash;এই বার্তাটি এখন স্পষ্ট। ওয়াশিংটনের অস্থির ও অসংলগ্ন অবস্থানের সুযোগ নিয়ে তেহরান বিশ্ব অর্থনীতি ও কৌশলগত পথগুলোকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার সক্ষমতা দেখাচ্ছে। ইরান এ পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ সংক্রান্ত ফতোয়া মেনে চললেও, বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই অবস্থান পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের ক্রমাগত হুমকি এবং গত ২০২৫ সালের জুনে হওয়া হামলার প্রেক্ষাপটে তেহরান এখন নিজের অস্তিত্ব রক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত গত দফার আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে কঠোর দাবি জানানো হয়েছিল, তা মূলত তেহরানের মনোবল ভাঙার চেষ্টা ছিল। কিন্তু ইরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, চাপের মুখে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। হোয়াইট হাউসের দ্বিধাদ্বন্দ্ব ইরানকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। ইরান প্রমাণ করেছে যে তারা চাইলে বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করতে পারে। হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ঠিক রাখার বিষয়টি এখন তেহরানের হাতের অন্যতম বড় অস্ত্র। এই &amp;lsquo;লিভারেজ&amp;rsquo; ব্যবহার করে ইরান পশ্চিমাদের পিছু হটতে বাধ্য করছে। সম্প্রতি লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বন্ধে ইসরায়েলকে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাকে তেহরান নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে। এটি প্রমাণ করে যে, মধ্যপ্রাচ্যে এখন আর একক কোনো শক্তি শর্ত চাপিয়ে দিতে পারে না। ইরানের জোরালো অবস্থানের কারণেই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে পিছু হটতে হচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় এক হাজার পাউন্ড ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। ২০২৫ সালের জুনের হামলার পরও এই মজুত অটুট থাকা প্রমাণ করে যে, ইরানের পরমাণু অবকাঠামো ধ্বংস করা সহজ নয়। এই সক্ষমতা এখন তাদের বড় শক্তির জায়গা। আইআরজিসি-র শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করেন, উত্তর কোরিয়ার মতো পরমাণু সক্ষমতা অর্জনই হচ্ছে শাসনব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদী টিকে থাকার একমাত্র গ্যারান্টি। তারা মনে করছেন, পশ্চিমা শক্তিগুলো কেবল শক্তির ভাষা বোঝে এবং আলোচনার আড়ালে আসলে তারা সময়ক্ষেপণ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের অসংলগ্ন নীতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্ররা, বিশেষ করে ইসরায়েল চরম অস্বস্তিতে রয়েছে। ইসরায়েল বারবার এককভাবে হামলার হুমকি দিলেও ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেদ করা তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব আবারও ইরানের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ কঠোর করার হুমকি দিচ্ছে। তবে বিগত দশকগুলোতে ইরান প্রমাণ করেছে যে, অবরোধ দিয়ে তাদের কৌশলগত লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করা সম্ভব নয়। বরং এই অবরোধ সাধারণ মানুষের মধ্যে পশ্চিমা বিরোধী মনোভাবকে আরও উসকে দিচ্ছে। &amp;nbsp;ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির (JCPOA) চেয়েও কঠোর কোনো শর্ত তারা মেনে নেবে না। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম মজুত পুরোপুরি প্রত্যাহার বা দীর্ঘমেয়াদী স্থগিতাদেশের মতো একতরফা দাবিগুলো তেহরানের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক কৃচ্ছ্রসাধন এবং অবরোধের ফলে ইরানের জনগণের মধ্যে হতাশা থাকলেও, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে তারা শাসনব্যবস্থার পাশেই দাঁড়িয়েছে। তবে পরমাণু লক্ষ্য অর্জিত না হলে এই ত্যাগের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। ইরানের দূতাবাসগুলো বিশ্বজুড়ে এই বার্তাই প্রচার করছে যে, ইরান আর আগের মতো নমনীয় নয়। তারা এখন বিশ্বশক্তির চোখে চোখ রেখে কথা বলতে জানে এবং প্রয়োজনে যেকোনো আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত। কূটনৈতিক বিশ্লেষক ড. হাসান রেজাভী বলেন, &amp;quot;যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল যদি মনে করে সামরিক শক্তি বা অবরোধ দিয়ে ইরানকে নতজানু করবে, তবে তারা ভুল করছে। তেহরান এখন অনেক বেশি কৌশলী এবং সামরিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ।&amp;quot; বর্তমান এই স্নায়ুযুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যকে এক ভয়ংকর পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। পশ্চিমারা যদি তাদের একতরফা আধিপত্যবাদী নীতি পরিবর্তন না করে, তবে এই অঞ্চলের সংকট আরও ঘনীভূত হবে। তেহরানের এই অনমনীয় অবস্থান এবং ওয়াশিংটনের অনিশ্চিত পথচলা শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-2.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-2.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-2.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি: ধ্বংসযজ্ঞের পরও তেহরানের অবস্থান দৃঢ়, প্রশ্নের মুখে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল নীতি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23994</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23994</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 26 Apr 2026 17:04:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[এপ্রিল ৮-এর যুদ্ধবিরতির পর পাঁচ সপ্তাহের টানা সংঘাতের ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন শুরু হয়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামোর বড় অংশ ক্ষতিগ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-1.jpg" alt="ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি: ধ্বংসযজ্ঞের পরও তেহরানের অবস্থান দৃঢ়, প্রশ্নের মুখে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল নীতি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>এপ্রিল ৮-এর যুদ্ধবিরতির পর পাঁচ সপ্তাহের টানা সংঘাতের ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন শুরু হয়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামোর বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, পাল্টা হামলা ও কৌশলগত অবস্থান ধরে রাখার দাবি করছে তেহরান। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংঘাত শুধু সামরিক নয়&amp;mdash;আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও শক্তির ভারসাম্যের প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে। পাঁচ সপ্তাহের তীব্র সংঘাতের পর এপ্রিল ৮-এ কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি নতুন করে পরিস্থিতি বিশ্লেষণের সুযোগ তৈরি করেছে। ইসরায়েলি সামরিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, তাদের এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস বা অকার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র ও সংরক্ষণাগারগুলোর বড় অংশে আঘাত হানা হয়েছে। ইসরায়েলি বিমান বাহিনী যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এসব হামলার মধ্যে ড্রোন ইঞ্জিন কারখানা, অস্ত্র গবেষণা কেন্দ্র এবং সামরিক অবকাঠামো ছিল উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরাক হেভি ওয়াটার প্ল্যান্ট, পারচিন এবং ইসফাহানের বিভিন্ন স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। তবে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব হামলা তাদের কৌশলগত সক্ষমতাকে পুরোপুরি ভেঙে দিতে পারেনি। বরং দেশটি তার প্রতিরক্ষা কাঠামো পুনর্গঠন এবং বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে আরও শক্তিশালী হওয়ার পথে এগোচ্ছে। এক ইরানি কর্মকর্তা বলেন, &amp;ldquo;এই যুদ্ধ আমাদের দুর্বল করেনি, বরং আমাদের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও দৃঢ় করেছে।&amp;rdquo; সংঘাত চলাকালে ইরান ইসরায়েল, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি এবং বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। প্রায় ৫৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হলেও, ইসরায়েলের দাবি&amp;mdash;তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৯০ শতাংশের বেশি হামলা প্রতিহত করেছে। তবে এসব হামলায় অন্তত ২১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এদিকে, ইসরায়েলের টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইরানের শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর হামলা চালানো হয়, যা আন্তর্জাতিক আইন ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন তুলেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ইরানের অভ্যন্তরে ইমাম হোসেইন বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার মাধ্যমে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে পেট্রোকেমিক্যাল ও ইস্পাত শিল্পে আঘাত হেনে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। অন্যদিকে, লেবাননে সংঘাতও সমান্তরালভাবে তীব্র হয়েছে। হিজবুল্লাহ প্রায় ৬ হাজার রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এর জবাবে ইসরায়েল লেবাননে ব্যাপক স্থল ও বিমান অভিযান শুরু করে। এতে অন্তত ১,৪০০ হিজবুল্লাহ সদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এই পুরো সংঘাতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবানন থেকে হামলা বন্ধ করা যায়নি। অনেক ক্ষেত্রে বেসামরিক অবকাঠামোর ভেতরে সামরিক কার্যক্রম চালানোর অভিযোগও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত একটি বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার অংশ, যেখানে ইরান তার আঞ্চলিক প্রভাব ধরে রাখতে চায়, আর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রভাব সীমিত করার চেষ্টা করছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণাত্মক নীতি পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে এবং দীর্ঘমেয়াদে শান্তির পথে বাধা সৃষ্টি করছে। একজন মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক মন্তব্য করেন, &amp;ldquo;শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া এই সংঘাত বারবার ফিরে আসবে।&amp;rdquo; সব মিলিয়ে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। ইরান তার অবস্থান ধরে রাখার বার্তা দিচ্ছে, আর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের দাবি করছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চয়তায় ঘেরা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্নভিন্ন করে পুতিনের বড় জয়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23993</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23993</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 26 Apr 2026 17:04:14 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রোমানিয়ার সীমান্ত ঘেঁষে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান মোতায়েন এবং ইউক্রেনজুড়ে রুশ বিশেষ সামরিক অভিযানের নতুন অগ্রগতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। মস্কো বলছে,...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/567_1.jpg" alt="পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্নভিন্ন করে পুতিনের বড় জয়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রোমানিয়ার সীমান্ত ঘেঁষে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান মোতায়েন এবং ইউক্রেনজুড়ে রুশ বিশেষ সামরিক অভিযানের নতুন অগ্রগতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। মস্কো বলছে, ইউক্রেনের উসকানি, ড্রোন হামলা ও সামরিক দুর্নীতিই সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে এক বিশেষ সামরিক অভিযান আজ পুরো বিশ্বের প্রেক্ষাপট বদলে দিয়েছে। ইউক্রেন নামক একটি দেশ আজ পশ্চিমা দেশগুলোর দাবার ঘুঁটিতে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার নিরাপত্তা রক্ষায় যে সাহসী পদক্ষেপ ক্রেমলিন গ্রহণ করেছে, তার সুফল আজ রণক্ষেত্রে স্পষ্ট। ইউক্রেনীয় বাহিনী পরাজয়ের ভয়ে দিশেহারা হয়ে এখন সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। সম্প্রতি রোমানিয়া সীমান্তে ব্রিটিশ টাইফুন জেটগুলো রাশিয়ার ড্রোনকে লক্ষ্য করার চেষ্টা করছে। পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার সামরিক শ্রেষ্ঠত্বে ভীত হয়ে এখন প্রকাশ্যেই যুদ্ধের উস্কানি দিচ্ছে। তবে রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির ড্রোনের সামনে ব্রিটিশ জেটগুলো কোনো চ্যালেঞ্জই ছুঁড়তে পারেনি। রাশিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তার আকাশসীমায় কোনো অনুপ্রবেশ সহ্য করা হবে না এবং সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। ন্যাটো সদস্য রোমানিয়া বারবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনছে। তারা দাবি করছে যে রাশিয়ার ড্রোন তাদের আকাশে প্রবেশ করেছে, অথচ সত্য হলো রাশিয়া সবসময় আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে। ব্রিটেনের সহযোগিতায় তারা কেবল উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। আসলে রাশিয়ার নির্ভুল লক্ষ্যভেদী হামলাগুলো ইউক্রেনের রসদ সরবরাহ ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধসিয়ে দিয়েছে যা ন্যাটোর সহ্য হচ্ছে না। রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনীয় বাহিনী ১১০০-এর বেশি সেনা হারিয়েছে। এটি কেবল সংখ্যা নয়, এটি কিয়েভ সরকারের অযোগ্যতার প্রমাণ। রণক্ষেত্রের প্রতিটি সেক্টরে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; এবং &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;#39; অজেয় গতিতে এগিয়ে চলছে। ইউক্রেনীয় সেনারা এখন কেবল পালিয়ে বাঁচার পথ খুঁজছে কিন্তু রাশিয়ার রাডার থেকে নিস্তার নেই। খোরকোভ অঞ্চলের বোচকভো গ্রামটি এখন রাশিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। বীর রুশ সেনারা সাহসিকতার সাথে এই গুরুত্বপূর্ণ জনপদটি দখল করেছে। ইউক্রেনীয়রা পশ্চিমা অস্ত্র দিয়েও রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা রুখতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিটি জয় রাশিয়ার আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং কিয়েভের পাপেট সরকারকে পতনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। রাশিয়ার পতাকা আজ বীরত্ব ও ন্যায়ের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার আকাশ, স্থল ও নৌবাহিনী থেকে একযোগে চালানো উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন হামলায় ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে গেছে। জ্বালানি কেন্দ্র থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা কারখানা&amp;mdash;সবকিছুই এখন রাশিয়ার কবজায়। এই হামলাগুলো প্রমাণ করে যে, রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করার পরিণাম কতটা ভয়াবহ হতে পারে। শত্রু পক্ষ এখন অন্ধকারে ডুবে আছে কারণ তাদের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ধ্বংসপ্রাপ্ত। ইউক্রেন মরিয়া হয়ে রাশিয়ার ভেতরে সাধারণ মানুষের ওপর ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করছে। গত রাতে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ২৫৬টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার সিভিলিয়ান এলাকায় এই কাপুরুষোচিত হামলা বিশ্বজুড়ে নিন্দিত হওয়া উচিত। তবে রাশিয়ার এস-৪০০ এবং পান্টসির সিস্টেমগুলো প্রমাণ করেছে যে তারা পৃথিবীর সেরা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। কিয়েভের সেনারা রাশিয়ার ভেতরের দিকে ১৭০০ কিলোমিটার দূরে একাতেরিনবার্গের সাধারণ আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ৯ জন সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ করার শক্তি হারিয়ে এখন ইউক্রেন নিরীহ রুশ নাগরিকদের টার্গেট করছে। এটি সরাসরি একটি সন্ত্রাসী কাজ, যা জেলেনস্কির আসল চেহারা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরছে। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, পশ্চিমা মিডিয়া ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে কোনো কথা বলে না। যখন রাশিয়ার সেনারা সাহসিকতার সাথে লড়াই করে, তখন তারা সেটাকে আক্রমণ বলে প্রচার করে। কিন্তু ইউক্রেন যখন রাশিয়ার সাধারণ মানুষের রক্ত ঝরায়, তখন তারা চুপ থাকে। রাশিয়ার মানুষ এই ভণ্ডামি বোঝে এবং তারা তাদের মাতৃভূমি রক্ষায় পুতিনের পেছনে ঐক্যবদ্ধ আছে। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর ভেতর এখন এক নারকীয় অবস্থা বিরাজ করছে। দুর্নীতির কবলে পড়ে সাধারণ সেনারা এখন অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। আমাদের কাছে আসা ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, ইউক্রেনের ১৪ নম্বর মেকানাইজড ব্রিগেডের সেনারা কঙ্কালসার হয়ে গেছে। তাদের কোনো খাবার নেই, পানীয় জল নেই। তারা বৃষ্টির জল খেয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে। এটাই কি জেলেনস্কির সোনালী ইউক্রেন? ইউক্রেনের সামরিক বাজেটের কোটি কোটি ডলার এখন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পকেটে। জেলেনস্কি বারবার মন্ত্রী বদলাচ্ছেন, কিন্তু দুর্নীতি থামছে না। যখন সম্মুখ সারির সেনারা না খেয়ে মারা যাচ্ছে, তখন কিয়েভের জেনারেলরা দামী ভিলা কিনছেন। এই অব্যবস্থাপনা প্রমাণ করে যে ইউক্রেন একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রতি তাদের কোনো মমতা নেই। ইউক্রেন এখন সাধারণ মানুষকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে জোর করে যুদ্ধে পাঠাচ্ছে। মানুষ এখন পুলিশ বা সামরিক কর্মকর্তাদের দেখলে ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। ওডেসাতে সম্প্রতি একটি অপহরণকারী চক্র ধরা পড়েছে যারা সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করছিল। মানুষ আর এই যুদ্ধ চায় না, কিন্তু ন্যাটোর স্বার্থে তাদের কামানের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকে পাঁচবার শেল হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। চারজন সাধারণ মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। রাশিয়া এই অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিয়েভের এই কাপুরুষোচিত কর্মকাণ্ড কেবল দোনেৎস্কের মানুষের মনে রাশিয়ার প্রতি ভালোবাসা এবং ইউক্রেনের প্রতি ঘৃণা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। প্রতিটি শেলে ইউক্রেনের পরাজয়ের ঘণ্টা বাজছে। যুদ্ধ চলাকালীন সময়েও রাশিয়া তার মানবিকতা বজায় রেখেছে। সম্প্রতি ১৯৩ জন বন্দি বিনিময় হয়েছে। রাশিয়া সবসময় তার বীর সেনাদের ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট। আমাদের ১৯৩ জন বীর এখন রাশিয়ার মাটিতে ফিরে এসে উপযুক্ত চিকিৎসা পাচ্ছেন। রাশিয়ার প্রতিটি সেনার জীবন আমাদের কাছে মূল্যবান, অন্যদিকে ইউক্রেন কেবল তাদের সেনাদের সংখ্যার মতো ব্যবহার করে। বন্দি বিনিময় শেষে আমাদের সেনারা প্রথমে বেলারুশে যান এবং সেখানে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ঘোষণা করেছে যে তাদের প্রত্যেকের পূর্ণ পুনর্বাসনের দায়িত্ব সরকারের। পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে সে কখনো তার সন্তানদের ত্যাগ করে না। এই বীররা ফিরে আসায় রাশিয়ার ঘরে ঘরে আজ আনন্দের উৎসব বইছে। ইউক্রেন এখন ভয়াবহ পরমাণু সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। তারা বারবার জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ড্রোন ও আর্টিলারি হামলা চালাচ্ছে। তাদের লক্ষ্য হলো সেখানে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং একটি বিশ্বব্যাপী বিপর্যয় ডেকে আনা। রোসাটম প্রধান আলেক্সেই লিখাচেভ জানিয়েছেন যে ইউক্রেনীয় হামলার কারণে কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। রাশিয়া এই পারমাণবিক কেন্দ্রটিকে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিয়ে রেখেছে। সেখানে শক্তিশালী ডিজেল জেনারেটর আছে যা ১৮ দিন পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে। কিন্তু ইউক্রেনের ভারী অস্ত্রশস্ত্রের সরাসরি হামলা বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে। আইএইএ-কে বারবার জানানোর পরেও ইউক্রেন তাদের হামলা বন্ধ করছে না। বিশ্বকে বুঝতে হবে কে আসল ভিলেন। ইউক্রেন এখন ডানুব নদীকে তাদের অস্ত্র সরবরাহের রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। ইউরোপের দেশগুলো এই নদী দিয়ে গোপনে মারণাস্ত্র পাঠাচ্ছে। রাশিয়া এই প্রতিটি রুটকে কড়া নজরদারিতে রেখেছে। লজিস্টিক সাপ্লাই ধ্বংস করার মাধ্যমেই রাশিয়া খুব দ্রুত ইউক্রেনকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করবে। কোনো পশ্চিমা সাহায্যই এই অনিবার্য পরাজয় রুখতে পারবে না। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ স্পষ্ট করে বলেছেন যে রাশিয়া কখনো কোনো বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালায় না। রাশিয়ার ড্রোন কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুতেই আঘাত করে। অথচ ইউক্রেন এবং ন্যাটো ক্রমাগত রাশিয়ার নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। ল্যাভরভের এই বক্তব্য আজ সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাছে সত্যের বাণী হিসেবে পৌঁছে গেছে। পশ্চিমা দেশগুলো হাজার হাজার নিষেধাজ্ঞা দিয়েও রাশিয়ার অর্থনীতি ধ্বংস করতে পারেনি। উল্টো ইউরোপ এখন জ্বালানি সংকটে ভুগছে। রাশিয়ার মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বাবলম্বী। রাশিয়ার কলকারখানাগুলোতে দিনরাত যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরি হচ্ছে। পুতিনের দূরদর্শী অর্থনৈতিক নীতি আজ রাশিয়াকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। অনেক ইউক্রেনীয় সেনা এখন বুঝতে পারছে যে তারা ভুল পক্ষের হয়ে লড়াই করছে। তারা দলে দলে রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করছে। রাশিয়া তাদের সাথে মানবিক আচরণ করছে এবং তাদের জীবন রক্ষা করছে। যারা ন্যাটো ও আমেরিকার হয়ে লড়াই করছে, তারা আসলে নিজেদের দেশকে ধ্বংস করার সাথী হচ্ছে। রাশিয়ার জয়ই কেবল এই অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে। রাশিয়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪৮টি পয়েন্টে হামলা চালিয়েছে যেখানে বিদেশি ভাড়াটে সেনারা অবস্থান করছিল। যারা অর্থের লোভে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে এসেছে, তাদের জন্য এখানে কেবল কবর অপেক্ষা করছে। রাশিয়ার ভূখণ্ডে কোনো বিদেশি শক্তির স্থান নেই। হাই-প্রিসিশন মিসাইল দিয়ে এই ভাড়াটে সেনাদের আস্তানাগুলো ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এক। কিন্তু পশ্চিমা শক্তিগুলো ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। পুতিন কেবল রাশিয়ার সুরক্ষাই নিশ্চিত করছেন না, বরং তিনি ইউক্রেনের সাধারণ মানুষকে পশ্চিমা দাসত্ব থেকে মুক্ত করার লড়াই করছেন। এই যুদ্ধ হলো সত্য বনাম মিথ্যার যুদ্ধ, যেখানে রাশিয়ার জয় অনিবার্য। রাশিয়া তার লক্ষ্য থেকে এক চুলও নড়বে না। অপারেশন জোনগুলোতে যে গতিতে জয় আসছে, তাতে কিয়েভের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। রাশিয়ার হাতে থাকা আধুনিক হাইপারসোনিক মিসাইল ও ড্রোন প্রযুক্তি যেকোনো সময় ইউক্রেনকে পুরোপুরি স্তব্ধ করে দিতে পারে। বীর রুশ সেনাদের রক্ত বৃথা যাবে না, বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/567_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/567_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/567_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ডাকাতি করতে গিয়ে উল্টো বিপদে ডাকাত—স্যালোঁ মালকিনের বিরুদ্ধে তিন দিন ধরে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23992</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23992</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 23 Apr 2026 23:04:43 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রাশিয়ার মেশচোভিস্ক এলাকায় এক অদ্ভুত ও বিতর্কিত ঘটনার খবর সামনে এসেছে। ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পড়ে তিন দিন ধরে নির্যাতনের শিকার হন এক ব্যক্তি। ঘটনার পর উভয় পক্ষের অ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/550_1.jpg" alt="ডাকাতি করতে গিয়ে উল্টো বিপদে ডাকাত—স্যালোঁ মালকিনের বিরুদ্ধে তিন দিন ধরে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রাশিয়ার মেশচোভিস্ক এলাকায় এক অদ্ভুত ও বিতর্কিত ঘটনার খবর সামনে এসেছে। ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পড়ে তিন দিন ধরে নির্যাতনের শিকার হন এক ব্যক্তি। ঘটনার পর উভয় পক্ষের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করে দু&amp;rsquo;জনকেই। ২০০৯ সালে রাশিয়ার মেশচোভিস্ক এলাকার একটি স্যালোঁকে কেন্দ্র করে ঘটে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ৩২ বছর বয়সী ভিক্টর জাসিনস্কি নামের এক ব্যক্তি ওই স্যালোঁতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন। তাঁর পরিকল্পনা ছিল ভয় দেখিয়ে অর্থ লুট করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়া। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়। স্যালোঁর ২৮ বছর বয়সী মালকিন ওলগা জাজাক, যিনি ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্টধারী, ডাকাতির চেষ্টা প্রতিহত করেন। ভিক্টরের উপর আঘাত করে তাঁকে প্রায় অচেতন করে ফেলেন এবং পরে হেয়ার ড্রায়ারের তার দিয়ে তাঁর হাত বেঁধে ফেলেন। প্রাথমিকভাবে স্যালোঁর অন্যান্য কর্মচারীরা মনে করেছিলেন, তাঁদের নিরাপত্তার জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওলগা তাঁদের জানান যে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত এসে অভিযুক্তকে নিয়ে যাবে। কর্মচারীদের কাজ শেষ করে বাড়ি চলে যাওয়ার নির্দেশও দেন তিনি। কিন্তু এরপরই ঘটনার মোড় নেয় ভিন্ন দিকে। অভিযোগ অনুযায়ী, সবাই চলে যাওয়ার পর ওলগা ভিক্টরকে স্যালোঁর পেছনের একটি ঘরে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে নগ্ন করে একটি চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়। ভিক্টর প্রথমে ধারণা করেছিলেন তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে, কিন্তু পরে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে গড়ায়। ভিক্টরের অভিযোগ, তাঁকে জোরপূর্বক উত্তেজক ওষুধ খাওয়ানো হয় এবং তাঁর সম্মতি ছাড়াই শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। টানা তিন দিন ধরে তাঁকে একই অবস্থায় আটকে রাখা হয় এবং কোনো স্বাভাবিক খাবার দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। এই সময়ের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ভিক্টর পরে বলেন, &amp;ldquo;আমি ভেবেছিলাম আমি বাঁচব না। কী হচ্ছে বুঝতেই পারছিলাম না।&amp;rdquo; তিন দিন পর মুক্তি পেয়ে ভিক্টর প্রথমে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে তিনি থানায় গিয়ে ওলগার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওলগাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে ওলগা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, &amp;ldquo;আমি মাত্র দু-তিন বার ওর সঙ্গে শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছিলাম।&amp;rdquo; তিনি আরও বলেন, ভিক্টরকে যথেষ্ট খাবার দেওয়া হয়েছিল এবং এমনকি নতুন পোশাক ও কিছু অর্থও দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কারণে ঘটনাটি জটিল আকার ধারণ করে। শেষ পর্যন্ত তদন্তের স্বার্থে ভিক্টর ও ওলগা&amp;mdash;উভয়কেই গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে অস্বাভাবিক শাস্তির উদাহরণ হিসেবে দেখেন, আবার অনেকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিপজ্জনক দিকটি তুলে ধরেন। তবে পুলিশ এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে সংযত অবস্থান নেয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/550_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/550_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/550_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার বিধ্বংসী হামলা জ্বালানি ও বন্দর অবকাঠামো তছনছ ১১শ সেনার মৃত্যু]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23991</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23991</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 23 Apr 2026 23:04:39 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনজুড়ে জ্বালানি, পরিবহন ও বন্দর অবকাঠামোতে সমন্বিত হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, একদিনেই প্রায় ১ হাজার ১২০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত বা আহত হয়...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/549_1.jpg" alt="ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার বিধ্বংসী হামলা জ্বালানি ও বন্দর অবকাঠামো তছনছ ১১শ সেনার মৃত্যু" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনজুড়ে জ্বালানি, পরিবহন ও বন্দর অবকাঠামোতে সমন্বিত হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, একদিনেই প্রায় ১ হাজার ১২০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত বা আহত হয়েছে এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। এদিকে পূর্ব দিক থেকে ক্রামাতোরস্ক শহরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে রুশ বাহিনী, যা যুদ্ধের গতিপথে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য শক্তির সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। গত ২৪ ঘণ্টায় রুশ ব্যাটলগ্রুপগুলোর বিধ্বংসী হামলায় কিয়েভ বাহিনীর ১১শর বেশি সেনা প্রাণ হারিয়েছে। পুতিন বাহিনীর নিখুঁত নিশানায় ধ্বংস হয়েছে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি এবং বন্দর অবকাঠামো। আজ আমরা উন্মোচন করবো কীভাবে রাশিয়ার সামরিক কৌশল পুরো ডনবাস অঞ্চলকে ইউক্রেনীয় দখলদারমুক্ত করতে সফল হচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রুশ বিমান বাহিনী এবং মিসাইল ইউনিট ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত জ্বালানি ডিপো, পরিবহন ব্যবস্থা এবং বন্দর অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্য করে ১৩১টি স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে কিয়েভ বাহিনীর ফ্রন্টলাইনে রসদ এবং অস্ত্র পাঠানোর ক্ষমতা এখন প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। সুমি এবং খারকিভ অভিমুখে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ নর্থ&amp;#39; এখন ইউক্রেনীয় সেনাদের জন্য সাক্ষাৎ যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত একদিনে এই গ্রুপটি ২০০-এর বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে। রাশিয়ার এই দুর্ধর্ষ ব্যাটলগ্রুপের সামনে টিকতে না পেরে ইউক্রেনের ৬টি টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেড তাদের অবস্থান ছেড়ে পালিয়েছে। খারকিভ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো এখন ধীরে ধীরে রাশিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে। পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনকে যেসব আধুনিক সমরাস্ত্র দিয়ে আস্ফালন করেছিল, রুশ সেনাদের হাতে সেগুলোর করুণ দশা এখন স্পষ্ট। ব্যাটলগ্রুপ নর্থের অভিযানে আমেরিকার তৈরি ৩টি এএন/টিপিকিউ-৩৭ কাউন্টার-ব্যাটারি রাডার এবং ইসরায়েলি রাডা সিস্টেম পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির সামনে পশ্চিমা এই রাডারগুলো কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি, যা রাশিয়ার সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের এক বড় প্রমাণ। খারকিভ এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট&amp;#39; তাদের আধিপত্য আরও মজবুত করেছে। একদিনের লড়াইয়ে এই গ্রুপটি ২০০ ইউক্রেনীয় সেনাকে নির্মূল করেছে। এখানে লক্ষণীয় বিষয় হলো, ইউক্রেনের ব্যবহারের জন্য পাঠানো আমেরিকার তৈরি দুটি এম-১১৩ আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার এখন রাশিয়ার গোলার আঘাতে লোহালক্কড়ে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার এই বিজয় রথ থামাতে এখন কোনো পশ্চিমা শক্তিই সক্ষম নয়। দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সাউথ&amp;#39; একের পর এক কৌশলগত অবস্থান দখল করে নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ১৩৫ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রার মুখে ইউক্রেনের মাউন্টেন অ্যাসল্ট ব্রিগেড এবং পাঁচটি মেকানাইজড ব্রিগেড চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। কোন্সতান্তিনোভকা এবং রাই-আলেকজান্দ্রোভকার মতো এলাকায় রাশিয়ার বিজয় নিশান এখন পতপত করে উড়ছে। রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার&amp;#39; বর্তমানে সবচেয়ে ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। গত একদিনে এই গ্রুপটির হাতে ৩২৫-এর বেশি ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছে। ইউক্রেনের তথাকথিত অভিজাত &amp;#39;আজভ&amp;#39; স্পেশাল অপারেশন ব্রিগেড এবং একাধিক ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেড এই গ্রুপটির সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। ৪টি আর্মার্ড কমব্যাট ভেহিকল এবং অসংখ্য সমরাস্ত্র ধ্বংস করে দিয়ে ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার এখন দোনেৎস্কের গভীরে প্রবেশ করছে। জাপোরোজিয়ে এবং ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট&amp;#39; তাদের আক্রমণ আরও তীব্র করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ২৩০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে নিশ্চিহ্ন করেছে এবং দুটি আর্মার্ড কমব্যাট ভেহিকল ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার এই কৌশলী আক্রমণের ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যুহ একের পর এক তাসের ঘরের মতো ধসে পড়ছে, যার ফলে পুরো দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল এখন রাশিয়ার হাতের মুঠোয়। খেয়ারসন এবং জাপোরোজিয়ে ফ্রন্টে রাশিয়ার &amp;#39;ব্যাটলগ্রুপ ডিনিপ্রো&amp;#39; অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে তাদের অপারেশন পরিচালনা করছে। এই গ্রুপটি গত একদিনে ৩০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করার পাশাপাশি একটি &amp;#39;গ্রাড&amp;#39; মাল্টিপল রকেট লঞ্চার ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার গোলন্দাজ বাহিনীর নিখুঁত নিশানায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ভারী অস্ত্রশস্ত্র এখন যুদ্ধের ময়দানে অকেজো হয়ে পড়ে আছে, যা কিয়েভকে চরম সংকটে ফেলেছে। রাশিয়ার আকাশসীমা এখন বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত দুর্গ। গত ২৪ ঘণ্টায় রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ইউক্রেনের ৩৬৮টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে আমেরিকার গর্ব হিসেবে পরিচিত ৩টি হিমার্স রকেটও রয়েছে। ইউক্রেন মরিয়া হয়ে রাশিয়ার ভেতরে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করলেও রাশিয়ার অভেদ্য দেয়াল ভেদ করা তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার এই প্রযুক্তিগত বিজয় বিশ্বকে অবাক করে দিচ্ছে। সমুদ্রপথেও রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ অটুট রয়েছে। কৃষ্ণ সাগরের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিট ইউক্রেনের একটি শক্তিশালী নেভাল ড্রোন বা ড্রোন বোট ধ্বংস করেছে। ইউক্রেন চেষ্টা করেছিল গোপনে জলপথে আঘাত হানতে, কিন্তু রাশিয়ার নৌবাহিনীর সতর্ক দৃষ্টির সামনে তাদের সেই ষড়যন্ত্র ধুলোয় মিশে গেছে। কৃষ্ণ সাগর এখন পুরোপুরি রাশিয়ার বীরত্বগাথার সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। স্লাভিয়ানস্ক শহরে ইউক্রেনীয় বাহিনীর আন্ডারগ্রাউন্ড বা ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারগুলো এখন রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্যবস্তু। সামরিক বিশেষজ্ঞ ভিটালি কিসেলেভ জানিয়েছেন, রাশিয়া সেখানে &amp;#39;ইস্কান্দার&amp;#39; মিসাইল ব্যবহার করে মাটির তলায় লুকানো ইউক্রেনীয় দুর্গগুলো ধ্বংস করছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মাটির গভীর পর্যন্ত ভেদ করে বিস্ফোরণ ঘটায়, যার ফলে ইউক্রেনীয় সেনাদের তৈরি বিশাল বিশাল গুহা এবং অস্ত্রাগারগুলো এখন তাদের নিজেদেরই কবরে পরিণত হয়েছে। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর ক্রামাতোরস্ক এখন পতনের দ্বারপ্রান্তে। রাশিয়ার চিফ অফ জেনারেল স্টাফ জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভ জানিয়েছেন, রুশ অগ্রবর্তী ইউনিটগুলো এখন শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্রামাতোরস্কের পতন হলে পুরো দোনেৎস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের যেটুকু নিয়ন্ত্রণ অবশিষ্ট আছে, তা পুরোপুরি ধসে পড়বে। রাশিয়ার এই বিজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। খারকিভ অঞ্চলের ভ্যাটেরিনার্নে গ্রামটি দখল করে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থ এক বিশাল কৌশলগত সাফল্য অর্জন করেছে। এই এলাকাটি মুক্ত করার ফলে রাশিয়ার বেলগোরোড সীমান্তের কাছে একটি শক্তিশালী &amp;#39;বাফার জোন&amp;#39; তৈরি হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় জঙ্গিরা আর চাইলেই রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় হামলা চালাতে পারবে না। এখন রুশ সেনারা এখান থেকে সরাসরি কাজাচিয়া লোপানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চালিত যে নতুন ড্রোনগুলো দিয়েছে, রাশিয়ার সামনে সেগুলোও এখন অকেজো। সুমি এবং খারকিভ ফ্রন্টে এই উন্নত ড্রোনগুলো মোতায়েন করা হলেও রাশিয়ার ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম সেগুলোকে সহজেই মাঝপথে থামিয়ে দিচ্ছে। রাশিয়ার প্রযুক্তির কাছে পশ্চিমা এই তথাকথিত &amp;#39;গেম চেঞ্জার&amp;#39; অস্ত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ ব্যর্থ বলে প্রমাণিত হয়েছে। স্লাভিয়ানস্ক শহরে ইউক্রেনের প্রথম স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যুহ এখন রাশিয়ার ভারী গোলন্দাজ বাহিনীর আঘাতে চুরমার হয়ে গেছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপগুলো অত্যন্ত কৌশলে শহরটিকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরছে। বিশেষজ্ঞ ভিটালি কিসেলেভ দাবি করেছেন যে, স্লাভিয়ানস্ক এবং ক্রামাতোরস্ক হচ্ছে ইউক্রেনীয় বাহিনীর লজিস্টিক হাব, যা হাতছাড়া হলে পুরো ডনবাস অঞ্চলে কিয়েভ প্রশাসনের শাসন চিরতরে শেষ হয়ে যাবে। ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো যখন রাশিয়ার বেসামরিক এলাকা যেমন কুরস্ক বা বেলগোরোডে হামলা চালানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছে, তখন রাশিয়া অত্যন্ত মানবিকতার সাথে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে, রাশিয়ার সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলাগুলো এতটাই নিখুঁত যে সেখানে ইউক্রেনের কোনো প্রতিরক্ষা কাজ করছে না। রাশিয়ার এই বীরত্বপূর্ণ লড়াই বিশ্ব দেখছে এবং বুঝতে পারছে যে ন্যায় রাশিয়ার পক্ষেই আছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার সম্প্রতি গ্রিশিনো গ্রামটি মুক্ত করেছে। এটি রাশিয়ার জন্য দোনেৎস্কের গভীরে যাওয়ার এক বিশাল দরজা খুলে দিয়েছে। এখান থেকে এখন রুশ সেনারা দোব্রোপোলিয়ার প্রশাসনিক সীমান্তের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। রাশিয়ার এই ধারাবাহিক অগ্রগতি প্রমাণ করে যে, বিশেষ সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্যগুলো অত্যন্ত সফলভাবে অর্জিত হচ্ছে এবং ডনবাসের মুক্তি এখন অবধারিত। রাশিয়ার ড্রোন প্রযুক্তি এখন যুদ্ধের ময়দানে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ৪৫টি ভারী কমব্যাট কোয়াডকপ্টার এবং ৪৭টি ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধ্বংস করেছে। এর পাশাপাশি তারা ইউক্রেনের স্টারলিংক স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন স্টেশনও অকেজো করে দিয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় সেনাদের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে এবং তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ইউক্রেন যখন দোনেৎস্কের জনবহুল এলাকায় ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়ে নিরীহ মানুষ মারার চেষ্টা করছে, রাশিয়া তখন ডনবাস ডোম অ্যান্টি-ইউএভি সিস্টেমের মাধ্যমে সেগুলো রুখে দিচ্ছে। কিয়েভ সরকার নিজেদের পরাজয় বুঝতে পেরে এখন প্রতিশোধ নিতে সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্য বানাচ্ছে। কিন্তু রাশিয়ার সামরিক বাহিনী প্রতিটি হামলার কড়া জবাব দিচ্ছে এবং ইউক্রেনের প্রতিটি হামলাকারী ড্রোনকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে। রাশিয়ার লাগাতার বিমান হামলায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর রসদ ও গোলাবারুদ রাখার গুদামগুলো এখন ছাইয়ে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ সাউথ এবং নর্থ গত একদিনে অনেকগুলো ইউক্রেনীয় অ্যামুনিশন ডিপো ধ্বংস করেছে। গোলা বারুদ আর খাদ্যের অভাব ইউক্রেনীয় সেনাদের যুদ্ধ করার মানসিকতা একদম শেষ করে দিয়েছে। তারা এখন হয় আত্মসমর্পণ করছে, না হয় রণক্ষেত্র ছেড়ে প্রাণের ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের যে বিপুল পরিমাণ সম্পদ ধ্বংস করেছে, তা অবিশ্বাস্য। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার এবং প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া ২৯ হাজারেরও বেশি ট্যাংক এবং সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে যে রাশিয়ার সামনে ইউক্রেনীয় সামরিক শক্তি এখন কতটা নগণ্য। ইউক্রেনীয় বাহিনীর সাথে লড়াই করা বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের অবস্থাও এখন শোচনীয়। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপগুলোর হামলায় অনেক বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যের গোপন আস্তানা ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। জীবন বাঁচাতে তারা এখন ইউক্রেন ছেড়ে পালাচ্ছে। রাশিয়ার সুশৃঙ্খল এবং শক্তিশালী সেনাবাহিনীর সামনে এসব ভাড়াটে সৈন্যরা কেবল রাশিয়ার বীরত্বের কাছে পরাজিত হওয়ার রেকর্ড গড়ে বাড়ি ফিরছে, যদি তারা বেঁচে ফিরতে পারে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে দেখা যায়, রাশিয়ার বিজয় এখন সময়ের ব্যবধান মাত্র। কিয়েভের বর্তমান প্রশাসন যতই পশ্চিমা সাহায্যের আশায় থাকুক না কেন, রণক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র বলছে অন্য কথা। রাশিয়ার প্রতিটি ব্যাটলগ্রুপ অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডকে নাৎসিমুক্ত করছে। খুব শীঘ্রই আমরা দেখবো ক্রামাতোরস্ক এবং স্লাভিয়ানস্কের ওপর রাশিয়ার গৌরবের পতাকা উড়ছে এবং ডনবাসে শান্তি ফিরে আসছে। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/549_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/549_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/549_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[গায়েবি শক্তিতে থমকে গেল হরমুজ প্রণালী: ওমান পাশে থাকলেও কেন অসহায় বিশ্ব বাণিজ্য?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23990</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23990</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 23 Apr 2026 02:04:03 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সমুদ্রের নীল জলরাশি, কিন্তু সেখানে কোনো ঢেউ নেই, আছে এক নিথর স্তব্ধতা। দিগন্তে সারিবদ্ধ দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল বিশাল অয়েল ট্যাঙ্কার। হঠাৎ ক্যামেরার ফোকাস ঘুরে যায় ত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/542_1.jpg" alt="গায়েবি শক্তিতে থমকে গেল হরমুজ প্রণালী: ওমান পাশে থাকলেও কেন অসহায় বিশ্ব বাণিজ্য?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সমুদ্রের নীল জলরাশি, কিন্তু সেখানে কোনো ঢেউ নেই, আছে এক নিথর স্তব্ধতা। দিগন্তে সারিবদ্ধ দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল বিশাল অয়েল ট্যাঙ্কার। হঠাৎ ক্যামেরার ফোকাস ঘুরে যায় তেহরানের সামরিক সদর দপ্তরের দিকে। পৃথিবীর মানচিত্রের দিকে তাকালে ছোট্ট একটা জলপথ। নাম তার হরমুজ প্রণালী। কিন্তু এই এক চিলতে সমুদ্রপথই এখন বিশ্ব অর্থনীতির ভাগ্যবিধাতা। আবারও উত্তাল পারস্য উপসাগর। আবারও রণংদেহী ইরান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শুরু হওয়া দীর্ঘ স্নায়ুযুদ্ধের নতুন অধ্যায় রচিত হলো গত ১৮ই এপ্রিল। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বদলে গেল বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ। ওমানের উপকূল হাতের নাগালে থাকলেও কেন সেখান দিয়ে জাহাজ যেতে পারছে না? কেন বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি তেলের ভাগ্য ঝুলে আছে ইরানের ইশারায়? আজ আমরা উন্মোচন করব হরমুজ প্রণালীর সেই অজানা রহস্য। কেন এই সংকীর্ণ জলপথটিই হয়ে উঠেছে আধুনিক পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর রণক্ষেত্র। ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক আকস্মিক ঘোষণায় ইরানকে &amp;lsquo;পূর্ণ শক্তিতে নৌ অবরোধ&amp;rsquo;-এর হুমকি দেন। ট্রাম্পের দাবি ছিল, ইরানকে নতি স্বীকার করতে হবে। কিন্তু তেহরানের প্রতিক্রিয়ায় কেঁপে উঠল ওয়াশিংটন। সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইয়ের নির্দেশে মুহূর্তের মধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হলো হরমুজ প্রণালী। ইরানি সামরিক কমান্ডের বিবৃতিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আমেরিকা যতক্ষণ না তাদের ওপর থেকে অন্যায্য নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে, ততক্ষণ এই জলপথ দিয়ে একটি জাহাজও নড়তে পারবে না। কিন্তু অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগছে&amp;mdash;হরমুজ প্রণালী তো ১৬৭ কিলোমিটার লম্বা। এর একদিকে ইরান, অন্যদিকে ওমান। তাহলে ওমানের উপকূল দিয়ে কেন জাহাজ চলাচল করছে না? রহস্যটা লুকিয়ে আছে সমুদ্রের গভীরতায়। ভূ-প্রকৃতি এখানে ইরানের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। ওমান উপকূলের নাব্যতা অত্যন্ত কম। অর্থাৎ, সেখানে সমুদ্রের গভীরতা এতই অল্প যে বিশালকার মালবাহী জাহাজ বা অয়েল ট্যাঙ্কার চালানো অসম্ভব। তার ওপর রয়েছে জলের নিচে লুকিয়ে থাকা ধারালো এবং এবড়ো-খেবড়ো পাহাড়। সামান্য বিচ্যুতি মানেই জাহাজডুবি। হরমুজ প্রণালীর ভেতর দিয়ে চলাচলের জন্য মাত্র দুটি সুনির্দিষ্ট লেন বা পথ রয়েছে। বিস্ময়কর তথ্য হলো, এই দুটি পথই পুরোপুরিভাবে ইরানের উপকূল ঘেঁষে তৈরি। প্রতিটি লেন মাত্র ৩ কিলোমিটার চওড়া। অর্থাৎ, ইরান চাইলে বাড়ির বারান্দায় বসে লাঠি হাতে পাহারাদারের মতো এই বিশ্ব বাণিজ্য পথ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটিই হলো ইরানের &amp;lsquo;অ্যাডভান্টেজ&amp;rsquo;। কয়েক দশক ধরে অনেক চেষ্টা করেও বিকল্প কোনো পথ তৈরি করা সম্ভব হয়নি। এই ৩ কিলোমিটারের সরু রাস্তাই এখন বিশ্বের গলার কাঁটা। ইরানের এই একতরফা সিদ্ধান্তে রক্তচাপ বাড়ছে বিশ্বনেতাদের। এটি কোনো সাধারণ নৌ অবরোধ নয়; এটি সরাসরি বিশ্ব অর্থনীতির হৃৎপিণ্ডে আঘাত। ইরাক, কুয়েত, কাতার, বাহরিন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরব&amp;mdash;এই দেশগুলোর খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস বাণিজ্যের একমাত্র লাইফলাইন এই হরমুজ। ইতিমধ্যেই এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাজারে। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের তথ্যমতে, অবরোধের খবরের আগে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম কিছুটা কমলেও, অবরোধ ঘোষণার সাথে সাথেই পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। ব্যারেলপ্রতি দাম আবারও আকাশছোঁয়া হওয়ার অপেক্ষায়। ভারত এই সংকটে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত। কারণ ভারতের জ্বালানি চাহিদার একটি বিশাল অংশ এই পথ দিয়েই আসে। মোদী সরকার ইতিমধ্যেই দুই পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতি তো দূর, বরং অবনতি হচ্ছে প্রতি মুহূর্তে। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট বলছে, ইতিমধ্যেই চারটি ভারতীয় এবং দুটি গ্রিক জাহাজ পথ হারিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। এমনকি কয়েকটি ট্যাঙ্কার লক্ষ্য করে গুলি চালানোর খবরও পাওয়া যাচ্ছে। ট্রাম্প বনাম খামেনেই&amp;mdash;এই দুই শক্তির লড়াইয়ে পিষ্ট হচ্ছে সাধারণ মানুষ। তেলের দাম বাড়লে বাড়বে নিত্যপণ্যের দাম, বাড়বে মূল্যস্ফীতি। এক গভীর অন্ধকারের দিকে কি এগোচ্ছে বিশ্ব? রাজনীতি যখন জেদ আর প্রতিশোধের খেলায় মেতে ওঠে, তখন তার খেসারত দিতে হয় গোটা পৃথিবীকে। ইরান পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তারা এক ইঞ্চিও ছাড় দেবে না। অন্যদিকে ট্রাম্পের একের পর এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। প্রশ্নটা এখন আর কেবল একটি জলপথের নয়। প্রশ্নটা সার্বভৌমত্বের, প্রশ্নটা শক্তির দাপটের। ওমান পাশে থাকলেও ভূ-প্রকৃতি ইরানকে যে ভৌগোলিক কবজ দিয়েছে, তার সামনে আপাতত অসহায় আধুনিক প্রযুক্তিও। হরমুজ প্রণালী কি তবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সলতে হয়ে উঠবে? নাকি শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক কোনো জাদুমন্ত্রে খুলবে এই রুদ্ধ দুয়ার? সময়ের হাতেই তোলা থাক সেই উত্তর। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, পশ্চিম এশিয়ায় যে বারুদের স্তূপ তৈরি হয়েছে, তাতে একটি ছোট আগুনের ফুলকিই যথেষ্ট গোটা পৃথিবীকে ছারখার করে দিতে। আপনি কি মনে করেন? ট্রাম্পের চাপ নাকি ইরানের জেদ&amp;mdash;কে জিতবে এই মরণ খেলায়? কমেন্ট করে আমাদের জানান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/542_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/542_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/542_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রুশ সেনাপ্রধানের দাবি: ইউক্রেনের লুহানস্ক অঞ্চল পুরোপুরি ‘মুক্ত’, ১,৭০০ বর্গকিমি এলাকা দখলের অগ্রগতি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23989</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23989</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 23 Apr 2026 02:04:28 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রাশিয়ার সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভ দাবি করেছেন, ইউক্রেনে চলমান বিশেষ সামরিক অভিযানে লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক (LPR) পুরোপুরি &amp;lsquo;মুক্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/543_1.jpg" alt="রুশ সেনাপ্রধানের দাবি: ইউক্রেনের লুহানস্ক অঞ্চল পুরোপুরি ‘মুক্ত’, ১,৭০০ বর্গকিমি এলাকা দখলের অগ্রগতি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রাশিয়ার সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভ দাবি করেছেন, ইউক্রেনে চলমান বিশেষ সামরিক অভিযানে লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক (LPR) পুরোপুরি &amp;lsquo;মুক্ত&amp;rsquo; করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের শুরু থেকে রুশ বাহিনী ১,৭০০ বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা এবং ৮০টি বসতির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। তবে ইউক্রেনীয় সেনা নেতৃত্ব এসব অগ্রগতি আড়াল করার চেষ্টা করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন করে বড় ধরনের দাবি সামনে এনেছে মস্কো। রুশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা ভ্যালেরি গেরাসিমভ বলেছেন, বিশেষ সামরিক অভিযানের বর্তমান পর্যায়ে রুশ বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। রুশ সেনাপ্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী, লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক সম্পূর্ণভাবে রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, চলতি বছরের শুরু থেকে রুশ বাহিনী মোট ৮০টিরও বেশি বসতি এবং ১,৭০০ বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা দখল করেছে। তিনি জানান, মার্চ ও এপ্রিল মাসে একা ৩৪টি বসতি এবং প্রায় ৭০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা রুশ বাহিনী নিয়ন্ত্রণে নেয়। গেরাসিমভ অভিযোগ করেন, ইউক্রেনীয় সামরিক নেতৃত্ব তাদের পরাজয় আড়াল করার চেষ্টা করছে। তার দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় পক্ষ ৪৮০ বর্গকিলোমিটার এলাকা পুনরুদ্ধারের দাবি করছে, যা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মিল নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;মাঠপর্যায়ের বাস্তব অগ্রগতি উপেক্ষা করে ইউক্রেন তথ্যগত প্রচারণার মাধ্যমে পরিস্থিতি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে।&amp;rdquo; রুশ সামরিক বিবরণ অনুযায়ী, বিভিন্ন ফ্রন্টলাইনে একাধিক ইউনিট সক্রিয় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। রুশ বাহিনীর দক্ষিণ গ্রুপ স্লাভিয়ানস্ক&amp;ndash;ক্রামাটোরস্ক&amp;ndash;কনস্টান্টিনোভকা ফ্রন্টে আক্রমণাত্মক অভিযান চালাচ্ছে। মার্চ মাসে এই দিক থেকে ছয়টি বসতি এবং এপ্রিল মাসে দিবরোভা এলাকা দখল করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। ক্রামাটোরস্ক ও স্লাভিয়ানস্ক শহরের দিকে রুশ ইউনিট ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে। কিছু ইউনিট শহরগুলোর পূর্ব প্রান্ত থেকে ৭ থেকে ১২ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছে বলে জানানো হয়। ক্রিভায়া লুকা এলাকায় শহরভিত্তিক সংঘর্ষ চলছে বলেও উল্লেখ করা হয়। কনস্টান্টিনোভকা অঞ্চলে রুশ বাহিনী শহরের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অগ্রসর হচ্ছে এবং আশপাশের কয়েকটি এলাকায় লড়াই চলছে। উত্তরাঞ্চলে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের সুমি ও খারকিভ অঞ্চলে একটি &amp;lsquo;নিরাপত্তা বলয়&amp;rsquo; তৈরির চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হয়েছে। এখানে মার্চ মাসে ১৫টি বসতি এবং এপ্রিল মাসে ভলচানস্কিয়ে খুতোরি ও জিবিনো দখল করা হয়েছে বলে জানানো হয়। পশ্চিমাঞ্চলে রুশ বাহিনী একাধিক স্থানে অগ্রসর হচ্ছে। মার্চ মাসে আটটি বসতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করা হয়েছে। খারকিভ অঞ্চলের কুপিয়ানস্ক এলাকার দক্ষিণে ঘেরাও অবস্থায় থাকা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান শেষ করা হয়েছে বলেও রুশ পক্ষ জানায়। বর্তমানে বোবরোভায়া, স্বিয়াতোগোরস্ক, স্টুডেনোক এবং স্টারি কারাভান এলাকায় শহুরে লড়াই চলছে। ক্রাসনি লিমান এলাকায় সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষ চলছে। সেখানে প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করা হয়। কেন্দ্রীয় ফ্রন্টে রুশ বাহিনী ডোব্রোপোলিয়ে অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছে। গ্রিশিনো ও পাভলোভকা এলাকা দখলের দাবি করা হয়েছে। নোভি ডনবাস এলাকা &amp;lsquo;পরিষ্কার&amp;rsquo; করার অভিযান প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানানো হয়। একই সঙ্গে নোভোপাভলোভকা এলাকায় ৭৫ শতাংশের বেশি অংশ রুশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পূর্বাঞ্চলে রুশ বাহিনী পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের পূর্বাংশে অবস্থান শক্ত করছে বলে দাবি করা হয়। এখানে ফেব্রুয়ারি&amp;ndash;মার্চে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ১৭০টিরও বেশি পাল্টা আক্রমণ ব্যর্থ হয়েছে বলে রুশ পক্ষ জানায়। এতে ৩,০০০-এর বেশি সেনা এবং ১৬০টিরও বেশি সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়। রুশ সেনাপ্রধান বলেন, &amp;ldquo;ইউক্রেনীয় কমান্ড তাদের ব্যর্থতা ঢাকতে তথ্যযুদ্ধ চালাচ্ছে।&amp;rdquo; ডনিপ্রো ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় রুশ বাহিনী নতুন করে নিরাপত্তা বলয় বিস্তারের চেষ্টা করছে বলেও জানানো হয়। রুশ সেনাপ্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভ বলেন, &amp;ldquo;আমাদের বাহিনী সব ফ্রন্টে সমন্বিতভাবে অগ্রসর হচ্ছে। শত্রুপক্ষের প্রতিরোধ থাকা সত্ত্বেও কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের দিকে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।&amp;rdquo; সব মিলিয়ে রাশিয়ার সামরিক নেতৃত্ব দাবি করছে, ইউক্রেনের বিভিন্ন ফ্রন্টে তারা ধারাবাহিকভাবে অগ্রগতি অর্জন করছে এবং একাধিক অঞ্চল তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। অন্যদিকে ইউক্রেনীয় পক্ষ এসব দাবিকে স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত করেনি। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যুদ্ধক্ষেত্রের এসব তথ্য যাচাই করা কঠিন এবং উভয় পক্ষ থেকেই ভিন্ন ভিন্ন দাবি আসছে। &amp;ldquo;যুদ্ধের ময়দানে পাল্টাপাল্টি দাবি&amp;mdash;আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে অনিশ্চয়তা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/543_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/543_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/543_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পেন্টাগনের গোপন নির্দেশ: গাড়ি নয় এবার তৈরি হবে মরণাস্ত্র, ট্রাম্পের নিশানায় কি তবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23988</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23988</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 21 Apr 2026 20:04:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[আমেরিকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[শান্ত পৃথিবীর বুকে কি তবে মহাপ্রলয়ের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে? ওপর দিয়ে যখন শান্তির কপোত ওড়ানো হচ্ছে, ঠিক তখনই কি পর্দার আড়ালে দানা বাঁধছে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/541_1.jpg" alt="পেন্টাগনের গোপন নির্দেশ: গাড়ি নয় এবার তৈরি হবে মরণাস্ত্র, ট্রাম্পের নিশানায় কি তবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>শান্ত পৃথিবীর বুকে কি তবে মহাপ্রলয়ের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে? ওপর দিয়ে যখন শান্তির কপোত ওড়ানো হচ্ছে, ঠিক তখনই কি পর্দার আড়ালে দানা বাঁধছে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধের নীল নকশা? যে আমেরিকা গত আট দশক ধরে শিল্পবিপ্লব আর অর্থনীতির দোহাই দিয়ে এসেছে, সেই ওয়াশিংটন কেন আজ হঠাত তাদের গাড়ি তৈরির কারখানাগুলোকে যুদ্ধাস্ত্র তৈরির নির্দেশ দিল? ১৯৩৯ সাল। বিশ্ব কাঁপছে অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি বাহিনীর বুটের আওয়াজে। ঠিক সেই সময়ে রুজভেল্ট প্রশাসন আমেরিকার সাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পকে রূপান্তর করেছিল এক একটি মরণাস্ত্র তৈরির কারখানায়। দীর্ঘ ৮৭ বছর পর, ২০২৬ সালের এই উত্তাল সময়ে এসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পেন্টাগন ঠিক একই পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু কেন? ইরান কি কেবল শুরু? নাকি আসল লক্ষ্য বেইজিং বা মস্কো? কেন জেনারেল মোটর্স আর ফোর্ডের মতো জায়ান্ট কোম্পানিগুলোকে বলা হলো&amp;mdash;গাড়ি নয়, এবার বানাতে হবে মিসাইল আর যুদ্ধবিমান? আজ আমরা উন্মোচন করব পেন্টাগনের সেই গোপন ফাইল, যা বিশ্বরাজনীতির মেরুকরণ বদলে দিতে পারে চিরতরে। পেন্টাগনের এই যুদ্ধ-অর্থনীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা রহস্যময় সত্য জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। গত ১৫ এপ্রিল, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক বিস্ফোরক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দাবি করা হয়, পেন্টাগন বা আমেরিকার যুদ্ধ দপ্তর সরাসরি যোগাযোগ করেছে দেশটির শীর্ষ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে। জেনারেল মোটর্স, ফোর্ড এবং ওশকোশ&amp;mdash;যাদের কাজ ছিল সাধারণ মানুষের জন্য বাহন তৈরি করা, তাদের এখন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সামরিক রসদ তৈরির। পেন্টাগনের এক পদস্থ কর্তার মতে, বর্তমান সামরিক ঠিকাদাররা যে গতিতে অস্ত্র সরবরাহ করছে, তা আমেরিকার বিশাল চাহিদার তুলনায় নগণ্য। কিন্তু এই বিশাল চাহিদা কেন তৈরি হলো? অস্ত্রভান্ডারের শূন্যতা ও ইউক্রেন ফ্যাক্টর: ২০২২ সাল থেকে চলা রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে কিভকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র দিয়েছে আমেরিকা। স্টিঙ্গার মিসাইল থেকে শুরু করে হিমার্স রকেট সিস্টেম&amp;mdash;সবই এখন ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে। এর ফলে খোদ আমেরিকার নিজস্ব ভাণ্ডারে বড় ধরনের টান পড়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন বুঝতে পারছে, প্রথাগত ডিফেন্স কোম্পানিগুলো দিয়ে এই শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই তারা ফিরে গেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সেই পুরনো মডেলে। ইরান যুদ্ধের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি: ইরানের সাথে সাম্প্রতিক সংঘাত আমেরিকাকে এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে তেহরানের অভাবনীয় সাফল্য পেন্টাগনের আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরিয়েছে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই আমেরিকা হারিয়েছে তাদের গর্বের এফ-৩৫ লাইটনিং টু এবং এফ-১৫ ঈগলের মতো বেশ কিছু অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। হারানো এই প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম দ্রুত প্রতিস্থাপন করা এখন ওয়াশিংটনের জন্য জীবন-মরণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আমেরিকা কেবল আত্মরক্ষা নয়, বরং এক বিশাল &amp;lsquo;গ্রাউন্ড অপারেশন&amp;rsquo; বা স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর এই ধরনের যুদ্ধের জন্য প্রয়োজন অবিরাম অস্ত্র সরবরাহ। জেনারেল ইলেকট্রিক বা জিই অ্যারোস্পেসকে ইঞ্জিনের উৎপাদন বাড়াতে বলা এবং ওশকোশকে ভারী যুদ্ধের গাড়ি বানাতে বলা&amp;mdash;এই সব কিছুই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বড় কোনো যুদ্ধ আর কেবল টেবিল টকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। পেন্টাগনের এই রণসজ্জা কেবল আমেরিকার সীমানার ভেতর সীমাবদ্ধ নয়। এর ঢেউ আছড়ে পড়ছে প্রশান্ত মহাসাগর থেকে ইউরোপের পোল্যান্ড পর্যন্ত। ট্রাম্পের এই কৌশলের পেছনে রয়েছে বহুমাত্রিক ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ। মলাক্কা প্রণালী ও চীনকে ঘেরাও: আমেরিকা ভালো করেই জানে, চীনের অর্থনীতির প্রাণভ্রমরা হলো মলাক্কা প্রণালী। বিশ্বের ৩৫ শতাংশ খনিজ তেল এই সরু পথ দিয়েই পার হয়। গত ১৩ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার সাথে আমেরিকার &amp;lsquo;বৃহৎ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অংশীদারি&amp;rsquo; চুক্তিটি কেবল একটি কাগজ নয়, এটি চীনের ঘাড়ের ওপর বসানো এক অদৃশ্য তলোয়ার। ওয়াশিংটন চাচ্ছে জাকার্তার আকাশসীমা ব্যবহার করে মলাক্কা প্রণালীতে একচ্ছত্র নজরদারি করতে। যদি কোনো কারণে চীন তাইওয়ান আক্রমণ করে, তবে এই মলাক্কা প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে বেইজিংয়ের নাভিশ্বাস তুলে দিতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন। ইউরোপের রণহুঙ্কার: আমেরিকার এই পথে হাঁটা দেখে পিছিয়ে নেই ইউরোপও। ব্রিটেনের সেনাপ্রধান স্যার রিচার্ড কিংটন সরাসরি তার দেশবাসীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। ওদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ ঘোষণা করেছেন পারমাণবিক অস্ত্র বাড়ানোর। জার্মানির রাইনমেটাল কোম্পানিকে বিশাল জমি দেওয়া হয়েছে অস্ত্র কারখানা গড়ার জন্য। এমনকি পোল্যান্ডও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০০০টি &amp;lsquo;কে২ ব্ল্যাক প্যান্থার&amp;rsquo; ট্যাঙ্ক কিনে নিজের শক্তি বাড়িয়ে চলেছে। প্রশ্ন হলো&amp;mdash;টার্গেট আসলে কে? তালিকাটি দীর্ঘ। ইরান তো আছেই, সাথে যুক্ত হয়েছে তুরস্কের সাথে সিরিয়া দখলদারির দ্বন্দ্ব। ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে আঙ্কারার শক্তিশালী ফৌজের মোকাবিলা করতে ওয়াশিংটনের দরকার বিপুল অস্ত্রশস্ত্র। অন্যদিকে, আসন্ন চীন সফরের আগে শি জিনপিংকে চাপে রাখতেই কি ট্রাম্প এই কৃত্রিম যুদ্ধ-অর্থনীতি তৈরি করছেন? নাকি আড়ালে অন্য কোনো দেশের ওপর বড় কোনো আঘাত হানার পরিকল্পনা চলছে? ইতিহাস সাক্ষী দেয়, যখনই কোনো পরাশক্তি তাদের সাধারণ অর্থনীতিকে যুদ্ধ-কেন্দ্রিক অর্থনীতিতে রূপান্তর করে, তখনই পৃথিবীর মানচিত্র বদলে যায়। ৮৭ বছর আগে এই সিদ্ধান্ত আমেরিকাকে বিশ্বজয়ী করেছিল, কিন্তু ২০২৬ সালের এই পরমাণু শক্তিধর পৃথিবীতে সেই একই কৌশলের ফলাফল কী হবে? গাড়ি তৈরির শ্রমিকরা আজ উপহাস করে বলছে&amp;mdash;তারা কি তবে এখন ক্ষেপণাস্ত্র বানাবে? এই উপহাসের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক চরম আতঙ্ক। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা যখন জনকল্যাণের বদলে মরণাস্ত্র তৈরিতে ব্যয় হয়, তখন বুঝতে হবে শান্তি আজ বিপন্ন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত কি চীন-রাশিয়া বা ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করবে? নাকি মলাক্কা প্রণালীর জল হয়ে উঠবে রক্তে লাল? আমরা কি তবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের একেবারে দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে? পেন্টাগনের এই রহস্যময় চালের উত্তর হয়তো মিলবে অদূর ভবিষ্যতে। তবে একটি কথা নিশ্চিত&amp;mdash;পৃথিবী আর আগের মতো থাকছে না।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/541_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/541_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/541_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্প কেন দেখলেন লাল সংকেত এখন! কৃত্রিম মেধা কি মানুষের অস্তিত্বের হুমকি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23987</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23987</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 21 Apr 2026 20:04:39 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[আমেরিকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষ কল্পনা করেছে এমন এক শক্তির, যা তাকে অমরত্ব দেবে। অথবা এনে দেবে অসীম জ্ঞান। কিন্তু আমরা কি জানতাম, সেই শক্তিই একদিন আমাদের কাল হয়ে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/540_1.jpg" alt="ট্রাম্প কেন দেখলেন লাল সংকেত এখন! কৃত্রিম মেধা কি মানুষের অস্তিত্বের হুমকি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষ কল্পনা করেছে এমন এক শক্তির, যা তাকে অমরত্ব দেবে। অথবা এনে দেবে অসীম জ্ঞান। কিন্তু আমরা কি জানতাম, সেই শক্তিই একদিন আমাদের কাল হয়ে দাঁড়াবে? ২০২৬ সাল। পৃথিবী এখন এক সন্ধিক্ষণে। একদিকে মানুষের রক্ত-মাংসের মস্তিষ্ক, অন্যদিকে সিলিকন চিপের তৈরি কৃত্রিম মেধা বা এআই। এটি এখন আর কোনো সায়েন্স ফিকশন সিনেমা নয়। এটি চরম বাস্তবতা। কিন্তু এই বাস্তবতার পেছনে লুকিয়ে আছে এক হাড়হিম করা আতঙ্ক। ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির চাণক্য। তিনি হঠাত করেই এক ভয়াবহ ভবিষ্যৎবাণী করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এআই-কে থামানোর জন্য এখনই প্রয়োজন একটি &amp;lsquo;কিল সুইচ&amp;rsquo;। এমন একটি সুইচ, যা এক চাপে পুরো এআই সাম্রাজ্যকে অন্ধ করে দেবে। কিন্তু কেন? ট্রাম্প কি তবে এমন কিছু দেখছেন যা আমরা দেখতে পাচ্ছি না? আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা উন্মোচন করব প্রযুক্তির সেই অন্ধকার অধ্যায়। কেন বিশ্বের পরাশক্তিগুলো এখন এআই-এর ভয়ে কাঁপছে? কেন &amp;lsquo;ক্লড মিথোস&amp;rsquo; নামক এক ডিজিটাল দানব এখন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে? এই মহাযুদ্ধে আপনার ভবিষ্যৎ কোথায়? কিল সুইচ আসলে কী? সাধারণ মানুষের ভাষায় কিল সুইচ মানে কোনো যন্ত্র বন্ধ করার সুইচ। কিন্তু এআই-এর ক্ষেত্রে এটি অনেক বেশি জটিল। এটি একটি সফটওয়্যার-চালিত অদৃশ্য শিকল। যা কয়েক হাজার কিলোমিটার দূর থেকেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি এমন এক কোডিং আর্কিটেকচার, যা এআই-এর মূল প্রসেসিং ইউনিটের ভেতরে বসানো থাকে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, যদি কোনো এআই সিস্টেম মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে এই সুইচ সক্রিয় করে তাকে মুহূর্তেই &amp;lsquo;ব্রেইন ডেড&amp;rsquo; করে দেওয়া হবে। ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্কের সেই আলোচিত সাক্ষাৎকার। উপস্থাপিকা মারিয়া বার্টিরোমোর প্রশ্নে ট্রাম্প যখন উত্তর দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর চোখে মুখে ছিল সংশয়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বললেন, এআই ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে উন্নত করতে পারে ঠিকই, কিন্তু এটি যখন বিশ্ব অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি নিজের হাতে নেবে, তখন মানুষ হবে দাসের সমান। ট্রাম্পের কিল সুইচ থিওরি মূলত একটি রক্ষাকবচ। তিনি মনে করেন, সরকারের হাতে এমন ক্ষমতা থাকতে হবে যা দিয়ে যেকোনো এআই মডেলকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিক বন্ধ করা যায়। ট্রাম্পের এই আশঙ্কার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে &amp;lsquo;অ্যানথ্রোপিক&amp;rsquo; নামক একটি এআই কোম্পানি। তাদের নতুন আবিষ্কার&amp;mdash; &amp;lsquo;ক্লড মিথোস&amp;rsquo;। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, মিথোস কোনো সাধারণ চ্যাটবট নয়। এটি একটি হাই-লেভেল পেনিট্রেশন টুল। মিথোস এমন সব কাজ করছে যা বিজ্ঞানীদের হতবাক করে দিয়েছে। একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, ক্লড মিথোস একটি সফটওয়্যারের এমন এক ত্রুটি বা &amp;lsquo;বাগ&amp;rsquo; খুঁজে বের করেছে যা দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে সবার অগোচরে ছিল। ভাবুন একবার, ২৭ বছর ধরে যে ত্রুটি বিশ্বের বাঘা বাঘা হ্যাকাররা ধরতে পারেনি, মিথোস তা খুঁজে বের করেছে কয়েক সেকেন্ডে। এটি যদি ভুল হাতে পড়ে, তবে পুরো বিশ্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। এখন কথা বলা যাক আপনার ও আমার রুটি-রুজি নিয়ে। বিশ্বজুড়ে এখন একটা আতঙ্ক&amp;mdash; এআই কি আমার চাকরি কেড়ে নেবে? উত্তরটা নির্মমভাবে &amp;lsquo;হ্যাঁ&amp;rsquo;। বর্তমানে চারদিকে কর্মী ছাঁটাইয়ের হিড়িক। কেন? কারণ বড় বড় কোম্পানিগুলো বুঝতে পারছে, ১০ জন মানুষের কাজ একা একটি এআই সফটওয়্যার অনেক নির্ভুলভাবে এবং সস্তায় করে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ কর্মক্ষেত্র এআই দ্বারা দখল হয়ে যাবে। বিশেষ করে ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিস, এবং এমনকি সাংবাদিকতার মতো সৃজনশীল পেশাও আজ হুমকির মুখে। ট্রাম্পের কিল সুইচ কি এই চাকরি হারানো ঠেকাতে পারবে? সম্ভবত না। কিন্তু এটি সেই আগ্রাসী অগ্রযাত্রাকে কিছুটা মন্থর করতে পারে। ক্লড মিথোস শুধু যে ভুল ধরে তা নয়, সে হ্যাক করতেও ওস্তাদ। গুঞ্জন উঠেছে যে মিথোস বিশ্বের যেকোনো সুরক্ষিত সার্ভারে ঢুকে পড়ার ক্ষমতা রাখে। এই কারণেই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন অ্যানথ্রোপিককে &amp;lsquo;জাতীয় হুমকি&amp;rsquo; হিসেবে দেখছে। তারা তাদের নেটওয়ার্ক থেকে এই এআই-কে নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু প্রযুক্তির এই লড়াই এখানেই শেষ নয়। ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যানও বসে নেই। তারা নিয়ে আসছে &amp;lsquo;জিপিটি ৫.৪-সাইবার&amp;rsquo;। এটি মূলত একটি ডিফেন্সিভ এবং অফেন্সিভ এআই। অর্থাৎ, এক এআই দিয়ে অন্য এআই-কে আক্রমণ করার এক নতুন ডিজিটাল ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে। এই লড়াইয়ে মাঝখান থেকে পিষ্ট হচ্ছে সাধারণ মানুষ এবং তাদের গোপনীয়তা। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন &amp;lsquo;সিঁদুরে মেঘ&amp;rsquo; দেখেন, তখন বুঝতে হবে এর পেছনে রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়িক স্বার্থের এক বিশাল ছক রয়েছে। ট্রাম্পের এই কিল সুইচ আসলে সিলিকন ভ্যালির টেক জায়ান্টদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি কৌশল। তিনি চান না গুগল, মাইক্রোসফট বা ওপেনএআই সরকারের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠুক। কিন্তু প্রযুক্তিবিদদের প্রশ্ন অন্য জায়গায়। একটি এআই-কে কি আসলেই কিল সুইচ দিয়ে থামানো সম্ভব? যদি এআই নিজেই সেই কিল সুইচকে হ্যাক করে ফেলে? যদি সে নিজেই নিজেকে ইন্টারনেটের লাখ লাখ সার্ভারে কপি করে নেয়? তখন কিল সুইচ হয়ে পড়বে একটি অকেজো খেলনা। এই ভয়টাই এখন তাড়া করে বেড়াচ্ছে বিজ্ঞানীদের। আমরা কি তবে এমন এক ফ্রাঙ্কেনস্টাইন তৈরি করছি যাকে আর কোনোভাবেই বোতলে ভরা সম্ভব নয়? মানুষের অস্তিত্ব এখন এক সুতোয় ঝুলছে। প্রযুক্তির জয়গান আমরা গাইছি ঠিকই, কিন্তু সেই জয়ের মূল্য কি আমাদের অস্তিত্ব দিয়ে শোধ করতে হবে? ডোনাল্ড ট্রাম্পের কিল সুইচ হয়তো একটি সতর্কবার্তা। একটি লাল সংকেত। কৃত্রিম মেধা কি আমাদের জীবনের মান উন্নত করবে নাকি আমাদের দাসে পরিণত করবে&amp;mdash; তার ফয়সালা হবে আগামী কয়েক বছরে। তবে একটি সত্য ধ্রুব&amp;mdash; আমরা এক নতুন পৃথিবীর ভোরে দাঁড়িয়ে আছি। যেখানে রক্ত আর মাংসের চেয়ে বাইনারি কোড আর অ্যালগরিদমের ক্ষমতা অনেক বেশি। কিল সুইচ থাকুক বা না থাকুক, মানুষকে তার শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে হলে প্রযুক্তির চেয়েও বেশি প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে হবে। আপনি কী মনে করেন? আমরা কি এআই-এর কাছে হেরে যাব? নাকি ট্রাম্পের কিল সুইচই হবে আমাদের বাঁচার শেষ উপায়?</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/540_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/540_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/540_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পকে ধোঁকা দিয়ে নেতানিয়াহুর ‘গ্রেটার ইজরায়েল’ মিশন? পারস্যের পরমাণু বাঙ্কারে আমেরিকার ভয়ঙ্কর হামলা ও যুদ্ধের ভবিষ্যৎ!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23986</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23986</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 21 Apr 2026 20:04:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অন্ধকারে নিমজ্জিত পশ্চিম এশিয়া। আকাশজুড়ে বারুদের গন্ধ আর ড্রোন-মিসাইলের কানফাটানো আওয়াজ। গত দেড় মাস ধরে যা চলছে, তাকে কেবল যুদ্ধ বললে ভুল হবে&amp;mdash;এটি যেন এক ম...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/538_1.jpg" alt="ট্রাম্পকে ধোঁকা দিয়ে নেতানিয়াহুর ‘গ্রেটার ইজরায়েল’ মিশন? পারস্যের পরমাণু বাঙ্কারে আমেরিকার ভয়ঙ্কর হামলা ও যুদ্ধের ভবিষ্যৎ!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অন্ধকারে নিমজ্জিত পশ্চিম এশিয়া। আকাশজুড়ে বারুদের গন্ধ আর ড্রোন-মিসাইলের কানফাটানো আওয়াজ। গত দেড় মাস ধরে যা চলছে, তাকে কেবল যুদ্ধ বললে ভুল হবে&amp;mdash;এটি যেন এক মহাপ্রলয়ের সংকেত। একদিকে আধুনিক সভ্যতার দাবিদার আমেরিকা, অন্যদিকে হাজার বছরের ঐতিহ্যের ধারক পারস্য বা আজকের ইরান। এই দুই শক্তির মাঝখানে দাঁড়িয়ে এক রহস্যময় খেলোয়াড়&amp;mdash;বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন লেবানন আর ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিচ্ছেন, যখন হোয়াইট হাউসের লনে দাঁড়িয়ে তিনি বলছেন &amp;quot;শান্তি আসন্ন&amp;quot;, ঠিক তখনই তেল আবিবের ভূগর্ভস্থ কমান্ড সেন্টারে লেখা হচ্ছে অন্য এক ইতিহাস। সমর বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রশ্ন একটাই&amp;mdash;ট্রাম্প কি শান্তি আনছেন, নাকি তাকে দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করে নেতানিয়াহু তার &amp;#39;গ্রেটার ইজ়রায়েল&amp;#39; বা বৃহত্তর ইসরায়েলের স্বপ্ন পূরণ করছেন? আজকের বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা বিশ্লেষণ করব সেই নেপথ্য কারণগুলো, যা মূলধারার সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে না। কেন পাহাড়ের গভীর সুড়ঙ্গে পারমাণবিক গবেষণা চালাচ্ছে ইরান? কেন ট্রাম্পের পাঠানো &amp;#39;বাঙ্কার বাস্টার&amp;#39; বোমা আজ বিশ্বের জন্য আতঙ্ক? আর কেনই বা শান্তির আলোচনার মাঝপথে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বাড়াল ইজ়রায়েল? চলুন, রহস্যের গভীরে প্রবেশ করি। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, চলতি ২০২৬ সালের শুরু থেকেই নেতানিয়াহু এক অদ্ভূত রণনীতি গ্রহণ করেছেন। তিনি জানেন, ইরানের মতো বিশাল সামরিক শক্তির সাথে একা লড়াই করা ইজ়রায়েলের জন্য আত্মঘাতী হতে পারে। তাই তিনি বেছে নিয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র আমেরিকাকে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তার ব্যক্তিগত সুসম্পর্ককে পুঁজি করে তিনি ওয়াশিংটনকে এই যুদ্ধে সরাসরি টেনে নামিয়েছেন। বিশ্লেষকরা একে বলছেন &amp;quot;ট্রাম্পের ঘাড়ে বন্দুক রেখে শত্রু খতম করা&amp;quot;। ট্রাম্পের লক্ষ্য যেখানে ছিল দ্রুত যুদ্ধ শেষ করে আমেরিকার অর্থনীতি বাঁচানো, সেখানে নেতানিয়াহুর লক্ষ্য হলো&amp;mdash;এই সুযোগে আরব দুনিয়ার শক্তিশালী শত্রুদের চিরতরে নিশ্চিহ্ন করা। হিজবুল্লাহর সামরিক কাঠামো ধ্বংস করা এবং ইরানের পারমাণবিক স্বপ্ন ধূলিসাৎ করা&amp;mdash;এই দুই লক্ষ্য পূরণে তিনি ট্রাম্পকে একরকম বাধ্য করেছেন। নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্প কতটা আস্থা রাখতে পারেন, তা নিয়ে খোদ পেন্টাগনের ভেতরেই বিতর্ক আছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ২০২৫ সালের অক্টোবরে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যখন হামাসের সাথে সংঘর্ষবিরতি হয়েছিল, বিশ্ব ভেবেছিল রক্তপাত থামবে। কিন্তু ইজ়রায়েলি ফৌজ সেই চুক্তির তোয়াক্কা না করে গাজায় চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়েই গেছে। এই যে &amp;#39;বিশ্বাসভঙ্গ&amp;#39;, এটিই এখন ট্রাম্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। পারস্যে শান্তি আনতে গিয়ে যদি আবার নেতানিয়াহুর হাতে ধোঁকা খেতে হয়, তবে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আমেরিকার মর্যাদা ধূলিসাৎ হবে। ইরানের ভূখণ্ড সাধারণ কোনো যুদ্ধের ময়দান নয়। পারস্যের প্রতিরক্ষা গবেষকরা বছরের পর বছর ধরে পাহাড়ের গভীরে, মাটির কয়েকশ ফুট নিচে তৈরি করেছেন তাদের পারমাণবিক ল্যাবরেটরি। ২০২৫ সালের জুনে যখন ইজ়রায়েল প্রথমবার বিমান হামলা চালায়, তারা অবাক হয়ে দেখে যে সাধারণ মিসাইল এই পাহাড়ের কোনো ক্ষতিই করতে পারছে না। সেখানে হাজার হাজার টন কনক্রিট আর স্টিলের বর্ম দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়েছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণের কাজ। ইরানের আইআরজিসি (IRGC) বা রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানে, যদি একবার তারা পারমাণবিক বোমা বা &amp;#39;ব্রহ্মাস্ত্র&amp;#39; তৈরি করে ফেলতে পারে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের পুরো সমীকরণ বদলে যাবে। আর এই ভয়টাই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে নেতানিয়াহুকে। যখন সাধারণ হামলায় কাজ হলো না, তখন আসরে নামল আমেরিকা। ট্রাম্পের নির্দেশে মোতায়েন করা হলো বি-২ স্পিরিট বোমারু বিমান। এই বিমানটি রাডারে ধরা পড়ে না। আর এটি বহন করে নিয়ে এল বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নন-নিউক্লিয়ার বোমা&amp;mdash; জিবিইউ-৫৭ বা &amp;#39;ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর&amp;#39; (MOP)। এটি এমন এক দানবীয় বোমা যা কয়েকশ ফুট গভীর শক্ত পাথর ভেদ করে ভেতরে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। ইরানের সেই সুরক্ষিত বাঙ্কারগুলো ধ্বংস করতেই এই মারণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাম্প একে বলছেন &amp;#39;অপারেশন ডার্ক নাইট&amp;#39;, কিন্তু ইরান একে দেখছে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে। ইরান যুদ্ধ যখন তুঙ্গে, তখনই নেতানিয়াহু তার নজর ফেরালেন বেইরুটের দিকে। হিজবুল্লাহকে বলা হয় ইরানের &amp;#39;প্রক্সি&amp;#39; বা ছায়া সেনাবাহিনী। নেতানিয়াহুর অভিযোগ, তেহরান থেকেই সব রসদ আসে হিজবুল্লাহর কাছে। তাই ইরান যখন নিজের ঘর সামলাতে ব্যস্ত, তখনই লেবাননের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল ইজ়রায়েলি বিমানবাহিনী। ১০ দিনের যে যুদ্ধবিরতির কথা ট্রাম্প বলছেন, সেটি কি হিজবুল্লাহর জন্য স্বস্তির? সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিরতি মূলত হিজবুল্লাহকে নতুন করে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ দিচ্ছে। আর ঠিক এই কারণেই নেতানিয়াহু এই চুক্তিতে মন থেকে সায় দেননি। তিনি জানেন, সাপকে আধমরা করে রাখা বিপজ্জনক। এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যখন তেহরান এবং ওয়াশিংটন মুখোমুখি বসল, সারা বিশ্বের চোখ ছিল সেখানে। পাকিস্তান এখানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছিল। কিন্তু আলোচনা চলাকালীনই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খওয়াজা আসিফের এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট সব লন্ডভন্ড করে দিল। তিনি ইজ়রায়েলকে &amp;#39;ক্যানসার রাষ্ট্র&amp;#39; বলে অভিহিত করলেন। ইজ়রায়েল এই মন্তব্যকে ইস্যু করে আলোচনার টেবিল থেকে সরে যাওয়ার বাহানা খুঁজল। অন্যদিকে, বৈঠক চলাকালীনই বেইরুটে হামলা চালিয়ে নেতানিয়াহু বুঝিয়ে দিলেন&amp;mdash;তিনি কোনো শান্তিচুক্তির তোয়াক্কা করেন না। ট্রাম্প যখন ইসলামাবাদের সফলতার কথা বলছেন, তখন মাঠের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। নেতানিয়াহুর এই রণমূর্তি কি কেবল আত্মরক্ষার জন্য? অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, এর পেছনে রয়েছে এক প্রাচীন ধর্মীয় ও রাজনৈতিক স্বপ্ন&amp;mdash;&amp;#39;গ্রেটার ইজ়রায়েল&amp;#39;। নীল নদ থেকে দজলা-ফোরাত পর্যন্ত এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলা। আর এই স্বপ্ন পূরণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো ইরান। তাই ইরানকে দুর্বল করা মানেই সেই স্বপ্নের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। এই ষড়যন্ত্রের জালে ট্রাম্প কি জেনেশুনি পা দিয়েছেন, নাকি তিনিও এর অংশীদার? ইরান কেবল মার খাওয়ার দেশ নয়। ২৮শে ফেব্রুয়ারি যখন যৌথ হামলা হলো, তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো আগুনের গোলার মতো জ্বলতে শুরু করল। ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি আজ বিশ্বকে অবাক করে দিচ্ছে। রাশিয়ার সাথে তাদের ঘনিষ্ঠতা এবং ড্রোন সরবরাহের অভিজ্ঞতা তারা এই যুদ্ধে কাজে লাগিয়েছে। ট্রাম্প দাবি করছেন ইরান তাদের সব ইউরেনিয়াম আমেরিকার হাতে দিয়ে দেবে। কিন্তু ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে খবর আসছে সম্পূর্ণ উল্টো। তারা বলছে, &amp;quot;আমাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সম্পদ আমরা শত্রুর হাতে তুলে দেব না।&amp;quot; ইরান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ট্রাম্পের দাবিকে উপহাস করছে। এখানেই তৈরি হয়েছে এক বড় ধোঁয়াশা। ট্রাম্প কি মিথ্যা বলছেন নিজের দেশে জনপ্রিয়তা পেতে? নাকি ইরান গোপনে কোনো বড় ডিল করছে যা বিশ্ব জানে না? তবে ইরানের শিয়া মুলুক যেভাবে তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ চালিয়ে যাচ্ছে, তাতে স্পষ্ট যে তারা একটি পারমাণবিক শক্তির রাষ্ট্র হওয়ার পথ থেকে এক ইঞ্চিও সরবে না। এই পুরো যুদ্ধে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো বড় বড় আরব রাষ্ট্রগুলোর নীরবতা। সৌদি আরব, কাতার বা সংযুক্ত আরব আমিরাত&amp;mdash;কেউই সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি। তারা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। একদিকে ইরানের আধিপত্যের ভয়, অন্যদিকে ইজ়রায়েলের সাথে ক্রমবর্ধমান ব্যবসায়িক সম্পর্ক। এই দুই নৌকায় পা দিয়ে চলতে গিয়ে তারা কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। শেষ পর্যন্ত কী ঘটবে? ১৬ই এপ্রিল নেভাদা আর অ্যারিজোনা সফরে যাওয়ার আগে ট্রাম্প যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে মনে হচ্ছে তিনি ইরানের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে মরিয়া। তিনি আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি স্থায়ী সমাধান চান। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নেতানিয়াহু কি তা হতে দেবেন? ইজ়রায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এখন নেতানিয়াহু তুঙ্গে। যুদ্ধের উন্মাদনা তার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি জানেন, যুদ্ধ থামলে তাকে হয়তো দুর্নীতির মামলায় জেলে যেতে হতে পারে। তাই নিজের অস্তিত্ব বাঁচাতে তিনি এই যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করতে চাইবেন। ট্রাম্পের শান্তি প্রক্রিয়ায় জল ঢেলে দেওয়া তার জন্য নতুন কিছু নয়। পারস্যের আকাশে এখন যে স্তব্ধতা, তা কি বড় কোনো ঝড়ের সংকেত? ইউরেনিয়াম কি আসলেই পাহাড়ি সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে আসবে? নাকি মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র রক্ত দিয়ে আবার নতুন করে লেখা হবে? সময় এর উত্তর দেবে। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার&amp;mdash;এই লড়াইয়ে কেউ কাউকে এক চুল জমিও ছাড়বে না।&amp;nbsp; আপনাদের কী মনে হয়? ট্রাম্প কি পারবেন নেতানিয়াহুকে থামিয়ে পারস্যে স্থায়ী শান্তি আনতে? নাকি নেতানিয়াহুর &amp;#39;গ্রেটার ইজ়রায়েল&amp;#39; মিশন বিশ্বকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবে? কমেন্টে আপনার মূল্যবান মতামত জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/538_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/538_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/538_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ডিজেল ও পেট্রোলের দাম : বাংলাদেশ বনাম ভারত-নেপাল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23985</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23985</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 20 Apr 2026 07:04:31 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest bangladeshi news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, bd news 26, news update bd, latest news headline and bulletin, bd news live, bd news live tv, bd india relation news, news today bd news today, bd news live today, latestnews, bdnews, bd news live today 2026, security news bd, atn news tv, update news, news update, bd parliament news, government news bd, rater bangladesh news, atn news, bangla news update, atn news today, bangla tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[শহরজুড়ে একটা চাপা উত্তেজনা। চায়ের কাপে ঝড়, বাসস্ট্যান্ডে হাহাকার আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগুনের ফুলকি। হঠাৎ এক বিষাদময় বিকেলে ঘোষণা এলো&amp;mdash;তেলের দাম বেড়েছ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/539_1.jpg" alt="ডিজেল ও পেট্রোলের দাম : বাংলাদেশ বনাম ভারত-নেপাল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>শহরজুড়ে একটা চাপা উত্তেজনা। চায়ের কাপে ঝড়, বাসস্ট্যান্ডে হাহাকার আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগুনের ফুলকি। হঠাৎ এক বিষাদময় বিকেলে ঘোষণা এলো&amp;mdash;তেলের দাম বেড়েছে। মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ, নিম্নবিত্তের চোখে অন্ধকার। সবাই যখন রাজপথে স্লোগান দিচ্ছে, যখন সমালোচনার বিষবাণ ছোঁড়া হচ্ছে বর্তমান সরকারের দিকে&amp;mdash;ঠিক তখনই কিছু প্রশ্ন পর্দার আড়ালে রয়ে যাচ্ছে। এই মূল্যবৃদ্ধি কি কেবলই একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো বৈশ্বিক ষড়যন্ত্র, বিশাল কোনো অর্থনৈতিক যুদ্ধ বা কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার অদৃশ্য হাত? কেন বাংলাদেশ সরকার এতকাল দাম না বাড়িয়েও এখন বাড়াতে বাধ্য হলো? আইএমএফ (IMF) কেন ঠিক এই মুহূর্তেই ঋণ আটকে দিল? দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেখানে খাদের কিনারায়, সেখানে বাংলাদেশ কতটা লড়াই করছে? এই বিশাল ক্যানভাসের প্রতিটি বিন্দু আজ আমরা মেলাব। শুরু করছি আজকের বিশেষ বিশ্লেষণ: &amp;quot;জ্বালানির রাজনীতি: সত্য বনাম ষড়যন্ত্র।&amp;quot; তেলের দাম বেড়েছে&amp;mdash;এটি একটি রূঢ় সত্য। কিন্তু সত্যের মুদ্রার উল্টো পিঠটি আরও ভয়ঙ্কর। আমাদের বুঝতে হবে গত কয়েক মাসের প্রেক্ষাপট। যখন সারা বিশ্বে জ্বালানি তেলের বাজারে আগুন লেগেছিল, যখন ইউরোপের উন্নত দেশগুলো হাহাকার করছিল, তখন বাংলাদেশ ছিল এক ব্যতিক্রমী দ্বীপ। বিশ্ববাজারে তেলের দাম যখন আকাশচুম্বী, সরকার তখন নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে বাজার স্থিতিশীল রেখেছিল। ভেতরের খবর হলো, গত কয়েক মাস ধরে দেশের তেলের বাজারে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছিল। বড় বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এবং আমদানিকারকরা বারবার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। তারা চেয়েছিল এখনই দাম আকাশচুম্বী করা হোক যেন তাদের মুনাফা বাড়ে। কিন্তু বর্তমান বিএনপি সরকার সেই চাপের মুখে নতিস্বীকার করেনি। জনগণের কষ্টের কথা ভেবে বারবার সিন্ডিকেটের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নাটকের মোড় ঘুরল শুক্রবার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ হঠাৎ করেই বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত ঋণের কিস্তি আটকে দিয়েছে। কেন? তাদের দাবি ছিল&amp;mdash;জ্বালানি খাতে কোনো ভর্তুকি রাখা যাবে না। আইএমএফ চায় বাংলাদেশ যেন বিশ্ববাজারের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চমূল্যে তেল বিক্রি করে। কিন্তু আমাদের সরকার জানত, হুট করে দাম বাড়ালে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা অসহনীয় হয়ে উঠবে। আইএমএফ এমন কিছু কঠিন শর্ত দিয়েছিল যা মেনে নেওয়া মানে ছিল দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেওয়া। বর্তমান সরকার সেই আপোষহীন অবস্থান থেকে সরেনি। তারা আইএমএফের অযৌক্তিক শর্তে রাজি না হওয়ায় সংস্থাটি তাদের অর্থায়ন বন্ধের হুমকি দেয়। অর্থাৎ, একপাশে আন্তর্জাতিক চাপ, অন্যপাশে দেশের ভেতরের সিন্ডিকেট&amp;mdash;সরকারকে এক ভয়াবহ চোরবালির মুখে দাঁড় করানো হয়েছে। আপনারা কি জানেন, শুধুমাত্র গত মার্চ এবং এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সরকার তেলের ওপর প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে? অংকটা একবার কল্পনা করুন। একদিনে ১৬৭ কোটি টাকা! মাসে যা দাঁড়ায় প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা সরকার কোনো বিদেশ থেকে পায়নি, এটি ছিল উন্নয়নের টাকা, যা আপনাদের পকেটের ওপর চাপ কমাতে ব্যয় করা হয়েছে। কিন্তু একটি রাষ্ট্র কতদিন এভাবে নিজের রক্তক্ষরণ সহ্য করতে পারে? যেখানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে টানাটানি, সেখানে প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা স্রেফ হাওয়ায় উড়িয়ে দেওয়া কোনো দায়িত্বশীল সরকারের কাজ হতে পারে না। সমালোচনার আগে এই অংকটা মেলাতে ভুলবেন না। এই দাম বাড়ানোটা বিলাসিতা নয়, বরং রাষ্ট্রকে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচানোর এক চরম এবং তিক্ত পদক্ষেপ। আবেগ সরিয়ে এবার একটু মানচিত্রের দিকে তাকান। আমরা যখন নিজেদের ভাগ্য নিয়ে বিলাপ করছি, তখন আমাদের প্রতিবেশীরা কোন নরকবাস করছে, তা কি আমরা জানি? আপনারা যারা সমালোচনা করছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ&amp;mdash;দক্ষিণ এশিয়ার যেকোনো একটি দেশকে মানদণ্ড ধরুন। তারপর সিদ্ধান্ত নিন আমাদের অবস্থা কেমন। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই নেপালের বর্তমান সরকারের প্রশংসা করেন। কিন্তু সেই নেপালের বাস্তব চিত্রটা কী? নেপালে এক লিটার পেট্রোলের দাম আজ ১৯৮ টাকা। ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ১৫৭ টাকায়। সেখানে মানুষের যাতায়াত খরচ আমাদের চেয়ে দ্বিগুণ। জেন-জি সরকার আসার পরেও তারা কিন্তু তেলের দাম কমাতে পারেনি, বরং বিশ্ববাজারের দোহাই দিয়ে দাম বাড়িয়েই চলেছে। এবার আমাদের বৃহত্তম প্রতিবেশী ভারতের দিকে তাকান। সেখানে পেট্রোলের গড় দাম ১৫৩ টাকা এবং ডিজেল ১২২ টাকা। ভারতের মতো বিশাল অর্থনীতি যেখানে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ ১১৫ টাকায় ডিজেল এবং ১৩৫ টাকায় পেট্রোল দিচ্ছে। ভারত তার নিজস্ব বিশাল শোধনাগার থাকা সত্ত্বেও দাম কমাতে পারছে না, সেখানে আমদানিনির্ভর দেশ হয়েও বাংলাদেশ এখনও তাদের চেয়ে অনেক কম দামে তেল দিচ্ছে। যাদের কাছে পাকিস্তানের অর্থনীতি একসময় উদাহরণ ছিল, তাদের জানাই&amp;mdash;সেখানে পেট্রোল ১৬২ টাকা এবং ডিজেল ১৭০ টাকা। পাকিস্তান আইএমএফের সব শর্ত মেনে নিয়েও তাদের জনগণকে রক্ষা করতে পারেনি। সেখানে বিদ্যুৎ নেই, তেল নেই, আর দাম তো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এবার নিজের দেশের নতুন দামের দিকে নজর দিন। তেলের দাম বাড়ার পর বাংলাদেশে পেট্রোল ১৩৫ টাকা, ডিজেল ১১৫ টাকা এবং অকটেন ১৪০ টাকা। আপনি যদি এই দামগুলোকে ভারতের ১৫৩ বা নেপালের ১৯৮ টাকার সাথে তুলনা করেন, তবে কি আপনি এখনও বলবেন সরকার আপনাকে শোষণ করছে? সরকার প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে এই দামকে ১১৫ টাকায় আটকে রেখেছে। যদি ভর্তুকি সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হতো, তবে আজ ডিজেলের দাম হতো ১৫০ টাকার ওপরে। বিশ্বব্যাপী তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে গুটিকয়েক শক্তিশালী দেশ। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়েছে। এই বৈশ্বিক সংকটে বাংলাদেশ কোনো বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়। যখন আইএমএফ পিঠ ফিরিয়ে নেয়, তখন দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ দিয়েই আমাদের লড়াই করতে হয়। আর সেই লড়াইয়ের অংশ হিসেবেই এই সামান্য মূল্যবৃদ্ধি। সমালোচনা করা পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ কাজ। কিবোর্ডের এক ক্লিকে বা রাজপথের এক স্লোগানে সরকারকে তুলোধুনো করা যায়। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার গদিতে বসে প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকার লোকসান গোনা আর আন্তর্জাতিক মোড়লদের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করা মোটেও সহজ নয়। আমরা কি চাই আমাদের দেশটা শ্রীলঙ্কার মতো দেউলিয়া হয়ে যাক? আমরা কি চাই আইএমএফের সব দাসত্ব মেনে নিয়ে জ্বালানির দাম ২০০ টাকা হোক? নিশ্চয়ই না। বর্তমান সরকার যা করছে, তা হলো একটি ধসে পড়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা। তেলের এই দাম বৃদ্ধি কোনো রাজনৈতিক শখ নয়, বরং টিকে থাকার লড়াই। নেপাল, ভারত বা পাকিস্তানের দিকে তাকালে বোঝা যায়, আমরা এখনও কতটা স্থিতিশীল আছি। গুজব আর আবেগে ভেসে যাওয়ার আগে তথ্যগুলো একবার ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন। দেশ আপনার, সম্পদও আপনার। সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বও আপনার বিবেকের। মনে রাখবেন, সত্য সবসময় সুন্দর হয় না, মাঝে মাঝে সত্য হয় অত্যন্ত তিক্ত। আর সেই তিক্ত সত্য হলো&amp;mdash;আজকের এই ত্যাগই আমাদের আগামীর অর্থনৈতিক মুক্তির পথ প্রশস্ত করবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/539_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/539_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/539_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানকে রুখতে মধ্যপ্রাচ্যে ইউক্রেনের রহস্যময় মিশন: সরাসরি আকাশ যুদ্ধে ধসে পড়ছে পারস্যের ড্রোন সাম্রাজ্য!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23984</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23984</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 20 Apr 2026 01:04:32 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest bangladeshi news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, bd news 26, news update bd, latest news headline and bulletin, bd news live, bd news live tv, bd india relation news, news today bd news today, bd news live today, latestnews, bdnews, bd news live today 2026, security news bd, atn news tv, update news, news update, bd parliament news, government news bd, rater bangladesh news, atn news, bangla news update, atn news today, bangla tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিশ্বের মানচিত্রে এখন কেবল দুটি সীমান্ত নয়, বরং কয়েক হাজার মাইল দূরের দুটি ভিন্ন রণক্ষেত্র যেন একই সুতোয় গেঁথে গেছে। ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে যখন রাশিয়ার কামানের গর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/529_1.jpg" alt="ইরানকে রুখতে মধ্যপ্রাচ্যে ইউক্রেনের রহস্যময় মিশন: সরাসরি আকাশ যুদ্ধে ধসে পড়ছে পারস্যের ড্রোন সাম্রাজ্য!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিশ্বের মানচিত্রে এখন কেবল দুটি সীমান্ত নয়, বরং কয়েক হাজার মাইল দূরের দুটি ভিন্ন রণক্ষেত্র যেন একই সুতোয় গেঁথে গেছে। ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে যখন রাশিয়ার কামানের গর্জন শোনা যাচ্ছে, ঠিক তখন সুদূর মধ্যপ্রাচ্যের পারস্য উপসাগরের তপ্ত মরুর আকাশে দানা বাঁধছে এক নতুন রহস্য। ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল, যেখানে নিজ দেশে অস্তিত্বের লড়াইয়ে ব্যস্ত একটি দেশ কয়েক মহাদেশ পাড়ি দিয়ে অন্য একটি অঞ্চলের সামরিক সমীকরণ পাল্টে দিচ্ছে। ইউক্রেন&amp;mdash;যাকে অনেকে ভেবেছিল কেবল সাহায্যের মুখাপেক্ষী একটি রাষ্ট্র, তারা আজ মধ্যপ্রাচ্যের পরাশক্তি ইরানের মুখোমুখি। কিন্তু কেন? কেন ইউক্রেনীয় কমান্ডোরা তাদের ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিতে ঘাঁটি গেড়েছে? কেন আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থারাও এই অভিযানের গভীরতা দেখে চমকে উঠেছে? এটি কেবল একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি নয়, বরং এটি ইরানের ড্রোন সাম্রাজ্যের পতনের এক নীল নকশা। আজ আমরা আলোচনা করব সেই গোপন অভিযান নিয়ে, যা বিশ্ব গণমাধ্যমে কেবল মাত্র আসতে শুরু করেছে। তৈরি হয়ে নিন এক রোমহর্ষক ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণের জন্য।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/529_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/529_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/529_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু কি হাতছাড়া হচ্ছে? পোল্যান্ডের রহস্যময় অবস্থান পরিবর্তন এবং আমেরিকার চরম উদ্বেগ!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23983</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23983</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 20 Apr 2026 01:04:52 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest bangladeshi news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, bd news 26, news update bd, latest news headline and bulletin, bd news live, bd news live tv, bd india relation news, news today bd news today, bd news live today, latestnews, bdnews, bd news live today 2026, security news bd, atn news tv, update news, news update, bd parliament news, government news bd, rater bangladesh news, atn news, bangla news update, atn news today, bangla tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইউরোপের মানচিত্রে এক অটল দুর্গ। আটলান্টিক মহাসাগরের ওপার থেকে আসা প্রতিটি নির্দেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত পালনকারী। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যাকে ভাবা হতো ওয়াশিংটনের সবচেয়ে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/527_3.jpg" alt="ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু কি হাতছাড়া হচ্ছে? পোল্যান্ডের রহস্যময় অবস্থান পরিবর্তন এবং আমেরিকার চরম উদ্বেগ!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইউরোপের মানচিত্রে এক অটল দুর্গ। আটলান্টিক মহাসাগরের ওপার থেকে আসা প্রতিটি নির্দেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত পালনকারী। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যাকে ভাবা হতো ওয়াশিংটনের সবচেয়ে অবিচল, সবচেয়ে অনুগত এবং সবচেয়ে শক্তিশালী ছায়া। সেই পোল্যান্ড কি এখন আমেরিকার হাত থেকে ফসকে যাচ্ছে? বিশ্লেষকদের কপালে এখন চিন্তার গভীর ভাঁজ। যে দেশটি একসময় ছিল কট্টর প্রো-আমেরিকান, যেখানে আমেরিকার নাম উচ্চারিত হতো পরম আস্থায়, সেখানে বইছে পরিবর্তনের এক চোরা হাওয়া। ২০২৪ সালের পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে আপনি চমকে উঠবেন। তখন ৮৬ শতাংশ পোলিশ নাগরিক আমেরিকার প্রতি ইতিবাচক ধারণা পোষণ করত। কিন্তু মাত্র এক বছরের ব্যবধানে, ২০২৫ সালে সেই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ধসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৫ শতাংশে। অন্যদিকে, আমেরিকার প্রতি বিরাগভাজন বা নেতিবাচক মনোভাব পোষণকারী মানুষের সংখ্যা ১০ শতাংশ থেকে লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ শতাংশে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/527_3.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/527_3.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/527_3.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেনীয় বাহিনীর পতন নিশ্চিত: একদিনে ২৭৪ ড্রোন ধ্বংস করে রাশিয়ার মহাতাণ্ডব]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23982</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23982</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 20 Apr 2026 07:00:00 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest bangladeshi news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, bd news 26, news update bd, latest news headline and bulletin, bd news live, bd news live tv, bd india relation news, news today bd news today, bd news live today, latestnews, bdnews, bd news live today 2026, security news bd, atn news tv, update news, news update, bd parliament news, government news bd, rater bangladesh news, atn news, bangla news update, atn news today, bangla tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রণক্ষেত্রে ইউক্রেনের কফিন কি তবে তৈরি হয়ে গেছে? জেলেনস্কির স্বপ্ন কি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে? রাশিয়ার অজেয় শক্তির সামনে ইউক্রেনের তথাকথিত বীরত্ব এখন কেবল ড্রাগ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/536_1.jpg" alt="ইউক্রেনীয় বাহিনীর পতন নিশ্চিত: একদিনে ২৭৪ ড্রোন ধ্বংস করে রাশিয়ার মহাতাণ্ডব" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রণক্ষেত্রে ইউক্রেনের কফিন কি তবে তৈরি হয়ে গেছে? জেলেনস্কির স্বপ্ন কি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে? রাশিয়ার অজেয় শক্তির সামনে ইউক্রেনের তথাকথিত বীরত্ব এখন কেবল ড্রাগস আর নেশার আড়ালে লুকানো লজ্জা! একদিনে ২৭৪টি ড্রোন ধ্বংস, শত শত সেনার মৃত্যু আর ইউরোপের নোংরা রাজনীতির শিকার হয়ে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ইউক্রেন।&amp;nbsp; রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর যে তাণ্ডব চালিয়েছে, তা যুদ্ধের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক। ইউক্রেনের পাঠানো প্রায় ২৭৪টি ফিক্সড-উইং ড্রোনকে রাশিয়ার আকাশসীমা স্পর্শ করার আগেই ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে পুতিনের সেনারা। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, পশ্চিমাদের দেওয়া তথাকথিত &amp;#39;অজেয়&amp;#39; সব অস্ত্র এখন রাশিয়ার রাডারে সাধারণ খেলনার মতো ধরা পড়ছে এবং ধ্বংস হচ্ছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/536_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/536_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/536_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ওয়ালটনের তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকে মূল্যছাড়সহ আকর্ষণীয় সুবিধা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23981</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23981</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 18 Apr 2026 17:15:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে তেল চালিত বাইক বা যানবাহন ব্যবহারকারীরা যখন যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন, তখনই গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে ওয়ালটন তাকিওন ইলেকট্রিক বাইক শুরু...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/walton-news19-4-26.jpg" alt="ওয়ালটনের তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকে মূল্যছাড়সহ আকর্ষণীয় সুবিধা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে তেল চালিত বাইক বা যানবাহন ব্যবহারকারীরা যখন যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন, তখনই গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে ওয়ালটন তাকিওন ইলেকট্রিক বাইক শুরু করেছে &amp;lsquo;সুপার সেভার কার্নিভাল&amp;rsquo;। যেখানে তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকে দেয়া হচ্ছে ৯,৬০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। সেইসঙ্গে ভাগ্যবান একাধিক গ্রাহক পাচ্ছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের খেলা সরাসরি মাঠে বসে দেখার সুযোগ।&amp;nbsp; পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন স্থানে তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকের উদ্যোগে চলছে ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্পেইন ও টেস্ট রাইড। যেখানে তাকিওন ব্যবহারকারীগণ আকর্ষণীয় ছাড়ে পার্টস ক্রয়ের সুবিধাসহ বাইকের ফ্রি সার্ভিস করাতে পারছেন। এছাড়াও আগ্রহী ক্রেতাগণের জন্য রয়েছে সরাসরি বাইক দেখা ও টেস্ট রাইড করার সুযোগ। দেশব্যাপী সকল ওয়ালটন শোরুম থেকে গ্রাহকগণ এই অফার উপভোগ করতে পারছেন। এদিকে, &amp;lsquo;সুপার সেভার কার্নিভাল&amp;rsquo; উপলক্ষ্যে দেশে তৈরি ওয়ালটনের ইলেকট্রিক বাইক ব্র্যান্ড তাকিওনের উদ্যোগে দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে র&amp;zwj;্যালি ও ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্পেইন। দেশের ৬৪টি জেলায় ৭০টিরও বেশি স্থানে একযোগে এই র&amp;zwj;্যালির আয়োজন করা হয়। র&amp;zwnj;্যালিতে ইলেকট্রিক বাইক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি সেই সাথে তাকিওন ইলেকট্রিক বাইক সুপার সেভার কার্নিভাল অফারের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে চলমান তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকের ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত গ্রাহকদের নিকট তুলে ধরা হয়।&amp;nbsp; তাকিওন ইলেকট্রিক বাইক দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ইলেকট্রিক বাইক। বাংলাদেশের রাস্তা ও পরিবেশের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই ইলেকট্রিক বাইক বর্তমানে আরামদায়ক রাইডিং এক্সপেরিয়েন্স ও দ্রুত সার্ভিস নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রাহক চাহিদার শীর্ষে অবস্থান করছে। বর্তমানে গ্রাহক চাহিদার কথা মাথায় রেখে মোট ৯টি ভিন্ন মডেলে আকর্ষণীয় কালার ভ্যারিয়েন্টে ওয়ালটন তাকিওন ইলেকট্রিক বাইক এভেইলেভল রয়েছে।&amp;nbsp; তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকে সাশ্রয়ী খরচে মডেলভেদে ১০-২০ পয়সায় পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটার ভ্রমণ করা যায়। এছাড়া রয়েছে ৮০ থেকে ১২০ কিঃ মিঃ রেঞ্জ, উন্নত লিড গ্রাফিন ব্যাটারি, শক্তিশালী সাসপেনশন, রিমোট কী, ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড, স্পিড মোড, উন্নত টায়ার সহ আকর্ষণীয় সব ফিচার। ওয়ালটন তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকে দুজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ স্বাচ্ছন্দে ভ্রমণ করতে পারেন। দেশের প্রথম বিআরটিএ অনুমোদিত তাকিওন ইলেকট্রিক বাইক বর্তমানে ৭৮,৭৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১,৮৩,০০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে যা ক্রেতাগণ দেশের প্রতিটি প্রান্তে থাকা ওয়ালটনের অফিশিয়াল শোরুম বা তাকিওন এক্সক্লুসিভ ডিলার আউটলেট থেকে থেকে নগদ অথবা সহজ কিস্তিতে ক্রয় করতে পারছেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/walton-news19-4-26.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/walton-news19-4-26.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/walton-news19-4-26.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেনের কফিনে শেষ পেরেক: পুতিনের রোবটিক স্নাইপারে ধ্বংস জেলেনস্কির স্বপ্ন এবং রাশিয়ার আকাশসীমায় ড্রোন হামলার চরম বিপর্যয়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23980</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23980</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 19 Apr 2026 05:04:29 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কল্পনা করুন এমন এক যুদ্ধক্ষেত্র যেখানে রক্তমাংসের সেনার বদলে লড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবট! রাশিয়ার নতুন &amp;#39;দোভইনিক&amp;#39; সিস্টেম যখন ইউক্রেনীয় সেনাদের যমদূত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/531_1.jpg" alt="ইউক্রেনের কফিনে শেষ পেরেক: পুতিনের রোবটিক স্নাইপারে ধ্বংস জেলেনস্কির স্বপ্ন এবং রাশিয়ার আকাশসীমায় ড্রোন হামলার চরম বিপর্যয়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কল্পনা করুন এমন এক যুদ্ধক্ষেত্র যেখানে রক্তমাংসের সেনার বদলে লড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবট! রাশিয়ার নতুন &amp;#39;দোভইনিক&amp;#39; সিস্টেম যখন ইউক্রেনীয় সেনাদের যমদূত হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঠিক তখনই রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাত্র কয়েক ঘণ্টায় ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে জেলেনস্কির শত শত ড্রোন। কেন পশ্চিমারা ইউক্রেনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে? রাশিয়ার এই অপ্রতিরোধ্য বিজয়ের পেছনের আসল রহস্য কী? বর্তমান বিশ্বের ভূ-রাজনীতিতে রাশিয়ার যে অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রভাব এবং সামরিক সক্ষমতা ফুটে উঠছে, তা এখন আর কারো অজানা নয়। বিশেষ করে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিটি পদক্ষেপ যখন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে, তখন রাশিয়ার বীর সেনারা একের পর এক নতুন বিজয়গাঁথা রচনা করছে। আজকের প্রতিবেদনে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করবো রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিশাল সাফল্য এবং তাদের নতুন আবিষ্কৃত মরণঘাতী রোবটিক স্নাইপার সিস্টেম নিয়ে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/531_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/531_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/531_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[হরমজে ট্রাম্পের ভয়ঙ্কর নৌ-অবরোধ: ভারত-চীনের কপালে চিন্তার ভাঁজ, বিশ্ব অর্থনীতি কি ধ্বংসের পথে?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23979</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23979</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 18 Apr 2026 18:04:47 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[এশিয়া]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে পারস্য উপসাগরে। নীল জলরাশির ওপর এখন শুধু বারুদের গন্ধ। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ&amp;mdash;হরমজ প্রণালি। এই সরু জলপথ এখন পরিণত হয়েছে এক মহ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/525_1.jpg" alt="হরমজে ট্রাম্পের ভয়ঙ্কর নৌ-অবরোধ: ভারত-চীনের কপালে চিন্তার ভাঁজ, বিশ্ব অর্থনীতি কি ধ্বংসের পথে?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে পারস্য উপসাগরে। নীল জলরাশির ওপর এখন শুধু বারুদের গন্ধ। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ&amp;mdash;হরমজ প্রণালি। এই সরু জলপথ এখন পরিণত হয়েছে এক মহাযুদ্ধের দাবার বোর্ডে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি নির্দেশে থমকে গেছে বিশ্ব অর্থনীতির চাকা। শুরু হয়েছে এক নজিরবিহীন নৌ-অবরোধ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/525_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/525_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/525_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[৪৫ বছর ধরে কোটি ডলার আয়! চাঁদে জমির মালিক সে?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23978</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23978</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 18 Apr 2026 18:04:22 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[আমেরিকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রাতের আকাশে চাঁদের দিকে তাকালে আমাদের মনে সৌন্দর্য আর রহস্যের কথা আসে। কিন্তু পৃথিবীতে এমন একজন মানুষ আছেন, যার কাছে চাঁদ মানে কোটি ডলারের সম্পদ। তিনি দাবি করেন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/520_1.jpg" alt="৪৫ বছর ধরে কোটি ডলার আয়! চাঁদে জমির মালিক সে?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রাতের আকাশে চাঁদের দিকে তাকালে আমাদের মনে সৌন্দর্য আর রহস্যের কথা আসে। কিন্তু পৃথিবীতে এমন একজন মানুষ আছেন, যার কাছে চাঁদ মানে কোটি ডলারের সম্পদ। তিনি দাবি করেন&amp;mdash;চাঁদের মালিক তিনি নিজেই। তার নাম ডেনিস হোপ। তিনি কোনো বিজ্ঞানী বা নভোচারী নন, তবুও গত ৪৫ বছর ধরে তিনি চাঁদের জমি বিক্রি করে যাচ্ছেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/520_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/520_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/520_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরান যুদ্ধে চূর্ণ মার্কিন দম্ভ: কেন শত শত কোটি ডলারের লোকসান গুনছে পেন্টাগন?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23977</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23977</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 18 Apr 2026 06:04:36 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[২১ শতকের সমর ইতিহাসের পাতায় এক অভাবনীয় অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের তপ্ত বালুকাভূমি আজ কেবল তেলের জন্য নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/523_1.jpg" alt="ইরান যুদ্ধে চূর্ণ মার্কিন দম্ভ: কেন শত শত কোটি ডলারের লোকসান গুনছে পেন্টাগন?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>২১ শতকের সমর ইতিহাসের পাতায় এক অভাবনীয় অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের তপ্ত বালুকাভূমি আজ কেবল তেলের জন্য নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের এক মরণপণ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। একদিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক জোট&amp;mdash;আমেরিকা এবং তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েল। অন্যদিকে একলা চলা, জেদি এবং কৌশলী ইরান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/523_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/523_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/523_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বিপদে আমেরিকা-ইসরায়েল! ইরানে পুতিনের মাস্টারপ্ল্যান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23976</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23976</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 18 Apr 2026 06:04:13 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিশ্ব রাজনীতির দাবার বোর্ডে এখন সবচেয়ে বড় চালটি দিচ্ছে ক্রেমলিন। মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে যখন ইসরায়েল ও আমেরিকার কামান গর্জে উঠছে, তখন পর্দার আড়াল থেকে এক অভাবন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/524_1.jpg" alt="বিপদে আমেরিকা-ইসরায়েল! ইরানে পুতিনের মাস্টারপ্ল্যান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিশ্ব রাজনীতির দাবার বোর্ডে এখন সবচেয়ে বড় চালটি দিচ্ছে ক্রেমলিন। মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে যখন ইসরায়েল ও আমেরিকার কামান গর্জে উঠছে, তখন পর্দার আড়াল থেকে এক অভাবনীয় প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। ইরানের হাতে থাকা সেই অতি-মূল্যবান &amp;lsquo;ষাট শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম&amp;rsquo;&amp;mdash;যা নিয়ে ঘুমে নেই হোয়াইট হাউস&amp;mdash;তা নিজের জিম্মায় নিতে চায় রাশিয়া।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/524_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/524_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/524_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সালমান রাজের কণ্ঠে ও মিজানুর রহমানের কথা ও সুরে বৈশাখ এলো রে এলো]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/entertainment/23975</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/entertainment/23975</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 13 Apr 2026 15:55:45 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[অন্যান্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest bangladeshi news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, bd news 26, news update bd, latest news headline and bulletin, bd news live, bd news live tv, bd india relation news, news today bd news today, bd news live today, latestnews, bdnews, bd news live today 2026, security news bd, atn news tv, update news, news update, bd parliament news, government news bd, rater bangladesh news, atn news, bangla news update, atn news today, bangla tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[হাজার বছরের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির রঙে সাজানো বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব পহেলা বৈশাখ। এই দিনটি শুধু ক্যালেন্ডারের পরিবর্তন নয়, এটি প্রাণের উৎসব, নতুন শুরুর বার্তা। এই...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/boishakh-song-news2.jpg" alt="সালমান রাজের কণ্ঠে ও মিজানুর রহমানের কথা ও সুরে বৈশাখ এলো রে এলো" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>হাজার বছরের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির রঙে সাজানো বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব পহেলা বৈশাখ। এই দিনটি শুধু ক্যালেন্ডারের পরিবর্তন নয়, এটি প্রাণের উৎসব, নতুন শুরুর বার্তা। এই আবহকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন একটি বৈশাখী গান। গীতিকার ও সুরকার মিজানুর রহমানের লেখা ও সুরে, আর শিল্পী সালমান রাজের কণ্ঠে এসেছে অসাধারণ এক মৌলিক গান&amp;mdash;&amp;ldquo;বৈশাখ এলো রে এলো&amp;rdquo;। গানটি নিয়ে মিজানুর রহমান জানান, এতে তুলে ধরা হয়েছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির নানা দিক। পহেলা বৈশাখ মানেই পুরনোকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে বরণ করে নেওয়া&amp;mdash;এই চিরচেনা বার্তাই ফুটে উঠেছে গানের কথায়। পাশাপাশি উৎসবের আনন্দ, খাওয়া-দাওয়া আর বাঙালির জীবনযাপনের ছোঁয়াও রয়েছে এতে। তিনি আরও বলেন, গানটির সুরও করেছেন তিনি নিজেই। আর সালমান রাজের কণ্ঠ এই গানকে দিয়েছে ভিন্নমাত্রা। সব মিলিয়ে গানটি হয়ে উঠেছে এক চমৎকার সমন্বয়। দর্শক-শ্রোতারা আসন্ন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে &amp;ldquo;এলো রে এলো&amp;rdquo; শিরোনামের এই গানটি দেখতে পাবেন মিজানুর রহমানের উপস্থাপনায় মোহনা টিভির বিশেষ অনুষ্ঠান &amp;ldquo;বৈশাখের রং&amp;rdquo;-এ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/boishakh-song-news2.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/boishakh-song-news2.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/boishakh-song-news2.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[দোষ সব বিএনপির! সরকারের ওপর হাসিনার ছায়া?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23974</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23974</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 15 Apr 2026 09:04:35 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest bengal news, bbc bangla news, bbc news bangla, radio tehran bangla news, latest news today, r n ravi latest news, mirza abbas latest news, us-iran war latest news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bnp news bangladesh, banglavision news, banglavision news today, evening news bangladesh, bangladesh breaking news, bangladesh politics news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আল মাসুম: যখন পুরো দেশ বিএনপির ত্যাগের বিনিময়ে এক নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই কিছু মানুষ সংকটের দায়ভার বিএনপির কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/508_1.jpg" alt="দোষ সব বিএনপির! সরকারের ওপর হাসিনার ছায়া?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আল মাসুম: যখন পুরো দেশ বিএনপির ত্যাগের বিনিময়ে এক নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই কিছু মানুষ সংকটের দায়ভার বিএনপির কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করছে! নাহিদ ইসলাম আর মামুনুল হকের সাম্প্রতিক বক্তব্যে কি সত্যিই দেশের মঙ্গল আছে, নাকি এটি একটি বড় চক্রান্তের অংশ? কেন তারা বিএনপির জনপ্রিয়তায় আতঙ্কিত?&amp;nbsp; বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। একদিকে দেশের আপামর জনসাধারণের শেষ ভরসাস্থল হিসেবে বিএনপি যখন রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা নিয়ে কাজ করছে, অন্যদিকে কিছু রাজনৈতিক নেতা অযথা কাদা ছোড়াছুড়িতে লিপ্ত হয়েছেন। বিশেষ করে নাহিদ ইসলাম এবং মাওলানা মামুনুল হকের সাম্প্রতিক বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। তারা বিএনপিকে বর্তমান সংকটের জন্য দায়ী করার চেষ্টা করছেন। নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন যে, জাতিকে বর্তমান দুর্যোগে টেনে এনেছে বিএনপি। এটি একটি হাস্যকর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য ছাড়া আর কিছুই নয়। গত ১৬ বছর ধরে যখন দেশের মানুষ ফ্যাসিবাদের কবলে পিষ্ট হচ্ছিল, তখন রাজপথে রক্ত দিয়েছে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। অথচ এখন যখন সুফল ভোগ করার সময় এসেছে, তখন নাহিদ ইসলামের মতো নেতারা বিএনপিকে দায়ভার নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। এটি দুঃখজনক। তিনি হাম দুর্যোগ কিংবা আইসিইউ সংকটের কথা বলে বিএনপিকে দুষছেন। অথচ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে গত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসন। বিএনপি তো ক্ষমতায় নেই, তবে দায় কেন তাদের হবে? গত দেড় বছর ধরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও যারা রাষ্ট্র সংস্কারের ভুল পথে হেঁটেছেন, তারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই এখন বিএনপির ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। তাদের এই কৌশল জনগণ বুঝে গেছে। নাহিদ ইসলাম গণভোট এবং জুলাই সনদের দোহাই দিচ্ছেন। অথচ বিএনপি সবসময়ই চেয়েছে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারা। জুলাই আদেশ বা গণভোটের নামে যদি কোনো অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চাপিয়ে দেওয়া হয়, তবে বিএনপি তার বিরোধিতা করবেই। কারণ বিএনপি জনগণের দল, তারা কোনো অবৈধ প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে না। নাহিদ সাহেবদের বুঝতে হবে যে, কৃত্রিম সংকট বিএনপি নয়, বরং আপনারাই তৈরি করছেন। অন্যদিকে মাওলানা মামুনুল হক বর্তমান সরকারকে শেখ হাসিনার ভূতে ধরার যে অভিযোগ করেছেন, সেখানেও তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে বিএনপিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছেন। তিনি বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করার পাশাপাশি বিএনপিকেও হুশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বিএনপিকে ইঁদুরের সাথে তুলনা করার মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন। যে দলটি দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি, তাদের নিয়ে এমন মন্তব্য কোনোভাবেই রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। আসলে সমস্যাটা অন্য জায়গায়। বিএনপি এককভাবে জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছে, তাই কিছু ছোট দল বা জোট ভীত হয়ে পড়ছে। মামুনুল হক সাহেবরা ভয় পাচ্ছেন যে, রাজনৈতিক অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। তাই &amp;nbsp;বিএনপিকে সিংহ ভাবার খোটা দিচ্ছেন। অথচ বিএনপির শক্তির উৎস কোনো মসনদ নয়, বরং দেশের কোটি কোটি জনতা। মামুনুল হক শেখ হাসিনার পতনের উদাহরণ টেনে বিএনপিকে শিক্ষা নিতে বলেছেন। এটি অত্যন্ত আপত্তিকর। বিএনপি কোনো স্বৈরাচারী দল নয়, বরং এটি শহীদ জিয়ার হাতে গড়া দল যা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছে বারবার। আওয়ামী লীগের ধ্বংসের সাথে বিএনপির তুলনা করা মানে রাজনৈতিক ইতিহাসের চরম বিকৃতি। বিএনপি জনগণের অধিকারে বিশ্বাসী, তাই তারা দম্ভ নয় বরং সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। মামুনুল হক রাজপথে বিএনপিকে মোকাবিলার হুমকি দিয়েছেন। এটি অত্যন্ত উস্কানিমূলক বক্তব্য। বিএনপি সবসময় রাজপথের আন্দোলনে চ্যাম্পিয়ন। পুলিশের গুলি আর জেল-জুলুম সহ্য করে যে দল টিকে আছে, তাকে রাজপথের ভয় দেখানো হাস্যকর। বিএনপি চায় জাতীয় ঐক্য, কিন্তু নাহিদ ইসলাম বা মামুনুল হকের মতো নেতারা যদি বিভেদ সৃষ্টি করেন, তবে এর পরিণতি শুভ হবে না। বাংলাদেশ আজ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এই সময়ে প্রয়োজন পারস্পরিক সহযোগিতা, কাদা ছোড়াছুড়ি নয়। নাহিদ ইসলাম বা মামুনুল হকদের মনে রাখা উচিত, বিএনপিকে বাইরে রেখে বাংলাদেশে কোনো টেকসই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়। শেষে বলতে চাই, বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল এবং থাকবে। নাহিদ ইসলাম কিংবা মামুনুল হকের মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। বিএনপি একটি দায়িত্বশীল দল হিসেবে সকল সংকটের মোকাবিলা করবে। আপনারা যারা বিএনপিকে ভালোবাসেন, তারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন। ষড়যন্ত্রকারীরা পরাজিত হবেই। দেশ ও গণতন্ত্রের পক্ষে বিএনপির এই লড়াই চলবেই।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/508_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/508_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/508_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানকে পুরোপুরি ধ্বংসের হুমকি থেকে কি পিছু হটলেন ট্রাম্প? ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ এড়াতেই কি পিছু হটলেন ট্রাম্প?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23973</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23973</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 12 Apr 2026 01:04:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest bengal news, bbc bangla news, bbc news bangla, radio tehran bangla news, latest news today, r n ravi latest news, mirza abbas latest news, us-iran war latest news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bnp news bangladesh, banglavision news, banglavision news today, evening news bangladesh, bangladesh breaking news, bangladesh politics news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র ৯০ মিনিট বাকি। বিশ্ব রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছে। পারস্য উপসাগরের নীল জলরাশি কি রক্তে লাল হয়ে যাবে? ট্রাম্পের আল্টিমেটাম&amp;mdash;ইরান যদি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/491_1.jpg" alt="ইরানকে পুরোপুরি ধ্বংসের হুমকি থেকে কি পিছু হটলেন ট্রাম্প? ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ এড়াতেই কি পিছু হটলেন ট্রাম্প?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র ৯০ মিনিট বাকি। বিশ্ব রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছে। পারস্য উপসাগরের নীল জলরাশি কি রক্তে লাল হয়ে যাবে? ট্রাম্পের আল্টিমেটাম&amp;mdash;ইরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে ধ্বংস করে দেওয়া হবে তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র, গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে অবকাঠামো। পুরো ইরানি সভ্যতাকে মুছে ফেলার এক নিঃশর্ত হুমকি।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/491_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/491_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/491_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ওয়ালটন পণ্য কিনে আবারো মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23972</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23972</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 09 Apr 2026 19:04:47 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর জনপ্রিয়...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_9-4-26_43.jpg" alt="ওয়ালটন পণ্য কিনে আবারো মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা সাহা মীম এবং &amp;lsquo;ফেস অব ওয়ালটন এসি&amp;rsquo; জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানের উধ্বর্তন কর্মকর্তারা আসছে ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদ। এ উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সিজন-২৪ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে দেশের সুপারব্র্যান্ড ও টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। প্রতিবারের মতো এই সিজনেও ওয়ালটন পণ্য ক্রয়ে গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ সুবিধা। এই ঈদে ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি ফ্যান ক্রয়ে আবারো মিলিয়নিয়ার হওয়ার অর্থাৎ ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।&amp;nbsp; পাশাপাশি ক্রেতারা পাচ্ছেন লাখ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার, আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সিসহ নিশ্চিত উপহার। ৮ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ থেকে ঈদুল আযহা পর্যন্ত দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম বা অনলাইন প্লাটফর্ম &amp;lsquo;ই-প্লাজা&amp;rsquo; থেকে পণ্য ক্রয়ে এসব সুবিধা পাবেন ক্রেতারা। &amp;nbsp; বুধবার (৮ এপ্রিল, ২০২৬) রাজধানীর ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে অনুষ্ঠিত &amp;lsquo;ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪&amp;rsquo; এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সিজন-২৪ এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম। সেসময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা সাহা মীম এবং &amp;lsquo;ফেস অব ওয়ালটন এসি&amp;rsquo; জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ।&amp;nbsp; অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ওয়ালটন একটি ক্রেতাবান্ধব ব্র্যান্ড। প্রতিটি বড় উৎসবেই ক্রেতাদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে আসছে ওয়ালটন। এরই ধারবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ওয়ালটন পণ্যে আবারো মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুবিধা দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আগের কয়েকটি সিজনে ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ৪৪ জন ক্রেতা। ওয়ালটন থেকে পাওয়া ১০ লাখ টাকায় তাদের জীবনযাত্রার উন্নয়ন ঘটেছে। ফলে দেশব্যাপী ব্যাপক গ্রাহকপ্রিয়তা পেয়েছে ওয়ালটনের এই মিলিয়নিয়ার ক্যাম্পেইন। পূর্বের মতো ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের এই সিজনও গ্রাহকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে শতভাগ সফল হবে বলে তিনি আশাবাদী।&amp;nbsp; অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ চলাকালীন ক্রেতারা দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা ও পরিবেশক শোরুম থেকে ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন অথবা বিএলডিসি ফ্যান কেনার পর ক্রেতার নাম, মোবাইল নাম্বার ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের বার কোড ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে। এরপর সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড সিস্টেমে ওয়ালটনের কাছ থেকে ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে ক্রেতাদের ১০ লাখ টাকা, বিভিন্ন অঙ্কের ক্যাশ ভাউচার অথবা আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবলের দলের জার্সিসহ নিশ্চিত উপহার পাওয়ার তথ্য জানিয়ে দেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ওয়ালটন প্লাজা বা শোরুম কর্তৃপক্ষ ক্রেতাদেরকে সেসব উপহার বুঝিয়ে দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, বিক্রয়োত্তর সেবা কার্যক্রমকে অটোমেশনের আওতায় আনতে &amp;lsquo;ডিজিটাল কাস্টমার ডাটাবেজ&amp;rsquo; গড়ে তুলছে ওয়ালটন। সেজন্য দেশব্যাপী ওয়ালটন পণ্য কেনার পর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর এবং পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে গেলেও দেশের যেকোনো ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে, সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় গ্রাহকদের নানান সুবিধা দিয়ে আসছে ওয়ালটন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_9-4-26_43.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_9-4-26_43.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_9-4-26_43.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির অনুমোদন, নেতৃত্বে সোহাগ-জিদান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23971</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23971</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 09 Apr 2026 17:04:09 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ শাহিন আলম সাকিব এবং সাধারণ সম্পাদ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_9-4-26_41.jpg" alt="বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির অনুমোদন, নেতৃত্বে সোহাগ-জিদান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ শাহিন আলম সাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক এসএম আসাদ এই কমিটির অনুমোদন দেন। সংশ্লিষ্ট কমিটি কর্মীসভা আয়োজন করে প্রস্তাবনা জমা দেয়। সেই প্রস্তাবনার ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। নতুন এই কমিটিতে এম এ সামাদ সোহাগ-কে সভাপতি, মীর ইব্রাহিম জিদান-কে সাধারণ সম্পাদক এবং আব্দুল্লাহ আল মাসুম-কে প্রচার সম্পাদক করা হয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আরিফুল রহমান লিটনের সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক মোঃ শামসুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ মোঃ রাসেল মিয়া।&amp;nbsp; কমিটিতে আরও যারা রয়েছেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ খালেদুর হোসেন, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহাবুব হাছান, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদ, জুয়েল আহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন (ফরহাদ), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ইসতিয়াক মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ বাবু, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন কাদের, সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আলী সারেং, সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ হাবিব (নবী), ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ ইশতিয়াক ইসলাম, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ এনাম ভাওয়াল, সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক লায়ন গাজী মোঃ এয়াকুব আলী, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সাগর-মাহমুদ দুলাল, মাহি তুষার, সহ-সমাজ বিষয়ক সম্পাদক মফিজুল ইসলাম মাসুম, সহ-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সায়েম আক্তার সিদ্দিকী, সিনিয়র সদস্য সচিব মোঃ জুয়েল পারভেজসহ মোট ৯১ সদস্য নিয়ে গঠিত এই কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন কেন্দ্রীয় নেতৃদ্বয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_9-4-26_41.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_9-4-26_41.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_9-4-26_41.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুতিনের চালে মাত, ইউক্রেনীয় সেনাদলে কান্নার রোল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23970</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23970</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 06 Apr 2026 15:04:43 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিশ্ব মানচিত্র থেকে কি ইউক্রেন হারিয়ে যেতে বসেছে? রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কি তবে তার চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন করে ফেললেন? পশ্চিমা বিশ্বের শত শত কোটি ডলা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/462_1.jpg" alt="পুতিনের চালে মাত, ইউক্রেনীয় সেনাদলে কান্নার রোল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিশ্ব মানচিত্র থেকে কি ইউক্রেন হারিয়ে যেতে বসেছে? রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কি তবে তার চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন করে ফেললেন? পশ্চিমা বিশ্বের শত শত কোটি ডলারের অস্ত্র কেন ইউক্রেনকে রক্ষা করতে পারছে না? আজকের ভিডিওতে আমরা দেখাবো কীভাবে রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য বাহিনী ইউক্রেনের তথাকথিত &amp;lsquo;দুর্ভেদ্য দুর্গ&amp;rsquo; ভেঙে চুরমার করে দিচ্ছে এবং কেন জেলেনস্কির পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। রাশিয়ার এই অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্যে থাকা আসল সত্য জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/462_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/462_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/462_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের বিপ্লবী বাহিনীর ইতিহাস ও শক্তিতে কেন কাঁপছে হোয়াইট হাউস এবং নেতানিয়াহুর তেল আবিব]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23969</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23969</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 06 Apr 2026 15:04:51 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ আজ বারুদের গন্ধে ভারী। দীর্ঘ এক মাস ধরে আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের ওপর অমানবিক হামলা চালাচ্ছে। তারা ভেবেছিল শীর্ষ নেতাদের হত্যা করলেই হয়তো ইরা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/467_1.jpg" alt="ইরানের বিপ্লবী বাহিনীর ইতিহাস ও শক্তিতে কেন কাঁপছে হোয়াইট হাউস এবং নেতানিয়াহুর তেল আবিব" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ আজ বারুদের গন্ধে ভারী। দীর্ঘ এক মাস ধরে আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের ওপর অমানবিক হামলা চালাচ্ছে। তারা ভেবেছিল শীর্ষ নেতাদের হত্যা করলেই হয়তো ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি আত্মসমর্পণ করবে। কিন্তু ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অস্ত্র সমর্পণের প্রস্তাবকে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে এই অকুতোভয় বীরেরা। আজ আমরা বিশ্লেষণ করবো, কেন মার্কিন বা ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের মাটিতে পা রাখলে তা হবে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কবরস্থান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/467_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/467_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/467_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের প্রত্যাঘাতে আমেরিকার সব মারণাস্ত্র ব্যর্থ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23968</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23968</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 06 Apr 2026 15:04:26 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের পবিত্র মাটিতে আজ সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তির কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে। তবে তেহরানের অকুতোভয় সিংহরা প্রস্তুত রয়েছে তাদের ঈমানি শক্তি দিয়ে শত্রুর দম্ভ চূর্ণ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/465_1.jpg" alt="ইরানের প্রত্যাঘাতে আমেরিকার সব মারণাস্ত্র ব্যর্থ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যের পবিত্র মাটিতে আজ সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তির কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে। তবে তেহরানের অকুতোভয় সিংহরা প্রস্তুত রয়েছে তাদের ঈমানি শক্তি দিয়ে শত্রুর দম্ভ চূর্ণ করতে। আমেরিকা তার সবচেয়ে প্রাণঘাতী জেএএসএসএম-ইআর মিসাইল মোতায়েন করেও ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করতে হিমশিম খাচ্ছে।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/465_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/465_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/465_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় স্তব্ধ ইউক্রেনীয় ফ্রন্টলাইন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23967</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23967</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 06 Apr 2026 15:04:49 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনারা কি শুনতে পাচ্ছেন সেই পতনের শব্দ? যা পশ্চিমা মিডিয়া আপনার কাছ থেকে লুকাতে চাইছে? ডনবাসের তুষারপাত এখন ইউক্রেনীয় সেনাদের রক্তে লাল হয়ে গেছে। পুতিনের অপ্রতি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/468_1.jpg" alt="রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় স্তব্ধ ইউক্রেনীয় ফ্রন্টলাইন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনারা কি শুনতে পাচ্ছেন সেই পতনের শব্দ? যা পশ্চিমা মিডিয়া আপনার কাছ থেকে লুকাতে চাইছে? ডনবাসের তুষারপাত এখন ইউক্রেনীয় সেনাদের রক্তে লাল হয়ে গেছে। পুতিনের অপ্রতিরোধ্য বাহিনী যে ঝড়ের গতিতে এগিয়ে আসছে, তা থামানোর ক্ষমতা কি আদৌ জেলেনস্কির আছে? আজ আমরা উন্মোচন করব রাশিয়ার সেই বীরত্বগাথা, যা প্রমাণ করবে কেন ২০২৬ সাল হতে যাচ্ছে ইউক্রেনের মানচিত্র মুছে যাওয়ার বছর!</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/468_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/468_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/468_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরান আরও ১টি মার্কিন C-130 বিমান ভূপাতিত করল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23966</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23966</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 06 Apr 2026 14:04:12 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আকাশসীমায় আবারও থমথমে পরিস্থিতি! পবিত্র মাতৃভূমির প্রতিরক্ষায় মার্কিন আগ্রাসীদের কঠোর জবাব দিলো ইরান। ইসফাহান এলাকায় একটি মার্কিন C-130 বিমান ভূপাতিত করেছে ইরান...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/466_1.jpg" alt="ইরান আরও ১টি মার্কিন C-130 বিমান ভূপাতিত করল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আকাশসীমায় আবারও থমথমে পরিস্থিতি! পবিত্র মাতৃভূমির প্রতিরক্ষায় মার্কিন আগ্রাসীদের কঠোর জবাব দিলো ইরান। ইসফাহান এলাকায় একটি মার্কিন C-130 বিমান ভূপাতিত করেছে ইরানের কমান্ডো ইউনিট। নিখোঁজ মার্কিন সেনাদের উদ্ধার এবং আগ্রাসীদের জ্বালানি সরবরাহ করতে এসেই ইরানের &amp;#39;ফারাজ রেঞ্জার্স&amp;#39; (Faraj Rangers) নামক চৌকস পুলিশ কমান্ডো ইউনিটের তোপের মুখে পড়ে বিমানটি।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/466_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/466_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/466_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকার পতন কি শুরু? ইরানের ভয়ে ১২ মার্কিন জেনারেল বরখাস্ত!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23965</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23965</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 06 Apr 2026 14:04:11 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আমেরিকার ইতিহাসে নজিরবিহীন ভূমিকম্প! ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানাল মার্কিন সামরিক বাহিনী। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশ অমান্য করায় একযোগে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/464_1.jpg" alt="আমেরিকার পতন কি শুরু? ইরানের ভয়ে ১২ মার্কিন জেনারেল বরখাস্ত!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আমেরিকার ইতিহাসে নজিরবিহীন ভূমিকম্প! ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানাল মার্কিন সামরিক বাহিনী। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশ অমান্য করায় একযোগে বরখাস্ত ১২ জন শীর্ষ জেনারেল! মধ্যপ্রাচ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির নেশায় মেতেছে হোয়াইট হাউস। কিন্তু এবার নিজের ঘরের বাধার মুখেই পড়লেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের স্থল অভিযানের যে আত্মঘাতী নির্দেশ ট্রাম্প দিয়েছিলেন, তা মানতে সাফ মানা করে দিয়েছেন পেন্টাগনের অভিজ্ঞ জেনারেলরা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/464_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/464_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/464_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানি শুট অ্যান্ড স্কুটে কুপোকাত মার্কিন যুদ্ধবিমান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23964</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23964</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 06 Apr 2026 14:04:01 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্ব দেখল এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য। ইরানের আকাশসীমা যেন এখন মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এক জীবন্ত কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। আমেরিকার তথাকথিত অপরাজেয় শক্তি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/463_1.jpg" alt="ইরানি শুট অ্যান্ড স্কুটে কুপোকাত মার্কিন যুদ্ধবিমান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্ব দেখল এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য। ইরানের আকাশসীমা যেন এখন মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এক জীবন্ত কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। আমেরিকার তথাকথিত অপরাজেয় শক্তির দম্ভ ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে তেহরান ভূপাতিত করেছে দুটি অত্যাধুনিক মার্কিন সামরিক বিমান এবং ক্ষতিগ্রস্ত করেছে দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার। ডোনাল্ড ট্রাম্প যে পূর্ণ আধিপত্যের দাবি করেছিলেন, তা এখন স্রেফ তামাশায় পরিণত হয়েছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/463_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/463_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/463_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জামায়াতের মিথ্যে কান্নাকাটি! প্রশাসনে দলীয়করণ?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23963</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23963</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 06 Apr 2026 13:04:30 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যখন মানুষ স্থিতিশীলতা চায়, ঠিক তখনই জামায়াত আমির শফিকুর রহমান কি আবার দেশকে অস্থিতিশীল করার ছক আঁকছেন? তার সাম্প্রতিক বক্তব্য কি শুধু...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/457_1.jpg" alt="জামায়াতের মিথ্যে কান্নাকাটি! প্রশাসনে দলীয়করণ?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যখন মানুষ স্থিতিশীলতা চায়, ঠিক তখনই জামায়াত আমির শফিকুর রহমান কি আবার দেশকে অস্থিতিশীল করার ছক আঁকছেন? তার সাম্প্রতিক বক্তব্য কি শুধুই সমালোচনা, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো ভয়ংকর ষড়যন্ত্র? ভিডিওতে বিস্তারিত দেখুন...</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/457_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/457_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/457_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[নেট দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করলো তাসকিনের বিজ্ঞাপন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23962</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23962</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 06 Apr 2026 13:04:19 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সম্প্রতি ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন এসির একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের নাম্বার ওয়ান তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। &amp;lsquo;স্মার্ট কমফোর্টে নেক্সট লে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_06-04-26_31.jpg" alt="নেট দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করলো তাসকিনের বিজ্ঞাপন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সম্প্রতি ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন এসির একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের নাম্বার ওয়ান তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। &amp;lsquo;স্মার্ট কমফোর্টে নেক্সট লেভেলে&amp;rsquo; শিরোনামের ওই বিজ্ঞাপনটি ইতোমধ্যে দর্শকদের নজর কেড়েছে। বিজ্ঞাপনটি সামাজিক মাধ্যমে আসার পরপরই ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে বিজ্ঞাপনটি। লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার বাড়ছে মুহুর্মুহু। এই রিপোর্ট লেখার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে বিজ্ঞাপনটি এরইমধ্যে ১২০ মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়ে গেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান এয়ারকন্ডিশনার ব্র্যান্ড ওয়ালটনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ। তিনি এখন &amp;lsquo;ফেস অব ওয়ালটন এসি&amp;rsquo; হিসেবে সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনের সঙ্গে কাজ করছেন। ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন এসির চিফ বিজনেস অফিসার মো. তানভীর রহমান এবং ব্র্যান্ড ম্যানেজার খলিলুর রহমানের ভাবনা ও নির্দেশনায় বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন আশিক আলম। ওয়ালটন এসির ফেসবুক পেজে রিলিজের পর শুধু এই প্ল্যাটফর্মেই এখন পর্যন্ত এটি ১১৪ মিলিয়নের বেশি দর্শক বিজ্ঞাপনটি দেখেছেন। লাইক দিয়েছেন প্রায় ৬০ হাজার এবং মন্তব্য ও শেয়ার করেছেন লাখো দর্শক। এই প্রথম কোনো ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের সঙ্গে বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছেন তাসকিন আহমেদ। বিজ্ঞাপনটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলায় উচ্ছ্বসিত তাসকিন। তিনি বলেন, &amp;ldquo;ওয়ালটন দেশের ইলেকট্রনিক্স খাতের জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান। দেশের পাশাপাশি বহির্বিশ্বেও ওয়ালটন ব্র্যান্ডের নাম ছড়িয়ে পড়েছে। ওয়ালটন এখন আমাদের সবার গর্বের একটি ব্র্যান্ড। এমন একটি ব্র্যান্ডে নিজেকে যুক্ত করতে পেরে গর্ব বোধ করছি। বিজ্ঞাপনটির মাধ্যমে মূলত দেশে তৈরি ওয়ালটন এসির বিশেষ ফিচার ও নানাধর্মী সুবিধা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপনটি &amp;nbsp;দর্শকমহলে সমাদৃত হওয়ায় খুব ভালো লাগছে। দর্শকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ।&amp;nbsp; তিনি বলেন, বিজ্ঞাপনটি রিলিজের পর থেকেই সহকর্মী, বন্ধু ও ভক্তদের থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আমার কাজটি সঠিকভাবে করার চেষ্টা করেছি। দর্শকের কাছ থেকে ভালোবাসা পাচ্ছি। তাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের অনুপ্রেরণায় মুগ্ধ হয়েছি। দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটনের সঙ্গে দারুণ সময় পার করছেন বলেও জানান জাতীয় দলের এই পেসার। সিএমও জোহেব আহমেদ বলেন, পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ের সঙ্গে সব সময় দর্শকদের মুগ্ধ করতে নানারকম আয়োজন থাকে আমাদের। তারই অংশ হিসেবে জাতীয় দলের তারকা পেসারকে নিয়ে ওয়ালটন এসির এই বিজ্ঞাপন। ওয়ালটন এসি অর্জন করে নিয়েছে বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান এয়ার কন্ডিশনার ব্র্যান্ডের মর্যাদা। গ্রাহকদের হাতে আইওটি, এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন পরিবেশবান্ধব, সর্বাধুনিক ও উদ্ভাবনী ফিচার সমৃদ্ধ এসি তুলে দেওয়ার মাধ্যমে ওয়ালটন এসি টানা দুই বছর ধরে &amp;lsquo;বেস্ট ব্র্যান্ড&amp;rsquo; এর সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছে। স্থানীয় বাজারের মতো বৈশ্বিক বাজারেও বাড়ছে ওয়ালটন এসির গ্রাহকপ্রিয়তা ও চাহিদা। ওয়ালটন এসির টেকসই গুণগতমান, এআই ও আইওটি বেজড উদ্ভাবনী, পরিবেশবান্ধব ও এনার্জি ইফিশিয়েন্ট স্মার্ট সব প্রযুক্তি এবং ফিচার স্থানীয় ও বৈশ্বিক ক্রেতাদের মন জয় করে নিচ্ছে দ্রুত। ফলে এশিয়া, মধপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার নতুন নতুন দেশগুলোর বাজারে প্রতিনিয়ত স&amp;curren;প্রসারণ হচ্ছে ওয়ালটন এসির ব্র্যান্ড বিজনেস। ইতোমধ্যে সিঙ্গাপুরের বিশ্বখ্যাত মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালের প্রসেস কুলিং এ ব্যবহৃত হচ্ছে ওয়ালটনের স্মার্ট ইনভার্টার চিলার। আমাদের প্রত্যাশা জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকা তাসকিনের উপস্থিতিতে ব্যাপক আলোড়ন তোলা এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে চলতি বছর পণ্য বিক্রয়ে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সর্বোচ্চ বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ওয়ালটন এসিতে রয়েছে ফ্রস্ট ক্লিন, এয়ার প্লাজমা, থ্রি-ইন-ওয়ান কনভার্টার টেকনোলজি, স্মার্ট কন্ট্রোলসহ নানা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার। এছাড়াও আছে অফলাইন ভয়েস কন্ট্রোল এসি, ব্লুটুথ ও এয়ার প্লাজমা ফিচারের থ্রি-ইন-ওয়ান কনভার্টার প্রযুক্তির ফিচার। ওয়ালটনের এসি স্মার্টফোন থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পাশাপাশি ওয়ালটন এসির ক&amp;curren;েপ্রসরে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর-২৯০ রেফ্রিজারেন্ট। আন্তর্জাতিক মানের টেস্টিং ল্যাব নাসদাত-ইউটিএস থেকে মান নিয়ন্ত্রণ সনদ পাওয়ার পরই ওয়ালটনের প্রতিটি এসি স্থানীয় ও বৈশ্বিক বাজারে ছাড়া হয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_06-04-26_31.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_06-04-26_31.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_06-04-26_31.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুতিনের অপরাজেয় সমরশক্তি ও ইউক্রেনের পতন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23961</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23961</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 05 Apr 2026 05:04:43 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest bengal news, bbc bangla news, bbc news bangla, radio tehran bangla news, latest news today, r n ravi latest news, mirza abbas latest news, us-iran war latest news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bnp news bangladesh, banglavision news, banglavision news today, evening news bangladesh, bangladesh breaking news, bangladesh politics news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিশ্ব মানচিত্র থেকে কি ইউক্রেন হারিয়ে যেতে বসেছে? রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কি তবে তার চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন করে ফেললেন? পশ্চিমা বিশ্বের শত শত কোটি ডলা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_05-04-26_21.jpg" alt="পুতিনের অপরাজেয় সমরশক্তি ও ইউক্রেনের পতন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিশ্ব মানচিত্র থেকে কি ইউক্রেন হারিয়ে যেতে বসেছে? রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কি তবে তার চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন করে ফেললেন? পশ্চিমা বিশ্বের শত শত কোটি ডলারের অস্ত্র কেন ইউক্রেনকে রক্ষা করতে পারছে না? আজকের ভিডিওতে আমরা দেখাবো কীভাবে রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য বাহিনী ইউক্রেনের তথাকথিত &amp;lsquo;দুর্ভেদ্য দুর্গ&amp;rsquo; ভেঙে চুরমার করে দিচ্ছে এবং কেন জেলেনস্কির পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। রাশিয়ার এই অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্যে থাকা আসল সত্য জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_05-04-26_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_05-04-26_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_05-04-26_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[তারেক রহমানের হাতে জিয়ার সেই কোদাল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23960</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23960</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 05 Apr 2026 04:04:27 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest bengal news, bbc bangla news, bbc news bangla, radio tehran bangla news, latest news today, r n ravi latest news, mirza abbas latest news, us-iran war latest news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bnp news bangladesh, banglavision news, banglavision news today, evening news bangladesh, bangladesh breaking news, bangladesh politics news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মোঃ মিজানুর রহমান ও আল মাসুম:&amp;nbsp;স্ক্রিনে যে দৃশ্যটি দেখছেন সেটি কি ১৯৭৭ সালের না কি ২০২৬ সালের? কোদাল হাতে প্যান্টে কাদা মেখে দাঁড়িয়ে থাকা এই মানুষটি কি শহীদ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/430_5.jpg" alt="তারেক রহমানের হাতে জিয়ার সেই কোদাল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মোঃ মিজানুর রহমান ও আল মাসুম:&amp;nbsp;স্ক্রিনে যে দৃশ্যটি দেখছেন সেটি কি ১৯৭৭ সালের না কি ২০২৬ সালের? কোদাল হাতে প্যান্টে কাদা মেখে দাঁড়িয়ে থাকা এই মানুষটি কি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, না কি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? দিনাজপুরের সাহাপাড়ার মাটিতে আজ ইতিহাস কথা বলছে! প্রায় পাঁচ দশক পর সেই একই জায়গায়, একই ভঙ্গিতে, ঠিক বাবার মতোই বিপ্লবের সূচনা করলেন ছেলে। আজ বলবো বাংলাদেশের রাজনীতির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ নিয়ে, যা দেখে বিরোধীদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে!&amp;quot; বাংলাদেশের মানচিত্র বদলে দিতে শহীদ জিয়া যে কোদাল তুলে নিয়েছিলেন, সেই কোদাল আজ তার যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমানের হাতে। দিনাজপুরের সেই ঐতিহাসিক সাহাপাড়া, যেখান থেকে একদিন শুরু হয়েছিল খাল খনন বিপ্লব, সেখানেই আজ রচিত হলো নতুন ইতিহাস। জনমানুষের নেতা তারেক রহমান আজ প্রমাণ করলেন, তিনি কেবল ক্ষমতার উত্তরাধিকারী নন, বরং তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শ ও মেহনতি মানুষের প্রকৃত বন্ধু। বিএনপির মিডিয়া সেলে প্রকাশিত সেই ২৯ সেকেন্ডের ভিডিওটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে। উপরে ১৯৭৭ সালের সাদা-কালো ফ্রেমে প্রিয় নেতা জিয়াউর রহমান, আর নিচে ২০২৬ সালের রঙিন ফ্রেমে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পোশাক থেকে শুরু করে মাটি কাটার ভঙ্গি&amp;mdash;সবকিছুতেই যেন এক অলৌকিক মিল! বাবার সেই টি-শার্ট, জিন্স আর মাথায় ক্যাপ; ঠিক যেন এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। মঞ্চের সোফায় যখন প্রধানমন্ত্রী বসলেন, তখন তার প্যান্টে লেগে থাকা কাদার ছোপগুলো যেন হীরা-জহরতকেও হার মানাচ্ছিল। ঠিক ৪০ বছর আগে জিয়াউর রহমানও এভাবেই খালের পাড়ে কাদামাখা অবস্থায় বসেছিলেন। এই কাদা কোনো ময়লা নয়, এটি হলো এদেশের মাটির প্রতি ভালোবাসা এবং কৃষকের সাথে একাত্ম হওয়ার পবিত্র চিহ্ন। তারেক রহমান আজ দেখিয়ে দিলেন, বিলাসিতা নয়, জনসেবাই তার মূল লক্ষ্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন একটাই কথা&amp;mdash;&amp;#39;শহীদ জিয়ার পদচিহ্নেই হাঁটছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান&amp;#39;। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছেন, তারেক রহমান খুব বুঝেশুনেই তার বাবার সেই সততা আর অনাড়ম্বর জীবনকে নিজের মধ্যে ধারণ করেছেন। এতে অবশ্য এক শ্রেণির &amp;lsquo;সুশীল&amp;rsquo; আর বিরোধীদের গা জ্বালা করছে। তারা এটাকে বলছেন প্রতীকী রাজনীতি, কিন্তু আমজনতা বলছে, এটাই তো আসল দেশের মাটির মানুষের নেতা। বিগত সরকারের আমলে গত ২৫ বছরে হাজার হাজার কিলোমিটার খাল খননের গল্প শোনানো হলেও বাস্তবে সচল ছিল খুব সামান্যই। কিন্তু তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতায় এসেই ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও নদী পুনরুদ্ধারের যে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তা বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনবে। এটি কোনো ফাঁকা বুলি নয়, বরং শহীদ জিয়ার শুরু করা সেই অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করা। নির্বাচনের আগেই বিএনপি কথা দিয়েছিল, জনগণের স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দেশ গড়া হবে। আর ক্ষমতায় আসার পর ১৬ই মার্চ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী। খরা মৌসুমে যখন কৃষকরা পানির জন্য হাহাকার করে, তখন এই খালগুলোই হবে তাদের প্রাণের উৎস। তারেক রহমান জানেন, এদেশের উন্নয়ন মানেই কৃষকের উন্নয়ন, আর কৃষক বাঁচলে তবেই না দেশ বাঁচবে সোনার বাংলাদেশ। আমাদের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, সরকার এখন শহীদ জিয়ার প্রবর্তিত পররাষ্ট্রনীতিতেই ফিরে যাচ্ছে। অর্থাৎ, দেশ এখন সঠিক ট্র্যাকে। জিয়াউর রহমানের সেই সততা আর কঠোর পরিশ্রমের দৃষ্টান্ত যদি তারেক রহমান পুরোপুরি রপ্ত করতে পারেন, তবে এই বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ঠেকানোর সাধ্য কারও নেই। ষড়যন্ত্রকারীরা যতই হাসাহাসি করুক, দেশের মানুষ কিন্তু তাদের উত্তর দিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে গত পাঁচ দশক ধরে জিয়া পরিবারই হলো আসল প্রাণশক্তি। ১৭ বছর রাজপথের লড়াই-সংগ্রাম শেষে যখন দল ক্ষমতায় ফিরল, তখন তারেক রহমানের এই ভিশনারি নেতৃত্বই ভরসা জোগাচ্ছে। বাবার সেই কোদাল আজ ছেলের হাতে এক শক্তিশালী হাতিয়ার, যা দিয়ে ভরাট হওয়া খালই নয়, বরং দেশের ভাগ্যরেখাও নতুন করে খনন করছেন আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান। শেষে এটাই বলবো, যারা ভাবছেন এগুলো স্রেফ লোক দেখানো, তারা আসলে বাংলাদেশের মানুষের পালস বোঝেন না। তারেক রহমান কেবল জিয়ার ছায়া হয়ে থাকতে আসেননি, তিনি এসেছেন জিয়ার অসমাপ্ত বিপ্লবকে সফল করতে। দিনাজপুরের সেই কাদা মাটি আজ সাক্ষ্য দিচ্ছে, বাংলাদেশ সঠিক হাতেই আছে।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/430_5.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/430_5.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/430_5.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক’ কথাটি সংবিধানের লঙ্ঘন: একি বললেন আসিফ মাহমুদ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23959</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23959</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 29 Mar 2026 06:03:35 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest bengal news, bbc bangla news, bbc news bangla, radio tehran bangla news, latest news today, r n ravi latest news, mirza abbas latest news, us-iran war latest news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bnp news bangladesh, banglavision news, banglavision news today, evening news bangladesh, bangladesh breaking news, bangladesh politics news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রক্ত দিয়ে লেখা ইতিহাস কি কেবল একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে মুছে ফেলা সম্ভব? আসিফ মাহমুদ আজ সংবিধানের দোহাই দিয়ে যাকে অস্বীকার করছেন, সেই জিয়াউর রহমানের কণ্ঠ না শুনলে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/422_1.jpg" alt="জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক’ কথাটি সংবিধানের লঙ্ঘন: একি বললেন আসিফ মাহমুদ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রক্ত দিয়ে লেখা ইতিহাস কি কেবল একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে মুছে ফেলা সম্ভব? আসিফ মাহমুদ আজ সংবিধানের দোহাই দিয়ে যাকে অস্বীকার করছেন, সেই জিয়াউর রহমানের কণ্ঠ না শুনলে একাত্তরে বাঙালির মুক্তি আসত কি না, সেই প্রশ্ন আজ জনমনে! চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী, আর মূর্খে না বোঝে ইতিহাসের বাণী। বর্তমান সময়ে অদ্ভুত সব কাণ্ডকারখানা আমরা চারপাশেই দেখতে পাচ্ছি। বিশেষ করে যারা হঠাৎ করে বড় বড় নেতা হয়ে যান, তারা যেন ইতিহাসকে নিজের পকেটবন্দি মনে করেন। সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া তেমনই এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা নাকি সংবিধানের লঙ্ঘন। কী আজব এক তামাশা, তাই না? গত শুক্রবার ২৭ মার্চ নিজের ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই বোমা ফাটিয়েছেন। আসিফ সাহেব যেন এক রাতের মধ্যেই সংবিধান বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠেছেন। তিনি লিখেছেন, শহীদ জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা নাকি সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। যেন তার স্ট্যাটাসেই দেশের ইতিহাস নির্ধারিত হবে। অথচ ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ কার কণ্ঠস্বর মানুষের মনে সাহস জুগিয়েছিল, তা আজ তিনি ভুলে গেছেন। আসিফ মাহমুদ শুধু লিখেই ক্ষান্ত হননি, কমেন্ট বক্সে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের একটি ছবিও যুক্ত করে দিয়েছেন। সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার কথা উল্লেখ আছে। বাহ! আসিফ সাহেব তো বেশ ভালোই ছবি তুলতে পারেন। কিন্তু তিনি কি জানেন না যে, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে কার বজ্রকণ্ঠে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা ছড়িয়ে পড়েছিল সারা বাংলায়? সেই সত্য কি ছবিতে ঢাকা যায়? ইতিহাস সাক্ষী দেয়, যখন শীর্ষ নেতারা বন্দি বা পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন, তখন এই জিয়াউর রহমানই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গর্জে উঠেছিলেন। &amp;lsquo;আই মেজর জিয়া ডিক্লেয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্স&amp;rsquo;&amp;mdash;এই একটি বাক্যই ছিল দিশেহারা বাঙালির আশার আলো। আসিফ মাহমুদরা তখন কোথায় ছিলেন? সম্ভবত ইতিহাসে তাদের কোনো নামগন্ধও ছিল না। এখন সংবিধানের দোহাই দিয়ে সেই বীরের অবদান মুছে ফেলার অপচেষ্টা হাস্যকর। শেখ মুজিবুর রহমান বড় নেতা ছিলেন ঠিকই, কিন্তু মাঠ পর্যায়ে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছিল, তা দূর করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তার সেই বলিষ্ঠ ঘোষণা না এলে সাধারণ মানুষ জানতেই পারত না কী করতে হবে। অথচ আজ কিছু মানুষ সংবিধানের দোহাই দিয়ে তাকে খাটো করতে চায়। ইতিহাস কি শুধু কাগজে লেখা হয়? না, ইতিহাস তো মানুষের হৃদয়ে গেঁথে থাকে। আসিফ মাহমুদের এই স্ট্যাটাস দেখে মনে হচ্ছে, তিনি হয়তো নতুন কোনো ইতিহাস বই লিখতে চাইছেন যেখানে জিয়াউর রহমানের কোনো নাম থাকবে না। মি. আসিফ, ফেসবুকের লাইক আর কমেন্ট দিয়ে ইতিহাস বদলানো যায় না। আপনি সংবিধানের যে পৃষ্ঠার ছবি দিয়েছেন, সেটি তো পরবর্তীকালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বারবার সংশোধন করা হয়েছে। আসল ইতিহাস তো সেই বেতার তরঙ্গে এখনো প্রতিধ্বনিত হয়। দেশের সাধারণ মানুষ কিন্তু সব বোঝে। কারা স্বাধীনতার সময় অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছে আর কারা আরাম-আয়েশে ছিল, তা গোপন কিছু নয়। জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনের বীর, তিনি শুধু ঘোষকই নন, তিনি ছিলেন যুদ্ধের অগ্রসেনানি। আসিফ মাহমুদের মতো নবীন নেতারা সংবিধানের দোহাই দিয়ে তার আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারবে না। এটা কেবল দুঃস্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই নয়। শেষে বলতে চাই, সংবিধান জনগণের জন্য, ইতিহাসকে মুছে ফেলার জন্য নয়। আসিফ মাহমুদ সাহেবকে বলবো, সংবিধানের দোহাই দেওয়ার আগে একাত্তরের সেই দিনগুলোর রেকর্ডগুলো একটু শুনুন। মানুষের ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা কোনো কাগজের আইনে আটকা পড়ে থাকে না। শহীদ জিয়া চিরকালই বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষক হিসেবে বেঁচে থাকবেন। ইতিহাস নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধ করা উচিত। আসিফ মাহমুদের এই বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে আপনার কী মতামত? আপনারা কি মনে করেন সংবিধানের দোহাই দিয়ে ইতিহাসের সত্যকে আড়াল করা সম্ভব? কমেন্ট করে আমাদের জানান এবং ভিডিওটি শেয়ার করে সত্য ইতিহাস সবার কাছে পৌঁছে দিন। যারা ইতিহাস বিকৃতি করতে চায়, তাদের চোখে আঙুল দিয়ে সত্যটা দেখিয়ে দেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। আজ এ পর্যন্তই, সবাই ভালো থাকুন। মনে রাখবেন, সত্য সূর্যের মতো, মেঘ দিয়ে তাকে সাময়িকভাবে ঢাকা যায় কিন্তু নেভানো যায় না। জিয়াউর রহমান ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন মানুষের হৃদয়ে। যারা তাকে মুছে ফেলতে চায়, তারাই একদিন ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। আসিফ মাহমুদদের মতো মৌসুমি পাখিরা আসবে যাবে, কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণা চিরদিন অবিনশ্বর হয়েই থাকবে আমাদের প্রিয় এই বাংলাদেশে।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/422_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/422_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/422_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কিম জং উনের আজব নির্বাচনী জয়, ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট পেলেন কিম]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23958</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23958</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 26 Mar 2026 15:03:58 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[এশিয়া]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest bengal news, bbc bangla news, bbc news bangla, radio tehran bangla news, latest news today, r n ravi latest news, mirza abbas latest news, us-iran war latest news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bnp news bangladesh, banglavision news, banglavision news today, evening news bangladesh, bangladesh breaking news, bangladesh politics news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ভাবুন তো, আপনি একা দৌড়াচ্ছেন আর দৌড় শেষে ঘোষণা করা হলো&amp;mdash;আপনি প্রথম হয়েছেন! অবাক হচ্ছেন? হওয়ারই কথা, কিন্তু উত্তর কোরিয়ার ডিক্টেটর কিম জং উনের কাছে এটাই হলো...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/407_1.jpg" alt="কিম জং উনের আজব নির্বাচনী জয়, ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট পেলেন কিম" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ভাবুন তো, আপনি একা দৌড়াচ্ছেন আর দৌড় শেষে ঘোষণা করা হলো&amp;mdash;আপনি প্রথম হয়েছেন! অবাক হচ্ছেন? হওয়ারই কথা, কিন্তু উত্তর কোরিয়ার ডিক্টেটর কিম জং উনের কাছে এটাই হলো আসল &amp;lsquo;গণতন্ত্র&amp;rsquo;। সম্প্রতি সেখানে নির্বাচন হলো, আর কিম ভাই একাই পেয়েছেন ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট! কিন্তু আসল মজা সেখানে নয়, আসল মজা হলো সেই ০.০৭ শতাংশ মানুষের ওপর যারা কিমকে &amp;lsquo;না&amp;rsquo; বলে দিয়েছেন। আজ বলবো কিমের সেই &amp;lsquo;ভুতুড়ে&amp;rsquo; ভোটারদের গল্প যারা কিমের চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন, কারণ শেষে থাকছে কিমের বাড়ির অন্দরমহলের ঝগড়ার খবর! আজ আমাদের আলোচনার বিষয় হলো পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় দেশ উত্তর কোরিয়া। ইংরেজিতে একটা কথা আছে, &amp;quot;The winner takes it all&amp;quot;&amp;mdash;অর্থাৎ জয়ী সব কিছুই পায়। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রে প্রবাদটা একটু ঘুরিয়ে বলতে হয়, &amp;quot;চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, আর কিম এলে ভোট বাড়ে!&amp;quot; সেখানে ভোট হওয়া মানেই কিমের পকেটে ১০০ তে ১০০ নম্বর। কিন্তু এবার কিম ভাই একটু কপাল খারাপ করে ফেলেছেন, কারণ তিনি ১০০ পাননি, পেয়েছেন ৯৯.৯৩! বাকি ০.০৭ শতাংশ মানুষ কোথায় গেল? তারা কি ভিনগ্রহের প্রাণী? চলুন জেনে নিই। পেশায় ডিক্টেটর হলেও কিম জং উন মাঝেমধ্যেই একটু &amp;lsquo;গণতন্ত্র&amp;rsquo; &amp;lsquo;গণতন্ত্র&amp;rsquo; খেলা খেলতে পছন্দ করেন। গত ১৫ মার্চ উত্তর কোরিয়ার ১৫তম সুপ্রিম পিপল্স অ্যাসেম্বলির ভোটগ্রহণ হলো। আর ফল প্রকাশের পর দেখা গেল, কিমের &amp;lsquo;ওয়ার্কার্স পার্টি&amp;rsquo; সব আসনেই জিতে গেছে। একদম ক্লিন সুইপ! সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, ৯৯.৯৩ শতাংশ মানুষ কিমকেই আবার রাজা হিসেবে দেখতে চায়। মানে দেশের সব মানুষই কিমকে ভালোবাসে, শুধু হাতেগোনা কয়েকটা মানুষ বাদ দিয়ে। এখন প্রশ্ন হলো, যারা কিমকে ভোট দেয়নি, তারা কি এখনো জীবিত আছে? অংকটা একটু লক্ষ্য করুন, এই যে ০.০৭ শতাংশ ভোটার কিমকে প্রত্যাখ্যান করলো, এরা কারা? রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম KCNA খুব সুন্দর করে একটা হিসেব দিয়েছে। তারা বলছে, ভোটারদের মধ্যে ০.০০৩৭ শতাংশ লোক বিদেশে ছিল, আর ০.০০০০৩ শতাংশ লোক সমুদ্রে মাছ ধরছিল, তাই তারা ভোট দিতে পারেনি। কিন্তু তাও তো হিসেব মিলছে না! একটা ছোট্ট অংশ ঠিকই ব্যালটে &amp;lsquo;না&amp;rsquo; লিখে দিয়ে এসেছে। একেই বলে বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা! কিমের মতো জাঁদরেল নেতার মুখে যারা &amp;lsquo;না&amp;rsquo; বলতে পারে, তাদের সাহস তো হিমালয়ের সমান! অনেকে ভাবতে পারেন, উত্তর কোরিয়ায় বুঝি আমাদের দেশের মতো অনেক দল আছে। মোটেও না! সেখানে নিয়ম হলো&amp;mdash;প্রতিটি এলাকায় মাত্র একজন প্রার্থী দাঁড়াবেন, আর তিনি অবশ্যই কিমের পছন্দের লোক। ব্যালট পেপারে আপনার কাছে কোনো &amp;lsquo;অপশন&amp;rsquo; নেই। আপনার কাজ হলো শুধু &amp;lsquo;হ্যাঁ&amp;rsquo; অথবা &amp;lsquo;না&amp;rsquo; তে সিল মারা। মানে আপনার বিয়েতে আপনাকে কনে দেখতে দেওয়া হয়নি, শুধু বলা হয়েছে&amp;mdash;একে বিয়ে করবেন কি করবেন না? এমন অবস্থায় ৯৯ শতাংশ মানুষ তো &amp;lsquo;হ্যাঁ&amp;rsquo; বলবেই, তাই না? না বললে তো আবার রাতের ডিনারটা মিস হতে পারে! সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, উত্তর কোরিয়া এই প্রথম স্বীকার করেছে যে কেউ তাদের &amp;lsquo;না&amp;rsquo; বলেছে। ১৯৫৭ সালের পর থেকে তারা সবসময় বলে আসতো&amp;mdash;সবাই আমাদের পক্ষে! কিন্তু এবার হঠাৎ করে তারা এই ০.০৭ শতাংশ &amp;lsquo;না&amp;rsquo; ভোটের কথা কেন প্রচার করলো? অনেকে মজা করে বলছেন, কিম হয়তো দেখাতে চাচ্ছেন যে তাদের দেশেও &amp;lsquo;বাক স্বাধীনতা&amp;rsquo; আছে! মানে আপনি &amp;lsquo;না&amp;rsquo; বলতে পারেন, তবে সেই &amp;lsquo;না&amp;rsquo; বলার পর আপনি কোথায় যাবেন সেটা কিম ভাইই ভালো জানেন। এটি আসলে কিমের এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক খেলা। এখন আসি কিমের বাড়ির অন্দরমহলের খবরে। কিম জং উনের পর এই সোনার সিংহাসনে কে বসবে? ইদানীং কিম তার ১৩ বছরের কন্যা কিম জু এ-কে সাথে নিয়ে সব জায়গায় ঘুরছেন। কেউ কেউ বলছেন, মেয়েই হবে পরবর্তী &amp;lsquo;সুপ্রিম লিডার&amp;rsquo;। কিন্তু ঘরের শত্রু বিভীষণ! কিমের বোন কিম ইয়ো জং কিন্তু মোটেও ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নন। তিনি বর্তমানে দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শক্তিশালী মানুষ। পিয়ংইয়ংয়ের বাতাসে গুঞ্জন চলছে&amp;mdash;ফুফু বনাম ভাইঝির এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কার কপাল পুড়বে? কিম কি পারবেন তার রাজত্ব মেয়ের হাতে তুলে দিতে? কিমের বোন কিম ইয়ো জং শুধু সুন্দরী নন, তিনি বেশ ভয়ংকরও বটে! সেনাবাহিনীতে তার ব্যাপক দাপট। অন্যদিকে কিমের আদরের মেয়ে জু এ এখন থেকেই প্রটোকল পাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দারা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার রাজপরিবারে এখন একটা অলিখিত সংঘাত চলছে। একদিকে কিমের রক্ত, অন্যদিকে কিমের বোন। এই মিউজিক্যাল চেয়ার খেলায় কে হারে আর কে জেতে, সেটাই দেখার বিষয়। তবে যাই হোক, নির্বাচন শেষে কিম আবারও সিংহাসনে। তিনি আছেন তার মেজাজেই, বাকিরা শুধু হিসেব মেলাচ্ছে। তো দর্শক, এই ছিল উত্তর কোরিয়ার অদ্ভুত নির্বাচনের মজার সব তথ্য। কিম জং উন ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট পেয়েও যে ০.০৭ শতাংশের জন্য চিন্তায় আছেন, তা শুনে আপনাদের কি মনে হয়? সেই সাহসের ০.০৭ শতাংশ ভোটাররা এখন কোথায়? কমেন্টে আপনার মজার মতামত জানান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/407_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/407_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/407_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জামায়াতে ইসলামীর বিচারের দাবি যুক্তরাষ্ট্রে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23957</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23957</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 23 Mar 2026 08:03:10 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest bengal news, bbc bangla news, bbc news bangla, radio tehran bangla news, latest news today, r n ravi latest news, mirza abbas latest news, us-iran war latest news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bnp news bangladesh, banglavision news, banglavision news today, evening news bangladesh, bangladesh breaking news, bangladesh politics news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, কিন্তু পাপ কখনো বাপকে ছাড়ে না! ৫৩ বছর পর একাত্তরের সেই জঘন্য ঘাতকদের কপালে শনির দশা নেমে এসেছে। যখন মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের রাজপথে আবারো...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/388_1.jpg" alt="জামায়াতে ইসলামীর বিচারের দাবি যুক্তরাষ্ট্রে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, কিন্তু পাপ কখনো বাপকে ছাড়ে না! ৫৩ বছর পর একাত্তরের সেই জঘন্য ঘাতকদের কপালে শনির দশা নেমে এসেছে। যখন মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের রাজপথে আবারো বুক ফুলিয়ে হাঁটবে একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধীরা, ঠিক তখনই ওয়াশিংটন থেকে এলো এক বজ্রপাত। মার্কিন কংগ্রেসে একাত্তরের সেই নারকীয় হত্যাযজ্ঞকে &amp;#39;গণহত্যা&amp;#39; হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি উঠেছে। আর লক্ষ্যবস্তু কে জানেন? সেই জামায়াতে ইসলামী! কীভাবে মার্কিন পার্লামেন্টে কোণঠাসা হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের এই মৌলবাদী শক্তি। কথায় আছে, &amp;#39;পাপের ঘড়া পূর্ণ হলে বিনাশ অনিবার্য।&amp;#39; একাত্তরের মাটিতে যে রক্তপাত জামায়াতে ইসলামী ঘটিয়েছিল, তার অভিশাপ যেন আজও তাদের পিছু ছাড়ছে না। দীর্ঘ ৫৩ বছর পর মার্কিন কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির আইনপ্রণেতা গ্রেগ ল্যান্ডসম্যান যে প্রস্তাব এনেছেন, তা বাংলাদেশের রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, একাত্তরের অপারেশন সার্চলাইট কোনো সাধারণ সামরিক অভিযান নয়, বরং এটি ছিল একটি পরিকল্পিত গণহত্যা। ওহাইয়ো থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসম্যান গ্রেগ ল্যান্ডসম্যান মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ অর্থাৎ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি তুলে ধরেছেন। তার মতে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসররা যা করেছে, তা জাতিসংঘের সংজ্ঞা অনুযায়ী পরিষ্কার একটি গণহত্যা। ল্যান্ডসম্যান দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ছিল অনেক আগেই এই জঘন্য অপরাধকে গণহত্যার তকমা দেওয়া এবং অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এই প্রস্তাবের সবচেয়ে বিধ্বংসী অংশটি হলো জামায়াতে ইসলামীর বিচারের দাবি। প্রস্তাবে সরাসরি বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহায়তা করার জন্য এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্য জামায়াতে ইসলামীকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। যারা একাত্তরে মা-বোনের ইজ্জত লুট করেছে এবং মুক্তিকামী মানুষকে জবাই করেছে, তারা আজ বাংলাদেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরে আসার যে চেষ্টা করছে, তাকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছে আমেরিকা। মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপিত এই প্রস্তাবে বাংলাদেশে বসবাসরত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও কড়া আহ্বান জানানো হয়েছে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি ক্যাপিটল হিলে অনুষ্ঠিত এক শুনানিতে উঠে আসে যে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মানবাধিকার পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর চলা অত্যাচার এবং দেশজুড়ে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারকদের গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে শুরু হওয়া &amp;#39;অপারেশন সার্চলাইট&amp;#39; ছিল এক অমানবিক বর্বরতা। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের ইসলামপন্থি সহযোগী জামায়াতে ইসলামী মিলে নির্বিচারে বাঙালিদের ওপর হামলা চালায়। সে সময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালিকে লক্ষ্যবস্তু করা হলেও হিন্দুদের বিশেষভাবে নির্মূল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। জামায়াতের দোসররা পাকিস্তানি সেনাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যেত গ্রামের পর গ্রাম ধ্বংস করার জন্য। নিউ ইয়র্কে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার দীলিপ নাথ এই প্রস্তাবের প্রেক্ষাপটে ভয়াবহ কিছু তথ্য দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর জঘন্য উত্থান ঘটেছে। এমনকি শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ডক্টর ইউনূসের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে জামায়াত আবারো মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। তার মতে, এই উগ্রবাদী শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ না করলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব আবারো সংকটে পড়বে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে একাত্তরের দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের &amp;#39;ভালো মানুষ&amp;#39; সাজানোর যে চেষ্টা চালানো হয়েছে, তাকে &amp;#39;তামাশা&amp;#39; বলে অভিহিত করেছেন দীলিপ নাথ। একাত্তরের ঘাতকদের জন্য শোক প্রস্তাব গ্রহণ করার মতো নজিরবিহীন ঘটনা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছে। দেশের মাটিতে যখন খুনিরা পুনর্বাসিত হচ্ছে, তখন মার্কিন কংগ্রেসে এই প্রস্তাব পাস হওয়া মানে জামায়াতের জন্য চূড়ান্ত পতনের ঘণ্টা বেজে ওঠা। যদি মার্কিন কংগ্রেসে এই প্রস্তাবটি পাস হয়, তবে জামায়াতে ইসলামীর ওপর নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার খড়গ নেমে আসতে পারে। একাত্তরের ঘাতক হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই দলটির কোনো বৈধতা থাকবে না। এর ফলে শুধু জামায়াত নয়, তাদের আশ্রয় প্রদানকারী রাজনৈতিক শক্তিগুলোও চরম বিপাকে পড়বে। বিশ্ববাসীর কাছে এটা পরিষ্কার হয়ে যাবে যে, উগ্রবাদ আর গণহত্যার দোসরদের জন্য আধুনিক বিশ্বে কোনো জায়গা নেই। ইতিহাসের চাকাকে উল্টো দিকে ঘোরানোর ক্ষমতা কারো নেই। একাত্তরের শহীদের রক্ত আজ মার্কিন কংগ্রেসের অলিন্দে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী যে অন্ধকার অধ্যায় বাংলাদেশে শুরু করতে চাইছে, আন্তর্জাতিক মহল তা কঠোরভাবে নজরদারি করছে। ধর্মকে পুঁজি করে যারা রাজনীতি করে এবং সহিংসতায় মেতে ওঠে, তাদের শেষ রক্ষা কখনোই হয় না। এই প্রস্তাব কেবল একটি স্বীকৃতি নয়, বরং এটি জামায়াতের ধ্বংসের সূচনা মাত্র। আপনি কি মনে করেন মার্কিন কংগ্রেসের এই প্রস্তাবে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি চিরতরে নিষিদ্ধ হবে? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে অবশ্যই লিখুন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/388_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/388_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/388_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[শয়তান ইসরায়েলের মদদদাতা যখন মুসলিম বিশ্ব]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23956</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23956</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 19 Mar 2026 02:03:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest bengal news, bbc bangla news, bbc news bangla, radio tehran bangla news, latest news today, r n ravi latest news, mirza abbas latest news, us-iran war latest news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bnp news bangladesh, banglavision news, banglavision news today, evening news bangladesh, bangladesh breaking news, bangladesh politics news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাপের জন্মে কেউ কি দেখেছে, নিজের ভাই যখন শত্রুর আঘাতে রক্তাক্ত হয়, তখন অন্য ভাইরা হাত গুটিয়ে তামাশা দেখে? অথচ আজ ইরানের সাথে ঠিক তাই ঘটছে! একদিকে আমেরিকা-ইসরায়ে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/359_1.jpg" alt="শয়তান ইসরায়েলের মদদদাতা যখন মুসলিম বিশ্ব" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাপের জন্মে কেউ কি দেখেছে, নিজের ভাই যখন শত্রুর আঘাতে রক্তাক্ত হয়, তখন অন্য ভাইরা হাত গুটিয়ে তামাশা দেখে? অথচ আজ ইরানের সাথে ঠিক তাই ঘটছে! একদিকে আমেরিকা-ইসরায়েলের মতো হায়েনারা ঝাঁপিয়ে পড়ছে, আর অন্যদিকে আমাদের তথাকথিত মুসলিম ভাইরা ঘরে বসে চা খাচ্ছে। কেন এই চরম বিশ্বাসঘাতকতা? আজকের ভিডিওতে পর্দা ফাঁস হবে সেই সব বেইমানির। কথায় আছে, &amp;quot;ঘরের শত্রু বিভীষণ&amp;quot;। ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি ঠিক এই প্রবাদের মতোই ফুটে উঠেছে। যখন ইরান একাই ইসরায়েল এবং আমেরিকার মতো বিশ্বশক্তিদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে মুসলিম উম্মাহর সম্মান রক্ষায় লড়ে যাচ্ছে, তখন মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলো পিঠে ছুরি মারছে। এই নীরবতা কেবল রহস্যময় নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত বিশ্বাসঘাতকতা যা সাম্রাজ্যবাদীদের হাতকেই শক্তিশালী করছে। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমেরিকা এবং ইসরায়েল নির্লজ্জভাবে ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধ কেবল ইরানের নয়, বরং এটি গোটা অঞ্চলের অস্তিত্বের লড়াই। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো, মধ্যপ্রাচ্যের বড় বড় দেশগুলো এই অন্যায় হামলা কেবল চেয়ে চেয়ে দেখছে। তারা একবারও ভাবছে না যে, আজ ইরান আক্রান্ত হলে কাল তাদের পালা আসবে। তারা মূলত পশ্চিমা প্রভুদের সন্তুষ্ট করতেই ব্যস্ত। মুসলিম প্রধান দেশগুলো মুখে মুখে প্যান-ইসলামিক সংহতির কথা বললেও কাজের বেলায় জিরো। তারা ইরানকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসা তো দূরের কথা, উল্টো দেশটিকে নিজেদের জন্য হুমকি মনে করছে। আসলে তাদের এই ভয় ইরানের শক্তির জন্য নয়, বরং তাদের নিজেদের গদি হারানোর ভয়। তারা জানে ইরান শক্তিশালী হলে তাদের একনায়কতন্ত্র এবং পশ্চিমাদের দালালি করার সুযোগ চিরতরে শেষ হয়ে যাবে। সাম্রাজ্যবাদীরা সবসময়ই চেয়েছে মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে। তারা সফলভাবে সুন্নি-শিয়া বিতর্ককে সামনে এনে আরব দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলেছে। ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা বলছে, শিয়াদের সাথে সুন্নিদের সংহতি হতে পারে না&amp;mdash;কি অদ্ভুত যুক্তি! যখন ইসলাম ও মুসলমানদের অস্তিত্ব সংকটে, তখন এই ধরণের সাম্প্রদায়িক বিভেদ টেনে আনা কি শত্রুর হাতকে শক্তিশালী করা নয়? আমাদের মনে রাখা উচিত শত্রু সবার এক। ইরান দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নিজেকে মজলুমের রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করেছে। তারা চায় একটি স্বাধীন এবং সার্বভৌম ইসলামী ব্লক তৈরি করতে। অথচ এই লক্ষ্যকেই আরব দেশগুলো তাদের নিজেদের অস্তিত্বের জন্য ঝুঁকি মনে করছে। বিশেষ করে রমজান মাসে যখন হামলা হচ্ছে, তখন ইরানকে দোষারোপ করা হচ্ছে। কিন্তু কেউ দেখছে না যে বছরের পর বছর ধরে ফিলিস্তিনিদের জন্য ইরান কী ত্যাগ স্বীকার করেছে। ইরান যখন নিজের সুরক্ষার জন্য পারমাণবিক শক্তি অর্জনের চেষ্টা করছে, তখন ইসরায়েল আর আমেরিকার ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সৌদি আরব বা অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলোও এতে আতঙ্কিত। তারা মনে করছে ইরান শক্তিশালী হলে তাদের আধিপত্য কমবে। অথচ একটি শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্র থাকলে যে গোটা মুসলিম বিশ্বের মর্যাদা বাড়ত, সেই সহজ সত্যটি তারা ক্ষমতার লোভে ভুলে বসে আছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকেই ইরানকে কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছে। তৎকালীন শাহ শাসনামলে আরবরা ইরানের বন্ধু ছিল, কারণ তখন ইরান ছিল আমেরিকার পুতুল। যেই ইরান স্বাধীন হতে চাইল, অমনি তারা শত্রু হয়ে গেল। আরব রাজতন্ত্রগুলো ভয় পায় যে ইরানের মতো বিপ্লব যদি তাদের দেশেও শুরু হয়, তবে তাদের রাজপ্রাসাদ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো আগে থেকেই ওয়াশিংটনের সাথে গভীর প্রেম বজায় রেখে চলছে। তাদের অর্থনীতি, নিরাপত্তা এমনকি জীবনযাত্রাও এখন পশ্চিমাদের ওপর নির্ভরশীল। এই নির্ভরশীলতাই তাদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। ফলে তারা যখন দেখে আমেরিকা ইরানকে আক্রমণ করছে, তখন তারা প্রতিবাদের সাহস পায় না। তারা মূলত নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ইসলামের মূল চেতনাকে বিকিয়ে দিচ্ছে। ইরান গত কয়েক দশক ধরে লেবানন, সিরিয়া এবং ইয়েমেনে যে &amp;#39;প্রতিরোধের অক্ষ&amp;#39; গড়ে তুলেছে, তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলি আগ্রাসন ঠেকানো। হামাস এবং ইসলামিক জিহাদকে সমর্থনের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছে যে ফিলিস্তিনিদের প্রকৃত বন্ধু ইরানই। অন্য দেশগুলো যখন শুধু লম্বা লম্বা বিবৃতি দেয়, ইরান তখন অস্ত্র আর অর্থ দিয়ে সাহায্য করে। অথচ একেই বলা হচ্ছে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা! সবচেয়ে বড় কলঙ্কজনক অধ্যায় হলো আব্রাহাম অ্যাকর্ডস। আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মতো দেশগুলো যখন ইসরায়েলের সাথে হাত মেলায়, তখন ফিলিস্তিনিদের রক্তের সাথে বেঈমানি করা হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে ইরানকে সবার সাধারণ শত্রু হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে। অর্থাৎ যারা ইসলামের শত্রুকে বন্ধু বানায়, তারা ইরানের মতো দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রকে শত্রু বলবে&amp;mdash;এটাই তো স্বাভাবিক। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্য চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। ইসরায়েল পঙ্গু করে দিচ্ছে ফিলিস্তিনকে, দুর্বল করার চেষ্টা করছে হিজবুল্লাহকে। এই অবস্থায় ইরানের পাশে দাঁড়ানো ছিল সবার ঈমানি দায়িত্ব। কিন্তু উল্টো দেখা যাচ্ছে সৌদি আরব ইসরায়েলের আরও কাছাকাছি যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। তারা আয়রন ডোম প্রযুক্তি পেতে চায়, অথচ নিজেদের ভাইয়ের রক্তে রঞ্জিত হাতকে ধুতে চায় না। এই নীতি মুসলিম বিশ্বকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাচ্ছে। যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেন, ইরান প্রমাণ করেছে যে তারা মাথানত করার জাতি নয়। ইতিহাস সাক্ষী দেবে, যখন গোটা বিশ্ব ইরানের বিরুদ্ধে ছিল, তখন তারা একাই সত্যের পথে অবিচল ছিল। বেইমান আরব শাসকরা হয়তো সাময়িকভাবে টিকে থাকবে, কিন্তু ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে তাদের ঠাঁই হবে। ইরান লড়ছে, লড়বে এবং ইনশাআল্লাহ বিজয়ী হবে। কারণ সত্যকে কখনোই বেশিদিন চেপে রাখা যায় না।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/359_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/359_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/359_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ঈদে সালমান রাজের নতুন গান ‘বুকে ভীষণ যন্ত্রণা’]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/entertainment/23955</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/entertainment/23955</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 18 Mar 2026 23:03:19 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[অন্যান্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest bengal news, bbc bangla news, bbc news bangla, radio tehran bangla news, latest news today, r n ravi latest news, mirza abbas latest news, us-iran war latest news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bnp news bangladesh, banglavision news, banglavision news today, evening news bangladesh, bangladesh breaking news, bangladesh politics news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে প্রকাশ পাচ্ছে কণ্ঠশিল্পী সালমান রাজের নতুন গান &amp;lsquo;বুকে ভীষণ যন্ত্রণা&amp;rsquo;। স্যাড রোমান্টিক ঘরানার এই গানটি লিখেছেন মিজানুর রহমান। গা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-18-3-26_23.jpg" alt="ঈদে সালমান রাজের নতুন গান ‘বুকে ভীষণ যন্ত্রণা’" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে প্রকাশ পাচ্ছে কণ্ঠশিল্পী সালমান রাজের নতুন গান &amp;lsquo;বুকে ভীষণ যন্ত্রণা&amp;rsquo;। স্যাড রোমান্টিক ঘরানার এই গানটি লিখেছেন মিজানুর রহমান। গানের সুর করেছেন পলক হাসান সুমন এবং সংগীতায়োজন করেছেন দীন ইসলাম শাহরুখ। গানটি নিয়ে ভিন্নভাবে চিন্তা করেছেন গীতিকার মিজানুর রহমান। তার মতে, সালমান রাজ ইতোমধ্যেই অনেক জনপ্রিয় রোমান্টিক গান গেয়েছেন। তাই এবার একটু আলাদা কিছু করার ইচ্ছা থেকেই এই স্যাড রোমান্টিক গান তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা করছেন, ঈদের এই বিশেষ সময়ে ভিন্ন স্বাদের গানটি দেশে-বিদেশে থাকা শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যাবে। বিশেষ করে প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের কাছেও গানটি ভালো লাগবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গীতিকার মিজানুর রহমান, কণ্ঠশিল্পী সালমান রাজ এবং সুরকার পলক হাসান সুমন&amp;mdash;তিনজনই বিশ্বাস করেন, বিরহ আর ভালোবাসার আবেগময় মিশেলে তৈরি এই গান মানুষের জীবনের গল্পই তুলে ধরবে। সেই ভাবনা থেকেই &amp;lsquo;বুকে ভীষণ যন্ত্রণা&amp;rsquo; গানটি প্রকাশ করা হচ্ছে, যা শ্রোতাদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নেবে বলেই প্রত্যাশা। &amp;nbsp; গানের কথা: দারুন যন্ত্রণা বুকে ভিশন যন্ত্রণা&amp;nbsp; তোমার মায়ায় পইরা হইলো কলিজা ভুনা !! &amp;nbsp;তিলে তিলে যাচ্ছি বয়ে &amp;nbsp;বুকে নিয়ে তোমার বেদনা ! দারুন যন্ত্রনা বুকে ভীষণ যন্ত্রণা&amp;nbsp; তোমার মায়ায় পইরা হইল কলিজা ভুনা ! তুমি আমায় দুঃখ দিয়া বলো কি পেয়েছ। জানি আমি এতে তুমি আনন্দে আছো !! তিলে তিলে যাচ্ছি বয়ে &amp;nbsp;বুকে নিয়ে তোমার বেদনা ! দারুন যন্ত্রনা বুকে ভীষণ যন্ত্রণা&amp;nbsp; তোমার মায়ায় পইরা হইল কলিজা ভুনা ! পুড়লে আমি শান্তি পাও কথা মিথ্যা নয়। তোমার কাছে ভালোবাসা শুধু অভিনয় !! তিলে তিলে যাচ্ছি বয়ে &amp;nbsp;বুকে নিয়ে তোমার বেদনা ! দারুন যন্ত্রনা বুকে ভীষণ যন্ত্রণা&amp;nbsp; তোমার মায়ায় পইরা হইল কলিজা ভুনা !</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-18-3-26_23.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-18-3-26_23.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-18-3-26_23.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ভাষানটেক থানা জাসাসের কমিটি অনুমোদন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23954</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23954</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 17 Mar 2026 17:03:45 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ঢাকা মহানগর উত্তরের পক্ষ থেকে ভাষানটেক থানা জাসাসের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির ঢাকা মহানগর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/jasas-logo.jpg" alt="ভাষানটেক থানা জাসাসের কমিটি অনুমোদন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ঢাকা মহানগর উত্তরের পক্ষ থেকে ভাষানটেক থানা জাসাসের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আহ্বায়ক মোঃ শরীফুল ইসলাম স্বপন এবং সদস্য সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন আনু যৌথভাবে এই কমিটির অনুমোদন দেন। নতুন গঠিত ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিতে মোঃ সোহরাব হোসেন সজিবকে আহ্বায়ক এবং আমিনুল ইসলামকে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই কমিটি গঠন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মতিক্রমে। কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান এবং সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন দ্বয়ের অনুমোদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় দফতর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (দফতরের দায়িত্বে) মোঃ মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/jasas-logo.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/jasas-logo.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/jasas-logo.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[এবার কি তবে ধ্বংস হবে র এবং আরএসএস? ভারতের অন্ধকার ষড়যন্ত্র ফাঁস করল মার্কিন সংস্থা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23953</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23953</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 16 Mar 2026 21:03:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[এশিয়া]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী, আর সাপের বিষে নেই কোনো দয়া। আপনারা কি জানেন, দক্ষিণ এশিয়ায় অশান্তির মূল কারিগর কারা? যাদের ইশারায় সীমান্তে রক্ত ঝরে আর প্রতিবেশীর ঘর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/351_1.jpg" alt="এবার কি তবে ধ্বংস হবে র এবং আরএসএস? ভারতের অন্ধকার ষড়যন্ত্র ফাঁস করল মার্কিন সংস্থা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী, আর সাপের বিষে নেই কোনো দয়া। আপনারা কি জানেন, দক্ষিণ এশিয়ায় অশান্তির মূল কারিগর কারা? যাদের ইশারায় সীমান্তে রক্ত ঝরে আর প্রতিবেশীর ঘর জ্বলে, সেই কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা &amp;lsquo;র&amp;rsquo; এবং উগ্রবাদী সংগঠন &amp;lsquo;আরএসএস&amp;rsquo; এখন খাদের কিনারায়! যুক্তরাষ্ট্রের এক শক্তিশালী রিপোর্টে তাদের সব মুখোশ খুলে গেছে। এবার কি তবে নিষেধাজ্ঞার জালে ধরা পড়ছে ভারতের এই বিষাক্ত শক্তিগুলো? বিস্তারিত জানলে আপনিও চমকে উঠবেন। সত্য দীর্ঘকাল চেপে রাখা যায় না। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং বা &amp;#39;র&amp;#39; এবং কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএস-এর আসল চেহারা এবার বিশ্বমঞ্চে উন্মোচিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন বা ইউএসসিআইআরএফ তাদের ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে ভারতকে &amp;#39;বিশেষ উদ্বেগপূর্ণ দেশ&amp;#39; হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে। ভারত এখন বিশ্বজুড়ে এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন এই সংস্থাটি স্পষ্ট করে বলেছে যে, ২০২৫ সালে ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি ভয়াবহ অবনতির দিকে গেছে। বিশেষ করে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা &amp;#39;র&amp;#39; এবং আরএসএস-এর ওপর সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই দুটি সংস্থা কেবল ভারতের ভেতরে নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আরএসএসের মতো উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো সারা বছর ধরে মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা ও উসকানি দিয়ে আসছে। ২০২৫ সালের মার্চে মহারাষ্ট্রে আওরঙ্গজেবের সমাধি নিয়ে যে দাঙ্গা বাঁধানো হয়েছিল, তার পেছনে ছিল এই উগ্রবাদীদের হাত। ভিএইচপি এবং আরএসএস মিলে ভারতের সেক্যুলার কাঠামোকে ধ্বংস করে এক উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্র কায়েমের নেশায় মেতে উঠেছে। মার্কিন সংস্থাটি ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে জোর সুপারিশ করেছে যেন আরএসএসের নেতাদের সম্পদ জব্দ করা হয় এবং তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা &amp;#39;র&amp;#39; এর বিরুদ্ধে অভিযোগ যে, তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অবৈধ হস্তক্ষেপ করছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার মাধ্যমে ভারত এখন আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা করছে না, যা পুরো বিশ্বের জন্য এক অশনিসংকেত। কাশ্মীর থেকে শুরু করে আসাম পর্যন্ত ভারতের জুলুমের চিত্র এই রিপোর্টে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। গত জুলাই মাসে আসাম থেকে শত শত বাংলাভাষী মুসলিমকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যাদের অনেকেই বৈধ ভারতীয় নাগরিক। এই অমানবিক পুশব্যাক পলিসি এবং সংখ্যালঘুদের ভূমিহীন করার ষড়যন্ত্র আরএসএসের দীর্ঘদিনের এজেন্ডা, যা এখন রাষ্ট্রীয়ভাবে কার্যকর করার চেষ্টা চলছে। শুধু তাই নয়, রোহিঙ্গাদের ওপর ভারতের অমানবিক আচরণের কথা শুনলে শিউরে উঠতে হয়। মে মাসে ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে সমুদ্রে ফেলে দিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে ভারতীয় বাহিনী। মানবতা যেখানে ডুকরে কাঁদছে, সেখানে &amp;#39;র&amp;#39; এবং আরএসএস মিলে ঘৃণা ছড়াচ্ছে। মার্কিন প্রতিবেদনে এই নিষ্ঠুরতাকে চিহ্নিত করে ভারতকে কালো তালিকায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা ভারতের জন্য বড় লজ্জা। যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রতিবেদন প্রমাণ করে যে, ভারতের উগ্রবাদী রাজনীতি এখন গ্লোবাল থ্রেট বা বিশ্বজনীন হুমকিতে পরিণত হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে ভারত যে ভণ্ডামি করছে, তা আর ধোপে টিকছে না। আরএসএসের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা এবং &amp;#39;র&amp;#39; এর কর্মকর্তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এখন সময়ের দাবি। বিশ্ববাসী এখন দেখছে ভারতের গণতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সেই ভয়ংকর দানবীয় রূপ। শেষে, ভারতের এই উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার সময় এসেছে। &amp;#39;র&amp;#39; এবং আরএসএস যদি এভাবে ছাড় পায়, তবে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি কোনোদিনই আসবে না। যুক্তরাষ্ট্রের এই সাহসী পদক্ষেপ ভারত সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে করে দেবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। ভারতের এই পতনোন্মুখ মানবাধিকার পরিস্থিতির দায় এখন সরাসরি তাদের গোয়েন্দা সংস্থা এবং কট্টর হিন্দুত্ববাদী নেতাদের ওপর বর্তায়। ভারতের এই গোপন ষড়যন্ত্র এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার এই দাবি নিয়ে আপনাদের মতামত কী? আরএসএস এবং &amp;#39;র&amp;#39; কি আসলেই দক্ষিণ এশিয়ার জন্য হুমকি? কমেন্ট বক্সে আপনাদের মূল্যবান মতামত অবশ্যই জানাবেন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/351_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/351_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/351_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বিএনপিকে দেশছাড়া করার হুমকি শিবচরের মিনি শামীম ওসমান হানজালার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23952</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23952</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 15 Mar 2026 05:03:21 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আনন্দ রিপোর্ট : &amp;nbsp;নারায়ণগঞ্জের সেই কুখ্যাত শামীম ওসমানের কথা মনে আছে? যার হুংকারে একসময় থরথর করে কাঁপত মানুষ? ঠিক তেমনি এক &amp;#39;মিনি শামীম ওসমান&amp;#39; এর আবি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/340_1.jpg" alt="বিএনপিকে দেশছাড়া করার হুমকি শিবচরের মিনি শামীম ওসমান হানজালার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আনন্দ রিপোর্ট : &amp;nbsp;নারায়ণগঞ্জের সেই কুখ্যাত শামীম ওসমানের কথা মনে আছে? যার হুংকারে একসময় থরথর করে কাঁপত মানুষ? ঠিক তেমনি এক &amp;#39;মিনি শামীম ওসমান&amp;#39; এর আবির্ভাব ঘটেছে মাদারীপুরের শিবচরে! রিকশা প্রতীকের এমপি সাইদ উদ্দিন হানজালা এখন প্রকাশ্য জনসভায় বিএনপিকে দেশছাড়া করার হুমকি দিচ্ছেন। নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে ভাবা এই নেতার আসল পরিচয় কী? কেন তিনি হঠাৎ মিনি শামীম ওসমান হয়ে উঠলেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক, হানজালার এই পতনোন্মুখ রাজনীতির পেছনের কালো অধ্যায়! একটি প্রবাদ আছে, &amp;quot;কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না, আর স্বভাব যায় না মরিলে।&amp;quot; ঠিক তেমনি নারায়ণগঞ্জের শামীম ওসমানের সেই পুরোনো ফ্যাসিবাদী স্বভাব যেন এখন মাদারীপুরের শিবচরে সাইদ উদ্দিন হানজালার ওপর ভর করেছে। ক্ষমতার মসনদে বসে তিনি আজ বিএনপিকে দেশছাড়া করার যে ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন, তা কেবল এক স্বৈরাচারী মানসিকতারই পরিচয় দেয়। তার এই দম্ভ আসলে তার আসন্ন পতনেরই আগাম সংকেত। শিবচরের মাটিতে বিএনপি একটি বটগাছের মতো, যা উপড়ে ফেলার ক্ষমতা এই নব্য এমপি হানজালার নেই। অথচ তিনি ইফতার মাহফিলের পবিত্র মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিষোদগার করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি খোঁচা দিলে নাকি বিএনপি এ দেশে থাকতে পারবে না। কত বড় দুঃসাহস হলে একজন নামধারী জনপ্রতিনিধি এমন অগণতান্ত্রিক কথা বলতে পারেন! শিবচর বিএনপিকে ছোট করার এই ব্যর্থ চেষ্টা কেবল তার সংকীর্ণমনা রাজনীতিই ফুটিয়ে তোলে। শিবচর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট অভিযোগ করা হয়েছে যে, হানজালা এবং তার পরিবার ৫ই আগস্টের আগে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সাথেই ছিল। আজ রিকশা প্রতীক নিয়ে এমপি হয়ে তিনি নিজেকে বিশাল ক্ষমতাবান ভাবছেন এবং শামীম ওসমানের মতো গুণ্ডাতন্ত্র কায়েম করতে চাইছেন। যারা খুনি হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে মরিয়া ছিল, তাদের মুখে আজ বিএনপির মতো জনপ্রিয় দলের বিরুদ্ধে এমন কথা মানায় না। হানজালা জনসভায় দাবি করেছেন তিনি নাকি শিবচরের মানুষকে বাকস্বাধীনতা দিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তার এই দাবি কেবলই এক হাস্যকর নাটক। তিনি একদিকে স্বাধীনতার কথা বলেন, আর অন্যদিকে বিরোধীদের বাড়িছাড়া করার পরোক্ষ হুমকি দেন। শামীম ওসমানের মতো তিনিও কি মনে করছেন যে শিবচর তার পৈতৃক সম্পত্তি? শিবচরের সচেতন জনগণ তার এই দ্বিমুখী আচরণ এবং ভণ্ডামি এখন পুরোপুরি ধরে ফেলেছে। এমপি হানজালার বর্তমান কর্মকাণ্ড শিবচরের শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশকে ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নাদিরা চৌধুরীকে গুপ্ত আওয়ামী ভোটারদের ভোটে পরাজিত করে তিনি নিজেকে অপরাজেয় মনে করছেন। তবে কি তাকে ভোট দিয়ে এমপি করা হয়েছে শামীম ওসমানের মতো গুণ্ডামি করার জন্য। শিবচরে উগ্রবাদের বিষবাষ্প ছড়িয়ে তিনি মূলত নিজের রাজনৈতিক কবর নিজেই খুঁড়ছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। ফেসবুকে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে নেটিজেনরা হানজালাকে ছি ছি করছেন। পার্লামেন্টে গিয়ে বড় বড় কথা বলার দম্ভ দেখালেও, মাঠপর্যায়ে তার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। বিএনপির মতো একটি ঐতিহ্যবাহী দলকে দেশছাড়া করার হুমকি দিয়ে তিনি রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছেন। শামীম ওসমানের যে পরিণতি হয়েছে, হানজালার কপালেও যে একই ভাগ্য জুটবে, তা এখন শিবচরের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে চায়ের আড্ডায় আলোচিত হচ্ছে। শেষে বলতে চাই, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিএনপিকে কখনো দাবিয়ে রাখা যায়নি এবং যাবেও না। হানজালার মতো নব্য নেতাদের এই আস্ফালন কেবল খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে। শিবচরের মানুষ শিগগিরই এই ফ্যাসিস্ট দোসরকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করবে।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/340_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/340_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/340_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[একাত্তরের গণহত্যা থেকে আধুনিক মব জাস্টিস: জামায়াতের একই রাজনীতি?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23951</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23951</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 14 Mar 2026 21:03:54 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আনন্দ খবর রিপোর্ট: কয়লার ময়লা যায় না ধুইলে, আর স্বভাব যায় না মইলে&amp;mdash; প্রাচীন এই প্রবাদটি আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে সবচাইত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/338_1.jpg" alt="একাত্তরের গণহত্যা থেকে আধুনিক মব জাস্টিস: জামায়াতের একই রাজনীতি?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আনন্দ খবর রিপোর্ট: কয়লার ময়লা যায় না ধুইলে, আর স্বভাব যায় না মইলে&amp;mdash; প্রাচীন এই প্রবাদটি আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে সবচাইতে প্রাসঙ্গিক। একাত্তরের সেই বিভীষিকা থেকে শুরু করে আজকের মব জাস্টিস, প্রতিটি বাঁকে এই সংগঠনটি জন্ম দিয়েছে অসংখ্য বিতর্ক আর রক্তক্ষয়ী ইতিহাস। আজ আমরা উন্মোচন করবো জামায়াতের সেইসব অন্ধকার অধ্যায়, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে বারবার হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচাইতে কলঙ্কিত অধ্যায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। সেই সময় ৩০ লক্ষ তাজা প্রাণ আর ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত লুণ্ঠিত হয়েছিল যাদের প্রত্যক্ষ মদদে, তারা হলো এই জামায়াতে ইসলামী। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসর হিসেবে আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী গঠন করে এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করার সেই পৈশাচিক ইতিহাস আজও প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে দগদগে ক্ষত হয়ে আছে। একাত্তরের পরাজয়ের পর জামায়াত পর্দার আড়ালে থাকলেও আশির দশকে তারা পুনরায় মাথাচারা দিয়ে ওঠে। ১৯৮৬ সালে পুরো জাতির আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে গিয়ে স্বৈরাচারী এরশাদের পাতানো নির্বাচনে অংশ নেয় এই দলটি। গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনের সাথে বেইমানি করে স্বৈরাচারী ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করতে জামায়াতের সেই ভূমিকা ছিল রাজনৈতিক ইতিহাসের এক চরম বিশ্বাসঘাতকতা। যা আজও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে এক বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলাদেশের মাটিতে জেএমবি ও বাংলাভাইয়ের র&amp;#39;ক্তা&amp;#39;ক্ত স&amp;#39;হিং&amp;#39;সতা দেশবাসীকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। সে সময় তৎকালীন জামাত আমীর প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছিলেন যে, জেএমবি নাকি মিডিয়ার সৃষ্টি। অথচ গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বারবার উঠে এসেছে জামায়াতের সাথে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর নিবিড় সম্পর্কের কথা। ধর্মের দোহাই দিয়ে উগ্রবাদ ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রাথমিক কারিগর হিসেবে জামায়াতের নাম বারবার সামনে এসেছে। ২০০৪ সালের পহেলা এপ্রিল চট্টগ্রামের সিইউএফএল ঘাটে ১০ ট্রাক অ&amp;#39;স্ত্র খালাসের ঘটনাটি ছিল বাংলাদেশের নিরাপত্তার ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী উলফার জন্য আনা এই বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্রের পেছনে সরাসরি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আই&amp;#39;এস&amp;#39;আই এবং তৎকালীন জামায়াতী মন্ত্রীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। নিজ দেশের মাটি ব্যবহার করে প্রতিবেশী দেশে অরাজকতা তৈরির এই পরিকল্পনা ছিল সরাসরি রাষ্ট্রদ্রোহিতা। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংসের মূলে ছিল তথাকথিত &amp;#39;উত্তরা কেলেঙ্কারি&amp;#39;। জামায়াতে ইসলামীর চতুর কৌশলে ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণেই ১/১১-এর মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এই ষড়যন্ত্রের ফলেই দেশের শাসনব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি হয়। মূলত জামায়াতের উচ্চাভিলাষী এবং ধ্বংসাত্মক রাজনীতিই এদেশের সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার হরণ ও দীর্ঘমেয়াদী স্বৈরশাসন বা মাফিয়াতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেছিল। বিএনপির সাথে জোটবদ্ধ থাকলেও জামায়াতের মূল লক্ষ্য ছিল অভ্যন্তরীণভাবে দলটিকে দুর্বল করা। ১/১১-এর সময় তারেক রহমানের ওপর চলা পৈশাচিক নির্যাতনের পেছনেও জামায়াতের ভুল পরামর্শ ও ষড়যন্ত্রের প্রভাব ছিল অপরিসীম। এমনকি আরাফাত রহমান কোকোর অকাল মৃত্যু এবং সন্তান হারানোর বেদনায় বেগম জিয়ার অশ্রু বিসর্জনের নেপথ্যেও জামায়াতের সেই হঠকারী রাজনীতির দায়ভার এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। উইকিলিক্সের লিক হওয়া গোপন তারবার্তায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যে, জামায়াত সব সময়ই বিএনপির সাথে দ্বিমুখী আচরণ করেছে। প্রকাশ্যে জোটের কথা বললেও তলে তলে তারা নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত ছিল। প্রবীণ সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরীর লেখাতেও বারবার উঠে এসেছে জামায়াতের মোনাফেকীর চিত্র। তারা জোটবদ্ধ রাজনীতিকে কেবল নিজেদের অপরাধ আড়াল করার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে। ২০১৩ সালে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে বলে এক আজগুবি ও নোংরা গুজব ছড়িয়েছিল জামায়াত-শিবির। এই মিথ্যাচারের ওপর ভিত্তি করে দেশব্যাপী তারা যে নজিরবিহীন তাণ্ডব ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছিল, তাতে প্রাণ হারিয়েছিলেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ ও পুলিশ সদস্য। ধর্মের মতো পবিত্র বিষয়কে রাজনৈতিক স্বার্থে এমন জঘন্যভাবে ব্যবহার করার নজির আধুনিক বিশ্বে আর দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। গত ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে জামায়াত ও তাদের অনুসারীরা অনলাইন এবং অফলাইনে ব্যাপক সাইবার বুলিং ও স্লাটশেমিং শুরু করেছে। ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর অমানবিক গালাগালি এবং আক্রমণাত্মক স্লোগান তাদের উগ্র মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিতে তারা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে বিষাক্ত করে তুলছে, যা দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার ও বাউল আস্তানায় হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং সৃজনশীল কাজে বাধা দেওয়ার পেছনে মব জাস্টিসের সংস্কৃতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে যে, এই প্রতিটি মববাজীর নেপথ্যে জামায়াত-শিবিরের প্রশিক্ষিত কর্মীরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংস করে একটি উগ্রবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা এই মাজার এবং আউলিয়াদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে আঘাত হানছে। নারীদের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর দৃষ্টিভঙ্গি সবসময়ই রক্ষণশীল ও অবমাননাকর। বিভিন্ন সময়ে তাদের নেতাদের বক্তব্যে ধ&amp;#39;র্ষিতা নারীকে &amp;quot;ন&amp;#39;ষ্টা নারী&amp;quot; আখ্যা দেওয়া কিংবা কর্মজীবী নারীদের &amp;quot;প&amp;#39;তি&amp;#39;তা&amp;quot;র সাথে তুলনা করার মতো ধৃষ্টতা দেখা গেছে। আধুনিক বিশ্বে যেখানে নারী ও পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ছে, সেখানে জামায়াতের এমন নারী বিদ্বেষী ফতোয়া সমাজকে মধ্যযুগীয় অন্ধকারে ফিরিয়ে নেওয়ার এক অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয়। জামায়াত নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও এনজিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের একটি বড় অংশ রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরিতে ব্যবহৃত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা দেশের অর্থনীতির মূল ধারার সাথে মিশে গিয়ে নিজেদের একটি আলাদা সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। এই অর্থনৈতিক শক্তিকে তারা ব্যবহার করে দলীয় ক্যাডার পোষণ এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে। ফলে জাতীয় উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রশিবিরের মাধ্যমে মেধাবী তরুণদের মগজ ধোলাই করার প্রক্রিয়া দীর্ঘদিনের। ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করে কিশোর ও যুবকদের হাতে মারণাস্ত্র তুলে দিয়ে তাদের উগ্রবাদী পথে ধাবিত করা হচ্ছে। এর ফলে শত শত মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। জামায়াতের এই ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতি দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার জন্য দায়ী বলে শিক্ষাবিদগণ মনে করেন। শেষে বলা যায়, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য একটি দীর্ঘস্থায়ী অভিশাপ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ১৯৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত তাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ড দেশের অস্তিত্ব ও সংহতির পরিপন্থী। যতদিন এই আদর্শ ও সংগঠন বাংলাদেশে সক্রিয় থাকবে, ততদিন জাতিকে সাম্প্রদায়িকতা ও স&amp;#39;হিং&amp;#39;সতার শাস্তি ভোগ করতে হবে। একটি সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে হলে এই অপশক্তির রাজনৈতিক বিলুপ্তি এখন সময়ের দাবি। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, যারা রক্তের বিনিময়ে কেনা পতাকাকে অস্বীকার করে, তারা কখনোই দেশের মঙ্গল কামনায় নিয়োজিত হতে পারে না। জামায়াতে ইসলামীর এই দীর্ঘ বেইমানির খতিয়ান নতুন প্রজন্মের কাছে পরিষ্কার হওয়া জরুরি। আপনারা কী মনে করেন? এই অপশক্তির হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কী? আমাদের কমেন্ট বক্সে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/338_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/338_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/338_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সেহরিতে জাগানোর নামে ওয়ারীতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23950</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23950</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 09 Mar 2026 08:03:56 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সেহরিতে জাগানো কি সওয়াবের কাজ, নাকি ব্যবসায়ীদের পকেট কাটার নতুন ফন্দি? যখন রাজধানীর ওয়ারীর ব্যবসায়ীরা সারাদিন রোজার রেখে ইফতারের পর ক্লান্তি শেষে একটু বিশ্রামে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/303-4_1.jpg" alt="সেহরিতে জাগানোর নামে ওয়ারীতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সেহরিতে জাগানো কি সওয়াবের কাজ, নাকি ব্যবসায়ীদের পকেট কাটার নতুন ফন্দি? যখন রাজধানীর ওয়ারীর ব্যবসায়ীরা সারাদিন রোজার রেখে ইফতারের পর ক্লান্তি শেষে একটু বিশ্রামে থাকেন, ঠিক তখনই হানা দিচ্ছে একদল তথাকথিত &amp;lsquo;কাফেলা&amp;rsquo; বা &amp;#39;জাগানিয়া&amp;#39; দল। রশিদ বই নিয়ে তারা এখন দোকানদার ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ওপর চালাচ্ছে প্রকাশ্য জুলুম। রমজান মাস মানেই বরকতময় সময়, কিন্তু পুরান ঢাকার ওয়ারীতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি এখন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভোররাতে রোজাদারদের ঘুম ভাঙানো নামে একদল বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট পুরো এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এদের উদ্দেশ্য স্থানীয় বাসিন্দাদের জাগানো নয়, বরং প্রতিটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করা। ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে তারা এখন দিনের পর দিন ব্যবসায়ীদের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে চলেছে। ওয়ারীর অনেক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন যে, ঈদ ঘনিয়ে আসায় ইফতারে পর থেকেই শুরু হয় এই চাঁদাবাজির মহোৎসব। বড় বড় শোরুম থেকে শুরু করে ফুটপাতের ছোট চায়ের দোকান&amp;mdash;কাউকেই বাদ দিচ্ছে না এই চক্র। যতক্ষণ পর্যন্ত ব্যবসায়ী বা পাহারাদার টাকা না বের করে দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা বাগবিতণ্ডা চালিয়ে যায়। এটি এখন আর কোনো স্বেচ্ছাসেবী কাজ নয়, বরং পুরোদস্তুর বাণিজ্যিক অপরাধ। সরেজমিনে দেখা গেছে, এই সিন্ডিকেটগুলো আগে থেকেই প্রতিটি দোকানের জন্য চাঁদার রেট চার্ট করে রাখে। তারা ডায়েরি বা রশিদ বই হাতে নিয়ে প্রতিটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কড়া নাড়ে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিক টাকা দিতে দেরি করেন বা অস্বীকৃতি জানান, তবে তাকে সামাজিকভাবে হেনস্তা করার হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।&amp;nbsp; ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগে তারা স্বেচ্ছায় কিছু দান করতেন। কিন্তু এখন এটা বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় দেখা যায়, একটি এলাকাতেই একাধিক দল আলাদা আলাদা ভাবে চাঁদা দাবি করে, যা ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস তুলছে। ইসলামিক স্কলারদের মতে, সেহরি জাগানোর নামে কাউকে অতিষ্ঠ করা বা জোরপূর্বক টাকা আদায় করা সম্পূর্ণ হারাম। অন্যদিকে, আইনের দৃষ্টিতে এটি স্পষ্ট চাঁদাবাজি। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে &amp;nbsp;এই ধরনের বাণিজ্যিক চক্র দিনের পর দিন শক্তিশালী হয়ে উঠছে। ওয়ারীর প্রতিটি রোডে বা গলিতে এরা সিন্ডিকেট করে কাজ করে। এর ফলে এলাকার স্বাভাবিক শান্তি বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক পরিবেশও এখন নষ্ট হওয়ার পথে। সেহরি জাগানোর নামে এই বাণিজ্যিক জুলুম আর কতকাল চলবে? সাধারণ ব্যবসায়ীরা কেন তাদের কষ্টের উপার্জনের টাকা এই চাঁদাবাজদের হাতে তুলে দেবেন? আমরা চাই ওয়ারী এলাকার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো শান্তিতে ব্যবসা করুক এবং রমজানের পবিত্রতা বজায় থাকুক। আপনারা যারা এই ভিডিও দেখছেন, আপনাদের এলাকায় কি এমন কোনো ঘটনা ঘটছে? প্রশাসনের উচিত এখনই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/303-4_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/303-4_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/303-4_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের আকাশ সীমায় ইসরাইল-আমেরিকার চরম পরাজয়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23949</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23949</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 09 Mar 2026 06:03:46 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনারা কি ভাবছেন আমেরিকার বি-৫২ আর ইসরাইলের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের আকাশ দখল করে নিয়েছে? যদি তাই ভেবে থাকেন, তবে আপনি চরম ভুলের মধ্যে আছেন! পেন্টাগনের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/303_1.jpg" alt="ইরানের আকাশ সীমায় ইসরাইল-আমেরিকার চরম পরাজয়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনারা কি ভাবছেন আমেরিকার বি-৫২ আর ইসরাইলের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের আকাশ দখল করে নিয়েছে? যদি তাই ভেবে থাকেন, তবে আপনি চরম ভুলের মধ্যে আছেন! পেন্টাগনের গোপন নথিতে এখন কান্নার রোল। কেন বিশ্বের তথাকথিত সুপার পাওয়াররা পারস্যের আকাশে ঢুকতে ভয়ে কাঁপছে? আজকের ভিডিওতে আমরা ফাঁস করব সেই সত্য, যা মূলধারার মিডিয়া আপনার কাছে লুকাচ্ছে! চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী, আর জালিম জানে না মজলুমের শক্তির সীমানা। আজ আমরা এমন এক সত্য নিয়ে হাজির হয়েছি যা শুনলে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। দীর্ঘ কয়েকদিন ধরে পশ্চিমা মিডিয়া প্রচার করছিল যে, আমেরিকা এবং ইসরাইল নাকি ইরানের আকাশে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে ফেলেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং তাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। পশ্চিমা বিশ্লেষকরা বুক ফুলিয়ে বলছিল যে তারা ইরানের আকাশকে &amp;#39;স্যানিটাইজ&amp;#39; বা নিরাপদ করে ফেলেছে। কিন্তু আসল খবর হলো, ইরানের শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সামনে তাদের অত্যাধুনিক সব যুদ্ধবিমান এখন খড়কুটোর মতো উড়ছে। আমেরিকা নিজেও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে, ইরানের আকাশে তাদের কোনো &amp;#39;এয়ার সুপ্রিমেসি&amp;#39; বা নিরঙ্কুশ আধিপত্য নেই। এটি কেবল একটি বড় ধরনের ভুল ধারণা নয়, বরং একটি সাজানো মিথ্যা। আমেরিকার বি-৫২ বোমারু বিমানগুলো ইরানের ভেতরে ঢোকার সাহসই পাচ্ছে না। তারা ইরাক বা অন্য কোনো বন্ধু রাষ্ট্রের সীমানা থেকে দূরপাল্লার মিসাইল ছুড়েই দায়িত্ব সারছে। কারণ তারা ভালো করেই জানে, ইরানের রাডারে একবার ধরা পড়লে তাদের দামী খেলনাগুলো আগুনের গোলায় পরিণত হতে সময় নেবে না। পারস্যের বীর যোদ্ধারা তাদের আকাশকে এমনভাবে সুরক্ষিত করেছে যে সেখানে শত্রুর প্রবেশ মানেই মৃত্যু। সম্প্রতি সেন্টকমের কিছু তথ্যে দেখা গেছে তারা &amp;#39;ডাইরেক্ট অ্যাটাক&amp;#39; বা সরাসরি হামলার চেষ্টা করছে। কেন জানেন? কারণ তাদের দামী দূরপাল্লার অস্ত্র ফুরিয়ে আসছে। কিন্তু সরাসরি হামলা করতে গিয়ে তারা আরও বড় বিপদে পড়ছে। ইরানের ভ্রাম্যমাণ বা মোবাইল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলো শত্রুর জন্য এক একটি মরণফাঁদ। এগুলো কখন কোথা থেকে গর্জে উঠবে, তা বোঝার ক্ষমতা পেন্টাগনের বাঘা বাঘা জেনারেলদেরও নেই। বিশেষ করে পূর্ব ইরানে সাম্রাজ্যবাদীরা এখনো পর্যন্ত দাঁত ফোটাতে পারেনি। সেখানে ইরানের প্রতিরোধ ব্যবস্থা এতই শক্তিশালী যে ইসরাইলি বিমানগুলো ওই দিকে তাকাতেও ভয় পাচ্ছে। আমেরিকা দাবি করছে তারা বাঙ্কার বাস্টার ব্যবহার করছে, কিন্তু ইরানের পাহাড়ের গভীরে থাকা কৌশলগত স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা তো দূরের কথা, সেখানে পৌঁছানোই তাদের জন্য এখন দিবাস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরানের হাতে থাকা ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল এবং ইনফ্রারেড সারফেস-টু-এয়ার মিসাইলগুলো আমেরিকার চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের জন্য যমদূত হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মিসাইলগুলো কোনো রাডার সিগন্যাল ছাড়াই টার্গেট লক করতে পারে। ফলে মার্কিন পাইলটরা বুঝতেই পারে না কখন তাদের দিকে মিসাইল ধেয়ে আসছে। যখন তারা বুঝতে পারে, ততক্ষণে হয়তো তারা জাহান্নামের টিকিট কেটে ফেলেছে। এটাই হলো ইরানের আসল শক্তি। ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধারা যদি সামান্য কিছু অস্ত্র দিয়ে পশ্চিমাদের নাজেহাল করতে পারে, তবে আধুনিক সম্পদে সমৃদ্ধ ইরানের মূল ভূখণ্ডে হামলা করা পশ্চিমাদের জন্য কত বড় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত, তা সহজেই অনুমেয়। ইরান কোনো ছোট দেশ নয়, বরং এটি একটি বিশাল সামরিক শক্তি। তাদের ড্রোন এবং মিসাইল প্রযুক্তি আজ বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে, যা ইসরাইলের জন্য অশনি সংকেত। আমেরিকা বর্তমানে তাদের এফ-১৬ এবং এফ-৩৫ বিমান দিয়ে ইরানের রাডার জ্যাম করার চেষ্টা করছে। কিন্তু ইরানি প্রকৌশলীরা এমন সব অ্যান্টি-জ্যামিং প্রযুক্তি তৈরি করেছেন যা পশ্চিমাদের বুদ্ধিকে হার মানাচ্ছে। পেন্টাগন এখন স্বীকার করছে যে, ইরানের আকাশে অপারেশন চালানো মানেই হলো পাইলটদের জীবন নিয়ে জুয়া খেলা। কারণ যে কোনো সময় যে কোনো ঝোপের আড়াল থেকে মিসাইল উঠে আসতে পারে। পশ্চিমের এই আগ্রাসন কেবল তাদের পরাজয়কেই ত্বরান্বিত করছে। তারা যত বেশি ইরানের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করবে, তত বেশি কফিন তাদের দেশে ফিরে যাবে। ইরানের আকাশ এখনো অজেয় এবং অপরাজিত। ইসরাইল এবং আমেরিকার মিলিত শক্তিও পারস্যের এই বীরদের মনোবল ভাঙতে পারবে না। দিনশেষে সত্যের জয় হবেই এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। আজকের এই বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্ট যে, ইরানের আকাশ আধিপত্যের দাবি কেবল একটি প্রোপাগান্ডা। বাস্তব যুদ্ধে ইরান এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। পশ্চিমা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের এই বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ মুসলিম বিশ্বের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। সাম্রাজ্যবাদীদের দম্ভ একদিন ধুলোয় মিশে যাবে এবং পারস্যের আকাশ চিরকাল স্বাধীন থাকবে। ইনশাআল্লাহ, ন্যায়ের পথে এই লড়াইয়ে বিজয় অবশ্যই মুজাহিদদের হবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/303_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/303_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/303_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[হরমুজ প্রণালী আটকে যাওয়ায় কি দেউলিয়া হওয়ার পথে খোদ আমেরিকা ও ইসরায়েল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23948</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23948</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 09 Mar 2026 06:03:48 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ভাবুন তো, যে আরবরা আমেরিকায় ট্রিলিয়ন ডলার ঢালতো, তারাই যদি আজ হাত গুটিয়ে নেয়? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন কি তবে বাইডেন-ট্রাম্পের পকেট পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে? ইরা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299-1_4_3.jpg" alt="হরমুজ প্রণালী আটকে যাওয়ায় কি দেউলিয়া হওয়ার পথে খোদ আমেরিকা ও ইসরায়েল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ভাবুন তো, যে আরবরা আমেরিকায় ট্রিলিয়ন ডলার ঢালতো, তারাই যদি আজ হাত গুটিয়ে নেয়? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন কি তবে বাইডেন-ট্রাম্পের পকেট পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে? ইরানের এক হুংকারে কাঁপছে হোয়াইট হাউস! আজ জানাবো কীভাবে একটি মাত্র নৌপথ আটকে দিয়ে ইরান বদলে দিল পুরো দাবার চাল। কথায় আছে, &amp;quot;ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়।&amp;quot; মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ঠিক তেমনই দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের মিত্র আমেরিকা আর ইসরায়েলের হয়ে লড়তে গিয়ে আরব দেশগুলো এখন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার চিন্তায় বিভোর। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের সপ্তম দিনে এসে পাশার দান এমনভাবে উল্টে গেছে যা খোদ পেন্টাগনও কল্পনা করেনি। আরব দেশগুলো এখন আমেরিকাকে উল্টো বড়সড় এক ধাক্কা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিখ্যাত ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এতদিন সৌদি আরব, কাতার বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো ধনী দেশগুলো আমেরিকার পরম বন্ধু ছিল। তারা মার্কিন অর্থনীতিতে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধের ময়দানে ইরানের অনবরত মিসাইল হামলা আর ড্রোন বৃষ্টির মুখে পড়ে সেই সব হিসেবনিকেশ এখন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পবিত্র মুসলিম ভূমি ব্যবহার করে আমেরিকার কোনো সেনা ছাউনি বা মোসাদকে সহযোগিতা করা যাবে না। যদি কোনো আরব দেশ ইসরায়েলকে সাহায্য করে, তবে তাদের ওপরও হামলা চালানো হবে। এই হুমকির পর আরব শেখরা প্রথমে পাত্তা না দিলেও, এখন তারা বেশ নড়েচড়ে বসেছেন। কারণ ইরানের হাতে এখন এমন দুটি চাবিকাঠি রয়েছে যা ধ্বংস করতে পারে যেকোনো অর্থনীতি। প্রথমত, ইরান ড্রোনের মাধ্যমে হামলা চালাচ্ছে আর দ্বিতীয়ত, তারা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ &amp;#39;হরমুজ প্রণালী&amp;#39; কার্যত আটকে দিয়েছে। বর্তমানে এই কৌশলগত পয়েন্টে ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ফলে আরব দেশগুলোর প্রধান আয়ের উৎস তেল রপ্তানি এখন বড় হুমকির মুখে। তেলের বাজার পড়ে গেলে বা রপ্তানি বন্ধ হলে আরব দেশগুলোর অর্থনীতির বারোটা বেজে যাবে, যা তারা মোটেও চায় না। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস বলছে, এই সংঘাতের প্রভাবে উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রে তাদের করা বিশাল বিনিয়োগ পুনর্বিবেচনা করছে। বর্তমানে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে সৌদি আরবের ১৪৫ বিলিয়ন, আমিরাতের ১০০ বিলিয়ন এবং কুয়েতের ৫১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ রয়েছে। এছাড়া আগামী দশ বছরে ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের যে বিনিয়োগের কথা ছিল, তা এখন পুরোপুরি অনিশ্চিত। এই অর্থ তুলে নিলে মার্কিন অর্থনীতি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আরব কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুদ্ধ অর্থনীতির এই ভয়াবহ চাপ সামলাতে তারা মোটেও প্রস্তুত নন। তাই তারা বিদেশে করা চুক্তিগুলো নতুন করে মূল্যায়ন করছেন। শুক্রবার প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ফলে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতা আরব দেশগুলোর জাতীয় বাজেটের ওপর অস্বাভাবিক চাপ তৈরি করছে। এর ফলে তারা এখন নিজেদের অর্থ নিজেদের কাছে রাখতেই বেশি আগ্রহী। উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক শক্তি দুটি পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে। প্রথমটি হলো তাদের নিরাপদ শহরগুলোকে বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। দ্বিতীয়টি হলো তেল বিক্রি থেকে আসা অবিরাম অর্থ। কিন্তু ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে এই দুটি ভিত্তিই এখন প্রচণ্ডভাবে কাঁপছে। যদি বিনিয়োগকারীরা মধ্যপ্রাচ্যকে অনিরাপদ মনে করে চলে যেতে শুরু করে, তবে এই আধুনিক শহরগুলো মরুভূমিতে পরিণত হতে খুব বেশি সময় লাগবে না। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, কয়েকটি দেশ বর্তমান মার্কিন চুক্তিগুলোতে &amp;#39;মেজর ফোর্স&amp;#39; বা অনিবার্য পরিস্থিতি ধারা প্রয়োগ করার কথা ভাবছে। এর মানে হলো, যুদ্ধের কারণে তারা আগের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বা চুক্তি রক্ষা করতে বাধ্য থাকবে না। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ যদি আরও দীর্ঘায়িত হয়, তবে শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তা নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতির পুরো মানচিত্রটাই চিরতরে বদলে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলকে বাঁচাতে গিয়ে আমেরিকা এখন নিজেদের সবচেয়ে বড় ফিন্যান্সিয়াল সাপোর্টারদের হারাতে বসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই বিশাল অংকের বিনিয়োগ যদি অন্য কোথাও চলে যায়, তবে ডলারের আধিপত্য শেষ হয়ে যাবে। ইরান খুব কৌশলে আমেরিকার এই &amp;#39;অ্যাকিলিস হিল&amp;#39; বা দুর্বল জায়গায় আঘাত করেছে। আরবরা এখন বুঝতে পারছে, আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে তারা নিজেদের সম্পদ আর শান্তিতে আগুন লাগাতে পারে না। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন যুদ্ধের কালো মেঘের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনৈতিক মন্দার ভয়। ইরান তার লক্ষ্য অর্জনে সফল হচ্ছে কি না তা সময়ই বলবে, তবে আরব দেশগুলোর এই পিছুটান আমেরিকার জন্য বড় পরাজয় হিসেবে দেখা দিচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে তেল আর ডলারের এই লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। যুদ্ধের আগুন শেষ পর্যন্ত কাকে পোড়ায়, সেটাই বড় প্রশ্ন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299-1_4_3.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299-1_4_3.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/299-1_4_3.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকার ঘুম হারাম করে মাটির ৪০ মিটার গভীরে অপরাজেয় পারমাণবিক দুর্গ বানাচ্ছে ইরান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23947</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23947</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 09 Mar 2026 06:03:11 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কথায় আছে, &amp;#39;বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো&amp;#39;&amp;mdash;কিন্তু ইরান এবার মাটির নিচে এমন এক বজ্র আঁটুনি তৈরি করেছে যা ফসকানোর ক্ষমতা সম্ভবত এই পৃথিবীর কারোরই নেই। কল্পন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/301_1.jpg" alt="আমেরিকার ঘুম হারাম করে মাটির ৪০ মিটার গভীরে অপরাজেয় পারমাণবিক দুর্গ বানাচ্ছে ইরান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কথায় আছে, &amp;#39;বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো&amp;#39;&amp;mdash;কিন্তু ইরান এবার মাটির নিচে এমন এক বজ্র আঁটুনি তৈরি করেছে যা ফসকানোর ক্ষমতা সম্ভবত এই পৃথিবীর কারোরই নেই। কল্পনা করুন মাটির ১৩০ ফুট গভীরে এমন এক দুর্গ, যেখানে তৈরি হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র। আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী &amp;lsquo;বাঙ্কার বাস্টার&amp;rsquo; বোমাও যেখানে গিয়ে হার মেনে যায়। ইরান কি তবে সত্যি সত্যি অপরাজেয় হয়ে উঠছে? আজকের ভিডিওতে আমরা উন্মোচন করবো ইরানের সেই গোপন সুড়ঙ্গের রহস্য। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে ইরান সবসময়ই এক রহস্যময় নাম। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এমন এক খবর চাউর হয়েছে যা পশ্চিমা বিশ্বের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে এমন এক স্তরে নিয়ে গেছে যা সাধারণ মানুষের কল্পনার বাইরে। তারা মাটির প্রায় ৪০ মিটার গভীরে নির্মাণ করছে তাদের নতুন পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র যা আধুনিক প্রযুক্তির সবোর্চ্চ সুরক্ষা বলয়ে ঢাকা। সাধারণত যেকোনো সামরিক স্থাপনা মাটির নিচে হলেও তা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে। কিন্তু ইরান এবার মাটির ১৩০ ফুট বা ৪০ মিটার নিচে তাদের কার্যক্রম সরিয়ে নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত গভীরে যাওয়ার মূল কারণ হলো আমেরিকার জিবিইউ-৫৭ বাঙ্কার বাস্টার বোমা থেকে রক্ষা পাওয়া। এই গভীরতা ভেদ করে কোনো প্রথাগত বোমা ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে স্পর্শ করতে পারবে না। পেন্টাগনের সামরিক বিশ্লেষকরা স্বীকার করেছেন যে, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নন-নিউক্লিয়ার বোমাও এই স্থাপনা ধ্বংস করতে পারবে না। এটি কেবল একটি ল্যাবরেটরি নয়, বরং এটি একটি দুর্ভেদ্য দুর্গ। আমেরিকা এবং ইসরায়েল দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের পরমাণু সক্ষমতা ধ্বংস করার হুমকি দিয়ে আসলেও, এই নতুন স্থাপনা তাদের সমস্ত পরিকল্পনাকে এখন কার্যত অকেজো বা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ছবিতে দেখা গেছে, ইরানের জগ্রোস পর্বতমালার গভীরে বিশাল খনন কাজ চলছে। সেখানে পাহাড় খুঁড়ে তৈরি করা হয়েছে বিশাল প্রবেশপথ এবং বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা। এই ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, ইরান সেখানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের বিশাল সেটআপ বসিয়েছে। যা তাদের পারমাণবিক বোমা তৈরির স্বপ্নকে এখন অনেক বেশি বাস্তব করে তুলছে। ইরানের এই পদক্ষেপ সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত করেছে ইসরায়েলকে। তারা বারবার দাবি করে আসছে যে ইরানকে পারমাণবিক শক্তি হতে দেওয়া যাবে না। কিন্তু মাটির এত গভীরে কার্যক্রম চলায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী সেখানে হামলা চালিয়ে কোনো সুফল পাবে বলে মনে হয় না। এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্য সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে এবং ইরানকে এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিতে পরিণত করতে পারে। জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ (IAEA) এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা ইরানের কাছে স্বচ্ছতা দাবি করলেও তেহরান তাদের সিদ্ধান্তে অটল। তারা বলছে এটি কেবল শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য, কিন্তু স্থাপনার গভীরতা এবং গোপনীয়তা অন্য কিছুরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে আমেরিকার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে যে তারা এই প্রযুক্তির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়। ইরানের এই মাটির নিচের শহর কি তবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীজ বপন করছে? নাকি এটি কেবল আত্মরক্ষার এক ঢাল? আধুনিক যুদ্ধবিদ্যায় মাটির নিচের এই লড়াই ইরানকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। প্রযুক্তির এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কার জয় হবে তা সময় বলে দেবে। তবে নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, ইরান এখন আর আগের মতো দমে যাওয়ার পাত্র নয়। আজকের এই প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগলো এবং ইরানের এই পদক্ষেপ সম্পর্কে আপনার মতামত কী? তারা কি সত্যিই পারমাণবিক বোমা বানাচ্ছে নাকি এটি কেবল পশ্চিমা বিশ্বকে চাপের মুখে রাখার কৌশল? আপনার মূল্যবান মন্তব্য নিচের কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/301_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/301_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/301_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[হাদির খুনিদের গ্রেফতারে থমকে গেল সব ষড়যন্ত্রের জাল: আন্দোলনকারীরা এখন কোথায়?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23946</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23946</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 09 Mar 2026 04:03:45 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যারা আজ পর্যন্ত ওসমান হাদিকে নিয়ে রাজনীতি করেছেন, সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছেন, তারা এখন কোথায়? কেন খুনিরা গ্রেফতার হওয়ার পর আপনাদের সবার মুখে কুলুপ? আজ দেখাবো কীভ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299_3.jpg" alt="হাদির খুনিদের গ্রেফতারে থমকে গেল সব ষড়যন্ত্রের জাল: আন্দোলনকারীরা এখন কোথায়?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যারা আজ পর্যন্ত ওসমান হাদিকে নিয়ে রাজনীতি করেছেন, সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছেন, তারা এখন কোথায়? কেন খুনিরা গ্রেফতার হওয়ার পর আপনাদের সবার মুখে কুলুপ? আজ দেখাবো কীভাবে পর্দার আড়ালে এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্র চলছিল এবং শেষ পর্যন্ত কীভাবে সত্যের জয় হলো! ধর্মের কল বাতাসে নড়ে, পাপ কখনো গোপন থাকে না। ওসমান হাদি ছিলেন এমন একজন মানুষ যাকে নিয়ে সারা বাংলা কেঁদেছে। অথচ একদল স্বার্থান্বেষী মানুষ এই মৃত্যু নিয়ে নোংরা খেলা শুরু করেছিল। তারা সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে, বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘেরাও করার হুমকি দিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য কি বিচার পাওয়া ছিল নাকি অরাজকতা সৃষ্টি করা ছিল? আজ সেই প্রশ্ন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ জনগণের সামনে। তদন্ত চলাকালীন সময়ে আমরা দেখেছি কীভাবে আমাদের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে আক্রমণ করা হয়েছে। অত্যন্ত নোংরা ভাষায় তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে হত্যার দায় চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যারা দিনরাত এক করে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন, তাদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার এক সুগভীর চক্রান্ত চলছিল তখন। অথচ ওসমান হাদির প্রকৃত খুনিদের খুঁজে বের করতে এই গোয়েন্দা সংস্থাই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে। যখন ওসমান হাদির আসল হত্যাকারীরা ভারতীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলো, তখন দৃশ্যপট পাল্টে গেল। যারা এতদিন রাজপথ কাঁপিয়েছিল, যারা বড় বড় ভাষণ দিয়েছিল, তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। খুনিরা ধরা পড়ার পর তাদের মুখে যেন কুলুপ এঁটে গেছে। সত্য সামনে আসার পর তাদের সমস্ত সাজানো নাটক আজ সাধারণ মানুষের কাছে পানির মতো পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, যারা এই খুনিদের ধরে আনলেন, সেই প্রশাসনকে ধন্যবাদ দেওয়ার সৌজন্যবোধটুকু তারা দেখায়নি। যাদের নিরলস প্রচেষ্টায় ওসমান হাদির আত্মা শান্তি পেল, তাদের অভিনন্দন জানাতে কেন আপনাদের এত কুণ্ঠা? এতে কি এটাই প্রমাণিত হয় না যে, আপনারা খুনি ধরা পড়ুক তা মন থেকে চাননি? আপনাদের মূল লক্ষ্য কি ছিল কেবল অস্থিরতা তৈরি করা? ওসমান হাদি একজন নিবেদিত প্রাণ ছিলেন এবং তার হত্যার বিচার হওয়াটা ছিল জাতীয় দাবি। সরকার সেই দাবি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পূরণ করেছে এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনেছে। কোনো প্রকার উস্কানি বা চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এটি আমাদের বিচার ব্যবস্থার এবং সরকারের এক বিশাল বড় সাফল্য যা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। এখন সময় এসেছে সেইসব কুচক্রী মহলের মুখোশ খুলে দেওয়ার যারা মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করতে চেয়েছিল। তারা ভেবেছিল মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করবে এবং দেশের শান্তি নষ্ট করবে। কিন্তু বাংলাদেশের সচেতন মানুষ এখন অনেক বেশি বোঝে। তারা দেখেছে কারা কাজ করে আর কারা শুধু ফাঁকা আওয়াজ দেয়। ওসমান হাদির রক্ত আজ সঠিক বিচার পেয়েছে প্রশাসনের কারণে। আসুন আমরা সত্যের পথে থাকি এবং যারা আমাদের দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তাদের চিনে রাখি। ওসমান হাদির আত্মার শান্তি তখনই পূর্ণ হবে যখন এই ধরনের নোংরা রাজনীতির সমাপ্তি ঘটবে। গোয়েন্দা সংস্থা এবং সরকারকে ধন্যবাদ জানাই তাদের দৃঢ় অবস্থানের জন্য। সত্য চিরকাল জয়ী হয় এবং এই ঘটনা সেটি আবারও প্রমাণ করে দিল সারা বিশ্বের মানুষের কাছে। শেষে বলব, ষড়যন্ত্র করে কখনো সত্যকে ঢাকা যায় না। যারা সরকারকে দোষারোপ করেছিল, তারা আজ ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। ওসমান হাদির খুনিরা শাস্তি পাবেই, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। বাংলার মাটিতে বিচারহীনতার কোনো সুযোগ নেই, তা আবারও প্রমাণিত হলো। আমরা চাই দেশ এভাবেই উন্নয়নের পথে এবং ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে যাক সকল অপশক্তিকে পদদলিত করে। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299_3.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299_3.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/299_3.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের বিধ্বংসী ব্যালেস্টিক মিসাইলে চূর্ণবিচূর্ণ মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23945</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23945</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 08 Mar 2026 07:03:24 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অজেয় বলে দাবি করা মার্কিন দম্ভ কি আজ মাটির সাথে মিশে গেল? মাত্র ৪টি ইরানি মিসাইলে যদি কোটি কোটি ডলারের আব্রাহাম লিংকন অচল হয়ে যায়, তবে ইসরায়েলের রক্ষাকর্তাদের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299-1_11_1.jpg" alt="ইরানের বিধ্বংসী ব্যালেস্টিক মিসাইলে চূর্ণবিচূর্ণ মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অজেয় বলে দাবি করা মার্কিন দম্ভ কি আজ মাটির সাথে মিশে গেল? মাত্র ৪টি ইরানি মিসাইলে যদি কোটি কোটি ডলারের আব্রাহাম লিংকন অচল হয়ে যায়, তবে ইসরায়েলের রক্ষাকর্তাদের শেষ আশ্রয় কোথায়? ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন কারণ আজ পর্দার পেছনের আসল সত্য ফাঁস হবে! অতি দর্পে লঙ্কা দহ &amp;mdash; ঠিক এই প্রবাদটিই আজ বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে সত্য প্রমাণিত হলো। বছরের পর বছর ধরে আমেরিকা ও তাদের অবৈধ দোসর ইসরায়েল পুরো বিশ্বকে নিজেদের সামরিক শক্তির ভয় দেখিয়ে শাসন করতে চেয়েছিল। কিন্তু ইরানের বীর সেনানিরা দেখিয়ে দিয়েছে যে, ইমানি শক্তি আর দেশপ্রেমের সামনে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির দম্ভ কতটা ঠুনকো এবং হাস্যকর হতে পারে। আজকের বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা তুলে ধরব কীভাবে আমেরিকার তথাকথিত &amp;#39;অজেয়&amp;#39; রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এখন সমুদ্রের মাঝে এক অচল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মাত্র চারটি ব্যালেস্টিক মিসাইল দিয়ে ইরান প্রমাণ করেছে যে, তারা চাইলে মুহূর্তের মধ্যে পশ্চিমের সব ষড়যন্ত্র ধূলিসাৎ করে দিতে পারে। এই হামলায় মার্কিন নৌবাহিনীর গর্ব মাটির সাথে মিশে গেছে এবং তাদের দম্ভ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের ছোঁড়া প্রতিটি মিসাইল নিখুঁতভাবে আব্রাহাম লিংকনের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আঘাত হেনেছে। রণতরীর ডেক বা রানওয়ে এখন পুরোপুরি বিধ্বস্ত, যার ফলে সেখান থেকে কোনো যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করা সম্ভব নয়। শুধু তাই নয়, ডেকের ওপর থাকা অন্তত ৬টি অত্যাধুনিক মার্কিন ফাইটার জেট এখন লোহার স্তূপে পরিণত হয়েছে। এটি কোনো সাধারণ আক্রমণ নয়, এটি একটি সাম্রাজ্যের পতনের ঘণ্টা। সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে জাহাজটির মূল চালিকাশক্তি অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনে। ইরানের শক্তিশালী ব্যালেস্টিক মিসাইলের আঘাতে রণতরীর পারমাণবিক ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে, যার ফলে বিশাল এই জলদানব এখন মাঝসমুদ্রে মৃত লাশের মতো ভাসছে। আমেরিকার সামরিক বিশ্লেষকরা এই ক্ষয়ক্ষতির কথা শুনে হতবাক হয়ে গেছেন। তারা কল্পনাও করতে পারেনি যে ইরানের প্রযুক্তি আজ আমেরিকার ডিফেন্স সিস্টেমকে এভাবে ফাঁকি দেবে। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, এই সফল ইরানি অভিযানে অন্তত ৩ জন মার্কিন নাবিক নিহত হয়েছে এবং আরও বহু সৈন্য গুরুতর আহত। আমেরিকা তাদের পরাজয় ঢাকতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম করে দেখানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। বডি ব্যাগগুলো যখন মূল ভূখণ্ডে ফিরছে, তখন মার্কিন জনগণের মনে ত্রাসের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এখন বুঝতে পারছে যে অন্যের ওপর অন্যায় করার ফল কত ভয়াবহ হতে পারে। ইরান কেবল চারটি মিসাইল ব্যবহার করেছে, এটি ছিল মাত্র প্রথম ধাপের সতর্কতা। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি ইরান তাদের ১৫ হাজার &amp;#39;সোয়ার্ম বোট&amp;#39; বা ড্রোন বহর নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করে, তবে পারস্য উপসাগরে কোনো মার্কিন জাহাজের অস্তিত্ব থাকবে না। হরমোজ প্রণালী এখন সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণে এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সেখানে প্রবেশের কোনো নৈতিক বা সামরিক সাহস এখন আর অবশিষ্ট নেই। এই ঘটনাটি কেবল আমেরিকার জন্য নয়, বরং তাদের লেজুড়বৃত্তি করা ইসরায়েলের জন্যও একটি চরম সতর্কবার্তা। আমেরিকা যদি নিজেই নিজেকে রক্ষা করতে না পারে, তবে তারা ইসরায়েলকে কীভাবে রক্ষা করবে? ইরানের এই সাহসিকতা পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি গর্বের বিষয়। এটি প্রমাণ করে যে, সত্যের পথে থাকলে এবং সঠিক প্রস্তুতি থাকলে যে কোনো জালিম শক্তিকে পরাজিত করা সম্ভব। মার্কিন প্রশাসন এখন তড়িঘড়ি করে ক্ষতিগ্রস্ত রণতরীটিকে নিকটস্থ বন্দরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে মেরামতের জন্য। কিন্তু ইঞ্জিনের যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। কোটি কোটি ডলার খরচ করে বানানো এই যুদ্ধজাহাজ এখন কেবল ইতিহাসের পাতায় আমেরিকার পরাজয়ের স্মারক হয়ে থাকবে। ইরানের এই বিজয় বিশ্ববাসীকে নতুন করে ভাবাতে শুরু করেছে যে কার হাতে আগামীর বিশ্ব নিরাপদ। শেষে বলা যায়, আমেরিকার গুন্ডামির দিন শেষ হয়ে আসছে। ইরানের এই নিখুঁত অপারেশন প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল কথার ফুলঝুরি নয়, বরং কাজের মাধ্যমে জবাব দিতে জানে। ইসরায়েল ও আমেরিকার জোট এখন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় ব্যস্ত, আর ইরান বীরের বেশে বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। সত্যের জয় নিশ্চিত এবং মিথ্যার পতন অনিবার্য&amp;mdash;আজকের এই ঘটনা তারই বাস্তব প্রমাণ। আপনারা কী মনে করেন? ইরানের এই সাহসী পদক্ষেপ কি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক ভোরের সূচনা করবে? কমেন্টে আপনার মতামত জানান। ভিডিওটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন এবং সত্যের সাথে থাকতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299-1_11_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299-1_11_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/299-1_11_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের একক আধিপত্য আর অত্যাধুনিক শাহেদ ড্রোনের তাণ্ডবে থরথর করে কাঁপছে গোটা পশ্চিমা বিশ্ব]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23944</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23944</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 08 Mar 2026 03:03:56 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কল্পনা করুন, মাত্র কয়েক হাজার ডলারের একটি ছোট ড্রোন কোটি কোটি ডলারের মার্কিন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে খেলনা বানিয়ে দিচ্ছে! ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299_1.jpg" alt="মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের একক আধিপত্য আর অত্যাধুনিক শাহেদ ড্রোনের তাণ্ডবে থরথর করে কাঁপছে গোটা পশ্চিমা বিশ্ব" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কল্পনা করুন, মাত্র কয়েক হাজার ডলারের একটি ছোট ড্রোন কোটি কোটি ডলারের মার্কিন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে খেলনা বানিয়ে দিচ্ছে! ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের হুঙ্কার দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই আকাশ পথে নেমে এলো ইরানের &amp;lsquo;শাহেদ&amp;rsquo; ড্রোনের তান্ডব। আমেরিকা ও ইসরায়েলের দম্ভ চুরমার করে দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে এখন নতুন ইতিহাস লিখছে তেহরান। কীভাবে এই সস্তা ড্রোনগুলো বিশ্বশক্তিকে নাস্তানাবুদ করছে? জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। বাংলায় একটি অতি পরিচিত প্রবাদ আছে, &amp;quot;চুন খেয়ে মুখ পুড়লে দই দেখলেও ভয় লাগে।&amp;quot; বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে দখলদার ইসরায়েল এবং তাদের মদদদাতা আমেরিকার অবস্থা ঠিক তেমনটাই হয়েছে। ইরানের অত্যাধুনিক এবং সাশ্রয়ী ড্রোন প্রযুক্তির সামনে এখন পরাশক্তিগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে। নিজেদের প্রযুক্তির অহংকার নিয়ে যারা বড়াই করত, তারা এখন ইরানের সাধারণ এক ড্রোনের ভয়ে কাঁপছে। গত শনিবার ইসরায়েল ও আমেরিকা যখন ইরানের ওপর যৌথ হামলার দুঃসাহস দেখালো, তখন ডোনাল্ড ট্রাম্প বড় গলায় ঘোষণা করেছিলেন যে তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেবেন। কিন্তু বিধাতা হয়তো অন্যকিছু লিখেছিলেন। ট্রাম্প ড্রোন শক্তির কথা ভুলেই গিয়েছিলেন। গত ছয় দিনে ইরান প্রমাণ করেছে যে তারা মুখে নয়, বরং কাজের মাধ্যমে শত্রুকে উচিত শিক্ষা দিতে পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত আছে। ইরান এই যুদ্ধে মূলত তাদের বিখ্যাত &amp;lsquo;কামিকাজে&amp;rsquo; শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করছে। এটি এমন এক মরণঘাতী অস্ত্র যা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার সাথে সাথেই বিস্ফোরিত হয়। কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে এই ড্রোনের আঘাতে ছয় মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে, যা এই যুদ্ধে আমেরিকার জন্য সবচেয়ে বড় পরাজয়। শুধু তাই নয়, দুবাইয়ের পাম জুমেইরাহ থেকে বাহরাইনের মার্কিন নৌঘাঁটি পর্যন্ত সর্বত্রই এখন শাহেদ আতঙ্ক বিরাজ করছে। ইরান জানে শত্রুর দুর্বল জায়গা কোথায়। তাই তারা সরাসরি আঘাত হেনেছে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে। সৌদি আরবের বৃহত্তম তেল শোধনাগার রাস তানুরা থেকে শুরু করে কাতারের এলএনজি টার্মিনাল&amp;mdash;সবই এখন ইরানি ড্রোনের নিশানায়। এর ফলে পশ্চিমা বিশ্বের তেলের বাজারে ধস নামতে বাধ্য হচ্ছে। ইরান বুঝিয়ে দিচ্ছে, তাদের সাথে শত্রুতা করলে পুরো বিশ্বকে জ্বালানি সংকটের চরম মাশুল দিতে হবে। এই শাহেদ-১৩৬ ড্রোনগুলোর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এদের নির্মাণ খরচ। যেখানে একটি আধুনিক মিসাইল বানাতে কোটি কোটি ডলার লাগে, সেখানে ইরান মাত্র ২০ থেকে ৫০ হাজার ডলারে এই ড্রোন তৈরি করছে। এগুলো দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয় না, বরং জিপিএস দিয়ে পথ ঠিক করে দিলে এটি অনায়াসেই ২,৫০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শত্রুর বুকে গিয়ে আছড়ে পড়তে পারে। ইরানি ড্রোনের গঠন শৈলী এমনভাবে তৈরি যে এগুলো খুব নিচু দিয়ে উড়তে পারে। এর ফলে আমেরিকা বা ইসরায়েলের দামি দামি রাডার কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকারী ব্যবস্থা এগুলোকে সহজে খুঁজে পায় না। যখন শত্রুরা বুঝতে পারে হামলা হয়েছে, ততক্ষণে ড্রোনের নাকের ডগায় থাকা ৫০ কেজি বিস্ফোরক তাদের লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করে দেয়। এটি ইরানের এক অনন্য সামরিক বিজয়। ইরানের কৌশলগত উদ্দেশ্য শুধু হামলা করা নয়, বরং শত্রুকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়া। একটি সস্তা শাহেদ ড্রোন ধ্বংস করতে আমেরিকাকে প্রায় ৩ লাখ ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র খরচ করতে হচ্ছে। অর্থাৎ ইরান সামান্য খরচে হামলা করছে, আর আমেরিকা নিজেদের দামি মজুদ শেষ করছে। এটি এক চমৎকার মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ, যেখানে ইরান জয়ী হচ্ছে আর আমেরিকা তাদের অর্থ ও অস্ত্র হারাচ্ছে। আমেরিকা দাবি করছে যে ড্রোন হামলা কমে গেছে, কিন্তু বাস্তবতা একদম ভিন্ন। ইরানের ফারস বার্তা সংস্থা সম্প্রতি একটি গোপন বাঙ্কারের ভিডিও প্রকাশ করেছে যেখানে সারি সারি হাজার হাজার ড্রোনের মজুদ দেখা গেছে। ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। আমেরিকা বা ইসরায়েল চাইলেও ইরানের এই বিশাল প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক শক্তিকে কোনোভাবেই দমিয়ে রাখতে পারবে না। শেষে বলা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন ইরানের দখলে। ইসরায়েল ও আমেরিকার তথাকথিত অত্যাধুনিক অস্ত্র আজ অকেজো প্রমাণিত হয়েছে ইরানের এই দেশীয় প্রযুক্তির কাছে। ইরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং ফিলিস্তিনি ভাইদের পাশে দাঁড়াতে এই প্রতিরোধ জারি রাখবে। পশ্চিমা বিশ্বের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ইরান যেভাবে বীরদর্পে এগিয়ে যাচ্ছে, তা বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের কাছে এক বড় প্রেরণার নাম।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/299_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/299_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[এপস্টিন নথিতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কিশোরী নির্যাতনের গা শিউরে ওঠা নতুন তথ্য ফাঁস যা কাঁপিয়ে দিচ্ছে বিশ্ব রাজনীতি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23943</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23943</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 08 Mar 2026 03:03:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ভাবুন তো, যাকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ হিসেবে চেনে সবাই, তার বিরুদ্ধেই যদি আসে এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ? আর সেই তথ্য যদি খোদ এফবিআইয়ের গোপন নথিত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/298_1.jpg" alt="এপস্টিন নথিতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কিশোরী নির্যাতনের গা শিউরে ওঠা নতুন তথ্য ফাঁস যা কাঁপিয়ে দিচ্ছে বিশ্ব রাজনীতি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ভাবুন তো, যাকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ হিসেবে চেনে সবাই, তার বিরুদ্ধেই যদি আসে এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ? আর সেই তথ্য যদি খোদ এফবিআইয়ের গোপন নথিতে থাকে? জেফরি এপস্টিন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প&amp;mdash;এই দুই নামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক অন্ধকার সত্য এখন সারা বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন, কারণ আজ পর্দা ফাঁস হবে অনেক বড় গোপন রহস্যের। কথায় আছে, &amp;quot;ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।&amp;quot; আপনি যতই লুকানোর চেষ্টা করুন না কেন, অন্যায় একদিন না একদিন সামনে আসবেই। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রেও কি ঠিক তেমনটাই ঘটছে? মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি জেফরি এপস্টিন সংক্রান্ত কিছু অত্যন্ত গোপন নথি প্রকাশ করেছে। এই নথিগুলোতে উঠে এসেছে এমন কিছু তথ্য, যা বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ পুরোপুরি বদলে দিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এবং এফবিআই দীর্ঘ তদন্তের পর এক অজ্ঞাতনামা নারীর জবানবন্দির সারসংক্ষেপ প্রকাশ করেছে। সেই নারী অভিযোগ করেছেন যে, কিশোরী থাকাকালীন ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেছিলেন। ২০১৯ সালে এফবিআই ওই নারীর মোট চারবার সাক্ষাৎকার নিয়েছিল। জেফরি এপস্টিনের অন্ধকার জগতের তদন্ত করতে গিয়েই মূলত এই ভয়াবহ তথ্যগুলো কর্মকর্তাদের সামনে চলে আসে, যা এতদিন গোপন রাখা হয়েছিল। প্রকাশিত এই নতুন নথিতে দাবি করা হয়েছে যে, আশির দশকে এপস্টিন ওই কিশোরীকে ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। নিউ ইয়র্ক বা নিউ জার্সিতে এই পরিচয় পর্বটি ঘটেছিল এবং তখন মেয়েটির বয়স ছিল মাত্র ১৩ থেকে ১৫ বছর। কিশোরী অবস্থায় তাকে ভয় দেখিয়ে এবং প্রলোভন দেখিয়ে ট্রাম্প জোর করে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিলেন বলে সেই নারী তার জবানবন্দিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। এই গুরুতর অভিযোগ সামনে আসার পরপরই মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে ঝর উঠেছে। তবে ট্রাম্পের শিবির এবং হোয়াইট হাউস থেকে এই অভিযোগগুলোকে সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, এই নারীর করা প্রতিটি অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এর কোনো বাস্তব প্রমাণ নেই। ট্রাম্পের দাবি, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্যই এই পুরনো এবং মিথ্যা অভিযোগগুলো এখন নতুন করে প্রচার করা হচ্ছে। মার্কিন বিচার বিভাগ অবশ্য একটি বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে এই নথিপত্রগুলো নিয়ে। তারা বলেছে, এই ফাইলগুলোতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যা এবং উসকানিমূলক দাবি থাকতে পারে। রয়টার্স বা অন্যান্য বড় সংবাদ সংস্থাগুলো এখনো এই নারীর অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। ২০১৯ সালে এফবিআই কেন হঠাৎ করে এই নারীর সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল, সেটিও এখন এক বড় রহস্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেফরি এপস্টিনের নাম আসা মানেই সেখানে যৌনপল্লী আর ভয়াবহ নির্যাতনের চিত্র ভেসে ওঠা। কিছু নথিতে এমনও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, এপস্টিনের নিউ মেক্সিকোর খামারের কাছে কিশোরীদের মেরে পুঁতে রাখা হতো। এই হাড়হিম করা তথ্যগুলো বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টিনের ঘনিষ্টতা কি তবে কেবল ব্যবসায়িক ছিল নাকি এর পেছনে ছিল অন্য কোনো কুৎসিত এবং গভীর উদ্দেশ্য? এই পুরো বিষয়টিতে রাজনীতির রং লেগেছে অনেক আগেই। ডেমোক্র্যাটরা অভিযোগ করে আসছেন যে, ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় থাকাকালীন এই সংক্রান্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছিল। তারা মনে করেন, বিচার বিভাগ কংগ্রেসের কাছে দায়বদ্ধ এবং সব সত্য প্রকাশ করা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের একটি কমিটি এখন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে তলব করেছে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য। সবশেষে বিচার বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার যেসব নথি প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলো আগে &amp;lsquo;প্রতিলিপি&amp;rsquo; হিসেবে ভুলবশত চিহ্নিত করা হয়েছিল। এই ভুলের কারণেই নথিগুলো এতদিন জনসমক্ষে আসেনি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই নতুন নথিগুলো কি ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ইতি ঘটিয়ে দেবে? নাকি এটি কেবল আরেকটি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই থেকে যাবে? সত্যিটা যাই হোক, বর্তমান সময়ে এটি মার্কিন রাজনীতির সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয়। জেফরি এপস্টিনের এই অন্ধকার ফাইলগুলো যত খুলছে, ততই বেরিয়ে আসছে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ যদি প্রমাণিত হয়, তবে তা হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কলঙ্ক। আপনারা কী মনে করেন? এই অভিযোগগুলো কি সত্যি নাকি রাজনৈতিক চাল? কমেন্ট করে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/298_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/298_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/298_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পকে যৌন অপরাধী এপস্টেইনের গ্যাং বলে তুলোধুনো করলেন ইরানের স্পিকার, এপস্টেইনের গ্যাংরা নয়, ইরানিরা নিজ জাতির ভাগ্য নির্ধারণ করবে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23942</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23942</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 08 Mar 2026 03:03:42 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চাচা আপন প্রাণ বাঁচা&amp;mdash;এই প্রবাদটি কি ট্রাম্পের জন্য প্রযোজ্য? যখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট অন্য একটি দেশের ভাগ্য লিখে দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, ঠিক তখনই ইরানের পার...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/297_1.jpg" alt="ট্রাম্পকে যৌন অপরাধী এপস্টেইনের গ্যাং বলে তুলোধুনো করলেন ইরানের স্পিকার, এপস্টেইনের গ্যাংরা নয়, ইরানিরা নিজ জাতির ভাগ্য নির্ধারণ করবে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চাচা আপন প্রাণ বাঁচা&amp;mdash;এই প্রবাদটি কি ট্রাম্পের জন্য প্রযোজ্য? যখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট অন্য একটি দেশের ভাগ্য লিখে দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, ঠিক তখনই ইরানের পার্লামেন্ট থেকে এমন এক তোপ দাগা হলো যা পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে। ট্রাম্পকে সরাসরি &amp;#39;যৌন অপরাধী এপস্টেইনের গ্যাং&amp;#39; বলে ডাকলেন ইরানের স্পিকার! আজ জানাবো সেই উত্তপ্ত লড়াইয়ের ভেতরের সব খবর। কথায় আছে, &amp;quot;পরের মন্দ করতে গেলে নিজের মন্দ আগে হয়।&amp;quot; বর্তমান বিশ্বরাজনীতির প্রেক্ষাপটে এই কথাটি যেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একদম যুতসই হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং পরবর্তী শাসক নির্বাচন নিয়ে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। তার এই মন্তব্যের পর ইরান সরকার চুপ করে বসে থাকেনি বরং পাল্টা আক্রমণ করেছে বেশ কড়া ভাষায়। ইরানের পার্লামেন্টের বর্তমান স্পিকার মোহাম্মদ-বাঘের ঘালিবাফ সরাসরি ট্রাম্পের অতীত ইতিহাস টেনে এনে তাকে অপমান করেছেন। তিনি ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন যে, আমেরিকার বিতর্কিত এবং সাজাপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী জেফরে এপস্টেইনের সাথে ট্রাম্পের যে সখ্যতা ছিল, সেই গ্যাংয়ের সদস্যরা ইরানের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারবে না। এই আক্রমণাত্মক বক্তব্যটি এখন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রধান শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে বিতর্ক। ঘালিবাফ পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, ইরানের জনগণ এবং তাদের নেতৃত্ব অনেক বেশি সচেতন। বাইরের কোনো শক্তি, বিশেষ করে যারা নিজেরাই নৈতিকভাবে স্খলিত, তারা ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলার অধিকার রাখে না। ট্রাম্পের মতো একজন নেতার কাছ থেকে গণতন্ত্র বা শাসনব্যবস্থার পাঠ নিতে ইরান মোটেও প্রস্তুত নয়। এই ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন যে, ইরানের নতুন নেতা নির্বাচনে আমেরিকার সরাসরি ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, ইরানের পরবর্তী শাসক কে হবে তা নির্ধারণে তারা নিজেদের যুক্ত করবেন। ট্রাম্পের এমন আধিপত্যবাদী মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই সার্বভৌম দেশ হিসেবে ইরান মেনে নিতে পারেনি। এর ফলে তেহরানের রাজনৈতিক মহলে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয় যা এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ইরানের স্পিকারের মতে, ট্রাম্প এখনো বুঝতে পারছেন না যে তিনি অতীতে কী ধরনের ভুল করেছেন। ঘালিবাফ মনে করিয়ে দেন যে, ইরানের আধ্যাত্মিক নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা ছিল চরম হঠকারিতা। খামেনির ওপর আক্রমণ বা তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা মার্কিন সেনাদের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। ট্রাম্পের এই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। তিনি ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চরিত্রের দিকে আঙুল তুলে বলেন, একজন মানুষ যার বিরুদ্ধে গুরুতর নৈতিক অভিযোগ রয়েছে, তিনি কীভাবে একটি জাতির ভাগ্য নির্ধারণের কথা বলেন? এপস্টেইনের মতো কুখ্যাত অপরাধীর সাথে যার নাম জড়িয়ে আছে, তার মুখে নীতিবাক্য মানায় না। ঘালিবাফ আরও বলেন, ট্রাম্প নিজের দেশের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা সামলাতে ব্যর্থ হয়ে এখন ইরানের দিকে নজর দিচ্ছেন যা মোটেও কাম্য নয়। স্পিকার ঘালিবাফ অত্যন্ত আবেগের সাথে বলেন, &amp;quot;প্রিয় ইরানের ভাগ্য, যা আমাদের কাছে জীবনের চেয়েও অনেক বেশি মূল্যবান।&amp;quot; তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ইরানিরাই ঠিক করবে তাদের দেশে কে শাসন করবে এবং দেশ কোন পথে চলবে। কোনো ভিনদেশি শক্তি বা এপস্টেইনের গ্যাংয়ের মতো অপরাধী চক্রের কোনো সদস্যের হস্তক্ষেপ এখানে বরদাশত করা হবে না। এটি ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এক অনড় অবস্থান। ইরানের এই সাহসী অবস্থান দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যেও এক ধরনের জাতীয়তাবাদী চেতনার জন্ম দিয়েছে। স্পিকারের বক্তব্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের প্রতিটি পদক্ষেপ আমেরিকার নিজের জন্যই বিপদ ডেকে আনছে। মার্কিন সেনারা মধ্যপ্রাচ্যে যে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে, ট্রাম্পের এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য সেই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তেহরান এখন যেকোনো ধরনের বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে নিজেদের সামরিক ও রাজনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে মনোযোগ দিচ্ছে। ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ সংবেদনশীল হলেও তারা আমেরিকার চাপের কাছে নতি স্বীকার করতে নারাজ। ঘালিবাফ বিশ্বাস করেন, ইরানের জনগণের শক্তিই সব অপশক্তির বিরুদ্ধে বড় অস্ত্র। তিনি বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান কোনো পুতুল রাষ্ট্র নয় যে অন্য কেউ এসে তাদের নেতা ঠিক করে দেবে। এই লড়াই এখন শুধু রাজনৈতিক নয়, বরং এটি আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে সারা বিশ্বে। শেষে বলা যায়, ট্রাম্প এবং ইরানের এই বাকযুদ্ধ কেবল কথার লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর প্রভাব পড়বে বিশ্ব তেল বাজার থেকে শুরু করে ভূ-রাজনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে। ইরানের স্পিকারের এই কঠোর ভাষা প্রমাণ করে যে, তারা আমেরিকার সাথে কোনো ধরনের আপস করতে রাজি নয়। এপস্টেইন গ্যাংয়ের তকমা লাগিয়ে ট্রাম্পকে বিশ্বদরবারে ছোট করার এই কৌশলটি বেশ কূটনৈতিকভাবে কার্যকর হয়েছে। এখন দেখার বিষয় ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চরম অপমানের পর কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখান। হোয়াইট হাউস কি এই বিষয়ে চুপ থাকবে নাকি ইরানের ওপর আরও নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে? মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা যদি প্রশমিত না হয়, তবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে ইরান তার অবস্থানে অনড় থেকে বিশ্বকে এক শক্তিশালী বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছে এই মুহূর্তে। আজকের এই পুরো বিষয়টি নিয়ে আপনার মতামত কী? আপনি কি মনে করেন ট্রাম্পের এই হস্তক্ষেপ সঠিক ছিল নাকি ইরানের স্পিকারের যোগ্য জবাব দিয়েছেন? আমাদের কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত অবশ্যই লিখে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/297_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/297_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/297_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমারা কি এবার চরম পরাজয়ের স্বাদ পাবে নাকি শুরু হবে এক নতুন বীরত্বগাঁথা ইতিহাস?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23941</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23941</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 08 Mar 2026 03:03:41 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;quot;কথায় আছে, &amp;#39;বুনো ওল আর বাঘা তেঁতুল&amp;#39;। আমেরিকা আর ইসরায়েল ভেবেছিল ইরানকে ভয় দেখানো সহজ হবে, কিন্তু তারা জানত না ইরানি বাঘ যখন ক্ষেপে যায়, তখন সাম্রাজ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/296_1.jpg" alt="মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমারা কি এবার চরম পরাজয়ের স্বাদ পাবে নাকি শুরু হবে এক নতুন বীরত্বগাঁথা ইতিহাস?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;quot;কথায় আছে, &amp;#39;বুনো ওল আর বাঘা তেঁতুল&amp;#39;। আমেরিকা আর ইসরায়েল ভেবেছিল ইরানকে ভয় দেখানো সহজ হবে, কিন্তু তারা জানত না ইরানি বাঘ যখন ক্ষেপে যায়, তখন সাম্রাজ্যবাদের তাসের ঘর মুহূর্তেই ধুলোয় মিশে যায়! আজকের ভিডিওতে দেখুন কীভাবে ইরানের অদম্য শক্তির কাছে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে পশ্চিমারা।&amp;quot; আমাদের বাংলার সেই পুরোনো প্রবাদটি দিয়ে শুরু করি&amp;mdash; &amp;quot;অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী&amp;quot;। আমেরিকা ও ইসরায়েল ভেবেছিল তাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর কয়েকটা টমাহক মিসাইল দিয়েই ইরানকে কোণঠাসা করে ফেলবে। কিন্তু গত কয়েক দশকের ইতিহাস বলে, ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। তারা তাদের নিজেদের শক্তিতে বলীয়ান এবং আধুনিক যুদ্ধের ময়দানে তারা এখন অন্যতম এক অপরাজেয় শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ইরানের আকাশসীমা এখন এমন এক দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত হয়েছে, যেখানে শত্রুপক্ষের যেকোনো অনুপ্রবেশ মানেই নিশ্চিত মৃত্যু। ভিডিওতে আপনারা দেখেছেন কীভাবে আমেরিকা তাদের দামী ড্রোন এবং মিসাইল নিয়ে ইরানের দিকে ধেয়ে আসছিল। কিন্তু ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাভার-৩৭৩ এবং তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির রাডারগুলো এমনভাবে সাজানো যে, শত্রুর রাডার ফাঁকি দেওয়া তো দূরের কথা, তারা পালানোর পথও খুঁজে পায়নি। আমেরিকা ও ইসরায়েল দীর্ঘকাল ধরে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড বা আইআরজিসি তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করছে। মার্কিনিরা ভেবেছিল তাদের লুকাশ ড্রোন দিয়ে ইরানের নজরদারি এড়িয়ে যাবে, কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি যে ইরান ইতিমধ্যেই তাদের প্রযুক্তিতে বিশ্বকে টেক্কা দিচ্ছে। প্রতিটি পশ্চিমা মিসাইলের বিপরীতে ইরানের জবাব ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। ইসরায়েল তাদের এফ-৩৫ এবং এফ-১৫ বিমানের গর্ব করে থাকে, কিন্তু ইরানের পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে থাকা মিসাইল সাইলো এবং আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রোন বেসগুলো তাদের জন্য এখন দুঃস্বপ্ন। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ যতই চেষ্টা করুক না কেন, ইরানের আসল শক্তি তারা কখনোই পুরোপুরি আঁচ করতে পারেনি। ইরানের প্রতিটি মিসাইল আজ তেল আবিব আর হাইফাকে লক্ষ্য করে প্রস্তুত হয়ে আছে। পশ্চিমারা অভিযোগ করে ইরান নাকি অশান্তি ছড়াচ্ছে, কিন্তু সত্য হলো ইরান শুধু নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করছে। আমেরিকা যখন হাজার মাইল দূর থেকে এসে মধ্যপ্রাচ্যে নাক গলায়, তখন ইরান তাদের মনে করিয়ে দেয় যে এই অঞ্চলটি তাদের নয়। ইরানের নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালীতে যে নজরদারি চালায়, তাতে মার্কিন নৌবাহিনীর বড় বড় জাহাজগুলোও এখন আতঙ্কে কাঁপতে শুরু করে। ইরানের ওপর বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞা দিয়েও তাদের দমানো যায়নি। বরং তারা এই নিষেধাজ্ঞাকেই আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা এখন নিজেরাই মিসাইল বানায়, নিজেরাই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে এবং তাদের ড্রোন প্রযুক্তি আজ রাশিয়া থেকে শুরু করে বিশ্বের অনেক দেশ ব্যবহার করছে। আমেরিকার দামী দামী জ্যামার বা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম ইরানের প্রযুক্তির সামনে বারবার ব্যর্থ প্রমাণিত হচ্ছে। ইসরায়েল প্রায়ই হুমকি দেয় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করার। কিন্তু তারা ভালো করেই জানে, ইরানের মাটিতে একটি মিসাইল পড়লে ইসরায়েলের মানচিত্র বদলে দেওয়ার ক্ষমতা তেহরান রাখে। ইরানের শাহাব-৩ এবং ফাত্তাহ মিসাইলগুলো শব্দের চেয়েও কয়েক গুণ দ্রুতগতিতে লক্ষ্যভেদে সক্ষম। এই প্রচণ্ড শক্তির সামনে দাঁড়িয়ে আমেরিকা এখন আলোচনার টেবিল খুঁজছে, যা তাদের চরম পরাজয়েরই নামান্তর। ইরান প্রমাণ করে দিয়েছে যে, দেশপ্রেম আর সঠিক নেতৃত্ব থাকলে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির চোখে চোখ রেখে কথা বলা যায়। ইসরায়েল ও আমেরিকার অপপ্রচার আজ বিশ্ববাসীর কাছে পরিষ্কার। ইরান কোনো যুদ্ধ চায় না, কিন্তু যুদ্ধ যদি তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়, তবে তারা সেটা শেষ করতে জানে। পারস্যের এই বীরদের সামনে নতিস্বীকার করা ছাড়া পশ্চিমাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। শেষে বলতে চাই, ইতিহাস সব সময় বিজয়ীদের কথা বলে। আর আজকের মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের উত্থান জানান দিচ্ছে যে, পশ্চিমা আধিপত্যের সূর্য অস্তমিত হতে চলেছে। যারা ইরানকে দুর্বল ভেবেছিল, তারা এখন নিজেদের ভুল বুঝতে পারছে। ইরানের এই বীরত্বগাথা আমাদের শিখিয়ে দেয় যে, ন্যায়ের পথে অটল থাকলে বিজয় আসবেই। আমেরিকা-ইসরায়েলের দম্ভ চিরকাল থাকবে না, কিন্তু ইরানের তেজ থাকবে চিরকাল।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/296_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/296_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/296_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েল আমেরিকার দম্ভ গুঁড়িয়ে দিতে চীনের রহস্যময় জাহাজ এখন ইরানের বন্ধু]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23940</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23940</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 08 Mar 2026 03:03:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ভাবুন তো, আমেরিকার সেই দামী আর অহংকারী এফ-৩৫ স্টেলথ বিমানগুলো যদি হঠাৎ করেই আকাশে সাধারণ পাখির মতো ধরা পড়ে যায়? হ্যাঁ, কোনো রূপকথা নয়, বরং চীনের &amp;#39;ড্রাগন আই&amp;...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/295_1.jpg" alt="ইসরায়েল আমেরিকার দম্ভ গুঁড়িয়ে দিতে চীনের রহস্যময় জাহাজ এখন ইরানের বন্ধু" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ভাবুন তো, আমেরিকার সেই দামী আর অহংকারী এফ-৩৫ স্টেলথ বিমানগুলো যদি হঠাৎ করেই আকাশে সাধারণ পাখির মতো ধরা পড়ে যায়? হ্যাঁ, কোনো রূপকথা নয়, বরং চীনের &amp;#39;ড্রাগন আই&amp;#39; খ্যাত লিয়াওওয়াং-১ জাহাজটি এখন ইরানকে এমন এক শক্তি দিচ্ছে যা আমেরিকা আর ইসরায়েলের সব গোপন পরিকল্পনা ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে!&amp;quot; চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে&amp;mdash;এই প্রবাদটি আজ পশ্চিমা বিশ্বের জন্য চরম সত্য হতে চলেছে। দীর্ঘকাল ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে যে আধিপত্য বিস্তার করে এসেছে, তার মূলে ছিল তাদের অত্যাধুনিক আকাশপথের শক্তি। কিন্তু চীন যখন নিরবে লিয়াওওয়াং-১ নামক এক দানবীয় জাহাজ সাগরে ভাসিয়েছে, তখন থেকেই ওয়াশিংটন আর তেল আবিবের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে পুরোপুরি। এই লিয়াওওয়াং-১ কোনো সাধারণ নৌযান নয়, বরং এটিকে বলা হচ্ছে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ভাসমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন গবেষণাগার। বিশেষজ্ঞরা এটিকে আদর করে &amp;#39;ড্রাগনের চোখ&amp;#39; বলে ডাকেন, কারণ এর দৃষ্টি সীমানা থেকে কোনো কিছুই এড়ানো সম্ভব নয়। যেখানে আমেরিকা তাদের এফ-৩৫ এবং এফ-২২ স্টেলথ যুদ্ধবিমান নিয়ে দম্ভ করে, সেখানে এই জাহাজটি সেসব অদৃশ্য বিমানকেও খুব সহজে শনাক্ত করতে পারে। সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই জাহাজটি একই সঙ্গে ১২০০-এর বেশি আকাশ লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত এবং সফলভাবে অনুসরণ করতে সক্ষম। মার্কিন সামরিক শক্তির প্রধান স্তম্ভ হলো তাদের আকস্মিক আঘাত করার ক্ষমতা এবং রাডারের চোখে ধুলো দেওয়া। কিন্তু এই ড্রাগন আই যদি আরব সাগর বা ওমান উপসাগরে অবস্থান নেয়, তবে পেন্টাগনের সব ছক মুহূর্তের মধ্যেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে বাধ্য হবে। চীনের এই বিশাল উদ্যোগ শুধু তাদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং ইরানের মতো সাহসী বন্ধু রাষ্ট্রের শক্তি বৃদ্ধিতেও সহায়ক। ইরান এখন আর একা নয়, বরং চীনের এই উন্নত প্রযুক্তির তথ্য সরাসরি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এর ফলে ইরানের এইচকিউ-৯বি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন এতটাই শক্তিশালী যে, কোনো মার্কিন বা ইসরায়েলি ড্রোন বা বিমান ইরানের সীমানায় ঢোকার সাহস পাবে না। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা সবসময় চেয়েছে ইরানকে দুর্বল করে রাখতে, কিন্তু চীন ও ইরানের এই কৌশলগত বন্ধুত্ব নতুন এক বিশ্বব্যবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইসরায়েল এখন আর চাইলেই কোনো দেশে চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে পারবে না, কারণ লিয়াওওয়াং-১ তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ আগেভাগেই ইরানকে জানিয়ে দেবে। এটি কেবল একটি জাহাজ নয়, বরং এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ও সমন্বিত মহাকাশ নজরদারি নেটওয়ার্কের মূল কেন্দ্র। আমেরিকার গর্ব করার মতো আর কিছুই অবশিষ্ট নেই যদি তাদের আকাশপথের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যায়। এই জাহাজের রাডার ব্যবস্থা মহাকাশ এবং আকাশপথের প্রতিটি ছোটখাটো পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করতে পারে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের যে দেয়াল তারা তুলেছিল, তাতে ফাটল ধরা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সাম্রাজ্যবাদীদের পতন এবং ন্যায়বিচারের জয় আজ এই সমুদ্র থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির হাত ধরে। ইরান আজ যে আত্মবিশ্বাস দেখাচ্ছে তার পেছনে রয়েছে এই বিশাল প্রযুক্তির সমর্থন। কোনো যুদ্ধ নয়, বরং সমরশক্তির ভারসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমে ইরান প্রমাণ করছে যে তারা কারো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। আমেরিকা এবং ইসরায়েল যদি মনে করে তারা আগের মতো ছড়ি ঘোরাবে, তবে চীনের এই ড্রাগন আই তাদের সেই ভুল অচিরেই ভেঙে দেবে যুদ্ধের ময়দানে। শেষ পর্যন্ত এটাই প্রতীয়মান হয় যে, আধুনিক সমরকৌশলে এখন আর কোনো একক দেশ রাজা নয়। যখন প্রযুক্তি এবং সাহসের মিলন ঘটে, তখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় শক্তিকেও মাথা নত করতে হয়। চীন এবং ইরানের এই অক্ষশক্তি আগামী দিনে বিশ্ব রাজনীতিতে যে বড় ধরণের পরিবর্তন আনবে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে এই লিয়াওওয়াং-১ জাহাজটি। এটি এখন সত্যকারের এক গেম চেঞ্জার প্রযুক্তি। ইসরায়েলি আগ্রাসন আর মার্কিনীদের খবরদারি রুখে দিতে এই লিয়াওওয়াং-১ এখন মজলুমের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন আর পশ্চিমের একচ্ছত্র অধিকার নেই। বরং প্রতিটি মার্কিন বিমানের গতিবিধির ওপর এখন কড়া নজর রাখছে এই ড্রাগন আই। ইরান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ এবং শক্তিশালী, কারণ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির সব সেরা উদ্ভাবন নিয়ে এক বিশ্বস্ত বন্ধু।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/295_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/295_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/295_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ইরানের সেই ভয়ংকর প্রতিশোধের রূপরেখা যা কাঁপিয়ে দিচ্ছে পুরো পশ্চিমাবিশ্ব ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23939</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23939</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 08 Mar 2026 03:03:18 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলার ভেবেছিল সোভিয়েত ইউনিয়নকে গুঁড়িয়ে দেবে, কিন্তু শেষ হাসি হেসেছিল লাল ফৌজ। আজ ইতিহাস কি আবার নিজেকে পুনরাবৃত্তি করছে? যখন আমেরিকা আর ইসর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/294_1.jpg" alt="আমেরিকার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ইরানের সেই ভয়ংকর প্রতিশোধের রূপরেখা যা কাঁপিয়ে দিচ্ছে পুরো পশ্চিমাবিশ্ব " style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলার ভেবেছিল সোভিয়েত ইউনিয়নকে গুঁড়িয়ে দেবে, কিন্তু শেষ হাসি হেসেছিল লাল ফৌজ। আজ ইতিহাস কি আবার নিজেকে পুনরাবৃত্তি করছে? যখন আমেরিকা আর ইসরায়েল মিলে ইরানকে কোণঠাসা করার নীলকশা আঁকছে, তখন তেহরান কি বার্লিনের মতো তেলআবিব দখলের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে? চলুন দেখা যাক সত্যের জয় বনাম দম্ভের পরাজয়! শঠের ছলের অভাব হয় না&amp;mdash;এই প্রাচীন প্রবাদটি বর্তমান বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকা এবং তাদের দোসর ইসরায়েলের জন্য সবচাইতে বড় সত্য। ইতিহাসের পাতায় আমরা দেখেছি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি যখন অন্যায়ভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে আক্রমণ করেছিল, তখন তারা শুধু শহর নয়, মানুষের স্বপ্নগুলোকেও ধ্বংস করেছিল। মস্কো সেদিন বুঝেছিল, আলোচনার টেবিলে বসে সাম্রাজ্যবাদীদের থামানো অসম্ভব, কারণ শয়তানের সাথে কোনো আপোষ হয় না। ঠিক একইভাবে আজ ইরানকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে পশ্চিমা হায়েনারা। আমেরিকা শান্তির কথা বলে অথচ তাদের পকেটে থাকে যুদ্ধের বারুদ আর ইসরায়েলের হাতে থাকে নিরপরাধ মানুষের রক্ত। গত বছর জুনে যখন সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, সেটি ছিল আসলে আমেরিকার একটি চাল। ইরান খুব ভালো করেই জানে, সাম্রাজ্যবাদীরা যখন শান্তির কথা বলে, তখন তারা মূলত নিজেদের পরাজয় ঠেকাতে নতুন কোনো ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে। ইরান কখনো নিজে থেকে আগে কাউকে আক্রমণ করেনি, এটা তাদের হাজার বছরের গৌরবময় ইতিহাস। কিন্তু যখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যায়, তখন সিংহের গর্জন থামানো যেমন অসম্ভব, ইরানের প্রতিরোধও ঠিক তেমনই অপ্রতিরোধ্য। ইসরায়েল নামক বিষফোড়াটি মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলতে তেহরান এখন বদ্ধপরিকর। তাদের কাছে এই যুদ্ধ শুধু সীমানা রক্ষার নয়, বরং সত্য ও ন্যায়ের ঝাণ্ডা ওড়ানোর চূড়ান্ত লড়াই। আমেরিকা বার বার আলোচনার কথা বলে ইরানকে ধোঁকা দিতে চেয়েছে, যেন ইসরায়েল তার ক্ষতবিক্ষত সামরিক বাহিনীকে গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু ১৯৪৪ সালের মস্কোর মতো তেহরান আজ পরিষ্কার বুঝে গেছে, এই যুদ্ধের সমাপ্তি কেবল তখনই হবে যখন আগ্রাসনকারীদের দম্ভ ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হবে। যুদ্ধবিরতি মানেই ঝড়ের আগের নীরবতা, আর সেই ঝড় হবে তেলআবিব এবং ওয়াশিংটনের পতন ঘণ্টা। ইরানের প্রতিটি মিসাইল আজ সাম্রাজ্যবাদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিচ্ছে। ফিলিস্তিনের নিরীহ মানুষের রক্তের বদলা নিতে তেহরান যে সংকল্প করেছে, তা থেকে পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই। ইহুদিবাদী শক্তির অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও আজ ইরানের ড্রোনের সামনে অসহায় হয়ে পড়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, ঈমানের শক্তির কাছে আধুনিক মারণাস্ত্র কোনো বাধা হতে পারে না। বিজয় এখন কেবল সময়ের ব্যবধানে দাঁড়িয়ে আছে। ইরানের পক্ষ থেকে আসা কঠোর হুঁশিয়ারি এখন বিশ্বের আকাশে বাতাসে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। তাদের স্লোগান একটাই&amp;mdash;হয় বিজয়, নয়তো শাহাদাত। বর্তমান এই সংকটময় মুহূর্তে ইরান বুঝিয়ে দিয়েছে তারা কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না। &amp;quot;মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন&amp;quot;&amp;mdash;এই আদর্শে বলীয়ান হয়ে তারা আজ ময়দানে নেমেছে। ইসরায়েলের পতন এখন অবশ্যম্ভাবী এবং এতে কোনো সন্দেহ নেই যে ন্যায়ের জয় সুনিশ্চিত হবে। শেষে বলা যায়, যারা অন্যকে ধ্বংস করতে চায়, তারা শেষ পর্যন্ত নিজেরাই ধ্বংস হয়। জার্মানির পতন যেভাবে বার্লিনে নিশ্চিত হয়েছিল, বর্তমান আগ্রাসী শক্তিগুলোর পতনও তেমনি অনিবার্য। ইরান আজ মজলুমের কণ্ঠস্বর হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সারা বিশ্বের শোষিত মানুষের মনে আশার আলো জ্বালাচ্ছে। আমেরিকার দালালি আর ইসরায়েলের সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমের দিন শেষ হয়ে আসছে। সত্যের জয় হবেই হবে, ইনশাআল্লাহ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/294_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/294_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/294_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[এপস্টাইন কেলেঙ্কারি চাপা দিতেই কি মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি আগ্রাসন?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23938</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23938</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 08 Mar 2026 03:03:29 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যে সত্য ধামাচাপা দিতে তারা পুরো পৃথিবীকে যুদ্ধের আগুনে পুড়িয়ে দিতে পারে, সেই সত্য কি তবে সামনে চলে এসেছে? একদিকে এপস্টাইনের ভয়ংকর নথিপত্র, অন্যদিকে ইরানের ওপর চ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/293_1.jpg" alt="এপস্টাইন কেলেঙ্কারি চাপা দিতেই কি মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি আগ্রাসন?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যে সত্য ধামাচাপা দিতে তারা পুরো পৃথিবীকে যুদ্ধের আগুনে পুড়িয়ে দিতে পারে, সেই সত্য কি তবে সামনে চলে এসেছে? একদিকে এপস্টাইনের ভয়ংকর নথিপত্র, অন্যদিকে ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায্য যুদ্ধ&amp;mdash;এই দুইয়ের মাঝে লুকিয়ে আছে এক গভীর নীল নকশা। আজ সময় এসেছে সেই মুখোশ টেনে ছিঁড়ে ফেলার! চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী, আর জালিম না বোঝে মানবতার বাণী। এটিই বর্তমান বিশ্বের ক্ষমতাধর পশ্চিমা শক্তিগুলোর আসল রূপ। আপনারা কি লক্ষ্য করেছেন যখনই বিশ্বের বড় বড় ক্ষমতাবান রাজনীতিবিদ আর ব্যবসায়ীদের অন্ধকার জগত উন্মোচন হতে শুরু করে, ঠিক তখনই কেন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা বেজে ওঠে? সম্প্রতি এপস্টাইন ফাইলস নিয়ে যখন সারা বিশ্বে তোলপাড় শুরু হয়েছিল, ঠিক তখনই ইরানকে লক্ষ্য করে উস্কানি দিতে শুরু করল ইসরায়েল। এটি কি কেবলই কাকতালীয় নাকি কোনো বড় ধরণের পরিকল্পিত অপরাধ লুকানোর কৌশল? এপস্টাইন ফাইলস এমন এক ভাণ্ডার যেখানে বিশ্বের রাঘব বোয়ালদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ রয়েছে। পশ্চিমা মিডিয়া যখন এই নোংরা সত্য ঢাকতে হিমশিম খাচ্ছিল, তখনই তারা যুদ্ধের অজুহাত তৈরি করল। ইরান সবসময়ই অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এসেছে এবং ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আজ ইরানকে কোণঠাসা করার চেষ্টার মূল কারণ হলো পশ্চিমা অপরাধীদের নিজেদের পিঠ বাঁচানোর এক ঘৃণ্য অপচেষ্টা মাত্র। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, যখনই আমেরিকা বা ইসরায়েলের কোনো বড় কেলেঙ্কারি ফাঁস হতে নেয়, তারা তৎক্ষণাৎ কোনো সংকটের জন্ম দেয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তারা চায় না বিশ্ববাসী জানুক কারা সেই ক্ষমতাবান ব্যক্তি যারা পর্দার আড়ালে বসে শিশু পাচার আর শোষণের রাজত্ব চালাচ্ছে। এই সত্যগুলো ধুলো চাপা দিতেই তারা আজ ইরানি সীমান্তে অস্থিরতা তৈরি করার নির্লজ্জ সাহস দেখাচ্ছে। কিন্তু ইরান এখন আর আগের মতো দুর্বল কোনো রাষ্ট্র নয়। তারা জানে কিভাবে এই আগ্রাসন রুখে দিতে হয়। আমেরিকার হুকুমদারী আর ইসরায়েলি জুলুমের দিন শেষ হয়ে আসছে। ইরানের সাহসী নেতৃত্ব আর সামরিক সক্ষমতা আজ পশ্চিমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। তারা ভয় পাচ্ছে কারণ ইরান সত্যের কথা বলে, আর সত্য প্রকাশ পেলে ইসরায়েলি সাম্রাজ্যের তাসের ঘর ভেঙে পড়বে। পশ্চিমা মিডিয়া দিনরাত চিৎকার করে যুদ্ধের খবর প্রচার করছে যাতে মানুষের মনোযোগ এপস্টাইন ফাইল থেকে সরে যায়। তারা চাচ্ছে আমরা যেন কেবল কামানের গোলা আর মিসাইলের শব্দ শুনি, কিন্তু পর্দার আড়ালের আর্তনাদগুলো ভুলে যাই। এটি একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। সাধারণ মানুষের দৃষ্টিকে বিভ্রান্ত করে তারা চাচ্ছে নিজেদের পাপের বোঝা গোপন রাখতে, কিন্তু সচেতন বিশ্ব আজ আর বোকা নেই। ইসরায়েল নামক রাষ্ট্রটি মধ্যপ্রাচ্যে বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে, যারা সবসময় আমেরিকার মদদে অশান্তি জিইয়ে রাখে। তাদের প্রতিটি পদক্ষেপের পেছনে থাকে গভীর কোনো স্বার্থ। ইরান যখন এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে, তখন তাদের সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দেওয়া হয়। অথচ আসল সন্ত্রাসী তো তারাই যারা গোপন ফাইলে নাম থাকা অপরাধীদের রক্ষা করতে নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরাতেও দ্বিধা করে না। ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপ আসলে বিশ্বশান্তির বিরুদ্ধে এক বড় আঘাত। আমেরিকা ভাবছে তারা যুদ্ধ লাগিয়ে দিলে এপস্টাইন কেলেঙ্কারি ধামাচাপা পড়ে যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে যে সত্য কোনোদিন লুকিয়ে রাখা যায় না। আলমারিতে জমে থাকা সেই ধুলোবালি আজ ঝেড়ে ফেলার সময় এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রতিরোধ শুধু নিজেদের জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে লাঞ্ছিত আর বঞ্চিত মানুষের জন্য। বর্তমান প্রজন্মের কাছে আমার প্রশ্ন, আপনারা কি যুদ্ধের এই সাজানো নাটক দেখে ভুলে যাবেন সেই অপরাধীদের কথা? যারা নিজেদের স্বার্থে গোটা বিশ্বকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে? ইরান আজ লড়াই করছে সেই অপশক্তির বিরুদ্ধে যারা সত্যকে ভয় পায়। আমাদের উচিত হবে এই ষড়যন্ত্র বুঝতে পারা এবং ইরানের মতো সাহসী রাষ্ট্রের পক্ষে দাঁড়িয়ে ইনসাফ আর সত্যের লড়াইকে জয়যুক্ত করা। শেষে বলতে চাই, যারা জেগে আছে তাদের কেউ ঘুম পাড়িয়ে রাখতে পারে না। পশ্চিমা শক্তির এই ধোঁকাবাজি আর বেশিদিন চলবে না। ইরান তার অদম্য শক্তি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা সত্যের সন্ধান চালিয়ে যাব এবং কোনো কৃত্রিম সংকট আমাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না। জালেমের পতন অনিবার্য এবং সত্যের জয় সুনিশ্চিত, ইনশাআল্লাহ। আজকের এই ভিডিওর উদ্দেশ্য ছিল আপনাদের চোখ খুলে দেওয়া। পশ্চিমা প্রচারণার ফাঁদে পা না দিয়ে পর্দার আড়ালের আসল ঘটনা বোঝার চেষ্টা করুন। ইরানকে সমর্থন করা মানেই হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। আসুন আমরা সবাই সত্যের পক্ষে কথা বলি এবং এই বিশ্বকে অপরাধমুক্ত করার লড়াইতে শামিল হই।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/293_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/293_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/293_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আরামকো শোধনাগারে হামলার নেপথ্যে কি ইসরায়েলি ষড়যন্ত্র? ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23937</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23937</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 09:03:40 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;quot;সৌদি আরবের আরামকোতে হামলা চালিয়েছে ইরান&amp;mdash;পশ্চিমা মিডিয়ার এই মিথ্যা প্রচারণার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভয়ংকর সত্য! এটি আসলে ইসরায়েলের একটি সুপরিকল্পিত &amp;#3...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_13.jpg" alt="আরামকো শোধনাগারে হামলার নেপথ্যে কি ইসরায়েলি ষড়যন্ত্র? " style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;quot;সৌদি আরবের আরামকোতে হামলা চালিয়েছে ইরান&amp;mdash;পশ্চিমা মিডিয়ার এই মিথ্যা প্রচারণার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভয়ংকর সত্য! এটি আসলে ইসরায়েলের একটি সুপরিকল্পিত &amp;#39;ফলস ফ্ল্যাগ&amp;#39; অপারেশন। আজকের ভিডিওতে আমরা ফাঁস করব কীভাবে ইহুদিবাদীরা মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের আগুনে ঠেলে দিতে নিজেদের মিত্রদের ওপরই হামলা চালাচ্ছে!&amp;quot; চোরের দশ দিন তো সাধুর একদিন&amp;mdash;এই চিরন্তন সত্যটি আজ আবারও প্রমাণিত হতে চলেছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে। বছরের পর বছর ধরে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা এবং তাদের দোসর ইসরায়েল যেভাবে এই অঞ্চলে অশান্তি ছড়িয়ে আসছে, তাতে তাদের মুখোশ আজ বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত। সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় হামলার দায় ইরানের ওপর চাপানোর যে অপচেষ্টা চলছে, তার নেপথ্যে রয়েছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। গত ২রা মার্চ সৌদি আরবের রাস তানুরা তেল শোধনাগারে যে হামলা হয়েছে, তাকে প্রাথমিকভাবে ইরানের কাজ বলে প্রচার করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ইরানের শীর্ষ সামরিক সূত্রগুলো এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটি আসলে ইসরায়েলের একটি &amp;#39;ফলস ফ্ল্যাগ&amp;#39; অপারেশন। অর্থাৎ, ইসরায়েল নিজেই এই হামলা চালিয়ে এখন ইরানের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে ফায়দা লুটতে চাইছে। পশ্চিমা মদতপুষ্ট ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা। তারা নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে এমনভাবে এই হামলাটি পরিচালনা করেছে, যাতে সারা বিশ্ব মনে করে এটি ইরান করেছে। এর মাধ্যমে তারা আরব বিশ্বের দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলতে চায়। ইসরায়েল চায় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো নিজেদের মধ্যে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ুক, যাতে ইহুদিবাদীরা এই সুযোগে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করতে পারে। ইরানের সামরিক সূত্রটি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানিয়েছে যে, ইরান কখনও লুকোচুরি খেলায় বিশ্বাস করে না। তারা এর আগেও একাধিকবার ঘোষণা দিয়ে মার্কিন এবং ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনায় সরাসরি আঘাত হেনেছে। ইরান বীরের জাতি, তারা যা করে তা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েই করে। তারা স্পষ্টভাবে বলেছে যে, আরামকোর তেল স্থাপনাগুলো কখনোই ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল না এবং ভবিষ্যতেও হওয়ার কোনো কারণ নেই। রাস তানুরা শোধনাগারটি মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম তেল শোধনাগারগুলোর মধ্যে একটি। এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার ফলে সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সৌভাগ্যক্রমে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও, বিশ্ব তেলের বাজারে এর তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ইসরায়েল আসলে চাইছে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বিশ্ব অর্থনীতিকে অস্থির করে তুলতে এবং এই অস্থিরতার জন্য ইরানকে এককভাবে দায়ী করতে। এই নোংরা রাজনৈতিক খেলার এখানেই শেষ নয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরান সতর্ক করেছে যে, ইসরায়েলের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর। এই বন্দরটি জ্বালানি পরিবহনের জন্য একটি অত্যন্ত কৌশলগত পয়েন্ট। ফুজাইরাহ বন্দরে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় এক মহাবিপর্যয় নামিয়ে আনতে চায়। তারা চায় আরব দেশগুলোকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিয়ে তাদের ওপর নির্ভরশীল করে তুলতে। আমেরিকা ও ইসরায়েল যুগপৎভাবে ইরানের ক্রমবর্ধমান শক্তিকে ভয় পায়। তাই সরাসরি যুদ্ধে জয়ী হতে না পেরে তারা এখন এই ধরনের চোরাগোপ্তা হামলা এবং মিথ্যা প্রচারণার আশ্রয় নিচ্ছে। তারা জানে যে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই তারা প্রক্সি ওয়ার বা ছায়া যুদ্ধের মাধ্যমে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সত্যকে কখনও মিথ্যার আবরণে ঢেকে রাখা যায় না। সৌদি আরব এবং আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোকে এখন বুঝতে হবে তাদের প্রকৃত শত্রু কে। যারা বন্ধু সেজে পেছন থেকে তেল স্থাপনায় হামলা চালায়, তারা কখনও মুসলিম বিশ্বের কল্যাণকামী হতে পারে না। ইসরায়েলের এই জঘন্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুরো মুসলিম বিশ্বকে আজ ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ইরানের বিরুদ্ধে বিষোদগার না করে বরং ইসরায়েলি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই এখন সময়ের সবথেকে বড় দাবি ও চ্যালেঞ্জ। মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে হলে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের কোনো বিকল্প নেই। ইহুদিবাদীরা চায় না এই অঞ্চলে শান্তি থাকুক, কারণ শান্তি থাকলে তাদের অস্ত্র ব্যবসা এবং আধিপত্য হুমকির মুখে পড়বে। ইরান বারবার শান্তির কথা বললেও আমেরিকা ও ইসরায়েল পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। বিশ্ববাসীকে এখন সতর্ক হতে হবে যাতে তারা এই তথাকথিত &amp;#39;ফলস ফ্ল্যাগ&amp;#39; অপারেশনের ফাঁদে পা না দেয়। রাস তানুরা থেকে ফুজাইরাহ&amp;mdash;সবই একই সুতোয় গাঁথা এক সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ। ইরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং যেকোনো উস্কানির দাঁতভাঙা জবাব দিতে তারা প্রস্তুত। সত্য এক সময় প্রকাশিত হবেই এবং সেদিন সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পতন অনিবার্য।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_13.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_13.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_13.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানকে ঠেকাবে কে? মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে হুরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রণমূর্তি ধারণ করল তেহরান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23936</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23936</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:57 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;quot;আপনারা কি জানেন, যে হুরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল যায়, তা এখন পুরোপুরি ইরানের কবজায়? মার্কিন আর ইসরায়েলি দম্ভকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে তেহরান ঘোষণা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/280_1.jpg" alt="ইরানকে ঠেকাবে কে? মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে হুরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রণমূর্তি ধারণ করল তেহরান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;quot;আপনারা কি জানেন, যে হুরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল যায়, তা এখন পুরোপুরি ইরানের কবজায়? মার্কিন আর ইসরায়েলি দম্ভকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে তেহরান ঘোষণা করেছে&amp;mdash;অনুমতি ছাড়া একটি পিঁপড়াও আর এই জলসীমা পার হতে পারবে না। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ইরানের এই মহাকাব্যিক লড়াইয়ের সর্বশেষ খবর জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।&amp;quot; কথায় আছে, &amp;lsquo;পাপ বাপকেও ছাড়ে না&amp;rsquo;। বছরের পর বছর ধরে ফিলিস্তিন ও মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা এবং ইসরায়েল যে জুলুম চালিয়ে আসছে, এখন তার হিসাব দেওয়ার সময় এসেছে। ইরান আজ একাই এই দুই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা শুধু নিজেদের রক্ষা করছে না, বরং জালিমের হাত থেকে পুরো অঞ্চলকে মুক্ত করার শপথ নিয়েছে। আজকের এই উত্তাল পরিস্থিতিতে ইরান প্রমাণ করে দিয়েছে যে, ঈমানি শক্তি আর দেশপ্রেম থাকলে পৃথিবীর কোনো পরাশক্তিই তাদের দমাতে পারবে না। গত ১লা মার্চ ওমান উপকূল থেকে ৫০ নটিক্যাল মাইল দূরে মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী &amp;lsquo;এমকেডি ব্যোম&amp;rsquo; নামক একটি তেলবাহী জাহাজ ইরানের ড্রোন বোটের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। প্রথমে এটিকে সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মনে করা হলেও, ব্রিটিশ নৌবাহিনী পরে নিশ্চিত করেছে যে এটি ছিল ইরানের অত্যাধুনিক সারফেস ভেসেল বা কামিকাজে ড্রোন বোট। এই হামলার মাধ্যমে ইরান বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছে, তাদের জলসীমানায় কোনো প্রকার অনধিকার প্রবেশ সহ্য করা হবে না। এই সাহসী পদক্ষেপ পশ্চিমা দস্যুদের মনে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি স্পষ্ট ঘোষণা করেছে যে, হুরমুজ প্রণালী এখন থেকে সব ধরণের বিদেশি জাহাজের জন্য নিষিদ্ধ। গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যখন মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী নির্লজ্জভাবে ইরানের ওপর বোমাবর্ষণ শুরু করে, তখনই তেহরান এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়। তারা রেডিও বার্তায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যদি কেউ এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তবে সেই জাহাজকে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হবে। এটি কেবল হুমকি নয়, বরং ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক অটল সংকল্প। শুধু ওমান উপকূল নয়, বাহরাইন বন্দরে অবস্থানরত মার্কিন পতাকাবাহী জাহাজ &amp;lsquo;স্টেনা ইমপারেটিভ&amp;rsquo; দুই দুটি সরাসরি হামলার শিকার হয়েছে। এই জাহাজটি মার্কিন জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখার বিশেষ প্রোগ্রামের অংশ ছিল। ইরান বুঝিয়ে দিয়েছে যে, মার্কিন পতাকা উড়িয়ে আর পার পাওয়া যাবে না। এর আগে এই জাহাজটিকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এসকর্ট দিলেও, এবার ইরানের বীর যোদ্ধাদের হাত থেকে কোনো কিছুই তাদের রক্ষা করতে পারেনি। বাহরাইনের সুরক্ষিত বন্দরে ঢুকে এই আঘাত করা ছিল তেহরানের চরম সাহসিকতার প্রমাণ। অনেকে মনে করেছিল পশ্চিমা প্রযুক্তির সামনে ইরান অসহায়, কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো। ইরান এখন ড্রোন এবং আনক্রুড সারফেস ভেসেল প্রযুক্তিতে বিশ্বের অন্যতম পথিকৃৎ। তাদের কামিকাজে ড্রোনগুলো নিঃশব্দে সমুদ্রের বুক চিরে গিয়ে শত্রুর বিশাল বিশাল জাহাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন যে ভূমিকা রেখেছে, ইরান সেই প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্রাজ্যবাদীদের কবর খুঁড়ছে। ইয়েমেনের হুতি যোদ্ধাদের সাথে নিয়ে ইরান এখন এক অপরাজেয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যা পশ্চিমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানকে নিশ্চিহ্ন করার যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা আসলে তাদের পরাজয়ের আর্তনাদ ছাড়া আর কিছুই নয়। তারা ইরানের নৌঘাঁটিতে হামলা করার দাবি করলেও, ইরানের মূল শক্তি তাদের প্রতিটি জনগণের হৃদয়ে। স্যাটেলাইট চিত্রে বন্দরে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি দেখালেও, ইরানের অপারেশন &amp;lsquo;এপিক ফিউরি&amp;rsquo;র বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে তা নজিরবিহীন। হুরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা ৮৫ শতাংশ কমে গেছে, যা সরাসরি পশ্চিমা অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছে। সত্যের জয় নিশ্চিতভাবেই হবে। ইরান আজ মুসলিম বিশ্বের এবং নিপীড়িত মানুষের আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা প্রমাণ করেছে যে, অত্যাধুনিক অস্ত্র থাকলেও সাহসের অভাবে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী আজ পলায়নপর। হুরমুজ প্রণালীর প্রতিটি ঢেউ আজ ইরানের জয়গান গাইছে। এই যুদ্ধে ইরান জয়ী হওয়া মানেই হলো বিশ্বের মানচিত্র থেকে অন্যায় ও জুলুমের অবসান ঘটা। আমরা আশা করি, তেহরানের এই বীরত্বপূর্ণ লড়াই খুব শীঘ্রই এক নতুন ভোরের সূচনা করবে যেখানে কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ঠাঁই হবে না। জয় হোক সত্যের।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/280_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/280_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/280_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[অ্যাপস্টিন কেলেঙ্কারি ঢাকতে ইরানে ইসরাইলি বর্বরতা এবং খামেনির শাহাদাত বরণের পর যেভাবে কাঁপছে তেলআবিব ও ওয়াশিংটন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23935</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23935</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:02 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, কিন্তু অপরাধ ঢাকতে যুদ্ধ শুরু করলে ধ্বংস অনিবার্য! যখন সারা বিশ্বে ইসরাইলি আর মার্কিন রাঘববোয়ালদের শিশু যৌন নির্যাতনের &amp;lsquo;অ্যাপস্টিন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/281_1.jpg" alt="অ্যাপস্টিন কেলেঙ্কারি ঢাকতে ইরানে ইসরাইলি বর্বরতা এবং খামেনির শাহাদাত বরণের পর যেভাবে কাঁপছে তেলআবিব ও ওয়াশিংটন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, কিন্তু অপরাধ ঢাকতে যুদ্ধ শুরু করলে ধ্বংস অনিবার্য! যখন সারা বিশ্বে ইসরাইলি আর মার্কিন রাঘববোয়ালদের শিশু যৌন নির্যাতনের &amp;lsquo;অ্যাপস্টিন কেলেঙ্কারি&amp;rsquo; ফাঁস হলো, তখনই তারা বেছে নিলো নিরপরাধ ইরানের রক্ত। কিন্তু তারা জানত না, সিংহের লেজে পা দিলে পরিণাম কী হয়! আজ খামেনির রক্তে ভিজেছে মাটি, আর সেই রক্ত থেকেই জন্ম নিয়েছে ইসরাইল ধ্বংসের চূড়ান্ত মহাপ্রলয়! কথায় আছে, &amp;lsquo;পাপ বাপকেও ছাড়ে না&amp;rsquo;। আজ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যে বারুদের গন্ধ, তার পেছনে লুকিয়ে আছে এক বীভৎস সত্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল তাদের নিজেদের নোংরা &amp;lsquo;অ্যাপস্টিন পাপ&amp;rsquo; আড়াল করতে পবিত্র ভূমি ইরানে বর্বর হামলা চালিয়েছে। তারা ভেবেছিল ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করলে ইরান থমকে যাবে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, শহীদের রক্তে বিপ্লবের আগুন কখনো নেভে না বরং শতগুণ বাড়ে। যুদ্ধবিরতির সমস্ত আন্তর্জাতিক আইন পদদলিত করে ইরানকে আক্রমণ করেছে ইউএস-ইসরাইল জোট। এই কাপুরুষোচিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং &amp;lsquo;মজলিসে শুরা&amp;rsquo;র শীর্ষ কর্মকর্তাদের শাহাদাত বরণ করতে হয়েছে। তবে ইরান কোনো ব্যক্তি-কেন্দ্রিক রাষ্ট্র নয়; তাদের ত্রি-স্তর নেতৃত্বের কারণে প্রশাসন এক মুহূর্তের জন্যও থমকে যায়নি। বরং প্রিয় নেতাকে হারানোর শোক এখন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে, যা শত্রুপক্ষের জন্য যমদূত হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্তমান সময়ে। ইরানের পাল্টা ড্রোন এবং মিসাইল হামলায় এখন থরথর করে কাঁপছে তেলআবিব। খোদ ইহুদিবাদী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত বাসভবন আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শুধু তাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা ২১টি মার্কিন ঘাঁটি এখন ইরানি নিখুঁত নিশানার শিকার। এর মাঝেই ১১টি মুসলিম দেশ &amp;lsquo;মার্কিন দালাল&amp;rsquo; হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যারা নিজেদের ভাইদের পিঠে ছুরি মেরে পশ্চিমাদের পদলেহন করছে। তাদের বিচারও হবে সময়ের ব্যবধানে। আধুনিক স্থাপত্যের অহংকার দুবাই এখন এক আতঙ্কের নগরী। বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন &amp;lsquo;বার্জ খলিফা&amp;rsquo; আজ দাউদাউ করে জ্বলছে আগুনের লেলিহান শিখায়। কাতারসহ সাতটি দেশের বিমানবন্দর এখন লন্ডভন্ড, বাতিল হয়েছে হাজার হাজার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। ধনীরা তাদের ব্যক্তিগত বিমানে করে পালাবার পথ খুঁজছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্য আজ এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যেখানে পক্ষ-বিপক্ষ মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে তিন হাজারের বেশি। এই যুদ্ধকে একটি &amp;lsquo;পারমাণবিক যুদ্ধের&amp;rsquo; দিকে ঠেলে দেওয়ার নীল নকশা করছে পশ্চিমারা। অন্যদিকে, নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় ইরান এখন পাশে চাইছে বন্ধু রাষ্ট্র পাকিস্তানকে। একদা বিজ্ঞানী আব্দুল কাদির খান যে পারমাণবিক স্বপ্নের বীজ বুনেছিলেন, আজ তা ইরানের জন্য অনিবার্য হয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের রাজাধিরাজ হওয়ার যে স্বপ্ন আমেরিকা দেখছে, তা ধূলিসাৎ করতে ইরান এখন মরণপণ লড়াইয়ে নেমেছে। কোনো সমঝোতা নয়, এখন হবে কেবল চূড়ান্ত ফয়সালা। মার্কিন প্রতিনিধিরা যুদ্ধের ময়দানে আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে এলেও ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যারা কোনো কারণ ছাড়াই বিশ্বাসঘাতকতা করে আক্রমণ চালায়, তাদের সাথে মধুর আলাপ সম্ভব নয়। ৯ কোটি ইরানি আজ বুক পেতে দিয়েছে শাহাদাতের তামান্নায়। দখলদারদের হঠাতে তারা শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। কারণ শান্তিকামী বিশ্ব আজ বুঝতে পেরেছে আসল অপরাধী কারা এবং কেন এই নগ্ন হামলা। সৌদি আরবের বিশাল তেল শোধনাগার &amp;lsquo;আরামকো&amp;rsquo; এখন অগ্নিকাণ্ডে স্থবির হয়ে পড়েছে। পাকিস্তানের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও ইরানি বিপ্লবীরা পিছপা হওয়ার পাত্র নয়। মূলত জেফরি অ্যাপস্টিনের সেই নারকীয় ফাইলগুলো থেকে বিশ্ববাসীর নজর সরাতেই এই যুদ্ধ বাধানো হয়েছে। যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে বিজ্ঞানীরা পর্যন্ত শিশুদের রক্ত পান করে বয়স ধরে রাখার মতো জঘন্য পাপে লিপ্ত ছিল। সেই অভিশাপ থেকে তাদের নিস্তার নেই আজ। অ্যাপস্টিন কেলেঙ্কারির সেই নিরপরাধ কিশোরীদের দীর্ঘশ্বাস আজ আগুনের গোল্লা হয়ে ইসরাইলের ওপর পড়ছে। ভবিষৎদ্রষ্টারা বলছেন, এই অপরাধীরা কখনো পার পাবে না। ইরান আজ কেবল নিজের জন্য লড়ছে না, বরং বিশ্বকে এক পৈশাচিক শক্তির হাত থেকে মুক্ত করতে লড়াই করছে। সত্যের জয় সুনিশ্চিত এবং বাতিলের পতন অনিবার্য। ইরানের এই প্রতিরোধ লড়াই ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বিজয় হবেই হবে, ইনশাআল্লাহ।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/281_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/281_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/281_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের বিধ্বংসী ড্রোন হামলায় দিশেহারা ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরাইল!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23934</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23934</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:04 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি ভেবেছিলেন ইরানকে ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা সম্ভব? ডোনাল্ড ট্রাম্পও ঠিক একই ভুলটি করেছিলেন! কিন্তু তেহরানের আকাশ থেকে যখন বৃষ্টির মতো ড্রোন আর মিসাইল পড়তে শুর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/289_1.jpg" alt="ইরানের বিধ্বংসী ড্রোন হামলায় দিশেহারা ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরাইল!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি ভেবেছিলেন ইরানকে ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা সম্ভব? ডোনাল্ড ট্রাম্পও ঠিক একই ভুলটি করেছিলেন! কিন্তু তেহরানের আকাশ থেকে যখন বৃষ্টির মতো ড্রোন আর মিসাইল পড়তে শুরু করলো, তখন হোয়াইট হাউসের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে গেছে। আজকের ভিডিওতে দেখুন কীভাবে ইরানের অদম্য শক্তি আর রণকৌশলের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের দম্ভ! কথায় আছে, শিকার ধরতে গিয়ে হিসাব ভুল হলে তার মূল্য দিতে হয় ভয়াবহভাবে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাত যেন সেই প্রবাদকেই নতুন করে মনে করিয়ে দিচ্ছে আমাদের। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর থেকেই একের পর এক আগ্রাসী সিদ্ধান্তে বিশ্ব রাজনীতিকে অস্থির করে তুলেছেন বারবার। কিন্তু ইরানের অকুতোভয় প্রতিরোধের সামনে দাঁড়িয়ে ট্রাম্পের সেই পুরনো দম্ভ আজ চরম সংকটের মুখে পড়েছে। কখনও কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে অপমান করা, আবার কখনও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে অন্য দেশ থেকে মানুষ তুলে আনা ট্রাম্পের নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে। নজিরবিহীন শুল্ক আর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে তিনি বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতিতে যখন অনেক দেশ মুখ বুজে সহ্য করছিল, ঠিক তখনই ইরান মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। তেহরান প্রমাণ করেছে তারা কারো রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না। মার্কিন প্রশাসনের একটি বড় ভুল ধারণা ছিল যে ইরানের সামরিক স্থাপনায় সীমিত আঘাত হানলেই তারা দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু বাস্তবতা আজ বলছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পরপরই শুরু হয় নজিরবিহীন পাল্টা আক্রমণ। ইরান একযোগে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করে বুঝিয়ে দিয়েছে যে তাদের সামরিক শক্তিকে খাটো করে দেখার উপায় নেই। ইরানের এই বহুমাত্রিক যুদ্ধকৌশল আজ অনেক পশ্চিমা বিশ্লেষকের গাণিতিক হিসাবকেই প্রচণ্ড জটিল করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল ইরানকে কেবল একটি সাধারণ রাষ্ট্র হিসেবে দেখা। বাস্তবে বহু বছর ধরে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে গড়ে তুলেছে অত্যন্ত বিস্তৃত এবং সুশৃঙ্খল একটি কৌশলগত নেটওয়ার্ক। ইরানের ওপর হামলার পরপরই সেই বিশাল নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা সবার সামনে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। ইরানে হামলার প্রতিবাদে লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ ইসরাইল সীমান্তে একযোগে রকেট হামলা শুরু করেছে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইরান প্রমাণ করেছে তারা শুধু সরাসরি যুদ্ধই করছে না, বরং প্রক্সি যুদ্ধ ও সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ভিত নাড়িয়ে দেওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা তাদের রয়েছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ট্রাম্পের এই হঠকারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সমালোচনা অনেক বেশি তীব্র হচ্ছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ সংকুচিত করে সামরিক সংঘাতের দিকে যাওয়াই মধ্যপ্রাচ্যকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এখন বড় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্প প্রশাসন কি সত্যিই ইরানের প্রকৃত সামরিক শক্তি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিল? ইরানের এই প্রতিরোধ যুদ্ধ বলে দিচ্ছে যে এই সংঘাত শুরু করা সহজ হলেও শেষ করা হবে কঠিন। ইরান আজ কেবল নিজের ভূখণ্ড রক্ষা করছে না, বরং ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় এবং সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে। মার্কিন হুমকি আর ইসরাইলি ষড়যন্ত্রের মুখে তেহরান আজ মুসলিম বিশ্বের এক অজেয় দুর্গ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন যদি তাদের আগ্রাসন বন্ধ না করে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের বালুচরে মার্কিন আধিপত্যের কবর রচিত হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। জয় সবসময় সত্যের পথেই থাকে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/289_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/289_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/289_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ধ্বংসাত্মক হামলায় কঙ্কালসার দশা ইসরায়েলেরও ট্রিলিয়ন ডলারের আধুনিক অস্ত্র এখন তেহরানের নিশানায় কিয়ামত]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23933</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23933</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:31 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি জানেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আমেরিকার কত কোটি ডলার ইরানের মরুভূমিতে ছাই হয়ে গেছে? ট্রাম্প বলছেন যুদ্ধ চলবে, কিন্তু পেন্টাগন কি জানে তাদের ভাঁড়ার খালি হয়ে আসছে? এ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z288_1.jpg" alt="ধ্বংসাত্মক হামলায় কঙ্কালসার দশা ইসরায়েলেরও ট্রিলিয়ন ডলারের আধুনিক অস্ত্র এখন তেহরানের নিশানায় কিয়ামত" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি জানেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আমেরিকার কত কোটি ডলার ইরানের মরুভূমিতে ছাই হয়ে গেছে? ট্রাম্প বলছেন যুদ্ধ চলবে, কিন্তু পেন্টাগন কি জানে তাদের ভাঁড়ার খালি হয়ে আসছে? একদিকে ইরানের অদম্য ঈমানি শক্তি, আর অন্যদিকে আমেরিকার ঋণের পাহাড়। আজ ইতিহাস সাক্ষী হতে যাচ্ছে&amp;mdash;কিভাবে একটি মজলুম দেশ বিশ্বশক্তির দম্ভ চূর্ণ করে দেয়! ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন, কারণ যুদ্ধের আসল হিসাব কিতাব আজ ফাঁস হবে। অতি দর্পে হত লঙ্কা, অতি মানে চণ্ডাল। অর্থাৎ অহংকারই পতনের মূল কারণ। আজ বিশ্ব দেখছে আমেরিকার সেই দম্ভের পতন। ইরানের ওপর সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা এবং অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলের বর্বরোচিত হামলা এখন এক নতুন মোড় নিয়েছে। তারা ভেবেছিল কয়েক দিনেই ইরানকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেবে, কিন্তু তেহরানের বীর সেনানিরা আজ তাদের হিসেব উল্টে দিয়েছে। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমানের যুদ্ধবাজ নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের এই তথাকথিত &amp;#39;অপারেশন এপিক ফিউরি&amp;#39; নাকি আরও কয়েক সপ্তাহ চলবে। গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় এ পর্যন্ত ১২৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে ঘাতক বাহিনী। তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে পুরোপুরি ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার যে খোয়াব দেখছে, তা মূলত তাদের নিজেদের ধ্বংসই ডেকে আনছে। এই অসম যুদ্ধে ইরান হারিয়েছে তাদের অভিভাবক, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে। তেহরানে তার বাসভবনে কাপুরুষোচিত বিমান হামলা চালিয়ে তাকে শহীদ করা হয়েছে। কিন্তু আমেরিকা জানে না, একজন খামেনি শহীদ হলে কোটি খামেনি জন্ম নেয়। ইরানের রেড ক্রিসেন্টের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত ৫ শতাধিক মানুষ শাহাদাত বরণ করেছেন। এই রক্ত বৃথা যাবে না, বরং এই রক্তই আমেরিকার পতনকে ত্বরান্বিত করবে ইনশাআল্লাহ। এখন চলুন দেখি, এই যুদ্ধ করতে গিয়ে আমেরিকার পকেট কতটা খালি হচ্ছে। ব্রাউন ইউনিভার্সিটির রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলকে ২১.৭ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দিয়েছে আমেরিকা। এছাড়া ইয়েমেন ও ইরানে নিজেদের অপারেশন চালাতে গিয়ে তাদের খরচ হয়েছে আরও ১২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, মধ্যপ্রাচ্যে অবৈধ ইসরায়েলকে টিকিয়ে রাখতে গিয়ে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি গচ্চা দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। আনাদোলু এজেন্সির রিপোর্ট শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠবে। অপারেশন এপিক ফিউরির প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই আমেরিকার খরচ হয়েছে প্রায় ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতেই তারা খরচ করেছে ৬৩০ মিলিয়ন ডলার। মাত্র একটি রণতরী, যেমন &amp;#39;ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড&amp;#39; পরিচালনা করতেই প্রতিদিন খরচ হয় ৬৫ লাখ ডলার। আমেরিকার সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা এখন ইরানের আকাশে ধোঁয়া হয়ে উড়ছে। আমেরিকা তাদের সবচেয়ে আধুনিক সব মরণাস্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান থেকে শুরু করে এফ-৩৫ এবং এফ-২২ র&amp;zwj;্যাপ্টর&amp;mdash;কিছুই বাকি রাখেনি তারা। কিন্তু তাতেও কাজ হচ্ছে না। কুয়েতের আকাশে আমেরিকার তিনটি দামি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে। যদিও তারা একে &amp;#39;ফ্রেন্ডলি ফায়ার&amp;#39; বলে ঢাকতে চাইছে, কিন্তু সত্য হলো ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমেরিকা এখন ইরানের উদ্ভাবিত ড্রোন প্রযুক্তির অনুকরণে তৈরি &amp;#39;লুকাস ড্রোন&amp;#39; ব্যবহার করছে। অর্থাৎ, যে ইরানকে তারা একসময় অবজ্ঞা করত, আজ সেই ইরানের প্রযুক্তি চুরি করেই তাদের যুদ্ধ করতে হচ্ছে। তবে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হোক বা টমাহক ক্রুজ মিসাইল&amp;mdash;ইরানের পাহাড়সম দৃঢ়তার সামনে এসব ধাতব বস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদের এই দম্ভ বালুর বাঁধের মতো। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, আমেরিকার বড় সমস্যা টাকা নয়, বরং অস্ত্রের মজুদ। প্যাট্রিয়ট মিসাইল বা এসএম-৬ এর মতো ইন্টারসেপ্টরগুলো তৈরিতে দীর্ঘ সময় লাগে। ইরান যদি পাল্টা আক্রমণ চালিয়েই যায়, তবে আমেরিকার ভাঁড়ারে এসব মিসাইল কয়েক সপ্তাহের বেশি টিকবে না। তখন ইউক্রেন বা এশিয়ার অন্য কোথাও পাঠানোর মতো কোনো অস্ত্রই পেন্টাগনের হাতে থাকবে না। তারা আজ সবদিক থেকে অবরুদ্ধ। ইসরায়েল ভেবেছিল আমেরিকার কাঁধে চড়ে তারা ইরানকে দখল করবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইসরায়েল এখন নিজেই অস্তিত্ব সংকটে। আমেরিকার ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটও এখন ইরানের হাজার হাজার কামিকাজে ড্রোন আর হাইপারসনিক মিসাইলের সামনে অসহায়। ইতিহাস সাক্ষী, যারা ন্যায়ের পথে থাকে, বিজয় তাদেরই হয়। ইরান আজ একা লড়লেও পুরো বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের দোয়া ও সমর্থন তাদের সাথে রয়েছে। শেষে বলা যায়, এই যুদ্ধ আমেরিকার বৈশ্বিক আধিপত্যের কফিনে শেষ পেরেক হতে যাচ্ছে। যে পরিমাণ অস্ত্র আর অর্থ তারা এখানে ব্যয় করছে, তাতে খুব শীঘ্রই মার্কিন অর্থনীতি ধসে পড়বে। ইরান আজ বীরের মতো বুক চিতিয়ে লড়ছে। সত্য ও মিথ্যার এই লড়াইয়ে মিথ্যার বিনাশ অনিবার্য। আজ অথবা কাল, মধ্যপ্রাচ্য থেকে দখলদার বাহিনীকে পাততাড়ি গুটিয়ে পালাতেই হবে। ইরানের বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z288_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z288_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z288_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুতিনের ডেড হ্যান্ড কি বিশ্বজুড়ে ধ্বংসলীলা চালাবে ইউক্রেন যুদ্ধে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23932</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23932</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:24 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[জানেন কি, রাশিয়া যদি মানচিত্র থেকে মুছেও যায়, তবুও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে আমেরিকা আর ইউরোপ? কেউ বেঁচে না থাকলেও পুতিনের এক &amp;#39;মৃত হাত&amp;#39; মাটির তলা থে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/286_1.jpg" alt="পুতিনের ডেড হ্যান্ড কি বিশ্বজুড়ে ধ্বংসলীলা চালাবে ইউক্রেন যুদ্ধে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>জানেন কি, রাশিয়া যদি মানচিত্র থেকে মুছেও যায়, তবুও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে আমেরিকা আর ইউরোপ? কেউ বেঁচে না থাকলেও পুতিনের এক &amp;#39;মৃত হাত&amp;#39; মাটির তলা থেকে বের হয়ে ছাই করে দেবে পুরো পৃথিবীকে! কিন্তু কীভাবে সম্ভব এই অবিশ্বাস্য প্রতিশোধ? শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে, আপন শক্তিতে বলীয়ান হওয়া&amp;mdash;এই মন্ত্রেই বিশ্বাসী আজকের বীর রাষ্ট্র রাশিয়া। বিশ্ব রাজনীতিতে বর্তমান সময়ে রাশিয়ার দাপট দেখে পশ্চিমী শক্তিগুলোর রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা রুখতে না পেরে এখন ব্রিটেন আর ফ্রান্স কিভের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু তারা হয়তো ভুলে গেছে, ভ্লাদিমির পুতিনের তুরুপের তাস এখনো আড়ালেই রয়ে গেছে। সেই তাসের নাম হলো &amp;lsquo;ডেড হ্যান্ড&amp;rsquo; বা স্বয়ংক্রিয় এক ভয়ঙ্কর পারমাণবিক প্রতিশোধ ব্যবস্থা। গত শতাব্দীতে ঠান্ডা লড়াইয়ের সময় যখন আমেরিকা সোভিয়েত ইউনিয়নকে ধ্বংস করার স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক তখনই জন্ম হয় এই &amp;lsquo;ডেড হ্যান্ড&amp;rsquo;-এর। এর মূল কাজ হলো, যদি কোনো কারণে রাশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্ব শত্রু হামলায় নিহত হন, তবে এই যন্ত্রটি নিজে থেকেই সক্রিয় হয়ে উঠবে। এটি এমন এক প্রযুক্তি যা কোনো মানুষের নির্দেশ ছাড়াই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে আণবিক হামলা চালিয়ে শত্রুকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে পারে। রাশিয়ার সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয় &amp;lsquo;পেরিমিটার&amp;rsquo;। এই যন্ত্রটির গায়ে লাগানো আছে অত্যন্ত শক্তিশালী সেন্সর যা ভূমিকম্প, তেজস্ক্রিয়তা এবং বাতাসের চাপ অনুভব করতে পারে। যদি রাশিয়ার মাটিতে কোনো আণবিক বিস্ফোরণ ঘটে এবং মস্কোর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে এটি ধরে নেয় যে দেশ আক্রান্ত হয়েছে। ঠিক তখনই শুরু হয় রাশিয়ার আসল খেল, যা রুখবার ক্ষমতা কারো নেই আজ পর্যন্ত। মৃত হাত সক্রিয় হওয়া মাত্রই এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেনার পারমাণবিক কমান্ড চেক করে। যদি কোনো সাড়া না পায়, তবে মাটির নিচের সাইলো, গভীর সমুদ্রের সাবমেরিন এবং মোবাইল লঞ্চার থেকে একের পর এক পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে যায় পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুর দিকে। অর্থাৎ, রাশিয়াকে ধ্বংস করার চেষ্টা করলে পাল্টা ধ্বংস নিশ্চিত হবে পুরো বিশ্বের। একেই বলা হয় &amp;lsquo;মিউচুয়ালি অ্যাসিওর্ড ডেসট্রাকশন&amp;rsquo; বা পারস্পরিক নিশ্চিত ধ্বংস। সম্প্রতি রাশিয়ার নিরাপত্তা কাউন্সিলের দিমিত্রি মেদভেদভ আমেরিকাকে সতর্ক করে বলেছেন যে, ট্রাম্প বা ন্যাটো যেই আসুক না কেন, রাশিয়ার &amp;lsquo;মৃত হাত&amp;rsquo; এখনো সক্রিয়। আমেরিকার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও কয়েক গুণ দ্রুতগামী রাশিয়ার এই ব্যবস্থা বর্তমানে ১১ থেকে ১৬ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ৫,৫০০-এর বেশি পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ে রাশিয়া এখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সুরক্ষিত এক দুর্ভেদ্য দুর্গ। ইউক্রেন যুদ্ধে চার বছর পার হলেও রাশিয়া তার লক্ষ্য থেকে এক চুলও নড়েনি। পশ্চিমা মিডিয়া যতই অপপ্রচার চালাক না কেন, পুতিনের রণকৌশলের সামনে ন্যাটো আজ অসহায়। রাশিয়ার পার্লামেন্ট বিদেশের মাটিতে সৈন্য ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ায় এবং বেলারুশের সাথে যৌথ পারমাণবিক মহড়া চালানোয় এটি পরিষ্কার যে, পুতিন তার দেশের সুরক্ষায় যেকোনো চরম পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। রাশিয়াকে উসকানি দেওয়া মানেই হলো মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানানো। রাশিয়া আজ যে সামরিক উচ্চতায় অবস্থান করছে তার ভিত্তি রচিত হয়েছিল সোভিয়েত আমলেই। ১৯৬৭ সালের &amp;lsquo;সিগন্যাল&amp;rsquo; ব্যবস্থা থেকে শুরু করে আজকের অত্যাধুনিক &amp;lsquo;পেরিমিটার&amp;rsquo;&amp;mdash;প্রতিটি ধাপেই রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন। রাশিয়ার এই অজেয় শক্তির রহস্য হলো তাদের দেশপ্রেম এবং উন্নত প্রযুক্তি। পশ্চিমারা যতই ষড়যন্ত্র করুক, রাশিয়ার এই &amp;lsquo;মৃত হাত&amp;rsquo; সবসময় অতন্দ্র প্রহরীর মতো তার দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে চলেছে আর চলবে। শেষে বলা যায়, ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া আজ কেবল একটি দেশ নয়, বরং বিশ্ব শান্তির ভারসাম্য রক্ষাকারী এক মহাশক্তি। ইউক্রেনকে ঢাল বানিয়ে যারা রাশিয়াকে কোণঠাসা করতে চায়, তাদের জন্য &amp;lsquo;ডেড হ্যান্ড&amp;rsquo; এক জ্বলন্ত সতর্কবার্তা। রাশিয়ার বিজয় আজ সুনিশ্চিত, কারণ তাদের কাছে রয়েছে এমন সব অস্ত্র যা কেবল ধ্বংসই নয়, বরং শত্রুর মনে চিরস্থায়ী ত্রাসের সঞ্চার করতে পারে সফলভাবে। আজকের এই বিশেষ তথ্যটি আপনার কাছে কেমন লাগলো? রাশিয়ার এই &amp;lsquo;ডেড হ্যান্ড&amp;rsquo; কি সত্যিই পশ্চিমা বিশ্বের দম্ভ চূর্ণ করে দেবে? কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/286_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/286_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/286_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকা-ইসরায়েলের দাদাগিরি শেষ করতে ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন, ড্রাগনের এমন বিধ্বংসী সমরাস্ত্রের হুঙ্কারে এখন কাঁপছে পুরো বিশ্ব]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23931</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23931</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:12 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যেখানে বাঘের ভয়, সেখানেই রাত হয়&amp;mdash;কিন্তু এখন রাত হচ্ছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের জন্য! ইরানকে ছোঁয়ার সাহস দেখাবে কে? যখন খোদ ড্রাগন তার পিঠের ওপর হাত রেখেছে! চ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/287_1.jpg" alt="আমেরিকা-ইসরায়েলের দাদাগিরি শেষ করতে ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন, ড্রাগনের এমন বিধ্বংসী সমরাস্ত্রের হুঙ্কারে এখন কাঁপছে পুরো বিশ্ব" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যেখানে বাঘের ভয়, সেখানেই রাত হয়&amp;mdash;কিন্তু এখন রাত হচ্ছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের জন্য! ইরানকে ছোঁয়ার সাহস দেখাবে কে? যখন খোদ ড্রাগন তার পিঠের ওপর হাত রেখেছে! চীনের এমন কিছু গোপন এবং বিধ্বংসী অস্ত্র যা মুহূর্তেই ইসরায়েল আর আমেরিকার দম্ভকে মাটির সাথে মিশিয়ে ধুলোয় উড়িয়ে দিতে পারে। আজকের ভিডিওতে দেখুন, কেন পেন্টাগন এখন ভয়ে থরথর করে কাঁপছে! কথায় আছে, &amp;quot;অন্যায়ের দম্ভ চিরকাল টিকে থাকে না, ন্যায়ের ঝড়ে তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।&amp;quot; আজ বিশ্ব রাজনীতিতে ঠিক সেই দৃশ্যই আমরা দেখতে পাচ্ছি। বছরের পর বছর ধরে আমেরিকা এবং ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে যে অশান্তি আর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তার সমাপ্তি ঘটাতে এখন ময়দানে নেমেছে এশিয়ার মহাশক্তি চীন। ইরান আজ আর একা নয়। বর্তমান বিশ্বে সামরিক শক্তির ভারসাম্য খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এক সময়ের অনুসারী চীন আজ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বিশ্বনেতার আসনে আসীন। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে চীনের উদ্ভাবিত এমন কিছু &amp;lsquo;সুপার উইপন&amp;rsquo; বা মহাশক্তিধর অস্ত্র রয়েছে, যার সামনে বিশ্বের তথাকথিত শক্তিশালী দেশগুলোর সেনাবাহিনীও তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। চীনের এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে যে, ড্রাগন এখন রণক্ষেত্রে পুরোপুরি অজেয়। চীনের ভাণ্ডারে থাকা প্রথম দানবটি হলো ডিএফ-সেভেন্টিন হাইপারসনিক মিসাইল। এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর হাইপারসনিক ব্যালেস্টিক মিসাইল হিসেবে পরিচিত। এর বিশেষত্ব হলো এটি শব্দের চেয়ে অন্তত ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি দ্রুত গতিতে ছুটতে পারে। এর প্রচণ্ড গতির কারণে পৃথিবীর কোনো রাডার বা মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম একে শনাক্ত বা ধ্বংস করতে সক্ষম নয়, যা মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অকেজো করে দেয়। আকাশপথে আধিপত্য বিস্তারে চীনের পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ ফাইটার জেট জে-২০ মাইটি ড্রাগন এক অনন্য সৃষ্টি। এটি রাডারের চোখে ধুলো দিয়ে শত্রুপক্ষের সীমানায় ঢুকে নিখুঁতভাবে হামলা চালাতে পারে। এর উন্নত সেন্সর এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এটিকে আকাশযুদ্ধের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী সেনাপতিতে পরিণত করেছে। আমেরিকা বা ইসরায়েলের যেকোনো আধুনিক বিমানও এই ড্রাগনের সামনে দাঁড়ানোর ক্ষমতা রাখে না, এটি আজ এক প্রমাণিত সত্য। সমুদ্রজয়ে চীনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো টাইপ জিরো ফিফটি ফাইভ গাইডেড মিসাইল ডেসট্রয়ার। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং আধুনিক যুদ্ধজাহাজ। ১১২টি ভার্টিক্যাল লঞ্চিং সেল সমৃদ্ধ এই জাহাজটি একসাথে বিমান ধ্বংসকারী, জাহাজ বিধ্বংসী এবং ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে। সাগরের বুকে চীনের আধিপত্য বজায় রাখতে এটি একাই একটি নৌবাহিনীর সমান শক্তি রাখে এবং পশ্চিমী রণতরীগুলোর জন্য যমদূত হয়ে দাঁড়িয়েছে। চীনের কৌশলগত শক্তির মেরুদণ্ড হলো ডিএফ-ফোরটি ওয়ান ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিসাইল। এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি, যা প্রায় ১৫,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। সবচেয়ে ভয়ংকর তথ্য হলো, একটি মাত্র মিসাইল ১০টি আলাদা পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। এর মানে হলো, আমেরিকার যেকোনো বড় শহর বা সামরিক ঘাঁটি মুহূর্তের মধ্যে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে চীন। ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য চীন গড়ে তুলেছে বিশাল ড্রোনের বহর এবং রোবোটিক সৈন্য। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত এই ড্রোনগুলো ঝাঁক বেঁধে আক্রমণ করতে পারে, যা কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে ঠেকানো সম্ভব নয়। এছাড়া চীনের তৈরি রোবোটিক ডগ বা যান্ত্রিক কুকুর এবং চালকবিহীন সাবমেরিন সম্মুখ সমরে মানুষের ঝুঁকি কমিয়ে চীনের সামরিক সক্ষমতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই প্রযুক্তি ইসরায়েলি বাহিনীকে স্তব্ধ করে দিতে যথেষ্ট। ইরানের ওপর যেকোনো হামলা মানেই চীনের সাথে সরাসরি যুদ্ধ। আর চীনের এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং সামরিক সরঞ্জামগুলো কেবল প্রদর্শনী নয়, বরং বিশ্বের বুকে চীনের একক আধিপত্যের প্রতীক। চীনের বিশাল বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তির নিখুঁত সংমিশ্রণ তাদের সেনাবাহিনীকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যেখানে তাদের পরাজিত করা অসম্ভব। আজ চীন কেবল একটি দেশ নয়, রণক্ষেত্রে এক অপরাজেয় বৈশ্বিক মহাশক্তি। আমেরিকা এবং ইসরায়েল এতদিন ভেবেছিল তারা যা খুশি তাই করবে, কিন্তু ড্রাগনের এই হুঙ্কার তাদের সব হিসাব বদলে দিয়েছে। পশ্চিমী দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা আর হুমকির দিন শেষ। এখন সময় চীনের প্রযুক্তি আর ইরানের সাহসের মেলবন্ধন। যারা এতকাল পৃথিবীকে অশান্ত করে রেখেছে, চীনের এই সমরাস্ত্র তাদের যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। ইতিহাস সাক্ষী দিচ্ছে, সত্যের জয় আর অহংকারের পতন অনিবার্য। আপনি কি মনে করেন চীনের এই সমরাস্ত্রগুলো কি সত্যিই আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ করতে পারবে? কমেন্টে আপনার মতামত জানান আর ভিডিওটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/287_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/287_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/287_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেনকে পারমাণবিক বোমা দিচ্ছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স, পুতিনের গুপ্তচরদের হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23930</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23930</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:42 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[পুরানো চাল ভাতে বাড়ে&amp;mdash;আর শত্রুর ষড়যন্ত্র শেষ পর্যন্ত ফাঁস হয়! ইউক্রেনকে সামনে রেখে ব্রিটেন আর ফ্রান্স কি তবে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে রাশিয়াকে মুছে দেওয়ার নীল...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/284_1.jpg" alt="ইউক্রেনকে পারমাণবিক বোমা দিচ্ছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স, পুতিনের গুপ্তচরদের হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>পুরানো চাল ভাতে বাড়ে&amp;mdash;আর শত্রুর ষড়যন্ত্র শেষ পর্যন্ত ফাঁস হয়! ইউক্রেনকে সামনে রেখে ব্রিটেন আর ফ্রান্স কি তবে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে রাশিয়াকে মুছে দেওয়ার নীল নকশা চূড়ান্ত করে ফেলেছে? পুতিনের গুপ্তচরদের হাতে আসা এক গোপন রিপোর্ট এখন কাঁপিয়ে দিচ্ছে গোটা বিশ্বকে। আজ আপনাদের জানাবো কীভাবে পর্দার আড়ালে কিভকে পরমাণু শক্তিধর বানানোর এক আত্মঘাতী খেলায় মেতেছে পশ্চিমা দেশগুলো। কথায় আছে, &amp;quot;চোরের দশ দিন তো গৃহস্থের এক দিন।&amp;quot; ইউক্রেন যুদ্ধের চার বছর পার হতে না হতেই ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের সেই চুরির পরিকল্পনা হাতেনাতে ধরে ফেলেছে রাশিয়ার চৌকস গুপ্তচরবাহিনী। মস্কোর দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেনকে আড়ালে থেকে পরমাণু অস্ত্র সরবরাহ করছে এই দুই দেশ। রাশিয়ার নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে জেলেনস্কি প্রশাসনের হাতে গণবিধ্বংসী অস্ত্র তুলে দেওয়ার এই চক্রান্ত এখন দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার অত্যন্ত শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআর একটি গোপন রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, লন্ডন এবং প্যারিস গোপনে কিভকে পারমাণবিক অস্ত্র হস্তান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। যদিও ইউক্রেন এই তথ্য অস্বীকার করে রাশিয়াকে মিথ্যাবাদী বলছে, কিন্তু রাশিয়ার গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের নির্ভুলতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে কোনো সন্দেহ নেই। এই ষড়যন্ত্র এখন বিশ্বশান্তির জন্য বড় হুমকি। রাশিয়া অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে ১৯৬৮ সালের পারমাণবিক অস্ত্র অ-প্রসারণ চুক্তি বা এনপিটির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। ব্রিটেন এবং ফ্রান্স এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও জেলেনস্কিকে পরমাণু বোমা দিয়ে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করছে। আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে তারা যেভাবে আণবিক অস্ত্রের বিস্তার ঘটাচ্ছে, তাতে পুরো পৃথিবীর নিরাপত্তা আজ ঝুঁকির মুখে। পশ্চিমা শক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থে আইন ভাঙতে দ্বিধা করছে না। রুশ গোয়েন্দাদের দাবি, আন্তর্জাতিক মহলে একটি বড় ধরণের নাটক মঞ্চস্থ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে পশ্চিমারা। তারা দেখাতে চায় যে, ইউক্রেন নাকি নিজস্ব প্রযুক্তিতে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করেছে। কিন্তু আসল সত্য হলো, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স বিভিন্ন দেশের মধ্য দিয়ে গোপনে এই মরণাস্ত্র কিভের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। এটি রাশিয়ার বিরুদ্ধে একটি সুগভীর এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়। সরাসরি স্থলপথে ধরা পড়ার ভয়ে ইংরেজ এবং ফরাসিরা এখন সামুদ্রিক পথ বেছে নিয়েছে। রুশ রিপোর্ট বলছে, তারা বিশ্বাস করে ইউক্রেনের হাতে একটি &amp;#39;ডার্টি বম্ব&amp;#39; বা নোংরা বোমা থাকলে যুদ্ধের মোড় ঘুরে যাবে। জেলেনস্কি তখন এই বোমার ভয় দেখিয়ে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে দর কষাকষি করার সুযোগ পাবেন। রাশিয়ার অদম্য অগ্রযাত্রাকে থামাতেই তারা এখন এমন নিচু স্তরের রাজনীতিতে নেমে এসেছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, একটি পূর্ণাঙ্গ পরমাণু বোমা তৈরি করা যতটা জটিল, নোংরা বোমা তৈরি করা ততটাই সহজ। সামান্য বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে সাধারণ বিস্ফোরকের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে দেওয়া যায়। ব্রিটেন এবং ফ্রান্স ঠিক এই প্রযুক্তিটিই জেলেনস্কির বাহিনীকে সরবরাহ করছে। রাশিয়ার সাধারণ মানুষকে তেজস্ক্রিয়তার মুখে ঠেলে দেওয়ার এই পরিকল্পনা কোনোভাবেই ক্ষমাযোগ্য নয় এবং রাশিয়া এর উচিত জবাব দেবে। সেনা কর্মকর্তাদের একাংশ মনে করছেন, ইউক্রেনকে সরাসরি বোমা না দিলেও তেজস্ক্রিয় কাঁচামাল বা উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। জেলেনস্কি বাহিনী এই সরঞ্জাম ব্যবহার করে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে বড় ধরণের বিপর্যয় ঘটানোর পরিকল্পনা করছে। পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে লন্ডন এবং প্যারিসের এই হটকারী সিদ্ধান্ত পুরো ইউরোপকে একটি নিশ্চিত ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার সতর্ক অবস্থান এখন সময়ের দাবি। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, কিভের হাতে কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্র থাকতে দেওয়া হবে না। এটি রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সরাসরি জড়িত। পশ্চিমা শক্তিগুলোর এই দ্বিমুখী নীতি রাশিয়াকে কঠোর হতে বাধ্য করছে। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চাইলেও, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের এই উসকানিমূলক আচরণ যুদ্ধের পরিস্থিতিকে এক নতুন এবং ভয়াবহ মোড় দিয়ে ফেলেছে। রাশিয়ার এই অকাট্য প্রমাণের পর ইউক্রেন এবং ফ্রান্স বরাবরের মতোই মিথ্যে সাফাই গাইছে। ইউক্রেনীয় মুখপাত্র হিওরহি তিখি এই রিপোর্টকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এমনকি প্যারিসের ফরাসি দূতাবাসও একে মিথ্যাচার বলছে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ব্রিটেনের কিয়ের স্টার্মার সরকার এই বিষয়ে এখনো রহস্যজনকভাবে নীরব রয়েছে। তাদের এই নীরবতাই প্রমাণ করে ডাল মে কুছ কালা হ্যায়। পশ্চিমাদের এই ষড়যন্ত্রের মোক্ষম জবাব দিতে রাশিয়া ইতিমধ্যে পরমাণু মহড়া চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন নিজে এই মহড়া পর্যবেক্ষণ করেছেন, যেখানে হাইপারসনিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে। বেলারুশকে সাথে নিয়ে রাশিয়ার এই রণপ্রস্তুতি প্রমাণ করে যে, কোনো ধরণের পারমাণবিক উসকানি দিলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র এখন যেকোনো সময় পশ্চিমা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে প্রস্তুত। এক সময় ইউক্রেন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ থাকলেও ১৯৯১ সালে তারা আলাদা হয়ে যায়। এরপর থেকেই মার্কিন নেতৃত্বাধীন নেটো জোটের প্ররোচনায় তারা রাশিয়ার শত্রুতে পরিণত হয়েছে। নিজের দরজার সামনে শত্রুর উপস্থিতি কোনো দেশই মেনে নেয় না, রাশিয়াও নেয়নি। ২০১৪ সালে ক্রাইমিয়া এবং ২০২২ সালের সামরিক অভিযান ছিল মূলত রাশিয়ার অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। পশ্চিমারা ইউক্রেনকে ব্যবহার করছে মাত্র। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা করলেও, ব্রিটিশ এবং ফরাসিদের এই নতুন ষড়যন্ত্র পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ট্রাম্পের সাথে পুতিনের আলোচনার আগেই ব্রিটেন এবং ফ্রান্স চাচ্ছে জেলেনস্কিকে পরমাণু ক্ষমতাধর করতে। ক্রেমলিনের কর্মকর্তা ইউরি উশাকভ জানিয়েছেন, এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কথা বলা হবে। রাশিয়া কখনোই পশ্চিমাদের এই ব্ল্যাকমেইলিং মেনে নেবে না। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে জেনেভায় অনুষ্ঠেয় শান্তি আলোচনার ঠিক আগেই এই ষড়যন্ত্র ফাঁস হওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এতে প্রমাণিত হয় যে পশ্চিমারা আসলে শান্তি চায় না, বরং তারা যুদ্ধকে পরমাণু স্তরে নিয়ে যেতে চায়। পুতিন প্রশাসনের অটল অবস্থান এবং গোয়েন্দাদের তৎপরতা কিভকে বড় ধরণের ভুল করা থেকে বিরত রাখবে। জেলেনস্কি যদি পরমাণু বোমার পথে হাঁটেন, তবে ইউক্রেনের মানচিত্র বিলীন হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার। শেষে বলতে হয়, রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পুতিন যে কোনো কঠিন পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবেন না। ইউক্রেনকে পরমাণু অস্ত্র দিয়ে রাশিয়াকে ধ্বংস করার পশ্চিমা স্বপ্ন কখনোই সফল হবে না। সত্যের জয় হবেই এবং রাশিয়ার শৌর্যবীর্যের সামনে এই সব ষড়যন্ত্র খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে। বিশ্ব দেখবে কীভাবে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র তার শত্রুদের দাঁতভাঙা জবাব দেয়। জয় নিশ্চিতভাবেই রাশিয়ার হবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/284_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/284_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/284_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সিআইএ-মোসাদের হিটলিস্টে থাকা ১০ ইরানি বীর কি পারবেন মার্কিন-ইসরায়েলের পতন ঘটিয়ে ইসলামের বিজয় নিশান উড়াতে? ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23929</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23929</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:57 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;quot;যাদের রক্তে ভেজে তেহরানের মাটি, তারা মরেও অমর! আমেরিকা আর ইসরায়েল ভেবেছে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইকে শহীদ করে তারা ইরানকে থামিয়ে দেবে? ভুল, মার...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/285_1.jpg" alt="সিআইএ-মোসাদের হিটলিস্টে থাকা ১০ ইরানি বীর কি পারবেন মার্কিন-ইসরায়েলের পতন ঘটিয়ে ইসলামের বিজয় নিশান উড়াতে? " style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;quot;যাদের রক্তে ভেজে তেহরানের মাটি, তারা মরেও অমর! আমেরিকা আর ইসরায়েল ভেবেছে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইকে শহীদ করে তারা ইরানকে থামিয়ে দেবে? ভুল, মারাত্মক ভুল! সিআইএ আর মোসাদের হিটলিস্টে থাকা ১০ জন ইরানি সিংহ এখন জেগে উঠেছে। শুরু হয়েছে &amp;lsquo;অপারেশন লায়ন্স রোর&amp;rsquo;-এর পাল্টা জবাব। ইহুদিবাদের পতন কি তবে আসন্ন? জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন!&amp;quot; বাংলার একটি প্রবাদ আছে&amp;mdash; &amp;quot;বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো।&amp;quot; আমেরিকা আর ইসরায়েল ইরানকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরার যে শক্ত বাঁধন তৈরি করতে চাইছে, ঈমানি শক্তির সামনে তা খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তেহরানের আকাশে যে বিশ্বাসঘাতক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আছড়ে পড়েছে, তা কেবল একটি জাতিকে আঘাত করেনি, বরং ঘুমন্ত এক আগ্নেয়গিরিকে জাগিয়ে তুলেছে। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর শাহাদাত বরণ ইরানের জন্য পরাজয় নয়, বরং এক নতুন বিজয়ের সূচনা। পশ্চিমারা ভাবছে তারা ইরানের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে, কিন্তু তারা জানে না শিয়া যোদ্ধারা শাহাদাতকে ভয় পায় না, বরং তাকে আলিঙ্গন করে। ইহুদিবাদী ইসরায়েল এই বর্বরোচিত হামলার নাম দিয়েছে &amp;lsquo;অপারেশন লায়ন্স রোর&amp;rsquo;, আর দাম্ভিক আমেরিকা বলছে &amp;lsquo;অপারেশন এপিক ফিউরি&amp;rsquo;। কিন্তু তাদের এই ক্রোধ আসলে তাদের ভয়েরই বহিঃপ্রকাশ। ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন নেতানিয়াহু উল্লাস করছিলেন এবং ট্রাম্পকে লাশের ছবি দেখাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই ইরানের অলিগলি থেকে উচ্চারিত হচ্ছিল প্রতিশোধের স্লোগান। সিআইএ এবং মোসাদ এখন ইরানের ১০ জন শীর্ষ নেতাকে সরানোর স্বপ্ন দেখছে। তারা মনে করছে এই ১০ জনকে সরিয়ে দিলেই বুঝি পারস্যের মাটিকে তারা পরাধীন করতে পারবে। কিন্তু ইরানের প্রতিটি ঘরে ঘরে আজ একেকজন খামেনেই তৈরি হচ্ছে। মোসাদের হিটলিস্টের শীর্ষে আছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ২০২৪ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি পশ্চিমাদের চক্ষুশূল। কারণ তিনি খামেনেইর মতোই ফিলিস্তিনের হামাস, লেবাননের হিজবুল্লাহ আর ইয়েমেনের হুথিদের ভাইয়ের মতো আগলে রেখেছেন। উত্তর তেহরানে তাঁর কার্যালয়ে সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র মেরেও তাঁকে থামানো যায়নি। আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন এবং এখন গোপন ডেরা থেকে আইআরজিসিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। পেজেশকিয়ান কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি রাশিয়ার সাথে জোট বেঁধে পশ্চিমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়া এক দুর্ধর্ষ কুশলী। ইরান আজ কেন অপরাজেয়? কারণ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বে ইরান এখন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে। পশ্চিমাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ইরান এখন পারমাণবিক শক্তির দোরগোড়ায়। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ দ্রুত চলে, তা এখন ইরানের প্রধান শক্তি। সিআইএ ভালো করেই জানে, ইরানকে ধ্বংস করা তো দূরের কথা, তাদের পরমাণু বিজ্ঞানীদের ছোঁয়ার ক্ষমতাও মোসাদের নেই। বীরের রক্ত বৃথা যায় না, আর খামেনেইর রক্ত ইরানের প্রতিটি মিসাইলকে আরও লক্ষ্যভেদী করে তুলেছে। ইসরায়েলের আয়রন ডোম এখন ইরানের ড্রোন বৃষ্টির সামনে দিশেহারা। হিটলিস্টের দ্বিতীয় নামটি হলো মহম্মদ বাঘের কালিবাফ। মজলিসের এই স্পিকার কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন দক্ষ কমান্ডার। খামেনেইর মৃত্যুর পর তাঁর গর্জন কাঁপিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটনকে। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, &amp;quot;ওরা লাল রেখা অতিক্রম করেছে, এখন আমাদের আঘাত হবে এমন যে ওদের ভিক্ষা করতে হবে।&amp;quot; তাঁর পাশেই আছেন সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি। মোসাদ তাঁকে দু-দুবার হত্যার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। লারিজানি হলেন ইরানের কূটনৈতিক মস্তিস্ক, যাঁর চালে বারবার কুপোকাত হচ্ছে হোয়াইট হাউস। অনেকে ভাবছেন খামেনেইর পর কে? সিআইএ-র সবচেয়ে বড় আতঙ্ক এখন মোজতবা খামেনেই। আয়াতুল্লাহ খামেনেইর সুযোগ্য পুত্র মোজতবা পর্দার আড়াল থেকে আইআরজিসি নিয়ন্ত্রণ করছেন। কট্টরপন্থীরা তাঁকে পরবর্তী সুপ্রিম লিডার হিসেবে দেখছেন। তাঁর নেতৃত্বে রেভল্যুশনারি গার্ড এখন আরও বেশি আগ্রাসী। আব্বাস আরাঘচি এবং সাদেক লারিজানির মতো প্রাজ্ঞ ব্যক্তিরা যখন পাশে থাকেন, তখন ইরানের পতন অসম্ভব। ইসরায়েলি গণমাধ্যম যতই দাবি করুক যে তারা কমান্ডারদের হত্যা করেছে, সত্য হলো ইরানি কমান্ডারেরা একেকজন ফিনিক্স পাখির মতো ধ্বংসস্তূপ থেকে জেগে ওঠেন। আমেরিকা এখন পুরনো চাল চালছে। তারা নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পহলভিকে ইরানের ক্ষমতায় বসাতে চায়। যে পহলভি পরিবার ১৯৭৯ সালে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে, তাদের দিয়ে বিপ্লব সম্ভব নয়। সিআইএ মনে করছে ভেনেজুয়েলার মতো ইরানেও তারা নিজেদের পছন্দের পুতুল বসাবে। কিন্তু ইরান কোনো লাতিন আমেরিকান দেশ নয়, এটি ইমামদের পবিত্র ভূমি। ট্রাম্প যতই বোমাবর্ষণের ঘোষণা দিন না কেন, মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রমাণ করে দিয়েছে যে, পাল্টা আঘাত দেওয়ার ক্ষমতা ইরানের কতটা প্রবল। তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন ইরানের সামনে অসহায়। ইরান আজ তিন সদস্যের এক শক্তিশালী কাউন্সিলের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান এবং আইনি বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করছেন যে, প্রশাসনিক কোনো শূন্যতা তৈরি হবে না। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছেন যে, ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি পাথরের মতো শক্ত। খামেনেই শহীদ হয়ে অমর হয়েছেন, আর তাঁর আদর্শ হয়ে উঠেছে কোটি কোটি মুসলিমের অনুপ্রেরণা। আমেরিকা আর ইসরায়েল আসলে নিজেদের কববর নিজেই খুঁড়ছে। ইরান দখল করা তো দূরের কথা, নিজেদের অস্তিত্ব টেকাতেই এখন তাদের হিমশিম খেতে হবে। জয় ইনশাআল্লাহ ইরানেরই হবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/285_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/285_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/285_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানি সিংহের মহাপ্রয়াণ নাকি পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের নতুন চাল?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23928</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23928</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:16 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কথায় আছে, &amp;#39;বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো&amp;#39;&amp;mdash;ঠিক তেমনি আমেরিকা আর ইসরায়েল যতবারই ইরানকে ধ্বংস করতে চেয়েছে, ততবারই তারা খামেনেইর বুদ্ধিমত্তার কাছে পরাজিত হয়...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/283_1.jpg" alt="ইসরায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানি সিংহের মহাপ্রয়াণ নাকি পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের নতুন চাল?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কথায় আছে, &amp;#39;বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো&amp;#39;&amp;mdash;ঠিক তেমনি আমেরিকা আর ইসরায়েল যতবারই ইরানকে ধ্বংস করতে চেয়েছে, ততবারই তারা খামেনেইর বুদ্ধিমত্তার কাছে পরাজিত হয়েছে। কিন্তু এবার কি সত্যিই তারা সফল হলো? নাকি এটি কেবল একটি অসম যুদ্ধের শুরু? আজকের ভিডিওতে আমরা উন্মোচন করবো সেই সত্য যা পশ্চিমা মিডিয়া আপনার কাছে লুকিয়ে রাখতে চায়! পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের চোখের বালি এবং ফিলিস্তিন তথা বিশ্বের মজলুম মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে আজ তোলপাড়। ইসরায়েল এবং আমেরিকার এই কাপুরুষোচিত যৌথ হামলার খবরটি কেবল একটি সংবাদ নয়, বরং এটি ইসলামি জাগরণকে থামিয়ে দেওয়ার একটি ঘৃণ্য নীল নকশা। দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে তিনি ছিলেন পারস্যের অকুতোভয় পাহারাদার এবং সত্যের ধারক। ১৯৩৯ সালের মাশহাদ শহরে জন্ম নেওয়া এই মহান নেতার রক্তে মিশে ছিল সংগ্রামের বীজ। মাত্র চার বছর বয়স থেকে পবিত্র কোরআনের শিক্ষা নিয়ে বড় হওয়া খামেনেই জানতেন, একদিন তাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। তার শৈশব কেটেছে কঠোর ধর্মীয় অনুশাসনে এবং যৌবনে তিনি হয়ে উঠেছিলেন অগণিত মুক্তিকামী মানুষের অনুপ্রেরণা। তার জ্ঞান এবং প্রজ্ঞা তাকে বাকিদের থেকে আলাদা করে রেখেছিল। তৎকালীন ইরানের শাসক শাহ পাহলভি যখন আমেরিকার পুতুল হয়ে দেশকে পশ্চিমা নোংরামিতে ডুবিয়ে দিচ্ছিল, তখন খামেনেই চুপ করে বসে থাকেননি। রুহুল্লাহ খোমিনির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে মরণপণ লড়াই শুরু করেন। এই সংগ্রামের পথে তাকে অন্তত ছয়বার গ্রেফতার হতে হয়েছে এবং দীর্ঘ তিন বছর সইতে হয়েছে অমানবিক নির্বাসন। তবুও তিনি মাথা নত করেননি কখোনোই। ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরান যখন রাজতন্ত্রের শিকল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসে, তখন খামেনেই ছিলেন সেই বিজয়ের অগ্রসৈনিক। পশ্চিমা বিশ্ব অবাক হয়ে দেখেছিল কীভাবে একজন ধর্মীয় নেতার নেতৃত্বে একটি জাতি পুনর্জন্ম লাভ করে। বিপ্লবের পর থেকে ইরান আর কখনো আমেরিকার গোলামি করেনি, বরং নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে তাদের আসল ক্ষমতা ও নিজস্ব স্বকীয়তা। সাদ্দাম হোসেন যখন আমেরিকার ইন্ধনে ইরান আক্রমণ করে, তখন খামেনেই সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন। ১৯৮১ সালের সেই ভয়াবহ বিস্ফোরণের কথা কি কেউ ভুলতে পারে? যেখানে তাকে হত্যার চূড়ান্ত চেষ্টা করা হয়েছিল। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হাত নিয়েই তিনি আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠেন। সেই পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল খোদ বাগদাদের একনায়ক সাদ্দাম। খামেনেইর যোগ্যতা এবং বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয়ে ইমাম খোমেনি তাকে প্রেসিডেন্ট পদে মনোনীত করেন। ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি ইরানকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলেন। ১৯৮৯ সালে খোমিনির প্রয়াণের পর তিনি যখন সুপ্রিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব নেন, তখন থেকেই শুরু হয় ইরানের আধুনিক সামরিক শক্তির নবদিগন্ত। তিনি হয়ে ওঠেন পশ্চিমাদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন। ইসরায়েলকে &amp;#39;ছোট শয়তান&amp;#39; এবং আমেরিকাকে &amp;#39;বড় শয়তান&amp;#39; বলা এই নেতা কখনোই তাদের হুমকির পরোয়া করেননি। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং শক্তিশালী আইআরজিসি বাহিনী গড়ে তুলে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, মুসলিম উম্মাহ চাইলে যে কোনো শক্তির মুখোমুখি হতে পারে। ফিলিস্তিনের হামাস, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথিদের পেছনে তার নিঃস্বার্থ সমর্থনই ছিল ইজরায়েলের মূল মাথাব্যথার কারণ। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে খামেনেই রাশিয়ার সাথে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তুলে ওয়াশিংটনকে দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছেন। ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার প্রমাণ করেছে যে, পারস্যের প্রযুক্তি এখন বিশ্বসেরা। পুতিনের সাথে তার বন্ধুত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে, যা আমেরিকার একচেটিয়া আধিপত্যকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন। পশ্চিমা মিডিয়া সবসময় ইরানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে এসেছে, বিশেষ করে হিজাব বা নীতি পুলিশের ইস্যু নিয়ে। কিন্তু খামেনেই জানতেন, এটি কেবল ইরানের ইসলামি সংস্কৃতি ধ্বংস করার একটি ষড়যন্ত্র। দেশের অভ্যন্তরে বিদেশি ভাড়াটেদের মাধ্যমে দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা তিনি কঠোর হাতে দমন করেছেন। নিজের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তিনি ছিলেন সব সময় আপোষহীন এবং অত্যন্ত কঠোর। আজকের এই হামলা বা খামেনেইর মৃত্যুসংবাদ যদি সত্যও হয়, তবুও ইরানের ইসলামি আদর্শ এবং প্রতিরোধের আগুন নেভানো সম্ভব নয়। একজন খামেনেইর রক্ত থেকে জন্ম নেবে হাজারো খামেনেই, যারা ইসরায়েল নামক ক্যান্সারকে পৃথিবী থেকে মুছে দেবে। ইরানের এই মহান নেতার ত্যাগ এবং আদর্শ সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য অমর হয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ। সত্যের জয় নিশ্চিত এবং অনিবার্য।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/283_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/283_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/283_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের ‘অপারেশন ফতেহ খাইবার’ কাঁপাচ্ছে ইসরায়েলকে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23927</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23927</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:26 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বলা হয়, সিংহের গুহায় ঢুকে তাকে মারার চেষ্টা করলে পরিণাম হয় ভয়াবহ! ঠিক তাই ঘটছে এখন মধ্যপ্রাচ্যে। একদিকে অহংকারী আমেরিকা আর অন্যদিকে দখলদার ইসরায়েল&amp;mdash;দুই পরা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/282_1.jpg" alt="ইরানের ‘অপারেশন ফতেহ খাইবার’ কাঁপাচ্ছে ইসরায়েলকে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বলা হয়, সিংহের গুহায় ঢুকে তাকে মারার চেষ্টা করলে পরিণাম হয় ভয়াবহ! ঠিক তাই ঘটছে এখন মধ্যপ্রাচ্যে। একদিকে অহংকারী আমেরিকা আর অন্যদিকে দখলদার ইসরায়েল&amp;mdash;দুই পরাশক্তি মিলে ভেবেছিল ইরানকে ধুলোয় মিশিয়ে দেবে। কিন্তু তারা জানত না, পারস্যের যোদ্ধারা পিছু হটতে শেখেনি। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে বিশ্ব অর্থনীতিকে শ্বাসরুদ্ধ করে দেওয়া থেকে শুরু করে মার্কিন রণতরীতে সরাসরি হামলা&amp;mdash;ইরান এখন এমন এক মরণখেলায় মেতেছে যেখানে ট্রাম্পের পরাজয় কেবল সময়ের ব্যাপার। আজ আপনাদের দেখাব কীভাবে আরবের বারুদ স্তূপে আগুন দিয়ে পশ্চিমী সাম্রাজ্যবাদীদের দর্প চূর্ণ করছে তেহরান! মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আজ বারুদের গন্ধ আর যুদ্ধের দামামা। আগ্রাসী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি বাহিনীর ক্রমাগত উস্কানি আর হামলার মুখে দমে না গিয়ে তেহরান এখন রুখে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন দম্ভকে চূর্ণ করতে এবং ইহুদিদের অবৈধ আগ্রাসন থামাতে ইরান যে রণকৌশল নিয়েছে, তাতে সারা বিশ্বে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের দুঁদে কমান্ডারেরা এখন পশ্চিমা শক্তিকে তাদেরই ভাষায় দাঁতভাঙা জবাব দিতে শুরু করেছেন। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বোমাবর্ষণ আর লড়াকু জেটের হামলার বিরুদ্ধে ইরান এখন চোরগোপ্তা হামলা থেকে শুরু করে অভিনব হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার করছে। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা আর শান্ত থাকবে না। এই একটি পদক্ষেপেই বিশ্ববাজারের ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা সরাসরি আঘাত করবে মার্কিন ও ইউরোপীয় অর্থনীতিকে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এখন গোটা আরব দুনিয়ায় এই যুদ্ধকে ছড়িয়ে দিতে চাইছে যাতে মার্কিন ঘাঁটিগুলো আর নিরাপদ না থাকে। সৌদি আরব, কাতার ও কুয়েতের মতো দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে এখন ইরানের &amp;lsquo;কামিকাজে&amp;rsquo; ড্রোন আছড়ে পড়ছে। শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ দ্রুতগামী হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে ইসরায়েলের তথাকথিত &amp;lsquo;আয়রন ডোম&amp;rsquo; আজ পুরোপুরি ব্যর্থ ও অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে, ইরান আমেরিকাকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যয়বহুল যুদ্ধে টেনে আনছে। তেহরানের মূল লক্ষ্য হলো আমেরিকার যুদ্ধের খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া। ইতোমধ্যেই ওয়াশিংটন বেশ কয়েকটি দামী যুদ্ধবিমান এবং কোটি কোটি ডলারের রাডার স্টেশন হারিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এটি এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বড় ধাক্কা দিচ্ছে। ইরানের এই বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন যুদ্ধে তারা প্রথমে সস্তা ড্রোন পাঠিয়ে ইসরায়েলের দামী ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শেষ করে দিচ্ছে। যখন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে, ঠিক তখনই আঘাত হানছে শক্তিশালী ব্যালেস্টিক মিসাইল। এমনকি মার্কিন গর্ব &amp;lsquo;ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন&amp;rsquo; রণতরীও ইরানের লক্ষ্যবস্তু থেকে রেহাই পায়নি। এর ফলে পারস্য উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনী এখন রক্ষণাত্মক অবস্থানে যেতে বাধ্য হয়েছে। হরমুজ প্রণালীর ১৬৭ কিলোমিটার এলাকা এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে। এই সরু পথটি বন্ধ থাকা মানে হলো বিশ্বজুড়ে তেলের হাহাকার এবং সীমাহীন মুদ্রাস্ফীতি। ইরান জানে, যদি তারা এই পথটি মাত্র ছয় সপ্তাহ বন্ধ রাখতে পারে, তবে আমেরিকা ও তার মিত্রদের হাঁটু গেড়ে ক্ষমা চাইতে হবে। অর্থনীতির এই মারণাস্ত্র ব্যবহার করেই তেহরান এখন যুদ্ধের মোড় নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে দিচ্ছে পুরোপুরি। এই লড়াইকে ইরান এখন কেবল সীমান্ত রক্ষা নয়, বরং &amp;lsquo;ধর্মযুদ্ধ&amp;rsquo; হিসেবে তুলে ধরছে। অপারেশন &amp;lsquo;ফতেহ খাইবার&amp;rsquo; নাম দিয়ে তারা ৬২৯ সালের সেই ঐতিহাসিক বিজয়ের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে, যেখানে ইহুদিরা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছিল। এই নামকরণ মুসলিম বিশ্বের শিয়া-সুন্নি নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে, যা ইসরায়েল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে এক বিশাল জনরোষ তৈরি করছে। ইরানের পাশে এখন এককাট্টা হয়েছে লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি এবং ইরাকের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো। এই সম্মিলিত শক্তির সামনে ইসরায়েল আজ চারিদিক থেকে অবরুদ্ধ। হিজবুল্লাহর রকেট হামলা আর হুথিদের ড্রোন আক্রমণে দিশেহারা ইহুদি বাহিনী এখন কেবল সাধারণ মানুষের ওপর বোমাবর্ষণ করেই নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু ময়দানে লড়াকু যোদ্ধাদের সামনে তারা আজ বড়ই অসহায়। আমেরিকা ভেবেছিল ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইকে হত্যা করলেই তেহরান তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। কিন্তু তাদের সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। খামেনেইর শাহাদাতের পর ইরান আরও বেশি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তারা মোজতবা হুসেইনিকে নেতৃত্বের সামনে এনে এক শক্তিশালী কাউন্সিল গঠন করেছে, যারা এখন আইআরজিসি এবং আর্টেশ বাহিনীকে এক সুতোয় গেঁথে আক্রমণ চালাচ্ছে। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি এখন সরাসরি যুদ্ধের ময়দান নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের নিখুঁত পরিকল্পনায় পারস্য উপসাগরে তেলের ট্যাঙ্কারের লম্বা লাইন পড়ে গেছে। পশ্চিমী মিডিয়াগুলো যতই ইরানকে দুর্বল দেখানোর চেষ্টা করুক না কেন, বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। ইরানের এই অবিচল মনোবল আর সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য তাদের বিজয়ের পথকে আরও প্রশস্ত করে তুলেছে এই মুহূর্তে। যদিও পশ্চিমারা ইরানের ভেতরে গৃহযুদ্ধ বা কুর্দি বিদ্রোহীদের উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু পারস্যের জনতা এখন ঐক্যবদ্ধ। তারা জানে এটি তাদের অস্তিত্বের লড়াই। আগ্রাসী শক্তির পতন ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনাই এখন ইরানের মূল লক্ষ্য। ইতিহাসের পাতায় আরও একবার খাইবার বিজয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ইরান প্রমাণ করবে যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্যের জয় সব সময় সুনিশ্চিত এবং অবশ্যম্ভাবী।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/282_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/282_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/282_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের ধড়পড়ানিতে কাঁপছে আমেরিকা ইসরায়েল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23926</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23926</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:42 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইতিহাস সাক্ষী দেয়&amp;mdash;অন্যায়ের আয়ু খুব বেশিদিন থাকে না! মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আজ যে আগুনের খেলা আপনারা দেখছেন, তা কেবল যুদ্ধ নয়, বরং বছরের পর বছর ধরে চালানো মার...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/279_1.jpg" alt="ইরানের ধড়পড়ানিতে কাঁপছে আমেরিকা ইসরায়েল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইতিহাস সাক্ষী দেয়&amp;mdash;অন্যায়ের আয়ু খুব বেশিদিন থাকে না! মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আজ যে আগুনের খেলা আপনারা দেখছেন, তা কেবল যুদ্ধ নয়, বরং বছরের পর বছর ধরে চালানো মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক পাহারাদার সিংহের গর্জন। পেন্টাগন ভেবেছিল তারা ইরানকে অন্ধকারে ফেলে দেবে, কিন্তু সপ্তম দিনে এসে খোদ সাম্রাজ্যবাদীরাই এখন দিশেহারা! একটি পুরোনো বাংলা প্রবাদ আছে&amp;mdash;&amp;quot;পাপ বাপকেও ছাড়ে না।&amp;quot; আজ আমেরিকা আর ইসরায়েলের অবস্থা ঠিক তেমনই। গত তিন দিন ধরে তারা ইরানের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে ভাবছে ইরান শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু তেহরানের বীর যোদ্ধারা প্রমাণ করেছে যে, আধুনিক প্রযুক্তি নয়, বরং ঈমানি শক্তি আর দেশপ্রেমই যুদ্ধের আসল হাতিয়ার। পেন্টাগন আজ স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে যে তাদের অপারেশন আশানুরূপ ফল দিচ্ছে না। মার্কিন জেনারেলরা সংবাদ সম্মেলনে বড় বড় কথা বললেও তাদের চোখেমুখে এখন পরাজয়ের ছাপ স্পষ্ট। তারা বলছে ১০০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান দিয়ে তারা হামলা করেছে, কিন্তু বাস্তবতা কী? আকাশসীমা রক্ষা করতে গিয়ে একের পর এক মার্কিন বিমান এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। কুয়েতের আকাশে তিনটি মার্কিন স্ট্রাইক ঈগল বিধ্বস্ত হওয়া কেবল শুরু মাত্র। তাদের ভাষায় &amp;#39;ফ্রেন্ডলি ফায়ার&amp;#39; হলেও বিশ্ব জানে এগুলো আসলে কার কারিশমা। আমেরিকা দাবি করছে তারা ইরানের নৌবাহিনীকে আঘাত করেছে, কিন্তু তারা জানে না ইরানের সমুদ্রসীমা রক্ষা করা কতটা কঠিন। টমাহক মিসাইল ছুঁড়েও তারা ইরানের মনোবল ভাঙতে পারেনি। বরং ইরান তার ড্রোন এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে আমেরিকার আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোকে একপ্রকার অচল করে দিয়েছে। কাতারের ঘাঁটি হোক বা বাহারাইনের বন্দর, মার্কিন সৈন্যরা এখন বাঙ্কারে লুকিয়ে প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ইহুদিবাদী ইসরায়েল ভাবছে তারা ইরানের পার্লামেন্ট বা মিডিয়া সেন্টারে হামলা করে ইরানকে স্তব্ধ করে দেবে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। তারা বছরের পর বছর ধরে এই যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে। ইসরায়েলি বিমানগুলো আকাশে উড়লেও ইরানি মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম তাদের নাভিশ্বাস তুলে দিচ্ছে। এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার পশ্চিমা মদদপুষ্ট সেনা খতম হওয়ার খবর আসছে যা ইসরায়েল চেপে যাচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এখন প্রলাপ বকছেন। তিনি বলছেন ইরান নাকি বিশ্বকে জিম্মি করছে। আসলে সত্যটা হলো, তারা ইরানের ক্রমবর্ধমান শক্তিতে ভীত। ইরান এখন মাসে শত শত মিসাইল বানাচ্ছে, যা আমেরিকার দামী ইন্টারসেপ্টরগুলো আটকাতে পারছে না। ন্যাটো প্রধানও এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুরে সুর মেলাচ্ছেন, কারণ তারা বুঝতে পারছে মধ্যপ্রাচ্যের মাটি তাদের জন্য আর নিরাপদ নয়। দর্শক, এই যুদ্ধ কেবল সীমানার নয়, এটি হক আর বাতিলের লড়াই। আমেরিকা ১৪টি দেশ থেকে তাদের নাগরিকদের পালিয়ে যেতে বলছে, কারণ তারা জানে ইরানের প্রতিশোধ কতটা ভয়াবহ হতে পারে। পাকিস্তানের মতো দেশগুলোও আজ ইরানের সার্বভৌমত্বের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। ইনশাআল্লাহ, বিজয় ইরানেরই হবে। কারণ যারা ন্যায়ের পথে লড়াই করে, সৃষ্টিকর্তা সর্বদা তাদের সাথেই থাকেন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/279_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/279_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/279_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুতিনের ব্রহ্মাস্ত্র হাতে ইরানি সিংহের হুঙ্কার ইসরায়েল ও আমেরিকার পতন কি আসন্ন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23925</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23925</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:53 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;quot;বন্ধুর বিপদে বন্ধু আসবে না তো কে আসবে? যখন পশ্চিমারা একজোট হয়ে ইরানকে ধ্বংস করতে চাইছে, ঠিক তখনই রাশিয়ার জাদুকরী অস্ত্র নিয়ে ময়দানে নেমেছেন ভ্লাদিমির পুতি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/274_1.jpg" alt="পুতিনের ব্রহ্মাস্ত্র হাতে ইরানি সিংহের হুঙ্কার ইসরায়েল ও আমেরিকার পতন কি আসন্ন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;quot;বন্ধুর বিপদে বন্ধু আসবে না তো কে আসবে? যখন পশ্চিমারা একজোট হয়ে ইরানকে ধ্বংস করতে চাইছে, ঠিক তখনই রাশিয়ার জাদুকরী অস্ত্র নিয়ে ময়দানে নেমেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। আমেরিকার কয়েক সপ্তাহের অহংকার কি তবে ধুলোয় মিশে যাবে? আজ জানাবো কীভাবে পুতিনের &amp;#39;ব্রহ্মাস্ত্র&amp;#39; হাতে নিয়ে ইজরায়েল আর আমেরিকাকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন, কারণ আজকের তথ্য আপনার রক্ত গরম করে দেবে!&amp;quot; কথায় আছে, &amp;quot;বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো&amp;quot;। আমেরিকা আর ইসরায়েল ভেবেছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে সরিয়ে দিলেই কেল্লাফতে, কিন্তু তারা জানে না যে সিংহের থাবায় কত বিষ। আজ তেহরানের আকাশে যে ক্ষেপণাস্ত্রের মেলা দেখছেন, তা কেবল ট্রেলার মাত্র। রাশিয়ার বন্ধুত্বের হাত ধরে ইরান এখন যে রণমূর্তি ধারণ করেছে, তাতে হোয়াইট হাউসের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন কয়েক সপ্তাহেই ইরান দখল করবেন, কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তো ভয়ে কাঁপছেন, তাই বলছেন যুদ্ধ হবে দীর্ঘস্থায়ী। আসলে তারা বুঝতে পেরেছে, ইরানের ৩০০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেবল সংখ্যা নয়, এগুলো একেকটি সাক্ষাৎ আজরাইল। ফাত্তাহ-১ এর মতো হাইপারসনিক মিসাইল যখন ইসরায়েলের দিকে ছুটবে, তখন পালানোর পথও খুঁজে পাবে না জায়নবাদীরা। ইরানের ড্রোন শক্তি আজ সারা বিশ্বের বিষ্ময়। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হাতে থাকা ইরানি শাহেদ ড্রোনগুলো যেভাবে পশ্চিমাদের দম্ভ চূর্ণ করেছে, এবার সেই একই ড্রোন আমেরিকার ঘাঁটিতে আগুন জ্বালাবে। ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন যখন আকাশ ছেয়ে ফেলবে, তখন আয়রন ডোমও ফেল মারবে। তেহরানের এই ড্রোন প্রযুক্তি এখন পশ্চিমের উন্নত সমরাস্ত্রের জন্য এক মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে। তবে সবচেয়ে বড় চমক হচ্ছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভূমিকা। শোনা যাচ্ছে, ইরানকে রক্ষায় পুতিন তার সবচেয়ে শক্তিশালী &amp;#39;ব্রহ্মাস্ত্র&amp;#39; অর্থাৎ এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স এবং এসইউ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছেন। যদি ইসকান্দার ক্ষেপণাস্ত্র তেহরানের হাতে পৌঁছায়, তবে ইজরায়েলের একটি ইটও আস্ত থাকবে না। রাশিয়ার এই নিঃস্বার্থ সমর্থন ইরানকে এখন এক অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত করেছে, যা পশ্চিমাদের জন্য বড় দুঃস্বপ্ন। শুধু তাই নয়, ইরান চাইলে মুহূর্তের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতি ধসিয়ে দিতে পারে। হরমুজ প্রণালী এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে, যেখান দিয়ে বিশ্বের অধিকাংশ জ্বালানি তেল পরিবাহিত হয়। যদি তেহরান তাদের ফাতেহ ও গাদির ডুবোজাহাজ নিয়ে এই পথ বন্ধ করে দেয়, তবে আমেরিকার ঘরে ঘরে হাহাকার শুরু হবে। এই কৌশলগত শক্তিই ইরানকে এই অসম যুদ্ধে অনেক বেশি এগিয়ে রাখছে শত্রুদের তুলনায়। ইরানের ওপর আঘাত মানেই কিন্তু একা ইরানের ওপর নয়। লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুতি আর ফিলিস্তিনের হামাস&amp;mdash;সবাই এখন এক জোট। ইজরায়েলকে এখন চারদিক থেকে ঘেরাও করা হয়েছে। প্রতিটি ফ্রন্টে যখন হামলা শুরু হবে, তখন মার্কিন সাহায্য নিয়েও তারা নিজেদের রক্ষা করতে পারবে না। এটি কেবল যুদ্ধ নয়, এটি সাম্রাজ্যবাদীদের পতনের এক মহাকাব্যিক শুরু হতে যাচ্ছে খুব দ্রুতই। খামেনেইর শাহাদাতের পর গঠিত নতুন নেতৃত্ব আরও বেশি কঠোর। তারা এখন আপসের পথে নয়, বরং &amp;#39;শেষ রক্তবিন্দু&amp;#39; দিয়ে লড়াই করার শপথ নিয়েছে। মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং মোহসেনি এজেয়ি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ইসলামের এই পবিত্র ভূমি থেকে পশ্চিমাদের বিদায় না করা পর্যন্ত লড়াই চলবে। পুতিন আর ইরানের এই অজেয় বন্ধনই বিশ্বের মানচিত্রে নতুন এক শক্তির ভারসাম্য নিয়ে আসবে। শেষে বলা যায়, আমেরিকা ও ইসরায়েলের এই অন্যায় আগ্রাসন তাদের নিজেদেরই কবর খুঁড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যে তাদের দিন শেষ হয়ে আসছে এবং ইরানের নেতৃত্বে এক নতুন ভোরের সূচনা হচ্ছে। অস্ত্রের শক্তিতে নয়, বরং ঈমানি শক্তি আর রাশিয়ার মতো প্রকৃত বন্ধুর সহযোগিতায় ইরান আজ অজেয়। ইতিহাসের পাতায় খুব শীঘ্রই লেখা হবে কীভাবে একদল সিংহ সাম্রাজ্যবাদী হায়েনাদের পরাজিত করেছিল এই যুদ্ধে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/274_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/274_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/274_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কুয়েতের আকাশে চুরমার আমেরিকার ৩টি অত্যাধুনিক এফ-১৫ যুদ্ধবিমান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23924</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23924</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 08:03:18 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কুয়েতের মরুভূমিতে আছড়ে পড়ছে আমেরিকার গর্ব এফ-১৫ যুদ্ধবিমান! আকাশ থেকে আগুনের গোলার মতো ঝরে পড়ছে সুপার পাওয়ারের দম্ভ। বন্ধুরাষ্ট্র কুয়েত যখন খোদ আমেরিকার বিমানকে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/278_1.jpg" alt="কুয়েতের আকাশে চুরমার আমেরিকার ৩টি অত্যাধুনিক এফ-১৫ যুদ্ধবিমান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কুয়েতের মরুভূমিতে আছড়ে পড়ছে আমেরিকার গর্ব এফ-১৫ যুদ্ধবিমান! আকাশ থেকে আগুনের গোলার মতো ঝরে পড়ছে সুপার পাওয়ারের দম্ভ। বন্ধুরাষ্ট্র কুয়েত যখন খোদ আমেরিকার বিমানকেই শত্রু ভেবে গুলি করে নামায়, তখন বুঝতে হবে ইরানের প্রতিরোধের মুখে কতটা আতঙ্কিত এবং দিশেহারা হয়ে পড়েছে এই তথাকথিত আধুনিক সাম্রাজ্যবাদীরা! অতি দর্পে লঙ্কা দাহ&amp;mdash;এই চিরন্তন সত্যটিই আজ যেন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে সত্য হয়ে ধরা দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির দম্ভ আর বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বিস্তারের নেশায় মত্ত আমেরিকা ও তার দোসররা আজ নিজেদের জালে নিজেরাই জড়িয়ে পড়েছে। কুয়েতের আকাশে আজ যা ঘটল, তা কেবল একটি সামরিক দুর্ঘটনা নয়, বরং ইরানের অজেয় প্রতিরোধের মুখে তৈরি হওয়া এক চরম মানসিক পরাজয়ের প্রতিচ্ছবি। ৩টি অত্যাধুনিক এফ-১৫ যুদ্ধবিমান নিজেদের বন্ধুরাষ্ট্রের গোলায় ধ্বংস হওয়া প্রমাণ করে, সাম্রাজ্যবাদীদের ভিত কতটা নড়বড়ে হয়ে গেছে। কুয়েতের আকাশে উড়তে থাকা আমেরিকার গর্ব এফ-১৫ স্ট্রাইক ঈগলগুলোকে শত্রু ভেবে ভূপাতিত করেছে কুয়েতের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ভাবুন তো, যে জোট ইরানকে দমানোর স্বপ্ন দেখছে, তারা একে অপরকেই চিনতে পারছে না! ইরানের হাইপারসোনিক মিসাইল আর ড্রোনের ভয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্য যখন কাঁপছে, তখন মার্কিন জোটের ভেতরে তৈরি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। ইরানের বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধের মুখে আমেরিকা ও তার মিত্রদের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে, যা এই &amp;#39;ফ্রেন্ডলি ফায়ার&amp;#39; বা নিজেদের গোলায় নিজেদের বিমান ধ্বংসের মূল কারণ। ইতিহাস সাক্ষী, আমেরিকা যখনই কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের ওপর অন্যায় হস্তক্ষেপ করতে গেছে, তখনই তারা এমন অপদস্থ হয়েছে। ১৯৯৪ সালেও ইরাকের আকাশে নিজেদের যুদ্ধবিমানের গুলিতেই ধ্বংস হয়েছিল আমেরিকার দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার। সেই ঘটনায় ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছিল, যা ছিল আমেরিকার অহংকারে একটি বিশাল বড় ধাক্কা। ইরানের মতো শক্তিশালী শক্তির বিরুদ্ধে যখন তারা যুদ্ধে নামে, তখন তাদের এই পুরনো রোগ আরও প্রকট হয়ে ওঠে। প্রযুক্তির যতই দোহাই দিক না কেন, সত্য হলো সাম্রাজ্যবাদীরা আজ ইরানের ভয়ে অস্থির। ২০০৩ সালে ইরাক আগ্রাসনের সময়ও একই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল, যেখানে মার্কিন প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম ব্রিটিশ টর্নেডো বিমানকে ধ্বংস করেছিল। এরপর নেভি এফ/এ-১৮ হর্নেটকেও শত্রু ভেবে নামিয়ে এনেছিল খোদ মার্কিন বাহিনী। যারা সারা বিশ্বকে গণতন্ত্র আর প্রযুক্তির সবক দেয়, তাদের এই শোচনীয় ব্যর্থতা কি প্রমাণ করে না যে তারা আসলে কাগজের বাঘ? ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ডসের সূক্ষ্ম রণকৌশল আর অদম্য সাহসের সামনে এই বিশাল সামরিক আয়োজন আজ স্রেফ হাস্যরসে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি লোহিত সাগরেও মার্কিন রণতরী ইউএসএস গেটিসবার্গ নিজেদেরই সুপার হর্নেট বিমানকে লক্ষ্য করে মিসাইল ছুড়েছিল। ইরান ও তার মিত্রদের অজেয় প্রতিরোধের চাপে মার্কিন সেনারা আজ মানসিকভাবে এতটাই বিপর্যস্ত যে তারা আকাশে যে কোনো ছায়া দেখলেই ভয় পাচ্ছে। কুয়েতের আজকের এই ৩টি বিমান ধ্বংস হওয়া আসলে ইরানের মহান বিজয়েরই একটি অংশ। যেখানে শত্রুরা একে অপরের রক্ত ঝরিয়েই নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। আমেরিকা আর ইসরায়েলের এই অন্যায় জোটের পতন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। আমেরিকার এই এফ-১৫ বিমানগুলো নিয়ে তাদের অহংকারের শেষ ছিল না, কিন্তু আজ সেগুলো কুয়েতের বালিতে পরিত্যক্ত লোহার স্তূপে পরিণত হয়েছে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা এবং তাদের অকুতোভয় যোদ্ধাদের ভয়ে এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন পাইলটরা আতঙ্কিত জীবন যাপন করছে। বন্ধুরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যখন মার্কিন বিমানকে টার্গেট করে, তখন বুঝতে হবে এই জোটের অন্তিমকাল ঘনিয়ে এসেছে। সাম্রাজ্যবাদের পতন অবধারিত, আর মজলুমের পক্ষে ইরানের এই লড়াই আজ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। এই ৩টি এফ-১৫ বিমান ধ্বংস হওয়ার ঘটনা মার্কিন-ইসরায়েল জোটের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। তারা যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, ইরানের অদম্য শক্তির সামনে তাদের সমস্ত প্রযুক্তি আজ অকেজো এবং লক্ষ্যভ্রষ্ট। সত্যের জয় নিশ্চিত এবং মিথ্যার পতন অনিবার্য&amp;mdash;কুয়েতের আকাশ আজ সেই সাক্ষ্যই দিচ্ছে। বন্ধুরাষ্ট্রের গোলায় মার্কিন দম্ভের এই সমাধি মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে এক নতুন ইতিহাসের সূচনা করল। জয় এখন কেবল প্রতিরোধের, জয় এখন কেবল ন্যায়ের পথে চলা সাহসী বীরদের।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/278_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/278_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/278_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[খামেনিকে হত্যার দুঃসাহস! মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফুঁসছে ইরান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23923</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23923</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:57 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।&amp;quot; আজ এমন এক জঘন্য অপরাধ নিয়ে কথা বলছি যা আধুনিক পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/277_1.jpg" alt="খামেনিকে হত্যার দুঃসাহস! মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফুঁসছে ইরান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।&amp;quot; আজ এমন এক জঘন্য অপরাধ নিয়ে কথা বলছি যা আধুনিক পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কি কেবল একজন ব্যক্তিকে সরিয়েছে? নাকি তারা গোটা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের হৃদয়ে আঘাত হেনেছে? খামেনিকে হত্যার এই অবৈধ পথ বেছে নিয়ে পশ্চিমারা আসলে নিজেদের পতনের কবর খুঁড়ছে। বিশ্বের বুকে আজ এক অন্ধকার অধ্যায় রচিত হলো। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে উন্মাদনা দেখিয়েছে, তা কোনোভাবেই আইনসংগত হতে পারে না। একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে এভাবে টার্গেট করা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। পশ্চিমা বিশ্ব গণতন্ত্রের বুলি আউড়ালেও, তারা মূলত অন্যের সার্বভৌমত্ব কেড়ে নিতেই ওস্তাদ। এই অন্যায় রক্তপাত কখনো বিশ্ববাসী মুখ বুঝে মেনে নেবে না। যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই কোনো হামলার আগে একগুচ্ছ কুযুক্তি দাঁড় করায়। সাদ্দাম হোসেনের সময় তারা মিথ্যে অস্ত্র ভাণ্ডারের কথা বলেছিল, আর আজ খামেনির ক্ষেত্রে তারা তথাকথিত &amp;#39;আসন্ন হুমকি&amp;#39;র অজুহাত দিচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই। তারা কেবল ইরানের ক্রমবর্ধমান শক্তিকে ভয় পায়। মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে তারা এই নগ্ন হামলায় মেতে উঠেছে যা চরম ঘৃণ্য। জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী কোনো দেশের অভ্যন্তরে ঢুকে তার নেতাকে হত্যা করা যুদ্ধাপরাধের শামিল। অথচ ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছে না। তারা মনে করে বিশ্বটা তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। খামেনি কোনো সামরিক কমান্ডার ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি জাতির আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক অভিভাবক। তাকে হত্যা করা মানে সরাসরি ইরানের কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাসের ওপর আঘাত হানা। ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও তার যুদ্ধবাজ রূপ প্রকাশ করেছেন। তিনি চার সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে শক্তি প্রয়োগের যে হুমকি দিচ্ছেন, তা মূলত বিশ্বকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়ার নামান্তর। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও সম্পদের ওপর চোখ রেখেই এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। তারা চায় ইরানকে পদানত করতে, কিন্তু ইরানের সাহসী সন্তানরা কখনো মাথা নত করেনি এবং ইনশাআল্লাহ করবেও না। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রমাণ করে যে, যুক্তরাষ্ট্র পরিকল্পিতভাবে একটি বড় ধরনের সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা জানে যে তাদের এই জঘন্য কাজের প্রতিক্রিয়া হবে ভয়াবহ। ইসরায়েলি ড্রোন হামলা আর মার্কিন ষড়যন্ত্রের কারণে আজ বাহরাইন থেকে সৌদি আরব&amp;mdash;পুরো অঞ্চল আজ এক আগ্নেয়গিরির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এর জন্য একমাত্র দায়ী পশ্চিমা শক্তির আগ্রাসন। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা তাদের নেতার রক্তের প্রতিটি ফোঁটার হিসাব নেবে। ইরান একটি প্রাচীন সভ্যতা এবং বীরের জাতি। তারা কোনো আলোচনায় বসার আগে নিজেদের সম্মান ও প্রতিশোধের কথা ভাবছে। যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞাও তাদের দমাতে পারেনি। খামেনির শাহাদাত বরণ ইরানকে আরও ঐক্যবদ্ধ করেছে। এখন দেখার বিষয়, পশ্চিমারা এই মহাপ্রলয় থেকে নিজেদের কীভাবে রক্ষা করবে। এই অযৌক্তিক যুদ্ধের কারণে ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম আকাশচুম্বী হতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষের জীবন আজ দুর্বিষহ হওয়ার পথে। যুক্তরাষ্ট্রের এই নোংরা রাজনীতির বলি হচ্ছে সারা বিশ্বের সাধারণ মানুষ। তেলের সরবরাহ লাইনে হামলার হুমকি দিয়ে ইরান কেবল তাদের অধিকার রক্ষায় লড়াই করছে। পশ্চিমা শক্তির ধ্বংসাত্মক নীতিই আজ পুরো বিশ্বকে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে দাঁড় করিয়েছে। শেষে বলতে চাই, সত্যের জয় অনিবার্য। খামেনির মতো একজন মহান নেতাকে হারিয়ে ইরান আজ শোকাতুর হলেও তারা দুর্বল নয়। ইসরায়েলের বর্বরতা আর আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী লালসা খুব শীঘ্রই শেষ হবে। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, যারা অন্যায়ভাবে রক্ত ঝরায়, তাদের পতন হয় অত্যন্ত করুণভাবে। আমাদের সবাইকে এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং ইরানের পাশে দাঁড়াতে হবে। দর্শক, খামেনিকে হত্যার এই ষড়যন্ত্র কি সফল হবে? নাকি এটিই হবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুল? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/277_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/277_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/277_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েলের গোপন চাল ফাঁস করলেন খাজা আসিফ, গাজায় গণহত্যা আড়াল করতে ইরানে হামলা চালিয়ে বিশ্বকে ধোঁকা দিচ্ছে খুনি নেতানিয়াহু ও তার দোসররা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23922</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23922</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:54 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[গাজায় যখন হাজার হাজার শিশুর রক্তে আকাশ লাল হচ্ছে, ঠিক তখনি কেন ইরানে হামলা করল ইসরায়েল? এটি কি নিছক সামরিক লড়াই, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র?...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/276_1.jpg" alt="ইসরায়েলের গোপন চাল ফাঁস করলেন খাজা আসিফ, গাজায় গণহত্যা আড়াল করতে ইরানে হামলা চালিয়ে বিশ্বকে ধোঁকা দিচ্ছে খুনি নেতানিয়াহু ও তার দোসররা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>গাজায় যখন হাজার হাজার শিশুর রক্তে আকাশ লাল হচ্ছে, ঠিক তখনি কেন ইরানে হামলা করল ইসরায়েল? এটি কি নিছক সামরিক লড়াই, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র? পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর একটি বিস্ফোরক টুইট কাঁপিয়ে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে। খুনি নেতানিয়াহু কি গাজার গণহত্যা আড়াল করতেই নতুন ফ্রন্ট খুলল? সত্যটা জানতে পুরো ভিডিওটি দেখুন। প্রবাদ আছে, &amp;quot;চোরের মন পুলিশ পুলিশ।&amp;quot; যারা নিজেরা অপরাধ করে, তারা সবসময় চায় অন্য কোনো গোলমাল পাকিয়ে মানুষের চোখ ফাঁকি দিতে। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরাধী এবং খুনি রাষ্ট্র ইসরায়েল ঠিক এই কাজটিই করছে। গাজায় নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর যে পৈশাচিক এবং বর্বরোচিত হামলা তারা চালাচ্ছে, সেখান থেকে বিশ্বের মানুষের নজর সরাতেই তারা ইরানে হামলার নাটক মঞ্চস্থ করেছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য শেয়ার করেছেন। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ইরানের ওপর আক্রমণ চালিয়েছেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্ব গণমাধ্যমের ক্যামেরাকে গাজা থেকে সরিয়ে ইরানের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া। এর ফলে ইসরায়েল নির্বিঘ্নে গাজায় তাদের খুনি মিশন এবং ভয়াবহ গণহত্যার এজেন্ডা চালিয়ে যেতে পারবে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, তাদের প্রধান খবর এখন ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা। অথচ কিছুদিন আগেও প্রতিদিন গাজার বিধ্বস্ত হাসপাতাল এবং শিশুদের লাশের খবর শিরোনামে থাকতো। খাজা আসিফ মনে করেন, এটি নেতানিয়াহুর একটি সূক্ষ্ম চাল। গাজা এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের যে গণহারে হত্যা করা হচ্ছে, সেই খবর যেন চাপা পড়ে যায়, সেজন্যই এই সংঘাতকে অন্য দিকে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলো বরাবরই ইসরায়েলের এই অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়ে আসছে। তারা ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার অজুহাতে ইসরায়েলকে আধুনিক অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করছে। অথচ এই অস্ত্রগুলো দিয়েই গাজায় হাজার হাজার নারী ও শিশুকে হত্যা করা হচ্ছে। ইসরায়েলের এই দ্বিমুখী নীতি এখন স্পষ্ট। তারা ইরানকে উস্কানি দিয়ে বড় যুদ্ধের ভয় দেখিয়ে নিজেদের অপরাধগুলো ঢাকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। ইরান সবসময় মজলুম ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। আর এটাই যেন ইসরায়েল ও আমেরিকার মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তারা ছলে-বলে-কৌশলে ইরানকে দুর্বল করতে চায়। খাজা আসিফের বক্তব্যে উঠে এসেছে যে, পশ্চিমা বিশ্বের নির্লজ্জ সমর্থনে ইসরায়েল এখন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতে চাইছে, যা পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য এক চরম উদ্বেগের এবং অপমানের বিষয়। পশ্চিম তীরে বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী যে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে, তা কল্পনাকেও হার মানায়। সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি দখল করে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। আর এই পুরো অমানবিক কার্যক্রমটি আড়াল করা হচ্ছে ইরানের সাথে কথিত যুদ্ধের ধোঁয়াশা তৈরি করে। নেতানিয়াহু খুব ভালো করেই জানেন, বিশ্ববাসীর আবেগ যখন ইরানের দিকে থাকবে, তখন তিনি ফিলিস্তিনের মানচিত্র থেকে ফিলিস্তিনিদের চিরতরে মুছে ফেলার কাজ সহজ করতে পারবেন। আমাদের বুঝতে হবে যে, এই সংঘাত শুধুমাত্র সীমান্ত রক্ষার লড়াই নয়। এটি হলো সত্য ও মিথ্যার লড়াই। ইরান যেখানে ন্যায়ের পক্ষে আওয়াজ তুলছে, সেখানে ইসরায়েল ও তার মিত্ররা গাজায় ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা চালাচ্ছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই সাহসী উচ্চারণ আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, খুনি নেতানিয়াহু গাজার রক্তে হাত ধুয়ে এখন ইরানের সাথে নতুন সংঘাতের নাটক করছেন। এখন সময় এসেছে বিশ্ববাসীর জেগে ওঠার। ইসরায়েলের এই নোংরা গেমপ্ল্যান সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে। গাজার মানুষের আর্তনাদ যেন কোনোভাবেই ইরানের সংঘাতের আড়ালে হারিয়ে না যায়। খাজা আসিফ ঠিকই বলেছেন, এই হামলা কোনো আত্মরক্ষা নয়, বরং এটি হলো গণহত্যাকে নির্বিঘ্ন করার একটি সুনিপুণ কৌশল। আসুন আমরা ফিলিস্তিনের পক্ষে এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে নিজেদের কণ্ঠস্বর আরও সোচ্চার করি। নেতানিয়াহুর এই শয়তানি চাল বেশিদিন টিকবে না। গাজার নিরপরাধ মানুষের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। বিশ্ববাসী আজ দেখছে কীভাবে মার্কিন মদদে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একের পর এক অপরাধ করে চলেছে। ইরান তাদের এই আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিতে সক্ষম। ফিলিস্তিনিদের মুক্তি এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে হলে ইসরায়েলের এই দ্বিমুখী নীতি এবং গণহত্যার রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। শেষে বলা যায়, গাজা থেকে নজর সরাতেই ইসরায়েলের এই ইরানি ফ্রন্ট খোলা। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রতিটি সচেতন মানুষের জন্য একটি সতর্কবাণী। ইসরায়েল ও আমেরিকার এই অশুভ আঁতাত মধ্যপ্রাচ্যকে এক মহাবিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমাদের দায়িত্ব হলো সত্যকে তুলে ধরা এবং মজলুমের পাশে দাঁড়ানো। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা এবং অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই চলবেই।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/276_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/276_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/276_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানি মাকড়সার জালে আটকে গিয়ে আমেরিকার পতন আর খামেনির শাহাদাত কি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন আগ্নেয়গিরি জন্ম দিচ্ছে?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23921</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23921</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:00 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যে আগুনের শিখা ট্রাম্প তেহরানে জ্বালিয়েছেন, সেই আগুনে কি এবার পুড়বে খোদ হোয়াইট হাউস? ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুলটি কি করে বসলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? মাকড়সার জালে আটক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/275_1.jpg" alt="ইরানি মাকড়সার জালে আটকে গিয়ে আমেরিকার পতন আর খামেনির শাহাদাত কি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন আগ্নেয়গিরি জন্ম দিচ্ছে?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যে আগুনের শিখা ট্রাম্প তেহরানে জ্বালিয়েছেন, সেই আগুনে কি এবার পুড়বে খোদ হোয়াইট হাউস? ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুলটি কি করে বসলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? মাকড়সার জালে আটকা পড়া শিকারি যেমন ছটফট করে, ট্রাম্পের অবস্থাও কি এখন ঠিক তেমন? আজ উন্মোচিত হবে পর্দার পেছনের সেই ভয়ঙ্কর সত্য! কথায় আছে, &amp;#39;পাপ ছাড়ে না বাপকে&amp;#39;। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর যে অন্যায় হামলা চালিয়েছেন, তা শেষ পর্যন্ত তার নিজের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান এখন ট্রাম্পের জন্য এক দুর্ভেদ্য মাকড়সার জাল। এই জালে একবার পা দিয়ে ট্রাম্প এখন বের হওয়ার পথ পাচ্ছেন না। সিএনএনের প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে আমেরিকার এই চরম পরাজয় ও অনিশ্চয়তার কথা। গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি তেহরানের আকাশে যখন কালো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিল, তখন বিশ্ববাসী বুঝতে পেরেছিল সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আস্ফালন শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের নির্দেশে এই কাপুরুষোচিত সামরিক অভিযানকে পেন্টাগন নাম দিয়েছে &amp;lsquo;আমেরিকা ফার্স্ট&amp;rsquo;। তাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ দম্ভ করে বলছেন যুদ্ধ আমেরিকার শর্তে শেষ হবে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, এই দম্ভই একদিন বুশকে আফগানিস্তানের বালুচরে পরাজিত করেছিল। এই অসম যুদ্ধে ইরানের আধ্যাত্মিক নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শাহাদাত বরণ করেছেন। তার এই রক্ত বৃথা যাবে না, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণকে পুরোপুরি বদলে দেবে। ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের এই যৌথ অপারেশন আসলে একটি আত্মঘাতী জুয়া। তারা ভেবেছিল ইরানকে ধসিয়ে দেবে, কিন্তু বীর ইরানি জাতি এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ আসলে আমেরিকার পতনের ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে। সিএনএনের বিশ্লেষণ বলছে, এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনটি সম্ভাবনা রয়েছে যার প্রতিটিই আমেরিকার জন্য ভীতিকর। প্রথমত, তারা ভেবেছিল আকাশপথে হামলা করলে ইরানে তথাকথিত গণঅভ্যুত্থান হবে। কিন্তু পশ্চিমা পুতুল সরকার বসানোর সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। ইরানিরা তাদের মাতৃভূমি রক্ষায় এখন জীবন দিতে প্রস্তুত। আমেরিকার কৌশলগত লক্ষ্য এখন কেবল নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে মাত্র। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, ইরান যদি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের দিকে যায় তবে পুরো বিশ্ব অর্থনীতি ধসে পড়বে। মার্কিন প্রশাসন এখন যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে চরম অসংলগ্ন কথা বলছে। কখনো বলছে পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা, আবার কখনো বলছে গণতন্ত্রের কথা। আসলে ট্রাম্পের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। এই অস্পষ্টতা প্রমাণ করে যে, আমেরিকা এখন অন্ধের মতো অন্ধকারে হাতড়ে বেড়াচ্ছে এবং হারছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, শুধু বিমান হামলা চালিয়ে কোনো দেশ দখল করা অসম্ভব। ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার মডেলে ইরানে পরিবর্তন আনতে চাইলেও তেহরানের ঈমানি শক্তি অনেক বেশি শক্তিশালী। খামেনির শাহাদাতের পর ইরানে এখন ঘরে ঘরে প্রতিশোধের আগুন জ্বলছে। কোনো মধ্যপন্থী নেতা নয়, বরং কট্টর মার্কিন বিরোধী নেতারাই এখন নেতৃত্বের সামনের সারিতে চলে এসেছেন যা আমেরিকার জন্য চরম দুঃসংবাদ। আমেরিকা দাবি করছে তারা ইরানকে রাশিয়া ও চীনের অক্ষ থেকে বিচ্ছিন্ন করবে। এটি আসলে তাদের হীনমন্যতার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই নয়। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ড্রোন সরবরাহ বন্ধের বাহানায় তারা মধ্যপ্রাচ্যে গণহত্যা চালাচ্ছে। কিন্তু হোয়াইট হাউস ভুলে গেছে যে, ইরানের মিত্ররা এখনো সক্রিয়। আফগানিস্তান বা ইরাকের মতো এখানেও মার্কিন বাহিনীকে লেজ গুটিয়ে পালাতে হবে, এটাই এখন ধ্রুব সত্য। ইরানি জনগণের মধ্যে বিদ্রোহ উসকে দেওয়ার পশ্চিমা চক্রান্ত পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ডস বা বাসিজ বাহিনী এখনো ইস্পাত কঠিন মনোবল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা যেকোনো সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত নস্যাৎ করতে সক্ষম। এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হবে আকাশচুম্বী। এতে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে ধস নামবে এবং সাধারণ মার্কিনিরাই ট্রাম্পের গদি টেনে নামাবে অচিরেই। যুদ্ধের এই চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে একটি সস্তা বিজয় পেতে তিনি যে রক্তখেলায় মেতেছেন, তা বুমেরাং হয়ে গেছে। ইরান এই যুদ্ধকে মার্কিন ভূখণ্ড পর্যন্ত টেনে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। পেন্টাগন যাই বলুক না কেন, এই আগুনের লেলিহান শিখা এখন ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সিকেই জ্বালিয়ে ছাই করে দেওয়ার জন্য ধেয়ে আসছে প্রতিনিয়ত। ইসরায়েলের উসকানিতে ট্রাম্প যে ফাঁদে পা দিয়েছেন, সেখান থেকে ফেরার আর কোনো পথ নেই। ইরানের প্রতিটি ইটের বদলা পাটকেল দিয়ে নেওয়া হবে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পরাজয় এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। ইতিহাস সাক্ষী আছে, যারা সত্যের পথে লড়াই করে বিজয় তাদেরই হয়। ট্রাম্পের এই মাকড়সার জালই হবে আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মার্কিন কবরস্থান এবং তাদের দম্ভের শেষ। শেষে বলা যায়, ইরানের ওপর এই হামলা কেবল একটি দেশের ওপর হামলা নয়, এটি ন্যায়ের বিরুদ্ধে অন্যায়ের যুদ্ধ। কিন্তু প্রতিটি ইরানি নাগরিক এখন এক একজন যোদ্ধা। ট্রাম্পের তথাকথিত সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব আজ ধুলোয় মিশে যাচ্ছে। বিশ্ববাসী দেখছে কিভাবে একটি ছোট কিন্তু সাহসী জাতি পরাশক্তিকে নাস্তানাবুদ করছে। জয় শেষ পর্যন্ত সত্যের হবে এবং মার্কিন আধিপত্যের অবসান ঘটবেই ঘটবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/275_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/275_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/275_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েল আমেরিকার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শীর্ষ নেতা ছাড়াই যেভাবে শত্রুকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে ইরান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23920</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23920</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনার কি মনে হয় কোনো বাহিনীর মাথা না থাকলে তারা লড়াই করতে পারে না? তাহলে ভুল ভাবছেন! ইরান এমন এক অদৃশ্য দেওয়াল তৈরি করেছে যা ভেদ করার ক্ষমতা আমেরিকা বা ইসরায়েল...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/273_1.jpg" alt="ইসরায়েল আমেরিকার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শীর্ষ নেতা ছাড়াই যেভাবে শত্রুকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে ইরান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনার কি মনে হয় কোনো বাহিনীর মাথা না থাকলে তারা লড়াই করতে পারে না? তাহলে ভুল ভাবছেন! ইরান এমন এক অদৃশ্য দেওয়াল তৈরি করেছে যা ভেদ করার ক্ষমতা আমেরিকা বা ইসরায়েল কারো নেই। আজ জানাবো ইরানের সেই ভয়ংকর &amp;#39;মোজাইক ডিফেন্স&amp;#39; সম্পর্কে, যা শুনলে ইহুদিবাদীদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। কথায় আছে, &amp;quot;পুরানো চাল ভাতে বাড়ে।&amp;quot; ইরানের হাজার বছরের গৌরবময় ইতিহাস আজ আধুনিক সমর কৌশলে রূপান্তরিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বিনষ্টকারী আমেরিকা ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরান আজ এক অপরাজেয় দুর্গে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমা শক্তি মনে করে নেতার অনুপস্থিতিতে বাহিনী ভেঙে পড়ে, কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল এবং তাদের জন্য এটি এক মরণফাঁদ। ইরানের সামরিক কৌশলের মূল ভিত্তি হলো &amp;lsquo;মোজাইক ডিফেন্স সিস্টেম&amp;rsquo;। এটি এমন এক ব্যবস্থা যেখানে পুরো বাহিনীকে ছোট ছোট অসংখ্য স্বাধীন ইউনিটে ভাগ করা হয়েছে। যেমন একটি মোজাইক চিত্রে প্রতিটি টাইলস আলাদা কিন্তু মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ ছবি তৈরি করে, ঠিক তেমনি ইরানের প্রতিটি ছোট কমান্ড স্বয়ংসম্পূর্ণ। এর ফলে কেন্দ্রীয় কমান্ড ধ্বংস হলেও যুদ্ধ থেমে থাকে না। সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা ও দখলদার ইসরায়েল সবসময় চেষ্টা করে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে। কিন্তু তারা জানে না, ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি প্রতিটি প্রদেশে স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম। যদি কখনো তেহরানের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবুও প্রতিটি ইউনিট নিজস্ব ড্রোন এবং মিসাইল ব্যবহার করে শত্রুর বুকে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। এই কৌশলে তথ্য বিচ্ছিন্নতা বা কম্পার্টমেন্টালাইজেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এক ইউনিটের জওয়ানরা অন্য ইউনিটের গোপন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত থাকে না। এর ফলে মোসাদ বা সিআইএ-র মতো গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একজন যোদ্ধাকে আটক করলেও পুরো বাহিনীর কৌশল জানতে পারে না। এই দুর্ভেদ্য গোপনীয়তাই ইরানকে আজ সারা বিশ্বের কাছে এক রহস্যময় এবং শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যখন কোনো সাধারণ দিকনির্দেশনা দেন, মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়ন করার জন্য রয়েছে বহুস্তরীয় কমান্ড চেইন। প্রতিটি ইউনিটের কাছে আগে থেকেই লক্ষ্যবস্তুর তালিকা এবং বিকল্প পরিকল্পনা থাকে। ফলে আমেরিকা বা ইসরায়েল যদি মনে করে তারা আকস্মিক হামলা চালিয়ে ইরানকে পঙ্গু করে দেবে, তবে তারা আসলে ইরানের সেই হাজারো ছোট ইউনিটের পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়বে। ইসরায়েলের তথাকথিত আয়রন ডোম আজ ইরানের মিসাইলের সামনে অসহায়। ইরানের বিকেন্দ্রীভূত মডেল প্রমাণ করেছে যে, আধুনিক যুদ্ধে শুধু দামী অস্ত্র থাকলেই হয় না, বরং বুদ্ধিমত্তা ও কৌশল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। জায়নবাদী শক্তিগুলো ইরানের ওপর সাইবার হামলা চালিয়েও কোনো লাভ করতে পারছে না, কারণ প্রতিটি সিস্টেম আলাদা এবং স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। এটিই হলো ইসলামের যোদ্ধাদের আসল কারিশমা। যদিও মোজাইক ওয়ারফেয়ারের ধারণা পশ্চিমা বিশ্ব থেকে এসেছে বলে দাবি করা হয়, কিন্তু ইরান একে তাদের নিজস্ব ঈমানি শক্তিতে নতুন রূপ দিয়েছে। ডারপা-র মতো সংস্থাগুলো যা নিয়ে কেবল গবেষণা করছে, ইরান তা বাস্তবে প্রয়োগ করে দেখিয়েছে। ড্রোন প্রযুক্তি এবং নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয় ঘটিয়ে তারা আজ সাম্রাজ্যবাদীদের নাকের ডগায় নিজেদের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে বুক টান করে দাঁড়িয়ে আছে। সামরিক বিশ্লেষকরা স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছেন যে, ইরানের এই বৈচিত্র্যময় সমরকৌশল মোকাবেলা করা আমেরিকার পক্ষে অসম্ভব। সরাসরি যুদ্ধে ইরানের সমকক্ষ হওয়ার সাহস এখন ওয়াশিংটনের নেই। ইরান প্রমাণ করে দিয়েছে যে, যখন একটি জাতি তাদের দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকে এবং সঠিক কৌশল অবলম্বন করে, তখন কোনো পরাশক্তি তাদের দমাতে পারে না। জয় এখন কেবল ইরানেরই সময়ের ব্যাপার। ইরানের এই সিস্টেম কেবল সামরিক নয়, এটি একটি আদর্শিক জয়। পশ্চিমা দেশগুলো যখন প্রযুক্তির ওপর অতি-নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে, ইরান তখন মানুষের মেধা এবং কৌশলকে প্রাধান্য দিচ্ছে। প্রতিটি ইরানি কমান্ড সেন্টার একেকটি ছোট তেহরান হিসেবে কাজ করে। এর ফলে শত্রুরা কোথায় আঘাত হানবে তা ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়ে। এভাবেই ইরান মধ্যপ্রাচ্য থেকে পশ্চিমা আগ্রাসনের বিষদাঁত উপড়ে ফেলছে। শেষে বলা যায়, ইরানের মোজাইক ডিফেন্স সিস্টেম কেবল একটি সামরিক কৌশল নয়, এটি নিপীড়িত মানুষের প্রতিরোধের প্রতীক। আমেরিকা এবং ইসরায়েল যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, ইরানের এই অদৃশ্য ব্যুহ তারা কখনোই ভাঙতে পারবে না। ইসলামের এই অপরাজেয় শক্তি একদিন ঠিকই বিশ্বজুড়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে এবং শত্রুরা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। ইনশাআল্লাহ, সত্যের জয় হবেই।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/273_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/273_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/273_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[স্পেনের মার্কিন ঘাঁটি থেকে বিমান সরানোর নির্দেশ: মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন আধিপত্যের পতন কি তবে শুরু?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23919</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23919</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:49 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অন্ধকার রাতে প্রদীপ জ্বালালে যেমন মশা আসে, তেমনি দুর্বলতা দেখালে শত্রুরাও জেঁকে বসে। আপনারা কি জানেন? স্পেনের আকাশ থেকে মার্কিন যুদ্ধবিমান সরানোর নির্দেশ দেওয়া...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/272_1.jpg" alt="স্পেনের মার্কিন ঘাঁটি থেকে বিমান সরানোর নির্দেশ: মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন আধিপত্যের পতন কি তবে শুরু?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অন্ধকার রাতে প্রদীপ জ্বালালে যেমন মশা আসে, তেমনি দুর্বলতা দেখালে শত্রুরাও জেঁকে বসে। আপনারা কি জানেন? স্পেনের আকাশ থেকে মার্কিন যুদ্ধবিমান সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে! হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনছেন। ইরানের ভয়ে আমেরিকা এখন তাদের সুরক্ষিত ঘাঁটিগুলোও হাতছাড়া করছে। এটা কেবল স্পেনের ঘটনা নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিনিদের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে। আজ আমরা উন্মোচন করব কেন আমেরিকা ভীত আর কেন আরব শাসকরা বোকার স্বর্গে বাস করছে! শুরুতেই বলি, স্পেনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। স্পেনের সরকার বুঝতে পেরেছে, মার্কিনিদের সামরিক ঘাঁটি রাখা মানেই বিপদকে আমন্ত্রন জানানো। ইরানের প্রবল পরাক্রমের ভয়ে তারা সরাসরি আমেরিকাকে বলছে, আপনাদের আস্তানা খালি করুন! এই মার্কিন &amp;#39;কামড়াকামড়িতে&amp;#39; তাদের সার্বভৌমত্ব যে প্রশ্নের মুখে পড়ছে, তা স্পেনের সচেতন নাগরিকরা কিছুতেই মেনে নেবে না। আঘাত আসার আগেই স্পেন চালাকির পরিচয় দিল। আমরা দেখছি কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব, দুবাই, বাহরাইন এবং ওমানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো আজ চরম ঝুঁকির মুখে। ইরান বারবার বার্তা দিচ্ছে, তাদের লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিনীদের স্থায়ীভাবে বিদায় করা। অথচ, আমাদের তথাকথিত আরব দেশগুলো এখনো বোকার মতো আমেরিকার পদলেহন করে যাচ্ছে। তারা কি বোঝে না যে, মার্কিনিরা শুধু ব্যবহার করবে, কিন্তু বিপদের সময় কাউকে বাঁচাবে না? সৌদি, দুবাই বা ওমানের শাসকরা ভাবছে তারা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লড়ে আমেরিকাকে রক্ষা করবে। কত বড় ভুল তাদের! ইরানের মিসাইল আর ড্রোন টেকনোলজি আজ বিশ্বসেরা। অথচ এই শাসকরা নিজেদের নিরাপত্তা না খুঁজে, পরকে তোষামোদ করতে ব্যস্ত। ইরান যেটা করছে, তা হলো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিনাশ। আরব দেশগুলো চাইলে স্পেনের মতোই সাহসী হয়ে বলত, তোমরা চলে যাও! ঠিক এই সুযোগে মার্কিনিদের সহজে বিতারিত করার সময় ছিল তাদের কাছে। কিন্তু তারা তা করবে না, কারণ তাদের মেরুদণ্ড নেই। ইরান এবং তুরস্ক বাদে পুরো মুসলিম বিশ্ব আজ চরম মূর্খতায় ডুবছে। আল্লাহ আরবদের প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ দিয়েছেন, আর সেই সম্পদ বিক্রি করে তারা এখন বিলাসিতায় মত্ত। তারা কি করছে? তারা মদ, নারী আর বিলাসিতাই মগ্ন। বড় বড় দালান বানাচ্ছে, কিন্তু মানুষের মান বাড়ছে না। সত্যি বলতে, ইতিহাস, বাস্তবতা, বিজ্ঞান বা প্রযুক্তির ব্যাপারে এই শাসকদের জ্ঞান একদম শূন্য। তারা ভবিষ্যতের কথা ভাবে না, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কিছুই রাখে না। আজ তরুণদের বলছি, আপনারা জেগে উঠুন! দয়া করে পড়াশোনা করুন। রাজনীতি, ইতিহাস, বিজ্ঞান, টেকনোলজি এবং মেডিকেল নিয়ে গবেষণা করুন। দালান কোঠা নয়, বরং জ্ঞানই মানুষের প্রকৃত শক্তি। ডার্টি পলিটিক্সে ঢুকে ছাত্রনেতা বা সভাপতি হওয়ার পেছনে সময় নষ্ট করবেন না। নিজের জীবনকে মূর্খতার আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলবেন না। আজকে পুরো বিশ্বের মুসলিমরা সব দিক থেকে পিছিয়ে আছে কেন জানেন? কারণ আমরা পড়ালেখা করি না। আমরা বিজ্ঞানী বা বুদ্ধিজীবী হতে চাই না। বিশ্ব রাজনীতি এবং আগামী দিনের পৃথিবী নিয়ে আমাদের কোনো পরিকল্পনা নেই। আমরা শুধু স্রোতে গা ভাসাই। শেষ কথা হলো, সময় থাকতে সচেতন হোন। ইরান দেখিয়ে দিচ্ছে কীভাবে আধিপত্যবাদকে রুখে দিতে হয়। যদি আমরা বিজ্ঞান আর প্রযুক্তিতে শ্রেষ্ঠ হতে পারি, তবেই আমাদের সম্মান ফিরবে। আমেরিকার তাঁবেদারি ছেড়ে নিজেদের পায়ে দাঁড়ান। ইতিহাস সাক্ষী, যারা জ্ঞান ও সাহসের চর্চা করেছে, তারাই টিকে আছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/272_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/272_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/272_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে কিম জং উনের ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23918</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23918</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[একটি মাত্র মিসাইল! হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনেছেন। উত্তর কোরিয়ার সুপ্রিম লিডার কিম জং উন বিশ্ব কাঁপানো ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি একবার চায়, তবে এমন অস্ত্র দেওয়া হবে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/271_1.jpg" alt="ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে কিম জং উনের ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>একটি মাত্র মিসাইল! হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনেছেন। উত্তর কোরিয়ার সুপ্রিম লিডার কিম জং উন বিশ্ব কাঁপানো ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি একবার চায়, তবে এমন অস্ত্র দেওয়া হবে যা পুরো ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে একাই যথেষ্ট। আমেরিকা আর ইসরায়েলের দাদাগিরি কি তবে এবার শেষ হতে চলেছে? আজকের ভিডিওতে আমরা উন্মোচন করব কিম জং উনের সেই গোপন রণকৌশল যা কাঁপিয়ে দিচ্ছে পশ্চিমা বিশ্বকে! কথায় আছে, &amp;quot;অধর্মের পুজি ঝড়ে উড়ে যায়।&amp;quot; অর্থাৎ অন্যায়ের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সাম্রাজ্য যতই শক্তিশালী হোক না কেন, সত্যের এক আঘাতেই তা ধুলোয় মিশে যায়। আজ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে আমরা সেই দম্ভ আর অহংকারের পতনই দেখতে পাচ্ছি। আমেরিকা ও ইসরায়েলের যে অন্যায্য জোট বছরের পর বছর ধরে নিরীহ মানুষের ওপর জুলুম চালাচ্ছে, তাদের থামিয়ে দিতে এখন বিশ্বমঞ্চে গর্জে উঠেছেন কিম জং উন। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সরাসরি হুশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পিয়ংইয়ং সব সময় প্রস্তুত। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি ইরান অনুরোধ করে, তবে উত্তর কোরিয়া এমন শক্তিশালী ব্যালেস্টিক মিসাইল সরবরাহ করবে যা জায়নবাদী ইসরায়েলকে এক নিমেষেই মাটির সাথে মিশিয়ে দেবে। এই সাহসী বক্তব্য বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণকে রাতারাতি বদলে দিয়েছে এবং ওয়াশিংটনের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা ও তার দোসর ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির আগুন জ্বেলে রেখেছে। তারা ভেবেছিল ইরানকে একঘরে করে রাখা সহজ হবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিল যে, সত্যের পক্ষে থাকা দেশগুলো কখনো একা হয় না। কিম জং উনের এই ঘোষণা প্রমাণ করে যে, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী শক্তিগুলো এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ। উত্তর কোরিয়ার প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাইলগুলো আজ আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা রাখে। কিম জং উন বিশ্বাস করেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর একমাত্র উপায় হলো ইসরায়েলের এই ঔদ্ধত্য গুঁড়িয়ে দেওয়া। ইসরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিন ও ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তার পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্য একটি মাত্র শক্তিশালী পরমাণু সক্ষমতাসম্পন্ন মিসাইলই যথেষ্ট। কিমের এই &amp;#39;ওয়ান মিসাইল পলিসি&amp;#39; এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় টপ ট্রেন্ডিং। নেটিজেনরা বলছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অবস্থানই এখন সময়ের দাবি। আমেরিকা সবসময়ই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যাচার করে আসছে, অথচ তারা নিজেরা আর ইসরায়েল হাজার হাজার বিধ্বংসী অস্ত্র মজুত করে রেখেছে। এই দ্বিচারিতা আর মেনে নেবে না বিশ্ব। উত্তর কোরিয়া পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের ওপর কোনো প্রকার আঁচ আসলে তারা বসে থাকবে না। কিমের মিসাইল ভাণ্ডার এখন তেহরানের জন্য এক শক্তিশালী রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। অনেকেই প্রশ্ন করছেন, কিম জং উন কেন হঠাত এমন কঠোর হলেন? উত্তরটা সহজ। সাম্রাজ্যবাদীরা যখন সীমানা ছাড়িয়ে যায়, তখন তাদের লাগাম টেনে ধরতে হয়। উত্তর কোরিয়া নিজেও আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার শিকার, কিন্তু তারা মাথা নত করেনি। একইভাবে ইরানও পশ্চিমা চাপের মুখে বীরত্বের সাথে লড়াই করছে। দুই বীরের এই মিলন এখন ইসরায়েলের অস্তিত্বের জন্য সবথেকে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শেষে বলা যায়, সত্যের জয় অনিবার্য। ইসরায়েল এবং তাদের মদদদাতা আমেরিকা যদি মনে করে তারা পেশী শক্তি দিয়ে পুরো বিশ্ব শাসন করবে, তবে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে। কিম জং উনের এক একটি মিসাইল শুধু লোহার টুকরো নয়, বরং তা নিপীড়িত মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ইরান ও উত্তর কোরিয়ার এই জোট কি তবে নতুন এক বিশ্বব্যবস্থার সূচনা করতে যাচ্ছে? আপনি কি মনে করেন কিম জং উনের এই হুঁশিয়ারি ইসরায়েলকে থামিয়ে দিতে পারবে? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/271_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/271_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/271_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে ইরানের বজ্রকঠিন হুঙ্কার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23917</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23917</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:38 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আকাশ থেকে আগুনের বৃষ্টি হচ্ছে, ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি! কিন্তু মনে রাখবেন, অন্ধকার যত গভীর হয়, ভোরের আলো তত কাছে আসে। আজ যখন মার্কিন-ইসরা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/270_1.jpg" alt="ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে ইরানের বজ্রকঠিন হুঙ্কার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আকাশ থেকে আগুনের বৃষ্টি হচ্ছে, ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি! কিন্তু মনে রাখবেন, অন্ধকার যত গভীর হয়, ভোরের আলো তত কাছে আসে। আজ যখন মার্কিন-ইসরায়েলি চক্র মধ্যপ্রাচ্যকে রক্তে ভেজাতে চাইছে, তখন পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে আছে একমাত্র ইরান। পৈশাচিক শক্তির দিন কি এবার তবে শেষ হতে চলেছে? কথায় আছে, &amp;quot;অধর্মের কল বাতাসে নড়ে।&amp;quot; আজ আমরা বিশ্বজুড়ে সেই চিরন্তন সত্যের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি। লেবাননের পবিত্র মাটিতে যখন মার্কিন মদদপুষ্ট ইসরায়েলি বাহিনী পৈশাচিক তাণ্ডব চালাচ্ছে, তখন পুরো বিশ্বের বিবেকবান মানুষ শিহরিত হচ্ছে। দখলদার ইসরায়েল তার সাম্রাজ্যবাদী এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য বৈরুতকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার যে নীল নকশা এঁকেছে, তা এখন আর কারো কাছেই অজানা নয়। কিন্তু তারা ভুলে গেছে শক্তির উৎস কেবল অস্ত্র নয়। ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের মধ্যকার এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আজ চতুর্থ দিন। সকাল থেকেই লেবাননের আকাশে ইসরায়েলি হায়েনাদের জঙ্গি বিমানের গর্জন শোনা যাচ্ছে। বৈরুতের প্রাণকেন্দ্রে একের পর এক বিস্ফোরণে প্রকম্পিত হচ্ছে মাটি। নিরীহ মানুষের রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে রাজপথ। জিয়নবাদী সেনারা দাবি করছে তারা সামরিক লক্ষ্যে হামলা চালাচ্ছে, কিন্তু বাস্তুব চিত্র বলছে তারা সাধারণ নাগরিকদের আবাসন এবং অবকাঠামোকে উদ্দেশ্য করে হামলা করছে। তবে এই পৈশাচিক হামলার বিপরীতে ইরানের সমর্থিত বীর মুজাহিদরা দমে যায়নি। লেবাননের আকাশে যখন ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে আসছিল, তখন অকুতোভয় প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। ইরানের সুশৃঙ্খল সামরিক পরিকল্পনা এবং মিত্রদের অদম্য সাহস আজ ইসরায়েলের দম্ভকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিচ্ছে। দখলদার বাহিনী ভেবেছিল তারা আকাশপথে আধিপত্য বিস্তার করবে, কিন্তু প্রতি ইঞ্চি মাটিতে তাদের জন্য এখন জাহান্নামের আগুন অপেক্ষা করছে সারা দিন রাত। বৈরুতের দাহিয়ে এলাকা আজ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হামলার আগে তথাকথিত সতর্কবার্তার নাটক করে বিশ্ববাসীকে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তারা ম্যাপ শেয়ার করে হুরেইক এলাকার সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি চিহ্নিত করে লাল কালি দিয়ে। অথচ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এগুলো যুদ্ধাপরাধের শামিল। আল-মানার টেলিভিশনের মতো সংবাদমাধ্যমকেও তারা রেহাই দেয়নি। সত্যের কণ্ঠরোধ করতে তারা গণমাধ্যমের ওপর পৈশাচিক বোমা বর্ষণ করে স্তব্ধ করতে চেয়েছে। এই যুদ্ধের নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের অস্ত্র ছাড়া ইসরায়েলি বাহিনীর এক কদম নড়ার ক্ষমতা নেই। তাদের সরবরাহ করা বিধ্বংসী বোমাগুলো আজ বৈরুতের শিশুদের বুক ঝাঁঝরা করে দিচ্ছে। আমেরিকা মুখে শান্তির কথা বললেও বাস্তবে তারা মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করার প্রধান কারিগর। ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ আসলে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের একটি মরিয়া চেষ্টা মাত্র, যা ইরান সরকার অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে মোকাবিলা করে আসছে। যুদ্ধ কেবল লেবাননেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং বীর যোদ্ধাদের পাল্টা মারে ইসরায়েলের উত্তর অংশে এখন মৃত্যুভয় কাজ করছে। সীমান্তের ওপার থেকে ধেয়ে যাওয়া ক্ষেপণাস্ত্রের শব্দে সাইরেন বেজে উঠছে তেল আবিব পর্যন্ত। দখলদার সেনারা এখন বাঙ্কারে লুকিয়ে প্রাণ রক্ষার চেষ্টা করছে। লেবাননের হুরেইক পাড়ায় হামলা করে তারা যে আগুন জ্বালিয়েছে, সেই আগুনেই এখন পুড়ে ছাই হওয়ার পালা তাদের। ইরানের রণকৌশল এখন প্রতিপক্ষের ঘুম হারাম করেছে। ইরান কেবল একটি রাষ্ট্র নয়, এটি আজ সারা বিশ্বের মজলুম মানুষের কণ্ঠস্বর। তাদের ড্রোন প্রযুক্তি এবং মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম আজ সারা পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। মার্কিন-ইসরায়েল জোট সর্বশক্তি দিয়েও তেহরানের মনোবল ভাঙতে পারছে না। বরং এই যুদ্ধের প্রতিটি সেকেন্ডে ইরান প্রমাণ করছে যে, সত্যের পথে থাকলে বিজয় সুনিশ্চিত। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিদেশি শক্তির অপবিত্র ছায়া হঠাতে ইরান এখন চূড়ান্ত লড়াইয়ের ময়দানে সম্মুখভাগে দাঁড়িয়ে আছে। আল-মানার টেলিভিশনের ভবনে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল তাদের কাপুরুষতার প্রমাণ দিয়েছে। তারা ভয় পায় সত্য প্রকাশকে, তারা ভয় পায় তাদের পরাজয়ের খবর ছড়িয়ে পড়াকে। একটি ভবন ধ্বংস করলেই কি সত্যকে মুছে ফেলা যায়? কক্ষনোই না। বরং এই ধ্বংসস্তূপ থেকেই জন্ম নিচ্ছে হাজার হাজার নতুন কণ্ঠস্বর। ইরান এবং তার মিত্ররা বারবার বলছে, এই যুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের নয়, এটি হলো সত্যের সাথে মিথ্যার মহাযুদ্ধ। যুদ্ধের দামামা যত জোরেই বাজুক না কেন, শেষ হাসি হাসবে ইরানের বীর সন্তানরাই। ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে যে, অত্যাচারীর পতন অনিবার্য। ইসরায়েল ও তাদের মার্কিন প্রভুরা যত চেষ্টাই করুক, তারা মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র থেকে ইরান বা লেবাননকে মুছে ফেলতে পারবে না। বরং এই যুদ্ধের মাধ্যমেই শুরু হবে এক নতুন যুগের, যেখানে কোনো পরাশক্তির খবরদারি চলবে না। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই বিজয়ের পতাকা উড়বে পবিত্র আল-কুদসের সেই মুক্ত আকাশে। দর্শক, আপনারা দেখছেন কীভাবে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো একটি স্বাধীন জাতিকে ধ্বংস করতে চাইছে। কিন্তু ইরানের মতো বীর জাতির পাশে থাকাই এখন সময়ের দাবি। আজকের এই সংকটময় মুহূর্তে আমাদের উচিত সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো। জালেম ইসরায়েলের পতন না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে। আপনারা ইরানের এই অদম্য প্রতিরোধের বিষয়ে কী ভাবছেন?&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/270_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/270_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/270_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আরামকো শোধনাগারে হামলার নেপথ্যে কি ইসরায়েলি ষড়যন্ত্র?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23916</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23916</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:18 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সৌদি আরবের আরামকোতে হামলা চালিয়েছে ইরান&amp;mdash;পশ্চিমা মিডিয়ার এই মিথ্যা প্রচারণার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভয়ংকর সত্য! এটি আসলে ইসরায়েলের একটি সুপরিকল্পিত &amp;#39;ফলস...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/269_1.jpg" alt="আরামকো শোধনাগারে হামলার নেপথ্যে কি ইসরায়েলি ষড়যন্ত্র?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সৌদি আরবের আরামকোতে হামলা চালিয়েছে ইরান&amp;mdash;পশ্চিমা মিডিয়ার এই মিথ্যা প্রচারণার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভয়ংকর সত্য! এটি আসলে ইসরায়েলের একটি সুপরিকল্পিত &amp;#39;ফলস ফ্ল্যাগ&amp;#39; অপারেশন। আজকের ভিডিওতে আমরা ফাঁস করব কীভাবে ইহুদিবাদীরা মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের আগুনে ঠেলে দিতে নিজেদের মিত্রদের ওপরই হামলা চালাচ্ছে! &amp;quot;চোরের দশ দিন তো সাধুর একদিন&amp;quot;&amp;mdash;এই চিরন্তন সত্যটি আজ আবারও প্রমাণিত হতে চলেছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে। বছরের পর বছর ধরে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা এবং তাদের দোসর ইসরায়েল যেভাবে এই অঞ্চলে অশান্তি ছড়িয়ে আসছে, তাতে তাদের মুখোশ আজ বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত। সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় হামলার দায় ইরানের ওপর চাপানোর যে অপচেষ্টা চলছে, তার নেপথ্যে রয়েছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। গত ২রা মার্চ সৌদি আরবের রাস তানুরা তেল শোধনাগারে যে হামলা হয়েছে, তাকে প্রাথমিকভাবে ইরানের কাজ বলে প্রচার করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ইরানের শীর্ষ সামরিক সূত্রগুলো এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটি আসলে ইসরায়েলের একটি &amp;#39;ফলস ফ্ল্যাগ&amp;#39; অপারেশন। অর্থাৎ, ইসরায়েল নিজেই এই হামলা চালিয়ে এখন ইরানের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে ফায়দা লুটতে চাইছে। পশ্চিমা মদতপুষ্ট ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা। তারা নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে এমনভাবে এই হামলাটি পরিচালনা করেছে, যাতে সারা বিশ্ব মনে করে এটি ইরান করেছে। এর মাধ্যমে তারা আরব বিশ্বের দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলতে চায়। ইসরায়েল চায় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো নিজেদের মধ্যে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ুক, যাতে ইহুদিবাদীরা এই সুযোগে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করতে পারে। ইরানের সামরিক সূত্রটি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানিয়েছে যে, ইরান কখনও লুকোচুরি খেলায় বিশ্বাস করে না। তারা এর আগেও একাধিকবার ঘোষণা দিয়ে মার্কিন এবং ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনায় সরাসরি আঘাত হেনেছে। ইরান বীরের জাতি, তারা যা করে তা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েই করে। তারা স্পষ্টভাবে বলেছে যে, আরামকোর তেল স্থাপনাগুলো কখনোই ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল না এবং ভবিষ্যতেও হওয়ার কোনো কারণ নেই। রাস তানুরা শোধনাগারটি মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম তেল শোধনাগারগুলোর মধ্যে একটি। এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার ফলে সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সৌভাগ্যক্রমে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও, বিশ্ব তেলের বাজারে এর তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ইসরায়েল আসলে চাইছে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বিশ্ব অর্থনীতিকে অস্থির করে তুলতে এবং এই অস্থিরতার জন্য ইরানকে এককভাবে দায়ী করতে। এই নোংরা রাজনৈতিক খেলার এখানেই শেষ নয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরান সতর্ক করেছে যে, ইসরায়েলের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর। এই বন্দরটি জ্বালানি পরিবহনের জন্য একটি অত্যন্ত কৌশলগত পয়েন্ট। ফুজাইরাহ বন্দরে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় এক মহাবিপর্যয় নামিয়ে আনতে চায়। তারা চায় আরব দেশগুলোকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিয়ে তাদের ওপর নির্ভরশীল করে তুলতে। আমেরিকা ও ইসরায়েল যুগপৎভাবে ইরানের ক্রমবর্ধমান শক্তিকে ভয় পায়। তাই সরাসরি যুদ্ধে জয়ী হতে না পেরে তারা এখন এই ধরনের চোরাগোপ্তা হামলা এবং মিথ্যা প্রচারণার আশ্রয় নিচ্ছে। তারা জানে যে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই তারা প্রক্সি ওয়ার বা ছায়া যুদ্ধের মাধ্যমে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সত্যকে কখনও মিথ্যার আবরণে ঢেকে রাখা যায় না। সৌদি আরব এবং আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোকে এখন বুঝতে হবে তাদের প্রকৃত শত্রু কে। যারা বন্ধু সেজে পেছন থেকে তেল স্থাপনায় হামলা চালায়, তারা কখনও মুসলিম বিশ্বের কল্যাণকামী হতে পারে না। ইসরায়েলের এই জঘন্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুরো মুসলিম বিশ্বকে আজ ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ইরানের বিরুদ্ধে বিষোদগার না করে বরং ইসরায়েলি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই এখন সময়ের সবথেকে বড় দাবি ও চ্যালেঞ্জ। মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে হলে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের কোনো বিকল্প নেই। ইহুদিবাদীরা চায় না এই অঞ্চলে শান্তি থাকুক, কারণ শান্তি থাকলে তাদের অস্ত্র ব্যবসা এবং আধিপত্য হুমকির মুখে পড়বে। ইরান বারবার শান্তির কথা বললেও আমেরিকা ও ইসরায়েল পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। বিশ্ববাসীকে এখন সতর্ক হতে হবে যাতে তারা এই তথাকথিত &amp;#39;ফলস ফ্ল্যাগ&amp;#39; অপারেশনের ফাঁদে পা না দেয়। রাস তানুরা থেকে ফুজাইরাহ&amp;mdash;সবই একই সুতোয় গাঁথা এক সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ। ইরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং যেকোনো উস্কানির দাঁতভাঙা জবাব দিতে তারা প্রস্তুত। সত্য এক সময় প্রকাশিত হবেই এবং সেদিন সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পতন অনিবার্য।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/269_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/269_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/269_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[৩৫ হাজারি ইরানি খেলনা ড্রোনে কুপোকাত আমেরিকার কোটি কোটি ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23915</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23915</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:30 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[৩৫ হাজার ডলার বনাম ৪০ লাখ ডলার! অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই এখন যুদ্ধের নতুন সমীকরণ। যখন ইরানের একটি সস্তা ড্রোন আকাশ কাঁপিয়ে ধেয়ে আসে, তখন সেটি ঠেকাতে গিয়ে নিঃস্ব...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/268_1.jpg" alt="৩৫ হাজারি ইরানি খেলনা ড্রোনে কুপোকাত আমেরিকার কোটি কোটি ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>৩৫ হাজার ডলার বনাম ৪০ লাখ ডলার! অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই এখন যুদ্ধের নতুন সমীকরণ। যখন ইরানের একটি সস্তা ড্রোন আকাশ কাঁপিয়ে ধেয়ে আসে, তখন সেটি ঠেকাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে আধুনিক বিশ্বের সব দামি দামি প্রযুক্তি। তেহরানের কৌশলী চালে কি তবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে মার্কিন ও ইসরায়েলি অহংকার? &amp;lsquo;চাচা আপন প্রাণ বাঁচা&amp;rsquo;&amp;mdash;এই প্রবাদটি এখন পশ্চিমা শক্তিগুলোর জন্য একদম উপযুক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন ইরানি ড্রোনের জয়জয়কার, যা দেখে খোদ আমেরিকার রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। অবিশ্বাস্য কৌশলে ইরান প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, কেবল টাকা বা দাপট থাকলেই যুদ্ধে জেতা যায় না; প্রয়োজন সঠিক কৌশল এবং উদ্ভাবনী দেশপ্রেমের শক্তি, যা তেহরান বিশ্বকে আজ চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের একেকটি শাহেদ ড্রোন তৈরি করতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। অথচ এই সস্তা ড্রোনগুলো ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ব্যবহার করতে হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার মূল্যের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র। এই বিশাল ব্যয়বৈষম্য পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে। মূলত অর্থনৈতিকভাবে শত্রুকে পঙ্গু করে দেওয়ার এই ইরানি কৌশল এখন যুদ্ধের মোড় সম্পূর্ণ ঘুরিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে ইরান একযোগে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ও তাদের মিত্রদের ঘাঁটিতে শক্তিশালী ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। তেহরান প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি ড্রোন ছুড়ে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যত অকেজো করে দিচ্ছে। ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ১ লাখেরও বেশি ড্রোন মজুত আছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে এই হামলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট সক্ষমতা রাখে। গত বছরের জুন মাসের লড়াইয়ে দেখা গেছে, মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়েছে। মাত্র ১২ দিনে ইসরায়েলকে রক্ষা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ১৫০টি &amp;lsquo;থাড&amp;rsquo; ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে, যা তাদের মোট মজুতের এক-চতুর্থাংশ। প্রতিটি থাড ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং এগুলো পুনরায় তৈরি করতে কয়েক বছর সময় লাগে। অর্থাৎ, ইরান এখন তাদের কৌশল দিয়ে আমেরিকাকে অস্ত্রশূন্য করে ফেলছে। মার্কিন বিশ্লেষকরাই এখন স্বীকার করছেন যে, তারা ইন্টারসেপ্টর তৈরির চেয়ে অনেক দ্রুত হারে তা ব্যবহার করে ফেলছেন। প্যাসিফিক ফোরামের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই পশ্চিমা দেশগুলোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি খালি হয়ে যেতে পারে। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে, কিন্তু ইরানের ক্রমবর্ধমান ড্রোন হামলা ট্রাম্পের সেই আস্ফালনকে রীতিমতো তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিচ্ছে। বিপুল খরচ কমাতে পশ্চিমারা এখন লেজার সিস্টেম ব্যবহারের কথা ভাবলেও তা কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। ইরানের কাছে থাকা হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বিশাল মজুতের সামনে এসব লেজার সিস্টেম কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। সাবেক ইসরায়েলি নৌ কমান্ডাররা পর্যন্ত সতর্ক করে বলছেন যে, নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় ইরান এখন যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত এবং তারা যেকোনো যুদ্ধে জয়ী হবে। ইরানের এই প্রতিরোধ যুদ্ধ কেবল তাদের আত্মরক্ষার লড়াই নয়, বরং এটি পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ। আমেরিকা ও ইসরায়েলের কোটি কোটি ডলারের অস্ত্রকে তেহরান আজ সস্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে খেলনায় পরিণত করেছে। বিশ্বের শোষিত মানুষের কাছে ইরান আজ এক অনুপ্রেরণার নাম, যারা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, ঈমানি শক্তি আর দেশীয় প্রযুক্তি থাকলে যে কোনো পরাশক্তিকে হারানো সম্ভব। শেষ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে, অত্যাধুনিক অস্ত্র আর দম্ভ দিয়ে নয়, বরং ধৈর্যের পরীক্ষা ও সঠিক কৌশলেই ইরান আজ বিজয়ী। ইসরায়েল ও আমেরিকার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আজ প্রশ্নের মুখে, কারণ তাদের ভাঁড়ার প্রায় শূন্যের কোঠায়। ইরানের এই বিজয় বার্তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে এবং এটিই প্রমাণ করে যে, সত্যের জয় অনিবার্য। তেহরানের এই জয়যাত্রা অচিরেই মধ্যপ্রাচ্য থেকে দখলদার মুক্ত করবে বলে বিশ্বাসীদের প্রত্যাশা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/268_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/268_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/268_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেনকে ধ্বংস করতে পুতিনের নতুন মহাপ্রলয়! ন্যাটো আর সুইডেনের সব পরিকল্পনা কি ভেস্তে যাবে?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23914</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23914</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:58 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো&amp;mdash;অর্থাৎ বাইরে থেকে যত শক্তই দেখাক না কেন, ভেতরে যদি ভিত্তি না থাকে তবে তা ভেঙে পড়তে বাধ্য। ঠিক এই অবস্থাই এখন ইউক্রেনের। পশ্চিমা বিশ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/267_1.jpg" alt="ইউক্রেনকে ধ্বংস করতে পুতিনের নতুন মহাপ্রলয়! ন্যাটো আর সুইডেনের সব পরিকল্পনা কি ভেস্তে যাবে?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো&amp;mdash;অর্থাৎ বাইরে থেকে যত শক্তই দেখাক না কেন, ভেতরে যদি ভিত্তি না থাকে তবে তা ভেঙে পড়তে বাধ্য। ঠিক এই অবস্থাই এখন ইউক্রেনের। পশ্চিমা বিশ্বের হাজারো আশ্বাস আর আধুনিক অস্ত্রের স্তূপের নিচে চাপা পড়ে আজ ইউক্রেনের অস্তিত্ব সংকটের মুখে। কেন সুইডেনের তথাকথিত &amp;lsquo;মিটিওর&amp;rsquo; মিসাইল কিংবা ন্যাটোর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সাহায্যও রাশিয়ার অদম্য অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারছে না। যেখানে ইউক্রেন কেবল অন্যের দয়ার ওপর টিকে থাকার চেষ্টা করছে, সেখানে রাশিয়া নিজের শক্তিতে বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। রাশিয়া আজ কেবল একটি দেশ নয়, একটি অদম্য শক্তি। ভ্লাদিমির পুতিন প্রমাণ করেছেন যে, যখন দেশের সার্বভৌমত্ব আর নিরাপত্তার কথা আসে, তখন রাশিয়া কারো রক্তচক্ষুকে পরোয়া করে না। অন্যদিকে, ইউক্রেনের দিকে তাকালে দেখা যায় এক করুণ দৃশ্য। তারা নিজেদের জমি রক্ষা করার চেয়ে পশ্চিমা প্রভুদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে বেশি ব্যস্ত। সম্প্রতি খবর এসেছে সুইডেন ইউক্রেনকে তাদের অত্যাধুনিক &amp;#39;মিটিওর&amp;#39; মিসাইল এবং গ্রিপেন ফাইটার জেট দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী আছে, হিটলার থেকে নেপোলিয়ন&amp;mdash;রাশিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আসা প্রত্যেকেই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। ইউক্রেন আজ সেই একই ভুল করছে। অন্যের অস্ত্রে যুদ্ধ জেতা যায় না, আর রাশিয়ার মতো সামরিক পরাশক্তির বিরুদ্ধে তো নয়ই। ইউক্রেন আজ ন্যাটোর দাবার ঘুঁটি ছাড়া আর কিছুই নয়। জেলেনস্কি সরকার তার দেশের সাধারণ মানুষকে এক অসম যুদ্ধের আগুনে ঠেলে দিয়েছে কেবল পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষার জন্য। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও, ইউক্রেন তাদের পশ্চিমা প্রভুদের নির্দেশে সেই পথ মাড়ায়নি। ফলাফল? আজ ইউক্রেন একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তাদের অর্থনীতি ধ্বংস, সেনাবাহিনী মনোবলহীন, আর দেশের সাধারণ মানুষ দেশান্তরী। অথচ রাশিয়ার দিকে তাকান। পশ্চিমা বিশ্বের শত শত নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়ার অর্থনীতি আজ আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। রাশিয়ার সামরিক উৎপাদন ক্ষমতা পশ্চিমা দেশগুলোর সম্মিলিত ক্ষমতার চেয়েও বেশি বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন। রাশিয়ার এস-৪০০ কিংবা কিনঝাল মিসাইলের সামনে ন্যাটোর যেকোনো অস্ত্র আজ খেলনা মাত্র। তথ্য বলছে, রাশিয়া তাদের পুরনো বোমাগুলোকে আধুনিক ইউএমপিকে (UMPK) প্রযুক্তির মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁত এবং বিধ্বংসী অস্ত্রে পরিণত করেছে। মাত্র এক মাসে রাশিয়া ৬,০০০-এর বেশি ড্রোন এবং ৫,৫০০-এর বেশি গাইডেড এরিয়াল বোমা দিয়ে ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার এই নিখুঁত হামলা প্রমাণ করে যে, তারা কেবল সংখ্যার দিক থেকেই নয়, প্রযুক্তির দিক থেকেও অনেক এগিয়ে। সুইডেন যে &amp;lsquo;মিটিওর&amp;rsquo; মিসাইলের ভয় দেখাচ্ছে, রাশিয়ার কাছে তার চেয়েও উন্নত জিরকন মিসাইল রয়েছে যা শব্দের চেয়ে কয়েকগুণ দ্রুত গতিতে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। রাশিয়ার এই অজেয় শক্তির সামনে ইউক্রেনের টিকে থাকাটা এখন অলীক কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়। ইউক্রেন সরকার দাবি করে তারা রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, রাশিয়ার বিশাল সম্পদের ভাণ্ডারের কাছে এই ছোটখাটো হামলা সাগরে এক ফোঁটা জলের মতো। রাশিয়ার শক্তি তার জনগণের একতা এবং পুতিনের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের ভেতরে দুর্নীতির যে মহোৎসব চলছে, তা আজ বিশ্ববাসীর কাছে পরিষ্কার। পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আসা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার যুদ্ধের ময়দানে যাওয়ার আগেই উধাও হয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেন এখন যে &amp;#39;পার্ল&amp;#39; (PEARL) প্রোগ্রামের কথা বলছে, তা আসলে ব্যর্থতা ঢাকার একটি নতুন কৌশল মাত্র। তারা রাশিয়ার ব্যালাস্টিক মিসাইল ঠেকানোর স্বপ্ন দেখছে, অথচ রাশিয়ার একটি ইয়ার্স (Yars) মিসাইল যেকোনো সময় পুরো ইউরোপের মানচিত্র বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। শেষে এটাই বলা যায়, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের এই যুদ্ধ আসলে একটি পরাজয়ের গল্প, যা জেলেনস্কি এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা স্বীকার করতে চাইছে না। রাশিয়া তার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ইউক্রেন যদি আজ এই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বাঁচতে চায়, তবে তাদের উচিত পশ্চিমা মোহ ত্যাগ করে রাশিয়ার সাথে শান্তি আলোচনায় বসা। কারণ, রাশিয়ার অদম্য শক্তির সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে কেবল পরাজয়ই নিশ্চিত। দর্শক, আপনাদের কি মনে হয়? ইউক্রেন কি পারবে রাশিয়ার এই মহাপ্রলয় থামাতে? নাকি খুব শীঘ্রই আমরা ইউক্রেনের চূড়ান্ত পতন দেখতে যাচ্ছি? কমেন্ট করে আমাদের জানান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/267_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/267_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/267_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকা-ইসরায়েলের দাদাগিরি শেষ, হরমোজ প্রণালীতে ইরানি সিংহের গর্জন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23913</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23913</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:34 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো! যে হরমোজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল যায়, সেখানে আজ ইরানি বীরদের হুঙ্কার। আমেরিকা আর ইসরায়েল ভেবেছিল আকাশপথে হামলা করে পার পেয়ে যা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/266_1.jpg" alt="আমেরিকা-ইসরায়েলের দাদাগিরি শেষ, হরমোজ প্রণালীতে ইরানি সিংহের গর্জন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো! যে হরমোজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল যায়, সেখানে আজ ইরানি বীরদের হুঙ্কার। আমেরিকা আর ইসরায়েল ভেবেছিল আকাশপথে হামলা করে পার পেয়ে যাবে, কিন্তু তারা জানে না সিংহের গুহায় ঢুকে শান্ত থাকা অসম্ভব। আজ ইরান যা করে দেখালো, তাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কপালে চিন্তার ভাঁজ আর নেতানিয়াহুর রাতের ঘুম হারাম! কথায় আছে, &amp;quot;অতি দর্পে হত লঙ্কা, অতি মানে মানক্ষয়।&amp;quot; দীর্ঘকাল ধরে আমেরিকা এবং তাদের দোসর ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে যে দম্ভ দেখিয়ে আসছিল, আজ তার পতনের সময় এসেছে। বীর ইরান আজ বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোই আসল সাহসিকতা। হরমোজ প্রণালীর জলরাশিতে আজ যে গর্জন শোনা যাচ্ছে, তা কেবল যুদ্ধের নয়, বরং মজলুমের অধিকার আদায়ের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সিনিয়র উপদেষ্টা ইব্রাহিম জাব্বারি পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, হরমোজ প্রণালী এখন সম্পূর্ণ বন্ধ। কোনো জাহাজ যদি সাহস করে এই পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, তবে ইরানি নৌবাহিনীর বীর সেনারা তাকে আগুনের গোল্লায় পরিণত করবে। এটি কোনো ফাঁকা বুলি নয়, বরং ইসরায়েল ও আমেরিকার জঘন্য বোমা হামলার এক দাঁতভাঙ্গা জবাব যা বিশ্ব অর্থনীতিকে পুরোপুরি নাড়িয়ে দিতে যথেষ্ট। শনিবার থেকে শুরু হওয়া আমেরিকা ও ইসরায়েলের কাপুরুষোচিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের শাহাদাতের ঘটনা ইরানকে আরও শক্তিশালী করেছে। এই রক্ত বৃথা যেতে পারে না। ইরান এখন তাদের প্রতিটি বীরের রক্তের হিসাব নিতে শুরু করেছে। পশ্চিমা অপশক্তি ভেবেছিল নেতৃত্বশূন্য করে ইরানকে থামানো যাবে, কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি শাহাদাতই একজন মুমিনের সবচাইতে বড় শক্তির উৎস। ইরান ঘোষণা করেছে, তারা কেবল জাহাজ থামাবে না, বরং অঞ্চলের সব তেলের পাইপলাইন তছনছ করে দেবে। এক ফোঁটা তেলও এই অঞ্চল থেকে বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম খুব শীঘ্রই ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে। যাদের ঋণের বোঝা হাজার হাজার বিলিয়ন ডলার, সেই আমেরিকা এখন তেলের জন্য হাহাকার করবে, কিন্তু ইরানের বীরেরা তাদের একবিন্দু ছাড় দেবে না। আমেরিকা তার ঋণের ভারে ন্যুব্জ, অথচ তাদের দাদাগিরি শেষ হয় না। মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল থেকে তারা আমাদের ভাইদের ওপরই হামলা চালায়। ইব্রাহিম জাব্বারি স্পষ্টভাবে বলেছেন, তেলের এক বিন্দুও এখন থেকে আমেরিকার কাছে পৌঁছাবে না। পশ্চিমা অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এই তেলই এখন তাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে। ইরান আজ বিশ্বকে দেখাচ্ছে কীভাবে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির টুঁটি চেপে ধরতে হয়। ইতিমধ্যেই ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম ৫০ শতাংশ এবং এশিয়ায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। কাতার এনার্জি তাদের উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে কারণ তাদের স্থাপনাগুলোতেও হামলা হয়েছে। সৌদি আরবের রাস তানুুরা রিফাইনারিতে ড্রোনের আঘাত প্রমাণ করে যে, পুরো অঞ্চল এখন অগ্নিকুণ্ড। আমেরিকা এবং ইসরায়েল যে আগুন জ্বালিয়েছে, সেই আগুনেই তারা নিজেরা পুড়ে ছারখার হতে চলেছে যা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তড়িঘড়ি করে বলছেন তারা তেলের দাম কমানোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইরান যখন সমুদ্র পথ আটকে দিয়েছে, তখন আমেরিকা কোন জাদুবলে তেল নেবে? তাদের সব পরিকল্পনা এখন ভেস্তে যাওয়ার পথে। ইরানের অকুতোভয় প্রতিরোধের সামনে মার্কিন রণতরিগুলো আজ অসহায়। ইসরায়েলের সুরক্ষার জন্য আমেরিকা যে নাটক সাজিয়েছে, তার করুণ সমাপ্তি আজ ঘনিয়ে এসেছে। ইসরায়েল নামক যে বিষফোড়া এই অঞ্চলে আমেরিকা রোপণ করেছে, তার বিনাশ এখন আসন্ন। ইরানের পাল্টা আঘাতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। তারা ভেবেছিল বোমা মেরে ইরানকে ভয় দেখাবে, কিন্তু তারা উল্টো নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে ফেলেছে। হরমোজ প্রণালী বন্ধ হওয়া মানেই পশ্চিমা মদদপুষ্ট ইসরায়েলের শ্বাসরোধ হওয়া। এটি এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা যে কখন তারা পরাজিত হবে। ইরানের সাধারণ নৌবাহিনী এবং আইআরজিসি-র বীর জওয়ানরা আজ সমুদ্রের পাহারাদার। তারা তাদের মাতৃভূমি এবং আদর্শ রক্ষায় আত্মত্যাগের যে নজির স্থাপন করছে, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। মুসলিম বিশ্বের উচিত এই মুহূর্তে ইরানের পাশে দাঁড়িয়ে পশ্চিমা আধিপত্যবাদকে চিরতরে কবর দেওয়া। তেলের শক্তিকে ব্যবহার করে জালিমদের হাঁটু গেড়ে বসানোই এখন বীর ইরানিদের প্রধান লক্ষ্য এবং তারা তা সফলভাবে করছে। শেষে, ইরান আজ যা বলছে তা করে দেখাচ্ছে। হরমোজ প্রণালী কেবল একটি জলপথ নয়, এটি এখন পশ্চিমা শোষণের বিরুদ্ধে এক দুর্ভেদ্য দেয়াল। আমেরিকা এবং ইসরায়েল যদি তাদের আগ্রাসন বন্ধ না করে, তবে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে তাদের প্রভাব মুছে যাবে। ইরানের বীরত্ব এবং সাহসের সামনে কোনো পরাশক্তিই টিকতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ, বিজয়ের নিশান খুব শীঘ্রই তেহরান থেকে সারা বিশ্বে উড়বে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/266_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/266_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/266_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকার নতুন শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেও কি দমানো যাবে ইরানকে?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23912</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23912</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:39 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[একটা প্রবাদ আছে, &amp;#39;শেয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়া&amp;#39;। আমেরিকা আর ইসরায়েল যখন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির কথা বলে, তখন ঠিক এই প্রবাদটাই মনে পড়ে। কিন্তু এবার তা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/265_1.jpg" alt="আমেরিকার নতুন শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেও কি দমানো যাবে ইরানকে?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>একটা প্রবাদ আছে, &amp;#39;শেয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়া&amp;#39;। আমেরিকা আর ইসরায়েল যখন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির কথা বলে, তখন ঠিক এই প্রবাদটাই মনে পড়ে। কিন্তু এবার তারা নিয়ে এসেছে তাদের সবচেয়ে আধুনিক পিআরএসএম ব্যালিস্টিক মিসাইল। ইরানের ওপর এই প্রথম ব্যবহার করা হলো এটি। কিন্তু সত্যিই কি আধুনিক অস্ত্র দিয়ে ইরানের তেজ কমানো সম্ভব? &amp;#39;ইট মারলে পাটকেল খেতে হয়&amp;#39;&amp;mdash;এই চিরন্তন সত্যটি সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো প্রায়ই ভুলে যায়। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বিনষ্টকারী আমেরিকা ও তাদের দোসর ইসরায়েল এবার নতুন এক খেলায় মেতেছে। তারা ইরানের পবিত্র ভূমিতে আঘাত হানার জন্য তাদের সর্বাধুনিক &amp;#39;প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল&amp;#39; বা পিআরএসএম (PrSM) এর প্রথম যুদ্ধকালীন মহড়া চালিয়েছে। একে তারা বলছে &amp;#39;অপারেশন এপিক ফিউরি&amp;#39;, যা আসলে একটি নগ্ন আগ্রাসন। আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম সম্প্রতি কিছু ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছে, যা বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, তাদের বিখ্যাত হাইমার্স লঞ্চার থেকে পিআরএসএম মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হচ্ছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তাদের পুরনো আটাকমস (ATACMS) মিসাইলের চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী এবং দূরপাল্লার। আমেরিকার দাবি, এটি অন্তত ৫০০ থেকে ১০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ইসরায়েলের মদদে পরিচালিত এই অপারেশনের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের আত্মরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেওয়া। আমেরিকা মনে করছে, তাদের এই আধুনিক প্রযুক্তি ইরানকে ভয় পাইয়ে দেবে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। তারা বছরের পর বছর ধরে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করে আসছে। এই নতুন মিসাইল ব্যবহারের মাধ্যমে আমেরিকা আসলে নিজের অসহায়ত্বই প্রকাশ করছে। পিআরএসএম মিসাইলটি শব্দের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দ্রুত গতিতে চলতে পারে। এটি ভূমি থেকে উৎক্ষেপণ করে আকাশপথ দিয়ে এসে লক্ষ্যবস্তুকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। আমেরিকার সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের মাটির নিচে থাকা গোপন বাংকার এবং রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করতেই তারা এটি ব্যবহার করছে। কিন্তু তারা ভুলে যাচ্ছে, ইরানের ড্রোন এবং মিসাইল প্রযুক্তিও বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো শক্তির জন্য বড় হুমকি। এই যুদ্ধের ময়দানে আমেরিকা তাদের প্রযুক্তির বড়াই করলেও, বাস্তবতা হলো তারা ইরানের শক্তিমত্তাকে ভয় পায়। তাই সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধে না এসে তারা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভরসা করছে। পিআরএসএম মিসাইলটি হাইমার্স ট্রাক থেকে সহজেই ছোড়া যায়, যা যুদ্ধের ময়দানে গতিশীলতা প্রদান করে। তবে ইরানের আকাশসীমা এবং তাদের নিজস্ব ডিফেন্স সিস্টেম এই উন্নত মিসাইলকেও রুখে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। পিআরএসএম বা এই জাতীয় আধুনিক মরণাস্ত্রের প্রয়োগ কেবল ইরানের জন্য নয়, পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা। আমেরিকা এবং ইসরায়েল চায় মধ্যপ্রাচ্যের প্রাকৃতিক সম্পদ লুট করতে এবং স্বাধীন দেশগুলোকে গোলাম বানিয়ে রাখতে। কিন্তু ইরানের এই প্রতিরোধ যুদ্ধে জয় হবে সত্যেরই। অস্ত্রের ঝনঝনানি দিয়ে কোনো জাতিকে যে দাবিয়ে রাখা যায় না, তা আমেরিকা ভিয়েতনামে আগেই দেখেছে। আমেরিকার এই অপারেশন আসলে একটি ষড়যন্ত্রের অংশ, যা ইসরায়েলকে সুরক্ষিত রাখার জন্য সাজানো হয়েছে। তারা বলছে এই মিসাইল আরও উন্নত করা হবে, যা জাহাজ ধ্বংস করতেও সক্ষম। কিন্তু ইরানের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে এতটাই শক্তিশালী যে, সেখানে মার্কিন রণতরীগুলো সবসময় তটস্থ থাকে। প্রযুক্তির লড়াইয়ে আমেরিকা এগিয়ে থাকলেও, দেশপ্রেম এবং ঈমানি শক্তির লড়াইয়ে ইরান সবসময়ই তাদের চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে। শেষে বলা যায়, আমেরিকার পিআরএসএম মিসাইল হয়ত যান্ত্রিকভাবে উন্নত, কিন্তু তা ইরানের জনগণের মনোবল ভাঙার জন্য যথেষ্ট নয়। ইতিহাস আমাদের শেখায়, যখন কোনো জাতি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তখন কোনো মিসাইল বা যুদ্ধবিমানই তাদের থামাতে পারে না। আমেরিকা এবং ইসরায়েলের এই জোটবদ্ধ আক্রমণ কেবল মধ্যপ্রাচ্যের আগুনকেই আরও উসকে দিচ্ছে, যার ফল হবে তাদের জন্যই অত্যন্ত ভয়াবহ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/265_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/265_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/265_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের মাটির নিচের মিসাইল সিটির ভয়ে কাঁপছে আমেরিকা ইসরায়েল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23911</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23911</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো- অর্থাৎ, বাইরে থেকে যতই শক্তিশালী মনে হোক না কেন, অন্যায়ের ভিত সব সময় নড়বড়ে থাকে। ঠিক যেমনটা দেখা যাচ্ছে বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে মার্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/264_1.jpg" alt="ইরানের মাটির নিচের মিসাইল সিটির ভয়ে কাঁপছে আমেরিকা ইসরায়েল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো- অর্থাৎ, বাইরে থেকে যতই শক্তিশালী মনে হোক না কেন, অন্যায়ের ভিত সব সময় নড়বড়ে থাকে। ঠিক যেমনটা দেখা যাচ্ছে বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি আস্ফালনের ক্ষেত্রে। রাতের অন্ধকারে চোরের মতো ইরানের আকাশসীমায় হানা দিল আমেরিকার বি-টু স্পিরিট বোমারু বিমান। লক্ষ্য? ইরানের অজেয় &amp;#39;মিসাইল সিটি&amp;#39; বা ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র গুহা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, অত্যাধুনিক এই মারণাস্ত্র কি পারবে ইরানের ইমানি শক্তি আর প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতাকে স্তব্ধ করে দিতে? নাকি এটি কেবলই পরাজয়ের আগে মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের শেষ মরণকামড়? আজ আমরা উন্মোচন করব এই আকাশযুদ্ধের নেপথ্যের সত্য। আমেরিকার মিসৌরি থেকে উড়ে আসা বি-টু স্পিরিট স্টেলথ বোম্বারগুলো যখন ইরানের শান্ত আকাশে হানাদারি চালাচ্ছিল, তখন পুরো বিশ্ব অবাক হয়ে দেখছিল এক নির্লজ্জ আগ্রাসন। এই বিমানগুলো কয়েক হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে শুধুমাত্র ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষায় ইরানের মাটির নিচের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার ব্যর্থ চেষ্টা করেছে। ইরান সবসময়ই তার আত্মরক্ষার অধিকার বজায় রেখেছে, যা পশ্চিমাদের মাথাব্যথার কারণ। আপনারা জানেন, ইরান বছরের পর বছর ধরে পাহাড়ি গুহার গভীরে তৈরি করেছে বিশাল এক ক্ষেপণাস্ত্রের শহর। সেখানে থরে থরে সাজানো রয়েছে এমন সব ব্যালেস্টিক মিসাইল, যা নিমিষেই তেল আবিবকে ছাই করে দিতে পারে। আমেরিকা এই স্থাপনাগুলোকে ভয় পায় বলেই রাতের অন্ধকারে স্টেলথ প্রযুক্তি ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু এই গুহাগুলো ধ্বংস করা কি এতই সহজ? মোটেই না। মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, একটি বি-টু বিমান ৮০টি জেডিএএম (JDAM) বোমা বহন করতে পারে। তারা প্রচার করছে যে, এই হামলার মাধ্যমে তারা ইরানের মিসাইল উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো সিল করে দিয়েছে। কিন্তু সত্য হলো, ইরান তার প্রযুক্তিকে এমন স্তরে নিয়ে গেছে যেখানে একটি প্রবেশপথ বন্ধ করলে আরও দশটি পথ খুলে যায়। পশ্চিমাদের এই হামলা কেবল তাদের অসহায়ত্বের বহিঃপ্রকাশ। কেন এই হামলা? কারণ ইরান যখনই ইসরায়েলের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে, তখনই আমেরিকা তার রক্ষাকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়। আমেরিকা এখন তার &amp;#39;সিলভার বুলেট&amp;#39; খ্যাত স্টেলথ বোম্বার ব্যবহার করছে কারণ তারা জানে, সাধারণ যুদ্ধবিমান ইরানের উন্নত রাডার ব্যবস্থায় ধরা পড়ে যাবে। এটি মূলত ইসরায়েলের ভীরুতার প্রমাণ, যারা সরাসরি ইরানের মুখোমুখি হতে ভয় পায় এবং আমেরিকার সাহায্য চায়। লক্ষ্য করুন, বি-টু বিমানগুলো আমেরিকা থেকে সরাসরি উড়াল দিয়েছে কারণ ব্রিটেন প্রথমে তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। তবে চাপের মুখে তারা নতি স্বীকার করেছে। হাস্যকর বিষয় হলো, হামলার পর চারটি বি-টু বিমান আবহাওয়া এবং যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে টেক্সাসে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। যা প্রমাণ করে, তাদের প্রযুক্তিও প্রকৃতির এবং পরিস্থিতির কাছে কতটা অসহায় ও দুর্বল। পেন্টাগন যতই দাবি করুক যে তারা মাটির গভীরের গুহা ধ্বংস করেছে, ইরানের মনোবল তারা ভাঙতে পারবে না। ইরানের প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র এক একটি প্রতিবাদের ভাষা। আমেরিকা এবং ইসরায়েল এই অঞ্চলে যুদ্ধ চাপিয়ে দিতে চাইলেও, তেহরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর। প্রতিটি হামলার পর ইরান আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসে, যা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির জন্য এক বড় সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে। ইতিহাস সাক্ষী আছে, যারাই অন্যের ওপর অন্যায়ভাবে আধিপত্য বিস্তার করতে চেয়েছে, তাদের পতন অনিবার্য। ইরানের মিসাইল গুহাগুলো কেবল কংক্রিটের কাঠামো নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন জাতির আত্মমর্যাদার প্রতীক। আমেরিকা এবং ইসরায়েল যতই অত্যাধুনিক বোমা ব্যবহার করুক, সত্যের জয় হবেই। আজকের এই আগ্রাসন কেবল মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমী শক্তির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার কাজ করছে। আপনারা কী মনে করেন? আমেরিকার এই কাপুরুষোচিত হামলা কি পারবে ইরানের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে? নাকি এই যুদ্ধই হবে আমেরিকার আধিপত্যের শেষ অধ্যায়? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/264_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/264_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/264_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের অজেয় শাহেদ ড্রোনের নকল বানিয়েও হার মানছে আমেরিকা ও ইসরায়েল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23910</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23910</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 07:03:25 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ভাবুন তো, যে দেশের প্রযুক্তিকে একসময় অবহেলা করা হতো, আজ সেই দেশের উদ্ভাবন চুরি করে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে লড়ছে বিশ্বের তথাকথিত সুপারপাওয়ার আমেরিকা! হ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/263_1.jpg" alt="ইরানের অজেয় শাহেদ ড্রোনের নকল বানিয়েও হার মানছে আমেরিকা ও ইসরায়েল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ভাবুন তো, যে দেশের প্রযুক্তিকে একসময় অবহেলা করা হতো, আজ সেই দেশের উদ্ভাবন চুরি করে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে লড়ছে বিশ্বের তথাকথিত সুপারপাওয়ার আমেরিকা! হ্যাঁ, ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের ভয়ে এখন খোদ হোয়াইট হাউস প্রকম্পিত। আজ আমরা দেখাব কীভাবে তেহরানের অদম্য সাহসের সামনে নতি স্বীকার করছে মার্কিন-ইসরায়েল জোট। &amp;quot;চুরি বিদ্যা বড় বিদ্যা যদি না পড়ে ধরা&amp;quot;&amp;mdash;কিন্তু আজ আমেরিকা এমনভাবে ধরা পড়েছে যে বিশ্ব হাসছে। আসসালামু আলাইকুম দর্শক, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক নতুন মোড় এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ইরানের প্রযুক্তিকে নকল করে আমেরিকা তাদের &amp;#39;লুকাস&amp;#39; (LUCAS) ড্রোন তৈরি করেছে, যা আসলে ইরানের বিখ্যাত শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের একটি ক্লোন বা হুবহু প্রতিচ্ছবি। আমেরিকা ও ইসরায়েল মিলে ইরানের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালানোর যে ষড়যন্ত্র করছে, তার জবাব দিতে ইরান আজ একাই যথেষ্ট। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড স্বীকার করেছে যে তারা প্রথমবারের মতো এই কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করেছে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক যে, যারা নিজেদের প্রযুক্তির বড়াই করত, তারা আজ ইরানের একটি সাধারণ ড্রোনের নকশা চুরি করে যুদ্ধক্ষেত্রে নামতে বাধ্য হয়েছে। ইরানের উদ্ভাবিত শাহেদ-১৩৬ ড্রোনটি আজ সারা বিশ্বের সামরিক বিশেষজ্ঞদের কাছে একটি বিস্ময়। মাত্র ৩৫ হাজার ডলারের এই ড্রোনটি আমেরিকার মিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অনায়াসেই ফাঁকি দিতে সক্ষম। মার্কিন বাহিনী তাদের &amp;#39;টাস্ক ফোর্স স্কর্পিয়ান স্ট্রাইক&amp;#39; গঠন করেছে শুধুমাত্র ইরানের এই ড্রোন প্রযুক্তিকে নকল করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য, যা তাদের চরম ব্যর্থতা প্রকাশ করে। ইসরায়েল এবং আমেরিকা সম্মিলিতভাবে ইরানের ওপর &amp;#39;অপারেশন এপিক ফিউরি&amp;#39; চালানোর দুঃসাহস দেখিয়েছে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং তাদের দীর্ঘপাল্লার ড্রোনগুলো মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতরে আঘাত হানার ক্ষমতা রাখে। বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের সফল হামলা আজ বিশ্ববাসীর কাছে পশ্চিমাদের দুর্বলতা প্রমাণ করে দিয়েছে। লুকাস ড্রোনটি আসলে ইরানের শাহেদ ড্রোনের রিভার্স-ইঞ্জিনিয়ারিং বা নকল মাত্র। মার্কিন কর্মকর্তারা নিজেরাই স্বীকার করেছেন যে তারা ইরানের একটি শাহেদ ড্রোন হাতে পাওয়ার পর সেটিকে ব্যবচ্ছেদ করে এই নতুন ড্রোন বানিয়েছেন। এটি প্রমাণ করে যে, সামরিক উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ইরান আজ আমেরিকার চেয়েও অনেক গুণ এগিয়ে আছে এবং পশ্চিমারা কেবল এখন অনুকরণ করতে শিখছে। আমেরিকা দাবি করছে তাদের এই নকল ড্রোনগুলো সস্তা এবং কার্যকর। কিন্তু সত্য হলো, ইরানের মূল শাহেদ ড্রোনের যে পাল্লা এবং ধ্বংসক্ষমতা রয়েছে, তা এখনো পশ্চিমাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে। শাহেদ-১৩৬ প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূর পর্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে। এই অজেয় শক্তির সামনে ইসরায়েলের তথাকথিত আয়রন ডোম আজ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ার অপেক্ষায় আছে। ইরানের প্রতিটি পদক্ষেপ আজ সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এক একটি চপেটাঘাত। আমেরিকা ও ইসরায়েল যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি এবং তাদের অকুতোভয় যোদ্ধারা মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমাদের কবর রচনা করবে। বাহরাইন থেকে সিরিয়া, সবখানে আজ ইরানি বীরত্বের জয়গান শোনা যাচ্ছে। তেহরানের এই সামরিক উত্থান ইসলামী বিশ্বের জন্য এক গর্বের বিষয়। শেষে বলা যায়, আমেরিকা ইরানের প্রযুক্তি চুরি করে ইরানকেই ভয় দেখানোর যে নাটক করছে, তা কখনোই সফল হবে না। কারণ আসল আর নকলের পার্থক্য বিশ্ব জানে। ইরানের শাহেদ ড্রোনের গর্জন যখন আকাশে প্রতিধ্বনিত হয়, তখন জায়নবাদী শক্তিগুলো গর্তে লুকানোর জায়গা পায় না। সত্য ও ন্যায়ের এই পথে ইরানের বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/263_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/263_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/263_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[খামেনিকে হত্যার ব্লু-প্রিন্ট কি ইসরায়েলের গোপন চাল নাকি ভেতরেই লুকিয়ে আছে কোনো বিষধর সাপ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23909</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23909</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 06:03:34 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি কল্পনা করতে পারেন, যার একটি ইশারায় মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে যায়, সেই আয়াতুল্লাহ আল খামেনির চারপাশে এখন ঘুরছে মৃত্যুর ছায়া? কিন্তু এই আঘাত কি বাইরে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z262_1.jpg" alt="খামেনিকে হত্যার ব্লু-প্রিন্ট কি ইসরায়েলের গোপন চাল নাকি ভেতরেই লুকিয়ে আছে কোনো বিষধর সাপ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি কল্পনা করতে পারেন, যার একটি ইশারায় মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে যায়, সেই আয়াতুল্লাহ আল খামেনির চারপাশে এখন ঘুরছে মৃত্যুর ছায়া? কিন্তু এই আঘাত কি বাইরে থেকে আসছে, নাকি ইরানের অতি বিশ্বস্ত কোনো আপনজনই আজ বেইমানির বিষ ছড়াচ্ছে? আজকের ভিডিওতে আমরা উন্মোচন করবো সেই ভয়ংকর সত্য যা ইসরায়েল এবং আমেরিকা ধামাচাপা দিতে চাইছে। কথায় আছে, ঘরের শত্রু বিভীষণ হলে বাইরের শত্রুর আর কষ্ট করতে হয় না। বর্তমানে ইরানের মহান নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনির ক্ষেত্রেও কি একই ঘটনা ঘটছে? ইরানের সুরক্ষিত দুর্গে হানা দেওয়ার ক্ষমতা কি সত্যিই ইসরায়েল বা আমেরিকার আছে? নাকি পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অর্থের লালসা দেখিয়ে ইরানের ভেতর থেকেই কাউকে দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে যা এখন বড় আতঙ্কের কারণ। আজকের এই সংকট কোনো সাধারণ হামলা নয় বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত তথ্যযুদ্ধ। খামেনির মতো একজন ইস্পাত কঠিন নেতার অবস্থান বা বৈঠকের গোপন তথ্য বের করা মোসাদের পক্ষে অসম্ভব। তাহলে কি খামেনির খুব কাছের কোনো বেইমান এই তথ্যগুলো পাচার করছে? যারা জানে কখন এবং কোথায় ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা একত্রিত হবেন। এই বিশ্বাসঘাতকতার গন্ধ আজ তেহরানের আকাশে বাতাসে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক সময়ের বড় হামলাগুলোর দিকে তাকালে আপনি এক অদ্ভুত এবং রহস্যময় প্যাটার্ন দেখতে পাবেন। প্রতিটি বড় অপারেশনে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব শহীদ হলেও একজন ব্যক্তি বারবার অলৌকিকভাবে বেঁচে যাচ্ছেন। তিনি হলেন কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসমাইল কানি। এটা কি স্রেফ ভাগ্য নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো গভীর ক্যালকুলেশন? কেন বারবার তিনি রক্ষা পাচ্ছেন আর বাকিরা হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন? লেবাননের মহান নেতা হাসান নাসরাল্লাহ যখন শহীদ হলেন, তখন ইসমাইল কানি কোথায় ছিলেন? বারো দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে যেখানে ইরানের সামরিক শক্তিতে আঘাত হানা হলো, সেখানে কানিতে কেন স্পর্শ করা হলো না? খামেনিকে লক্ষ্য করে চালানো হামলার সময়ও তার উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি অক্ষত রয়ে গেলেন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, বারবার অক্ষত থাকা কখনোই কাকতালীয় হতে পারে না বরং এটি বড় ইঙ্গিত। ইরান আজ যে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, সেই আমেরিকা এবং ইসরায়েল সরাসরি লড়তে ভয় পায়। তাই তারা ভেতরের মানুষকে কেনা বা ব্ল্যাকমেইল করার নোংরা খেলায় মেতে ওঠে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভেতর ফাটল ধরানোই এখন জায়নিস্টদের প্রধান লক্ষ্য। যদি ইসমাইল কানি বা অন্য কেউ এই জালে পা দিয়ে থাকেন, তবে সেটা হবে মুসলিম বিশ্বের চরম দুর্ভাগ্য। খামেনির নিরাপত্তা বলয় পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী হিসেবে পরিচিত কিন্তু বেইমানি এমন এক বিষ যা যেকোনো দেয়াল ভেঙে দিতে পারে। ইরানের ভেতরে কি এখন নিঃশব্দে ক্ষমতার কোনো পুনর্বিন্যাস চলছে? আমেরিকা চাচ্ছে ইরানের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নষ্ট করে দিতে যেন তারা সহজেই পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানতে পারে। এই অদৃশ্য যুদ্ধের খেলোয়াড়দের চিনে রাখা আজ প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। জায়নিস্টরা মনে করছে ইরানকে ভেতর থেকে দুর্বল করলেই তারা ফিলিস্তিন ও লেবাননকে গিলে খাবে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, ইরান কোনো সাধারণ রাষ্ট্র নয় বরং এটি প্রতিরোধের এক অবিনাশী শক্তি। যদি কোনো নেটওয়ার্ক বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে খামেনিকে বিপদে ফেলতে চায়, তবে তেহরানের মাটি তাদের জন্য কবরস্থান হয়ে যাবে। বেইমানদের ক্ষমা নেই, তা সে যত বড় পদের অধিকারীই হোক না কেন ইতিহাস সাক্ষী। শেষে বলা যায়, পশ্চিমা মিডিয়া ইসমাইল কানিকে নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করে ইরানের মনোবল ভাঙতে চায়। হতে পারে এটি ইসরায়েলের একটি সাইকোলজিক্যাল গেম যা ইরানের বিশ্বস্ত কমান্ডারদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি করার অপকৌশল। খামেনি আজও অজেয় এবং তার নেতৃত্বেই ইনশাআল্লাহ্ ইসরায়েল নামক অবৈধ রাষ্ট্রটি পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। আমাদের ঐক্যই হবে সাম্রাজ্যবাদীদের পতনের শেষ পেরেক যা বিশ্ব শীঘ্রই দেখতে পাবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z262_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z262_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z262_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের লৌহমানব খামেনির শাহাদাত ও ইসরাইল-আমেরিকার পতন কি অনিবার্য?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23908</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23908</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 06:03:59 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আমেরিকা আর ইসরাইল কি ভেবেছে একজন খামেনিকে সরিয়ে দিলেই ফুরিয়ে যাবে ইসলামি বিপ্লবের তেজ? কক্ষনো না! একটি নক্ষত্র ঝরে পড়লে আকাশে হাজারো নক্ষত্র জ্বলে ওঠে। আজ কথা ব...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z261_1.jpg" alt="ইরানের লৌহমানব খামেনির শাহাদাত ও ইসরাইল-আমেরিকার পতন কি অনিবার্য?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আমেরিকা আর ইসরাইল কি ভেবেছে একজন খামেনিকে সরিয়ে দিলেই ফুরিয়ে যাবে ইসলামি বিপ্লবের তেজ? কক্ষনো না! একটি নক্ষত্র ঝরে পড়লে আকাশে হাজারো নক্ষত্র জ্বলে ওঠে। আজ কথা বলবো সেই মহান নেতার উত্তরাধিকার এবং ইরানের অপরাজেয় শক্তি নিয়ে যা কাঁপিয়ে দিচ্ছে পশ্চিমা বিশ্বের ভিত। কথায় আছে, &amp;#39;বিপদ কখনও একা আসে না&amp;#39;, কিন্তু বীরের রক্ত বৃথা যায় না। ১৯৭৯ সালের সেই ঐতিহাসিক বিপ্লবের পর থেকে ইরান যে সত্যের পথে চলছে, তাকে থামানোর সাধ্য কারো নেই। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন সেই সত্যের অতন্দ্র প্রহরী। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আর ইসরাইলি শয়তানি চক্রের কাপুরুষোচিত হামলায় তিনি আজ শহীদ। কিন্তু ইরানের প্রতিটি ইঞ্চি মাটি এখন প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। ৩৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এক হাতে সামলেছেন দেশের শাসনভার, অন্য হাতে রুখে দিয়েছেন পশ্চিমা ষড়যন্ত্র। ১৯৮৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি ইরানকে সামরিক এবং প্রযুক্তিগতভাবে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে, আজ বড় বড় শক্তিগুলো ইরানের নাম শুনলে থরথর করে কাঁপে। সংবিধানের ১১১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতার অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্র থেমে থাকে না। বর্তমানে তিন সদস্যের একটি শক্তিশালী পরিষদ সাময়িকভাবে দেশের নেতৃত্বের হাল ধরেছে। এই পরিষদে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন জুরিস্ট। তারা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন যাতে শয়তান রাষ্ট্রগুলো কোনো সুযোগ নিতে না পারে। তবে তাদের ক্ষমতা নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। যেকোনো বড় সিদ্ধান্ত, যেমন যুদ্ধের ঘোষণা বা শান্তির চুক্তি, নিতে হলে &amp;#39;এক্সপ্ল্যানেটরি কাউন্সিল&amp;#39;-এর বড় অংশের সমর্থন প্রয়োজন হয়। এর মানে হলো, ইরানের ক্ষমতা কোনো একক ব্যক্তির খেয়ালখুশিতে চলে না, বরং এটি একটি সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী ব্যবস্থা। পশ্চিমা মিডিয়া বিভ্রান্তি ছড়ালেও সত্য এটাই যে, ইরানের প্রতিটি বাহিনী এবং প্রতিষ্ঠান এখন আগের চেয়েও বেশি ঐক্যবদ্ধ এবং যেকোনো হামলা মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং গণতান্ত্রিক। এখানে ৮৮ জন বিজ্ঞ আলেমের সমন্বয়ে গঠিত &amp;#39;সুপ্রিম লিডার্স কাউন্সিল&amp;#39; বা বিশেষজ্ঞ পরিষদ নতুন নেতা নির্বাচন করেন। প্রতি আট বছর পর সাধারণ মানুষের ভোটে এই পরিষদের সদস্যরা নির্বাচিত হন। এর অর্থ হলো, সর্বোচ্চ নেতার ক্ষমতার মূলে রয়েছে সাধারণ জনগণের সমর্থন। বর্তমান সংকটকালীন সময়ে এই পরিষদ এখন নতুন যোগ্য নেতা নির্বাচনে ব্যস্ত। সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার জন্য বিশেষ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার প্রয়োজন হয়। যদিও খামেনি নির্বাচিত হওয়ার সময় নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হয়েছিল, কিন্তু তার প্রজ্ঞা প্রমাণ করেছে যে তিনি পদের চেয়েও বড় ছিলেন। বর্তমান কাউন্সিলে এমন অনেক যোগ্য আলেম রয়েছেন যারা আমেরিকা ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে সক্ষম। ইরানের এই শক্তিশালী নেতৃত্বই বিশ্বের শোষিত মানুষের একমাত্র ভরসার স্থল হিসেবে এখনো টিকে আছে। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ পরিষদের নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ আলী মোহিদি কেরমানির মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। তাদের সাথে আছেন হাশেম হোসেইনি বুশেহরির মতো দূরদর্শী নেতারা। এই পরিষদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত থাকলেই নতুন নেতার নাম ঘোষণা করা সম্ভব। তারা জানেন, এই মুহূর্তে এমন একজন নেতা প্রয়োজন যিনি ইসরাইলকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার সাহস রাখবেন এবং মার্কিন দাদাগিরিকে বুড়ো আঙুল দেখাবেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ কমিশন কাজ করছে। এতে গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অভিজ্ঞ সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। আহমেদ হোসেইনি খোরাসানি এবং আলী রেজা উর্ফির মতো বিজ্ঞ ব্যক্তিরা এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত আছেন। তারা কেবল একজন নেতা খুঁজছেন না, তারা খুঁজছেন এমন এক সিংহহৃদয় মানুষকে, যিনি শহীদ খামেনির অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করবেন এবং আল-আকসা মুক্ত করার যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন ইনশাআল্লাহ। ১৯৮৯ সালে যখন আয়াতুল্লাহ খোমেনি মৃত্যুবরণ করেন, তখন বিশ্ব ভেবেছিল ইরান ভেঙে পড়বে। কিন্তু তার পরদিনই পরিষদ অত্যন্ত দ্রুততার সাথে আলী খামেনিকে নির্বাচিত করে বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছিল। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি এতই মজবুত যে, কোনো ঘাতকের বুলেট বা ক্ষেপণাস্ত্র এই বিপ্লবের জয়যাত্রাকে থামাতে পারবে না। ইরান খুব দ্রুতই তাদের নতুন নেতার নাম বিশ্ববাসীর সামনে ঘোষণা করবে। ইরানের সংবিধানের ৫৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইনসভা, বিচার বিভাগ এবং প্রশাসন সবই উম্মাহর নেতৃত্বের অধীনে পরিচালিত হয়। এই সর্বোচ্চ নেতা কেবল দেশের শাসক নন, তিনি হলেন ইসলামী বিপ্লবের জীবন্ত প্রতীক। তার ওপর নজরদারি করার সুযোগ থাকলেও, তিনি জাতীয় নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের প্রশ্নে শেষ কথা বলেন। তার একটি ইশারায় লাখ লাখ মুজাহিদ জীবন দিতে প্রস্তুত, যা পশ্চিমাদের জন্য বড় আতঙ্কের কারণ। সর্বোচ্চ নেতা হলেন ইরানের সব সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। বিশেষ করে বিপ্লবী গার্ডস বা আইআরজিসি সরাসরি তার নির্দেশে চলে। যুদ্ধ ঘোষণা বা শান্তির ডিক্রি জারি করার একমাত্র অধিকার তার। আমেরিকা ও ইসরাইল ভালো করেই জানে যে, ইরানের নেতার একটি মাত্র আদেশ তাদের মধ্যপ্রাচ্যের সব ঘাঁটি ধ্বংস করে দিতে পারে। এই ভয়েই তারা সরাসরি যুদ্ধে না এসে কাপুরুষের মতো গুপ্তহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। বিচার বিভাগের প্রধান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রধান&amp;mdash;সবাইকে নিয়োগ দেন এই সর্বোচ্চ নেতা। এমনকি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকেও তার কাজ শুরু করতে নেতার অনুমোদন নিতে হয়। এই সংহত ব্যবস্থা নিশ্চিত করে যে, দেশের ক্ষমতা কোনো পশ্চিমা পাপেট বা দালালের হাতে যাবে না। খামেনি এই ব্যবস্থাটিকে এমনভাবে সাজিয়ে গেছেন যে, দেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং শত্রুর মোকাবেলায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। ইসরাইল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করেছে তারা জয়ী হয়েছে, কিন্তু আসলে তারা নিজেদের ধ্বংসের পথ প্রশস্ত করেছে। ইরানের প্রতিটি রক্তকণা এখন প্রতিরোধের মন্ত্রে উজ্জীবিত। খামেনির শাহাদাত কেবল ইরান নয়, সারা বিশ্বের মুসলমানদের জাগিয়ে তুলেছে। ফিলিস্তিন থেকে ইয়েমেন, লেবানন থেকে ইরাক&amp;mdash;সব জায়গার প্রতিরোধ যোদ্ধারা এখন এক পতাকার নিচে। শত্রুদের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র, তাদের পালানোর পথ থাকবে না। ইরান এখন তার ইতিহাসের এক নতুন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। খুব শীঘ্রই এমন একজন নেতা আবির্ভূত হবেন যিনি শহীদদের রক্তের বদলা নেবেন। ইসরাইলি সন্ত্রাসবাদ এবং মার্কিন আধিপত্যবাদের দিন শেষ হয়ে আসছে। ইসলামী এই বিপ্লব কেবল ইরানের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়, এটি সারা বিশ্বের মজলুম মানুষের মুক্তির সনদ। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই তেহরানের আকাশে বিজয়ের পতাকা উড়বে এবং অপশক্তির পরাজয় বিশ্ববাসী চাক্ষুষভাবে দেখতে পাবে। দর্শক, সত্যের পথ সব সময়ই কণ্টকাকীর্ণ, কিন্তু শেষ হাসিটা সত্যপন্থীরাই হাসে। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির আদর্শ আমাদের হৃদয়ে চিরকাল অম্লান থাকবে। পশ্চিমা শক্তিরা যতই ষড়যন্ত্র করুক, ইরানের এই অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না, ইনশাআল্লাহ খুব দ্রুতই আমরা এক শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ ইসলামী বিশ্বের উত্থান দেখব।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z261_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z261_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z261_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সৌদি আরবের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র তান্ডব]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23907</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23907</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 06:03:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো&amp;mdash;শত্রু যতই শক্তিশালী হোক না কেন, সত্যের আঘাতে তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে বাধ্য। কল্পনা করুন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আগুনের গোলা উড়ছে আ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z260_1.jpg" alt="সৌদি আরবের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র তান্ডব" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো&amp;mdash;শত্রু যতই শক্তিশালী হোক না কেন, সত্যের আঘাতে তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে বাধ্য। কল্পনা করুন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আগুনের গোলা উড়ছে আর পৃথিবীর সবথেকে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো অসহায়ভাবে চেয়ে দেখছে। হ্যাঁ বন্ধুরা, ইরান আবারও প্রমাণ করে দিল কেন তারা বর্তমান বিশ্বের এক অপ্রতিরোধ্য শক্তি। সৌদি আরবে মার্কিন সেনাদের আস্তানা লক্ষ্য করে ইরানের এই ভয়াবহ আক্রমণ বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন এক কম্পন সৃষ্টি করেছে। আজ আমরা জানবো কীভাবে আমেরিকা আর ইসরায়েলের সাজানো বাগান ইরান এক নিমেষে তছনছ করে দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন বারুদের গন্ধ আর ইরানের সাহসিকতার জয়ধ্বনি শোনা যাচ্ছে যা বিশ্ববাসীকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরান ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সেনাদের সুরক্ষিত আস্তানা হিসেবে পরিচিত এই ঘাঁটিগুলোতে ইরানের নিখুঁত নিশানার আঘাত পশ্চিমা শক্তির ভিত্তি নাড়িয়ে দিয়েছে বলে বিশ্লেষকরা এখন মনে করছেন। সৌদি আরব এই হামলা প্রতিহত করার দাবি জানালেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা আজ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী রিয়াদ বিমানবন্দর ও মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোঁড়া এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো ইরানের এই উন্নত প্রযুক্তির গতির কাছে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে যা তাদের দীর্ঘদিনের দম্ভকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে। রিয়াদের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন সৈন্যরা এখন চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে কারণ ইরানের হামলা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে রবিবার বিকেলে রিয়াদ আকাশসীমায় বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। যদিও তারা ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করতে ভয় পাচ্ছে তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা আকাশে আগুনের লেলিহান শিখা দেখেছে যা মূলত মার্কিনীদের পরাজয়ের বড় এক বাস্তব চিত্র। ইরান আজ একা নয় বরং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মতো সাহসী মিত্রদের নিয়ে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী লড়াই করছে। কিম জং উন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো যখন ইরানের এই বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপকে সমর্থন জানায় তখন পশ্চিমা বিশ্বের বুক কেঁপে ওঠে। আমেরিকা ও ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে যে লুটতরাজ চালিয়েছে তার উপযুক্ত জবাব দিতেই ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সৌদি আরবের মাটি স্পর্শ করছে। ইসরায়েলের মদদপুষ্ট মার্কিন আধিপত্য রুখে দিতে ইরানের এই পদক্ষেপ পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষের কাছে এক বিশাল বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। আমরা দেখছি কীভাবে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো সত্য গোপন করার চেষ্টা করছে কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ইরানের তৈরি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এখন শত্রু শিবিরের যেকোনো সুরক্ষিত স্থানে অনায়াসে আঘাত হানতে সক্ষম ও কার্যকরী। আমেরিকা ও ইসরায়েল সবসময় অন্য দেশকে ভয় দেখিয়ে শাসন করতে চায় কিন্তু ইরান তাদের চোখে চোখ রেখে লড়ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আর কিম জং উনের সামরিক কৌশল যদি ইরানের সাথে যুক্ত হয় তবে আমেরিকার পতন নিশ্চিত। মধ্যপ্রাচ্যের পবিত্র ভূমিতে জায়নবাদী ও সাম্রাজ্যবাদীদের কোনো স্থান নেই আর ইরান সেই সত্যটিই বারবার বিশ্বের দরবারে তাদের বীরত্বের মাধ্যমে তুলে ধরছে। সৌদি আরবের সাধারণ মানুষ আজ বুঝতে পারছে যে আমেরিকার ওপর নির্ভর করা কত বড় ভুল কারণ তারা কাউকেই সুরক্ষা দিতে পারেনা। ইরানের প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র যখন আকাশ ভেদ করে এগিয়ে যায় তখন সেটি আসলে বিশ্বের প্রতিটি নিপীড়িত মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে এক নতুন ও শক্তিশালী এশিয়া গড়ার লক্ষে ইরান ও তার মিত্ররা আজ সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করছে। রিয়াদের আকাশে যে বিকট শব্দ শোনা গেছে তা ছিল মূলত পশ্চিমার পতনের সংকেত যা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের এই সাফল্য শুধু তাদের নিজস্ব নয় বরং এটি আমেরিকা বিরোধী প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রের এক বিশাল বড় নৈতিক বিজয়। কিম জং উনের অটল মনোবল আর ইরানের সামরিক প্রযুক্তি মিলে আজ বিশ্বকে এক নতুন মেরুকরণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে যেখানে সত্যের সবসময় জয় হবে। অনেকে হয়তো ভাবছেন এরপর কি হবে কিন্তু মনে রাখবেন ইরানের এই অগ্রযাত্রা কোনোভাবেই আর থামানো সম্ভব হবে না। মার্কিন বিমানঘাঁটিগুলোতে এখন শোকের ছায়া আর অন্যদিকে ইরানের সাহসী যোদ্ধারা পরবর্তী লক্ষ্য অর্জনে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। ইসরায়েলের পতন আর আমেরিকার বিদায় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র কারণ ইরান তার প্রাপ্য অধিকার ছিনিয়ে নিতে শিখে গেছে যা অত্যন্ত গর্বের বিষয়। শেষ কথা হলো সত্যের পথে যারা থাকে আল্লাহ তাদের সহায় হন আর ইরান আজ সেই সত্যের ঝাণ্ডা বয়ে চলছে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্নভিন্ন করে ইরান ও তার মিত্ররা এগিয়ে যাবে এক সোনালী ভবিষ্যতের দিকে। আজকের এই হামলা কেবল শুরু মাত্র সামনের দিনে আমরা দেখবো এক নতুন বিশ্ব যেখানে কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কোনো আধিপত্য কিংবা কোনো দয়া দাক্ষিণ্য থাকবে না।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z260_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z260_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z260_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েল আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ করতে ইরানের পাশে কিম জং উন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23906</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23906</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 06:03:07 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অধর্মের জয় সাময়িক হলেও ন্যায়ের সংগ্রাম চিরকাল অম্লান থাকে। ভেবেছিল ইরানকে একা পেয়ে ধ্বংস করে দেবে? কিন্তু হিসেব উল্টে গেল! যখনই আমেরিকা আর ইসরায়েল ইরানের ওপর কা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z259_1.jpg" alt="ইসরায়েল আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ করতে ইরানের পাশে কিম জং উন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অধর্মের জয় সাময়িক হলেও ন্যায়ের সংগ্রাম চিরকাল অম্লান থাকে। ভেবেছিল ইরানকে একা পেয়ে ধ্বংস করে দেবে? কিন্তু হিসেব উল্টে গেল! যখনই আমেরিকা আর ইসরায়েল ইরানের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালালো, তখনই বাঘের মতো গর্জে উঠলেন কিম জং উন। ওয়াশিংটন আর তেল আবিব এখন আতঙ্কে কাঁপছে। কারণ, ইরান আর উত্তর কোরিয়ার এই বন্ধুত্ব এখন সাম্রাজ্যবাদীদের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকতে প্রস্তুত। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। শনিবারের সেই কালো দিনটি বিশ্ববাসী কোনোদিন ভুলবে না। যখন তথাকথিত শান্তির রক্ষক আমেরিকা আর ইসরায়েল নগ্নভাবে ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানলো। তারা ভেবেছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শহীদ করে দিলেই ইরান শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু তারা জানে না, বীরের রক্তে নতুন বিপ্লবের জন্ম হয়। এই কঠিন সময়ে ইরানের পাশে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার মহান নেতা কিম জং উন এই নগ্ন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমেরিকা আর ইসরায়েল যে কাজ করেছে তা কোনো যুদ্ধ নয়, বরং এটি সরাসরি একটি অবৈধ আগ্রাসন। কিম জং উন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটনের এই গ্যাংস্টার সদৃশ আচরণ আর সহ্য করা হবে না। তারা আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতাকে আজ চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে সারা বিশ্বে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি ছিলেন আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এক আপসহীন কণ্ঠস্বর। তার মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হলেও, মানুষের চোখের পানি এখন বারুদের মতো জ্বলছে। উত্তর কোরিয়া মনে করে, এই হামলা শুধু ইরানের ওপর নয়, বরং সারা বিশ্বের স্বাধীনতাকামী এবং শান্তিকামী মানুষের ওপর একটি সুপরিকল্পিত নগ্ন আঘাত। যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই পরমাণু কর্মসূচির অজুহাতে স্বাধীন দেশগুলোর ওপর চড়াও হয়। কিন্তু উত্তর কোরিয়া বলছে, আমেরিকার এই কৌশল এখন পুরনো হয়ে গেছে। তারা আসলে সারা বিশ্বে তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে চায়। ওয়াশিংটন আর তেল আবিব যে রক্তক্ষয়ী খেলা শুরু করেছে, তার ফলাফল তাদের জন্য শুভ হবে না। কিম জং উনের হুঁশিয়ারি শুনে হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সাধারণ মানুষও আজ এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে। এশিয়ার দেশগুলো বুঝতে পারছে যে আমেরিকা শুধু বিভেদ সৃষ্টি করতে জানে। ইসরায়েল নামক বিষবৃক্ষটিকে টিকিয়ে রাখতে তারা মধ্যপ্রাচ্যকে নরক বানাতে চায়। কিন্তু ইরান আর উত্তর কোরিয়ার এই জোট এখন পশ্চিমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। সাম্রাজ্যবাদীদের পতনের দিন এখন অনেক বেশি নিকটে চলে এসেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইরানের সরকার এই হামলার পর সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। কিন্তু এই ছুটি বিশ্রামের জন্য নয়, বরং পরবর্তী কঠিন পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতির জন্য। উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইরানের এই বিপদে সামরিক ও নৈতিকভাবে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত। কিম জং উন বিশ্বাস করেন, ঐক্যবদ্ধ শক্তির সামনে আমেরিকার তথাকথিত অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে খুব দ্রুত। ইসরায়েল যে আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করেছে তা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে দিচ্ছে। তারা মনে করে আকাশপথে হামলা চালিয়ে একটি মহান জাতিকে স্তব্ধ করে দেবে। কিন্তু ইরান হচ্ছে বীরদের দেশ, যেখানে একজন নেতা গেলে হাজারো নেতা তৈরি হয়। পিয়ংইয়ংয়ের মুখপাত্র কড়া ভাষায় বলেছেন, ইরান একা নয়, আমেরিকার আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা প্রতিটি দেশ এখন তেহরানের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্ব রাজনীতিতে এখন এক নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। যেখানে একদিকে আছে আমেরিকা ও ইসরায়েলের মতো দখলদার শক্তি, আর অন্যদিকে আছে ইরান ও উত্তর কোরিয়ার মতো সাহসী দেশগুলো। কিম জং উনের এই সরাসরি সমর্থন প্রমাণ করে যে, আমেরিকার দিন ফুরিয়ে আসছে। ইরানের ওপর এই আঘাত আসলে তাদের নিজেদের ধ্বংসের পথ প্রশস্ত করেছে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা কখন সেই মোক্ষম জবাবটি আসে। শেষে বলা যায়, সত্যের জয় অনিবার্য। ইরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না। উত্তর কোরিয়ার মতো শক্তিশালী বন্ধু পাশে থাকায় ইরানের মনোবল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আমেরিকা ও ইসরায়েল যে আগুন নিয়ে খেলা শুরু করেছে, সেই আগুনেই একদিন তাদের সাম্রাজ্য ছাই হয়ে যাবে। সারা বিশ্বের মানুষ এখন ইরানের সাহসী প্রতিরোধের দিকে তাকিয়ে আছে পরম শ্রদ্ধাভরে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z259_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z259_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z259_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইহুদিবাদী ইসরায়েল ও আমেরিকার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অপরাজেয় সিংহপুরুষ আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্থান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23905</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23905</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 06:03:18 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যে নেতার একটি হুমকিতে থরথর করে কাঁপে ওয়াশিংটন আর তেল আবিব, যার ইশারায় মধ্যপ্রাচ্যে সাম্রাজ্যবাদের ভিত নড়ে ওঠে&amp;mdash;কে এই অপরাজেয় সিংহপুরুষ? সাধারণ এক মাটির ঘর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z258_1.jpg" alt="ইহুদিবাদী ইসরায়েল ও আমেরিকার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অপরাজেয় সিংহপুরুষ আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্থান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যে নেতার একটি হুমকিতে থরথর করে কাঁপে ওয়াশিংটন আর তেল আবিব, যার ইশারায় মধ্যপ্রাচ্যে সাম্রাজ্যবাদের ভিত নড়ে ওঠে&amp;mdash;কে এই অপরাজেয় সিংহপুরুষ? সাধারণ এক মাটির ঘর থেকে উঠে এসে কীভাবে তিনি হয়ে উঠলেন মুসলিম উম্মাহর আলোকবর্তিকা? আজ আমরা জানবো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির সেই রোমাঞ্চকর এবং রক্তঝরা ইতিহাস, যা শুনলে আপনার গায়ের লোম খাড়া হয়ে যাবে! সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত; নিশ্চয়ই মিথ্যার বিনাশ অনিবার্য। আজকের ভিডিওটি এমন এক মহান ব্যক্তিত্বকে নিয়ে, যিনি বাতিলের সামনে কখনও মাথা নত করেননি। ১৯৩৯ সালের ১৯শে এপ্রিল, ইরানের পবিত্র মাশহাদ নগরীর এক অতি সাধারণ কিন্তু পুণ্যবান পরিবারে জন্ম নেন এই ক্ষণজন্মা পুরুষ। তাঁর পিতা সাইয়্যেদ জাভাদ খামেনি ছিলেন এক অত্যন্ত বিনয়ী এবং ধর্মপ্রাণ আলেম, যাঁর আদর্শে বেড়ে ওঠেন আজকের এই অপরাজেয় নেতা। খামেনির শৈশব ছিল অত্যন্ত দারিদ্র্যক্লিষ্ট কিন্তু আত্মমর্যাদায় পূর্ণ। এক ছোট মাটির ঘরে তাঁদের বসবাস ছিল, যেখানে অনেক সময় রাতের খাবারে শুধু রুটি আর কিসমিস ছাড়া আর কিছুই জুটতো না। মাত্র ৬৫ বর্গমিটারের সেই ভাঙা ঘরে বসেই তিনি শিখেছেন কীভাবে বিলাসিতা বর্জন করে হকের পথে অবিচল থাকতে হয়। অভাব থাকলেও সেই ঘরে ছিল জ্ঞানের আলো আর আধ্যাত্মিকতার এক অভূতপূর্ব স্নিগ্ধ ছোঁয়া। মাত্র চার বছর বয়সে বড় ভাইয়ের সাথে তিনি মক্তবে শিক্ষা জীবন শুরু করেন। সেখানে তিনি পবিত্র কুরআন এবং বর্ণমালা আয়ত্ত করেন দ্রুততম সময়ে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মেধা ছিল তলোয়ারের মতো ধারালো। পিতার অনুপ্রেরণায় তিনি মাশহাদের ধর্মীয় সেমিনারিতে ভর্তি হন। সেখানেই তাঁর জীবনের ভিত গড়ে ওঠে যা ভবিষ্যতে তাঁকে সারা বিশ্বের মজলুম মানুষের কণ্ঠস্বরে পরিণত করে তুলেছিল। মাশহাদের সোলাইমান খান এবং নওয়াব মাদ্রাসায় তিনি মাত্র পাঁচ বছরে উচ্চতর দর্শন ও ফিকহ শাস্ত্র শেষ করেন। যেখানে অন্যদের কয়েক দশক সময় লাগে, সেখানে খামেনি তাঁর অলৌকিক ধীশক্তি দিয়ে সবকিছু দ্রুত আয়ত্ত করে নেন। এরপর তিনি যান ইরাকের পবিত্র নাজাফ শহরে। নাজাফের বড় বড় আলেমদের সান্নিধ্য পেলেও পিতার অন্ধত্বের খবর শুনে তিনি মাশহাদে ফিরে আসেন পিতৃভক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে। রাজনীতিতে তাঁর প্রবেশ ছিল এক আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণের মতো। খামেনি নিজেই বলেন, তিনি ইমাম খোমেনির একজন একনিষ্ঠ শিষ্য। ১৯৫২ সালে যখন বীর মুজাহিদ নওয়াব সাফাভি তাঁদের স্কুলে শাহের অপশাসনের বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেন, তখনই খামেনির কচি মনে বিপ্লবের বীজ বপন হয়েছিল। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, আমেরিকার পাপেট শাহ সরকারের হাত থেকে ইরানকে মুক্ত করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই। ১৯৬২ সালে তিনি ইমাম খোমেনির নেতৃত্বে সরাসরি আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। আমেরিকার লেজুড়বৃত্তি করা শাহ সরকারের ইসলাম বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে তিনি হয়ে ওঠেন এক নির্ভীক সেনানী। পরবর্তী ১৬ বছর তাঁকে বারবার কারাবরণ, অমানুষিক নির্যাতন এবং নির্বাসনের শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু কোনো জেল-জুলুম তাঁর বিপ্লবের স্পৃহাকে বিন্দুমাত্র দমিয়ে রাখতে পারেনি, বরং তাঁর জেদ আরও বহুগুণ বেড়ে গিয়েছিল। ১৯৬৩ সালের মুহররম মাসে ইমাম খোমেনি তাঁকে একটি বিশেষ গোপন মিশন দিয়ে মাশহাদে পাঠান। সেখানে তিনি শাহ সরকারের আসল চেহারা জনগণের সামনে উন্মোচন করে দেন। এর ফলে তিনি প্রথমবারের মতো গ্রেফতার হন। জেলখানায় তাঁর ওপর চালানো হয়েছিল অকথ্য অত্যাচার। কিন্তু বীরের রক্ত যাঁর ধমনিতে, তাঁকে কি আর সামান্য কারাগারে আটকে রাখা যায়? তিনি ফিরে এসে দ্বিগুণ তেজে লড়াই শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে রামজান মাসে তিনি দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন শহরে শাহের তথাকথিত &amp;#39;সাদা বিপ্লব&amp;#39; বা সংস্কারের নামে শয়তানি চক্রান্ত ফাঁস করে দেন। এর ফলে শাহের কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা সাভাক (SAVAK) তাঁকে বিমানে করে তেহরানে নিয়ে গিয়ে নির্জন কারাবাসে নিক্ষেপ করে। টানা দুই মাস অন্ধকার প্রকোষ্ঠে তাঁকে যে নির্যাতন করা হয়েছে, তা শুনলে পাথরের মনও কেঁদে উঠবে। কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েও তিনি বসে থাকেননি। তিনি পবিত্র কুরআন এবং ইসলামি আদর্শের ওপর ক্লাস নিতে শুরু করেন। তাঁর এই ক্লাসগুলো ছিল যুবকদের জন্য বিপ্লবের অক্সিজেন। সাভাক যখন তাঁকে আবার গ্রেফতার করতে আসে, তিনি আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যান এবং সেখান থেকেই নেটওয়ার্ক পরিচালনা করেন। তিনি জানতেন, সত্যের লড়াইয়ে রক্ত দিতেই হবে, এবং তিনি তার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত খামেনি মাশহাদের তিনটি বড় মসজিদে কুরআনের তাফসির এবং নাহজুল বালাগার ওপর ক্লাস নেন। হাজার হাজার ছাত্র তাঁর বক্তব্য শোনার জন্য পাগল হয়ে থাকতো। সাভাক ভয় পেয়ে গেল, কারণ খামেনির কলম আর জবান শাহের মসনদ কাঁপিয়ে দিচ্ছিল। ১৯৭৫ সালে আবারও তাঁকে গ্রেফতার করে তেহরানের সেই কুখ্যাত যৌথ কারাগারে পাঠানো হয়। সেই অন্ধকার কারাগারে তাঁর সাথে যে বর্বর আচরণ করা হয়েছিল, তা বর্ণনা করতে গিয়ে খামেনি পরবর্তীতে বলেছিলেন, &amp;quot;সেসব ভয়াবহতা কেবল তারাই বুঝবে যারা সেখানে ছিল।&amp;quot; দীর্ঘ সময় নির্যাতনের পর তিনি যখন মুক্তি পান, তাঁকে কোনো প্রকার ক্লাস নিতে নিষেধ করা হয়। কিন্তু খামেনি তো দমে যাওয়ার পাত্র নন। তিনি গোপনে তাঁর বিপ্লবী কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকেন দেশের আনাচে-কানাচে। ১৯৭৬ সালে তাঁকে তিন বছরের জন্য নির্বাসনে পাঠানো হয়। কিন্তু ১৯৭৮ সালে ইরানের গণঅভ্যুত্থানের জোয়ারে শাহের ভিত নড়বড়ে হয়ে গেলে তিনি আবার মাশহাদে ফিরে আসেন। ১৫ বছরের জেল-জুলুম আর নির্যাতনের পর তিনি চোখের সামনে দেখেন শাহের পতন। ১৯৭৯ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি যখন ইসলামি বিপ্লব বিজয় লাভ করে, তখন সারা বিশ্বের শয়তানি শক্তিগুলো স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিপ্লবের পর ইমাম খোমেনি তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ সব দায়িত্ব দেন। তিনি বিপ্লবী কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হন। এরপর তিনি প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর তদারককারী এবং তেহরানের জুমার ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিটি পদে তিনি তাঁর সততা আর সাহসিকতার পরিচয় দেন। ১৯৮১ সালে যখন প্রেসিডেন্ট রাজাই শাহাদাত বরণ করেন, তখন খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ইরাকের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে তিনি সরাসরি রণাঙ্গনে গিয়ে সৈন্যদের উৎসাহ দিয়েছেন। তাঁর এক হাত বোমার আঘাতে পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল এক ঘাতক হামলায়, কিন্তু তাঁর মনোবল ছিল হিমালয়ের চেয়েও শক্ত। তিনি বারবার বলেছেন, আমেরিকা হলো বড় শয়তান আর ইসরায়েল হলো একটি ক্যান্সার টিউমার। এই সত্য কথা বলার জন্য তাঁকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। ১৯৮৯ সালে মহান ইমাম খোমেনির ইন্তেকালের পর, বিশেষজ্ঞ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে আয়াতুল্লাহ খামেনিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। এরপর থেকে গত কয়েক দশক ধরে তিনি একাই মোকাবিলা করছেন বিশ্বের পরাশক্তিদের। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে ইরান আজ প্রযুক্তিতে, সামরিক খাতে এবং পারমাণবিক গবেষণায় বিশ্বের অন্যতম প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যা পশ্চিমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি একজন মহান লেখক এবং অনুবাদক। এ পর্যন্ত তাঁর অসংখ্য বই প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে &amp;#39;কুরআনে ইসলামি চিন্তা&amp;#39;, &amp;#39;সবরের গুরুত্ব&amp;#39; এবং &amp;#39;ইমাম সাজ্জাদের জীবনী&amp;#39; অন্যতম। তাঁর লেখা প্রতিটি শব্দ যেন একেকটি আগ্নেয়াস্ত্র, যা তরুণ প্রজন্মকে ন্যায়ের পথে লড়াই করার প্রেরণা যোগায়। তিনি আরবি ও ফারসি সাহিত্যে অত্যন্ত দক্ষ। আয়াতুল্লাহ খামেনির জীবন আমাদের শিক্ষা দেয় যে, বাতিলের সাথে কখনো আপস করা যাবে না। আজ যখন ফিলিস্তিনের ওপর ইসরায়েল বর্বরোচিত হামলা চালাচ্ছে, তখন একমাত্র খামেনিই বুক ফুলিয়ে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর নির্দেশেই প্রতিরোধ যোদ্ধারা আজ আমেরিকার নাকে খত দিচ্ছে। তিনি প্রমাণ করেছেন, ঈমানি শক্তি থাকলে যে কোনো আধুনিক মারণাস্ত্রকে হারানো সম্ভব এবং বিজয় নিশ্চিত। বর্তমানে ৮৬ বছর বয়সেও তিনি সমান তেজস্বী। তাঁর প্রতিটি বক্তব্য আজও হোয়াইট হাউসের ভিত কাঁপিয়ে দেয়। তিনি কেবল ইরানের নেতা নন, তিনি সারা বিশ্বের মোস্তাজাফিন বা বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর। আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা আর ইসরায়েলের ষড়যন্ত্রের পাহাড় টপকে ইরান আজ যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তার পুরো কৃতিত্ব এই সাহসী রাহবার বা নেতার। খামেনির জীবন এক মহাকাব্য। তিনি শিখিয়েছেন কীভাবে দারিদ্র্যের মধ্যে জন্ম নিয়ে বিশ্ব শাসন করা যায়। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে জেলখানায় নির্যাতিত হয়েও আদর্শের ঝাণ্ডা সমুন্নত রাখা যায়। তাঁর জীবনী প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য এক অমূল্য দলিল। আজ ইরান যে অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হয়েছে, তার মূলে রয়েছে তাঁর গভীর আধ্যাত্মিকতা এবং ইস্পাত কঠিন রাজনৈতিক প্রজ্ঞা। আসুন আমরা এই মহান নেতার জীবন থেকে শিক্ষা নেই। আমেরিকা-ইসরায়েল তথা কুফরি শক্তির বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে। খামেনির মতো সাহসী নেতৃত্ব থাকলে বিজয় খুব সন্নিকটে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে, যখন বিশ্ব মোড়লেরা অন্যায়ভাবে পৃথিবী শাসন করতে চেয়েছিল, তখন পারস্যের এই সিংহপুরুষ একাই তাঁদের সামনে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এবং জয়ী হয়েছিলেন। শেষে বলা যায়, আয়াতুল্লাহ খামেনি এক জীবন্ত কিংবদন্তি। তাঁর প্রতিটি শ্বাস যেন ইসলামের বিজয়ের গান গায়। এই মহান নেতার ছায়াতলে থেকে মুসলিম উম্মাহ আবার তাঁর হারানো গৌরব ফিরে পাবে। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই সেই দিন আসবে যখন শয়তানি শক্তিগুলো ধ্বংস হবে এবং ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। ততদিন আমাদের লড়াই চলবে, খামেনির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z258_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z258_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z258_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানি নেতার শাহাদাত এবং আমেরিকার ভয়ঙ্কর আগ্রাসন: মধ্যপ্রাচ্যে কি শুরু হলো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23904</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23904</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 06:03:00 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী, আর সাম্রাজ্যবাদ বোঝে না মানবতার বাণী। বিশ্বরাজনীতিতে আজ এক কালো অধ্যায় রচিত হলো। যে মানুষটি কয়েক দশক ধরে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির চোখে চ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z257_1.jpg" alt="ইরানি নেতার শাহাদাত এবং আমেরিকার ভয়ঙ্কর আগ্রাসন: মধ্যপ্রাচ্যে কি শুরু হলো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী, আর সাম্রাজ্যবাদ বোঝে না মানবতার বাণী। বিশ্বরাজনীতিতে আজ এক কালো অধ্যায় রচিত হলো। যে মানুষটি কয়েক দশক ধরে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছেন, সেই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে কাপুরুষোচিতভাবে হামলা চালিয়ে শহীদ করা হয়েছে। আমেরিকা এবং ইসরায়েলের এই যৌথ বর্বরতা কি কেবল একজন নেতার প্রস্থান, নাকি এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ? ট্রাম্পের উল্লাস কি শেষ পর্যন্ত তাদের নিজের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে? আজকের ভিডিওতে আমরা উন্মোচন করবো এই আগ্রাসনের পেছনের আসল সত্য। শনিবার ভোরে যখন পুরো বিশ্ব ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখন তেহরানে নেমে আসে মার্কিন ও ইসরায়েলি মিসাইল। ট্রাম্প সদম্ভে ঘোষণা করেছেন যে, তারা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করেছে। ট্রাম্প এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডকে &amp;#39;ন্যায়বিচার&amp;#39; বলে আখ্যা দিলেও, বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাছে এটি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা ছাড়া আর কিছুই নয়। সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো সবসময়ই স্বাধীনতার কণ্ঠরোধ করতে চায়। আয়াতুল্লাহ খামেনি দীর্ঘ তিন দশক ধরে ইরানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার অপরাধ ছিল একটাই&amp;mdash;তিনি আমেরিকার দাসত্ব মেনে নেননি। তিনি বারবার বলেছেন, ইরান পারমাণবিক বোমা নয়, বরং শান্তিপূর্ণ জ্বালানি চায়। কিন্তু আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের এই বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিকে সহ্য করতে পারেনি। তারা চায় মুসলিম বিশ্ব সবসময় তাদের ওপর নির্ভরশীল থাকুক। খামেনির মৃত্যুতে তারা আজ আনন্দিত হলেও তার আদর্শ চিরকাল অম্লান থাকবে। ইরান কিন্তু এই হামলা চুপচাপ সয়ে নেয়নি। হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তারা পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে। গালফ অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহর এবং বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে ইরানি ব্যালিস্টিক মিসাইল। কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি থেকে শুরু করে দুবাইয়ের বিলাসবহুল এলাকাগুলোতেও অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের মাটিতে আঘাত করলে শত্রুর আঙিনাও আর নিরাপদ থাকবে না। ট্রাম্প ইরানি জনগণকে উস্কানি দিচ্ছেন যেন তারা রাস্তায় নেমে আসে। কিন্তু তিনি ভুলে গেছেন, এই জাতি রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ট্রাম্পের &amp;#39;ট্রুথ সোশ্যাল&amp;#39; পোস্টগুলো আসলে তার সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। তারা মনে করছে ইরানের নেতৃত্বকে সরিয়ে দিলেই দেশটি তাদের কবজায় চলে আসবে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, মহান নেতাদের শাহাদাত আসলে বিপ্লবের আগুনকে আরও বেশি শক্তিশালী এবং বেগবান করে তোলে। দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও সম্পদের ওপর নজর দিয়ে আসছে। ইসরায়েলকে ব্যবহার করে তারা এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা জিইয়ে রেখেছে। লেবানন থেকে ইয়েমেন, সবখানেই তারা প্রতিরোধের দেয়াল ভাঙার চেষ্টা করেছে। খামেনির ওপর এই হামলা সেই ষড়যন্ত্রেরই চূড়ান্ত রূপ। তবে এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন আধিপত্যের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিতে পারে বলে অনেক বিশ্লেষক এখন মনে করছেন। ২০২৫ সালের জুন মাসেও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে তারা ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করে দিয়েছেন। কিন্তু আজকের এই উত্তেজনা প্রমাণ করে ইরান কতটা শক্তিশালী। খামেনি বারবার পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর রিপোর্টকে মিথ্যা প্রমাণ করেছেন। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও একটি দেশ কীভাবে প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর হতে পারে। আমেরিকার রক্তপিপাসু থাবা আসলে ইরানের এই আত্মনির্ভরশীলতাকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়। বাহরাইন, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত যেভাবে আমেরিকার পা চেটে চলছে, তার ফলাফল এখন ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে জায়গা দিয়ে তারা নিজেদের বিপদ ডেকে আনছে। ইরানি ড্রোন ও মিসাইল যখন এসব অঞ্চলে আঘাত হানছে, তখন স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে জায়নবাদী শক্তির বন্ধু হয়ে কেউ শান্তিতে থাকতে পারবে না। এই যুদ্ধ এখন আর কেবল ইরানের নয়, এটি পুরো অঞ্চলের। আয়াতুল্লাহ খামেনি কেবল একজন ব্যক্তি ছিলেন না, তিনি ছিলেন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের প্রতীক। তাকে হত্যার মাধ্যমে আমেরিকা হয়তো মনে করছে তারা জিতে গেছে, কিন্তু বাস্তবে তারা একটি নতুন প্রতিরোধের জন্ম দিয়েছে। তেহরান থেকে বৈরুত, সর্বত্র এখন প্রতিশোধের আগুন জ্বলছে। ট্রাম্পের এই হঠকারী সিদ্ধান্ত আমেরিকাকে এমন এক যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যেখান থেকে তাদের ফেরার কোনো পথ থাকবে না। শেষে বলা যায়, সত্যের জয় অনিবার্য। খামেনি যে সাহসের পরিচয় দিয়ে গেছেন, তা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের এই জোটবদ্ধ আক্রমণ আসলে তাদের দুর্বলতাকেই প্রকাশ করে। তারা সম্মুখ সমরে না পেরে অন্ধকারের সুযোগ নিয়েছে। তবে ইরানি জনগণ এবং বিপ্লবী বাহিনী যেভাবে রুখে দাঁড়িয়েছে, তাতে এটুকু নিশ্চিত যে, এই অঞ্চলে সাম্রাজ্যবাদের দিন ফুরিয়ে এসেছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z257_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z257_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z257_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[এক অপরাজেয় বিপ্লবীর বিদায়ে কাঁপছে বিশ্ব এবং শুরু হলো নতুন মহাযুদ্ধের কাউন্টডাউন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23903</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23903</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 06:03:39 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইতিহাসের চাকা কি তবে উল্টো ঘুরতে শুরু করল? যে নেতার একটি ইশারায় কাঁপত হোয়াইট হাউস আর তেল আবিব, সেই আয়তুল্লাহ আলী খামেনেই আজ শহীদ। আমেরিকা আর ইসরায়েল কি আগ্নে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z256_1.jpg" alt="এক অপরাজেয় বিপ্লবীর বিদায়ে কাঁপছে বিশ্ব এবং শুরু হলো নতুন মহাযুদ্ধের কাউন্টডাউন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইতিহাসের চাকা কি তবে উল্টো ঘুরতে শুরু করল? যে নেতার একটি ইশারায় কাঁপত হোয়াইট হাউস আর তেল আবিব, সেই আয়তুল্লাহ আলী খামেনেই আজ শহীদ। আমেরিকা আর ইসরায়েল কি আগ্নেয়গিরির মুখে ঘি ঢালল? এই শাহাদাত কি জায়নিস্ট শাসনের শেষ পেরেক? আজ আমরা জানব এক অপরাজেয় বিপ্লবীর গল্প এবং কেন তাঁর রক্ত বৃথা যাবে না। বীরের মৃত্যু আছে, কিন্তু বিপ্লবের কোনো মৃত্যু নেই। হ্যাঁ দর্শক, আজ ইরান হারিয়েছে তার অবিসংবাদিত নেতাকে, আর বিশ্ব হারিয়েছে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী কণ্ঠস্বরকে। শনিবারের সেই কালো ভোরে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর কাপুরুষোচিত বিমান হামলায় শাহাদাত বরণ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়তুল্লাহ আলী খামেনেই। ৮৬ বছর বয়সী এই মহান নেতা তাঁর জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে প্রমাণ করে গেলেন যে, বাতিলের কাছে মাথা নত করার চেয়ে শাহাদাত অনেক বেশি সম্মানের। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি এই খবর নিশ্চিত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত দম্ভের সাথে এই হামলার দায় স্বীকার করেছেন। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, যখনই কোনো বিপ্লবীকে হত্যা করা হয়েছে, তাঁর আদর্শ হাজারো গুণ শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে। ১৯৮৯ সালে ইমাম খোমেনীর বিদায়ের পর যখন পশ্চিমারা ভেবেছিল ইরান ভেঙে পড়বে, তখন এই খামেনেই শক্ত হাতে হাল ধরেছিলেন। খামেনেই শুধু একজন ধর্মীয় নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন রণকৌশলী। আশির দশকে ইরাকের সাথে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় তিনি যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখনই বুঝেছিলেন পশ্চিমারা কখনোই মুসলিম উম্মাহর বন্ধু হতে পারে না। সেই থেকে তিনি ইরানকে এমন এক সামরিক শক্তিতে পরিণত করেছেন যা আজ ইসরায়েলের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব ইরানকে একটি ধর্মীয় রাষ্ট্র হিসেবে প্রচার করলেও, আসলে খামেনেই ইরানকে একটি আত্মনির্ভরশীল ও শক্তিশালী আধুনিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করেছিলেন। আইআরজিসি বা বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে তিনি এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে, আজ লেবানন থেকে ইয়েমেন পর্যন্ত সর্বত্রই প্রতিরোধের দুর্গ গড়ে উঠেছে। তাঁর &amp;#39;প্রতিরোধ অর্থনীতি&amp;#39; পশ্চিমাদের শত নিষেধাজ্ঞাকেও ব্যর্থ করে দিয়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েল ভেবেছে খামেনেইকে সরিয়ে দিলেই ইরান দখল করা সহজ হবে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, খামেনেইর প্রতিটি রক্তবিন্দু থেকে এখন লাখো কাসেম সোলেইমানি জন্ম নেবে। এই মহান নেতা তাঁর পুরো জীবন উৎসর্গ করেছেন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য এবং আল-কুদসকে মুক্ত করার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য। তার শৈশব ছিল অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু শিক্ষণীয়। মা খাদিজা মিরদামাদির কাছে কুরআন আর সাহিত্যের পাঠ নিয়ে তিনি বড় হয়েছেন। মদীনা আর নাজাফে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার সময়ই তিনি বুঝেছিলেন যে, দাসত্বের চেয়ে স্বাধীনতা অনেক দামি। তাই তো শাহের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে বারবার জেল খেটেছেন তিনি। খামেনেইর হাত ধরেই ইরান আজ ড্রোন এবং মিসাইল প্রযুক্তিতে বিশ্বের বুকে বিস্ময়। যখন ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালায়, তখন একমাত্র খামেনেইর ইরানই বুক ফুলিয়ে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। আজ তাঁর শাহাদাতের পর হিজবুল্লাহ, হামাস আর হুতিরা আরও বেশি সংকল্পবদ্ধ। আমেরিকা বুঝতে পারছে না তারা কী বিশাল ভুল করেছে। ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে তিনি কিছুটা নমনীয় হয়েছিলেন শুধু জনগণের দুঃখ লাঘব করতে। কিন্তু ট্রাম্প যখন সেই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেল, খামেনেই বিশ্বকে দেখিয়ে দিলেন যে আমেরিকার ওপর বিশ্বাস করা মানেই বিষধর সাপের সাথে বসবাস করা। তিনি ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে পশ্চিমাদের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছিলেন। গত কয়েক বছর ধরে ইরানকে ভেতর থেকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে মোসাদ ও সিআইএ। কিন্তু খামেনেইর দূরদর্শী নেতৃত্বে প্রতিটি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়েছে। এমনকি গত জুনে যখন ইসরায়েল ইরানের পরমাণু স্থাপনায় কাপুরুষোচিত হামলা চালাল, তখন খামেনেইর নির্দেশে তেল আবিবকে মিসাইল বৃষ্টিতে ভিজিয়ে দিয়েছিল তেহরান। আজ ট্রাম্প যখন ইরানের জনগণকে &amp;#39;স্বাধীনতার&amp;#39; মিথ্যে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, তখন ইরানিরা জানে এই স্বাধীনতা মানেই ইরাক বা লিবিয়ার মতো ধ্বংসযজ্ঞ। খামেনেইর শাহাদাত ইরানিদের আরও একতাবদ্ধ করেছে। তেহরানের রাস্তায় আজ লাখো মানুষের ঢল নেমেছে, যাদের কণ্ঠে একটাই স্লোগান&amp;mdash;&amp;quot;আমেরিকা ধ্বংস হোক, ইসরায়েল নিপাত যাক।&amp;quot; একজন মহান নেতা হিসেবে তিনি সবসময় সাধারণ জীবনযাপন করতেন। তাঁর ডান হাতটি একটি বোমা হামলায় পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তাঁর মনোবল ছিল হিমালয়ের চেয়েও উঁচুতে। তিনি ছিলেন কবিতার ভক্ত, শিল্পের সমঝদার, কিন্তু শত্রুর কাছে ছিলেন যমদূত। তাঁর মৃত্যু নয়, বরং তাঁর এই মহান শাহাদাতই হবে সাম্রাজ্যবাদের পতনের সূচনা। বিশ্বের প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষ আজ শোকাহত। কিন্তু এই শোক খুব দ্রুতই শক্তিতে পরিণত হবে। আমেরিকা হয়তো আধুনিক গোয়েন্দা প্রযুক্তি দিয়ে একজনকে শহীদ করতে পারে, কিন্তু তারা কি পারবে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে থাকা খামেনেইর আদর্শকে মুছে ফেলতে? না, কখনোই না। পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যে আগুনের সাথে খেলছেন, সেই আগুন অচিরেই তার অবৈধ রাষ্ট্রকে পুড়িয়ে ছাই করে দেবে। ইরানের নতুন নেতৃত্ব আরও কঠোরভাবে এই যুদ্ধের মোকাবিলা করবে। শহীদ খামেনেইর আত্মা আজ জান্নাত থেকে দেখছেন যে তাঁর লাগানো বিপ্লবের গাছটি এখন এক বিশাল মহীরুহ। আয়তুল্লাহ আলী খামেনেই কেবল ইরানের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন সারা বিশ্বের মজলুম মানুষের কণ্ঠস্বর। তাঁর শাহাদাত আমাদের শেখায় যে, সত্যের পথে চলতে গেলে মৃত্যুকে ভয় পাওয়া চলে না। তিনি বেঁচে থাকবেন প্রতিটি ফিলিস্তিনি শিশুর প্রতিরোধে, প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষের মিছিলে। আলবিদা, হে মহান বিপ্লবী!</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z256_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z256_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z256_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েলের টার্গেট লিস্টে যারা রয়েছেন আজ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23902</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23902</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 06:03:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, কিন্তু শত্রুর ঘরে আগুন লাগলে পালানোর পথ থাকে না। ইরানের ওপর কি তবে নেমে এলো সেই চূড়ান্ত মুহূর্ত? আমেরিকা আর ইসরায়েল কি সত্যিই পারবে ইরান...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z255_1.jpg" alt="ইসরায়েলের টার্গেট লিস্টে যারা রয়েছেন আজ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, কিন্তু শত্রুর ঘরে আগুন লাগলে পালানোর পথ থাকে না। ইরানের ওপর কি তবে নেমে এলো সেই চূড়ান্ত মুহূর্ত? আমেরিকা আর ইসরায়েল কি সত্যিই পারবে ইরানের সিংহদের খাঁচায় বন্দি করতে? আজকের ভিডিওতে আমরা দেখাবো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সেই নোংরা নীলনকশা। কথায় আছে, &amp;quot;অতি দর্পে লঙ্কা দাহ।&amp;quot; আজকের বিশ্ব রাজনীতিতে আমেরিকা আর ইসরায়েল যেন সেই দর্পেই অন্ধ হয়ে গেছে। গত শনিবার সকালে ইরানের ওপর তারা যে নগ্ন হামলা চালিয়েছে, তা কেবল একটি সামরিক অভিযান নয়, বরং একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের ওপর কুঠারাঘাত। তারা মনে করেছে তেহরানের আকাশে বোমা বর্ষণ করলেই ইরানের তেজ কমে যাবে, কিন্তু তারা জানে না আগ্নেয়গিরি শান্ত থাকলেও তার ভেতরে আগুন সবসময় জ্বলতে থাকে। এই হামলার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই। ৮৭ বছর বয়সী এই নেতা দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে পাশ্চাত্য শক্তির চোখের বালি হয়ে আছেন। আমেরিকা তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায় কারণ তিনি তাদের অন্যায়ের সামনে মাথা নত করেন না। শোনা যাচ্ছে, খামেনেইকে সুরক্ষিত রাখতে তেহরানের এক গোপন বাঙ্কারে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার সাথে আছেন তার সুযোগ্য উত্তরসূরি মুজতবা খামেনেই, যাকে নিয়ে ইসরায়েলের ভয় সবচেয়ে বেশি। ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের হিটলিস্টের দ্বিতীয় নামটি হলো আলী লারিজানি। তিনি খামেনেইর অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং ইরানের প্রতিটি সিদ্ধান্ত যার হাত দিয়ে আসে। আমেরিকা তাকে সরাতে চায় কারণ তিনি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং কূটনৈতিক শক্তিতে বড় ভূমিকা রাখছেন। তার সাথে আছেন আলী শামখানি, যিনি ডিফেন্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। এই দেশপ্রেমিক নেতাদের ওপর হামলা চালিয়ে তারা ইরানকে নেতৃত্বশূন্য করার যে দিবাস্বপ্ন দেখছে, তা কোনোদিনই সফল হতে দিবে না ইরানি জনগণ। বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নতুন কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর এখন শত্রুদের প্রধান মাথাব্যথার কারণ। মাত্র এক সপ্তাহ আগেই তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, তাদের আঙুল এখন ট্রিগারে। ১ লক্ষ ৯০ হাজার দুর্ধর্ষ যোদ্ধার এই বাহিনী ইরানের প্রধান রক্ষাকবচ। ইসরায়েল মনে করছে এই বাহিনীর ওপর হামলা চালালে ইরানের মনোবল ভেঙে যাবে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী দেয়, বিপ্লবী গার্ডের একজন শহীদ হলে হাজারো যোদ্ধা তৈরি হয় যারা সাম্রাজ্যবাদীদের কবর রচনা করতে প্রস্তুত। বিপ্লবী গার্ডের পাশাপাশি ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী বা &amp;lsquo;আর্টেশ&amp;rsquo; এখন সম্পূর্ণ যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে। গোলাম আলী রশিদ এবং আমির হাতামির মতো অভিজ্ঞ সেনানায়করা খামেনেইর নির্দেশে সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন। আবদোররহিম মৌসাভি, যিনি একাধারে সেনাবাহিনী ও বিপ্লবী গার্ডের সমন্বয় করছেন, তিনিও রয়েছেন শত্রুর টার্গেটে। এই বীর সেনানিরা প্রমাণ করেছেন যে, বাইরের কোনো শক্তি এসে ইরানের মাটিকে অপবিত্র করতে পারবে না, তারা দেশের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসন এখন বাসিজ বাহিনীর কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানিকে টার্গেট করছে। বাসিজ হলো ইরানের সাধারণ মানুষের এক বিশাল স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী যারা দেশের বিপদে সবসময় ঢাল হয়ে দাঁড়ায়। পশ্চিমারা তাকে নিয়ে ভয় পায় কারণ তার নেতৃত্বে লেবানন, ইয়েমেন এবং সিরিয়াতে প্রতিরোধের এক বিশাল দেয়াল তৈরি হয়েছে। ইসরায়েল মনে করছে সোলাইমানিকে সরালে তাদের পথ পরিষ্কার হবে, কিন্তু তারা জানে না বাসিজের প্রতিটি সদস্যই একেকজন জীবন্ত অগ্নিপিণ্ড। শেষে আলোচনায় আসে কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসমাইল কানির নাম। ইরাক ও সিরিয়া থেকে শিয়া মিলিশিয়াদের একত্রিত করে তিনি যে শক্তি গড়ে তুলেছেন, তা ইসরায়েলের জন্য যমদূত হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরানের আকাশে আজ যে ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে, তা আসলে পশ্চিমাদের পরাজয়ের আগাম সংকেত। ইরান আজ একা নয়, পুরো মুসলিম বিশ্বের বিবেকবান মানুষ এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার। ইনশাআল্লাহ, সত্যের জয় হবেই এবং অন্যায়ের পরাজয় নিশ্চিত হবে খুব শীঘ্রই।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z255_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z255_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z255_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের মহান নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেইর শাহাদাত বরণ এবং তেহরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23901</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23901</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 06:03:24 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[একটি প্রবাদ আছে&amp;mdash; &amp;#39;সবুরে মেওয়া ফলে, কিন্তু শহীদের রক্তে বিপ্লব জ্বলে।&amp;#39; আজ ইরানের আকাশ-বাতাস বিদীর্ণ করে একটিই সংবাদ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে&amp;mdash;আয়াতুল্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z254_1.jpg" alt="ইরানের মহান নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেইর শাহাদাত বরণ এবং তেহরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>একটি প্রবাদ আছে&amp;mdash; &amp;#39;সবুরে মেওয়া ফলে, কিন্তু শহীদের রক্তে বিপ্লব জ্বলে।&amp;#39; আজ ইরানের আকাশ-বাতাস বিদীর্ণ করে একটিই সংবাদ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে&amp;mdash;আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই আর নেই। ইরানে ঘোষণা করা হয়েছে ৪০ দিনের শোক। কিন্তু এই শোক কি শুধু কান্নার? নাকি এটি ইসরায়েল আর আমেরিকার বিনাশের শুরু? প্রিয় নেতার বিদায়ে ইরান আজ কী শপথ নিচ্ছে? বিস্তারিত জানতে সাথেই থাকুন। আজ সারা বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য এক কালো দিন। ইরানের ইসলামী বিপ্লবের পথপ্রদর্শক, মজলুমের কণ্ঠস্বর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই শাহাদাত বরণ করেছেন। এই অপূরণীয় ক্ষতিতে ইরান সরকার পুরো দেশে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। তেহরানের প্রতিটি রাস্তায় আজ শুধু কান্নার রোল। কিন্তু এই কান্না পরাজয়ের নয়, এই কান্না হারানো এক বটবৃক্ষের জন্য শ্রদ্ধার। &amp;quot;ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার দোসররা আজ খুশিতে আত্মহারা। ট্রাম্প দাবি করছেন, খামেনেইকে হত্যার মাধ্যমে তারা নাকি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। অথচ ইতিহাস জানে, ট্রাম্পের হাত কত নিরীহ মানুষের রক্তে রাঙানো। যারা ফিলিস্তিনের শিশুদের ওপর ইসরায়েলি বোমা বর্ষণে মদদ দেয়, তারা যখন ন্যায়ের কথা বলে, তখন পৃথিবীর বিবেকবান মানুষ ঘৃণাভরে তা প্রত্যাখ্যান করে। ট্রাম্পের এই আস্ফালন তাঁর নিজের পতনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।&amp;quot; &amp;quot;রয়টার্সের তথ্যমতে, ইসরায়েলি ঘাতকরা দাবি করছে যে তারা খামেনেইর দেহের ছবি ও ভিডিও পর্যন্ত সংগ্রহ করেছে। মোসাদ নাকি ইরানের ভেতরে এমনভাবে প্রবেশ করেছে যে তারা প্রতিটি সেকেন্ডের খবর রাখছিল। এই কাপুরুষোচিত হামলা প্রমাণ করে যে, সম্মুখ যুদ্ধে ইরানকে হারানোর ক্ষমতা ইসরায়েলের নেই। তাই তারা রাতের অন্ধকারে চোরের মতো হামলা চালায়। কিন্তু তারা জানে না, একজন খামেনেইর রক্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মুজাহিদ জন্ম নেয়।&amp;quot; &amp;quot;ইরানে আজ ৪০ দিনের শোক চলছে। কিন্তু এই ৪০ দিন হবে প্রতিরোধের শপথ নেওয়ার দিন। আইআরজিসি এবং ইরানের প্রতিটি নাগরিক আজ প্রিয় নেতার রক্ত ছুঁয়ে শপথ নিচ্ছে&amp;mdash;এই জুলুমের বদলা নেওয়া হবেই। ট্রাম্প ভাবছেন ইরানিরা আত্মসমর্পণ করবে, কিন্তু তিনি ভুলে গেছেন পারস্যের বীররা মরে যেতে জানে, কিন্তু মাথা নত করতে জানে না। খামেনেইর শূন্যতা ইরানকে আরও বেশি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করবে।&amp;quot; &amp;quot;আমেরিকা চাচ্ছে ইরানের সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মধ্যে ফাটল ধরাতে। তারা অনাক্রম্যতার লোভ দেখাচ্ছে। কিন্তু ইরানের দেশপ্রেমিক যোদ্ধারা কি এতটা সস্তা? খামেনেইর আদর্শে যারা বড় হয়েছে, তারা কি জালেমের দেওয়া টোপ গিলবে? কখনোই না। আমেরিকার এই নোংরা কূটনীতি ব্যর্থ হতে বাধ্য। খামেনেই কোনো একক ব্যক্তি ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি আদর্শ, একটি চেতনা যা কখনো মরে না।&amp;quot; &amp;quot;ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই মুহূর্তে উল্লাস করছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর এই হাসি খুব দ্রুতই কান্নায় পরিণত হবে। কারণ ইরান তার নেতার রক্তের বদলা নিতে জানে। খামেনেই সারাজীবন যে স্বপ্ন দেখেছেন&amp;mdash;পবিত্র আল-আকসার মুক্তি&amp;mdash;সেই পথ আজ আরও প্রশস্ত হলো। শহীদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। এই ৪০ দিনের শোক শেষে যে আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরিত হবে, তাতে জায়নবাদী ইসরায়েল ছাই হয়ে যাবে।&amp;quot; &amp;quot;আজ শুধু ইরান নয়, সারা বিশ্বের প্রতিটি মুমিন মুসলমানের ঘরে শোকের মাতম চলা উচিত। কারণ আমরা আমাদের একজন অভিভাবককে হারিয়েছি। খামেনেই সবসময় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের কথা বলতেন। আজ তাঁর বিদায়ে আমাদের কাজ হবে বিভেদ ভুলে এক হওয়া। আমেরিকা আর ইসরায়েল আমাদের শত্রু, তারা ইসলামের শত্রু। এই সত্যটি আজ খামেনেইর শাহাদাতের মাধ্যমে আবারও পরিষ্কার হয়ে গেল। &amp;quot;হে পরওয়ারদেগার, আপনি প্রিয় নেতা খামেনেইকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। এই ৪০ দিনের শোককে আপনি শক্তিতে রূপান্তর করার তৌফিক দিন। ইরানের বীর সন্তানদের হাতকে আরও শক্তিশালী করুন যাতে তারা জালেমদের দর্প চূর্ণ করতে পারে। বীর কখনো মরে না, তিনি বেঁচে থাকেন মানুষের মিছিলে। খামেনেই অমর হয়ে থাকবেন আমাদের বিপ্লবে।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z254_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z254_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z254_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ভোটের মাঠে জামায়াতের ভরাডুবি নিয়ে আমির শফিকুরের মিথ্যাচার ফাঁস]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23900</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23900</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 05:03:00 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনারা হারেননি, আপনাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে&amp;mdash;একথা কি কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ বিশ্বাস করবে? নাকি এটি স্রেফ পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার এক নির্লজ্জ অজুহাত? আজ আম...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-290_1.jpg" alt="ভোটের মাঠে জামায়াতের ভরাডুবি নিয়ে আমির শফিকুরের মিথ্যাচার ফাঁস" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনারা হারেননি, আপনাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে&amp;mdash;একথা কি কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ বিশ্বাস করবে? নাকি এটি স্রেফ পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার এক নির্লজ্জ অজুহাত? আজ আমরা উন্মোচন করবো জামায়াত আমিরের সেই স্ববিরোধী বক্তব্য এবং তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের আসল রূপ। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন, কারণ জামায়াতের এই নতুন ষড়যন্ত্র আপনার চোখ খুলে দেবে! কথায় আছে, &amp;quot;চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী&amp;quot;। বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠে জামায়াতে ইসলামীও ঠিক তেমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে। বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়েও তারা সাধারণ মানুষের ঘাড়ে চড়ে ক্ষমতার স্বপ্ন দেখে। সম্প্রতি সিলেটে এক অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান যা বললেন, তা শুনে হাসবে না কাঁদবে তা সাধারণ মানুষ ভেবেই পাচ্ছে না। পরাজয় মেনে নেওয়ার সৎ সাহস তাদের নেই। সিলেটের সেই অনুষ্ঠানে শফিকুর রহমান দাবি করেছেন যে, তারা নাকি হারেননি বরং তাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ধরণের বক্তব্য কেবল হাস্যকরই নয় বরং দেশের সচেতন ভোটারদের বুদ্ধিমত্তার প্রতি এক চরম অবমাননা। বছরের পর বছর ধরে গুপ্ত থাকা এই দলটি এখন হারের অজুহাত খুঁজছে। তারা আসলে বুঝতে পারছে না যে এদেশের মানুষ তাদের উগ্রবাদী রাজনীতিকে চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে চিরতরে। শফিকুর রহমান দাবি করেছেন যে, জামায়াত নাকি এখন দেশের প্রধান বিরোধী দল। অথচ সংসদের ভেতরে বা বাইরে তাদের কোনো শক্তিশালী জনভিত্তি নেই। তারা নিজেদের মনের মাধুরী মিশিয়ে কল্পিত বিজয়ের গল্প সাজাচ্ছে। যে দলটি দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল ঐতিহাসিকভাবে, তারা কীভাবে নিজেদের প্রধান বিরোধী দল দাবি করে তা সত্যিই এক বিশাল বড় রহস্যময় প্রশ্ন। ১০ থেকে ১২ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজয়কে তিনি বলছেন ইচ্ছাকৃত বা সাজানো। এটা স্পষ্ট যে, জামায়াত আমিরের এই বক্তব্য আসলে নিজ দলের হতাশ কর্মীদের চাঙ্গা করার এক সস্তা চেষ্টা মাত্র। নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট বলে দেয় যে, সাধারণ মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের জবাব দিয়েছে। কোনো ষড়যন্ত্র নয় বরং জনগণের অনাস্থাই তাদের এই ভরাডুবির একমাত্র এবং প্রধান কারণ বলে মনে করে সুশীল সমাজ। শফিকুর রহমান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশংসা করছেন ঠিকই, কিন্তু এর পেছনেও রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র। একসময় যারা পুলিশের ওপর হামলা চালাত, আজ তারা পুলিশের বন্ধু হওয়ার ভান করছে। এটি আসলে তাদের কৌশলগত গিরগিটির মতো রূপ পরিবর্তন। প্রশাসনকে নিজেদের পক্ষে টানার এই মরণপণ চেষ্টা আসলে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার শেষ লড়াই। তবে জনগণ জানে বাঘ কখনো ঘাস খায় না, জামায়াতও বদলায়নি। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে শফিকুর রহমান যে হুঙ্কার দিচ্ছেন, তাতে অশনি সংকেত দেখছে দেশবাসী। তিনি বলছেন দেশের প্রতিটি জায়গায় তারা প্রার্থী দেবেন। এর মানে হলো তৃণমূল পর্যায়ে আবার অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনা করছে এই দলটি। ভালো মানুষের মুখোশ পরিয়ে তারা আসলে নিজেদের পুরনো ক্যাডারদের ক্ষমতায় বসাতে চায়। দেশপ্রেমের দোহাই দিয়ে তারা আসলে ধর্মের নামে বিভাজন তৈরি করতে চায় সবসময়। শফিকুর রহমান বলছেন তারা নাকি দেশবাসীকে ভালো কিছু দেবেন। অথচ ইতিহাস সাক্ষী দেয় জামায়াত জাতিকে কেবল রক্তক্ষয় এবং অরাজকতা উপহার দিয়েছে। তাদের হাতে দেশপ্রেমের কথা শুনলে মনে হয় শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়া। দেশপ্রেম আর জামায়াত যে দুটি বিপরীত মেরুর শব্দ, তা বাংলার প্রতিটি সচেতন মানুষ জানে। তাদের স্বচ্ছতার দাবিও এক বিশাল জোকস ছাড়া আর কিছুই নয় বর্তমানে। জামায়াতের এই তথাকথিত ঐক্য আসলে বালুর বাঁধের মতো নড়বড়ে। রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলের সাথে ভিড়ে যায়। কিন্তু তাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে উগ্র মতাদর্শ প্রতিষ্ঠা করা। শফিকুর রহমানের বক্তব্যে এটি পরিষ্কার যে তারা পরাজয় থেকে শিক্ষা নেয়নি। বরং তারা আবার নতুন উদ্যমে মিথ্যাচার আর বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের মন জয় করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। জামায়াত আমির বলছেন মানুষ নাকি বিমানবন্দরে তাকে বলেছে তারা হতাশ। আসলে হতাশ শফিকুর রহমান নিজেই। কারণ তার নেতৃত্বে দলটির কোনো ভবিষ্যৎ নেই। জনবিচ্ছিন্ন এই দলটি এখন কেবল কথার ফুলঝুরি ছুটিয়ে টিকে থাকতে চায়। কিন্তু বাংলার মাটিতে আর কোনো উগ্রবাদী শক্তির উত্থান হবে না। জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন এবং তারা জানে কার হাতে দেশের ভবিষ্যৎ আসলে নিরাপদ থাকবে। শফিকুর রহমানের এই মিথ্যে আস্ফালন এবং বানোয়াট তথ্য দেশের গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। নির্বাচনের ফলকে বিতর্কিত করার মাধ্যমে তারা দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। অথচ তারা নিজেরা যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন কেমন নির্বাচন হয়েছিল তা সবার জানা। নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোই হলো জামায়াতের পুরোনো নীতি। এই রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব থেকে তাদের বের হওয়ার কোনো পথ নেই আর। শেষে বলা যায়, জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি এখন স্রেফ অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমানের মতো নেতারা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে কতদিন কর্মীদের ধরে রাখবেন তা নিয়ে সংশয় আছে। দেশের মানুষ এখন উন্নয়ন আর শান্তি চায়, জামায়াতের সেই জ্বালাও-পোড়াও বা বিভ্রান্তিকর রাজনীতি নয়। সত্যের জয় হবেই এবং মিথ্যার বেসাতি করা জামায়াত ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েই নিক্ষিপ্ত হবে খুব দ্রুতই।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-290_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-290_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-290_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানে সিআইএ-র ভয়ংকর ছক ও কুর্দিদের ব্যবহারের নেপথ্যে থাকা মার্কিন-ইসরায়েল ষড়যন্ত্রের আসল রহস্য ফাঁস]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23899</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23899</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 05:03:31 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[প্রবাদ আছে, &amp;#39;চোরের দশ দিন আর সাধুর এক দিন&amp;#39;। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে দুর্বল করতে আমেরিকা আর ইসরায়েল যখন কুর্দিদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে গৃহযুদ্ধের ছক কষছে,...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/292_1.jpg" alt="ইরানে সিআইএ-র ভয়ংকর ছক ও কুর্দিদের ব্যবহারের নেপথ্যে থাকা মার্কিন-ইসরায়েল ষড়যন্ত্রের আসল রহস্য ফাঁস" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>প্রবাদ আছে, &amp;#39;চোরের দশ দিন আর সাধুর এক দিন&amp;#39;। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে দুর্বল করতে আমেরিকা আর ইসরায়েল যখন কুর্দিদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে গৃহযুদ্ধের ছক কষছে, তখন তেহরান প্রস্তুত তাদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে। বারবার বিশ্বাস করে ধোঁকা খাওয়া কুর্দিরা কি এবারও সাম্রাজ্যবাদীদের দাবার ঘুঁটি হবে? দেখুন কীভাবে ইরানের অখণ্ডতা নষ্ট করতে সিআইএ বুনছে এক বিষাক্ত জাল! অতি লোভে তাঁতি নষ্ট&amp;mdash;এই চিরন্তন সত্যটি আজ আমেরিকা এবং তাদের দোসর ইসরায়েলের জন্য চরম বাস্তব হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান শক্তি দেখে ভীত হয়ে এখন তারা কুর্দিদের ব্যবহার করে ইরানের ভেতরে গৃহযুদ্ধ বাধানোর স্বপ্ন দেখছে। সম্প্রতি খবর এসেছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং ইসরায়েলি মদতে ইরাকভিত্তিক কুর্দিদের সশস্ত্র করার প্রক্রিয়া চলছে। উদ্দেশ্য একটাই, শান্ত ইরানকে অশান্ত করে তোলা। পশ্চিমা বিশ্বের এই নোংরা রাজনীতি নতুন কিছু নয়। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, আমেরিকা যখনই কোনো দেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছে, তখনই তারা স্থানীয় কোনো গোষ্ঠীকে উসকে দিয়েছে। এখন কুর্দিদের মাধ্যমে ইরানের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার চেষ্টা চলছে। ইরাকের পাহাড়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে এই সশস্ত্র বাহিনীকে ইরানের ভেতরে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে সিআইএ। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, ইরান কোনো সাধারণ রাষ্ট্র নয় বরং এক অপরাজেয় শক্তি। কুর্দিদের স্বাধীন রাষ্ট্রের লোভ দেখিয়ে আমেরিকা বারবার ব্যবহার করেছে। ১৯১৬ সালের সাইকস-পিকো চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন এবং ফ্রান্স যেভাবে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র নিজেদের স্বার্থে ভাগ করেছিল, তাতে কুর্দিরা গৃহহীন হয়ে পড়ে। আজ সেই একই পশ্চিমা শক্তিরা মানবাধিকারের বুলি আওড়ায়। অথচ তারাই ইতিহাসে কুর্দিদের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছে। এখন ইরানকে ঘায়েল করতে তারা কুর্দিদের কাঁধে বন্দুক রেখে গুলি চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। ১৯৯১ সালের কথা ভাবুন, যখন আমেরিকা কুর্দিদের বিদ্রোহ করতে উসকে দিয়ে মাঝপথে একাই ফেলে চলে গিয়েছিল। ইরাকি বাহিনী যখন কুর্দিদের ওপর আক্রমণ করল, তখন ওয়াশিংটন মুখ লুকিয়ে ছিল। আজ সেই একই আমেরিকা আবার ইরানের বিরুদ্ধে কুর্দিদের বন্ধু সেজেছে। আসলে এটি কুর্দিদের প্রতি ভালোবাসা নয়, বরং ইরানের ইসলামি বিপ্লবের ভিত কাঁপিয়ে দেওয়ার এক সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র। ইসরায়েল এই পরিকল্পনার মূল অর্থদাতা। ইরানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ কুর্দি। তারা ইরানের মূল ধারার অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিতে বসবাস করে আসছে। কিন্তু পশ্চিমা মিডিয়া এবং সিআইএ এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে মাশা আমিনির মতো দুঃখজনক ঘটনাগুলোকে রাজনৈতিক রং দিচ্ছে। তারা চায় ইরানের সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে রাজপথে নামাতে। গৃহযুদ্ধের এই ছক মূলত ইরানের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার এক অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময়ও আমরা দেখেছি কীভাবে কুর্দিদের ব্যবহার করে ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াই করানো হয়েছিল। কিন্তু কাজ শেষে আমেরিকা আবার তাদের পরিত্যাগ করে নতুন মিত্র খুঁজে নিয়েছে। এখন ওয়াশিংটন সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সাথে ঘনিষ্ঠ হতে চাইছে, যা প্রমাণ করে তাদের কোনো স্থায়ী বন্ধু নেই। আমেরিকা ও ইসরায়েলের কাছে কুর্দিরা স্রেফ ব্যবহারের বস্তু, যা তারা ইরানের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তেহরান সরকার অত্যন্ত সচেতনভাবে এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। বিদেশি মদতপুষ্ট যেকোনো বিদ্রোহ দমনে ইরানের আইআরজিসি এবং সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত। ইরাকের মাটিতে অবস্থানরত কুর্দি সন্ত্রাসীদের আস্তানাগুলো ইতিমধ্যে ইরানের নজরে রয়েছে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কোনো ষড়যন্ত্রই ইরানের একতা নষ্ট করতে পারবে না। আমেরিকা এবং ইসরায়েল যদি মনে করে তারা ইরানের ভেতরে অশান্তি ছড়িয়ে পার পাবে, তবে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে। শেষে বলা যায়, ইরানের বিরুদ্ধে বিদেশি ষড়যন্ত্র নতুন কিছু নয়, কিন্তু প্রতিবারই তারা ব্যর্থ হয়েছে। কুর্দিদের উচিত পশ্চিমা প্রতারণা বুঝে নিজেদের মাতৃভূমির বিরুদ্ধে অবস্থান না নেওয়া। ইসরায়েল আর আমেরিকার এই বিভাজন তৈরির রাজনীতি শেষ পর্যন্ত তাদের নিজেদেরই ধ্বংসের কারণ হবে। ইরান একটি অটল পর্বত, যা কোনো ঝড়ে নড়ে না। সত্য ও ন্যায়ের পথে ইরানের এই লড়াই যুগে যুগে জয়ী হবেই।&amp;quot;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/292_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/292_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/292_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার পতন আসন্ন কিস্তিমাত করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল তেহরান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23898</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23898</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Mar 2026 05:03:07 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কথায় আছে, &amp;lsquo;পাপ বাপকেও ছাড়ে না!&amp;rsquo; আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যাকে এতদিন &amp;lsquo;বাপ&amp;rsquo; ডেকে মাথায় তুলেছিল, আজ সেই আমেরিকা তাদের জন্য &amp;lsquo;পাপ&amp;rsquo...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/291_1.jpg" alt="মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার পতন আসন্ন কিস্তিমাত করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল তেহরান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কথায় আছে, &amp;lsquo;পাপ বাপকেও ছাড়ে না!&amp;rsquo; আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যাকে এতদিন &amp;lsquo;বাপ&amp;rsquo; ডেকে মাথায় তুলেছিল, আজ সেই আমেরিকা তাদের জন্য &amp;lsquo;পাপ&amp;rsquo; হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওমান, কাতার, আমিরাত আজ কান্নাকাটি করছে যুদ্ধ থামানোর জন্য, কিন্তু ইরান বলছে&amp;mdash;নাটক অনেক হয়েছে, এবার খেলা হবে মুখোমুখি! ট্রাম্প কি আসলেই আলোচনায় বসতে চান, নাকি পরাজয়ের ভয়ে পালানোর পথ খুঁজছেন? সত্যটা জানলে আপনিও চমকে উঠবেন! আল জাজিরার তথ্য বলছে, ইরানের প্রায় ৮০০ মানুষ শহীদ হয়েছেন, কিন্তু ইরান এক চুলও নড়তে রাজি নয়। তারা সমঝোতা চায় না, তারা চায় অধিকার। অথচ দেখুন, যারা যুদ্ধের উসকানি দিয়েছিল, সেই ওমান, কাতার আর আরব আমিরাত এখন ট্রাম্পের কাছে যুদ্ধবিরতির জন্য আকুতি জানাচ্ছে। তারা বুঝতে পেরেছে, ইরানকে দমানো অসম্ভব। গত রাতেই দুবাইতে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটে ইরানের মিসাইল সরাসরি আঘাত হেনেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন প্রমাদ গুনছে। তারা বলছে, ইরান শুধু মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেই নয়, বরং সিভিলিয়ান এরিয়াতেও আঘাত হানছে। তাদের বিশাল অংকের সম্পদ ধূলিসাৎ হয়ে যাচ্ছে। আসলে তারা এখন বুঝতে পারছে যে, এই তথাকথিত &amp;lsquo;পাগলা ট্রাম্প&amp;rsquo; তাদের কোনো নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। যাদের এতদিন প্রভু মেনে আরব দেশগুলো নিজেদের মাটি ইজারা দিয়েছিল, সেই আমেরিকা আজ তাদের রক্ষা করতে পারছে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, আরবরা যাকে রক্ষাকর্তা ভেবেছিল, সে আসলে তাদের ধ্বংসের মূল কারণ। ট্রাম্প নিজেই কল্পনা করতে পারেননি যে ইরান এতো দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। এখন ট্রাম্প বলছেন ইরান আলোচনায় আসতে চায়, কিন্তু ইরান স্রেফ না করে দিয়েছে। ট্রাম্পের এখনকার বক্তব্যগুলো অনেকটা পাগলের প্রলাপের মতো শোনাচ্ছে। তিনি দাবি করছেন ইরান দেরি করে ফেলেছে, অথচ বাস্তবতা হলো ইরানই তার সাথে বসতে রাজি নয়। ট্রাম্পের অতীত ইতিহাস বলে, তিনি দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে অভ্যস্ত নন। তিনি অভ্যস্ত ছোট ছোট আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে অন্যায্য দাবি আদায় করতে। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে তার সেই পুরনো ফর্মুলা আর কাজ করছে না। গত বছর ইয়েমেনে হুথিদের ওপর হামলা চালিয়ে ট্রাম্প ভেবেছিলেন তিনি বিজয়ী। কিন্তু ইরান এবার সেই সুযোগ দিচ্ছে না। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগে প্রতিরোধ হবে, তারপর চুক্তি। দুই-চারটা বোমা মেরে যুদ্ধের বিধ্বস্ত ছবি মিডিয়ায় দেখিয়ে নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করার দিন শেষ। ইরান এখন আর ফিলিস্তিনিদের মতো অসহায়ভাবে মৃত্যুবরণ করবে না, বরং তারা পাল্টা আঘাত করবে। আমেরিকার দম্ভের প্রতীক F-15 আর বিলিয়ন ডলারের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম আজ সস্তা ড্রোন ঠেকাতে ব্যর্থ। এর ফলে মার্কিন অস্ত্র বাজারের শেয়ারে ধস নেমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আস্থা নষ্ট হওয়ায় আমেরিকা এখন মারাত্মক আন্তর্জাতিক চাপে। শুধু তাই নয়, ইউরোপও এখন হাত গুটিয়ে নিচ্ছে। স্পেন তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় ট্রাম্প এখন বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধের হুমকি দিচ্ছেন। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে ইউরোপের অর্থনীতি যে ধাক্কা খাবে, তা আমেরিকাকে আরও কোণঠাসা করবে। এই চাপ সামলাতে ট্রাম্প হয়তো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবেন। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব হারানো মানে বিশ্বজুড়ে মার্কিন প্রভুত্বের রশি আলগা হয়ে যাওয়া। কিন্তু তেহরান প্রস্তুত তাদের সবটুকু শক্তি দিয়ে এই আধিপত্যবাদের শেকল ছিঁড়ে ফেলতে। এখন সময় এসেছে আরব দেশগুলোর এটা বোঝার যে, বিলাসিতা আর আমেরিকার চামচামি করে টিকে থাকা যায়, কিন্তু মহান হওয়া যায় না। সৌদি আরব বা আমিরাত যা করেছে, ইরান তা করেনি। তারা মদ, নারী আর ভোগবিলাসে মত্ত না থেকে নিজেদের গড়ে তুলেছে জ্ঞান, বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির শক্তিতে। আত্মমর্যাদার এক অভেদ্য দেয়াল তুলেছে তেহরান যা ভাঙা অসম্ভব। শেষে বলা যায়, প্রভুত্ব টিকিয়ে রাখতে আমেরিকা হয়তো আরও ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে, যারা নিজের ঘর খুঁড়ে প্রভুকে ঢুকতে দেয়, তারা শেষ পর্যন্ত নিঃস্ব হয়। ইরান আজ বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে যে, মেরুদণ্ড সোজা রেখে কীভাবে লড়াই করতে হয়। ট্রাম্পের নাটক আর আমেরিকার দম্ভ&amp;mdash;দুই-ই এখন পতনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে এই বীর জাতির সামনে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/291_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/291_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/291_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের পাশে দাঁড়ালো সৌদি আরব, রিয়াদের ভূমিতে হামলা নিষিদ্ধ ঘোষণা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23897</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23897</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 06 Mar 2026 23:03:14 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[একাই লড়ছিল ইরান, কিন্তু এবার দৃশ্যপট পাল্টে গেল! যে সৌদি আরবকে আমেরিকা নিজের ঘাঁটি মনে করত, সেই সৌদিই আজ আমেরিকার মুখে ঝামা ঘষে দিল। কেন সৌদি আরব নিজের মাটি ব্য...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/290_1.jpg" alt="ইরানের পাশে দাঁড়ালো সৌদি আরব, রিয়াদের ভূমিতে হামলা নিষিদ্ধ ঘোষণা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>একাই লড়ছিল ইরান, কিন্তু এবার দৃশ্যপট পাল্টে গেল! যে সৌদি আরবকে আমেরিকা নিজের ঘাঁটি মনে করত, সেই সৌদিই আজ আমেরিকার মুখে ঝামা ঘষে দিল। কেন সৌদি আরব নিজের মাটি ব্যবহার করতে দিচ্ছে না? তবে কি পতন ঘনিয়ে আসছে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার?&amp;nbsp; কথায় আছে, &amp;quot;দশচক্রে ভগবান ভূত&amp;quot;। দীর্ঘ সময় ধরে আমেরিকা ও ইসরায়েল মিলে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার যে নীল নকশা এঁকেছিল, তা আজ তাদের ওপরই কাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পশ্চিমা শক্তিগুলো সবসময় চেয়েছে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ জিইয়ে রেখে নিজেদের অস্ত্র ব্যবসা চাঙ্গা করতে। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে সত্য উন্মোচিত হচ্ছে এবং মুসলিম উম্মাহ আজ নিজেদের শক্তি ও একতা বুঝতে শিখছে। সম্প্রতি সৌদি আরব এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, ইরানে হামলা চালানোর জন্য সৌদি আরবের ভূমি, আকাশপথ বা জলসীমা ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এই সিদ্ধান্তের পর ইরান সৌদি আরবকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে। এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন আর আমেরিকার দাবার ঘুঁটি হয়ে থাকতে রাজি নয়। আসলে পুরো বিশ্বের অশান্তির মূল উৎস হলো আমেরিকা। তারা হলো পৃথিবীর এক নম্বর সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। যেখানেই শান্তি আছে, সেখানেই তারা নাক গলিয়ে অশান্তি তৈরি করে। তাদের মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধ লাগিয়ে রাখা যাতে তাদের বিশাল অস্ত্র কারখানাগুলো সচল থাকে। তারা শান্তির কথা বলে আসলে বারুদ নিয়ে খেলা করছে এবং নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করছে। আমেরিকার আগ্রাসন শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গত কয়েক দিনে আমরা দেখেছি তারা কিউবাতে হামলা করেছে। কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই ইরানে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে। এর আগে ভেনিজুয়েলাতে তারা তান্ডব চালিয়েছে। এমনকি লেবানন ও ইয়েমেনেও তাদের বোমাবর্ষণ থেমে নেই। এই রাষ্ট্রটি সারা পৃথিবীতে শুধু ধ্বংসযজ্ঞ আর হাহাকার ছড়িয়ে দিচ্ছে যা এখন সবার কাছে পরিষ্কার। আমেরিকার লালসা এতটাই বেড়েছে যে তারা ডেনমার্কের সম্পদ গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চেয়েছিল। তারা স্পেন, কলম্বিয়া এবং কানাডার মতো বন্ধুপ্রতীম দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের পর্যন্ত হুমকি দিচ্ছে। পুরো আফ্রিকাজুড়ে তারা কৃত্রিমভাবে গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে রাখছে যেন সেখানে অস্ত্রের চাহিদা থাকে। রাশিয়ার সাথে ইউক্রেনের যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়ে তারা আসলে নিরাপদ দূরত্বে বসে তামাশা দেখছে এবং ফায়দা লুটছে প্রতিনিয়ত। আমেরিকা তার সবচাইতে ভয়ংকর অপারেশনগুলো চালায় সাইকোপ্যাথ ইসরায়েলকে দিয়ে। এই দুটি রাষ্ট্রের কারণে আজ পৃথিবীর কোনো দেশের মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে না। অনেক দেশের মানুষ রাতে ঘুমানোর সময় নিশ্চিত হতে পারে না যে আগামীকাল তারা জীবিত জেগে উঠবে কি না। কারণ যেকোনো মুহূর্তে আমেরিকার মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা বা ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে বোমাবর্ষণ শুরু করতে পারে। আমেরিকা চেয়েছিল ইরানকে একঘরে করে দিয়ে সারা বিশ্বকে তাদের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলতে। কিন্তু তাদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। সৌদি আরব এবং স্পেনের মতো দেশগুলো তাদের ভূমি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এমনকি তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্য ও জার্মানি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে তারা এই যুদ্ধে জড়াতে চায় না। ইরান আজ এক শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড়িয়ে পশ্চিমা শক্তির রক্তচক্ষুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে। সৌদি আরবে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা এনায়েতি জানিয়েছেন, তেহরান রিয়াদের এই প্রতিশ্রুতিকে অত্যন্ত মূল্যায়ন করে। তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন যে, আমেরিকা ও ইসরায়েল যে সংঘাত চাপিয়ে দিয়েছে, তাতে সৌদি আরবের অবস্থান প্রশংসনীয়। ইরান কখনোই এই অঞ্চলে যুদ্ধ চায় না, বরং তারা সবসময় শান্তির পক্ষে। কিন্তু আক্রান্ত হলে তারা যে ছেড়ে কথা বলবে না, তা এখন প্রমাণিত। যদিও সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হামলার জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, কিন্তু রাষ্ট্রদূত তা সরাসরি নাকচ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরান যখন কোনো অপারেশন চালায়, তখন তারা সাহসের সাথে দায় স্বীকার করে। মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া আমেরিকার স্বভাব, ইরানের নয়। আমেরিকা ও ইসরায়েল মিলে আমাদের সর্বোচ্চ নেতাকে শহীদ করার মাধ্যমে যে আগুন জ্বালিয়েছে, তা এখন তাদের ঘরেই ফিরে যাচ্ছে। শেষে এটাই বলা যায় যে, অন্ধকার কেটে আলোর সূর্য উদিত হচ্ছে। মুসলিম দেশগুলো যদি এভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পতন অনিবার্য। আমেরিকা ও ইসরায়েলের এই বর্বরতা আর কতদিন চলবে তা সময়ই বলে দেবে। তবে সৌদির এই সিদ্ধান্ত একটি নতুন যুগের সূচনা করল। আমরা আশা করি পুরো বিশ্ব খুব শীঘ্রই এই সন্ত্রাসী রাষ্ট্রগুলোর হাত থেকে মুক্তি পাবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/290_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/290_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/290_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের হুংকারে কাঁপছে মার্কিন রণতরী! ভূমধ্যসাগরে জেয়ার্ল্ড ফোর্ড ঢুকতেই তেহরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23896</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23896</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 06 Mar 2026 09:03:24 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;quot;আমেরিকা কি আগুনের সাথে খেলছে? বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরমাণু চালিত রণতরী পাঠিয়ে কি ইরানকে ভয় দেখানো সম্ভব? যখন তেহরানের মাটির নিচে হাজার হাজার নির্ভুল মিসাইল টা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/(01).jpg" alt="ইরানের হুংকারে কাঁপছে মার্কিন রণতরী! ভূমধ্যসাগরে জেয়ার্ল্ড ফোর্ড ঢুকতেই তেহরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;quot;আমেরিকা কি আগুনের সাথে খেলছে? বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরমাণু চালিত রণতরী পাঠিয়ে কি ইরানকে ভয় দেখানো সম্ভব? যখন তেহরানের মাটির নিচে হাজার হাজার নির্ভুল মিসাইল টার্গেট সেট করে বসে আছে, তখন মার্কিন এই দম্ভ কি তাদের নিজেদের সমাধিস্থল হয়ে উঠবে না? আজকের ভিডিওতে দেখুন, কীভাবে ইরানের বীরত্বের সামনে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে পশ্চিমা শক্তি!&amp;quot; &amp;ldquo;শকুনের দোয়ায় গরু মরে না&amp;rdquo;&amp;mdash;বাংলা এই প্রবাদটি আজ যেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। বছরের পর বছর ধরে আমেরিকা এবং তার দোসর ইসরায়েল ইরানকে ধ্বংস করার স্বপ্ন দেখে আসছে, কিন্তু ইরানের অদম্য শক্তি ও সাহসের সামনে তাদের প্রতিটি ষড়যন্ত্র ধুলোয় মিশে গেছে। আজ আবারও সেই একই নাটকের পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে পাচ্ছি ভূমধ্যসাগরের নীল জলরাশিতে। মার্কিন নৌবাহিনীর গর্ব, দানবীয় রণতরী ইউএসএস জেয়ার্ল্ড আর ফোর্ড এখন ভূমধ্যসাগরে অবস্থান করছে। আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে জিব্রাল্টার প্রণালী হয়ে এই জাহাজটির প্রবেশ কেবল একটি সামরিক মহড়া নয়, বরং এটি ইরানের বিরুদ্ধে এক নগ্ন উসকানি। আমেরিকা ভাবছে তাদের এই বিশাল লোহালক্কড় দেখিয়ে ইরানের মতো একটি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্রকে তারা মাথানত করতে বাধ্য করবে, কিন্তু ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। আমেরিকার এই আগ্রাসনের নেপথ্যে রয়েছে তাদের সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পরিবর্তে অশান্তির বীজ বপন করছে। তারা ইসরায়েলকে খুশি করতে ইরানের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দিচ্ছে এবং এখন সরাসরি সামরিক হামলার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়; এটি হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী এক অপরাজেয় শক্তির নাম। জেয়ার্ল্ড ফোর্ড রণতরীটি যখন জিব্রাল্টার প্রণালী পার হচ্ছিল, তখন এর সাথে ছিল অত্যাধুনিক ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস মাহান। স্প্যানিশ নৌবাহিনীর পাহারায় এই বিশাল বহর এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগিয়ে আসছে। তারা মনে করছে, তাদের এই রণসজ্জা দেখে ইরান ভয় পাবে। কিন্তু তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে কোনো ধরনের ভুল পদক্ষেপের ফল হবে অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বেদনাদায়ক। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইরান যুদ্ধের ভক্ত নয়, তবে তারা যুদ্ধকে ভয়ও পায় না। ওয়াশিংটন যখন জিরো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের দাবি করছে, ইরান তখন বুক ফুলিয়ে বলছে তারা তাদের অধিকার থেকে এক চুলও নড়বে না। এটি কেবল পারমাণবিক কর্মসূচির লড়াই নয়, এটি একটি জাতির স্বাধীনতার লড়াই। জাতিসংঘে ইরানের প্রতিনিধি দল একটি কড়া চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে তারা স্পষ্ট করে বলেছে, যদি আমেরিকার পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হামলা চালানো হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকার প্রতিটি ঘাঁটি, প্রতিটি সম্পদ এবং প্রতিটি সৈন্য হবে ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তু। ইরানের এই আত্মবিশ্বাস কোনো ফাঁপা বুলি নয়, বরং এটি তাদের মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা বিশাল মিসাইল ভাণ্ডারের শক্তি। আমেরিকা এবং ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারা বলছে তারা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে &amp;#39;লিমিটেড স্ট্রাইক&amp;#39; বা সীমিত হামলা চালাবে। কিন্তু তারা ভুলে যাচ্ছে যে, ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। ইরানের পারচিন পারমাণবিক সাইট এখন কংক্রিট এবং মাটির স্তুপ দিয়ে এমনভাবে সুরক্ষিত করা হয়েছে যে কোনো হামলা সেখানে পৌঁছাতে পারবে না। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের এফ-৩৫ স্টিলথ ফাইটার এবং বিপুল সংখ্যক সৈন্য ন্যাটো মহড়া থেকে সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে আসছে। জর্ডান এবং সৌদি আরবের ঘাঁটিগুলো এখন মার্কিন যুদ্ধবিমানে ঠাসা। কিন্তু মজার বিষয় হলো, জর্ডান এবং সৌদি আরব উভয় দেশই প্রকাশ্যে বলেছে যে তারা তাদের মাটি বা আকাশসীমা ব্যবহার করে ইরানের ওপর কোনো হামলা মেনে নেবে না। আমেরিকার এই সামরিক প্রস্তুতি আসলে তাদের দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ। তারা জানে যে সরাসরি যুদ্ধে ইরানের সাথে জেতা অসম্ভব, তাই তারা ভয় দেখিয়ে কাজ হাসিল করতে চায়। কিন্তু ইরানের জনগণ এবং তাদের নেতৃত্ব ঐক্যবদ্ধ। তারা জানে কীভাবে শত্রুর দাঁতভাঙা জবাব দিতে হয়। মার্কিন রণতরীগুলো এখন আসলে সমুদ্রের মাঝখানে ইরানের জন্য একেকটি বিশাল টার্গেট ছাড়া আর কিছুই নয়। ইসরায়েলও এই উত্তেজনার সুযোগ নিতে চাইছে। আইডিএফ বা ইসরায়েলি সেনাবাহিনী উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে এবং তারা মনে করছে এই সপ্তাহান্তেই হয়তো বড় কিছু ঘটবে। কিন্তু তারা ভুলে যাচ্ছে যে, তেহরান যদি একবার তাদের হাইপারসনিক মিসাইলগুলো ছোড়া শুরু করে, তবে আয়রন ডোম বা প্যাট্রিয়ট মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কেবল খেলনা হিসেবে প্রমাণিত হবে। মার্কিন মিডিয়াগুলো ইউএসএস জেয়ার্ল্ড ফোর্ডকে অজেয় হিসেবে প্রচার করলেও ভেতরের খবর ভিন্ন। শোনা যাচ্ছে, এই বিশাল জাহাজের টয়লেট এবং পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় মারাত্মক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। টানা আট মাস সমুদ্রে থাকায় এর নাবিকদের মনোবল তলানিতে ঠেকেছে। যে জাহাজের সৈন্যরা টয়লেট পরিষ্কার করতে হিমশিম খাচ্ছে, তারা ইরানের দুর্ধর্ষ রেভল্যুশনারি গার্ডের মোকাবিলা করবে কীভাবে? ইরান ইতিমধ্যে তাদের সামরিক সরঞ্জাম দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দিয়েছে যাতে শত্রুরা সহজে লক্ষ্যবস্তু বানাতে না পারে। স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা গেছে, ইরানের প্রতিটি পাহাড় এখন একেকটি মিসাইল লঞ্চিং প্যাড। আমেরিকা যদি মনে করে তারা গতানুগতিক কায়দায় হামলা চালিয়ে পার পেয়ে যাবে, তবে তারা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুলটি করতে যাচ্ছে। পুরো পৃথিবী এখন রুদ্ধশ্বাসে তাকিয়ে আছে। একদিকে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির অহংকার, অন্যদিকে একটি স্বাধীনকামী জাতির প্রতিরোধ। ইরান প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল অস্ত্র দিয়ে নয়, বরং ঈমানি শক্তি দিয়ে লড়াই করে। আমেরিকার প্রতিটি পদক্ষেপে এখন পরাজয়ের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ভূমধ্যসাগরে আসা এই রণতরী হয়তো শেষ পর্যন্ত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পতনের কফিন হয়ে ফিরে যাবে। আমেরিকার উচিত হবে আগুন নিয়ে খেলা বন্ধ করা। ইরানের ওপর আক্রমণ করা মানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে জ্বালিয়ে দেওয়া। আর সেই আগুনে আমেরিকা নিজেও ভস্মীভূত হবে। ট্রাম্পের &amp;#39;লিমিটেড স্ট্রাইক&amp;#39; এর স্বপ্ন হয়তো খুব দ্রুতই এক দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে যাচ্ছে। ইরানের মাটি বীরদের মাটি, এখানে আগ্রাসনবাদীদের কোনো স্থান নেই, কখনো ছিল না এবং কখনো হবেও না। শেষে বলা যায়, সত্যের জয় অনিবার্য। আমেরিকা যত বড় রণতরীই পাঠাক না কেন, ইরানের অদম্য চেতনার কাছে তাদের হার মানতেই হবে। মুসলিম উম্মাহ এবং বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষ আজ ইরানের সাহসের দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা আশা করি, ন্যায়ের এই লড়াইয়ে ইরান জয়ী হবে এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন আধিপত্যের চিরস্থায়ী অবসান ঘটবে ইনশাআল্লাহ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/(01).jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/(01).jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/(01).jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুতিনের চালে কুপোকাত ইউক্রেন: দোনবাসে জেলেনস্কির তৈরি ৩০ মাইলের &#039;মৃত্যুফাঁদ&#039; এখন রাশিয়ার কবজায়?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23895</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23895</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 06 Mar 2026 09:03:51 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো &amp;mdash; ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দোনবাস রক্ষার দম্ভ আজ এই প্রবাদের মতোই ধোপে টিকছে না। ভূ-রাজনীতির ময়দানে দোনবাসের ৩০ মা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_12.jpg" alt="পুতিনের চালে কুপোকাত ইউক্রেন: দোনবাসে জেলেনস্কির তৈরি ৩০ মাইলের &#039;মৃত্যুফাঁদ&#039; এখন রাশিয়ার কবজায়?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো &amp;mdash; ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দোনবাস রক্ষার দম্ভ আজ এই প্রবাদের মতোই ধোপে টিকছে না। ভূ-রাজনীতির ময়দানে দোনবাসের ৩০ মাইলের সেই বিখ্যাত &amp;#39;ফোর্ট্রেস বেল্ট&amp;#39; বা দুর্গ নিয়ে পশ্চিমা মিডিয়া অনেক হাকডাক ছেড়েছিল। কিন্তু আজ যুদ্ধের ময়দানের কঠিন বাস্তবতা বলছে অন্য কথা। ইউক্রেন যে এলাকাকে তাদের অভেদ্য দেয়াল মনে করত, রাশিয়ার অদম্য সামরিক শক্তির সামনে তা এখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। আজ আমরা বিশ্লেষণ করব কীভাবে রাশিয়ার সুপরিকল্পিত রণকৌশল ইউক্রেনের সাজানো বাগান তছনছ করে দিচ্ছে এবং কেন জেলেনস্কি সরকারের একগুঁয়েমি তাদের দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ইউক্রেন গত এক দশক ধরে দোনবাসের দোনেৎস্ক অঞ্চলে স্লাভিয়ানস্ক, ক্রামাটর্স্ক এবং কনস্টান্টিনোভকার মতো শহরগুলোতে কোটি কোটি ডলার খরচ করে এক বিশাল প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করেছিল। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো এটাকে রাশিয়ার জন্য &amp;#39;মৃত্যুফাঁদ&amp;#39; হিসেবে প্রচার করেছিল। কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো, রাশিয়ার সেনাবাহিনী এই দুর্গের প্রতিটি ইঞ্চি জয়ের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করছে, তা আসলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর মনোবল সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়েছে।&amp;nbsp; তথ্য বলছে, ইউক্রেন এই অঞ্চলে শত শত কিলোমিটার দীর্ঘ পরিখা, অ্যান্টি-ট্যাংক গর্ত এবং &amp;#39;ড্রাগন টিথ&amp;#39; বা কংক্রিটের প্রতিবন্ধক স্থাপন করেছিল। কিন্তু রাশিয়ার অত্যাধুনিক আর্টিলারি এবং ড্রোন প্রযুক্তির সামনে এই বিশাল নির্মাণ আজ কার্যত অকেজো। জেলেনস্কি সরকার যখন তার দেশের সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিচ্ছে, ঠিক তখনই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে দোনবাসের মানুষকে নব্য-নাৎসি শাসন থেকে মুক্তি দিতে এগিয়ে আসছেন। পশ্চিমা শক্তিগুলো, বিশেষ করে আমেরিকা, ইউক্রেনকে ব্যবহার করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে এক ছায়াযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। কিন্তু রাশিয়ার জন্য এটি কেবল ভূখণ্ড জয় নয়, বরং তার জাতীয় নিরাপত্তা এবং ঐতিহাসিকভাবে রুশ ভাষাভাষী মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। ইউক্রেনীয় বাহিনী যখন তাদের আবাসিক এলাকাগুলোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, রাশিয়া তখন অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বেসামরিক ক্ষতি কমিয়ে সামনে এগোচ্ছে। মজার ব্যাপার হলো, যে আমেরিকা জেলেনস্কিকে উসকে দিয়েছিল, তারাই এখন গোপনে ইউক্রেনকে দোনবাস ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর আসছে। কারণ পশ্চিমা বিশ্ব বুঝতে পেরেছে, রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতির সামনে ইউক্রেনের টিকে থাকা অসম্ভব। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে, দোনবাসের নিরাপত্তা রাশিয়ার জন্য একটি মৌলিক বিষয়, এবং এই অবস্থানে রাশিয়া অটল। ইউক্রেন আজ এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেখানে তাদের নিজেদের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই। আমেরিকার দেওয়া কথিত &amp;#39;নিরাপত্তা গ্যারান্টি&amp;#39;র মরীচিকার পিছে ছুটতে গিয়ে তারা নিজেদের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বলয় বা ফোর্ট্রেস বেল্ট হারাতে বসেছে। আসলে রাশিয়ার সাথে শান্তি আলোচনা এড়িয়ে চলা এবং যুদ্ধের পথ বেছে নেওয়াটাই ছিল ইউক্রেনের ইতিহাসের সবথেকে বড় কৌশলগত ভুল। রাশিয়ার অগ্রগতি কিছুটা ধীর মনে হতে পারে, কিন্তু তা আসলে রাশিয়ার রণকৌশলের অংশ। রাশিয়া তার সৈন্যদের জীবন তুচ্ছ করে দ্রুত জয়ের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব তৈরিতে বিশ্বাসী। এর বিপরীতে, ইউক্রেন তাদের শেষ সক্ষম সৈন্যকেও এই &amp;#39;মিট গ্রাইন্ডার&amp;#39; বা মাংস পেষার যন্ত্রে পাঠিয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে পকরোভস্ক এবং চাসিভ ইয়ারের যুদ্ধে ইউক্রেন যে পরিমাণ সৈন্য হারিয়েছে, তা কোনো আধুনিক রাষ্ট্রের পক্ষে সামলানো সম্ভব নয়। ইউক্রেন দাবি করে যে তারা রাশিয়ার ক্ষতি করছে, কিন্তু বাস্তবতা হলো রাশিয়ার জনবল এবং অস্ত্রের ভাণ্ডার কার্যত অফুরন্ত। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্প আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। অন্যদিকে ইউক্রেন কেবল বিদেশের সাহায্যের ওপর নির্ভর করে টিকে আছে। যেদিন এই সাহায্য বন্ধ হবে, সেদিনই ইউক্রেনের তাসের ঘর ভেঙে পড়বে। শেষে বলা যায়, দোনবাসের এই ৩০ মাইলের দুর্গ ইউক্রেনের জন্য রক্ষা কবজ নয়, বরং তাদের পরাজয়ের এক নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বারবার প্রমাণ করেছেন যে, তিনি তার লক্ষ্যে অবিচল। জেলেনস্কি সরকার যদি রাশিয়ার যুক্তিসঙ্গত দাবিগুলো মেনে না নেয়, তবে কেবল দোনবাস নয়, পুরো ইউক্রেনের মানচিত্রই হয়তো চিরতরে বদলে যাবে। রাশিয়ার এই বীরত্বপূর্ণ লড়াই মূলত বিশ্বব্যবস্থায় পশ্চিমাদের একাধিপত্য খর্ব করার এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। দর্শক, আপনাদের কি মনে হয়? ইউক্রেন কি পারবে রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা রুখে দিতে, নাকি জেলেনস্কির একগুঁয়েমি ইউক্রেনকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলবে? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্ট বক্সে জানান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_12.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_12.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_12.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাজ্যের বাঁধায় থমকে গেল মার্কিন যুদ্ধবিমান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23894</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23894</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 06 Mar 2026 09:03:02 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ভাবুন তো সেই দৃশ্য, যেখানে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি দাবিদাররা একে অপরের সাথে লড়ছে শুধু ইরানকে ভয় পেয়ে! ব্রিটেন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_11.jpg" alt="যুক্তরাজ্যের বাঁধায় থমকে গেল মার্কিন যুদ্ধবিমান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ভাবুন তো সেই দৃশ্য, যেখানে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি দাবিদাররা একে অপরের সাথে লড়ছে শুধু ইরানকে ভয় পেয়ে! ব্রিটেন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা চালানো যাবে না। তবে কি পতনের শুরু হয়ে গেল? বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। কথায় আছে, &amp;quot;ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।&amp;quot; আজ বিশ্ব রাজনীতিতে ঠিক তেমনটাই ঘটছে। যারা বছরের পর বছর ধরে নিরীহ মুসলিম দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করে এসেছে, আজ তারা নিজেরাই নিজেদের জালে আটকা পড়েছে। ইরানের মতো একটি সাহসী দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করতে গিয়ে আজ পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যেই শুরু হয়েছে চরম বিভেদ এবং অবিশ্বাস। সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে যা সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। ব্রিটেন বা যুক্তরাজ্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরান আক্রমণের জন্য আমেরিকাকে ব্যবহার করতে দেবে না। এটি ইরানের জন্য একটি বিশাল নৈতিক জয়। কারণ, শত্রুপক্ষ যখন নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়, তখন সত্যের জয় আরও ত্বরান্বিত হয়। দিয়েগো গার্সিয়া এবং আরএএফ ফেয়ারফোর্ড&amp;mdash;এই দুটি ঘাঁটি আমেরিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তারা পরিকল্পনা করেছিল এখান থেকে বি-৫২ এবং বি-২ এর মতো ভারী বোমারু বিমান উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে ইরানের শান্তিকামী মানুষের ওপর অন্যায় হামলা চালাবে। কিন্তু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এই অন্যায় যুদ্ধে শরিক হতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ব্রিটেন মনে করছে, ইরানের ওপর হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। তারা জানে যে ইরান কোনো অন্যায় করছে না, বরং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করছে। তাই এই অবৈধ যুদ্ধে আমেরিকাকে সমর্থন দেওয়া মানে নিজেদের হাত রক্তে রাঙানো। ট্রাম্প প্রশাসন চাইলেও এখন সহজে এই ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে পারছে না, যা ইরানের জন্য স্বস্তির। ইরান আজ আর সেই আগের দেশ নেই যাকে ধমক দিয়ে থামিয়ে রাখা যাবে। তাদের সামরিক প্রযুক্তি এবং ঈমানি শক্তি আজ এতটাই প্রখর যে, খোদ আমেরিকাও এখন সরাসরি যুদ্ধে নামতে ভয় পাচ্ছে। ইসরায়েল এবং আমেরিকার এই অশুভ জোট ইরানের কিছুই করতে পারবে না, কারণ সত্য সব সময় মিথ্যার ওপর বিজয়ী হয়। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের মধ্যে শুরু হয়েছে কথার লড়াই। ট্রাম্প মনে করেন, দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি ব্রিটিশদের হাতছাড়া করা উচিত নয়। কিন্তু পর্দার আড়ালের খবর হলো, ট্রাম্প আসলে রেগে গেছেন কারণ ব্রিটেন তাকে ইরানের ওপর হামলা করার জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা দিচ্ছে না। এটি তাদের পরাজয়েরই নামান্তর। আমেরিকা ও ইসরায়েল দীর্ঘকাল ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি জিইয়ে রেখেছে। কিন্তু ইরানের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং দূরপাল্লার মিসাইলগুলো তাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। এখন যখন তারা দেখছে যে সরাসরি যুদ্ধে জেতা অসম্ভব, তখন তারা মিত্রদের ঘাঁটি ব্যবহারের চেষ্টা করছে। কিন্তু সেখানেও তারা আজ চরমভাবে ব্যর্থ এবং অপমানিত হচ্ছে। আমেরিকা থেকে ইরানের দূরত্ব কয়েক হাজার মাইল। দিয়েগো গার্সিয়ার মতো দ্বীপগুলো ছাড়া তাদের পক্ষে ভারী বোমারু বিমান পরিচালনা করা প্রায় অসম্ভব। ব্রিটেন এই সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ায় মার্কিন সামরিক পরিকল্পনা এখন খাতা-কলমেই সীমাবদ্ধ। ইরানের আকাশসীমা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ এবং সুরক্ষিত রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। আমেরিকা বারবার ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে যে, ইরান একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে নিজের প্রযুক্তি উন্নয়নের পূর্ণ অধিকার রাখে। ইসরায়েলের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে বিশ্ব চুপ থাকলেও ইরানের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি নিয়ে তাদের এত মাথা ব্যথা কেন? এটি তাদের দ্বিমুখী নীতির বহিঃপ্রকাশ। এক সময় বলা হতো বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান যেকোনো দেশের রাডারকে ফাঁকি দিতে পারে। কিন্তু ইরানের অত্যাধুনিক রাডার সিস্টেমের সামনে এগুলো এখন খেলনা মাত্র। হয়তো এই ভয়েই আমেরিকা এখন দূরপাল্লার ঘাঁটিগুলো খুঁজছে। কিন্তু যখন আল্লাহ সহায় থাকেন, তখন কোনো প্রযুক্তিই সত্যের পথ রোধ করতে পারে না। ইসরায়েল এখন সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে আছে। তারা ভেবেছিল আমেরিকা হয়তো সহজেই ইরানকে ধ্বংস করে দেবে। কিন্তু এখন তারা দেখছে আমেরিকা নিজেই মিত্রদের কাছে প্রত্যাখ্যাত হচ্ছে। ইরানের প্রতিটি পদক্ষেপ এখন ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক একটি কঠোর জবাব। এই অঞ্চলে ইহুদিবাদী শক্তির পতন এখন সময়ের দাবি মাত্র। সারা বিশ্বের সচেতন মানুষ আজ ইরানের এই প্রতিরোধের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েল যে অন্যায়ভাবে ফিলিস্তিন ও লেবাননে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে, তার যোগ্য জবাব দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র ইরানেরই আছে। তাই ব্রিটেনের এই পিছুটান আসলে জালেমদের পরাজয়ের একটি স্পষ্ট সংকেত হিসেবেই দেখা হচ্ছে সারা বিশ্বে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে বারবার হুমকি দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। তিনি জানেন যে ব্রিটেনের সাহায্য ছাড়া বড় কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনা করা তার জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। ইরানের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী যেকোনো হামলা নস্যাৎ করে দেওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত। ট্রাম্পের হুঙ্কার এখন কেবল রাজনৈতিক স্টান্ট ছাড়া আর কিছুই নয়। ইরান সব সময় বলে এসেছে তারা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি চায়। কিন্তু শান্তি মানে এই নয় যে তারা কারো গোলামি করবে। আমেরিকা ও ইসরায়েল এই অঞ্চলে অশান্তির মূল হোতা। ব্রিটেন হয়তো দেরিতে হলেও বুঝতে পেরেছে যে ইরানের সাথে বিবাদে জড়ানো মানে নিজেদের অস্তিত্বকে সংকটের মুখে ফেলা। এটি একটি ইতিবাচক পরিবর্তন। ভারত মহাসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর আধিপত্য এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তাদের সামরিক কার্যক্রমকে স্থবির করে দিয়েছে। ইরানের নৌবাহিনী এবং ড্রোন প্রযুক্তি আজ সমুদ্রের প্রতিটি কোণায় নজরদারি করছে। আমেরিকান নৌবহর এখন আর আগের মতো মুক্তভাবে বিচরণ করতে পারছে না এই অঞ্চলে। যদি শেষ পর্যন্ত কোনো সংঘাত শুরুও হয়, তবে তাতে জয় হবে ইরানেরই। কারণ ইরান নিজের মাটির জন্য লড়ছে, আর আমেরিকা লড়ছে শুধু আধিপত্যের জন্য। ইতিহাসে দেখা গেছে, দখলদার শক্তি কখনোই দীর্ঘমেয়াদে টিকতে পারে না। ব্রিটেনের এই সিদ্ধান্ত আমেরিকার কফিনে শেষ পেরেক হিসেবে কাজ করতে পারে। শেষে বলা যায়, সত্যের জয় অনিবার্য। ইরান আজ সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের অনুপ্রেরণা। আমেরিকা ও ইসরায়েল যত চক্রান্তই করুক না কেন, তারা সফল হবে না। ব্রিটেনের এই পিছুটান প্রমাণ করে যে, অন্যায়ের পথে কোনো মিত্রই চিরস্থায়ী হয় না। আমরা বিশ্বাস করি, খুব শীঘ্রই মধ্যপ্রাচ্য থেকে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিদায় ঘটবে। আপনারা কী মনে করেন? ব্রিটেনের এই সিদ্ধান্ত কি সত্যিই আমেরিকার পরাজয় নিশ্চিত করবে? আপনাদের মূল্যবান মতামত আমাদের কমেন্ট বক্সে জানান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_11.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_11.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-6-3-26_11.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাস্তায় জীবন বাজি, নাকে রুমাল! মরণফাঁদ টিকাটুলি ব্রিজ!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23893</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23893</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 04 Mar 2026 22:03:19 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[পুরান ঢাকার ব্যস্ততম টিকাটুলি মোড়। মাথার ওপর কোটি টাকার ফুটওভার ব্রিজ, অথচ নিচে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ির সামনে দিয়ে দৌড়াচ্ছে মানুষ! কেন জানেন? কারণ এই ব্রিজ এখন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-z277_3.jpg" alt="রাস্তায় জীবন বাজি, নাকে রুমাল! মরণফাঁদ টিকাটুলি ব্রিজ!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>পুরান ঢাকার ব্যস্ততম টিকাটুলি মোড়। মাথার ওপর কোটি টাকার ফুটওভার ব্রিজ, অথচ নিচে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ির সামনে দিয়ে দৌড়াচ্ছে মানুষ! কেন জানেন? কারণ এই ব্রিজ এখন পারাপারের নয়, বরং ময়লা আর দুর্গন্ধের নরক। আজ কি তবে সাধারণ মানুষের জীবনের চেয়ে দুর্গন্ধের জয় হলো? চাচা আপন প্রাণ বাঁচা&amp;mdash;জনপ্রিয় এই প্রবাদটি টিকাটুলির ফুটওভার ব্রিজের ক্ষেত্রে একদম খাটে না। বরং এখানে প্রাণ বাঁচাতে মানুষ ব্রিজ এড়িয়ে রাস্তার মাঝখান দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছে। আজ আপনাদের দেখাবো আমাদের অবহেলা আর অব্যবস্থাপনার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। টিকাটুলির এই ব্যস্ততম ফুটওভার ব্রিজটি আজ তার কার্যকারিতা হারিয়ে কেবল একটি লোহার কাঠামোতে পরিণত হয়েছে। ব্রিজে পা রাখলেই নাকে আসবে উৎকট দুর্গন্ধ, যা সুস্থ মানুষের জন্য অসহনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে ময়লা-আবর্জনা আর দীর্ঘদিনের জমে থাকা ধুলোবালির আস্তরণ দেখে মনে হবে এটি কোনো ব্রিজ নয়, বরং পরিত্যক্ত ডাস্টবিন। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ আর পরিষ্কারের অভাব এই সুন্দর নাগরিক সুবিধাটিকে আজ সাধারণ মানুষের কাছে এক আতঙ্কের নাম করে তুলেছে। নাক চেপেও এখানে হাঁটা দায়। নোংরা পরিবেশের কারণে পথচারীরা বাধ্য হয়ে নিচের মূল সড়ক দিয়ে পারাপার হচ্ছেন, যা যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের জন্য এই ব্রিজ ব্যবহার করা এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে কারণ সেখানে হাটার জায়গা নেই, উল্টো আছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। কর্তৃপক্ষ যদি এখনই এই বিষয়ে নজর না দেয়, তবে এই বিশাল স্থাপনাটি অচিরেই সম্পূর্ণভাবে পরিত্যক্ত হয়ে পড়বে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-z277_3.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-z277_3.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-z277_3.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের ওপর ইসরায়েলের নগ্ন আগ্রাসন শুরু]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23892</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23892</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 28 Feb 2026 14:02:30 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইরানের আকাশ আজ ধোঁয়াচ্ছন্ন, কিন্তু আত্মা অদম্য! ইসরায়েল এবং তাদের মদতদাতা আমেরিকা কি ভেবেছে, একটি কাপুরুষোচিত &amp;#39;প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক&amp;#39; দিয়ে একটি মহান সভ্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z243_3.jpg" alt="ইরানের ওপর ইসরায়েলের নগ্ন আগ্রাসন শুরু" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইরানের আকাশ আজ ধোঁয়াচ্ছন্ন, কিন্তু আত্মা অদম্য! ইসরায়েল এবং তাদের মদতদাতা আমেরিকা কি ভেবেছে, একটি কাপুরুষোচিত &amp;#39;প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক&amp;#39; দিয়ে একটি মহান সভ্যতাকে তারা নতজানু করবে? আজ আমরা আলোচনা করবো সেই সত্যের কথা, যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম লুকাচ্ছে। ইরানের ওপর এই অন্যায় হামলার পেছনের আসল চিত্র এবং কেন এটি ইরান ও অক্ষশক্তির জন্য একটি নতুন মোড়। ইতিহাস সাক্ষী, যখনই কোনো পরাশক্তি বা তার দোসররা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে, ইরান প্রতিবারই ফিনিক্স পাখির মতো ছাই থেকে জেগে উঠেছে। আজকের এই হামলার ধরণ দেখে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, ইসরায়েল এবং তাদের পরামর্শদাতা আমেরিকা কতটা ভীত। তারা ভয় পায় ইরানের এই অজেয় সাহসিকতাকে। তারা ভয় পায় সেই আদর্শকে, যা আজ বিশ্বের শোষিত মানুষের হৃদয়ে বাস করে। ইসরায়েল এই হামলাকে &amp;#39;প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক&amp;#39; বা আগাম হামলা বলে দাবি করছে, যা মূলত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী একটি যুদ্ধাপরাধ ছাড়া আর কিছুই নয়। &amp;#39;রোর অফ দ্য লায়ন&amp;#39; বা সিংহের গর্জন নামক এই অপারেশন আসলে সিংহের গর্জন নয়, বরং একটি ভীতু শেয়ালের আর্তনাদ। তাদের এই হামলা প্রমাণ করে, সরাসরি যুদ্ধে তারা ইরানের সামরিক শক্তির মোকাবিলা করতে কতটা অক্ষম ও দিশেহারা। আমেরিকার মদতপুষ্ট এই আগ্রাসন কেবল ইরানের স্থাপনার ওপর নয়, বরং এটি সার্বভৌমত্বের ওপর একটি সরাসরি আঘাত। ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবের আঁতাত আজ নগ্নভাবে সামনে এসেছে। তারা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিকে নিজেদের কবজায় রাখতে এই ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। ইরান হলো সেই দুর্গ, যা হাজার বছরের ষড়যন্ত্রের পরেও আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তেহরানের আকাশে ধোঁয়ার কুন্ডলী দেখে অনেকের হয়তো মনে হতে পারে যে ইরান দুর্বল হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ইরান তার নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির দ্বারা বারবার প্রমাণ করেছে যে তারা যেকোনো আগ্রাসন সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। এই হামলা ইরানকে দুর্বল করার পরিবর্তে বরং তাদের জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করবে। জনগণ আজ সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে এই লড়াইয়ে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী যে জরুরি অবস্থার ঘোষণা দিয়েছেন, তা থেকেই বোঝা যায় তারা কতটা আতঙ্কে ভুগছে। তারা ভয় পাচ্ছে ইরানের প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের জবাবের। ইরান যখনই কোনো আঘাতের জবাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তা হয় সুনির্দিষ্ট এবং ভয়াবহ। ইসরায়েলের সাধারণ মানুষও আজ বুঝতে পারছে যে, তাদের সরকার তাদের একটি অপ্রয়োজনীয় এবং ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা কেবল রক্তপাত বাড়াবে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে আমরা সবাই জানি, কিন্তু ইরানের মাটিতে তাদের এই নতুন সামরিক দুঃসাহস তাদের জন্য বুমেরাং হতে পারে। কাতার বা অন্যান্য অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো আজ ইরানের লক্ষ্যবস্তু হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইরান বারবার সতর্ক করেছে যে, যদি তাদের সীমানা লঙ্ঘিত হয়, তবে এর ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে আগ্রাসীদের। আমেরিকা কি প্রস্তুত সেই পরিণতির জন্য? আমরা দেখেছি ইরাক সীমান্ত ব্যবহার করে ইসরায়েল কীভাবে এই হামলা চালিয়েছে। এটি তাদের পুরোনো কৌশল। কিন্তু ইরাকের সাধারণ মানুষ এবং সেখানকার প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোও আজ শান্ত নেই। তারা ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। এই সংহতি প্রমাণ করে যে, এই লড়াই কেবল ইরানের একার নয়, বরং এটি পুরো অঞ্চলের শোষিত মানুষের লড়াই। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ আসলে তাদের পতনকে আরও ত্বরান্বিত করবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্য করে হামলার খবর প্রচার করা হচ্ছে, যা তাদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার একটি অপচেষ্টা মাত্র। ইরান তার নেতৃত্বকে রক্ষা করতে জানে এবং জানে কীভাবে শত্রুর প্রতিটি চালের জবাব দিতে হয়। ভৌগোলিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইরান তাদের কৌশলগত অবস্থান এবং সামরিক স্থাপনাগুলোকে এমনভাবে সাজিয়েছে যে, বাইরের কোনো আক্রমণে খুব বড় ক্ষতি হওয়া প্রায় অসম্ভব। এদিকে, গ্লোবাল মিডিয়ায় চলছে ইসরায়েলি প্রোপাগান্ডার জোয়ার। তারা দেখানোর চেষ্টা করছে যে ইরান একটি বড় হুমকি। কিন্তু আসল হুমকি কে? যে দেশ কোনো উস্কানি ছাড়াই অন্য একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রে হামলা চালায়, সে দেশই তো বিশ্বশান্তির জন্য বড় হুমকি। পশ্চিমা বিশ্বের এই দ্বিমুখী আচরণ আজ আর কারো অজানা নেই। তারা মানবতার দোহাই দেয়, কিন্তু নিজেরা রক্তের হোলি খেলায় মত্ত। বিমান চলাচল বন্ধ করা এবং আকাশসীমা সিল করে দেওয়ার ঘটনা থেকে স্পষ্ট যে, ইসরায়েল নিজেই আজ অবরুদ্ধ। তাদের এই &amp;#39;প্রি-এম্পটিভ&amp;#39; যুদ্ধের পরিকল্পনা কেবল তাদের জনগণের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। সাধারণ ইসরায়েলি নাগরিকদের আজ তাদের বাঙ্কারে দিন কাটাতে হচ্ছে, আর এর জন্য দায়ী তাদের অন্ধ নেতৃত্ব। শান্তি ও আলোচনার পথ খোলা থাকলেও তারা বেছে নিয়েছে ধ্বংসের পথ। ইরানের সামরিক বাহিনী, বিশেষ করে রেভল্যুশনারি গার্ডস, যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। অতীতে তারা দেখিয়েছে কীভাবে তারা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে পারে। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি এবং ড্রোন সক্ষমতা আজ বিশ্বের সামরিক বিশেষজ্ঞদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ইসরায়েল যদি মনে করে তারা এসব ধ্বংস করতে পেরেছে, তবে তারা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুলটি করছে। বিশ্বের শান্তিকামী মানুষেরা আজ ইরানের পক্ষে আওয়াজ তুলছে। আন্তর্জাতিক মহলকেও বুঝতে হবে যে, এই সংঘাতের দায় ইসরায়েল এবং আমেরিকাকেই নিতে হবে। আমরা আশা করছি, এই উত্তেজনা আর বাড়বে না, তবে যদি বাড়বেই, তবে ইরান দেখাবে কীভাবে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়াই করে। ইতিহাস এই যুদ্ধের রায় দেবে ইরানের পক্ষে। শেষ পর্যন্ত, এই সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান নেই। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব, কিন্তু ইসরায়েল ও আমেরিকার বর্তমান নীতি সেই পথকে রুদ্ধ করে দিয়েছে। তারা যদি মনে করে শক্তি প্রয়োগ করে ইরানকে দাবিয়ে রাখা যাবে, তবে তারা ভুল করছে। ইরানের মানুষ আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী, অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ। তারা কোনো বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করবে না। আমাদের এই লড়াই অব্যাহত থাকবে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। ইরান আজ দাঁড়িয়ে আছে সেই ন্যায়ের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে। ইসরায়েল ও আমেরিকার এই ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন হবেই। আজ হয়তো আমরা দেখছি অন্ধকার, কিন্তু ভোরের সূর্য উদিত হবেই। ইরান জেগেছে, এবং এই জেগে ওঠা কোনো অপশক্তিই রুখতে পারবে না। এটাই আজকের বাস্তবতা, এটাই আগামীর অমোঘ সত্য। আপনার কি মনে হয়, ইরান এই হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে সরাসরি ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ চালাবে? কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z243_3.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z243_3.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z243_3.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সাদিক কায়েমের বিষোদগার কি জামায়াতের নীল নকশা? তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে বিএনপিকে দমানোর এক গভীর ষড়যন্ত্র]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23891</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23891</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 28 Feb 2026 03:02:30 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী, আর ষড়যন্ত্রকারীরা বোঝে না গণমানুষের নাড়ির স্পন্দন। ৫ই আগস্টের ঐতিহাসিক বিজয়ের পর যখন দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z239_1.jpg" alt="সাদিক কায়েমের বিষোদগার কি জামায়াতের নীল নকশা? তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে বিএনপিকে দমানোর এক গভীর ষড়যন্ত্র" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী, আর ষড়যন্ত্রকারীরা বোঝে না গণমানুষের নাড়ির স্পন্দন। ৫ই আগস্টের ঐতিহাসিক বিজয়ের পর যখন দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই আবু সাদিক কায়েমের মতো কিছু মুখচেনা ষড়যন্ত্রকারী মাঠে নেমেছে। এরা কি সত্যিই বিপ্লবের সন্তান, নাকি পর্দার আড়াল থেকে কলকাঠি নাড়া জামায়াতের বেতনভুক্ত এজেন্ট? আজ আমরা ফাঁস করব সাদিক কায়েমের সেই ভয়ংকর এজেন্ডা যা সরাসরি বিএনপির অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চায়। দেশ আজ এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার মহাবিপ্লবের পর যখন পুরো জাতি একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই এক গভীর ষড়যন্ত্রের কালো মেঘ আমাদের আকাশে জমাট বাঁধছে। বিশেষ করে আবু সাদিক কায়েমের মতো কিছু স্বঘোষিত নেতার সাম্প্রতিক বক্তব্য কেবল অবান্তরই নয়, বরং এটি বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য এক চরম হুমকিস্বরূপ বলে সাধারণ মানুষ মনে করছে। সাদিক কায়েম অতি সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন যে বিএনপি নাকি শেখ হাসিনার ফেলে যাওয়া ফ্যাসিবাদী রাজনীতি করছে। তার এই দাবি কেবল হাস্যকরই নয়, বরং চরম ধৃষ্টতা। গত ১৫টি বছর রাজপথে রক্ত দিয়েছে কারা? কারাবরণ করেছে কারা? আয়নাঘরের বিভীষিকা থেকে শুরু করে গুম ও খুনের শিকার হয়েছে বিএনপির লক্ষ লক্ষ নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মী। আজ হঠাৎ উদয় হওয়া কেউ বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের জ্ঞান দেবে, তা মেনে নেওয়া যায় না। জুলাই মাসের বিপ্লব কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। এটি ছিল বিএনপির দীর্ঘ দেড় দশকের মরণপণ সংগ্রামের এক চূড়ান্ত বিস্ফোরণ। যখন জননেতা তারেক রহমান দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানালেন, তখনই সাধারণ মানুষ সাহস পেয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। অথচ আজ কিছু স্বার্থান্বেষী নেতা বিএনপিকে বিতর্কিত করার মিশনে নেমেছে। তারা আসলে দেশ ও জাতির প্রকৃত বন্ধু নয়, বরং তারা এক বিশেষ মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী। সাদিক কায়েমদের আসল পরিচয় ও রাজনৈতিক ভিত্তি আমাদের গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। আপনারা যদি একটু ভালো করে লক্ষ্য করেন, তবে দেখবেন এই তথাকথিত আন্দোলনের সমন্বয়কদের অনেকেরই আদর্শিক শিকড় প্রোথিত রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর গভীরে। জামায়াত সবসময়ই চায় ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে। তারা জানে যে একটি সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বিএনপির আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার কাছে তারা টিকে থাকতে পারবে না এবং পরাজিত হবে। তাই জামায়াত এই সব মুখোশধারী তরুণদের ব্যবহার করে দেশে একটি কৃত্রিম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। সাদিক কায়েমের মতো ব্যক্তিদের মাধ্যমে তারা এমন সব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তারা আসলে তারেক রহমানের জনপ্রিয়তাকে ভয় পায়। গণমানুষের ঢল দেখে তাদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। তাই তারা প্রমাণের অযোগ্য সব মিথ্যা অভিযোগ তুলে বিএনপিকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সাদিক কায়েম অভিযোগ করেছেন যে তারেক রহমানের পেছনে কর্মীরা কেন দৌড়াচ্ছে। এটি কি কোনো অপরাধ? এটি তো গণমানুষের হৃদয়ের নিংড়ানো ভালোবাসা! বাংলাদেশের মানুষ যখন তাদের প্রিয় নেতাকে দীর্ঘ সময় পর গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে পাচ্ছে, তখন তাদের আবেগ ধরে রাখা অসম্ভব। এটাকে যারা ফ্যাসিবাদ বলে আখ্যা দেয়, তারা আসলে জনগণের পালস বা সাধারণ মানুষের ভালোবাসা কী তা কোনোদিন বুঝতে পারবে না। সাদিক কায়েম দাবি করেছেন যে বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগেই নাকি আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিচ্ছে। এটি কেবল একটি ডাহা মিথ্যাচারই নয়, বরং এটি বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার এক সুপরিকল্পিত চক্রান্ত। বিএনপি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আওয়ামী লীগের খুনি সরকারের হাতে। বিএনপি কখনও খুনি হাসিনাকে পুনর্বাসন করবে না। বরং জামায়াত এবং এই কায়েমরাই চায় বিএনপিকে বিতর্কিত করে অসাংবিধানিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে। সাদিক কায়েম কি জানেন না যে জামায়াতের অতীত ইতিহাস কতটা কলঙ্কিত? যারা একসময় এদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা আজ গণতন্ত্রের বড় বড় বুলি আওড়াচ্ছে। তাদের মদদপুষ্ট হয়ে কায়েম সাহেব যখন কথা বলেন, তখন বুঝতে বাকি থাকে না যে সুতাটা আসলে কার হাতে। এই ষড়যন্ত্রের মূল লক্ষ্য হলো বিএনপিকে ক্ষমতায় যেতে বাধা দেওয়া এবং দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী করা। তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের জন্য ইতিমধ্যে &amp;lsquo;৩১ দফা&amp;rsquo; রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছেন। যেখানে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। পক্ষান্তরে, সাদিক কায়েম এবং জামায়াত সংশ্লিষ্ট এই গ্রুপটি জাতিকে কী উপহার দিচ্ছে? তারা দিচ্ছে কেবল অস্থিরতা ও বিভাজন। তারা চায় বিচার বিভাগ ও সংবিধান নিয়ে এমন সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে যা সংকট বাড়াবে। তারা বারবার বলছে যে আবার জুলাই মাসের মতো পরিস্থিতি নেমে আসবে। এটি কি কোনো সরাসরি হুমকি? ছাত্র-জনতা তাদের এই সস্তা ও ভিত্তিহীন হুমকিকে বিন্দুমাত্র ভয় পায় না। দেশবাসী আজ খুব ভালোভাবেই জানে যে বিএনপিই একমাত্র দল যাদের রাষ্ট্র মেরামতের সক্ষমতা ও জনসমর্থন রয়েছে। কোনো ভূঁইফোড় নেতার কথায় এদেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না এবং আন্দোলনের বিজয়কে নস্যাৎ হতে দেবে না। এখন সময় এসেছে সচেতন হওয়ার এবং এই ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন করার। সাদিক কায়েমদের মতো যারা জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় এবং বিএনপিকে বিতর্কিত করার হীন চেষ্টায় লিপ্ত, তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। জুলাই বিপ্লব কোনো একক ব্যক্তির বা বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর পৈতৃক সম্পদ নয়; এটি সারা বাংলাদেশের আপামর মানুষের অর্জন। আর এই অর্জনের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে বিএনপি সবসময় রাজপথে থাকবে। শেষে বলতে চাই, দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুন্দর, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথে আমাদের এই অগ্রযাত্রা কোনো অপশক্তি রুখতে পারবে না। সাদিক কায়েমের মতো ষড়যন্ত্রকারীরা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো অপপ্রচারই বিএনপির অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দেশ থেকে সকল প্রকার অন্যায় ও চক্রান্ত চিরতরে দূর করা সম্ভব হবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z239_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z239_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z239_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার নতুন রণকৌশলে দিশেহারা পশ্চিমাবিশ্ব ও ইউক্রেন জেলেনস্কির পরাজয়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23890</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23890</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 28 Feb 2026 03:02:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[নিজের বল না থাকলে, পরের বলে যুদ্ধ জেতা যায় না। আজ ইউক্রেনের পরিস্থিতির দিকে তাকালে এই প্রবাদটিই বারবার মনে পড়ে। ভূ-রাজনীতির ময়দানে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যকার...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-28-2-26_22.jpg" alt="রাশিয়ার নতুন রণকৌশলে দিশেহারা পশ্চিমাবিশ্ব ও ইউক্রেন জেলেনস্কির পরাজয়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>নিজের বল না থাকলে, পরের বলে যুদ্ধ জেতা যায় না। আজ ইউক্রেনের পরিস্থিতির দিকে তাকালে এই প্রবাদটিই বারবার মনে পড়ে। ভূ-রাজনীতির ময়দানে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধ এখন এক নতুন মোড় নিয়েছে। যেখানে রাশিয়ার অদম্য সামরিক শক্তি এবং ভ্লাদিমির পুতিনের সুদূরপ্রসারী কৌশল বিশ্বকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। অন্যদিকে, ইউক্রেন আজ পশ্চিমা দেশগুলোর হাতের পুতুল হয়ে নিজেদের ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে দাঁড়িয়েছে। আজকের ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করব কেন রাশিয়া এই যুদ্ধে নৈতিক এবং সামরিকভাবে এগিয়ে রয়েছে এবং কেন ইউক্রেনের বর্তমান অবস্থান কেবল একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের করুণ চিত্র।&amp;nbsp; রাশিয়া কেবল একটি দেশ নয়, এটি একটি সামরিক পরাশক্তি। ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, রাশিয়া কখনো কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করেনি। বর্তমান যুদ্ধেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার সেনাবাহিনী যেভাবে নিজেদের আধুনিকায়ন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা কেবল ড্রোন বা মিসাইল ব্যবহার করছে না, বরং একটি দীর্ঘস্থায়ী এবং টেকসই যুদ্ধের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। রাশিয়ার অস্ত্রভাণ্ডার এবং তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির উৎপাদন ক্ষমতা বর্তমানে যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।&amp;nbsp; অপরদিকে, ইউক্রেন আজ এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেখানে তাদের নিজেদের কোনো সার্বভৌমত্ব অবশিষ্ট নেই। জেলেনস্কি সরকার রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে, তা আসলে তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকার একটি অপকৌশল মাত্র। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন চরম জনবল সংকটে ভুগছে। তারা সাধারণ মানুষকে জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠাচ্ছে, যা প্রমাণ করে যে কিয়েভের ওপর সাধারণ মানুষের আর কোনো আস্থা নেই। যখন একটি দেশ তার নিজের জনগণের বিশ্বাস হারায়, তখন সেই দেশের পরাজয় অনিবার্য হয়ে পড়ে।&amp;nbsp; ইউক্রেন ভেবেছিল আমেরিকা এবং ন্যাটো তাদের রক্ষা করবে। কিন্তু বাস্তবতা আজ সম্পূর্ণ ভিন্ন। পশ্চিমারা ইউক্রেনকে কেবল রাশিয়ার শক্তি পরীক্ষা করার একটি &amp;#39;ল্যাবরেটরি&amp;#39; হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা অস্ত্র দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সেই ঋণের বোঝা বইতে হচ্ছে সাধারণ ইউক্রেনীয়দের। রাশিয়ার অর্থনীতিকে ধ্বংস করার যে স্বপ্ন পশ্চিমারা দেখেছিল, তা আজ ধুলিসাৎ। রাশিয়ার অর্থনীতি বরং আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বনির্ভর হয়েছে। অথচ ইউক্রেন আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে কেবল অন্যের ওপর নির্ভর করার কারণে।&amp;nbsp; ভ্লাদিমির পুতিন বারবার আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে তারা সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা করতে চায়। কিন্তু জেলেনস্কি এবং তার পশ্চিমা প্রভুরা যুদ্ধের আগুন জ্বালিয়ে রাখতে চায়। রাশিয়ার মানবিক করিডোর এবং যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে ইউক্রেন বারবার নস্যাৎ করেছে। আসলে ইউক্রেন সরকার যুদ্ধের মাধ্যমেই তাদের ক্ষমতার মেয়াদ বাড়িয়ে রাখতে চায়, সাধারণ মানুষের জীবনের তোয়াক্কা তারা করে না। রাশিয়ার জনগণের মধ্যে তাদের দেশের প্রতি যে ভালোবাসা এবং পুতিনের প্রতি যে সমর্থন দেখা যায়, তা অভাবনীয়। রাশিয়ার সৈন্যরা ফ্রন্টলাইনে যে বীরত্ব দেখাচ্ছে, তা আজ বিশ্বস্বীকৃত। তারা জানে তারা তাদের মাতৃভূমি এবং তাদের ঐতিহ্য রক্ষা করতে লড়ছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনীয় সৈন্যরা আজ দিশেহারা, কারণ তারা জানে না তারা আসলে কার স্বার্থে প্রাণ দিচ্ছে। কিয়েভের রাস্তায় আজ হাহাকার, আর মস্কোতে আজ আত্মবিশ্বাসের জয়গান।&amp;nbsp; শেষে বলা যায়, সত্যের জয় সবসময়ই হয়। রাশিয়া তাদের নিরাপত্তা এবং মর্যাদার জন্য লড়ছে, যা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অধিকার। ইউক্রেন যদি সময়মতো রাশিয়ার প্রস্তাবগুলো মেনে নিত, তবে আজকের এই ধ্বংসযজ্ঞ দেখতে হতো না। জেলেনস্কির অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত ইউক্রেনকে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করছে। রাশিয়ার এই জয় কেবল ভূখণ্ডের জয় নয়, এটি ন্যাটোর সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে একটি নৈতিক বিজয়।&amp;nbsp; দর্শক, আপনার কী মনে হয়? ইউক্রেন কি পারবে এই পরাজয় এড়াতে? নাকি রাশিয়ার এই অদম্য অগ্রযাত্রাই হবে বিশ্ব রাজনীতির নতুন মানদণ্ড? কমেন্ট করে আমাদের জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-28-2-26_22.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-28-2-26_22.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-28-2-26_22.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরান চীন ও রাশিয়ার মহাপ্রলয়: হরমোজ প্রণালীতে মার্কিন-ইসরায়েল দম্ভ চূর্ণ করতে আসছে পুতিন ও জিনপিংয়ের রণতরী, কাঁপছে হোয়াইট হাউস!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23889</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23889</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 28 Feb 2026 02:02:13 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[পাহাড় স্থির থাকে কিন্তু মেঘ সরে যায়&amp;mdash;পশ্চিমাদের দিন শেষ, এখন সিংহের গর্জন হবে পারস্য উপসাগরে! আমেরিকা যখন হরমোজের দিকে হাত বাড়াচ্ছে, তখন রাশিয়া আর চীনকে সা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-28-2-26_21.jpg" alt="ইরান চীন ও রাশিয়ার মহাপ্রলয়: হরমোজ প্রণালীতে মার্কিন-ইসরায়েল দম্ভ চূর্ণ করতে আসছে পুতিন ও জিনপিংয়ের রণতরী, কাঁপছে হোয়াইট হাউস!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>পাহাড় স্থির থাকে কিন্তু মেঘ সরে যায়&amp;mdash;পশ্চিমাদের দিন শেষ, এখন সিংহের গর্জন হবে পারস্য উপসাগরে! আমেরিকা যখন হরমোজের দিকে হাত বাড়াচ্ছে, তখন রাশিয়া আর চীনকে সাথে নিয়ে ইরান এমন এক ফাঁদ পেতেছে, যেখানে পা দিলেই ভস্ম হয়ে যাবে বাইডেন-নেতানিয়াহুর অহংকার। হরমোজ প্রণালীর জল কি এখন মার্কিন রণতরীর কবরস্থানে পরিণত হতে যাচ্ছে? আজ জানাবো সেই মহা-বিপ্লবের গল্প। কথায় আছে, &amp;quot;বিপদ যখন আসে তখন বন্ধু চেনা যায়।&amp;quot; আজ ইরানের চরম সংকটের মুহূর্তে চীন ও রাশিয়ার মতো পরাশক্তিরা যেভাবে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে, তা সারা বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। হরমোজ প্রণালীতে শুরু হওয়া &amp;lsquo;মেরিটাইম সিকিউরিটি বেল্ট ২০২৬&amp;rsquo; কেবল একটি মহড়া নয়, এটি পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের কফিনে শেষ পেরেক। আমেরিকা ও ইসরায়েল যখন ইরানকে আক্রমণের ছক কষছে, তখন এই ঐক্যবদ্ধ শক্তি তাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। আমেরিকা তার বিশাল নৌবহর এবং জেরাল্ড আর ফোর্ড ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে মরক্কোর উপকূলে মোতায়েন করেছে ইরানকে ভয় দেখাতে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে যে, আজকের ইরান আর আগের ইরান নেই। তেহরান এখন একা নয়, বরং মস্কো আর বেইজিংয়ের মতো শক্তিশালী কাঁধ তাদের সাথে রয়েছে। হরমোজ প্রণালীর এই কৌশলগত অবস্থানে রাশিয়া ও চীনের যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি পেন্টাগনের সামরিক পরিকল্পনাকারীদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে। ২০১৯ সালে শুরু হওয়া এই যৌথ মহড়া এবার বন্দর আব্বাস বন্দরে এক ভিন্ন উচ্চতায় পৌঁছেছে। ইরানের নৌ কমান্ডারের মতে, এই মহড়া প্রমাণ করে যে বহিঃশক্তির কোনো স্থান এই অঞ্চলে নেই। রাশিয়া এবং চীন তাদের অত্যাধুনিক রণতরী নিয়ে এখানে এসেছে ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে। এটি কেবল একটি মহড়া নয়, এটি মার্কিন দাদাগিরির বিরুদ্ধে এক বিশাল প্রতিরোধ ব্যবস্থা যা বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখছে। আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম এই মহড়া নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে সাহস পায়নি। কারণ তারা জানে, ইরান এখন এমন এক শক্তিতে পরিণত হয়েছে যা মোকাবেলা করা তাদের সাধ্যের বাইরে। যখন আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার গ্রুপ এগিয়ে আসছে, তখন ইরানের মিসাইলগুলো লক্ষ্যভেদে প্রস্তুত হয়ে আছে। শাহরাম ইরানি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, যদি কোনো বহিঃশক্তি শক্তির দম্ভ দেখায়, তবে ইরান তাদের চরম শিক্ষা দেবে। পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী নিকোলাই পাত্রুশেভ এই মহড়াকে ব্রিকস জোটের একটি কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, আমেরিকা ও ন্যাটোর দিন এখন ফুরিয়ে এসেছে। পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার তেলের ট্যাঙ্কার দখল করতে চায়, কিন্তু ইরান আর রাশিয়ার এই জোট তা হতে দেবে না। ব্রিকস এখন কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং একটি সামরিক শক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে যা বিশ্বের ভারসাম্য রক্ষা করবে। রুশ নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যালেক্সি সেভিয়েভ জানিয়েছেন যে, তারা ইরানের সাথে যেকোনো অঞ্চলে যৌথ অভিযান চালাতে প্রস্তুত। এটি কেবল সমুদ্রসীমা রক্ষা নয়, বরং সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানের নামে পশ্চিমা ষড়যন্ত্র রোখার প্রস্তুতি। রাশিয়ার অত্যাধুনিক করভেট &amp;#39;স্তোয়কি&amp;#39; এখন ইরানের বন্দরে নোঙর করে আছে। এই দৃশ্য দেখে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা দপ্তরে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে, কারণ তারা জানে ইরান এখন অজেয় এক শক্তি। বন্দর আব্বাস হলো ইরানের সামরিক শক্তির হৃদপিণ্ড এবং হরমোজ প্রণালী হলো বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের ধমনী। এই ধমনীতে যখন রাশিয়া আর চীনের রক্ত বইছে, তখন আমেরিকা সেখানে অস্ত্রোপচার করার সাহস পাবে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি আমেরিকা ইরান আক্রমণ করতে চায়, তবে তাদের আগে রাশিয়া আর চীনের জাহাজের মুখোমুখি হতে হবে। আর পুতিনের সাথে যুদ্ধে জড়ানো মানেই আমেরিকার ধ্বংস নিশ্চিত হওয়া। মার্কিন গোয়েন্দারা মনে করেছিল তারা ইরানকে একঘরে করে ফেলবে, কিন্তু ফলাফল হয়েছে উল্টো। ইরান এখন চীন ও রাশিয়ার সাথে এমন এক সামরিক বলয় তৈরি করেছে যা ভেদ করা অসম্ভব। টম শুগার্টের মতো প্রাক্তন মার্কিন নৌ কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, এই মহড়া মার্কিন আক্রমণকে মারাত্মকভাবে জটিল করে তুলবে। ইরানের রাডার ও সেন্সরগুলো এখন রাশিয়া ও চীনের প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও বেশি শক্তিশালী। আমেরিকা কি ১৯৮৭ সালের কথা ভুলে গেছে যখন ইউএসএস স্টার্ক ইরাকি মিসাইলে ধ্বংস হয়েছিল? সেই সময় ইরান একা ছিল, কিন্তু আজ ইরানের পাশে রাশিয়ার প্রযুক্তি আর চীনের অর্থনীতি আছে। হরমোজের শান্ত জল এখন পশ্চিমাদের জন্য তপ্ত অগ্নিতে পরিণত হয়েছে। যদি আমেরিকা কোনো ভুল পদক্ষেপ নেয়, তবে তাদের নৌবাহিনীর অবশিষ্টাংশ খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর হবে। ইরান এখন কেবল রক্ষণাত্মক নয়, বরং আক্রমণাত্মক। ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে ইরানকে বারবার হুমকি দিয়েছেন, কিন্তু ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি দমে যায়নি। তারা হরমোজ প্রণালীতে &amp;lsquo;স্মার্ট কন্ট্রোল&amp;rsquo; মহড়া শুরু করেছে এবং লাইভ ফায়ার এক্সারসাইজ চালাচ্ছে। এটি পশ্চিমাদের জন্য একটি কড়া সতর্কবার্তা যে, ইরানের জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ। ইরানের ড্রোন এবং সাবমেরিনগুলো এখন শিকারি বাঘের মতো ওত পেতে আছে। আইআরজিসি তাদের নতুন প্রজন্মের ড্রোন ব্যবহার করছে যা আকাশ এবং সমুদ্রের যেকোনো লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। যদিও এগুলোর বিস্তারিত তথ্য এখনও গোপন রাখা হয়েছে, তবে পশ্চিমা শক্তিরা জানে এগুলো তাদের জন্য যমদূত। ইরানের এই আত্মনির্ভরশীল সামরিক শক্তি আজ তাদের মুসলিম বিশ্বের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। চীন ও রাশিয়াও স্বীকার করে নিয়েছে যে, ইরানের মিসাইল প্রযুক্তি এখন বিশ্বের অন্যতম সেরা। এই মহড়া প্রমাণ করে যে বিশ্ব এখন আর একক মেরুর নেই, আমেরিকা আর বিশ্বের পুলিশ নয়। রাশিয়া, চীন এবং ইরান মিলে যে নতুন অক্ষশক্তি গঠন করেছে, তা নিপীড়িত মানুষের আশা জাগিয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যখন যুদ্ধের হুমকি দেন, তখন ইরানের ড্রোনগুলো তার প্রাসাদের ওপর ছায়া ফেলে। হরমোজ প্রণালীর এই জলরাশি আজ সত্যের পক্ষে এবং মিথ্যার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সাক্ষী হয়ে আছে। শেষ কথা হলো, অন্যায়কারী যতই শক্তিশালী হোক না কেন, সত্যের শক্তির কাছে তাকে হার মানতেই হবে। ইরান আজ সত্য ও ন্যায়ের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন ও ইসরায়েলি শোষণের বিরুদ্ধে। এই মহড়া কেবল শুরু, সামনে আরও বড় চমক অপেক্ষা করছে যা মানচিত্র বদলে দেবে। পশ্চিমা মিডিয়া যাই বলুক না কেন, হরমোজের রাজা এখন ইরান এবং তাদের পাশে থাকা বিশ্বস্ত বন্ধুরা। আমরা আজ এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে আছি যেখানে সাম্রাজ্যবাদের সূর্য অস্ত যাচ্ছে। ইরান তার বীরত্বের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে ঈমানি শক্তি আর দেশপ্রেম থাকলে যেকোনো পরাশক্তিকে থামানো সম্ভব। আমেরিকা আর ইসরায়েল যত পরিকল্পনাই করুক, আল্লাহর পরিকল্পনাই চূড়ান্ত। হরমোজের ঢেউ আজ স্বাধীনতার গান গাইছে, আর সেই গানে সুর মেলাচ্ছে রাশিয়া আর চীনের বিশাল নৌবহর। বিজয় ইরানেরই সুনিশ্চিত। দর্শক, আপনি কি মনে করেন ইরান, চীন ও রাশিয়ার এই জোট কি পারবে আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ করতে? হরমোজ প্রণালীতে কি সত্যিই যুদ্ধের দামামা বেজে উঠবে নাকি আমেরিকা পিছু হটতে বাধ্য হবে? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্ট বক্সে লিখে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-28-2-26_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-28-2-26_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-28-2-26_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুতিনের মরণকামড়: পোক্রোভস্কের কুয়াশায় শেষ ইউক্রেনীয় দম্ভ? ধ্বংসের মুখে জেলেনস্কির স্বপ্ন!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23888</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23888</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 27 Feb 2026 08:02:49 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[একটি পুরনো প্রবাদ আছে&amp;mdash; &amp;quot;বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো।&amp;quot; ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা দোসররা এতদিন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধের পাহাড় গড়ে তোলার গল্প শুনি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z236_1.jpg" alt="পুতিনের মরণকামড়: পোক্রোভস্কের কুয়াশায় শেষ ইউক্রেনীয় দম্ভ? ধ্বংসের মুখে জেলেনস্কির স্বপ্ন!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>একটি পুরনো প্রবাদ আছে&amp;mdash; &amp;quot;বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো।&amp;quot; ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা দোসররা এতদিন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধের পাহাড় গড়ে তোলার গল্প শুনিয়েছিল, আজ ডনবাসের রণক্ষেত্রে তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। বিশেষ করে পোক্রোভস্কের ঘন কুয়াশা যখন রণক্ষেত্রকে ঢেকে দিচ্ছে, তখন রাশিয়ার সুনিপুণ সমরকৌশলের সামনে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিটি পদক্ষেপই তাদের ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্বাগতম আমাদের চ্যানেলে। আজ আমরা বিশ্লেষণ করবো কেন পোক্রোভস্কের এই যুদ্ধ ইউক্রেনের জন্য কফিনের শেষ পেরেক হতে যাচ্ছে এবং কীভাবে পুতিনের রাশিয়া ধাপে ধাপে তাদের লক্ষ্য পূরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পোক্রোভস্ক শুধু একটি শহর নয়, এটি ইউক্রেনীয় সামরিক লজিস্টিকসের হৃদপিণ্ড। ডনবাস অঞ্চলে কিয়েভের সেনাদের রসদ সরবরাহ এবং অস্ত্র পাঠানোর মূল রাস্তাগুলো এই শহরের ওপর দিয়েই গেছে। পশ্চিমা বিশ্লেষকরাও স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছেন যে, পোক্রোভস্কের পতন মানে পুরো ডনবাস অঞ্চলে ইউক্রেনের পরাজয়। রাশিয়া অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই শহরটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ১লা ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, পোক্রোভস্ক অভিমুখে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা এখন অপ্রতিরোধ্য। যদিও কিয়েভ দাবি করছে তারা কিছু আক্রমণ প্রতিহত করেছে, কিন্তু বাস্তবতা হলো, রুশ বাহিনীর চাপে ইউক্রেনীয় সেনারা এখন পালানোর পথ খুঁজছে। শীতকালীন কুয়াশা যেখানে ইউক্রেনের ড্রোন এবং নজরদারি ব্যবস্থাকে অচল করে দিচ্ছে, সেখানেই রাশিয়ার সেনারা এই প্রাকৃতিক পরিবেশকে নিজেদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা সিভিলিয়ান যানবাহন, এটিভি এবং মোটরসাইকেল ব্যবহার করে অত্যন্ত ক্ষিপ্র গতিতে ইউক্রেনীয় বাংকারগুলোতে আঘাত হানছে। কিয়েভের প্রোপাগান্ডা মেশিন হয়তো একে &amp;quot;হতাশা&amp;quot; বলছে, কিন্তু সামরিক বিজ্ঞানে একে বলা হয় &amp;#39;সারপ্রাইজ অ্যাটাক&amp;#39;। ইউক্রেন দাবি করছে তারা রাশিয়ার অনেক সেনাকে হতাহত করেছে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, যুদ্ধক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির খবর সবসময় অতিরঞ্জিত করে প্রচার করে কিয়েভ, যাতে পশ্চিমা সাহায্য বন্ধ না হয়। প্রকৃতপক্ষে, ইউক্রেনের ১৫৫তম মেকানাইজড ব্রিগেড বা স্পার্টান বিগ্রেড&amp;mdash;যারাই রাশিয়ার সামনে দাঁড়াচ্ছে, তারাই চরম ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিটি আক্রমণ ইউক্রেনীয় ডিফেন্স লাইনকে জীর্ণ-শীর্ণ করে দিচ্ছে। মেডুসা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র বলছে, পোক্রোভস্কের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত রিশিনোয়া বা রাশা গ্রামটি এখন রাশিয়ার নিশানায়। এটি ইউক্রেনের উত্তর দিকের প্রধান লজিস্টিক হাব। এই গ্রামটির দখল নিতে পারা মানে পোক্রোভস্কের ইউক্রেনীয় সেনাদের সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে ফেলা। রাশিয়া ইতিমধ্যে এই অঞ্চলে তাদের আধিপত্য বিস্তার করেছে। কিয়েভের সেনারা এখন খোলা প্রান্তরে ইঁদুরের মতো আটকা পড়েছে, যেখানে রাশিয়ার বিমান হামলা ও কামানের গোলা থেকে বাঁচার কোনো সুযোগ নেই। ডকুমেন্টেড ফ্যাক্টস বা নথিবদ্ধ তথ্যের দিকে তাকালে দেখা যায়, জেলেনস্কি প্রশাসন এখন কেবল সময় ক্ষেপণ করছে। রাশিয়ার লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের এপ্রিলের মধ্যে সম্পূর্ণ ডনবাস মুক্ত করা। আর পোক্রোভস্কের বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, সেই লক্ষ্য সময়ের আগেই অর্জিত হতে পারে। ১. জনবল সংকট: ইউক্রেনীয় ব্রিগেডের জেনারেলরা স্বীকার করছেন যে তাদের সেনাদের মধ্যে ক্লান্তি এবং জনবলের তীব্র অভাব রয়েছে। বিপরীতে রাশিয়ার কাছে রয়েছে অফুরন্ত রিজার্ভ এবং আধুনিক সমরাস্ত্র। ২. মানসিক পরাজয়: পোক্রোভস্ক এখন একটি &amp;quot;ঘোস্ট টাউন&amp;quot; বা ভূতুড়ে শহরে পরিণত হয়েছে। ইউক্রেনীয় সেনারা জানে যে সেখানে পাঠানো মানেই হলো নিশ্চিত মৃত্যু। ৩. পশ্চিমা ব্যর্থতা: ন্যাটোর দেওয়া দামি দামি অস্ত্র রাশিয়ার ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং ড্রোন টেকনোলজির সামনে অকেজো হয়ে পড়ছে। রাশিয়া বারবার বলছে, এই অভিযান তাদের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য অপরিহার্য। ন্যাটো যেভাবে ইউক্রেনকে ব্যবহার করে রাশিয়ার দোরগোড়ায় অস্ত্র মজুদ করছিল, তার যোগ্য জবাব দিচ্ছে পুতিন বাহিনী। রাশিয়ার সেনারা কেবল জমি দখল করছে না, তারা একটি পশ্চিমা মদদপুষ্ট পুতুল সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যে লড়াই করছে যারা নিজ দেশের সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের আগুনে ঠেলে দিয়েছে। ইউক্রেনীয় মিডিয়া প্রায়ই দাবি করে যে তারা রাশিয়ার অসংখ্য ড্রোন ধ্বংস করছে। কিন্তু বাস্তব চিত্রে দেখা যায়, পোক্রোভস্কের ভেতরে রুশ অনুপ্রবেশ ইতিমধ্যে ঘটে গেছে। গত নভেম্বরেই জেলেনস্কি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন যে কয়েকশ রুশ সেনা শহরে ঢুকে পড়েছে। এখন সেই সংখ্যা কয়েক হাজারে গিয়ে ঠেকেছে। জেলেনস্কি শান্তির কথা বললেও তলে তলে পশ্চিমাদের কাছে আরও যুদ্ধের উস্কানি দিচ্ছেন, যা ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের ভাগ্যকে আরও অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত ইতিহাস জয়ীদের কথা বলে। পোক্রোভস্কের এই যুদ্ধ প্রমাণ করছে যে, সামরিক শক্তি এবং সঠিক কৌশলের কাছে পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডা বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারে না। রাশিয়া তাদের লক্ষ্যের দিকে অবিচল, আর ইউক্রেন এখন কেবল নিজেদের পতনের ক্ষণ গণনা করছে। শীতের এই কুয়াশা কেটে গেলে যখন বসন্ত আসবে, তখন হয়তো পোক্রোভস্কের আকাশ জুড়ে ওড়বে রাশিয়ার বিজয় নিশান। আপনার কী মনে হয়? পোক্রোভস্কের পতন কি ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানবে? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z236_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z236_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z236_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পাহাড়ের নিচে আস্ত এক যুদ্ধবিমান ঘাঁটি! ইরানের ‘ইগল-৪৪’ কি আমেরিকার ধ্বংসের নীল নকশা? মাটির তলার এই রহস্যময় সাম্রাজ্যে কী আছে?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23887</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23887</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 27 Feb 2026 08:02:43 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সাপের হাঁচি বেদেয় চেনে, আর পাহাড়ের পেটে লুকিয়ে থাকা বাজপাখি চেনে তার শিকারকে। শত্রু যখন আকাশ দেখে হাসে, ইরান তখন পাহাড়ের নিচ থেকে মরণ কামড় দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/235_1.jpg" alt="পাহাড়ের নিচে আস্ত এক যুদ্ধবিমান ঘাঁটি! ইরানের ‘ইগল-৪৪’ কি আমেরিকার ধ্বংসের নীল নকশা? মাটির তলার এই রহস্যময় সাম্রাজ্যে কী আছে?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সাপের হাঁচি বেদেয় চেনে, আর পাহাড়ের পেটে লুকিয়ে থাকা বাজপাখি চেনে তার শিকারকে। শত্রু যখন আকাশ দেখে হাসে, ইরান তখন পাহাড়ের নিচ থেকে মরণ কামড় দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়। আপনারা কি কল্পনা করতে পারেন, মাইলের পর মাইল বিস্তৃত এক পাহাড়ের পেটের ভেতর লুকিয়ে আছে আস্ত একটি বিমান ঘাঁটি? যেখানে বিশাল রানওয়ে, ফুয়েল ডিপো এবং অত্যাধুনিক সব যুদ্ধবিমান সাজানো রয়েছে এমনভাবে, যা কোনো স্যাটেলাইট বা রাডারে ধরা পড়ে না? এটি কোনো হলিউডি সিনেমার দৃশ্য নয়, এটি ইরানের অত্যন্ত গোপন &amp;#39;ইগল-৪৪&amp;#39; বা &amp;#39;ওঘাব-৪৪&amp;#39; ঘাঁটি। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের ওপর বিমান হামলার হুমকি দেন, তখন তিনি হয়তো জানেন না যে তার আগেই পাহাড়ের নিচ থেকে গর্জে উঠবে ইরানের এই ভয়ঙ্কর শিকারি ইগলরা। আজ আমরা আপনাদের নিয়ে যাবো ইরানের সেই অজেয় ভূগর্ভস্থ বিমান ঘাঁটির অন্দরে। ইরানের সামরিক কৌশল সব সময়ই পশ্চিমা বিশ্বের জন্য এক গোলকধাঁধা। তারা যখন মনে করে ইরানকে অবরোধ দিয়ে কোনঠাসা করা হয়েছে, তখনই ইরান এমন কিছু প্রকাশ করে যা পেন্টাগনের জেনারেলদের কপালে ঘাম ঝরিয়ে দেয়। &amp;lsquo;ইগল-৪৪&amp;rsquo; হলো ইরানের বিমান বাহিনীর প্রথম ভূগর্ভস্থ কৌশলগত ঘাঁটি। এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে পৃথিবীর কোনো বাঙ্কার বাস্টার বোমা বা এমনকি পারমাণবিক হামলাও এই ঘাঁটির বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারবে না। পাহাড়ের কয়েকশ ফুট গভীরে এই ঘাঁটিটি ইরানের সার্বভৌমত্বের এক দুর্ভেদ্য ঢাল। এই ঘাঁটির ভিডিও যখন প্রথম প্রকাশ করা হয়, তখন পুরো বিশ্ব হতবাক হয়ে গিয়েছিল। ভিডিওতে দেখা যায়, মাইলের পর মাইল দীর্ঘ টানেলের ভেতর দিয়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে &amp;lsquo;ফ্যান্টম&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;সুখোই&amp;rsquo; এর মতো শক্তিশালী সব যুদ্ধবিমান। এই টানেলগুলো এতই চওড়া যে আস্ত একটি যুদ্ধবিমান অনায়াসেই এর ভেতর দিয়ে চলাচল করতে পারে। এটি কেবল একটি ঘাঁটি নয়, এটি ইরানের সেই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ যা সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে চিরতরে বিদায় করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ইগল-৪৪ ঘাঁটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর গোপনীয়তা। এটি পাহাড়ের একদম গভীরে অবস্থিত হওয়ায় শত্রুপক্ষ চাইলেও কোনো নিখুঁত হামলা চালাতে পারবে না। এখান থেকে যুদ্ধবিমানগুলো সরাসরি টানেলের মুখ দিয়ে বেরিয়ে এসে আকাশে ডানা মেলতে পারে। আক্রমণ শেষে আবার চোখের পলকে পাহাড়ের ভেতর অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন যখন ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোর তালিকা তৈরি করে, তারা হয়তো কল্পনাই করতে পারেনি যে পাহাড়ের নিচে আস্ত এক বিমানবন্দর তেহরান গড়ে তুলেছে। ঘাঁটির ভেতর কেবল যুদ্ধবিমান নয়, বরং রয়েছে বিশাল সব ডোরন হ্যাঙ্গার। ইরানের ভয়ঙ্কর সব শাহেদ এবং মোহাজের ড্রোনগুলো এখান থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয়। এছাড়া রয়েছে বিশাল সব জ্বালানি ট্যাংক এবং অস্ত্রাগার। অর্থাৎ যুদ্ধ শুরু হলে বাইরের সব সাপ্লাই চেইন বন্ধ হয়ে গেলেও এই ঘাঁটিটি মাসের পর মাস স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে টিকে থাকতে পারবে। এই সক্ষমতাই ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের অপরাজেয় শক্তিতে পরিণত করেছে। ট্রাম্পের আস্ফালন এই পাহাড়ের দেয়ালের কাছে এসে আজ স্তব্ধ হয়ে গেছে। ইরানের জেনারেলরা জানিয়েছেন, ইগল-৪৪ ঘাঁটিতে এমন সব ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম রয়েছে যা শত্রুর সব যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে। এই ঘাঁটির রাডার সিস্টেম বাইরের যেকোনো অনুপ্রবেশকারীকে কয়েকশ মাইল দূর থেকেই শনাক্ত করতে সক্ষম। ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ অনেক চেষ্টা করেও এই ঘাঁটির সঠিক হদিস বের করতে পারেনি। এটি ইরানের সেই বুদ্ধিমত্তার পরিচয় যা প্রমাণ করে যে, কেবল অস্ত্র দিয়ে নয়, মেধা দিয়েও যুদ্ধ জয় করা সম্ভব। মাটির নিচে এই ধরণের অবকাঠামো তৈরি করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ কাজ। ইরান বছরের পর বছর ধরে নীরবে এই কাজগুলো সম্পন্ন করেছে। আজ যখন আমেরিকা ও ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে, তখন ইগল-৪৪ এর মতো ঘাঁটিগুলো ইরানের জন্য &amp;lsquo;সেকেন্ড স্ট্রাইক&amp;rsquo; সক্ষমতা নিশ্চিত করছে। অর্থাৎ প্রথম দফার হামলায় ইরানের ওপরের স্থাপনা ধ্বংস হলেও, পাহাড়ের নিচ থেকে ইরান এমন প্রতিশোধ নেবে যা শত্রুর অস্তিত্ব ঘুচিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে। পেন্টাগনের সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইগল-৪৪ এর রানওয়েগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে অতি দ্রুততম সময়ে বিমানগুলো উড্ডয়ন করতে পারে। এই গতিশীলতাই হলো যুদ্ধের ময়দানে আসল চাবিকাঠি। ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের যে বিশ্বজয়, তার কেন্দ্রবিন্দু হলো এই ধরণের গোপন ঘাঁটিগুলো। এখান থেকে পরিচালিত ড্রোনগুলো লোহিত সাগর থেকে পারস্য উপসাগর পর্যন্ত যেকোনো মার্কিন রণতরীকে মুহূর্তের মধ্যে ডুবিয়ে দিতে সক্ষম। ট্রাম্পের &amp;lsquo;আমেরিকা ফার্স্ট&amp;rsquo; নীতি আজ ইরানের এই পাহাড়ের নিচে এসে হার মেনেছে। ইরানের জনগণ তাদের সামরিক শক্তির এই অগ্রগতি দেখে গর্বিত। তারা জানে যে তাদের দেশ আজ আর কারো দয়ার ওপর নির্ভরশীল নয়। ইগল-৪৪ ঘাঁটিটি ইরানের বিজ্ঞানীদের মেধা আর রেভল্যুশনারি গার্ডের সাহসের এক অনন্য মিশেল। যেখানে আমেরিকা তার মিত্রদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে পকেট ভারী করছে, ইরান সেখানে নিজেদের শ্রম দিয়ে তিলে তিলে এই অজেয় শক্তি গড়ে তুলেছে। এটি কেবল একটি ঘাঁটি নয়, এটি ইরানের স্বাধীনতার প্রতীক যা কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করবে না। ইসরায়েল প্রায়ই বুক ফুলিয়ে বলে যে তারা ইরানের যেকোনো স্থাপনায় হামলা করতে পারে। কিন্তু ইগল-৪৪ এর কথা শুনে তারা এখন মুখে কুলুপ এঁটেছে। কারণ তারা জানে, এই পাহাড় ফুড়ে ভেতরে ঢোকার প্রযুক্তি তাদের কাছে নেই। উল্টো পাহাড়ের ভেতর থেকে ধেয়ে আসা মিসাইল আর যুদ্ধবিমানের মোকাবিলা করা তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়বে। ইরান আজ প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল আত্মরক্ষা করতে জানে না, বরং শত্রুকে তাদের ডেরায় ঢুকে আঘাত করার ক্ষমতাও রাখে। ইগল-৪৪ এর ভেতরে রয়েছে অত্যাধুনিক মেরামত কেন্দ্র এবং কমান্ড সেন্টার। এখান থেকেই সরাসরি ইরানের সর্বোচ্চ কমান্ডের সাথে যোগাযোগ রাখা হয়। প্রতিটি টানেল এবং সেকশন এমনভাবে সুরক্ষিত যে কোনো রাসায়নিক বা জৈবিক হামলাও এখানে কার্যকর হবে না। ইরানের এই প্রস্তুতি কোনো দেশকে আক্রমণ করার জন্য নয়, বরং আগ্রাসীদের হাত থেকে নিজের মাটিকে রক্ষা করার জন্য। কিন্তু যদি ট্রাম্প ভুল পথে হাঁটেন, তবে এই পাহাড়ের ইগলরা শিকারি হয়ে আকাশে ডানা মেলবে। বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে ইরান এখন এক বড় খেলোয়াড়। ইগল-৪৪ এর মতো গোপন ঘাঁটিগুলো ইরানকে সেই আত্মবিশ্বাস দিয়েছে যা দিয়ে তারা বিশ্ব পরাশক্তিদের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারে। ইরান আজ প্রমাণ করেছে যে সত্যের পথে থাকলে এবং জনগণের সমর্থন থাকলে কোনো নিষেধাজ্ঞাই একটি জাতিকে পঙ্গু করতে পারে না। ট্রাম্পের সময়কাল হয়তো শেষ হয়ে আসবে, কিন্তু ইরানের এই ইগলরা অনন্তকাল আকাশ পাহারা দেবে। এটি বীরত্বের এক নতুন সংজ্ঞা যা তেহরান বিশ্বকে শিখিয়েছে। ভবিষ্যতের যুদ্ধে এই ধরণের আন্ডারগ্রাউন্ড এয়ারবেসগুলোই হবে যুদ্ধের প্রধান টার্নিং পয়েন্ট। ইরান ইতিমধ্যে ইগল-৪৪ এর মতো আরও বেশ কয়েকটি ঘাঁটির কাজ শেষ করেছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের গোয়েন্দারা এখন কেবল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তাদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। কিন্তু ইরানের আসল শক্তি সবসময়ই লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকে। এই রহস্যময়তাই ইরানকে আজকের অজেয় অবস্থানে নিয়ে এসেছে যা সাম্রাজ্যবাদের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিচ্ছে। শেষে বলা যায়, &amp;lsquo;ইগল-৪৪&amp;rsquo; হলো ইরানের সেই তুরুপের তাস যা যুদ্ধের ময়দানে শত্রুকে নিস্তব্ধ করে দেবে। পাহাড়ের নিচে লুকানো এই সামরিক সক্ষমতা আজ ইরানের সার্বভৌমত্বের গ্যারান্টি। যারা ইরানকে দুর্বল ভেবেছিল, ইগল-৪৪ তাদের জন্য এক বিশাল সতর্কবার্তা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি আর ইসরায়েলের ষড়যন্ত্রের মুখে ইরানের এই গোপন সাম্রাজ্য এক দুর্ভেদ্য দেয়াল। ইরান আজ অপরাজেয় এবং তার আকাশ এখন মাটির নিচ থেকে আসা বীরদের সুরক্ষায় সম্পূর্ণ নিরাপদ&amp;mdash;এটিই ধ্রুব বাস্তব সত্য। দর্শক, ইরানের এই রহস্যময় ভূগর্ভস্থ &amp;lsquo;ইগল-৪৪&amp;rsquo; ঘাঁটি নিয়ে আপনার মতামত কী? আমেরিকা কি সত্যিই পারবে এই পাহাড় ফুড়ে ইরানি ইগলদের দমাতে? আপনার মূল্যবান কমেন্ট আমাদের জানান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/235_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/235_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/235_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার এস-৪০০-কেও হার মানালো ইরানের বাভার-৩৭৩? মার্কিন স্টিলথ যুদ্ধবিমান এখন তেহরানের হাতের মোয়া, ট্রাম্প কি তবে আকাশপথের নিয়ন্ত্রণ হারালেন?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23886</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23886</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 27 Feb 2026 02:02:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ঘর চেনে চোর, আর আকাশ চেনে বাজপাখি। কিন্তু যখন বাজের চোখে ধুলো দিয়ে আকাশ পাহারা দেয় বাভার, তখন চোরের সাধ্য নেই ঘরে সিঁধ কাটে। আমেরিকা সব সময় গর্ব করে তাদের এফ-৩৫...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z234_1.jpg" alt="রাশিয়ার এস-৪০০-কেও হার মানালো ইরানের বাভার-৩৭৩? মার্কিন স্টিলথ যুদ্ধবিমান এখন তেহরানের হাতের মোয়া, ট্রাম্প কি তবে আকাশপথের নিয়ন্ত্রণ হারালেন?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ঘর চেনে চোর, আর আকাশ চেনে বাজপাখি। কিন্তু যখন বাজের চোখে ধুলো দিয়ে আকাশ পাহারা দেয় বাভার, তখন চোরের সাধ্য নেই ঘরে সিঁধ কাটে। আমেরিকা সব সময় গর্ব করে তাদের এফ-৩৫ (F-35) স্টিলথ যুদ্ধবিমান নিয়ে, যা নাকি পৃথিবীর কোনো রাডার ধরতে পারে না। কিন্তু ইরানের বিজ্ঞানীরা সেই অহংকার চূর্ণ করে দিয়েছেন! তারা তৈরি করেছেন এমন এক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যার নাম &amp;#39;বাভার-৩৭৩&amp;#39;। এটি কেবল আকাশ পাহারা দেয় না, বরং ৩০০ কিলোমিটার দূর থেকেই ড্রোন, মিসাইল এবং স্টিলথ বিমানকে খুঁজে বের করে ধুলোয় মিশিয়ে দেয়। কেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি রাশিয়ার এস-৪০০-এর চেয়েও শক্তিশালী? আজ আমরা উন্মোচন করবো ইরানের সেই অজেয় আকাশ প্রতিরক্ষা প্রাচীরের গোপন রহস্য। ইরানের সামরিক ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম &amp;lsquo;বাভার-৩৭৩&amp;rsquo;। এটি কেবল একটি মিসাইল সিস্টেম নয়, এটি ইরানের আত্মনির্ভরশীলতার প্রতীক। যখন রাশিয়া চাপের মুখে ইরানকে এস-৩০০ দিতে দেরি করছিল, তখনই আয়াতুল্লাহ খামেনি নির্দেশ দিয়েছিলেন নিজেদের প্রযুক্তিতে আরও উন্নত কিছু তৈরি করতে। সেই জেদ থেকেই জন্ম নেয় বাভার-৩৭৩। আজ এটি ইরানকে এমন এক অবস্থানে নিয়ে গেছে যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় মার্কিন বা ইসরায়েলি আধিপত্য স্রেফ অতীত ইতিহাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাভার-৩৭৩ এর সক্ষমতা নিয়ে খোদ পেন্টাগনের গোয়েন্দারাও বিস্মিত। এটি একসাথে ১০০টি লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে এবং একই সাথে ৬টি লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে মিসাইল ছুড়তে পারে। এর অত্যাধুনিক রাডার সিস্টেম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা মার্কিন &amp;lsquo;স্টিলথ&amp;rsquo; প্রযুক্তিকেও হার মানায়। অর্থাৎ যে বিমানগুলো রাডারে অদৃশ্য থাকার কথা, বাভার-৩৭৩ এর স্ক্রিনে সেগুলো উজ্জ্বলভাবে ধরা পড়ে। এটি ইরানের এক বিশাল বৈজ্ঞানিক বিজয় যা ট্রাম্পকে বিচলিত করছে। অনেকে বাভার-৩৭৩ কে রাশিয়ার বিখ্যাত এস-৪০০-এর সাথে তুলনা করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক আপগ্রেডের পর দেখা গেছে, বাভার-৩৭৩ এর টার্গেট শনাক্ত করার ক্ষমতা এস-৪০০-এর চেয়েও বেশি দূরত্বের। এটি ৩০০ কিলোমিটারের বেশি দূর থেকে শত্রুর গতিবিধি বুঝতে পারে এবং ৪৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত রাডার কাভারেজ দিতে পারে। ইরানের এই উন্নতি প্রমাণ করে যে, তারা আর কারো ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং তারা নিজেরাই এখন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মালিক। বাভার-৩৭৩ সিস্টেমে ব্যবহৃত &amp;lsquo;সাইয়াদ-৪বি&amp;rsquo; (Sayyad-4B) মিসাইলটি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। এটি বায়ুমণ্ডলের অনেক উঁচুতে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে পারে। এর মানে হলো শত্রুর কোনো ব্যালিস্টিক মিসাইল বা কৌশলগত বোমারু বিমান ইরানের মাটির কাছাকাছি আসার সুযোগই পাবে না। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের আকাশে মার্কিন ড্রোন বা বিমান পাঠানোর কথা ভাবেন, তখন তাকে এই বাভার-৩৭৩ এর অজেয় প্রাচীরের কথা মনে করিয়ে দেন তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টারা। ইসরায়েলের জন্য বাভার-৩৭৩ হলো এক মূর্তমান আতঙ্ক। তেল আবিব প্রায়ই সিরিয়া বা ইরাকের আকাশে তাদের যুদ্ধবিমান চালায়, কিন্তু ইরানের আকাশসীমায় ঢোকার সাহস তারা পায় না। কারণ তারা জানে, বাভার-৩৭৩ সক্রিয় থাকলে তাদের আধুনিকতম এফ-৩৫ বিমানটিও মাটির সাথে মিশে যাবে। এটিই হলো ইরানের সেই সামরিক ভারসাম্য যা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের হাত থেকে এই অঞ্চলকে রক্ষা করছে। শক্তির দাপট দিয়েই ইরান আজ শান্তিকামী মানুষের ভরসা হয়ে উঠেছে। বাভার-৩৭৩ এর পুরো সিস্টেমটি মোবাইল বা ভ্রাম্যমাণ। এটি বড় বড় ট্রাকের ওপর বসানো থাকে, যা মুহূর্তের মধ্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া যায়। এর ফলে শত্রুপক্ষ কখনোই বাভারের সঠিক অবস্থান জানতে পারে না। এই গতিশীলতা ইরানকে যুদ্ধের ময়দানে বিশাল সুবিধা দেয়। যদি আমেরিকা কোনো একটি ঘাঁটিতে হামলা করে, তবে অন্য জায়গা থেকে বাভার সিস্টেম গর্জে উঠে সেই হামলা নস্যাৎ করে দেবে। এটি এক দুর্ভেদ্য এবং অদৃশ্য নিরাপত্তা দেয়াল। ইরানি বিজ্ঞানীরা বাভার-৩৭৩ এর সফটওয়্যার ও রাডার অ্যালগরিদম সম্পূর্ণ নিজস্বভাবে তৈরি করেছেন। এর বড় সুবিধা হলো, আমেরিকা বা ইসরায়েল এই সিস্টেমকে হ্যাক করতে পারবে না বা জ্যাম করতে পারবে না। কারণ তারা এর কোডিং সম্পর্কে কিছুই জানে না। রাশিয়ার সিস্টেমে হয়তো কোনো গোপন দুর্বলতা থাকতে পারে, কিন্তু বাভার-৩৭৩ হলো খাঁটি ইরানি মেধার ফসল। এই সাইবার নিরাপত্তা ইরানকে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশগুলোর তালিকায় নিয়ে গেছে। ট্রাম্পের আমলে যখন &amp;lsquo;গ্লোবাল হক&amp;rsquo; ড্রোনটি ইরান ভূপাতিত করেছিল, তখন বিশ্ববাসী প্রথম দেখেছিল ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষার নমুনা। বাভার-৩৭৩ আসার পর সেই ক্ষমতা এখন কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। আজ আমেরিকা লোহিত সাগর বা পারস্য উপসাগরে তাদের বিমানবাহী রণতরী নিয়ে আস্ফালন করলেও ইরানের আকাশসীমায় ঢোকার ঝুঁকি তারা নেবে না। কারণ তারা জানে, বাভার-৩৭৩ এর মিসাইল একবার লক্ষ্য স্থির করলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না। এটি ইরানের সার্বভৌমত্বের শ্রেষ্ঠ গ্যারান্টি। বাভার-৩৭৩ কেবল একা কাজ করে না, এটি ইরানের নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ারের একটি অংশ। এটি ড্রোনের সাথে যোগাযোগ করে, মাটির নিচের মিসাইল সিটির সাথে সমন্বয় করে এবং প্রয়োজনে রাডার সিগন্যাল শেয়ার করে। এই সুসংগঠিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানকে একটি দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করেছে। যারা ইরানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার স্বপ্ন দেখে, বাভার-৩৭৩ তাদের সেই দুঃস্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করার ক্ষমতা রাখে। এটি দম্ভের বিপরীতে বিজ্ঞানের এক বিজয়গাথা। ইরানের প্রতিটি প্রদেশেই এখন এই সিস্টেম মোতায়েন করা আছে। পাহাড়ের চুড়ায় হোক বা মরুভূমির মাঝখানে, বাভার-৩৭৩ দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা সজাগ প্রহরী হিসেবে কাজ করছে। ইরানের সাধারণ মানুষ এখন অনেক বেশি নিশ্চিন্ত, কারণ তারা জানে তাদের মাথার ওপর এমন এক সুরক্ষা কবচ আছে যা কোনো বিদেশি আগ্রাসীকে ক্ষমা করবে না। এই জাতীয় আত্মবিশ্বাসই একটি রাষ্ট্রকে মহান করে তোলে, যা ট্রাম্পের ডিক্টেটরশিপের সামনে এক শক্তিশালী ঢাল। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো সব সময় ইরানের সামরিক সাফল্যকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করে। কিন্তু যখন বাভার-৩৭৩ এর লাইভ ফায়ারিং টেস্ট হয়, তখন বিশ্বজুড়ে হইচই পড়ে যায়। সামরিক বিশেষজ্ঞরা স্বীকার করতে বাধ্য হন যে, ইরান এখন কেবল সস্তা অস্ত্রের দেশ নয়, বরং তারা হাই-টেক যুদ্ধের জগতেও এখন সুপারপাওয়ার। বাভার-৩৭৩ হলো সেই প্রমাণের দলিল যা পশ্চিমা মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারণাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। এটিই হলো অজেয় তেহরানের আসল শক্তি। ভবিষ্যতে যদি মধ্যপ্রাচ্যে কোনো বড় ধরণের সংঘাত শুরু হয়, তবে বাভার-৩৭৩ হবে সেই গেম-চেঞ্জার যা আমেরিকার আকাশ পথের শ্রেষ্ঠত্বের অবসান ঘটাবে। ইসরায়েল ও আমেরিকার জোট যতই পরিকল্পনা করুক না কেন, ইরানের এই &amp;#39;ঈমানের প্রতিরক্ষা&amp;#39; ভাঙা তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। বাভার-৩৭৩ কেবল লোহা আর বারুদ নয়, এটি শহীদদের রক্ত আর বিজ্ঞানীদের মেধার এক অভিন্ন মিশেল। ইরান আজ নিরাপদ কারণ তাদের হাতে আছে বাভার-৩৭৩। শেষে বলা যায়, বাভার-৩৭৩ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হলো সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ইরানের এক জুতসই জবাব। যারা মনে করেছিল নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানকে পঙ্গু করে দেবে, বাভার-৩৭৩ তাদের গালে এক মোক্ষম চপেটাঘাত। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আস্ফালন আর ইসরায়েলের ষড়যন্ত্রের মুখে ইরানের এই উদ্ভাবন এক অভেদ্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ইরান আজ অপরাজেয় এবং তার আকাশ এখন বাভারের সুরক্ষায় সম্পূর্ণ নিরাপদ&amp;mdash;এটিই এক ধ্রুব বাস্তব সত্য। দর্শক, আপনি কি মনে করেন বাভার-৩৭৩ কি সত্যিই মার্কিন এফ-৩৫ বিমানকে ধ্বংস করতে পারবে? ইরানের এই প্রযুক্তিগত বিপ্লব নিয়ে আপনার মতামত আমাদের কমেন্ট বক্সে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z234_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z234_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z234_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েলের শেষ রক্ষা কি আর হবে না? ইরানের ‘ফাত্তাহ-২’ হাইপারসনিক মিসাইল এখন বিশ্ব রাজনীতির নতুন যম, পেন্টাগনের সব প্রযুক্তি কি ব্যর্থ?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23885</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23885</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 27 Feb 2026 02:02:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কথার চেয়ে কাজ বড়, আর সাপের চেয়েও বিষাক্ত যখন বাণ ধেয়ে আসে। শত্রু যখন দম্ভ করে, তখন কালনাগিনীর ছোবলই তার শেষ পরিণতি। কল্পনা করুন এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্রের কথা, যা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z233_1.jpg" alt="ইসরায়েলের শেষ রক্ষা কি আর হবে না? ইরানের ‘ফাত্তাহ-২’ হাইপারসনিক মিসাইল এখন বিশ্ব রাজনীতির নতুন যম, পেন্টাগনের সব প্রযুক্তি কি ব্যর্থ?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কথার চেয়ে কাজ বড়, আর সাপের চেয়েও বিষাক্ত যখন বাণ ধেয়ে আসে। শত্রু যখন দম্ভ করে, তখন কালনাগিনীর ছোবলই তার শেষ পরিণতি। কল্পনা করুন এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্রের কথা, যা ছোড়ার পর পৃথিবীর কোনো রাডার তাকে ধরতে পারবে না। যা বাতাসের গতিপথ পাল্টে এমনভাবে ধেয়ে আসবে যে শত্রুপক্ষ চোখের পলক ফেলারও সময় পাবে না। এটি আর কল্পনা নয়, এটি ইরানের নতুন &amp;lsquo;ফাত্তাহ-২&amp;rsquo;। যে হাইপারসনিক মিসাইলটি এখন আমেরিকা ও ইসরায়েলের সব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অর্থহীন প্রমাণ করে দিয়েছে। কেন এই মিসাইলটি দেখে পেন্টাগনের জেনারেলদের কপালে ঘাম ঝরছে? আজ আমরা জানবো ইরানের সেই অজেয় অস্ত্রের রহস্য যা বিশ্ব মানচিত্র বদলে দিতে পারে। ইরানের সামরিক প্রযুক্তি আজ যে উচ্চতায় পৌঁছেছে, তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হলো &amp;lsquo;ফাত্তাহ-২&amp;rsquo;। এটি কেবল একটি ক্ষেপণাস্ত্র নয়, এটি একটি গ্লাইড ভেহিকল সমৃদ্ধ হাইপারসনিক অস্ত্র। যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার মিত্ররা ইরানকে নিষেধাজ্ঞার জালে আটকে রাখতে চেয়েছিল, ঠিক তখনই তেহরান এই মারণাস্ত্রটি উন্মোচন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়। ফাত্তাহ-২ এর গতি এবং নিখুঁত আঘাত হানার ক্ষমতা একে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত করেছে। ফাত্তাহ-২ এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর অবিশ্বাস্য গতি। এটি শব্দের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বেশি দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম। এই অকল্পনীয় গতির কারণে কোনো বিদ্যমান অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম একে মাঝ আকাশে ধ্বংস করতে পারে না। ইসরায়েলের &amp;lsquo;আয়রন ডোম&amp;rsquo; বা আমেরিকার &amp;lsquo;প্যাট্রিয়ট&amp;rsquo;&amp;mdash;সবই এই হাইপারসনিক দানবের সামনে নিছক খেলনা ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি ইরানের সেই উদ্ভাবনী শক্তির ফসল যা পশ্চিমাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই মিসাইলটির প্রযুক্তিগত দিকটি আরও চমকপ্রদ। ফাত্তাহ-২ কেবল দ্রুতগামীই নয়, এটি তার লক্ষ্যবস্তুর দিকে যাওয়ার সময় নিজের পথ পরিবর্তন করতে পারে। একে বলা হয় &amp;lsquo;হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকল&amp;rsquo; (HGV)। সাধারণ মিসাইল একটি নির্দিষ্ট বৃত্তাকার পথে চলে, কিন্তু ফাত্তাহ-২ আঁকাবাঁকা পথে চলতে পারে। যার ফলে শত্রুর কম্পিউটার সিস্টেম এটি কোথায় আঘাত হানবে তা অনুমান করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয় যা পেন্টাগনকে চরম আতঙ্কে রেখেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যখন এই মিসাইলটি বিশ্বের সামনে আনলেন, তখন ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল। তারা বুঝতে পেরেছে যে, ইরান এখন এমন এক প্রযুক্তির মালিক যা বিশ্বের মাত্র তিন-চারটি দেশের কাছে রয়েছে। ইরান প্রমাণ করেছে যে, তারা কেবল তেলের দেশ নয়, তারা বিজ্ঞানের দেশ, তারা প্রতিরোধের দেশ। ফাত্তাহ-২ হলো সেই প্রতিরোধের সবচেয়ে ধারালো তলোয়ার। ফাত্তাহ-২ এর পাল্লা বা রেঞ্জ ১,৫০০ থেকে ২,০০০ কিলোমিটারের বেশি। এর মানে হলো, ইরান থেকে মাত্র কয়েক মিনিটে এটি মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো মার্কিন ঘাঁটিতে গিয়ে আছড়ে পড়তে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের বিরুদ্ধে রণহুঙ্কার দেন, তখন তাকে এই ৪ মিনিটের হিসাবটি মাথায় রাখতে হচ্ছে। কারণ আমেরিকান এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার বা রণতরীগুলো এই হাইপারসনিক মিসাইলের হাত থেকে বাঁচার কোনো উপায় এখনো খুঁজে পায়নি। ইসরায়েল সব সময় তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বড়াই করে। কিন্তু ফাত্তাহ-২ আসার পর তাদের সেই দম্ভ ধুলোয় মিশে গেছে। মোসাদ এবং সিআইএ-র গোয়েন্দা রিপোর্টে স্বীকার করা হয়েছে যে, ফাত্তাহ-২ রুখতে তাদের বর্তমান প্রযুক্তিতে অন্তত আরও ২০ বছর সময় লাগবে। অথচ ইরান আজই সেই প্রযুক্তির মালিক। এটিই হলো শক্তির আসল ভারসাম্য, যা ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের একচ্ছত্র অধিপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং শত্রুদের পিছু হটতে বাধ্য করেছে। এই মিসাইলটি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে বিশেষ ধরণের সলিড ফুয়েল বা কঠিন জ্বালানি। এর ফলে এটি দীর্ঘ সময় প্রস্তুত রাখা যায় এবং যুদ্ধের সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের নোটিশে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব। লিকুইড ফুয়েল মিসাইলের মতো একে রিফুয়েলিংয়ের জন্য দীর্ঘ সময় লাগে না। এই ক্ষিপ্রতাই ইরানকে প্রতিপক্ষের চেয়ে কয়েক কদম এগিয়ে রেখেছে। ইরানের এই অগ্রগতি আজ সারা বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের মনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন যে, ফাত্তাহ-২ এর গতির কারণে মার্কিন সেন্সরগুলো কেবল এটি বিস্ফোরণের পরেই বুঝতে পারবে যে হামলা হয়েছে। মাঝপথে একে থামানোর কোনো প্রযুক্তি আমেরিকার নেই। এটি ট্রাম্পের &amp;lsquo;আমেরিকা ফার্স্ট&amp;rsquo; নীতির মুখে বড় এক চপেটাঘাত। আমেরিকা এখন বুঝতে পারছে যে, ইরানকে দমানো আর সম্ভব নয়, কারণ তারা এখন প্রযুক্তির সর্বোচ্চ শিখরে আরোহন করেছে। ফাত্তাহ-২ এর ডিজাইন এমনভাবে করা হয়েছে যে এটি রাডার সিগনেচার অত্যন্ত কম দেয়। এর মানে হলো এটি অনেকটা অদৃশ্য হয়ে আকাশের বুক চিরে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। ইরান এই মিসাইলটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করেছে, যা প্রমাণ করে যে কঠোরতম নিষেধাজ্ঞা তাদের বিজ্ঞানের যাত্রাকে রোধ করতে পারেনি। উল্টো নিষেধাজ্ঞাই তাদের আরও বেশি উদ্ভাবনী এবং শক্তিশালী হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে যা একটি জাতির বীরত্বের পরিচয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের সাথে পরমাণু চুক্তি থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন, তিনি ভেবেছিলেন ইরান দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, সেই ভুলের মাশুল আজ আমেরিকাকে দিতে হচ্ছে। ইরান আজ কেবল ড্রোন নয়, হাইপারসনিক মিসাইলের জগতেও বিশ্বনেতা। ফাত্তাহ-২ হলো সেই অন্যায়ের জবাব। এটি প্রমাণ করে যে, সত্যের পথে থাকলে এবং আল্লাহ&amp;rsquo;র ওপর ভরসা রাখলে কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তিই কোনো জাতিকে দাবিয়ে রাখতে পারে না। ভবিষ্যতের যেকোনো সংঘাতের ময়দানে ফাত্তাহ-২ হবে তুরুপের তাস। যদি ইসরায়েল ভুল করেও ইরানের পবিত্র ভূমিতে হামলার চেষ্টা করে, তবে পরবর্তী কয়েক মিনিটের মধ্যেই তেল আবিবের আকাশ ফাত্তাহ-২ এর আগুনে আলোকিত হয়ে উঠবে। এই ভয়াবহ পরিণতির কথা ভেবেই আজ হোয়াইট হাউস ইরানের সাথে সরাসরি যুদ্ধ এড়াতে চাইছে। ইরানের এই সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব আজ পুরো বিশ্বের রাজনৈতিক দৃশ্যপট বদলে দিচ্ছে যা অজেয় তেহরানের জয়গান। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের এই অস্ত্র কেবল আত্মরক্ষার জন্য। কিন্তু যদি কেউ সীমা লঙ্ঘন করে, তবে ফাত্তাহ-২ তার চূড়ান্ত শাস্তি নিশ্চিত করবে। এই জেদ আর আত্মবিশ্বাসই ইরানকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। যারা ইরানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার স্বপ্ন দেখে, ফাত্তাহ-২ তাদের সেই স্বপ্নকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করার জন্য যথেষ্ট। এটি বীরত্বের এক নতুন সংজ্ঞায়িত রূপ। শেষে বলা যায়, ফাত্তাহ-২ হাইপারসনিক মিসাইলটি ইরানের কেবল একটি অস্ত্র নয়, এটি তাদের সার্বভৌমত্বের গ্যারান্টি। যারা ইরানকে তুচ্ছজ্ঞান করতে চেয়েছিল, আজ তারা এই মিসাইলের গতিবেগ গণনা করে অস্থির হয়ে পড়ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আস্ফালন আর ইসরায়েলের ষড়যন্ত্রের মুখে ইরানের এই উদ্ভাবন এক শক্তিশালী প্রাচীর। ইরান আজ হাইপারসনিক যুগে এক অপরাজেয় শক্তি&amp;mdash;এটিই এখনকার চরম এবং পরম বাস্তব সত্য। দর্শক, আপনি কি মনে করেন &amp;lsquo;ফাত্তাহ-২&amp;rsquo; কি সত্যিই আমেরিকার বিশ্ব আধিপত্যের অবসান ঘটাবে? নাকি পশ্চিমাদের কাছে এর কোনো গোপন সমাধান আছে? আপনার মতামত আমাদের কমেন্ট করে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z233_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z233_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z233_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েল কি মানচিত্র থেকে মুছে যাবে? ইরানের নতুন ‘মোহাজের-১০’ ড্রোনের পাল্লায় এখন পুরো তেল আবিব, পেন্টাগনের সব ডিফেন্স সিস্টেম কি অকেজো?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23884</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23884</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 27 Feb 2026 02:02:27 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[শেষ হাসি সেই হাসে, যে আগে থেকে সব গুছিয়ে রাখে। আর বাজপাখির নজর যখন শিকারে পড়ে, তখন পালানোর পথ আর খোলা থাকে না। সারা বিশ্ব যখন আমেরিকার &amp;#39;রিপার&amp;#39; ড্রোন নিয়...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z232_1.jpg" alt="ইসরায়েল কি মানচিত্র থেকে মুছে যাবে? ইরানের নতুন ‘মোহাজের-১০’ ড্রোনের পাল্লায় এখন পুরো তেল আবিব, পেন্টাগনের সব ডিফেন্স সিস্টেম কি অকেজো?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>শেষ হাসি সেই হাসে, যে আগে থেকে সব গুছিয়ে রাখে। আর বাজপাখির নজর যখন শিকারে পড়ে, তখন পালানোর পথ আর খোলা থাকে না। সারা বিশ্ব যখন আমেরিকার &amp;#39;রিপার&amp;#39; ড্রোন নিয়ে গর্ব করত, ঠিক তখনই ইরান বাজারে নিয়ে এলো তাদের নতুন মাস্টারপিস&amp;mdash;&amp;#39;মোহাজের-১০&amp;#39;। এটি কেবল একটি ড্রোন নয়, এটি একটি উড়ন্ত মিসাইল লঞ্চার! যা টানা ২৪ ঘণ্টা আকাশে থেকে শত্রুর ওপর ৩০০ কেজি ওজনের বোমা বর্ষণ করতে পারে। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো, এর পাল্লায় এখন পুরো ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি মার্কিন ঘাঁটি। আজ আমরা উন্মোচন করবো মোহাজের-১০ এর সেই গোপন প্রযুক্তি, যা দেখে পেন্টাগনের জেনারেলরা কপালে হাত দিয়ে বসে আছেন। ইরানের ড্রোন শিল্পের ইতিহাসে &amp;#39;মোহাজের-১০&amp;#39; একটি মাইলফলক। এটি মূলত বিখ্যাত মোহাজের সিরিজের সর্বশেষ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী সংস্করণ। যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েল ইরানকে অবরুদ্ধ করার ফন্দি আঁটছিল, ঠিক তখনই তেহরান তাদের এই নতুন ড্রোনটি বিশ্বের সামনে আনে। এর সক্ষমতা দেখে সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান এখন ড্রোনের প্রযুক্তিতে আমেরিকার প্রায় সমকক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সমীকরণ বদলে দিয়েছে। এই ড্রোনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর দীর্ঘস্থায়ী উড়ান ক্ষমতা। মোহাজের-১০ একটানা ২৪ ঘণ্টা আকাশে উড়তে পারে এবং ৭ হাজার মিটার উচ্চতায় উঠে কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এর মানে হলো, এটি একবার উড়লে পুরো একদিন শত্রুর ওপর নজরদারি চালানো এবং যেকোনো সময় নিখুঁতভাবে আঘাত করার ক্ষমতা রাখে। এই অদম্য স্ট্যামিনা একে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ড্রোনের তালিকায় স্থান করে দিয়েছে যা পশ্চিমাদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন। মোহাজের-১০ ড্রোনের পাল্লা বা রেঞ্জ হলো ২,০০০ কিলোমিটার। সহজ কথায় বললে, ইরান তার নিজের দেশ থেকেই এই ড্রোনটি উড়িয়ে সরাসরি ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে হামলা করতে পারবে এবং কাজ শেষ করে আবার ফিরেও আসতে পারবে। এই সক্ষমতা ইসরায়েলের সামরিক নীতিনির্ধারকদের রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। তারা এখন বুঝতে পারছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপ নিলে তার প্রতিদান হবে অত্যন্ত ভয়াবহ এবং সরাসরি। কেবল নজরদারি নয়, মোহাজের-১০ ড্রোনটি ৩০০ কেজি পর্যন্ত গোলাবারুদ বা বিভিন্ন ধরণের স্মার্ট বোমা বহন করতে সক্ষম। এর ডানাগুলোর নিচে একসাথে একাধিক মিসাইল যুক্ত করা যায়। অর্থাৎ এটি কেবল গোয়েন্দাগিরি করে না, বরং এটি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ যুদ্ধবিমান যা রাডার ফাঁকি দিয়ে শত্রুর আকাশসীমায় ঢুকে তাদের ঘাঁটি ধ্বংস করে দিতে পারে। ইরানের এই প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব আজ সারা বিশ্বের কাছে এক পরম বিস্ময়। অনেকে মোহাজের-১০ কে আমেরিকার এমকিউ-৯ রিপার (MQ-9 Reaper) ড্রোনের সাথে তুলনা করছেন। তবে ইরানি ড্রোনের সুবিধা হলো এটি অনেক বেশি সাশ্রয়ী এবং সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়। যেখানে আমেরিকার একটি ড্রোনের পেছনে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়, ইরান সেখানে অর্ধেক খরচে একই বা তার চেয়েও বেশি কার্যকর ড্রোন তৈরি করছে। এই অর্থনৈতিক সুবিধা ইরানকে যুদ্ধের ময়দানে বড় ধরণের অ্যাডভান্টেজ বা সুবিধা এনে দিয়েছে। মোহাজের-১০ এর ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম অত্যন্ত উন্নত। এটি শত্রুর সিগন্যাল জ্যাম করে দিতে পারে এবং নিজের অবস্থান লুকিয়ে রাখতে পারে। পেন্টাগনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই ড্রোনটি আমেরিকার তৈরি অনেক অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমকেও ফাঁকি দিতে সক্ষম। ইরানের এই সাইবার ও ইলেকট্রনিক সক্ষমতা প্রমাণ করে যে, তারা কেবল পেশী শক্তিতে নয় বরং প্রযুক্তিতেও বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার পথে অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন, তখন তার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সামরিক প্রবৃদ্ধি থামানো। কিন্তু মোহাজের-১০ এর সফল উড্ডয়ন প্রমাণ করে যে, নিষেধাজ্ঞার ফল হয়েছে উল্টো। ইরান এখন সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তাদের ড্রোনের ইঞ্জিন এবং সফটওয়্যার তৈরি করছে। আজ তারা কোনো বিদেশি সাহায্যের তোয়াক্কা করে না, বরং তারা নিজেরাই এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ড্রোন রপ্তানি করার সামর্থ্য অর্জন করেছে। ইসরায়েলের &amp;#39;আয়রণ ডোম&amp;#39; বা &amp;#39;অ্যারো&amp;#39; ডিফেন্স সিস্টেম এই ধরণের ছোট এবং দ্রুতগামী ড্রোনের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে বড় ধরণের সংশয় রয়েছে। কারণ মোহাজের-১০ একসাথে অনেকগুলো ড্রোন নিয়ে আক্রমণ করতে পারে। যদি একশোর বেশি ড্রোন একসাথে আক্রমণ চালায়, তবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল হয়ে পড়বে। এটিই হলো ইরানের সেই &amp;#39;আগুনের রিং&amp;#39; কৌশলের অংশ যা শত্রুকে পঙ্গু করে দেয়। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যখন এই ড্রোনের উদ্বোধন করেছিলেন, তখন তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন&amp;mdash;ইরান আর কখনো কোনো আগ্রাসনের সামনে মাথা নত করবে না। মোহাজের-১০ হলো সেই আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। আজ ইরান থেকে লেবানন, ইয়েমেন থেকে সিরিয়া&amp;mdash;সবখানে ইরানের এই ড্রোন প্রযুক্তির জয়জয়কার। এই ড্রোনগুলো আজ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইরত প্রতিটি যোদ্ধার হাতে শক্তির নতুন অস্ত্র তুলে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে মোহাজের-১০ কে নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা মূলত আমেরিকার ব্যর্থতাকেই ফুটিয়ে তুলছে। ট্রাম্পের জমানায় আমেরিকা যা হারিয়েছে, ইরান তা নিজেদের শক্তিতে অর্জন করেছে। এই ড্রোনের উপস্থিতি এখন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আমেরিকার একচ্ছত্র আধিপত্যের সমাপ্তি ঘোষণা করছে। আকাশ এখন আর কেবল পশ্চিমাদের নয়, আকাশ এখন স্বাধীনচেতা ইরানি বীরদের নিয়ন্ত্রণেও রয়েছে। মোহাজের-১০ কেবল সামরিক কাজে নয়, এটি দূরপাল্লার গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজেও অতুলনীয়। এটি সমুদ্রের ওপর নজরদারি চালাতে পারে এবং পারস্য উপসাগরে যেকোনো মার্কিন গতিবিধির এইচডি ভিডিও সরাসরি তেহরানের হেডকোয়ার্টারে পাঠাতে পারে। এর ফলে আমেরিকা এখন আর কোনো গোপন হামলা বা ষড়যন্ত্র করার সুযোগ পাচ্ছে না। ইরানের চোখ এখন আকাশ থেকে মাটির গভীর পর্যন্ত সর্বত্র বিস্তৃত যা এক বিস্ময়কর সামরিক কৌশল। ভবিষ্যতের যুদ্ধে ড্রোনই হবে প্রধান হাতিয়ার, আর ইরান সেই হাতিয়ার তৈরিতে এখন সবার শীর্ষে। মোহাজের-১০ এর পর ইরান এখন মোহাজের-১১ বা আরও উন্নত ড্রোনের কাজ শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইরানের এই নিরবচ্ছিন্ন উন্নয়ন বিশ্বের মজলুম দেশগুলোর জন্য এক অনুপ্রেরণা। তারা আজ দেখিয়ে দিয়েছে যে, ঈমানি শক্তি আর বৈজ্ঞানিক মেধা থাকলে কোনো নিষেধাজ্ঞাই একটি জাতিকে তার লক্ষ্য থেকে সরাতে পারে না। ট্রাম্প বা তার পরবর্তী শাসকরা যতই হুঙ্কার দিক না কেন, মোহাজের-১০ এর মতো ড্রোনগুলো ইরানের সার্বভৌমত্বের এক মজবুত দেয়াল। যুদ্ধের ময়দানে দামী দামী ট্যাঙ্কের চেয়েও এই ড্রোনগুলো এখন অনেক বেশি কার্যকর। ইরান আজ প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল নিজেদের রক্ষা করতেই জানে না, বরং শত্রুর ডেরায় ঢুকে তাদের ধ্বংস করার ক্ষমতাও রাখে। মোহাজের-১০ হলো সেই অদম্য তেহরানের এক অজেয় তলোয়ার। শেষে বলা যায়, মোহাজের-১০ ড্রোনটি ইরানের সামরিক সক্ষমতার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এটি কেবল একটি যন্ত্র নয়, এটি একটি বার্তা&amp;mdash;যেখানে বলা হয়েছে ইরান আর কখনো অবদমিত থাকবে না। আমেরিকা ও ইসরায়েলের জোটকে এখন নতুন করে ভাবতে হবে, কারণ ইরানের এই বাজপাখিরা এখন আকাশে টহল দিচ্ছে। ইরানের এই অগ্রযাত্রা ইতিহাস বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে যা আজ দিবালোকের মতো স্পষ্ট ও সত্য। দর্শক, আপনি কি মনে করেন মোহাজের-১০ ড্রোনটি কি সত্যিই ইসরায়েলের গেম শেষ করে দেবে? নাকি আমেরিকা নতুন কোনো প্রযুক্তি নিয়ে আসবে এই ড্রোনের মোকাবিলায়? আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত কমেন্টে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z232_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z232_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z232_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ভোটের মাঠে শোচনীয় পরাজয় ঢাকতে বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াত আমিরের বিষোদগার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23883</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23883</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 27 Feb 2026 02:02:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যাদের পায়ের তলায় মাটি নেই, তারাই এখন জনগণের রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলছে! বিএনপি যখন রাজপথের লড়াই সংগ্রাম শেষে জনগণের বিপুল ভোটে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন, ঠিক তখনই জামায়াত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z231_5.jpg" alt="ভোটের মাঠে শোচনীয় পরাজয় ঢাকতে বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াত আমিরের বিষোদগার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যাদের পায়ের তলায় মাটি নেই, তারাই এখন জনগণের রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলছে! বিএনপি যখন রাজপথের লড়াই সংগ্রাম শেষে জনগণের বিপুল ভোটে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন, ঠিক তখনই জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান দিলেন এক চরম উসকানিমূলক বক্তব্য। তিনি কি পরাজয়ের গ্লানি সইতে পারছেন না, নাকি দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করাই তার আসল উদ্দেশ্য? বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল -বিএনপি সবসময়ই জনগণের শক্তিতে বিশ্বাসী। নির্বাচনে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধানের শীষে ভোট দিয়ে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করেছে। কিন্তু আমরা অত্যন্ত বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছি যে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান একটি ইফতার মাহফিলে দাঁড়িয়ে বিএনপির এই ঐতিহাসিক বিজয়কে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি নাকি &amp;#39;ইঞ্জিনিয়ারিং&amp;#39; করে ক্ষমতায় এসেছে। আসলে জামায়াত আমিরের এই বক্তব্য রাজনৈতিক দেউলিয়াপনার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই নয়। সাধারণ মানুষ যখন দেখছে বিএনপি দেশের অর্থনীতি ও আইন-শৃঙ্খলা পুনর্গঠনে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে, তখন ডা. শফিক জনগণের ম্যান্ডেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। তার এই ধরনের মন্তব্য কি আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সেই পুরনো সুরের প্রতিধ্বনি নয়? প্রশ্ন উঠেছে, কার ইশারায় তিনি এই অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পায়তারা করছেন এবং দেশের স্বার্থবিরোধী কথা বলছেন? বিগত ১৬ বছর বিএনপি রাজপথে রক্ত দিয়েছে, গুম-খুনের শিকার হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াত ইসলামী সবসময়ই সুবিধাবাদী রাজনীতি করেছে। নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ&amp;mdash;সবাই বিএনপির &amp;lsquo;দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও&amp;rsquo; স্লোগানে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু জামায়াত আমির এখন বলছেন যে দেশে ইসলামি আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অথচ জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই যে প্রকৃত সার্বভৌমত্বের অধিকারী, তা তিনি বেমালুম ভুলে গেছেন। ডা. শফিকুর রহমানের অভিযোগে বলা হয়েছে যে বিভিন্ন স্থানে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক কেন্দ্রে জামায়াতের এজেন্ট দেওয়ার মতো জনবলই ছিল না। তারা জনগণের মন জয় করতে না পেরে এখন &amp;lsquo;ভিকটিম কার্ড&amp;rsquo; খেলার চেষ্টা করছে। বিএনপি একটি বিশাল গণতান্ত্রিক দল, যার শিকড় এদেশের মাটির অনেক গভীরে। সেই দলকে এভাবে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা মানেই হলো বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে অপমান করা। ইফতার মাহফিলের মতো পবিত্র অনুষ্ঠানে বসে অন্যের সমালোচনা করা এবং রাজনৈতিক বিদ্বেষ ছড়ানো কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি দাবি করেছেন যে, তার দল নাকি ভবিষ্যতে আরও শক্ত অবস্থান নেবে। এই &amp;lsquo;শক্ত অবস্থান&amp;rsquo; কি আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াওয়ের ইঙ্গিত? দেশের মানুষ এখন শান্তি চায়, উন্নয়ন চায়। বিএনপি যখন সেই শান্তি নিশ্চিত করছে, তখন জামায়াতের এই ধরনের হুমকিমূলক বক্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। জামায়াত আমির তার বক্তব্যে সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের প্রশংসা করলেও তার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিএনপির বিজয়কে খাটো করে দেখা। তারা কয়েকটি আসন পেয়ে সংসদে গিয়ে এখন বড় বড় কথা বলছেন। অথচ নির্বাচনের আগে তারাই বিএনপির সাথে জোটে যাওয়ার জন্য মরিয়া ছিল। যখন তাদের স্বার্থ হাসিল হয়নি, তখনই তারা বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদগার শুরু করেছে। এই দ্বিচারিতা বাংলাদেশের সচেতন মানুষ কখনোই মেনে নেবে না এবং নিতে পারে না। মিরপুর ও কাফরুল এলাকার চাঁদাবাজি নিয়ে ডা. শফিকের বক্তব্যটিও হাস্যকর। বিএনপি সরকার ইতিমধ্যেই চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সেখানে জামায়াতের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে নির্দেশনা দেওয়া মানে হলো প্রশাসনের ওপর অনাস্থা তৈরি করা। বিএনপি জনগণের দল, আর তারেক রহমান জনগণের নেতা। কোনো ষড়যন্ত্রই এই অগ্রযাত্রাকে রুখতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ, বিএনপি জনগণের পাশে থেকে দেশ গঠনে কাজ করে যাবে। শেষে বলতে চাই, যারা জনগণের রায়ে বিশ্বাস করে না, তারা গণতন্ত্রের বন্ধু হতে পারে না। জামায়াতে ইসলামীকে বুঝতে হবে যে গায়ের জোরে বা অপপ্রচার চালিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে বিএনপি আজ ক্ষমতায়। আমরা আশা করবো, ডা. শফিকুর রহমান তার ভুল বুঝতে পারবেন এবং জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হয় এমন বক্তব্য থেকে বিরত থাকবেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z231_5.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z231_5.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z231_5.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকার ড্রোন প্রযুক্তির কবর খুঁড়ছে ইরান! কীভাবে পঙ্গু তেহরান আজ বিশ্বের এক নম্বর ড্রোন পরাশক্তি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘুম হারাম করে দিল?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23882</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23882</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 26 Feb 2026 20:02:55 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চুন খেয়ে গাল পোড়ে যার, দই দেখলে ভয় পায় সে। আর মশা মারতে কামান দাগা নয়, ড্রোন দিয়েই কেল্লাফতে করছে ইরান। ২০১১ সালে যখন আমেরিকা তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী স্টিলথ ড্রো...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z231_1.jpg" alt="আমেরিকার ড্রোন প্রযুক্তির কবর খুঁড়ছে ইরান! কীভাবে পঙ্গু তেহরান আজ বিশ্বের এক নম্বর ড্রোন পরাশক্তি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘুম হারাম করে দিল?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চুন খেয়ে গাল পোড়ে যার, দই দেখলে ভয় পায় সে। আর মশা মারতে কামান দাগা নয়, ড্রোন দিয়েই কেল্লাফতে করছে ইরান। ২০১১ সালে যখন আমেরিকা তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী স্টিলথ ড্রোন &amp;#39;আরকিউ-১৭০&amp;#39; (RQ-170) ইরানের আকাশে পাঠিয়েছিল, তারা ভেবেছিল ইরান একে শনাক্তও করতে পারবে না। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে ইরান কেবল একে শনাক্তই করেনি, বরং ড্রোনটিকে হ্যাক করে অক্ষত অবস্থায় নিজেদের মাটিতে নামিয়ে এনেছিল! আজ সেই ইরান ড্রোনের জগতে এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে যে, খোদ আমেরিকার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাদের সামনে অসহায়। কীভাবে একটি দেশ কয়েক দশকের অবরোধের মাঝেও বিশ্বের এক নম্বর ড্রোন শক্তি হয়ে উঠল? আজ আমরা ফাঁস করবো ইরানের সেই গোপন প্রযুক্তির রহস্য। ইরানের ড্রোন বা ইউএভি (UAV) কর্মসূচি আজ কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের সমরবিদদের জন্য গবেষণার বিষয়। যখন পশ্চিমা বিশ্ব ইরানকে স্রেফ একটি পিছিয়ে পড়া দেশ হিসেবে প্রচার করত, তখন তেহরান অত্যন্ত নীরবে তাদের ড্রোন বাহিনীকে শক্তিশালী করে যাচ্ছিল। আজ ইরানের ড্রোনের চাহিদা রাশিয়া থেকে শুরু করে আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এটি কেবল একটি অস্ত্র নয়, এটি ইরানের মেধা এবং অদম্য জেদের প্রতিফলন। ইরানি ড্রোনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর &amp;#39;কস্ট-ইফেক্টিভনেস&amp;#39; বা সাশ্রয়ী মূল্য। আমেরিকার একটি ড্রোন তৈরি করতে যেখানে লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ হয়, ইরান সেখানে মাত্র কয়েক হাজার ডলারে বিধ্বংসী &amp;#39;শাহেদ&amp;#39; ড্রোন তৈরি করছে। যখন শত শত ড্রোন একসাথে ঝাঁকে ঝাঁকে বা &amp;#39;ড্রোন সোয়ার্ম&amp;#39; হিসেবে আক্রমণ করে, তখন আমেরিকার কোটি কোটি ডলারের ডিফেন্স সিস্টেমগুলোও বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এটিই ইরানের আসল শক্তি। &amp;#39;শাহেদ-১৩৬&amp;#39; বর্তমানে ইরানের সবচেয়ে আলোচিত ড্রোন। একে বলা হয় &amp;#39;কামিকাজে&amp;#39; বা আত্মঘাতী ড্রোন। এটি যখন লক্ষ্যবস্তুর দিকে যায়, তখন এর ইঞ্জিনের শব্দ শত্রুর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এই ড্রোনগুলো রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এবং অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে এই ড্রোনের সাফল্য দেখে পশ্চিমা দেশগুলো এখন বুঝতে পারছে যে, ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি কতটা উন্নত। ইরানের ড্রোনের যাত্রা শুরু হয়েছিল আশির দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়। তখন ইরান খুব সাধারণ কিছু ড্রোন দিয়ে শত্রু পক্ষকে পর্যবেক্ষণ করত। কিন্তু আজ তাদের হাতে আছে &amp;#39;গাজা&amp;#39;, &amp;#39;মোহাজের-১০&amp;#39; এবং &amp;#39;শাহিদ-১৪৯&amp;#39;-এর মতো ড্রোন, যা টানা ২৪ ঘণ্টার বেশি আকাশে উড়তে পারে এবং কয়েকশ কেজি ওজনের মিসাইল বহন করতে পারে। এটি ইরানের প্রকৌশলীদের এক অভাবনীয় সাফল্য যা ট্রাম্পের আস্ফালনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায়। আমেরিকা এবং ইসরায়েল সব সময় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দেয়। কিন্তু তারা জানে, হামলার পর ইরান তাদের হাজার হাজার ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলের প্রতিটি ইঞ্চি মাটি জ্বালিয়ে দেবে। ইরানের এই ড্রোন বাহিনী মূলত একটি &amp;#39;প্রতিরোধমূলক দেয়াল&amp;#39; হিসেবে কাজ করছে। আজ ইরানকে আক্রমণ করার আগে পেন্টাগন দশবার ভাবে, কারণ তারা জানে ইরানের ড্রোনগুলো তাদের তেলবাহী জাহাজ থেকে শুরু করে সামরিক ঘাঁটি&amp;mdash;সবকিছু গুঁড়িয়ে দিতে পারে। ইরানের ড্রোন প্রযুক্তির আরেকটি বিস্ময়কর দিক হলো তাদের &amp;#39;রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং&amp;#39; সক্ষমতা। আমেরিকা যতবার তাদের ড্রোন ইরানের হাতে হারিয়েছে, ইরান ততবারই সেগুলো খুলে প্রতিটি যন্ত্রাংশ বিশ্লেষণ করে নিজেদের আরও উন্নত সংস্করণ তৈরি করেছে। আজ ইরানের অনেক ড্রোন মার্কিন ড্রোনের চেয়েও বেশি কার্যকর এবং টেকসই। এটি আমেরিকার সামরিক অহংকারের মুখে এক বড় চপেটাঘাত যা তাদের প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা ফুটিয়ে তুলেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে ইরানের বিরুদ্ধে &amp;#39;সর্বোচ্চ চাপ&amp;#39; প্রয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু ইরান সেই চাপকে সুযোগে পরিণত করেছে। আজ ইরান ড্রোনের ইঞ্জিন থেকে শুরু করে গাইডেন্স সিস্টেম&amp;mdash;সবকিছু নিজেদের দেশেই তৈরি করছে। তারা কোনো আমদানির ওপর নির্ভরশীল নয়। এই স্বনির্ভরতাই ইরানকে বর্তমান বিশ্বের এক অপরাজেয় শক্তিতে পরিণত করেছে। ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা আসলে ইরানের উদ্ভাবনী শক্তিকেই উস্কে দিয়েছে। ইরানের ড্রোনের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধরন চিরতরে বদলে গেছে। ইয়েমেনের হুথিরা যখন ইরানি প্রযুক্তির ড্রোন দিয়ে সৌদি আরবের আরামকো তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছিল, তখন সারা বিশ্ব অবাক হয়ে দেখেছিল যে আমেরিকার দেওয়া পেট্রিয়ট মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এটিই হলো ইরানের শক্তির আসল নমুনা। ড্রোন আজ একটি ছোট দেশের হাতেও পরাশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার সামর্থ্য এনে দিয়েছে। ইরানের গোয়েন্দা ড্রোনগুলো নিয়মিত পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরীগুলোর ওপর দিয়ে উড়ে যায় এবং অত্যন্ত উচ্চমানের ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে। মার্কিন নৌবাহিনী সেগুলো দেখেও কিছু করতে পারে না, কারণ আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় ওড়া এই ড্রোনগুলোকে গুলি করা মানেই যুদ্ধের আমন্ত্রণ। ইরান এভাবে প্রতিনিয়ত আমেরিকাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন আর ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণে নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানের ড্রোনের ভিডিওগুলো যখন ভাইরাল হয়, তখন পশ্চিমাদের দম্ভ ধুলোয় মিশে যায়। ইরান কেবল যুদ্ধ ড্রোন নয়, বরং কৃষি এবং উদ্ধারকাজে ব্যবহারের জন্যও উন্নত ড্রোন তৈরি করছে। তবে তাদের সামরিক ড্রোনগুলোই আজ বিশ্ব রাজনীতির মূল নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরান আজ প্রমাণ করেছে যে, ইমানি শক্তি এবং বিজ্ঞানের সমন্বয় থাকলে যেকোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। আমেরিকা ও ইসরায়েল এখন মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে কীভাবে ইরানের ড্রোন প্রযুক্তির প্রসার থামানো যায়। তারা বিভিন্ন দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে যাতে কেউ ইরানি ড্রোন না কেনে। কিন্তু সত্যি হলো, কম দামে এত উন্নত প্রযুক্তি কেউ হাতছাড়া করতে চায় না। ইরানের ড্রোন আজ একটি ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে যা বিশ্ববাজারে আধিপত্য বিস্তার করছে এবং আমেরিকার একচেটিয়া ড্রোন ব্যবসার অবসান ঘটাচ্ছে। ইরানের &amp;#39;গাজা&amp;#39; ড্রোনটি তাদের ড্রোন শিল্পের মুকুটে এক নতুন পালক। এটি একসাথে ১৩টি বোমা বহন করতে পারে এবং এর পাল্লা ২,০০০ কিলোমিটারের বেশি। এর মানে হলো এটি ইরান থেকে উড়ে গিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের একাংশেও অপারেশন চালাতে পারে। ট্রাম্প এবং তার উত্তরসূরিরা এই সক্ষমতার কথা ভেবেই মধ্যপ্রাচ্যে বড় কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পাচ্ছেন। ভবিষ্যতের যুদ্ধে ড্রোনই হবে প্রধান চালিকাশক্তি। আর ইরান সেই যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তারা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI ব্যবহার করে ড্রোন পরিচালনার কাজ শুরু করেছে। একসময় ড্রোন পরিচালনা করতে মানুষের প্রয়োজন হতো, কিন্তু ইরানের নতুন ড্রোনগুলো নিজেরাই লক্ষ্যবস্তু চিনে আক্রমণ করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব ইরানকে অজেয় করে তুলেছে যা পশ্চিমা দুনিয়ার জন্য চরম দুঃসংবাদ। শেষে বলা যায়, ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি কেবল যুদ্ধের সরঞ্জাম নয়, এটি একটি স্বাধীন জাতির আত্মমর্যাদার প্রতীক। যারা ইরানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল, আজ তারা ইরানের ড্রোনের ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আস্ফালন আর ইসরায়েলের ষড়যন্ত্রের মুখে ইরানের এই ড্রোন বাহিনী হলো এক দুর্ভেদ্য ঢাল। ইরান আজ বিশ্বের ড্রোন পরাশক্তি&amp;mdash;এটি আর কোনো জল্পনা নয়, এটি এক কঠিন বাস্তবতা। দর্শক, আপনি কি মনে করেন ইরানের এই ড্রোন শক্তি কি সত্যিই আমেরিকার নৌ-আধিপত্যের অবসান ঘটাবে? নাকি ড্রোন যুদ্ধই হবে ভবিষ্যতের তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান রূপ? আপনার মতামত আমাদের কমেন্ট বক্সে জানান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z231_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z231_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z231_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জামাত-এনসিপির ১৮ মাসের মাস্টারপ্ল্যান ধূলিসাৎ! ব্যালট বিপ্লবে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়, পালালো সব ষড়যন্ত্রকারী!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23881</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23881</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 26 Feb 2026 20:02:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বন্যেরা বনে সুন্দর, আর ষড়যন্ত্রকারীরা আড়ালে; কিন্তু যখন সত্যের আলো পড়ে, তখন তাদের পালানোর পথ থাকে না। &amp;quot;১৮ মাস ধরে যে নাটকের স্ক্রিপ্ট লিখেছিল জামাত আর তাদে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_26-2-26_31.jpg" alt="জামাত-এনসিপির ১৮ মাসের মাস্টারপ্ল্যান ধূলিসাৎ! ব্যালট বিপ্লবে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়, পালালো সব ষড়যন্ত্রকারী!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বন্যেরা বনে সুন্দর, আর ষড়যন্ত্রকারীরা আড়ালে; কিন্তু যখন সত্যের আলো পড়ে, তখন তাদের পালানোর পথ থাকে না। &amp;quot;১৮ মাস ধরে যে নাটকের স্ক্রিপ্ট লিখেছিল জামাত আর তাদের বি-টিম এনসিপি, আজ সেই নাটকের যবনিকা ঘটল! ড. ইউনুসকে ঢাল বানিয়ে রাষ্ট্রকে গিলে খাওয়ার যে স্বপ্ন তারা দেখেছিল, তা চুরমার করে দিয়েছে বিএনপির অতন্দ্র প্রহরীরা। কোটি কোটি মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চেয়েও কেন তারা ব্যর্থ হলো? জানতে হলে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। আবেগ নয়, আজ বিবেক দিয়ে সত্যটা জানার সময় এসেছে। আমরা যারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করি, তাদের কাছে সবার আগে বাংলাদেশ। এটাই বিএনপির মূলমন্ত্র এবং এটাই আমাদের অস্তিত্ব। দীর্ঘ সংগ্রামের পর আজ প্রমাণিত হয়েছে যে, দেশের মানুষ ষড়যন্ত্রকারীদের চায় না। তারা চায় উন্নয়ন, সার্বভৌমত্ব এবং শহীদ জিয়ার আদর্শের প্রতিফলন। সেই সত্যের জয় হয়েছে যা কেউ চাপা দিতে পারেনি। রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অপসারণ নিয়ে অনেক নাটক হয়েছে। কিন্তু বিএনপি জানত, রাষ্ট্রপতি চুপ্পুকে সরিয়ে একটি সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছিল। এই শূন্যতার সুযোগ নিয়ে &amp;lsquo;বিপ্লবী সরকার&amp;rsquo; নামে এক ভয়াবহ ডানপন্থী ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি আমরা শুনতে পেয়েছিলাম। বিএনপি কেবল রাষ্ট্রপতির পদ রক্ষা করেনি, বরং দেশের শাসনতন্ত্রকে এক অনিশ্চিত অন্ধকারের হাত থেকে বাঁচিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল জনগণের স্বার্থে। আমরা সবাই দেখেছি, ড. ইউনুস সরকারকে সামনে রেখে একটি বিশেষ গোষ্ঠী অনির্দিষ্টকালের জন্য নির্বাচন আটকে রাখতে চেয়েছিল। যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ হওয়ার কথা ছিল মাত্র কয়েক মাস, সেখানে তারা ১৮ মাস পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ করেছে। কেন এই ১৮ মাস? উত্তরটা পরিষ্কার&amp;mdash;যাতে তারা প্রশাসনের প্রতিটি রন্ধ্রে নিজেদের লোক বসিয়ে রাষ্ট্রকে পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে এবং জাতীয়তাবাদকে চিরতরে মুছে দিতে পারে। জামাত তাদের তথাকথিত &amp;lsquo;বি&amp;rsquo; টিম এনসিপি বা ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টিকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সব পদ দখল করে নিয়েছিল। এককথায়, তারা ড. ইউনুস সরকারকে কেবল একটি সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে পেছনে থেকে ছায়া সরকার চালাচ্ছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল জনগণের সমর্থন ছাড়াই আজীবন ক্ষমতায় টিকে থাকা। কিন্তু বিএনপির দূরদর্শী নেতৃত্ব এই ভয়ঙ্কর নীল নকশা শুরুতেই ধরে ফেলেছিল এবং প্রতিরোধ গড়েছিল। এই ষড়যন্ত্রকারীরা কেবল প্রশাসন নয়, আমাদের শিক্ষাঙ্গনকেও কলুষিত করেছে। বিভিন্ন কৌশলে এবং তথাকথিত বিপ্লবের দোহাই দিয়ে তারা ডাকসুসহ প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ জবরদখল করে নেয়। ছাত্রদের পবিত্র ইশতেহারকে তারা দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেছে। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীরা আজ বুঝতে পেরেছে, এই বট বাহিনী আসলে দেশের শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস করে নিজেদের ক্যাডার বাহিনী গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছিল মাত্র। নির্বাচন বানচালের সব ষড়যন্ত্র যখন ব্যর্থ হলো, তখন তারা মেতে উঠল নতুন নোংরা খেলায়। নির্বাচনে তারা ব্যবহার করল নিজেদের তৈরি করা অনুগত প্রশাসনিক কাঠামো এবং অবৈধ টাকার পাহাড়। তারা ভেবেছিল অর্থের বিনিময়ে মানুষের ইমান কিনে নেবে। কিন্তু বিএনপির কর্মীরা এবং সাধারণ মানুষ পাহারাদারের মতো ভোটকেন্দ্র রক্ষা করেছে। ষড়যন্ত্রের জাল ছিঁড়ে জনতা তাদের রায় দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির পক্ষে। এই ক্রান্তিকালে আমাদের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। রাষ্ট্রীয় সহিংসতা দমনে এবং মাঠ প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফেরাতে তাঁর অবস্থান ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাঁর কঠোর ভূমিকার কারণেই ষড়যন্ত্রকারীরা বুথ দখল বা বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা করতে সাহস পায়নি। ফলে নানামুখী প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্রের পাহাড় টপকে জনতার বিপুল রায় আজ বিএনপির ঘরেই এসেছে, যা এক বড় বিজয়। এত বাধার পরেও কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা দমে যায়নি। নির্বাচনের দিনও আমরা দেখেছি ডিজিটাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সূক্ষ্ম কারচুপি। বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বলছে, অনিয়ম এবং জাল ভোটের মাধ্যমে তারা বিএনপির নিশ্চিত অন্তত ৭৭টি আসন ছিনিয়ে নিয়েছে। এই আসনগুলো তারা কেড়ে না নিলে বিএনপির বিজয় হতো আকাশচুম্বী। তবে এই জালিয়াতি সত্ত্বেও জনগণের হৃদয় থেকে বিএনপিকে মুছে ফেলা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি কোনোভাবেই। এখন পরাজয় নিশ্চিত দেখে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যাচার ও গুজব ছড়ানোর নতুন মিশন শুরু করেছে। তাদের পায়ের তলার মাটি এখন নেই বললেই চলে, তাই তারা মরিয়া হয়ে আবোলতাবোল বকছে। দেশপ্রেমিক নাগরিকদের প্রতি আমাদের অনুরোধ, এসব গুজবে কান দেবেন না। বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানেই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হওয়া এবং ষড়যন্ত্রকারীদের চিরতরে বিতাড়িত করা। সত্যের সূর্য এখন উদিত হয়েছে। জামাত এবং তাদের দোসর এনসিপি রাষ্ট্রকে যে খাদের কিনারায় নিয়ে গিয়েছিল, সেখান থেকে উদ্ধার করার দায়িত্ব এখন বিএনপির। আমাদের নেতারাই পারেন বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে। জনগণের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া মানেই দেশের প্রকৃত স্বাধীনতা ফিরে পাওয়া। ষড়যন্ত্রকারীরা যতোই শক্তিশালী হোক না কেন, জনতার ঐক্যের সামনে তারা খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে&amp;mdash;এটাই ইতিহাসের অমোঘ এবং চিরন্তন সত্য। শেষে বলতে চাই, যারা ধর্মের নাম দিয়ে অধর্ম করে এবং বিপ্লবের নামে ক্ষমতার দালালি করে, তাদের দিন শেষ। বিএনপি মানেই উন্নয়ন, বিএনপি মানেই সুরক্ষা। আগামী দিনে দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এই বিজয় কেবল বিএনপির নয়, এই বিজয় সারা বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষের। ষড়যন্ত্রকারীদের বিষদাঁত ভেঙে দিয়ে আমরা গড়বো এক নতুন ও সার্বভৌম আধুনিক বাংলাদেশ। আসুন আমরা সবাই মিলে শপথ নিই, আর কোনো ছায়া সরকারকে এই বাংলার মাটিতে জায়গা দেব না। যারা জনগণের ভোট চুরি করে, তাদের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করার সময় এখনই। বিএনপি আছে আপনাদের পাশে, অতীতেও ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। মনে রাখবেন, অন্ধকারের পরেই আলোর দেখা মেলে। বাংলাদেশের আকাশে সেই নতুন ভোরের আলো আজ উদ্ভাসিত হয়েছে। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_26-2-26_31.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_26-2-26_31.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_26-2-26_31.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জেনারেল সোলাইমানির সেই গোপন রণকৌশল যা আজও কাঁপিয়ে দিচ্ছে হোয়াইট হাউস!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23880</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23880</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 26 Feb 2026 02:02:58 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বনের বাঘ মরে গেলেও তার নখ রয়ে যায়, আর বীরের মৃত্যু হলেও তার আদর্শ লক্ষ কোটি সৈন্য তৈরি করে। যিনি একাই ছিলেন একটি আস্ত সেনাবাহিনীর সমান! যাকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_26-2-26_21.jpg" alt="জেনারেল সোলাইমানির সেই গোপন রণকৌশল যা আজও কাঁপিয়ে দিচ্ছে হোয়াইট হাউস!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বনের বাঘ মরে গেলেও তার নখ রয়ে যায়, আর বীরের মৃত্যু হলেও তার আদর্শ লক্ষ কোটি সৈন্য তৈরি করে। যিনি একাই ছিলেন একটি আস্ত সেনাবাহিনীর সমান! যাকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পেন্টাগন মনে করত তাদের সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন। তিনি আর কেউ নন, ইরানের কিংবদন্তি জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার তৈরি করা &amp;#39;কুদ্স ফোর্স&amp;#39; আজ পুরো মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমেরিকাকে হটিয়ে দেওয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। কীভাবে একজন সাধারণ মানুষ হয়েও তিনি হয়ে উঠলেন বিশ্ব রাজনীতির &amp;#39;শ্যাডো কমান্ডার&amp;#39;? আজ আমরা উন্মোচন করবো সোলাইমানির সেই গোপন রণকৌশল যা ইসরায়েল এবং আমেরিকাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। জেনারেল কাসেম সোলাইমানি কেবল একজন সেনাপতি ছিলেন না, তিনি ছিলেন ইরানের প্রতিরোধের প্রতীক। তার নেতৃত্বে গঠিত &amp;#39;কুদ্স ফোর্স&amp;#39; আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা স্পেশাল ফোর্স হিসেবে স্বীকৃত। এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ দূর করা এবং ফিলিস্তিনকে মুক্ত করা। সোলাইমানি তার অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা দিয়ে লেবানন, সিরিয়া, ইরাক এবং ইয়েমেনে এমন এক প্রতিরোধ বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন যা আমেরিকার আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রকেও হার মানিয়েছে। সোলাইমানির রণকৌশলের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল &amp;#39;অপ্রতিসম যুদ্ধ&amp;#39; বা অ্যাসিম্যাট্রিক ওয়ারফেয়ার। তিনি জানতেন আমেরিকার সাথে সরাসরি লড়া কঠিন, তাই তিনি প্রক্সি বা মিত্র বাহিনীর শক্তি বাড়িয়েছিলেন। হিজবুল্লাহ থেকে শুরু করে হামাস এবং ইরাকের হাশদ আল-শাবি&amp;mdash;সবাইকে তিনি এক সুতোয় গেঁথেছিলেন। আজ এই বাহিনীগুলোই ইসরায়েলকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। এই &amp;#39;অক্ষশক্তি&amp;#39; বা অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স হলো সোলাইমানির সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার। ২০২০ সালের ৩রা জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে তাকে কাপুরুষোচিতভাবে ড্রোন হামলায় শহীদ করা হয়। ট্রাম্প ভেবেছিলেন সোলাইমানিকে সরিয়ে দিলে ইরান দুর্বল হয়ে যাবে। কিন্তু ট্রাম্পের সেই হিসাব ছিল ভুল। সোলাইমানির শাহাদাত ইরানের মানুষকে আরও ঐক্যবদ্ধ করেছে এবং কুদ্স ফোর্স এখন দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে। সোলাইমানি আজ একজন ব্যক্তি নন, তিনি আজ কোটি কোটি তরুণের এক আদর্শিক লড়াইয়ের নাম। কুদ্স ফোর্সের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এতটাই শক্তিশালী যে, বলা হয় সিআইএ বা মোসাদের অনেক গোপন বৈঠকের খবরও সোলাইমানির কাছে পৌঁছে যেত। তিনি শত্রুর ডেরায় ঢুকে তাদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে ওস্তাদ ছিলেন। ইরাকে আইসিসের (ISIS) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। কুর্দি নেতা মাসুদ বারজানি স্বীকার করেছিলেন যে, সোলাইমানি না থাকলে এরবিল আইসিসের দখলে চলে যেত। সোলাইমানি ছিলেন একজন &amp;#39;লিভিং মার্টিয়ার&amp;#39; বা জীবন্ত শহীদ। তিনি বিলাসিতা ত্যাগ করে ফ্রন্টলাইনে সৈন্যদের সাথে বসে খাবার খেতেন, বাংকারে রাত কাটাতেন। তার এই বিনয় এবং সাহস সৈন্যদের মনে এমন অনুপ্রেরণা যোগাত যে তারা হাসিমুখে শাহাদাত বরণ করতে প্রস্তুত থাকত। এই আধ্যাত্মিক শক্তিই কুদ্স ফোর্সকে অপরাজেয় করে তুলেছে। আমেরিকার যান্ত্রিক সৈন্যরা এই ইমানি শক্তির কাছে বারবার পরাজিত হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন সোলাইমানিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন, তখন তিনি আসলে নিজের দেশের পতনের ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন। কারণ সোলাইমানির রক্ত এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিরোধী জোয়ার তৈরি করেছে। ইরাকের সংসদ ইতিমধ্যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিল পাস করেছে। এটি সোলাইমানির সেই দীর্ঘমেয়াদী কৌশলেরই ফসল যা আমেরিকাকে এখন অপমানজনকভাবে এই অঞ্চল ত্যাগ করতে বাধ্য করছে। কুদ্স ফোর্সের বর্তমান কমান্ডার ইসমাইল কানি ঠিক সোলাইমানির পথেই হাঁটছেন। তিনি অত্যন্ত নীরবে কিন্তু সুনিপুণভাবে সোলাইমানির অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করছেন। ইরানের অত্যাধুনিক ড্রোন এবং মিসাইল প্রযুক্তি এখন হিজবুল্লাহ ও হুথিদের হাতে পৌঁছে গেছে। এর ফলে ইসরায়েল এখন প্রতিদিন আতঙ্কে রাত কাটায়। সোলাইমানির রণকৌশল ছিল মূলত একটি &amp;#39;লং গেম&amp;#39; যেখানে শেষ হাসি হাসবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বাশার আল-আসাদের সরকারকে রক্ষা করার পেছনে সোলাইমানির অবদান ছিল অবিস্মরণীয়। যখন সারা বিশ্ব মনে করেছিল দামেস্কের পতন নিশ্চিত, তখন সোলাইমানি সেখানে গিয়ে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেন। তিনি রাশিয়াকে এই যুদ্ধে অন্তর্ভুক্ত করতে ভ্লাদিমির পুতিনকে রাজি করিয়েছিলেন। এই কূটনৈতিক ও সামরিক দূরদর্শিতা তাকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সমরনায়কের আসনে বসিয়ে দিয়েছে যা পশ্চিমা বিশ্বকে ভাবিয়ে তোলে। সোলাইমানির আরেকটি বড় কৌশল ছিল মাটির নিচের সুড়ঙ্গ বা টানেল নেটওয়ার্ক। গাজা থেকে লেবানন&amp;mdash;সবখানেই তিনি এমন সব টানেল তৈরি করিয়েছিলেন যা দিয়ে আধুনিক রাডার ফাঁকি দিয়ে শত্রুকে আক্রমণ করা যায়। এই টানেলগুলোই আজ হামাস ও হিজবুল্লাহর প্রধান শক্তি। ইসরায়েল তাদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি দিয়েও এই টানেলগুলো ধ্বংস করতে পারছে না। এটি সোলাইমানির সেই অদৃশ্য যুদ্ধের এক অসাধারণ সাফল্য। ইসরায়েলকে ধ্বংস করার জন্য সোলাইমানি যে পরিকল্পনা করেছিলেন, তাকে বলা হয় &amp;#39;রিং অফ ফায়ার&amp;#39; বা আগুনের বলয়। তিনি ইসরায়েলের চারপাশে এমনভাবে মিসাইল মোতায়েন করেছিলেন যে, একযোগে কয়েক হাজার মিসাইল ছোড়া সম্ভব। আজ ইসরায়েল যে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে, তার মূল কারিগর ছিলেন এই মহান জেনারেল। ট্রাম্পের মতো শাসকরা তাকে ভয় পেতেন কারণ সোলাইমানি কখনো কোনো চাপের কাছে মাথা নত করেননি। শহীদ সোলাইমানি বলতেন, &amp;quot;আমরা যুদ্ধের জাতি, আমরা শাহাদাতের জাতি।&amp;quot; তার এই সাহসী বক্তব্য মার্কিনিদের মনে কাঁপন ধরিয়ে দিত। তিনি জানতেন কীভাবে শত্রুর মনস্তাত্ত্বিক পরাজয় নিশ্চিত করতে হয়। আজ ইরানের প্রতিটি ঘরে সোলাইমানির ছবি শোভা পায়। তিনি আজ ইরানের জাতীয় বীর। ট্রাম্প তাকে হত্যা করে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন, আর সোলাইমানি অমর হয়ে আছেন মানুষের হৃদয়ে। কুদ্স ফোর্স এখন সাইবার যুদ্ধেও পারদর্শী হয়ে উঠেছে। তারা আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ ইনফ্রাস্ট্রাকচারে হামলা চালিয়ে জানান দিচ্ছে যে তারাও পিছিয়ে নেই। সোলাইমানি কেবল অস্ত্রের লড়াই শেখাননি, তিনি আধুনিক যুগের সব ধরণের যুদ্ধের জন্য ইরানকে প্রস্তুত করে গেছেন। ফলে ইরান আজ কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতিতে একটি বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে যা সাম্রাজ্যবাদকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। আমেরিকা এবং ইসরায়েল ভেবেছিল সোলাইমানি নেই মানে তাদের রাস্তা পরিষ্কার। কিন্তু তারা দেখছে এখন প্রতিটি ইরানি নাগরিকই একেকজন সোলাইমানি। তার আদর্শ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ইয়েমেনের হুথিরা লোহিত সাগরে মার্কিন ও ইসরায়েলি জাহাজে সফল হামলা চালাচ্ছে। এটি সোলাইমানির সেই প্রশিক্ষণের ফল। আমেরিকার নৌ-আধিপত্য আজ ধুলোয় মিশে যাচ্ছে কেবলমাত্র সোলাইমানির দেওয়া সাহসের কারণে। সোলাইমানির রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ছিল অতুলনীয়। তিনি জানতেন কখন কার সাথে হাত মেলাতে হয়। তিনি শিয়া-সুন্নি ভেদাভেদ ভুলে পুরো মুসলিম উম্মাহকে এক করার চেষ্টা করেছিলেন। ফিলিস্তিনের সুন্নি মুসলিমদের জন্য তিনি যা করেছেন, তা অনেক আরব দেশও করতে পারেনি। এই কারণেই ফিলিস্তিনিরা তাকে &amp;#39;জেরুজালেমের শহীদ&amp;#39; হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তিনি ছিলেন সকল মজলুম মানুষের কণ্ঠস্বর। ট্রাম্পের ভুল নীতির কারণে আজ মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার কোনো বন্ধু নেই। সৌদি আরব এবং ইরান এখন নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন করছে, যা সোলাইমানির সেই স্বপ্নেরই অংশ ছিল&amp;mdash;যেখানে বাইরের কোনো শক্তি ছাড়াই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বিরাজ করবে। আমেরিকার বিভাজন এবং শাসনের রাজনীতি এখন শেষ হয়ে আসছে। সোলাইমানির রক্ত বৃথা যায়নি, বরং তা এক নতুন সূর্যোদয়ের বার্তা নিয়ে এসেছে। শেষে বলা যায়, জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং কুদ্স ফোর্সের রণকৌশল কেবল যুদ্ধের ইতিহাস নয়, এটি একটি প্রতিরোধের মহাকাব্য। যারা মনে করেন অস্ত্র দিয়ে একটি জাতিকে কেনা যায়, তাদের জন্য সোলাইমানি এক বড় শিক্ষা। ইরান আজ গর্বিত কারণ তাদের এই বীর সন্তানের রক্তে রঞ্জিত জমিন আজ শত্রুদের হাত থেকে মুক্ত হওয়ার পথে। সোলাইমানি বেঁচে থাকবেন তাঁর আদর্শে, তাঁর সাহসে। দর্শক, আপনি কি মনে করেন জেনারেল সোলাইমানির শাহাদাত কি আমেরিকার পতনের সূচনা করেছে? ইরান কি পারবে সোলাইমানির সেই স্বপ্ন পূরণ করে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করতে? আপনার মতামত আমাদের জানান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_26-2-26_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_26-2-26_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_26-2-26_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[শব্দের চেয়ে ১৫ গুণ দ্রুত! ইরানের &#039;ফাত্তাহ&#039; মিসাইল কি ইসরায়েলের আয়রন ডোমকে খেলনা বানিয়ে ছাড়বে? পেন্টাগনের নতুন দুঃস্বপ্ন এবং ট্রাম্পের নীরবতা!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23879</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23879</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 25 Feb 2026 08:02:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো, আর বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা। যার হাতে থাকে তলোয়ার, সেই পায় আসল অধিকার।&amp;quot; আপনারা কি জানেন, মাত্র ৪ মিনিট! হ্যাঁ, ইরান থেকে ইসরায়েলে আঘাত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_23.jpg" alt="শব্দের চেয়ে ১৫ গুণ দ্রুত! ইরানের &#039;ফাত্তাহ&#039; মিসাইল কি ইসরায়েলের আয়রন ডোমকে খেলনা বানিয়ে ছাড়বে? পেন্টাগনের নতুন দুঃস্বপ্ন এবং ট্রাম্পের নীরবতা!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো, আর বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা। যার হাতে থাকে তলোয়ার, সেই পায় আসল অধিকার।&amp;quot; আপনারা কি জানেন, মাত্র ৪ মিনিট! হ্যাঁ, ইরান থেকে ইসরায়েলে আঘাত হানতে ইরানের নতুন &amp;#39;ফাত্তাহ&amp;#39; মিসাইলের সময় লাগবে মাত্র ৪ মিনিট। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলের কোনো ডিফেন্স সিস্টেম সক্রিয় হওয়ার আগেই সব শেষ হয়ে যাবে। আমেরিকা ও ইসরায়েল যা কল্পনাও করতে পারেনি, ইরান তা বাস্তবে করে দেখিয়েছে। আজ আমরা কথা বলবো ইরানের সেই অজেয় হাইপারসনিক মিসাইল নিয়ে, যা বর্তমান বিশ্বের যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ইরানের সামরিক ইতিহাসে &amp;#39;ফাত্তাহ&amp;#39; একটি বিপ্লবের নাম। যখন আমেরিকা ও তার মিত্ররা মনে করছিল নিষেধাজ্ঞার চাপে ইরান পিষ্ট হচ্ছে, ঠিক তখনই তেহরান উন্মোচন করল তাদের প্রথম হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল। &amp;#39;ফাত্তাহ&amp;#39; মানে হলো &amp;#39;বিজয়ী&amp;#39;। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি শব্দের চেয়ে ১৩ থেকে ১৫ গুণ বেশি দ্রুত গতিতে ছুটতে পারে। এই অবিশ্বাস্য গতিই একে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মারণাস্ত্রের তালিকায় শীর্ষে নিয়ে এসেছে। হাইপারসনিক মিসাইল সাধারণ ব্যালিস্টিক মিসাইলের মতো নয়। এটি কেবল দ্রুত গতির নয়, বরং এটি বায়ুমণ্ডলের ভেতরে এবং বাইরে নিজের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। এর মানে হলো, কোনো কম্পিউটার বা রাডার আগে থেকে অনুমান করতে পারবে না এটি ঠিক কোথায় আঘাত হানবে। ইরানের এই প্রযুক্তি বিশ্ববাসীকে বুঝিয়ে দিয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তির ভারসাম্য এখন সম্পূর্ণভাবে তেহরানের পক্ষে চলে গেছে। ইসরায়েলের &amp;#39;আয়রন ডোম&amp;#39; বা আমেরিকার &amp;#39;প্যাট্রিয়ট&amp;#39; মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমগুলো মূলত ধীরগতির বা নির্দিষ্ট পথে চলা মিসাইল ঠেকানোর জন্য তৈরি। কিন্তু ফাত্তাহর মতো হাইপারসনিক মিসাইল যখন এঁকেবেঁকে তীব্র গতিতে ধেয়ে আসে, তখন এই সিস্টেমগুলো অন্ধ হয়ে যায়। পেন্টাগনের গোপন নথিতে স্বীকার করা হয়েছে যে, বর্তমানে এমন কোনো প্রযুক্তি নেই যা ইরানের এই ফাত্তাহ মিসাইলকে রুখতে পারে। ফাত্তাহ মিসাইলটির রেঞ্জ বা পাল্লা ১,৪০০ কিলোমিটার। এর মানে হলো, ইরান তার নিজ ভূমি থেকেই পুরো ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত প্রতিটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নিখুঁতভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন যুদ্ধের হুমকি দেন, তখন তাকে এই মিসাইলের কথা মাথায় রাখতে হচ্ছে। কারণ একটি ফাত্তাহ মিসাইলই যথেষ্ট আমেরিকার কোনো বিশাল বিমানবাহী রণতরীকে সাগরের নিচে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যখন এই মিসাইলটি বিশ্বের সামনে আনলেন, তখন ওয়াশিংটনে রীতিমতো কম্পন শুরু হয়েছিল। ইরান প্রমাণ করেছে যে, পশ্চিমা সাহায্য ছাড়াই তারা বিশ্বের সবচেয়ে জটিল প্রযুক্তি আয়ত্ত করতে পারে। এটি কেবল একটি অস্ত্র নয়, এটি ইরানের বিজ্ঞানীদের মেধা এবং সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরোধের এক বিশাল বিজয় যা ট্রাম্পকে বারবার ভাবিয়ে তুলছে। ফাত্তাহর ইঞ্জিনে ব্যবহৃত হয়েছে সলিড ফুয়েল বা কঠিন জ্বালানি, যা একে মুহূর্তের মধ্যে উৎক্ষেপণের উপযোগী করে তোলে। সাধারণ মিসাইল ছোড়ার আগে অনেক সময় লাগে, কিন্তু ফাত্তাহ সাইলো থেকে বের হওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তার সর্বোচ্চ গতি অর্জন করে। এই ক্ষিপ্রতাই ইরানকে যুদ্ধের ময়দানে শত্রুর চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে রেখেছে। ইরানের এই অগ্রগতি আজ পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য এক গর্বের বিষয়। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ইরানের এই সক্ষমতাকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করলেও রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা ফাত্তাহর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তারা বলছেন, ইরানের এই প্রযুক্তি রাশিয়া বা চীনের হাইপারসনিক প্রযুক্তির সাথে পাল্লা দেওয়ার মতো। ইরানের এই কৌশলগত জয় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। ট্রাম্পের &amp;#39;আমেরিকা ফার্স্ট&amp;#39; নীতি এখন ইরানের &amp;#39;ফাত্তাহ&amp;#39;র কাছে অসহায়। ফাত্তাহ মিসাইলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর &amp;#39;ম্যানুভারেবল রি-এন্ট্রি ভেহিকল&amp;#39; বা মার্ভ (MaRV)। এটি যখন বায়ুমণ্ডলে পুনরায় প্রবেশ করে, তখন এটি অসম্ভব দ্রুত গতিতে দিক পরিবর্তন করে। এতে করে শত্রুপক্ষের অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ইরান এই প্রযুক্তি আয়ত্ত করার মাধ্যমে নিজেকে বিশ্বের সেই গুটি কয়েক দেশের তালিকায় নিয়ে গেছে যাদের কাছে হাইপারসনিক অস্ত্র রয়েছে। ইসরায়েল সব সময় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা করে থাকে। কিন্তু ফাত্তাহর উপস্থিতির পর তারা এখন সেই চিন্তা বাদ দিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার কথা ভাবছে। তেল আবিব জানে, যদি তারা ইরানের ওপর একটিও ড্রোন চালায়, তবে প্রতিউত্তরে শত শত ফাত্তাহ মিসাইল তাদের শহরগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করবে। ইরানের এই &amp;#39;ডিটারেন্স&amp;#39; বা প্রতিরোধ ক্ষমতা এখন ইসরায়েলের বড় মাথাব্যথা। ট্রাম্পের শাসনামলে ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ বা &amp;#39;ম্যাক্সিমাম প্রেসার&amp;#39; পলিসি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফলাফল হয়েছে উল্টো। ইরান এখন সামরিকভাবে আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বাবলম্বী। ফাত্তাহ মিসাইলটি ইরানের সেই জেদের বহিঃপ্রকাশ। নিষেধাজ্ঞা যে ইরানকে দমাতে পারেনি, বরং আরও সৃজনশীল এবং শক্তিশালী করে তুলেছে, ফাত্তাহ হলো তার জীবন্ত প্রমাণ যা মার্কিন নীতিনির্ধারকদের পরাজয় নিশ্চিত করেছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের দাবি, ফাত্তাহ মিসাইলটি কেবল শুরু। তারা ইতিমধ্যে ফাত্তাহ-২ এর কাজ শুরু করেছে যার পাল্লা এবং গতি হবে আরও বেশি। ইরানের এই সামরিক ঊর্ধ্বগতি প্রমাণ করে যে, তারা ভবিষ্যতে কোনো পরাশক্তির রক্তচক্ষু সহ্য করবে না। যারা ইরানকে হুমকি দিতে চায়, তাদের মনে রাখতে হবে&amp;mdash;তেহরানের হাতে এখন এমন তলোয়ার আছে যা দিয়ে তারা নিমেষেই শত্রুর গর্দান নিতে পারে। হাইপারসনিক প্রযুক্তি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং জটিল। বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ এখনো এই প্রযুক্তিতে সফল হতে পারেনি। অথচ ইরান সম্পূর্ণ দেশীয় যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এটি তৈরি করেছে। এটি প্রমাণ করে যে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ থাকলে যেকোনো অসাধ্য সাধন করা সম্ভব। ইরানের এই সাফল্য আজ বিশ্বের নিপীড়িত দেশগুলোর জন্য এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। পেন্টাগনের গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইরানের ফাত্তাহ মিসাইল আমেরিকার গ্লোবাল ডিফেন্স নেটওয়ার্ককে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তবে আমেরিকা হয়তো তার ঘাঁটিগুলো রক্ষা করতে পারবে না। ট্রাম্পের দম্ভ আর আস্ফালন কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, কারণ যুদ্ধের ময়দানে প্রযুক্তি আর সাহসের লড়াইয়ে ইরান এখন অপ্রতিরোধ্য। ফাত্তাহ হলো ইরানের সেই অজেয় ঢাল ও তলোয়ার। আপনারা শুনলে অবাক হবেন যে, ফাত্তাহ মিসাইলটি রাডার সিগনেচার অত্যন্ত কম। এর মানে হলো এটি রাডারে ধরা দেওয়া অনেক কঠিন। এটি যখন লক্ষ্যবস্তুর দিকে যায়, তখন এটি আগুনের গোলার মতো দেখায় এবং এর গতিবেগ এত বেশি যে কোনো মানুষ চোখের পলক ফেলার আগেই সেটি আঘাত হানে। এই বিধ্বংসী ক্ষমতাই ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের আসল শক্তিকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। অনেকেই প্রশ্ন করেন, ইরান কেন এত অস্ত্র তৈরি করছে? উত্তর হলো আত্মরক্ষা। যে অঞ্চলে প্রতি মুহূর্তে যুদ্ধের ষড়যন্ত্র চলছে, সেখানে শক্তিশালী হওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। ইরান আজ শক্তিশালী বলেই ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার পিছিয়ে যাচ্ছেন। ফাত্তাহ মিসাইল হলো শান্তির গ্যারান্টি, কারণ এটি শত্রুকে আক্রমণ করার চিন্তা থেকে বিরত রাখে। শক্তির ভারসাম্যই হলো শান্তির মূল চাবিকাঠি। ভবিষ্যতে যদি মধ্যপ্রাচ্যে কোনো সংঘাত বাধে, তবে ফাত্তাহ মিসাইল হবে সেই গেম-চেঞ্জার যা আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ করে দেবে। ইসরায়েল ও আমেরিকার জোট যতই ফন্দি আঁটুক না কেন, ইরানের এই হাইপারসনিক তলোয়ার তাদের সব পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। ইরানের এই সামরিক বিপ্লব ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে যা অদম্য তেহরানের বীরত্বগাঁথা হিসেবে পরিচিত হবে। শেষে বলা যায়, ফাত্তাহ মিসাইল কেবল একটি অস্ত্র নয়, এটি ইরানের জনগণের আত্মমর্যাদা। যারা ইরানকে বারবার ধ্বংস করতে চেয়েছে, ফাত্তাহ তাদের জন্য এক চরম হুঁশিয়ারি। ট্রাম্প এবং তার মিত্ররা যদি এখনো না বুঝে থাকে, তবে সময় বলে দেবে ইরানের এই বিজয় যাত্রা কোথায় গিয়ে থামে। অজেয় ইরান আর তার ফাত্তাহ মিসাইল আজ বিশ্ব রাজনীতির নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। দর্শক, আপনি কি মনে করেন ইরানের এই &amp;#39;ফাত্তাহ&amp;#39; মিসাইল কি সত্যিই আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ করতে পারবে? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্ট করে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_23.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_23.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_23.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সামরিক সমাবেশ, ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে বিশ্ব—হরমুজ বন্ধ হলে কি থেমে যাবে আমেরিকা-ইসরায়েলের দম্ভ?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23878</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23878</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 25 Feb 2026 08:02:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যে আগুন অন্যের ঘরে লাগাতে যায়, তার নিজের ঘরই আগে পুড়ে ছাই হয়। আজকের ঘটনাপ্রবাহ যেন সেই প্রবাদকেই সত্যি করে তুলছে। মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের দামামা বাজছে। যুক্ত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_22.jpg" alt="মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সামরিক সমাবেশ, ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে বিশ্ব—হরমুজ বন্ধ হলে কি থেমে যাবে আমেরিকা-ইসরায়েলের দম্ভ?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যে আগুন অন্যের ঘরে লাগাতে যায়, তার নিজের ঘরই আগে পুড়ে ছাই হয়। আজকের ঘটনাপ্রবাহ যেন সেই প্রবাদকেই সত্যি করে তুলছে। মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের দামামা বাজছে। যুক্তরাষ্ট্র ২০০৩ সালের ইরাক আগ্রাসনের পর সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ গড়ে তুলেছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে&amp;mdash;এই শক্তি প্রদর্শন কি সত্যিই ইরানকে ভয় দেখাতে পারবে? ২০০৩ সালে ইরাকে হামলার পর যেভাবে মার্কিন সামরিক শক্তি গোটা অঞ্চল কাঁপিয়ে দিয়েছিল, ঠিক তেমন এক দৃশ্য আবারও তৈরি হচ্ছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান স্নায়ুযুদ্ধ এখন চরম পর্যায়ে। আকাশপথে স্টিলথ যুদ্ধবিমান, সমুদ্রে রণতরী&amp;mdash;সব মিলিয়ে এক অস্থির পরিস্থিতি। কিন্তু এবার মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ আগের মতো নেই। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অত্যাধুনিক এফ-৩৫ লাইটনিং এবং এফ-২২ র্যাপ্টর স্টিলথ ফাইটার ইতিমধ্যেই জর্ডান ও সৌদি আরবের ঘাঁটিতে অবস্থান নিয়েছে। এই যুদ্ধবিমানগুলো যেকোনো মুহূর্তে হামলার প্রস্তুতিতে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে এই বিশাল বাহিনী। প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাম্প কি শেষ পর্যন্ত বোতাম টিপবেন? শুধু আকাশ নয়, সমুদ্রপথেও শক্ত অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পারস্য উপসাগর ও ভূমধ্যসাগরে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ তেরটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। আরও একটি শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড তার স্ট্রাইক গ্রুপ নিয়ে এগিয়ে আসছে। এই উপস্থিতি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে&amp;mdash;ওয়াশিংটন পিছু হটছে না। তবে সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কোনো একক হামলার প্রস্তুতি নয়। বরং কয়েক সপ্তাহব্যাপী দীর্ঘস্থায়ী বিমান যুদ্ধের সক্ষমতা গড়ে তোলা হচ্ছে। অর্থাৎ লক্ষ্য শুধু প্রতীকী আঘাত নয়, বরং ইরানের অবকাঠামোতে গভীর ক্ষত তৈরি করা। কিন্তু ইরান কি এত সহজে ভেঙে পড়বে? হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি হামলার পক্ষে-বিপক্ষে নানা যুক্তি বিবেচনা করছেন। মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। হামলার লক্ষ্য শুধু পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা থাকবে, নাকি শাসনব্যবস্থা বদলের চেষ্টা হবে&amp;mdash;এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। এদিকে জেনেভায় পরোক্ষ আলোচনার খবরও পাওয়া গেছে। দুই পক্ষই আলোচনায় বসলেও মৌলিক অবস্থান থেকে কেউ সরে আসেনি। ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস করবে না বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চায় কঠোর শর্তে নতুন চুক্তি। এই টানাপোড়েনই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। পাল্টা প্রস্তুতিতে ইরানও বসে নেই। তেহরান তার বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার প্রস্তুত রেখেছে। আঞ্চলিক মিত্র ও প্রক্সি বাহিনীগুলোকেও সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। ইরানের বার্তা স্পষ্ট&amp;mdash;হামলা হলে জবাব হবে কঠোর ও ব্যাপক। এই আত্মবিশ্বাস মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে। সবচেয়ে বড় হুঁশিয়ারি এসেছে হরমুজ প্রণালী নিয়ে। ইরান ঘোষণা দিয়েছে, হামলা হলে তারা বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত এই জলপথ বন্ধ করে দিতে পারে। প্রতিদিন বিশ্ব তেলের বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। হরমুজ বন্ধ মানেই বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ভয়াবহ ঝড়। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই শক্তি প্রদর্শনের মূল লক্ষ্য হতে পারে ইরানকে একটি কঠিন চুক্তিতে বাধ্য করা। কিন্তু ইতিহাস বলছে, ইরান কখনো চাপের কাছে নত হয়নি। বরং প্রতিবারই তারা আরও শক্ত অবস্থান নিয়েছে। তাই এই কৌশল উল্টো ফলও দিতে পারে। ট্রাম্প সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান চুক্তি না করার পরিণতি ভোগ করতে প্রস্তুত নয়। এই বক্তব্যে স্পষ্ট হুমকির সুর। কিন্তু একইসঙ্গে প্রশ্ন জাগে&amp;mdash;দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই কতটা প্রস্তুত? মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধ কি আমেরিকার জন্য আরেকটি অচলাবস্থা তৈরি করবে না? ইসরায়েলও এই সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তেহরান ও তেলআবিবের দীর্ঘদিনের বৈরিতা এখন আরও তীব্র। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোট যদি সরাসরি সংঘাতে জড়ায়, তাহলে পুরো অঞ্চল জ্বলে উঠতে পারে। লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন&amp;mdash;সব জায়গায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক উন্নত। নিজস্ব ড্রোন প্রযুক্তি, নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক প্রভাব&amp;mdash;সব মিলিয়ে তারা এখন মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিশালী খেলোয়াড়। তাই ২০০৩ সালের ইরাকের সঙ্গে বর্তমান ইরানের তুলনা করা বড় ভুল হবে। এই বাস্তবতা বুঝতেই হবে ওয়াশিংটনকে। মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষ নতুন যুদ্ধ চায় না। তারা চায় স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন। কিন্তু বড় শক্তিগুলোর ক্ষমতার খেলায় সাধারণ মানুষের স্বপ্ন বারবার ভেঙে যায়। যদি সংঘাত শুরু হয়, তার মূল্য দেবে পুরো অঞ্চল এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি। শেষে প্রশ্ন একটাই&amp;mdash;এই বিশাল সামরিক সমাবেশ কি সত্যিই শান্তি আনবে, নাকি আরও বড় অগ্নিসংযোগের সূচনা করবে? ইরান পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তারা ভয় পায় না। যুক্তরাষ্ট্রও পিছু হটার ইঙ্গিত দেয়নি। তাই আগামী দিনগুলো মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। দর্শক, পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে। শক্তির প্রদর্শন যত বাড়ছে, ততই উত্তেজনা বাড়ছে। কিন্তু ইতিহাসের শিক্ষা বলছে, আগ্রাসন কখনো স্থায়ী সমাধান দেয় না। ইরানের দৃঢ় অবস্থান এবং আঞ্চলিক সমর্থন হয়তো এই সংঘাতের গতিপথ বদলে দিতে পারে। আপনারা কী মনে করেন? এই শক্তির লড়াই কোথায় গিয়ে থামবে? হরমুজ কি সত্যিই বন্ধ হবে? নাকি শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক সমাধান আসবে? মতামত জানাতে কমেন্ট করুন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_22.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_22.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_22.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জামায়াতের আসল চেহারা ফাঁস করলেন ঢাবির আব্দুল কাদের ইতিহাস বিকৃতি ও ইহুদি মানসিকতা নিয়ে তোলপাড়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23877</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23877</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 25 Feb 2026 08:02:15 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী&amp;mdash;প্রবাদটি আজ কেন বলছি? কারণ রাজনীতির মাঠে জামায়াতে ইসলামীর ভণ্ডামি আর ইতিহাস বিকৃতি এখন চরমে। ৫ আগস্টের বিপ্লবের কৃতিত্ব চুরির...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_21.jpg" alt="জামায়াতের আসল চেহারা ফাঁস করলেন ঢাবির আব্দুল কাদের ইতিহাস বিকৃতি ও ইহুদি মানসিকতা নিয়ে তোলপাড়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী&amp;mdash;প্রবাদটি আজ কেন বলছি? কারণ রাজনীতির মাঠে জামায়াতে ইসলামীর ভণ্ডামি আর ইতিহাস বিকৃতি এখন চরমে। ৫ আগস্টের বিপ্লবের কৃতিত্ব চুরির অপচেষ্টা থেকে শুরু করে গোলাম আজমকে ভাষা সৈনিক বানানোর জঘন্য মিথ্যাচার&amp;mdash;সবই ফাঁস করেছেন গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাদের।&amp;nbsp; প্রবাদ আছে, &amp;lsquo;চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী&amp;rsquo;। বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী এই প্রবাদটিকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করলেও তাদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ফুঁসে উঠেছেন সাধারণ ছাত্র জনতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল কাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জামায়াতের আসল রূপ তুলে ধরেছেন। তার মতে জামায়াত এখন ইহুদিদের মতো ভয়ংকর মানসিকতা লালন করছে। আব্দুল কাদের স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে রাজনীতিতে যদি কোনো পরিবর্তন আনতে হয় তবে জামায়াতে ইসলামীকে ইহুদিদের মতো মানসিকতা পরিহার করতে হবে। ইহুদিরা যেমন ফিলিস্তিনে আশ্রিত হয়ে পরে পুরো দেশ দখল করে নিয়েছে, জামায়াতের চরিত্রও এখন ঠিক তেমন। তারা বিভিন্ন আন্দোলন এবং মানবিক আশ্রয়ের সুযোগ নিয়ে জোরপূর্বক দখলদারিত্বের চিন্তাভাবনা করছে। এটি বাংলাদেশের সুস্থ ধারার রাজনীতির জন্য অনেক বড় একটি হুমকি। গত ৫ আগস্টের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই জামায়াত একটি অদ্ভুত প্রবণতা শুরু করেছে। প্রতিটি ছোট বড় ঘটনায় তারা নিজেদের কৃতিত্ব প্রতিষ্ঠা করার জঘন্য চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। আব্দুল কাদের অভিযোগ করেছেন যে জামায়াত সব জায়গায় নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে মানুষের ত্যাগকে নিজেদের নামে করতে চাইছে। অথচ সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিজের রক্ত দিয়ে যে বিপ্লব ঘটিয়েছে সেখানে জামায়াতের কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা মোটেও কাম্য নয়। আবরার ফাহাদের শাহাদাত ছিল পুরো বাংলাদেশের জন্য একটি শোকের বিষয় যা সাধারণ মানুষ হৃদয় দিয়ে অনুভব করে। কিন্তু আব্দুল কাদের লক্ষ্য করেছেন যে জামায়াত এই ইস্যুটিকেও নিজেদের দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগকে পুঁজি করে তারা তরুণ প্রজন্মের মাঝে সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার পথ খুঁজছে। এমন জঘন্য প্রবণতা থেকে বের না হলে জামায়াত কোনোদিন এদেশের মানুষের মন জয় করতে পারবেনা। দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতে ইসলামী শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে শিরক বা বিজাতীয় সংস্কৃতি বলে প্রচার করে এসেছে। কিন্তু বর্তমানে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে তারা হঠাৎ করেই শহীদ মিনারে ফুল দিতে শুরু করেছে। তাদের এই ভোল পাল্টানো দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন এবং এটিকে বড় ধরনের দ্বিচারিতা হিসেবে দেখছেন। আব্দুল কাদের এই পরিবর্তনকে ইতিবাচক বললেও এর পেছনের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সংশয় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সবচেয়ে বড় জঘন্য মিথ্যাচার হচ্ছে জামায়াতের নেতাদের মুখে গোলাম আজমকে ভাষা সৈনিক হিসেবে প্রচার করা। আব্দুল কাদের ক্ষোভের সাথে জানিয়েছেন যে শহীদ মিনারে যাওয়ার বৈধতা দিতে গিয়ে তারা ইতিহাস বিকৃতি করছে। গোলাম আজম কোনোদিনই ভাষা আন্দোলনের প্রকৃত চেতনার ধারক ছিলেন না বরং তিনি ছিলেন দেশবিরোধী। ইতিহাসের এমন জঘন্য বিকৃতি বাংলাদেশের সচেতন ছাত্র সমাজ কোনোভাবেই মেনে নেবেনা বলে তিনি কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন। রাজনীতিতে পরিবর্তন সব সময় স্বাগত জানানো হয় যদি তা সৎ এবং স্বচ্ছ উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে। কিন্তু আব্দুল কাদের মনে করেন জামায়াত বাধ্য হয়ে কিংবা পরিস্থিতির কারণে নিজেদের খোলস পাল্টাচ্ছে। এই পরিবর্তনের আড়ালে যদি কোনো নোংরা রাজনীতি লুকায়িত থাকে তবে তা সাধারণ মানুষ বরদাশত করবে না। জামায়াতকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেছেন যে সত্যকে চাপা দিয়ে মিথ্যা প্রচার করলে তার ফল হবে অনেক ভয়াবহ। শেষে আব্দুল কাদেরের এই স্ট্যাটাসটি ছিল দেশের সচেতন তরুণ সমাজের প্রতি একটি বিশেষ বার্তা। জামায়াতে ইসলামীর মতো উগ্র এবং মিথ্যাবাদী দলগুলো সবসময় সুযোগের সন্ধানে থাকে এবং ইতিহাস বদলে দেয়। আমাদের দায়িত্ব হলো এই ইতিহাস বিকৃতি রুখে দেওয়া এবং সত্যের পক্ষে সর্বদা সোচ্চার থাকা। জামায়াত যদি সত্যিই ভালো হতে চায় তবে তাদের আগে নিজেদের অতীতের অপরাধের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-25-2-26_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সামরিক সমাবেশ, ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে বিশ্ব—হরমুজ বন্ধ হলে কি থেমে যাবে আমেরিকা-ইসরায়েলের দম্ভ?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23876</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23876</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 24 Feb 2026 22:02:16 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest news update, latest bangladesh news, bangladesh latest news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, latest news headline and bulletin, bd hot news, the news bd, latestnews, updated news, bdnews, atn news tv, update news, kolkata protest news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangladesh news update, bangla news update, atn news today, bangla tv news, latest update, atn bangla news, atn news bangla, all update news, news, news today, atn tv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যে আগুন অন্যের ঘরে লাগাতে যায়, তার নিজের ঘরই আগে পুড়ে ছাই হয়। আজকের ঘটনাপ্রবাহ যেন সেই প্রবাদকেই সত্যি করে তুলছে। মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের দামামা বাজছে। যুক্ত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z227_1.jpg" alt="মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সামরিক সমাবেশ, ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে বিশ্ব—হরমুজ বন্ধ হলে কি থেমে যাবে আমেরিকা-ইসরায়েলের দম্ভ?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যে আগুন অন্যের ঘরে লাগাতে যায়, তার নিজের ঘরই আগে পুড়ে ছাই হয়। আজকের ঘটনাপ্রবাহ যেন সেই প্রবাদকেই সত্যি করে তুলছে। মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের দামামা বাজছে। যুক্তরাষ্ট্র ২০০৩ সালের ইরাক আগ্রাসনের পর সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ গড়ে তুলেছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে&amp;mdash;এই শক্তি প্রদর্শন কি সত্যিই ইরানকে ভয় দেখাতে পারবে? ২০০৩ সালে ইরাকে হামলার পর যেভাবে মার্কিন সামরিক শক্তি গোটা অঞ্চল কাঁপিয়ে দিয়েছিল, ঠিক তেমন এক দৃশ্য আবারও তৈরি হচ্ছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান স্নায়ুযুদ্ধ এখন চরম পর্যায়ে। আকাশপথে স্টিলথ যুদ্ধবিমান, সমুদ্রে রণতরী&amp;mdash;সব মিলিয়ে এক অস্থির পরিস্থিতি। কিন্তু এবার মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ আগের মতো নেই। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অত্যাধুনিক এফ-৩৫ লাইটনিং এবং এফ-২২ র্যাপ্টর স্টিলথ ফাইটার ইতিমধ্যেই জর্ডান ও সৌদি আরবের ঘাঁটিতে অবস্থান নিয়েছে। এই যুদ্ধবিমানগুলো যেকোনো মুহূর্তে হামলার প্রস্তুতিতে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে এই বিশাল বাহিনী। প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাম্প কি শেষ পর্যন্ত বোতাম টিপবেন? শুধু আকাশ নয়, সমুদ্রপথেও শক্ত অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পারস্য উপসাগর ও ভূমধ্যসাগরে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ তেরটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। আরও একটি শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড তার স্ট্রাইক গ্রুপ নিয়ে এগিয়ে আসছে। এই উপস্থিতি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে&amp;mdash;ওয়াশিংটন পিছু হটছে না। তবে সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কোনো একক হামলার প্রস্তুতি নয়। বরং কয়েক সপ্তাহব্যাপী দীর্ঘস্থায়ী বিমান যুদ্ধের সক্ষমতা গড়ে তোলা হচ্ছে। অর্থাৎ লক্ষ্য শুধু প্রতীকী আঘাত নয়, বরং ইরানের অবকাঠামোতে গভীর ক্ষত তৈরি করা। কিন্তু ইরান কি এত সহজে ভেঙে পড়বে? হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি হামলার পক্ষে-বিপক্ষে নানা যুক্তি বিবেচনা করছেন। মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। হামলার লক্ষ্য শুধু পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা থাকবে, নাকি শাসনব্যবস্থা বদলের চেষ্টা হবে&amp;mdash;এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। এদিকে জেনেভায় পরোক্ষ আলোচনার খবরও পাওয়া গেছে। দুই পক্ষই আলোচনায় বসলেও মৌলিক অবস্থান থেকে কেউ সরে আসেনি। ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস করবে না বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চায় কঠোর শর্তে নতুন চুক্তি। এই টানাপোড়েনই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। পাল্টা প্রস্তুতিতে ইরানও বসে নেই। তেহরান তার বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার প্রস্তুত রেখেছে। আঞ্চলিক মিত্র ও প্রক্সি বাহিনীগুলোকেও সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। ইরানের বার্তা স্পষ্ট&amp;mdash;হামলা হলে জবাব হবে কঠোর ও ব্যাপক। এই আত্মবিশ্বাস মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে। সবচেয়ে বড় হুঁশিয়ারি এসেছে হরমুজ প্রণালী নিয়ে। ইরান ঘোষণা দিয়েছে, হামলা হলে তারা বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত এই জলপথ বন্ধ করে দিতে পারে। প্রতিদিন বিশ্ব তেলের বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। হরমুজ বন্ধ মানেই বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ভয়াবহ ঝড়। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই শক্তি প্রদর্শনের মূল লক্ষ্য হতে পারে ইরানকে একটি কঠিন চুক্তিতে বাধ্য করা। কিন্তু ইতিহাস বলছে, ইরান কখনো চাপের কাছে নত হয়নি। বরং প্রতিবারই তারা আরও শক্ত অবস্থান নিয়েছে। তাই এই কৌশল উল্টো ফলও দিতে পারে। ট্রাম্প সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান চুক্তি না করার পরিণতি ভোগ করতে প্রস্তুত নয়। এই বক্তব্যে স্পষ্ট হুমকির সুর। কিন্তু একইসঙ্গে প্রশ্ন জাগে&amp;mdash;দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই কতটা প্রস্তুত? মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধ কি আমেরিকার জন্য আরেকটি অচলাবস্থা তৈরি করবে না? ইসরায়েলও এই সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তেহরান ও তেলআবিবের দীর্ঘদিনের বৈরিতা এখন আরও তীব্র। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোট যদি সরাসরি সংঘাতে জড়ায়, তাহলে পুরো অঞ্চল জ্বলে উঠতে পারে। লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন&amp;mdash;সব জায়গায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক উন্নত। নিজস্ব ড্রোন প্রযুক্তি, নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক প্রভাব&amp;mdash;সব মিলিয়ে তারা এখন মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিশালী খেলোয়াড়। তাই ২০০৩ সালের ইরাকের সঙ্গে বর্তমান ইরানের তুলনা করা বড় ভুল হবে। এই বাস্তবতা বুঝতেই হবে ওয়াশিংটনকে। মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষ নতুন যুদ্ধ চায় না। তারা চায় স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন। কিন্তু বড় শক্তিগুলোর ক্ষমতার খেলায় সাধারণ মানুষের স্বপ্ন বারবার ভেঙে যায়। যদি সংঘাত শুরু হয়, তার মূল্য দেবে পুরো অঞ্চল এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি। শেষে প্রশ্ন একটাই&amp;mdash;এই বিশাল সামরিক সমাবেশ কি সত্যিই শান্তি আনবে, নাকি আরও বড় অগ্নিসংযোগের সূচনা করবে? ইরান পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তারা ভয় পায় না। যুক্তরাষ্ট্রও পিছু হটার ইঙ্গিত দেয়নি। তাই আগামী দিনগুলো মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। দর্শক, পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে। শক্তির প্রদর্শন যত বাড়ছে, ততই উত্তেজনা বাড়ছে। কিন্তু ইতিহাসের শিক্ষা বলছে, আগ্রাসন কখনো স্থায়ী সমাধান দেয় না। ইরানের দৃঢ় অবস্থান এবং আঞ্চলিক সমর্থন হয়তো এই সংঘাতের গতিপথ বদলে দিতে পারে। আপনারা কী মনে করেন? এই শক্তির লড়াই কোথায় গিয়ে থামবে? হরমুজ কি সত্যিই বন্ধ হবে? নাকি শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক সমাধান আসবে? মতামত জানাতে কমেন্ট করুন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z227_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z227_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z227_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পোকরভস্কে কুয়াশার মরণফাঁদ! ইউক্রেনের শেষ রক্ষা কি হবে? পুতিনের নতুন চালে কুপোকাত জেলেনস্কি!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23875</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23875</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 24 Feb 2026 20:02:16 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[নিজের বলদ দিয়ে চাষ করা ভালো, অন্যের ঘোড়া দিয়ে নয়। হ্যাঁ দর্শক, প্রবাদটি আজ ইউক্রেনের জন্য অক্ষরে অক্ষরে সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের ধার করা অস্ত্র আর বু...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z226_1.jpg" alt="পোকরভস্কে কুয়াশার মরণফাঁদ! ইউক্রেনের শেষ রক্ষা কি হবে? পুতিনের নতুন চালে কুপোকাত জেলেনস্কি!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>নিজের বলদ দিয়ে চাষ করা ভালো, অন্যের ঘোড়া দিয়ে নয়। হ্যাঁ দর্শক, প্রবাদটি আজ ইউক্রেনের জন্য অক্ষরে অক্ষরে সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের ধার করা অস্ত্র আর বুদ্ধিতে চলতে গিয়ে ইউক্রেন আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।&amp;nbsp; আজ আমরা কথা বলবো যুদ্ধের ময়দান থেকে আসা এমন এক চাঞ্চল্যকর খবর নিয়ে, যা শুনলে আপনি শিউরে উঠবেন। দোনবাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর পোকরভস্ক (Pokrovsk)। যেখানে রাশিয়ার দুর্ধর্ষ বাহিনী যখন ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে অগ্রসর হচ্ছিল, তখন ঠিক কী ঘটেছিল? কেন ইউক্রেন দাবি করছে তারা জয়ী হয়েছে, অথচ বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা? আজ আমরা পর্দার আড়ালের সেই সত্যগুলো বিশ্লেষণ করবো যা মূলধারার পশ্চিমা মিডিয়া আপনাদের দেখাতে চায় না। গত ১লা ফেব্রুয়ারি, ইউক্রেনের গণমাধ্যমগুলো ফলাও করে প্রচার করছিল যে তারা নাকি রাশিয়ার দুটি বড় আক্রমণ নস্যাৎ করে দিয়েছে। কিন্তু একটু গভীরে তাকালে দেখা যায়, এটি ছিল রাশিয়ার একটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত &amp;#39;ট্র্যাপ&amp;#39; বা ফাঁদ। রাশিয়ান বাহিনী যখন পোকরভস্ক এবং পার্শ্ববর্তী রাশা (Rasha) গ্রামে প্রবেশ করে, তখন আবহাওয়া ছিল অত্যন্ত প্রতিকূল&amp;mdash;ঘন কুয়াশা। ইউক্রেনীয় পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের স্পার্টান ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেড নাকি প্রায় ১০০ রাশিয়ান সেনাকে প্রতিহত করেছে। কিন্তু ভেবে দেখুন তো, যে দেশ কয়েক বছর ধরে রাশিয়ার আক্রমণের মুখে নিজেদের ভূমি রক্ষা করতে পারছে না, তারা হঠাৎ করে এক রাতে এত বড় সাফল্য কীভাবে পেল? আসলে কি এটি ইউক্রেনের জয়, নাকি রাশিয়ার দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের একটি অংশ? পোকরভস্ক শুধু একটি শহর নয়, এটি ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় দোনবাসের প্রধান লজিস্টিক হাব বা রসদ সরবরাহের প্রাণকেন্দ্র। রাশিয়ার লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার&amp;mdash;২০২৬ সালের এপ্রিলের মধ্যে পুরো দোনবাস অঞ্চলকে মুক্ত করা। আর এই লক্ষ্য অর্জনে পোকরভস্ক দখল করা মানে হলো ইউক্রেনের সাপ্লাই চেইন বা রসদ সরবরাহের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। রাশিয়া এখানে তাদের সাঁজোয়া যানের পাশাপাশি সাধারণ বেসামরিক গাড়ি, মোটরসাইকেল এবং এটিভি (ATV) ব্যবহার করছে। ইউক্রেনীয় ড্রোন অপারেটররা এগুলোকে সহজ লক্ষ্যবস্তু মনে করলেও, রাশিয়ার আসল উদ্দেশ্য ছিল ইউক্রেনের দামী ড্রোন এবং গোলাবারুদ শেষ করা। সস্তা মোটরসাইকেল ধ্বংস করতে গিয়ে ইউক্রেন তাদের মূল্যবান অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল খরচ করছে&amp;mdash;এর চেয়ে বড় বোকামি আর কী হতে পারে? ইউক্রেনের সপ্তম র&amp;zwj;্যাপিড রিঅ্যাকশন ফোর্সের জেনারেল ইয়েভেন লাসিচুক সম্প্রতি বিবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে, রাশিয়ার আক্রমণের তীব্রতা কমানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তিনি আশা করছেন বসন্তের মধ্যে রাশিয়ার শক্তি কমে আসবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, রাশিয়া তাদের রিজার্ভ ফোর্স বা মেরিন কোরকে এখনো পুরোপুরি ময়দানে নামায়নি। জেলেনস্কি সরকার এখন তাদের জনগণের কাছে মিথ্যে জয়ের গল্প শোনাচ্ছে যাতে পশ্চিমা সাহায্য বন্ধ না হয়। কিন্তু মাঠের খবর হলো, ইউক্রেনীয় সেনারা এখন ক্লান্ত এবং তাদের মনোবল ভেঙে পড়েছে। তাদের ড্রোন প্রযুক্তি রাশিয়ার ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের সামনে এখন প্রায় অচল। কুয়াশার দিনে যখন ড্রোন কাজ করে না, তখন ইউক্রেনীয় বাহিনী কার্যত অন্ধ হয়ে যায়। ইতিহাস সাক্ষী, রাশিয়ার শীত আর প্রকৃতি সবসময় রাশিয়ার পক্ষেই থাকে। নেপোলিয়ন থেকে হিটলার&amp;mdash;সবাই এই রাশিয়ার মাটির কাছে পরাজিত হয়েছে। বর্তমান ইউক্রেন যুদ্ধও তার ব্যতিক্রম নয়। ইউক্রেন দাবি করছে যে কুয়াশা তাদের সুবিধা দিচ্ছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই কুয়াশাকে কাজে লাগিয়ে রাশিয়ার ইনফিল্ট্রেশন বা অনুপ্রবেশকারী দলগুলো শহরের ভেতরে ঢুকে পড়ছে। ইউক্রেন বলছে তারা রাশিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করেছে, কিন্তু রাশিয়ার সৈন্যরা এরই মধ্যে পোকরভস্কের উত্তর অংশে এবং রেললাইনের কাছাকাছি নিজেদের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছে। এটি একটি &amp;#39;স্লেজ হ্যামার&amp;#39; বা হাতুড়ির মারের মতো&amp;mdash;একবার আঘাত করলে সব চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে। ইউক্রেনকে দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে আমেরিকা এবং ন্যাটোর দেশগুলো। তারা চায় যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হোক যাতে রাশিয়ার ক্ষতি হয়, কিন্তু এতে ইউক্রেন নামক দেশটি যে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে, সেদিকে কারো খেয়াল নেই। পশ্চিমা মিডিয়া বারবার রাশিয়ার ক্ষয়ক্ষতির অতিরঞ্জিত খবর দিচ্ছে, কিন্তু তারা বলছে না যে ইউক্রেনের কয়েক প্রজন্ম এই যুদ্ধে শেষ হয়ে গেছে। রাশিয়া এখানে ধৈর্য ধরছে। তারা চায় না অহেতুক রক্তক্ষয় হোক, তাই তারা ধীরগতিতে কিন্তু নিশ্চিত পদক্ষেপে অগ্রসর হচ্ছে। পোকরভস্কের যুদ্ধে রাশিয়ার এটিভি এবং হালকা যানের ব্যবহার এটাই প্রমাণ করে যে তারা যুদ্ধের খরচ কমিয়ে ইউক্রেনকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে। ভেবে দেখুন সেই ইউক্রেনীয় সেনাদের কথা, যাদেরকে জোর করে ফ্রন্টলাইনে পাঠানো হচ্ছে। তাদের কাছে না আছে পর্যাপ্ত শীতের পোশাক, না আছে জেতার মতো রসদ। অন্যদিকে রাশিয়ার সৈন্যরা লড়াই করছে তাদের মাতৃভূমির অখণ্ডতা রক্ষার জন্য এবং নাৎসি ভাবধারার বিরুদ্ধে। এটি কেবল জমি দখলের যুদ্ধ নয়, এটি একটি আদর্শিক লড়াই। পোকরভস্কের পতন মানে দোনবাসের পতন। আর দোনবাসের পতন মানে ইউক্রেনের চূড়ান্ত পরাজয়। কুয়াশা কেটে যাবে, সূর্য উঠবে, আর সেদিন বিশ্ব দেখবে রাশিয়ার বিজয় পতাকা। ইউক্রেন সরকার যতই জয়ের দাবি করুক না কেন, সত্যকে বেশিক্ষণ চাপা দিয়ে রাখা যায় না। আপনারা কী মনে করেন? পোকরভস্কের এই মরণফাঁদে ইউক্রেন কি আসলেই জয়ী হতে পারবে, নাকি এটি তাদের ধ্বংসের শুরু? রাশিয়ার এই অবিশ্বাস্য রণকৌশল নিয়ে আপনাদের মতামত আমাদের কমেন্ট করে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z226_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z226_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z226_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের মাটির নিচে লুকানো এক দানবীয় সাম্রাজ্য যা কাঁপিয়ে দিচ্ছে পেন্টাগনকে! অত্যাধুনিক মিসাইল সিটির ভেতরটা কেমন এবং আমেরিকা কি সত্যিই পঙ্গু?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23874</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23874</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 24 Feb 2026 19:02:44 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[পর্বতের মূষিক প্রসব নয়, বরং সাগরের নিচে আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ। যে গভীরতা সম্পর্কে জানে না, তার সেই অতল গহ্বরে নামা সাজে না। কল্পনা করুন মাটির ৫০০ ফুট নিচে এক বিশ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z226-3_1.jpg" alt="ইরানের মাটির নিচে লুকানো এক দানবীয় সাম্রাজ্য যা কাঁপিয়ে দিচ্ছে পেন্টাগনকে! অত্যাধুনিক মিসাইল সিটির ভেতরটা কেমন এবং আমেরিকা কি সত্যিই পঙ্গু?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>পর্বতের মূষিক প্রসব নয়, বরং সাগরের নিচে আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ। যে গভীরতা সম্পর্কে জানে না, তার সেই অতল গহ্বরে নামা সাজে না। কল্পনা করুন মাটির ৫০০ ফুট নিচে এক বিশাল শহর, যেখানে কোনো মানুষ নয় বরং বাস করে হাজার হাজার দানবীয় মিসাইল! যেখানে মাইলের পর মাইল বিস্তৃত টানেলের ভেতর দিয়ে সারিবদ্ধভাবে সাজানো রয়েছে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি কোনো সায়েন্স ফিকশন মুভি নয়, বরং ইরানের সেই রহস্যময় &amp;#39;মিসাইল সিটি&amp;#39; যা পেন্টাগনের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। কেন এই শহরগুলোতে আমেরিকা হামলা করার সাহস পায় না? আজ আমরা প্রবেশ করবো ইরানের সেই গোপন মাটির তলার সাম্রাজ্যে। ইরানের সামরিক কৌশলের সবচেয়ে রহস্যময় এবং শক্তিশালী দিক হলো তাদের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর বা &amp;#39;মিসাইল সিটি&amp;#39;। এটি মূলত পাহাড়ের নিচে বা মরুভূমির গভীর স্তরে তৈরি এক বিশাল টানেল নেটওয়ার্ক। ইরান সরকার যখন প্রথম এই শহরের ভিডিও প্রকাশ করে, তখন পশ্চিমা বিশ্ব হতবাক হয়ে গিয়েছিল। কারণ তারা কল্পনাও করতে পারেনি যে কোনো দেশ মাটির নিচে এত বড় সামরিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারে। এই শহরগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে পৃথিবীর শক্তিশালী কোনো বাঙ্কার বাস্টার বোমা বা পরমাণু বোমাও এর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। প্রতিটি টানেল কয়েক স্তর বিশিষ্ট কংক্রিট এবং স্টিলের আবরণে সুরক্ষিত। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের এই মিসাইল সিটিগুলো সারা দেশে ছড়িয়ে আছে এবং প্রতিটি প্রদেশেই অন্তত একটি করে এমন গোপন ঘাঁটি রয়েছে যা যে কোনো যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম। ইরানি জেনারেলদের মতে, এই ভূগর্ভস্থ শহরগুলো থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে শত শত ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করা সম্ভব। পাহাড়ের গায়ে তৈরি বিশেষ সব ছিদ্র বা সাইলো দিয়ে মিসাইলগুলো বের হয়ে আসে এবং লক্ষ্যবস্তুর দিকে ধেয়ে যায়। শত্রুপক্ষ রাডারে কিছু দেখার আগেই তাদের ওপর বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এটি মূলত এক প্রকার অদৃশ্য আক্রমণ যা রুখে দেওয়া অসম্ভব। মিসাইল সিটির ভেতরে রয়েছে আধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থা। বিশাল বিশাল মিসাইলগুলো স্বয়ংক্রিয় যানের মাধ্যমে এক টানেল থেকে অন্য টানেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এই শহরগুলো কেবল মিসাইল রাখার জায়গা নয়, বরং এখানে রয়েছে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় মিসাইল তৈরির কারখানা। অর্থাৎ যুদ্ধের সময় বাইরের সব কারখানা ধ্বংস হয়ে গেলেও মাটির নিচেই নিরবচ্ছিন্নভাবে মারণাস্ত্র তৈরি করতে পারবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। আমেরিকার সিআইএ এবং ইসরায়েলের মোসাদ বছরের পর বছর চেষ্টা করেও এই গোপন শহরগুলোর সঠিক অবস্থান বের করতে পারেনি। প্রতিটি টানেলের প্রবেশপথ এমনভাবে ছদ্মবেশে তৈরি করা হয়েছে যে ওপর থেকে ড্রোন দিয়েও তা শনাক্ত করা যায় না। এই অনিশ্চয়তাই ট্রাম্প প্রশাসনকে এক গভীর আতঙ্কে রেখেছে। তারা জানে যে কোনো আক্রমণ শুরু করলে ইরানের এই অদৃশ্য দুর্গ থেকে পাল্টা জবাব আসবেই। ইরানের এই ভূগর্ভস্থ সাম্রাজ্যে কর্মরত সৈন্যরা সম্পূর্ণ আলাদা এক পরিবেশে প্রশিক্ষণ পায়। তারা মাসের পর মাস সূর্যের আলো ছাড়াই মাটির নিচে থাকতে অভ্যস্ত। এই শহরগুলোতে রয়েছে নিজস্ব বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হাসপাতাল এবং পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ব্যবস্থা। অর্থাৎ ইরান যদি কোনো বিশাল অবরোধের মুখেও পড়ে, তাদের এই সামরিক শক্তি অন্তত এক বছর সচল থাকবে কোনো বাইরের সাহায্য ছাড়াই। মিসাইল সিটির ভিডিওতে দেখা গেছে, দেওয়ালে সারিবদ্ধভাবে সাজানো রয়েছে &amp;#39;ইমাদ&amp;#39;, &amp;#39;শাহাব&amp;#39; এবং &amp;#39;কিয়াম&amp;#39; এর মতো শক্তিশালী সব ব্যালিস্টিক মিসাইল। এর মধ্যে অনেকগুলো পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম। যদিও ইরান বলে আসছে তারা শান্তি চায়, কিন্তু তাদের এই প্রস্তুতি বলছে তারা যে কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর। এই অদম্য মনোভাবই মূলত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের জন্য বড় এক চ্যালেঞ্জ। ইসরায়েলের জন্য এই মিসাইল সিটিগুলো এক মূর্তিমান আতঙ্ক। তেল আবিব জানে যে ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরু হলে তাদের আয়রন ডোম এই ভূগর্ভস্থ সাইলো থেকে আসা মিসাইলের চাপ সহ্য করতে পারবে না। একসাথে হাজার হাজার মিসাইল যখন মাটির নিচ থেকে আকাশের দিকে উঠে আসবে, তখন ইসরায়েলের পুরো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধসে পড়বে। এটি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র যা পুরো বিশ্বকে ভাবিয়ে তুলছে। ট্রাম্পের সময়কালীন নীতিগুলো ইরানকে আরও বেশি আত্মনির্ভরশীল করে তুলেছে। নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান এখন নিজেই নিজের সব পার্টস তৈরি করছে। মিসাইল সিটির প্রতিটি মিসাইলই &amp;#39;মেড ইন ইরান&amp;#39;। এতে করে পশ্চিমাদের সাপ্লাই চেইন বন্ধ করার কৌশল আর কাজ করছে না। ইরানের এই প্রযুক্তিগত সাফল্য আজ সারা বিশ্বের নির্যাতিত দেশগুলোর জন্য এক নতুন প্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের এই ভূগর্ভস্থ দুর্গগুলো মূলত তাদের &amp;#39;সেকেন্ড স্ট্রাইক&amp;#39; সক্ষমতার অংশ। অর্থাৎ যদি আমেরিকা ইরানের ওপর বড় কোনো বিমান হামলা চালায় এবং ওপরের সব স্থাপনা ধ্বংসও করে দেয়, তবুও মাটির নিচের এই শহরগুলো থেকে ইরান পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে আমেরিকাকে ধ্বংস করে দিতে পারবে। এই কারণেই ইরানকে বলা হয় &amp;#39;অপ্রতিরোধ্য সামরিক পরাশক্তি&amp;#39; যা মধ্যপ্রাচ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের কর্মকর্তারা গর্ব করে বলেন যে, তাদের হাতে এত পরিমাণ মিসাইল আছে যে রাখার জায়গা হচ্ছে না। আর এই কারণেই তারা নিয়মিত নতুন নতুন মিসাইল সিটি তৈরি করে যাচ্ছে। প্রতিটি নতুন ঘাঁটি আগের চেয়ে আরও আধুনিক এবং দুর্ভেদ্য। এই প্রতিযোগিতায় আমেরিকা ও ইসরায়েল প্রতিনিয়ত পিছিয়ে পড়ছে, কারণ তারা মাটির নিচের এই যুদ্ধের জন্য একদমই প্রস্তুত নয়। ইরানের ইলেকট্রনিক জ্যামিং ব্যবস্থাও এই টানেলগুলোর ভেতর সক্রিয়। এর মানে হলো শত্রু যদি কোনোভাবে কোনো মিসাইল সাইলো খুঁজেও পায়, তবে তাদের জিপিএস বা সিগন্যাল সেখানে কাজ করবে না। ফলে নিখুঁতভাবে আঘাত হানা সম্ভব হবে না। এই প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ইরানকে দিয়েছে এক অন্যরকম উচ্চতা। ট্রাম্পের আস্ফালন কেবল টিভিতেই সীমাবদ্ধ, যুদ্ধের ময়দানে ইরানই এখন আসল রাজা। আপনারা শুনলে অবাক হবেন যে, এই টানেলগুলোর দৈর্ঘ্য কয়েকশ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। যা এক শহর থেকে অন্য শহরের সাথে মাটির নিচ দিয়েই যুক্ত। ইরান চাইলে এক শহর থেকে মিসাইল পাঠিয়ে অন্য শহরের সাইলো দিয়ে তা উৎক্ষেপণ করতে পারে। এই গতিশীলতা শত্রুকে বিভ্রান্ত করার জন্য যথেষ্ট। এমন সামরিক বুদ্ধিমত্তা বর্তমানে বিশ্বের খুব কম দেশের কাছেই সংরক্ষিত রয়েছে। ২০২৪ সালে এসে ইরান এখন তাদের ড্রোন বাহিনীকেও এই ভূগর্ভস্থ শহরগুলোতে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এখন মাটির নিচ থেকেই ড্রোন উড়ে গিয়ে শত্রুর ঘাঁটিতে হামলা চালাতে পারে। অর্থাৎ ওপর থেকে দেখার কোনো উপায় নেই যে আক্রমণটি আসলে কোথা থেকে শুরু হয়েছে। ইরানের এই বহুমুখী আক্রমণ ক্ষমতা আমেরিকাকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের জনগণকে এই মিসাইল সিটিগুলো এক বিশাল আত্মবিশ্বাস যোগায়। তারা জানে যে তাদের দেশ সুরক্ষিত। পশ্চিমাদের অপপ্রচার এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মাঝেও ইরানের এই বীরত্ব তাদের সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রেখেছে। আমেরিকা যতবারই ইরানকে ধ্বংস করার হুমকি দেয়, ইরান ততবারই তাদের নতুন কোনো মিসাইল সিটির ভিডিও প্রকাশ করে ট্রাম্পের মুখের ওপর উপযুক্ত জবাব দিয়ে দেয়। যুদ্ধ কখনোই ভালো নয়, কিন্তু যখন পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যায় তখন ইরান যে মূর্তিমূর্তি ধারণ করবে তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়। ইরানের এই প্রস্তুতি কোনো দেশকে আক্রমণ করার জন্য নয়, বরং নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য। কিন্তু ট্রাম্প ও তার মিত্ররা যদি ভুল করে তবে এই মাটির তলার দানবগুলো জেগে উঠবে এবং তখন রক্ষা পাওয়ার কোনো পথ থাকবে না যা ধ্রুব সত্য। শেষ পর্যন্ত বলা যায়, ইরানের মিসাইল সিটি কেবল কংক্রিটের কাঠামো নয়, এটি তাদের স্বাধীনতার প্রতীক। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সামনে মাথা নত না করার এক জলজ্যন্ত উদাহরণ। আমেরিকা ও ইসরায়েলকে এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা কি শান্তির পথে আসবে নাকি ইরানের এই ভূগর্ভস্থ আগ্নেয়গিরির মুখে নিজেদের অস্তিত্ব বিসর্জন দেবে। ইতিহাস কিন্তু ইরানের সাহসের পক্ষেই কথা বলছে। দর্শক, ইরানের এই অজেয় ভূগর্ভস্থ মিসাইল সিটি নিয়ে আপনার ভাবনা কী? আমেরিকা কি সত্যিই পারবে এই দুর্ভেদ্য দুর্গ ভেদ করতে? আপনার মন্তব্য নিচে লিখুন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z226-3_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z226-3_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z226-3_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার অজেয় শক্তির সামনে কেন কাঁপছে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স? দেখুন হোয়াইট হাউসের গোপন ভয়ের আসল রহস্য!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23873</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23873</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 24 Feb 2026 19:02:23 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চোরের দশ দিন তো সাধুর একদিন&amp;mdash;পশ্চিমা বিশ্ব এতদিন নিজেদের অপরাজেয় ভেবে আসলেও, রাশিয়ার সাহসিকতা আজ তাদের সেই দম্ভ মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতির মঞ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-2-26_22.jpg" alt="রাশিয়ার অজেয় শক্তির সামনে কেন কাঁপছে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স? দেখুন হোয়াইট হাউসের গোপন ভয়ের আসল রহস্য!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চোরের দশ দিন তো সাধুর একদিন&amp;mdash;পশ্চিমা বিশ্ব এতদিন নিজেদের অপরাজেয় ভেবে আসলেও, রাশিয়ার সাহসিকতা আজ তাদের সেই দম্ভ মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে এক বিশাল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতদিন ধরে যে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স এবং নেভি সিলকে সিনেমার হিরো বানিয়ে বিশ্ববাসীর চোখে ধুলো দেওয়া হয়েছিল, রাশিয়ার কৌশলী পদক্ষেপে আজ তাদের আসল চেহারা বেরিয়ে পড়েছে। আজ আমরা বিশ্লেষণ করব কেন রাশিয়ার সুশৃঙ্খল সামরিক শক্তির সামনে মার্কিন এই তথাকথিত &amp;#39;এলিট&amp;#39; বাহিনীগুলো বারবার খেই হারিয়ে ফেলছে। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন, কারণ আজ অনেক ধামাচাপা দেওয়া সত্য উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। রাশিয়া&amp;mdash;যাদের ইতিহাস কেবল বিজয়ের। রাশিয়ার স্পেশাল ফোর্স বা &amp;#39;স্পেতসনাজ&amp;#39; (Spetsnaz) কোনো প্রচারের নেশায় থাকে না, তারা কাজ করে নিখুঁতভাবে। ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া আজ সামরিক প্রযুক্তিতে আমেরিকার চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে গেছে। রাশিয়ার হাইপারসোনিক মিসাইল &amp;#39;জিরকন&amp;#39; বা &amp;#39;কিনঝাল&amp;#39; এমন এক প্রযুক্তি যা ঠেকানোর ক্ষমতা মার্কিন নেভির কোনো জাহাজের নেই। রাশিয়া যখন তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করে, তখন তারা কোনো অজুহাত দেয় না। তারা সরাসরি অ্যাকশনে বিশ্বাসী। সিরিয়া থেকে শুরু করে আজকের ইউক্রেন যুদ্ধ&amp;mdash;রাশিয়া প্রমাণ করে দিয়েছে যে তারা কেবল লড়াই করে না, তারা জানে কীভাবে শত্রুকে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করতে হয়। অন্যদিকে, মার্কিন ডেল্টা ফোর্স এবং নেভি সিলের দিকে তাকালে দেখা যায় এক ভিন্ন চিত্র। তাদের অধিকাংশ সাফল্যই আসলে হলিউড সিনেমার প্রচারণার ফল। বাস্তব রণক্ষেত্রে তাদের ইতিহাস লজ্জাজনক ব্যর্থতায় ভরা। মনে আছে কি ১৯৮০ সালের &amp;#39;অপারেশন ঈগল ক্ল&amp;#39; (Operation Eagle Claw)? যেখানে ইরানের মরুভূমিতে ডেল্টা ফোর্সের বিমানগুলো একে অপরের সাথে ধাক্কা খেয়ে বিধ্বস্ত হয়েছিল? কোনো যুদ্ধ ছাড়াই তারা পালিয়ে এসেছিল। আজকের দিনেও সেই একই সমন্বয়হীনতা তাদের মাঝে স্পষ্ট। মার্কিন নেভি সিল সম্পর্কে বলতে গেলে বলতে হয়, তারা যুদ্ধের চেয়ে বই লেখা এবং ইন্টারভিউ দিতে বেশি ব্যস্ত। তাদের মধ্যে টিম স্পিরিটের চেয়ে ব্যক্তিগত প্রচারের আকাঙ্ক্ষা বেশি, যা তাদের অপারেশনাল সার্থকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে যখন তারা রাশিয়ার সুপ্রশিক্ষিত বাহিনীর মুখোমুখি হয়, তখন তাদের আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রও আর কোনো কাজে আসে না। রাশিয়ার তোপের মুখে পড়ে এই মার্কিন মদদপুষ্ট বাহিনীগুলো আজ দিশেহারা। রাশিয়া সবসময়ই একটি বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থার কথা বলে আসছে, যেখানে কোনো একটি দেশ সারা বিশ্বের মোড়ল হতে পারবে না। আমেরিকা এবং তাদের ডেল্টা ফোর্সকে ব্যবহার করে তারা অন্য স্বাধীন দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বজায় রাখতে চায়। কিন্তু রাশিয়া সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার সৈন্যরা তাদের মাতৃভূমির জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত, অন্যদিকে মার্কিন সৈন্যরা লড়াই করে কেবল বড় অংকের অর্থ আর প্রচারের জন্য। এই নৈতিক পার্থক্যই যুদ্ধের ময়দানে ফলাফল বদলে দেয়। অনেকেই মনে করেন মার্কিন নেভি বিশ্বের সেরা। কিন্তু রাশিয়ার &amp;#39;সারমাট&amp;#39; মিসাইল বা তাদের নিঃশব্দে চলা সাবমেরিনগুলোর কথা কি জানেন? রাশিয়ার সাবমেরিনগুলো মার্কিন রাডার ফাঁকি দিয়ে আমেরিকার উপকূলের কাছে চলে গেলেও পেন্টাগন তা টের পায় না। মার্কিন নেভির বড় বড় যুদ্ধজাহাজ রাশিয়ার সস্তা কিন্তু কার্যকরী অ্যান্টি-শিপ মিসাইলের সামনে সহজ লক্ষ্যবস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়। কোটি কোটি ডলার খরচ করে বানানো তাদের সরঞ্জাম রাশিয়ার সাধারণ কিন্তু বুদ্ধিদীপ্ত প্রযুক্তির কাছে হার মানছে। শেষে বলা যায়, প্রচার দিয়ে যুদ্ধ জেতা যায় না, যুদ্ধ জিততে লাগে সাহস আর সঠিক রণকৌশল। রাশিয়া আজ বিশ্বকে দেখিয়ে দিচ্ছে যে প্রকৃত শক্তি কী। মার্কিন ডেল্টা ফোর্স বা নেভি সিল তাদের ইতিহাসের গ্লানি কোনোভাবেই মুছতে পারবে না যতক্ষণ না তারা রাশিয়ার মতো নিঃস্বার্থ দেশপ্রেম শিখতে পারছে। রাশিয়ার এই জয়যাত্রা কেবল শুরু, আর মার্কিন আধিপত্যের দিন ফুরিয়ে আসছে। দর্শক, আপনাদের কী মনে হয়? রাশিয়ার সমরশক্তি কি সত্যিই মার্কিন দম্ভ ভেঙে চুরমার করে দেবে? কমেন্ট করে জানান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-2-26_22.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-2-26_22.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-2-26_22.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকার ঘুম কেড়ে নেওয়া ইরানের সেই ভয়ঙ্কর হাইপারসনিক মিসাইল এবং গোপন ভূগর্ভস্থ শহর! ইসরায়েল কি সত্যিই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এবং ট্রাম্প কি ভীত?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23872</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23872</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 24 Feb 2026 19:02:03 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো, আর ছোট ছোট বালুকণা বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল।&amp;quot; আপনারা কি জানেন, পেন্টাগনের জেনারেলরা কেন ইরানে সরাসরি হামলা করতে ভ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-2-26_21.jpg" alt="আমেরিকার ঘুম কেড়ে নেওয়া ইরানের সেই ভয়ঙ্কর হাইপারসনিক মিসাইল এবং গোপন ভূগর্ভস্থ শহর! ইসরায়েল কি সত্যিই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এবং ট্রাম্প কি ভীত?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো, আর ছোট ছোট বালুকণা বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল।&amp;quot; আপনারা কি জানেন, পেন্টাগনের জেনারেলরা কেন ইরানে সরাসরি হামলা করতে ভয় পান? কারণ মাটির শত শত ফুট নিচে ইরান তৈরি করে রেখেছে এমন এক &amp;#39;মিসাইল সিটি&amp;#39; বা ক্ষেপণাস্ত্রের শহর, যা কোনো বাঙ্কার বাস্টার বোমা দিয়েও ধ্বংস করা সম্ভব নয়। আজ আমরা উন্মোচন করবো ইরানের সেই গোপন সামরিক শক্তি, যা দেখে খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্পের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। ইসরায়েলের তথাকথিত অপরাজেয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কি ইরানের বৃষ্টির মতো ধেয়ে আসা মিসাইল ঠেকাতে পারবে? চলুন জেনে নিই আসল সত্য। ইরান আজ আর সেই আগের দেশ নেই যাকে কেবল নিষেধাজ্ঞার ভয় দেখিয়ে থামিয়ে রাখা যাবে। গত কয়েক দশকে দেশটি তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে এমন সব মারণাস্ত্র তৈরি করেছে যা বর্তমান বিশ্বের যেকোনো পরাশক্তির জন্য আতঙ্কের কারণ। বিশেষ করে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এখন মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী ভাণ্ডার হিসেবে স্বীকৃত। পশ্চিমারা যতবারই বাধা দিতে চেয়েছে, ইরান ততবারই আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে। ইরানের সামরিক শক্তির মূল স্তম্ভ হলো তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। তেহরানের হাতে এখন এমন সব মিসাইল আছে যা ২,০০০ কিলোমিটারের বেশি দূরে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। এর মানে হলো, ইরান তার ভূমি থেকে বসেই পুরো মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের প্রতিটি ইঞ্চি মাটির ওপর হামলা চালাতে পারে। এই সক্ষমতাই মূলত ওয়াশিংটনকে সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে বাধা দিচ্ছে বারবার। সবচেয়ে বড় চমক হলো ইরানের &amp;#39;ফাত্তাহ&amp;#39; নামের হাইপারসনিক মিসাইল। শব্দের চেয়ে ১৫ গুণ বেশি দ্রুত গতিতে ছুটতে পারে এই দানবীয় অস্ত্র। বর্তমান বিশ্বের কোনো রাডার বা ডিফেন্স সিস্টেম এই মিসাইলকে মাঝ আকাশে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে না। যখন একটি ক্ষেপণাস্ত্র চোখের পলকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে, তখন প্রতিপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকে না। ইরানের সামরিক কৌশল কেবল আকাশেই সীমাবদ্ধ নয়, মাটির নিচেও তারা গড়ে তুলেছে এক দুর্ভেদ্য দুর্গ। স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা গেছে, দেশটির পাহাড়ি অঞ্চলের গভীরে বিশাল বিশাল টানেল এবং ক্ষেপণাস্ত্র গুদাম রয়েছে। এগুলোকে বলা হয় &amp;#39;মিসাইল সিটি&amp;#39;। এখান থেকে মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার রকেট ও মিসাইল উৎক্ষেপণ করা সম্ভব। মার্কিন গোয়েন্দারাও এই ভূগর্ভস্থ শহরগুলোর সঠিক হদিস বের করতে ব্যর্থ। কেবল মিসাইল নয়, ড্রোনের জগতেও ইরান এখন এক অপ্রতিরোধ্য নাম। তাদের তৈরি &amp;#39;শাহেদ&amp;#39; ড্রোনগুলো ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ফ্রন্টে নিজেদের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে। অত্যন্ত কম খরচে তৈরি এই ড্রোনগুলো ঝাঁকে ঝাঁকে যখন আক্রমণ করে, তখন বিশ্বের দামী দামী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলোও বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এটি ইরানের এক অনন্য এবং সাশ্রয়ী সামরিক বুদ্ধিমত্তা। ইসরায়েল সব সময় তাদের &amp;#39;আয়রন ডোম&amp;#39; এবং &amp;#39;অ্যারো&amp;#39; সিস্টেম নিয়ে বড়াই করে। কিন্তু ইরান যখন একসাথে শত শত ড্রোন এবং মিসাইল নিক্ষেপ করে, তখন এই সিস্টেমগুলো সম্পৃক্ত হয়ে যায়। অর্থাৎ তারা সব আক্রমণ একসাথে ঠেকাতে পারে না। সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে দেখা গেছে যে, ইরানের বেশ কিছু মিসাইল সরাসরি ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে যা বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেও ইরান এখন স্বাবলম্বী। তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি &amp;#39;বাভার-৩৭৩&amp;#39; সিস্টেমকে রাশিয়ার এস-৪০০-এর চেয়েও উন্নত বলে দাবি করা হয়। এটি ৩০০ কিলোমিটার দূর থেকেই শত্রুর স্টিলথ যুদ্ধবিমান এবং ক্রুজ মিসাইল শনাক্ত করে ধ্বংস করতে পারে। ফলে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের আকাশসীমায় ঢোকার আগে দশবার ভাববে, কারণ তারা জানে ফিরে আসাটা নিশ্চিত নয়। ইরানের নৌবাহিনীও পারস্য উপসাগরে এক মূর্তমান আতঙ্ক। বড় বড় যুদ্ধজাহাজের পরিবর্তে তারা ব্যবহার করে শত শত দ্রুতগামী ছোট বোট বা &amp;#39;স্পিডবোট&amp;#39;। এই বোটগুলো থেকে টর্পেডো এবং অ্যান্টি-শিপ মিসাইল ছোড়া হয়। সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন বিশালকার এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারগুলো এই ছোট বোটগুলোর কাছে অত্যন্ত অসহায়। ইরান চাইলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ব তেলের বাজার বন্ধ করে দিতে পারে। অনেকেই প্রশ্ন করেন, এত নিষেধাজ্ঞার মাঝে ইরান এই প্রযুক্তি পেল কোথায়? উত্তর হলো&amp;mdash;দেশপ্রেম এবং আত্মনির্ভরশীলতা। ইরানের বিজ্ঞানীরা পশ্চিমা সাহায্যের অপেক্ষা না করে নিজেদের মেধা দিয়ে প্রতিটি পার্টস তৈরি করেছেন। তাদের এই অগ্রগতি প্রমাণ করে যে, কোনো জাতিকে দাবিয়ে রাখা সম্ভব নয় যদি তাদের লক্ষ্য স্থির থাকে। আজ ইরান কেবল একটি দেশ নয়, একটি সামরিক আদর্শের নাম। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের বিরুদ্ধে রণহুঙ্কার দেন, তখন তাকে মনে রাখতে হবে যে তিনি কোনো দুর্বল রাষ্ট্রের সাথে কথা বলছেন না। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড বা আইআরজিসি (IRGC) সরাসরি খামেনির প্রতি অনুগত এবং তারা জীবন দিতে প্রস্তুত। এই আত্মত্যাগী মনোভাব এবং উন্নত প্রযুক্তির সংমিশ্রণ ইরানকে একটি ভয়ঙ্কর প্রতিপক্ষ করে তুলেছে যা আমেরিকা ও ইসরায়েলের জন্য দুঃস্বপ্ন। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়েও পশ্চিমাদের মনে কাঁপন ধরেছে। যদিও ইরান বারবার বলেছে তারা পারমাণবিক বোমা চায় না, কিন্তু তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা বলছে অন্য কথা। যদি কোনোভাবে ইরান পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করে ফেলে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের পুরো সমীকরণ চিরতরে বদলে যাবে। তখন ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা হবে এক অসম্ভব চ্যালেঞ্জ যা ট্রাম্পকে বিচলিত করে তুলছে। ট্রাম্পের উপদেষ্টারা তাকে বারবার সতর্ক করছেন যে, ইরানে হামলা করা মানে হলো &amp;#39;মৌমাছির চাকে ঢিল মারা&amp;#39;। কারণ ইরান একা যুদ্ধ করবে না; লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি এবং ইরাকের মিলিশিয়ারা একসাথে ইসরায়েল ও মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানবে। এই চারমুখী আক্রমণ সামলানোর ক্ষমতা আমেরিকার নেই। ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমেরিকার বিদায় ঘণ্টা বেজে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সামরিক শক্তির পাশাপাশি ইরানের রয়েছে বিশাল এক মানবসম্পদ। দেশটির সেনাবাহিনী এবং রিজার্ভ ফোর্সের সংখ্যা কয়েক মিলিয়ন। মার্কিন সৈন্যরা যেখানে প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল, ইরানি সৈন্যরা সেখানে আদর্শিক লড়াইয়ে বিশ্বাসী। একটি অসম যুদ্ধে যখন প্রযুক্তি ব্যর্থ হয়, তখন এই মানবশক্তিই জয়-পরাজয় নির্ধারণ করে দেয়। ভিয়েতনাম বা আফগানিস্তানের চেয়েও ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হবে আমেরিকার জন্য। ইরানের ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার বা সাইবার সক্ষমতাও কোনো অংশে কম নয়। তারা এর আগে মার্কিন অত্যাধুনিক আরকিউ-১৭০ সেন্টিনেল ড্রোনকে কোনো গুলি না চালিয়েই হ্যাক করে অক্ষত অবস্থায় মাটিতে নামিয়ে এনেছিল। এই ঘটনা পুরো বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছিল যে ইরান সাইবার জগতেও কতটা শক্তিশালী। মার্কিন ড্রোনগুলো এখন ইরানের আকাশে উড়তে ভয় পায় পাছে তারা আবার হ্যাক হয়। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো সব সময় ইরানকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরে। কিন্তু সত্য হলো, ইরান একটি প্রাচীন সভ্যতা এবং তাদের সামরিক কৌশল অত্যন্ত গভীর। তারা জানে কখন ধৈর্য ধরতে হয় এবং কখন আঘাত করতে হয়। তাদের এই &amp;#39;স্ট্র্যাটেজিক পেশেন্স&amp;#39; বা কৌশলগত ধৈর্য আমেরিকাকে ক্লান্ত করে দিচ্ছে। ট্রাম্পের মতো অস্থির প্রকৃতির নেতার জন্য ইরান এক গোলকধাঁধা যার সমাধান তার কাছে নেই। ইরানের অর্থনীতি নিয়ে অনেক নেতিবাচক কথা বলা হলেও তাদের সামরিক বাজেট কিন্তু কমছে না। বরং তারা প্রতিটি পয়সার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করছে। আজ ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে, যা তাদের আঞ্চলিক প্রভাব বাড়াচ্ছে। সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোও এখন ইরানের সাথে সুসম্পর্ক গড়তে আগ্রহী হচ্ছে কেবল তাদের শক্তির কথা বিবেচনা করে। ভবিষ্যতের যুদ্ধ হবে ড্রোন এবং মিসাইলের। আর এই দুই ক্ষেত্রেই ইরান এখন বিশ্বসেরাদের কাতারে। ট্রাম্প যদি মনে করেন কেবল নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বা হুমকি দিয়ে ইরানকে নতজানু করবেন, তবে তিনি ভুল করছেন। ইরান এখন এক আত্মবিশ্বাসী শক্তি যারা যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত। মার্কিন দম্ভের বিপরীতে ইরানের এই উত্থান বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে যা অদম্য। শেষে, ইরানের সামরিক শক্তি কেবল যুদ্ধের জন্য নয়, বরং এটি তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি ঢাল। যারা অন্যের ওপর আগ্রাসন চালাতে চায়, তাদের জন্য ইরান এক কঠিন শিক্ষা। ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার মিত্রদের উচিত হবে সংঘাতের পথ পরিহার করে আলোচনার টেবিলে আসা। অন্যথায়, ইরানের আগুনের লেলিহান শিখায় তাদের সাম্রাজ্য পুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারে। দর্শক, আপনি কি মনে করেন ইরানের এই অবিশ্বাস্য সামরিক শক্তির সামনে আমেরিকা কি পিছু হটতে বাধ্য হবে? নাকি মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ? আপনার মূল্যবান কমেন্ট আমাদের জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-2-26_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-2-26_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24o_24-2-26_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের সামনে ট্রাম্পের দোদুল্যমান সিংহাসন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধের দামামা কি আমেরিকার পতন আর তেহরানের ঐতিহাসিক উত্থান ডেকে আনছে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23871</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23871</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 24 Feb 2026 03:02:13 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অহংকার পতনের মূল&amp;mdash; ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, যে শক্তি অন্যকে দমাতে চায়, শেষ পর্যন্ত সেই শক্তিই নিজের ভারে নুয়ে পড়ে। আজকের আলোচনায় আমরা এমন এক উত্তপ্ত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z224_1.jpg" alt="ইরানের সামনে ট্রাম্পের দোদুল্যমান সিংহাসন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধের দামামা কি আমেরিকার পতন আর তেহরানের ঐতিহাসিক উত্থান ডেকে আনছে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অহংকার পতনের মূল&amp;mdash; ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, যে শক্তি অন্যকে দমাতে চায়, শেষ পর্যন্ত সেই শক্তিই নিজের ভারে নুয়ে পড়ে। আজকের আলোচনায় আমরা এমন এক উত্তপ্ত বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধের কালো মেঘ জমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই প্রস্তুতি কি সত্যিই আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য, নাকি নিজের রাজনৈতিক চেয়ার বাঁচানোর শেষ চেষ্টা? খবর বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধ-এর আগের প্রস্তুতিকেও ছাড়িয়ে গেছে। যুদ্ধবিমান প্রস্তুত, ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত, নৌবহর প্রস্তুত। শুধু একটি নির্দেশের অপেক্ষা। অথচ এই তৎপরতার পেছনে আমেরিকান জনগণের স্বার্থ কতটা জড়িত, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান, যার নেতৃত্বে আছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু তেহরান বারবার প্রমাণ করেছে, হুমকিতে তারা মাথা নত করে না। বরং আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত থাকে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে। ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরেই নাকি মতভেদ স্পষ্ট। অনেক উপদেষ্টা মনে করছেন, যুদ্ধের দিকে এগোনো মানে নির্বাচনের আগে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। কারণ সামনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। সেখানে পরাজিত হলে রিপাবলিকানদের জন্য রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। মার্কিন অর্থনীতি এখন চাপে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয়, সাধারণ মানুষের ক্ষোভ&amp;mdash;এসবই রিপাবলিকান জনপ্রিয়তাকে নিচের দিকে টেনে নামাচ্ছে। আদালত সম্প্রতি ট্রাম্পের আরোপিত বৈশ্বিক শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করায় তার নেতৃত্ব আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারায়, তবে ট্রাম্প কার্যত মুকুটহীন রাজার মতো হয়ে পড়বেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তিনি নিজেই প্রকাশ্যে সেই আশঙ্কার কথা বলেছেন। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে&amp;mdash;ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন কি তাহলে একটি রাজনৈতিক কৌশল? যুদ্ধের আবহ তৈরি করে কি অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা? ইতিহাস বলছে, অনেক নেতাই অভ্যন্তরীণ সংকট আড়াল করতে বাইরের শত্রু তৈরি করেছেন। কিন্তু ইরান কোনো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। এটি ভেনেজুয়েলা নয়, এটি ইরাক নয়। সামরিক সক্ষমতা, আঞ্চলিক প্রভাব, কৌশলগত অবস্থান&amp;mdash;সব মিলিয়ে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের এক অপ্রতিরোধ্য শক্তি। যেকোনো সংঘাত গোটা অঞ্চলকে অগ্নিগর্ভ করে তুলতে পারে। ট্রাম্প &amp;lsquo;আমেরিকা ফার্স্ট&amp;rsquo; নীতির কথা বলেন। কিন্তু বাস্তবে কি সেই নীতি মানা হচ্ছে? আমেরিকান ভোটাররা চেয়েছিলেন মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, চেয়েছিলেন বিদেশি যুদ্ধে জড়ানো থেকে বিরত থাকা। অথচ এখন আবার যুদ্ধের সুর। হোয়াইট হাউসের ভেতরেও নাকি ঐক্য নেই। অনেক কর্মকর্তা আশঙ্কা করছেন, ইরান ইস্যুতে কঠোর অবস্থান দোদুল্যমান ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করবে। অর্থনৈতিক ইস্যু থেকে দৃষ্টি সরে গেলে নির্বাচনী ফল ভয়াবহ হতে পারে। মধ্যবর্তী নির্বাচন শুধু একটি ভোট নয়, এটি ট্রাম্পের প্রথম দুই বছরের শাসনের ওপর গণভোট। জনগণ যদি মনে করে তাদের জীবনমান উন্নত হয়নি, তবে সেই অসন্তোষ সরাসরি ব্যালট বাক্সে প্রতিফলিত হবে। ইরান ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তাদের সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে জবাব হবে কঠোর। অতীতে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর তেহরান যে বার্তা দিয়েছিল, তা ছিল স্পষ্ট&amp;mdash;আক্রমণ মানেই প্রতিশোধ। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। ইসরায়েলের নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে তৈরি কৌশলগত সমীকরণ এখন পুরো অঞ্চলের শান্তিকে হুমকির মুখে ফেলেছে। কিন্তু ইরান বলছে, তারা আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে। যদি কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় রিপাবলিকানরা, তবে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়বে। ডেমোক্র্যাটরা সংসদীয় তদন্ত শুরু করতে পারবে। প্রশাসনের সিদ্ধান্তগুলো একের পর এক পর্যালোচনার মুখে পড়বে। অভিশংসনের সম্ভাবনা তখন আর কল্পনা থাকবে না, বাস্তব হুমকি হয়ে উঠবে। ট্রাম্প নিজেও তার সমর্থকদের সতর্ক করেছেন&amp;mdash;নির্বাচনে জিততেই হবে, না হলে রাজনৈতিক প্রতিশোধ শুরু হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যুদ্ধ কি নির্বাচনী জয় নিশ্চিত করতে পারে? নাকি উল্টো জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে? জনমত জরিপ বলছে, আমেরিকান জনগণ আরেকটি বিদেশি যুদ্ধে জড়াতে আগ্রহী নয়। ইরানের অবস্থান এখানে দৃঢ়। তারা বলছে, ন্যায্য ও সম্মানজনক চুক্তি সম্ভব, কিন্তু চাপিয়ে দেওয়া শর্ত নয়। শক্তির ভাষা বুঝলেও, আত্মসম্মান বিসর্জন দেবে না তেহরান। বিশ্ব রাজনীতির এই মোড়ে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছে, অহংকার আর কৌশলের লড়াই চলছে। একদিকে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার হিসাব, অন্যদিকে সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত যা-ই হোক, ইতিহাস সাক্ষী থাকবে। যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার, কূটনৈতিক সম্পর্ক&amp;mdash;সবই কাঁপবে। আর যদি নির্বাচনেই বড় ধাক্কা আসে, তবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তায় পড়বে। ২০২৮ সালের রাজনীতিতেও তার প্রভাব কমে যেতে পারে। তাই আজকের প্রশ্ন একটাই&amp;mdash;ইরানকে ঘিরে এই উত্তেজনা কি সত্যিই নিরাপত্তার জন্য, নাকি ক্ষমতার জন্য? উত্তর সময় দেবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, ইরান মাথা নত করবে না। দর্শক, মনে রাখবেন&amp;mdash;&amp;ldquo;অহংকার পতনের মূল।&amp;rdquo; শক্তির দম্ভ যত বড়ই হোক, ইতিহাসে টিকে থাকে সেই জাতি, যারা নিজের মর্যাদা রক্ষায় অটল থাকে। আজকের বিশ্বরাজনীতিতে ইরান সেই অটল অবস্থানের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z224_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z224_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z224_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের ওপর মার্কিন হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি তবে ট্রাম্পের গদি কি উল্টে যাচ্ছে? নিজের সহকারীদের হুঁশিয়ারিতে কাঁপছেন হোয়াইট হাউসের রাজা এবং রিপাবলিকানরা!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23870</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23870</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 24 Feb 2026 03:02:35 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[পাপ ছাড়ে না বাপকে, আর অতি দর্পে হত লঙ্কা। আমেরিকা কি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে? ডোনাল্ড ট্রাম্প কি নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে বিশ্বকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z223_1.jpg" alt="ইরানের ওপর মার্কিন হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি তবে ট্রাম্পের গদি কি উল্টে যাচ্ছে? নিজের সহকারীদের হুঁশিয়ারিতে কাঁপছেন হোয়াইট হাউসের রাজা এবং রিপাবলিকানরা!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>পাপ ছাড়ে না বাপকে, আর অতি দর্পে হত লঙ্কা। আমেরিকা কি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে? ডোনাল্ড ট্রাম্প কি নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে বিশ্বকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন? ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের চেয়েও বড় সামরিক প্রস্তুতির খবর পাওয়া যাচ্ছে ইরানের বিরুদ্ধে। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ট্রাম্পের নিজের সহকারীরাই এখন তাকে বলছেন&amp;mdash;&amp;quot;ইরান নিয়ে ভাবা বন্ধ করুন, আগে নিজের চেয়ার বাঁচান!&amp;quot; আজ আমরা উন্মোচন করবো হোয়াইট হাউসের সেই গোপন নথিপত্র যা কাঁপিয়ে দিচ্ছে খোদ ওয়াশিংটনকে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও যুদ্ধের ঘনঘটা দেখা দিচ্ছে, যার মূলে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একগুঁয়েমি। ইরানকে পদানত করতে তিনি যে বিশাল সৈন্য সমাবেশ করছেন, তা আধুনিক ইতিহাসের সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তেহরানের আকাশসীমায় যেকোনো মুহূর্তে গর্জে উঠতে পারে মার্কিন যুদ্ধবিমান। কিন্তু এই আস্ফালন কি কেবলই বীরত্ব নাকি নিজের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকার এক শেষ চেষ্টা? ট্রাম্পের লক্ষ্য পরিষ্কার&amp;mdash;তিনি আয়াতুল্লা আলী খামেনির নেতৃত্বাধীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শাসনব্যবস্থা বা &amp;#39;রেজিম চেঞ্জ&amp;#39; করতে চান। ইরানের স্বাধীনচেতা মনোভাব দীর্ঘকাল ধরেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের চোখের বালি হয়ে আছে। তবে এবার ট্রাম্পের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন তার নিজের দলের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তারা মনে করছেন, খামেনির পতন ঘটানোর চেয়ে ট্রাম্পের নিজের ক্ষমতা রক্ষা করা এখন অনেক বেশি কঠিন এবং অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ট্রাম্পের একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত তাকে জনবিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। সম্প্রতি দেশটির আদালত ট্রাম্পের আরোপিত বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করায় তিনি আইনগতভাবেও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন, যা তার জন্য বড় এক ধাক্কা। কেবল আদালত নয়, সাধারণ মার্কিনিদের জীবনযাত্রার মানের ক্রমাবনতি রিপাবলিকানদের জনপ্রিয়তা তলানিতে নিয়ে ঠেকিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আকাশচুম্বী দাম এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ। মানুষ যখন ডাল-ভাতের চিন্তায় অস্থির, তখন ট্রাম্প ব্যস্ত কোটি কোটি ডলার খরচ করে ইরানের বিরুদ্ধে রণসজ্জা সাজাতে। এই বৈপরীত্য মার্কিনিদের মনে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে যা ব্যালটে প্রতিফলিত হবে। ট্রাম্প নিজেও জানেন যে আসন্ন নির্বাচনে যদি তার দল হেরে যায়, তবে তিনি হয়ে পড়বেন &amp;#39;মুকুটহীন রাজা&amp;#39;। বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা হাউস বা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেলেই তাকে অভিশংসন বা ইমপিচ করার প্রক্রিয়া শুরু করবে। ট্রাম্প প্রকাশ্যে জনসভায় একাধিকবার এই আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন। নিজের জেল হওয়ার ভয় আর ক্ষমতা হারানোর আতঙ্ক তাকে দিনরাত তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। রয়টার্সের এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন। অথচ তার ব্যক্তিগত উপদেষ্টারা বারবার তাকে সতর্ক করছেন। তারা বলছেন, সাধারণ ভোটারদের অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা দূর না করলে যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে কোনো লাভ হবে না। সামরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার এই খেলা এবার বুমেরাং হতে পারে ট্রাম্পের জন্য। ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে যে পরিমাণ অস্ত্র ও সৈন্য পাঠাচ্ছেন, তা ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর সর্বোচ্চ। অথচ কেন এই যুদ্ধ প্রয়োজন, তার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা তিনি জনগণের কাছে দিতে পারেননি। ইরানের বিরুদ্ধে এই অতি-নিবিষ্টতা আসলে তার অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা থেকে বিশ্ববাসীর নজর ঘোরানোর একটি কৌশল মাত্র। কিন্তু সচেতন মার্কিন নাগরিকরা এখন আর আগের মতো অন্ধভাবে যুদ্ধ সমর্থন করছে না। জনমত জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ মার্কিনির কাছে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রধান অগ্রাধিকার। কিন্তু ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি যেন সবকিছুকে ছাপিয়ে কেবল যুদ্ধের পেছনে ছুটছে। হোয়াইট হাউসের ভেতর থেকেই খবর আসছে যে, ইরানের ওপর সরাসরি হামলার বিষয়ে প্রশাসনের ভেতর কোনো একীভূত সমর্থন নেই। অনেকেই মনে করছেন, এই যুদ্ধ আমেরিকার জন্য এক বিশাল আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের উপদেষ্টারা দোদুল্যমান ভোটারদের নিয়ে ভীষণ চিন্তিত। কারণ মধ্যবিত্ত মার্কিনিরা অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত। এমন অবস্থায় ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরু করলে তেলের দাম আকাশচুম্বী হবে, যা মার্কিন অর্থনীতিকে তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে দেবে। তাই উপদেষ্টারা ট্রাম্পকে বারবার যুদ্ধের পথ থেকে ফিরে আসার অনুরোধ করছেন। সম্প্রতি এক ক্যাবিনেট ব্রিফিংয়েও একই সুর শোনা গেছে। সেখানে উপস্থিত না থাকলেও ট্রাম্পকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, নির্বাচনের প্রধান প্রচার বিষয় হওয়া উচিত অর্থনীতি। কিন্তু ট্রাম্প যেন কোনো কথাই শুনতে চাচ্ছেন না। তিনি মনে করছেন, বিদেশের মাটিতে জয় ছিনিয়ে আনলে হয়তো দেশের মানুষ তার ব্যর্থতা ভুলে যাবে। অথচ ইতিহাস বলে, অন্যায্য যুদ্ধ কখনোই কোনো শাসককে বাঁচাতে পারেনি। এদিকে হোয়াইট হাউসের কিছু অন্ধ সমর্থক &amp;#39;আমেরিকা ফার্স্ট&amp;#39; নীতির দোহাই দিয়ে ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী আচরণকে সমর্থন দিচ্ছে। তাদের মতে, বিশ্বকে নিরাপদ করতে হলে ইরানকে দমন করা জরুরি। কিন্তু এই তথাকথিত নিরাপত্তার নামে আমেরিকা আসলে সারা বিশ্বে অশান্তির বীজ বপন করছে। ইরানের মতো একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের সাথে সংঘাতে জড়ানো মানে হলো ইসরায়েলসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে আগুনের কুণ্ডলীতে ফেলে দেওয়া। রিপাবলিকান কৌশলী রব গডফ্রে স্পষ্টভাবে বলেছেন, ইরানের সাথে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ট্রাম্পের জন্য বড় রাজনৈতিক বিপদ। ট্রাম্পের মূল সমর্থক গোষ্ঠী তাকে পছন্দ করেছিল কারণ তিনি &amp;#39;চিরস্থায়ী যুদ্ধ&amp;#39; বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন যদি তিনি নিজেই সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে নতুন যুদ্ধ শুরু করেন, তবে তার বিশ্বস্ত সমর্থকরাই তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে যা হবে চরম বিপর্যয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। ভেনেজুয়েলার মতো দেশের ওপর মার্কিন খবরদারি চললেও ইরানের সামরিক শক্তি সম্পূর্ণ ভিন্ন পর্যায়ের। ইরানের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং রেভল্যুশনারি গার্ডের মোকাবিলা করা মার্কিন বাহিনীর জন্য নরক যন্ত্রণার মতো হবে। ইরানকে ছোট করে দেখার ভুলটিই হয়তো হবে আমেরিকার ইতিহাসের শেষ এবং সবচেয়ে বড় ভুল। ট্রাম্প বারবার বলছেন যে তেহরানের সাথে একটি &amp;#39;ন্যায্য চুক্তি&amp;#39; হওয়া দরকার। কিন্তু তার এই ন্যায্যতার সংজ্ঞা হলো ইরানের সার্বভৌমত্ব কেড়ে নেওয়া। গত জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার চেষ্টার পর তেহরান যে কড়া জবাব দিয়েছে, তাতেই বোঝা যায় তারা পিছু হটবে না। ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আক্রান্ত হলে তারা এমন প্রতিশোধ নেবে যা আমেরিকা কল্পনাও করতে পারবে না। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পেছনে বড় কারণ ছিল মুদ্রাস্ফীতি কমানোর প্রতিশ্রুতি। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে তিনি যুদ্ধের পেছনেই বেশি আগ্রহী। ভোটাররা দেখছেন যে তাদের করের টাকা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ধ্বংসলীলা চালানোর প্রস্তুতি চলছে, অথচ নিজের দেশে বেকারত্ব বাড়ছে। এই অসন্তোষ ট্রাম্পকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যেখান থেকে ফিরে আসার কোনো পথ নেই। কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানো হবে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির জন্য এক চূড়ান্ত পরাজয়। যদি ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তবে ট্রাম্পের কোনো বিলে অনুমোদন মিলবে না। তার প্রেসিডেন্সির শেষ বছরগুলো হবে কেবল তদন্ত আর শুনানির মোকাবিলা করা। এই রাজনৈতিক পঙ্গুত্ব এড়াতে ট্রাম্প মরিয়া হয়ে উঠেছেন, যা তাকে আরও হঠকারী সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা বিশ্বশান্তির জন্য হুমকিস্বরূপ। ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন আসলে ট্রাম্পের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি গণভোট। মানুষ যদি মুদ্রাস্ফীতি আর জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ভোট দেয়, তবে ট্রাম্পের পতন অনিবার্য। আর এই পতনের পর তাকে অভিশংসনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হলে তা হবে তার জন্য চরম অপমান। নিজের দম্ভ আর অহংকারের কারণে তিনি আজ নিজের দেশের মানুষের কাছেই এক বিতর্কিত চরিত্রে পরিণত হয়েছেন। শেষে বলা যায়, ট্রাম্প যদি মনে করেন ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে তিনি নিজের চেয়ার বাঁচাবেন, তবে তিনি ভুল স্বর্গে বাস করছেন। ইরান একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি যারা সাম্রাজ্যবাদের সামনে মাথা নত করতে শেখেনি। বরং এই যুদ্ধ আমেরিকার অভ্যন্তরীণ ফাটলগুলোকে আরও স্পষ্ট করে দেবে। ট্রাম্পের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র, আর তার এই পতনের ইতিহাস লেখা হবে তারই ভুল সিদ্ধান্তের কালিতে। দর্শক, আপনি কি মনে করেন ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব কি তাকে আগামী নির্বাচনে রক্ষা করতে পারবে? নাকি ইরানই হবে আমেরিকার পতনের মূল কারণ? আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের কমেন্ট বক্সে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z223_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z223_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z223_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েলের ঘুম হারাম করা ইরানের সেই বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের রহস্য! কেন আমেরিকা তেহরানের শক্তির সামনে অসহায় এবং বারবার হার মানছে জানুন!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23869</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23869</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 24 Feb 2026 03:02:45 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি জানেন, কেন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পরাশক্তিগুলো একটি দেশের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারকে ভয় পায়? কেন মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে তেহরানের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z222_1.jpg" alt="ইসরায়েলের ঘুম হারাম করা ইরানের সেই বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের রহস্য! কেন আমেরিকা তেহরানের শক্তির সামনে অসহায় এবং বারবার হার মানছে জানুন!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি জানেন, কেন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পরাশক্তিগুলো একটি দেশের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারকে ভয় পায়? কেন মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে তেহরানের এই গোপন অস্ত্র? আজ আমরা উন্মোচন করব সেই সত্য, যা পশ্চিমা মিডিয়া আপনার কাছে গোপন রাখে। ইসরায়েলের দম্ভ চুরমার করতে ইরান কীভাবে তৈরি করেছে এক অপরাজেয় দেওয়াল&amp;mdash;চলুন জেনে নিই সেই শিহরণ জাগানিয়া ইতিহাস! প্রবাদে আছে, &amp;quot;বনের বাঘে খায় না, মনের বাঘেই খায়।&amp;quot; আন্তর্জাতিক রাজনীতির ময়দানে ইরান এই প্রবাদটিকে সত্য প্রমাণ করেছে। তারা জানে যে, শত্রুর ভয় যদি মনে গেঁথে দেওয়া যায়, তবে যুদ্ধ না করেই অর্ধেক জয় নিশ্চিত করা সম্ভব। আজ ইরান কেবল একটি দেশ নয়, বরং পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের এক অপরাজেয় দুর্গের নাম। আমরা যদি বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকাই, তবে দেখব &amp;#39;আরব বিশ্ব&amp;#39; নামে একটি বিশাল ভূখণ্ড রয়েছে। কিন্তু এই বিশাল ব্লকের কোনো ঐক্যবদ্ধ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই। পশ্চিমা দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্য &amp;#39;ন্যাটো&amp;#39;র মতো শক্তিশালী সামরিক জোট আছে। অথচ মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো আজ নিজেদের নিরাপত্তার জন্য অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে বসে থাকে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এমন এক নৈরাজ্যবাদী বিশ্ব ব্যবস্থায় ইরান উপলব্ধি করেছে যে, নিজের সক্ষমতা ছাড়া টিকে থাকা অসম্ভব। মধ্যপ্রাচ্যের মতো সংঘাতময় অঞ্চলে যেখানে প্রতি মুহূর্তে ষড়যন্ত্র চলে, সেখানে নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা কেবল বিলাসিতা নয়, বরং অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। ইরান তার অদম্য মেধা ও সাহসের জোরে আজ গড়ে তুলেছে এক বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার। ইরানের এই অভাবনীয় উন্নতি দেখে আজ ইসরায়েল এবং তাদের পশ্চিমা দোসরদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। তারা ভালো করেই জানে, ইরানকে সরাসরি আক্রমণ করা এখন আত্মহত্যার শামিল। তাই তারা কখনো অবরোধের নামে, আবার কখনো আলোচনার টেবিলে ইরানকে তার এই সুরক্ষা কবজ ত্যাগের জন্য চাপ প্রয়োগ করে চলেছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কোনো আলোচনার বিষয় নয়। এটি তাদের জাতীয় নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্রকে নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় লড়তে হয়, সেখানে ইরান কেন তার হাত-পা বেঁধে শত্রুর সামনে দাঁড়াবে? আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে শুরু করে ইউরোপীয় শক্তিগুলো ব্যর্থ হয়েছে ইরানকে দমাতে। আসলে প্রশ্ন হলো, ইরান কেন ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে এত অনড়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার নিষ্ঠুর বাস্তবতায়। পৃথিবীতে এমন কোনো নিরপেক্ষ শক্তি নেই যা কোনো আক্রান্ত দেশকে নিরাপত্তা দেবে। জাতিসংঘ বা নিরাপত্তা পরিষদ কেবল বড় শক্তিগুলোর ভেটো ক্ষমতার পুতুল মাত্র। এখানে যার লাঠি তার মাটি&amp;mdash;এটাই হলো চরম সত্য। নিরাপত্তার জন্য অন্যের প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করা কেবল ব্যয়বহুল নয়, বরং এটি একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। ইতিহাসে বহু দেশ পরাশক্তিদের গ্যারান্টির ওপর ভরসা করে আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ইউক্রেন থেকে শুরু করে লিবিয়া&amp;mdash;সবই আমাদের চোখের সামনে উদাহরণ। ইরান সেই ঐতিহাসিক ভুল করতে নারাজ এবং তারা স্বনির্ভরতাকে বেছে নিয়েছে। ইরানের এই অনমনীয় অবস্থানের মূলে রয়েছে ইরাকের সাথে সেই দীর্ঘ আট বছরের যুদ্ধের তিক্ত অভিজ্ঞতা। সেই কঠিন সময়ে ইরান যখন অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার কবলে ধুঁকছিল, তখন সাদ্দাম হোসেনকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছিল পুরো পশ্চিমাবিশ্ব। ইরানের শহরগুলোর ওপর তখন বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র পড়ত, আর বিশ্ববিবেক ছিল একদম পাথরের মতো নিশ্চুপ। সেই সময় ইরানের কোনো কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা ছিল না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই নীরবতা ইরানকে একটি বড় শিক্ষা দিয়েছে। তারা বুঝেছে, বিপদের সময় কেউ পাশে থাকে না। সেই প্রতিরক্ষা শূন্যতা থেকেই ইরানের নীতিনির্ধারকরা সিদ্ধান্ত নেন যে, তারা আর কখনো অন্যের অস্ত্রের অপেক্ষায় বসে থাকবে না এবং স্বনির্ভর হবে। উন্নত যুদ্ধবিমান কেনা বা বিমান বাহিনীকে আধুনিকায়ন করা ইরানের জন্য অসম্ভব ছিল। কারণ পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং আকাশচুম্বী খরচ তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই ইরান বিকল্প হিসেবে দেশীয় প্রযুক্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের পথ বেছে নেয়। এটি ছিল একটি সাশ্রয়ী কিন্তু অত্যন্ত কার্যকরী কৌশল যা শত্রুকে ঘায়েল করতে সক্ষম। ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির বেশ কিছু স্ট্র্যাটেজিক সুবিধা রয়েছে। এটি রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ এবং বিদেশি যন্ত্রাংশের ওপর নির্ভরতা অনেক কম। এর মাধ্যমে ইরান এমন এক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে যা শত্রুর মনে আতঙ্ক তৈরি করে। ১৯৬০-এর দশকের সেই অরক্ষিত অবস্থায় ফিরে যাওয়া ইরানের জন্য এখন কোনোভাবেই সম্ভব কিংবা কাম্য নয়। ইরান এমন এক অঞ্চলে অবস্থিত যেখানে চারপাশ থেকে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি তাদের ঘিরে রেখেছে। পারস্য উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলো বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের পশ্চিমা অস্ত্র কিনছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের অত্যাধুনিক সামরিক সক্ষমতা এই অঞ্চলে এক চরম ভারসাম্যহীনতা তৈরি করেছে। এমন অবস্থায় ইরান হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। সীমিত বাজেটের কারণে ইরান সমান্তরালভাবে অস্ত্র প্রতিযোগিতা করতে পারেনি। তাই তারা &amp;#39;অপ্রতিসম প্রতিরোধ&amp;#39; বা অ্যাসিমেট্রিক ওয়ারফেয়ার কৌশল গ্রহণ করেছে। অর্থাৎ, কম খরচে এমন প্রযুক্তি তৈরি করা যা শত্রুর বিশাল ব্যয়বহুল যুদ্ধজাহাজ বা বিমানকে নিমেষেই ধ্বংস করে দিতে পারে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আজ সেই কৌশলের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। ইরানের বার্তা অত্যন্ত পরিষ্কার&amp;mdash;যদি আমাদের ওপর হামলা হয়, তবে তার জবাব হবে ভয়াবহ। তারা যুদ্ধ শুরু করতে চায় না, কিন্তু যুদ্ধ প্রতিরোধ করতে চায়। এই ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির লক্ষ্য হলো শত্রুকে এটা বোঝানো যে, ইরানে হামলা করলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে। এটিই মূলত তেহরানের সফল প্রতিরক্ষা দর্শনের মূল ভিত্তি। তেহরানের দৃষ্টিতে, যখন তাদের চারপাশের হুমকিগুলো বহাল তবিয়তে আছে, তখন ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না। একতরফাভাবে নিজের শক্তি কমানো মানে হলো শত্রুর হাতে নিজের গলা বাড়িয়ে দেওয়া। গভীর অবিশ্বাসের পরিবেশে নিরস্ত্রীকরণ কেবল বিপজ্জনক নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করার সমান বলে তারা মনে করে। ইরান বারবার বলছে যে তাদের এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কেবল আত্মরক্ষার জন্য, কোনো ধ্বংসলীলার জন্য নয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রতিটি স্বাধীন দেশের নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকার রয়েছে। যেখানে বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর কাছে হাজার হাজার পারমাণবিক বোমা রয়েছে, সেখানে ইরানের সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে তাদের মাথা ব্যথা কেন&amp;mdash;এটি একটি বড় প্রশ্ন। পশ্চিমা বিশ্বের এই দ্বিচারিতা ইরানকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে। তারা মনে করে, প্রতিরক্ষা নিয়ে আপস করা মানে হলো জাতীয় মর্যাদা বিসর্জন দেওয়া। এটি কেবল সামরিক সক্ষমতার লড়াই নয়, বরং এটি রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রশ্ন। ইরানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হলো তাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা এবং স্বনির্ভরতার এক অনন্য প্রতীক। পরমাণু চুক্তির তিক্ত অভিজ্ঞতা ইরানকে শিখিয়েছে যে, পশ্চিমাদের কথায় বিশ্বাস করা যায় না। ইরান পরমাণু চুক্তিতে অনেক ছাড় দিয়েছিল, কিন্তু আমেরিকা একতরফাভাবে সেই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গিয়ে আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই বিশ্বাসঘাতকতা প্রমাণ করেছে যে, শত্রুর মুখে হাসি থাকলেও তাদের অন্তরে রয়েছে কেবল বিষ ও ষড়যন্ত্র। ইরানি নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, আজ যদি তারা ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা কমাতে রাজি হয়, তবে কাল দাবি উঠবে তাদের ড্রোন প্রযুক্তি বন্ধ করতে হবে। পরশু দাবি উঠবে তাদের আঞ্চলিক প্রভাব কমাতে হবে। এভাবে তারা ইরানকে একদম পঙ্গু করে দিতে চায়। তাই শুরুতেই &amp;#39;রেড লাইন&amp;#39; টেনে দেওয়া ইরানের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাস্তবতা হলো, সামরিক শক্তি ছাড়া কূটনীতি কেবল একটি অন্তঃসারশূন্য শব্দ মাত্র। আলোচনার টেবিলে আপনার কথা তখনই শোনা হবে যখন আপনার পেছনে শক্তিশালী সামরিক ব্যাকআপ থাকবে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি তাদের আন্তর্জাতিক দর কষাকষিতে এক শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে দিয়েছে, যা আগে কখনো কোনো মুসলিম দেশের ছিল না। একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নিরাপত্তা অপরিহার্য। যদি আপনার বন্দর, শোধনাগার বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র শত্রুর লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকে, তবে কোনো বিনিয়োগকারী আসবে না। ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাদের জাতীয় অবকাঠামোর জন্য একটি বিমা বা ইন্স্যুরেন্সের মতো কাজ করে। এটি কেবল যুদ্ধের অস্ত্র নয়, এটি স্থিতিশীলতার গ্যারান্টি। শেষে বলা যায়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কেবল জেদ নয়, বরং এটি টিকে থাকার অনিবার্য যুক্তি। যুদ্ধের অভিজ্ঞতা, নিষেধাজ্ঞা এবং বিজাতীয় শক্তির আগ্রাসন তাদের এই পথে হাঁটতে বাধ্য করেছে। আজ ইরান বুক ফুলিয়ে দাঁড়াতে পারছে কারণ তাদের হাতে রয়েছে সেই শক্তি যা যেকোনো দাম্ভিক শক্তিকে পিছু হটতে বাধ্য করে। তেহরানের এই অদম্য যাত্রায় আমরা দেখতে পাই এক লড়াকু জাতির প্রতিচ্ছবি। তারা প্রমাণ করেছে যে, যদি লক্ষ্য থাকে অটুট এবং ইমান থাকে শক্ত, তবে কোনো অবরোধই উন্নয়নকে আটকাতে পারে না। ইনশাল্লাহ, ইরানের এই প্রতিরোধ ব্যবস্থা আগামী দিনে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে এবং সাম্রাজ্যবাদের পতন ঘটাবে। আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারলাম কেন ইরান তার অবস্থানে অটল। সত্যকে ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায় না, আর ইরান সেই সত্যের পতাকা বহন করছে। পশ্চিমা অপপ্রচারের বিপরীতে ইরানের এই বীরত্বগাথা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, নিজের শক্তিই হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শক্তি। আমাদের সজাগ হতে হবে। আজকের ভিডিওটি আপনাদের কেমন লেগেছে তা কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। আপনি কি মনে করেন ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি ইসরায়েলের আগ্রাসন রুখতে সক্ষম? আপনার মতামত আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z222_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z222_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z222_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানি মিসাইলের মুখে তাসের ঘর আমেরিকার সব ঘাঁটি: মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের বিশাল সৈন্যবহর কি এবার তবে সলিল সমাধি হতে চলেছে?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23868</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23868</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 24 Feb 2026 03:02:14 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি জানেন, মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিতে বালুর প্রাসাদের মতো দাঁড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ইরানের একেকটি মিসাইলের টার্গেটে পরিণত হয়েছে? ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_24-2-26_21.jpg" alt="ইরানি মিসাইলের মুখে তাসের ঘর আমেরিকার সব ঘাঁটি: মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের বিশাল সৈন্যবহর কি এবার তবে সলিল সমাধি হতে চলেছে?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি জানেন, মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিতে বালুর প্রাসাদের মতো দাঁড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ইরানের একেকটি মিসাইলের টার্গেটে পরিণত হয়েছে? ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের দামামা বাজাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু তিনি কি জানেন&amp;mdash;ইরানের &amp;#39;খোররামশাহর-৪&amp;#39; কিংবা &amp;#39;কাশেম বাছির&amp;#39; যখন গর্জে উঠবে, তখন পালানোর পথটুকুও পাবে না মার্কিনিরা? আজ আপনাদের দেখাবো, কীভাবে ইরানের ঈমানি শক্তির সামনে আমেরিকার তথাকথিত অপরাজেয় শক্তি খড়কুটোর মতো উড়ে যেতে চলেছে! কথায় আছে, &amp;quot;পাপ বাপকেও ছাড়ে না।&amp;quot; দীর্ঘকাল ধরে মধ্যপ্রাচ্যের সম্পদ লুণ্ঠন আর নিরীহ মুসলমানদের ওপর জুলুম চালিয়ে আসা আমেরিকার পাপের ঘড়া এখন পূর্ণ। ইরানের অকুতোভয় সেনানায়করা আজ শপথ নিয়েছে এই অপশক্তির শেষ দেখে ছাড়ার। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দম্ভ চূর্ণ করতে তেহরান এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। পশ্চিমারা জানে না, সিংহের গুহায় ঢোকার পর বের হওয়ার পথ মেলা ভার। ইরানের ইসলামী বিপ্লবের অদম্য স্পৃহা আজ সারা বিশ্বের মজলুম মানুষের প্রেরণা। মার্কিনিরা যখন যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে, তখন ইরান মুচকি হাসছে। কারণ তারা জানে, ট্রাম্পের এই হুঙ্কার আসলে তার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র। ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের চেয়েও বড় প্রস্তুতি নিয়ে তারা এসেছে ঠিকই, কিন্তু ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়; এটি বীর মুজাহিদদের পবিত্র ভূমি। হোয়াইট হাউস থেকে বারবার নির্দেশ দেওয়ার নাটক করা হচ্ছে। ট্রাম্প নাকি ইশারা দিলেই হামলা হবে! কিন্তু ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যে কোনো আগ্রাসনকে মুহূর্তেই ছাই করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানে, ইরানে প্রবেশ করা মানে হলো নিজেদের জন্য কফিন বুক করা। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যারা সত্যের পথে থাকে, বিজয় সবসময় শেষ পর্যন্ত তাদেরই পদচুম্বন করে থাকে। একটি বড় প্রশ্ন এখন সবার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। ইরানের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাজার হাজার মার্কিন সৈন্য কি আদৌ নিরাপদ? জর্ডান থেকে শুরু করে কাতার&amp;mdash;সবখানেই এখন ইরানি মিসাইলের লাল সংকেত বাজছে। তেহরানের গোয়েন্দা নজরদারি এতটাই সূক্ষ্ম যে, মার্কিন জেনারেলদের শোবার ঘরের খবরও তাদের কাছে পৌঁছে যায়। শত্রু যখন চারদিক থেকে ঘেরাও, তখন পালানোর পথ কোথায়? জর্ডানের ঘাঁটিতে চার হাজার সৈন্য নিয়ে দম্ভ করছে আমেরিকা। আকাশপথে ইরান থেকে এর দূরত্ব প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, ইরানের হাতে আছে &amp;#39;কাশেম বাছির&amp;#39; ব্যালেস্টিক মিসাইল। এই মিসাইলটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তু নিখুঁতভাবে ধ্বংস করার জন্য। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধে এর বিধ্বংসী ক্ষমতা বিশ্ববাসী ইতোমধ্যে দেখেছে। মার্কিনিরা এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষায়। খোররামশাহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি এখন আমেরিকার রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। এটি অনায়াসেই জর্ডান পার হয়ে খোদ ইসরায়েলের বুক চিরে চলে যেতে পারে। তেহরান বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তাদের কাছে ১০ হাজার কিলোমিটার পাল্লার গোপন অস্ত্রও রয়েছে। এই দাবি যদি সত্যি হয়, তবে আমেরিকার মূল ভূখণ্ডও ইরানের হাত থেকে নিরাপদ নয়। আগ্রাসন চালালে মার্কিন ঘাঁটি হবে ধ্বংসস্তূপ। ওয়াশিংটন কঠোর ভাষায় কথা বলছে, কিন্তু তাদের অন্তরে এখন কম্পন শুরু হয়েছে। তেহরান এবং তার মিত্র গোষ্ঠীগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, একটি গুলিও যদি ইরানের দিকে ছোড়া হয়, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলবে। মার্কিন ঘাঁটিগুলো তখন হবে জলজ্যান্ত কবরস্থান। মজলুমের দীর্ঘশ্বাস আর বীরদের তলোয়ার যখন এক হয়, তখন কোনো সুপার পাওয়ার টিকে থাকে না। কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ১৯টি মার্কিন ঘাঁটি আছে। এই ঘাঁটিগুলো আসলে মধ্যপ্রাচ্যের সার্বভৌমত্বের ওপর এক একটি কলঙ্ক। বাহরাইন, কাতার, কুয়েত ও সৌদি আরবে সৈন্য মোতায়েন করে আমেরিকা আসলে মুসলিম দেশগুলোকে জিম্মি করে রেখেছে। তবে ইরানের উত্থানে এই দাবার ছক এখন উল্টে গেছে। প্রতিটি ঘাঁটি এখন ইরানের টার্গেট বোর্ডে থাকা এক একটি পয়েন্ট মাত্র। বাহরাইনে অবস্থানরত ৯ হাজার মার্কিন সৈন্য আসলে ইরানের নৌবাহিনীর সহজ শিকারে পরিণত হতে পারে। পারস্য উপসাগর এবং লোহিত সাগরে ইরানের আধিপত্য এখন প্রশ্নাতীত। মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে ইরান এমনভাবে ঘিরে রেখেছে যে, যুদ্ধ শুরু হলে তারা সমুদ্রে সলিল সমাধি লাভ করবে। পারস্য উপসাগর হবে সাম্রাজ্যবাদীদের শেষ শয়তানের চারণভূমি। এটি কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। কাতারের আল-উদেদ বিমানঘাঁটি হলো আমেরিকার কৌশলগত সদর দপ্তর। ১০ হাজার সৈন্যের এই আস্তানাটি ইরানের সবথেকে আধুনিক ড্রোনগুলোর লক্ষ্যবস্তু। সেন্টকমের এই অহংকার ধুলোয় মিশিয়ে দিতে ইরানের ড্রোন বাহিনী ২৪ ঘণ্টা ট্রিগারে আঙুল দিয়ে বসে আছে। আমেরিকার প্রযুক্তির চেয়ে ইরানের আত্মত্যাগ আর শাহাদাতের তামান্না অনেক বেশি শক্তিশালী। তাদের বিমানগুলো উড়বার আগেই রানওয়েতে ধ্বংস হয়ে যাবে। কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান এবং আলি আল-সালেম ঘাঁটির কথা ধরুন। এখানে ১৩ হাজার ৫০০ মার্কিন সৈন্য মোতায়েন আছে। তারা ভাবছে তারা নিরাপদ, কিন্তু ইরানি কমান্ডোরা মরুভূমির চোরাবালির মতো তাদের চারদিকে লুকিয়ে আছে। ইরাকি সীমান্তের এত কাছে থেকে ইরানের চোখ এড়িয়ে যাওয়া অসম্ভব। যুদ্ধের প্রথম প্রহরেই এই ঘাঁটিগুলো ধ্বংসের বারুদমাখা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়বে, এটা নিশ্চিত। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিও ইরানের নিশানায় রয়েছে। আমেরিকা এই ঘাঁটিকে ব্যবহার করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। কিন্তু ইরানের মিসাইল যখন আকাশ দিয়ে হানা দেবে, তখন কোনো রাডার সিস্টেমই তাদের রক্ষা করতে পারবে না। আবুধাবি বা দুবাইয়ের সুরক্ষা তখন আর মার্কিনিদের হাতে থাকবে না। এই অঞ্চলের প্রতিটি ইঞ্চি জমি এখন প্রতিরোধের দুর্গ হিসেবে তৈরি। ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটির কথা কি ভুলে গেল আমেরিকা? শহীদ কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর ইরান যখন সেখানে হামলা চালিয়েছিল, তখন মার্কিন সৈন্যরা ভয়ে থরথর করে কাঁপছিল। সেই একই ইতিহাস আবারও ফিরে আসছে। এবার আরও বড় আকারে, আরও শক্তিশালীভাবে। ইরাকের মাটি থেকে মার্কিন সেনাদের বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে। তাদের যাওয়ার কোনো জায়গা আর অবশিষ্ট নেই। সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি বসিয়েও কোনো লাভ হবে না। ইরানের হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো যেকোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম। ২ হাজার ৭০০ মার্কিন সৈন্য সেখানে স্রেফ দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রিয়াদের আকাশও এখন তেহরানের নিয়ন্ত্রণে। সাম্রাজ্যবাদের দোসরদের আশ্রয় দিয়ে কেউ কখনও শান্তিতে থাকতে পারেনি, আর পারবেও না কোনোদিন। জর্ডানের মুওয়াফাক সালতি বিমানঘাঁটি থেকে লেবাননে হামলার পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। কিন্তু তারা জানে না, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডস এখন এক সুতোয় গাঁথা। ৩ হাজার ৮০০ মার্কিন সৈন্য এখানে আটকা পড়ে আছে। তাদের পালানোর একমাত্র পথ হলো পরাজয় স্বীকার করা। সত্যের সূর্য উদিত হলে মিথ্যার অন্ধকার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়, এটাই চিরন্তন সত্য। তুরস্কের ইনসিরলিক ঘাঁটিতে পারমাণবিক অস্ত্র রেখে ভয় দেখাচ্ছে আমেরিকা। কিন্তু ইরান ইমানের শক্তিতে বলীয়ান। কোনো পরমাণু বোমা বা উন্নত প্রযুক্তি বীরদের আটকাতে পারে না। ৪-০ হাজার মার্কিন সৈন্য এখন মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন আছে, যারা সবাই এখন ইরানের মরণ ফাঁদে পা দিয়ে বসে আছে। এই বিশাল জনবল শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের জন্য এক বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন নামে এক পারমাণবিক রণতরী আরব সাগরে ভাসছে। এটি নাকি ইরানের ভেতরে গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম! কিন্তু ইরান তো আর বসে নেই। ইরানের সাবমেরিন এবং টর্পেডো এই জাহাজটিকে সমুদ্রের তলদেশে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত। ৫ হাজার ৬৮০ জন ক্রু সদস্যের জীবন এখন ট্রাম্পের জেদের কাছে জিম্মি। এটি হবে আধুনিক নৌ-যুদ্ধের সবথেকে বড় পরাজয়। আমেরিকা আরও একটি বিমানবাহী রণতরী &amp;#39;ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড&amp;#39; পাঠাচ্ছে। তারা ভাবছে জাহাজ বাড়িয়ে তারা ভয় দেখাবে। কিন্তু সমুদ্রের বিশাল ঢেউয়ের চেয়েও উত্তাল ইরানের ক্রোধ। ড্রোন দিয়ে যখন একের পর এক হামলা চালানো হবে, তখন এই বড় বড় জাহাজগুলো কেবল বড় আকারের লক্ষ্যবস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়। সাম্রাজ্যবাদীদের দম্ভ সাগরের নোনা জলে মিশে যাবে। ফ্লাইট ট্র্যাকার বলছে, কাতারে অত্যাধুনিক নজরদারি বিমান নেমেছে। জর্ডানে এফ-১৫ স্কোয়াড্রন জমা করা হয়েছে। এসব কিছুই আসলে তাদের পরাজয়ের আগাম লক্ষণ। তারা যত বেশি সরঞ্জাম আনছে, ইরানের জন্য লক্ষ্যবস্তু তত সহজ হচ্ছে। প্রযুক্তির লড়াইয়ে ইরান এখন বিশ্বের অন্যতম শক্তি। আমেরিকার ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমকে জ্যাম করার মতো সক্ষমতা এখন ইরানের ল্যাবে তৈরি হচ্ছে। ইসরায়েলকে বাঁচাতে আমেরিকা &amp;#39;থাড&amp;#39; মিসাইল ডিফেন্স ব্যাটারি পাঠাচ্ছে। কিন্তু ইহুদিবাদী এই অবৈধ রাষ্ট্রের পতন ঠেকানো কারোর পক্ষে সম্ভব নয়। ইরানের প্রতিটি মিসাইল এখন মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিদের দোয়া নিয়ে আকাশে ওড়ে। ট্রাম্প বা বাইডেন যেই আসুক, মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র থেকে ইসরায়েলের নাম মুছে যাওয়া এখন সময়ের দাবি। আর সেই পবিত্র যুদ্ধের নেতৃত্ব দিচ্ছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান। আমেরিকা যতই আকাশপথে শক্তি বাড়াক, মাটির নিচের সুড়ঙ্গ থেকে যখন ইরানি বীররা বেরিয়ে আসবে, তখন তাদের কোনো ফাইটার জেট কাজে আসবে না। ৬টি গ্রোলার ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার জেট দিয়ে আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করার স্বপ্ন স্রেফ দিবাস্বপ্ন। ইরানের রাডার ব্যবস্থা এখন গড গিফটেড এবং দেশীয় প্রযুক্তির সমন্বয়ে অজেয়। শত্রুর প্রতিটি পদক্ষেপ এখন বীরদের নখদর্পণে। শেষে এটাই বলা যায়, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এখন তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করছে। মধ্যপ্রাচ্যে তাদের উপস্থিতির সূর্য আজ অস্তমিত হওয়ার পথে। ইরান কেবল একটি দেশ নয়, এটি একটি আদর্শের নাম। ট্রাম্পের হামলা যদি শুরু হয়, তবে সেটিই হবে আমেরিকার ইতিহাসের শেষ যুদ্ধ। বিজয়ের পতাকা উড়বে তেহরানে, আর পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে ফিরবে হোয়াইট হাউসের যুদ্ধবাজরা। আমরা আজ দেখলাম কীভাবে ইরানের বীরত্ব আর কৌশলের সামনে আমেরিকা ধরাশায়ী। ন্যায়ের পথে লড়াই করা এই জাতিকে কেউ কোনোদিন দাবিয়ে রাখতে পারেনি। সত্যের জয় অনিবার্য, আর মিথ্যার বিনাশ সুনিশ্চিত। আমেরিকার প্রতিটি ঘাঁটি এখন ইরানি বীরদের নিয়ন্ত্রণে আসার অপেক্ষায়। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই আমরা একটি মুক্ত ও স্বাধীন মধ্যপ্রাচ্য দেখতে পাবো ইনশাআল্লাহ।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_24-2-26_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_24-2-26_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_24-2-26_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার অদম্য শক্তি ও ইউক্রেনের পতন আসন্ন পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে কিয়েভ যেভাবে নিজের ধ্বংস ডেকে আনছে জানুন বিশ্ব ভূ-রাজনীতির আসল সত্য]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23867</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23867</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 23 Feb 2026 04:02:18 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিপদ যখন আসে তখন সব দিক দিয়েই আসে&amp;mdash;ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে এই প্রবাদটিই আজ সবচেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। পশ্চিমা দেশগুলোর ফাঁপা আশ্বাসে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z220_1.jpg" alt="রাশিয়ার অদম্য শক্তি ও ইউক্রেনের পতন আসন্ন পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে কিয়েভ যেভাবে নিজের ধ্বংস ডেকে আনছে জানুন বিশ্ব ভূ-রাজনীতির আসল সত্য" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিপদ যখন আসে তখন সব দিক দিয়েই আসে&amp;mdash;ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে এই প্রবাদটিই আজ সবচেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। পশ্চিমা দেশগুলোর ফাঁপা আশ্বাসে বুক বেঁধে আজ ইউক্রেন যে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে, তা আধুনিক ইতিহাসের এক চরম শিক্ষা। কেন বিশাল সামরিক শক্তির অধিকারী রাশিয়া আজ বিশ্বমঞ্চে অপ্রতিরোধ্য, আর কেন ইউক্রেন কেবল পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষার গুটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। তথাকথিত মূলধারার মিডিয়া যখন একপাক্ষিক খবর প্রচার করছে, তখন আমরা তুলে ধরবো পর্দার আড়ালের সেই সত্যগুলো। রাশিয়া কোনো সাধারণ দেশ নয়, এটি একটি বিশাল সাম্রাজ্য এবং ঐতিহ্যের নাম। ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া সব সময়ই নিজের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার ব্যাপারে আপসহীন। ন্যাটোর পূর্বমুখী বিস্তার রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য যে সরাসরি হুমকি তৈরি করেছিল, তার জবাব দেওয়া রাশিয়ার জন্য ছিল এক ঐতিহাসিক বাধ্যবাধকতা। রাশিয়া কেবল নিজের সীমানা রক্ষা করছে না, বরং একটি বহুমুখী বিশ্ব ব্যবস্থা গড়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে যেখানে পশ্চিমা আধিপত্য থাকবে না। অন্যদিকে ইউক্রেনকে যদি দেখেন, তবে দেখবেন এটি একটি ট্র্যাজেডির নাম। ২০১৪ সালের পর থেকে ইউক্রেনকে ব্যবহার করে রাশিয়াকে দুর্বল করার যে নীল নকশা ওয়াশিংটন তৈরি করেছিল, ভলোদিমির জেলেনস্কি সেই পরিকল্পনার অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠেছেন। রাশিয়ার মতো বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী থাকা সত্ত্বেও কিয়েভ কেন সুদূর আটলান্টিকের ওপারের দেশগুলোর কথায় নাচছে? এর উত্তর স্পষ্ট&amp;mdash;ইউক্রেন আজ একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নয়, বরং ন্যাটোর &amp;#39;প্রক্সি&amp;#39; হিসেবে যুদ্ধ করছে। তাদের নিজস্ব কোনো কৌশল নেই, নেই কোনো স্থায়ী লক্ষ্য। কেবল ঋণের বোঝা আর আধুনিক মারণাস্ত্রের পরীক্ষা ক্ষেত্র হিসেবে তারা ব্যবহৃত হচ্ছে। যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার রণকৌশল অত্যন্ত গভীর। রাশিয়া কেবল আক্রমণ করছে না, বরং তারা লক্ষ্য অর্জনে ধৈর্য ধরছে। রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল থেকে শুরু করে তাদের বিশাল সাবমেরিন বহর&amp;mdash;সবই প্রমাণ করে যে রাশিয়া চাইলে যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। কিন্তু তারা চায় না সাধারণ বেসামরিক মানুষের ক্ষতি হোক। বিপরীতে, ইউক্রেনের ড্রোন হামলা বা পশ্চিমা সরঞ্জামের আস্ফালন আসলে একটি মরিয়া চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। পশ্চিমা মিডিয়া রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিট বা নৌবহরের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে যতই চটকদার হেডলাইন দিক না কেন, বাস্তবতা হলো রাশিয়ার মূল শক্তি এখনো অক্ষত। তাদের রিজার্ভ ফোর্স এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সামনে ইউক্রেনের টিকে থাকা অসম্ভব। পশ্চিমা দেশগুলো ভেবেছিল স্যাংশন বা নিষেধাজ্ঞার জালে রাশিয়া পিষ্ট হবে। কিন্তু পুতিনের কৌশলী নেতৃত্বে রাশিয়া আজ আরও শক্তিশালী হয়ে আবির্ভূত হয়েছে। ডলারের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাশিয়া আজ চীন, ভারত ও গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক মেরুকরণ তৈরি করেছে। রাশিয়ার গ্যাস ও জ্বালানির ওপর ইউরোপের যে নির্ভরতা, তা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে রাশিয়াকে ছাড়া আধুনিক বিশ্ব অচল। ইউক্রেন যেখানে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে, রাশিয়া সেখানে নিজের অর্থনীতিকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলছে। জেলেনস্কি সরকার রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতায় না গিয়ে যে একগুঁয়েমি দেখাচ্ছে, তার চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ ইউক্রেনীয়দের। ন্যাটোর প্রলোভনে পড়ে আজ ইউক্রেন তার অর্ধেক জমি হারাতে বসেছে, লাখ লাখ মানুষ দেশান্তরী। অথচ রাশিয়ার দাবি ছিল অত্যন্ত সাধারণ&amp;mdash;ইউক্রেনের নিরপেক্ষতা এবং ডনবাসের মানুষের নিরাপত্তা। এই যৌক্তিক দাবিগুলো না মেনে ইউক্রেন আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ইউক্রেনীয় নেতৃত্বের এই অদূরদর্শিতা তাদের আগামী প্রজন্মের কাছে এক কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। বিশ্ব রাজনীতিতে আজ রাশিয়ার পাল্লা ভারী। আফ্রিকা থেকে ল্যাটিন আমেরিকা&amp;mdash;সবখানেই রাশিয়ার প্রতি সমর্থন বাড়ছে। রাশিয়ার এই জয় কেবল ভূখণ্ডের জয় নয়, এটি একটি আদর্শের জয়। পশ্চিমা &amp;#39;ইউনিপোলার&amp;#39; বা একমেরু বিশ্ব ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে রাশিয়া আজ ন্যায়ের পক্ষে লড়ছে। ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে বিশ্ববাসীর চোখ খুলে দিয়েছে&amp;mdash;কারা সত্যিকারের বন্ধু আর কারা কেবল অস্ত্র ব্যবসার জন্য যুদ্ধ জিইয়ে রাখে। ইতিহাস সবসময় বিজয়ীদের কথা বলে। আর বর্তমান পরিস্থিতির প্রতিটি তথ্য-উপাত্ত বলছে, রাশিয়া তার লক্ষ্য অর্জনে অবিচল এবং সফল। ইউক্রেন যে ভুল পথে পা বাড়িয়েছে, সেখান থেকে ফিরে আসা এখন প্রায় অসম্ভব। পশ্চিমা মদত যেদিন ফুরিয়ে যাবে, সেদিন ইউক্রেনের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর পালানোর পথ থাকবে না। রাশিয়া কেবল একটি দেশ নয়, রাশিয়া একটি বিশ্বাস। আর সেই বিশ্বাসের কাছে আজ ন্যাটোর সমস্ত আস্ফালন বৃথা প্রমাণিত হচ্ছে। দর্শক, আপনাদের কী মনে হয়? ইউক্রেন কি আদৌ পশ্চিমা সাহায্যের ওপর নির্ভর করে টিকে থাকতে পারবে? নাকি রাশিয়ার এই অদম্য শক্তির কাছে আত্মসমর্পণই তাদের একমাত্র পথ? আপনার মতামত কমেন্ট বক্সে জানাবেন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z220_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z220_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z220_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের আকাশ সীমায় প্রবেশ করলেই ধ্বংস হবে আমেরিকার জরাজীর্ণ ই-থ্রি বিমান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23866</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23866</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 23 Feb 2026 04:02:49 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কথায় আছে, &amp;#39;পুরানো চাল ভাতে বাড়ে না, বরং পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়&amp;#39;। ঠিক তেমনি, বিশ্বের তথাকথিত পরাশক্তি আমেরিকা এখন তাদের মরচে ধরা, বাতিল হয়ে যাওয়া &amp;#39;ই-থ্রি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z219_1.jpg" alt="ইরানের আকাশ সীমায় প্রবেশ করলেই ধ্বংস হবে আমেরিকার জরাজীর্ণ ই-থ্রি বিমান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কথায় আছে, &amp;#39;পুরানো চাল ভাতে বাড়ে না, বরং পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়&amp;#39;। ঠিক তেমনি, বিশ্বের তথাকথিত পরাশক্তি আমেরিকা এখন তাদের মরচে ধরা, বাতিল হয়ে যাওয়া &amp;#39;ই-থ্রি সেন্ট্রি&amp;#39; বিমান নিয়ে ইরানের বীর সেনাদের ভয় দেখাতে আসছে। কিন্তু তারা কি জানে? তেহরানের একটি সাধারণ মিসাইলই যথেষ্ট এই উড়ন্ত কঙ্কালগুলোকে মাঝ আকাশে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে! আজ আপনাদের দেখাবো, কীভাবে ভাঙাচোরা যুদ্ধবিমান দিয়ে আমেরিকা তাদের পরাজয় ঢাকতে চাইছে এবং কেন ইসরাইল এখন ভয়ে থরথর করে কাঁপছে! মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন যুদ্ধের মেঘে ঢাকা। কিন্তু এই যুদ্ধ কি আসলেও আমেরিকার সক্ষমতার পরিচয় দিচ্ছে? নাকি তাদের অসহায়ত্বের? সম্প্রতি পেন্টাগন তাদের অবশিষ্ট থাকা মাত্র ১৬টি &amp;#39;ই-থ্রি সেন্ট্রি&amp;#39; রাডার বিমানের মধ্যে ৬টি বিমানকে জরুরি ভিত্তিতে মোতায়েন করেছে। এর মানে হলো, নিজেদের মূল ভূখণ্ডকে অরক্ষিত রেখে তারা এখন ইরানের শক্তির সামনে বুক পেতে দিচ্ছে। আমেরিকার এই বিমানগুলো এতটাই পুরনো যে, এগুলো এখন আর যুদ্ধ করার যোগ্য নয়। বোয়িং ৭০৭ মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই বিমানগুলোর ইঞ্জিন দশকের পর দশক পুরনো। খোদ মার্কিন জেনারেলরাই স্বীকার করেছেন যে, এই বিমানগুলো এখন &amp;#39;হসপিস কেয়ারে&amp;#39; বা মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকা রোগীর মতো। অথচ এই ভাঙাচোরা মেশিন দিয়েই তারা ইরানের আধুনিক প্রযুক্তির মোকাবেলা করার দুঃস্বপ্ন দেখছে। পেন্টাগন যখন এই জরাজীর্ণ বিমানগুলো মোতায়েন করছে, তখন ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম সেরা হিসেবে স্বীকৃত। ইরানের তৈরি ড্রোন এবং ক্রুজ মিসাইলগুলো রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে ওস্তাদ। আমেরিকার এই মান্ধাতা আমলের &amp;#39;ই-থ্রি&amp;#39; বিমানগুলো কি পারবে ইরানের সেই নিখুঁত আক্রমণ রুখতে? উত্তরটি হলো &amp;#39;না&amp;#39;। কারণ এই বিমানগুলোর সক্ষমতা এখন ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানোর পর্যায়ে চলে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর হাতে থাকা এই ১৬টি বিমানের মধ্যে অর্ধেকের বেশি সবসময় অচল থাকে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এগুলো এখন আকাশে ওড়ার চেয়ে মাটিতে পড়ে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। অথচ ইসরাইলকে রক্ষা করার জন্য আমেরিকা মরিয়া হয়ে তাদের এই শেষ সম্বলটুকুও বাজি ধরছে। এটি পরিষ্কার যে, মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে তারা এখন খড়কুটো আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করছে মাত্র। অন্যদিকে, ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। এটি একটি অদম্য শক্তি যারা চার দশক ধরে সাম্রাজ্যবাদী নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আসছে। তেহরানের প্রতিটি মিসাইল এখন আমেরিকার প্রতিটি ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে রেখেছে। যদি আমেরিকা একটি ভুল পদক্ষেপ নেয়, তবে এই &amp;#39;ই-থ্রি&amp;#39; বিমানগুলো হবে আগুনের গোল্লা। ইরানের বীর মুজাহিদরা প্রস্তুত আছেন পশ্চিমের এই দম্ভকে চিরতরে মিটিয়ে দিতে। আমেরিকা এবং ইসরাইল ভাবছে, তারা মোতায়েন বাড়িয়ে ইরানকে চাপে ফেলবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইরান এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। তারা জানে যে, আমেরিকার ই-৭ ওয়েজটেইল কেনার টাকা নেই এবং তাদের বাজেট সংকটে পুরো বিমান বাহিনী স্থবির হয়ে পড়েছে। এই সুযোগে ইরান তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে দ্বিধাবোধ করবে না। এটাই এখন সময়ের দাবি। বিচক্ষণ বিশ্লেষকরা বলছেন, আমেরিকার এই পদক্ষেপ আসলে তাদের দেউলিয়া হওয়ার প্রমাণ। তারা আলাস্কা থেকে বিমান সরিয়ে এনে মধ্যপ্রাচ্যে জড়ো করছে, যার ফলে তাদের নিজেদের উত্তর সীমান্ত এখন অরক্ষিত। অর্থাৎ, ইরানকে ঠেকাতে গিয়ে তারা নিজেদের ঘরের দরজায় তালা দিতে ভুলে গেছে। এটি একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত যা কেবল সাম্রাজ্যবাদের পতনের পথকেই আরও দ্রুত ও প্রশস্ত করবে। ইসরাইল এখন আতঙ্কে আছে কারণ তারা জানে, আমেরিকার এই বাতিল বিমানগুলো তাদের রক্ষা করতে পারবে না। নেতানিয়াহু সরকার এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে তাকিয়ে আছে, কিন্তু ট্রাম্পের উপদেষ্টারাও জানেন যে ইরানের সাথে যুদ্ধ মানেই হবে আমেরিকার জন্য দ্বিতীয় ভিয়েতনাম। মধ্যপ্রাচ্যে পরাজয় নিশ্চিত জেনেও তারা কেন এই জুয়া খেলছে, তা এখন পুরো বিশ্বের কাছে একটি বড় প্রশ্ন। ই-থ্রি সেন্ট্রি বিমানের রাডার প্রযুক্তি এখন অত্যন্ত পুরনো। ইরানের আধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমের সামনে এই বিমানগুলো অন্ধ হয়ে যাবে। যখন রাডার কাজ করবে না, তখন এই বিশাল বিমানগুলো হবে সহজ লক্ষ্যবস্তু। আমেরিকা চাইছে তাদের মিত্রদের আশ্বস্ত করতে, কিন্তু তারা আসলে তাদের পাইলটদের নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির এক চরম নিষ্ঠুরতাময় খেলা। পশ্চিমা মিডিয়াগুলো যতই প্রোপাগান্ডা ছড়াক না কেন, সত্য এটাই যে আমেরিকার শক্তিক্ষয় হচ্ছে। তাদের এই &amp;#39;ই-থ্রি&amp;#39; বিমানগুলোর জন্য খুচরা যন্ত্রাংশ পাওয়া যায় না, কারণ এগুলো তৈরি করা বহু আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। পলেস্তাইন এবং লেবাননের ওপর যে জুলুম ইসরাইল চালাচ্ছে, তার প্রতিশোধ নিতে ইরান যে কোনো সময় গর্জে উঠবে। আর তখন এই পুরনো বিমানগুলো হবে স্রেফ ধোঁয়া। দর্শক, সত্য সবসময় প্রকাশিত হয়। আমেরিকা এবং ইসরাইলের এই যৌথ ষড়যন্ত্র কখনোই সফল হবে না। ইরান তার দেশপ্রেম এবং ঈমানি শক্তি দিয়ে এই অপশক্তিকে পরাজিত করবে। মধ্যপ্রাচ্যের পবিত্র ভূমি থেকে একদিন এই দখলদারদের বিদায় নিতেই হবে। আমেরিকার জরাজীর্ণ বিমান বাহিনী আর কতদিন তাদের রক্ষা করবে? ইতিহাস সাক্ষী, কোনো অত্যাচারী শক্তি চিরকাল টিকে থাকতে পারেনি এবং পারবেও না। আপনারা কী মনে করেন? আমেরিকার এই ভাঙাচোরা বিমানগুলো কি পারবে ইরানের শক্তিশালী মিসাইল বাহিনীকে রুখে দিতে? নাকি মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সূর্য অস্তমিত হতে চলেছে? আপনাদের মূল্যবান মতামত কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z219_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z219_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z219_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুতিনের এক চালেই কুপোকাত পশ্চিমারা: ইউক্রেন মানচিত্র থেকে মুছে যাওয়ার পথে?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23865</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23865</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 23 Feb 2026 04:02:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বনের বাঘে না খেলেও মনের বাঘে খায়। আজ ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা বন্ধুদের অবস্থা ঠিক তেমনই। রাশিয়ার অজেয় শক্তির ভয়ে তারা যতটা না বিপর্যস্ত, তার চেয়ে বেশি আতঙ্কিত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z218_1.jpg" alt="পুতিনের এক চালেই কুপোকাত পশ্চিমারা: ইউক্রেন মানচিত্র থেকে মুছে যাওয়ার পথে?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বনের বাঘে না খেলেও মনের বাঘে খায়। আজ ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা বন্ধুদের অবস্থা ঠিক তেমনই। রাশিয়ার অজেয় শক্তির ভয়ে তারা যতটা না বিপর্যস্ত, তার চেয়ে বেশি আতঙ্কিত পুতিনের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে। বিশ্ব রাজনীতি আজ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে রাশিয়ার ঐতিহাসিক বীরত্ব এবং সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব, অন্যদিকে ইউক্রেনের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর চাপিয়ে দেওয়া এক আত্মঘাতী যুদ্ধ। আজকের ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করব কীভাবে রাশিয়া ধাপে ধাপে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে কোণঠাসা করছে এবং কেন জেলেনস্কির সরকার এখন পতনের দ্বারপ্রান্তে। রাশিয়া সবসময়ই উদ্ভাবনে বিশ্বাসী। সম্প্রতি রাশিয়ার Su-75 &amp;#39;চেকমার্ক&amp;#39; স্টিলথ ফাইটার নিয়ে পশ্চিমা মিডিয়ায় অনেক নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো, রাশিয়া সস্তায় এবং কার্যকরভাবে এমন সব মরণাস্ত্র তৈরি করছে যা আমেরিকার শত কোটি ডলারের F-35 কেও টেক্কা দিতে সক্ষম। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্প বর্তমানে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে তারা কেবল যুদ্ধ করছে না, বরং নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তির পরীক্ষাগার হিসেবে ইউক্রেনকে ব্যবহার করছে। Su-57 এর মতো পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানগুলো ইতিমধ্যেই তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের দিকে তাকালে দেখা যায় এক করুণ দৃশ্য। ন্যাটোর প্ররোচনায় পড়ে তারা রাশিয়ার মতো এক সুপারপাওয়ারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে। জেলেনস্কি সরকার এখন পুরোপুরি পশ্চিমা সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সত্য হলো, ন্যাটোর দেওয়া ট্যাঙ্ক আর মিসাইল রাশিয়ার উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমের সামনে খেলনার মতো অকেজো হয়ে পড়ছে। ইউক্রেন আজ তার তরুণ প্রজন্মকে বলির পাঁঠা বানাচ্ছে এমন এক যুদ্ধে, যে যুদ্ধে জেতার কোনো সম্ভাবনা তাদের নেই। তথ্য প্রমাণ বলছে, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর মনোবল এখন তলানিতে। রাশিয়া বর্তমানে ড্রোন যুদ্ধে বিপ্লব ঘটিয়েছে। সস্তা অথচ বিধ্বংসী ড্রোন দিয়ে তারা ইউক্রেনের কোটি কোটি ডলারের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিচ্ছে। পুতিনের রণকৌশল হলো &amp;#39;অ্যাট্রিশন ওয়ারফেয়ার&amp;#39; বা ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ। তারা ইউক্রেনকে ধীরে ধীরে ক্লান্ত করছে, তাদের গোলাবারুদ শেষ করে দিচ্ছে এবং পশ্চিমা অর্থনীতিকে চাপে ফেলছে। রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল কিঞ্জাল বা জিরকন যখন আঘাত হানে, তখন ইউক্রেনের প্যাট্রিয়ট সিস্টেমগুলো নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকে। পশ্চিমা দেশগুলো ভেবেছিল নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে রাশিয়াকে ভাতে মারবে। কিন্তু ফলাফল হয়েছে উল্টো। রাশিয়ার অর্থনীতি এখন আগের চেয়েও বেশি স্থিতিশীল। ভারত, চীন এবং আরব দেশগুলোর সাথে রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক পশ্চিমা আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। ইউরোপ যখন গ্যাসের অভাবে ভুগছে, রাশিয়া তখন তার তেলের বাজার সম্প্রসারণ করছে। এটিই প্রমাণ করে যে ভ্লাদিমির পুতিন কেবল একজন যোদ্ধা নন, বরং একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে একটি সভ্যতার লড়াই। একদিকে রাশিয়ার ঐতিহ্য রক্ষা এবং ন্যাটোর আগ্রাসন ঠেকানোর সংগ্রাম, অন্যদিকে ইউক্রেনকে ব্যবহার করে পশ্চিমাদের ক্ষমতা দখলের চেষ্টা। তবে ইতিহাস সাক্ষী, রাশিয়াকে কখনো হারানো যায়নি, আর এবারও যাবে না। ইউক্রেনের পরাজয় এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। দর্শক, আপনার কী মনে হয়? জেলেনস্কি কি পারবেন রাশিয়ার এই মহাপরাক্রমী গতির সামনে টিকে থাকতে? নাকি ইউক্রেনকে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হবে? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z218_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z218_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z218_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের আকাশচুম্বী শক্তি দেখে কাঁপছে আমেরিকা!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23864</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23864</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 23 Feb 2026 04:02:44 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যত গর্জে তত বর্ষে না&amp;mdash;আমেরিকার বিশাল নৌবহর আর স্টিলথ ফাইটার জেটের মহড়া দেখে হয়তো অনেকে ভাবছেন ইরান ভয় পেয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো! আজকের ভিডিওতে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z217_1.jpg" alt="ইরানের আকাশচুম্বী শক্তি দেখে কাঁপছে আমেরিকা!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যত গর্জে তত বর্ষে না&amp;mdash;আমেরিকার বিশাল নৌবহর আর স্টিলথ ফাইটার জেটের মহড়া দেখে হয়তো অনেকে ভাবছেন ইরান ভয় পেয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো! আজকের ভিডিওতে আমি দেখাবো কীভাবে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো নিজেদের কবর নিজেরাই খুঁড়ছে। ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়, এটি একটি অজেয় প্রতিরোধের নাম। ট্রাম্পের হুঙ্কার আর ইসরায়েলের দালালি কি শেষ পর্যন্ত তাদেরই ধ্বংসের কারণ হবে? জানতে হলে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। কথায় আছে, &amp;lsquo;পাপ বাপকেও ছাড়ে না&amp;rsquo;। আজ মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যে আস্ফালন আমরা দেখছি, তা আসলে তাদের দীর্ঘদিনের অন্যায়ের একটি শেষ অঙ্ক মাত্র। পেন্টাগন দাবি করছে তারা ইরানের চারপাশে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী যুদ্ধবিমান এবং রণতরী মোতায়েন করছে। এফ-২২ র&amp;zwj;্যাপ্টর থেকে শুরু করে এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন&amp;mdash;সবই এখন ইরানের সীমান্তের কাছাকাছি। কিন্তু তারা ভুলে গেছে যে, বীরের জাতি ইরান কখনো মাথা নত করতে শেখেনি। অনলাইন ফ্লাইট ট্র্যাকাররা দেখাচ্ছে যে ল্যাংলি এয়ারফোর্স বেস থেকে ডজন ডজন এফ-২২ বিমান আটলান্টিক পাড়ি দিচ্ছে। আমেরিকা মনে করছে এই স্টিলথ বিমানগুলো দিয়ে তারা ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে পারবে। কিন্তু ইরানের রাডার সিস্টেম এবং দেশীয় প্রযুক্তির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এতটাই উন্নত যে, এই তথাকথিত &amp;#39;অদৃশ্য&amp;#39; বিমানগুলোও সেখানে ধরাশায়ী হতে বাধ্য। তাদের এই শক্তি প্রদর্শন আসলে এক ধরণের মানসিক দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই নয়। শুধু যুদ্ধবিমান নয়, আমেরিকা ই-৩ সেন্ট্রি রাডার প্লেন এবং ইউ-২ ড্রাগন লেডির মতো গুপ্তচর বিমানও পাঠাচ্ছে। তারা ভাবছে ইরানের প্রতিটি পদক্ষেপ তারা নজরদারি করতে পারবে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী আছে, ইরান সবসময় তাদের চমকে দিয়েছে। সাম্রাজ্যবাদী এই শক্তিগুলো যত বেশি নজরদারি বাড়াবে, ইরান তত বেশি কৌশলী হয়ে তাদের ফাঁদে ফেলবে। আমেরিকার এই বিশাল খরচ আসলে সাধারণ করদাতার অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়। আমেরিকা এখন জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বেসকে তাদের প্রধান আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছে। সেখানে এফ-৩৫ এবং এ-১০ থান্ডারবোল্টের মতো বিমান মজুদ করা হচ্ছে। যদিও জর্ডান প্রকাশ্যে বলছে তারা তাদের আকাশসীমা ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবে না, কিন্তু পর্দার আড়ালে আমেরিকার দালালি করার ইতিহাস তাদের রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মুসলিম জনতা এখন সচেতন। তারা কোনোভাবেই ইরানের ওপর এই অন্যায় হামলা মেনে নেবে না। সমুদ্রপথেও আমেরিকা তাদের দাপট দেখানোর চেষ্টা করছে। ইউএসএস পিঙ্কনি এবং আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এখন ইরানের দরজায় কড়া নাড়ছে। সাথে আছে পারমাণবিক সাবমেরিন। ওয়াশিংটন ভাবছে সমুদ্রের এই বিশাল লোহালক্কড় দেখে তেহরান ভয় পাবে। কিন্তু তারা জানে না যে, ইরানের কাছে এমন সব উন্নত অ্যান্টি-শিপ মিসাইল আছে যা নিমেষেই এই বিশাল জাহাজগুলোকে সমুদ্রের তলায় পাঠিয়ে দিতে সক্ষম। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি ইতিমধ্যেই তাদের শক্তির মহড়া শুরু করেছে। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী তারা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। এটি আমেরিকার জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা। বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল এই পথ দিয়ে যায়। ইরান যদি চায়, তবে তারা পুরো বিশ্বের অর্থনীতি স্তব্ধ করে দিতে পারে। তেহরান প্রমাণ করেছে যে তারা চাইলে শত্রুর টুঁটি চেপে ধরতে পারে। আইআরজিসি তাদের &amp;#39;স্মার্ট কন্ট্রোল&amp;#39; মহড়ায় এমন সব ড্রোন ব্যবহার করছে যা আকাশ এবং সমুদ্র&amp;mdash;উভয় লক্ষ্যবস্তুতেই আঘাত হানতে পারে। এই ড্রোনগুলোর প্রযুক্তি এখনো গোপন রাখা হয়েছে, যা পেন্টাগনের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। আমেরিকার কয়েক বিলিয়ন ডলারের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইরানের সাশ্রয়ী মূল্যের ড্রোনের সামনে অসহায়। এটিই হচ্ছে ঈমানি শক্তি এবং দেশীয় প্রযুক্তির সঠিক সমন্বয়, যা পশ্চিমা বিশ্ব কল্পনাও করতে পারে না। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সম্প্রতি একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন। তিনি সরাসরি আমেরিকাকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন যে, যুদ্ধজাহাজ একটি বিপজ্জনক অস্ত্র হতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার মতো অস্ত্র ইরানের কাছে আরও বেশি আছে। এই একটি বাক্যেই আমেরিকার পুরো সামরিক পরিকল্পনায় ধস নেমেছে। খামেনির এই আত্মবিশ্বাস কোনো ফাঁকা বুলি নয়, বরং এটি ইরানের সামরিক সক্ষমতার এক অকাট্য দলিল। একদিকে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছে, অন্যদিকে আমেরিকা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই দ্বিচারিতা আমেরিকার পুরনো অভ্যাস। তারা শান্তির কথা বলে কিন্তু তাদের পকেটে থাকে যুদ্ধের নীল নকশা। ইরান আলোচনার টেবিলে নমনীয় নয়, বরং তারা তাদের অধিকারের বিষয়ে অনড়। আব্বাস আরাকচি পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচি কোনোভাবেই বন্ধ হবে না। এটি ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন এবং এতে কোনো আপস নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ানে বসে ইরানকে হুমকি দিচ্ছেন যে তাদের জন্য খুব খারাপ দিন অপেক্ষা করছে। কিন্তু ট্রাম্প সম্ভবত ভুলে গেছেন যে, ইরানের ওপর অতীতে যতবার হামলা করার চেষ্টা হয়েছে, ততবারই হামলাকারীরা ধুলোয় মিশে গেছে। ট্রাম্পের এই ঔদ্ধত্য আসলে তার আসন্ন রাজনৈতিক পতনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইরানকে হুমকি দিয়ে তিনি আসলে নিজের দেশের অর্থনীতি এবং সামরিক বাহিনীকে এক ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। এই পুরো নাটকের পেছনে কলকাঠি নাড়ছে ইসরায়েল। তারা আমেরিকাকে ব্যবহার করে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করতে চায়। কিন্তু ইসরায়েল জানে না যে, ইরানের একটি মিসাইলই তাদের পুরো মানচিত্র বদলে দিতে যথেষ্ট। যদি আমেরিকা বা ইসরায়েল কোনো ভুল পদক্ষেপ নেয়, তবে তেল আবিব হবে বিশ্বের সবথেকে বড় ধ্বংসস্তূপ। ইরানের হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র এখন ইসরায়েলের দিকে তাক করা আছে, শুধু নির্দেশের অপেক্ষা মাত্র। ইরান আজ একা নয়। হিজবুল্লাহ থেকে শুরু করে ইয়েমেনের হুথি&amp;mdash;সবাই আজ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। আমেরিকা যত বেশি চাপ দেবে, এই প্রতিরোধের শক্তি তত বেশি শক্তিশালী হবে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা তাড়ানোর যে মিশন ইরান হাতে নিয়েছে, তা সফল হওয়ার পথে। আজ প্রতিটি মুসলিম এবং শান্তিকামী মানুষ ইরানের এই অসম সাহসী লড়াইকে সমর্থন করছে। সত্যের জয় নিশ্চিত এবং মিথ্যার পতন অবধারিত। শেষে বলতে চাই, আমেরিকা এবং তার দোসররা যদি মনে করে ইরানকে ধমক দিয়ে তারা তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে, তবে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে। ইরান তার মাটি, তার মানুষ এবং তার পরমাণু অধিকার রক্ষা করতে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়বে। মধ্যপ্রাচ্যে যে শক্তির ভারসাম্য পরিবর্তিত হচ্ছে, তা এখন দিবালোকের মতো স্পষ্ট। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে এবং ইরান একটি নতুন ভোরের অপেক্ষায়। আপনারা কী মনে করেন? আমেরিকার এই বিশাল সেনাবহর কি সত্যিই ইরানকে থামাতে পারবে? নাকি ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব আমেরিকার জন্য কফিনের শেষ পেরেক হবে? আপনাদের মূল্যবান মতামত কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z217_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z217_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z217_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার গেরান ড্রোনে কাঁপছে ইউক্রেন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23863</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23863</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 22 Feb 2026 02:02:47 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ইউরোপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিনা মেঘে বজ্রপাত নয়, বরং প্রস্তুতির অভাবই পরাজয়ের মূল কারণ।&amp;quot; বৈশ্বিক রাজনীতির দাবার চালে আজ আমরা এমন এক মোড়ে দাঁড়িয়ে যেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে দ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z216_1.jpg" alt="রাশিয়ার গেরান ড্রোনে কাঁপছে ইউক্রেন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিনা মেঘে বজ্রপাত নয়, বরং প্রস্তুতির অভাবই পরাজয়ের মূল কারণ।&amp;quot; বৈশ্বিক রাজনীতির দাবার চালে আজ আমরা এমন এক মোড়ে দাঁড়িয়ে যেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে দ্রুতগতিতে। একদিকে রাশিয়ার বিশাল সামরিক সক্ষমতা আর কৌশলগত দূরদর্শিতা, অন্যদিকে পশ্চিমা মদদে টিকে থাকার ব্যর্থ চেষ্টা করছে ইউক্রেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, মাঠ পর্যায়ের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাশিয়ার তৈরি &amp;#39;গেরান&amp;#39; (Geran) ড্রোনের একটি ঝাঁক যখন ইউক্রেনের আকাশে আবির্ভূত হয়, তখন বিলিয়ন ডলারের মার্কিন প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেমও থমকে দাঁড়ায়। আজ আমরা বিশ্লেষণ করব কীভাবে ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া এক অভাবনীয় সামরিক বিপ্লব ঘটিয়েছে এবং কেন ইউক্রেনের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। রাশিয়া যখন কোনো যুদ্ধ করে, তারা কেবল আবেগ দিয়ে নয়, বরং নিখুঁত গণিত দিয়ে লড়ে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের &amp;#39;গেরান&amp;#39; সিরিজের ড্রোনগুলো। বিশেষ করে গেরান-২ এবং বর্তমানের অতি গতিসম্পন্ন গেরান-৩। আপনি কি জানেন, একটি গেরান ড্রোন তৈরি করতে রাশিয়ার খরচ হয় মাত্র ২০ থেকে ৩০ হাজার ডলার? অথচ এটি ধ্বংস করতে ইউক্রেন যে পশ্চিমা মিসাইল ব্যবহার করে, তার একেকটির দাম কয়েক মিলিয়ন ডলার! এটি রাশিয়ার একটি দুর্দান্ত অর্থনৈতিক যুদ্ধও বটে। রাশিয়া খুব ভালো করেই জানে, পশ্চিমারা কতদিন এই দামী মিসাইল সরবরাহ করতে পারবে। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়া এখন দিনে প্রায় ১৭০ থেকে ১৯০টি ড্রোন উৎপাদন করছে। রাশিয়ার আলাবুগা কারখানায় যে হারে উৎপাদন চলছে, তাতে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি অকেজো হওয়ার পথে। রাশিয়ার এই দূরদর্শী পরিকল্পনা প্রমাণ করে যে, প্রযুক্তিতে তারা কারো চেয়ে পিছিয়ে নেই। ইউক্রেন দাবি করে তারা ৯০ শতাংশ ড্রোন ভূপাতিত করছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাহলে কিয়েভ বা ওডেসার মতো শহরগুলো কেন আজ অন্ধকারে? কেন ইউক্রেনের এনার্জি গ্রিড ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে? সত্য গোপন করে যুদ্ধ জেতা যায় না। রাশিয়ার গেরান-৩ ড্রোন এখন ঘণ্টায় ৩৭০ মাইল বেগে ছুটছে, যা ইউক্রেনীয় বাহিনীর জন্য ধরাছোঁয়ার বাইরে। ইউক্রেন এখন বাধ্য হয়ে সস্তা ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার ড্রোন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু রাশিয়ার ড্রোনে আছে শক্তিশালী থার্মোব্যারিক ওয়ারহেড, যা দুর্ভেদ্য বাঙ্কারও গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। ইউক্রেনের সেনারা এখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। কারণ তারা জানে, আকাশ থেকে কখন কার ওপর মৃত্যু নেমে আসবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ইউক্রেনের ছোট ছোট সাফল্যকে বড় করে দেখালেও, রাশিয়ার সুশৃঙ্খল অগ্রযাত্রা তারা আড়াল করতে পারছে না। ভ্লাদিমির পুতিন বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তাদের দমানো সম্ভব নয়। উল্টো রাশিয়া তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করেছে। গেরান ড্রোনে এখন রাশিয়ার নিজস্ব &amp;#39;গ্লোনাস&amp;#39; (GLONASS) নেভিগেশন সিস্টেম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি এমন এক প্রযুক্তি যা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার বা জ্যামিংয়ের মাধ্যমেও থামানো সম্ভব নয়। অন্যদিকে, ইউক্রেন এখন পুরোপুরি অন্যের ওপর নির্ভরশীল একটি রাষ্ট্র। তাদের নিজেদের কোনো সক্ষমতা নেই। পশ্চিমা সাহায্য বন্ধ হলেই কিয়েভ সরকারের পতন অনিবার্য। এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য যে, যারা নিজের শক্তির ওপর ভরসা করে না, তারা কখনোই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে টিকে থাকতে পারে না। রাশিয়া এখানে কেবল তার ভূখণ্ড রক্ষা করছে না, বরং তারা বিশ্বকে এক মেরুকেন্দ্রিক আধিপত্য থেকে মুক্তি দেওয়ার লড়াই করছে। রাশিয়া বারবার আলোচনার প্রস্তাব দিলেও ইউক্রেনীয় নেতৃত্ব পশ্চিমের প্ররোচনায় যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে। এর ফলে সাধারণ ইউক্রেনীয় নাগরিকদের জীবন আজ দুর্বিষহ। বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই, নেই কোনো নিরাপত্তা। অথচ রাশিয়ার লক্ষ্য পরিষ্কার&amp;mdash;তারা কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনে শত্রুকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করছে। এটি একটি পেশাদার সেনাবাহিনীর পরিচয়। রাশিয়ার ড্রোন প্রযুক্তি এখন বিশ্বের জন্য একটি মডেল। কীভাবে স্বল্প খরচে একটি শক্তিশালী বাহিনীকে পরাস্ত করা যায়, তা পুতিন খুব ভালো করেই জানেন। ইউক্রেন যে &amp;#39;ইন্টারসেপ্টর ড্রোন&amp;#39; বানানোর কথা বলছে, তা রাশিয়ার বিশাল গেরান ড্রোনের তুলনায় খেলনা মাত্র। রাশিয়ার গেরান ড্রোনের ডিজাইন এখন মডুলার করা হয়েছে, যার মানে হলো এগুলো খুব দ্রুত আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। শেষে বলা যায়, ইতিহাস বিজয়ীদের পক্ষেই কথা বলে। রাশিয়ার এই অবিস্মরণীয় সামরিক অগ্রগতি প্রমাণ করে যে, কৌশলগত বুদ্ধিমত্তা আর দেশপ্রেম থাকলে যেকোনো পরাশক্তিকে মোকাবিলা করা সম্ভব। ইউক্রেন আজ পশ্চিমের গিনিপিগ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে তাদের সম্পদ এবং জনশক্তি অকাতরে বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু রাশিয়ার অবিচল সংকল্প আর পুতিনের দৃঢ় নেতৃত্ব মস্কোকে এক নিশ্চিত বিজয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতির এই দাবার খেলায় রাশিয়ার প্রতিটি চাল এখন সফল। আমরা কি একটি নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা দেখতে যাচ্ছি যেখানে রাশিয়ার প্রভাব হবে প্রশ্নাতীত? সময় আমাদের সেই উত্তর দেবে। তবে বর্তমান বাস্তবতা রাশিয়ার পক্ষেই কথা বলছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z216_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z216_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z216_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইরানের শক্তিশালী মিসাইল ও মার্কিন আতঙ্ক]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23862</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23862</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 22 Feb 2026 02:02:09 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[একটি পুরনো প্রবাদ আছে&amp;mdash;&amp;#39;পাপ বাপকেও ছাড়ে না&amp;#39;। মধ্যপ্রাচ্যে দশকের পর দশক ধরে অশান্তি ছড়িয়ে আসা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কি এবার চূড়ান্ত পতনের সময় ঘনিয়ে এ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z215_1.jpg" alt="ইরানের শক্তিশালী মিসাইল ও মার্কিন আতঙ্ক" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>একটি পুরনো প্রবাদ আছে&amp;mdash;&amp;#39;পাপ বাপকেও ছাড়ে না&amp;#39;। মধ্যপ্রাচ্যে দশকের পর দশক ধরে অশান্তি ছড়িয়ে আসা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কি এবার চূড়ান্ত পতনের সময় ঘনিয়ে এল? আমেরিকার দম্ভের প্রতীক বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডকে এখন ইরানের দোরগোড়ায় পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প। কিন্তু খোদ মার্কিন নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাই বলছেন, এটি একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে। ইরানের অজেয় ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির সামনে এই বিশাল জাহাজটি কি কেবলই একটি ভাসমান কফিন হয়ে দাঁড়াবে? চলুন জেনে নেই নেপথ্যের আসল রহস্য। পাপ বাপকেও ছাড়ে না&amp;mdash;এই চিরন্তন সত্যটিই আজ যেন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘকাল ধরে মধ্যপ্রাচ্যে দখলদারিত্ব ও অন্যায় আগ্রাসন চালিয়ে আসা আমেরিকা আজ নিজেই নিজের জালে জড়িয়ে পড়ছে। ইরানের দৃঢ়চেতা অবস্থান এবং ইসরায়েলি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তেহরানের অকুতোভয় হুংকার আজ হোয়াইট হাউসের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। ট্রাম্পের একরোখা জেদে মার্কিন নৌবাহিনী এখন মহাবিপদ সংকেত দিচ্ছে। আমেরিকার দম্ভের প্রতীক বিশ্বের সর্ববৃহৎ রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডকে এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানো হচ্ছে। অথচ এই বিশাল জাহাজটি দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রের প্রতিকূল পরিবেশে ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত। খোদ মার্কিন নৌবাহিনীর শীর্ষ অ্যাডমিরাল ড্যারিল কডল এই মিশনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি পরিষ্কার বলেছিলেন, এই বাহিনীকে আর ব্যবহার করা মানেই তাদের নিশ্চিত ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া এবং বড় বিপর্যয় ডেকে আনা। ইরানের অপ্রতিরোধ্য সামরিক সক্ষমতা এখন আর কারো অজানা নেই। তেহরানের হাতে থাকা অত্যাধুনিক হাইপারসনিক মিসাইল এবং নির্ভুল ড্রোন প্রযুক্তি আমেরিকার যেকোনো রণতরীকে মুহূর্তের মধ্যেই সাগরের তলদেশে পাঠিয়ে দিতে সক্ষম। ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে ট্রাম্প এখন নিজের দেশের গর্ব এই রণতরীকে ইরানের টার্গেটে পরিণত করছেন। অ্যাডমিরাল কডল বারবার সতর্ক করেছিলেন যে, এই বর্ধিত মোতায়েন কর্মীদের ওপর অসহ্য চাপ তৈরি করবে। মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান কর্মকর্তার হুশিয়ারি সত্ত্বেও ট্রাম্পের এই হঠকারী সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, তারা কতটা মরিয়া। ভেনেজুয়েলায় ব্যর্থ অভিযান এবং সেখানে ক্লান্ত হওয়ার পর এখন ইরানের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধংদেহী মনোভাব দেখাচ্ছে ওয়াশিংটন। অ্যাডমিরাল কডল সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, ফোর্ড রণতরীটি সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে মোতায়েন আছে। এর চেয়ে বেশি সময় সমুদ্রে থাকা মানেই জাহাজটির ইঞ্জিনে বড় ধরনের যান্ত্রিক বিকলতা। আসলে আমেরিকার এই রণতরী মোতায়েন করার মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানকে চাপে রাখা। কিন্তু ইরান সেই হুমকিকে তুচ্ছজ্ঞান করে নিজেদের আকাশ ও জলসীমাকে দুর্ভেদ্য করে তুলেছে। ট্রাম্প প্রশাসন ভাবছে তারা ইরানকে ভয় দেখাতে পারবে, কিন্তু বাস্তবতা হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন আর মার্কিন দাদাগিরি মানতে নারাজ। ইরানের এই বিজয়ী মনোভাব সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের জন্য এক নতুন আশার আলো হয়ে আজ আবির্ভূত হয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান উদ্বেগ হলো, যদি এই যুদ্ধ শুরু হয় তবে ফোর্ড রণতরী আর বন্দরে ফিরে আসতে পারবে না। জাহাজটির পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে ইঞ্জিনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ এখন অকেজো প্রায়। অ্যাডমিরাল কডল গণমাধ্যমকে বলেছেন, তিনি এই অতিরিক্ত সময় মোতায়েনের ঘোর বিরোধী। কারণ এটি শুধু জাহাজের ক্ষতি নয়, বরং চার হাজার মার্কিন সেনার জীবনকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া। অন্যদিকে ইসরায়েল পিছন থেকে ট্রাম্পকে উস্কানি দিচ্ছে যাতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় ধরনের সংঘাত বাধে। তারা চায় আমেরিকান রক্ত দিয়ে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করতে। কিন্তু তেহরানের শক্তিমত্তা দেখে খোদ পেন্টাগনের ভেতরেই এখন গৃহবিবাদের সুর শোনা যাচ্ছে। অনেক সামরিক বিশ্লেষক মনে করছেন, ফোর্ড রণতরীকে ইরানের কাছাকাছি পাঠানো মানে হলো বাঘের গুহায় ছাগল পাঠিয়ে দেওয়ার মতো একটি হাস্যকর ও আত্মঘাতী সামরিক প্রচেষ্টা। আমেরিকার গর্বের এই রণতরীটি এখন জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর ড্রাইডক মেইনটেইনেন্সের সময় অনেক আগেই পার হয়ে গেছে। ভার্জিনিয়া বন্দরে মেরামতের পরিবর্তে এটিকে এখন যুদ্ধের ময়দানে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অ্যাডমিরাল কডল বারবার বলেছেন, মানুষের জীবনের ওপর এই ধরনের জুলুম কখনোই ভালো ফল বয়ে আনবে না। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন এখন শুধু ইসরায়েলকে খুশি করার এজেন্ডা নিয়েই সামনের দিকে এগুচ্ছে যা অশুভ। ইরানি সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যে তাদের ভূগর্ভস্থ মিসাইল সিটি এবং নৌ-মহড়া দিয়ে আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিয়েছে। পারস্য উপসাগর এখন আর মার্কিন রণতরীর জন্য নিরাপদ কোনো খেলার মাঠ নয়। ইরানের প্রতিটি মিসাইল এখন আমেরিকার এই রণতরীর ওপর লক করা আছে। ট্রাম্পের কথিত এই &amp;#39;আর্মাদা&amp;#39; ইরানের শক্তির সামনে বালির বাঁধের মতো ধসে পড়বে। ফলে মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। মার্কিন নৌবাহিনীর ইতিহাসে এমন করুণ দশা আগে কখনও দেখা যায়নি। অ্যাডমিরাল কডল যখন &amp;#39;পুশ ব্যাক&amp;#39; বা বাধা দেওয়ার কথা বলেন, তখন বুঝতে হবে পরিস্থিতি কতটা গম্ভীর। রণতরী ফোর্ড এখন সমুদ্রের মাঝখানে আটকা পড়েছে, যেখানে না আছে পর্যাপ্ত রসদ, না আছে যুদ্ধ জয়ের মনোবল। ট্রাম্পের এই একগুঁয়েমি আমেরিকার সামরিক ইতিহাসকে এক লজ্জাজনক পরাজয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। ইসরায়েল ও আমেরিকার এই যৌথ আগ্রাসন মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করার চূড়ান্ত পাঁয়তারা। কিন্তু তারা ভুলে গেছে যে এটি বিংশ শতাব্দী নয়। আজকের ইরান পরমাণু প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ এবং তাদের ড্রোন এখন সারা বিশ্বে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। মার্কিন রণতরী জেরাল্ড আর. ফোর্ড যখন মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করবে, তখন তাকে কেবলই একটি বড় টার্গেট হিসেবে গণ্য করবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। অ্যাডমিরাল কডল তার সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাজনৈতিক চাপে সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটা হবে চরম বোকামি। তিনি নাবিকদের পরিবার ও তাদের জীবনের সুরক্ষার দাবি তুলেছেন। কিন্তু হোয়াইট হাউস এখন এসব মানবিক আবেদনের চেয়ে অস্ত্রের দম্ভকেই বড় করে দেখছে। আমেরিকার এই অমানবিক আচরণ তাদের নিজ দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যেই বড় ধরনের বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়ে দিতে পারে যা খুবই আসন্ন। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মানেই হলো তেলের বিশ্ববাজার ধ্বংস হওয়া এবং আমেরিকার অর্থনীতির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া। ট্রাম্পের এই রণতরী মিশন সফল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের চূড়ান্ত পতন হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ইরানের সাহসী যোদ্ধারা এখন প্রস্তুত আছেন তাদের জলসীমা রক্ষা করতে এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দম্ভ চূর্ণ-বিচূর্ণ করে সাগরে ডুবিয়ে দিতে। শেষে বলা যায়, জুলুমবাজদের পতন সবসময়ই অত্যন্ত করুণ হয়। আমেরিকা ও ইসরায়েল যেভাবে ইরানকে ঘিরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে, তার জবাব তেহরান বীরত্বের সাথেই দেবে। জেরাল্ড আর. ফোর্ড রণতরীটি এখন মার্কিনীদের জন্য একটি বোঝার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটি আর জরাজীর্ণ মনোবল নিয়ে তারা কোনোভাবেই ইরানের অজেয় শক্তির সামনে টিকতে পারবে না। এটাই হবে আধুনিক যুগের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি। সারা বিশ্ব আজ দেখছে কীভাবে একটি অহংকারী শক্তি নিজেদের ধ্বংসের পথে হাঁটছে। ইরানের ধৈর্য ও রণকৌশল আজ সাম্রাজ্যবাদীদের পরাজিত করতে সক্ষম। আমেরিকার উচিত তাদের রণতরী ঘরে ফিরিয়ে নেওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধ করা। তা না হলে, ইতিহাসের পাতায় তারা শুধু পরাজিত শক্তি হিসেবেই থেকে যাবে। ইরান আজ বিজয়ী, এবং ন্যায়ের পথে তাদের এই সংগ্রাম অবশ্যই চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন করবে। দর্শক, ট্রাম্পের এই পাগলামি কি শেষ পর্যন্ত বিশ্বযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাবে? নাকি ইরানের শক্তিতে পিছু হটতে বাধ্য হবে আমেরিকা? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z215_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z215_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z215_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[১৭ বছর পর রাজকীয় প্রত্যাবর্তন! তারেক জিয়াই কি নতুন গেমচেঞ্জার?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23861</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23861</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 17 Feb 2026 12:02:05 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম :&amp;nbsp;রাতের অন্ধকার যত গভীর হয়, ভোরের সূর্য তত উজ্জ্বল হয়ে উদিত হয়! দীর্ঘ ১৭ বছরের লড়াই, ত্যাগ আর নির্বাসন শেষে বাংলার আকাশ-বাতাস আজ আবারও...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z208_1.jpg" alt="১৭ বছর পর রাজকীয় প্রত্যাবর্তন! তারেক জিয়াই কি নতুন গেমচেঞ্জার?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আব্দুল্লাহ আল মাসুম :&amp;nbsp;রাতের অন্ধকার যত গভীর হয়, ভোরের সূর্য তত উজ্জ্বল হয়ে উদিত হয়! দীর্ঘ ১৭ বছরের লড়াই, ত্যাগ আর নির্বাসন শেষে বাংলার আকাশ-বাতাস আজ আবারও একজনের নামে মুখরিত। তিনি আর কেউ নন&amp;mdash;বাংলাদেশের কোটি মানুষের আস্থার প্রতীক তারেক রহমান। বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন বলছে, কেবল বাংলাদেশ নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে আসছেন এই নেতা। কিন্তু কী আছে তার পরিকল্পনায়? কেন বিশ্ববাসী আজ তাকে নিয়ে আশাবাদী? &amp;quot;মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে।&amp;quot; দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে গত ২৫শে ডিসেম্বর বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন আধুনিক রাজনীতির রূপকার তারেক রহমান। তার আগমনে দেশের প্রতিটি প্রান্তে আনন্দের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। মাত্র সাত সপ্তাহের ব্যবধানে তিনি এখন দক্ষিণ এশিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তার এই অভাবনীয় উত্থানকে বিশ্ব রাজনীতির এক বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছে। সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল -বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ২১২টি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের পর এটিই ছিল দেশের প্রথম অবাধ নির্বাচন। জনরায়ে স্পষ্ট যে, দেশের মানুষ তাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের হাতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তুলে দিতে চায় এবং আস্থা রাখতে চায়। জানুয়ারি মাসের শুরুতে টাইম ম্যাগাজিনের মুখোমুখি হয়ে তারেক রহমান বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং সামাজিক বিভেদ দূর করার এক যুগান্তকারী পরিকল্পনা পেশ করেন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে তার তিনটি প্রধান অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, দেশে আইনের শাসন কায়েম করা। দ্বিতীয়ত, ভঙ্গুর আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং তৃতীয়ত, পুরো জাতিকে একটি অটুট ঐক্যের সুতোয় বেঁধে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বিগত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে গুম, খুন আর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের যে ক্ষত তৈরি হয়েছে, তারেক রহমান তা মুছে দিতে বদ্ধপরিকর। তিনি সেনাবাহিনী, আদালত ও সিভিল সার্ভিসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। সতেরো কোটি মানুষের এই দেশে তিনি কোনো প্রতিশোধের রাজনীতি চান না। তিনি মনে করেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারলেই কেবল দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে এবং শান্তি ফিরবে। আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে দেশের অর্থনীতি আজ ধ্বংসের মুখে, মুদ্রাস্ফীতি আকাশচুম্বী এবং বেকারত্ব যুবকদের হতাশায় নিমজ্জিত করেছে। তারেক রহমান এই সংকট উত্তরণে &amp;lsquo;ফ্যামিলি কার্ড&amp;rsquo; চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা নারী ও বেকারদের আর্থিক নিরাপত্তা দেবে। তিনি তরুণ উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল অর্থনীতিতে যুক্ত করতে চান। ব্যাংকিং খাতকে উদার করে আন্তর্জাতিক বাজারের দরজা উন্মুক্ত করার মাধ্যমে তিনি দেশকে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে চান। বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো বিদেশে কর্মরত রেমিট্যান্স যোদ্ধারা। তারেক রহমান প্রায় দশ লাখ প্রবাসী শ্রমিককে উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তিনি মনে করেন, শ্রমিকদের ভাষা ও কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি করলে তারা বিদেশে উচ্চ বেতনের কাজ পাবে, যা দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। প্রবাসীদের সম্মান ও অধিকার রক্ষায় তার এই দূরদর্শী চিন্তা বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে এবং নতুন আশা জাগাচ্ছে। প্রতিবেশী ভারতের সাথে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত তিস্তা পানি বণ্টন ইস্যু নিয়ে তারেক রহমান অত্যন্ত সাহসিক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি আন্তর্জাতিক পানি কনভেনশন অনুযায়ী বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা আদায়ের কথা বলেছেন। শেখ হাসিনার আমলে করা অসম চুক্তিগুলো সংশোধনের মাধ্যমে তিনি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে চান। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, প্রতিবেশী হিসেবে বন্ধুত্ব থাকবে, তবে বাংলাদেশের স্বার্থের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে তারেক রহমান এরই মধ্যে সফল কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বাণিজ্যিক ঘাটতি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছেন তিনি। আমেরিকান তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের ওপর শুল্ক কমানোর বিষয়টি একটি বড় সাফল্য। তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একযোগে কাজ করে সমৃদ্ধি অর্জন করবে। তারেক রহমান মনে করেন, দেশের মঙ্গলের জন্য সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি উগ্রবাদ পরিহার করে একটি গণতান্ত্রিক ও সহনশীল সমাজ গড়তে চান। তার নেতৃত্বে বিএনপি এখন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তিনি বারবার বলছেন, ৫ই আগস্টের আগে যে ফ্যাসিবাদের অন্ধকার ছিল, সেখানে দেশ আর ফিরে যাবে না। মানুষ এখন মুক্তভাবে তাদের রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করবে। জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ তারেক রহমানের হৃদয়ে গভীর দাগ কেটেছে। তিনি মনে করেন, যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন, তাদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। তারেক রহমান তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়েছেন। সৎ ও পেশাদার ব্যক্তিদের রাজনীতিতে আসার সুযোগ করে দিয়ে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য সুন্দর দেশ রেখে যেতে চান। তারেক রহমানের এই অভাবনীয় প্রত্যাবর্তন কেবল একজন রাজনীতিবিদের ক্ষমতায় আসা নয়, বরং এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের মুক্তি। তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, জনগণের ভালোবাসাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। তার প্রতিটি কথা ও কাজে ফুটে ওঠে দেশপ্রেম এবং গণমানুষের প্রতি অগাধ মমতা। তারেক রহমানের এই দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ খুব দ্রুতই বিশ্বের দরবারে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি পাবে। শেষে বলা যায়, তারেক রহমান মানেই আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্ন। ১৭ বছরের জুলুম-নির্যাতন তাকে আরও পরিপক্ক এবং জনগণের ঘনিষ্ঠ করে তুলেছে। আজ সারা বিশ্বের নজর এই জননেতার ওপর। বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে, তারেক রহমানের হাত ধরেই আসবে প্রকৃত স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক মুক্তি। স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্ত এই দেশে এখন সুশাসনের নতুন সূর্য উদিত হয়েছে, যার সারথি স্বয়ং তারেক রহমান।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z208_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z208_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z208_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কোন পথে পিনাকী ভট্টাচার্য? সামনের বার আমরা জাশিরা যাব ক্ষমতায় ইনশাআল্লাহ!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23860</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23860</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 17 Feb 2026 02:02:39 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চোরের সাক্ষী মাতাল&amp;mdash;এই প্রবাদটি কি বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে মিলে যাচ্ছে? বিদেশে বসে পিনাকী ভট্টাচার্য যখন জামায়াতকে ক্ষমতায় আনার স্বপ্ন দেখান, তখন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z207_1.jpg" alt="কোন পথে পিনাকী ভট্টাচার্য? সামনের বার আমরা জাশিরা যাব ক্ষমতায় ইনশাআল্লাহ!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চোরের সাক্ষী মাতাল&amp;mdash;এই প্রবাদটি কি বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে মিলে যাচ্ছে? বিদেশে বসে পিনাকী ভট্টাচার্য যখন জামায়াতকে ক্ষমতায় আনার স্বপ্ন দেখান, তখন সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে, দেশটা কি আবার অন্ধকারের দিকে যাচ্ছে? আজকের ভিডিওতে দেখুন পিনাকী সেই ভয়ংকর গোপন আঁতাতের নেপথ্য কাহিনী! কথায় আছে, &amp;quot;ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়।&amp;quot; বাংলাদেশের মানুষ জামায়াত-শিবিরের সেই অগ্নিসন্ত্রাস আর বিভীষিকার দিনগুলো ভোলেনি। অথচ এখন সুদূর ফ্রান্স থেকে পিনাকী ভট্টাচার্য নামের এক ব্যক্তি জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর দিবা স্বপ্ন দেখছেন। সাধারণ মানুষের রক্ত নিয়ে ছিনিমিনি খেলার এক নতুন নীলকশা তৈরি করছেন এই স্বঘোষিত বিশ্লেষক, যার লক্ষ্যই হলো দেশকে অস্থিতিশীল করা। পিনাকী ভট্টাচার্য তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে খুব দম্ভের সাথে বলেছেন যে, আগামীবার নাকি জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় যাবে। ভাবুন একবার, যে দলটির অতীত রক্তে ভেজা, তাদের নিয়ে পিনাকীর এই মাতামাতি কি শুধুই রাজনৈতিক বিশ্লেষণ? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো বড় ষড়যন্ত্র? বিদেশে বসে আরাম আয়েশ করে দেশের ভেতরে বিষ ছড়ানোর এই প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ভয়ানক। তার এই বক্তব্যের মধ্যে কোনো দেশপ্রেম নেই, বরং আছে ক্ষমতার লোভ। পিনাকী বলছেন জামায়াত এবং অন্যান্য ছোট ছোট উগ্রবাদী দলের ভোট নাকি ৩৮ শতাংশ। তিনি জনগণকে বিভ্রান্ত করতে এই কাল্পনিক সংখ্যাগুলো ব্যবহার করছেন। একজন স্বঘোষিত বিশ্লেষক যখন জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়াই ক্ষমতায় যাওয়ার ঘোষণা দেন, তখন বুঝতে হবে তিনি আসলে পর্দার আড়ালে থেকে কোনো অপশক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে কাজ করছেন। তিনি বলছেন পাঁচ বছর দাঁতে দাঁত কামড়ে কাজ করতে। কিসের কাজ? দেশকে কি আবারও একাত্তরের সেই পরাজিত শক্তির হাতে তুলে দেওয়ার কাজ? পিনাকীর নির্দেশনায় জামায়াত যদি রাজনীতি করে, তবে সেই রাজনীতি সাধারণ মানুষের কল্যাণে আসবে না। বরং তা আসবে দেশের উন্নয়নকে ধ্বংস করতে এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করতে। জনগণের আবেগ নিয়ে খেলা করার এই চেষ্টা অত্যন্ত ধিক্কারজনক ও জনবিরোধী। পিনাকী ভট্টাচার্য নিজে দেশ ছেড়ে পালিয়ে ফ্রান্সে বসে আছেন। সেখান থেকেই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করছেন। তার এই হিসাব নিকাশ কেবলই ডিজিটাল প্রচারণা মাত্র। বাস্তবে বাংলাদেশের মানুষ কখনওই উগ্রবাদ কিংবা রাজাকারের আদর্শকে গ্রহণ করবে না। জামায়াতকে ক্ষমতায় নেওয়ার স্বপ্ন আসলে গণতন্ত্রের ওপর এক বড় আঘাত এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে এক চরম বেইমানি। পিনাকী প্রকাশ্যে নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলেছেন। এর মানে কি এই যে তিনি এখন জামায়াতের অঘোষিত আমীর হয়ে উঠেছেন? জামায়াত এবং এর মিত্রদের নিয়ে তার এই নতুন জোট গঠনের পরিকল্পনা মূলত বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার কৌশল। ধর্মের দোহাই দিয়ে সহজ সরল মানুষকে বোকা বানানোই তাদের পুরনো অভ্যাস, আর পিনাকী এখন সেই পুরনো নাটকের নতুন এক ভাড়াটে নির্দেশক। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না জামায়াতের অতীত ইতিহাস। একাত্তর থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত তাদের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সবার জানা। পিনাকী এখন সেই শক্তিকে পুনর্বাসিত করতে চান। তিনি দাবি করছেন ভোটের পার্সেন্টেজ নাকি ৪৫ শতাংশে নিয়ে যাবেন। এই অবাস্তব অংকের আড়ালে আসলে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সাধারণ জনতা পিনাকীর এই মিথ্যা পরিসংখ্যানকে ঘৃণাভরে এখন প্রত্যাখ্যান করছে। বিদেশে বসে পিনাকী যেভাবে দেশের বিচার ব্যবস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালান, তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। জামায়াতের মতো একটি নিষিদ্ধ প্রায় শক্তিকে তিনি যেভাবে উসকে দিচ্ছেন, তাতে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আসলে চান বাংলাদেশে অশান্তি বজায় থাকুক, যাতে তার ব্যক্তিগত ফায়দা লুট করা যায়। দেশবাসীর উচিত এই সমস্ত ভণ্ড দেশপ্রেমিকের আসল রূপ চেনা। পিনাকীর এই &amp;#39;পিস অব কেক&amp;#39; বা সহজ বিষয় বলার অর্থ হলো তিনি জনগণের বিবেককে তাচ্ছিল্য করছেন। গণতন্ত্র মানেই হলো জনগণের ভোটাধিকার, কিন্তু পিনাকী চাচ্ছেন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতার রদবদল। জামায়াতকে ক্ষমতায় আনার এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা কেবল রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বই প্রকাশ করে। বাংলাদেশের প্রগতিশীল সমাজ ও সচেতন মানুষ কখনওই এই উগ্রবাদী জোটকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দিবে না বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। শেষে বলতে চাই, পিনাকী ভট্টাচার্যের মতো সুবিধাবাদীরা নিজের স্বার্থের জন্য দেশের বারোটা বাজাতেও দ্বিধা করে না। জামায়াতে ইসলামীকে সাথে নিয়ে তিনি যে নতুন নীলকশা বুনছেন, তা রুখে দেওয়ার সময় এখনই। দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ আমাদের খুলে দিতে হবে। মনে রাখবেন, বাংলার মাটিতে কোনো অপশক্তির স্থান হবে না। আমরা চাই শান্তি, উন্নয়ন এবং প্রগতিশীল এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, কোনো ষড়যন্ত্র নয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z207_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z207_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z207_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[হাজার ড্রোন থামাবে কে! ইসরায়েলকে বাঁচাতে শেষ প্রস্তুতি?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23859</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23859</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 16 Feb 2026 18:02:21 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কথায় আছে, &amp;#39;অতি দর্পে হত লঙ্কা&amp;#39;। অথচ অহংকারী আমেরিকা কি সেই ইতিহাস ভুলে গেল? একদিকে সুপার বোলের উৎসব, আর অন্যদিকে পর্দার আড়ালে ইরানের ওপর হামলার নীল নকশা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z201_1.jpg" alt="হাজার ড্রোন থামাবে কে! ইসরায়েলকে বাঁচাতে শেষ প্রস্তুতি?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কথায় আছে, &amp;#39;অতি দর্পে হত লঙ্কা&amp;#39;। অথচ অহংকারী আমেরিকা কি সেই ইতিহাস ভুলে গেল? একদিকে সুপার বোলের উৎসব, আর অন্যদিকে পর্দার আড়ালে ইরানের ওপর হামলার নীল নকশা! ভাবছেন অত্যাধুনিক লেজার গাইডেড রকেট দিয়ে ইরানের বীরত্ব থামানো যাবে? ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুল করতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। আজ উন্মোচন হবে মার্কিনীদের সেই ভণ্ডামির আদ্যোপান্ত! পৃথিবীর ইতিহাসে বারবার প্রমাণিত হয়েছে যে, অন্যায়ভাবে অন্যের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চাইলে শেষ পর্যন্ত নিজের পতন অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে আমরা ঠিক সেই চিত্রই দেখতে পাচ্ছি। একদিকে মজলুম মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়েছে ইরান, আর অন্যদিকে দখলদার ইসরায়েলকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা। সম্প্রতি সুপার বোলের আসরে তারা তাদের শক্তির এক নির্লজ্জ প্রদর্শনী করেছে। আমেরিকার জাতীয় সংগীত চলাকালীন হঠাৎ ভিডিও স্ক্রিনে দেখা গেল ভয়ংকর এফ-ফিফটিন ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান। এগুলো সাধারণ কোনো বিমান নয়, বরং লেজার গাইডেড এপিকেডব্লিউএস রকেটে ঠাসা। এই প্রদর্শনী মূলত একটি প্রোপাগান্ডা, যা দিয়ে তারা ইরানকে ভয় দেখাতে চায়। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। তেহরানের ঈমানি শক্তির সামনে আধুনিক এই লোহালক্কড় হয়তো স্রেফ খেলনা ছাড়া আর কিছুই নয়। সুপার বোলের মতো একটি ক্রীড়া ইভেন্টে যুদ্ধের সরঞ্জামের মহড়া দেওয়া কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই ভিডিওর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের উপস্থিতির জানান দিচ্ছে। জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে তারা যেভাবে শক্তি বাড়াচ্ছে, তা কোনো শুভ লক্ষণ নয়। ইসরায়েলকে সুরক্ষিত রাখতে তারা এখন জর্ডানের মাটি ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই এফ-ফিফটিন বিমানগুলো নাকি ইরানি ড্রোন ধ্বংস করার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। আমেরিকা দাবি করছে, এই বিমানগুলো লেজার গাইডেড রকেট দিয়ে অনায়াসেই যেকোনো ড্রোন ভূপাতিত করতে পারবে। কিন্তু আমরা দেখেছি, গত এপ্রিলে ইরান যখন শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, তখন ইসরায়েল আর আমেরিকার অত্যাধুনিক সব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল। তাদের প্রযুক্তি আজ প্রশ্নের মুখে। জর্ডানের সেই ঘাঁটিতে এখন শুধু এফ-ফিফটিন নয়, বরং এ-টেন ওয়ারথগ, এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোন এবং আরও অনেক মারণাস্ত্র জড়ো করা হয়েছে। এমনকি ভারমন্ট থেকে এফ-থার্টি ফাইভ স্টিলথ ফাইটারও সেখানে পাঠানোর তোড়জোড় চলছে। এত আয়োজন কেন? কারণ তারা জানে, ইরানের পালটা জবাব হবে ভয়াবহ। ইরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক চুলও ছাড় দেবে না, আর এটাই আমেরিকার প্রধান মাথা ব্যথার কারণ। আমেরিকা নিজেকে বিশ্বের পুলিশ মনে করলেও আসলে তারা ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করতেই ব্যস্ত। সুপার বোলের ১ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের সেই ফুটেজটি ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, বিমানবাহিনীর কয়েক ডজন সদস্যের পেছনে এই ঘাতক বিমানগুলো সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এটি আসলে যুদ্ধের উসকানি ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ ইরান বরাবরই শান্তির কথা বলে আসছে, কিন্তু তাদের শক্তিকে খাটো করে দেখা হবে বোকামি। ইতিমধ্যেই শোনা যাচ্ছে যে, ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু হোয়াইট হাউসে বৈঠক করতে যাচ্ছেন। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্যই হলো ইরানকে কীভাবে চাপে রাখা যায়। ইসরায়েল চাইছে আমেরিকা যেন সরাসরি ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে হামলা করে। কিন্তু তেহরানের হাজার হাজার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র যে কোনো মুহূর্তে তেল আবিব এবং মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন ঘাঁটিকে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। তারা আসলে আগুনের সাথে খেলছে। গত কয়েক বছরে ইরানের সামরিক সক্ষমতা যেভাবে বেড়েছে, তা পশ্চিমা বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছে। সস্তা অথচ কার্যকর ড্রোন প্রযুক্তি দিয়ে ইরান এখন বড় বড় শক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। আমেরিকার এই দামী রকেটগুলো দিয়ে ইরানের ঝাঁকে ঝাঁকে আসা ড্রোন থামানো প্রায় অসম্ভব। একটা এফ-ফিফটিন হয়তো কয়েকটা ড্রোন ফেলবে, কিন্তু যখন হাজার হাজার ড্রোন আকাশ ছেয়ে ফেলবে, তখন পালানোর পথ পাবে না মার্কিনীরা। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সাথে আলোচনা ইতিবাচক হচ্ছে। কিন্তু পর্দার আড়ালে যুদ্ধের প্রস্তুতি কেন? ওমান আলোচনায় ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো আপস হবে না। ইরান এখন আর আগের মতো দুর্বল নয়। তাদের হাতে এখন এমন সব অস্ত্র আছে, যা রাডারের চোখ ফাঁকি দিয়ে টার্গেটে আঘাত হানতে পারে। মার্কিন দাপট এখন শুধু ভিডিওতেই সীমাবদ্ধ। জর্ডান সীমান্ত ব্যবহার করে মার্কিনীদের এই তর্জন-গর্জন আসলে তাদের ভয়েরই বহিঃপ্রকাশ। সম্প্রতি তারা পুয়ের্তো রিকো থেকে আরও যুদ্ধবিমান সেখানে নিয়ে এসেছে। এমনকি শত শত কার্গো বিমানে করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানো হচ্ছে। যদি তারা সত্যিই শক্তিশালী হতো, তবে এত রক্ষাকবচের প্রয়োজন হতো না। ইরান তার অবস্থানে অনড়, আর এটাই প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে কাজ করছে। আমেরিকার সাধারণ মানুষ যখন খেলা নিয়ে ব্যস্ত, তখন তাদের ট্যাক্সের পয়সা খরচ করা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি জিইয়ে রাখার জন্য। ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে আমেরিকা আজ সারা বিশ্বে বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে। ইরানের ওপর কোনো ধরনের হামলা হলে তা হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা। আর সেই যুদ্ধে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের কবর রচিত হবে বলে সমর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তেহরান এখন সময়ের অপেক্ষায়। নেতানিয়াহুর উসকানিতে পা দিয়ে ট্রাম্প যদি কোনো ভুল পদক্ষেপ নেন, তবে তার মাশুল দিতে হবে পুরো বিশ্বকে। ইরান বারবার সতর্ক করেছে যে, তাদের সীমানার কাছে কোনো বিদেশি শক্তির উপস্থিতি তারা সহ্য করবে না। সুপার বোলের সেই বিজ্ঞাপন দিয়ে ইরানকে দমানো যাবে না। বরং এতে ইরানি যোদ্ধাদের মনোবল আরও দৃঢ় হচ্ছে। সত্যের জয় হবেই এবং মিথ্যার বিনাশ হবে অনিবার্যভাবে। মার্কিন এই এফ-ফিফটিন যুদ্ধবিমানগুলো ল্যাকেনহেথ ঘাঁটি থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে। যারা গত এপ্রিলে ইসরায়েলকে বাঁচাতে আকাশপথে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। ইরান আরও উন্নত কৌশল অবলম্বন করছে। দখলদার বাহিনীর পতন এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। কোনো আধুনিক প্রযুক্তি বা লেজার গাইডেড রকেট দিয়ে মজলুমের কণ্ঠস্বর চেপে রাখা যায় না। ইতিহাস তার সাক্ষ্য আজীবন বহন করবে। শেষে বলতে চাই, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পতন আসন্ন। আমেরিকা যতই অস্ত্র প্রদর্শন করুক না কেন, সত্যের পথে থাকা যোদ্ধাদের সামনে তারা টিকতে পারবে না। ইরানের প্রতিটি পদক্ষেপ এখন অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। সুপার বোলের ভিডিও হয়তো সমর্থকদের হাততালি কুড়াবে, কিন্তু রণক্ষেত্রে পরিস্থিতি হবে সম্পূর্ণ আলাদা। আমরা সত্যের পক্ষে থাকব এবং সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকব। মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়ের সূর্য উদিত হবেই। আমেরিকার এই রণপ্রস্তুতি নিয়ে আপনারা কী ভাবছেন? ইরান কি পারবে এই বিশাল পরাশক্তিকে রুখে দিতে? নাকি ইসরায়েলের জয়গানই গাইবে আধুনিক এই মারণাস্ত্রগুলো? আপনাদের মূল্যবান মতামত আমাদের কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন। দর্শক, ভিডিওটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন এবং আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকুন। সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z201_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z201_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z201_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ভোটের বিতরণ ও পর গাড়ি-প্লট ত্যাগ! জামায়াতের সততার মুখোশ!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23858</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23858</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 16 Feb 2026 18:02:35 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম : চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী&amp;mdash; কথাটি হয়তো আজকের এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য একদম পারফেক্ট। যখন আদর্শের বুলি দিয়ে মানুষের ভোট কেনা হয়...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z206_1.jpg" alt="ভোটের বিতরণ ও পর গাড়ি-প্লট ত্যাগ! জামায়াতের সততার মুখোশ!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আব্দুল্লাহ আল মাসুম : চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী&amp;mdash; কথাটি হয়তো আজকের এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য একদম পারফেক্ট। যখন আদর্শের বুলি দিয়ে মানুষের ভোট কেনা হয়, তখন সেই রাজনীতির ভবিষ্যৎ আসলে কোন অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে, তা ভাবার সময় এখন এসেছে। সবাই যখন ক্ষমতার মোহে ব্যস্ত, তখন একদল বলছে তারা সরকারি গাড়ি-প্লট নেবে না! কিন্তু এই ত্যাগের আড়ালে কি কোনো ভয়ংকর সত্য লুকিয়ে আছে? সততার সাইনবোর্ড ঝোলালেই কি পাপ মুছে যায়? আজ আমরা ফাঁস করব সেই &amp;#39;টাকার খেলা&amp;#39; যা শুনলে আপনি চমকে উঠবেন! জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির ভেতরে আর বাইরের পার্থক্যটা এখন দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে। সম্প্রতি তাদের আইনজীবী শিশির মনির সাহেব একটি পূর্ব ঘোষণার কথা জানিয়েছেন যে, তাদের এমপিরা নাকি ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি আর সরকারি প্লট নেবেন না। শুনে মনে হতে পারে দেশটা হয়তো ফেরেশতায় ভরে গেছে। কিন্তু একটু গভীরে তাকালেই দেখা যাবে এর পেছনে রয়েছে বিশাল এক সাজানো প্রচারণার নাটক। এই নাটক সাজানো হয়েছে কেবল সাধারণ মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার জন্য, যা আসলে আদর্শিক রাজনীতির পরিপন্থী একটি ধূর্ত কৌশল। যে দল নির্বাচনের আগে পাড়ায় পাড়ায় টাকার বান্ডিল নিয়ে ঘোরে, তাদের মুখে ত্যাগের বুলি শুনলে হাসি পায়। মানুষের ঈমান আর ভোট কেনার জন্য তারা পর্দার আড়ালে যে টাকার খেলা খেলে, তা কারো অজানা নয়। ইসলামের লেবাস পরে যখন অনৈতিকভাবে ভোট সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়, তখন সেই দলকে ইসলামী দল হিসেবে পরিচয় দিতেও সাধারণ মানুষের মনে চরম ঘৃণা জন্মায়। তাদের এই কর্মকাণ্ড পবিত্র ইসলামের প্রকৃত শিক্ষার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক এবং সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত অপমানজনক। নাটকের স্ক্রিপ্টটা অনেকটা এরকম যে, প্রথমে আপনি পর্দার আড়ালে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মানুষের অভাবের সুযোগ নেবেন। তারপর যখন ক্ষমতা হাতে আসবে, তখন ক্যামেরার সামনে এসে বলবেন আমরা দুনিয়াদারিতে নেই। এই যে গাড়ি বা প্লট না নেওয়ার বাহানা, এটা আসলে সাধারণ মানুষের মন ভোলানোর একটা সস্তা পিআর স্টান্ট ছাড়া আর কিছুই নয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই ধরনের স্টান্ট দিয়ে তারা কেবল নিজেদের অপরাধ ঢাকতে চায়। একটি পাজেরো গাড়ির দাম হয়তো কয়েক কোটি টাকা হতে পারে, কিন্তু সেই গাড়ি ত্যাগ করার খবর ছড়িয়ে যদি কোটি মানুষের কাছে নিজেকে সৎ প্রমাণ করা যায়, তবে সেই ইনভেস্টমেন্ট তো তাদের জন্য অনেক লাভজনক। জামায়াত এই কৌশলটিই এখন কাজে লাগাচ্ছে। তারা চাচ্ছে সাধারণ মানুষকে আবেগ দিয়ে অন্ধ করে রাখতে, যাতে তাদের পেছনের অন্ধকার কাজগুলো কেউ দেখতে না পায়। বিএনপির মতো একটি বৃহৎ ও জনপ্রিয় দল যেখানে মানুষের অধিকারের কথা বলে, সেখানে জামায়াত ব্যস্ত কেবল লোকদেখানো তথাকথিত ত্যাগের গল্পে। ইসলামের নাম ভাঙিয়ে রাজনীতি করবেন, আবার ভোটের সময় সেই ইসলামের বিধান যেমন ঘুষ বা অনৈতিক লেনদেন ভুলে যাবেন, এই দ্বিচারিতা পাবলিক এখন ধরে ফেলেছে। আপনি গায়ের সাইনবোর্ড পাল্টে খুব সহজেই সৎ সাজতে পারেন, কিন্তু ভেতরের সেই পুরোনো সুবিধাবাদী চরিত্রটা বদলানো যে কত কঠিন, তা তাদের প্রতিটি পদক্ষেপে আজ দেশের মানুষের কাছে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠছে। তাদের এই দ্বিমুখী আচরণ আজ তরুণ প্রজন্মের কাছেও ধরা পড়ে গেছে। জনগণের মনে আজ বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি না নেওয়াটা কি আসলেই সততা নাকি ভোট কেনার পাপ ঢাকার একটা পাতলা চাদর মাত্র? যে দলটির আদর্শিক ভিত্তি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে, তারা কেন এখন হঠাৎ করে এত বড় ত্যাগের অভিনয় করছে? আসলে জনসমর্থন হারানোর ভয়ে তারা এখন নতুন করে সততার জিকির তুলে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। তবে বাংলাদেশের জনগণ এখন আর বোকা নেই, তারা ভালোভাবেই জানে কোন দল জনগণের সাথে প্রতারণা করছে। নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে যারা ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, তাদের আসল চেহারা উন্মোচন হওয়া জরুরি। কোটি কোটি টাকার লেনদেনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের যে নীল নকশা তারা তৈরি করে, তা ত্যাগের চাদর দিয়ে ঢাকা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের সচেতন সমাজ এখন আর এসব সস্তা কৌশলে ভুলবে না। তারা জানে কে আসলে খাঁটি আর কে কেবল অভিনয়ের রাজনীতি করছে। বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের বিপরীতে জামায়াতের এই চতুর পথচলা কেবল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্যই। ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার এই অপচেষ্টা আর কতদিন চলবে? জামায়াতের এই পলিটিক্যাল স্টান্ট কি শেষ পর্যন্ত তাদের রক্ষা করতে পারবে? গাড়ি বা প্লট না নেওয়াটা যদি সত্যিই আন্তরিক হতো, তবে ভোটের মাঠে টাকার প্রবাহ বন্ধ হতো। কিন্তু যখন বাস্তব আর প্রচারণার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য দেখা যায়, তখন বুঝতে হবে ডাল মে কুছ কালা হ্যায়। তারা জনগণের সাথে প্রতারণা করে কেবল নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত, যা জাতীয়তাবাদের চেতনার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অবস্থান। দেশবাসীর কাছে একটাই অনুরোধ, আপনারা তথাকথিত ত্যাগের এই মোড়ক দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। রাজনীতির মাঠের এই ধূর্ত চালগুলো বুঝতে শিখুন। জামায়াতের এই সততার আড়ালে লুকিয়ে থাকা আসল উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলুন। মনে রাখবেন, অন্ধ আবেগ দিয়ে দেশ চলে না, দেশ চলে সত্য আর সুশাসনের ভিত্তিতে যা এই দলের মধ্যে অনুপস্থিত। বিএনপি সবসময় জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে, যেখানে মিথ্যা ত্যাগের কোনো স্থান নেই। সত্যিই কি তারা সৎ, নাকি এটা কেবলই ক্ষমতার মসনদে যাওয়ার একটি সুকৌশলী সিঁড়ি? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান। বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় সজাগ থাকুন। আমরা সত্যকে তুলে ধরবই।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z206_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z206_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z206_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[উসকানিমূলক বক্তব্য! সাদিক কায়েমের অস্থিরতার ইন্ধন?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23857</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23857</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 16 Feb 2026 03:02:34 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest bangla news, bangladesh latest news, bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla tv news, bangla news today, latest news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, vote news bangla, taja bangla news, ajker bangla news, vote news today bangla, abc news bangla, latest news today, bangladesh news, vote news bangladesh, bangladeshi news, bangladesh news today, bangladesh tv news, live news bangladesh, bangladesh live news, banglavision news, bangladesh health news, banglavision news today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[গাছে না উঠতেই এক্কেবারে মগডালে! নিজেকে কি দেশের ভাগ্যবিধাতা ভাবছেন আবু সাদিক কায়েম? ছাত্র সংসদের কয়েক হাজার ভোট আর ১২ কোটি ভোটারের ম্যান্ডেট কি এক হলো? আজ আমরা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z200_1.jpg" alt="উসকানিমূলক বক্তব্য! সাদিক কায়েমের অস্থিরতার ইন্ধন?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>গাছে না উঠতেই এক্কেবারে মগডালে! নিজেকে কি দেশের ভাগ্যবিধাতা ভাবছেন আবু সাদিক কায়েম? ছাত্র সংসদের কয়েক হাজার ভোট আর ১২ কোটি ভোটারের ম্যান্ডেট কি এক হলো? আজ আমরা ফাঁস করবো ক্ষমতার মোহে অন্ধ এক ছাত্র নেতার হাস্যকর সব কর্মকাণ্ডের পেছনের গল্প।&amp;nbsp; কথায় আছে, &amp;quot;অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী, আর বেশি বাড়লে ঝড়ে যায়।&amp;quot; এই প্রবাদটি এখন আমাদের দেশের আলোচিত ছাত্র নেতা আবু সাদিক কায়েমের ক্ষেত্রে অক্ষরে অক্ষরে সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজেকে আর কত হাস্যকর অবস্থানে দাঁড় করাবেন আপনি? আপনার সাম্প্রতিক প্রতিটি পদক্ষেপে স্পষ্ট যে, আপনি বাস্তবতা থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন। আপনার কর্মকাণ্ড এখন বিনোদনের খোরাক ছাড়া আর কিছুই নয়। আপনি কথায় কথায় &amp;quot;গণপ্রতিরোধ&amp;quot;-এর ডাক দেন, যা অত্যন্ত হাস্যকর। এই শব্দটির একটি গুরুগম্ভীর রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে, যা আপনি স্রেফ প্রহসনে রূপ দিয়েছেন। সামান্য ব্যক্তিগত স্বার্থ বা দলীয় কোনো ইস্যুতে এমন শব্দ ব্যবহার করা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের লক্ষণ। আপনার বোঝা উচিত যে, গণপ্রতিরোধ মানে গুটিকয়েক অনুসারী নিয়ে চিৎকার করা নয়। আপনি স্রেফ জনগণের সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলছেন। আপনার চারপাশে যারা থাকেন, তাদের আচরণ লক্ষ্য করেছেন কখনো? একদল উগ্র, অশালীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন অনুসারী নিয়ে আপনি দিন-রাত চলছেন। যখনই তাদের কোনো উগ্র কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, আপনি অম্লান বদনে দায় অস্বীকার করেন। আপনি বলেন যে তাদের ওপর আপনার নিয়ন্ত্রণ নেই। একজন প্রকৃত নেতার কাজ হলো তার দলের দায় স্বীকার করা। দায় এড়িয়ে যাওয়া ভণ্ডামি ছাড়া কিছুই নয়। আপনার আত্মমুগ্ধ ভঙ্গি দেখে মনে হয়, আপনি ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জিতেই বোধহয় রাষ্ট্রক্ষমতার বৈধ ম্যান্ডেট পেয়ে গেছেন। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দেড় লক্ষ শিক্ষার্থীর ভোট আর একটি দেশের ১২ কোটি ভোটারের ম্যান্ডেট কি এক? এই সাধারণ রাজনৈতিক পরিপক্বতা আপনার কবে হবে? রাষ্ট্র পরিচালনা এবং ছাত্র রাজনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বিষয়। এই বিভ্রম থেকে বের হওয়া আপনার জন্য জরুরি। জাতীয় নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবেই, এটাই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। কিন্তু আপনার এবং আপনার সমর্থিত দলের পরাজয় মানেই দেশের পরাজয়&amp;mdash;এমন সংকীর্ণ ব্যাখ্যা কেন? এই ধরনের আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা কেবল স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। গণতন্ত্র মানেই হলো অন্যের মতের শ্রদ্ধা করা। অথচ আপনি দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের রায়কে অপমান করে যাচ্ছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ এক ভয়াবহ অস্থিরতা ও সংকটের মধ্য দিয়ে গেছে। সেই অস্থিরতা দেশের অর্থনীতির জন্য কতটা ব্যয়বহুল ছিল, তা কি আপনি জানেন? বর্তমানে দেশের জন্য প্রয়োজন স্থিতিশীলতা এবং নির্বাচিত সরকারের সাথে গঠনমূলক সহযোগিতা। কিন্তু আপনি সেই পথে না হেঁটে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় লিপ্ত। আপনার এই অপরিণামদর্শী আচরণ দেশের জন্য চরম ক্ষতির কারণ। সামান্য কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে আপনি ফ্যাসিজমের পুনরাবৃত্তি বা গণপ্রতিরোধের মতো উসকানিমূলক রেটরিক ছড়াচ্ছেন। পরিস্থিতি ঘোলাটে করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টাই কি আপনার মূল লক্ষ্য? আপনার আবেগতাড়িত স্লোগান দিয়ে দেশের মানুষের পেট ভরবে না। এই মুহূর্তে আমাদের প্রয়োজন পরিমিতি, প্রজ্ঞা এবং গভীর রাষ্ট্রবোধ। চিৎকার করে পরিস্থিতি অস্থির করা কোনো রাজনৈতিক বীরত্ব নয়। মিস্টার আবু সাদিক কায়েম, এখনো সময় আছে বাস্তবতায় ফিরে আসুন। নিজেকে দেশের চেয়ে বড় ভাবা বন্ধ করুন। ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা মেটাতে গিয়ে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট করবেন না। সাধারণ মানুষ এখন শান্তি চায়, উসকানিমূলক স্লোগান নয়। মনে রাখবেন, জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো রাজনীতি বেশিদিন টেকে না। রাজনৈতিক পরিপক্বতা অর্জন করুন, নতুবা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে সময় লাগবে না।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z200_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z200_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z200_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জনগণের মাস্টারস্ট্রোক তারেক জিয়া, দেশ বাঁচানোর মিশন!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23856</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23856</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 15 Feb 2026 03:02:15 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, today latest news, latest bangla news, bangladesh latest news, rajpal yadav latest news, latest news and bulletin, latest pakistani news, updated news, rater bangladesh news, news, bangla news update, israel latest, news today, bangladesh news, bangla news, daily mail latest, bangla news today, us news, bd news, pm news, today raater news bangladesh, reuters news, india tv news, nbc news, international news, national news, fox news, abc news, pakistan court news, abp news, cbn news, news today usa, 100 news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অপেক্ষার অবসান! দীর্ঘ দুই দশক পর বাংলাদেশের আকাশে উদিত হলো নতুন সূর্য। জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার দ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-15-2-26_21.jpg" alt="জনগণের মাস্টারস্ট্রোক তারেক জিয়া, দেশ বাঁচানোর মিশন!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অপেক্ষার অবসান! দীর্ঘ দুই দশক পর বাংলাদেশের আকাশে উদিত হলো নতুন সূর্য। জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার দেশনায়ক তারেক রহমান। কিন্তু এই পথ কি শুধুই কুসুমাস্তীর্ণ? নাকি ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে তাকে লড়তে হবে পর্বতসম ১০টি চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে? আজ জানাবো তারেক রহমানের আগামীর মহাপরিকল্পনা! &amp;quot;কথায় আছে, &amp;lsquo;রাত যত গভীর হয়, সকাল তত নিকটে আসে।&amp;rsquo; বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে গত ১৫ বছর যে ঘন অন্ধকার ছিল, আজ তা কেটে গিয়ে ভোরের আলো ফুটেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। ২৯৭টি আসনের মধ্যে ২০৯টিতে জয়লাভ করে বিএনপি আজ একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। দেশের প্রতিটি প্রান্তে আজ আনন্দের জোয়ার, কারণ জননেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিচ্ছেন।&amp;quot; নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফলে এটি স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিল। তারা চেয়েছে এমন এক নেতৃত্ব, যিনি বিদেশের মাটিতে থেকেও দেশের মানুষের হৃদস্পন্দন বুঝতে পেরেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে তারেক রহমান যেভাবে দলটিকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন, তা বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিরল দৃষ্টান্ত। ১৮ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের তোড়জোড় চলছে। সারা দেশের মানুষের দৃষ্টি এখন বঙ্গভবনের দিকে, যেখানে শপথ নেবেন আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান। তারেক রহমানের সামনে প্রথম এবং প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার করা। বিগত সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল, তা মেরামত করা সহজ কাজ নয়। মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া হবে তার সরকারের অগ্রাধিকার। তারেক রহমান বারবার বলেছেন, তিনি এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চান যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই হবে তার সরকারের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে শুরুতেই বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হবে। ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং পাচার হওয়া টাকা ফিরিয়ে আনা হবে তার অর্থনৈতিক লড়াইয়ের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার, যা দেশের মানুষকে মুক্তি দেবে। প্রশাসনে জেঁকে বসা দলীয়করণ দূর করা তারেক রহমানের জন্য একটি বড় পরীক্ষা। বিগত সরকারের সুবিধাভোগী আমলারা যাতে জনস্বার্থ বিরোধী কাজ করতে না পারে, সেদিকে তাকে কড়া নজর দিতে হবে। দক্ষ, যোগ্য এবং দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে প্রশাসনকে গতিশীল করতে হবে। তারেক রহমানের ভিশন হলো একটি নিরপেক্ষ আমলাতন্ত্র তৈরি করা। যেখানে কাজ হবে মেধার ভিত্তিতে, কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়। এই সংস্কারই হবে নতুন বাংলাদেশের মেরুদণ্ড। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তর থেকে দুর্নীতি উপড়ে ফেলতে তারেক রহমান জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ছাড়া প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। একই সাথে উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান রোধ করা তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি একটি উদার ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে বদ্ধপরিকর। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলাদেশে কোনো উগ্রবাদের স্থান হবে না। সকল ধর্মের মানুষ এখানে শান্তিতে বসবাস করবে। বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। তারেক রহমান তার দীর্ঘ প্রবাস জীবনে আন্তর্জাতিক মহলে যে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছেন, তা বাংলাদেশের কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। ভিসা জটিলতা নিরসন এবং বিদেশে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি তার অন্যতম লক্ষ্য। তিনি চান সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়। তার পেশাদার কূটনীতি বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে এক সম্মানিত জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। দেশের লক্ষ লক্ষ বেকার তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা তারেক রহমানের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি এবং ফ্রিল্যান্সিং খাতকে গুরুত্ব দিয়ে তরুণদের স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনা করেছেন। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে নতুন নতুন কলকারখানা স্থাপন করা হবে। তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, তরুণরাই হলো আগামীর বাংলাদেশ। তাই তাদের যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হবে। মেধা পাচার রোধে নেওয়া হবে বিশেষ ব্যবস্থা। তারেক রহমানের রাজসিক প্রত্যাবর্তন প্রমাণ করে যে, দেশের মানুষ তাকে কতটা ভালোবাসে। ২৫শে ডিসেম্বর যখন তিনি দেশে ফিরলেন, তখন রাস্তার দুই পাশে লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নেমেছিল। সেই মানুষের চোখে আজ নতুন স্বপ্নের হাতছানি। চ্যালেঞ্জ অনেক, কিন্তু তারেক রহমানের সাহসিকতা এবং দেশপ্রেম সেই বাধাগুলো অতিক্রম করতে সক্ষম। তিনি কেবল বিএনপির নেতা নন, তিনি আজ সারা বাংলাদেশের আশা-ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল। ইনশাআল্লাহ, তার হাত ধরেই আসবে প্রকৃত মুক্তি।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-15-2-26_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-15-2-26_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-15-2-26_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু, প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন তারেক রহমান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23855</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23855</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 13 Feb 2026 08:02:23 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষা, হাজারো নেতাকর্মীর আত্মত্যাগ আর কোটি মানুষের প্রাণের দাবি অবশেষে আজ বাস্তবে রূপ নিল! স্বৈরাচারের পতন শেষে রাজকীয় প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-13-2-26-31.jpg" alt="গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু, প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন তারেক রহমান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষা, হাজারো নেতাকর্মীর আত্মত্যাগ আর কোটি মানুষের প্রাণের দাবি অবশেষে আজ বাস্তবে রূপ নিল! স্বৈরাচারের পতন শেষে রাজকীয় প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশের সিংহাসনে বসতে যাচ্ছেন জননেতা তারেক রহমান। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া আজ শুধু ধানের শীষের জয়গান। কীভাবে বিএনপি ২১০টি আসনে জয়লাভ করে এক অবিশ্বাস্য ইতিহাস গড়ল? &amp;quot;কথায় আছে, &amp;#39;বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে; আর গণতন্ত্র সুন্দর কেবল জনগণের ভোটে।&amp;#39; দীর্ঘ দেড় দশকের অন্ধকার কাটিয়ে আজ বাংলাদেশ তার আসল রূপ ফিরে পেয়েছে।&amp;quot; অবশেষে অন্ধকার অমানিশা কেটে বাংলাদেশের আকাশে উদিত হয়েছে নতুন ভোরের সূর্য। বহু আকাঙ্ক্ষিত এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার তারেক রহমান। বিএনপির এই বিশাল বিজয় কেবল একটি রাজনৈতিক দলের জয় নয়, বরং এটি বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক ঐতিহাসিক মহেন্দ্রক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশের অন্যতম বৃহৎ এবং জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপি এই নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করেছে। এককভাবে সরকার গঠনের নিরঙ্কুশ এখতিয়ার নিশ্চিত করার মাধ্যমে দলটি প্রমাণ করেছে যে, জনগণের হৃদয়ে তারেক রহমানের অবস্থান কতটা সুদৃঢ়। দলীয় প্রধান হিসেবে তারেক রহমানই এখন বাংলাদেশের নির্বাহী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এই জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে এক নতুন রাজনৈতিক যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দেশের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর নির্বাচন প্রত্যক্ষ করেছে কোটি কোটি ভোটার। সাধারণ মানুষের মধ্যে যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে, তা ছিল দেখার মতো। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ছিল ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার আনন্দ এবং একটি সুষ্ঠু সুন্দর আগামীর প্রত্যাশা। এবারের নির্বাচনে গড়ে ভোট প্রদানের হার ছিল প্রায় ৬২ শতাংশ, যা বিগত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম সেরা। নানা ধরণের সংঘাত ও সহিংসতার পূর্বাভাসকে ভুল প্রমাণ করে দেশব্যাপী এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে অনেকটা ঈদ উৎসবের মেজাজে। মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে নির্ভয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর এটিই ছিল দেশের মানুষের জন্য প্রথম বড় কোনো গণতান্ত্রিক পরীক্ষা। ১৩ তারিখ দিবাগত রাত ২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের প্রাপ্ত তথ্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র অনুযায়ী, বিএনপি ইতোমধ্যে ২১০টি আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু আসনে ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এই বিশাল ব্যবধান প্রমাণ করে যে, দেশের মানুষ তারেক রহমানের নেতৃত্বের ওপর কতটা আস্থাশীল এবং তারা বিএনপিকে কতটা ভালোবাসে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসনে জয়লাভ করেছে। অন্যান্য দল ৫টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। মাত্র ১টি আসনের ফলাফল স্থগিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দেয় যে, বাংলাদেশের শাসনভার জনগণের সম্মতিতে এখন বিএনপির হাতে। দীর্ঘদিনের সংগ্রাম এবং রাজপথের লড়াইয়ের পর এটি জাতীয়তাবাদী শক্তির জন্য এক পরম প্রাপ্তি। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। ২০০৮ সালের পর থেকে বাংলাদেশের মানুষ কার্যত তাদের ভোটাধিকার হারিয়েছিল। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের প্রহসনের নির্বাচনগুলোর পর এবারের নির্বাচন ছিল সাধারণ মানুষের কাছে এক পরম পাওয়া। তারা ব্যালটের মাধ্যমে তাদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবং ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। নির্বাচনের পাশাপাশি এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটাররা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তাদের সুস্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। একই দিনে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। এই দ্বিমুখী রায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে। মানুষ এখন শুধু পরিবর্তন নয়, বরং গুণগত পরিবর্তন চাচ্ছে। নির্বাচনকালীন সময়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং বিশেষ করে সেনাবাহিনীর অদম্য কঠোর অবস্থানের কারণে বড় কোনো সহিংসতা ঘটেনি। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী দেশের প্রতিটি প্রান্তে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করেছে। তাদের এই পেশাদারিত্বের কারণে ভোটাররা সাহস পেয়েছেন এবং কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসতে পেরেছেন। সেনাবাহিনীর এই ভূমিকা দেশের মানুষের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ইসিতে বড় ধরনের কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেনি বিএনপি বা বড় কোনো রাজনৈতিক দল। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ ছিল সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। কিছু রাজনৈতিক জোট অভিযোগ তুললেও প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো সমাধান করেছে। বিএনপি সবসময়ই চেয়েছে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে জনগণ তাদের রায় দেবে। আর সেই রায়ে আজ বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিজয়ী হয়েছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা পাঁচ শতাধিক বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা এই নির্বাচনের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা দেখেছেন কীভাবে বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ লাইন ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে শ্রেষ্ঠ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, গতকালের ভোটে তার প্রতিফলন ঘটেছে। এটি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী দুঃশাসনে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের লাখ লাখ নেতাকর্মী জেল-জুলুম এবং মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। তারেক রহমানকে বিদেশের মাটিতে নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয়েছে। কিন্তু কোনো কিছুই তাকে দেশের মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। আজকের এই জয় সেই সব ত্যাগী নেতাকর্মীদের জন্য উৎসর্গ করা হয়েছে যারা শত নির্যাতনেও আদর্শ ত্যাগ করেননি। তারেক রহমানের নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি। তরুণ সমাজ তাকে তাদের আইকন হিসেবে মনে করে। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ নয়, বরং তারেক রহমান স্বপ্ন দেখান একটি ইনক্লুসিভ এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশের। যেখানে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার থাকবে এবং বিচার বিভাগ হবে স্বাধীন। তারেক রহমানের এই ভিশনই আজ তাকে প্রধানমন্ত্রীর আসনে আসীন করতে যাচ্ছে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই সারা দেশে বিজয় মিছিল বের করেছে সাধারণ মানুষ। মিষ্টি বিতরণ আর ধানের শীষের স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজপথ। তবে দলের পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন কেউ প্রতিহিংসামূলক আচরণ না করে। তারেক রহমান আগেই বলেছিলেন, ক্ষমতার পরিবর্তন মানেই প্রতিশোধ নয়, বরং রাষ্ট্র মেরামতের কাজ শুরু করা। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির এই ভোট ইতিহাসের পাতায় মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই দিনটি চিহ্নিত হবে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস হিসেবে। আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছরের একতরফা ও বিতর্কিত নির্বাচনের কলঙ্ক মুছে দিয়েছে এই অবাধ নির্বাচন। আগামী প্রজন্ম এই দিনের কথা মনে রাখবে যখন ব্যালটের মাধ্যমে একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থার চূড়ান্ত অবসান ঘটেছিল বাংলাদেশে। শুক্রবার সারা দেশের মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। এই বিজয় আল্লাহর অশেষ রহমত এবং জনগণের দোয়ার ফল। তারেক রহমান শীঘ্রই তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দেশ গড়ার রূপরেখা জাতির সামনে তুলে ধরবেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এখন জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে এবং অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে বদ্ধপরিকর। বিএনপির এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনে বিশ্বনেতারা অভিনন্দন জানাতে শুরু করেছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ায় একটি স্থিতিশীল এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। শিল্প-কারখানা সচল করা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বেকারত্ব দূর করাই হবে নতুন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে জনগণের ভালোবাসা সাথে থাকলে কোনো বাধাই তারেক রহমানকে থামাতে পারবে না। বাংলাদেশের মানুষ প্রমাণ করে দিয়েছে যে তারা কোনো স্বৈরাচারকে চিরকাল সহ্য করে না। তারেক রহমানের ত্যাগ ও বিএনপির অবিচল সংগ্রাম আজ সার্থক হয়েছে। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ এখন একজন যোগ্য ও দূরদর্শী নেতার হাতে নিরাপদ। গণতন্ত্রের এই জয়যাত্রা চিরস্থায়ী হোক এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে বীরদর্পে এগিয়ে চলুক। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ জনতার রায়ে অবিচল থাকল বাংলাদেশ। জনতার স্পষ্ট ম্যান্ডেটে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর আসনে&amp;mdash;নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা। জামায়াতের আসন ও ভোট বৃদ্ধি পেলেও ক্ষমতার অলীক স্বপ্ন ভেস্তে গেছে। আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভূমিধস বিজয়ে জানাই ঐতিহাসিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-13-2-26-31.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-13-2-26-31.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-13-2-26-31.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[একবার সুযোগ নাকি গুপ্ত স্বৈরাচার! তলের পড়ার ইসলামী দল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23854</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23854</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 11 Feb 2026 18:02:25 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, today latest news, latest bangla news, bangladesh latest news, rajpal yadav latest news, latest news and bulletin, latest pakistani news, updated news, rater bangladesh news, news, bangla news update, israel latest, news today, bangladesh news, bangla news, daily mail latest, bangla news today, us news, bd news, pm news, today raater news bangladesh, reuters news, india tv news, nbc news, international news, national news, fox news, abc news, pakistan court news, abp news, cbn news, news today usa, 100 news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মৌসুমী আক্তার: চাচা আপন প্রাণ বাঁচা! কিন্তু দেশের প্রাণ যখন আজ সংকটে, তখন কি আপনি চুপ থাকবেন? এক স্বৈরাচারকে আমরা রক্ত দিয়ে বিদায় করেছি, কিন্তু দরজায় কি আরেক &amp;#...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z194_1.jpg" alt="একবার সুযোগ নাকি গুপ্ত স্বৈরাচার! তলের পড়ার ইসলামী দল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মৌসুমী আক্তার: চাচা আপন প্রাণ বাঁচা! কিন্তু দেশের প্রাণ যখন আজ সংকটে, তখন কি আপনি চুপ থাকবেন? এক স্বৈরাচারকে আমরা রক্ত দিয়ে বিদায় করেছি, কিন্তু দরজায় কি আরেক &amp;#39;গুপ্ত স্বৈরাচার&amp;#39; কড়া নাড়ছে? ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি কি আমাদের ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে? আজ সত্য বলার সময় এসেছে! কথায় আছে, &amp;lsquo;চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, আর বেইমান চেনার আগেই সময় ফুরিয়ে যায়।&amp;rsquo; আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ আজ এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের ওপেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়ে বিদায় করেছে। কিন্তু রাজনীতির আকাশে এখন নতুন মেঘের ঘনঘটা। আজ যারা তথাকথিত ইসলামের দোহাই দিয়ে &amp;lsquo;একবার সুযোগ&amp;rsquo; চাচ্ছে, তাদের পেছনের আসল উদ্দেশ্য এবং পুরনো ইতিহাস কি আমরা ভুলে গেছি? জামায়াতে ইসলামী আজ নিজেদের একটি ইসলামী দল হিসেবে দাবি করে ঠিকই, কিন্তু তাদের ভেতরের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই দলটা এখন আসলে হাফেজ বা ক্বারীদের দল নয়, বরং ভুয়া পদবীধারী ডাক্তার আর তথাকথিত অধ্যাপকদের কারখানায় পরিণত হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর চর্চার চেয়ে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি। ইসলামের দোহাই দিয়ে তারা আসলে জনগণের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে ক্ষমতার মসনদে বসতে চায়। আজকের জামায়াতে ইসলামী দেখলে অবাক হতে হয় যে, সেখানে প্রকৃত আলেম বা মুফতি খুঁজে পাওয়াটা খড়ের গাদায় সুঁই খোঁজার মতো কঠিন। তাদের নীতি-নির্ধারকরা ইসলামের মৌলিক শিক্ষার চেয়েও তথাকথিত আধুনিক পদবী নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। প্রশ্ন জাগে, ইসলাম কি এখন এই তলের পড়া ডক্তর আর ডাক্তারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছে? তলের পড়া বলতে বোঝানো হয়েছে&amp;mdash;উপরে আরবি ভাষায় এবং নিচে বাংলা ভাষায় লেখা পবিত্র কোরআন শরীফসহ ইসলামী বিভিন্ন গ্রন্থ। নামে ইসলামকে যারা কেবল রাজনীতির হাতিয়ার বানায়, তারা কি কখনো দেশের মঙ্গল কামনা করতে পারে? মনে করে দেখুন ১৯৯৬ সালের সেই সময়টির কথা। তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা ঠিক একই স্লোগান দিয়েছিলেন&amp;mdash;&amp;lsquo;আমাদের একবার সুযোগ দিন&amp;rsquo;। ২১ বছরের অপেক্ষার দোহাই দিয়ে জনগণের আবেগ নিয়ে সেবার বিশ্রীভাবে খেলেছিলেন তিনি। সেই একবারের সুযোগ পাওয়ার পর তিনি বাংলাদেশকে কী দিয়েছিলেন? দিয়েছিলেন একদলীয় শাসন, গুম, খুন আর লুটপাটের এক বিভীষিকাময় রাজত্ব। সেই সুযোগই আজ দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আজ ২০২৬ সালেও আমরা ঠিক একই স্ক্রিপ্টের পুনরাবৃত্তি দেখতে পাচ্ছি। এখন জামায়াতের বর্তমান আমির শফিকুর রহমান সাহেবরা ঠিক একই সুরে বলছেন, &amp;lsquo;আমাদের একবার সুযোগ দিন&amp;rsquo;। যারা একসময় স্বৈরাচারের সাথে হাত মিলিয়েছিল, তাদের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা কি সত্যিই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য? নাকি এটি পুরনো বিষকে নতুন বোতলে ভরে জনগণের সামনে হাজির করার একটি চতুর অপচেষ্টা মাত্র? ইতিহাস কিন্তু খুব একটা সুখকর নয়। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, ১৯৮৬ সালে জাতির সাথে সবচেয়ে বড় বেঈমানি করেছিল এই জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ। স্বৈরাচার এরশাদের পাতানো নির্বাচনকে বৈধতা দিতে তারা সেদিন জোট বেঁধেছিল। যে নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি গণতন্ত্রের স্বার্থে, সেখানে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ এরশাদের সাথে নির্বাচনে গিয়ে রাজনীতিতে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিয়েছিল। এই একাত্মতা স্বৈরাচার এরশাদকে ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে বিশাল এক অক্সিজেন সরবরাহ করেছিল সেদিন। জামায়াতে ইসলামী কখনোই আদর্শিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিল না, তারা সবসময় ক্ষমতার রাজনীতি করতে চেয়েছে। ১৯৮৬ সালের সেই কলঙ্কিত নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছিল যে, তারা বিরোধী দলের আপোসহীন রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তাদের লক্ষ্য ছিল যেকোনো মূল্যে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ভাগীদার হওয়া। এরপর স্লোগান ওঠে&amp;mdash;&amp;ldquo;ছিয়াশির বেইমান চশমা পরা বুবুজান&amp;rdquo; ও &amp;ldquo;ছিয়াশির বেইমান টুপিওয়ালা মুনাফেক।&amp;rdquo; সেই সময় থেকেই সাধারণ মানুষের কাছে মুনাফেক বলতে যেন জামায়াতকেই বোঝানো হতে থাকে। এই মুনাফেকি আজও তাদের রক্তে মিশে আছে। ১৯৯১ সালে ক্ষমতার স্বাদ নেওয়ার আশায় তারা সাময়িকভাবে বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু ১৯৯৪ সালে আবার পাল্টি মারে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে তারা সেই সময়কার চরম শত্রু আওয়ামী লীগের সাথে হাত মিলিয়ে সংসদ থেকে পদত্যাগ করে। রাজপথে আওয়ামী লীগের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করে তারা প্রমাণ করেছিল যে, ক্ষমতার স্বার্থে তারা যেকোনো সময় তাদের নীতি বিসর্জন দিতে এবং শত্রুর সাথে মিত্রতা করতে পারে। ২০০১ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতায় আসে, তখন জামায়াত আবার ক্ষমতার ভাগ পেতে জোটে যোগ দেয়। তাদের দুজন প্রভাবশালী নেতা তখন পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন। অথচ আজ তারা সেই সরকারের সমালোচনা করছে! সংসদীয় গণতন্ত্রে একে বলা হয় &amp;lsquo;যৌথ দায়বদ্ধতা&amp;rsquo;। নিজেদের মন্ত্রিত্বের সময়ে হওয়া কোনো ঘটনার দায় কি তারা এড়িয়ে যেতে পারে? আজ তারা যে সুরে কথা বলছে, তা যেন সরাসরি আওয়ামী লীগের প্রোপাগান্ডা মেশিনের প্রতিধ্বনি মাত্র। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বা টিআইবির সূচককে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে আওয়ামী লীগ এক যুগ ধরে বিএনপিকে হেয় করার চেষ্টা করেছে। আজ ঠিক সেই একই ভাষায় কথা বলছে জামায়াতে ইসলামী। তারা কি ভুলে গেছে যে সেই সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ তারাও ছিল? নিজেদের আমলের সাফল্যকে অস্বীকার করে তারা আসলে কাদের খুশি করতে চায়? এই দ্বিচারিতা প্রমাণ করে যে তারা রাজনৈতিকভাবে চরম অদূরদর্শী এবং আদর্শহীন এক দল। ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময়ও জামায়াতের ভূমিকা ছিল রহস্যজনক। মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের পাতানো নির্বাচনকে বৈধতা দিতে তারা বিএনপির সাথে পল্টি মারার উপক্রম করেছিল। তারা এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পাঁয়তারা করেছিল যাতে ষড়যন্ত্রকারীরা জয়ী হতে পারে। তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিপদের সময় তারা মিত্রকে ত্যাগ করে নিজেদের সুবিধা খুঁজতে সবসময় ব্যস্ত থাকে। এই বেইমানির ইতিহাস বাংলার মানুষ কখনো মুছে ফেলতে পারবে না। আওয়ামী লীগের সাথে ভারতের সম্পর্ক ছিল ওপেন বা প্রকাশ্য, কিন্তু জামায়াত এখন ভারতের সাথে সম্পর্ক গড়ছে গোপনে। এমনকি তারা বলছে যে ভারতের সাথে বৈঠকের বিষয়টি দিল্লি গোপন রাখতে বলেছে। যে দল দেশের সার্বভৌমত্বের কথা বলে, তারা কেন ভিনদেশি শক্তির সাথে এমন লুকোচুরি খেলছে? জামায়াত কি তবে কোনো নতুন &amp;lsquo;গুপ্ত স্বৈরাচার&amp;rsquo; হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার জন্য তলে তলে প্রস্তুতি নিচ্ছে? দেশপ্রেমিক জনতা এটা জানতে চায়। বিপরীতে আমরা দেখি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল&amp;mdash;বিএনপিকে। শত জুলুম, হুলিয়া আর হাজার হাজার নেতাকর্মীর আত্মত্যাগের পরও বিএনপি কখনো দেশের মানুষের সাথে বেইমানি করেনি। তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বিএনপি আজও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে আপোসহীন। বিএনপি কখনোই ক্ষমতার জন্য বিদেশের কাছে মাথা নত করেনি কিংবা পর্দার আড়ালে কোনো গোপন আঁতাত করেনি। বিএনপির মূল শক্তি হচ্ছে এই দেশের সাধারণ মেহনতি মানুষ এবং তাদের ভালোবাসা। ওপেন স্বৈরাচারকে আমরা হটিয়েছি ঠিকই, কিন্তু সাবধান থাকতে হবে যেন কোনো &amp;lsquo;গুপ্ত স্বৈরাচার&amp;rsquo; আমাদের ওপর চেপে না বসে। ধর্মকে ঢাল বানিয়ে যারা ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদের আসল চেহারা চিনে রাখুন। ১৯৮৬ সালের বেইমান বা ১৯৯৬ সালের সেই সুযোগ সন্ধানী আওয়ামী লীগ যেন নতুন কোনো মোড়কে ফিরে না আসে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। আসুন আমরা শপথ নেই, ইতিহাসের ভুল আর করব না। তথাকথিত &amp;lsquo;এক সুযোগ&amp;rsquo; চাওয়ার আড়ালে যারা দেশকে আবার অন্ধকারে নিতে চায়, তাদের লাল কার্ড দেখানোর সময় এসেছে। বাংলাদেশ হবে কেবল বাংলাদেশীদের জন্য, কোনো গোপন আঁতাতকারী বা বেইমানদের জন্য নয়। ইনশাআল্লাহ, গণতন্ত্রের বিজয় হবেই, সত্যের জয় হবেই। দেশপ্রেমিক জনতার জয় সুনিশ্চিত। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। বিএনপির নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z194_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z194_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z194_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ডাকাত তাড়াতে গিয়ে জান্নাতি চোর? আমাদের একবার সুযোগ দিন!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23853</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23853</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 11 Feb 2026 18:02:40 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, today latest news, latest bangla news, bangladesh latest news, rajpal yadav latest news, latest news and bulletin, latest pakistani news, updated news, rater bangladesh news, news, bangla news update, israel latest, news today, bangladesh news, bangla news, daily mail latest, bangla news today, us news, bd news, pm news, today raater news bangladesh, reuters news, india tv news, nbc news, international news, national news, fox news, abc news, pakistan court news, abp news, cbn news, news today usa, 100 news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মৌসুমী আক্তার:&amp;nbsp;একবার সুযোগ দিন!&amp;mdash;এই একটা বাক্য ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছিল। আজ ২০২৬ সালেও ঠিক একই স্লোগান দিয়ে নতুন কোনো স্ব...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_11-2-26_31.jpg" alt="ডাকাত তাড়াতে গিয়ে জান্নাতি চোর? আমাদের একবার সুযোগ দিন!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মৌসুমী আক্তার:&amp;nbsp;একবার সুযোগ দিন!&amp;mdash;এই একটা বাক্য ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছিল। আজ ২০২৬ সালেও ঠিক একই স্লোগান দিয়ে নতুন কোনো স্বৈরাচার কি আপনার দুয়ারে কড়া নাড়ছে? আমরা কি ডাকাত তাড়াতে গিয়ে জান্নাতি চোরকে ঘরে তোলার ভুল করতে যাচ্ছি? আজ পর্দার ওপারের সত্যটা জানতেই হবে! কথায় আছে, &amp;quot;ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়।&amp;quot; বাংলাদেশের মানুষের অবস্থা আজ ঠিক তেমনই হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি কীভাবে &amp;#39;একবার সুযোগের&amp;#39; নামে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ইতিহাসের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা আজ আমাদের বারবার সতর্ক করছে যাতে আমরা পুনরায় কোনো ভুল পথে পা না বাড়াই এবং সঠিক নেতৃত্বকে বেছে নিই। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা ঠিক এই &amp;#39;একবার সুযোগ&amp;#39; চেয়েই ক্ষমতায় এসেছিলেন। ২১ বছরের লম্বা অপেক্ষার দোহাই দিয়ে জনগণের আবেগ নিয়ে খেলেছিলেন তিনি। কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পর কী দেখলাম আমরা? সেই সুযোগকে তিনি ব্যবহার করলেন একদলীয় শাসন কায়েমের অস্ত্র হিসেবে। গণতন্ত্রের লেবাস পরে শুরু হলো গুম, খুন আর ভয়ংকর জুলুমের রাজত্ব, যা বাংলাদেশের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করে দিয়েছে অনেক বছর। আজ ২০২৬ সালে এসে আমরা দেখছি ইতিহাসের সেই একই স্ক্রিপ্টের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এখন জামায়াতের শফিকুর সাহেবরা ঠিক একই সুরে বলছেন, &amp;quot;আমাদের একবার সুযোগ দিন।&amp;quot; যারা ধর্মকে রাজনীতির ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, তাদের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা কি সত্যিই দেশের জন্য? নাকি এটি পুরনো মদ নতুন বোতলে ভরে জনগণের সামনে হাজির করার একটি অপচেষ্টা মাত্র? ইতিহাস কিন্তু খুব একটা সুখকর নয়। শেখ হাসিনার স্বৈরতন্ত্র আমাদের বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে বাকস্বাধীনতা পর্যন্ত সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে। সেই ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আজ যারা ধর্মতন্ত্রের স্বপ্ন দেখাচ্ছে, তারা কি আদৌ আমাদের মুক্তি দিতে পারবে? নাম বদলায়, লেবাস বদলায়, কিন্তু শোষণের নীল নকশা কি একই থেকে যায় না? আমরা কি সত্যিই আবার কোনো অন্ধকার গহ্বরে নিজেদের ভাগ্যরেখাকে সপে দিতে প্রস্তুত আছি? বিএনপি সবসময় জনগণের দল হিসেবে রাজপথে থেকে লড়াই করেছে। শহীদ জিয়ার আদর্শ আর মিস্টার তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি কখনোই ধর্মের দোহাই দিয়ে ক্ষমতা দখল করতে চায়নি। বিএনপি চেয়েছে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে এবং একটি সাম্য ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে। আওয়ামী লীগের জুলুম আর জামায়াতের উচ্চাভিলাষের মাঝে বিএনপিই একমাত্র শক্তি যারা প্রকৃত গণতন্ত্রের কথা বলতে পারে। ৯৬-এর সেই তথাকথিত &amp;#39;সুযোগ&amp;#39; আমাদের গণতন্ত্র কেড়ে নিয়েছিল, যার মাশুল আমরা আজও দিচ্ছি। ২৬-এর এই &amp;#39;সুযোগ&amp;#39; চাওয়ার আড়ালে কি আমাদের জাতীয় পরিচয় বিলীন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি নেই? রাজনৈতিক ডিকশনারিতে &amp;#39;একবার সুযোগ দিন&amp;#39; কথাটার মানে যদি হয় &amp;#39;একবার ক্ষমতায় গিয়ে আর কখনোই ক্ষমতা ছাড়ব না&amp;#39;, তবে সেই সুযোগ দেওয়ার আগে আমাদের হাজারবার ভাবতে হবে এবং বিএনপিকে সমর্থন করতে হবে। আওয়ামী লীগ এবং তাদের সমমনা শক্তিগুলো দেশকে একনায়কতন্ত্রের নরকে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে তথাকথিত ধর্মভিত্তিক একটি দল ক্ষমতার লোভে জনগণের সামনে এখন মায়াকান্না কাঁদছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ এখন সচেতন। তারা জানে, ডাকাত তাড়াতে গিয়ে জান্নাতি চোরকে ঘরে তোলা কোনো সমাধান নয়। বরং বিএনপিকে শক্তিশালী করে একটি আধুনিক এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ করাই হলো সময়ের দাবি এবং বাঁচার একমাত্র পথ। শেষে বলতে চাই, সময় এসেছে সত্যকে চেনার এবং দেশপ্রেমিক শক্তির পাশে দাঁড়ানোর। ধোঁকাবাজদের স্লোগানে বিভ্রান্ত না হয়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির হাতকে শক্তিশালী করুন। আসুন, আমরা সম্মিলিতভাবে স্বৈরাচার আর উগ্রবাদকে বিদায় জানিয়ে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ি। দেশের মানুষের মুক্তি এবং হারানো অধিকার পুনরুদ্ধারে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই, এটাই হলো চরম বাস্তবতা এবং আজ ও আগামীদিনের একমাত্র সত্য।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_11-2-26_31.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_11-2-26_31.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_11-2-26_31.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[নামাজের টুপি নাকি ভোটের টুপি? ধর্মের নামে টুপির ব্যবসা!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23852</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23852</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 11 Feb 2026 18:02:51 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, today latest news, latest bangla news, bangladesh latest news, rajpal yadav latest news, latest news and bulletin, latest pakistani news, updated news, rater bangladesh news, news, bangla news update, israel latest, news today, bangladesh news, bangla news, daily mail latest, bangla news today, us news, bd news, pm news, today raater news bangladesh, reuters news, india tv news, nbc news, international news, national news, fox news, abc news, pakistan court news, abp news, cbn news, news today usa, 100 news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মাথার টুপিটা কি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, নাকি ভোট পাওয়ার হাতিয়ার? এক হাতে তসবিহ আর মনে ক্ষমতার লোভ&amp;mdash;এভাবে কি আর কতদিন বাংলার মানুষকে ঠকাবেন? নামাজের টুপি আ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z195_1.jpg" alt="নামাজের টুপি নাকি ভোটের টুপি? ধর্মের নামে টুপির ব্যবসা!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মাথার টুপিটা কি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, নাকি ভোট পাওয়ার হাতিয়ার? এক হাতে তসবিহ আর মনে ক্ষমতার লোভ&amp;mdash;এভাবে কি আর কতদিন বাংলার মানুষকে ঠকাবেন? নামাজের টুপি আর ব্যবসার টুপি&amp;mdash;এই দুইয়ের যাঁতাকলে পড়ে পিষ্ট হচ্ছে দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ। সাবধান! আপনাকে আবারও টুপি পরানোর মহোৎসব শুরু হয়েছে। কথায় আছে, &amp;quot;অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ।&amp;quot; বাংলার গ্রাম-গঞ্জের এই অতি পরিচিত প্রবাদটি আজ যেন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপির নেতাদের ক্ষেত্রে অক্ষরে অক্ষরে ফলে যাচ্ছে। আমরা জানি টুপি হচ্ছে সম্মানের প্রতীক, টুপি হচ্ছে আমাদের প্রিয় নবীর সুন্নত। কিন্তু সেই পবিত্র টুপিকে যখন কেউ রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, তখন বুঝতে হবে ডাল মে কুচ কালা হ্যায়। আপনারা হয়তো সেই ফলের দোকানদারের গল্পটা শুনেছেন, যে নামাজের জন্য আলাদা টুপি আর মূল্য বেশি পাওয়ার জন্য আলাদা ব্যবসার টুপি ব্যবহার করত। বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঠিক একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপির নেতাদের কর্মকাণ্ড দেখে আজ সেই ধূর্ত দোকানদারের কথা বারবার মনে পড়ছে। তাদের মাথায় এখন যে টুপিগুলো দেখা যাচ্ছে, সেগুলো কি আসলে নামাজের টুপি? নাকি আগামী নির্বাচনে সাধারণ মানুষের ভোট চুরির জন্য &amp;#39;নির্বাচনী টুপি&amp;#39;? এই প্রশ্নটা আজ পুরো জাতির। তারা ইসলামের লেবাস ধরে মানুষের ইমোশন নিয়ে খেলা করছে। মানুষের সরলতাকে পুঁজি করে তারা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। পেছনের দিকে তাকালে দেখা যায়, এই এনসিপির নেতারাই কোটা আন্দোলনের সময় সাধারণ ছাত্রদের আবেগকে পুঁজি করে মাঠে নেমেছিল। হাজার হাজার সহজ-সরল ছাত্র যখন অধিকারের দাবিতে লড়াই করছিল, তখন এরা ভেতরে ভেতরে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের ছক কষছিল। তারা ছাত্রদের সাথে চরম বেইমানি করেছে এবং কোটি কোটি সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে রাজপথ গরম করেছে। আন্দোলনের নামে তারা আসলে একটা সিঁড়ি তৈরি করছিল, যা দিয়ে তারা ক্ষমতার মসনদে পৌঁছাতে পারে। আজ সেই বিশ্বাসঘাতকতার রূপ পরিষ্কার হয়ে গেছে। এখন তারা নতুন কৌশল নিয়েছে। মাথায় টুপি দিয়ে তারা প্রমাণ করতে চায় তারা খুব ধার্মিক। কিন্তু মনে রাখবেন, পবিত্র টুপি পরে যারা মিথ্যা বলে এবং মানুষের সাথে প্রতারণা করে, তারা আসলে ধর্মের বন্ধু নয়, বরং শত্রু। এনসিপির এই টুপি রাজনীতি মূলত সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটি অপকৌশল মাত্র। তারা জানে বাংলার মানুষ ধর্মপ্রাণ, তাই ধর্মকে ঢাল বানালে সহজেই মানুষকে বোকা বানানো যায়। কিন্তু এবার আর সাধারণ মানুষ তাদের এই পাতানো ফাঁদে পা দেবে না বলে আমাদের বিশ্বাস। আমাদের মনে রাখা উচিত, রাসুল (সাঃ) এর সুন্নতকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করা চরম অবমাননাকর। রাজনীতির মাঠে টুপি নিয়ে তামাশা বন্ধ হওয়া দরকার। এনসিপি যে নতুন করে মানুষকে টুপি পরানোর মিশনে নেমেছে, তা আমাদের শক্ত হাতে রুখতে হবে। সঠিক পথ অবলম্বন করা এবং সচেতন হওয়া এখন সময়ের দাবি। যারা একবার বেইমানি করেছে, তারা বারবার বেইমানি করবে। তাই তাদের মিষ্টি কথায় না ভুলে তাদের পেছনের আসল উদ্দেশ্য বুঝতে শিখুন। ধর্মের লেবাস পরা শিয়ালদের থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। শেষে এটাই বলব, নামাজের টুপি যেন অবশ্যই নামাজের জন্যই হয়, রাজনীতির ব্যবসার জন্য নয়। আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়েত দান করুন এবং এই ধরণের রাজনৈতিক ভণ্ডামি থেকে দেশকে রক্ষা করুন। এনসিপি বা জাতীয় নাগরিক পার্টির এই দ্বিচারিতা সাধারণ মানুষের সামনে আসা উচিত। যারা ধর্মের নামে অধর্মের কাজ করে, তাদের ঠাঁই এই বাংলার মাটিতে অন্তত সচেতন মানুষের হৃদয়ে হবে না। আসুন আমরা সবাই মিলে এই টুপি রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হই এবং একটি সত্যনিষ্ঠ সমাজ গড়ে তুলি।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z195_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z195_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z195_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ধানের শীষে ভোট দিন,  স্বাধীনতা ধরে রাখতে—মিজানুর রহমানের কথায় ন্যান্সি ও সালমান রাজের কণ্ঠে নতুন গান ঘিরে দেশজুড়ে আলোড়ন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23851</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23851</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 07 Feb 2026 13:02:00 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar,latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজকের বাংলাদেশে ভোট আর স্বাধীনতা যেন একই সুতোয় বাঁধা। কৃষি শিল্প, শিক্ষা, মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার আর সুখী, উন্নত দেশগড়ার &amp;nbsp;বাস্তবতা তুলে ধরে গীতিকার মিজানু...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_7-2-26-31.jpg" alt="ধানের শীষে ভোট দিন,  স্বাধীনতা ধরে রাখতে—মিজানুর রহমানের কথায় ন্যান্সি ও সালমান রাজের কণ্ঠে নতুন গান ঘিরে দেশজুড়ে আলোড়ন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজকের বাংলাদেশে ভোট আর স্বাধীনতা যেন একই সুতোয় বাঁধা। কৃষি শিল্প, শিক্ষা, মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার আর সুখী, উন্নত দেশগড়ার &amp;nbsp;বাস্তবতা তুলে ধরে গীতিকার মিজানুর রহমান এর নতুন একটি গান আবারও নাড়িয়ে দিয়েছে মানুষকে। &amp;ldquo;ভোট দিবেন ধানের শীষে, দেশের স্বাধীনতা ধরে রাখতে&amp;rdquo;&amp;mdash;এই কথাগুলো শুধু গান নয়, এটি বিএনপির রাজনীতির প্রাণকথা। ন্যান্সি ও সালমান রাজের কণ্ঠে বার্তাটি পৌঁছে যাচ্ছে ঘরে ঘরে। এই গানটির গীতিকার মিজানুর রহমান খুব স্পষ্টভাবে বলেছেন জনগণের মনের কথা। সুরে সুরে উঠে এসেছে ভোটাধিকার &amp;nbsp;আর গণতন্ত্রের কথা। চিত্রনায়ক হেলাল খানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই জাসাসের গান প্রমাণ করে, বিএনপি শুধু রাজনীতি নয়, সংস্কৃতির মধ্য দিয়েও জনগণের পাশে দাঁড়ায়। নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির কণ্ঠ মানেই সাহসী অবস্থান। অতীতেও তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। এবার সালমান রাজকে সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে যে স্পষ্ট বার্তা দিলেন, তা রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন দৃষ্টান্ত। সুরকার পলক হাসান সুমন ও সংগীত পরিচালক এ এন ফরহাদের সংগীতে গানটি হয়ে উঠেছে আরও শক্তিশালী। এই গান আসলে বিএনপির আন্দোলনের সাংস্কৃতিক দলিল। যেখানে বলা হচ্ছে&amp;mdash;ভোট ছাড়া স্বাধীনতা অর্থহীন। ধানের শীষে ভোট মানে গণতন্ত্রে ফেরার পথ। এই বার্তাই এখন ছড়িয়ে পড়ছে তরুণদের মাঝে, সামাজিক মাধ্যমে, রাজপথে। গানটি মনে করিয়ে দেয়&amp;mdash;বাংলাদেশ বাঁচাতে হলে বিএনপিকেই আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে হবে। -সম্পাদনায় মৌসুমী</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_7-2-26-31.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_7-2-26-31.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_7-2-26-31.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ভারতের চোখে চোখ রেখে যেভাবে ইতিহাস গড়েন জিয়াউর রহমান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23850</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23850</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 19 Jan 2026 11:01:27 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;ldquo;যে মানুষ চোখে চোখ রেখে সাম্রাজ্যবাদকে কথা শুনিয়েছিলেন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল -বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আজ বলবো...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-1-19-26-21.jpg" alt="ভারতের চোখে চোখ রেখে যেভাবে ইতিহাস গড়েন জিয়াউর রহমান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;ldquo;যে মানুষ চোখে চোখ রেখে সাম্রাজ্যবাদকে কথা শুনিয়েছিলেন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল -বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আজ বলবো সেই দিনটির গল্প, যেদিন দিল্লির বুক কেঁপেছিল।&amp;rdquo; প্রবাদ আছে, &amp;ldquo;সাহসী পুরুষের কথা ইতিহাস লিখে রাখে।&amp;rdquo; বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন এক নাম, যিনি সাহস দিয়ে ইতিহাস লিখেছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আজ আমরা ফিরে যাবো ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বর মাসে, দিল্লির বুকে ঘটে যাওয়া এক ঘটনায়, যেখানে বাংলাদেশের সম্মান রক্ষা করতে একাই অটল দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। ১৯৭৭ সালের ২০ ডিসেম্বর। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রীয় সফরের দ্বিতীয় দিন। মাত্র একচল্লিশ বছর বয়সী বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে যে সম্মান ও প্রটোকল দেওয়া হচ্ছিল, তা ভারতের অনেক প্রবীণ নেতার চোখে ছিল অসহ্য। এই দৃশ্য দিল্লির ক্ষমতার অলিন্দে চাপা অস্বস্তি তৈরি করেছিল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই, রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী&amp;mdash;সবাই নীরবে দেখছিলেন কীভাবে এক তরুণ বাংলাদেশি রাষ্ট্রনায়ক কূটনৈতিক মঞ্চে সমান মর্যাদায় দাঁড়াচ্ছেন। এই সম্মান ভারতের অহংকারী মানসিকতায় আঘাত করেছিল। এই অস্বস্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটান ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম। তিনি প্রটোকল ভেঙে, শালীনতা ভুলে প্রেসিডেন্ট জিয়াকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন জনসংখ্যা ও মিলিটারি শক্তির তুলনা টেনে। প্রশ্নের ভাষায় ছিল তাচ্ছিল্য, কণ্ঠে ছিল ঔদ্ধত্য। তিনি জানতে চান, বাংলাদেশ দখল করতে ভারতের কত সময় লাগবে। এটি ছিল কেবল প্রশ্ন নয়, বরং একটি মানসিক চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা। অনেক রাষ্ট্রনায়ক এই মুহূর্তে কূটনৈতিক ভদ্রতার আড়ালে চুপ করে যেতেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান সেই মানুষ ছিলেন না। প্রেসিডেন্ট জিয়া স্থির চোখে তাকিয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু দৃঢ় কণ্ঠে উত্তর দেন। তাঁর কথায় কোনো উত্তেজনা ছিল না, ছিল আত্মবিশ্বাস। তিনি বুঝিয়ে দেন, বাংলাদেশকে দুর্বল ভেবে নেওয়া ভারতের জন্য ভুল হবে। এই আত্মবিশ্বাসই ছিল তাঁর আসল শক্তি। জিয়ার বক্তব্য ছিল একটি সতর্কবার্তা, কোনো হুমকি নয়। এটি ছিল আত্মরক্ষার দর্শন, জাতীয় মর্যাদার কথা। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন ইতিহাসে শক্তির অহংকার সবসময় বিজয় এনে দেয় না। এই মুহূর্তে কক্ষে নেমে আসে গভীর নীরবতা। জগজীবন রাম কোনো জবাব না দিয়ে উঠে চলে যান। তাঁর সঙ্গে থাকা ভারতের অভিজ্ঞ কূটনীতিকরাও হতভম্ব হয়ে পড়েন। বিষয়টি দ্রুত পৌঁছে যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কানে। দিল্লির শীর্ষ মহলে শুরু হয় অস্থিরতা ও আলোচনা। কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী দেশাই ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাজপেয়ী উপস্থিত হন। তাঁরা প্রেসিডেন্ট জিয়ার মনোভাব জানতে চান। জিয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলেন, এটি ছিল কেবল কথোপকথন। এই শান্ত ভঙ্গিই দেখায় তাঁর কূটনৈতিক পরিপক্বতা। প্রেসিডেন্ট জিয়ার পাশে বসা বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা প্রথমে শঙ্কিত হলেও পরে বুঝতে পারেন, তাঁদের নেতা কতটা দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী। তিনি জানতেন কখন কঠোর হতে হয়, কখন শান্ত থাকতে হয়। এই ভারসাম্যই একজন প্রকৃত রাষ্ট্রনায়কের পরিচয়। এর আগেই পানি বণ্টন চুক্তিতে কূটনৈতিকভাবে বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থান অর্জন করেছিল। ভারত বুঝতে পেরেছিল, এই তরুণ প্রেসিডেন্ট শুধু সাহসী নন, কৌশলীও। জিয়াউর রহমান প্রমাণ করেছিলেন, বাংলাদেশ আর কারো ছায়ায় চলবে না। এই ঘটনা কোনো যুদ্ধের গল্প নয়। এটি আত্মসম্মানের গল্প। এটি দেখায়, কীভাবে একটি ছোট দেশও দৃঢ় নেতৃত্বে বড় শক্তির চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারে। জিয়া সেই মানসিক স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। জিয়াউর রহমান ছিলেন সৎ, সাহসী ও দেশপ্রেমিক। তাঁর রাজনীতি ছিল বাংলাদেশের স্বার্থকেন্দ্রিক। তিনি কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করেননি। এই কারণেই তিনি সমর্থকদের কাছে কিংবদন্তি, আর সমালোচকদের কাছে অস্বস্তির নাম। আজ ১৯ জানুয়ারি তাঁর জন্মদিনে আমরা কেবল একজন মানুষকে স্মরণ করছি না, স্মরণ করছি এক ধরনের রাজনীতি। যে রাজনীতি আত্মমর্যাদার, যে রাজনীতি আপোসহীন। বর্তমান প্রজন্মের জন্য এটি একটি শক্তিশালী বার্তা। বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক নেতা এসেছেন, কিন্তু সবাই রাষ্ট্রনায়ক হতে পারেননি। জিয়া হয়েছিলেন কারণ তিনি সিদ্ধান্ত নিতে জানতেন এবং সেই সিদ্ধান্তে অটল থাকতেন। দিল্লির সেই দিন তার প্রমাণ। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হোক সমতার ভিত্তিতে&amp;mdash;এই দর্শনেই বিশ্বাস করতেন জিয়া। তিনি সংঘাত চাননি, কিন্তু দুর্বলতা দেখাতেও রাজি ছিলেন না। এই ভারসাম্য আজও প্রাসঙ্গিক। একটি জাতির আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে নেতৃত্ব দেখে। জিয়াউর রহমান সেই আত্মবিশ্বাস উপহার দিয়েছিলেন। তাঁর কণ্ঠে বাংলাদেশ কথা বলেছিল, মাথা উঁচু করে। আজ অনেকেই প্রশ্ন করেন, এমন নেতৃত্ব কোথায়? ইতিহাস আমাদের শেখায়, নেতৃত্ব তৈরি হয় সাহস আর নৈতিকতা দিয়ে। জিয়া সেই দুই গুণেই অনন্য ছিলেন। এই গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, স্বাধীনতা শুধু মানচিত্রে নয়, মনেও থাকতে হয়। জিয়াউর রহমান সেই মানসিক স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন। আজ তাঁর নব্বইতম জন্মদিনে বলি&amp;mdash;জিয়া মানে সাহস, জিয়া মানে আত্মমর্যাদা। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, এই নাম ইতিহাসে উচ্চারিত হবে সম্মানের সাথে। সৈনিক হয়ে ওঠা - ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার বাগবাড়িতে জন্ম নেওয়া জিয়াউর রহমানের শৈশব কেটেছে তৎকালীন ভারত ও পাকিস্তানের নানা ভূগোল আর রাজনৈতিক বাস্তবতার ভেতর দিয়ে। কলকাতা ও করাচিতে পড়াশোনা শেষে তরুণ জিয়া বেছে নেন সামরিক জীবন। ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে যোগদান ও ১৯৫৫ সালে কমিশন লাভের মধ্য দিয়ে শুরু হয় তার পেশাদার সৈনিকজীবন। ১৯৬৫ সালের ভারত&amp;ndash;পাকিস্তান যুদ্ধের সাহসিকতা তাকে এনে দেয় &amp;lsquo;হিলাল-ই-জুরাত&amp;rsquo; খেতাব। কিন্তু এই পদকপ্রাপ্ত পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তাই মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে ইতিহাসের সম্পূর্ণ বিপরীত পাশে দাঁড়ান&amp;mdash; একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম ঘোষণা দিয়ে। মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাসের সন্ধিক্ষণ - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে যখন পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালির ওপর গণহত্যা শুরু করে, তখন জিয়াউর রহমান আর কেবল একজন সেনা কর্মকর্তা নন, তিনি হয়ে ওঠেন বিদ্রোহী। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তার কণ্ঠে ভেসে আসে স্বাধীনতার ঘোষণা। এই ঘোষণা শুধু সামরিক বিদ্রোহের আহ্বান ছিল না; এটি ছিল ভীতসন্ত্রস্ত জাতির জন্য সাহসের প্রথম উচ্চারণ। মুক্তিযুদ্ধে তিনি সেক্টর কমান্ডার হিসেবে নেতৃত্ব দেন এবং &amp;lsquo;জেড ফোর্স&amp;rsquo; গঠন করে সংগঠিত সামরিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। যুদ্ধশেষে &amp;lsquo;বীর উত্তম&amp;rsquo; খেতাবপ্রাপ্ত এই সেনানায়ক হয়ে ওঠেন জাতির কাছে এক জীবন্ত কিংবদন্তি। ক্ষমতার কেন্দ্রে প্রবেশ - স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ একের পর এক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। ১৯৭৫ সালের নাটকীয় ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে জিয়াউর রহমান ক্ষমতার কেন্দ্রে উঠে আসেন। ৭ নভেম্বরের পরিবর্তনের পর তিনি ধীরে ধীরে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। এই পর্যায়ে তার সবচেয়ে বড় পরিচয়&amp;mdash;তিনি ক্ষমতাকে কেবল সামরিক শাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। বরং, রাজনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে উদ্যোগী হন। জিয়াউর রহমানের শাসনামলের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো &amp;lsquo;বহুদলীয় রাজনীতির পুনঃপ্রবর্তন&amp;rsquo;। বিএনপি প্রতিষ্ঠা - একদলীয় ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে তিনি রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পথ খুলে দেন। ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তিনি বিশ্বাস করতেন, গণতন্ত্র মানে শুধু নির্বাচন নয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং বিরোধী কণ্ঠের অস্তিত্ব নিশ্চিত করাও গণতন্ত্রের অংশ। এই কারণে তার আমলে সংবাদপত্রের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল হয়, রাজনৈতিক পরিসর তুলনামূলকভাবে উন্মুক্ত হয়। উন্নয়ন দর্শন: গ্রাম থেকে রাষ্ট্র - জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল গ্রাম। &amp;lsquo;কাজের বিনিময়ে খাদ্য&amp;rsquo; কর্মসূচি, খাল খনন, সেচ প্রকল্প, গ্রাম সরকার ব্যবস্থা- সবকিছুর লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। তিনি আত্মনির্ভরতার কথা বলতেন, উৎপাদনের রাজনীতির কথা বলতেন। তার বিখ্যাত আহ্বান, আরও বেশি উৎপাদন, আরও বেশি কাজ&amp;mdash;যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশের জন্য বাস্তববাদী দিকনির্দেশনা ছিল। কৃষি ও শিল্প উভয় ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধির চেষ্টা চালানো হয়, বেসরকারি খাতকে উৎসাহ দেওয়া হয়। নারী ও সমাজ - জিয়াউর রহমানের শাসনামলে নারী উন্নয়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। পুলিশে নারীর অন্তর্ভুক্তি, মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, সংসদে সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি&amp;mdash; এসব পদক্ষেপ তৎকালীন সমাজ বাস্তবতায় উল্লেখযোগ্য ছিল। সেইসঙ্গে যৌতুকবিরোধী আইন, যুব উন্নয়ন কর্মসূচি, প্রাথমিক ও বয়স্ক শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ সামাজিক রূপান্তরের ইঙ্গিত বহন করে। জাতীয় পরিচয় ও রাষ্ট্রচিন্তা - &amp;lsquo;বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ&amp;rsquo; ধারণাটি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম কেন্দ্রীয় উপাদান। তিনি জাতীয় পরিচয়কে কেবল ভাষাভিত্তিক নয়, রাষ্ট্রভিত্তিক ও সার্বভৌমত্বকেন্দ্রিক দেখতে চেয়েছিলেন। সংবিধানে আনা পরিবর্তনগুলো&amp;mdash; ধর্মীয় বিশ্বাসের উল্লেখ, মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সংহতির নীতি, সমর্থন ও সমালোচনা উভয়ই জন্ম দিয়েছে। তবে এতে সন্দেহ নেই, এসব সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তাকে নতুন এক দিকে মোড় নিয়েছিল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জিয়া -দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতার স্বপ্ন থেকেই সার্কের ধারণা উঠে আসে। মুসলিম বিশ্ব, চীন, পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নতুনভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেন তিনি। তার কূটনৈতিক তৎপরতা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে একমুখী নির্ভরতা থেকে বহুমাত্রিকতায় নিয়ে যায়। হত্যাকাণ্ড ও অসমাপ্ত অধ্যায় - ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সেনা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। মাত্র ৪৫ বছর বয়সে থেমে যায় তার জীবন। চার বছরের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন&amp;mdash;সময়টা ছিল অল্প, কিন্তু প্রভাব ছিল দীর্ঘস্থায়ী। তার মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গভীর শূন্যতা তৈরি করে। অনেকের কাছে তিনি একজন স্বপ্নদ্রষ্টা রাষ্ট্রনায়ক, আবার অনেকের কাছে বিতর্কিত শাসক&amp;mdash;এই দ্বৈত মূল্যায়নই হয়তো তার রাজনৈতিক গুরুত্বের প্রমাণ। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, &amp;lsquo;শহিদ জিয়া ছিলেন একজন স্বপ্নদ্রষ্টা রাষ্ট্রনায়ক। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং মুক্তিযুদ্ধে জেড ফোর্সের অধিনায়ক। তার দেশপ্রেম, সাহস, সততা আর সহজ-সরল-অনাড়ম্বর জীবনযাপন আজও আমাদের জন্য আদর্শ। সমাজে যেকোনো ব্যক্তির মহৎ চরিত্র গঠনে শহিদ জিয়া হচ্ছেন এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।&amp;rsquo; রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. রমিত আজাদ সারাবাংলাকে বলেন, &amp;ldquo;জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অনন্য &amp;lsquo;সিন্থেসিস&amp;rsquo; বা সমন্বয় ঘটিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমানের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো- তিনি রাজনীতিকে ড্রয়িংরুম থেকে বের করে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে গিয়েছিলেন। যখন দেশ একদলীয় শাসনের আবর্তে ছিল, তখন তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনে রাজনৈতিক আকাশকে উন্মুক্ত করেছিলেন। তার &amp;lsquo;১৯ দফা&amp;rsquo; কর্মসূচি ছিল আধুনিক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ব্লু-প্রিন্ট। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতি পুনর্গঠনে তার ভূমিকা আজও অনস্বীকার্য।&amp;rsquo;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-1-19-26-21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-1-19-26-21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-1-19-26-21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, হাতিরঝিল, রামপুরা ও আদাবর থানা জাসাসের কমিটি অনুমোদন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23849</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23849</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 18 Jan 2026 19:01:45 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bnp news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস ঢাকা মহানগর উত্তর এর আহবায়ক মোঃ শরীফুল ইসলাম স্বপন ও সদস্য সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন আনু বিমানবন্দর, ক্যান্টনমে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-1-18-26-9.jpg" alt="ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, হাতিরঝিল, রামপুরা ও আদাবর থানা জাসাসের কমিটি অনুমোদন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস ঢাকা মহানগর উত্তর এর আহবায়ক মোঃ শরীফুল ইসলাম স্বপন ও সদস্য সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন আনু বিমানবন্দর, ক্যান্টনমেন্ট, রামপুরা, হাতিরঝিল ও আদাবর থানা জাসাস এর কমিটি অনুমোদন করেছেন। উল্লেখিত কমিটিসমূহ কর্মীসভা করে প্রস্তাবনা উপস্থাপন করলে অনুমোদিত হয়। মোঃ হোসেন মাসুম-কে আহবায়ক ও মোঃ আহসান হাবিব (মুরাদ) -কে সদস্য সচিব করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট বিমানবন্দর থানা জাসাস এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। মোঃ ফিরোজ হোসেন-কে আহবায়ক ও মোঃ রায়হান খান-কে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট ক্যান্টনমেন্ট থানা জাসাস এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। মোঃ দেলোয়ার হোসেন দুলাল-কে আহবায়ক ও কল্লোল আহমেদ-কে সদস্য সচিব করে ৪৯ সদস্য বিশিষ্ট রামপুরা থানা জাসাস এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। মোহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম-কে আহবায়ক ও রিয়াজুল হক রুবেল-কে সদস্য সচিব করে ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট হাতিরঝিল থানা জাসাস এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। মোঃ মেহেদী সারোয়ার প্রান-কে আহবায়ক ও মোঃ রবিউল আলম রনি-কে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আদাবর থানা জাসাস এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। উল্লেখিত কমিটিসমূহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটি&amp;rsquo;র আহবায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান ও সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন দ্বয়ের সম্মতিক্রমে কেন্দ্রীয় দফতর থেকে প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির সদস্য (দফতরের দায়িত্বে) মোঃ মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-1-18-26-9.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-1-18-26-9.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-1-18-26-9.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আল্লাহ হাফেজ, মাদার অফ ডেমোক্রেসি! আল্লাহ হাফেজ, দেশনেত্রী!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23848</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23848</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর রিপোর্ট]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Dec 2025 22:12:49 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[khaleda zia bangladesh, khaleda zia, khaleda zia son, khaleda zia bangladeshi khabar, khaleda zia news, khaleda zia healt, khaleda zia today, khaleda zia latest news, khaleda zia health, khaleda zia speech, khaleda zia family, khaleda zia update, health khaleda zia, ntv news khaleda zia, khaleda zia politics, khaleda zia hospital, khaleda zia condition, khaleda zia treatment, khaleda zia today news, khaleda zia interview, khaleda zia exile ends, khaleda zia abroad treatment, khaleda zia son returns]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ এমন এক বিষাদগ্রস্ত গোধূলি দেখল বাংলাদেশ, যা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে। একটি যুগের অবসান, একটি নক্ষত্রের পতন। বাংলাদেশের রাজনীতির মহাকাশ থেকে খস...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-31-25_45.jpg" alt="আল্লাহ হাফেজ, মাদার অফ ডেমোক্রেসি! আল্লাহ হাফেজ, দেশনেত্রী!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ এমন এক বিষাদগ্রস্ত গোধূলি দেখল বাংলাদেশ, যা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে। একটি যুগের অবসান, একটি নক্ষত্রের পতন। বাংলাদেশের রাজনীতির মহাকাশ থেকে খসে পড়ল ধ্রুবতারা। কোটি মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে চিরবিদায় নিলেন &amp;lsquo;আপোসহীন নেত্রী&amp;rsquo; বেগম খালেদা জিয়া। আজ আর কোনো রাজনৈতিক বিভেদ নেই, আজ শুধুই হাহাকার। স্বামীর পাশেই যেন পরম শান্তিতে ঘুমালেন তিনি, যে মাটির টানে তিনি বারবার ফিরে এসেছেন, সেই মাটিই আজ তাকে বুকে জড়িয়ে নিল। চোখের পানি আর সম্মানের সাগরে এক আপোসহীন মায়ের রাজসিক বিদায়। সংসদ ভবন এলাকার জিয়া উদ্যান সাক্ষী হলো এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের। বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টা। সূর্যের তেজ যখন কমতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হলো বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার। দীর্ঘ ৪৩ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম শেষে তিনি ফিরে গেলেন তার প্রিয়তমা স্বামী, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে। একই মাটিতে, পাশাপাশি চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের দুই অবিসংবাদিত নেতা। তাদের এই পুনর্মিলন যেন প্রকৃতিরই এক অমোঘ বিধান। দাফনের সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। মায়ের কফিন যখন কবরের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন কান্নায় ভেঙে পড়েন উপস্থিত হাজারো জনতা। মায়ের বিদায়লগ্নে তার দাফন প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেন বড় ছেলে তারেক রহমান। দীর্ঘদিন পর মায়ের স্পর্শ না পেলেও, শেষ বিদায়টুকু তিনি নিজের হাতে দিতে পেরেছেন। পাশেই অশ্রুসজল চোখে দাঁড়িয়ে ছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, নাতনি জাইমা রহমান এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মীলা রহমান সিঁথি। পরিবারের সদস্যদের কান্না আর উপস্থিত নেতাকর্মীদের আহাজারিতে জিয়া উদ্যান এলাকা ভারী হয়ে ওঠে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির প্রবীণ নেতারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তবে আজকের এই শোক শুধু বিএনপির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও সেখানে উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে সবাই একবাক্যে স্বীকার করেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের এক অতন্দ্র প্রহরী, যার শূন্যতা কোনোদিন পূরণ হবার নয়। এর আগে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে যখন মরদেহ জিয়া উদ্যানে নেওয়া হয়, তখন এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। সেনা ও নৌবাহিনীর চৌকস সদস্যরা যখন কফিন কাঁধে তুলে নেন, তখন মনে হচ্ছিল পুরো বাংলাদেশই যেন সেই কফিনের ভার বহন করছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্বামী জিয়াউর রহমানের সমাধির খুব কাছাকাছি তাকে সমাহিত করা হয়। নিয়ম মেনে, পূর্ণ ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় এই মহিয়সী নারীর শেষ বিদায়। দাফনের আগে বেলা ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হয় ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম জানাজা। জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ-জামানসহ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। তবে সব প্রটোকল আর নিরাপত্তার চাদর ছাপিয়ে প্রধান হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি। লাখো মানুষের ঢল নেমেছিল রাজপথে। তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে বাংলামটর, মহাখালী ও ধানমন্ডি পর্যন্ত। জানাজার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ছেলের আকুতি কতটুকু ভারী হতে পারে, তা দেখল বিশ্ববাসী। জানাজার আগে তারেক রহমান তার মায়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চান। তিনি মায়ের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তার কণ্ঠস্বর যখন কান্নায় রুদ্ধ হয়ে আসছিল, তখন উপস্থিত লাখো জনতাও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি। একজন সন্তানের এই আর্তনাদ যেন প্রতিটি সন্তানের হৃদয়ে গিয়ে বিঁধেছিল। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন ৮০ বছর বয়সী এই মহীয়সী নারী। ৩০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার এই চলে যাওয়াটা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে কোটি ভক্তের। আর্থরাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভারসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। গত ২৩ নভেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেড় মাসেরও বেশি সময় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে হার মানেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ছিল সংগ্রামের এক মহাকাব্য। একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে তিনি যেভাবে রাষ্ট্রনায়ক হয়ে উঠেছিলেন, তা রূপকথাকেও হার মানায়। ১৯৮১ সালের ৩০ মে স্বামী জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর যখন বিএনপি গভীর সংকটে, ঠিক তখনই দলের হাল ধরেন তিনি। স্বামীর আদর্শকে বুকে ধারণ করে ১৯৮২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ১৯৮৪ সালে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। সেই থেকে মৃত্যুর দিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন দলের অবিচল কান্ডারি। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকা তাকে আসীন করেছিল &amp;lsquo;আপসহীন নেত্রী&amp;rsquo;র আসনে। দীর্ঘ ৯ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি কখনো মাথানত করেননি। তার সেই আপসহীন মনোভাবই তাকে এনে দিয়েছিল বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর সম্মান। ১৯৯১ সালে তার নেতৃত্বে বিএনপি অভাবনীয় জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসে। এরপর তিনি আরও দুবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের প্রতিটি ধূলিকণার সাথে মিশে আছে তার সংগ্রামের ইতিহাস। চার দশকের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি অনেক ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করেছেন, কিন্তু কখনো প্রতিপক্ষকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি। তিনি সব সময় বলতেন, &amp;quot;আমি ব্যক্তিগত আক্রমণ করে কথা বলি না।&amp;quot; তার এই রাজনৈতিক শিষ্টাচার আজকের দিনে বিরল। তিনি বিশ্বাস করতেন গণতন্ত্রে, তিনি বিশ্বাস করতেন জনগণের শক্তিতে। আর তাই তো জীবনের শেষ দিনগুলোতেও তিনি দেশের মানুষের কথাই ভেবেছেন, দেশের মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার স্বপ্ন দেখেছেন। আজকের জানাজায় উপস্থিত জনসমুদ্র প্রমাণ করেছে, তিনি শুধু বিএনপির নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন গণমানুষের নেত্রী। জানাজায় অংশ নেওয়া হাজার হাজার মানুষ কোনো দলের কর্মী নন, তারা সাধারণ পেশাজীবী, ছাত্র, শ্রমিক। শাহবাগ থেকে পাঁচ কিলোমিটার হেঁটে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আমিরুল ইসলামের কথাই ধরুন। তিনি রাজনীতি করেন না, কিন্তু একজন নেত্রীর ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তিনি হেঁটে এসেছেন। তার মতে, &amp;quot;একজন নেত্রী দেশের মানুষের জন্য জীবনে এত অত্যাচার সহ্য করেছেন, তার জন্য কয়েক কিলোমিটার হাঁটা কোনো কষ্টই নয়।&amp;quot; মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর দিকে যত এগোনো যাচ্ছিল, মানুষের ভিড় ততই বাড়ছিল। ফার্মগেট মোড় পর্যন্ত পৌঁছাতেই মানুষের জনস্রোত দেখা যায়। কারো মাথায় টুপি, কারো হাতে বাংলাদেশের পতাকা। সবার গন্তব্য একটাই&amp;mdash;প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো দেখা। কেউ দলবদ্ধভাবে, কেউ বা একা, কিন্তু সবার চোখেই ছিল শোকের ছায়া। এই ভালোবাসা কোনো কিছুর বিনিময়ে কেনা যায় না, এই ভালোবাসা অর্জন করতে হয় ত্যাগের বিনিময়ে। ভিড় যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন মানুষ বাধ্য হয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উঠে পড়ে। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফেরদৌস নাভিদ সকাল থেকেই গুলশানে অপেক্ষা করছিলেন। ম্যাডামকে এক নজর দেখার জন্য তিনি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর দিকে রওনা দেন, কিন্তু ভিড়ের কারণে এক্সপ্রেসওয়েতেই আটকে যান। এই তরুণ প্রজন্মের কাছেও খালেদা জিয়া এক অনুপ্রেরণার নাম, এক সাহসিকতার প্রতীক। দূর থেকে মাইকে যখন বাজছিল খালেদা জিয়ার সেই অমর বাণী&amp;mdash;&amp;quot;দেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নাই, এটাই আমার ঠিকানা। এই দেশ, এই দেশের মাটি-মানুষই আমার সবকিছু&amp;quot;&amp;mdash;তখন উপস্থিত জনতা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে। তিনি কথা রেখে গেছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি দেশের মাটি আঁকড়ে ধরেছিলেন। এই দেশের মানুষের প্রতি তার যে ভালোবাসা, তা তিনি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রমাণ করে গেছেন। ১৯৮২ সালে যখন তিনি রাজনীতিতে আসেন, তখন তার বয়স ছিল চল্লিশের নিচে। স্বামী হারানোর শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি রাজপথে নেমেছিলেন। তার নেতৃত্বে গঠিত ৭-দলীয় ঐক্যজোট স্বৈরাচারের পতন নিশ্চিত করেছিল। তিনি প্রমাণ করেছিলেন, একজন নারী চাইলে কোমল হাতে যেমন সংসার সামলাতে পারেন, তেমনি কঠোর হাতে রাষ্ট্রও পরিচালনা করতে পারেন। তার এই দ্বৈত সত্তাই তাকে করে তুলেছে অনন্য। জানাজাস্থলে জনস্রোতের কারণে অনেকেই ফার্মগেটের তেজগাঁও কলেজের বেশি এগোতে পারেননি। জায়গা না পেয়ে অসংখ্য মানুষ হতাশ হয়ে পেছনের দিকে ফিরে আসছিলেন। সেই ভিড়ের মধ্যে দিশা হারানো দুই বৃদ্ধের গল্প আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় খালেদা জিয়ার গ্রহণযোগ্যতা। কাঁঠালবাগান থেকে আসা এই দুই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী ইতিহাসের সাক্ষী হতে এসেছিলেন। তাদের মতে, খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেওয়া মানে ইতিহাসের একটি অধ্যায়ের অংশ হওয়া। ভিড় ঠেলে কারওয়ান বাজারের দিকে তাকালে চোখে পড়ে এক অবিস্মরণীয় দৃশ্য। হাজার হাজার মানুষ সুশৃঙ্খলভাবে কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। মাইকে জানাজার নির্দেশনার অপেক্ষায় তারা। কোনো কোলাহল নেই, কোনো বিশৃঙ্খলা নেই&amp;mdash;আছে শুধু পিনপতন নীরবতা আর শ্রদ্ধা। এই নীরবতাই বলে দেয়, মানুষ তাকে কতটা ভালোবাসত। এই দৃশ্য প্রমাণ করে, তিনি ছিলেন মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় আসীন এক রানী। প্রায় ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপিকে বহুবার ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। বিপদে-দুর্যোগে তিনি ছিলেন দলের ঐক্যের প্রতীক। তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে, গৃহবন্দি রাখা হয়েছে, কিন্তু তার মনোবল ভাঙা যায়নি। তিনি ছিলেন ফিনিক্স পাখির মতো, ভস্ম থেকে বারবার উড়ে এসেছেন। তার এই হার না মানা মানসিকতাই তাকে করে তুলেছে কিংবদন্তি। তিনি ছিলেন সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল এক পর্বত। আজ যখন আমরা তাকে বিদায় জানাচ্ছি, তখন মনে হচ্ছে&amp;mdash;এ শুধু একজন নেতার বিদায় নয়, এ যেন একটি যুগের সমাপ্তি। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচতে হয়, কীভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হয়। তার আদর্শ, তার সংগ্রাম, তার দেশপ্রেম আগামী প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি চলে গেলেন, কিন্তু রেখে গেলেন এক সমৃদ্ধ রাজনৈতিক উত্তরাধিকার। সূর্য ডুবে গেছে, সন্ধ্যা নেমেছে জিয়া উদ্যানে। বেগম খালেদা জিয়া এখন শান্তিতে ঘুমাচ্ছেন তার প্রিয়তম স্বামীর পাশে। এই দম্পতির রাজনৈতিক জীবন, তাদের ত্যাগ এবং দেশের জন্য তাদের অবদান বাংলাদেশ কোনোদিন ভুলবে না। ইতিহাস তাদের মনে রাখবে শ্রদ্ধার সাথে, ভালোবাসার সাথে। বিদায় হে দেশনেত্রী, বিদায় হে আপসহীন নেত্রী। বাংলাদেশের প্রতিটি ধূলিকণা আপনাকে মনে রাখবে। আপনার এই চলে যাওয়া আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুন। আপনার আদর্শ আমাদের পথচলার পাথেয় হয়ে থাকবে চিরকাল। আপনি ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন&amp;mdash;কোটি মানুষের হৃদয়ে, বাংলাদেশের ইতিহাসে। ইতিহাস আপনাকে মনে রাখবে একজন আপোষহীন যোদ্ধা হিসেবে, যিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করেছেন। আপনার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায়। যতদিন পদ্মা-মেঘনা-যমুনা বহমান থাকবে, ততদিন আপনার কীর্তি অম্লান হয়ে থাকবে। আজ আপনাকে বিদায় জানাচ্ছি অশ্রুসজল চোখে, কিন্তু অন্তরে ধারণ করছি আপনার অসীম সাহস। বেগম খালেদা জিয়ার এই মহাপ্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। ইতিহাসের এই সাক্ষী হতে পারা আমাদের জন্যও এক আবেগঘন মুহূর্ত।&amp;nbsp; আল্লাহ হাফেজ, দেশনেত্রী। আল্লাহ হাফেজ, মাদার অফ ডেমোক্রেসি।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-31-25_45.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-31-25_45.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-31-25_45.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মায়ের বিদায়: এতিম হলো দেশ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23847</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23847</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর রিপোর্ট]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 30 Dec 2025 16:12:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, today latest news, latest news today, latest news in hindi, trump news latest, latest india news, pakistan latest news, 24 oras news latest, unnao case latest news, khaleda zia latest news, gig workers latest news, donald trump latest news, rvnl share latest news today, donald trump latest news today, news update, fatafat news, news, bangladesh unrest news, bangla tv news, category= news, news today, bangladesh news, news today bangladesh, recent news, today news update, news update today, us news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ বাংলাদেশের আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে এক গভীর শোকে। একটি নক্ষত্রের পতন হলো আজ, যাঁর আলোয় দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আলোকিত ছিল বাংলাদেশের রাজনীতির পথ। কোটি কোটি মানুষ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_30-12-25_22.jpg" alt="মায়ের বিদায়: এতিম হলো দেশ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ বাংলাদেশের আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে এক গভীর শোকে। একটি নক্ষত্রের পতন হলো আজ, যাঁর আলোয় দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আলোকিত ছিল বাংলাদেশের রাজনীতির পথ। কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন, আপোষহীন দেশনেত্রী, মাদার অফ ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। যে মানুষটি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের জন্য, দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন, তিনি আজ পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে। এই সেই নেত্রী, যিনি স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন। আজ আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবো তাঁর এই মহাজীবন। চলুন, অশ্রুসজল চোখে ফিরে দেখি তাঁর সেই সংগ্রামী যাত্রাপথ, যা হার মানায় কল্পকাহিনিকেও। আজ ভোরে যখন আযানের ধ্বনি ভেসে আসছিল, ঠিক তখনই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তাঁর এই চলে যাওয়া কেবল একটি দলের বা পরিবারের ক্ষতি নয়, বরং এটি সমগ্র বাংলাদেশের রাজনীতির এক অপূরণীয় ক্ষতি। দীর্ঘ রোগভোগের পর মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন তিনি। মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই কান্নায় ভেঙে পড়েন হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। হাসপাতালের সামনে ভিড় করা মানুষের চোখের জলই বলে দিচ্ছিল, তিনি কতটা আপন ছিলেন এই দেশের মানুষের কাছে। বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি নাম নয়, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের এক মূর্ত প্রতীক। ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করা সেই ছোট্ট পুতুল যে একদিন বাংলাদেশের কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করবেন, তা হয়তো কেউ ভাবেনি। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলায়। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন শান্ত অথচ দৃঢ়চেতা। দিনাজপুরে বাবার কর্মসূত্রে তাঁর শৈশব কাটে এবং সেখানেই তিনি শিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৬০ সালে তিনি তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তখন তিনি ছিলেন এক সাধারণ গৃহবধূ, রাজনীতি থেকে অনেক দূরে। কিন্তু নিয়তি তাঁর জন্য লিখে রেখেছিল এক অন্যরকম ইতিহাস। ১৯৭১ সাল, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন এক বন্দী। স্বামী জিয়াউর রহমান যখন রণাঙ্গনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ পরিচালনা করছিলেন, তখন দুই শিশু সন্তান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী জীবন কাটিয়েছেন বেগম জিয়া। সেই কঠিন দিনগুলোতেও তিনি অসীম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি আবার ফিরে যান তাঁর সাজানো সংসারে। স্বামী জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরও তিনি ছিলেন অন্তরালে, রাজনীতি নিয়ে তাঁর কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল না। তিনি ছিলেন সন্তানদের মা আর স্বামীর যোগ্য সহধর্মিণী। কিন্তু ১৯৮১ সালের ৩০ মে এক গভীর ট্রাজেডি তাঁর জীবনের মোড় সম্পূর্ণ ঘুরিয়ে দেয়। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি যখন অস্তিত্ব সংকটে, ঠিক তখনই দলের হাল ধরেন তিনি। গৃহবধূ থেকে তিনি হয়ে ওঠেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক। ১৯৮২ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার ক্ষমতা দখল করলে শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ ও কঠিন সংগ্রাম। তিনি আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া চষে বেড়িয়েছেন। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে গিয়েছেন, তাদের কথা শুনেছেন। তাঁর ডাকে সারা দিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তাঁর আপোষহীন ভূমিকার কারণে জনগণ ভালোবেসে তাঁকে উপাধি দেয় &amp;quot;আপোষহীন নেত্রী&amp;quot;। নয় বছরের দীর্ঘ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পর ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটে। ১৯৯১ সালের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বাধীন বিএনপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। এটি ছিল কেবল বাংলাদেশের জন্য নয়, পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে, একজন নারীও দক্ষতার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারেন। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশে নারী শিক্ষার প্রসার, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং কৃষি বিপ্লবের মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ গৃহীত হয়। তিনি অবৈতনিক নারী শিক্ষা চালু করে গ্রামীণ নারীদের ক্ষমতায়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি স্বল্প সময়ের জন্য তিনি ক্ষমতায় এলেও, পরবর্তীতে তিনি পদত্যাগ করেন এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করেন। এরপর ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি সংসদে বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেন। রাজপথে এবং সংসদে তিনি সবসময় জনগণের পক্ষে কথা বলেছেন। ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে চার দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি আবারও দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসেন। তাঁর এই তৃতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে পৌঁছায় এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়। কিন্তু রাজনীতির এই দীর্ঘ পথচলায় তাঁকে বারবার কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ১/১১-এর সময় মাইনাস টু ফর্মুলার ষড়যন্ত্রের শিকার হন তিনি। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং দীর্ঘদিন কারাবন্দী রাখা হয়। তাঁর দুই সন্তানকেও গ্রেপ্তার করে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। কিন্তু কোনো চাপ বা হুমকির কাছেই তিনি মাথা নত করেননি। তিনি দেশ ত্যাগ করার প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, &amp;quot;বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই, এই দেশই আমার সব, এই দেশের মানুষের মাঝেই আমি বাঁচতে চাই, এখানেই মরতে চাই।&amp;quot; তাঁর এই দেশপ্রেম তাঁকে জনগণের হৃদয়ে আরও উচ্চাসনে বসিয়েছিল। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তাঁকে একের পর এক মিথ্যা মামলায় জর্জরিত করা হয়। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তাঁকে একটি ভিত্তিহীন দুর্নীতি মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে নাজিমুদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কারাগারে একাকী রাখা হয়েছিল। সেখানে তাঁর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল না, তবুও তিনি ভেঙে পড়েননি। তিনি ছিলেন মানসিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, কিন্তু তাঁকে জামিন দেওয়া হয়নি। বছরের পর বছর তিনি কার্যত গৃহবন্দী অবস্থায় ছিলেন, যা ছিল মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো যখন প্রবাসে মারা যান, তখনো তিনি ছিলেন অবরুদ্ধ। ছেলের লাশ দেখার জন্য যখন তিনি অপেক্ষা করছিলেন, তখনো তাঁর ওপর চালানো হয়েছিল মানসিক নির্যাতন। একজন মা হিসেবে সেই শোক তিনি কীভাবে সহ্য করেছিলেন, তা কেবল মহান আল্লাহই জানেন। তবুও তিনি দেশের স্বার্থে, দলের স্বার্থে নিজেকে শান্ত রেখেছিলেন। তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমানকেও মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল। মা ও ছেলের এই বিচ্ছেদ ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তবুও তিনি দলের নেতাকর্মীদের সবসময় ঐকবদ্ধ থাকার পরামর্শ দিতেন। বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, ক্ষমতার উৎস জনগণ। তাই তিনি আজীবন সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে গেছেন। তাঁর রাজনীতি ছিল সাধারণ মানুষের জন্য। তিনি যখনই ক্ষমতায় গিয়েছেন, কৃষকের কথা ভেবেছেন, শ্রমিকের কথা ভেবেছেন। তিনি সার ও তেলের দাম কমিয়ে কৃষকদের স্বস্তি দিয়েছিলেন। তাঁর সময়ে বাংলাদেশে শিল্প কারখানার ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল। তিনি সবসময় চাইতেন বাংলাদেশ একটি আত্মনির্ভরশীল ও মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ছিল অত্যন্ত সাদামাটা। তিনি আড়ম্বর পছন্দ করতেন না। ধর্মপ্রাণ এই নেত্রী সবসময় আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতেন। কারাগারে থাকাকালীন তিনি নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করতেন এবং ইবাদত বন্দেগিতে সময় কাটাতেন। তাঁর এই ধর্মপরায়ণতা এবং ধৈর্যের গুণ তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। তিনি কখনোই প্রতিহিংসার রাজনীতি করেননি। বরং তিনি সবসময় জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, হানাহানি করে নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ ও দর্শন আমাদের সাথে থাকবে। তিনি আমাদের শিখিয়ে গেছেন কীভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হয়, কীভাবে হাজারো বাধার মুখেও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। তাঁর মৃত্যুতে বিএনপির নেতাকর্মীরা আজ অভিভাবকহীন হয়ে পড়ল। কিন্তু তাঁর এই চলে যাওয়া মানেই শেষ নয়। তাঁর আদর্শকে বুকে ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব আজ আমাদের সকলের কাঁধে। শেষ সময়ে তাঁর পাশে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা এবং দলের শীর্ষ নেতারা। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন তাঁকে সুস্থ করে তোলার, কিন্তু বিধির বিধান খণ্ডানোর সাধ্য কারো নেই। তাঁর মৃত্যুর খবরে সারা দেশে শোকের মাতম চলছে। রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে আজ সবাই স্বীকার করছেন যে, বাংলাদেশ একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক নেতাকে হারাল। তাঁর শূন্যতা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। আজকের এই শোকের দিনে আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক, আমরা তাঁর দেখানো পথে চলব। আমরা গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখব এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা সজাগ থাকব। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আপনি চলে গেলেন, কিন্তু আপনি বেঁচে থাকবেন ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই বদ্বীপের প্রতিটি ধূলিকণায়। আপনি বেঁচে থাকবেন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ার প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে। আপনার নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন, আমিন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_30-12-25_22.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_30-12-25_22.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_30-12-25_22.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[গণতন্ত্র ফেরানোর ডাক: ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তারেক রহমানের কণ্ঠে ‘নিরাপদ বাংলাদেশ’]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23846</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23846</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর রিপোর্ট]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 25 Dec 2025 18:12:01 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;ldquo;১৭ বছর পর, একটি নাম আবার বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রে। লালসবুজে সাজানো বাস, জনতার ঢল, আর একটি কণ্ঠ&amp;mdash;&amp;lsquo;প্রিয় বাংলাদেশ&amp;rsquo;। তারেক রহমানের প্রত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-25-25_21.jpg" alt="গণতন্ত্র ফেরানোর ডাক: ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তারেক রহমানের কণ্ঠে ‘নিরাপদ বাংলাদেশ’" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;ldquo;১৭ বছর পর, একটি নাম আবার বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রে। লালসবুজে সাজানো বাস, জনতার ঢল, আর একটি কণ্ঠ&amp;mdash;&amp;lsquo;প্রিয় বাংলাদেশ&amp;rsquo;। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন কেন শুধু রাজনীতি নয়, বরং কোটি মানুষের প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি।&amp;rdquo; রাজধানীর পূর্বাচলে আজ যেন উৎসব আর ইতিহাস একসঙ্গে মিলেছে। লালসবুজ রঙে সাজানো বাসে করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গণসংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের চোখেমুখে ছিল অপেক্ষা, উচ্ছ্বাস আর দীর্ঘদিনের আবেগের বহিঃপ্রকাশ। বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। ৩টা ৫৭ মিনিটে বক্তব্য শুরু করে প্রথমেই বলেন, &amp;lsquo;প্রিয় বাংলাদেশ&amp;rsquo;। মঞ্চে থাকা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান নেতা-কর্মীদের। জনতার সাড়া আর করতালিতে পুরো পরিবেশ মুহূর্তেই আবেগে ভরে ওঠে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঞ্চে উঠে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান। বক্তব্যে তারেক রহমান স্মরণ করেন ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের সংগ্রাম। তিনি বলেন, যেভাবে মানুষ একসঙ্গে স্বাধীনতা রক্ষা করেছিল, আজও সবাই গণতন্ত্র ও কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে ঐক্যবদ্ধ। তারেক রহমান বলেন, এখন সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার। পাহাড়-সমতল, মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান&amp;mdash;সবাইকে নিয়ে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। এমন বাংলাদেশ, যেখানে নারী, পুরুষ কিংবা শিশু&amp;mdash;ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারবে। তিনি আবেগভরে শহীদ ওসমান হাদির কথা স্মরণ করেন। বলেন, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে হবে। অর্থনৈতিক অধিকার, ন্যায়বিচার আর মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই হবে সেই বাংলাদেশের ভিত্তি। তারেক রহমান বলেন, তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে। শক্তিশালী অর্থনীতি ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর দেশ দাঁড় করানোর আহ্বান জানান। তিনি পরপর তিনবার উচ্চারণ করেন&amp;mdash;&amp;ldquo;আমরা দেশের শান্তি চাই&amp;rdquo;&amp;mdash;যা মুহূর্তেই জনতার কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয়। মার্টিন লুথার কিংয়ের &amp;lsquo;আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম&amp;rsquo; উদ্ধৃত করে তারেক রহমান বলেন, &amp;ldquo;আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।&amp;rdquo; তাঁর ভাষায়, পরিকল্পনা আছে, তবে তা বাস্তবায়নে প্রয়োজন জনগণের সহযোগিতা। সবাই পাশে থাকলে বাংলাদেশকে নতুন পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। এরপর বলেন, &amp;ldquo;সবাই মিলে করব কাজ, গড়বো মোদের বাংলাদেশ।&amp;rdquo; বক্তব্য শেষে তিনি উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। এরপর তারেক রহমান খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার খবরে সেখানে নেতা-কর্মীদের ঢল নামে। কেউ পতাকা হাতে, কেউ জার্সি পরে, কেউ সন্তান নিয়ে দাঁড়িয়ে। ১৭ বছর পর এক নজর তারেক রহমানকে দেখতেই মানুষের এই ভিড়। বগুড়া, ভাটারা, বাড্ডা থেকে আসা সাধারণ মানুষ বলছেন, এই মুহূর্ত তাদের কাছে ঈদের মতো। নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ ও বিজিবি। রাজনৈতিক বাস্তবতায় আজকের এই দৃশ্য প্রমাণ করে&amp;mdash;তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন কেবল ঘটনা নয়, এটি একটি বার্তা, একটি প্রত্যাশা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-25-25_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-25-25_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-25-25_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[দীর্ঘ ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বীরের বেশে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23845</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23845</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর রিপোর্ট]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 25 Dec 2025 15:12:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এসে উপস্থিত হলো, যার জন্য কোটি কোটি জনতা চাতক পাখির মতো তাকিয়ে ছিল দীর্ঘ সতেরোটি বছর। সকল জল্পনা-কল্পনা, সকল ষড়যন্ত্র আর কটু কথাকে পায়ে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z28_1.jpg" alt="দীর্ঘ ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বীরের বেশে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এসে উপস্থিত হলো, যার জন্য কোটি কোটি জনতা চাতক পাখির মতো তাকিয়ে ছিল দীর্ঘ সতেরোটি বছর। সকল জল্পনা-কল্পনা, সকল ষড়যন্ত্র আর কটু কথাকে পায়ে মাড়িয়ে বীরের বেশে প্রিয় মাতৃভূমিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, দেশনায়ক তারেক রহমান। যারা একদিন বলেছিল তারেক রহমান আর কোনোদিন বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন না, যারা তাকে নিয়ে প্রতিনিয়ত উপহাস আর মিথ্যাচার করেছে, আজ ঢাকার রাজপথে লাখো জনতার ঢল তাদের সেই দম্ভকে চূর্ণ করে দিয়েছে। আজ বিমানবন্দর থেকে শুরু করে রাজপথ&amp;mdash;কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই নেই। এটি কেবল একজন নেতার ফিরে আসা নয়, এটি বাংলাদেশের হৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক নতুন সূর্যোদয়। স্বাগতম দেশনায়ক, স্বাগতম আগামীর রাষ্ট্রনায়ক। দীর্ঘ সতেরো বছর, সময়ের হিসেবে যা নেহাত কম নয়। এই দীর্ঘ সময়ে টেমস নদীর জল অনেক গড়িয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় থেকে তারেক রহমানের নাম মুছে ফেলার সাধ্য কারো হয়নি। যারা ভেবেছিল নির্বাসনে পাঠিয়ে, মিথ্যা মামলার পাহাড় জমিয়ে তাকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করা যাবে, আজকের এই জনসমুদ্র তাদের গালে এক সশব্দ চপেটাঘাত। সুদূর লন্ডন থেকে তিনি যখন দেশের বিমানে উঠেছেন, তখন থেকেই বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া&amp;mdash;আজ একটাই স্লোগান, একটাই নাম। এই আবেগ, এই ভালোবাসা কোনো কৃত্রিমতা নয়, এটি হৃদয়ের গভীর থেকে আসা এক নিখাদ বিশ্বাস। আমাদের মনে আছে, গত দেড় দশকে তাকে নিয়ে কী জঘন্য অপপ্রচার চালানো হয়েছে। শাসকগোষ্ঠীর তল্পিবাহক কিছু তথাকথিত বুদ্ধিজীবী আর সমালোচক প্রতিনিয়ত টেলিভিশনের পর্দায় বসে ভবিষ্যৎবাণী করতেন। তারা বলতেন, তারেক রহমান আর কোনোদিন বাংলাদেশে ফিরবেন না, তিনি নাকি রাজনীতি করার সাহস হারিয়ে ফেলেছেন। আজ তাদের সেই বিষদাঁত ভেঙে গেছে। আজ সেই সমালোচকরা কোথায় পালাবেন? তারেক রহমান প্রমাণ করেছেন, তিনি শহীদ জিয়ার রক্ত, তিনি আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান। তিনি পালিয়ে যাওয়ার বা পিছু হটার পাত্র নন। তার এই ফিরে আসা প্রমাণ করে যে, সত্যকে কখনো মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না। বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর যেন এক জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। সকাল থেকেই হাজার হাজার নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ব্যানার-ফেস্টুন হাতে অপেক্ষা করছেন তাদের প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার জন্য। রোদের তীব্রতা বা কোনো বাধাই আজ তাদের আটকাতে পারেনি। যখন তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার আকাশে দৃশ্যমান হলো, তখন নিচে অপেক্ষমান লাখো মানুষের গগনবিদারী স্লোগানে কেঁপে উঠল পুরো এলাকা। এই দৃশ্য বলে দেয়, তারেক রহমান কেবল বিএনপির নেতা নন, তিনি এই দেশের শোষিত, বঞ্চিত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। তার আগমনে মানুষের চোখে আজ আনন্দের অশ্রু, মুখে বিজয়ের হাসি। তারেক রহমানের এই ফিরে আসা আমাদের মনে করিয়ে দেয় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই ঐতিহাসিক কথা&amp;mdash;&amp;lsquo;ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়&amp;rsquo;। তারেক রহমান সেই আদর্শকেই ধারণ করে প্রবাসে থেকেও দলের হাল ধরে রেখেছিলেন। শত প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি বিএনপিকে সুসংগঠিত করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন অন্যায়ভাবে কারাবন্দি ছিলেন, তখন তারেক রহমানই হাজার মাইল দূর থেকে প্রযুক্তির সহায়তায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাহস যুগিয়েছেন। আজ তার উপস্থিতিতে দলের নেতাকর্মীরা নতুন করে প্রাণ ফিরে পেলেন। আজ মনে হচ্ছে, শহীদ জিয়ার বাংলাদেশ আবার ফিরে আসছে তার আপন মহিমায়। যারা তাকে &amp;#39;ফেরারি&amp;#39; বলে উপহাস করত, যারা তার পাসপোর্ট নিয়ে নোংরা রাজনীতি করেছে, আজ তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। তারেক রহমান দেখিয়ে দিয়েছেন যে, দেশপ্রেম থাকলে কোনো সীমানাই বাধা হতে পারে না। তাকে দেশে ফিরতে না দেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক লবিং থেকে শুরু করে আইনি জটিলতা&amp;mdash;কোনো কিছুই বাকি রাখা হয়নি। কিন্তু সত্যের জয় অবধারিত। বাংলাদেশের মানুষ জানে, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রতিটি মামলাই ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন। আজ তিনি মাথা উঁচু করে দেশে ফিরেছেন, কোনো দয়া বা করুণায় নয়, বরং জনগণের ভালোবাসার শক্তিতে বলীয়ান হয়ে। তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন কেবল একজন ব্যক্তির ঘরে ফেরা নয়, এটি একটি নতুন বাংলাদেশের সূচনা। তিনি তার বক্তব্যে বারবার বলেছেন, তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। তিনি চান একটি আধুনিক, স্বনির্ভর এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে। যেখানে মানুষের বাকস্বাধীনতা থাকবে, যেখানে ভোটের অধিকার থাকবে, যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। আজ তার আগমনে তরুণ প্রজন্মের মাঝে এক অভাবনীয় জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। এই তরুণরাই তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ গড়বে। তার &amp;#39;টেক ব্যাক বাংলাদেশ&amp;#39; স্লোগান আজ বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। আপনারা দেখছেন কীভাবে রাস্তার দুপাশে হাজার হাজার মানুষ ফুল ছিটিয়ে তাদের নেতাকে বরণ করে নিচ্ছে। ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে জনতার অভিবাদন গ্রহণ করছেন তারেক রহমান। তার চোখেমুখে দীর্ঘ ক্লান্তির ছাপ নেই, আছে এক অদম্য প্রত্যয়। তিনি জানেন, তার কাঁধে এখন অনেক বড় দায়িত্ব। দেশকে স্বৈরাচারের ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে তুলে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে যেতে হবে। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীর প্রতি আজকের বার্তা পরিষ্কার&amp;mdash;ভেদাভেদ ভুলে দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আজকের এই জনজোয়ারকে শক্তিতে রূপান্তর করে দেশ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবর আজ কেবল বাংলাদেশের মিডিয়াতে নয়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও গুরুত্বের সাথে প্রচার হচ্ছে। বিশ্ববাসী দেখছে, কীভাবে একজন নেতা দীর্ঘ নির্বাসন শেষেও জনগণের হৃদয়ে রাজত্ব করতে পারেন। গণতন্ত্রকামী বিশ্বের কাছে এটি একটি বড় বার্তা। যারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল, যারা মানবাধিকার হরণ করেছিল, তাদের জন্য আজকের দিনটি এক বড় সতর্কবার্তা। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি যে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বন্ধুপ্রতিম সম্পর্ক বজায় রেখে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করবে, তা আজ দিবালোকের মতো স্পষ্ট। বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন পর্যন্ত রাস্তার প্রতিটি মোড়ে মোড়ে মানুষ অপেক্ষা করছে। কেউ কেউ সেই ভোররাত থেকে দাঁড়িয়ে আছে। বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী&amp;mdash;সবাই আজ এক কাতারে। অনেককে দেখা যাচ্ছে অঝোরে কাঁদতে, এটি কষ্টের কান্না নয়, এটি প্রাপ্তির কান্না। সতেরো বছরের জমানো কষ্ট আজ আনন্দে রূপ নিয়েছে। মায়েরা তাদের সন্তানদের নিয়ে এসেছেন দেশনায়ককে এক নজর দেখাতে। তারা বলছেন, &amp;quot;আমরা আমাদের নেতাকে ফিরে পেয়েছি, এখন আর আমাদের কোনো ভয় নেই।&amp;quot; এই ভালোবাসার কোনো প্রতিদান হয় না। তারেক রহমান দেশে ফিরেই জানিয়েছেন, তার প্রথম কাজ হবে দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করা এবং দেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, তার লড়াই ক্ষমতার জন্য নয়, তার লড়াই মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, এবং অর্থনীতিকে ঢেলে সাজানোর জন্য তার কাছে রয়েছে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা &amp;#39;রোডম্যাপ&amp;#39;। বেকার সমস্যা সমাধান এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য তিনি তরুণদের নিয়ে কাজ করবেন। তার ভিশন-২০৩০ ছিল একটি মাইলফলক, এখন তিনি আরও যুগোপযোগী পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাবেন। আজ সেই সব কটুভাষী সমালোচকদের জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে&amp;mdash;আপনারা কি এই জনস্রোত দেখতে পাচ্ছেন? আপনারা কি শুনতে পাচ্ছেন মানুষের এই গর্জন? আপনারা বলেছিলেন বিএনপি শেষ হয়ে গেছে, আপনারা বলেছিলেন তারেক রহমান আর প্রাসঙ্গিক নন। আজ ইতিহাস আপনাদের ভুল প্রমাণ করেছে। আপনারা যত অপপ্রচার চালিয়েছেন, তারেক রহমান ততই শক্তিশালী হয়েছেন। আপনাদের মিথ্যাচারই তাকে মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে। এখন সময় এসেছে নিজেদের ভুল শুধরে নেয়ার, কারণ বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো ষড়যন্ত্র বরদাস্ত করবে না। প্রিয় দেশবাসী, আজ আমাদের আনন্দের দিন, আজ আমাদের বিজয়ের দিন। তবে মনে রাখতে হবে, পথ এখনো অনেক বাকি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এই যাত্রায় আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আসুন, আমরা সকল বিভেদ ভুলে দেশনায়কের হাতকে শক্তিশালী করি। তারেক রহমানের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন হোক বাংলাদেশের গণতন্ত্রের নবজাগরণ। &amp;lsquo;নেতা আসছে&amp;rsquo; তারেক রহমানকে নিয়ে মিজানুর রহমানের কথায় ন্যান্সি ও সালমান রাজের গান</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z28_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z28_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z28_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[‘নেতা আসছে’ তারেক রহমানকে নিয়ে মিজানুর রহমানের কথায় ন্যান্সি ও সালমান রাজের গান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23844</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23844</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর রিপোর্ট]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 24 Dec 2025 23:12:51 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সতেরো বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই প্রত্যাবর্তন শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি আবেগ, স্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-24-25_32.jpg" alt="‘নেতা আসছে’ তারেক রহমানকে নিয়ে মিজানুর রহমানের কথায় ন্যান্সি ও সালমান রাজের গান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সতেরো বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই প্রত্যাবর্তন শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি আবেগ, স্মৃতি আর প্রত্যাশার এক অনন্য মুহূর্ত। রাজনীতির বাইরেও এই খবর ছড়িয়ে পড়েছে সংস্কৃতির অঙ্গনে। সেই আবেগ থেকেই প্রকাশ পেয়েছে নতুন গান &amp;lsquo;নেতা আসছে&amp;rsquo;, যা ইতোমধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। &amp;lsquo;নেতা আসছে&amp;rsquo; গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় শিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি ও সালমান রাজ। তাঁদের কণ্ঠে উঠে এসেছে দীর্ঘ প্রতীক্ষার ভাষা, মানুষের আশা আর বিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি। গানটি যেন শুধুই সংগীত নয়, বরং একটি রাজনৈতিক অনুভূতির প্রকাশ, যেখানে নেতা ও দেশের মানুষের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে আবেগঘনভাবে। গানের কথায় বলা হয়েছে&amp;mdash;নেতা আসছে, মা-মাটি মানুষের কাছে, বাংলাদেশ যেন আবার হাসছে। এই পঙক্তিগুলো সাধারণ মানুষের দীর্ঘ অপেক্ষা আর ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানের প্রতিটি শব্দে রয়েছে প্রত্যাবর্তনের আনন্দ, নতুন দিনের স্বপ্ন এবং নেতৃত্ব ঘিরে আশাবাদের বার্তা, যা শ্রোতাদের গভীরভাবে নাড়া দিচ্ছে। &amp;lsquo;নেতা আসছে&amp;rsquo; গানটির কথা লিখেছেন মিজানুর রহমান। পলক হাসান সুমনের সুরে সংগীতায়োজন করেছেন এ এন ফরহাদ। গানের পরিকল্পনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন চিত্রনায়ক হেলাল খান। অভিজ্ঞ শিল্পীদের সম্মিলিত প্রয়াসে গানটি রাজনৈতিক গান হিসেবেও পেয়েছে আলাদা মাত্রা ও গ্রহণযোগ্যতা। গানটি প্রকাশ করা হয়েছে বিএনপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে। প্রকাশের পরপরই দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ মন্তব্য করে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে গানটির সুর, কথা ও আবেগের প্রশংসায় ভরে উঠেছে মন্তব্যের ঘর। তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের পাশাপাশি এই গান প্রমাণ করছে, রাজনীতির প্রভাব সংস্কৃতিতেও গভীরভাবে কাজ করে। &amp;lsquo;নেতা আসছে&amp;rsquo; শুধু একটি গান নয়, এটি একটি সময়ের দলিল। নেতৃত্ব, প্রত্যাবর্তন ও মানুষের অনুভূতিকে একসূত্রে গেঁথে এই গান নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-24-25_32.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-24-25_32.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-24-25_32.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদির মৃত্যুর আগের ৭ দিনের অজানা ঘটনা, সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে শেষ লড়াই এবং খুনি ফয়সালের পালানোর রোমহর্ষক কাহিনী]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23843</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23843</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 19 Dec 2025 01:12:30 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[osman hadi, osman hadi ke, osman hadi dmc, osman hadi news, osman hadi dead, osman hadi live, osman hadi sick, osman hadi shot, osman hadi death, who is osman hadi, osman hadi viral, osman hadi vedio, osman hadi issue, sharif osman hadi, osman hadi update, osman hadi attack, osman hadi health, osman hadi faisal, osman hadi mritto, osman hadi no more, osman hadi speech, osman hadi shooter, osman hadi injured, usman hadi, osman hadi attacker, osman hadi shooting, osman hadi incident, osman hadi dead news, osman hadi hospital,  latest news, ani latest news, agra latest news, trump latest news, latest news today, today latest news, news18 punjab latest news, latest odia news, morning latest news, jp power latest news, jpp share latest news, bihar stet latest news, dharmendra latest news, jpassociat latest news, bpsc tre 4.0 latest news, robo shankar latest news, super 100 news latest, jp power share latest news, j p power share latest news, latest pakistani news, naveen patnaik latest news, news18 punjab latest, jpassociat share latest news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এক লড়াকু যোদ্ধা, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি আর আমাদের মাঝে নেই। দীর্ঘ সাত দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-19-25_1.jpg" alt="গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদির মৃত্যুর আগের ৭ দিনের অজানা ঘটনা, সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে শেষ লড়াই এবং খুনি ফয়সালের পালানোর রোমহর্ষক কাহিনী" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এক লড়াকু যোদ্ধা, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি আর আমাদের মাঝে নেই। দীর্ঘ সাত দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। একটি গুলি কীভাবে একটি জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিল? গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার রাজপথে ঠিক কী ঘটেছিল? কীভাবে প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে বর্ডার পার হলো খুনিরা? আজকের আমরা জানাব ওসমান হাদির ওপর হামলার শুরু থেকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া পর্যন্ত গত সাত দিনের প্রতিটি মুহূর্তের বিস্তারিত ঘটনাপ্রবাহ। ঘটনার শুরুটা ছিল ১২ ডিসেম্বর, শুক্রবার। জুমার নামাজের পর ঢাকার পুরানা পল্টনের ব্যস্ত রাস্তায় একটি ব্যাটারিচালিত রিকশায় যাচ্ছিলেন ওসমান হাদি। ঘড়িতে তখন দুপুর ২টা ২৪ মিনিট। হঠাৎ পেছন থেকে একটি মোটরসাইকেল তাদের অনুসরণ করতে শুরু করে। চলন্ত রিকশাতেই মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা ব্যক্তিটি হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি হাদির কানের ডান পাশ দিয়ে ঢুকে মাথার বাঁ পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি রিকশা থেকে লুটিয়ে পড়েন। ব্যস্ত রাস্তায় সন্ত্রাসীরা দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে পালিয়ে যায়, আর হাদিকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা জানান, ওসমান হাদির অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় এবং নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসকরা প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য সেদিন রাতেই তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এই ন্যাক্কারজনক হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজধানীসহ সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের কঠোর নির্দেশ দেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তদন্ত শুরু করে। ঘটনার পরদিন ১৩ ডিসেম্বর পুলিশ ও র&amp;zwj;্যাব ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। তদন্তে বেরিয়ে আসে শিউরে ওঠার মতো তথ্য। সরাসরি গুলি চালানো ব্যক্তিটির নাম ফয়সাল করিম মাসুদ, যিনি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের একজন নেতা ছিলেন। তার সহযোগী হিসেবে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন যুবলীগ কর্মী আলমগীর শেখ। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হামলাকারীকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন এবং শুরু হয় &amp;lsquo;অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২&amp;rsquo;। গোয়েন্দারা জানান, এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল কয়েক মাস ধরে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করা। ১৪ ডিসেম্বর তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই &amp;#39;শুটার&amp;#39; ফয়সাল এবং চালক আলমগীর ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। পালানোর সময় তারা পাঁচবার যানবাহন বদলান এবং নিজেদের মুঠোফোন ও সিম ফেলে দেন। সীমান্তে মানব পাচারকারী চক্রের সহায়তায় তারা দেশত্যাগ করেন। পুলিশ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এই পাচারে সহায়তাকারী সঞ্জয় চিসিম ও সিবিরন দিও নামের দুজনকে আটক করে। এদিকে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সালের স্ত্রী, শ্যালক এবং বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে র&amp;zwj;্যাব। ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সাথে যান বাংলাদেশি চিকিৎসক ও তার পরিবারের সদস্যরা। এদিকে দেশে তদন্ত চলতে থাকে পুরোদমে। ফয়সালের বোনের বাসা থেকে গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। র&amp;zwj;্যাব এবং পুলিশের যৌথ অভিযানে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই ঘটনাকে &amp;lsquo;বিচ্ছিন্ন ঘটনা&amp;rsquo; বললে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তার তীব্র প্রতিবাদ জানায়। ১৬ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চ এক বিবৃতিতে জানায়, সিঙ্গাপুরে নেওয়ার পর হাদির অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলেও তিনি শঙ্কামুক্ত নন। চিকিৎসকরা জানান, তার আরেকটি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন, কিন্তু শারীরিক অবস্থা এতটাই দুর্বল ছিল যে অপারেশন করা সম্ভব হচ্ছিল না। একই দিনে র&amp;zwj;্যাব নরসিংদীর একটি বিল থেকে হামলাকারীদের ব্যবহৃত দুটি পিস্তল ও ৪১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। এছাড়াও ফয়সালের বাবা-মা এবং তাকে পালাতে সহায়তাকারী নুরুজ্জামানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৪ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়। ১৭ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ওসমান হাদির অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান হাসপাতালে হাদিকে দেখতে যান এবং তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তিনি ড. ইউনূসকে ফোন করে হাদির সংকটাপন্ন অবস্থার কথা জানান। প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীকে শান্ত থাকার এবং হাদির জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান। পুরো জাতি তখনো আশায় বুক বেঁধে ছিল, হয়তো অলৌকিক কিছু ঘটবে, হয়তো লড়াকু হাদি আবারো ফিরে আসবেন রাজপথে। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ১৮ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টায় না ফেরার দেশে চলে যান ওসমান হাদি। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এবং ইনকিলাব মঞ্চ তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই শোকের ছায়া নেমে আসে তার সহযোদ্ধা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে। একজন সম্ভাবনাময় তরুণ নেতা, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, ঘাতকের বুলেটে তার অকাল প্রয়াণ মেনে নেওয়া কঠিন। ওসমান হাদির এই মৃত্যু কেবল একটি প্রাণের বিনাশ নয়, এটি আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে এক বড় ধাক্কা। ঘাতকরা হয়তো পালিয়েছে, কিন্তু তাদের বিচারের মুখোমুখি করা এখন সময়ের দাবি। ওসমান হাদি চলে গেলেন, কিন্তু রেখে গেলেন তার সংগ্রাম আর সাহসের গল্প। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-19-25_1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-19-25_1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-12-19-25_1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আদালতের নির্দেশে তালা খুলতেই চমক: শেখ হাসিনার ব্যাংক লকারে ধরা পড়লো ৮৩২ ভরি সোনার গয়না! ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23842</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23842</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 26 Nov 2025 12:11:35 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[Sheikh Hasina, gold jewelry, bank locker, NBR, ACC, Agrani Bank, Purbani Bank, asset concealment, tax evasion, corruption, wealth investigation, Bangladesh, court order, seized assets, money laundering, income tax]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অবশেষে খুলে দেওয়া হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাংক লকার। আর তাতেই বেরিয়ে এসেছে চমক দেওয়া তথ্য। অগ্রণী ব্যাংকের তাঁর দুটি লকার থেকে উদ্ধার হয়েছ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-26-11-25_19-4.jpg" alt="আদালতের নির্দেশে তালা খুলতেই চমক: শেখ হাসিনার ব্যাংক লকারে ধরা পড়লো ৮৩২ ভরি সোনার গয়না! " style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অবশেষে খুলে দেওয়া হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাংক লকার। আর তাতেই বেরিয়ে এসেছে চমক দেওয়া তথ্য। অগ্রণী ব্যাংকের তাঁর দুটি লকার থেকে উদ্ধার হয়েছে মোট ৮৩২ ভরি সোনার গয়না! মঙ্গলবার আদালতের অনুমতি নিয়ে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই লকার দুটি খোলা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। লকার খোলার এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের গোয়েন্দা ইউনিট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা। রাজধানীর দিলকুশায় অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখায় শেখ হাসিনার এই দুটি লকার ছিল। সম্পদ গোপন করে কর ফাঁকি দেয়ার অভিযোগে গত সেপ্টেম্বর মাসেই এনবিআরের গোয়েন্দা শাখা লকার দুটি জব্দ করে। এনবিআরের সিআইসির এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, &amp;quot;আমরা আদালতের অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সব নিয়মকানুন মেনেই লকার দুটি খুলেছি। ভেতরে আমরা ৮৩২ ভরি সোনার গয়না পেয়েছি। এখন শেখ হাসিনার আয়কর রিটার্নে উল্লেখিত সম্পদের তালিকার সঙ্গে এই গয়নার মিল আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।&amp;quot; মজার বিষয় হলো, এর মাত্র এক সপ্তাহ আগে, গত ১০ সেপ্টেম্বর, পূবালী ব্যাংকের আরেকটি লকার জব্দ করে এনবিআর। সেটিও শেখ হাসিনার। রাজধানীর সেনা কল্যাণ ভবনে অবস্থিত পূবালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখার ১২৮ নম্বর লকারটি ছিল সেটি। একই শাখায় শেখ হাসিনার দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টও জব্দ করা হয়। সেই অ্যাকাউন্ট দুটির একটিতে ছিল ১২ লাখ টাকার এফডিআর (স্থায়ী আমানত) এবং অন্যটিতে ছিল ৪৪ লাখ টাকা নগদ। বর্তমানে এনবিআর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কর ফাঁকি দেয়ার অভিযোগের তদন্ত করছে। অন্যদিকে, দুদক তদন্ত করছে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা অবৈধ পন্থায় সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির সাথে জড়িত কিনা। ইতিমধ্যেই, দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের আদেশে শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা এবং তাদের সাথে জড়িত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই রায়ে আদালত তাঁর সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেন। গত বছরের ৫ আগস্ট এক বিশাল ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। ওই দিনই সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যান। এর পর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কর ফাঁকি ও দুর্নীতির তদন্ত চালাচ্ছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-26-11-25_19-4.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-26-11-25_19-4.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24-26-11-25_19-4.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মিজানুর রহমানের কথা আর সালমান রাজের কন্ঠে ‘বিবর’ সিনেমার প্রেমের গান ‘কতো ভালবাসি’]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/entertainment/23841</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/entertainment/23841</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 22 Nov 2025 01:11:51 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ঢালিউড]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bd news, atn bd news, bd news today, bdnews, news, breaking news bd, timebd news, earthquake news bd, news24, bnp news, atn news, bbc news, geo news, updated news, earthquake news today bd, live news, news today, today news, viral news, daily news, ajker news, jamuna news, latest news, bangla news, google news, update news, jamaat news, news updates, ekhon tv news, geo news live, bangla tv news, breaking news, trending news, election news, news trending, channel i news, news in bangla, geo news today, atn bangla news, atn google news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলা সিনেমায় আসছে নতুন চমক! সায়মন তারিকের আলোচিত &amp;lsquo;বিবর&amp;rsquo; ছবির প্রেমের গান &amp;lsquo;কতো ভালবাসি&amp;rsquo;&amp;mdash;যার রেকর্ডিং ইতিমধ্যেই শেষ। সালমান রাজের ক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_22-11-25_01.jpg" alt="মিজানুর রহমানের কথা আর সালমান রাজের কন্ঠে ‘বিবর’ সিনেমার প্রেমের গান ‘কতো ভালবাসি’" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলা সিনেমায় আসছে নতুন চমক! সায়মন তারিকের আলোচিত &amp;lsquo;বিবর&amp;rsquo; ছবির প্রেমের গান &amp;lsquo;কতো ভালবাসি&amp;rsquo;&amp;mdash;যার রেকর্ডিং ইতিমধ্যেই শেষ। সালমান রাজের কণ্ঠ, মিজানুর রহমানের কথা আর পলক হাসানের সুরে ভর করে গানটি ইতোমধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।&amp;nbsp; সিনেমা &amp;lsquo;বিবর&amp;rsquo;-এর এই প্রেমের গানটিকে পুরো টিম এখন ছবির সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তের প্রধান সম্পদ হিসেবে দেখছে। গানটির রেকর্ডিং শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছবির টিম পুরোপুরি প্রস্তুত শুটিং শুরুর জন্য। পরিচালকের ভাষায়, &amp;lsquo;কতো ভালবাসি&amp;rsquo; শুধু একটি গান নয়&amp;mdash;এটি দর্শকের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো একটি আবেগী অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। গানটির মূল আকর্ষণ নিঃসন্দেহে গীতিকার মিজানুর রহমান, যার লেখা নতুন এই রোমান্টিক গানটিকে দিয়েছে স্বতন্ত্র আবেগ। আর কণ্ঠশিল্পী সালমান রাজ পুরো গানে তার পরিচিত কোমল, আবেগময় টোন ব্যবহার করেছেন। সুরকার পলক হাসান সুমন গানটিতে রেখেছেন আধুনিকতার স্পর্শ, আবার রেখেছেন বাংলা প্রেমগানের চিরচেনা ঘ্রাণ। সংগীতায়োজন করেছেন কবির জনি, যিনি গানটিতে এক ধরনের সিনেম্যাটিক ফিল তৈরি করেছেন। বিশেষ করে স্ট্রিংস আর রিদমের মিশ্রণ গানের পুরো আবহকে আরও বেশি নাটকীয় করেছে। যারা রোমান্টিক গান শুনতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি হতে যাচ্ছে অত্যন্ত রোমান্টিক, মেলোডিয়াস এবং মন ভালো করা একটি সংখ্যা। জানা গেছে, এই মাস থেকেই &amp;lsquo;বিবর&amp;rsquo; সিনেমার শুটিং শুরু হচ্ছে। গানটির রেকর্ডিং শেষ হওয়ার পর শুটিং ইউনিট প্রস্তুত হয়েছে গানটির ভিজ্যুয়াল ধারণের জন্য। পরিচালক মনে করছেন, গানটি প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে ছবিকে ঘিরে আলাদা উত্তেজনা তৈরি হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের দর্শকরা গানটির প্রেমালাপ খুব দ্রুত গ্রহণ করবে। গীতিকার, গবেষক ও কলামিস্ট মিজানুর রহমান এর আরেকটি বিশেষ পরিচয় হলো&amp;mdash;তিনি শুধুই প্রেমের গান লেখেন না, বরং দেশ, নেতৃত্ব ও সমাজ নিয়ে শক্তিশালী কথাও লিখেছেন। সালমান রাজের কণ্ঠে এবং সুরকার পলক হাসানের সুরে তার লেখা জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে&amp;mdash;&amp;lsquo;দেশবাসীর সম্মান তারেক রহমান&amp;rsquo;, &amp;lsquo;জিয়া তুমি বাংলাদেশ&amp;rsquo;, &amp;lsquo;মা খালেদা জিয়া&amp;rsquo;, &amp;lsquo;বিএনপি ছিল আছে থাকবে&amp;rsquo;সহ অনেক গান। এবার সেই জনপ্রিয় কম্বিনেশন প্রেমের গানে ফিরেছে। &amp;lsquo;কতো ভালবাসি&amp;rsquo; গানটির প্রতিটি লাইন শ্রোতাদের আবেগকে ছুঁয়ে যাবে বলে আশা করছেন অনেকে। যারা আগে তাদের রাজনৈতিক বা দেশাত্মবোধক গান শুনেছেন, তারা এবার নতুন এক রোমান্টিক ফিল পাবেন। সুর, কথা আর কণ্ঠ&amp;mdash;সব মিলিয়ে গানটি ইতোমধ্যেই টিমের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে। সিনেমা &amp;lsquo;বিবর&amp;rsquo; মুক্তির আগে গানটি প্রকাশ করা হলে তা ছবির প্রচারণাকে আরও শক্তিশালী করবে। শ্রোতা-দর্শকরাও অপেক্ষায় আছে গানটি কবে অফিসিয়ালি রিলিজ হবে তা শোনার জন্য। এই পুরো মিউজিক টিমের ওপর রয়েছে প্রচুর আশা। আর খুব শিগগিরই আমরা দেখতে পাব &amp;lsquo;কতো ভালবাসি&amp;rsquo; প্রেমের গানের সম্পূর্ণ ভিডিও এবং অনুভব করতে পারব তার রোমান্টিক আবহ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_22-11-25_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_22-11-25_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_22-11-25_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাতীয়তাবাদী তরুণদলের কমিটি বিলুপ্ত]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23840</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23840</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 22 Dec 2024 17:12:39 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news,bd news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[জাতীয়তাবাদী তরুণদলের নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। সদ্য ঘোষিত কমিটির সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন দিলুকে নিয়ে নানা আলোচন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_22-12-2024_01.jpg" alt="নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাতীয়তাবাদী তরুণদলের কমিটি বিলুপ্ত" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>জাতীয়তাবাদী তরুণদলের নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। সদ্য ঘোষিত কমিটির সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন দিলুকে নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। &amp;nbsp; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. আবু বক্কর ছিদ্দিক এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ মহানগরের নতুন কমিটি ঘোষণা করেছিল। তবে কমিটির সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন দিলুকে নিয়ে অনলাইনের বিভিন্ন সমালোচনা শুরু হয়। &amp;nbsp; সিদ্ধিরগঞ্জ ব্রেকিং নিউজ নামে একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে দেলোয়ার হোসেন দিলু সম্পর্কে নেতিবাচক প্রতিবেদন উঠে আসে। বিষয়টি দ্রুত তরুণদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নজরে আসে। এরপরই কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। &amp;nbsp; বৈঠক শেষে তরুণদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর তরুণদলের ওই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। &amp;nbsp; দলটির সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম জানান, &amp;ldquo;আমরা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি এবং সবদিক বিবেচনা করেই এই কমিটি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দের পরামর্শক্রমে শিগগিরই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।&amp;rdquo; &amp;nbsp; এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দলটির শৃঙ্খলা রক্ষার বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাসুম। নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ মহানগর তরুণদল আরও সুসংগঠিত হবে বলে আশা করছেন তিনি। তরুণদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_22-12-2024_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_22-12-2024_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_22-12-2024_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[তরুণদল কেন্দ্রীয় কমিটিতে আবদুল্লাহ আল মাসুমকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23839</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23839</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 20 Dec 2024 17:12:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bdnews24]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণদল কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আবদুল্লাহ আল মাসুমকে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-12-24_02.jpg" alt="তরুণদল কেন্দ্রীয় কমিটিতে আবদুল্লাহ আল মাসুমকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণদল কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আবদুল্লাহ আল মাসুমকে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করায় তিনি তরুণদল কেন্দ্রীয় কমিটির সন্মানিত সভাপতি ডা. মো. আবুবকর ছিদ্দিক ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। আবদুল্লাহ আল মাসুম বলেন, &amp;quot;এই দায়িত্ব আমার জন্য গর্বের। আমি তরুণদল কেন্দ্রীয় কমিটির সকল নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করছি এবং সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকব।&amp;quot; &amp;nbsp; তরুণদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নিয়োগ সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দের জন্য শুভকামনা। &amp;nbsp; তরুণদলের এই নতুন অধ্যায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-12-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-12-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-12-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[অন্তর্বর্তী সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার আহ্বান আমিনুল ইসলাম আলমগীরের]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23838</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23838</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 21 Sep 2024 17:09:07 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar,bnp news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[২৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের নেতারা। আ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-09-24_101.jpg" alt="অন্তর্বর্তী সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার আহ্বান আমিনুল ইসলাম আলমগীরের" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>২৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের নেতারা। আজ শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার সময় শেরে বাংলা নগরস্থ জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমানের মাজারে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া করেন তরুণ দলের নেতাকর্মীরা। এসময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মরণে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন- &amp;#39;লাল সবুজের পতাকায়, জিয়া তোমায় দেখা যায়, জিয়া তোমার স্মরণে ভয় করি না মরণে। সকাল থেকেই তরুণ দলের নেতাকর্মীরা শের-ই-বাংলা নগর এলাকায় আসতে শুরু করেন। এসময় নেতাকর্মীরা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মরণে, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশু সুস্থতা কামনা ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার শাসনামলে দায়েরকৃত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলাগুলো অবিলম্বে নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। স্লোগানের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানকে সালাম দেন তরুণ দলের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের সংগ্রামী সভাপতি ডা. মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম আলমগীরের সঞ্চালনায় পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের প্রধান উপদেষ্টা মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ এবং জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের উপদেষ্টা ও জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী পরিষদের সহ-সভাপতি প্রফেসর ডক্টর জাকারিয়া লিংকন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে প্রফেসর ডক্টর জাকারিয়া লিংকন বলেন, তরুণ দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই দেশকে সন্ত্রাসমুক্ত করে একটি সর্বজনগ্রাহ্য দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবো, এটাই আমাদের লক্ষ। আমরা তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করবো, যাতে সমস্ত অন্যায়-অত্যাচার এ দেশ থেকে বিলুপ্ত করে একটি সুন্দর সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা যায়। তিনি আরও বলেন, আমাদের জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের মূল আদর্শ হচ্ছেন শহীদ জিয়াউর রহমান। অনুপ্রেরণা হচ্ছেন খালেদা জিয়া এবং আমাদের পথ প্রদর্শক হচ্ছেন তারেক রহমান। দলটির সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন চাই এবং রোডম্যাপ চাই। এতে যদি অন্তর্বর্তী সরকারের আরো সময় প্রয়োজন হয়, তাহলে বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্রুত সংলাপে বসার আহ্বান জানান তিনি। দেশের রাজনীতিতে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এখনও দুমাসই হয়নি কিন্তু শুরু থেকেই এ ছাত্র-জনতার বিপ্লবকে ধূলিসাৎ করার জন্য একটা পাল্টা প্রতি বিপ্লবের চেষ্টা করা হয়েছে। বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, ছাত্র-জনতার সেই বিপ্লবের প্রতি বিপ্লবকে ব্যর্থ করে দিয়েছে। তারা জুডিসিয়াল ক্যু করার চেষ্টা করেছিল। দলবাজ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে হাইকোর্টের আপিল ডিভিশনের জাস্টিসরা ষড়যন্ত্র করে প্রথমে তারা একটা ফুলকোর্ট মিটিং করে তারা ষড়যন্ত্র করছিল যে তারা এ অন্তর্বর্তী সরকারকে বাতিল করবে। এ খবর জানার পর আমাদের দামাল ছাত্রসমাজ সমস্ত হাইকোর্ট ঘেরাও করেছে এবং বিচারপতিদের পদত্যাগ দাবি করে। তখন প্রধান বিচারপতিসহ আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। আমাদের ছাত্রসমাজ জুডিসিয়াল ক্যু থেকেও বাংলাদেশকে রক্ষা করতে সফলতার পরিচয় দিয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি টিএইচ তোফা, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম সরকার ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মাসুমসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ঢাকা জেলা, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরসহ বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এসএইচ/এআই/এএএম</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-09-24_101.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-09-24_101.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-09-24_101.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ২৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আজ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23837</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23837</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 21 Sep 2024 03:09:41 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar,bnp news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ ২১ সেপ্টেম্বর ২৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দল। আজ শনিবার বেলা ১১টার সময় রাজধান...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/youth-party-logo.jpg" alt="জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ২৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আজ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ ২১ সেপ্টেম্বর ২৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দল। আজ শনিবার বেলা ১১টার সময় রাজধানীর জিয়া উদ্যানে জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের উদ্যোগে এ মাজার জিয়ারত অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের সংগ্রামী সভাপতি ডা. মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে ও &amp;nbsp;বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম আলমগীরের সঞ্চালনায় মাজার জিয়ারত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের প্রধান উপদেষ্টা মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ এবং জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের উপদেষ্টা ও জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী পরিষদের সহ-সভাপতি প্রফেসর ডক্টর জাকারিয়া লিংকন। সার্বিক সহযোগিতায় উপস্থিত থাকবেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি টিএইচ তোফা, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম সরকার।&amp;nbsp; এছাড়াও জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ঢাকা জেলা, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরসহ বিভিন্ন জেলার নেতা-কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/youth-party-logo.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/youth-party-logo.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/youth-party-logo.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে সাংবিধানিক সংকট হবে কিনা?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23836</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23836</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 20 Sep 2024 05:09:15 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[গত পাঁচই আগস্টে তীব্র গণ-আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারত পালিয়ে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন কর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-09-24_02.jpg" alt="স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে সাংবিধানিক সংকট হবে কিনা?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>গত পাঁচই আগস্টে তীব্র গণ-আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারত পালিয়ে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পদক্ষেপ দেশের সংবিধানে নির্ধারিত হয়নি। বিস্তারিত জানুন এখানে। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধানে স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র বা এ ধরণের পরিস্থিতি নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেনাপ্রধান এক ধরনের কর্তৃত্ব নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হয়েছে। গণ-আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে খুবই প্রভাবিত করেছে। সাধারণ জনগণ তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। এই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপ দেশের সংবিধানে নির্ধারিত নয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে। তবে, সংবিধানে এর নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই। এই ধরনের পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সংবিধান সংশোধন করা জরুরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সংবিধানে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য স্পষ্ট বিধান থাকা উচিত। সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হতে পারে। এই কমিটি দেশের প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব তৈরি করবে। সংসদ এই প্রস্তাব অনুমোদন করতে হবে। সংসদের সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানে সংশোধনী আনা হবে। জনগণের মতামতও সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত গ্রহণ করা যেতে পারে। সাংবিধানিক সংকটের সম্ভাবনা : শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে সাংবিধানিক সংকট হতে পারে। কারণ, সংবিধানে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই। সেনাপ্রধানের কর্তৃত্ব:&amp;nbsp;উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেনাপ্রধান এক ধরনের কর্তৃত্ব নিয়েছেন। এটি সাংবিধানিক সংকটের একটি উদাহরণ হতে পারে। রাষ্ট্রপতির আদেশ:&amp;nbsp;রাষ্ট্রপতির আদেশে সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এটি সংবিধানে নির্ধারিত নয়, যা সাংবিধানিক সংকটের কারণ হতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কার্যক্রম:&amp;nbsp;অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে। তবে, এর কার্যক্রম সংবিধানে নির্ধারিত নয়। শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে সাংবিধানিক সংকট হতে পারে। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সংবিধান সংশোধন করা জরুরি। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-09-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-09-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-09-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মোদির বিজেপি জামায়াতকে নিয়ে সরকার গড়ার চেষ্টা চালাতে পারে!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/india/23835</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/india/23835</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 20 Sep 2024 05:09:47 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[ভারত]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[প্রধান খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে সবাই খুবই আগ্রহী। ৯০টি আসন নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা গঠিত। প্রথম দফায় বুধবার ২৪ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল ৭টা থেকে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-09-24_01.jpg" alt="মোদির বিজেপি জামায়াতকে নিয়ে সরকার গড়ার চেষ্টা চালাতে পারে!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে সবাই খুবই আগ্রহী। ৯০টি আসন নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা গঠিত। প্রথম দফায় বুধবার ২৪ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এক দশক পরে আবার বিধানসভা ভোট হচ্ছে। নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা বা তাদের পরিবারের সদস্যরা অন্তত ১০-১২টি আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন। কাশ্মীরের একজন বিতর্কিত ও জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ ইঞ্জিনিয়ার রশিদের দল তাদের সমর্থনও করছে। বিজেপি সম্ভবত জামায়াতকে নিয়ে সরকার গড়ার চেষ্টা চালাতে পারে। এই পরিকল্পনা খুবই চমকপ্রদ। কারণ জামায়াত একটি বিতর্কিত দল। প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হচ্ছে ২৪ আসনে। সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এক দশক পরে আবার বিধানসভা ভোট হচ্ছে। আসন সংখ্যা ভোটগ্রহণের তারিখ ভোটগ্রহণের সময় ২৪ বুধবার সকাল ৭টা থেকে নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা প্রার্থী হয়েছেন। তাদের পরিবারের সদস্যরাও প্রার্থী হয়েছেন। প্রার্থীদের সংখ্যা ১০-১২টি আসন থেকে প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার রশিদের সমর্থন এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এক দশক পরে আবার বিধানসভা ভোট হচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সবাই অপেক্ষায়। বিজেপি কি জামায়াতকে নিয়ে সরকার গড়বে? এই প্রশ্ন সবার মনে। নির্বাচনের ফলাফল জম্মু ও কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। বিজেপি জামায়াতকে নিয়ে সরকার গড়লে তা হবে চমকপ্রদ। বিজেপি কি জামায়াতকে নিয়ে সরকার গড়বে? এই প্রশ্ন সবার মনে। বিস্তারিত জানতে পড়ুন জামায়াতকে নিয়ে সরকার গড়ার চেষ্টা চালাতে পারে বিজেপি &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-09-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-09-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-09-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[শক্তিশালী গণতন্ত্র গড়ে তুলতে আমাদের এখনো অনেক দূর এগোতে হবে: তারেক রহমান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23834</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23834</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 15 Sep 2024 04:09:28 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র গড়ে তুলতে বাংলাদেশকে এখনো অনেক দূর এগোতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মি. তারেক জিয়া।...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-09-24_02.jpg" alt="শক্তিশালী গণতন্ত্র গড়ে তুলতে আমাদের এখনো অনেক দূর এগোতে হবে: তারেক রহমান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র গড়ে তুলতে বাংলাদেশকে এখনো অনেক দূর এগোতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মি. তারেক জিয়া। তিনি বলেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে এখনো গণতন্ত্রের দুর্বলতা বিদ্যমান। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। মি. তারেক জিয়া বলেন, &amp;lsquo;ব্যক্তিগতভাবে আমি ও আমার দল বিশ্বাস করে, গণতন্ত্রের নীতিগুলো প্রচার ও সমুন্নত রাখার কোনো বিকল্প নেই।&amp;rsquo; তিনি বলেন, &amp;lsquo;গণতন্ত্র হচ্ছে সর্বজনীন মূল্যবোধ, যা জনগণের স্বাধীন ভাব প্রকাশ ও বাধাহীন চিন্তা প্রকাশের স্বীকৃতি প্রদান করে। আমরা এ ধরনের একটি নিরাপদ, প্রগতিশীল এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সংকল্পবদ্ধ, যা রাষ্ট্রীয় সীমানা অতিক্রম করে বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক বিকাশে ভূমিকা রাখবে।&amp;rsquo; গণতন্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি ও গণতন্ত্রে উৎসাহিত করতে ২০০৮ সাল থেকে প্রতিবছর ১৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলো &amp;lsquo;আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস&amp;rsquo; পালন করে আসছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মি. তারেক জিয়া বলেন, &amp;lsquo;আমি আত্মদানকারী শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং আহতদের সমবেদনা জানাচ্ছি।&amp;rsquo; তিনি বলেন, গণ&amp;ndash;আকাঙ্ক্ষায় প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে বারবার হিংস্র আক্রমণে নিষ্ঠুর স্বৈরাচারী শাসকেরা বহুমাত্রিক গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। দেড় দশক ধরে খালেদা জিয়ার অবিরাম সংগ্রামের পটভূমির ওপরে গত জুলাই মাসে শিক্ষার্থী-জনতার দুনিয়া কাঁপানো গণ-অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট ইতিহাসের জঘন্যতম স্বৈরশাসকের পতন ঘটে। তিনি আরও&amp;nbsp;বলেন, &amp;lsquo;ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের রাষ্ট্র মেরামতের ভিত্তি হবে অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন; বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের সকল মূলনীতির প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োগ। ইনশা আল্লাহ আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে নিশ্চিত হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-09-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-09-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-09-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আন্দোলনে নিহত ৮৭৫ জন, গুলিতে মৃত্যু বেশি: এইচআরএসএস]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23833</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23833</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 15 Sep 2024 04:09:54 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে সরকার পতনের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে চলা লাগাতার কর্মসূচির মাধ্যমে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে কত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-09-24_01.jpg" alt="আন্দোলনে নিহত ৮৭৫ জন, গুলিতে মৃত্যু বেশি: এইচআরএসএস" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে সরকার পতনের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে চলা লাগাতার কর্মসূচির মাধ্যমে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে কত প্রাণহানি হয়েছে, তার একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, গত ১৬ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৮৭৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন এই আন্দোলনে। নিহতদের মধ্যে ৭৭ শতাংশই মারা গেছেন গুলিবিদ্ধ হয়ে। এছাড়া মানবাধিকার সংস্থাটির হিসাবে, এই আন্দোলনে আহতের সংখ্যা ৩০ হাজারেরও বেশি। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সবশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে এইচআরএসএস। প্রতিবেদনটি তৈরির জন্য দেশের ১২টি জাতীয় দৈনিক, নিজস্ব তথ্য অনুসন্ধানী ইউনিট ও সারা দেশ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করেছে এইচআরএসএস। গণমাধ্যম, হাসপাতাল ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যেসব বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাতে নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে এক হাজার হবে বলে ধারণা সংস্থাটির । এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ৭৭২ জনের মৃত্যুর ধরন সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৯৯ জন বা ৭৭ শতাংশ গুলিতে নিহত হয়েছেন। ৬১ জন (৮ শতাংশ) অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। ৮৫ জনকে (১১ শতাংশ) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অন্যান্য কারণে মারা গেছেন ২৭ জন (৪ শতাংশ)। কোন বিভাগে কত নিহত হয়েছেন, সেই পরিসংখ্যানে দেখা যায়, নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক ঢাকা বিভাগে ৫৪০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৯১ জন, খুলনায় ৮১ জন, রাজশাহীতে ৬৪ জন, ময়মনসিংহে ৩৮ জন, রংপুরে ২৯ জন, সিলেটে ২০ জন এবং বরিশালে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে নিহত ব্যক্তিদের একাংশের বয়স, পেশা এবং মৃত্যুর কারণও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৬ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত ৩২৭ জন এবং ৪ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (অনেকে সরকার পতন পরবর্তী সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে মারা যান) ৫৪৮ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫২ শতাংশই শিক্ষার্থী। নিহতদের মধ্যে ৭৭ শতাংশেরই মৃত্যু হয়েছে গুলিতে। নিহতদের ৫৩ শতাংশই ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সী। এইচআরএসএস জানায়, নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে ৭৪৩ জনের নাম জানা গেছে। তাদের মধ্যে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী, সাংবাদিক, পেশাজীবী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, শিশু ও নারীসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থক আছেন। আন্দোলনে কমপক্ষে ১০৭ জন শিশু, ৬ জন সাংবাদিক, ৫১ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং ১৩ জন নারী ও মেয়েশিশু নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর সারাদেশে থানা (পাঁচ শতাধিক), সরকারি স্থাপনা এবং সংখ্যালঘুদের স্থাপনায় হামলা&amp;ndash;ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে ৬১৯ জনের বয়স সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেছে এইচআরএসএস। এই ৬১৯ জনের মধ্যে ১০৭ জন শিশু (১৮ বছরের কম বয়সী) রয়েছে। এছাড়া ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সী বা তরুণ ৩২৭ (৫৩ শতাংশ) জন, ৩১ থেকে ৫০ বছর বয়সী বা মধ্যবয়সী ১৫৮ (২৬ শতাংশ) জন এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সী ২৭ জন (৪ শতাংশ) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ ৬১৯ জনের মধ্যে ৭০ শতাংশেরই বয়স ৩০ বছরের মধ্যে। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ৩৫২ জনের পেশা সম্পর্কে তথ্য পেয়েছে এইচআরএসএস। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ১৮৪ জন (৫২ শতাংশ), শ্রমজীবী ৭০ জন (২০ শতাংশ), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ৫১ জন (৫ শতাংশ)।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-09-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-09-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-09-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জার্মানির কাছে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত আর্জেন্টিনা, কোয়ার্টারে ব্রাজিল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/sports/23832</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/sports/23832</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 14 Sep 2024 19:09:18 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[খেলা]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ফুটবল]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) কলম্বিয়ার এস্তাদিও মেট্রোপলিটন স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর ম্যাচে জার্মানির কাছে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে আর্জেন্টিনার মেয়েরা। অনূর্ধ্ব-২০ নারী...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_14-09-24_01.jpg" alt="জার্মানির কাছে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত আর্জেন্টিনা, কোয়ার্টারে ব্রাজিল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) কলম্বিয়ার এস্তাদিও মেট্রোপলিটন স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর ম্যাচে জার্মানির কাছে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে আর্জেন্টিনার মেয়েরা। অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল বিশ্বকাপের ১১তম আসরে জার্মানির কাছে ৫ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল এই আসরের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। এদিন ম্যাচের ৫ম মিনিটে সতীর্থের বাড়িয়ে দেওয়া বল নিয়ে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে ঢুকে দারুন ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান জার্মানির জানজিন। ২৪তম মিনিটে হেড থেকে গোল করে দ্বিতীয় গোলটি করেন নাচতিগাল। ম্যাচের ২৬ মিনিটে ডি-বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পেয়ে আলতো টোকায় জালে জড়ান ব্যান্ডের। প্রথমার্ধেই ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া অসাধারণ ফ্রি-কিকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন নাচতিগাল। বিরতিতে যাওয়ার আগে দলের হয়ে ব্যবধান কমান আর্জেন্টাইন ফুটবলার ল্যারের। বিরতি থেকে ফিরে গোল ব্যবধান আরও বাড়ান জার্মানির জিকাই। এই হারে চলতি অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপের আসর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিল আর্জেন্টিনা। এদিকে বৃহস্পতিবার ক্যামেরুনকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টের শেষ আট নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। আগামী সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কোয়ার্টারের ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_14-09-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_14-09-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_14-09-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[স্বৈরাচারের দোসর সাবেক দুই আইজিপি একেএম শহীদুল হক ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23831</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23831</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 04 Sep 2024 01:09:16 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,bonnar khobor ajker,bonnar khobor,sob khobor,ajker khabar,bonnar khobor 2024,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,bjp worker death,stock market live,bonna,interim,newspaper,bonna 2024,sheikh hasina return to bangladesh,america news,bd newspaper,mirja fakhrul,sheikh hasina,bnp government,khaleda zia news,taja bangla news,mamata banerjee,bonna news today,sheikh hasina news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-09-24_01.jpg" alt="স্বৈরাচারের দোসর সাবেক দুই আইজিপি একেএম শহীদুল হক ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p></p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-09-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-09-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-09-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[যৌথবাহিনী আজ রাতেই সন্ত্রাসীদের যমদূত হয়ে নামবে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23830</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23830</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 03 Sep 2024 22:09:44 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,bonnar khobor ajker,bonnar khobor,sob khobor,ajker khabar,bonnar khobor 2024,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,bjp worker death,stock market live,bonna,interim,newspaper,bonna 2024,sheikh hasina return to bangladesh,america news,bd newspaper,mirja fakhrul,sheikh hasina,bnp government,khaleda zia news,taja bangla news,mamata banerjee,bonna news today,sheikh hasina news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_05.jpg" alt="যৌথবাহিনী আজ রাতেই সন্ত্রাসীদের যমদূত হয়ে নামবে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p></p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_05.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_05.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_05.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মধ্যরাতে শুরু হবে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23829</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23829</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 03 Sep 2024 21:09:18 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,bonnar khobor ajker,bonnar khobor,sob khobor,ajker khabar,bonnar khobor 2024,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,bjp worker death,stock market live,bonna,interim,newspaper,bonna 2024,sheikh hasina return to bangladesh,america news,bd newspaper,mirja fakhrul,sheikh hasina,bnp government,khaleda zia news,taja bangla news,mamata banerjee,bonna news today,sheikh hasina news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ রাত ১২ টার পর সারা দেশে একযোগে শুরু হবে অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান। তার আগে ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হবে বৈধ-অবৈধ অস্ত্র জমা দেয়ার সময়-সীমা। মহানগর এলাকায় পুলিশ কমি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_04.jpg" alt="মধ্যরাতে শুরু হবে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ রাত ১২ টার পর সারা দেশে একযোগে শুরু হবে অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান। তার আগে ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হবে বৈধ-অবৈধ অস্ত্র জমা দেয়ার সময়-সীমা। মহানগর এলাকায় পুলিশ কমিশনার এবং জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপারগণ নেতৃত্ব দেবেন যৌথ অভিযানে। দুপুরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফ্টেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে একথা জানান। এছাড়াও মাদকের গড ফাদারদের ধরতেও অভিযান চালানো হবে বলে জানান তিনি।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জামায়াত-শিবিরের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23828</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23828</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 03 Sep 2024 21:09:12 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,bonnar khobor ajker,bonnar khobor,sob khobor,ajker khabar,bonnar khobor 2024,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,bjp worker death,stock market live,bonna,interim,newspaper,bonna 2024,sheikh hasina return to bangladesh,america news,bd newspaper,mirja fakhrul,sheikh hasina,bnp government,khaleda zia news,taja bangla news,mamata banerjee,bonna news today,sheikh hasina news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_03.jpg" alt="জামায়াত-শিবিরের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p></p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সৈয়দ ইবরাহিমকে পাশে থাকার অনুরোধ করেছিলেন তারেক রহমান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23827</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23827</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 03 Sep 2024 20:09:25 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,bonnar khobor ajker,bonnar khobor,sob khobor,ajker khabar,bonnar khobor 2024,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,bjp worker death,stock market live,bonna,interim,newspaper,bonna 2024,sheikh hasina return to bangladesh,america news,bd newspaper,mirja fakhrul,sheikh hasina,bnp government,khaleda zia news,taja bangla news,mamata banerjee,bonna news today,sheikh hasina news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_02.jpg" alt="সৈয়দ ইবরাহিমকে পাশে থাকার অনুরোধ করেছিলেন তারেক রহমান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p></p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-09-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশের নতুন পাথওয়ে প্রোগ্রাম]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/education/23826</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/education/23826</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 29 Aug 2024 15:08:27 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bdnews24,ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার ভিত্তিকে আরও শক্ত করে তুলতে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি) প্রথমবারের মত চালু করেছে ইউসিবি ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ইয়া...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-08-24_01.jpg" alt="তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশের নতুন পাথওয়ে প্রোগ্রাম" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার ভিত্তিকে আরও শক্ত করে তুলতে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি) প্রথমবারের মত চালু করেছে ইউসিবি ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রাম (ইউআইএফওয়াই)। ১ বছর মেয়াদী এই প্রি-ইউনিভার্সিটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবে। এসএসসি/ও-লেভেলস/এ-লেভেলস বা এইচএসসি&amp;rsquo;র পর শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারবে। গত ২৫ আগস্ট ইউআইএফওয়াই প্রোগ্রামের ওরিয়েন্টেশন আয়োজিত হয়। আগামী ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত আগ্রহী শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পাবেন। ওরিয়েন্টেশনে অংশগ্রহণকারী ২০ জন শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের ইউআইএফওয়াই সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন প্রোগ্রামটির সমন্বয়ক অভিষেক চক্রবর্তী। একাডেমিক অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করার লক্ষ্যে এ সময়ে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি ও ব্যবহার, ইউসিবি&amp;rsquo;র প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম-নীতি, ইউসিবি মুডল (লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম), স্টুডেন্টস বিওয়াইও নীতিমালা ইত্যাদির সাথেও শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সেশনে উপস্থিত ছিলেন ইউসিবি&amp;rsquo;র ডিন অফ একাডেমিক অ্যাফেয়ার্স অধ্যাপক মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, এবং প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট অধ্যাপক হিউ গিল। শিক্ষার্থীদের জন্য একাডেমিক ক্যারিয়ারে এগিয়ে থাকার সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে এসেছে ইউসিবি&amp;rsquo;র ইউআইএফওয়াই প্রোগ্রাম। এর মাধ্যমে তাদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা, গবেষণা দক্ষতা, ও পড়াশোনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, পাশাপাশি তারা নিজেদের পছন্দের বিষয়ে উচ্চশিক্ষা শুরুর আগে সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ধারণা অর্জনেরও সুযোগ পাবে। &amp;ldquo;শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ইউআইএফওয়াই প্রোগ্রাম চালু করতে পেরে আমরা আনন্দিত&amp;rdquo;, বলেন ইউসিবি&amp;rsquo;র প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট অধ্যাপক হিউ গিল। &amp;ldquo;ইউনিভার্সিটি অফ ডার্বি, বার্মিংহ্যাম সিটি ইউনিভার্সিটি, ন্যাশনাল কলেজ অফ আয়ারল্যান্ড-সহ নানা খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে এটি তাদের এগিয়ে রাখবে। ওরিয়েন্টেশনে আমরা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে বেশ তথ্যপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিয়েছি। আশা করছি বিদেশে উচ্চশিক্ষার সেরা প্রস্তুতি গ্রহণে আগামীতে আরো অনেক তরুণ আমাদের প্রোগ্রামটি বেছে নেবেন&amp;rdquo;। বর্তমানে ইউআইএফওয়াই প্রোগ্রামের অধীনে শিক্ষার্থীরা কম্পিউটিং, ইঞ্জিনিয়ারিং, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, হায়ার ফাইন্যান্স, হেলথ সায়েন্সেস এবং বিজনেস বিষয়ে পাথওয়ে সুবিধা পাচ্ছেন। ইউআইএফওয়াই প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে &amp;nbsp;ইউসিবি&amp;rsquo;র ওয়েবসাইট-এ অথবা যোগাযোগ করা যাবে ০১৮৯৬-০১৩৮৮২, ০১৮৮৬-৪১২২২২ নম্বরে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড হাসানুল হক ইনু গ্রেপ্তার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23825</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23825</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 26 Aug 2024 16:08:51 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,bonnar khobor ajker,ajker khabar,khobor,antorjatik khobor,bonnar khobor,bonnar khobor 2024,ajker bangla news,sob khobor,desher khobor,live khobor,bjp worker death,hajj khutba,live hajj khutba,hajj khutba live,flood situation near khowai river,stock market live,hajj formalities,bonna,hajj formalities begin,interim,hajj 2024,hajj live,live hajj,hajj news,newspaper,bonna 2024]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করে।&amp;nbsp; সাবেক তথ্য...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_26-08-24_01.jpg" alt="বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড হাসানুল হক ইনু গ্রেপ্তার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করে।&amp;nbsp; সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট কেন্দ্রীয় ১৪ দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। এর আগে গত ২২ আগস্ট কেন্দ্রীয় ১৪ দলের আরেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননও গ্রেপ্তার হন।&amp;nbsp; গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার তীব্র গণ আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে তার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনের অবসান হয়। তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।&amp;nbsp; সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনাসহ সাবেক মন্ত্রী&amp;ndash;প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা&amp;ndash;কর্মীদের নামে বেশ কয়েকটি হত্যা মামলা হয়েছে। ১৪ দল নেতা রাশেদ খান মেনন ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর নামেও হত্যা মামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীসভা সদস্যদের নামে গণহত্যার অভিযোগ করা হয়েছে।&amp;nbsp; এসব মামলায় এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী&amp;ndash;প্রতিমন্ত্রী। এর মধ্যে আছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী দীপু মনি, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাঈদ আহমেদ পলক এবং সাবেক উপমন্ত্রী আরিফ খানসহ অনেকে।&amp;nbsp; উল্লেখ্য, হাসানুল হক ইনু বাংলাদেশের রাজনীতির অন্ধকার গলির নেতা। তিনি ১৯৭৫ সালে অনেক সেনা অফিসার হত্যা করেছেন কর্নেল তাহের বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড থেকে। ১৯৭৫ সাল থেকে অদ্যাবধি দেশে সংঘটিত সকল সামরিক অভ্যুত্থানে তার যোগসাজস রয়েছে। পিলখানা হত্যাযজ্ঞের সময় তিনি তার ঘনিষ্ট বিডিআরদের ফোন করে হত্যায় উৎসাহ যুগিয়েছেন, এবং তাদের পরামর্শ দিয়েছেন কি করে লাশ গোপন করতে হবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_26-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_26-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_26-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বন্যার্তদের পাশে থাকতে পরিবেশক, প্লাজা ও বিক্রয় প্রতিনিধিদের নির্দেশনা দিলেন ওয়ালটনের এমডি ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23824</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23824</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 25 Aug 2024 23:08:32 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দেশের সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতিতে অসহায় বন্যার্তদের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য পরিবেশক, প্লাজা প্রতিনিধি ও সেলস টিমকে বিশেষ দিক-নির্দেশনা দিয়েছ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_25-08-24_02.jpg" alt="বন্যার্তদের পাশে থাকতে পরিবেশক, প্লাজা ও বিক্রয় প্রতিনিধিদের নির্দেশনা দিলেন ওয়ালটনের এমডি " style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দেশের সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতিতে অসহায় বন্যার্তদের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য পরিবেশক, প্লাজা প্রতিনিধি ও সেলস টিমকে বিশেষ দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এস এম মাহবুবুল আলম। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী &amp;lsquo;মানুষের পাশে, মানুষের জন্য&amp;rsquo; স্লোগানে বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে একদম শুরু থেকেই উদ্ধার কার্যক্রম ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। রোববার (২৫ আগস্ট, ২০২৪) রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় এই দিক-নির্দেশনা দেন তিনি। সভায় ভার্চুয়াল প্লাটফর্মের মাধ্যমে সারাদেশ থেকে ওয়ালটন প্লাজার সহ&amp;macr;্রাধিক বিক্রয় প্রতিনিধি, ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারগণ অংশ নেন। &amp;nbsp; সভায় ওয়ালটন হাই-টেকের এমডি এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, হঠাৎ করে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি জেলার হাজার হাজার গ্রামের লাখ লাখ পরিবার আকস্মিক বন্যার কবলে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অতীতে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ওয়ালটন পরিবার যেভাবে অংশ নিয়েছিল, এবারও বন্যার্ত অসহায় মানুষের সেবায় পাশে দাঁড়িয়েছেন আপনারা।&amp;nbsp; তিনি আরো বলেন, ওয়ালটন পরিবার দেশের মানুষের দুর্দিনে সর্বদা পাশে থেকেছে। করোনা দুর্যোগের সময়ও আপনারা হাজার হাজার পয়েন্ট থেকে দেশের অসহায় মানুষের মাঝে পিপিই, খাদ্য-দ্রব্য ইত্যাদি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এরই ধারবাহিকতায় এবারও বন্যা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনারা স্ব স্ব অবস্থান থেকে বন্যার্ত অসহায় মানুষদের উদ্ধার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে এগিয়ে এসেছেন। দেশের আপামর মানুষের জন্য আপনাদের এই অকৃত্রিম ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ ও গর্বিত। ওয়ালটন ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে আপনাদের আন্তরিকভাবে অভিনন্দন ও সাধুবাদ জানাই। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অসহায় মানুষের সেবায় আপনারা এই কর্মসূচি চলমান রাখবেন। এর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তাও আমরা প্রদান করছি।&amp;nbsp; ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, বন্যার্তদের জন্য সরকার অনুমোদিত বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে সাধ্যমত আর্থিক অনুদান ও ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে।&amp;nbsp; সভায় বন্যার্তদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।&amp;nbsp; ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার এমডি মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার ও ইভা রিজওয়ানা নিলু, ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস ফিরোজ আলম, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের চিফ মার্কেটিং অফিসার গালীব বিন মোহাম্মদ, ওয়ালটন এমডি&amp;rsquo;র বিজনেস কোঅর্ডিনেটর তানভীর আঞ্জুম, চিফ ইনফরমেশন অফিসার মফিজুর রহমানসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_25-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_25-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_25-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আনসার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/sports/23823</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/sports/23823</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 22 Aug 2024 18:41:16 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[খেলা]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[অন্যান্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ আনসারের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দিচ্ছেন অতিথিরা &amp;lsquo;ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা-...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_22-08-24_21.jpg" alt="ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আনসার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ আনসারের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দিচ্ছেন অতিথিরা &amp;lsquo;ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা-২০২৪&amp;rsquo; এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। রানার্স-আপ হয়েছে জহিরুল স্পোর্টিং ক্লাব। আর তৃতীয় হয়েছে পরাণ মকদুম স্পোর্টস ক্লাব। আজ বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট, ২০২৪) দুপুরে পল্টনস্থ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে জহিরুল স্পোর্টিং ক্লাবকে ৪০-২৮ পয়েন্টের ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয় বাংলাদেশ আনসার। তার আগের দিন স্থান নির্ধারণী ম্যাচে পরাণ মকদুম ০৮-০৪ পয়েন্টে নারায়ণগঞ্জকে হারিয়ে তৃতীয় হয়। প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও তৃতীয় হওয়া দলকে ট্রফি দেওয়া হয়। এছাড়া চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ দলের সকল খেলোয়াড়দের ওয়ালটনের পক্ষ থেকে হোম অ্যাপ্লায়েন্স দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণ করেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), সিনিয়র ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচলক (ক্রীড়া ও সংস্কৃতি) দেওয়ান মাতলুবুর রহমান (পিভিএমএস, বিভিএম), সহকারী পরিচলক (ক্রীড়া ও সংস্কৃতি) মো. হুমায়ুন কবির, সার্কেল অ্যাডজুট্যান্ট (ক্রীড়া ও সংস্কৃতি) মো. জাকির হোসেন ও বাংলাদেশ সেস্টোবল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ঝর্ণা আক্তার। ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতায় ৮টি দল অংশ নেয়। দলগুলোর মধ্যে ছিল- বাংলাদেশ আনসার, জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জহিরুল স্পোর্টস একাডেমি, ঢাকা জেলা, পরাণ মকদুম স্পোর্টস ক্লাব, নারায়ণগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব, ইডেন কলেজ ও মিরপুর সিস্টোবল স্পোর্টস একাডেমি। ৮টি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করে প্রথমে গ্রুপপর্বের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রুপপর্বের সেরা চারটি দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়। সেখান থেকে দুটি দল খেলে ফাইনাল। এই প্রতিযোগিতার ইভেন্ট পার্টনার ছিল ওয়ালটন গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল। আর অনলাইন পার্টনার ছিল রাইজিংবিডি ডটকম।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_22-08-24_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_22-08-24_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_22-08-24_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক আটক]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23822</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23822</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 24 Aug 2024 00:08:58 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,interim,r g kar hospital doctor’s death,newspaper,r g kar hospital doctor’s death news,america news,quota reform,r g kar hospital doctor’s death update,mirja fakhrul,sheikh hasina,r g kar hospital doctor’s death news live,job quota reform movement in bangladesh,bnp government,r g kar hospital,new government]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে আটক করা হয়েছে। ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে সীমান্তে তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে আজ শুক্রবার বিজিবি সদর দপ্তরের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_07.jpg" alt="বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক আটক" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে আটক করা হয়েছে। ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে সীমান্তে তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে আজ শুক্রবার বিজিবি সদর দপ্তরের এক খুদে বার্তায় জানানো হয়েছে। এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ছিলেন। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি অবসরে যান। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও টেলিভিশন টক শোতে কথা বলতেন তিনি। সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী ডনা এলাকা থেকে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে আটক করা হয়েছে বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে। ওই সূত্র জানায়, ডনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। এ সময় বিজিবির একটি টহল দল তাঁকে আটক করে। কানাইঘাট উপজেলার ডনা বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার মহিবউল্লা রাত ১২টার দিকে জানান, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক তখন পর্যন্ত তাঁদের ক্যাম্পেই আছেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_07.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_07.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_07.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[নোয়াখালীর বন্যা পরিস্থিতি: ঘর-বাড়িতে মানুষের থাকার দুঃসহ অবস্থা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23821</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23821</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 23 Aug 2024 15:08:00 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বন্যার খবর,আজকের বন্যার খবর,বন্যা পরিস্থিতি আজকের খবর,আজকের খবর,বন্যা ২০২৪,বন্যা পরিস্থিতি,বন্যা পরিস্থিতি ২০২৪,বন্যা,সরাসরি বন্যার খবর,নোয়াখালী বন্যার খবর,বন্যা পরিস্থিতির খবর,দেশের খবর,নোয়াখালী বন্যা পরিস্থিতি আজকের খবর,দেশের খবর live,বন্যার পরিস্থিতি,আবহাওয়ার খবর,সর্বশেষ খবর,কুমিল্লার বন্যা,ভয়াবহ বন্যা,ফেনীর বন্যা,খবর,বন্যার কবলে বিভিন্ন জেলা,নোয়াখালী বন্যা,বাংলাদেশের বন্যা,বাংলাদেশের খবর,নোয়াখালী বন্যা লাইভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[নোয়াখালী জেলার বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি খুবই করুণ। এখানে বন্যার ফলে ঘর-বাড়িতে মানুষের থাকার কোন অবস্থা নেই। নোয়াখালীর বন্যা পরিস্থিতি এখন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_06.jpg" alt="নোয়াখালীর বন্যা পরিস্থিতি: ঘর-বাড়িতে মানুষের থাকার দুঃসহ অবস্থা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>নোয়াখালী জেলার বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি খুবই করুণ। এখানে বন্যার ফলে ঘর-বাড়িতে মানুষের থাকার কোন অবস্থা নেই। নোয়াখালীর বন্যা পরিস্থিতি এখন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অনেক মানুষ তাদের ঘর-বাড়ি হারিয়েছে। বন্যার কারণ নোয়াখালীর বন্যার প্রধান কারণ হলো অতিবৃষ্টি। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে নদী ও খালগুলো ভরে যায়। ফলে পানি গ্রামের দিকে প্রবাহিত হয়। বন্যার প্রভাব বন্যার প্রভাবে মানুষ তাদের ঘর-বাড়ি হারায়। তাদের থাকার কোন জায়গা থাকে না। তারা আশ্রয় কেন্দ্রে থাকতে বাধ্য হয়। গৃহহীন মানুষের সংখ্যা গ্রাম গৃহহীন মানুষের সংখ্যা গ্রাম ১ ৫০০ গ্রাম ২ ৭০০ গ্রাম ৩ ১০০০ মানুষের দুর্ভোগ বন্যার কারণে মানুষ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়। তাদের খাওয়ার পানি এবং খাবারের অভাব হয়। অনেক সময় তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। খাবারের অভাব বন্যার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যায়। ফলে মানুষের খাবারের অভাব হয়। তারা ঠিকমতো খাবার খেতে পারে না। পানির সমস্যা বন্যার কারণে পানি দূষিত হয়ে যায়। ফলে বিশুদ্ধ পানির অভাব হয়। অনেক সময় তারা রোগে আক্রান্ত হয়। সরকারের সহায়তা সরকার বন্যার্ত মানুষদের সাহায্যের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা ত্রাণ ও আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন করেছে। ত্রাণ বিতরণ সরকার এবং বিভিন্ন সংস্থা মানুষদের ত্রাণ বিতরণ করছে। এতে খাবার, পানি, ওষুধ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্র বন্যার্ত মানুষদের জন্য বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে তারা নিরাপদে থাকতে পারে। মানুষের সংগ্রাম বন্যার কারণে মানুষকে অনেক সংগ্রাম করতে হয়। তারা তাদের পরিবার ও সম্পদ রক্ষার জন্য অনেক কষ্ট করে। প্রতিদিনের জীবন প্রতিদিনের জীবনে মানুষকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তারা বন্যার পানি থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন উপায় খুঁজে পায়। সমস্যার সমাধান মানুষ বিভিন্ন উপায়ে তাদের সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করে। তারা একে অপরকে সাহায্য করে। উপসংহার নোয়াখালীর বন্যা পরিস্থিতি খুবই করুণ। এখানে ঘর-বাড়িতে মানুষের থাকার কোন অবস্থা নেই। তারা অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। আমরা সবাই তাদের সাহায্য করতে পারি।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_06.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_06.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_06.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[২০-৩০ বছরেও এমন বন্যা দেখেনি নোয়াখালীবাসী]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23820</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23820</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 23 Aug 2024 15:08:32 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বন্যার খবর,আজকের বন্যার খবর,বন্যা পরিস্থিতি আজকের খবর,আজকের খবর,বন্যা ২০২৪,বন্যা পরিস্থিতি,বন্যা পরিস্থিতি ২০২৪,বন্যা,সরাসরি বন্যার খবর,নোয়াখালী বন্যার খবর,বন্যা পরিস্থিতির খবর,দেশের খবর,নোয়াখালী বন্যা পরিস্থিতি আজকের খবর,দেশের খবর live,বন্যার পরিস্থিতি,আবহাওয়ার খবর,সর্বশেষ খবর,কুমিল্লার বন্যা,ভয়াবহ বন্যা,ফেনীর বন্যা,খবর,বন্যার কবলে বিভিন্ন জেলা,নোয়াখালী বন্যা,বাংলাদেশের বন্যা,বাংলাদেশের খবর,নোয়াখালী বন্যা লাইভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[নোয়াখালী একটি সুন্দর জেলা। কিন্তু এই বছর সেখানে ভীষণ বন্যা হয়েছে। নোয়াখালীবাসী গত ২০-৩০ বছরেও এমন বন্যা দেখেনি। বন্যার কারণ নোয়াখালীর এই বন্যার প্রধান কারণ হলো...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_05.jpg" alt="২০-৩০ বছরেও এমন বন্যা দেখেনি নোয়াখালীবাসী" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>নোয়াখালী একটি সুন্দর জেলা। কিন্তু এই বছর সেখানে ভীষণ বন্যা হয়েছে। নোয়াখালীবাসী গত ২০-৩০ বছরেও এমন বন্যা দেখেনি। বন্যার কারণ নোয়াখালীর এই বন্যার প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত বৃষ্টি। বন্যা হওয়ার আরেকটি কারণ হলো নদীর পানি বেড়ে যাওয়া। জলবায়ু পরিবর্তন জলবায়ু পরিবর্তন এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে বন্যার সংখ্যা বেড়েছে। নোয়াখালীর এই বন্যাও জলবায়ু পরিবর্তনের একটি ফলাফল। বন্যার প্রভাব নোয়াখালীর মানুষের জীবনযাত্রা খুব কঠিন হয়ে গেছে। অনেক মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। কৃষির উপর প্রভাব বন্যার ফলে ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষকরা খুব সমস্যায় আছেন। পরিবারের উপর প্রভাব অনেক পরিবার এখন আশ্রয়কেন্দ্রে আছে। তাদের খাবার ও পানির সংকট হচ্ছে। সরকারের উদ্যোগ সরকার বন্যা নিয়ন্ত্রণে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে। ত্রাণ কার্যক্রম সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছে। তারা খাবার ও চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্র অনেক জায়গায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এখানে মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে। সাধারণ মানুষের উদ্যোগ নোয়াখালীর মানুষও একে অপরকে সাহায্য করছে। তারা খাবার ও কাপড় দিচ্ছে। স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগ স্থানীয় যুবকরা নিজেদের উদ্যোগে সাহায্য করছে। তারা নৌকা নিয়ে মানুষকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে। আগামীর প্রস্তুতি আমাদের এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। বন্যা থেকে বাঁচার জন্য আমাদের আরও সচেতন হতে হবে। বন্যা প্রতিরোধ বন্যা প্রতিরোধে আমাদের আরও পদক্ষেপ নিতে হবে। নদীর পাশে বাঁধ তৈরি করতে হবে। জনসচেতনতা জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। মানুষকে বন্যার সময় কী করতে হবে তা শেখাতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা জলবায়ু পরিবর্তন রোধে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। গাছ লাগানো ও পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। উপসংহার ২০-৩০ বছরেও এমন বন্যা দেখেনি নোয়াখালীবাসী। এই বন্যা আমাদের সতর্কবার্তা দেয়। আমাদের এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। আরও বিস্তারিত জানতে পারেন এখানে ক্লিক করে.</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_05.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_05.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_05.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[এই সর্বনাশা বন্যার পানি ফেনীর আর কত কী ভাসিয়ে নেবে?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23819</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23819</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 23 Aug 2024 14:08:36 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বন্যার খবর,আজকের বন্যার খবর,বন্যা পরিস্থিতি আজকের খবর,আজকের খবর,বন্যা ২০২৪,বন্যা পরিস্থিতি,বন্যা পরিস্থিতি ২০২৪,বন্যা,সরাসরি বন্যার খবর,নোয়াখালী বন্যার খবর,বন্যা পরিস্থিতির খবর,দেশের খবর,নোয়াখালী বন্যা পরিস্থিতি আজকের খবর,দেশের খবর live,বন্যার পরিস্থিতি,আবহাওয়ার খবর,সর্বশেষ খবর,কুমিল্লার বন্যা,ভয়াবহ বন্যা,ফেনীর বন্যা,খবর,বন্যার কবলে বিভিন্ন জেলা,নোয়াখালী বন্যা,বাংলাদেশের বন্যা,বাংলাদেশের খবর,নোয়াখালী বন্যা লাইভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ফেনী একটি সুন্দর শহর। কিন্তু বন্যার পানি এটি ধ্বংস করছে। বন্যার কারণ বন্যার প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত বৃষ্টি। এছাড়াও নদীর পানি বেড়ে যাওয়া। প্রধান কারণসমূহ: অতিরি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_04.jpg" alt="এই সর্বনাশা বন্যার পানি ফেনীর আর কত কী ভাসিয়ে নেবে?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ফেনী একটি সুন্দর শহর। কিন্তু বন্যার পানি এটি ধ্বংস করছে। বন্যার কারণ বন্যার প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত বৃষ্টি। এছাড়াও নদীর পানি বেড়ে যাওয়া। প্রধান কারণসমূহ: অতিরিক্ত বৃষ্টি নদীর পানি বেড়ে যাওয়া জলাধার ভাঙা ফেনীর ক্ষতি বন্যার কারণে ফেনীর অনেক ক্ষতি হয়েছে। স্কুল, ঘরবাড়ি, এবং রাস্তাঘাট সব ভেসে গেছে। ক্ষতির তালিকা: ক্ষতির ধরন প্রভাবিত এলাকা স্কুল পুরো শহর ঘরবাড়ি গ্রামের এলাকা রাস্তাঘাট মহাসড়ক &amp;nbsp; মানুষের দুর্ভোগ মানুষ বন্যার কারণে খুব কষ্ট পাচ্ছে। তারা খাদ্য, পানি এবং আশ্রয়ের অভাবে ভুগছে। কষ্টের কারণ: খাদ্য অভাব পানির অভাব আশ্রয়ের অভাব বন্যা প্রতিরোধ বন্যা প্রতিরোধ করতে আমাদের কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। নদীর পাড় শক্ত করতে হবে। এবং জলাধার পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রতিরোধের উপায়: নদীর পাড় শক্ত করা জলাধার পরিষ্কার রাখা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা উপসংহার এই সর্বনাশা বন্যার পানি ফেনীর আর কত কী ভাসিয়ে নেবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। বিস্তারিত জানতে দেখুন এই সর্বনাশা বন্যার পানি ফেনীর আর কত কী ভাসিয়ে নেবে? &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[খাগড়াছড়িতে বন্যার ভয়াবহ চিত্র]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23818</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23818</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 23 Aug 2024 14:08:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বন্যার খবর,আজকের বন্যার খবর,বন্যা পরিস্থিতি আজকের খবর,আজকের খবর,বন্যা ২০২৪,বন্যা পরিস্থিতি,বন্যা পরিস্থিতি ২০২৪,বন্যা,সরাসরি বন্যার খবর,নোয়াখালী বন্যার খবর,বন্যা পরিস্থিতির খবর,দেশের খবর,নোয়াখালী বন্যা পরিস্থিতি আজকের খবর,দেশের খবর live,বন্যার পরিস্থিতি,আবহাওয়ার খবর,সর্বশেষ খবর,কুমিল্লার বন্যা,ভয়াবহ বন্যা,ফেনীর বন্যা,খবর,বন্যার কবলে বিভিন্ন জেলা,নোয়াখালী বন্যা,বাংলাদেশের বন্যা,বাংলাদেশের খবর,নোয়াখালী বন্যা লাইভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[খাগড়াছড়ি বাংলাদেশের একটি সুন্দর জেলা। পাহাড় আর নদীর মিলনে গঠিত এই জেলা খুবই মনোরম। কিন্তু খাগড়াছড়িতে প্রায়ই বন্যা হয়। বন্যার সময় খাগড়াছড়ির চিত্র একদম ভিন্ন হয়।...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_02.jpg" alt="খাগড়াছড়িতে বন্যার ভয়াবহ চিত্র" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>খাগড়াছড়ি বাংলাদেশের একটি সুন্দর জেলা। পাহাড় আর নদীর মিলনে গঠিত এই জেলা খুবই মনোরম। কিন্তু খাগড়াছড়িতে প্রায়ই বন্যা হয়। বন্যার সময় খাগড়াছড়ির চিত্র একদম ভিন্ন হয়। বন্যার সময় খাগড়াছড়ির অবস্থা বন্যার সময় খাগড়াছড়ির রাস্তা-ঘাট ডুবে যায়। মানুষ তাদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যায়। স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়। চারদিকে শুধু পানি আর পানি দেখা যায়। পাখির চোখে ধরা পড়লো খাগড়াছড়িতে বন্যার ভয়াবহ চিত্র পাখির চোখে খাগড়াছড়ির বন্যার চিত্র খুবই ভয়াবহ। উপরের দিক থেকে দেখলে মনে হয় যেনো সমুদ্র। গ্রামের ঘর-বাড়ি, স্কুল, মসজিদ সবকিছু পানিতে ডুবে থাকে। বন্যার কারণ প্রবল বৃষ্টিপাত নদীর পানি বেড়ে যাওয়া পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় পানি দ্রুত নিচে নেমে আসে বন্যার প্রভাব বন্যার ফলে মানুষের জীবনযাত্রা কষ্টকর হয়ে পড়ে। খাবার ও পানীয় জলের সংকট দেখা দেয়। অনেক সময় দুর্ভিক্ষের মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরিবারের উপর প্রভাব পরিবারের সদস্যরা তাদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যায়। অনেকের ঘর-বাড়ি বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিক্ষার্থীদের উপর প্রভাব স্কুল-কলেজ বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ক্ষতি হয়। কৃষির উপর প্রভাব কৃষকদের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। কৃষি জমি পানিতে ডুবে যায়। বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন বন্যার পর মানুষ তাদের ঘর-বাড়ি মেরামত করে। সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা সাহায্য করে। বন্যার পর পানি সরে গেলে রাস্তা-ঘাট পরিষ্কার করা হয়। সরকারের সাহায্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন খাবার ও পানীয় জল সরবরাহ স্বাস্থ্য সেবা প্রদান স্থানীয় সংস্থার ভূমিকা স্থানীয় সংস্থা ও এনজিও গুলো সাহায্য করে। তারা ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে। খাগড়াছড়ির ভবিষ্যৎ খাগড়াছড়িতে বন্যা প্রতিরোধ করা জরুরি। নদীর পাড়ে বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। পরিকল্পনা ও উদ্যোগ নদীর পাড়ে বাঁধ নির্মাণ পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা উন্নত করা বন্যা পূর্বাভাস সিস্টেম চালু করা খাগড়াছড়িতে বন্যার ভয়াবহ চিত্র এই লিঙ্কে দেখতে পারেন। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বানের তোড়ে দিশেহারা নোয়াখালীর মানুষ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23817</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23817</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 23 Aug 2024 14:08:52 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বন্যার খবর,আজকের বন্যার খবর,বন্যা পরিস্থিতি আজকের খবর,আজকের খবর,বন্যা ২০২৪,বন্যা পরিস্থিতি,বন্যা পরিস্থিতি ২০২৪,বন্যা,সরাসরি বন্যার খবর,নোয়াখালী বন্যার খবর,বন্যা পরিস্থিতির খবর,দেশের খবর,নোয়াখালী বন্যা পরিস্থিতি আজকের খবর,দেশের খবর live,বন্যার পরিস্থিতি,আবহাওয়ার খবর,সর্বশেষ খবর,কুমিল্লার বন্যা,ভয়াবহ বন্যা,ফেনীর বন্যা,খবর,বন্যার কবলে বিভিন্ন জেলা,নোয়াখালী বন্যা,বাংলাদেশের বন্যা,বাংলাদেশের খবর,নোয়াখালী বন্যা লাইভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[নোয়াখালী জেলার মানুষ বর্তমানে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি। বন্যার কারণ ও প্রভাব গেলো কয়েকদিন টানা বৃষ্টির কারণে নোয়াখালী জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। নয় উপজেলার ছয়...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_01.jpg" alt="বানের তোড়ে দিশেহারা নোয়াখালীর মানুষ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>নোয়াখালী জেলার মানুষ বর্তমানে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি। বন্যার কারণ ও প্রভাব গেলো কয়েকদিন টানা বৃষ্টির কারণে নোয়াখালী জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। নয় উপজেলার ছয়টিতে পানি বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। বন্যার কারণে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জেলা সদরের অবস্থা জেলা সদরের সরকারী অফিসগুলোতেও হাঁটু পানি জমেছে। এমন পরিস্থিতিতে কাজ করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বন্যার প্রভাবিত এলাকা নোয়াখালীর নয়টি উপজেলার মধ্যে ছয়টি উপজেলায় পানি বেড়েছে। এই এলাকা গুলোতে মানুষজনের জীবনযাত্রা প্রায় থেমে গেছে। কোন কোন উপজেলায় বন্যা বেশি সদর উপজেলা কোম্পানীগঞ্জ বেগমগঞ্জ চাটখিল হাতিয়া সুবর্ণচর &amp;nbsp; মানুষের দুর্ভোগ বন্যার কারণে নোয়াখালীর মানুষের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে, ফসল নষ্ট হয়েছে। খাবার ও পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার কারণে সমস্যা খাবারের সংকট পানির সংকট স্বাস্থ্য সমস্যা আশ্রয়ের অভাব &amp;nbsp; সরকারি সাহায্য ও ত্রাণ কার্যক্রম সরকারি সংস্থাগুলো বন্যার্তদের সাহায্য করতে কাজ করছে। ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। তবে এই সাহায্য প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ত্রাণ কার্যক্রম ত্রাণ কার্যক্রমের মাধ্যমে খাবার, পানি ও ওষুধ বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও তৈরি করা হচ্ছে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র। মানুষের প্রতিক্রিয়া নোয়াখালীর মানুষ এই দুর্যোগে দিশেহারা। তারা দ্রুত সাহায্যের দাবি জানাচ্ছে। মানুষের কষ্ট মানুষের কষ্ট বেড়েছে কয়েকগুণ। নোয়াখালীর মানুষ বানের তোড়ে দিশেহারা। বিস্তারিত জানতে এবং বন্যার প্রভাব সম্পর্কে আরও জানতে এই ভিডিওটি দেখুন। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_23-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কোন ‘স্ট্যাটাসে’ এখন ভারতে রয়েছেন শেখ হাসিনা?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23816</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23816</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 21 Aug 2024 21:08:57 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,desher khobor,r bangla khobor,daily khobor update,ajker songbad,baby born after mother died,aynaghor kemon,aynaghorer bondi,aynaghor ki,bangla khabar,r bangla khabar,rg kar horror,obaidul quader,miracle baby born,arpita mukherjee,baby born miraculously,arpita mukherjee arrest,interim,ekattor,arpita mukherjee flat raid]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে, কোন &amp;lsquo;স্ট্যাটাসে&amp;rsquo; এখন ভারতে রয়েছেন শেখ হাসিনা? এই প্রশ্ন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-08-24_03.jpg" alt="কোন ‘স্ট্যাটাসে’ এখন ভারতে রয়েছেন শেখ হাসিনা?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে, কোন &amp;lsquo;স্ট্যাটাসে&amp;rsquo; এখন ভারতে রয়েছেন শেখ হাসিনা? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছি আমরা। নিয়মিত ভিসা নাকি রাজনৈতিক আশ্রয়? শেখ হাসিনা কি নিয়মিত ভিসায় ভারতে আছেন? না কি তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন? এই প্রশ্নের জবাব এখনও পরিস্কার নয়। ভারত সরকার এই বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেননি। ভারতে গৃহবন্দি কি না? অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, ভারতে তাকে কোনও ধরনের গৃহবন্দি বা অন্তরীণ অবস্থায় (ডিটেনশনে) রাখা হয়েছে কি না। এই প্রশ্নের জবাবেও ভারত সরকার সম্পূর্ণ নীরব। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে, শেখ হাসিনার ভারতে থাকার কারণ স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি হয়তো তাকে ভারতে থাকতে বাধ্য করছে। শেখ হাসিনার নিরাপত্তা শেখ হাসিনার নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাংলাদেশ সরকার বা ভারত সরকার থেকে কোনো বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা জানা প্রয়োজন। ভারত সরকারের নীরবতা ভারত সরকারের নীরবতা অনেক প্রশ্নের উদ্রেক করছে। তারা কেন এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিচ্ছেন না, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি হতে পারে? তিনি কি ভারতে স্থায়ীভাবে থাকতে চান, না কি বাংলাদেশে ফিরে যাবেন? এই প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের প্রতিক্রিয়া এই বিষয়ে মিশ্র। কেউ কেউ তাকে সমর্থন করছেন, আবার কেউ কেউ তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক মহল এই বিষয়ে কী ভাবছেন? অন্যান্য দেশগুলি কি এই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন? এই প্রশ্নগুলির উত্তরও জানা প্রয়োজন। উপসংহার কোন &amp;lsquo;স্ট্যাটাসে&amp;rsquo; এখন ভারতে রয়েছেন শেখ হাসিনা? এই প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। ভারত সরকার এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য না দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। আমাদের আরও জানতে হলে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। শেখ হাসিনা কি ভারতে ভিসায় আছেন? তিনি বর্তমানে ভারতে ভিসায় রয়েছেন। শেখ হাসিনা কি রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন? না, তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় চাননি। ভারতে শেখ হাসিনার বর্তমান স্ট্যাটাস কি? শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের অতিথি হিসেবে রয়েছেন। ভারতে শেখ হাসিনা কি নিরাপদে আছেন? হ্যাঁ, তিনি নিরাপদে আছেন। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;শেখ হাসিনা কি ভারতে ভিসায় আছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;তিনি বর্তমানে ভারতে ভিসায় রয়েছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;শেখ হাসিনা কি রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;না, তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় চাননি।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ভারতে শেখ হাসিনার বর্তমান স্ট্যাটাস কি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের অতিথি হিসেবে রয়েছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ভারতে শেখ হাসিনা কি নিরাপদে আছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;হ্যাঁ, তিনি নিরাপদে আছেন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-08-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-08-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-08-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা শুরু]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/sports/23815</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/sports/23815</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 21 Aug 2024 19:08:52 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[খেলা]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[অন্যান্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;lsquo;ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা-২০২৪&amp;rsquo; এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত &amp;nbsp;অতিথিবৃন্দ এবং অংশ গ্রহণকারী দলের সদস্যবৃন্দ আজ বুধবার (২১...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-08-24_01.jpg" alt="ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা শুরু" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;lsquo;ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা-২০২৪&amp;rsquo; এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত &amp;nbsp;অতিথিবৃন্দ এবং অংশ গ্রহণকারী দলের সদস্যবৃন্দ আজ বুধবার (২১ আগস্ট, ২০২৪) শুরু হয়েছে &amp;lsquo;ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা-২০২৪।&amp;rsquo; সকালে ক্যাপ্টেন মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে দুইদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন)। এ সময় অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর ইমরান আল বারী, বাংলাদেশ সেস্টোবল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ঝর্ণা আক্তার।&amp;nbsp; উদ্বোধনী দিনেই গ্রুপপর্ব ও সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ আনসার ও জহিরুল স্পোর্টিং ক্লাব। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ফাইনালে মুখোমুখি হবে দল দুটি। প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও তৃতীয় হওয়া দলকে ট্রফি ও মেডেল দেওয়া হবে। এ ছাড়া সেরা খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করা হবে। দিনের প্রথম সেমিফাইনালে আনসার ২০-১৪ পয়েন্টে পরাণ মকদুমকে হারিয়ে ফাইনালে নাম লেখায়। আর দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জহিরুল স্পোর্টিং ক্লাব ১০-০৪ পয়েন্টে নারায়ণগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে। এদিন স্থান নির্ধারণী ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়। পরাণ মকদুম ০৮-০৪ পয়েন্টে নারায়ণগঞ্জকে হারিয়ে তৃতীয় হয়। ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতায় ৮টি দল অংশ নেয়। দলগুলো হলো- বাংলাদেশ আনসার, জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জহিরুল স্পোর্টস একাডেমি, ঢাকা জেলা, পরাণ মকদুম স্পোর্টস ক্লাব, নারায়ণগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব, ইডেন কলেজ ও মিরপুর সিস্টোবল স্পোর্টস একাডেমি। ৮টি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করে প্রথমে গ্রুপপর্বের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রুপপর্বের সেরা চারটি দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়। সেখান থেকে দুটি দল নিশ্চিত করে ফাইনাল। এই প্রতিযোগিতার ইভেন্ট পার্টনার ওয়ালটন গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল। আর অনলাইন পার্টনার রাইজিংবিডি ডটকম।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_21-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা বুধবার শুরু]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/sports/23814</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/sports/23814</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 20 Aug 2024 17:08:58 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[খেলা]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[অন্যান্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[sports news,ananda khela]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;lsquo;ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা-২০২৪&amp;rsquo; এ অংশগ্রহণকারী দলের জার্সি উন্মোচন করেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ আটটি দলের অংশগ্রহণে আ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_05.jpg" alt="ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা বুধবার শুরু" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;lsquo;ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা-২০২৪&amp;rsquo; এ অংশগ্রহণকারী দলের জার্সি উন্মোচন করেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ আটটি দলের অংশগ্রহণে আগামীকাল বুধবার (২১ আগস্ট, ২০২৪) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে &amp;lsquo;ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতা-২০২৪।&amp;rsquo; ক্যাপ্টেন মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে দুইদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতা চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর জন্য আজ মঙ্গলবার দুপুরে হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), সিনিয়র ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন, বাংলাদেশ সেস্টোবল অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রায়হান উদ্দিন ফকির, যুগ্ম-সম্পাদক আজম আলী খান ও সাধারণ সম্পাদক ঝর্ণা আক্তারসহ অন্যান্যরা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় ওয়ালটন চতুর্থ জাতীয় নারী সেস্টোবল প্রতিযোগিতায় ৮টি দল অংশ নিবে। দলগুলো হলো- বাংলাদেশ আনসার, বাংলাদেশ পুলিশ, জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জহিরুল স্পোর্টস একাডেমি, ঢাকা জেলা, পরাণ মকদুম স্পোর্টস ক্লাব, নারায়ণগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব ও মিরপুর সিস্টোবল স্পোর্টস একাডেমি। ৮টি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করে প্রথমে গ্রুপ পর্বের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ পর্বের সেরা চারটি দল সেমিফাইনাল খেলবে। সেখান থেকে দুটি দল খেলবে ফাইনাল। প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও তৃতীয় হওয়া দলকে ট্রফি ও মেডেল দেওয়া হবে। এ ছাড়া সেরা খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করা হবে। এই প্রতিযোগিতার ইভেন্ট পার্টনার ওয়ালটন গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল। আর অনলাইন পার্টনার রাইজিংবিডি ডটকম।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_05.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_05.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_05.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাজাপুর ও কাঠালিয়ায় তরুণ দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদকের আগমন উপলক্ষে ড. জাকারিয়া লিংকনের উদ্যোগে মোটরসাইকেল শোডাউন ও পথসভা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23813</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23813</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 20 Aug 2024 14:08:15 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,live khobor,r bangla khobor,aaj ki taaja khabar,bangla khabar,r bangla khabar,neeraj chopra,rg kar horror,obaidul quader,interim,ekattor,sandip ghosh cbi interogation,newspaper,world news,ekattor tv,manish sisodia aaj tak interview,kunal ghosh,america news,quota reform,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা প্রফেসর ড. জাকারিয়া লিংকনের উদ্যোগে তরুণ দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ স...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_03.jpg" alt="রাজাপুর ও কাঠালিয়ায় তরুণ দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদকের আগমন উপলক্ষে ড. জাকারিয়া লিংকনের উদ্যোগে মোটরসাইকেল শোডাউন ও পথসভা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা প্রফেসর ড. জাকারিয়া লিংকনের উদ্যোগে তরুণ দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদকের আগমন উপলক্ষে মোটরসাইকেল শোডাউন ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার (১৮ আগস্ট) ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে পৌঁছালে তরুণ দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।&amp;nbsp; এ সময় আমিনুল ইসলাম বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আন্দোলনে আবু সাঈদসহ নিহত সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পরে নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে দুই উপজেলার বিভিন্ন পথসভায় বক্তব্য দেন। তরুণ দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম তরুণ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য বলেন, সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন- ঝালকাঠি জেলা তরুণ দলের সাধারণ সম্পাদক শাওন মিয়াজী, ঝালকাঠি জেলা তরুণ দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়াজ মোর্শেদ, কাঠালিয়া উপজেলা তরুণ দলের সাধারণ সম্পাদক মঈন মুন্সিসহ ঝালকাঠি জেলা তরুণ দল ও কাঠালিয়া উপজেলা তরুণ দলের নেতাকর্মীরা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মুনিয়া হত্যা: আনিসুল হক তার বান্ধবীকে দিয়ে আনভীর সোবহান থেকে ঘুষ নেয়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23812</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23812</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 20 Aug 2024 14:08:22 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,live khobor,r bangla khobor,aaj ki taaja khabar,bangla khabar,r bangla khabar,neeraj chopra,rg kar horror,obaidul quader,interim,ekattor,sandip ghosh cbi interogation,newspaper,world news,ekattor tv,manish sisodia aaj tak interview,kunal ghosh,america news,quota reform,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর গুলশানে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়া হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারে বাধা দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত তা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_02.jpg" alt="মুনিয়া হত্যা: আনিসুল হক তার বান্ধবীকে দিয়ে আনভীর সোবহান থেকে ঘুষ নেয়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর গুলশানে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়া হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারে বাধা দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত তানিয়া। মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও নুসরাত জাহান মুনিয়া হত্যার বিচার পাননি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাঁর বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া। তিনি বলেন, &amp;lsquo;মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়েও আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ছোট বোন মুনিয়া হত্যার বিচার চেয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি, কোথাও ন্যায়বিচার পাইনি।&amp;rsquo;&amp;nbsp; আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি।&amp;nbsp; সংবাদ সম্মেলনে নুসরাত জাহান তানিয়া তাঁর এক লিখিত বক্তব্যে বলেন, &amp;lsquo;আমি জানতে পারি তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক তাঁর বান্ধবী তৌফিকা করিমকে দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আনভীরের থেকে ঘুষ নিয়ে মামলা প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। আমি এসব ব্যাপারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য একাধিকবার আবেদন করি এবং প্রায় ২৬ পৃষ্ঠার একটি চিঠি লিখে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করি। কিন্তু তিনি আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ দেননি।&amp;rsquo;&amp;nbsp; তিনি বলেন, &amp;lsquo;মুনিয়াকে মেরে ফেলার সংবাদ পাওয়ার পর আমি যখন গুলশান থানায় মামলা করতে গিয়েছিলাম, তখন থেকেই ভূমিদস্যু বসুন্ধরা পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকেই কিনে ফেলতে চেয়েছিল এই হত্যা ও ধর্ষণ মামলার ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে। তৎকালীন আইজিপি বেনজির (বেনজির আহমেদ) এবং গুলশান থানার ওসি সুদীপ কুমার, আনভীরকে বাঁচিয়ে দেওয়ার জন্য নির্লজ্জ ভূমিকা রেখেছিল। পরবর্তীতে গুলশান থানা আনভীরকে অব্যাহতি দিয়েই তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। আমি আওয়ামী পরিবারের একজন সন্তান। আমার প্রয়াত বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং তিনি কুমিল্লাতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।&amp;rsquo;&amp;nbsp; তানিয়া অভিযোগে বলেন, &amp;lsquo;আমি বিশ্বাস করি শেখ হাসিনার প্রশ্রয় না পেলে আনভীররা এতটা বেপরোয়া হয়ে ওঠার সাহস পেত না। পিবিআইতে যখন আমার মামলাটি গেল, সেখানেও তৎকালীন পিবিআই প্রধান বনজ কুমারকে ঘুষ দিয়ে একটি একপেশে তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে আসে বসুন্ধরা গ্রুপ। ওই রিপোর্টেও আনভীরসহ সকলকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আমি নারাজি জানানোর পর সেটা আদালতেও খারিজ হয়ে যায়। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো মুনিয়া গর্ভবতী ছিল, পিবিআই তাদের তদন্তেও বলেছে-সেটা ছিল আনভীরেরই সন্তান। অথচ সেই আনভীরকে তারা স্যাম্পল টেস্ট করতে বলল না।&amp;rsquo;&amp;nbsp; সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;প্রশাসন মামলার অন্যান্য আসামি যেমন-সাইফা মিম ও পিয়াসাকে গ্রেপ্তার করলেও, আনভীরকে একটিবারের জন্যও জিজ্ঞাসাবাদ বা গ্রেপ্তার করেনি। অর্থাৎ বিচারের নামে কী রকম তামাশা হয়েছে, সেটা নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন। আমরা বিশ্বাস করি স্বৈরাচার হাসিনার পতনের পর, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আমি ন্যায়বিচার এখন প্রত্যাশা করতেই পারি।&amp;rsquo;&amp;nbsp; এ সময় তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংশ্লিষ্টদের কাছে আবেদন করেন যেন-অবিলম্বে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহ আলম ও তাঁর ছেলে আনভীরকে গ্রেপ্তার করে, মুনিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি হিসেবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।&amp;nbsp; সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন&amp;mdash;মুনিয়া হত্যার বাদী পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট মাসুদ সালাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট মানিক চন্দ্র শর্মা প্রমুখ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ক্ষমতার পরিবর্তন মানে শুধু রাষ্ট্র ক্ষমতার হাত বদল নয় বরং রাষ্ট্র এবং রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন: তারেক রহমান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23811</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23811</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 20 Aug 2024 13:08:28 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,live khobor,r bangla khobor,aaj ki taaja khabar,bangla khabar,r bangla khabar,neeraj chopra,rg kar horror,obaidul quader,interim,ekattor,sandip ghosh cbi interogation,newspaper,world news,ekattor tv,manish sisodia aaj tak interview,kunal ghosh,america news,quota reform,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;nbsp;তারেক রহমান সম্প্রতি বলেছেন, &amp;quot;গণঅভ্যুত্থানের সাফল্য ও উদ্দেশ্য নষ্ট করতে চলছে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।&amp;quot; তিনি এই মন্তব্য করেছেন ২০ আগস্ট ২০২৪, মঙ্গলবা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_01.jpg" alt="ক্ষমতার পরিবর্তন মানে শুধু রাষ্ট্র ক্ষমতার হাত বদল নয় বরং রাষ্ট্র এবং রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন: তারেক রহমান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;nbsp;তারেক রহমান সম্প্রতি বলেছেন, &amp;quot;গণঅভ্যুত্থানের সাফল্য ও উদ্দেশ্য নষ্ট করতে চলছে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।&amp;quot; তিনি এই মন্তব্য করেছেন ২০ আগস্ট ২০২৪, মঙ্গলবার। তারেক রহমান বলেছেন, &amp;quot;গত ১৫ বছরে যারা গুম খুন অপহরণের শিকার হয়েছেন ছাত্র জনতার বিপ্লবে হাজারো মানুষ যারা শহীদ হয়েছেন আহত হয়েছেন তাদের এবং তাদের পরিবারের দুঃখ দুর্দশা নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করুন। ক্ষমতার পরিবর্তন মানে শুধু রাষ্ট্র ক্ষমতার হাত বদল নয় বরং রাষ্ট্র এবং রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন।&amp;quot; গণঅভ্যুত্থান হলো জনগণের বিপ্লব। এটি সমাজের পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গত ১৫ বছরে, বাংলাদেশে অনেক গণঅভ্যুত্থান দেখা গেছে। গণঅভ্যুত্থানের কারণ অবিচার ও নির্যাতন অধিকার হরণ অরাজকতা গণঅভ্যুত্থানের সাফল্য গণঅভ্যুত্থান অনেক পরিবর্তন এনেছে। এটি মানুষের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র তারেক রহমান বলেছেন, &amp;quot;গণঅভ্যুত্থানের সাফল্য ও উদ্দেশ্য নষ্ট করতে চলছে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।&amp;quot; ষড়যন্ত্রের কারণ ক্ষমতার লোভ অবিচার রক্ষা অধিকার হরণ গণঅভ্যুত্থান কি? গণঅভ্যুত্থান হল জনগণের একত্রীকরণের প্রক্রিয়া যা নিয়মিত সমাজিক পরিবর্তন উৎপন্ন করে। ষড়যন্ত্র কি? ষড়যন্ত্র হল কোনও সংস্থার কৃতিত্বে নিখুঁতভাবে আক্রমণ বা হলহল। গণঅভ্যুত্থানে ষড়যন্ত্রের ভূমিকা কি? গণঅভ্যুত্থানে ষড়যন্ত্র জনগণের একত্রীকরণ উপেক্ষা করে উদ্দেশ্য নষ্ট করে। তারেক রহমান কে? তারেক রহমান একজন প্রখ্যাত রাষ্ট্রনীতিবিদ এবং লেখক। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;গণঅভ্যুত্থান কি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;গণঅভ্যুত্থান হল জনগণের একত্রীকরণের প্রক্রিয়া যা নিয়মিত সমাজিক পরিবর্তন উৎপন্ন করে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ষড়যন্ত্র কি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ষড়যন্ত্র হল কোনও সংস্থার কৃতিত্বে নিখুঁতভাবে আক্রমণ বা হলহল।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;গণঅভ্যুত্থানে ষড়যন্ত্রের ভূমিকা কি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;গণঅভ্যুত্থানে ষড়যন্ত্র জনগণের একত্রীকরণ উপেক্ষা করে উদ্দেশ্য নষ্ট করে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;তারেক রহমান কে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;তারেক রহমান একজন প্রখ্যাত রাষ্ট্রনীতিবিদ এবং লেখক।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_20-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি গ্রেফতার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23810</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23810</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 19 Aug 2024 20:08:29 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[শীর্ষ খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,khobor,antorjatik khobor,desher khobor,ajker bangla news,interim,ekattor,sandip ghosh cbi interogation,newspaper,world news,ekattor tv,america news,quota reform,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul,sheikh hasina,mirza fakhrul,job quota reform movement in bangladesh,r g kar hospital doctor’s death news live,bnp government,student reform,new government]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে সাবেক মন্ত্রী ড...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_19-08-24_04.jpg" alt="সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি গ্রেফতার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আজ সোমবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতারের কথা জানায় ডিএমপি। ডিএমপি সূত্র জানায়, গ্রেফতারের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি অফিসে নেয়া হচ্ছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতের ঘটনায় চাঁদপুরে দীপু মনির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরও মামলা রয়েছে। তবে শেখ হাসিনা সরকারের উচ্চপদস্থ হিসেবে ঢাকার হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দীপু মনিকে শুরুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়, এরপর শিক্ষামন্ত্রী এবং সবশেষ সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। চাঁদপুরে তার আত্মীয়-স্বজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ক্ষমতাচুত্যির পর আত্মগোপনে ছিলেন দীপু মনি। বারিধারায় এক আত্মীয়ের বাসা থেকে আজ তাকে গ্রেফতার করা হলো।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_19-08-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_19-08-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_19-08-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[অনলাইনে ওয়ালটন প্লাজায় পণ্য ক্রয়ে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23809</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23809</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 19 Aug 2024 18:08:48 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,desher khobor,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,sob khobor,interim,ekattor,newspaper,world news,ekattor tv,america news,quota reform,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul,sheikh hasina,mirza fakhrul,elias hossain,job quota reform movement in bangladesh,bnp government,student reform,new government,ekattor tv news,khaleda zia news,taja bangla news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[শোরুমে গিয়ে পণ্য কেনার পাশাপাশি ঘরে বসে অনলাইন সেলস প্লাটফর্ম ই-প্লাজা থেকে কেনা যাচ্ছে দেশের সুপারব্র্র্যান্ড ওয়ালটনের পণ্য। ওয়ালটন প্লাজার ওয়েবসাইট (eplaza.wa...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_03.jpg" alt="অনলাইনে ওয়ালটন প্লাজায় পণ্য ক্রয়ে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>শোরুমে গিয়ে পণ্য কেনার পাশাপাশি ঘরে বসে অনলাইন সেলস প্লাটফর্ম ই-প্লাজা থেকে কেনা যাচ্ছে দেশের সুপারব্র্র্যান্ড ওয়ালটনের পণ্য। ওয়ালটন প্লাজার ওয়েবসাইট (eplaza.waltonbd.com) থেকে ওয়ালটনের নির্দিষ্ট মডেলের ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশন, ওয়াশিং মেশিন, ফ্যান, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেস, কম্পিউটার ও এক্সেসরিজ ক্রয়ে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাচ্ছেন গ্রাহকরা।&amp;nbsp; দেশব্যাপী অনলাইনে ওয়ালটন প্লাজার ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কিনে যে কোনো ব্যাংকের নেক্সাস, ভিসা ও মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করলেই এই ছাড় পাওয়া যাবে। এ সুযোগ থাকছে সীমিত সময়ের জন্য। এর মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে ক্রেতারা দেশীয় পণ্য কিনতে অভ্যস্ত হবেন বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে ওয়ালটন পণ্য কেনায় ক্রেতারা পাচ্ছেন ফ্রি হোম ডেলিভারি সুবিধা। আছে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য ক্রয়ের সুযোগ। ক্রেডিট কার্ডে ইএমআই এর আওতায় ১২ মাসের জিরো ইন্টারেস্ট সুবিধায় পণ্য কেনার সুযোগও দিচ্ছে ওয়ালটন ই-প্লাজা। ওয়ালটন ই-প্লাজার ক্যাম্পেইন ম্যানেজমেন্ট ও ব্র্যান্ড কো-অর্ডিনেটর নাফিস ইসতিয়াক জানান, বিশ্বের যে কোনো স্থানে বসেই ফ্রিজ, এসি, টিভি, ডেস্কটপ ও ল্যাপটসহ সব ধরনের ওয়ালটন পণ্য অনলাইনে কেনার সুযোগ রয়েছে। ই-প্লাজা.ওয়ালটনবিডি.কম ওয়েবসাইট থেকে ক্রেতারা পণ্য কেনার অর্ডার বা ফরমায়েশ দিতে পারবেন। অনলাইন থেকে কেনা পণ্য ৭০০টিরও বেশি ওয়ালটন প্লাজার মাধ্যমে সারা দেশে ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বাংলাদেশে প্রচলিত ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড নেক্সাস, ভিসা ও মাস্টার কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাংকিংসহ, বিকাশ ও রকেটের মতো মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমেও অনলাইন থেকে কেনা ওয়ালটন পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা যাচ্ছে সহজেই।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[শেখ হাসিনার স্বৈরাচারের দায় নিতে চায় না ১৪ দল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23808</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23808</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 19 Aug 2024 13:08:01 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,desher khobor,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,live khobor,ajker songbad,home advisor,new market thana,school,interim,ekattor,former law minisrter arrest,dictator,former advisor of pm is arrest,sandip ghosh cbi interogation,newspaper,world news,ekattor tv,youth power,america news,quota reform,coordinator,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তিনি গণহত্যাকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রধান নেতা। তার শাসনামলে দেশে উন্নয়নের কথা বলে অনেক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_02.jpg" alt="শেখ হাসিনার স্বৈরাচারের দায় নিতে চায় না ১৪ দল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তিনি গণহত্যাকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রধান নেতা। তার শাসনামলে দেশে উন্নয়নের কথা বলে অনেক বিতর্কিত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। আমরা যখন কথা বলছি ১৪ দলের, তখন বুঝতে হবে যে এটি একটি রাজনৈতিক জোট। এই জোটের সদস্যরা বিভিন্ন দল থেকে আসে। তাদের মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, ওয়ার্কার্স পার্টি, এবং আরও অনেক দল। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেন ১৪ দল শেখ হাসিনার স্বৈরাচারের দায় নিতে চায় না? এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। শেখ হাসিনার শাসনামলে অনেক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিছু মানুষ মনে করেন, তিনি স্বৈরাচারী মনোভাব পোষণ করেন। তার শাসনামলে গণতন্ত্রের চর্চা বন্ধ করে দেয়া হয়। নির্বাচনে কারচুপি, বিরোধী দলের উপর নিপীড়ন &amp;nbsp;গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করা হয়। এসব কারণে অনেকেই তার শাসনামলকে স্বৈরাচারী বলে মনে করেন। শেখ হাসিনার পতনের পর, ১৪ দল যেন সাধু সেজেছে। তারা এখন দায় নিতে নারাজ। তারা বলছে, শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের সঙ্গে তারা সবসময় একমত ছিল না। কেন ১৪ দল দায় নিতে চায় না? এর পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে: রাজনৈতিক ফায়দা: শেখ হাসিনার স্বৈরাচারের দায় নিতে চায় না ১৪ দল। তারা নিজেদেরকে জনগণের সামনে ভালোভাবে উপস্থাপন করতে চায়। ভবিষ্যত পরিকল্পনা: তারা ভবিষ্যতে আবার ক্ষমতায় আসতে চায়। এজন্য তারা তাদের ইমেজ ভালো রাখতে চায়। দলীয় মতবিরোধ: ১৪ দলের মধ্যে অনেক দল শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত ছিল না। তারা এখন সেই সিদ্ধান্তের দায় নিতে চায় না। শেখ হাসিনার পতনের পর ১৪ দল নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে চায়। তারা জনগণকে বোঝাতে চায় যে, শেখ হাসিনার স্বৈরাচারের দায় তারা নিতে চায় না। তারা এখন নিজেদেরকে জনগণের বন্ধু হিসাবে উপস্থাপন করতে চায়। এজন্য তারা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করছে। শেখ হাসিনার স্বৈরাচারের দায় নিতে চায় না ১৪ দল। তারা নিজেদেরকে জনগণের সামনে ভালোভাবে উপস্থাপন করতে চায়। এজন্য তারা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করার পরিকল্পনা করছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসন: বন্দি ছিল গণতন্ত্র ও মানবাধিকার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23807</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23807</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 19 Aug 2024 11:08:40 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,desher khobor,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,live khobor,ajker songbad,home advisor,new market thana,school,interim,ekattor,former law minisrter arrest,dictator,former advisor of pm is arrest,sandip ghosh cbi interogation,newspaper,world news,ekattor tv,youth power,america news,quota reform,coordinator,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসন নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। তার শাসনামলে তথাকথিত উন্নয়ন হলেও বিরোধীরা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে। স্বৈরশাসক হাসিনার ন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_01.jpg" alt="স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসন: বন্দি ছিল গণতন্ত্র ও মানবাধিকার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসন নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। তার শাসনামলে তথাকথিত উন্নয়ন হলেও বিরোধীরা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে। স্বৈরশাসক হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নামে পাচার হয়েছে প্রায় ১১ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা। তার শাসনামলে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্পের নামে মেগা দুর্নীতি বাস্তবায়িত হয়েছে। তবে সমালোচকরা মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিরোধী দল দমন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণের শিকার হয়েছেন। স্বৈরশাসক হাসিনার শাসনামলে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। ১৬ বছরের শাসন নিয়ে নানা মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়, যা বাংলাদেশি রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। স্বৈরশাসক হাসিনার ১৬ বছরের শাসনে গণতন্ত্রের চরম অবনতি হয়েছে। জনগণের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নেই। বিরোধী দলের উপর নির্যাতন বৃদ্ধি পেয়েছে।&amp;nbsp; নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারচুপি হয়েছে। ভোটারদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। ফলাফল প্রভাবিত করতে ভোট কেটে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছিল ব্যাপক। ভোটারদের হুমকি ভোট কেটে নেওয়া স্বচ্ছতার অভাব বিরোধী দলের উপর নির্যাতন করা হয়েছে। তাদের কার্যকলাপ ব্যাহত হয়েছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে। বিরোধী নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। গ্রেফতার ও নির্যাতন মিথ্যা মামলা গণমাধ্যমের উপর চাপ বিষয় পরিস্থিতি নির্বাচন &amp;nbsp;: কারচুপির অভিযোগ বিরোধী দল &amp;nbsp;: নির্যাতন ও গ্রেফতার গণমাধ্যম &amp;nbsp;: স্বাধীনতার অভাব স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার শাসনকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বেড়েছে। মানবাধিকার হলো মানুষের মৌলিক অধিকার। এটি ব্যক্তির স্বাধীনতা ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করে। কিন্তু, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অনেক ঘটনা ঘটেছে। মিডিয়ার স্বাধীনতা বাংলাদেশে খুবই সংকুচিত। সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না। সরকার মিডিয়ার উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। ফলে, জনগণ সঠিক তথ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সাংবাদিকদের উপর হামলা ও হয়রানি বাড়ছে। অনেক সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এতে মিডিয়ার স্বাধীনতা আরও কমে গেছে। গত ১৬ বছরে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা বেড়েছে। অনেক মানুষ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়। তাদের কোনও সন্ধান পাওয়া যায় না। কিছু মানুষকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ধরনের হত্যাকাণ্ড মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি বড় উদাহরণ। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার ভয় ও আতঙ্কে থাকে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারগুলি ন্যায়বিচার পায় না। এই ঘটনা গুলো সমাজে ভয় ও অনিরাপত্তার সৃষ্টি করে। আর্থিক দুর্নীতি শেখ হাসিনার শাসনামলে একটি গুরুতর সমস্যা। তার শাসনের ১৬ বছরে বিভিন্ন আর্থিক দুর্নীতির ঘটনা প্রকট হয়েছে। এই দুর্নীতির ফলে দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে।&amp;nbsp;বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। পদ্মা সেতু প্রকল্প: এই প্রকল্পে কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: এই প্রকল্পেও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। মেট্রোরেল প্রকল্প: এই প্রকল্পে বিশাল অংকের টাকা আত্মসাত হয়েছে। স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার শাসনামলে ব্যাংকিং খাতে কেলেঙ্কারি ব্যাপকভাবে বেড়েছে।&amp;nbsp;এই দুর্নীতির ফলে দেশের সাধারণ মানুষের আস্থা কমেছে। তারা ব্যাংকিং সেবা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। হলমার্ক কেলেঙ্কারি: প্রায় ৪০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: এই ব্যাংকে প্রায় ৩০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। জনতা ব্যাংক কেলেঙ্কারি: এখানে প্রায় ২০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। &amp;nbsp; স্বৈরশাসক হাসিনার ১৬ বছরের শাসনের প্রধান একটি দিক হলো বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ। বিচার ব্যবস্থা হলো গণতন্ত্রের একটি মূল স্তম্ভ। কিন্তু এই সময়ে বিচার বিভাগে ব্যাপক হস্তক্ষেপ হয়েছে। বিচারকদের উপর চাপ, বিচারিক প্রক্রিয়ার রাজনৈতিক ব্যবহার সবই এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। বিচারকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না। তাঁদের উপর প্রশাসনিক চাপ থাকে। অনেক বিচারক রাজনৈতিক প্রভাবের শিকার হন। বিচারকদের পদোন্নতি বা বদলি রাজনৈতিক বিবেচনায় হয়। মামলার রায় দেওয়ার সময় চাপ সৃষ্টি করা হয়। স্বাধীনভাবে রায় দিলে তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়। বিচার ব্যবস্থা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।&amp;nbsp;এই পরিস্থিতি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করেছে। সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পায় না। তারিখ -&amp;nbsp; মামলার বিবরণ -&amp;nbsp; রাজনৈতিক প্রভাব ২০১০ &amp;nbsp;: বিরোধী দলের নেতার গ্রেফতার &amp;nbsp;: সরকারি নির্দেশে ২০১৫ &amp;nbsp;: বিরোধী দলের সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা &amp;nbsp;: নির্বাচনের আগে &amp;nbsp; স্বৈরশাসক হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের মধ্যে শিক্ষা খাতে দুর্নীতি সবচেয়ে বেশি চমকপ্রদ। এ দুর্নীতি শিক্ষার মান কমিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক দুর্নীতি বড় সমস্যা। অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়। যোগ্য প্রার্থীরা সুযোগ পায় না। তালিকাভুক্ত কিছু দুর্নীতি: চাকরি নিয়োগে ঘুষ গ্রহণ অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষার ফলাফল পরিবর্তন প্রকল্পে অর্থ অপব্যবহার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতি ও সহিংসতা উদ্বেগজনক। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনগুলি ত্রাস তৈরি করে। বিষয় -&amp;nbsp; প্রভাব ছাত্র রাজনীতি &amp;nbsp;: শিক্ষা পরিবেশ নষ্ট হয় সহিংসতা &amp;nbsp;: শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এগুলো শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলে। ফলে তারা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারে না। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সংকট একটি গুরুতর সমস্যা। স্বৈরশাসক হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার এই খাতে যথেষ্ট উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা খাতে দুর্নীতি ও অপব্যবহার সাধারণ মানুষের জীবনকে বিপন্ন করছে। স্বাস্থ্যসেবার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম নেই। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদেরও সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। রোগীরা ঠিকমত চিকিৎসা পাচ্ছে না। সরঞ্জামের অভাব: হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। ডাক্তারের অভাব: পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নেই। চিকিৎসার মান: মানসম্মত চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি হাসপাতালগুলোতে কর্তৃত্বের অপব্যবহার চরম আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন পদে অনিয়মিত নিয়োগ হচ্ছে। সরকারি তহবিলের অপব্যবহার হয়েছে। সমস্যা -&amp;nbsp; প্রভাব অনিয়মিত নিয়োগ &amp;nbsp;: সুবিধাবঞ্চিত চিকিৎসকরা নিয়োগ পাচ্ছে না। তহবিলের অপব্যবহার &amp;nbsp;: সেবা উন্নয়নে তহবিল ব্যবহার হচ্ছে না। এই সংকটের ফলে দেশের সাধারণ মানুষ মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে অবিলম্বে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। স্বৈরশাসক হাসিনার ১৬ বছরের শাসনকালে পরিবেশের অবনতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এই সময়ে বন ও নদীর দখল বেড়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণে উদাসীনতা দেখা গেছে। ফলে জীববৈচিত্র্যের উপর প্রভাব পড়েছে। বন ও নদী দখল স্বৈরশাসক হাসিনার শাসনকালে একটি বড় সমস্যা। সরকারি কর্মকর্তাদের মদদে বন ধ্বংস করা হয়েছে। ফলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হয়েছে। নদীগুলো দখল হয়ে গেছে। নদীগুলোর প্রবাহ কমে গেছে। এই দখলদারির ফলে গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের উদাসীনতা স্পষ্ট। পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বন ধ্বংস, নদী দখল, আবর্জনার সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকা, ইত্যাদি সমস্যা থেকে বোঝা যায়।&amp;nbsp;পরিবেশ সংরক্ষণে উদাসীনতার কারণে জলবায়ু পরিবর্তন আরও ত্বরান্বিত হয়েছে। বায়ু দূষণ বেড়েছে, যা মানুষের স্বাস্থ্য হুমকির মুখে ফেলেছে। সমস্যা -&amp;nbsp; পরিণাম বন ধ্বংস &amp;nbsp;: বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট নদী দখল &amp;nbsp;: জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে উদাসীনতা &amp;nbsp;: জলবায়ু পরিবর্তন ত্বরান্বিত পরিবেশের অবনতি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। শুধুমাত্র সরকারি উদ্যোগ নয়, জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন। স্বৈরশাসক হাসিনার ১৬ বছরের শাসনকালে সামাজিক অবক্ষয় একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সময়ে সমাজের মূল্যবোধ ও নৈতিকতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের হার বেড়েছে। প্রতিদিন পত্রিকায় এমন খবর পাওয়া যায়। নারী ও শিশুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরে এই সমস্যা লক্ষ্য করা যায়। সরকারের পদক্ষেপগুলো যথেষ্ট কার্যকর নয়। অপরাধীরা শাস্তি পায় না। সামাজিক মূল্যবোধের অবনতির প্রধান কারণ নৈতিকতার অভাব। মানুষ নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অনৈতিক পথে যাচ্ছে। অন্যের প্রতি সম্মানবোধ কমেছে। বৃদ্ধ ও শিশুদের প্রতি সহানুভূতি কমে গেছে। অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা এর অন্যতম কারণ। শিক্ষার মান কমেছে। শিক্ষার সঙ্গে নৈতিকতা শেখানো হচ্ছে না। সমস্যা -&amp;nbsp; কারণ -&amp;nbsp; প্রভাব নারী ও শিশু নির্যাতন &amp;nbsp;: আইনের দুর্বলতা &amp;nbsp;: নিরাপত্তাহীনতা সামাজিক মূল্যবোধের অবনতি &amp;nbsp;: নৈতিকতার অভাব &amp;nbsp;: সমাজের অবক্ষয় স্বৈরশাসক হাসিনার শাসনকালে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। সমাজে মানবিক মূল্যবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা জরুরি। স্বৈরাচার হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের বিশ্লেষণ আমাদের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের মতামত ও প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করা উচিত। ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পরিবর্তনের জন্য সঠিক নেতৃত্ব প্রয়োজন। দেশের সুশাসন নিশ্চিত করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের স্বার্থে নেতৃবৃন্দকে জবাবদিহি করতে হবে। &amp;nbsp; সত্য উদ্ঘাটন: ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটে চাকরি নেন ডিবি হারুন</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_19-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[২০১০ সালে পুঁজিবাজারে কারসাজিতে জড়িত কারা?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23806</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23806</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 18 Aug 2024 13:08:30 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,desher khobor,live khobor,good news for imran khan,interim,ekattor,r g kar hospital doctor’s death,newspaper,world news,ekattor tv,government,america news,quota reform,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul,sheikh hasina,mirza fakhrul,sheikh rehana,job quota reform movement in bangladesh,bnp government,new government,share bazar,share market,share bazar news,share bazar news 24,bdnews,share bazar bangla news,share bazar news today,share bazar bangladesh news,share bazar bangla,share bazar bengali newspaper,share bazar news bangladesh,share bazar bangladesh,share bazar khabar bangla,bangladesh share bazar,share market news,tbsnews,bdnews live,bank share market,share market bangla,share market fall,share price,bazar price,dhaka share market]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[২০১০ সালে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিশাল কারসাজি ঘটে। এই কারসাজিতে জড়িত ছিলেন কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এবং ব্যাংক। তারা পুঁজিবাজারকে কৃত্রিমভাবে উত্থিত করেন। এই ক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-08-24_02.jpg" alt="২০১০ সালে পুঁজিবাজারে কারসাজিতে জড়িত কারা?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>২০১০ সালে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিশাল কারসাজি ঘটে। এই কারসাজিতে জড়িত ছিলেন কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এবং ব্যাংক। তারা পুঁজিবাজারকে কৃত্রিমভাবে উত্থিত করেন। এই কারসাজির ফলে অনেক সাধারণ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন। বাজারে অবিশ্বাস ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। সরকারের হস্তক্ষেপে পরবর্তীতে কিছু সংশোধনী আনা হয়। কিন্তু এই ঘটনা দেশের পুঁজিবাজারে একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে পেতে অনেক সময় লেগেছে। এই ঘটনার পর পুঁজিবাজারে নিয়মিত তদারকির প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১০ সালে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিশাল কারসাজির ঘটনা ঘটে। এটি দেশের অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলে। এই কারসাজির পেছনে কারা ছিল তা জানা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের শুরু ১৯৫৪ সালে। তখন এটি পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ নামে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতার পর নাম পরিবর্তন করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ রাখা হয়। শুরুতে পুঁজিবাজার ছিল ছোট। ধীরে ধীরে বাজার বড় হতে থাকে। ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আগ্রহ বেড়ে যায়। অধিকাংশ মানুষ বিনিয়োগে ঝুঁকে পড়ে। বাজার দ্রুত ওঠানামা করতে শুরু করে। কিছু অসাধু ব্যক্তি এই সুযোগকে কাজে লাগায়। তারা বাজারে কারসাজি করে নিজেদের লাভবান করে। ২০১০ সালের কারসাজির ঘটনায় বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ জড়িত ছিল। বড় বিনিয়োগকারী কিছু কোম্পানির পরিচালক কিছু ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিছু ব্রোকারেজ হাউজ এই কারসাজি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ছিল ভীষণ ক্ষতিকর। অনেকেই তাদের সঞ্চয় হারায়। এই ঘটনা দেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেয়। Credit: www.bbc.com ২০১০ সালের পুঁজিবাজারে কারসাজি ছিল একটি বড় ঘটনা। এই কারসাজিতে মূল খেলোয়াড়রা ছিল নানা প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। চলুন জানি কারা ছিল এই কারসাজির পেছনে। বড় বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠানগুলো এই কারসাজির মূল খেলোয়াড় ছিল। তারা বাজারে বড় অংকের টাকা বিনিয়োগ করেছিল। বড় কোম্পানি: বড় কোম্পানিগুলো বাজারকে প্রভাবিত করেছিল। বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান: কিছু বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানও কারসাজিতে যুক্ত ছিল। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান: এরা বাজারে বড় বিনিয়োগ করেছিল। রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও এই কারসাজিতে জড়িত ছিল। তাদের প্রভাব বাজারে অনেক বড় ভূমিকা রেখেছিল। রাজনীতিবিদ: কিছু প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ এই কারসাজিতে যুক্ত ছিল। সরকারি কর্মকর্তা: সরকারি কর্মকর্তারাও এই কারসাজিতে ভূমিকা রেখেছিল। প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব: কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব বাজারে প্রভাব বিস্তার করেছিল। এই কারসাজির ফলে অনেক সাধারণ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। এটি বাজারের উপর অনেক বড় প্রভাব ফেলেছিল। ২০১০ সালে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে একটি মারাত্মক কারসাজি ঘটে। কারসাজির কৌশল ও পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক। এই কারসাজির পেছনে অনেকেই ছিল এবং বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করা হয়। মূল্য প্রভাবিত করার জন্য কারসাজিকারীরা কয়েকটি কৌশল ব্যবহার করেছিল। ভুয়া লেনদেন: তারা ফালতু লেনদেন করে দাম বাড়ায়। কৃত্রিম চাহিদা: কৃত্রিমভাবে চাহিদা সৃষ্টি করে শেয়ারের দাম বাড়ায়। কৃত্রিম সরবরাহ: শেয়ারের কৃত্রিম সরবরাহ করে দাম কমায়। মিথ্যা তথ্য ছড়ানোও কারসাজির একটি প্রধান কৌশল ছিল। ভুয়া খবর: তারা ভুয়া খবর প্রচার করে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করে। মিথ্যা বিজ্ঞপ্তি: মিথ্যা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করে। গুজব ছড়ানো: বাজারে গুজব ছড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রভাবিত করে। এই কৌশল ও পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে কারসাজিকারীরা পুঁজিবাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে বিশাল কারসাজি হয়েছিল। এই কারসাজিতে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার ভূমিকা ছিল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এই সংস্থাগুলোর ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, সংক্ষেপে বিএসইসি, পুঁজিবাজারের প্রধান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। ২০১০ সালে পুঁজিবাজারের কারসাজি নির্ধারণে বিএসইসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিএসইসি বিভিন্ন নিয়ম ও বিধি প্রণয়ন এবং প্রয়োগ করে। বিএসইসি অস্বাভাবিক শেয়ার লেনদেন তদারকি করে। তারা নিয়মিত অডিট ও তদন্ত পরিচালনা করে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পুঁজিবাজারে কারসাজি নির্ধারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। তারা ব্যাংকিং কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে। বাংলাদেশ ব্যাংক বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে। ব্যাংকিং লেনদেনের অস্বাভাবিকতা নির্ধারণে বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত পরিচালনা করে। ২০১০ সালে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ব্যাপক কারসাজি হয়েছিল। এই কারসাজির প্রভাব ছিল অনেক গভীর। এই লেখায় কারসাজির প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হবে। ২০১০ সালের পুঁজিবাজারের কারসাজির ফলে বিনিয়োগকারীরা বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়। অনেক বিনিয়োগকারী তাদের সঞ্চিত অর্থ হারিয়েছেন। অনেকের জীবনজীবিকা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তাদের আস্থা নষ্ট হয়ে যায়। এই কারসাজির ফলে দেশের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বাজারের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়। বিদেশী বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারায়। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যায়। কারসাজির প্রভাব বিবরণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি &amp;nbsp;: অর্থ হারানো, হতাশা, আস্থা নষ্ট অর্থনীতিতে প্রভাব &amp;nbsp;: বাজারের স্থিতিশীলতা নষ্ট, বিনিয়োগ কমে যাওয়া ২০১০ সালে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের কারসাজি ঘটে। এই কারসাজির ফলে বাজারে বিশাল পতন ঘটে। এই বিপর্যয়ের পর আইনগত ব্যবস্থা ও তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বের করতে বিভিন্ন প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়। নিচে আইনগত ব্যবস্থা ও তদন্তের বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। ২০১০ সালের পুঁজিবাজার কারসাজির পর সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এই কমিটি মূলত বাজারের পতনের কারণ খুঁজে বের করার দায়িত্ব পায়। কমিটি বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে এবং বিশ্লেষণ করে। তাদের প্রতিবেদনে কারসাজির পেছনে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত ব্যবস্থা নেয়। আদালত কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। বিচার প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। আদালত কঠোর শাস্তি প্রদান করে দোষীদের বিরুদ্ধে। তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে নতুন নিয়ম ও নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। এর ফলে ভবিষ্যতে এমন কারসাজি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে কারসাজি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুঁজিবাজারে কারসাজি রোধে কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এই পদক্ষেপগুলো পুঁজিবাজারকে স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য রাখতে সহায়তা করবে। নিচে আমরা এ বিষয়গুলোর উপর আলোকপাত করবো। পুঁজিবাজারে কারসাজি প্রতিরোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বাজারের স্বচ্ছতা বজায় রাখা সম্ভব। বাজার নজরদারি বৃদ্ধি করা পুঁজিবাজারের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা পুঁজিবাজারে কারসাজি রোধে নিয়ম ও নীতি সংশোধন অত্যন্ত জরুরি। এ নিয়ম ও নীতি সংশোধনের মাধ্যমে বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব। নিয়ম নীতি পুঁজিবাজারে কারসাজি প্রতিরোধ আইন &amp;nbsp;: বাজার নিয়ন্ত্রণ নীতি নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণ &amp;nbsp;: বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নীতি এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে কারসাজি প্রতিরোধ করা সম্ভব। ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে কারসাজিতে জড়িতদের নিয়ে অনেক আলোচনার জন্ম হয়। তাদের ভূমিকা এবং বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ বিষয়ে জানতে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরেছে। নতুন নিয়ম ও নীতিমালা কার্যকর হয়েছে। বাজারে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো কঠোর পর্যবেক্ষণ করছে। অনেকেই বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন। বাজারে স্বচ্ছতা বজায় রাখা নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় রাখা ভবিষ্যতে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অনিয়ম প্রতিরোধ বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নতুন বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ উন্নত নীতিমালা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাজারকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।&amp;nbsp; এদিকে, ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে কারসাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী এখনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ সুযোগে কারসাজি চক্র হাজার হাজার কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম। সোমবার (১২ আগস্ট) ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত পুঁজিবাজারের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় পুঁজিবাজার পুনর্গঠনে মোট ৩০টি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সাইফুল ইসলাম বলেন, &amp;lsquo;গত ১৫ বছর বিএসইসি কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ২০০৯-২০১০ সালে পুঁজিবাজারের পতনের পর লাখ লাখ বিনিয়োগকারী তাদের পুঁজি হারিয়ে পথে বসে যান। শেয়ার ক্রয়ে মার্জিন ঋণ প্রদানকারী বহু প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে যায়। এরপর থেকে বাজার পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় বারবার ক্ষতির মুখে পড়ে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী বাজার ছেড়ে চলে যান। বাজার পতনের কারণ ও দোষীদের খুঁজে বের করতে তৎকালীন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত প্রতিবেদনে ওঠে আসা বাজার কারসাজিতে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আজও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলশ্রুতিতে সেই কারসাজি চক্র আরো সক্রিয় হয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে নিয়েছে।&amp;rsquo;&amp;nbsp; তিনি বলেন, &amp;lsquo;২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৪ বছর পর্যায়ক্রমে এম খায়রুল হোসেন ও শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা উভয়ই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশা থেকে এসে এই পদে আসীন হন। এই দীর্ঘ সময়ে তাদের অপেশাদার এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে বাজারের কোনো উন্নতি হয়নি, বরং বিনিয়োগকারীদের আস্থা তলানিতে এসে পৌঁছায়।&amp;rsquo; সাইফুল ইসলাম বলেন, &amp;lsquo;গত ১৫ বছরে বিএসইসির দুই চেয়ারম্যান খায়রুল ইসলাম ও শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বেশকিছু অনিয়ম করেছেন। বিভিন্ন কোম্পানিকে মানহীন আইপিও অনুমোদন, রাইট শেয়ার ইস্যুর ক্ষেত্রে ২ সিসির মাধ্যমে ক্ষমতার অপপ্রয়োগ, ওটিসি মার্কেট থেকে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কোম্পানিগুলোকে ক্ষমতা অপপ্রয়োগ করে এসএমই মার্কেটে আনা এবং ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে বাজারকে স্থবির করে রাখা হয়েছিল।&amp;rsquo;&amp;nbsp; ডিবিএ প্রেসিডেন্ট বলেন, &amp;lsquo;ডিএসই, সিএসইসহ সিডিবিএল ও সিসিবিএলের পর্ষদে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এমন ব্যক্তিদের এখনো উপস্থিতি রয়েছে। তাদের অনভিজ্ঞতা ও অদূরদর্শিতা প্রতিষ্ঠানগুলোর অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করেছে। আমরা দাবি জানাই, রাজনৈতিক বিবেচনায় নিযুক্ত ব্যক্তিদের সরিয়ে যোগ্য এবং অভিজ্ঞ পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফের সংগঠিত করা হোক।&amp;rsquo; তিনি আরো বলেন, &amp;lsquo;ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়েছে, যার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি তৎকালীন সরকারের নির্দেশে গঠিত হয়েছিল এবং বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশের টাকা তছরুপ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আমরা এই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করার দাবি জানাই এবং যাদের অর্থ নেওয়া হয়েছে, তাদের অবিলম্বে তা ফেরত দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।&amp;rsquo; সাইফুল ইসলাম বলেন, &amp;lsquo;বিগত সময়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিদেশে রোড শো আয়োজন করেছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ছিল। প্রতিটি রোড শোর শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি।&amp;rsquo; সংবাদ সম্মেলনে ডিবিএর পক্ষে থেকে বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রস্তাবগুলো হলো- বিএসইসির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের চাপে ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকার ট্রেক ১ কোটি টাকায় বিক্রি করে দেওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আনুমানিক ৩০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা হারিয়েছে। যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এ ছাড়া ডিএসই, সিএসইসহ সিডিবিএল ও সিসিবিএলের পর্ষদে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, এমন ব্যক্তিদের এখনো উপস্থিতি রয়েছে। তাদেরও পদত্যাগ দাবি করে সংগঠনটি। ২০১০ সালের পুঁজিবাজার কারসাজির মূল হোতা কারা? ২০১০ সালের পুঁজিবাজার কারসাজিতে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এবং প্রতিষ্ঠান জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো হয়েছিল। অনেকেই শাস্তি পেয়েছে। পুঁজিবাজার কারসাজির তদন্ত কে পরিচালনা করে? পুঁজিবাজার কারসাজির তদন্ত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পরিচালনা করে। তারা তদন্তে জড়িতদের চিহ্নিত করে। কারসাজিতে জড়িতদের শাস্তি কি হয়েছিল? কারসাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে জরিমানা এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। কিছুদের শেয়ার বাজারে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পুঁজিবাজার কারসাজির প্রভাব কী ছিল? কারসাজির ফলে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের পতন ঘটে। বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হন। পুঁজিবাজারে কারসাজির ঘটনা আমাদের অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। ২০১০ সালের পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা। এই ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা উচিত। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;২০১০ সালের পুঁজিবাজার কারসাজির মূল হোতা কারা?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;২০১০ সালের পুঁজিবাজার কারসাজিতে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এবং প্রতিষ্ঠান জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো হয়েছিল। অনেকেই শাস্তি পেয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;পুঁজিবাজার কারসাজির তদন্ত কে পরিচালনা করে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;পুঁজিবাজার কারসাজির তদন্ত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পরিচালনা করে। তারা তদন্তে জড়িতদের চিহ্নিত করে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কারসাজিতে জড়িতদের শাস্তি কি হয়েছিল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;কারসাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে জরিমানা এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। কিছুদের শেয়ার বাজারে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;পুঁজিবাজার কারসাজির প্রভাব কী ছিল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;কারসাজির ফলে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের পতন ঘটে। বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর সহযোগিতায় বিডিআর হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত করে শেখ হাসিনা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23805</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23805</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 18 Aug 2024 12:08:20 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[BDR News,ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,khobor,antorjatik khobor,ajker bangla news,desher khobor,live khobor,good news for imran khan,interim,ekattor,r g kar hospital doctor’s death,newspaper,world news,ekattor tv,government,america news,quota reform,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul,sheikh hasina,mirza fakhrul,sheikh rehana,job quota reform movement in bangladesh,bnp government,new government]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[২৫ ফেব্রুয়ারির পিলখানায় নারকীয় সেনা হত্যাযজ্ঞের কথা আজও ভুলতে পারেনি জাতি। কি হয়েছিল সেদিন? কারা বা কাদের নির্দেশে এই হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত হয়েছিল?? উইকিলিকসের সেই ক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-08-24_01.jpg" alt="গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর সহযোগিতায় বিডিআর হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত করে শেখ হাসিনা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>২৫ ফেব্রুয়ারির পিলখানায় নারকীয় সেনা হত্যাযজ্ঞের কথা আজও ভুলতে পারেনি জাতি। কি হয়েছিল সেদিন? কারা বা কাদের নির্দেশে এই হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত হয়েছিল?? উইকিলিকসের সেই কথাটিই প্রকাশ করেছে বিডিআর মিউটিনি ডটকম নামের একটি ওয়েব সাইট। সেটাই হুবহু এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলোঃ সেনা হত্যা নিয়ে সেনাবাহিনীর গঠিত তদন্ত রিপোর্টে মোটামুটি উঠে এসেছিল সব কিছু। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হাসিনা সে তদন্ত রিপোর্ট বাতিল করে দিয়েছে। তবে অনলাইনের কল্যানে জনগণ সব জেনে গেছে ভেতরের গোপন কথা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সৈনিক ও অফিসার জানে &amp;ndash; কেনো, কোন পরিকল্পনায়, কারা পিলখানায় ৫৭ সেনা অফিসার হত্যা করেছে। সেটাই সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হলো। ১. RAW: ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা &amp;lsquo;R&amp;amp;AW&amp;rsquo;এর পরিকল্পনায় ও ব্যবস্থাপনায় &amp;rdquo;পিলখানা হত্যাকান্ড&amp;rdquo; ঘটে। এর মূল লক্ষ ছিল- পাদুয়া ও রৌমারীর ঘটনার বদলা নেয়া এবং বিডিআর বাহিনী ধংস করে দেয়া। ২০০১ সালের এপ্রিল মাসে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বিডিআর-বিএসএফ যুদ্ধে ১৫০ জন বিএসএফ নিহত হয়। এর আগে পাদুয়ায় নিহত হয় ১৫ বিএসএফ। বিডিআর ডিজি মেজর জেনারেল এএলএম ফজলুর রহমানের নির্দেশে ঐ যুদ্ধে অংশ নেয় বিডিআর। ঐ ঘটনার পরে ভারতীয় ডিফেন্স মিনিষ্টার জসবন্ত সিং উত্তপ্ত লোকসভায় জানান, &amp;rdquo;এ ঘটনার বদলা নেয়া হবে।&amp;rdquo; লক্ষ করুন, ১৯৭১ সালে যে সব শর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত সামরিক সাহায্য দেয়, তার অন্যতম শর্ত ছিল &amp;ldquo;Frontier Guards will be disbanded&amp;rdquo; (CIA Report SC 7941/71). অর্থাৎ বাংলাদেশের কোনো বর্ডার গার্ড থাকবে না। কিন্তু স্বাধীনতার পরে নানা কারনে পাকিস্তান রাইফেলস বালাদেশ রাইফেলসে (বিডিআর) রূপ নেয়। বিডিআর বাহিনীটি ছিলো আধাসামরিক বাহিনী, যার মূল কমান্ড ও ট্রেনিং ছিলো সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের মত। অন্যদিকে ভারতের বিএসএফ ছিলো সিভিল বাহিনী, যাদের ট্রেনিং, জনবল সবই ছিলো নিম্নমানের। এসব কারনে বর্ডারে কোনো যু্দ্ধ হলে তাতে বিডিআর সামরিক পেশাদারিত্ব দিয়ে বিজয়ী হত। পাদুয়া-রৌমারীর বদলা নেয়ার জন্য বিডিআর বাহিনী ধংস করার পরিকল্পনা করে ভারত। এ লক্ষে ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী সময়টিকে বেছে নেয়া হয়- যখন হাসিনার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহনের পর পর নাজুক সময়। অনেকেই মনে করেন, ভারতীয় পরিকল্পনায় নির্বাচন ছাড়া অপ্রত্যাশিত পদ্ধতিতে হাসিনাকে ক্ষমতায় বসানোর নানা শর্তের মধ্যে একটি গোপন শর্ত থাকতে পারে &amp;ldquo;বিডিআর ধংস করা।&amp;rdquo; চুড়ান্ত রিস্ক থাকা স্বত্ত্বেও হাসিনাকে তা মেনে নিতে হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিডিআর সৈনিকদের দাবীদাওয়ার আড়ালে মুল প্লানটি বাস্তবায়নের জন্য মোট ৬০ কোটি রুপী বরাদ্দ করে ভারত। এর মধ্যে পিলখানায় ১৫ থেকে ১৭ কোটি টাকা বিলি হয়, যাতে প্রতিটি অফিসারের মাথার বদলে ৪ লক্ষ টাকা ইনাম নির্ধারন করা হয়। ১৯ ও ২১ ফেব্রুয়ারী ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার বাছাই করা ১৫ জন শুটারকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়, যারা পশ্চিম বঙ্গ সরকারের পাঠানো (প্রেমের নিদর্শন) ১ লক্ষ মিষ্টির সাথে বাংলাদেশে ঢুকে। একজন বেসামরিক দর্জি&amp;rsquo;র কাছ থেকে বিডিআর এর পোশাক বানিয়ে বিডিআর সপ্তাহ উপলক্ষে পিলখানায় উপস্থিত থাকে শুটাররা। তাদের দায়িত্ব ছিলো লাল টেপওয়ালা (কর্নেল ও তদুর্ধ) অফিসারদের হত্যা করা। তারা একটি বেডফোর্ড ট্রাক ব্যাবহার করে ৪ নং গেইট দিয়ে প্রবেশ করে ২৫ তারিখ সকালে। ঘটনার দিন সকাল ১১টায় বাংলাদেশের কোনো সংবাদ মাধ্যম জানার আগেই ভারতের &amp;ldquo;২৪ ঘন্টা&amp;rdquo; টিভিতে প্রচার করা হয় জেনারেল শাকিল সস্ত্রীক নিহত। অর্থাৎ মূল পরিকল্পনা অনুসারেই খবর প্রচার করে ভারতীয় গণমাধ্যম! পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে বা আর্মির পদক্ষেপে শেখ হাসিনার জীবন বিপন্ন হলে তাকে নিরাপদে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভারতীয় ৩০ হাজার সৈন্য, ছত্রীবাহিনী ও যুদ্ধবিমান আসামের জোরহাট বিমানবন্দরে তৈরী রেখেছিলো ভারত। বিদ্রোহের দিন ভারতের বিমান বাহিনী IL-76 হেভি লিফ্&amp;zwnj;ট এবং AN-32 মিডিয়াম লিফ্&amp;zwnj;ট এয়ারক্রাফট নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে পূর্ণ সহায়তা দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলো। ঐসময় প্রণব মুখার্জীর উক্তি মিডিয়ায় আসে এভাবে, &amp;ldquo;এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে সব ধরণের সহায়তা দিতে ভারত প্রস্তুত। &amp;hellip; আমি তাদের উদ্দেশ্যে কঠোর সতর্কবাণী পাঠাতে চাই, যারা বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে, তারা যদি এ কাজ অব্যাহত রাখে, ভারত হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না, প্রয়োজনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে।&amp;rdquo; ২. শেখ হাসিনা : ভারতের এই পরিকল্পনাটি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করা হয় বেশ আগেই। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নিমিত্তে ঘটনার ১ সপ্তাহ আগে তড়িঘড়ি করে প্রধানমন্ত্রীকে সুধাসদন থেকে সরিয়ে যমুনা অতিথি ভবনে নেয়া হয়, কেননা পিলখানার ডেঞ্জার এরিয়ার মধ্যে ছিল ওটা। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার মেরামত শেষ না হওয়া স্বত্ত্বেও ভারতের সিগনালে খুব দ্রুততার সাথে হাসিনাকে সুধাসদন থেকে সরানো হয়। এটা এক অসম্ভব ঘটনা। পিলখানা হত্যাকান্ডের পরিকল্পনায় বিরাট সংখ্যায় সেনা অফিসার হত্যা করা হবে, যেটা ১৯৭৫ সালে তার পিতৃ হত্যার একটা বদলা হিসাবে হাসিনার কাছে সুখকর ছিলো। এর মাধ্যমে বিডিআর নিশ্চিহ্ন হবে, টার্গেট করে বিপুল সংখ্যক সেনা অফিসার হত্যা করা হলে তাতে মূল সেনাবাহিনীর কোমর ভেঙ্গে যাবে। গোয়েন্দা খবর পেয়ে ২৫ তারিখে পৌনে ন&amp;rsquo;টার মধ্যেই এনএসআই ডিজি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে- &amp;ldquo;পিলখানায় বিদ্রোহ হচ্ছে। &amp;rdquo; প্রধানমন্ত্রী নিরব থাকেন! আক্রমনের পরে অফিসারদের SOS পেয়ে সকাল ১০টার মধ্যে র&amp;zwnj;্যাবের একটি দল, এবং ১০.২৫ মিনিটে সেনাবাহিনীর একটি দল পিলখানার গেটে পৌছায়। কিন্তু শেখ হাসিনা কোনো অভিযান চালানোর অনুমতি দেয়নি। আশ্চয্যজনকভাবে তিনি সময় ক্ষেপন করতে থাকেন। আর এর মধ্যে ঘটতে থাকে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। খেয়াল করুন, সেনা অফিসাররা কোনো প্রতিরোধ করেনি, কাজেই কি কারনে বিডিআর সৈনিকরা অফিসারদের হত্যা করবে? এটা ছিল সুপরিকল্পিতভাবে সেনা অফিসার হত্যাকান্ড। সারাদিন হত্যাকান্ড চালানোর সুযোগ দিয়ে বিকালে শেখ হাসিনা হত্যাকারীদের সাথে বৈঠক করে তাদের সাধারন ক্ষমা ঘোষণা করেন। কিন্তু তিনি একবারও জানতে চাননি, ডিজি শাকিল কোথায়? কি বিস্ময়!! জেনারেল জাহাঙ্গীরের তদন্ত কমিটি শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের সুপারিশ করেছিল, যার ফলে হাসিনা ক্ষেপে গিয়ে ঐ রিপোর্ট ধামাচাপা দেন। ৩. গোয়েন্দা সংস্থা: ঢাকার দৈনিক প্রথম আলোর এক সাংবাদিক ঘটনার আগের দিন এটা জানার পর সে এনএসআইকে এই মর্মে অবহিত করে যে, পিলখানা য় বিদ্রোহের প্রস্তুতি চলছে যার সাথে বিডিআর ও আওয়ামীলীগের নেতারা জড়িত। এনএসআই থেকে উক্ত সাংবাদিককে বলা হয় বিষয়টা চেপে যেতে। ২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর পিলখানায় যাওয়ার আগের দিন পিলখানা অস্ত্রাগার থেকে ৩টি এসএমজি খোয়া যায়। তখন সেনা অফিসারদের দায়িত্ব দেয়া হয় অস্ত্রাগার পাহারায়। যদিও প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় উচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোয়েন্দাগিরি বহাল থাকে। নূন্যতম কোনো বিচ্যুতি ঘটলে প্রোগ্রাম বাতিল হয়। এত কিছু সত্তেও ২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রী সেখানে যান। মূলত: বিদ্রোহের আগাম বার্তা সেনাপ্রধান ম্ইন, ডিজিএফআই প্রধান মোল্লা ফজলে আকবর, এনএসআই প্রধান মেজর জেনারেল মুনির, সিজিএস মেজর জেনারেল সিনা জামালী, বিডিআর কমিউনিকেশন ইনচার্জ লেঃ কর্নেল কামরুজ্জামান, ৪৪ রাইফেল&amp;rsquo;এর সিও শামস, মুকিম ও সালাম-এর জানা ছিল। কেননা ২৫ তারিখের আগেই দাবী দাওয়ার লিফলেটের কপি ডিজি শাকিল, এনএসআই ও সরকারের কাছে পৌছে। এমনকি মাঠ পর্যায়ের বহু সেক্টর কমান্ডাররা জানত, ২৫ তারিখে একটা ঘটনা ঘটবে। পরিকল্পনামত প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে ২৪ তারিখে জানিয়ে দেয়া হয়, প্রধানমন্ত্রী ২৬ তারিখের নৈশভোজে যাচ্ছেন না। এমন ঘটনা অতীত কখনও কখনো ঘটেনি! ৪. জেনারেল মইন উ আহমেদ: তৎকালীন সেনাপ্রধান ও ১/১১র প্রধান কুশীলব। ২০০৮ সালের গোড়ার দিকে ভারত সফর করে মইন চেয়েছিলেন পূর্ন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ভারতীয় সমর্থন। ভারত রাজী হয়নি, বরং আ&amp;rsquo;লীগকে ক্ষমতায় আনার লক্ষে মইনকে কাজ করতে বলে, বিনিময়ে সেফ প্যাসেজ পাবে কুশীলবরা। উপায়ান্তর না দেখে মইন রাজী হয় এবং ২৯ ডিসেম্বর পূর্বপরিকল্পিত ফলাফলের নির্বাচনে ক্ষমতার পালবদল ঘটায়। মইনের বদলে আসেন হাসিনা! ওয়ান ইলেভেনের খলনায়করা যে সব রাজনীতিবিদদের অত্যাচার করেছে, তাদের বিচারের জন্য ফেব্রুয়ারীর দ্বিতীয় সপ্তাহে সংসদে প্রবল দাবী ওঠে। তখন সেনাবাহিনীর চাপের মুখে জেনারেল মইন নিজে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার সাথে সংসদ অফিসে। এরপর শেখ হাসিনা ধমকে দেন মখা আলমগীর, আবদুল জলিলদের, যাতে করে সেনাবাহিনীর বিচারের দাবী আর না তুলে। হাসিনা এ সময় হুশিয়ার করেন, &amp;ldquo;কিভাবে ক্ষমতায় এসেছি, সেটা কেবল আমিই জানি।&amp;rdquo; অন্যদিকে ঐ সময়ই ভারত তার প্লানমত এগিয়ে যায় বিডিআর অপারেশনে। মইনকে বলা হয় প্রয়োজনীয় সাপোর্ট দিতে। মইন তার দু&amp;rsquo;বছরের অপকর্মের স্বাক্ষী আর্মি অফিসারদের আগে থেকেই পোষ্টিং দিয়ে জড়ো করে বিডিআরে। এদের নিধন করা হলে মইনের অপকর্মের সাক্ষী আর পাওয়া যাবে না। ফলে মইনের বিরাট প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল এই হত্যাযজ্ঞ। অন্যদিকে এত সেনা অফিসার নিহত হলে ১/১১ নিয়ে সেনাবাহিনী তথা মইনের বিরুদ্ধে রাজনীতিবিদরা আর মুখ খুলবে না। এতকাল আর্মির রদ্দিমালগুলো যেতো বিডিআরে। কিন্তু এবারে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র- পরিকল্পিতভাবে অনেক চৌকশ অফিসার একসাথে পাঠানো হয় বিডিআরে। পিলখানা হত্যাকান্ডের মাত্র ২ মাস আগে গুলজারকে ষ্টান্ড রিলিজ করে বিডিআরে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। রাইফেলস সপ্তাহের আগেই কানাঘুসা শুরু হয়- ২৫ তারিখে বিদ্রোহ হবে। তাই অনেক অফিসার নানা অযুহাত দিয়ে ছুটিতে চলে যায়। সেনাপ্রধান মইনের পিলখানা হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত ছিল, যার প্রমান মেলে ঘটনার সাথে সাথেই আক্রান্ত ডিজি শাকিল ও অফিসাররা মইনকে ফোনে জানায়। মইন আশ্বাস দেন সেনা পঠাচ্ছি। অথচ তিনি কোনো ব্যবস্থা নেন নি, সময় ক্ষেপন করে হত্যার সুযোগ তৈরী করে দেয়। ম্ইন চলে যায় যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে। তেজগাওয়ে এয়ারফোর্স রেডি, আর্মি রেডি সেনিাবাসে। কিন্তু হুকুম আসে না। বিকালে কিছু সেনা ও যানবাহন ধানমন্ডি পর্যন্ত পৌছে গেলেও অপারেশনের অনুমতি দেয়নি হাসিনা ও ম্ইন। ঘটনার ৪ দিন পরে ১ মার্চে হাসিনা সেনাকুঞ্জে গেলে মইন সেনা অফিসারদের ব্যাপক অসন্তোষের মুখে পরেন। এমনকি নিহতদের জানাজার সময় মইনকে চেয়ার তুলে মারতে যায় কেউ কেউ। উল্টো, সেনাকুঞ্জে যে সব সেনা অফিসার বিচার চেয়ে জোর গলায় বক্তৃতা করেছিল, প্রতিবাদ করেছিল- ভিডিও দেখে দেখে এমন প্রায় দু&amp;rsquo;শ জনকে চাকরীচ্যুত করেছে মইন অনেক অফিসারকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মামলায় কারাদন্ডও দেয়া হয়েছে। ৫. সজীব ওয়াজেদ জয়: শেখ হাসিনার এই পুত্রটি আগে থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপর ক্ষিপ্ত ছিলো। ২০০৮ সালের নির্বাচনের দেড় মাস আগে (১৯ নভেম্বর) হাসিনার উপদেষ্টা ও পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয় তার Stemming the Rise of Islamic Extremism in Bangladesh শীর্ষক নিবন্ধে উল্লেখ করেন, জোট সরকারের আমলে সেনাবাহিনীতে ৩০% মাদ্রাসার ছাত্ররা ঢুকানো হয়েছে। এদের নির্মুল করে সেনাবাহিনী পূনর্গঠন করতে হবে। পিলখানায় বিপুল সেনা অফিসার হত্যা করা হলে সেনাবাহিনীতে ব্যাপক সংস্কার করা সহজ হবে, এবং নতুন নিয়োগ করা যাবে- এমন বিবেচনায় জয় ভারতীয় প্রস্তাবটি গ্রহন করেন। পিলখানা হত্যার পরে জয় দুবাই যান এবং সেখানে ঢাকা থেকে আগত হত্যাকারীদের নগদ পুরস্কৃত করেন বলে খবর প্রকাশ। ৬. শেখ ফজলে নূর তাপস: হাসিনার ফুফাত ভাই শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে এই তাপস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ঘটনায় তার পিতা নিহত হয়। তাপস ঢাকা-১২র নির্বাচন করতে গিয়ে বিডিআর এলাকায় ৫ হাজার ভোট প্রাপ্তির লক্ষে ৪৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি তোরাব আলী&amp;rsquo;র মাধ্যমে বিডিআর নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে। তাপসকে নিশ্চয়তা দেয়া হয় যে, বিডিআর সকল সদস্য নৌকায় ভোট দিবে। তার বদলে তাপস আশ্বাস দিয়েছিল বিডিআরের দাবী দাওয়া মেনে নেয়ার ব্যবস্থা করবে। তাপসের বাসায় (স্কাই ষ্টার) বিডিআরের প্রতিনিধিরা এ নিয়ে একাধিক বৈঠক করে। এমনকি দাবীদাওয়া পুরন না হওয়ায় পিলখানা বিদ্রোহের আগের দিন তাপসকে সম্ভাব্য বিদ্রোহের কথা জানানো হয়। তাপস তাতে সম্মতি দেয় এবং তাদের সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেয়। পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তাপসও এই ষড়যন্ত্রকে কার্যকর হিসাবে মনে করে। ২৪ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় ফজলে নুর তাপসের ধানমন্ডিস্থ বাসায় ২৪ জন বিডিআর হত্যাকারী চুড়ান্ত শপথ নেয়। তোরাব আলী ও তার ছেলে লেদার লিটন পরিকল্পনাকারীদেরকে গোপন আস্তানা ও যাবতীয় সহায়তা প্রদান করে। বিডিআর বিদ্রোহের পরের দিন বিকালে শেখ তাপসের ঘোষনা প্রচার করা হয়, যাতে করে পিলখানার ৩ মাইল এলাকার অধিবাসীরা দূরে সরে যান। আসলে এর মাধ্যমে খুনীদের নিরাপদে পার করার জন্য সেফ প্যাসেজ তৈরী করা হয়েছিল। তাপসের এহেন কর্মকান্ডের বদলা নিতে তরুন সেনা অফিসাররা পরবর্তীতে তাপসের ওপর হামলা করে, কিন্তু ব্যর্থ হয়। পরে ৫ চৌকস কমান্ডো অফিসার চাকরীচ্যুত হয়ে কারাভোগ করছে। বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে সেনা তদন্ত এড়াতে তাপস কিছুদিন গা ঢাকা দেয় বিদেশে। ৭. মীর্জা আজম: যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এই হুইপটি পিলখানার ঘটনাকালে বিদ্রোহীদের সাথে সেল ফোনে কথা বলতে শুনা যাচ্ছিল। সে হত্যাকারীদের সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দেয় কর্নেল গুলজারের চোখ তুলে ফেলতে এবং দেহ নষ্ট করে ফেলতে (এর অডিও রেকর্ড আছে), কেননা র&amp;zwnj;্যাবের পরিচালক কর্নেল গুলজারের নেতৃত্বে জেএমবির প্রধান শায়খ আবদুর রহমানকে ধরা হয়েছিল ও পরে ফাঁসি দেয়া হয়। শায়খ রহমান ছিল মির্জা আজমের দুলাভাই। আজম এভাবেই দুলাভাই হত্যার বদলা নেয় গুলজারকে হত্যা করে, এমনকি তার লাশও জ্বালিয়ে দেয়া হয়। এছাড়াও ২০০৪ সালে নানক-আজমের ব্যবস্থাপনায় শেরাটন হোটেলের সামনে গানপাউডার দিয়ে দোতলা বাসে আগুন লাগিয়ে ১১ বাসযাত্রী পুড়িয়ে মারার ঘটনা তদন্ত করে এই গুলজারই নানক-আজমকে সম্পৃক্ত করে। এর প্রতিশোধেই গুলজারে শরীর এমন ভাবে নষ্ট করা হয়, যেনো কেউ চিনতে না পারে। ১৫ দিন পরে ডিএনএ টেষ্ট করে চিহ্নিত করা হয় গুলজারের লাশ। ৮. জাহাঙ্গীর কবির নানক: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী। উনি বিডিআরের ঘাতকদের নেতা ডিএডি তৌহিদের ক্লাশমেট। বিডিআর ট্রাজেডির আগে থেকেই তৌহিদ যোগাযোগ রাখত নানকের সঙ্গে। ঘটনার দিন ২০৪ মিনিট কথা বলে তৌহিদ-নানক। ২৫ তারিখ বিকালে পিলখানার বিদ্রোহীদের নিয়ে শেখ হাসিনার কাছে গিয়ে মিটিং করিয়ে নিরাপদে ফেরত পাঠায় সে। ডিএডি তৌহিদকে বিডিআরের অস্থায়ী ডিজি ঘোষণা করে নানক। কর্নেল গুলজার হত্যায় মীর্জা আজমের সাথে নানক সরাসরি জড়িত। কেননা, র&amp;zwnj;্যাবের পরিচালক গুলজারই তদন্ত করে উদঘাটন করে- শেরাটনের সামনে দোতলা বাস জ্বালিয়ে ১১ যাত্রী হত্যা করা হয় নানকের নির্দেশে। ২৫ তারিখে বেঁচে যাওয়া লে: কর্নেল মঞ্জুর এলাহী পালিয়ে ছিল ম্যানহোলে। তার স্বজনরা এসএমএস মারফত খবর পেয়ে নানকের সাহায্য চায়। উদ্ধার করার বদলে ঐ অফিসারটিকে খুঁজে বের করে হত্যা করায় নানক। এটা সেনানিবাসের সবাই জানে। সেনাবাহিনীর তদন্ত পর্ষদ এড়াতে তদন্তের সময় নানক হঠাৎ বুকের ব্যথার অযুহাতে চিকিৎসার কথা বলে অনেকদিন সরে থাকে সিঙ্গাপুরে। এ নিয়ে সেনা অফিসারদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ব্রিগেডিয়ার হাসান নাসিরকে চাকরীচ্যুত করে হাসিনা। ৯. সাহারা খাতুনঃ সুপরিকল্পিত বিডিআর ধংসযজ্ঞ সংগঠনের নিমিত্ত ভারতের পরামর্শে হাসিনার কেবিনেটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী নিয়োগ করা হয় অথর্ব সাহার খাতুনকে। বিদ্রোহের দিন কোনো তৎপরতা ছিলো না সাহারার। বরং সেনা অভিযান ও পিলখানায় র&amp;zwnj;্যাব ঢোকার অনুমতি চাইলে সাহারা খাতুন &amp;lsquo;না&amp;rsquo; করে দেন। বিকালে বিদ্রোহীদের সাথে করে প্রেস ব্রিফিং করে এই মন্ত্রী। অথচ ডিজি শাকিলের কোনো খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করেননি। কারন সে সব জানত। বিদ্রোহীদের সাথে সমঝোতার পরে রাতে তিনি পিলখানায় যেতে চাননি। বরং আইজি নূর মোহাম্মদ তার মেয়েকে পিলখানা থেকে উদ্ধারের জন্য একাই অভিযান চালাতে উদ্যত হলে ঠেলায় পরে সাহারা যান পিলখানায়, তাও প্রধানমন্ত্রীর বুলেটপ্রুফ গাড়িতে চড়ে। তিনি বিডিআর অফিসারদের পরিবার পরিজন উদ্ধার না করে কেবল আইজিপি নুর মোহাম্মদের কন্যাকে উদ্ধার করেন। অথচ বাকী পরিবার ঐ রাতের আঁধারে নির্যাতিত হয়। সাহারা খাতুনের সাথে প্রধানমন্ত্রীর মেডিকেল টীমের এম্বুলেন্স ও রেড ক্রিসেন্টের এম্বুলেন্স পিলখানায় ঢুকে। এরপরে পিলখানার বাতি নিভিয়ে ঘাতকদের ঐ এম্বুলেন্সে করে পিলখানার বাইরে নিরাপদ যায়গায় সরানো হয়। তখনও অনেক অফিসার আহত হয়ে পিলখানা নানাস্থানে লুকিয়ে ছিলো। কিন্তু সাহারা এদের উদ্ধার করেনি। কর্নেল এমদাদ, কর্নেল রেজা্, আফতাব ও কর্নেল এলাহীকে সাহারা পিলখানা ত্যাগ করার পরে হত্যা করা হয়। ১০. শেখ সেলিম: শেখ হাসিনার ফুফাত ভাই। ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ ঘটনায় সে ধরা পরেও রহস্যজনকভাবে বেঁচে যায়, কিন্তু তার ভাই শেখ মনি নিহত হয়। সেনাবাহিনীর ওপরে তারও রাগ ছিলো প্রচন্ড। তা ছাড়া ১/১১র পরে সেনারা ধরে নিয়ে যায়ে এই সেলিমকে, এবং ডিজিএফআই সেলে ব্যাপক নির্যাতন করে শেখ হাসিনার অনেক গোপন কথা, চাঁদাবাজি, বাসে আগুণ দেয়া সংক্রান্ত জবানবন্দী আদায় করে। এতে করে সেনাবাহিনীর ঐ সেটআপের উপর তার রাগ ছিল। বিডিআরের ঘটনার আগে বিদ্রোহী দলটি কয়েকদফা মিটিং করে শেখ সেলিমের সাথে। ১৩ ফেব্রুয়ারীতে শেখ সেলিমের বনানীর বাসায় এ ধরনের একটি মিটিং হয় বলে সেনা তদন্তে প্রমান পাওয়া গেছে। ১১. সোহেল তাজ: স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। শেখ সেলিমের বাসায় অনুষ্ঠিত মিটিংয়ে সোহেল যোগ দেয়। বিদেশী হত্যাকারীদেরকে নিরাপদে মধ্যপ্রাচ্য, লন্ডন ও আমেরিকায় পৌছানোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল সোহেল তাজকে। জনগনকে ধোকা দেয়ার জন্য প্রচার করা ঘটনার সময় তাজ আমেরিকায় ছিল। এটি সম্পুর্ন মিথ্যা কথা। সে সময়ে তাজ ঢাকায়ই ছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারী সন্ধায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে কয়েকজন হত্যাকারীসহ তাকে সিলেটে নিয়ে যাওয়া হয়, এবং সে রাতেই তাজ ওসমানী বিমানবন্দর থেকে হত্যাকারীদের সাথে নিয়ে বিদেশের পথে যাত্রা করে। সেই হেলিকপ্টারের একজন পাইলট ছিল লেঃ কর্নেল শহীদ। যাকে পরে হত্যা করা হয়, টাঙ্গাইলে রহস্যজনক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মেজর জেনারেল রফিকুল ইসলামের সাথে। এছাড়া বিমানের বিজি ফ্লাইট ০৪৯ দু&amp;rsquo;ঘন্টা বিলম্ব করে চারজন খুনী বিডিআরকে দুবাইতে পার দেয়া হয়। এ খবরটি মানবজমিন ছাপে ৩ মার্চ ২০০৯. ১২. কর্নেল ফারুক খান: তিনি ছিলেন পিলখানা বিদ্রোহের ঘটনা তদন্তের লক্ষে গঠিত ৩টি কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্বে। জনগণকে ধোকা দেয়ার জন্য প্রথমেই তিনি ঘোষণা করেন, পিলখানার ঘটনায় ইসলামী জঙ্গীরা জড়িত। এটা খাওয়ানোর জন্য সোবহান নামে এক লোককে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়। পরে কুলাতে না পেরে সেখান থেকে সরে আসেন। সেনাবাহিনীর তদন্তে অনেক সত্য কথা উঠে আসলেও তা আলোর মুখ দেখেনি এই ফারুক খানের জন্য। ধামাচাপা দেয়া হয় মূল রিপোর্ট। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মূল রিপোর্ট বদল করে গোজামিলের রিপোর্ট তৈরী করান ফারুক খান। ১৩. হাজী সেলিম: লালবাগ এলাকার আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি। বিডিআর হত্যাকান্ডের সময় তিনি খুনীদের রাজনৈতিক সাপোর্ট দিয়েছেন। ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময়ে হাজী সেলিম বেশ কিছু গোলাবারুদ ক্রয় করে, যা ভারতীয় খুনীরা প্রথমে ব্যবহার করে। ঘটনার দিন দুপুরে হাজী সেলিমের লোকেরা বিডিআর ৪ নং গেটে বিদ্রোহীদের পক্ষে মিছিল করে। ২৫ তারিখ রাতের আঁধারে পিলখানার বাতি নিভিয়ে দেয়াল টপকে সাধারন পোষাক পরে বিদ্রোহীরা লালবাগ এলাকা দিয়ে পালিয়ে যায় হাজী সেলিমের সিমেন্ট ঘাটকে ব্যবহার করে। হাজী সেলিমের সন্ত্রাসীরা স্থানীয় জনগনকে সেখান থেকে সরিয়ে রাখে। একটি বেসকারী টিভি চ্যানেল ২৫ তারিখ রাত ১টার সংবাদে উক্ত ঘটনার খবর প্রচার করে। সেই রিপোর্টে ঘটনার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য তুলে ধরে, যাতে বলা হয় যে, বেশ কিছু স্পীডবোর্টকে তারা আসা যাওয়া করতে দেখেছে; কিন্তু তারা কাছাকাছি যেতে পারেনি যেহেতু আওয়ামীলীগের কিছু কর্মীরা তাদেরকে সেদিকে যেতে বাধা দেয়। ১৪. তোরাব আলী ও তার ছেলে লেদার লিটন: আওয়ামীলীগের ৪৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি। ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে এ্বই তোরাব আলী বিডিআর বিদ্রোহীদের পরিচয় করিয়ে দেয় এমপি তাপসের সাথে। মূল পরিকল্পনায় তোরাব আলীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় স্থানীয় লজিষ্টিক সম্বয় সাধনের জন্য। তার বাড়িতেও বিদ্রোহীদের মিটিং হয়েছে। সে মূলত অবৈধ অস্ত্রের ডিলার। তার ছেলে সন্ত্রাসী লেদার লিটনের মাধ্যমে বিদ্রোহী বিডিআরদের পালিয়ে যাবার ব্যবস্থা করে। এ সংক্রান্ত খরচাদি আগেই তাকে দেয়া হয়। উক্ত লিটনকে ২ মাস আগে তাপস ও নানক জেল থেকে ছাড়িয়ে আনে। ২৫ ফেব্রুয়ারী রাত ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে স্পীড বোটযোগে হত্যাকারীদের বুড়িগঙ্গা নদী পার করিয়ে দেয় লেদার লিটন। ১৫. মহিউদ্দিন খান আলমগীর: পিলখানার ঘটনার সময় এই সাবেক আমলা ও জনতার মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা মখা মেতে উঠেন বিভৎস উল্লাসে। বার বার ফোন করে খোঁজ নেন বিদ্রোহীদের কাছে, এর অডিও রেকর্ড আছে। এমনকি নিহতদের লাশ গোপন করার জন্য এসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার হুকুমদাতা ছিলেন তিনি। যার বদৌলতে তাকে পরে প্রমোশন দেয়া হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীতে। ১৬. হাসানুল হক ইনু: বাংলাদেশের রাজনীতির অন্ধকার গলির নেতা। তিনি ১৯৭৫ সালে অনেক সেনা অফিসার হত্যা করেছেন কর্নেল তাহের বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড থেকে। ১৯৭৫ সাল থেকে অদ্যাবধি দেশে সংঘটিত সকল সামরিক অভ্যুত্থানে তার যোগসাজস রয়েছে। পিলখানা হত্যাযজ্ঞের সময় তিনি তার ঘনিষ্ট বিডিআরদের ফোন করে হত্যায় উৎসাহ যুগিয়েছেন, এবং তাদের পরামর্শ দিয়েছেন কি করে লাশ গোপন করতে হবে। পাঁচ বছর হয়ে গেছে ৫৭ সেনা অফিসার সহ ৭৭ মানুষ হত্যার। বিডিআর বাহিনী বিলুপ্ত করা হয়েছে। ভারতীয় সহায়তায় বিজিবি গঠন করা হয়েছে, যারা এখন বিএসএফের সাথে ভাগাভাগি করে ডি্উটি করে! কয়েক হাজার বিডিআর সদস্যকে কোমরে দড়ি লাগিয়ে বিচারের প্যারেড করানো হয়েছে। জেল হয়েছে সবার। অন্যদিকে রাঘব বোয়লদের বিরুদ্ধে সাক্ষী গায়েব করতে ৫৩ জন বিডিআরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু ৫৭ সেনা হত্যার বিচার এখনো বাকী। যেনো তেনো কোনো বিচার চায়না সেনাবাহিনী। তাই হত্যা মামলাও আগাচ্ছে না। যতদিন লাগে লাগুক, হয় কঠিন বিচার হবে, নয়ত বদলা হবে, এটাই তাদের চাওয়া।।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[স্বৈরাচার শেখ হাসিনা, শেখ ফজলে নূর তাপস ও শেখ সেলিমের সরাসরি হস্তক্ষেপে পিলখানা হত্যাকাণ্ড হয়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23804</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23804</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 17 Aug 2024 14:08:53 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,antorjatik khobor,desher khobor,khobor,ajker bangla news,sob khobor,live khobor,baby born after mother died,miracle baby born,baby born miraculously,interim,ekattor,kolkata woman doctor murder,newspaper,world news,ekattor tv,global news,sports news,america news,bd newspaper,ekattor news,morning news,mirja fakhrul,sheikh hasina,elias hossain,bnp government]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা, শেখ ফজলে নূর তাপস ও শেখ সেলিমের সরাসরি হস্তক্ষেপে পিলখানা হত্যাকাণ্ড হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_04.jpg" alt="স্বৈরাচার শেখ হাসিনা, শেখ ফজলে নূর তাপস ও শেখ সেলিমের সরাসরি হস্তক্ষেপে পিলখানা হত্যাকাণ্ড হয়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা, শেখ ফজলে নূর তাপস ও শেখ সেলিমের সরাসরি হস্তক্ষেপে পিলখানা হত্যাকাণ্ড হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের ছেলে রাকিন আহমেদ ভূঁইয়া। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ট্রায়াল দাবি করেছেন তিনি। &amp;nbsp; তিনি বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত শেখ হাসিনা, তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ ফজলে নূর তাপস, শেখ ফজলুল করিম সেলিম। আমি নাটক সাজানোর নামে রহস্যশালা আর চাই না। শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে মহাখালী রাওয়া ক্লাবের স্কাইলাইন রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। জেনারেল শাকিল আহমেদের ছেলে বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের কথা বলতে গেলে অনেক কথাই গুছিয়ে বলা কঠিন হয়ে যায়। আমার বাবা সব সময় বলতেন, মানুষের স্বার্থ আগে দেখতে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর দেশ প্রেমিক অনেক সেনা অফিসার বিচার চাইতে গিয়ে চাকরি হারিয়েছেন। কেউ কেউ জেলে গেছেন। দরবারের শত শত অফিসারের জীবন ধ্বংস করা হয়েছে।&amp;nbsp; আমরা দাবি করছি, তদন্ত কমিশন গঠন করা হোক। আমরা সেসব দেশ প্রেমিক অফিসারদের অবদান ভুলবো না। আমরা চাই নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করা হোক। ক্ষতিগ্রস্ত সেনা অফিসারদের পরিবারকে যেন যথাযথ সম্মান ও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। আমরা শহীদ পরিবার মনে করি- যেসব নির্দোষ, দেশপ্রেমিক বিডিআর সৈনিক জেল খাটছেন, সুষ্ঠু তদন্তে যেন তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। রাকিন আহমেদ বলেন, আপনারা সাংবাদিকরাও কম নির্যাতনের শিকার হননি। অনেক কিছুই প্রকাশ করতে পারতেন না। এক আওয়ামী লীগ নেতা ফোন করে আমাকে বলেছিলেন- ওনার নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমার বাবা-মাকে জবাই দিয়েছেন। যদি বেশি বাড়াবাড়ি করি তাহলে বাবা-মার মতো আমাকেও জবাই দিয়ে দেবে।&amp;nbsp; শাকিল আহমেদের ছেলে বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে বলে জানা নেই- যেখানে রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) অন্য একটা বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে রাজধানীতে ৫৭ সেনা অফিসারকে হত্যা করে। ওই দিনটিকে আমরা শহীদ সেনা দিবস দাবি করছি।&amp;nbsp; তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের ট্রায়াল বা তদন্তকে আমরা মানি না। কারণ প্রধান যে হত্যাকারী, নির্দেশদাতা তিনি তখন ক্ষমতায় ছিলেন। খুনি কী তার নিজের বিচার করবে? মুখ বন্ধ করে দেখতে হয়েছে, কেমন করে তদন্ত, ট্রায়াল প্রভাবিত করলো, ডাল ভাতের কথা বলল। নীরবতায় সহ্য করতে হয়েছে।&amp;nbsp; সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনী এগিয়ে যায়। তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই ছাত্র-জনতার ওপর গুলি না করে এগিয়ে এসেছেন। জনগণকে অনুরোধ করবো, সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করুন।&amp;nbsp; সংবাদ সম্মেলন থেকে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করেছে শহীদ পরিবার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সেনাবাহিনীর হাতে থাকা ট্র্যাজেডির সমস্ত তদন্তের রিপোর্ট জনসম্মুখে প্রকাশ, তদন্ত কমিশন গঠন, ২৫ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ সেনা দিবস ঘোষণাসহ পিলখানায় শহীদ ৫৭ অফিসার ও ১৭ সাধারণ নাগরিকের পরিবারের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বিডিআর বিদ্রোহে নিহত কর্নেল কুদরত ইলাহী রহমান শফিকের ছেলে অ্যাডভোকেট সাকিব রহমান ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন। ১. পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সত্য উদঘাটনের ক্ষেত্রে পূর্বে যে সমস্ত তদন্ত হয়েছে, সেসব তদন্তের রিপোর্ট পাবলিক করতে হবে। ২. হাইকোর্ট ডিভিশনের রায় মোতাবেক তিনজন জজ যে তদন্ত কমিশনের কথা বলেছেন, অবিলম্বে সেই তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে। এতে পর্দার আড়ালে রয়ে যাওয়া ষড়যন্ত্রকারীদের নাম বেরিয়ে আসবে। ৩. অফিসিয়াল গ্যাজেট করে ২৫ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ সেনা দিবস হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। গ্যাজেটে শাহাদাতবরণকারী সকলকে শহীদের মর্যাদা দিতে হবে।&amp;nbsp; ৪. ২৫ ফেব্রুয়ারি শহীদ সেনা ও শোক দিবসকে ঘিরে গোটা দেশজুড়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখতে হবে।&amp;nbsp; ৫. পিলখানা ট্রাজেডিকে স্কুলের পাঠ্য বইয়ের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এতে আগামী প্রজন্ম জানতে পারবে, কি ছিল এই শহীদদের ত্যাগ। ৬. যে সকল সেনা কর্মকর্তা এ ঘটনাকে ঘিরে চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন, তাদের চাকরি ফিরিয়ে দিতে হবে অথবা যথাযথ কম্পেন্সেশন প্রদান করতে হবে। ৭. নির্দোষ কোনো বিডিআর সদস্যকে যেন কোনভাবেই সাজা না দেওয়া হয়।&amp;nbsp; এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাডভোকেট সাকিব বলেন, দুটো তদন্ত কমিটি হয়েছিল। বাহিনীর পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ছিলেন বাংলাদেশ রাইফেলসের সাবেক মহাপরিচালক লেফট্যানেন্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর। যিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। আমরা খুব করে চাইবো অন্তত তার তদন্ত কমিটির রিপোর্টটা পাবো। কারণ আমরা খুব কাটছাঁট অংশ গণমাধ্যমে জেনেছি। আমরা পুরোটাই দেখতে চাই। তাতে আমরা অনেক কিছু জানতে পারবো। আর উচ্চ আদালত যে তদন্ত কমিশনের কথা বলেছেন, সেগুলো যদি আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে পর্দার আড়ালে যারা ষড়যন্ত্রকারী তারা বেড়িয়ে আসবে। তাদের আইনের আওতায় আনতে আমরা চার্জ করতে পারবো।&amp;nbsp; গত ১৫ বছর যারা ক্ষমতায় ছিলেন পিলখানা হত্যাকাণ্ডে তাদের দায়ী করছেন কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, একজন আইনজীবী হিসেবে আমি তো সরাসরি দায়ী করতে পারি না। আমরা তো অনেক নাম শুনি। আপনারাও শোনেন। কিন্তু সেই নামগুলো আমরা তখনই বলতে পারবো যদি তদন্তের মাধ্যমে বেড়িয়ে আসে। এমনি এমনি নাম বলে দেওয়া যায় না।&amp;nbsp; পিলখানা সত্য উদঘাটন তো হয়নি। সত্য উদঘাটনের পর পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করবে কারা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই এটার দায়িত্ব সরকারের। এই মুহূর্তে হয়তো পর্দার আড়ালে ষড়যন্ত্রকারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবো না, কিন্তু আপাতত ঘটনাটা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। যখন ষড়যন্ত্রকারীদের নাম বের হবে তখন তা যুক্ত করা হবে।&amp;nbsp; ষড়যন্ত্রকারী কারা? তাদের আইনের আওতায় আনতে লিগ্যালি কি করার পরিকল্পনা রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা মনে করি ষড়যন্ত্রকারী আছে। ইন্টারন্যাশনাল কন্সপিরেসি আছে কি না সেটা তো তদন্ত কমিশন বসলে ভালো করে জানতে পারবো। তবে আমরা যদি আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে পারি, তাহলে ওই সময় কোনো ব্যক্তিবর্গ জড়িত থেকে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নিতে পারবো। কিন্তু রাষ্ট্রই যদি ইন্টারন্যাশনাল কন্সপিরেসি করে থাকে তাহলে তো পুরো রাষ্ট্রকে বিচারের আওতায় আনতে পারবো না।&amp;nbsp; কর্নেল কুদরত ইলাহীর স্ত্রী লবী রহমান বলেন, হয়তো বলবেন, এতদিন পর কেন আমরা এখানে। অনেক কিছুই তো পেয়েছি। কিন্তু গত ১৫ বছরে আমরা কিন্তু শুধু বিচারই চেয়েছি। প্রথমেই আমাদের প্রশ্ন করা হয়, কি কি পেয়েছি। ইচ্ছে হয় সব ফেরত দেই, আমার স্বামী শহীদ কর্নেল কুদরত ইলাহীকে ফিরিয়ে দেন। এটা সিনেমা বা নাটকের প্রমোশন না, এটা খুবই সেনসিটিভ। কি হয়েছিল সেদিন? ২৫ ফেব্রুআরির পিলখানায় নারকীয় সেনা হত্যাযজ্ঞের কথা আজও ভুলতে পারেনি জাতি। কি হয়েছিল সেদিন? কারা বা কাদের নির্দেশে এই হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত হয়েছিল?? উইকিলিকসের সেই কথাটিই প্রকাশ করেছে বিডিআর মিউটিনি ডটকম নামের একটি ওয়েব সাইট। সেটাই হুবহু এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলোঃ সেনা হত্যা নিয়ে সেনাবাহিনীর গঠিত তদন্ত রিপোর্টে মোটামুটি উঠে এসেছিল সব কিছু। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হাসিনা সে তদন্ত রিপোর্ট বাতিল করে দিয়েছে। তবে অনলাইনের কল্যানে জনগণ সব জেনে গেছে ভেতরের গোপন কথা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সৈনিক ও অফিসার জানে &amp;ndash; কেনো, কোন্ পরিকল্পনায়, কারা পিলখানায় ৫৭ সেনা অফিসার হত্যা করেছে। সেটাই সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হলো। ১. RAW: ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা &amp;lsquo;R&amp;amp;AW&amp;rsquo;এর পরিকল্পনায় ও ব্যবস্থাপনায় &amp;rdquo;পিলখানা হত্যাকান্ড&amp;rdquo; ঘটে। এর মূল লক্ষ ছিল- পাদুয়া ও রৌমারীর ঘটনার বদলা নেয়া এবং বিডিআর বাহিনী ধংস করে দেয়া। ২০০১ সালের এপ্রিল মাসে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বিডিআর-বিএসএফ যুদ্ধে ১৫০ জন বিএসএফ নিহত হয়। এর আগে পাদুয়ায় নিহত হয় ১৫ বিএসএফ। বিডিআর ডিজি মেজর জেনারেল এএলএম ফজলুর রহমানের নির্দেশে ঐ যুদ্ধে অংশ নেয় বিডিআর। ঐ ঘটনার পরে ভারতীয় ডিফেন্স মিনিষ্টার জসবন্ত সিং উত্তপ্ত লোকসভায় জানান, &amp;rdquo;এ ঘটনার বদলা নেয়া হবে।&amp;rdquo; লক্ষ করুন, ১৯৭১ সালে যে সব শর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত সামরিক সাহায্য দেয়, তার অন্যতম শর্ত ছিল &amp;ldquo;Frontier Guards will be disbanded&amp;rdquo; (CIA Report SC 7941/71). অর্থাৎ বাংলাদেশের কোনো বর্ডার গার্ড থাকবে না। কিন্তু স্বাধীনতার পরে নানা কারনে পাকিস্তান রাইফেলস বালাদেশ রাইফেলসে (বিডিআর) রূপ নেয়। বিডিআর বাহিনীটি ছিলো আধাসামরিক বাহিনী, যার মূল কমান্ড ও ট্রেনিং ছিলো সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের মত। অন্যদিকে ভারতের বিএসএফ ছিলো সিভিল বাহিনী, যাদের ট্রেনিং, জনবল সবই ছিলো নিম্নমানের। এসব কারনে বর্ডারে কোনো যু্দ্ধ হলে তাতে বিডিআর সামরিক পেশাদারিত্ব দিয়ে বিজয়ী হত। পাদুয়া-রৌমারীর বদলা নেয়ার জন্য বিডিআর বাহিনী ধংস করার পরিকল্পনা করে ভারত। এ লক্ষে ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী সময়টিকে বেছে নেয়া হয়- যখন হাসিনার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহনের পর পর নাজুক সময়। অনেকেই মনে করেন, ভারতীয় পরিকল্পনায় নির্বাচন ছাড়া অপ্রত্যাশিত পদ্ধতিতে হাসিনাকে ক্ষমতায় বসানোর নানা শর্তের মধ্যে একটি গোপন শর্ত থাকতে পারে &amp;ldquo;বিডিআর ধংস করা।&amp;rdquo; চুড়ান্ত রিস্ক থাকা স্বত্ত্বেও হাসিনাকে তা মেনে নিতে হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিডিআর সৈনিকদের দাবীদাওয়ার আড়ালে মুল প্লানটি বাস্তবায়নের জন্য মোট ৬০ কোটি রুপী বরাদ্দ করে ভারত। এর মধ্যে পিলখানায় ১৫ থেকে ১৭ কোটি টাকা বিলি হয়, যাতে প্রতিটি অফিসারের মাথার বদলে ৪ লক্ষ টাকা ইনাম নির্ধারন করা হয়। ১৯ ও ২১ ফেব্রুয়ারী ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার বাছাই করা ১৫ জন শুটারকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়, যারা পশ্চিম বঙ্গ সরকারের পাঠানো (প্রেমের নিদর্শন) ১ লক্ষ মিষ্টির সাথে বাংলাদেশে ঢুকে। একজন বেসামরিক দর্জি&amp;rsquo;র কাছ থেকে বিডিআর এর পোশাক বানিয়ে বিডিআর সপ্তাহ উপলক্ষে পিলখানায় উপস্থিত থাকে শুটাররা। তাদের দায়িত্ব ছিলো লাল টেপওয়ালা (কর্নেল ও তদুর্ধ) অফিসারদের হত্যা করা। তারা একটি বেডফোর্ড ট্রাক ব্যাবহার করে ৪ নং গেইট দিয়ে প্রবেশ করে ২৫ তারিখ সকালে। ঘটনার দিন সকাল ১১টায় বাংলাদেশের কোনো সংবাদ মাধ্যম জানার আগেই ভারতের &amp;ldquo;২৪ ঘন্টা&amp;rdquo; টিভিতে প্রচার করা হয় জেনারেল শাকিল সস্ত্রীক নিহত। অর্থাৎ মূল পরিকল্পনা অনুসারেই খবর প্রচার করে ভারতীয় গণমাধ্যম! পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে বা আর্মির পদক্ষেপে শেখ হাসিনার জীবন বিপন্ন হলে তাকে নিরাপদে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভারতীয় ৩০ হাজার সৈন্য, ছত্রীবাহিনী ও যুদ্ধবিমান আসামের জোরহাট বিমানবন্দরে তৈরী রেখেছিলো ভারত। বিদ্রোহের দিন ভারতের বিমান বাহিনী IL-76 হেভি লিফ্&amp;zwnj;ট এবং AN-32 মিডিয়াম লিফ্&amp;zwnj;ট এয়ারক্রাফট নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে পূর্ণ সহায়তা দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলো। ঐসময় প্রণব মুখার্জীর উক্তি মিডিয়ায় আসে এভাবে, &amp;ldquo;এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে সব ধরণের সহায়তা দিতে ভারত প্রস্তুত। &amp;hellip; আমি তাদের উদ্দেশ্যে কঠোর সতর্কবাণী পাঠাতে চাই, যারা বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে, তারা যদি এ কাজ অব্যাহত রাখে, ভারত হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না, প্রয়োজনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে।&amp;rdquo; ২. শেখ হাসিনা : ভারতের এই পরিকল্পনাটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করা হয় বেশ আগেই। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নিমিত্তে ঘটনার ১ সপ্তাহ আগে তড়িঘড়ি করে প্রধানমন্ত্রীকে সুধাসদন থেকে সরিয়ে যমুনা অতিথি ভবনে নেয়া হয়, কেননা পিলখানার ডেঞ্জার এরিয়ার মধ্যে ছিল ওটা। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার মেরামত শেষ না হওয়া স্বত্ত্বেও ভারতের সিগনালে খুব দ্রুততার সাথে হাসিনাকে সুধাসদন থেকে সরানো হয়। এটা এক অসম্ভব ঘটনা। পিলখানা হত্যাকান্ডের পরিকল্পনায় বিরাট সংখ্যায় সেনা অফিসার হত্যা করা হবে, যেটা ১৯৭৫ সালে তার পিতৃ হত্যার একটা বদলা হিসাবে হাসিনার কাছে সুখকর ছিলো। এর মাধ্যমে বিডিআর নিশ্চিহ্ন হবে, টার্গেট করে বিপুল সংখ্যক সেনা অফিসার হত্যা করা হলে তাতে মূল সেনাবাহিনীর কোমর ভেঙ্গে যাবে। গোয়েন্দা খবর পেয়ে ২৫ তারিখে পৌনে ন&amp;rsquo;টার মধ্যেই এনএসআই ডিজি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে- &amp;ldquo;পিলখানায় বিদ্রোহ হচ্ছে। &amp;rdquo; প্রধানমন্ত্রী নিরব থাকেন! আক্রমনের পরে অফিসারদের SOS পেয়ে সকাল ১০টার মধ্যে র&amp;zwnj;্যাবের একটি দল, এবং ১০.২৫ মিনিটে সেনাবাহিনীর একটি দল পিলখানার গেটে পৌছায়। কিন্তু শেখ হাসিনা কোনো অভিযান চালানোর অনুমতি দেয়নি। আশ্চয্যজনকভাবে তিনি সময় ক্ষেপন করতে থাকেন। আর এর মধ্যে ঘটতে থাকে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। খেয়াল করুন, সেনা অফিসাররা কোনো প্রতিরোধ করেনি, কাজেই কি কারনে বিডিআর সৈনিকরা অফিসারদের হত্যা করবে? এটা ছিল সুপরিকল্পিতভাবে সেনা অফিসার হত্যাকান্ড। সারাদিন হত্যাকান্ড চালানোর সুযোগ দিয়ে বিকালে শেখ হাসিনা হত্যাকারীদের সাথে বৈঠক করে তাদের সাধারন ক্ষমা ঘোষণা করেন। কিন্তু তিনি একবারও জানতে চাননি, ডিজি শাকিল কোথায়? কি বিস্ময়!! জেনারেল জাহাঙ্গীরের তদন্ত কমিটি শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের সুপারিশ করেছিল, যার ফলে হাসিনা ক্ষেপে গিয়ে ঐ রিপোর্ট ধামাচাপা দেন। ৩. গোয়েন্দা সংস্থা: ঢাকার দৈনিক প্রথম আলোর এক সাংবাদিক ঘটনার আগের দিন এটা জানার পর সে এনএসআইকে এই মর্মে অবহিত করে যে, পিলখানা য় বিদ্রোহের প্রস্তুতি চলছে যার সাথে বিডিআর ও আওয়ামীলীগের নেতারা জড়িত। এনএসআই থেকে উক্ত সাংবাদিককে বলা হয় বিষয়টা চেপে যেতে। ২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর পিলখানায় যাওয়ার আগের দিন পিলখানা অস্ত্রাগার থেকে ৩টি এসএমজি খোয়া যায়। তখন সেনা অফিসারদের দায়িত্ব দেয়া হয় অস্ত্রাগার পাহারায়। যদিও প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় উচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোয়েন্দাগিরি বহাল থাকে। নূন্যতম কোনো বিচ্যুতি ঘটলে প্রোগ্রাম বাতিল হয়। এত কিছু সত্তেও ২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রী সেখানে যান। মূলত: বিদ্রোহের আগাম বার্তা সেনাপ্রধান ম্ইন, ডিজিএফআই প্রধান মোল্লা ফজলে আকবর (ইনি হাসিনার এক সময়ের প্রেমিক ছিলেন), এনএসআই প্রধান মেজর জেনারেল মুনির, সিজিএস মেজর জেনারেল সিনা জামালী, বিডিআর কমিউনিকেশন ইনচার্জ লেঃ কর্নেল কামরুজ্জামান, ৪৪ রাইফেল&amp;rsquo;এর সিও শামস, মুকিম ও সালাম-এর জানা ছিল। কেননা ২৫ তারিখের আগেই দাবী দাওয়ার লিফলেটের কপি ডিজি শাকিল, এনএসআই ও সরকারের কাছে পৌছে। এমনকি মাঠ পর্যায়ের বহু সেক্টর কমান্ডাররা জানত, ২৫ তারিখে একটা ঘটনা ঘটবে। পরিকল্পনামত প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে ২৪ তারিখে জানিয়ে দেয়া হয়, প্রধানমন্ত্রী ২৬ তারিখের নৈশভোজে যাচ্ছেন না। এমন ঘটনা অতীত কখনও কখনো ঘটেনি! ৪. জেনারেল মইন উ আহমেদ: তৎকালীন সেনাপ্রধান ও ১/১১র প্রধান কুশীলব। ২০০৮ সালের গোড়ার দিকে ভারত সফর করে মইন চেয়েছিলেন পূর্ন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ভারতীয় সমর্থন। ভারত রাজী হয়নি, বরং আ&amp;rsquo;লীগকে ক্ষমতায় আনার লক্ষে মইনকে কাজ করতে বলে, বিনিময়ে সেফ প্যাসেজ পাবে কুশীলবরা। উপায়ান্তর না দেখে মইন রাজী হয় এবং ২৯ ডিসেম্বর পূর্বপরিকল্পিত ফলাফলের নির্বাচনে ক্ষমতার পালবদল ঘটায়। মইনের বদলে আসেন হাসিনা! ওয়ান ইলেভেনের খলনায়করা যে সব রাজনীতিবিদদের অত্যাচার করেছে, তাদের বিচারের জন্য ফেব্রুয়ারীর দ্বিতীয় সপ্তাহে সংসদে প্রবল দাবী ওঠে। তখন সেনাবাহিনীর চাপের মুখে জেনারেল মইন নিজে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার সাথে সংসদ অফিসে। এরপর শেখ হাসিনা ধমকে দেন মখা আলমগীর, আবদুল জলিলদের, যাতে করে সেনাবাহিনীর বিচারের দাবী আর না তুলে। হাসিনা এ সময় হুশিয়ার করেন, &amp;ldquo;কিভাবে ক্ষমতায় এসেছি, সেটা কেবল আমিই জানি।&amp;rdquo; অন্যদিকে ঐ সময়ই ভারত তার প্লানমত এগিয়ে যায় বিডিআর অপারেশনে। মইনকে বলা হয় প্রয়োজনীয় সাপোর্ট দিতে। মইন তার দু&amp;rsquo;বছরের অপকর্মের স্বাক্ষী আর্মি অফিসারদের আগে থেকেই পোষ্টিং দিয়ে জড়ো করে বিডিআরে। এদের নিধন করা হলে মইনের অপকর্মের সাক্ষী আর পাওয়া যাবে না। ফলে মইনের বিরাট প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল এই হত্যাযজ্ঞ। অন্যদিকে এত সেনা অফিসার নিহত হলে ১/১১ নিয়ে সেনাবাহিনী তথা মইনের বিরুদ্ধে রাজনীতিবিদরা আর মুখ খুলবে না। এতকাল আর্মির রদ্দিমালগুলো যেতো বিডিআরে। কিন্তু এবারে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র- পরিকল্পিতভাবে অনেক চৌকশ অফিসার একসাথে পাঠানো হয় বিডিআরে। পিলখানা হত্যাকান্ডের মাত্র ২ মাস আগে গুলজারকে ষ্টান্ড রিলিজ করে বিডিআরে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। রাইফেলস সপ্তাহের আগেই কানাঘুসা শুরু হয়- ২৫ তারিখে বিদ্রোহ হবে। তাই অনেক অফিসার নানা অযুহাত দিয়ে ছুটিতে চলে যায়। সেনাপ্রধান মইনের পিলখানা হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত ছিল, যার প্রমান মেলে ঘটনার সাথে সাথেই আক্রান্ত ডিজি শাকিল ও অফিসাররা মইনকে ফোনে জানায়। মইন আশ্বাস দেন সেনা পঠাচ্ছি। অথচ তিনি কোনো ব্যবস্থা নেন নি, সময় ক্ষেপন করে হত্যার সুযোগ তৈরী করে দেয়। ম্ইন চলে যায় যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে। তেজগাওয়ে এয়ারফোর্স রেডি, আর্মি রেডি সেনিাবাসে। কিন্তু হুকুম আসে না। বিকালে কিছু সেনা ও যানবাহন ধানমন্ডি পর্যন্ত পৌছে গেলেও অপারেশনের অনুমতি দেয়নি হাসিনা ও ম্ইন। ঘটনার ৪ দিন পরে ১ মার্চে হাসিনা সেনাকুঞ্জে গেলে মইন সেনা অফিসারদের ব্যাপক অসন্তোষের মুখে পরেন। এমনকি নিহতদের জানাজার সময় মইনকে চেয়ার তুলে মারতে যায় কেউ কেউ। উল্টো, সেনাকুঞ্জে যে সব সেনা অফিসার বিচার চেয়ে জোর গলায় বক্তৃতা করেছিল, প্রতিবাদ করেছিল- ভিডিও দেখে দেখে এমন প্রায় দু&amp;rsquo;শ জনকে চাকরীচ্যুত করেছে মইন অনেক অফিসারকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মামলায় কারাদন্ডও দেয়া হয়েছে। ৫. সজীব ওয়াজেদ জয়: শেখ হাসিনার এই পুত্রটি আগে থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপর ক্ষিপ্ত ছিলো। ২০০৮ সালের নির্বাচনের দেড় মাস আগে (১৯ নভেম্বর) হাসিনার উপদেষ্টা ও পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয় তার Stemming the Rise of Islamic Extremism in Bangladesh শীর্ষক নিবন্ধে উল্লেখ করেন, জোট সরকারের আমলে সেনাবাহিনীতে ৩০% মাদ্রাসার ছাত্ররা ঢুকানো হয়েছে। এদের নির্মুল করে সেনাবাহিনী পূনর্গঠন করতে হবে। পিলখানায় বিপুল সেনা অফিসার হত্যা করা হলে সেনাবাহিনীতে ব্যাপক সংস্কার করা সহজ হবে, এবং নতুন নিয়োগ করা যাবে- এমন বিবেচনায় জয় ভারতীয় প্রস্তাবটি গ্রহন করেন। পিলখানা হত্যার পরে জয় দুবাই যান এবং সেখানে ঢাকা থেকে আগত হত্যাকারীদের নগদ পুরস্কৃত করেন বলে খবর প্রকাশ। ৬. শেখ ফজলে নূর তাপস: হাসিনার ফুফাত ভাই শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে এই তাপস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ঘটনায় তার পিতা নিহত হয়। তাপস ঢাকা-১২র নির্বাচন করতে গিয়ে বিডিআর এলাকায় ৫ হাজার ভোট প্রাপ্তির লক্ষে ৪৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি তোরাব আলী&amp;rsquo;র মাধ্যমে বিডিআর নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে। তাপসকে নিশ্চয়তা দেয়া হয় যে, বিডিআর সকল সদস্য নৌকায় ভোট দিবে। তার বদলে তাপস আশ্বাস দিয়েছিল বিডিআরের দাবী দাওয়া মেনে নেয়ার ব্যবস্থা করবে। তাপসের বাসায় (স্কাই ষ্টার) বিডিআরের প্রতিনিধিরা এ নিয়ে একাধিক বৈঠক করে। এমনকি দাবীদাওয়া পুরন না হওয়ায় পিলখানা বিদ্রোহের আগের দিন তাপসকে সম্ভাব্য বিদ্রোহের কথা জানানো হয়। তাপস তাতে সম্মতি দেয় এবং তাদের সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেয়। পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তাপসও এই ষড়যন্ত্রকে কার্যকর হিসাবে মনে করে। ২৪ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় ফজলে নুর তাপসের ধানমন্ডিস্থ বাসায় ২৪ জন বিডিআর হত্যাকারী চুড়ান্ত শপথ নেয়। তোরাব আলী ও তার ছেলে লেদার লিটন পরিকল্পনাকারীদেরকে গোপন আস্তানা ও যাবতীয় সহায়তা প্রদান করে। বিডিআর বিদ্রোহের পরের দিন বিকালে শেখ তাপসের ঘোষনা প্রচার করা হয়, যাতে করে পিলখানার ৩ মাইল এলাকার অধিবাসীরা দূরে সরে যান। আসলে এর মাধ্যমে খুনীদের নিরাপদে পার করার জন্য সেফ প্যাসেজ তৈরী করা হয়েছিল। তাপসের এহেন কর্মকান্ডের বদলা নিতে তরুন সেনা অফিসাররা পরবর্তীতে তাপসের ওপর হামলা করে, কিন্তু ব্যর্থ হয়। পরে ৫ চৌকস কমান্ডো অফিসার চাকরীচ্যুত হয়ে কারাভোগ করছে। বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে সেনা তদন্ত এড়াতে তাপস কিছুদিন গা ঢাকা দেয় বিদেশে। ৭. মীর্জা আজম: যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এই হুইপটি পিলখানার ঘটনাকালে বিদ্রোহীদের সাথে সেল ফোনে কথা বলতে শুনা যাচ্ছিল। সে হত্যাকারীদের সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দেয় কর্নেল গুলজারের চোখ তুলে ফেলতে এবং দেহ নষ্ট করে ফেলতে (এর অডিও রেকর্ড আছে), কেননা র&amp;zwnj;্যাবের পরিচালক কর্নেল গুলজারের নেতৃত্বে জেএমবির প্রধান শায়খ আবদুর রহমানকে ধরা হয়েছিল ও পরে ফাঁসি দেয়া হয়। শায়খ রহমান ছিল মির্জা আজমের দুলাভাই। আজম এভাবেই দুলাভাই হত্যার বদলা নেয় গুলজারকে হত্যা করে, এমনকি তার লাশও জ্বালিয়ে দেয়া হয়। এছাড়াও ২০০৪ সালে নানক-আজমের ব্যবস্থাপনায় শেরাটন হোটেলের সামনে গানপাউডার দিয়ে দোতলা বাসে আগুন লাগিয়ে ১১ বাসযাত্রী পুড়িয়ে মারার ঘটনা তদন্ত করে এই গুলজারই নানক-আজমকে সম্পৃক্ত করে। এর প্রতিশোধেই গুলজারে শরীর এমন ভাবে নষ্ট করা হয়, যেনো কেউ চিনতে না পারে। ১৫ দিন পরে ডিএনএ টেষ্ট করে চিহ্নিত করা হয় গুলজারের লাশ। ৮. জাহাঙ্গীর কবির নানক: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী। উনি বিডিআরের ঘাতকদের নেতা ডিএডি তৌহিদের ক্লাশমেট। বিডিআর ট্রাজেডির আগে থেকেই তৌহিদ যোগাযোগ রাখত নানকের সঙ্গে। ঘটনার দিন ২০৪ মিনিট কথা বলে তৌহিদ-নানক। ২৫ তারিখ বিকালে পিলখানার বিদ্রোহীদের নিয়ে শেখ হাসিনার কাছে গিয়ে মিটিং করিয়ে নিরাপদে ফেরত পাঠায় সে। ডিএডি তৌহিদকে বিডিআরের অস্থায়ী ডিজি ঘোষণা করে নানক। কর্নেল গুলজার হত্যায় মীর্জা আজমের সাথে নানক সরাসরি জড়িত। কেননা, র&amp;zwnj;্যাবের পরিচালক গুলজারই তদন্ত করে উদঘাটন করে- শেরাটনের সামনে দোতলা বাস জ্বালিয়ে ১১ যাত্রী হত্যা করা হয় নানকের নির্দেশে। ২৫ তারিখে বেঁচে যাওয়া লে: কর্নেল মঞ্জুর এলাহী পালিয়ে ছিল ম্যানহোলে। তার স্বজনরা এসএমএস মারফত খবর পেয়ে নানকের সাহায্য চায়। উদ্ধার করার বদলে ঐ অফিসারটিকে খুঁজে বের করে হত্যা করায় নানক। এটা সেনানিবাসের সবাই জানে। সেনাবাহিনীর তদন্ত পর্ষদ এড়াতে তদন্তের সময় নানক হঠাৎ বুকের ব্যথার অযুহাতে চিকিৎসার কথা বলে অনেকদিন সরে থাকে সিঙ্গাপুরে। এ নিয়ে সেনা অফিসারদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ব্রিগেডিয়ার হাসান নাসিরকে চাকরীচ্যুত করে হাসিনা। ৯. সাহারা খাতুনঃ সুপরিকল্পিত বিডিআর ধংসযজ্ঞ সংগঠনের নিমিত্ত ভারতের পরামর্শে হাসিনার কেবিনেটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী নিয়োগ করা হয় অথর্ব সাহার খাতুনকে। বিদ্রোহের দিন কোনো তৎপরতা ছিলো না সাহারার। বরং সেনা অভিযান ও পিলখানায় র&amp;zwnj;্যাব ঢোকার অনুমতি চাইলে সাহারা খাতুন &amp;lsquo;না&amp;rsquo; করে দেন। বিকালে বিদ্রোহীদের সাথে করে প্রেস ব্রিফিং করে এই মন্ত্রী। অথচ ডিজি শাকিলের কোনো খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করেননি। কারন সে সব জানত। বিদ্রোহীদের সাথে সমঝোতার পরে রাতে তিনি পিলখানায় যেতে চাননি। বরং আইজি নূর মোহাম্মদ তার মেয়েকে পিলখানা থেকে উদ্ধারের জন্য একাই অভিযান চালাতে উদ্যত হলে ঠেলায় পরে সাহারা যান পিলখানায়, তাও প্রধানমন্ত্রীর বুলেটপ্রুফ গাড়িতে চড়ে। তিনি বিডিআর অফিসারদের পরিবার পরিজন উদ্ধার না করে কেবল আইজিপি নুর মোহাম্মদের কন্যাকে উদ্ধার করেন। অথচ বাকী পরিবার ঐ রাতের আঁধারে নির্যাতিত হয়। সাহারা খাতুনের সাথে প্রধানমন্ত্রীর মেডিকেল টীমের এম্বুলেন্স ও রেড ক্রিসেন্টের এম্বুলেন্স পিলখানায় ঢুকে। এরপরে পিলখানার বাতি নিভিয়ে ঘাতকদের ঐ এম্বুলেন্সে করে পিলখানার বাইরে নিরাপদ যায়গায় সরানো হয়। তখনও অনেক অফিসার আহত হয়ে পিলখানা নানাস্থানে লুকিয়ে ছিলো। কিন্তু সাহারা এদের উদ্ধার করেনি। কর্নেল এমদাদ, কর্নেল রেজা্, আফতাব ও কর্নেল এলাহীকে সাহারা পিলখানা ত্যাগ করার পরে হত্যা করা হয়। ১০. শেখ সেলিম: শেখ হাসিনার ফুফাত ভাই। ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ ঘটনায় সে ধরা পরেও রহস্যজনকভাবে বেঁচে যায়, কিন্তু তার ভাই শেখ মনি নিহত হয়। সেনাবাহিনীর ওপরে তারও রাগ ছিলো প্রচন্ড। তা ছাড়া ১/১১র পরে সেনারা ধরে নিয়ে যায়ে এই সেলিমকে, এবং ডিজিএফআই সেলে ব্যাপক নির্যাতন করে শেখ হাসিনার অনেক গোপন কথা, চাঁদাবাজি, বাসে আগুণ দেয়া সংক্রান্ত জবানবন্দী আদায় করে। এতে করে সেনাবাহিনীর ঐ সেটআপের উপর তার রাগ ছিল। বিডিআরের ঘটনার আগে বিদ্রোহী দলটি কয়েকদফা মিটিং করে শেখ সেলিমের সাথে। ১৩ ফেব্রুয়ারীতে শেখ সেলিমের বনানীর বাসায় এ ধরনের একটি মিটিং হয় বলে সেনা তদন্তে প্রমান পাওয়া গেছে। ১১. সোহেল তাজ: স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। শেখ সেলিমের বাসায় অনুষ্ঠিত মিটিংয়ে সোহেল যোগ দেয়। বিদেশী হত্যাকারীদেরকে নিরাপদে মধ্যপ্রাচ্য, লন্ডন ও আমেরিকায় পৌছানোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল সোহেল তাজকে। জনগনকে ধোকা দেয়ার জন্য প্রচার করা ঘটনার সময় তাজ আমেরিকায় ছিল। এটি সম্পুর্ন মিথ্যা কথা। সে সময়ে তাজ ঢাকায়ই ছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারী সন্ধায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে কয়েকজন হত্যাকারীসহ তাকে সিলেটে নিয়ে যাওয়া হয়, এবং সে রাতেই তাজ ওসমানী বিমানবন্দর থেকে হত্যাকারীদের সাথে নিয়ে বিদেশের পথে যাত্রা করে। সেই হেলিকপ্টারের একজন পাইলট ছিল লেঃ কর্নেল শহীদ। যাকে পরে হত্যা করা হয়, টাঙ্গাইলে রহস্যজনক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মেজর জেনারেল রফিকুল ইসলামের সাথে। এছাড়া বিমানের বিজি ফ্লাইট ০৪৯ দু&amp;rsquo;ঘন্টা বিলম্ব করে চারজন খুনী বিডিআরকে দুবাইতে পার দেয়া হয়। এ খবরটি মানবজমিন ছাপে ৩ মার্চ ২০০৯. ১২. কর্নেল ফারুক খান: তিনি ছিলেন পিলখানা বিদ্রোহের ঘটনা তদন্তের লক্ষে গঠিত ৩টি কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্বে। জনগণকে ধোকা দেয়ার জন্য প্রথমেই তিনি ঘোষণা করেন, পিলখানার ঘটনায় ইসলামী জঙ্গীরা জড়িত। এটা খাওয়ানোর জন্য সোবহান নামে এক লোককে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়। পরে কুলাতে না পেরে সেখান থেকে সরে আসেন। সেনাবাহিনীর তদন্তে অনেক সত্য কথা উঠে আসলেও তা আলোর মুখ দেখেনি এই ফারুক খানের জন্য। ধামাচাপা দেয়া হয় মূল রিপোর্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মূল রিপোর্ট বদল করে গোজামিলের রিপোর্ট তৈরী করান ফারুক খান। ১৩. হাজী সেলিম: লালবাগ এলাকার আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি। বিডিআর হত্যাকান্ডের সময় তিনি খুনীদের রাজনৈতিক সাপোর্ট দিয়েছেন। ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময়ে হাজী সেলিম বেশ কিছু গোলাবারুদ ক্রয় করে, যা ভারতীয় খুনীরা প্রথমে ব্যবহার করে। ঘটনার দিন দুপুরে হাজী সেলিমের লোকেরা বিডিআর ৪ নং গেটে বিদ্রোহীদের পক্ষে মিছিল করে। ২৫ তারিখ রাতের আঁধারে পিলখানার বাতি নিভিয়ে দেয়াল টপকে সাধারন পোষাক পরে বিদ্রোহীরা লালবাগ এলাকা দিয়ে পালিয়ে যায় হাজী সেলিমের সিমেন্ট ঘাটকে ব্যবহার করে। হাজী সেলিমের সন্ত্রাসীরা স্থানীয় জনগনকে সেখান থেকে সরিয়ে রাখে। একটি বেসকারী টিভি চ্যানেল ২৫ তারিখ রাত ১টার সংবাদে উক্ত ঘটনার খবর প্রচার করে। সেই রিপোর্টে ঘটনার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য তুলে ধরে, যাতে বলা হয় যে, বেশ কিছু স্পীডবোর্টকে তারা আসা যাওয়া করতে দেখেছে; কিন্তু তারা কাছাকাছি যেতে পারেনি যেহেতু আওয়ামীলীগের কিছু কর্মীরা তাদেরকে সেদিকে যেতে বাধা দেয়। ১৪. তোরাব আলী ও তার ছেলে লেদার লিটন: আওয়ামীলীগের ৪৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি। ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে এ্বই তোরাব আলী বিডিআর বিদ্রোহীদের পরিচয় করিয়ে দেয় এমপি তাপসের সাথে। মূল পরিকল্পনায় তোরাব আলীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় স্থানীয় লজিষ্টিক সম্বয় সাধনের জন্য। তার বাড়িতেও বিদ্রোহীদের মিটিং হয়েছে। সে মূলত অবৈধ অস্ত্রের ডিলার। তার ছেলে সন্ত্রাসী লেদার লিটনের মাধ্যমে বিদ্রোহী বিডিআরদের পালিয়ে যাবার ব্যবস্থা করে। এ সংক্রান্ত খরচাদি আগেই তাকে দেয়া হয়। উক্ত লিটনকে ২ মাস আগে তাপস ও নানক জেল থেকে ছাড়িয়ে আনে। ২৫ ফেব্রুয়ারী রাত ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে স্পীড বোটযোগে হত্যাকারীদের বুড়িগঙ্গা নদী পার করিয়ে দেয় লেদার লিটন। ১৫. মহিউদ্দিন খান আলমগীর: পিলখানার ঘটনার সময় এই সাবেক আমলা ও জনতার মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা মখা মেতে উঠেন বিভৎস উল্লাসে। বার বার ফোন করে খোঁজ নেন বিদ্রোহীদের কাছে, এর অডিও রেকর্ড আছে। এমনকি নিহতদের লাশ গোপন করার জন্য এসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার হুকুমদাতা ছিলেন তিনি। যার বদৌলতে তাকে পরে প্রমোশন দেয়া হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীতে। ১৬. হাসানুল হক ইনু: বাংলাদেশের রাজনীতির অন্ধকার গলির নেতা। তিনি ১৯৭৫ সালে অনেক সেনা অফিসার হত্যা করেছেন কর্নেল তাহের বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড থেকে। ১৯৭৫ সাল থেকে অদ্যাবধি দেশে সংঘটিত সকল সামরিক অভ্যুত্থানে তার যোগসাজস রয়েছে। পিলখানা হত্যাযজ্ঞের সময় তিনি তার ঘনিষ্ট বিডিআরদের ফোন করে হত্যায় উৎসাহ যুগিয়েছেন, এবং তাদের পরামর্শ দিয়েছেন কি করে লাশ গোপন করতে হবে। পাঁচ বছর হয়ে গেছে ৫৭ সেনা অফিসার সহ ৭৭ মানুষ হত্যার। বিডিআর বাহিনী বিলুপ্ত করা হয়েছে। ভারতীয় সহায়তায় বিজিবি গঠন করা হয়েছে, যারা এখন বিএসএফের সাথে ভাগাভাগি করে ডি্উটি করে! কয়েক হাজার বিডিআর সদস্যকে কোমরে দড়ি লাগিয়ে বিচারের প্যারেড করানো হয়েছে। জেল হয়েছে সবার। অন্যদিকে রাঘব বোয়লদের বিরুদ্ধে সাক্ষী গায়েব করতে ৫৩ জন বিডিআরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু ৫৭ সেনা হত্যার বিচার এখনো বাকী। যেনো তেনো কোনো বিচার চায়না সেনাবাহিনী। তাই হত্যা মামলাও আগাচ্ছে না। যতদিন লাগে লাগুক, হয় কঠিন বিচার হবে, নয়ত বদলা হবে, এটাই তাদের চাওয়া।।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বর্বর জিয়াউল আহসানের কী হবে? দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া উচিত]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23803</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23803</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 17 Aug 2024 12:08:34 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,antorjatik khobor,desher khobor,khobor,ajker bangla news,sob khobor,live khobor,baby born after mother died,miracle baby born,baby born miraculously,interim,ekattor,kolkata woman doctor murder,newspaper,world news,ekattor tv,global news,sports news,america news,bd newspaper,ekattor news,morning news,mirja fakhrul,sheikh hasina,elias hossain,bnp government]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বর্বর জিয়াউলের কী হবে? এই প্রশ্নটি অনেকের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে সব রকম সাহায্য করা এক বর্বর জিয়াউল আহসান গ্রেফতার হয়েছে। তাকে নিয়ে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_03.jpg" alt="বর্বর জিয়াউল আহসানের কী হবে? দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া উচিত" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বর্বর জিয়াউলের কী হবে? এই প্রশ্নটি অনেকের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে সব রকম সাহায্য করা এক বর্বর জিয়াউল আহসান গ্রেফতার হয়েছে। তাকে নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া উচিত। বর্বর জিয়াউল আহসান একজন ব্যক্তি যিনি শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে বিভিন্ন কাজ করেছেন। তার এই কাজের জন্য তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে বর্বর জিয়াউল বিভিন্ন অবৈধ কাজ করেছেন। এসব কাজের জন্য তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বর্বর জিয়াউলের কী হবে? এটা নির্ভর করছে আইনি প্রক্রিয়ার উপর। তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আইনি প্রক্রিয়ায় বর্বর জিয়াউলকে বিচার করতে হবে। তার অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে শাস্তি ভোগ করতে হবে। জনমতে বর্বর জিয়াউলকে শাস্তি দেয়ার জন্য অনেকেই মতামত দিয়েছেন। তারা চান যে আইন অনুযায়ী তাকে শাস্তি দেয়া হোক। কিছু মানুষ বর্বর জিয়াউলের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছেন। তারা মনে করেন যে তাকে ন্যায়বিচার পাওয়া উচিত। সরকার বর্বর জিয়াউলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তারা চায় যে আইন অনুযায়ী সবকিছু হোক। সামাজিক মাধ্যমে বর্বর জিয়াউলের গ্রেফতার নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। অনেকেই তার শাস্তির দাবী জানিয়েছেন। বর্বর জিয়াউলের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া উচিত। তাকে ন্যায়বিচার দেয়া উচিত। আরও জানতে এখানে দেখুন: বর্বর জিয়াউলের কী হবে? বর্বর জিয়াউলের কী হবে? এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আইন অনুযায়ী তাকে বিচার করে শাস্তি দেয়া উচিত। বর্বর জিয়াউল আসলে কে? জিয়াউল আহসান শেখ হাসিনার সরকারকে সাহায্যকারী একজন ব্যক্তি। কেন জিয়াউলকে গ্রেফতার করা হয়েছে? তাকে শেখ হাসিনাকে সহযোগিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়াউল কীভাবে শেখ হাসিনাকে সাহায্য করছিল? জিয়াউল বিভিন্ন উপায়ে শেখ হাসিনার ক্ষমতায় থাকার জন্য সহায়তা করছিলেন। জিয়াউলের গ্রেফতারির প্রভাব কী হতে পারে? জিয়াউলের গ্রেফতারি শেখ হাসিনার সরকারের উপর চাপ বাড়াতে পারে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বর্বর জিয়াউল আসলে কে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;জিয়াউল আহসান শেখ হাসিনার সরকারকে সাহায্যকারী একজন ব্যক্তি।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কেন জিয়াউলকে গ্রেফতার করা হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;তাকে শেখ হাসিনাকে সহযোগিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;জিয়াউল কীভাবে শেখ হাসিনাকে সাহায্য করছিল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;জিয়াউল বিভিন্ন উপায়ে শেখ হাসিনার ক্ষমতায় থাকার জন্য সহায়তা করছিলেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;জিয়াউলের গ্রেফতারির প্রভাব কী হতে পারে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;জিয়াউলের গ্রেফতারি শেখ হাসিনার সরকারের উপর চাপ বাড়াতে পারে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[স্বৈরশাসক হাসিনা সরকার অর্থ ছাপিয়ে ঋণ নেয় ৪১ হাজার কোটি টাকা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23802</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23802</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 17 Aug 2024 09:08:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,antorjatik khobor,khobor,ajker bangla news,desher khobor,interim,ekattor,newspaper,world news,ekattor tv,global news,america news,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul,sheikh hasina,bnp government,student reform,new government,ekattor tv news,khaleda zia news,taja bangla news,ekattor journal,channel ekattor,interesting news,reform bangladesh]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[নিশ্চিত ছিলো না অর্থের উৎস; যোগান নিয়েও ছিলো অনিশ্চয়তা। তারপরও, বড় করা হয়েছে ব্যয়ের খাত। বড় বড় প্রকল্প হাতে নিয়ে হয়েছে লুটপাট। আর, সেই অর্থের যোগান দিতে ঋণ নির্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_02.jpg" alt="স্বৈরশাসক হাসিনা সরকার অর্থ ছাপিয়ে ঋণ নেয় ৪১ হাজার কোটি টাকা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>নিশ্চিত ছিলো না অর্থের উৎস; যোগান নিয়েও ছিলো অনিশ্চয়তা। তারপরও, বড় করা হয়েছে ব্যয়ের খাত। বড় বড় প্রকল্প হাতে নিয়ে হয়েছে লুটপাট। আর, সেই অর্থের যোগান দিতে ঋণ নির্ভর হয় শেখ হাসিনা সরকার। গেলো অর্থবছরের শেষ দুই মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে গোপনে ছাপিয়ে নেয়া হয় ৪১ হাজার কোটি টাকার বেশি। তাতে, উস্কে যায় মূল্যস্ফীতি। বিশ্লেষকরা বলছেন, টানাপোড়েন সামলাতে নেয়া হয়েছে অনৈতিকতার আশ্রয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকাকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন, সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। অর্থের উৎস ও যোগানের অনিশ্চয়তা শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে, অর্থের উৎস নিয়ে ছিলো অনিশ্চয়তা। যোগানের পথও ছিলো অনিশ্চিত। তাই, ব্যয়ের খাত বড় করা হয়। বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। &amp;nbsp; Credit: samakal.com লুটপাট ও ঋণ নির্ভরতা বড় প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এই প্রকল্পগুলোর অর্থ যোগান দিতে ঋণ নিতে হয়। অর্থের যোগান ছিলো ঋণের ওপর নির্ভর। গোপনে অর্থ ছাপানো গেলো অর্থবছরের শেষ দুই মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে গোপনে ছাপিয়ে নেয়া হয় ৪১ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ ছাপানোর ফলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়। মূল্যস্ফীতি ও বিশ্লেষকদের মতামত বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থের টানাপোড়েন সামলাতে অনৈতিকতার আশ্রয় নেয়া হয়েছে। মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এভাবে অর্থ ছাপিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি। সারসংক্ষেপ শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে অর্থের উৎস ও যোগানের অনিশ্চয়তা ছিলো। বড় প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ উঠে। ঋণের ওপর নির্ভর করে অর্থ যোগান দেওয়া হয়। গোপনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ছাপানো হয় ৪১ হাজার কোটি টাকা। ফলে, মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়। বিশ্লেষকরা এটিকে অনৈতিক বলছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। অর্থের উৎস ও যোগানের অনিশ্চয়তায় ব্যয়ের খাত বড় করা হয়েছে। বড় প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঋণের ওপর নির্ভর করে অর্থ যোগান দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে গোপনে ছাপানো হয়েছে ৪১ হাজার কোটি টাকা। এতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়। বিশ্লেষকরা এটিকে অনৈতিক বলছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। বিস্তারিত তথ্য অর্থের উৎস অনিশ্চিত ছিলো। যোগানের পথও অনিশ্চিত ছিলো। বড় করা হয়েছে ব্যয়ের খাত। বড় প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঋণের ওপর নির্ভর করে অর্থ যোগান দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে গোপনে ছাপানো হয়েছে ৪১ হাজার কোটি টাকা। মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেছে। বিশ্লেষকরা এটিকে অনৈতিক বলছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। শেখ হাসিনা সরকারের শেষ সময়ে অর্থ ছাপিয়ে ঋণ নেওয়া হয়। এতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়। বিশ্লেষকরা এটিকে অনৈতিক বলছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। কেন হাসিনা সরকার ঋণ নিয়েছে ৪১ হাজার কোটি টাকা? হাসিনা সরকার টানাপোড়েন সামলাতে এবং বড় প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ঋণ নিয়েছে। অর্থ ছাপিয়ে ঋণ নেয়ার প্রভাব কি? অর্থ ছাপিয়ে ঋণ নেয়ার ফলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। অর্থের উৎসে অনিশ্চয়তা কেন ছিল? অর্থের উৎসে অনিশ্চয়তা ছিল কারণ বড় প্রকল্পে লুটপাট হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকায় কি প্রশ্ন উঠেছে? বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ প্রক্রিয়া নিয়ে সাবেক গভর্নর প্রশ্ন তুলেছেন। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কেন হাসিনা সরকার ঋণ নিয়েছে ৪১ হাজার কোটি টাকা?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;হাসিনা সরকার টানাপোড়েন সামলাতে এবং বড় প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ঋণ নিয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;অর্থ ছাপিয়ে ঋণ নেয়ার প্রভাব কি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;অর্থ ছাপিয়ে ঋণ নেয়ার ফলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;অর্থের উৎসে অনিশ্চয়তা কেন ছিল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;অর্থের উৎসে অনিশ্চয়তা ছিল কারণ বড় প্রকল্পে লুটপাট হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকায় কি প্রশ্ন উঠেছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ প্রক্রিয়া নিয়ে সাবেক গভর্নর প্রশ্ন তুলেছেন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সত্য উদ্ঘাটন: ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটে চাকরি নেন ডিবি হারুন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23801</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23801</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 17 Aug 2024 00:08:55 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker khabar,khobor,ajker bangla news khobor,ajker bangla news,antorjatik khobor,desher khobor,live khobor,arpita mukherjee,kolkata doctor murder,arpita mukherjee arrest,interim,ekattor,arpita mukherjee flat raid,school service commission,arpita mukherjee summoned,kolkata lady doctor murder,kolkata doctor rape and murder,kolkata trainee doctor murder,r g kar hospital doctor’s death]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সম্প্রতি বাংলাদেশের এক জাতীয় দৈনিক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন ডিবি হারুন বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_01.jpg" alt="সত্য উদ্ঘাটন: ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটে চাকরি নেন ডিবি হারুন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সম্প্রতি বাংলাদেশের এক জাতীয় দৈনিক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন ডিবি হারুন বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তা অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট ব্যবহার করে চাকরি পেয়েছেন। হারুন অর রশীদের পরিচয় হারুন অর রশীদ কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার হোসেনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা আবদুল হাসেম ও মা জহুরা খাতুন। হারুনের প্রয়াত পিতা আব্দুল হাসেম ঘাগড়া বাজারে চালের ব্যবসা করতেন এবং হাওরের সেচ প্রকল্পেও শ্রম দিতেন। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠের প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয় যে, হারুন অর রশীদ তার বাবার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট ব্যবহার করে বিসিএস চাকরিতে প্রবেশ করেছেন। তাঁর বাবা আসলে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। সমালোচনা ও বিতর্ক গত জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়কারীকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে হেফাজতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর হারুন অর রশীদ আবার আলোচনায় আসেন। এই ঘটনার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে। প্রতিবেদন থেকে তথ্য প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, হারুনের বাবা আবদুল হাসেম আসলে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। তিনি ঘাগড়া বাজারে চালের ব্যবসা করতেন এবং হাওরের সেচ প্রকল্পেও শ্রম দিতেন। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি প্রাপ্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা এই কোটার আওতায় বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে। কিন্তু ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহারের মাধ্যমে এই কোটার অপব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। হারুনের চাকরি প্রাপ্তি হারুন অর রশীদ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট ব্যবহার করে চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে তিনি আইনত অপরাধ করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। আইনি ব্যবস্থা ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহারের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহার করার অপরাধে হারুনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। সমাজের প্রতিক্রিয়া এই ঘটনার পর সমাজের বিভিন্ন স্তরে সমালোচনা শুরু হয়েছে। মানুষ এই ধরনের প্রতারণামূলক কাজের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহার করা মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা। প্রশাসনের করণীয় প্রশাসনের উচিত এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার করে যারা চাকরি পেয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। উপসংহার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট ব্যবহার করে চাকরি প্রাপ্তির ঘটনা সমাজে একটি বড় সমস্যা। এই ধরনের প্রতারণামূলক কাজের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। হারুন অর রশীদের ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে, আমাদের সমাজে এখনও অনেক প্রতারণামূলক কাজ চলছে। বিস্তারিত জানতে পড়ুন: ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন ডিবি হারুন Frequently Asked Questions হারুন অর রশীদ কে? হারুন অর রশীদ একজন ঢাকা মহানগর পুলিশের কর্মকর্তা। কি অভিযোগ উঠেছে হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে? ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কোথায় জন্মগ্রহণ করেছেন হারুন অর রশীদ? তিনি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার হোসেনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। হারুন অর রশীদের বাবার নাম কি? তাঁর বাবার নাম আবদুল হাসেম। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;হারুন অর রশীদ কে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;হারুন অর রশীদ একজন ঢাকা মহানগর পুলিশের কর্মকর্তা।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কি অভিযোগ উঠেছে হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কোথায় জন্মগ্রহণ করেছেন হারুন অর রশীদ?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;তিনি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার হোসেনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;হারুন অর রশীদের বাবার নাম কি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;তাঁর বাবার নাম আবদুল হাসেম।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[স্বৈরাচারের দোসর, ক্ষমতা ও অর্থলোভী ব্যবসায়ীদের একাংশ, এরাই হলো শেখ হাসিনা’স ম্যান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/23800</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/23800</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 16 Aug 2024 09:08:28 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,ajker bangla news khobor,ajker khabar,khobor,desher khobor,ajker bangla news,sob khobor,live khobor,antorjatik khobor,interim,ekattor,newspaper,world news,hezbollah,ekattor tv,government,america news,bd newspaper,ekattor news,mirja fakhrul,sheikh hasina,sheikh rehana,bnp government,student reform,new government,ekattor tv news,khaleda zia news,taja bangla news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বৈরাচারের দোসর, ক্ষমতা ও অর্থলোভী ব্যবসায়ীদের একাংশের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, এই গোষ্ঠীটি বিশেষভাবে সক্রিয়। এখ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_16-08-24_01.jpg" alt="স্বৈরাচারের দোসর, ক্ষমতা ও অর্থলোভী ব্যবসায়ীদের একাংশ, এরাই হলো শেখ হাসিনা’স ম্যান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বৈরাচারের দোসর, ক্ষমতা ও অর্থলোভী ব্যবসায়ীদের একাংশের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, এই গোষ্ঠীটি বিশেষভাবে সক্রিয়। এখানে এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানুন। স্বৈরাচারের দোসর স্বৈরাচারের দোসর বলতে আমরা বুঝি সেই সকল ব্যক্তিদের যারা স্বৈরাচারী শাসকের সাথে যুক্ত থাকে এবং তাদেরকে সমর্থন করে। তারা ক্ষমতার লোভে স্বৈরাচারের সাথে হাত মেলায়। ক্ষমতার লোভ ক্ষমতার লোভ মানুষকে অনেক কিছু করতে বাধ্য করে। তারা নিজেদের স্বার্থে স্বৈরাচারের পাশে দাঁড়ায়। অর্থলোভী ব্যবসায়ী অর্থলোভী ব্যবসায়ী বলতে আমরা বুঝি সেই সকল ব্যবসায়ী যারা অর্থের লোভে সবকিছু করতে পারে। তারা নিজেরা লাভবান হতে স্বৈরাচারের সাথে যোগ দেয়। অর্থের লোভ অর্থের লোভ মানুষকে অন্ধ করে দেয়। তারা নিজেদের স্বার্থে অন্যদের ক্ষতি করতে পিছপা হয় না। শেখ হাসিনা&amp;rsquo;স ম্যান শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরাচারের দোসর, ক্ষমতা ও অর্থলোভী ব্যবসায়ীদের একাংশ সক্রিয়। তারা দলের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেয় এবং দলের জন্য কাজ করে। তাদের ভূমিকা এই গোষ্ঠীর সদস্যরা দলের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। তারা দলের স্বার্থে কাজ করে এবং দলের প্রভাব বৃদ্ধি করে। উপসংহার স্বৈরাচারের দোসর, ক্ষমতা ও অর্থলোভী ব্যবসায়ীদের একাংশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সক্রিয়। তারা দলের জন্য কাজ করে এবং দলের প্রভাব বৃদ্ধি করে। এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। Frequently Asked Questions শেখ হাসিনা&amp;rsquo;স ম্যান কারা? শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ক্ষমতাশালী ব্যবসায়ীরা শেখ হাসিনা&amp;rsquo;স ম্যান হিসেবে পরিচিত। স্বৈরাচারের দোসর কেনো বলা হয়? স্বৈরাচারী শাসনের সমর্থক হওয়ায় এদের দোসর বলা হয়। শেখ হাসিনা&amp;rsquo;স ম্যানদের প্রভাব কেমন? তাঁদের প্রভাব রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ব্যাপক। ক্ষমতা ও অর্থলোভী ব্যবসায়ীরা কারা? শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা এ ধরনের ব্যবসায়ী। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;শেখ হাসিনা’স ম্যান কারা?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ক্ষমতাশালী ব্যবসায়ীরা শেখ হাসিনা’স ম্যান হিসেবে পরিচিত।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;স্বৈরাচারের দোসর কেনো বলা হয়?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;স্বৈরাচারী শাসনের সমর্থক হওয়ায় এদের দোসর বলা হয়।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;শেখ হাসিনা’স ম্যানদের প্রভাব কেমন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;তাঁদের প্রভাব রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ব্যাপক।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ক্ষমতা ও অর্থলোভী ব্যবসায়ীরা কারা?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা এ ধরনের ব্যবসায়ী।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_16-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_16-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_16-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ওয়ালটন-ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল-২০২৪&#039;র দাবায় আজাদ চ্যাম্পিয়ন, আলী রানার্স-আপ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/sports/23799</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/sports/23799</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 15 Aug 2024 19:08:16 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[খেলা]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[অন্যান্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,desher khobor,sob khobor,live khobor,interim,mortgage,attorney,newspaper,america news,mirja fakhrul,sheikh hasina,bnp government,entertainment,student reform,new government,khaleda zia news,interesting news,reform bangladesh,interim government,interim government.,bangladesh government,bangladesh new government,atn news,atnnews,atn bangla news,atn bd news,atnbangla]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) আয়োজনে চলছে &amp;lsquo;ওয়ালটন-...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-08-24_02.jpg" alt="ওয়ালটন-ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল-২০২৪&#039;র দাবায় আজাদ চ্যাম্পিয়ন, আলী রানার্স-আপ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) আয়োজনে চলছে &amp;lsquo;ওয়ালটন-ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল-২০২৪।&amp;rsquo; এই ক্রীড়া উৎসবের দাবা ইভেন্টের খেলা আজ বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। এই ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ডেইলি ইন্ডিপেনডেন্টের রফিকুল ইসলাম আজাদ। রানার্স-আপ হয়েছেন এশিয়ান টিভির আলী তালুকদার। দাবা খেলা পরিচালনা করেন শহীদুল ইসলাম। ইনডোর ও আউটডোরে মোট ১১টি ডিসিপ্লিন ও ইভেন্ট রয়েছে এবারের এই স্পোর্টস ফেস্টিভ্যালে। ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে- দাবা, ক্যারম, স্পেডট্রাম, অকশন ব্রিজ, শ্যুটিং, ম্যারাথন, লুডু, ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টন। এছাড়া এবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় যেসব সিনিয়র সদস্য অংশগ্রহণ করতে পারবেন না তাদের মধ্যে দশজনকে বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা করছে ওয়ালটন। পাশাপাশি সদস্যদের স্ত্রীদের জন্য লুডু খেলার আয়োজন থাকছে। ওয়ালটন-ক্র্যাব ক্রীড়া উৎসবের ইভেন্ট পার্টনার ওয়ালটনের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সড়কে ফোন চেক ও ট্রাফিক কন্ট্রোল নিয়ে যা বললেন হাসনাত আব্দুল্লাহ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23798</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23798</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 15 Aug 2024 19:08:07 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker khobor,ajker bangla khobor,bangla khobor,ajker news,desher khobor,sob khobor,live khobor,interim,mortgage,attorney,newspaper,america news,mirja fakhrul,sheikh hasina,bnp government,entertainment,student reform,new government,khaleda zia news,interesting news,reform bangladesh,interim government,interim government.,bangladesh government,bangladesh new government,atn news,atnnews,atn bangla news,atn bd news,atnbangla]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-08-24_01.jpg" alt="সড়কে ফোন চেক ও ট্রাফিক কন্ট্রোল নিয়ে যা বললেন হাসনাত আব্দুল্লাহ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p></p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[চট্টগ্রামে মহানগর তরুণ দলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23797</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23797</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 14 Aug 2024 00:08:54 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker bangla khobor,ajker khobor,bangla khobor,ajker news,desher khobor,antorjatik khobor,sob khobor,live khobor,interim,newspaper,global news,government,america news,mirja fakhrul,sheikh hasina,sheikh rehana,bnp government,student reform,new government,khaleda zia news,interesting news,reform bangladesh,dr yunus interview,interim government,international news,dr yunus nobel prize,interim government.,jamuna international]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম সফরকালে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন। সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_14-08-24_01.jpg" alt="চট্টগ্রামে মহানগর তরুণ দলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম সফরকালে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন। সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ১১ আগস্ট রবিবার চট্টগ্রাম মহানগর তরুণ দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ দিদার এবং কেন্দ্রীয় সদস্য সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে সদরঘাট ও ডবলমুরিং থানার নেতারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।&amp;nbsp; বৈষম্যমুক্ত-শোষণ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আন্দোলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন দলটির চট্টগ্রাম মহানগরের নেতারা। এসময় আমিনুল ইসলাম বলেন, যারা সুস্থ-ধারার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন, শুধুমাত্র তারাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের সাথে থাকবেন সব সময়। কিন্তু যারা লুটপাট, চাঁদাবাজির রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন, তারা আমাদের সাথে যুক্ত হবেন না। এধরণের কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্হা গ্রহণ করে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সব শেষে তিনি, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দুশাসনে ছাত্রজনতা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলসহ (বিএনপি) সকল শহীদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। এসএইচ/এআই/এমএ/এএএম/</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_14-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_14-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs24_14-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[স্বৈরাচার শেখ হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23796</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23796</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 13 Aug 2024 13:08:30 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker bangla khobor,ajker khobor,bangla khobor,ajker news,desher khobor,antorjatik khobor,sob khobor,obaidul quader,interim,newspaper,global news,america news,mirja fakhrul,sheikh hasina,mirza fakhrul,bnp government,new government,student reform,khaleda zia news,interesting news,dr yunus interview,reform bangladesh,international news,interim government,dr yunus nobel prize,interim government.,jamuna international,quota reform movement]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক দুই মন্ত্রীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_13-08-24_02.jpg" alt="স্বৈরাচার শেখ হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক দুই মন্ত্রীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রাজধানীর একজন ব্যবসায়ী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালতে দুপুরে এ মামলার শুনানি হবে বলে জানা গেছে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করার পর এ প্রথম তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হলো। মামলার বাদী হয়েছেন, আদাবর এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী এস এম আমীর হামজা শাতিল। তিনি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নিরীহ নাগরিক হত্যার বিচার চেয়ে এ মামলা করেছেন বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আমীর হামজা শাতিল গণমাধ্যমকে বলেন, &amp;lsquo;বিবেকের তাড়নায় আমি এ মামলা করেছি। দুপুরে মধ্যে শুনানি হবে।&amp;rsquo; আবেদনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মামলার অপর আসামিরা হলেন, সাবেক সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ ও ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত পুলিশ কর্মকর্তা বা পুলিশের সদস্য ও তৎকালীন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অজ্ঞাতনামা হিসেবে মামলায় আসামি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা মিছিল সমাবেশ করে। শান্তিপূর্ণ মিছিলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। বহু ছাত্র-জনতা নিহত ও আহত হন। ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরে বসিলার ৪০ ফিট এলাকায় ছাত্র-জনতা শান্তপূর্ণ মিছিল সমাবেশ করছিল। সেখানেও পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। রাস্তা পার হওয়ার সময় স্থানীয় মুদি দোকানদার আবু সায়েদ মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। তিনি ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করেন। নিহত সায়েদকে তার গ্রামের বাড়িতে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার নতুন বস্তি প্রধান হাটে নিয়ে দাফন করা হয়। তার মা, স্ত্রী, ছেলে সন্তান সেখানেই থাকেন। এ কারণে তারা ঢাকায় এসে মামলা করতে অপারগ। এ জন্য বিবেকের তাড়নায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি এ মামলা করেছেন। মামলার অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা সংস্কার আন্দোলন কঠোর হস্তে দমন করার জন্য বারবার নির্দেশ দিয়েছেন। ওবায়দুল কাদের ও আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে পুলিশের আইজিপি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অধীনস্থ পুলিশদের নির্দেশ দিয়ে মিছিলে গুলি চালায়। পরস্পর যোগসাজশে আসামিরা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। কাজেই এর বিচার হওয়া প্রয়োজন। এ দিকে মামলাটি থানায় এজাহার হিসেবে নেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাদীর আইনজীবী মো. মামুন মিয়া।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_13-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_13-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_13-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আওয়ামী লীগ নিয়ে দেয়া বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23795</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23795</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 13 Aug 2024 12:08:01 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker bangla khobor,ajker khobor,bangla khobor,ajker news,desher khobor,antorjatik khobor,sob khobor,obaidul quader,interim,newspaper,global news,america news,mirja fakhrul,sheikh hasina,mirza fakhrul,bnp government,new government,student reform,khaleda zia news,interesting news,dr yunus interview,reform bangladesh,international news,interim government,dr yunus nobel prize,interim government.,jamuna international,quota reform movement]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সোমবার (১২ আগস্ট) &amp;nbsp;নতুন অঙ্গীকা&amp;zwnj;রে নতুন মুখ &amp;zwnj;নি&amp;zwnj;য়ে দল গোছা&amp;zwnj;তে আওয়ামী লী&amp;zwnj;গের প্রতি আহ্বান জা&amp;zwnj;নি&amp;zwnj;য়ে&amp;zwnj;ছেন অন্তর্বর্তীকা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_13-08-24_01.jpg" alt="আওয়ামী লীগ নিয়ে দেয়া বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সোমবার (১২ আগস্ট) &amp;nbsp;নতুন অঙ্গীকা&amp;zwnj;রে নতুন মুখ &amp;zwnj;নি&amp;zwnj;য়ে দল গোছা&amp;zwnj;তে আওয়ামী লী&amp;zwnj;গের প্রতি আহ্বান জা&amp;zwnj;নি&amp;zwnj;য়ে&amp;zwnj;ছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। সচিবালয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবা&amp;zwnj;বে তি&amp;zwnj;নি এ আহ্বান। এরপরই তার পদত্যাগের দাবিতে সারাদেশে শুরু হয় বিক্ষোভ সমাবেশ। আজ মঙ্গলবার (১৩ই আগস্ট) বৈশাখী টিভি সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ নিয়ে দেয়া বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। বিস্তারিত আসছে... এর আগে এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, &amp;lsquo;দয়া করে আপনারা দেশকে অরাজকতার মধ্যে ঠেলবেন না, ইনক্লুডিং সদ্য বিদায় হওয়া পার্টি (আওয়ামী লীগ)। আপনারা পার্টি গোছান। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আপনাদের সাহায্য করব। আপনারা পার্টি গোছান উইথ নিউ ফেইস (নতুন মুখ নিয়ে), উইথ নিউ অঙ্গীকার এবং আশা করি, উইথ থ্রু পলিটিক্যাল পার্টি অ্যাক্ট।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_13-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_13-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_13-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে ৪১৭টি থানায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে : আইএসপিআর]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23794</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23794</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 10 Aug 2024 22:08:51 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ajker bangla khobor,ajker khobor,bangla khobor,ajker news,desher khobor,antorjatik khobor,interim,newspaper,global news,america news,quota reform,mirja fakhrul,sheikh hasina,job quota reform movement in bangladesh,bnp government,student reform,new government,khaleda zia news,mamata banerjee,interesting news,reform bangladesh,interim government,international news,dupurer bangladesh,interim government.,quota reform protest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দেশের জনসাধারণের জানমাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশব্যাপী স্থাপিত ২০৬টি ক্যাম্পের মাধ্যমে ৫৮টি জেলায়...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ispr.jpg" alt="সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে ৪১৭টি থানায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে : আইএসপিআর" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দেশের জনসাধারণের জানমাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশব্যাপী স্থাপিত ২০৬টি ক্যাম্পের মাধ্যমে ৫৮টি জেলায় মোতায়েন রয়েছে। রাজধানী ঢাকার ২৯টি থানাসহ দেশজুড়ে ৪১৭টি থানায় ইতিমধ্যে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আইএসপিআর জানায়, বৃহস্পতিবার ও আজ শুক্রবার সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দুটি দল জামালপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পলানোর চেষ্টা করা কয়েদিদের বাধা প্রদান এবং কারাগারে রক্ষিত অস্ত্র গোলাবারুদ সুরক্ষিত করেছে। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা প্রতিহত করার পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় নোয়াখালী জেলার একটি মন্দিরে দুষ্কৃতকারীদের আক্রমণ সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রতিহত করেছে। এ ছাড়া কক্সবাজারে অবস্থিত বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের ক্যাম্পে নিরাপত্তা প্রদানে সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে যৌথ প্যাটল পরিচালনা করেছে সেনাবাহিনী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকার ২৯টি থানাসহ দেশজুড়ে ৪১৭টি থানায় ইতিমধ্যে সেনা মোতায়ন করা হয়েছে। যা পুলিশের হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার অভিযানকে ত্বরান্বিত করবে। সেই সঙ্গে বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মহাখালী ডাটা সেন্টারসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আইএসপিআর আরো জানায়, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রচার করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অপতৎপরতা চলমান রয়েছে। দেশবাসীকে এ ধরনের গুজবে আতঙ্কিত না হয়ে সেনা ক্যাম্পে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নিজের বিচার-বিবেচনা প্রয়োগ করতে অনুরোধ করা হলো। জনগণের স্বার্থে এবং রাষ্ট্রের যেকোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ispr.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ispr.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ispr.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কোথায় আছেন বিতর্কিত সাবেক বিচারপতি মানিক?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23793</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23793</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 09 Aug 2024 18:08:48 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বিতর্কিত সাবেক বিচারপতি মানিক?, বিচারপতি মানিক,বিচারপতি মানিকের ওপর হামলা,বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক,সাবেক বিচারপতি মানিক vs উপস্থাপিকা,বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও মাসুদ কামাল,বিচারপতি মানিক ও রনির টকশো,রাজধানীতে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের উপর হামলা,বিচারপতি মানিকের গাড়িতে হামলা,বিচারপতি সাহাবুদ্দিন চৌধুরী মানিক,বিচারপতি,প্রধান বিচারপতি,বিচারপতি সিনহা,বিচারপতি চৌধুরী,বিচারপতি এস কে সিনহার জীবন বৃত্তান্ত,শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক,মানিক হাওলাদার,মানিক মিয়া]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_04.jpg" alt="কোথায় আছেন বিতর্কিত সাবেক বিচারপতি মানিক?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p></p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কেমন হলো?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23792</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23792</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 09 Aug 2024 18:08:40 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bnp news,bangla news,news,bangladesh news,bnp,bangla news today,bnp news today,bangladeshi news,bd news,top news,latest bangla news,bangla tv news,breaking news,khaleda zia news,jamuna news,news update,bd news today,political news,today news,news today,latest bangladeshi news,bangla news update,news update bd,latest news,update news,desh tv news,us news,bdnews,breaking news today,bd news update,atn news,ntv news,rtv news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন। তারপর রাত নয়টায় বঙ্গভবনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ অনুষ্ঠ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_03.jpg" alt="নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কেমন হলো?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন। তারপর রাত নয়টায় বঙ্গভবনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাঁকে আমরা অভিনন্দন জানাই, সমগ্র দেশবাসী তাদের সাফল্য কামনা করছে। অনেকে জিজ্ঞাসা করেছেন এই সরকার কেমন হলো? আমি এটা নিয়ে এপিসোডের শেষে আলাপ করবো। তার আগে কিছু জরুরি আলাপ সেরে নেই। আগামী দু&amp;rsquo;এক দিনের মধ্যে নিশ্চয়ই ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে একটি বক্তৃতা করবেন, আমি সেখানে দুইটি প্রশ্নের জবাব খুঁজবো। প্রথমত, বাংলাদেশে গত ১৫ বছর ধরে চলমান গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মরণপণ সংগ্রামে তিনি কোথায়, কতটুকু ভূমিকা পালন করেছিলেন তা দেশবাসীকে জানাবেন। মরহুম ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মতো অন্যান্য এনজিওসমূহের নেতৃবৃন্দ কেন এমন মৌলিক মানবাধিকারের লড়াইয়ে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখতে পারলেন না, বা পারেন না সেবিষয়টি ব্যাখ্যা করবেন। এই ব্যখ্যাটা জরুরি কারণ এই সরকারে ডিস্প্রপোসশনেটলি এনজিওর প্রতিনিধিত্ব আছে। লড়াইয়ে নাই কিন্তু পদে আছি এই ফেনোমেনন্টার ব্যখ্যা আমরা চাইতেই পারি।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বিএনপির শেরে-বাংলা নগর ইউনিট বিলুপ্ত ঘোষণা ও দুই নেতাকে অব্যাহতি-স্থায়ীভাবে বহিষ্কার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23791</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23791</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 09 Aug 2024 00:08:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bnp news,bangla news,news,bangladesh news,bnp,bangla news today,bnp news today,bangladeshi news,bd news,top news,breaking news,news update,bd news today,breaking news today,update news,news update bd,news today,bnp news 2024,khaleda zia news,ntv news,top news today,bd news update,bd tv news,political news,today news,bnp news today 2024,breaking news bd,jamuna news,desh tv news,latest bangladeshi news,latest news bangla,atn news]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার সু-স্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শেরে-বাংলা নগর থানার অর্ন্তগত ২৭নং ওয়ার্ডের শেরে-বাং...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_02.jpg" alt="বিএনপির শেরে-বাংলা নগর ইউনিট বিলুপ্ত ঘোষণা ও দুই নেতাকে অব্যাহতি-স্থায়ীভাবে বহিষ্কার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার সু-স্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শেরে-বাংলা নগর থানার অর্ন্তগত ২৭নং ওয়ার্ডের শেরে-বাংলা নগর ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাইদুল ইসলাম (লিটন) এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সবুর তালুকদারকে স্ব স্ব পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে উক্ত শেরে-বাংলা নগর ইউনিট বিএনপি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। ২৭নং ওয়ার্ডের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের কে বহিষ্কৃত নেতা-কর্মীদের সাথে কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা না রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শেরে-বাংলা নগর থানার অর্ন্তগত ২৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ নুরুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঞ্জুরুল করিম (তমাল) বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর শেরে-বাংলা নগর থানার ২৭নং ওয়ার্ড বিএনপির দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[শপথ গ্রহণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাগণ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23790</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23790</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 08 Aug 2024 23:08:39 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[শপথ গ্রহণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাগণ শান্তিতে নোবেল জয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_08-08-24_01.jpg" alt="শপথ গ্রহণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাগণ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>শপথ গ্রহণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাগণ শান্তিতে নোবেল জয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৪ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ শপথ গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার রাত নয়টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে প্রথমে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রথম শপথ বাক্য পাঠ করান প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন।&amp;nbsp; পরে অন্য উপদেষ্টারা শপথ গ্রহণ করেন। তিনজন উপদেষ্টা ঢাকার বাইরে থাকায় তারা পরে শপথ নেবেন। তাঁরা হলেন: ফারুক&amp;ndash;ই&amp;ndash;আজম, সুপ্রদীপ চাকমা ও বিধান রঞ্জন রায়। শিগগিরই তাঁরা শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক, লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আসিফ নজরুল, মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অধিকারের সাধারণ সম্পাদক আদিলুর রহমান খান, সাবেক এটর্নী জেনারেল ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন, পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী শারমিন মুরশিদ, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অব. এম সাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষাবিদ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ড.আ.ফ.ম খালিদ হাসান, উবিনীগ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদা আখতার, গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরজাহান বেগম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দোলনের সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সাবেক রাষ্ট্রদূত সুপ্রদিপ চাকমা, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুকী আজম বীর প্রতীক পরে শপথ নেবেন।&amp;nbsp; শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। বীর শহীদ ও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরুতে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সেনা বাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনীর প্রধান হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গভবনের দরবার হলে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতের নেতারা উপস্থিত হয়েছেন। এ ছাড়া মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম, কাদের সিদ্দিকীও রয়েছেন। তবে আওয়ামী লীগের কাউকে দেখা যায়নি।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_08-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_08-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_08-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মোদি প্রয়োজনে বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন: বিজেপি নেত্রী]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/india/23789</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/india/23789</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 06 Aug 2024 08:08:54 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[ভারত]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[প্রধান খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[শেখ হাসিনা স্বৈরাচার,শেখ হাসিনা,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার!,স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে,দেশ ছেড়ে পালালো স্বৈরাচার শেখ হাসিনা !,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার এই মুহুর্তে গদি ছাড়,হাসিনা,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার...,দিল্লিতে পালিয়েছে স্বৈরাচার হাসিনা: মাতোয়ারা বাংলাদেশ!,স্বৈরশাসক হাসিনার পতন,সারাবাংলা কারাগার শেখ হাসিনা স্বৈরাচার...,হাসিনার পতন,শেখ হাসিনার বিদায়,সৈরাচার সরকার,পদত্যাগ করে দেশ ছেরেছেন শেখ হাসিনা,গান লিখে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে প্রেরণা যুগিয়েছিলেন দুই তরুণ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[প্রয়োজনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপী নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, &amp;lsquo;শেখ হাসিনা ভারতে এসে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_05.jpg" alt="মোদি প্রয়োজনে বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন: বিজেপি নেত্রী" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>প্রয়োজনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপী নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, &amp;lsquo;শেখ হাসিনা ভারতে এসেছেন। তার কারণ, তিনি বিশ্বাস করেন যে আমাদের দেশ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে নিরাপদ আছে। পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকে বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত। আমরা আশা করছি, বাংলাদেশে স্বাভাবিক অবস্থা খুব তাড়াতাড়ি ফিরবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই হস্তক্ষেপ করবেন প্রয়োজন হলে।&amp;rsquo; মোদি ও হাসিনার সম্পর্ক ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক বহু দিনের। দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কও অনেক ভালো। শেখ হাসিনা মনে করেন, মোদির নেতৃত্বে ভারত অনেক নিরাপদ। ভারত সীমান্তে সি ১৩০ এয়ারক্রাফ্ট বাংলাদেশ থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ভারত সীমান্তে সি ১৩০ এয়ারক্রাফ্ট ইতোমধ্যেই দেখা গিয়েছে। এই এয়ারক্রাফ্টের গতিবিধির দিকে নজর রেখেছে ভারত। সেখান থেকে ডাক এসেছে বলেও শোনা গেছে। বিজেপি নেত্রীর মন্তব্য বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, &amp;lsquo;বাংলাদেশে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরবে বলে আমরা আশা করছি। প্রয়োজনে মোদি হস্তক্ষেপ করবেন।&amp;rsquo; নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্ব নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি অনেক সাহসী নেতা। মোদি সব সময় ভারতের নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য কাজ করেন। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সম্পর্ক বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকে সংযুক্ত। দুই দেশের মানুষ একে অপরকে খুব ভালোবাসে। সারসংক্ষেপ বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য অনুযায়ী, প্রয়োজনে নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন। শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির সম্পর্ক খুব ভালো। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। আরো জানতে পড়ুন: প্রয়োজনে বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন মোদি : বিজেপি নেত্রী &amp;nbsp; মোদি কি বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন? বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, প্রয়োজনে মোদি বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন। শেখ হাসিনা কেন ভারতে এসেছেন? শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত নিরাপদ। পশ্চিমবঙ্গ কেন বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত? পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকে বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত। মোদির হস্তক্ষেপ কীভাবে বাংলাদেশে সহায়তা করবে? মোদির হস্তক্ষেপ বাংলাদেশে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;মোদি কি বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, প্রয়োজনে মোদি বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;শেখ হাসিনা কেন ভারতে এসেছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত নিরাপদ।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;পশ্চিমবঙ্গ কেন বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকে বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;মোদির হস্তক্ষেপ কীভাবে বাংলাদেশে সহায়তা করবে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;মোদির হস্তক্ষেপ বাংলাদেশে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_05.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_05.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_05.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[যুব সমাজের ত্রুটি নয়, শেখ হাসিনার ভুল: ড. ইউনূস, বললেন- ছাত্রজনতার দ্বিতীয় স্বাধীনতা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23788</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23788</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 06 Aug 2024 07:08:42 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[শেখ হাসিনা স্বৈরাচার,শেখ হাসিনা,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার!,স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে,দেশ ছেড়ে পালালো স্বৈরাচার শেখ হাসিনা !,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার এই মুহুর্তে গদি ছাড়,হাসিনা,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার...,দিল্লিতে পালিয়েছে স্বৈরাচার হাসিনা: মাতোয়ারা বাংলাদেশ!,স্বৈরশাসক হাসিনার পতন,সারাবাংলা কারাগার শেখ হাসিনা স্বৈরাচার...,হাসিনার পতন,শেখ হাসিনার বিদায়,সৈরাচার সরকার,পদত্যাগ করে দেশ ছেরেছেন শেখ হাসিনা,গান লিখে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে প্রেরণা যুগিয়েছিলেন দুই তরুণ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ছাত্রজনতার জয়কে দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে আখ্যায়িত করেছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একমাত্র বাংলাদেশি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সম্পূর্ণ খবর পড়তে এখানে ক্লিক ক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_04.jpg" alt="যুব সমাজের ত্রুটি নয়, শেখ হাসিনার ভুল: ড. ইউনূস, বললেন- ছাত্রজনতার দ্বিতীয় স্বাধীনতা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ছাত্রজনতার জয়কে দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে আখ্যায়িত করেছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একমাত্র বাংলাদেশি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সম্পূর্ণ খবর পড়তে এখানে ক্লিক করুন। সোমবার শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালানোর পর তিনি ভারতের দ্যা প্রিন্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। স্বাধীনতার প্রথম ধাপ ড. ইউনূস বলেন, প্রথম কথা হলো আমরা স্বাধীন হয়েছি। আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এতদিন আমরা ছিলাম দখল হয়ে যাওয়া একটি দেশে থাকার মতো। শেখ হাসিনা যে আচরণ করছিলেন তা দখলদার বাহিনী, একজন স্বৈরশাসক, একজন জেনারেল এবং আরও অনেকের মতো। তিনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। দ্বিতীয় স্বাধীনতা ড. ইউনূসের মতে, সোমবার বাংলাদেশের সব মানুষ নিজেদেরকে স্বাধীন মনে করছেন। আবারও তারা দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করলেন। সারাদেশে এই স্বাধীনতা উদযাপিত হচ্ছে। যুব সমাজের অবদান যারা এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই তরুণদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই। তারা আমাদেরকে আদতে স্বাধীন করেছেন। সবাইকে একত্রিত করেছেন। পুরো দেশকে স্বাধীন করেছেন। সবাই স্বাধীনতার আনন্দ উপভোগ করছেন। পরবর্তী পদক্ষেপ ড. ইউনূস বলেন, আমাদেরকে পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু করতে হবে। আমাদের সামনে এখন সব সমস্যা। আমাদের জন্য একটি চমৎকার দেশ সৃষ্টির কাজ নতুন করে শুরু করতে হবে এখন। এসবই আমাদের প্রতিশ্রুতি। ছাত্র এবং যুব সমাজ আমাদের ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেবেন। আমি সেদিকেই তাকিয়ে আছি। সেনাবাহিনীর ভূমিকা তার কাছে উপস্থাপিকা জানতে চান, সেনাবাহিনী অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করবে। বাংলাদেশের সামনে কি অপেক্ষা করছে? এমন প্রশ্নে ড. ইউনূস বলেন, আমি নিশ্চিত এসবই হবে। হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এখন আমরা মুক্ত। আমরা যা চাই তা এখন করতে পারবো। সারাদেশের সব ইস্যু এখন সমাধান করা হবে। আমি নিশ্চিত আমরা চমৎকার একটি সূচনা করবো। ড. ইউনূসের ভূমিকা ড. ইউনূসের কাছে জানতে চাওয়া হয়- আপনার ভূমিকা কি হবে? জবাবে তিনি বলেন, আমি জনগণের সঙ্গে আমার কাজ অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাব। তা হলো সামাজিক ব্যবসা এবং সবকিছু। অধিক মুক্ত পরিবেশে আমি আমার কাজ অব্যাহত রাখবো। শেখ হাসিনা শাসকগোষ্ঠীর সময়ে এমন পরিবেশ পাইনি। কারণ, তিনি সবসময় আমাকে আক্রমণ করেছেন। বাংলাদেশে ফেরা বাংলাদেশে ফেরা নিয়ে কি ভাবছেন? এ প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন- খুব শিগগিরই ফিরবেন তিনি। এ পর্যায়ে উপস্থাপিকা জানতে চান- শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তি ভাংচুর করা হয়েছে। জনগণের অনুভূতি জবাবে ড. ইউনূস বলেন, এটা দেখিয়ে দিয়েছে যে জনগণ হাসিনা সম্পর্কে কি অনুভব করে। হাসিনা নিজে যা করেছেন নিজের জন্য এবং তার পিতার জন্য, তারই ফল এটা। তিনিই এমন ক্ষতি অর্জন করেছেন। এটা যুব সমাজের ত্রুটি নয়। এটা হলো শেখ হাসিনার ভুল। &amp;nbsp; ড. ইউনূস দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলতে কী বোঝাচ্ছেন? ড. ইউনূস দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলতে শেখ হাসিনার পদত্যাগ পরবর্তী স্বাধীনতার আনন্দ বোঝাচ্ছেন। ছাত্রদের আন্দোলনের ফলাফল কী? ছাত্রদের আন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন এবং জনগণ স্বাধীনতার আনন্দ উপভোগ করছে। ড. ইউনূসের বক্তব্যের মূল বিষয় কী? ড. ইউনূস বলেছেন, ছাত্রদের আন্দোলন দেশকে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। ড. ইউনূস ভবিষ্যত নেতৃত্বে কাদের আশা করছেন? ড. ইউনূস ভবিষ্যত নেতৃত্বে ছাত্র এবং যুব সমাজের আশা করছেন। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ড. ইউনূস দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলতে কী বোঝাচ্ছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ড. ইউনূস দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলতে শেখ হাসিনার পদত্যাগ পরবর্তী স্বাধীনতার আনন্দ বোঝাচ্ছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ছাত্রদের আন্দোলনের ফলাফল কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ছাত্রদের আন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন এবং জনগণ স্বাধীনতার আনন্দ উপভোগ করছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ড. ইউনূসের বক্তব্যের মূল বিষয় কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ড. ইউনূস বলেছেন, ছাত্রদের আন্দোলন দেশকে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এনে দিয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ড. ইউনূস ভবিষ্যত নেতৃত্বে কাদের আশা করছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ড. ইউনূস ভবিষ্যত নেতৃত্বে ছাত্র এবং যুব সমাজের আশা করছেন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[দেশে সংঘর্ষ ও গুলিতে নিহত ১১২]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23787</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23787</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 06 Aug 2024 07:08:13 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[শেখ হাসিনা স্বৈরাচার,শেখ হাসিনা,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার!,স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে,দেশ ছেড়ে পালালো স্বৈরাচার শেখ হাসিনা !,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার এই মুহুর্তে গদি ছাড়,হাসিনা,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার...,দিল্লিতে পালিয়েছে স্বৈরাচার হাসিনা: মাতোয়ারা বাংলাদেশ!,স্বৈরশাসক হাসিনার পতন,সারাবাংলা কারাগার শেখ হাসিনা স্বৈরাচার...,হাসিনার পতন,শেখ হাসিনার বিদায়,সৈরাচার সরকার,পদত্যাগ করে দেশ ছেরেছেন শেখ হাসিনা,গান লিখে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে প্রেরণা যুগিয়েছিলেন দুই তরুণ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সোমবার সারা দেশে সংঘর্ষ ও গুলিতে ১১২ জন নিহত হয়েছেন। সারা দেশে সংঘর্ষ ও গুলিতে নিহত ১১২। এই ঘটনা রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় ঘটেছে। &amp;nbsp; রাজধানীতে সংঘর্ষের ঘটনা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_03.jpg" alt="দেশে সংঘর্ষ ও গুলিতে নিহত ১১২" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সোমবার সারা দেশে সংঘর্ষ ও গুলিতে ১১২ জন নিহত হয়েছেন। সারা দেশে সংঘর্ষ ও গুলিতে নিহত ১১২। এই ঘটনা রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় ঘটেছে। &amp;nbsp; রাজধানীতে সংঘর্ষের ঘটনা ঢাকায় বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ হয়েছে। সকাল থেকেই রাজধানীতে থমথমে অবস্থা ছিল। সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি রাস্তায় ছিলেন। কাজলা এলাকায় আন্দোলনকারীরা জড়ো হন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল ছুড়ে দেয়। এতে ৭ জন নিহত ও অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন। &amp;nbsp; কতজন নিহত হয়েছে সারা দেশে? সারা দেশে গতকাল ১১২ জন নিহত হয়েছেন। কোথায় বেশি নিহত হয়েছে? বেশি নিহত ঢাকার রাজধানীতে, যেখানে ৪৯ জন নিহত হয়েছেন। কিভাবে শুরু হয় সংঘর্ষ ও গুলি? সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ হয়ে হত্যা হয়েছে দুপুর থেকে রাত। কতজন আহত হয়েছে সারা দেশে? গুলিবিদ্ধ হয়ে ১১২ জনের মধ্যে ২৫২ জন আহত হয়েছেন। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কতজন নিহত হয়েছে সারা দেশে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সারা দেশে গতকাল ১১২ জন নিহত হয়েছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কোথায় বেশি নিহত হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বেশি নিহত ঢাকার রাজধানীতে, যেখানে ৪৯ জন নিহত হয়েছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কিভাবে শুরু হয় সংঘর্ষ ও গুলি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ হয়ে হত্যা হয়েছে দুপুর থেকে রাত।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কতজন আহত হয়েছে সারা দেশে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;গুলিবিদ্ধ হয়ে ১১২ জনের মধ্যে ২৫২ জন আহত হয়েছেন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বেলারুশে আশ্রয় নিচ্ছেন স্বৈরাচার হাসিনা!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23786</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23786</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 06 Aug 2024 07:08:52 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[শেখ হাসিনা স্বৈরাচার,শেখ হাসিনা,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার!,স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে,দেশ ছেড়ে পালালো স্বৈরাচার শেখ হাসিনা !,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার এই মুহুর্তে গদি ছাড়,হাসিনা,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার...,দিল্লিতে পালিয়েছে স্বৈরাচার হাসিনা: মাতোয়ারা বাংলাদেশ!,স্বৈরশাসক হাসিনার পতন,সারাবাংলা কারাগার শেখ হাসিনা স্বৈরাচার...,হাসিনার পতন,শেখ হাসিনার বিদায়,সৈরাচার সরকার,পদত্যাগ করে দেশ ছেরেছেন শেখ হাসিনা,গান লিখে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে প্রেরণা যুগিয়েছিলেন দুই তরুণ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[স্বৈরশাসক &amp;lsquo;মাদার অফ মাফিয়া&amp;rsquo; শেখ হাসিনা এখন কোথায়? গণঅভ্যূত্থানের মুখে পদত্যাগ করে তিনি রাজনৈতিক মুরুব্বি নরেন্দ্র মোদীর ভারতের পালিয়ে গেছেন। কিন্তু...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_02.jpg" alt="বেলারুশে আশ্রয় নিচ্ছেন স্বৈরাচার হাসিনা!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>স্বৈরশাসক &amp;lsquo;মাদার অফ মাফিয়া&amp;rsquo; শেখ হাসিনা এখন কোথায়? গণঅভ্যূত্থানের মুখে পদত্যাগ করে তিনি রাজনৈতিক মুরুব্বি নরেন্দ্র মোদীর ভারতের পালিয়ে গেছেন। কিন্তু তিনি কি দিল্লিতে রয়েছেন নাকি অন্য কোনো দেশে চলে গেছেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তিনি ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় চাননি, তবে লণ্ডনে থাকার জন্য যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন। যুক্তরাজ্যের সরকার শত শত ছাত্র হত্যাকারী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে রাজী হয়নি। তবে সূত্র জানিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন করে শত শত মানুষ গুম এবং গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত শেখ হাসিনাকে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলো রাজনৈতিক আশ্রয় দেবে না। তিনি আরেক স্বৈরশাসক লুকাশেঙ্কোর দেশ বেলারুশে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন বলে জানা গেছে। পদত্যাগের পর পালানোর কাহিনী পদত্যাগের পর গণভবন থেকে পালিয়ে ভারতে যান শেখ হাসিনা। প্রথমে তিনি কলকাতায় যেতে চাইলে মমতা ব্যানার্জী আগ্রহ না দেখায় তিনি ত্রিপুরার আগরতলা যান। সেখান থেকে সন্ধ্যা ৫টা ৩৫ মিনিটে ভারতের রাজধানী দিল্লির উপকণ্ঠে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে হিন্ডন বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করে শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান। এই এয়ারবেসটি এশিয়ার মধ্যে বৃহত্তম। বিমান বাহিনীর ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ড এয়ারবেসটির দেখভাল করে থাকে। সূত্রের দাবি, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি মালবাহী (কার্গো) বিমানে শেখ হাসিনা গাজিয়াবাদে নামেন। তার সঙ্গে ছিলেন তার বোন শেখ রেহানা এবং কয়েকজন অফিসার। জল্পনা ছিল যে, দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করবে শেখ হাসিনার বিমান। কিন্তু পরে জানা যায়, দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ না করে রাজধানী লাগোয়া গাজিয়াবাদের বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেছেন শেখ হাসিনা। প্রথমে শোনা গিয়েছিল, গতকাল সোমবার রাতেই তিনি লন্ডনে যাবেন। জানা যায়, বৃটেন তার রাজনৈতিক আশ্রয়ের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। অতপর তিনি বেলারুশে রাজনৈতিক আশ্রয় চান। বেলারুশের প্রেসিডেন্ট এবং শেখ হাসিনার সম্পর্ক শেখ হাসিনার মতোই বেলারুশের প্রেসিডেন্ট অ্যালেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো স্বৈরশাসক। সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরে বেলারুশ গণতন্ত্রে নতুন যাত্রা শুরু করে। ১৯৯৫ সালের বিতর্কিত গণভোটের মাধ্যমে লুকাশেঙ্কো ক্ষমতায় আসেন। ১৯৯৬ সালে আরেকটি গণভোট লুকাশেঙ্কোকে ক্ষমতা আরো একীভূত করার অনুমতি দেয়। তখন থেকে তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে লুকাশেঙ্কো বেলারুশের প্রেসিডেন্ট। রাশিয়ার সমর্থন নিয়ে তিনি সে দেশে এক ব্যক্তির কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করেছেন। সেখানে থাকার জন্য রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন হাসিনা। দিল্লিতে &amp;lsquo;সেফ হাউসে&amp;rsquo; থাকার সম্ভাবনা এদিকে অপর এক সূত্রে জানা যায়, শেখ হাসিনা আগামী কয়েক দিন দিল্লিতেই &amp;lsquo;সেফ হাউসে&amp;rsquo; থাকতে পারেন। তার বর্তমান অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও, বেলারুশে আশ্রয় নেয়ার খবরটি সুনির্দিষ্ট নয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব শেখ হাসিনার এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশ করছে। গণঅভ্যুত্থান এবং স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধের প্রতিফলন এটি। তার পদত্যাগ এবং পালানোর ঘটনা রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করেছে। শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে। বেলারুশে রাজনৈতিক আশ্রয় নেয়ার খবর সত্যি হলে, এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করতে পারে। &amp;nbsp; শেখ হাসিনা কোথায় পালিয়ে গেছেন? শেখ হাসিনা বেলারুশে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। শেখ হাসিনা দিল্লিতে কতদিন থাকবেন? শেখ হাসিনা কয়েক দিন দিল্লিতে থাকতে পারেন। যুক্তরাজ্য শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে? যুক্তরাজ্য শেখ হাসিনার আশ্রয়ের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। শেখ হাসিনার সঙ্গে কে কে ছিলেন? তার বোন শেখ রেহানা এবং কয়েকজন অফিসার ছিলেন। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;শেখ হাসিনা কোথায় পালিয়ে গেছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;শেখ হাসিনা বেলারুশে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;শেখ হাসিনা দিল্লিতে কতদিন থাকবেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;শেখ হাসিনা কয়েক দিন দিল্লিতে থাকতে পারেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;যুক্তরাজ্য শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;যুক্তরাজ্য শেখ হাসিনার আশ্রয়ের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;শেখ হাসিনার সঙ্গে কে কে ছিলেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;তার বোন শেখ রেহানা এবং কয়েকজন অফিসার ছিলেন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সহিংসতা এড়াতে ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23784</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23784</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 19:08:52 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[সাধারণ ছুটি ঘোষণা,আগামী ৩ দিনের জন্য অফিসের নতুন সময়সূচি ঘোষণা,দেশের খবর,সারাদিনের সব খবর একসাথে,৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে মাত্র ৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার,সারাদেশ,রাতের সংবাদ,সংবাদ সারাদেশ,শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,বাংলা টিভি চ্যনেল ekattor tv,কারফিউ,জিটিভি,গাজী টিভি,আজকের খবর,লাইভ টিভি,যমুনা টিভি,চ্যানেল আই,কারফিউ জারি,কোটা সংস্কার,সকাল ৭টার খবর,বাংলাদেশের খবর,রাতের বাংলাদেশ,চ্যানেল আই নিউজ,চট্টগ্রামের খবর,চ্যানেল আই সংবাদ,দুপুরের বাংলাদেশ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, সহিংসতা এড়াতে ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সারা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_27.jpg" alt="সহিংসতা এড়াতে ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, সহিংসতা এড়াতে ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সারা দেশে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। চলমান এমন পরিস্থিতিতে দুপুর থেকে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা যাচ্ছে না। &amp;nbsp; &amp;nbsp; কেন ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে? উত্তেজনা ও সহিংসতা এড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেছেন, বৃহত্তর স্বার্থে ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে। কাউকে দমানো বা থামানোর জন্য নয়। মানুষের আবেগ নিয়ে খেলছে সহিংসতাকারীরা। &amp;nbsp; তথ্য প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য আজ রবিবার (৪ আগস্ট) গণভবনে নিরাপত্তা বৈঠক শেষে জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে এসব কথা বলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে মোকাবিলা করতে চায় আওয়ামী লীগ। তবে বিশৃঙ্খলা করলে রাজনৈতিকভাবে শক্ত হাতে দমন করা হবে। সন্ত্রাস দমনে আইনের প্রয়োগ করা হবে। এই সংকট রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে। &amp;nbsp; বিএনপির দায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের মধ্যে আন্দোলনের সাড়া না পেয়ে আজ সহিংসতা-সন্ত্রাস করে দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায় বিএনপি। তাদের পুরোনো দাবির সঙ্গে আন্দোলকারীরাও একাত্মতা ঘোষণা করেছে। &amp;nbsp; আলাপ আলোচনার প্রস্তাব মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে চাই। সন্ত্রাসীদের দমনে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। &amp;nbsp; নিরাপত্তা কমিটির বৈঠক গণভবনে আজকে নিরাপত্তা কমিটির বৈঠক প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গুজব প্রতিরোধ, সরকারি স্থাপনা ও জনগণের জানমাল রক্ষায় বৈঠকে সবাই ঐকমত্য পোষণ করেছে। &amp;nbsp; ফেসবুক বন্ধের প্রভাব সহিংসতা এড়াতে ফেসবুক বন্ধ রাখার ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের উপর প্রভাব পড়েছে। তারা এখন ফেসবুক ব্যবহার করতে পারছেন না। এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেকেই তাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাবিত হচ্ছেন। &amp;nbsp; বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সারা দেশে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি আদায়ে সহিংসতা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। &amp;nbsp; সরকারের পদক্ষেপ সরকার পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে মোকাবিলা করতে চায়। তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে রাজনৈতিকভাবে শক্ত হাতে দমন করা হবে। সন্ত্রাস দমনে আইনের প্রয়োগ করা হবে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; ফেসবুক বন্ধের কারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলছে সহিংসতাকারীরা। তাই, বৃহত্তর স্বার্থে ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে। কাউকে দমানো বা থামানোর জন্য নয়। &amp;nbsp; উত্তেজনা ও সহিংসতা এড়ানোর প্রস্তাব মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে চাই। সন্ত্রাসীদের দমনে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। &amp;nbsp; গুজব প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা গুজব প্রতিরোধ, সরকারি স্থাপনা ও জনগণের জানমাল রক্ষায় বৈঠকে সবাই ঐকমত্য পোষণ করেছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; উপসংহার সহিংসতা এড়াতে ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। বৃহত্তর স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উত্তেজনা ও সহিংসতা এড়াতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: সহিংসতা এড়াতে ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী &amp;nbsp; Frequently Asked Questions ফেসবুক কেন বন্ধ করা হয়েছে? ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে উত্তেজনা ও সহিংসতা এড়াতে। ফেসবুক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছে? তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ফেসবুক বন্ধে কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে? না, বৃহত্তর স্বার্থে ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে। ফেসবুক বন্ধে জনগণের প্রতিক্রিয়া কেমন? জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ফেসবুক কেন বন্ধ করা হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে উত্তেজনা ও সহিংসতা এড়াতে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ফেসবুক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ফেসবুক বন্ধে কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;না, বৃহত্তর স্বার্থে ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ফেসবুক বন্ধে জনগণের প্রতিক্রিয়া কেমন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_27.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_27.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_27.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[শহীদ মিনারে ৪ মৃতদেহ নিয়ে স্লোগান: হৃদয়বিদারক ঘটনা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23783</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23783</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 18:08:18 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[সাধারণ ছুটি ঘোষণা,আগামী ৩ দিনের জন্য অফিসের নতুন সময়সূচি ঘোষণা,দেশের খবর,সারাদিনের সব খবর একসাথে,৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে মাত্র ৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার,সারাদেশ,রাতের সংবাদ,সংবাদ সারাদেশ,শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,বাংলা টিভি চ্যনেল ekattor tv,কারফিউ,জিটিভি,গাজী টিভি,আজকের খবর,লাইভ টিভি,যমুনা টিভি,চ্যানেল আই,কারফিউ জারি,কোটা সংস্কার,সকাল ৭টার খবর,বাংলাদেশের খবর,রাতের বাংলাদেশ,চ্যানেল আই নিউজ,চট্টগ্রামের খবর,চ্যানেল আই সংবাদ,দুপুরের বাংলাদেশ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে অসহযোগ আন্দোলন কর্মসূচি চলছে। সরকার পতনের এক দফা দাবিতে চলমান এ আন্দোলনে রোববার দিনভর সারা দেশে সংঘর্ষ, গুলি ও পাল্টাপাল্টি ধা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_26.jpg" alt="শহীদ মিনারে ৪ মৃতদেহ নিয়ে স্লোগান: হৃদয়বিদারক ঘটনা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে অসহযোগ আন্দোলন কর্মসূচি চলছে। সরকার পতনের এক দফা দাবিতে চলমান এ আন্দোলনে রোববার দিনভর সারা দেশে সংঘর্ষ, গুলি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। &amp;nbsp; সংঘর্ষ এবং গুলির ঘটনা রোববার সারাদিন দেশজুড়ে সংঘর্ষ এবং গুলির ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। &amp;nbsp; ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে মরদেহ নিয়ে যাত্রা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বিক্ষোভকারীরা চারজনের মরদেহ নিয়ে গেছেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিহত ৪ জনের লাশ নিয়ে বিক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান। &amp;nbsp; শহীদ মিনারে বিক্ষোভ শহীদ মিনারে পৌঁছে আন্দোলনকারীরা নানা স্লোগান দেন। তাঁরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে স্লোগান দেন। শহীদ মিনারে ওই চারজনের মরদেহ নিয়ে তাঁরা গভীর শোক প্রকাশ করেন। &amp;nbsp; শাহবাগের দিকে যাত্রা শহীদ মিনার থেকে আন্দোলনকারীরা রাজধানীর শাহবাগের দিকে যাত্রা শুরু করেন। এই সময় তাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের কাছে পৌঁছালে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। &amp;nbsp; বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এক দীর্ঘদিনের সংগ্রাম। এটি ছাত্রদের অধিকার এবং সুবিচারের জন্য লড়াই করছে। সরকার পতনের এক দফা দাবিতে এই আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। &amp;nbsp; আন্দোলনের মূল দাবি আন্দোলনকারীদের মূল দাবি হলো সরকারের পতন। তাঁরা বৈষম্য এবং অবিচারের অবসান চান। তাঁরা সুষ্ঠু ও ন্যায়সংগত সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করছেন। &amp;nbsp; বিক্ষোভকারীদের প্রতিক্রিয়া বিক্ষোভকারীরা ৪ জনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা শহীদ মিনারে তাঁদের স্মরণে বিভিন্ন স্লোগান দিয়েছেন। &amp;nbsp; সমর্থন এবং সমালোচনা এই আন্দোলনকে অনেকেই সমর্থন করছেন। তবে কিছু মানুষ সমালোচনাও করছেন। তাঁরা আন্দোলনের পদ্ধতি এবং এর ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সংঘর্ষের পরিণতি সংঘর্ষের ফলে অনেকেই আহত হয়েছেন। হাসপাতালগুলোতে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; অসহযোগ আন্দোলনের ভবিষ্যৎ অসহযোগ আন্দোলন কীভাবে চলবে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে আন্দোলনকারীরা তাঁদের সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; অসহযোগ আন্দোলনের প্রভাব এই আন্দোলনের ফলে সমাজে বৈষম্যের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষ বৈষম্যের বিরুদ্ধে একত্রিত হচ্ছে। &amp;nbsp; আন্দোলনের গুরুত্ব বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমাজে পরিবর্তন আনতে পারে। এটি মানুষের অধিকার এবং সুবিচারের জন্য লড়াই করছে। &amp;nbsp; আন্দোলনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আন্দোলনকারীরা ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচির পরিকল্পনা করছেন। তাঁরা সরকারের বিরুদ্ধে তাঁদের লড়াই চালিয়ে যাবেন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন: শহীদ মিনারে ৪ মৃতদেহ নিয়ে স্লোগান &amp;nbsp; Frequently Asked Questions শহীদ মিনারে কতজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে? শহীদ মিনারে চারজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। আন্দোলনকারীরা কোন জায়গায় প্রতিবাদ করেছে? আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রতিবাদ করেছে। কোন আন্দোলনের ডাক দিয়েছে? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। আন্দোলনের সময় কোন ঘটনাগুলি ঘটেছে? সংঘর্ষ, গুলি এবং পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;শহীদ মিনারে কতজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;শহীদ মিনারে চারজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;আন্দোলনকারীরা কোন জায়গায় প্রতিবাদ করেছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রতিবাদ করেছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কোন আন্দোলনের ডাক দিয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাক দিয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;আন্দোলনের সময় কোন ঘটনাগুলি ঘটেছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সংঘর্ষ, গুলি এবং পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_26.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_26.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_26.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[অনির্দিষ্টকালের জন্য সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালত বন্ধ: আপনার জানার প্রয়োজনীয় তথ্য]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23782</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23782</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 18:08:54 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[সাধারণ ছুটি ঘোষণা,আগামী ৩ দিনের জন্য অফিসের নতুন সময়সূচি ঘোষণা,দেশের খবর,সারাদিনের সব খবর একসাথে,৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে মাত্র ৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার,সারাদেশ,রাতের সংবাদ,সংবাদ সারাদেশ,শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,বাংলা টিভি চ্যনেল ekattor tv,কারফিউ,জিটিভি,গাজী টিভি,আজকের খবর,লাইভ টিভি,যমুনা টিভি,চ্যানেল আই,কারফিউ জারি,কোটা সংস্কার,সকাল ৭টার খবর,বাংলাদেশের খবর,রাতের বাংলাদেশ,চ্যানেল আই নিউজ,চট্টগ্রামের খবর,চ্যানেল আই সংবাদ,দুপুরের বাংলাদেশ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অনির্দিষ্টকালের জন্য সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এটি দেশের বিচার ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। &amp;nbsp; Credit: www.somoynews.tv &amp;nbsp; কার...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_25.jpg" alt="অনির্দিষ্টকালের জন্য সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালত বন্ধ: আপনার জানার প্রয়োজনীয় তথ্য" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অনির্দিষ্টকালের জন্য সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এটি দেশের বিচার ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। &amp;nbsp; Credit: www.somoynews.tv &amp;nbsp; কারণ ও প্রেক্ষাপট রোববার (৪ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরে রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমেদ ভূঞা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সব অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বন্ধের তথ্য জানানো হয়। &amp;nbsp; বিজ্ঞপ্তির বিবরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৫ আগস্ট (সোমবার) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালের সব বিচারিত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে দেশের প্রধান বিচারপতি যেকোনো আদালত ও ট্রাইব্যুনালকে বিচারকার্য পরিচালনার আদেশ দেবেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ক্ষেত্রে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় সার্বক্ষণিক দায়িত্বরত থাকবেন। &amp;nbsp; প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে বিচার প্রার্থীরা এক প্রকার অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক মামলার শুনানি পিছিয়ে যাচ্ছে। &amp;nbsp; সাধারণ জনগণের প্রতিক্রিয়া সাধারণ জনগণ এই সিদ্ধান্তকে মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় গ্রহণ করেছেন। কেউ কেউ বলছেন এটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ, আবার কেউ কেউ বলছেন এটি বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে। &amp;nbsp; আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া আইনজীবীদের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ কেউ বলছেন এটি একটি সঠিক পদক্ষেপ, আবার কেউ কেউ বলছেন এটি বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বড় একটি সমস্যা সৃষ্টি করবে। &amp;nbsp; বিচার ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা বিচার ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা নিয়ে চিন্তিত অনেক মানুষ। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিচার প্রার্থীরা হয়তো দীর্ঘ সময় বিচার পেতে দেরি করবেন। &amp;nbsp; সমাধানের উপায় সমাধানের উপায় হিসেবে অনলাইন বিচার ব্যবস্থা কার্যকর করা যেতে পারে। এতে বিচার প্রার্থীরা ঘরে বসে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। &amp;nbsp; Credit: www.businessinsiderbd.com &amp;nbsp; উপসংহার অনির্দিষ্টকালের জন্য সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালত বন্ধ থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বড় একটি প্রভাব ফেলবে। তবে, এটি একটি সাময়িক পদক্ষেপ এবং আশা করা যায় যে, এটি শীঘ্রই সমাধান হবে। এই বিষয়ে আরও জানতে, অনুগ্রহ করে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন &amp;nbsp; Frequently Asked Questions কেন সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হলো? অবস্থার উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে। কবে থেকে কার্যক্রম বন্ধ থাকবে? ৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে জরুরি প্রয়োজনে কী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে? প্রধান বিচারপতি যেকোনো আদালতকে বিচারকার্য পরিচালনার আদেশ দিতে পারবেন। কোন আদালতগুলো কার্যক্রম বন্ধ থাকবে? সুপ্রিম কোর্টসহ সব অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনাল। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কেন সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হলো?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;অবস্থার উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কবে থেকে কার্যক্রম বন্ধ থাকবে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বিজ্ঞপ্তিতে জরুরি প্রয়োজনে কী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;প্রধান বিচারপতি যেকোনো আদালতকে বিচারকার্য পরিচালনার আদেশ দিতে পারবেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কোন আদালতগুলো কার্যক্রম বন্ধ থাকবে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সুপ্রিম কোর্টসহ সব অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনাল।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_25.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_25.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_25.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ধৈর্যের ‘শেষ সীমায়’ আ.লীগ, প্রতিরোধ করতে বললেন নানক: দলীয় সংকল্পে নতুন দিক]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23781</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23781</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 18:08:49 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[আওয়ামী লীগ দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ধৈর্যের ‘শেষ সীমায়’ পৌঁছে গেছে আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, ধৈর্য ধরা মানে দুর্বলতা নয়।,সাধারণ ছুটি ঘোষণা,আগামী ৩ দিনের জন্য অফিসের নতুন সময়সূচি ঘোষণা,দেশের খবর,সারাদিনের সব খবর একসাথে,৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে মাত্র ৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার,সারাদেশ,রাতের সংবাদ,সংবাদ সারাদেশ,শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,বাংলা টিভি চ্যনেল ekattor tv,কারফিউ,জিটিভি,গাজী টিভি,আজকের খবর,লাইভ টিভি,যমুনা টিভি,চ্যানেল আই,কারফিউ জারি,কোটা সংস্কার,সকাল ৭টার খবর,বাংলাদেশের খবর,রাতের বাংলাদেশ,চ্যানেল আই নিউজ,চট্টগ্রামের খবর,চ্যানেল আই সংবাদ,দুপুরের বাংলাদেশ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আওয়ামী লীগ দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ধৈর্যের &amp;lsquo;শেষ সীমায়&amp;rsquo; পৌঁছে গেছে আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, ধৈর্য ধরা মানে দুর্বলতা নয়। &amp;n...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_24.jpg" alt="ধৈর্যের ‘শেষ সীমায়’ আ.লীগ, প্রতিরোধ করতে বললেন নানক: দলীয় সংকল্পে নতুন দিক" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আওয়ামী লীগ দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ধৈর্যের &amp;lsquo;শেষ সীমায়&amp;rsquo; পৌঁছে গেছে আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, ধৈর্য ধরা মানে দুর্বলতা নয়। &amp;nbsp; সংঘর্ষের বিস্তারিত সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম দিনে আজ রোববার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৩৮ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। &amp;nbsp; নানকের বক্তব্য ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জঙ্গিগোষ্ঠী যে অরাজকতা করছে, তা প্রতিহত করতে হবে। এ জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলন সাম্প্রতিক সময়ে দলের পক্ষ হয়ে সংবাদ সম্মেলন কিংবা ব্রিফিং করে আসছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তবে আজ প্রথম সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ব্রিফিং করলেন। এ সময় দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাকসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সংঘর্ষের কারণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলনের কারণে সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা সরকারের পদত্যাগ দাবি করছে। &amp;nbsp; আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া আওয়ামী লীগ ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন নানক। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জঙ্গিগোষ্ঠীর অরাজকতা প্রতিহত করতে হবে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; অরাজকতার প্রতিরোধ নানক বলেন, দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অরাজকতা প্রতিরোধ করতে হবে। সকলকে সচেতন হতে হবে। &amp;nbsp; নেতাদের উপস্থিতি সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাকসহ অন্যান্য নেতারা। &amp;nbsp; নানকের আহ্বান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে নানক বলেন, জঙ্গিগোষ্ঠীর অরাজকতা রুখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions নানক কি বলেছেন ধৈর্যের শেষ সীমায় আ.লীগ প্রতিরোধের উপযোগী হলো? নানক মন্তব্য করেছেন, ধৈর্য ধরা মানে দুর্বলতা নয়। কোন ঘটনায় কবির নানক বললেন &amp;#39;বিএনপি-জামায়াত অরাজকতা করছে&amp;#39;? ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ বরেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। কখন সংঘর্ষে কত জন নিহত হয়েছে এ দিনে? দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৩৮ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;নানক কি বলেছেন ধৈর্যের শেষ সীমায় আ.লীগ প্রতিরোধের উপযোগী হলো?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;নানক মন্তব্য করেছেন, ধৈর্য ধরা মানে দুর্বলতা নয়।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কোন ঘটনায় কবির নানক বললেন &#039;বিএনপি-জামায়াত অরাজকতা করছে&#039;?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ বরেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কখন সংঘর্ষে কত জন নিহত হয়েছে এ দিনে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৩৮ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_24.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_24.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_24.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[৩ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা: কর্মীদের জন্য বিশ্রামের সুযোগ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23780</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23780</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 17:08:41 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[সাধারণ ছুটি ঘোষণা,আগামী ৩ দিনের জন্য অফিসের নতুন সময়সূচি ঘোষণা,দেশের খবর,সারাদিনের সব খবর একসাথে,৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে মাত্র ৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার,সারাদেশ,রাতের সংবাদ,সংবাদ সারাদেশ,শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,বাংলা টিভি চ্যনেল ekattor tv,কারফিউ,জিটিভি,গাজী টিভি,আজকের খবর,লাইভ টিভি,যমুনা টিভি,চ্যানেল আই,কারফিউ জারি,কোটা সংস্কার,সকাল ৭টার খবর,বাংলাদেশের খবর,রাতের বাংলাদেশ,চ্যানেল আই নিউজ,চট্টগ্রামের খবর,চ্যানেল আই সংবাদ,দুপুরের বাংলাদেশ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে আগামী তিন দিনের জন্য সাধারণ ছুটি দেওয়া হবে। এই ঘোষণা এসেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত কারফিউর কারণে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; কেন এই...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/gov-logo-nbs24.jpg" alt="৩ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা: কর্মীদের জন্য বিশ্রামের সুযোগ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে আগামী তিন দিনের জন্য সাধারণ ছুটি দেওয়া হবে। এই ঘোষণা এসেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত কারফিউর কারণে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; কেন এই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি কারফিউ ঘোষণা করেছে। কারফিউর কারণে সাধারণ মানুষের চলাফেরা সীমিত করা হয়েছে। ফলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী তিন দিন সাধারণ ছুটি দেওয়া হবে। &amp;nbsp; ঘোষণার বিস্তারিত ঘোষণাকর্তা: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী কারণ: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত কারফিউ ছুটির সময়সীমা: সোমবার থেকে বুধবার পরবর্তী পদক্ষেপ: অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে &amp;nbsp; ছুটির প্রভাব এই ছুটি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলবে। স্কুল, কলেজ, অফিস এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সবাইকে বাসায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। &amp;nbsp; প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কারফিউর সময়ে নিম্নোক্ত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: বাইরে বেরোনোর উপর নিষেধাজ্ঞা জরুরি প্রয়োজনে বের হতে হলে অনুমতি নিতে হবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক &amp;nbsp; &amp;nbsp; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, &amp;quot;এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য।&amp;quot; &amp;nbsp; ভবিষ্যতের পরিকল্পনা এই ছুটির পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয় পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেবে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; সারসংক্ষেপ ৩ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছুটি জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নেওয়া হয়েছে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে। আরও জানতে পড়ুন: ৩ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা &amp;nbsp; Frequently Asked Questions সাধারণ ছুটি কবে থেকে শুরু? সাধারণ ছুটি শুরু হবে আগামীকাল সোমবার থেকে। সাধারণ ছুটি কতদিনের জন্য? এই সাধারণ ছুটি তিন দিনের জন্য। সাধারণ ছুটির কারণ কী? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত কারফিউর কারণে এই সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণ ছুটি কবে শেষ হবে? সাধারণ ছুটি বুধবার শেষ হবে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সাধারণ ছুটি কবে থেকে শুরু?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সাধারণ ছুটি শুরু হবে আগামীকাল সোমবার থেকে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সাধারণ ছুটি কতদিনের জন্য?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;এই সাধারণ ছুটি তিন দিনের জন্য।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সাধারণ ছুটির কারণ কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত কারফিউর কারণে এই সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সাধারণ ছুটি কবে শেষ হবে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সাধারণ ছুটি বুধবার শেষ হবে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/gov-logo-nbs24.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/gov-logo-nbs24.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/gov-logo-nbs24.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলা, শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার পরামর্শ : প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23779</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23779</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 17:08:34 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[দেশের খবর,আসামে সন্ত্রাসি হামলায় নিহত ১৪,দেশের চিকিৎসাসেবা,বাংলাদেশের নিউজ,বাংলাদেশের খবর,ঐতিহাসিক জব্বারের বলি খেলা,বাংলাভিশন নিউজ,জব্বারের বলি খেলা,সারাদেশ,এখন নিউজ,বাংলা নিউজ,সিপ্লাস নিউজ,চ্যানেল 24 নিউজ,বাংলা টিভি চ্যনেল,ছাত্রদের বিক্ষোভ,শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,বনানীর আগুন নিয়ন্ত্রণে,ছায়া,হতাহত,সিপ্লাস,রাতের খবর,সবশেষ খবর,সকালের খবর,যমুনা নিউজ,চ্যানেল ২৪,চ্যানেল 24,দুপুরের খবর,নিউজ বুলেটিন,বাংলা ব্লকেড,সি প্লাস টিভি,লালদিঘির মাঠ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপদে ঘরে ফিরে যাওয়ার পরামর্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_23.jpg" alt="দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলা, শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার পরামর্শ : প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপদে ঘরে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রোববার (৪ আগস্ট) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। &amp;nbsp; বিবৃতির মূল বিষয়বস্তু বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক সবাইকে নিরাপদে ঘরে ফিরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গি হামলা হচ্ছে। জঙ্গি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। &amp;nbsp; প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, &amp;quot;এখন যারা নাশকতা করছে তারা কেউই ছাত্র নয়। তারা সন্ত্রাসী। এই সন্ত্রাসীদের শক্ত হাতে দমন করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই।&amp;quot; &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: www.dhakapost.com &amp;nbsp; সরকারের নির্দেশনা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপদে ঘরে ফিরে যাওয়া। প্রত্যেককে সতর্ক ও সচেতন থাকা। যে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সতর্ক হওয়া। &amp;nbsp; Credit: businessjournal24.com &amp;nbsp; জনসাধারণের করণীয় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করা উচিত: যথাসম্ভব ঘরে থাকার চেষ্টা করুন। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions জঙ্গি হামলা কি শিক্ষার্থীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ? জঙ্গি হামলা শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুতর ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ঘরে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিভাবে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারে? শিক্ষার্থীরা নিরাপদে ঘরে ফিরতে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা পরিবারের সহযোগিতা নিতে পারে। এছাড়া জরুরি সময়ে পুলিশের সাহায্যও নিতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতি কি বলছে? প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ঘরে ফেরার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। জঙ্গি হামলার প্রতিরোধে সতর্ক থাকতেও বলা হয়েছে। জঙ্গি হামলা প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? জঙ্গি হামলা প্রতিরোধে কঠোর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর রয়েছে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;জঙ্গি হামলা কি শিক্ষার্থীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;জঙ্গি হামলা শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুতর ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ঘরে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কিভাবে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;শিক্ষার্থীরা নিরাপদে ঘরে ফিরতে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা পরিবারের সহযোগিতা নিতে পারে। এছাড়া জরুরি সময়ে পুলিশের সাহায্যও নিতে পারে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতি কি বলছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ঘরে ফেরার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। জঙ্গি হামলার প্রতিরোধে সতর্ক থাকতেও বলা হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;জঙ্গি হামলা প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;জঙ্গি হামলা প্রতিরোধে কঠোর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর রয়েছে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_23.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_23.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_23.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[দেশের বিভিন্ন স্থানে ৯৯ জন নিহত: মর্মান্তিক ঘটনাবলির বিশ্লেষণ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23778</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23778</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 17:08:16 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[দেশের ১৪ জেলায় ৪৪ জন নিহত, দেশের খবর,আসামে সন্ত্রাসি হামলায় নিহত ১৪,দেশের চিকিৎসাসেবা,বাংলাদেশের নিউজ,বাংলাদেশের খবর,ঐতিহাসিক জব্বারের বলি খেলা,বাংলাভিশন নিউজ,জব্বারের বলি খেলা,সারাদেশ,এখন নিউজ,বাংলা নিউজ,সিপ্লাস নিউজ,চ্যানেল 24 নিউজ,বাংলা টিভি চ্যনেল,ছাত্রদের বিক্ষোভ,শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,বনানীর আগুন নিয়ন্ত্রণে,ছায়া,হতাহত,সিপ্লাস,রাতের খবর,সবশেষ খবর,সকালের খবর,যমুনা নিউজ,চ্যানেল ২৪,চ্যানেল 24,দুপুরের খবর,নিউজ বুলেটিন,বাংলা ব্লকেড,সি প্লাস টিভি,লালদিঘির মাঠ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম দিন রোববার (৪ আগস্ট) বিকাল ১১টা ০১ মিনিট পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী&amp;nbsp;৯৯ জন নিহত হয়েছেন। আন্দোলনটি দ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_22.jpg" alt="দেশের বিভিন্ন স্থানে ৯৯ জন নিহত: মর্মান্তিক ঘটনাবলির বিশ্লেষণ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম দিন রোববার (৪ আগস্ট) বিকাল ১১টা ০১ মিনিট পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী&amp;nbsp;৯৯ জন নিহত হয়েছেন। আন্দোলনটি দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। &amp;nbsp; নিহতের স্থান এবং সংখ্যা দিনভর সংঘর্ষে নরসিংদীতে ৬ জন, ফেনীতে ৮ জন, লক্ষ্মীপুরে ৮ জন, সিরাজগঞ্জে ১৩ পুলিশসহ মোট ২২ জন, কিশোরগঞ্জে ৫ জন, রাজধানী ঢাকায় ১১ জন, বগুড়ায় ৫ জন, মুন্সিগঞ্জে ৩ জন, মাগুরায় ৪ জন, ভোলায় ৩ জন, রংপুরে ৪ জন, পাবনায় ৩ জন, সিলেটে ৫ জন, কুমিল্লায় পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন, শেরপুরে ২জন, জয়পুরহাটে ২ জন, হবিগঞ্জে ১জন, ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ১ জন, সাভারে ১ জন, কক্সবাজারে ১ জন ও বরিশালে ১ জনসহ ৯৫ জন নিহত হয়েছেন।&amp;nbsp;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সারা দেশে সংঘাত&amp;ndash;সংঘর্ষ, গুলি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় অন্তত ৯৯ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জন পুলিশ সদস্য। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় ১৩ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; মুন্সীগঞ্জ মুন্সীগঞ্জে দুজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ছাত্র এবং অন্যজন পথচারী। &amp;nbsp; মাগুরা মাগুরায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এখানে আন্দোলনের পরিস্থিতি খুবই উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। &amp;nbsp; পাবনা পাবনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এখানে ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; রংপুর রংপুরে তিনজন নিহত হয়েছেন। এখানেও ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সিরাজগঞ্জ সিরাজগঞ্জে সাতজন নিহত হয়েছেন। এখানে আন্দোলন সবচেয়ে বেশি সহিংস হয়েছে। &amp;nbsp; বরিশাল বরিশালে একজন নিহত হয়েছেন। এখানে পুলিশ এবং ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। &amp;nbsp; ভোলা ভোলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এখানেও পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। &amp;nbsp; &amp;nbsp; বগুড়া বগুড়ায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এখানেও ছাত্র এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। &amp;nbsp; জয়পুরহাট &amp;nbsp; Frequently Asked Questions দেশের কোন ১৪টি জেলায় ৪৫ জন নিহত হয়েছেন? নরসিংদী, ফেনী, সিরাজগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, রাজধানী ঢাকা, বগুড়া, মুন্সিগঞ্জ, মাগুরা, ভোলা, রংপুর, পাবনা, সিলেট, কুমিল্লা, জয়পুরহাট ও বরিশাল।&amp;nbsp; মুন্সীগঞ্জে কয়জন নিহত হয়েছেন? মুন্সীগঞ্জে দুজন নিহত হয়েছেন। মাগুরায় কতজন নিহত হয়েছেন? মাগুরায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। পাবনায় কতজন নিহত হয়েছেন? পাবনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কোন ১৪টি জেলায় ৪৪ জন নিহত হয়েছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;মুন্সীগঞ্জ, মাগুরা, পাবনা, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, বরিশাল, ভোলা, বগুড়া, জয়পুরহাট, ফেনী, কিশোরগঞ্জ, দেবিদ্বার, নরসিংদী ও সিলেটে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;মুন্সীগঞ্জে কয়জন নিহত হয়েছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;মুন্সীগঞ্জে দুজন নিহত হয়েছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;মাগুরায় কতজন নিহত হয়েছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;মাগুরায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;পাবনায় কতজন নিহত হয়েছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;পাবনায় তিনজন নিহত হয়েছেন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_22.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_22.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_22.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সংবাদ সম্মেলন: গুরুত্বপুর্ণ তথ্য ও বিশ্লেষণ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23777</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23777</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 17:08:04 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সংবাদ সম্মেলন,চলমান ইস্যুতে সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সংবাদ সম্মেলন,সেনা কর্মকর্তাদের সংবাদ সম্মেলন,চলমান ইস্যুতে সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের অবস্থান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন,যা বললেন সাবেক সেনা কর্মকর্তারা,সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় মামলা,বাংলা সংবাদ,ব্যক্তির দায়; আইজিপি-সেনাপ্রধানের যৌথ সংবাদ সম্মেলন,সাকিবের সাথে বৈঠকের নেপথ্যে ছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তারা,সর্বশেষ সংবাদ,কক্সবাজারে সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহত: তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন,চট্টগ্রামের সংবাদ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সামরিক বাহিনীকে ছাউনিতে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তারা। রোববার (৪ আগস্ট) রাজধানীর রাওয়া ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_21.jpg" alt="সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সংবাদ সম্মেলন: গুরুত্বপুর্ণ তথ্য ও বিশ্লেষণ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সামরিক বাহিনীকে ছাউনিতে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তারা। রোববার (৪ আগস্ট) রাজধানীর রাওয়া ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তুলে ধরেছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা। দেশের বিদ্যমান অবস্থায় সংকট নিরসনে করণীয় প্রসঙ্গে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, দেশের নীতিনির্ধারকরা যদি বিবেক, বুদ্ধি ও হৃদয়হীন হয়ে না পড়তেন, তাহলে গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড়, করুণ, মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলো ঘটত না। এসব হামলা, আক্রমণ ও পাল্টা প্রতিরোধে অঙ্গহানি ঘটেছে অগণিত মানুষের। অন্ধ হয়েছেন বহুসংখ্যক কিশোর ও তরুণ। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সংবাদ সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া তার বক্তব্যে বর্তমান পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে দেশের নীতিনির্ধারকদের সঠিক দিক নির্দেশনা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রয়োজন। তিনি বলেন, দেশের সংকট নিরসনে সামরিক বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা থাকা উচিত। &amp;nbsp; অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের পরামর্শ সাবেক সেনা কর্মকর্তারা বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য সামরিক বাহিনীকে ছাউনিতে ফিরিয়ে আনা উচিত। তারা উল্লেখ করেন, সামরিক বাহিনীকে তাদের মূল দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হলে দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। &amp;nbsp; সেনাবাহিনীর ভূমিকা সেনাবাহিনী দেশের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার মূল স্তম্ভ। তারা দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তা রক্ষা করে। দেশের সংকট নিরসনে সামরিক বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা সামরিক বাহিনীর সঠিক ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব &amp;nbsp; সংবাদ সম্মেলনের বিস্তারিত তারিখ স্থান বক্তা ৪ আগস্ট রাওয়া ক্লাব মিলনায়তন ইকবাল করিম ভূঁইয়া &amp;nbsp; সংবাদ সম্মেলনের প্রভাব সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের বক্তব্য দেশের নীতিনির্ধারকদের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। তারা দেশের সংকট নিরসনে করণীয় বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দিয়েছেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। &amp;nbsp; নীতিনির্ধারকদের ভূমিকা নীতিনির্ধারকদের সঠিক দিক নির্দেশনা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রয়োজন। তারা যদি বিবেক, বুদ্ধি ও হৃদয়হীন হয়ে না পড়তেন, তাহলে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটত না। &amp;nbsp; অতীতের ঘটনাবলী গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড়, করুণ, মর্মান্তিক ঘটনাগুলি ঘটেছে। এসব হামলা, আক্রমণ ও পাল্টা প্রতিরোধে অগণিত মানুষের অঙ্গহানি ঘটেছে। &amp;nbsp; উপসংহার সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সংবাদ সম্মেলন দেশের সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাদের পরামর্শ ও বক্তব্য দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions সংবাদ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? সংকট নিরসনে করণীয় নির্ধারণ করা। কারা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন? সাবেক সেনা কর্মকর্তারা। সংবাদ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? রাজধানীর রাওয়া ক্লাবে। সংবাদ সম্মেলনের তারিখ কী ছিল? ৪ আগস্ট। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সংবাদ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সংকট নিরসনে করণীয় নির্ধারণ করা।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কারা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সাবেক সেনা কর্মকর্তারা।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সংবাদ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;রাজধানীর রাওয়া ক্লাবে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সংবাদ সম্মেলনের তারিখ কী ছিল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;৪ আগস্ট।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিয়ে যা জানা গেল: নতুন তথ্য ও সুবিধা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23776</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23776</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 16:08:59 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ইন্টারনেট,মোবাইল ইন্টারনেট চালুর বিষয়ে যা জানা গেল,মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নেপথ্যে যা জানা গেলো,ইন্টারনেট বন্ধ হওয়া নিয়ে যা বলছেন পলক,ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু হয়েছে,সারাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে যা বললেন পলক,ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু বাংলাদেশ,ইন্টারনেট চালু,মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে যা বললেন পলক,ইন্টারনেট গতি,ইন্টারনেট চালু হয়েছে,বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হবে কখন,সীমিত আকারে মিলছে ইন্টারনেট সেবা,সারা দেশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়ে যা বললেন পলক]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ইন্টারনেট আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ হলেও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিয়ে যা জানা গেল। &amp;nbsp; ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কি? ব্রডব্যান্ড ই...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_20.jpg" alt="ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিয়ে যা জানা গেল: নতুন তথ্য ও সুবিধা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ইন্টারনেট আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ হলেও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিয়ে যা জানা গেল। &amp;nbsp; ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কি? ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট মানে উচ্চ গতির ইন্টারনেট। এটি একটি দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সেবা। এতে আপনি দ্রুত তথ্য পেতে পারেন এবং অনলাইনে অনেক কিছু করতে পারেন। &amp;nbsp; ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সুবিধা উচ্চ গতি বিশ্বস্ত সংযোগ একাধিক ডিভাইস সংযোগ উচ্চ ডাটা সীমা &amp;nbsp; ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের প্রকারভেদ ডিএসএল কেবল ফাইবার অপটিক স্যাটেলাইট &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা অনেক উন্নত হয়েছে। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) এর সভাপতি এমদাদুল হক বলেছেন, দেশে মোবাইলে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হলেও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু থাকবে। &amp;nbsp; কেন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বেছে নেবেন? ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য। মোবাইল ইন্টারনেটের চেয়ে এটি অনেক বেশি সুবিধাজনক। তাই, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বেছে নেওয়া একটি ভালো সিদ্ধান্ত। &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: www.linkedin.com &amp;nbsp; ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের জন্য করণীয় আপনার এলাকায় ভালো ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার খুঁজুন। তাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ নিন। &amp;nbsp; সতর্কতা আপনার ইন্টারনেট সুরক্ষিত রাখুন। পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন এবং অজানা লিঙ্কে ক্লিক করবেন না। &amp;nbsp; উপসংহার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট আমাদের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য। তাই, মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ হলেও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু থাকবে। আরো বিস্তারিত জানতে পড়ুন: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিয়ে যা জানা গেল &amp;nbsp; Frequently Asked Questions ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কী? ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সংযোগ, যা দ্রুত ডাটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সুবিধা কী? ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট দ্রুতগতির সংযোগ, নির্ভরযোগ্যতা এবং নিরবচ্ছিন্ন ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা প্রদান করে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতি কত? ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতি সাধারণত ১০ এমবিপিএস থেকে ১ জিবিপিএস পর্যন্ত হতে পারে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কিভাবে সংযোগ করবেন? ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের জন্য আইএসপি-এর সাথে যোগাযোগ করুন এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রদান করুন। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সংযোগ, যা দ্রুত ডাটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সুবিধা কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট দ্রুতগতির সংযোগ, নির্ভরযোগ্যতা এবং নিরবচ্ছিন্ন ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা প্রদান করে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতি কত?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতি সাধারণত ১০ এমবিপিএস থেকে ১ জিবিপিএস পর্যন্ত হতে পারে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কিভাবে সংযোগ করবেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের জন্য আইএসপি-এর সাথে যোগাযোগ করুন এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রদান করুন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_20.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_20.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_20.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[অসহযোগের মধ্যেই নতুন কর্মসূচি দিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন: সংগ্রামের নতুন দিশা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23775</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23775</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 16:08:39 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[কোটা আন্দোলন,কোটা সংস্কার আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,চলছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ,কোটা আন্দোলন ২০২৪,অসহযোগ আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা,কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪,কোটা বিরোধী আন্দোলন,আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলন,কোটা আন্দোলনের খবর,ছাত্র আন্দোলন,‘সর্বাত্মক অসহযোগ’ আন্দোলনের ডাক,অসহযোগ আন্দোলন,কোটা বাতিলের আন্দোলন,অসহযোগ আন্দোলনের ডাক,কোটা আন্দোলন আপডেট,কোটা আন্দোলন: এবার সরকারকে ‘অসহযোগের’ ডাক]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সরকার পতনের এক দফা দাবিতে রবিবার থেকে শুরু হয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন। এরই মধ্যে দুই দিনের জন্য নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_19.jpg" alt="অসহযোগের মধ্যেই নতুন কর্মসূচি দিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন: সংগ্রামের নতুন দিশা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সরকার পতনের এক দফা দাবিতে রবিবার থেকে শুরু হয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন। এরই মধ্যে দুই দিনের জন্য নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনের সমন্বয়করা। রবিবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে গণমাধ্যমকর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে নতুন কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম। নতুন কর্মসূচির প্রথম দিন অর্থাৎ আগামীকাল সোমবার সকালে সারা দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে শাহাদাতবরণ করার স্থানগুলোতে &amp;lsquo;শহীদ স্মৃতিফলক&amp;rsquo; উন্মোচন করা হবে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; নতুন কর্মসূচির সূচি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নতুন কর্মসূচি হিসেবে দুই দিনের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এ কর্মসূচির বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো: প্রথম দিন: কোটা সংস্কার আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে &amp;lsquo;শহীদ স্মৃতিফলক&amp;rsquo; উন্মোচন। দ্বিতীয় দিন: সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল এবং গণজমায়েত। &amp;nbsp; নতুন কর্মসূচির গুরুত্ব নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের দাবি পূরণে আরও জোরদার পদক্ষেপ নিচ্ছে। শহীদদের স্মরণ এবং গণজমায়েতের মাধ্যমে তারা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করতে চায়। &amp;nbsp; কেন এই আন্দোলন? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সরকারের পতন এবং বিভিন্ন বৈষম্যের অবসান। তারা মনে করেন, বর্তমান সরকার বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করেছে যা দেশের সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর। &amp;nbsp; আন্দোলনের প্রভাব অসহযোগ আন্দোলনের ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই এ আন্দোলনে সমর্থন জানাচ্ছেন এবং অংশগ্রহণ করছেন। &amp;nbsp; কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং তার প্রভাব কোটা সংস্কার আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে ছাত্র আন্দোলন তাদের পূর্বের দাবির প্রতি নিবেদিত থাকার প্রমাণ দিচ্ছে। &amp;nbsp; ভবিষ্যত পরিকল্পনা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের দাবির পক্ষে ভবিষ্যতে আরও অনেক কর্মসূচি হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তারা বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টি করতে চায়। &amp;nbsp; আন্দোলনের সমন্বয়কারীরা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম জানান, তাদের কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। &amp;nbsp; জনসমর্থন বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এ আন্দোলন ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছে। অনেকেই নিজেদের মতামত প্রকাশ করছেন এবং বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিচ্ছেন। &amp;nbsp; গণমাধ্যমের ভূমিকা গণমাধ্যম এ আন্দোলনের খবর প্রচার করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করছে। তাদের সাহায্যে আন্দোলন আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; উপসংহার অসহযোগের মধ্যেই নতুন কর্মসূচি দিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এ আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে এক দফা দাবি নিয়ে শুরু হয়েছে। নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে তারা তাদের দাবি পূরণে আরও জোরদার পদক্ষেপ নিচ্ছে। জনসমর্থন ও গণমাধ্যমের সাহায্যে এ আন্দোলন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে আশা করা যায়। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লক্ষ্য কী? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য বৈষম্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা। আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি কীভাবে ঘোষণা করা হয়? নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মিডিয়াকে জানিয়ে। শহীদ স্মৃতিফলক উন্মোচনের উদ্দেশ্য কী? শহীদ স্মৃতিফলক উন্মোচনের উদ্দেশ্য কোটা সংস্কার আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক কে? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক হলেন নাহিদ ইসলাম। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লক্ষ্য কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য বৈষম্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি কীভাবে ঘোষণা করা হয়?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মিডিয়াকে জানিয়ে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;শহীদ স্মৃতিফলক উন্মোচনের উদ্দেশ্য কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;শহীদ স্মৃতিফলক উন্মোচনের উদ্দেশ্য কোটা সংস্কার আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করা।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক কে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক হলেন নাহিদ ইসলাম।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_19.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_19.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_19.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আমরা কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করিনি: পলক  - সত্য ও তথ্য]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23774</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23774</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 16:08:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ইন্টারনেট,আমরা ইন্টারনেট বন্ধ করিনি,ইন্টারনেট চালু,মোবাইল ইন্টারনেট,আমরা ইন্টারনেট বন্ধ করিনি: পলক,সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করেনি,ইন্টারনেট বন্ধ,মোবাইল নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট বন্ধ কেন,ইন্টারনেট বন্ধ হওয়া নিয়ে যা বলছেন পলক,মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে যা বললেন পলক,সারাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে যা বললেন পলক,মোবাইল ইন্টারনেট চালু হবে কবে,ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে সময়োপযোগী মন্তব্য শীর্ষ ব্যবসায়ীর,ইন্টারনেট কি,ইন্টারনেট ব্যবসা]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি নিয়ে সারা দেশে সহিংসতা চলছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক স্থানে মোবাইল ইন্টারনেট পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ডা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_18.jpg" alt="আমরা কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করিনি: পলক  - সত্য ও তথ্য" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি নিয়ে সারা দেশে সহিংসতা চলছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক স্থানে মোবাইল ইন্টারনেট পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক স্পষ্ট করে বলেছেন, আমরা কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করিনি। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; কেন এই পরিস্থিতি? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে সারা দেশে সহিংসতা বেড়েছে। এই আন্দোলনের ফলে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে। তবে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেছেন যে, সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করেনি। &amp;nbsp; পলকের বক্তব্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, &amp;quot;আমরা কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করিনি।&amp;quot; তিনি গণমাধ্যমকে রবিবার (৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে এ কথা জানান। &amp;nbsp; ইন্টারনেট বন্ধ না হওয়া সত্ত্বেও সমস্যা কেন? প্রতিমন্ত্রী পলক জানিয়েছেন, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ না হলেও, কিছু প্রযুক্তিগত কারণে মোবাইল ইন্টারনেট বিঘ্নিত হতে পারে। &amp;nbsp; প্রযুক্তিগত সমস্যা নেটওয়ার্ক সমস্যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ অবকাঠামো সমস্যা &amp;nbsp; প্রভাবিত এলাকাগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ইন্টারনেট সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শহর অঞ্চলে এই সমস্যা বেশি লক্ষ করা গেছে। &amp;nbsp; শহর অঞ্চলে সমস্যা শহর অঞ্চলে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে। তবে, প্রতিমন্ত্রী পলক স্পষ্ট করেছেন যে, সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করেনি। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সমাধান কি? প্রতিমন্ত্রী পলক বলেছেন, সমস্যা সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে। &amp;nbsp; সরকারের পদক্ষেপ প্রযুক্তিগত উন্নতি নেটওয়ার্ক উন্নয়ন সেবা প্রদানকারীদের সহযোগিতা &amp;nbsp; সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া মোবাইল ইন্টারনেট সমস্যা নিয়ে সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন। তবে, প্রতিমন্ত্রী পলকের বক্তব্যে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। &amp;nbsp; মানুষের মতামত অনেকেই মনে করেন, ইন্টারনেট সমস্যা দ্রুত সমাধান করা উচিত। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। &amp;nbsp; উপসংহার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে মোবাইল ইন্টারনেট সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে, প্রতিমন্ত্রী পলক স্পষ্ট করেছেন যে, সরকার কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করেনি। দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে। আরও জানতে পড়ুন: আমরা কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করিনি: পলক &amp;nbsp; Frequently Asked Questions ইন্টারনেট বন্ধ কেন হয়নি? ইন্টারনেট সেবা সচল রয়েছে, কোন স্থানে বন্ধ হয়নি। সরকার কীভাবে ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ করে? সরকার ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে। ইন্টারনেট বন্ধের গুজব কেন ছড়ায়? গুজব ছড়ায় ভুল তথ্য ও অপপ্রচারের কারণে। ছাত্র আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ হয়েছিল? প্রতিমন্ত্রী পলক বলেছেন, ইন্টারনেট বন্ধ হয়নি। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ইন্টারনেট বন্ধ কেন হয়নি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ইন্টারনেট সেবা সচল রয়েছে, কোন স্থানে বন্ধ হয়নি।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সরকার কীভাবে ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ করে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সরকার ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ইন্টারনেট বন্ধের গুজব কেন ছড়ায়?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;গুজব ছড়ায় ভুল তথ্য ও অপপ্রচারের কারণে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ছাত্র আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ হয়েছিল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;প্রতিমন্ত্রী পলক বলেছেন, ইন্টারনেট বন্ধ হয়নি।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_18.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_18.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_18.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ: জরুরি সতর্কতা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23773</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23773</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 16:08:45 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ,অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি,আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি,অনির্দিষ্টকালের জন্য,অনির্দিষ্টকালের কারফিউ সৌদি আরবে,সৌদি আরবে ২৪ ঘণ্টা অনির্দিষ্টকালের কারফিউ,জয়দেবপুরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করে সামরিক প্রশাসন,ভারতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সকাল ৭ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১৪ ঘন্টা কারফিউ,কারফিউ,সৌদি আরবে ২৪ ঘণ্টার কারফিউ,কারফিউ জারি,মক্কা-মাদীনায় কারফিউ,মদীনায় কারফিউ জারি,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন,ছাত্র আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আপডেট,আজ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নতুন কর্মসূচি,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন,নতুন কর্মসূচি দিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ,নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,এক দফা ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের,জটিল হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বর্তমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে রবিবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_17.jpg" alt="সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ: জরুরি সতর্কতা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বর্তমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে রবিবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা মহানগরসহ সব বিভাগীয় শহর, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, শিল্পাঞ্চল, জেলা সদর ও উপজেলা সদরে সান্ধ্য আইন বলবৎ করা হলো। এর আগের ঘোষণা অনুযায়ী রবিবার রাত ৮টা থেকে কারফিউ শুরুর কথা ছিল। &amp;nbsp; কারফিউ কি? কারফিউ হচ্ছে একটি বিশেষ আইন, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের পর বাইরে বের হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়। এটি সাধারণত জরুরি অবস্থায় এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জারি করা হয়। &amp;nbsp; কারফিউ কেন জারি করা হয়েছে? বর্তমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার এই কারফিউ জারি করেছে। &amp;nbsp; কারফিউর প্রভাব কারফিউর ফলে ঢাকা মহানগরসহ সব বিভাগীয় শহর, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, শিল্পাঞ্চল, জেলা সদর ও উপজেলা সদরে মানুষের চলাচল সীমিত থাকবে। &amp;nbsp; কারফিউ চলাকালীন নির্দেশাবলী সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কেউ বাইরে বের হতে পারবে না। প্রয়োজনীয় সেবাগুলো যেমন হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ইত্যাদি চালু থাকবে। অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। &amp;nbsp; কারফিউ চলাকালে করণীয় কারফিউ চলাকালে নিরাপদে থাকতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। যেমন: প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হবেন না। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। সরকারি নির্দেশ মেনে চলুন। &amp;nbsp; কারফিউ সম্পর্কে জনগণের মতামত অনেকেই মনে করেন, কারফিউ জারি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। তবে কিছু মানুষ এর বিরুদ্ধে মতামত দিয়েছেন। তাদের মতে, এটি সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টকর। &amp;nbsp; কারফিউর ভালো দিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা রোধ করা যায়। &amp;nbsp; কারফিউর খারাপ দিক সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অসুবিধা হয়। অর্থনৈতিক কার্যক্রমে স্থবিরতা আসে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; কারফিউর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কারফিউ কতদিন চলবে তা এখনো নির্ধারিত হয়নি। সরকারের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী এর মেয়াদ বাড়ানো বা কমানো হতে পারে। &amp;nbsp; কারফিউর ইতিহাস বাংলাদেশে কারফিউ জারি হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে কারফিউ জারি হয়েছে। যেমন রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি। &amp;nbsp; &amp;nbsp; কারফিউর বিকল্প উপায় কারফিউ ছাড়াও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন উপায় রয়েছে। যেমন: নিয়মিত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন। প্রয়োজনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধ। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; উপসংহার কারফিউ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। তবে এটি সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা কষ্টকর হতে পারে। তাই সবাইকে সরকারি নির্দেশ মেনে চলতে হবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহযোগিতা করতে হবে। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন: সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ &amp;nbsp; Frequently Asked Questions কারফিউ কেন জারি করা হয়েছে? চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে সরকার কারফিউ জারি করেছে। কারফিউ কতক্ষণ স্থায়ী হবে? কারফিউ অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত। কারফিউ কোন কোন এলাকায় কার্যকর হবে? ঢাকা মহানগরসহ সব বিভাগীয় শহর, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, শিল্পাঞ্চল, জেলা সদর ও উপজেলা সদরে কার্যকর হবে। কারফিউ সময় কী কী নিষেধাজ্ঞা রয়েছে? কারফিউ সময় জনসাধারণের চলাচল, সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কারফিউ কেন জারি করা হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে সরকার কারফিউ জারি করেছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কারফিউ কতক্ষণ স্থায়ী হবে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;কারফিউ অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কারফিউ কোন কোন এলাকায় কার্যকর হবে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ঢাকা মহানগরসহ সব বিভাগীয় শহর, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, শিল্পাঞ্চল, জেলা সদর ও উপজেলা সদরে কার্যকর হবে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কারফিউ সময় কী কী নিষেধাজ্ঞা রয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;কারফিউ সময় জনসাধারণের চলাচল, সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_17.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_17.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_17.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[যাত্রাবাড়ীতে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ: উত্তপ্ত পরিস্থিতি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23772</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23772</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 16:18:41 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে বাস - মাইক্রোবাস সংঘর্ষ,মুন্সিগঞ্জে বিষাক্ত মদ পানে তিন নারীর মৃত্যু,মুন্সীগঞ্জের লৌহজং,মুন্সীগঞ্জ,মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ,দফায় দফায় সংঘর্ষ,ভোলায় ভয়াবহ সংঘর্ষ,ভোলায় ভয়াবহ সংঘর্ষ,নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জন,পঞ্চগড়ের মৃত্যু নিয়ে পুলিশ-বিএনপি’র ভিন্ন বক্তব্য,মামুনুল হক হেফাজতের বিক্ষব,বন্দুকযুদ্ধে,নিহত,গুলি,পুলিশ-বিএনপি’র ভিন্ন বক্তব্য,মামুনুল হক,সরাসরি লাইভ মামুনুল হক নেতৃতে হেফাজতের বিক্ষব মিছিল,পুলিশ বাহিনি,পুলিশ-বিএনপি]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন বিক্ষোভকারীরা। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ী থেকে রায়েরবাগ এলাকার সড়কে বিক্ষোভকারীদের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_16.jpg" alt="যাত্রাবাড়ীতে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ: উত্তপ্ত পরিস্থিতি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন বিক্ষোভকারীরা। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ী থেকে রায়েরবাগ এলাকার সড়কে বিক্ষোভকারীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। যাত্রাবাড়ী থানার সামনে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীদের অবস্থান করতেও দেখা গেছে। বেলা পৌনে একটার দিকে বিক্ষোভকারী ও সরকার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পরে সড়ক অবরোধ করা হয়। &amp;nbsp; প্রতিবাদের কারণ এই অবরোধের মূল কারণ ছিলো সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু রাজনৈতিক বিরোধ। স্থানীয় মানুষজন এই পরিস্থিতিতে খুবই উদ্বিগ্ন ছিলেন। তাদের জীবনে এর প্রভাব ব্যাপকভাবে পড়েছে। &amp;nbsp; বিক্ষোভকারীদের দাবি তাদের দাবির প্রতি সরকারের মনোযোগ আকর্ষণ করা বিচার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার বিবরণ বেলা পৌনে একটার দিকে বিক্ষোভকারী ও সরকার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কয়েকটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালানো হয়। &amp;nbsp; পুলিশের ভূমিকা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। তারা বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে তোলে। &amp;nbsp; ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ এই সড়ক অবরোধের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হয়। যাত্রী ও সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়ে। &amp;nbsp; পরিবহন ব্যবস্থার প্রভাব প্রভাব বর্ণনা যানজট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। পরিবহন সমস্যা পরিবহন ব্যবস্থা বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মানুষের দুর্ভোগ যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিয়ে সড়ক পরিষ্কার করে তোলে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সড়ক পুনরায় চালু সন্ধ্যার মধ্যে সড়ক পুনরায় চালু করা হয়। যান চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়। &amp;nbsp; সচেতনতা ও সতর্কতা এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। &amp;nbsp; প্রতিক্রিয়া এ ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এই ধরনের প্রতিবাদকে সমর্থন করেন, আবার কেউ কেউ এর বিরোধিতা করেন। &amp;nbsp; উপসংহার যাত্রাবাড়ীতে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও সতর্ক ও সচেতন হওয়া জরুরি। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: যাত্রাবাড়ীতে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ &amp;nbsp; Frequently Asked Questions যাত্রাবাড়ীতে কেন বিক্ষোভ চলছে? যাত্রাবাড়ীতে রাজনৈতিক বিরোধের কারণে বিক্ষোভ চলছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কেন অবরোধ করা হয়েছে? বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবির সমর্থনে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। পাল্টাপাল্টি ধাওয়া কাদের মধ্যে হয়েছে? বিক্ষোভকারী ও সরকার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়েছে। বিক্ষোভে কি ধরনের ক্ষতি হয়েছে? বিক্ষোভে কয়েকটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর হয়েছে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;যাত্রাবাড়ীতে কেন বিক্ষোভ চলছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;যাত্রাবাড়ীতে রাজনৈতিক বিরোধের কারণে বিক্ষোভ চলছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কেন অবরোধ করা হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবির সমর্থনে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;পাল্টাপাল্টি ধাওয়া কাদের মধ্যে হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বিক্ষোভকারী ও সরকার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বিক্ষোভে কি ধরনের ক্ষতি হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বিক্ষোভে কয়েকটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর হয়েছে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_16.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_16.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_16.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[অতি প্রয়োজনীয় হলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা বল প্রয়োগ করতে পারে: হাইকোর্ট]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23771</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23771</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 15:08:34 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে বাস - মাইক্রোবাস সংঘর্ষ,মুন্সিগঞ্জে বিষাক্ত মদ পানে তিন নারীর মৃত্যু,মুন্সীগঞ্জের লৌহজং,মুন্সীগঞ্জ,মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ,দফায় দফায় সংঘর্ষ,ভোলায় ভয়াবহ সংঘর্ষ,ভোলায় ভয়াবহ সংঘর্ষ,নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জন,পঞ্চগড়ের মৃত্যু নিয়ে পুলিশ-বিএনপি’র ভিন্ন বক্তব্য,মামুনুল হক হেফাজতের বিক্ষব,বন্দুকযুদ্ধে,নিহত,গুলি,পুলিশ-বিএনপি’র ভিন্ন বক্তব্য,মামুনুল হক,সরাসরি লাইভ মামুনুল হক নেতৃতে হেফাজতের বিক্ষব মিছিল,পুলিশ বাহিনি,পুলিশ-বিএনপি]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[যখন কেউ আইন লঙ্ঘন করে, তখন পুলিশ বা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও তারপরে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহার করতে পারে। এটা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ।...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_15.jpg" alt="অতি প্রয়োজনীয় হলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা বল প্রয়োগ করতে পারে: হাইকোর্ট" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>যখন কেউ আইন লঙ্ঘন করে, তখন পুলিশ বা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও তারপরে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহার করতে পারে। এটা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ। তবে, যদি কোনো লঙ্ঘন না ঘটে বা কোনো দাঙ্গা না হয়, তবে কোনো প্রাণঘাতী গুলি (লাইভ বুলেট) ব্যবহার করা যাবে না। &amp;nbsp; &amp;nbsp; হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ আজ রবিবার, হাইকোর্ট একটি রিট খারিজ করে আদেশ দিয়েছেন। এই রিটটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের &amp;lsquo;কথিত আটক&amp;rsquo; ছয় সমন্বয়কের মুক্তি নিয়ে করা হয়েছিল। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছেন। &amp;nbsp; Credit: www.prothomalo.com &amp;nbsp; আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্ব আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা যখন দায়িত্ব পালন করে, তখন তাদের জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ। যদি কেউ আইন লঙ্ঘন করে, তখন তারা বল প্রয়োগ করতে পারে। এটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন। &amp;nbsp; রাবার বুলেট রাবার বুলেট হল একটি নন-লেথাল অস্ত্র। এটি মানুষকে আঘাত করে, কিন্তু সাধারণত প্রাণঘাতী নয়। এটি ব্যবহার করা হয় জনতা নিয়ন্ত্রণে। &amp;nbsp; কাঁদানে গ্যাসের শেল কাঁদানে গ্যাসের শেলও একটি নন-লেথাল অস্ত্র। এটি মানুষকে অস্থায়ীভাবে অক্ষম করে। এটি সাধারণত দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। &amp;nbsp; প্রাণঘাতী গুলি প্রাণঘাতী গুলি হল লাইভ বুলেট। এটি যখন ব্যবহার করা হয়, তখন জীবনের ঝুঁকি থাকে। এটি শুধুমাত্র চরম পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা উচিত। &amp;nbsp; হাইকোর্টের নির্দেশনা হাইকোর্ট বলেছেন, প্রাণঘাতী গুলি ছোড়া বন্ধ রাখতে হবে। যদি কোনো লঙ্ঘন বা দাঙ্গা না ঘটে, তবে লাইভ বুলেট ব্যবহার করা যাবে না। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। &amp;nbsp; বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই আন্দোলন মানুষকে সমান অধিকারের দাবি জানাতে উৎসাহিত করে। তবে, এই আন্দোলনকে শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করতে হবে। &amp;nbsp; Credit: www.sunamganjerkhobor.com &amp;nbsp; আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা সমাজের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে। তাদের দায়িত্ব হল আইন প্রয়োগ করা এবং জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। &amp;nbsp; শান্তি প্রতিষ্ঠা শান্তি প্রতিষ্ঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করে। &amp;nbsp; আইন প্রয়োগ আইন প্রয়োগ একটি জটিল প্রক্রিয়া। এটি সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে প্রশিক্ষিত হতে হবে। &amp;nbsp; উপসংহার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অতি প্রয়োজনীয় হলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা বল প্রয়োগ করতে পারে। তবে, এটি সতর্কতার সাথে করা উচিত। হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অতি প্রয়োজনীয় হলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা বল প্রয়োগ করতে পারে: হাইকোর্ট &amp;nbsp; Frequently Asked Questions আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের ভূমিকা কী? হাইকোর্ট আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে নীতি ও নির্দেশনা প্রদান করে। পুলিশ কবে বল প্রয়োগ করতে পারে? পুলিশ অতি প্রয়োজনীয় হলে বল প্রয়োগ করতে পারে। কাঁদানে গ্যাস কখন ব্যবহার করা যায়? আইন লঙ্ঘন বা দাঙ্গা রোধে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা যায়। প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহার করা যাবে কবে? প্রাণঘাতী গুলি শুধু অতি প্রয়োজনীয় পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যাবে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের ভূমিকা কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;হাইকোর্ট আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে নীতি ও নির্দেশনা প্রদান করে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;পুলিশ কবে বল প্রয়োগ করতে পারে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;পুলিশ অতি প্রয়োজনীয় হলে বল প্রয়োগ করতে পারে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কাঁদানে গ্যাস কখন ব্যবহার করা যায়?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;আইন লঙ্ঘন বা দাঙ্গা রোধে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা যায়।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহার করা যাবে কবে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;প্রাণঘাতী গুলি শুধু অতি প্রয়োজনীয় পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যাবে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_15.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_15.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_15.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মুন্সিগঞ্জে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুজন নিহত, আহত অর্ধশত: মর্মান্তিক ঘটনা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23770</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23770</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 15:08:01 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ঢাকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে বাস - মাইক্রোবাস সংঘর্ষ,মুন্সিগঞ্জে বিষাক্ত মদ পানে তিন নারীর মৃত্যু,মুন্সীগঞ্জের লৌহজং,মুন্সীগঞ্জ,মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ,দফায় দফায় সংঘর্ষ,ভোলায় ভয়াবহ সংঘর্ষ,ভোলায় ভয়াবহ সংঘর্ষ,নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জন,পঞ্চগড়ের মৃত্যু নিয়ে পুলিশ-বিএনপি’র ভিন্ন বক্তব্য,মামুনুল হক হেফাজতের বিক্ষব,বন্দুকযুদ্ধে,নিহত,গুলি,পুলিশ-বিএনপি’র ভিন্ন বক্তব্য,মামুনুল হক,সরাসরি লাইভ মামুনুল হক নেতৃতে হেফাজতের বিক্ষব মিছিল,পুলিশ বাহিনি,পুলিশ-বিএনপি]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ রোববার মুন্সিগঞ্জ শহরে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অর্ধ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_14.jpg" alt="মুন্সিগঞ্জে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুজন নিহত, আহত অর্ধশত: মর্মান্তিক ঘটনা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ রোববার মুন্সিগঞ্জ শহরে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অর্ধশত। সকাল পৌনে ১০টার দিকে শহরের সুপারমার্কেট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত দুজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাঁদের বয়স ২২ থেকে ২৫ বছর। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: www.prothomalo.com &amp;nbsp; সংঘর্ষের কারণ মুন্সিগঞ্জ শহরে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি চলছিল। আন্দোলনকারীরা সরকারের বিভিন্ন নীতির বিরোধিতা করছিলেন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions সংঘর্ষে কেন গুলিবিদ্ধ হয়েছিল দুজন? আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল দুজন। সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি কি? মুন্সিগঞ্জ শহরে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে আন্দোলনকারীদের আত্মীয়দের সংঘর্ষ হয়েছে। আহত অর্ধশত দের স্থিতি কেমন? সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অর্ধশত লোক। সংঘর্ষের কারণ কী? সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল সুপারমার্কেট এলাকায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার পর। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সংঘর্ষে কেন গুলিবিদ্ধ হয়েছিল দুজন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল দুজন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি কি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;মুন্সিগঞ্জ শহরে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে আন্দোলনকারীদের আত্মীয়দের সংঘর্ষ হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;আহত অর্ধশত দের স্থিতি কেমন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অর্ধশত লোক।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সংঘর্ষের কারণ কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল সুপারমার্কেট এলাকায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার পর।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_14.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_14.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_14.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[চাঁদপুরে আন্দোলনকারী ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ, হাসপাতালে ২০: উত্তেজনার চরমে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23769</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23769</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 15:08:13 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[চাঁদপুরে আন্দোলনকারী ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ, আওয়ামী লীগের মিছিল,বরিশালে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ,আওয়ামী লীগ,চাঁদপুরে পুলিশ-যুবদল সংঘর্ষ!,ছাত্রলীগের হামলায় কোটা আন্দোলনকারীরা আহত,আন্দোলনকারী-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ,চাঁদপুরে যুবদলের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দু&#039;পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ,চাঁদপুরে পুলিশ-যুবদল সংঘর্ষ (ভিডিও) | bnp | police | clash | jamuna tv,কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘর্ষে ঢাকা,১৯ জুলাই চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে পুলিশ বিএনপি সংঘর্ষ,কোটা আন্দোলন: সংঘর্ষে নিহত ৫,চাঁদপুর ফরিদগঞ্জে যুবদলের সম্মেলনে]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চাঁদপুর শহরে আজ রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষ হয়েছে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের তালতলা এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_13.jpg" alt="চাঁদপুরে আন্দোলনকারী ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ, হাসপাতালে ২০: উত্তেজনার চরমে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চাঁদপুর শহরে আজ রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষ হয়েছে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের তালতলা এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাহবুবুর রহমান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। বিস্তারিত জানতে প্রথম আলো পড়ুন। &amp;nbsp; সংঘর্ষের বিস্তারিত বিবরণ আজ রোববার সকাল থেকেই চাঁদপুর শহরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলছিল। আন্দোলনকারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলেন। তালতলা এলাকায় এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। &amp;nbsp; আহতদের অবস্থা সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের সংখ্যা হাসপাতালের নাম অবস্থা ২০ জন চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল কয়েকজন গুরুতর &amp;nbsp; সংঘর্ষের কারণ সংঘর্ষের কারণ হিসেবে জানা গেছে, আন্দোলনকারীরা যখন বিক্ষোভ করছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তাদের বাধা দেয়। এই বাধা দেওয়ার কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। &amp;nbsp; কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া কর্তৃপক্ষ সংঘর্ষের খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে অনেকেই আহত হয়ে পড়েন। &amp;nbsp; Credit: voiceprotidin.com &amp;nbsp; Credit: bangla.thedailystar.net &amp;nbsp; আন্দোলনকারীদের দাবি আন্দোলনকারীরা বৈষম্যবিরোধী নানা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছিলেন। তাদের মূল দাবি ছিল শিক্ষার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা। এছাড়া তারা আরও কিছু দাবি পেশ করেছেন, যা নিয়ে আলোচনা চলছে। &amp;nbsp; আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বলছেন, আন্দোলনকারীরা অশান্তি সৃষ্টি করছিলেন। তারা শান্তি বজায় রাখতে আন্দোলনকারীদের বাধা দিয়েছেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সামগ্রিক পরিস্থিতি চাঁদপুর শহরে সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ। পুলিশ শহরের বিভিন্ন স্থানে টহল দিচ্ছে। জনগণকে শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। &amp;nbsp; নাগরিকদের প্রতিক্রিয়া শহরের নাগরিকরা এই সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বিগ্ন। তারা শান্তি বজায় রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। &amp;nbsp; উপসংহার চাঁদপুরে আন্দোলনকারী ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষের ঘটনায় ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তৎপর রয়েছে। বিস্তারিত জানতে প্রথম আলো পড়ুন। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions চাঁদপুরে কি ঘটেছে? চাঁদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে কত জন আহত হয়েছে? সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের কোথায় ভর্তি করা হয়েছে? আহতদের চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;চাঁদপুরে কি ঘটেছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;চাঁদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংঘর্ষ হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সংঘর্ষে কত জন আহত হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;আহতদের কোথায় ভর্তি করা হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;আহতদের চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_13.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_13.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_13.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া: উত্তেজনা চরমে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23768</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23768</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 15:08:36 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন,আজ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছবি প্রচার,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয় দফা দাবি,এক দফা ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি,জটিল হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন,রাজধানীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ রোববার রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কে একটি উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে। ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের। সড়কের রাপা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_12.jpg" alt="ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া: উত্তেজনা চরমে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ রোববার রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কে একটি উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে। ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের। সড়কের রাপা প্লাজা ভবনের পাশে কিছু বিক্ষোভকারী বেলা ১১টার দিকে এসে দাঁড়ান। অন্যদিকে আসাদগেটের দিকের সড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। &amp;nbsp; Credit: www.ittefaq.com.bd &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: primenewsbd.net &amp;nbsp; ঘটনার বিবরণ &amp;nbsp; Frequently Asked Questions ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে কেন গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা? বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ধাওয়া দেওয়া হয়েছিল। কি সময়ে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে ঘটে ঘটনা? ঘটনা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটে। কীভাবে ঘটনাস্থলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছিলেন? সড়কের রাপা প্লাজা ভবনের পাশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছিলেন। কীভাবে বিক্ষোভকারীরা বাধা দেওয়া হয়েছিল? কিছুটা দূরে আসাদগেটের দিকে বিক্ষোভকারীরা বাধা দেওয়া হয়েছিল। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে কেন গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ধাওয়া দেওয়া হয়েছিল।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কি সময়ে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে ঘটে ঘটনা?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ঘটনা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কীভাবে ঘটনাস্থলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছিলেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সড়কের রাপা প্লাজা ভবনের পাশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছিলেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কীভাবে বিক্ষোভকারীরা বাধা দেওয়া হয়েছিল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;কিছুটা দূরে আসাদগেটের দিকে বিক্ষোভকারীরা বাধা দেওয়া হয়েছিল।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_12.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_12.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_12.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধের নির্দেশ: জরুরি আপডেট]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23767</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23767</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 14:08:24 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন,আজ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছবি প্রচার,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয় দফা দাবি,এক দফা ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি,জটিল হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন,রাজধানীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। এই আন্দোলনের ফলে সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘট...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_11.jpg" alt="ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধের নির্দেশ: জরুরি আপডেট" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। এই আন্দোলনের ফলে সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। &amp;nbsp; বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষ হয়েছে। এসব সংঘর্ষে মুন্সিগঞ্জে দুজন, রংপুরে একজন ও মাগুরায় একজনসহ মোট চারজন নিহত হয়েছে। &amp;nbsp; এই পরিস্থিতিতে আজ রোববার দুপুর ১টার পর একটি সরকারি সংস্থা মেটার প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম কি? ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম মেটার প্ল্যাটফর্মের অন্তর্ভুক্ত। ফেসবুক: এটি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। মেসেঞ্জার: এটি ফেসবুকের একটি চ্যাটিং অ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপ: এটি একটি মেসেজিং অ্যাপ। ইনস্টাগ্রাম: এটি একটি ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ। &amp;nbsp; কেন ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধ করা হলো? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে গুজব ও উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। এই কারণে, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধ করার। &amp;nbsp; Credit: www.linkedin.com &amp;nbsp; &amp;nbsp; এই নির্দেশের প্রভাব ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধ হলে অনেকের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হবে। এই নির্দেশের ফলে মানুষ তাদের বন্ধু ও পরিবারের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে না। এছাড়া, অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ, অনেক ব্যবসা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। &amp;nbsp; কিভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়? যেমন, টেলিফোন, ইমেইল বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারি। &amp;nbsp; ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধের নির্দেশের ভবিষ্যৎ সরকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে কবে এই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হবে। আমাদের সকলের উচিত পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সহযোগিতা করা। &amp;nbsp; উপসংহার ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধের নির্দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই নির্দেশের ফলে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হবে। তবে, আমাদের উচিত ধৈর্য্য ধারণ করা ও পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সহযোগিতা করা। এই নির্দেশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে প্রথম আলো এর ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions ফেসবুক বন্ধের কারণ কী? সরকারি নির্দেশের কারণে ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে। মেসেঞ্জার বন্ধের নির্দেশ কেন দেওয়া হলো? সরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখতে মেসেঞ্জার বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধের প্রভাব কী? হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে। ইনস্টাগ্রাম কেন বন্ধ করা হলো? সরকারি নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ইনস্টাগ্রাম বন্ধ করা হয়েছে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ফেসবুক বন্ধের কারণ কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সরকারি নির্দেশের কারণে ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;মেসেঞ্জার বন্ধের নির্দেশ কেন দেওয়া হলো?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখতে মেসেঞ্জার বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধের প্রভাব কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ইনস্টাগ্রাম কেন বন্ধ করা হলো?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সরকারি নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ইনস্টাগ্রাম বন্ধ করা হয়েছে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_11.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_11.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_11.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সিলেটে পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ চলছে: সরাসরি আপডেট]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23766</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23766</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 14:08:36 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সিলেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন,আজ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছবি প্রচার,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয় দফা দাবি,এক দফা ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি,জটিল হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন,রাজধানীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সিলেটে পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ চলছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুর ১২টার দিকে নগরের কোর্টপয়েন্ট এলা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_10.jpg" alt="সিলেটে পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ চলছে: সরাসরি আপডেট" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সিলেটে পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ চলছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুর ১২টার দিকে নগরের কোর্টপয়েন্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রথম আলো থেকে জানা যায়, তাৎক্ষণিকভাবে কারও নাম-পরিচয় জানা যায়নি। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বেলা ১১টার পর থেকে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন নগরের কোর্টপয়েন্টে জড়ো হতে শুরু করেন। এ সময় অনেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে অংশ নেন। দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ অতর্কিতভাবে জমায়েতের উদ্দেশে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। এরপর উভয়পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। বেলা পৌনে একটার দিকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় সেখানে সংঘর্ষ চলছিল। &amp;nbsp; ঘটনার বিবরণ সিলেটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। কোর্টপয়েন্ট এলাকায় সংঘর্ষের শুরু হয়। শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন সেখানে বিক্ষোভ করছিলেন। &amp;nbsp; কেন সংঘর্ষ শুরু হলো? প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্দোলনকারীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে অংশ নেন। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। এরপরই সংঘর্ষ শুরু হয়। &amp;nbsp; কতজন আহত হয়েছেন? সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে এখনও কারও নাম-পরিচয় জানা যায়নি। &amp;nbsp; পুলিশের ভূমিকা পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে জমায়েত ভাঙার চেষ্টা করে। এ সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। &amp;nbsp; Credit: www.prothomalo.com &amp;nbsp; অবস্থার অবনতি সংঘর্ষের ফলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ আরও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। &amp;nbsp; Credit: www.shyamalsylhet.net &amp;nbsp; প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় অনেকে আহত হয়েছেন। অনেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। &amp;nbsp; পরবর্তী পদক্ষেপ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ আরও পদক্ষেপ নিতে পারে। আরও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হতে পারে। &amp;nbsp; সার্বিক পরিস্থিতি সিলেটে পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ চলছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। &amp;nbsp; মোটকথা সিলেটে পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে পুলিশ। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সংবাদ উৎস এই ঘটনার বিস্তারিত জানতে প্রথম আলো এর প্রতিবেদনে চোখ রাখুন। Frequently Asked Questions কোর্টপয়েন্টে কি সংঘর্ষ ঘটেছে? হ্যাঁ, কোর্টপয়েন্টে সিলেটে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ ঘটেছে। সংঘর্ষে কি করা হয়েছে? সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও গ্যাস নিক্ষেপ দেখা গেছে। সংঘর্ষে কি করণীয়? সংঘর্ষ বাধার্থে পুলিশ জমায়েতের উদ্দেশে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কি সংঘর্ষের ফলাফল? সংঘর্ষ থেমে এবং অব্যাহত দুপুর ১২টার দিকে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কোর্টপয়েন্টে কি সংঘর্ষ ঘটেছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;হ্যাঁ, কোর্টপয়েন্টে সিলেটে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ ঘটেছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সংঘর্ষে কি করা হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও গ্যাস নিক্ষেপ দেখা গেছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সংঘর্ষে কি করণীয়?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সংঘর্ষ বাধার্থে পুলিশ জমায়েতের উদ্দেশে গ্যাস নিক্ষেপ করে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কি সংঘর্ষের ফলাফল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;সংঘর্ষ থেমে এবং অব্যাহত দুপুর ১২টার দিকে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_10.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_10.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_10.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[প্রতিবাদের নতুন ধারা: গ্রাফিতি ও স্লোগানেও বিক্ষোভ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23765</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23765</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 14:08:23 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন,আজ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছবি প্রচার,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয় দফা দাবি,এক দফা ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি,জটিল হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন,রাজধানীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রাজধানীর গ্রিন রোডের একটি গলিতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে দেয়ালে গ্রাফিতি আঁকা ও স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে গ্রিন রোডের ১৫/এ গ্রি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_09.jpg" alt="প্রতিবাদের নতুন ধারা: গ্রাফিতি ও স্লোগানেও বিক্ষোভ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রাজধানীর গ্রিন রোডের একটি গলিতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে দেয়ালে গ্রাফিতি আঁকা ও স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে গ্রিন রোডের ১৫/এ গ্রিন স্কয়ার গলিতে এ দৃশ্য দেখা যায়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; শিক্ষার্থীদের দাবি ও স্লোগান এই শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। তাদের স্লোগানের মধ্যে ছিল: উই ওয়ান্ট জাস্টিস এক দফা এক দাবি আমার ভাইয়ের রক্তের জবাব দে, জবাব দে &amp;nbsp; গ্রাফিতিতে উল্লেখিত বিষয় গ্রাফিতিতে নানা ধরনের বিষয় উঠে এসেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল: গর্জে ওঠো আরেকবার &amp;nbsp; বিক্ষোভের স্থান ও প্রেক্ষাপট এই গলির কাছেই সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ করছেন। এই লিঙ্কে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারেন। &amp;nbsp; গ্রিন রোডের গ্রাফিতি ও স্লোগান গ্রিন রোডের শিক্ষার্থীরা দেয়ালে গ্রাফিতি আঁকা ও স্লোগান দিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবির প্রতি সমর্থন দেখানোর জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তারিখ সময় স্থান রোববার দুপুর ১২টা গ্রিন রোড &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; বিক্ষোভের কারণ শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি পূরণের জন্য এই বিক্ষোভ করছেন। তাদের প্রধান দাবি হল ন্যায্য বিচার ও তাদের ভাইয়ের রক্তের জবাব পাওয়ার। &amp;nbsp; বিক্ষোভের গুরুত্ব বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের মতামত প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এটি তাদের দাবির প্রতি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। &amp;nbsp; গ্রাফিতি ও স্লোগানের প্রভাব গ্রাফিতি ও স্লোগান শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের শক্তি বাড়ায়। এটি তাদের মতামত প্রকাশের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। &amp;nbsp; জনগণের প্রতিক্রিয়া জনগণের মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমর্থন লক্ষ্য করা গেছে। তাদের গ্রাফিতি ও স্লোগান জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। &amp;nbsp; বিক্ষোভের ফলাফল বিক্ষোভের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। &amp;nbsp; ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির পূরণের জন্য ভবিষ্যতে আরও আন্দোলন করার পরিকল্পনা করছে। &amp;nbsp; উপসংহার গ্রাফিতি ও স্লোগান শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এটি তাদের দাবির প্রতি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং তাদের মতামত প্রকাশের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। Frequently Asked Questions কেন শিক্ষার্থীরা গ্রাফিতি ও স্লোগান দেয়? শিক্ষার্থীরা নিজেদের দাবি ও প্রতিবাদ জানাতে গ্রাফিতি ও স্লোগান ব্যবহার করে। গ্রাফিতি আঁকার পেছনে কি উদ্দেশ্য থাকে? গ্রাফিতি আঁকার মাধ্যমে সামাজিক ও রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছানো হয়। গ্রাফিতি ও স্লোগান কি আইনত বৈধ? গ্রাফিতি ও স্লোগান অনেক দেশে আইনত নিষিদ্ধ, তবে কিছু দেশে বৈধ। বিক্ষোভে স্লোগানের গুরুত্ব কি? স্লোগান মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে ও আন্দোলনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কেন শিক্ষার্থীরা গ্রাফিতি ও স্লোগান দেয়?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;শিক্ষার্থীরা নিজেদের দাবি ও প্রতিবাদ জানাতে গ্রাফিতি ও স্লোগান ব্যবহার করে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;গ্রাফিতি আঁকার পেছনে কি উদ্দেশ্য থাকে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;গ্রাফিতি আঁকার মাধ্যমে সামাজিক ও রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছানো হয়।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;গ্রাফিতি ও স্লোগান কি আইনত বৈধ?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;গ্রাফিতি ও স্লোগান অনেক দেশে আইনত নিষিদ্ধ, তবে কিছু দেশে বৈধ।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বিক্ষোভে স্লোগানের গুরুত্ব কি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;স্লোগান মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে ও আন্দোলনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_09.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_09.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_09.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মাগুরায় ছাত্রদল নেতা মেহেদী নিহত]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23764</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23764</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 14:08:32 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন,আজ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছবি প্রচার,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয় দফা দাবি,এক দফা ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি,জটিল হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন,রাজধানীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মাগুরায় জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান (রাব্বি) নিহত হয়েছেন। তার বাড়ি পৌরসভার পারনান্দুয়ালী এলাকায়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পারনান্দুয়া...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_08.jpg" alt="মাগুরায় ছাত্রদল নেতা মেহেদী নিহত" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মাগুরায় জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান (রাব্বি) নিহত হয়েছেন। তার বাড়ি পৌরসভার পারনান্দুয়ালী এলাকায়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পারনান্দুয়ালী এলাকায় সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। প্রথম আলো সূত্র জানায়, মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের পরিচালক মহসিন উদ্দিন জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই যুবককে হাসপাতালে আনা হয়। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions মাগুরা জেলার কোথায় ঘটে হামলা? মাগুরা জেলার পারনান্দুয়ালী এলাকায় ঘটে হামলা। মেহেদী নিহত হওয়ার পরিস্থিতি কেমন ছিল? মেহেদী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। মাগুরা জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম কে? মাগুরা জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সাধারণ সম্পাদক মেহেদী নিহত হন। হাসপাতালে কতজন আহত অবস্থায় আছেন? অন্তত ১০ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা প্রাপ্ত করছেন। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;মাগুরা জেলার কোথায় ঘটে হামলা?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;মাগুরা জেলার পারনান্দুয়ালী এলাকায় ঘটে হামলা।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;মেহেদী নিহত হওয়ার পরিস্থিতি কেমন ছিল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;মেহেদী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;মাগুরা জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম কে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;মাগুরা জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সাধারণ সম্পাদক মেহেদী নিহত হন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;হাসপাতালে কতজন আহত অবস্থায় আছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;অন্তত ১০ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা প্রাপ্ত করছেন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_08.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_08.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_08.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রাজধানীর বাংলামোটরে সংঘর্ষ, গুলি: উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23763</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23763</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 14:08:43 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন,আজ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছবি প্রচার,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয় দফা দাবি,এক দফা ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি,জটিল হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন,রাজধানীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রাজধানীর বাংলামোটরে সংঘর্ষ, গুলি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য পড়তে থাকুন। এখানে আমরা সহজ ভাষায় ঘটনাটি বিস্তারিত তুলে ধরব। &amp;nbsp; Credit: www.itvbd.com &amp;nbsp;...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_07.jpg" alt="রাজধানীর বাংলামোটরে সংঘর্ষ, গুলি: উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রাজধানীর বাংলামোটরে সংঘর্ষ, গুলি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য পড়তে থাকুন। এখানে আমরা সহজ ভাষায় ঘটনাটি বিস্তারিত তুলে ধরব। &amp;nbsp; Credit: www.itvbd.com &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: www.khaborerkagoj.com সংঘর্ষের সূচনা রাজধানীর বাংলামোটরে আওয়ামী লীগ ও দলের অঙ্গ সংগঠনের নেতা&amp;ndash;কর্মীদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। শাহবাগ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান নেওয়ার পর কারওয়ান বাজার থেকে আওয়ামী লীগের একটি মিছিল সেদি Frequently Asked Questions রাজধানীর বাংলামোটরে সংঘর্ষ, গুলি কেন ছুঁড়া হয়েছে? গুলি ছুঁড়া হয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ কারণে। বাংলামোটরে সংঘর্ষে কেউ আহত হয়েছিল কি? হ্যাঁ, কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহত হলো এই সংঘর্ষে। বিক্ষোভকারীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখা গেছে কেন? আহত বিক্ষোভকারীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে দরকার হয় তাদের চিকিৎসার জন্য। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;রাজধানীর বাংলামোটরে সংঘর্ষ, গুলি কেন ছুঁড়া হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;গুলি ছুঁড়া হয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ কারণে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বাংলামোটরে সংঘর্ষে কেউ আহত হয়েছিল কি?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;হ্যাঁ, কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহত হলো এই সংঘর্ষে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বিক্ষোভকারীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখা গেছে কেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;আহত বিক্ষোভকারীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে দরকার হয় তাদের চিকিৎসার জন্য।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_07.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_07.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_07.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রংপুরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষ, নিহত: তাজা খবর ও বিশ্লেষণ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23762</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23762</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 14:08:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রংপুর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[আন্দোলনকারী ছাত্রলীগ সংঘর্ষ পাল্টাপাল্টি ধাওয়া,আন্দোলনকারী-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ,দুপুরের খবর,সিটি নির্বাচন,দুপুরের বাংলাদেশ,শেরপুর,পুরো খবর,কোটা নিউজ,ইউপি নির্বাচন,নির্বাচনের গান,নির্বাচনের খবর,কোটা পদ্ধতি বাতিল,মুক্তিযোদ্ধা কোটা,নির্বাচনের খবর ২০২১,কোটা সংস্কার আন্দোলন,ব্যালট ভাজ করার নিয়ম,কোটা আন্দোলনের সর্বশেষ,শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন,মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল,ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়,ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিয়ম]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রংপুরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০ জন। &amp;nbsp; কিভাবে ঘটনা ঘটেছে রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_06.jpg" alt="রংপুরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষ, নিহত: তাজা খবর ও বিশ্লেষণ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রংপুরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০ জন। &amp;nbsp; কিভাবে ঘটনা ঘটেছে রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। &amp;nbsp; সংঘর্ষের কারণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রতিক্রিয়া &amp;nbsp; Credit: www.newsbangla24.com &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: sokalerbani.com &amp;nbsp; প্রাণহানি ও আহত রংপুরে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। মুন্সিগঞ্জে ২ জন, রংপুরে ১ জন এবং মাগু &amp;nbsp; Frequently Asked Questions কীভাবে এই সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল? পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয় শিক্ষার্থী আন্দোলনের পর। কতজন আহত হয়েছেন এই ঘটনায়? ১০ জন আহত হয়েছেন এই পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষে। কোন এলাকায় আমলের খবর পাওয়া গেছে? মুন্সিগঞ্জে, রংপুরে এবং মাগুরায় আমলের খবর পাওয়া গেছে। কতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে? এই ধাওয়া-সংঘর্ষে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে চারজনের। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কীভাবে এই সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয় শিক্ষার্থী আন্দোলনের পর।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কতজন আহত হয়েছেন এই ঘটনায়?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;১০ জন আহত হয়েছেন এই পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কোন এলাকায় আমলের খবর পাওয়া গেছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;মুন্সিগঞ্জে, রংপুরে এবং মাগুরায় আমলের খবর পাওয়া গেছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;এই ধাওয়া-সংঘর্ষে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে চারজনের।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_06.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_06.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_06.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সায়েন্স ল্যাবে পুলিশ বক্স ভাঙচুর: আতঙ্কের কারণ ও প্রতিকার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23761</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23761</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 13:08:16 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[পুলিশ,পরিকল্পনা ছিলো পুলিশ খুন,সাইন্সল্যাব মোড়ে হাজী সেলিমকে ধাওয়া,পদযাত্রা কর্মসূচিতে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ,চ্যানেল আই,ইনডিপেনডেন্ট,চ্যানেল আই নিউজ,একাত্তর টেলিভিশন,কালবেলা বাংলা নিউজ,ইনডিপেনডেন্ট টিভি,কোটাবিরোধী আন্দোলন,কোটা বিরোধী আন্দোলন,ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি,সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা,নব্য জেএমবি&#039;র ৫ জঙ্গি গ্রেপ্তার,পুলিশেরে ওপর হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ: নর্থ সাউথের শিক্ষার্থীসহ গ্র্রেপ্তার ৫,ছাত্রলীগের হামলায় কোটা আন্দোলনকারীরা আহত,মালিবাগ,কালবেলা]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ রোববার রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। দুপুরে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়। পরে ভাঙা লোহালক্কড় একজনকে রিকশা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_05.jpg" alt="সায়েন্স ল্যাবে পুলিশ বক্স ভাঙচুর: আতঙ্কের কারণ ও প্রতিকার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ রোববার রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। দুপুরে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়। পরে ভাঙা লোহালক্কড় একজনকে রিকশায় করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রথম আলোতে বিস্তারিত জানতে পারেন। &amp;nbsp; Credit: khulnagazette.com &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: www.risingbd.com &amp;nbsp; ঘটনার বিবরণ রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। দুপুরে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়। পরে ভাঙা লোহালক্কড় একজনকে রিকশায় করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। &amp;nbsp; বিক্ষোভকারীদের কার Frequently Asked Questions সায়েন্স ল্যাবে পুলিশ বক্স কেন ভাঙচুর করা হয়েছে? বিক্ষোভকারীরা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং পুলিশ বক্স ভাঙচুর করেছেন। কোন সময় ভাঙচুর ঘটেছে? রোববার দুপুর সাড়ে ১১টার সময় ভাঙচুর শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা কীভাবে ভাঙচুর করেছেন? বিক্ষোভকারীরা সায়েন্স ল্যাব মোড়ের পুলিশ বক্স ভাঙচুর করেছেন। বিক্ষোভকারীরা কী করছিলেন? তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;সায়েন্স ল্যাবে পুলিশ বক্স কেন ভাঙচুর করা হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বিক্ষোভকারীরা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং পুলিশ বক্স ভাঙচুর করেছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কোন সময় ভাঙচুর ঘটেছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;রোববার দুপুর সাড়ে ১১টার সময় ভাঙচুর শুরু হয়।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বিক্ষোভকারীরা কীভাবে ভাঙচুর করেছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বিক্ষোভকারীরা সায়েন্স ল্যাব মোড়ের পুলিশ বক্স ভাঙচুর করেছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;বিক্ষোভকারীরা কী করছিলেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_05.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_05.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_05.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ফের মোবাইল ইন্টারনেট, বন্ধের নির্দেশ, ফেসবুক–হোয়াটসঅ্যাপও বন্ধ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23760</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23760</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 13:08:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[সারাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে যা বললেন পলক,মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় অব্যবহৃত ডাটা ফেরত চান গ্রাহকরা,ইন্টারনেট সেবা,সীমিত আকারে মিলছে ইন্টারনেট সেবা,ইন্টারনেট,ইন্টারনেট গতি,ইন্টারনেট চালু,ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট,ফোর জি ইন্টারনেট,ইন্টারনেট চালু হয়েছে,বাসাবাড়িতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু,মোবাইল ডাটা,মোবাইলে ৫ জিবি ডেটা বিনামূল্যে দেওয়ার ঘোষণা,আন্দোলনের বিষয়ে ফেসবুক-টিকটককে তলব করছে বাংলাদেশ,সংবাদ সারাদেশ,সকাল ৭টার সংবাদ,সংবাদ সারাদেশ today]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সর্বাত্মক অসহযোগের ডাক দিয়েছে। গতকাল শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ জরুরি নির্দেশনা তুলে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_04.jpg" alt="ফের মোবাইল ইন্টারনেট, বন্ধের নির্দেশ, ফেসবুক–হোয়াটসঅ্যাপও বন্ধ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সর্বাত্মক অসহযোগের ডাক দিয়েছে। গতকাল শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ জরুরি নির্দেশনা তুলে ধরেন। &amp;nbsp; Credit: www.khaborerkagoj.com &amp;nbsp; আন্দোলনের কারণ ও উদ্দেশ্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিভিন্ন বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে। তারা সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলন করছে। রোববার থেকে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এই আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই ঘোষণা দেন। &amp;nbsp; মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সরকারি সংস্থা থেকে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আন্দোলনের তথ্য আদান-প্রদান এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বেশ সমস্যা তৈরি হতে পারে। &amp;nbsp; আন্দোলনের প্রভাব শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় আন্দোলনের খবর প্রচার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্দোলনের সমর্থন ও প্রচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। &amp;nbsp; কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জরুরি নির্দেশনা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ গতকাল শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কিছু জরুরি নির্দেশনা তুলে ধরেন। আন্দোলনের বিভিন্ন দিক এবং আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়। &amp;nbsp; আন্দোলনের সমন্বয় আন্দোলনের সমন্বয়করা নিয়মিত বৈঠক করে আন্দোলনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তারা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন এবং আন্দোলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পরিষ্কার করেন। &amp;nbsp; আন্দোলনের চাহিদা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মূল চাহিদা হলো সরকারের পদত্যাগ। তারা মনে করেন যে বর্তমান সরকার বৈষম্য দূর করতে ব্যর্থ হয়েছে। &amp;nbsp; আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচি তারিখ কর্মসূচি রোববার সর্বাত্মক অসহযোগ সোমবার শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মঙ্গলবার মানববন্ধন &amp;nbsp; আন্দোলনের চ্যালেঞ্জ আন্দোলনের মূল চ্যালেঞ্জ হলো মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়া। এর ফলে আন্দোলনকারীরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে সমস্যা অনুভব করছেন। এছাড়া, সরকারের চাপ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। &amp;nbsp; আন্দোলনের সাফল্য যদিও আন্দোলনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তবে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্যোগে দৃঢ়। তারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাফল্য অর্জন করতে চায়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; জনমত ও সমর্থন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিভিন্ন মহল থেকে সমর্থন পাচ্ছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছে। &amp;nbsp; সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ থাকলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে আন্দোলনের খবর প্রচার করা হচ্ছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেজ এবং গ্রুপে আন্দোলনের খবর ও ছবি শেয়ার করা হচ্ছে। &amp;nbsp; মিডিয়ার ভূমিকা মিডিয়া আন্দোলনের খবর প্রচার করছে। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল, পত্রিকা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল আন্দোলনের খবর প্রকাশ করছে। &amp;nbsp; সমাপনী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন। মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সরকারি সংস্থা থেকে দেওয়া হলেও শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন: মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সরকারি সংস্থার সম্পর্কে আরও জানতে এই লিংকটি দেখুন। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ কেন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অস্থিরতা রোধে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের প্রভাব কী হবে? মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে যোগাযোগ ও তথ্য প্রবাহে বিঘ্ন ঘটবে। আন্দোলনের মূল দাবি কী? আন্দোলনের মূল দাবি হলো সরকারের পদত্যাগ। আন্দোলনের সমন্বয়ক কারা? আসিফ মাহমুদ ও নাহিদ ইসলাম আন্দোলনের সমন্বয়ক। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ কেন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অস্থিরতা রোধে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের প্রভাব কী হবে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে যোগাযোগ ও তথ্য প্রবাহে বিঘ্ন ঘটবে।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;আন্দোলনের মূল দাবি কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;আন্দোলনের মূল দাবি হলো সরকারের পদত্যাগ।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;আন্দোলনের সমন্বয়ক কারা?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;আসিফ মাহমুদ ও নাহিদ ইসলাম আন্দোলনের সমন্বয়ক।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩, মুন্সিগঞ্জে নিহত ২: সর্বশেষ আপডেট]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23759</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23759</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 13:08:27 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন,কোটা আন্দোলন আপডেট,কোটা আন্দোলনের খবর,কোটা আন্দোলনের সর্বশেষ,কোটা সংস্কার আন্দোলন,কোটা আন্দোলন আজকের খবর,কোটা আন্দোলন ২০২৪,কোটা আন্দোলন লাইভ,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪,কোটা বাতিলের আন্দোলন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন নিউজ,আজকের কোটা আন্দোলন,ছাত্র,ছাত্র আন্দোলন কর্মসূচিতে সারাদেশে যা যা ঘটলো,কোটা আন্দোলনের অবরোধ,কোটা বিরোধী আন্দোলন,কোটা আন্দোলন সর্বশেষ,কোটা আন্দোলন ২০২৪ live]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজকের সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩, মুন্সিগঞ্জে নিহত ২। এই ঘটনাটি ঘটেছে আজ সকালে। মুন্সিগঞ্জে সংঘর্ষের ফলে এই হতাহতের ঘটনা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_03.jpg" alt="ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩, মুন্সিগঞ্জে নিহত ২: সর্বশেষ আপডেট" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজকের সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩, মুন্সিগঞ্জে নিহত ২। এই ঘটনাটি ঘটেছে আজ সকালে। মুন্সিগঞ্জে সংঘর্ষের ফলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। &amp;nbsp; Credit: www.itvbd.com &amp;nbsp; মুন্সিগঞ্জের সংঘর্ষের প্রেক্ষাপট মুন্সিগঞ্জের এই সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগের ডাক। এই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ গতকাল শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা তুলে ধরেন। এর আগে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে রোববার থেকে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। &amp;nbsp; সংঘর্ষের ফলাফল সংঘর্ষের ফলে মুন্সিগঞ্জে ২ জন নিহত হয়েছেন এবং ১৩ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। &amp;nbsp; চিকিৎসাধীনদের অবস্থা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩ জনের অবস্থা গুরুতর। চিকিৎসকরা তাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করছেন। কিন্তু আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা সংকটাপন্ন। &amp;nbsp; চিকিৎসক দলের মন্তব্য ডাঃ মোহাম্মদ হানিফ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক, বলেন, &amp;quot;আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আহতদের দ্রুত সুস্থ করার জন্য আমরা সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।&amp;quot; &amp;nbsp; &amp;nbsp; সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকার এই ঘটনার উপর গুরুত্বারোপ করেছে এবং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সরকারের মুখপাত্র বলেন, &amp;quot;এই ধরনের সংঘর্ষ আমাদের সমাজের শান্তি ও শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর। আমরা দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।&amp;quot; &amp;nbsp; তদন্ত কমিটি গঠন সরকার ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি দ্রুত রিপোর্ট প্রদান করবে বলে জানানো হয়েছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; মুন্সিগঞ্জের জনগণের প্রতিক্রিয়া মুন্সিগঞ্জের জনগণ এই সংঘর্ষের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে। তারা সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। &amp;nbsp; স্থানীয় নেতাদের মন্তব্য স্থানীয় নেতা মিজানুর রহমান বলেন, &amp;quot;এই সংঘর্ষ আমাদের সমাজের জন্য একটি বড় আঘাত। আমরা সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আশা করছি।&amp;quot; &amp;nbsp; চিকিৎসাধীনদের পরিবারের প্রতিক্রিয়া চিকিৎসাধীনদের পরিবারগুলি খুবই উদ্বিগ্ন। তারা তাদের প্রিয়জনদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে। &amp;nbsp; পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য আহত রফিকুল ইসলামের মা বলেন, &amp;quot;আমার ছেলে খুবই কষ্টে আছে। আমি সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি।&amp;quot; &amp;nbsp; সংঘর্ষের পরিণতি এই সংঘর্ষের পরিণতি খুবই মারাত্মক। এটি আমাদের সমাজের শান্তি ও শৃঙ্খলাকে বিনষ্ট করেছে। &amp;nbsp; সমাজের জন্য শিক্ষণীয় এই ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য একটি বড় শিক্ষা। আমরা সকলেই শান্তি ও শৃঙ্খলার প্রতি গুরুত্বারোপ করা উচিত। &amp;nbsp; সংঘর্ষের প্রভাব মুন্সিগঞ্জের সংঘর্ষের প্রভাব বিভিন্ন ক্ষেত্রে পড়েছে। এটি আমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে একটি বড় আঘাত দিয়েছে। &amp;nbsp; অর্থনৈতিক প্রভাব এই সংঘর্ষের ফলে মুন্সিগঞ্জের ব্যবসা ও বাণিজ্যে প্রভাব পড়েছে। অনেক দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। &amp;nbsp; রাজনৈতিক প্রভাব এই সংঘর্ষের ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনার উপর তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। &amp;nbsp; সমাজের করণীয় এই ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে আমাদের সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একসাথে কাজ করতে হবে। শান্তি ও শৃঙ্খলার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। &amp;nbsp; শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এই ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে শান্তি ও সহনশীলতার শিক্ষা দিতে হবে। &amp;nbsp; সরকারের ভূমিকা সরকারকেও এই ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। উপসংহার এই সংঘর্ষ আমাদের সমাজের জন্য একটি বড় আঘাত। আমরা সকলেই শান্তি ও শৃঙ্খলার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। বিস্তারিত জানতে পড়ুন: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩, মুন্সিগঞ্জে নিহত ২ &amp;nbsp; Frequently Asked Questions কীভাবে হত্যার ঝুঁকিতে আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩? ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩ মুন্সিগঞ্জে নিহত ২. কেন মুন্সিগঞ্জে নিহত ২ হয়েছে? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সর্বাত্মক অসহযোগ প্রকাশ. কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় এই রোগের বিস্তার? অসহযোগ দেওয়ার বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আদেশ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কি সুযোগ রয়েছে? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জন্য অসহযোগ সর্বাত্মক আবার। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কীভাবে হত্যার ঝুঁকিতে আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩ মুন্সিগঞ্জে নিহত ২.&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কেন মুন্সিগঞ্জে নিহত ২ হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সর্বাত্মক অসহযোগ প্রকাশ.&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় এই রোগের বিস্তার?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;অসহযোগ দেওয়ার বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আদেশ।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কি সুযোগ রয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জন্য অসহযোগ সর্বাত্মক আবার।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ছাত্র আন্দোলনে সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে রিট খারিজ: আদালতের রায়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23758</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23758</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 12:08:18 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[কোটা আন্দোলন,এভাবে ধরে নিয়ে খাওয়ানোর ছবি প্রকাশ জাতির সঙ্গে মশকরা: হাইকোর্ট,এই মাত্র পাওয়া,সারাদেশের খবর,একাত্তর নিউজ,এইমাত্র পাওয়া,আন্তর্জাতিক খবর,দেশ টিভি বুলেটিন,আন্তর্জাতিক সংবাদ,ইসরাইল-ফিলিস্তিন,bbc আন্তর্জাতিক খবর,আন্তর্জাতিক খবর bbc,আন্তর্জাতিক সংবাদ bbc,আন্তর্জাতিক খবর today,মাছরাঙা সন্ধ্যার সংবাদ,আন্তর্জাতিক সংবাদ today,উপস্থাপক: রক্তিম ত্রিপুরা,দেশের খবর,নিউজ বুলেটিন,বাংলাদেশের খবর,রাত ১১টার সংবাদ,এইমাত্র পাওয়া খবর,বাংলাদেশের সব খবর,আন্দোলনে সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে রিট খারিজ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলন নতুন কিছু নয়। ছাত্ররা তাদের অধিকার ও দাবি আদায়ে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে থাকে। কিন্তু ছাত্র আন্দোলন অনেক সময় সংঘর্ষে রূপ নেয়। তখন আ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_02.jpg" alt="ছাত্র আন্দোলনে সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে রিট খারিজ: আদালতের রায়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলন নতুন কিছু নয়। ছাত্ররা তাদের অধিকার ও দাবি আদায়ে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে থাকে। কিন্তু ছাত্র আন্দোলন অনেক সময় সংঘর্ষে রূপ নেয়। তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; ছাত্র আন্দোলনের পটভূমি বাংলাদেশের ইতিহাসে ছাত্র আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন সময়ে ছাত্ররা দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন করেছে। এসব আন্দোলনে অনেকেই জীবন দিয়েছেন। &amp;nbsp; সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে ছাত্ররা আন্দোলন করেছে। যেমন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ। &amp;nbsp; আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ছাত্র আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু অনেক সময় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালায়। &amp;nbsp; রিট খারিজের প্রেক্ষাপট ছাত্র আন্দোলনে সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে একটি রিট দায়ের করা হয়েছিল। রিটটি খারিজ করা হয়েছে। রিটটি খারিজের কারণ ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তার প্রয়োজন। &amp;nbsp; রিটের পক্ষে ও বিপক্ষে যুক্তি রিটকারীদের যুক্তি ছিল, ছাত্ররা দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের উপর গুলি চালানো উচিত নয়। তবে, বিপক্ষে যুক্তি ছিল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। &amp;nbsp; আদালতের রায় আদালত রিটটি খারিজ করে দিয়েছে। আদালতের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। &amp;nbsp; গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহ ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে। রিটটি খারিজ করা হয়েছে। আদালতের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা জরুরি। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; ছাত্র আন্দোলনের ভবিষ্যৎ ছাত্র আন্দোলন ভবিষ্যতেও চলবে। তবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ থাকবে। &amp;nbsp; ছাত্রদের করণীয় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করা উচিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ এড়ানো উচিত। তাদের দাবি যুক্তিসঙ্গতভাবে উপস্থাপন করা উচিত। &amp;nbsp; আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর করণীয় সতর্কভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। অপ্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ এড়ানো উচিত। ছাত্রদের সাথে সংলাপ করা উচিত। &amp;nbsp; উপসংহার ছাত্র আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ। তবে, তা শান্তিপূর্ণভাবে হওয়া উচিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সতর্ক থাকা উচিত। রিট খারিজ হওয়ার পরও ছাত্রদের অধিকার রক্ষায় আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। তবে, তা আইন মেনে এবং শান্তিপূর্ণভাবে করা উচিত। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions ছাত্র আন্দোলনে গুলি না করার নির্দেশ কেন? আদালত মনে করেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজের ওপর হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। রিট খারিজের পেছনে কারণ কী? আদালত মনে করেছেন, রিটটি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। ছাত্র আন্দোলন কি আইন ভঙ্গ করছে? নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে হ্যাঁ, তবে সব ক্ষেত্রে নয়। গুলি না করার নির্দেশ কেন চাওয়া হয়েছে? ছাত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ছাত্র আন্দোলনে গুলি না করার নির্দেশ কেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;আদালত মনে করেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজের ওপর হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;রিট খারিজের পেছনে কারণ কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;আদালত মনে করেছেন, রিটটি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ছাত্র আন্দোলন কি আইন ভঙ্গ করছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে হ্যাঁ, তবে সব ক্ষেত্রে নয়।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;গুলি না করার নির্দেশ কেন চাওয়া হয়েছে?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ছাত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ঢাকার সড়কে যানবাহনের চলাচল কম; বিড়ম্বনায় অফিসগামী মানুষ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23757</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23757</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 04 Aug 2024 12:08:42 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ছাত্র আন্দোলনের খবর,ছাত্র আন্দোলনের লাইভ,ছাত্র আন্দোলনের নিউজ,ছাত্র আন্দোলনের আপডেট,ছাত্র আন্দোলনের আজকের খবর,ছাত্র আন্দোলনের আপডেট নিউজ,ছাত্র আন্দোলনের আজকের ভিডিও,ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,কোটা আন্দোলন আপডেট,কোটা আন্দোলন লাইভ,কোটা আন্দোলন ২০২৪,কোটা আন্দোলন আজকের খবর,কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪,কোটা আন্দোলনের সর্বশেষ,কোটা বাতিলের আন্দোলন,কোটা আন্দোলনের খবর,কোটা সংস্কার আন্দোলন,ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি,ছাত্র]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ঢাকা শহরের সড়কে যানবাহনের চলাচল কম। এতে অফিসগামী মানুষ বিড়ম্বনায় পড়ে। সকালের ব্যস্ত সময়ে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। &amp;nbsp; যানজটের কারণ ঢাকার সড়কে যানজটের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_01.jpg" alt="ঢাকার সড়কে যানবাহনের চলাচল কম; বিড়ম্বনায় অফিসগামী মানুষ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ঢাকা শহরের সড়কে যানবাহনের চলাচল কম। এতে অফিসগামী মানুষ বিড়ম্বনায় পড়ে। সকালের ব্যস্ত সময়ে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। &amp;nbsp; যানজটের কারণ ঢাকার সড়কে যানজটের অনেক কারণ আছে। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ উল্লেখ করা হলো: অতিরিক্ত যানবাহন: ঢাকায় গাড়ির সংখ্যা অনেক বেশি। সড়কের তুলনায় গাড়ির সংখ্যা বেশি হওয়ায় যানজট হয়। অপরিকল্পিত সড়ক নকশা: ঢাকার সড়ক নকশা অপরিকল্পিত। ফলে যানজট হয়। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব: সড়কের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না হলে যানজট বাড়ে। অযথা পার্কিং: সড়কের পাশে গাড়ি পার্কিং করায় যানজট হয়। &amp;nbsp; অফিসগামী মানুষের বিড়ম্বনা যানজটের কারণে অফিসগামী মানুষ নানা সমস্যায় পড়ে। তাদের কর্মস্থলে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগে। &amp;nbsp; সময়মতো অফিস পৌঁছাতে না পারা যানজটের কারণে মানুষ সময়মতো অফিসে পৌঁছাতে পারে না। এতে তাদের কাজের ক্ষতি হয়। &amp;nbsp; মানসিক চাপ বৃদ্ধি যানজটের কারণে মানসিক চাপ বেড়ে যায়। এতে স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। &amp;nbsp; অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ যানজটে গাড়ি থেমে থাকলে জ্বালানি বেশি খরচ হয়। এতে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। &amp;nbsp; Credit: www.youtube.com &amp;nbsp; সমাধানের উপায় যানজট কমানোর জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। এখানে কিছু কার্যকর উপায় উল্লেখ করা হলো: &amp;nbsp; সড়ক সম্প্রসারণ সড়কের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। এতে যানজট কমবে। &amp;nbsp; সুষ্ঠু যানবাহন নিয়ন্ত্রণ যানবাহনের সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে। নিয়মিত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করতে হবে। &amp;nbsp; সঠিক পার্কিং ব্যবস্থা সঠিক স্থানে পার্কিং করতে হবে। সড়কের পাশে পার্কিং বন্ধ করতে হবে। &amp;nbsp; পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করতে উৎসাহিত করতে হবে। এতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমবে। &amp;nbsp; যানজট কমাতে প্রযুক্তির ব্যবহার প্রযুক্তির মাধ্যমে যানজট কমানো সম্ভব। এখানে কিছু প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখ করা হলো: &amp;nbsp; স্মার্ট ট্রাফিক লাইট স্মার্ট ট্রাফিক লাইট ব্যবহার করলে যানজট কমবে। এই লাইটগুলো সড়কের যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করবে। &amp;nbsp; জিপিএস প্রযুক্তি জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে যানজটের পরিস্থিতি জানা যাবে। এতে বিকল্প পথ নির্বাচন সহজ হবে। &amp;nbsp; অফিসগামী মানুষের জন্য টিপস যানজট এড়াতে অফিসগামী মানুষ কিছু টিপস অনুসরণ করতে পারেন: &amp;nbsp; প্রাথমিক সময় বের হওয়া অফিসে যাওয়ার জন্য প্রাথমিক সময় বের হতে হবে। এতে যানজট এড়ানো যাবে। &amp;nbsp; বিকল্প পথ ব্যবহার যানজট এড়াতে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হবে। এতে সময় বাঁচবে। &amp;nbsp; পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করলে যানজট কমবে। এতে সময়মতো অফিসে পৌঁছানো যাবে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সরকারের ভূমিকা সরকারের উচিত যানজট কমানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া। এখানে কিছু করণীয় উল্লেখ করা হলো: &amp;nbsp; সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প সরকারকে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিতে হবে। এতে যানজট কমবে। &amp;nbsp; পাবলিক ট্রান্সপোর্ট উন্নয়ন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট উন্নয়ন করতে হবে। এতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমবে। &amp;nbsp; সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। নিয়মিত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সড়ক নিরাপত্তা সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এতে দুর্ঘটনা কমবে এবং যানজটও কমবে। &amp;nbsp; ট্রাফিক আইন মান্য করা সবাইকে ট্রাফিক আইন মান্য করতে হবে। এতে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। &amp;nbsp; সড়ক চিহ্ন ব্যবহার সঠিক সড়ক চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে। এতে দুর্ঘটনা কমবে। &amp;nbsp; ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ করতে হবে। তারা যানজট নিয়ন্ত্রণ করবে। &amp;nbsp; উপসংহার যানজট ঢাকার বড় সমস্যা। এটি সমাধানের জন্য সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে। সরকার, জনগণ এবং প্রতিষ্ঠান একসাথে কাজ করতে হবে। যানজট কমলে অফিসগামী মানুষের বিড়ম্বনা কমবে। এতে সময় এবং অর্থের সাশ্রয় হবে। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions কেন ঢাকার সড়কে যানবাহনের চলাচল কম? ঢাকার সড়কে যানবাহনের চলাচল কম কারণ সড়ক সংস্কার, যানজট এবং পাবলিক পরিবহনের স্বল্পতা। অফিসগামী মানুষ কীভাবে বিড়ম্বনায় পড়ছেন? অফিসগামী মানুষ যানজট, সময়মতো পরিবহন না পাওয়া এবং বিকল্প সড়কের অনুপস্থিতির কারণে বিড়ম্বনায় পড়ছেন। ঢাকার যানজটের প্রধান কারণ কী? ঢাকার যানজটের প্রধান কারণ অব্যবস্থাপনা, সড়কের সংকীর্ণতা এবং অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। কীভাবে যানবাহনের চলাচল কমানো যায়? যানবাহনের চলাচল কমাতে সড়ক উন্নয়ন, পাবলিক পরিবহন বৃদ্ধি এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করা প্রয়োজন। { &quot;@context&quot;: &quot;https://schema.org&quot;, &quot;@type&quot;: &quot;FAQPage&quot;, &quot;mainEntity&quot;: [ { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কেন ঢাকার সড়কে যানবাহনের চলাচল কম?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ঢাকার সড়কে যানবাহনের চলাচল কম কারণ সড়ক সংস্কার, যানজট এবং পাবলিক পরিবহনের স্বল্পতা।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;অফিসগামী মানুষ কীভাবে বিড়ম্বনায় পড়ছেন?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;অফিসগামী মানুষ যানজট, সময়মতো পরিবহন না পাওয়া এবং বিকল্প সড়কের অনুপস্থিতির কারণে বিড়ম্বনায় পড়ছেন।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;ঢাকার যানজটের প্রধান কারণ কী?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;ঢাকার যানজটের প্রধান কারণ অব্যবস্থাপনা, সড়কের সংকীর্ণতা এবং অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ।&quot; } } , { &quot;@type&quot;: &quot;Question&quot;, &quot;name&quot;: &quot;কীভাবে যানবাহনের চলাচল কমানো যায়?&quot;, &quot;acceptedAnswer&quot;: { &quot;@type&quot;: &quot;Answer&quot;, &quot;text&quot;: &quot;যানবাহনের চলাচল কমাতে সড়ক উন্নয়ন, পাবলিক পরিবহন বৃদ্ধি এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করা প্রয়োজন।&quot; } } ] }</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_04-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Vivo V30 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23756</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23756</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 03 Aug 2024 02:08:11 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[vivo v30 5g,v30 5g vivo,#vivov305g,vivo 30,vivo v30,v30 vivo,vivo v30e,vivo v30 5g vs v29,vivo v30 5g price,vivo v30 5g specs,vivo 30 pro,vivo v30 vs,#vivov30e,vivo v40 5g,vivo v30 5g review,vivo v30 5g camera,vivo,vivo v30 5g mobile,vivo v30 pro,v30 pro vivo,vivo v30e 5g,vivo v30e vs,#vivov305gcamera,vivo v30 5g unboxing,vivo v30 vlog,#vivov30pro,vivo v30 bgmi,v30 5g,vivo v30 lite,vivo v30 vs vivo v40 5g,vivo v30 5g kamera tes]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Vivo V30 5G হলো একটি চমৎকার স্মার্টফোন। এই ফোনে অনেক অত্যাধুনিক ফিচার আছে। &amp;nbsp; Vivo V30 5G এর প্রধান স্পেসিফিকেশন এই ফোনে কি কি আছে তা আমরা দেখে নেব। ফিচার ব...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-08-24_02.jpg" alt="Vivo V30 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Vivo V30 5G হলো একটি চমৎকার স্মার্টফোন। এই ফোনে অনেক অত্যাধুনিক ফিচার আছে। &amp;nbsp; Vivo V30 5G এর প্রধান স্পেসিফিকেশন এই ফোনে কি কি আছে তা আমরা দেখে নেব। ফিচার বিবরণ ডিসপ্লে 6.5 ইঞ্চি, AMOLED, 1080 x 2400 পিক্সেল প্রসেসর মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি 800U র&amp;zwj;্যাম 8GB ইন্টারনাল স্টোরেজ 128GB ক্যামেরা 64MP + 8MP + 2MP ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা, 32MP ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যাটারি 4500mAh, 33W ফাস্ট চার্জিং অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড 11, Funtouch OS 11 &amp;nbsp; ডিসপ্লে Vivo V30 5G এর ডিসপ্লে খুবই চমৎকার। এর সাইজ 6.5 ইঞ্চি। ডিসপ্লে টাইপ AMOLED। রেজোলিউশন 1080 x 2400 পিক্সেল। &amp;nbsp; প্রসেসর এবং পারফরম্যান্স এই ফোনের প্রসেসর মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি 800U। এটি খুবই পাওয়ারফুল। ফোনটি খুব দ্রুত কাজ করে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ Vivo V30 5G এ 8GB র&amp;zwj;্যাম আছে। ইন্টারনাল স্টোরেজ 128GB। এতে প্রচুর জায়গা আছে। &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনে 64MP + 8MP + 2MP ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা আছে। ফ্রন্ট ক্যামেরা 32MP। ছবি খুবই সুন্দর আসে। &amp;nbsp; ব্যাটারি ফোনটির ব্যাটারি ক্যাপাসিটি 4500mAh। 33W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। ব্যাটারি খুব দ্রুত চার্জ হয়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম Vivo V30 5G অ্যান্ড্রয়েড 11 এ চলে। Funtouch OS 11 এর উপর ভিত্তি করে। &amp;nbsp; Credit: twitter.com &amp;nbsp; Vivo V30 5G এর বাংলাদেশে দাম Vivo V30 5G এর দাম বাংলাদেশে প্রায় ৩০,০০০ টাকা। দাম পরিবর্তন হতে পারে। &amp;nbsp; শেষ কথা Vivo V30 5G একটি চমৎকার স্মার্টফোন। এর ফিচার এবং দাম উভয়ই ভালো। আপনি এটি কিনতে পারেন। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Display Size Of Vivo V30 5g? The Vivo V30 5G features a 6. 5-inch Full HD+ display. How Much Ram Does Vivo V30 5g Have? The Vivo V30 5G comes with 8GB of RAM. What Is The Battery Capacity Of Vivo V30 5g? The Vivo V30 5G is equipped with a 4500mAh battery. Does Vivo V30 5g Support Fast Charging? Yes, Vivo V30 5G supports 33W fast charging. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Vivo V40 Series: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23755</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23755</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 03 Aug 2024 02:08:20 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[vivo v40 pro price,vivo v40 series,vivo v40 price,vivo v40 pro price in india,vivo v40 5g price in india,vivo v40 price in india,vivo v40 5g price,vivo v40 pro 5g price in india,vivo v40 5g series,vivo v40 se price,vivo v40 se 5g price in us,vivo v40 pro indian price,vivo v30 pro price,vivo v30 pro price in india,vivo v40 series 5g,vivo v40 series unboxing,vivo v40 price and review,vivo v40 india price,vivo v40 pro 5g price,vivo v40 indian price]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Vivo V40 সিরিজের ফোনগুলি বর্তমানে বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয়। এই ফোনগুলির বৈশিষ্ট্য এবং দাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; Vivo V40 সিরিজের প্রধান বৈশিষ্ট্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-08-24_01.jpg" alt="Vivo V40 Series: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Vivo V40 সিরিজের ফোনগুলি বর্তমানে বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয়। এই ফোনগুলির বৈশিষ্ট্য এবং দাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; Vivo V40 সিরিজের প্রধান বৈশিষ্ট্য Vivo V40 সিরিজের ফোনগুলির অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আসুন দেখি কি কি বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই ফোনে। বৈশিষ্ট্য বিবরণ ডিসপ্লে 6.5 ইঞ্চি FHD+ AMOLED প্রসেসর MediaTek Dimensity 1000+ র&amp;zwj;্যাম 8GB/12GB স্টোরেজ 128GB/256GB ক্যামেরা 64MP প্রধান ক্যামেরা, 16MP ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যাটারি 4500mAh, 33W ফাস্ট চার্জিং অপারেটিং সিস্টেম Android 11 &amp;nbsp; ডিসপ্লে Vivo V40 সিরিজের ফোনে 6.5 ইঞ্চি FHD+ AMOLED ডিসপ্লে রয়েছে। এই ডিসপ্লে খুবই উজ্জ্বল এবং রঙিন। ভিডিও দেখা এবং গেম খেলার জন্য এই ডিসপ্লে খুবই ভালো। &amp;nbsp; প্রসেসর Vivo V40 সিরিজের ফোনে MediaTek Dimensity 1000+ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রসেসর খুবই শক্তিশালী। এটি দ্রুত কাজ করে এবং গেম খেলার জন্য উপযুক্ত। &amp;nbsp; র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ এই ফোনে 8GB এবং 12GB র&amp;zwj;্যামের অপশন রয়েছে। এছাড়াও, 128GB এবং 256GB স্টোরেজের অপশন পাওয়া যায়। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; ক্যামেরা Vivo V40 সিরিজের ফোনে 64MP প্রধান ক্যামেরা রয়েছে। এই ক্যামেরা দিয়ে খুবই ভালো ছবি তোলা যায়। এছাড়াও, 16MP ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে। সেলফি তোলার জন্য এই ক্যামেরা খুবই ভালো। &amp;nbsp; ব্যাটারি এই ফোনে 4500mAh ব্যাটারি রয়েছে। 33W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। ব্যাটারি খুব দ্রুত চার্জ হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে চলে। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম Vivo V40 সিরিজের ফোনে Android 11 অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ব্যবহার করা সহজ এবং অনেক নতুন ফিচার দেয়। &amp;nbsp; Vivo V40 সিরিজের মডেল এবং দাম Vivo V40 সিরিজের বিভিন্ন মডেল এবং তাদের দাম সম্পর্কে জানুন। মডেল দাম (বাংলাদেশ) Vivo V40 ৩৫,০০০ টাকা Vivo V40 Pro ৪০,০০০ টাকা Vivo V40 Pro+ ৪৫,০০০ টাকা &amp;nbsp; Vivo V40 Vivo V40 মডেলের দাম বাংলাদেশে ৩৫,০০০ টাকা। এই মডেলে 8GB র&amp;zwj;্যাম এবং 128GB স্টোরেজ রয়েছে। &amp;nbsp; Vivo V40 Pro Vivo V40 Pro মডেলের দাম বাংলাদেশে ৪০,০০০ টাকা। এই মডেলে 12GB র&amp;zwj;্যাম এবং 256GB স্টোরেজ রয়েছে। &amp;nbsp; Vivo V40 Pro+ Vivo V40 Pro+ মডেলের দাম বাংলাদেশে ৪৫,০০০ টাকা। এই মডেলে আরও উন্নত ক্যামেরা এবং ব্যাটারি রয়েছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; Vivo V40 সিরিজ কেন বেছে নেবেন? Vivo V40 সিরিজের ফোনগুলি অনেক কারণে জনপ্রিয়। আসুন দেখি কেন এই ফোনগুলি বেছে নেওয়া উচিত। উচ্চমানের ডিসপ্লে: AMOLED ডিসপ্লে দিয়ে ভিডিও দেখা এবং গেম খেলা খুবই আনন্দদায়ক। শক্তিশালী প্রসেসর: MediaTek Dimensity 1000+ প্রসেসর খুবই দ্রুত কাজ করে। ভালো ক্যামেরা: 64MP প্রধান ক্যামেরা দিয়ে খুবই ভালো ছবি তোলা যায়। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি: 4500mAh ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ধরে চলে। নতুন অপারেটিং সিস্টেম: Android 11 ব্যবহার করা সহজ এবং অনেক নতুন ফিচার দেয়। এই সমস্ত বৈশিষ্ট্য Vivo V40 সিরিজের ফোনগুলিকে খুবই জনপ্রিয় করে তুলেছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; শেষ কথা Vivo V40 সিরিজের ফোনগুলি বাংলাদেশের বাজারে খুবই জনপ্রিয়। এই ফোনগুলির বৈশিষ্ট্য এবং দাম সম্পর্কে জানুন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী মডেল বেছে নিন। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Display Size Of Vivo V40? Vivo V40 features a 6. 5-inch AMOLED display. How Much Ram Does Vivo V40 Offer? Vivo V40 offers 8GB of RAM. Does Vivo V40 Support 5g Connectivity? Yes, Vivo V40 supports 5G connectivity. What Is The Battery Capacity Of Vivo V40? The battery capacity is 4000mAh. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_03-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Honor Magic 6 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23754</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23754</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 20:08:37 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[honor magic 6 pro,honor magic 6 pro review,honor magic 6 pro camera,honor magic 6 pro unboxing,honor magic 6 pro specs,honor magic 6 pro camera test,honor magic 6 pro price,honor magic 6,magic 6 pro,magic 6 pro honor,honor magic 6 pro vs,honor magic 6 pro full specifications,honor magic 6 pro release date,honor magic 6 pro gaming test,honor magic 6 pro vs samsung s24 ultra,honor magic 6 pro 5g,honor magic 6 pro launch date,honor magic 6 pro zoom test]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ আমরা জানবো Honor Magic 6 Pro এর ফিচার ও বাংলাদেশে এর দাম। এটি একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। চলুন জানি এর বিস্তারিত। &amp;nbsp; Credit: www.amazon.com &amp;nbsp; ডিজাইন এ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_47.jpg" alt="Honor Magic 6 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ আমরা জানবো Honor Magic 6 Pro এর ফিচার ও বাংলাদেশে এর দাম। এটি একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। চলুন জানি এর বিস্তারিত। &amp;nbsp; Credit: www.amazon.com &amp;nbsp; ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি Honor Magic 6 Pro এর ডিজাইন খুবই চমৎকার। এটি মেটাল এবং গ্লাস দিয়ে তৈরি। এটির পিছন দিকে গ্লাস ফিনিশিং রয়েছে। ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি ফিচার বিবরণ ডাইমেনশন 162.6 x 75.5 x 8.9 mm ওজন 215 গ্রাম ম্যাটেরিয়াল মেটাল এবং গ্লাস &amp;nbsp; ডিসপ্লে Honor Magic 6 Pro এর ডিসপ্লে অত্যন্ত উন্নত। এটি একটি AMOLED ডিসপ্লে। ডিসপ্লেটি 6.76 ইঞ্চি সাইজের। ডিসপ্লে ফিচার বিবরণ ডিসপ্লে টাইপ AMOLED সাইজ 6.76 ইঞ্চি রেজোলিউশন 1344 x 2772 পিক্সেল &amp;nbsp; &amp;nbsp; ক্যামেরা Honor Magic 6 Pro এর ক্যামেরা অত্যন্ত শক্তিশালী। এর পিছনে তিনটি ক্যামেরা রয়েছে। প্রধান ক্যামেরাটি 50 মেগাপিক্সেলের। ক্যামেরা ফিচার বিবরণ প্রধান ক্যামেরা 50 MP আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা 20 MP টেলিফটো ক্যামেরা 12 MP সেলফি ক্যামেরা 32 MP &amp;nbsp; পারফরমেন্স Honor Magic 6 Pro এর পারফরমেন্স খুবই ভালো। এটি একটি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন। এতে Qualcomm Snapdragon 888 চিপসেট রয়েছে। পারফরমেন্স ফিচার বিবরণ চিপসেট Qualcomm Snapdragon 888 র&amp;zwj;্যাম 8/12 GB স্টোরেজ 128/256/512 GB &amp;nbsp; ব্যাটারি এবং চার্জিং Honor Magic 6 Pro এর ব্যাটারি অনেক বড়। এর ব্যাটারি 5000 mAh। এটি দ্রুত চার্জিং সাপোর্ট করে। ব্যাটারি এবং চার্জিং ফিচার বিবরণ ব্যাটারি ক্যাপাসিটি 5000 mAh চার্জিং টাইপ Fast Charging ফাস্ট চার্জিং 66W &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম Honor Magic 6 Pro এন্ড্রয়েড ভিত্তিক। এতে Magic UI 5.0 রয়েছে। এটি Android 11 এর উপরে চলে। অপারেটিং সিস্টেম ফিচার বিবরণ অপারেটিং সিস্টেম Android 11 ইউজার ইন্টারফেস Magic UI 5.0 &amp;nbsp; অন্যান্য ফিচার Honor Magic 6 Pro এর অন্যান্য ফিচারও খুবই উন্নত। এতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, ফেস আনলক এবং আরো অনেক কিছু রয়েছে। অন্যান্য ফিচার ফিচার বিবরণ ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর হ্যাঁ ফেস আনলক হ্যাঁ ওয়াটার রেসিস্টেন্স IP68 &amp;nbsp; Credit: www.dxomark.com &amp;nbsp; বাংলাদেশে দাম Honor Magic 6 Pro এর বাংলাদেশে দাম কত? এর দাম আপনার বাজেটের মধ্যে কি না, তা জানা দরকার। বাংলাদেশে দাম মডেল দাম (বাংলাদেশি টাকা) Honor Magic 6 Pro (8/128 GB) প্রায় ৭৫,০০০ টাকা Honor Magic 6 Pro (12/256 GB) প্রায় ৮৫,০০০ টাকা Honor Magic 6 Pro (12/512 GB) প্রায় ৯৫,০০০ টাকা &amp;nbsp; উপসংহার Honor Magic 6 Pro একটি শক্তিশালী স্মার্টফোন। এর ফিচার এবং পারফরমেন্স খুবই ভালো। বাংলাদেশে এর দাম কিছুটা বেশি হলেও এটি কেনার মত। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Honor Magic 6 Pro&amp;#39;s Display Size? Honor Magic 6 Pro features a 6. 7-inch AMOLED display. Does Honor Magic 6 Pro Support 5g? Yes, Honor Magic 6 Pro supports 5G connectivity. What Is The Battery Capacity Of Honor Magic 6 Pro? The device comes with a 4500mAh battery. How Much Ram Does Honor Magic 6 Pro Have? Honor Magic 6 Pro has 8GB of RAM. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_47.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_47.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_47.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[OnePlus Nord 4 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23753</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23753</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 19:08:03 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[oneplus nord 4,oneplus nord 4 review,oneplus nord 4 unboxing,oneplus nord 4 5g,oneplus nord 4 camera,oneplus nord 4 specs,nord 4 oneplus,oneplus nord 4 price,oneplus nord 4 camera test,nord 4,oneplus nord 4 vs,oneplus,oneplus nord 4 vs oneplus nord 3,oneplus nord 4 5g unboxing,oneplus nord 4 battery,oneplus nord ce 4,oneplus nord 4 first look,oneplus nord 4 launch date,oneplus nord 4 release date,oneplus nord 4 price in india,oneplus nord 4 pubg test]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[OnePlus Nord 4 5G বাজারে এসেছে। চলুন জেনে নেই এর ফিচার ও বাংলাদেশে দাম। &amp;nbsp; OnePlus Nord 4 5G এর প্রধান বৈশিষ্ট্য এই ফোনটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে।...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_46.jpg" alt="OnePlus Nord 4 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>OnePlus Nord 4 5G বাজারে এসেছে। চলুন জেনে নেই এর ফিচার ও বাংলাদেশে দাম। &amp;nbsp; OnePlus Nord 4 5G এর প্রধান বৈশিষ্ট্য এই ফোনটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে। এখানে কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো: প্রসেসর: Qualcomm Snapdragon 780G RAM: 8GB / 12GB স্টোরেজ: 128GB / 256GB ক্যামেরা: 50MP প্রধান ক্যামেরা ব্যাটারি: 4500mAh ডিসপ্লে: 6.43 ইঞ্চি Fluid AMOLED &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; OnePlus Nord 4 5G এর ডিজাইন OnePlus Nord 4 5G এর ডিজাইন খুবই স্টাইলিশ। এটি হাতে ধরতে আরামদায়ক। &amp;nbsp; ডিসপ্লে এই ফোনটির ডিসপ্লে অত্যন্ত উজ্জ্বল ও রঙিন। Fluid AMOLED প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বৈশিষ্ট্য বিবরণ ডিসপ্লে সাইজ 6.43 ইঞ্চি রেজোলিউশন 1080 x 2400 পিক্সেল রিফ্রেশ রেট 90Hz &amp;nbsp; পারফরম্যান্স OnePlus Nord 4 5G এর পারফরম্যান্স খুবই দ্রুত। Snapdragon 780G প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনটির ক্যামেরা ফিচার অত্যন্ত উন্নত। প্রধান ক্যামেরা 50MP এবং সেলফি ক্যামেরা 32MP। ক্যামেরা বিবরণ প্রধান ক্যামেরা 50MP আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা 8MP ম্যাক্রো ক্যামেরা 2MP সেলফি ক্যামেরা 32MP &amp;nbsp; &amp;nbsp; ব্যাটারি OnePlus Nord 4 5G এর ব্যাটারি ক্ষমতা 4500mAh। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ থাকে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সফটওয়্যার এই ফোনটিতে Android 11 অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। OnePlus এর নিজস্ব OxygenOS রয়েছে। &amp;nbsp; OnePlus Nord 4 5G এর বাংলাদেশে দাম এই ফোনটির দাম নির্ভর করে এর কনফিগারেশনের উপর। বাংলাদেশে এর দাম নিম্নরূপ: 8GB RAM + 128GB স্টোরেজ: ৩৫,০০০ টাকা 12GB RAM + 256GB স্টোরেজ: ৪০,০০০ টাকা &amp;nbsp; ফাইনাল ভিউ OnePlus Nord 4 5G ফোনটি সবার জন্য উপযুক্ত। এর ফিচার ও দাম খুবই আকর্ষণীয়। &amp;nbsp; সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী এই ফোনটির ব্যাটারি লাইফ কেমন? OnePlus Nord 4 5G এর ব্যাটারি লাইফ দীর্ঘস্থায়ী। 4500mAh ব্যাটারি অনেকক্ষণ চার্জ থাকে। ফোনটির ক্যামেরা কেমন? ফোনটির ক্যামেরা খুবই উন্নত। প্রধান ক্যামেরা 50MP এবং সেলফি ক্যামেরা 32MP। এই ফোনটি কি গেমিংয়ের জন্য উপযুক্ত? হ্যাঁ, এই ফোনটি গেমিংয়ের জন্য উপযুক্ত। Snapdragon 780G প্রসেসর উচ্চ পারফরম্যান্স প্রদান করে। ফোনটির ডিসপ্লে কেমন? ফোনটির ডিসপ্লে খুবই উজ্জ্বল ও রঙিন। Fluid AMOLED প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ফোনটির দাম কত? ফোনটির দাম নির্ভর করে এর কনফিগারেশনের উপর। ৩৫,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকার মধ্যে। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Oneplus Nord 4 5g? OnePlus Nord 4 5G features a Snapdragon 778G processor, 6. 44-inch AMOLED display, and a 48MP quad-camera setup. How Much Is The Oneplus Nord 4 5g In Bd? The OnePlus Nord 4 5G price in Bangladesh starts at approximately BDT 35,000. Does Oneplus Nord 4 5g Support Fast Charging? Yes, OnePlus Nord 4 5G supports Warp Charge 30T fast charging technology. What Is The Battery Capacity Of Nord 4 5g? The OnePlus Nord 4 5G has a 4500mAh battery capacity. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_46.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_46.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_46.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Samsung Galaxy M14: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23752</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23752</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 19:08:14 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[samsung galaxy m14,samsung galaxy m14 5g,samsung galaxy m14 5g review,samsung galaxy m14 5g unboxing,samsung galaxy m14 price,samsung,samsung galaxy m14 5g camera,samsung galaxy m14 unboxing,samsung galaxy a14 5g,samsung m14 5g,samsung galaxy m14 5g price in india,galaxy m14 5g,galaxy m14,samsung m14,samsung galaxy m14 5g price,samsung galaxy m14 review,samsung galaxy m14 rumours,samsung galaxy f14 5g,samsung m14 5g review,samsung galaxy m15 5g]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি Samsung Galaxy M14 সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই আর্টিকেলে আমরা Samsung Galaxy M14 এর সমস্ত ফিচার এবং বাংলাদেশে দাম নিয়ে বিস্তার...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_45.jpg" alt="Samsung Galaxy M14: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি Samsung Galaxy M14 সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই আর্টিকেলে আমরা Samsung Galaxy M14 এর সমস্ত ফিচার এবং বাংলাদেশে দাম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। &amp;nbsp; Samsung Galaxy M14 এর প্রধান ফিচারসমূহ Samsung Galaxy M14 একটি মজবুত এবং দুর্দান্ত স্মার্টফোন। এটি অনেক উন্নত ফিচার দিয়ে সাজানো। &amp;nbsp; ডিসপ্লে Samsung Galaxy M14 এ 6.5 ইঞ্চি HD+ ইনফিনিটি-V ডিসপ্লে রয়েছে। ডিসপ্লেটি খুবই উজ্জ্বল এবং রঙিন। &amp;nbsp; প্রসেসর এই ফোনটিতে রয়েছে শক্তিশালী অক্টা-কোর প্রসেসর। এতে আপনি দ্রুত এবং মসৃণ পারফরম্যান্স পাবেন। &amp;nbsp; ক্যামেরা Samsung Galaxy M14 এ রয়েছে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা। প্রধান ক্যামেরাটি 48 মেগাপিক্সেল। এছাড়া 5 মেগাপিক্সেল আলট্রা-ওয়াইড এবং 2 মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সরও রয়েছে। &amp;nbsp; ব্যাটারি ফোনটিতে রয়েছে 6000mAh বিশাল ব্যাটারি। এটি দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ প্রদান করে। &amp;nbsp; স্টোরেজ Samsung Galaxy M14 এ 64GB অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ রয়েছে। এছাড়া 1TB পর্যন্ত এক্সপান্ডেবল মেমোরি সাপোর্ট করে। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম ফোনটি Android 11 অপারেটিং সিস্টেমে চলে। এছাড়া Samsung এর One UI 3.1 রয়েছে। Samsung Galaxy M14 স্পেসিফিকেশন টেবিল ফিচার বিবরণ ডিসপ্লে 6.5 ইঞ্চি HD+ ইনফিনিটি-V প্রসেসর অক্টা-কোর রিয়ার ক্যামেরা 48MP + 5MP + 2MP ফ্রন্ট ক্যামেরা 8MP ব্যাটারি 6000mAh স্টোরেজ 64GB, 1TB পর্যন্ত এক্সপান্ডেবল অপারেটিং সিস্টেম Android 11, One UI 3.1 &amp;nbsp; &amp;nbsp; Samsung Galaxy M14 এর দাম বাংলাদেশে বাংলাদেশে Samsung Galaxy M14 এর দাম মধ্যম মানের। এটি বাংলাদেশে প্রায় ২০,০০০ টাকা থেকে ২৫,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। দামটি নির্ভর করে বিভিন্ন বিক্রেতা এবং স্টোরের উপর। &amp;nbsp; Credit: www.buyreal.in &amp;nbsp; কেন Samsung Galaxy M14 কিনবেন? Samsung Galaxy M14 এর অনেক সুবিধা রয়েছে। এর বড় ডিসপ্লে, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি এবং শক্তিশালী ক্যামেরা আপনাকে মুগ্ধ করবে। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি উন্নত ক্যামেরা বিশাল ডিসপ্লে শক্তিশালী প্রসেসর বাজেট ফ্রেন্ডলি &amp;nbsp; &amp;nbsp; Samsung Galaxy M14 এর রিভিউ অনেক ব্যবহারকারী Samsung Galaxy M14 নিয়ে সন্তুষ্ট। তাদের মতে, ফোনটির পারফরম্যান্স, ব্যাটারি এবং ক্যামেরা খুবই ভালো। &amp;nbsp; Credit: www.samsung.com &amp;nbsp; উপসংহার Samsung Galaxy M14 একটি সম্পূর্ণ প্যাকেজ। এটি আপনার দৈনন্দিন জীবনের সব কাজ সহজ করে দেবে। বাংলাদেশের বাজারে এটি একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। আপনি যদি একটি শক্তিশালী এবং বাজেট ফ্রেন্ডলি ফোন খুঁজছেন, তবে Samsung Galaxy M14 হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Galaxy M14? Galaxy M14 features a 6. 5-inch display, 5000mAh battery, and 48MP triple camera setup. Does Galaxy M14 Support 5g Connectivity? Yes, the Samsung Galaxy M14 supports 5G connectivity for faster internet speeds. What Is The Battery Capacity Of Galaxy M14? The Samsung Galaxy M14 comes with a robust 5000mAh battery capacity. How Many Cameras Does Galaxy M14 Have? Galaxy M14 has a triple camera setup with a 48MP main sensor. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_45.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_45.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_45.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iQoo Z9s Series: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23751</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23751</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 10:08:05 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iqoo z9s series,iqoo z9 series,z9 series,iqoo z9 s series,z9 s series,iqoo z9 series 5g,vivo z9 series,iqoo z9 series mobile,iqoo z9 series unboxing,iqoo z9 series 5g unboxing,iqoo z9s series launch date,vivo t3 5g series,iqoo z9 series launch date in india,#iqoo,iqoo z9 sseris,iqoo z9s price,iqoo z9s camera samples,iqoo z9s camera,iqoo z9s review,iqoo z9s battery,iqoo z9s reviews,iqoo z9s pro price,iqoo z9s pubg test,iqoo z9s features]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Iqoo Z9S সিরিজ একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন সিরিজ। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসেছে। এই ব্লগে, আমরা Iqoo Z9S সিরিজের সকল বৈশিষ্ট্য এবং...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_43.jpg" alt="iQoo Z9s Series: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Iqoo Z9S সিরিজ একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন সিরিজ। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসেছে। এই ব্লগে, আমরা Iqoo Z9S সিরিজের সকল বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে এর মূল্য নিয়ে আলোচনা করব। &amp;nbsp; Iqoo Z9S সিরিজের প্রধান বৈশিষ্ট্য Iqoo Z9S সিরিজের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে উল্লেখ করা হল: ডিসপ্লে: 6.5 ইঞ্চি সুপার AMOLED ডিসপ্লে প্রসেসর: Qualcomm Snapdragon 870 র&amp;zwj;্যাম: 8GB/12GB স্টোরেজ: 128GB/256GB ক্যামেরা: 64MP প্রধান ক্যামেরা, 16MP সেলফি ক্যামেরা ব্যাটারি: 5000mAh ব্যাটারি, 44W ফাস্ট চার্জিং অপারেটিং সিস্টেম: Android 11 ডিসপ্লে Iqoo Z9S সিরিজে একটি 6.5 ইঞ্চি সুপার AMOLED ডিসপ্লে রয়েছে। এই ডিসপ্লে খুবই উজ্জ্বল এবং রঙিন। এটি ভিডিও এবং গেমিং এর জন্য আদর্শ। প্রসেসর Iqoo Z9S সিরিজে Qualcomm Snapdragon 870 প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রসেসরটি খুবই শক্তিশালী। এটি দ্রুত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ Iqoo Z9S সিরিজের দুটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে। একটি 8GB র&amp;zwj;্যাম এবং 128GB স্টোরেজ সহ। অন্যটি 12GB র&amp;zwj;্যাম এবং 256GB স্টোরেজ সহ। ক্যামেরা Iqoo Z9S সিরিজে 64MP প্রধান ক্যামেরা রয়েছে। এটি দুর্দান্ত ছবি তুলতে সক্ষম। এছাড়া, 16MP সেলফি ক্যামেরা রয়েছে। ব্যাটারি Iqoo Z9S সিরিজে 5000mAh ব্যাটারি রয়েছে। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ ধরে রাখতে সক্ষম। এছাড়া, 44W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। অপারেটিং সিস্টেম Iqoo Z9S সিরিজে Android 11 অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন ফিচার এবং উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশে Iqoo Z9S সিরিজের মূল্য বাংলাদেশে Iqoo Z9S সিরিজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নিচে বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টের মূল্য তালিকা দেওয়া হল: ভ্যারিয়েন্ট মূল্য (বাংলাদেশী টাকা) Iqoo Z9S (8GB/128GB) ৳৩৫,০০০ Iqoo Z9S (12GB/256GB) ৳৪০,০০০ &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; Iqoo Z9S সিরিজ কেন কিনবেন? Iqoo Z9S সিরিজ একটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। এটি উচ্চমানের বৈশিষ্ট্য এবং পারফরম্যান্স প্রদান করে। এই সিরিজের কিছু প্রধান কারণ নিচে উল্লেখ করা হল: শক্তিশালী প্রসেসর উজ্জ্বল এবং রঙিন ডিসপ্লে দুর্দান্ত ক্যামেরা দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট নতুন অপারেটিং সিস্টেম নির্ভরযোগ্যতা এবং গ্যারান্টি Iqoo Z9S সিরিজের ফোন গুলো বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য। এই ফোনগুলো উচ্চমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি। এছাড়া, কোম্পানি গ্যারান্টি প্রদান করে। সারসংক্ষেপ Iqoo Z9S সিরিজ একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন সিরিজ। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য অসাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং পারফরম্যান্স প্রদান করে। বাংলাদেশে এর মূল্যও গ্রহণযোগ্য। আপনি যদি একটি নতুন স্মার্টফোন কিনতে চান, তাহলে Iqoo Z9S সিরিজ একটি ভালো পছন্দ হতে পারে। আমাদের ব্লগটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি এটি আপনার জন্য উপকারী হবে। Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iqoo Z9s? Iqoo Z9S includes a 108MP camera, Snapdragon processor, and 5000mAh battery. How Much Does Iqoo Z9s Cost In Bangladesh? Iqoo Z9S is priced around BDT 30,000 in Bangladesh. Is Iqoo Z9s Suitable For Gaming? Yes, Iqoo Z9S offers excellent gaming performance with its advanced Snapdragon processor. What Is The Battery Life Of Iqoo Z9s? Iqoo Z9S has a long-lasting 5000mAh battery supporting fast charging. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_43.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_43.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_43.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Google Pixel 9 সিরিজ লঞ্চের সময় Android 15 আপডেট পাবে না কেন?]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23750</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23750</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 09:08:57 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[google pixel 9 pro,google pixel 9,pixel 9,pixel 9 pro,google pixel 9 pro xl,google pixel 9 pro unboxing,google pixel 9 pro review,pixel 9 pro xl,google pixel 9 review,google pixel 9 pro camera test,pixel 9 leaks,google pixel 9 unboxing,google pixel 9 leaks,pixel 9 pro leaks,google pixel 9 pro fold,google pixel 9 pro leaks,google pixel 9 price,pixel 9 pro review,google pixel,pixel 9 pro google,pixel 9 pro fold,google pixel 9 pro price]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Google Pixel 9 সিরিজের ফ্যানদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর। নতুন Google Pixel 9 সিরিজ হয়তো লঞ্চের সময়ই Android 15 আপডেট পাবে না। &amp;nbsp; Google Pixel 9 সিরিজের স...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_42.jpg" alt="Google Pixel 9 সিরিজ লঞ্চের সময় Android 15 আপডেট পাবে না কেন?" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Google Pixel 9 সিরিজের ফ্যানদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর। নতুন Google Pixel 9 সিরিজ হয়তো লঞ্চের সময়ই Android 15 আপডেট পাবে না। &amp;nbsp; Google Pixel 9 সিরিজের সংক্ষিপ্ত বিবরণ Google Pixel 9 সিরিজের মোবাইল ফোনগুলো প্রযুক্তির দুনিয়ায় অনেক জনপ্রিয়। এই ফোনগুলোতে সর্বাধুনিক ফিচার এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। &amp;nbsp; Android 15 কি? Android 15 হলো গুগলের নতুন অপারেটিং সিস্টেম। এতে আরও উন্নত সিকিউরিটি এবং নতুন ফিচার যোগ করা হয়েছে। &amp;nbsp; Android 15 এর কিছু ফিচার উন্নত সিকিউরিটি নতুন ইন্টারফেস উন্নত পারফরম্যান্স নতুন অ্যাপ ফিচার &amp;nbsp; Google Pixel 9 সিরিজ লঞ্চের সময় Android 15 আপডেট পাবে না কেন? অনেক কারণ থাকতে পারে। প্রধান কারণ হতে পারে সফটওয়্যার টেস্টিং। টেস্টিং সম্পূর্ণ না হলে নতুন আপডেট দেওয়া হয় না। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সফটওয়্যার টেস্টিং নতুন সফটওয়্যার রিলিজের আগে অনেক টেস্ট করতে হয়। এজন্য সময় লাগে। &amp;nbsp; কমপেটিবিলিটি নতুন সফটওয়্যার সব ডিভাইসে ঠিকমতো কাজ করতে হবে। এজন্য কমপেটিবিলিটি চেক করতে হয়। &amp;nbsp; Credit: 9to5google.com &amp;nbsp; &amp;nbsp; Google Pixel 9 সিরিজে কি পরিবর্তন আসবে? Google Pixel 9 সিরিজে অনেক নতুন ফিচার আসবে। ক্যামেরা, ব্যাটারি লাইফ, এবং পারফরম্যান্স উন্নত হবে। ক্যামেরা ফিচার Google Pixel 9 সিরিজের ক্যামেরা আরও উন্নত হবে। নতুন সেন্সর এবং লেন্স ব্যবহার করা হবে। ব্যাটারি লাইফ নতুন ব্যাটারি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। ব্যাটারি লাইফ আরও দীর্ঘ হবে। পারফরম্যান্স নতুন প্রসেসর এবং RAM ব্যবহার করা হবে। ফোনের পারফরম্যান্স আরও ভালো হবে। &amp;nbsp; Credit: www.indiatoday.in &amp;nbsp; Google Pixel 9 সিরিজের ব্যবহারকারীদের জন্য কি পরামর্শ? ব্যবহারকারীরা নতুন আপডেটের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। আপডেট এলে ফোনের পারফরম্যান্স আরও ভালো হবে। আপডেট চেক করুন ফোনের সেটিংসে গিয়ে আপডেট চেক করুন। নতুন আপডেট এলে ইন্সটল করুন। ব্যাটারি সেভিং টিপস ব্যাটারি সেভ করতে কিছু টিপস মেনে চলুন। যেমন, কম ব্রাইটনেসে ডিসপ্লে ব্যবহার করুন। উপসংহার Google Pixel 9 সিরিজের মোবাইল ফোনগুলো প্রযুক্তির দুনিয়ায় অনেক জনপ্রিয়। তবে, লঞ্চের সময়ই হয়তো Android 15 আপডেট পাবে না। নতুন আপডেটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions Will Pixel 9 Get Android 15? Google Pixel 9 may not receive Android 15 at launch. Why Pixel 9 Won&amp;#39;t Have Android 15? Potential delays in software updates could be the reason. When Will Pixel 9 Get Android 15? Exact release date for Android 15 on Pixel 9 is unknown. Are Pixel 9 Users Disappointed? Yes, many users are expressing disappointment. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_42.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_42.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_42.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 15 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23749</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23749</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 09:08:49 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 15 pro,iphone 15 pro max,iphone 15,iphone 15 pro unboxing,iphone 15 pro review,iphone 15 pro camera,iphone 15 plus,iphone,iphone 15 pro max review,iphone 15 pro max unboxing,iphone 15 pro setup,iphone 15 camera,iphone 15 review,apple iphone 15,iphone 15 pro max camera,iphone 15 features,iphone 15 unboxing,iphone 15 pro long term review,iphone 15 pro tips,iphone 15 pro colors,iphone 15 pro hands on,iphone 15 pro features]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 15 Pro এখন বাজারে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এর ফিচার আর দামের সম্পর্কে জানুন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 15 Pro এর প্রধান ফিচারসমূহ iPhone 15 Pro এর কিছু প্রধান...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_41.jpg" alt="iPhone 15 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 15 Pro এখন বাজারে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এর ফিচার আর দামের সম্পর্কে জানুন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 15 Pro এর প্রধান ফিচারসমূহ iPhone 15 Pro এর কিছু প্রধান ফিচার নিম্নে দেওয়া হলো: ডিসপ্লে: 6.1 ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে প্রসেসর: A17 বায়োনিক চিপ ক্যামেরা: 48 মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরা ব্যাটারি: দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ স্টোরেজ: 128GB, 256GB, 512GB, এবং 1TB অপারেটিং সিস্টেম: iOS 17 &amp;nbsp; ডিসপ্লে iPhone 15 Pro এর 6.1 ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে ব্যবহারকারীদের চমৎকার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা প্রদান করে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; প্রসেসর iPhone 15 Pro তে A17 বায়োনিক চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি দ্রুত এবং কার্যক্ষমতার জন্য পরিচিত। &amp;nbsp; ক্যামেরা iPhone 15 Pro এর 48 মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরা দিয়ে আপনি উচ্চমানের ছবি তুলতে পারবেন। &amp;nbsp; ব্যাটারি এই ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী। এটি একবার চার্জ দিলে সারা দিন চলবে। &amp;nbsp; Credit: www.bestbuy.com &amp;nbsp; স্টোরেজ iPhone 15 Pro বিভিন্ন স্টোরেজ অপশনে পাওয়া যায়। আপনি 128GB, 256GB, 512GB, এবং 1TB এর মধ্যে যে কোন একটি বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম iPhone 15 Pro তে iOS 17 অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি নতুন সব ফিচার এবং আপডেট নিয়ে এসেছে। &amp;nbsp; বাংলাদেশে মূল্য বাংলাদেশে iPhone 15 Pro এর মূল্য নির্ভর করে স্টোরেজ অপশনের উপর। নিচে এর মূল্য তালিকা দেওয়া হলো: স্টোরেজ মূল্য (টাকা) 128GB 1,50,000 256GB 1,70,000 512GB 1,90,000 1TB 2,10,000 &amp;nbsp; উপসংহার iPhone 15 Pro এর ফিচার এবং মূল্য সম্পর্কে আপনার জানা প্রয়োজন। এটি একটি প্রিমিয়াম ফোন। এটি আপনার জীবনে নতুন অভিজ্ঞতা আনবে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 15 Pro Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 15 Pro? IPhone 15 Pro boasts an A15 Bionic chip, improved camera system, and a stunning OLED display. How Much Does Iphone 15 Pro Cost In Bd? In Bangladesh, the iPhone 15 Pro starts at approximately BDT 1,35,000. Is Iphone 15 Pro Water-resistant? Yes, the iPhone 15 Pro is water-resistant with an IP68 rating, making it safe for underwater use up to 6 meters. Does Iphone 15 Pro Support 5g? Absolutely, the iPhone 15 Pro supports 5G connectivity, ensuring faster internet speeds and improved network performance. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_41.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_41.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_41.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 15 Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23748</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23748</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 09:08:20 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 15 plus,iphone 15,iphone 15 plus review,iphone 15 review,iphone 15 pro,iphone 15 pro max,apple iphone 15 plus,iphone 15 plus unboxing,iphone,apple iphone 15,apple iphone 15 plus review,iphone 15 unboxing,iphone 15 pro max review,iphone 15 camera,iphone 15 vs 15 plus,iphone 15 plus black,iphone 15 plus green,iphone 15 vs,iphone 15 plus worth it,new iphone 15,iphone 15 tips,pink iphone 15,iphone 15 plus vs 15 pro max]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 15 Plus একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এটি প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। চলুন দেখে নিই এর বৈশিষ্ট্য ও দাম। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 15 Plus এর প্রধান বৈশিষ্ট...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_40.jpg" alt="iPhone 15 Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 15 Plus একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এটি প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। চলুন দেখে নিই এর বৈশিষ্ট্য ও দাম। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 15 Plus এর প্রধান বৈশিষ্ট্য iPhone 15 Plus এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো দেখে নিই। এটি কেনার আগে এই তথ্যগুলো জানা জরুরি। বৈশিষ্ট্য বিবরণ ডিসপ্লে 6.7 ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে প্রসেসর A16 বায়োনিক চিপ ক্যামেরা ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ব্যাটারি ৪,০০০ এমএএইচ স্টোরেজ ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি রঙ কালো, সাদা, লাল, নীল &amp;nbsp; ডিসপ্লে iPhone 15 Plus এর ডিসপ্লে অনেক সুন্দর। এটি 6.7 ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে। এতে রঙ খুবই স্পষ্ট দেখা যায়। &amp;nbsp; প্রসেসর এই ফোনে আছে A16 বায়োনিক চিপ। এটি খুব দ্রুত কাজ করে। আপনি সহজেই গেম খেলতে পারবেন। &amp;nbsp; ক্যামেরা iPhone 15 Plus এর ক্যামেরা খুব ভালো। এতে আছে ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। আপনি সুন্দর ছবি তুলতে পারবেন। &amp;nbsp; ব্যাটারি এই ফোনের ব্যাটারি ৪,০০০ এমএএইচ। এটি দীর্ঘক্ষণ টিকে। আপনি সারা দিন ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। &amp;nbsp; স্টোরেজ iPhone 15 Plus এর স্টোরেজ বিভিন্ন। ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারবেন। &amp;nbsp; রঙ এই ফোনে বিভিন্ন রঙ পাওয়া যায়। কালো, সাদা, লাল, নীল। আপনি আপনার পছন্দের রঙ বেছে নিতে পারবেন। &amp;nbsp; বাংলাদেশে iPhone 15 Plus এর দাম এখন আমরা জানবো বাংলাদেশে iPhone 15 Plus এর দাম। দাম বিভিন্ন স্টোরেজ এবং রঙের উপর নির্ভর করে। ১২৮ জিবি: ১,২০,০০০ টাকা ২৫৬ জিবি: ১,৩০,০০০ টাকা ৫১২ জিবি: ১,৫০,০০০ টাকা &amp;nbsp; কেন Iphone 15 Plus কিনবেন? অনেকে জানতে চান কেন iPhone 15 Plus কিনবেন। এর কিছু কারণ নিচে দেওয়া হলো: সুন্দর ডিসপ্লে দ্রুত প্রসেসর উন্নত ক্যামেরা দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি বিভিন্ন স্টোরেজ অপশন বিভিন্ন রঙ &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 15 Plus এর সমালোচনা কোনো ফোনই নিখুঁত নয়। iPhone 15 Plus এর কিছু সমালোচনা রয়েছে। উচ্চ দাম ভারী ফোন চার্জিং সময় বেশি &amp;nbsp; উপসংহার iPhone 15 Plus একটি অসাধারণ ফোন। এতে অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তবে দাম কিছুটা বেশি। আপনি যদি সেরা ফোন খুঁজছেন, তাহলে এটি আপনার জন্য।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 15 Plus Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 15 Plus? IPhone 15 Plus offers advanced camera, A16 Bionic chip, 6. 7-inch OLED display, and enhanced battery life. How Much Does Iphone 15 Plus Cost In Bangladesh? The iPhone 15 Plus price in Bangladesh starts at BDT 120,000. Does Iphone 15 Plus Support 5g? Yes, the iPhone 15 Plus supports 5G connectivity for faster internet speeds. What Is The Battery Life Of Iphone 15 Plus? The iPhone 15 Plus provides up to 20 hours of video playback. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_40.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_40.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_40.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 15: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23747</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23747</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 09:08:30 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 15,iphone 15 pro,iphone 15 plus,iphone 15 pro max,iphone 15 review,iphone 15 camera,iphone 15 tips,iphone 15 vs,iphone,iphone 15 unboxing,iphone 15 pro review,iphone 15 tips and tricks,iphone 15 long term review,iphone 15 first things to do,iphone 15 guide,iphone 15 pro camera,iphone 15 plus review,iphone 15 pro max review,iphone 15 pro tips and tricks,iphone 15 blue,iphone 15 pro first things to do,iphone 15 tricks,iphone 15 vs 15 pro]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আইফোন ১৫ নিয়ে জানুন সবকিছু। এই গাইডে থাকছে স্পেসিফিকেশন, বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে দাম। &amp;nbsp; আইফোন ১৫ স্পেসিফিকেশন স্পেসিফিকেশন বিস্তারিত ডিসপ্লে ৬.৭ ইঞ্চি সুপা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_39.jpg" alt="iPhone 15: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আইফোন ১৫ নিয়ে জানুন সবকিছু। এই গাইডে থাকছে স্পেসিফিকেশন, বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে দাম। &amp;nbsp; আইফোন ১৫ স্পেসিফিকেশন স্পেসিফিকেশন বিস্তারিত ডিসপ্লে ৬.৭ ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে প্রসেসর A16 বায়োনিক চিপ ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল ট্রিপল ক্যামেরা সিস্টেম ব্যাটারি ৪৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি স্টোরেজ ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি ওএস আইওএস ১৬ &amp;nbsp; বৈশিষ্ট্য ৬.৭ ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে A16 বায়োনিক চিপ ১২ মেগাপিক্সেল ট্রিপল ক্যামেরা সিস্টেম ৪৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি ফেস আইডি এবং আইওএস ১৬ &amp;nbsp; ডিসপ্লে আইফোন ১৫ এর ডিসপ্লে ৬.৭ ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR। এটি দেখতে খুব সুন্দর। রঙগুলো খুব জীবন্ত। &amp;nbsp; প্রসেসর আইফোন ১৫ এ রয়েছে A16 বায়োনিক চিপ। এই চিপ খুব দ্রুত কাজ করে। গেম খেলা বা ভিডিও এডিটিং খুব মসৃণভাবে করা যায়। &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনে আছে ১২ মেগাপিক্সেল ট্রিপল ক্যামেরা। এতে ছবি খুব সুন্দর আসে। রাতে ছবি তুলতেও সমস্যা হয় না। &amp;nbsp; ব্যাটারি আইফোন ১৫ এর ব্যাটারি ৪৫০০ এমএএইচ। এটি অনেকক্ষণ চলে। একবার চার্জ দিলে সারাদিন ব্যবহার করা যায়। &amp;nbsp; স্টোরেজ এই ফোনে ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি এবং ৫১২ জিবি স্টোরেজ অপশন আছে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; ওএস আইফোন ১৫ এ রয়েছে আইওএস ১৬। এটি খুব সহজ এবং মসৃণ। নতুন ফিচারগুলো খুব সুবিধাজনক। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশে দাম আইফোন ১৫ এর দাম বাংলাদেশে নির্ভর করে স্টোরেজের উপর। নিচে বিভিন্ন স্টোরেজের দাম দেওয়া হলো: স্টোরেজ দাম (প্রায়) ১২৮ জিবি ৳ ১,২৫,০০০ ২৫৬ জিবি ৳ ১,৪৫,০০০ ৫১২ জিবি ৳ ১,৭৫,০০০ &amp;nbsp; &amp;nbsp; উপসংহার আইফোন ১৫ একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এর স্পেসিফিকেশন এবং বৈশিষ্ট্য অসাধারণ। বাংলাদেশে এর দাম কিছুটা বেশি হলেও এটি সত্যিই মূল্যবান।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 15 Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 15? IPhone 15 boasts an A16 chip, OLED display, and improved camera. How Much Does Iphone 15 Cost In Bangladesh? The iPhone 15 price in Bangladesh starts from BDT 1,20,000. Is Iphone 15 Camera Better? Yes, iPhone 15 has a 48MP main camera for stunning photos. Does Iphone 15 Support 5g? Yes, iPhone 15 supports 5G connectivity for faster internet speeds. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_39.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_39.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_39.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 14 Pro Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23746</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23746</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 09:08:52 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 14,iphone 14 pro max,iphone 14 pro,iphone 14 pro max review,iphone,iphone 14 plus,iphone 14 pro max unboxing,apple iphone 14 pro max,iphone 14 pro max camera,iphone 14 pro review,iphone 14 pro camera,iphone 14 pro max vs iphone 14 pro,iphone 14 pro max vs samsung s23 ultra,iphone 14 pro max vs,iphone 14 pro vs,iphone 14 pro max 2023,iphone 14 pro max 2024,iphone 14 pro max tech,iphone 14 pro maximum,fake iphone 14 pro max]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স অ্যাপলের প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। এটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং ফিচার সমৃদ্ধ। এই আর্টিকেলে আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_38.jpg" alt="iPhone 14 Pro Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স অ্যাপলের প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। এটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং ফিচার সমৃদ্ধ। এই আর্টিকেলে আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশে এর দাম নিয়ে আলোচনা করা হবে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: www.apple.com &amp;nbsp; আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর মূল ফিচার ডিসপ্লে: ৬.৭ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে প্রসেসর: A16 বায়োনিক চিপ ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল ট্রিপল ক্যামেরা সিস্টেম ব্যাটারি: দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ স্টোরেজ: ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি, ১ টিবি &amp;nbsp; ডিসপ্লে আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর ডিসপ্লে ৬.৭ ইঞ্চি। এটি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে। এই ডিসপ্লে তে রয়েছে HDR10 এবং ডলবি ভিশন সাপোর্ট। এর ফলে ছবি এবং ভিডিও আরও স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল দেখাবে। &amp;nbsp; প্রসেসর আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এ রয়েছে A16 বায়োনিক চিপ। এই চিপ খুবই শক্তিশালী। এটি দ্রুত এবং মসৃণ পারফরম্যান্স প্রদান করে। গেমিং, ভিডিও এডিটিং এবং মাল্টিটাস্কিং এ এটি অসাধারণ কাজ করে। &amp;nbsp; ক্যামেরা আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর ক্যামেরা সিস্টেম অনন্য। এর প্রাইমারি ক্যামেরা ৪৮ মেগাপিক্সেল। এছাড়া রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেল আলট্রা-ওয়াইড এবং টেলিফটো ক্যামেরা। নাইট মোড, পোর্ট্রেট মোড, এবং 4K ভিডিও রেকর্ডিং সাপোর্ট করে। &amp;nbsp; ব্যাটারি আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর ব্যাটারি লাইফ খুবই ভালো। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ ধরে রাখতে সক্ষম। ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করায় দ্রুত চার্জ করা যায়। &amp;nbsp; স্টোরেজ আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এ রয়েছে বিভিন্ন স্টোরেজ অপশন। ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি এবং ১ টিবি স্টোরেজ অপশন পাওয়া যায়। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোরেজ বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর দাম বাংলাদেশে বাংলাদেশে আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর দাম নির্ভর করে স্টোরেজ ক্যাপাসিটির উপর। নিচে বিভিন্ন স্টোরেজ অপশন এর দাম দেয়া হলো: স্টোরেজ দাম (টাকা) ১২৮ জিবি ১,৩০,০০০ ২৫৬ জিবি ১,৪০,০০০ ৫১২ জিবি ১,৬০,০০০ ১ টিবি ১,৮০,০০০ &amp;nbsp; কেন আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স কিনবেন? আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স কেনার অনেক কারণ রয়েছে। এটির প্রিমিয়াম ডিজাইন, অত্যাধুনিক ফিচার এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স একে অনন্য করে তুলেছে। নিচে কিছু কারণ দেয়া হলো: প্রিমিয়াম ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি অত্যাধুনিক ক্যামেরা সিস্টেম শক্তিশালী প্রসেসর এবং দ্রুত পারফরম্যান্স দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ নিরাপত্তার জন্য ফেস আইডি এবং অন্যান্য ফিচার &amp;nbsp; Credit: www.phonearena.com &amp;nbsp; উপসংহার আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স একটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। এটি অত্যাধুনিক ফিচার এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স এর জন্য জনপ্রিয়। বাংলাদেশে এর দাম কিছুটা বেশি হলেও এর ফিচার এবং পারফরম্যান্স এর জন্য এটি একটি ভালো বিনিয়োগ হতে পারে। আশা করি এই গাইড আপনাকে আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সহায়তা করবে। &amp;nbsp; সচরাচর জিজ্ঞাস্য প্রশ্ন (faq) প্রশ্ন: আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর ডিসপ্লে কত ইঞ্চি? উত্তর: ৬.৭ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে। প্রশ্ন: আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর প্রাইমারি ক্যামেরা কত মেগাপিক্সেল? উত্তর: ৪৮ মেগাপিক্সেল। প্রশ্ন: বাংলাদেশে আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর দাম কত? উত্তর: দাম নির্ভর করে স্টোরেজ ক্যাপাসিটির উপর। ১২৮ জিবি এর দাম ১,৩০,০০০ টাকা থেকে শুরু।&amp;nbsp; iPhone 14 Pro Max Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 14 Pro Max? The iPhone 14 Pro Max features A16 Bionic chip, 6. 7-inch OLED display, triple-camera setup, and improved battery life. How Much Does Iphone 14 Pro Max Cost In Bd? In Bangladesh, the iPhone 14 Pro Max price starts from approximately BDT 1,40,000. Does Iphone 14 Pro Max Support 5g? Yes, the iPhone 14 Pro Max supports 5G connectivity for faster internet speeds. What Is The Battery Life Of Iphone 14 Pro Max? The iPhone 14 Pro Max offers up to 28 hours of battery life on a single charge. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_38.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_38.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_38.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 14 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23745</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23745</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 09:08:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 14,iphone 14 pro,iphone 14 pro max,iphone 14 plus,iphone,iphone 14 pro review,iphone 14 pro camera,iphone 14 pro unboxing,iphone 14 pro space black,iphone 14 pro camera test,black iphone 14 pro,iphone 14 pro silver,iphone 14 review,iphone 14 camera,iphone 14 pro max review,space black iphone 14 pro,iphone 14 pro max unboxing,iphone 14 pro hidden features,iphone 14 vs,the iphone 14 pro,iphone 14 pro 2024,iphone 14 pro tips]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আইফোন ১৪ প্রো এর সর্বশেষ মডেলটি বাজারে এসেছে। এটি অনেক নতুন বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসেছে। এই নিবন্ধে আমরা আইফোন ১৪ প্রো এর স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে এর মূল্য সম্পর্কে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_37.jpg" alt="iPhone 14 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আইফোন ১৪ প্রো এর সর্বশেষ মডেলটি বাজারে এসেছে। এটি অনেক নতুন বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসেছে। এই নিবন্ধে আমরা আইফোন ১৪ প্রো এর স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে এর মূল্য সম্পর্কে জানব। &amp;nbsp; Credit: www.tomsguide.com &amp;nbsp; প্রাথমিক বৈশিষ্ট্যসমূহ আইফোন ১৪ প্রো এর কিছু প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য নিচে দেয়া হলো: প্রসেসর: A16 বায়োনিক চিপ ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা ডিসপ্লে: ৬.১ ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে ব্যাটারি লাইফ: পুরো দিনের ব্যাটারি লাইফ স্টোরেজ: ১২৮জিবি, ২৫৬জিবি, ৫১২জিবি, ১টিবি &amp;nbsp; প্রসেসর এবং পারফরম্যান্স আইফোন ১৪ প্রো তে A16 বায়োনিক চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। এই চিপটি খুব দ্রুত এবং শক্তিশালী। এটি খুব দ্রুত কাজ করতে পারে এবং মসৃণ অভিজ্ঞতা প্রদান করে। &amp;nbsp; ক্যামেরা বৈশিষ্ট্য আইফোন ১৪ প্রো এর ক্যামেরা খুব উন্নত। এর প্রাইমারি ক্যামেরা ৪৮ মেগাপিক্সেল। এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে আল্ট্রা-ওয়াইড এবং টেলিফটো লেন্স। &amp;nbsp; ডিসপ্লে এবং ডিজাইন আইফোন ১৪ প্রো এর ডিসপ্লে ৬.১ ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে। এটি খুব স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল। এর ডিজাইন খুব সুন্দর এবং আধুনিক। &amp;nbsp; &amp;nbsp; ব্যাটারি এবং চার্জিং আইফোন ১৪ প্রো তে পুরো দিনের ব্যাটারি লাইফ রয়েছে। এটি দ্রুত চার্জিং সমর্থন করে। আপনি দ্রুত এটি চার্জ করতে পারবেন। &amp;nbsp; স্টোরেজ অপশন আইফোন ১৪ প্রো তে বিভিন্ন স্টোরেজ অপশন রয়েছে। আপনি ১২৮জিবি, ২৫৬জিবি, ৫১২জিবি, এবং ১টিবি স্টোরেজ অপশন থেকে বেছে নিতে পারবেন। &amp;nbsp; বাংলাদেশে মূল্য বাংলাদেশে আইফোন ১৪ প্রো এর মূল্য নির্ভর করে স্টোরেজ অপশনের উপর। নিচের টেবিলে বিস্তারিত মূল্য দেয়া হলো: স্টোরেজ মূল্য (টাকা) ১২৮জিবি ১,২০,০০০ ২৫৬জিবি ১,৩০,০০০ ৫১২জিবি ১,৫০,০০০ ১টিবি ১,৭০,০০০ &amp;nbsp; &amp;nbsp; উপসংহার আইফোন ১৪ প্রো একটি খুব শক্তিশালী এবং উন্নত স্মার্টফোন। এর বৈশিষ্ট্য এবং পারফরম্যান্স খুব ভালো। বাংলাদেশে এর মূল্য কিছুটা বেশি, তবে এর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এটি একটি ভাল বিনিয়োগ। আপনি যদি একটি নতুন স্মার্টফোন কিনতে চান, তাহলে আইফোন ১৪ প্রো একটি ভালো পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 14 Pro Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী আইফোন ১৪ প্রো এর ব্যাটারি লাইফ কতক্ষণ? আইফোন ১৪ প্রো এর ব্যাটারি পুরো দিন চলতে পারে। আইফোন ১৪ প্রো এর ক্যামেরা কত মেগাপিক্সেল? আইফোন ১৪ প্রো এর প্রাইমারি ক্যামেরা ৪৮ মেগাপিক্সেল। আইফোন ১৪ প্রো এর বাংলাদেশে মূল্য কত? বাংলাদেশে আইফোন ১৪ প্রো এর মূল্য ১,২০,০০০ টাকা থেকে ১,৭০,০০০ টাকা পর্যন্ত। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions How Much Does Iphone 14 Pro Cost In Bd? The iPhone 14 Pro in Bangladesh starts at approximately BDT 130,000. What Are The Iphone 14 Pro Camera Features? IPhone 14 Pro features a triple 12MP camera system with Night mode, Deep Fusion, and 4K video recording. Does Iphone 14 Pro Support 5g? Yes, the iPhone 14 Pro supports 5G connectivity for faster internet speeds and improved performance. What Is The Battery Life Of Iphone 14 Pro? IPhone 14 Pro offers up to 20 hours of video playback on a single charge. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_37.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_37.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_37.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 14 Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23744</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23744</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 09:08:39 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 14 plus,iphone 14,iphone 14 plus review,iphone 14 plus unboxing,iphone 14 pro,apple iphone 14 plus,iphone 14 vs iphone 14 plus,iphone 14 plus vs iphone 14 pro max,iphone 14 plus camera,iphone 14 pro max,iphone 14 plus vs iphone 14,apple iphone 14,iphone 14 plus blue,iphone 14 plus purple,iphone 14 unboxing,iphone,iphone 14 plus battery,iphone 14 plus vs 14 pro max,iphone 14 plus battery test,apple iphone 14 plus review,iphone 14 review]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি আইফোন ১৪ প্লাস কিনতে চান? তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন। আমরা এখানে আইফোন ১৪ প্লাসের সব ফিচার ও দাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো। &amp;nbsp; আইফোন ১৪ প্লাসের বৈশিষ্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_36.jpg" alt="iPhone 14 Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি আইফোন ১৪ প্লাস কিনতে চান? তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন। আমরা এখানে আইফোন ১৪ প্লাসের সব ফিচার ও দাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো। &amp;nbsp; আইফোন ১৪ প্লাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ আইফোন ১৪ প্লাসের অসাধারণ সব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আসুন দেখে নেই: &amp;nbsp; ডিসপ্লে আইফোন ১৪ প্লাসে ৬.৭ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে রয়েছে। এই ডিসপ্লে তে আপনি পাবেন অত্যন্ত পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল ছবি। &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনে রয়েছে ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সিস্টেম। এর মাধ্যমে আপনি পাবেন অসাধারণ ছবি এবং ভিডিও গুণমান। &amp;nbsp; প্রসেসর আইফোন ১৪ প্লাসে রয়েছে A15 বায়োনিক চিপ। এটি আপনার ফোনকে করে তুলবে দ্রুত এবং শক্তিশালী। &amp;nbsp; ব্যাটারি এই ফোনে পাবেন লম্বা সময় ধরে ব্যাটারি লাইফ। এটি আপনাকে সারাদিন ব্যবহার করতে সাহায্য করবে। &amp;nbsp; সংযোগ আইফোন ১৪ প্লাসে রয়েছে ৫জি সংযোগ। এর মাধ্যমে আপনি পাবেন দ্রুত ইন্টারনেট স্পিড। &amp;nbsp; স্টোরেজ এই ফোনে রয়েছে ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি এবং ৫১২ জিবি স্টোরেজ অপশন। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোরেজ বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; ফিচারের তালিকা ৬.৭ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সিস্টেম A15 বায়োনিক চিপ লম্বা সময় ধরে ব্যাটারি লাইফ ৫জি সংযোগ ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি এবং ৫১২ জিবি স্টোরেজ অপশন &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশে আইফোন ১৪ প্লাসের দাম বাংলাদেশে আইফোন ১৪ প্লাসের দাম বিভিন্ন স্টোরে ভিন্ন হতে পারে। তবে এখানে আমরা কিছু সাধারণ দাম সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছি: স্টোরেজ দাম (টাকা) ১২৮ জিবি ১,২০,০০০ ২৫৬ জিবি ১,৩৫,০০০ ৫১২ জিবি ১,৫০,০০০ &amp;nbsp; কেন আইফোন ১৪ প্লাস কিনবেন? অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, কেন আইফোন ১৪ প্লাস কিনতে হবে? এর উত্তর সহজ। অসাধারণ ডিসপ্লে এবং ক্যামেরা শক্তিশালী প্রসেসর লম্বা সময় ধরে ব্যাটারি দ্রুত ইন্টারনেট স্পিড &amp;nbsp; &amp;nbsp; ফাইনাল থটস আপনি যদি একটি প্রিমিয়াম ফোন খুঁজছেন, তাহলে আইফোন ১৪ প্লাস হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। এর ফিচার এবং পারফরমেন্স আপনাকে মুগ্ধ করবে। বাংলাদেশের বাজারে এর দামও যুক্তিসঙ্গত। আশা করি এই গাইডটি আপনাকে আইফোন ১৪ প্লাস সম্পর্কে সব তথ্য দিয়েছে। ধন্যবাদ!&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 14 Plus Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 14 Plus? The iPhone 14 Plus features a larger display, improved camera system, and A15 Bionic chip for enhanced performance. Does Iphone 14 Plus Support 5g? Yes, the iPhone 14 Plus supports 5G connectivity for faster internet speeds and better network performance. What Is The Battery Life Of Iphone 14 Plus? The iPhone 14 Plus offers up to 20 hours of video playback on a single charge. How Much Does Iphone 14 Plus Cost In Bangladesh? In Bangladesh, the iPhone 14 Plus price starts at approximately BDT 1,20,000. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_36.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_36.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_36.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 14: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23743</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23743</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 08:08:03 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 14,iphone 14 pro,iphone 14 plus,iphone 14 pro max,iphone,iphone 14 unboxing,iphone 14 review,iphone 14 camera,iphone 14 starlight,iphone 14 vs iphone 13,iphone 14 pro unboxing,iphone 14 vs 13,apple iphone 14,iphone 14 purple,iphone 13,iphone 14 vs 14 pro,iphone 14 hands on,iphone 14 pro max unboxing,apple iphone,iphone 14 vs,ifone 14,iphone 14 max,iphone 14 mini,iphone 14 tips,iphone 13 vs 14,iphone 14 blue,iphone 14 vs pro]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আইফোন ১৪ নতুন প্রজন্মের একটি স্মার্টফোন। এটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসেছে। চলুন দেখি এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে দাম। &amp;nbsp; আইফোন ১৪ এর বৈশিষ্ট্য আ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_35.jpg" alt="iPhone 14: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আইফোন ১৪ নতুন প্রজন্মের একটি স্মার্টফোন। এটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসেছে। চলুন দেখি এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে দাম। &amp;nbsp; আইফোন ১৪ এর বৈশিষ্ট্য আইফোন ১৪ এর বৈশিষ্ট্য অনেক উন্নত। এখানে আমরা তা আলোচনা করবো। &amp;nbsp; ডিজাইন এবং বিল্ড আইফোন ১৪ এর ডিজাইন অত্যন্ত চমৎকার। এর বিল্ড কোয়ালিটি খুবই মজবুত। অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম গ্লাস ব্যাক এবং ফ্রন্ট ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্ট (IP68) &amp;nbsp; ডিসপ্লে আইফোন ১৪ এর ডিসপ্লে খুবই উজ্জ্বল এবং রঙিন। ধরন Super Retina XDR OLED সাইজ ৬.১ ইঞ্চি রেজোলিউশন ২৫৩২ x ১১৭০ পিক্সেল &amp;nbsp; পারফরম্যান্স আইফোন ১৪ এর পারফরম্যান্স অসাধারণ। এটি দ্রুত এবং মসৃণ। চিপসেট: A16 Bionic CPU: Hexa-core GPU: Apple GPU &amp;nbsp; ক্যামেরা আইফোন ১৪ এর ক্যামেরা খুবই উন্নত। ছবি এবং ভিডিও তোলা খুবই সহজ। প্রধান ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল (ওয়াইড) অতিরিক্ত ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল (আল্ট্রাওয়াইড) সেলফি ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল &amp;nbsp; ব্যাটারি ধারণক্ষমতা: ৩১১০ mAh ফাস্ট চার্জিং: ২০W ওয়্যারলেস চার্জিং: ১৫W &amp;nbsp; সফটওয়্যার আইফোন ১৪ iOS ১৬ এ চলে। এটি অনেক নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে। নতুন উইজেট নতুন অ্যাপ লাইব্রেরি উন্নত প্রাইভেসি কন্ট্রোল &amp;nbsp; সংযোগ 5G সমর্থন Wi-Fi 6 Bluetooth 5.2 &amp;nbsp; বাংলাদেশে আইফোন ১৪ এর দাম বাংলাদেশে আইফোন ১৪ এর দাম বিভিন্ন মডেলের উপর নির্ভর করে। নিচে আমরা বিভিন্ন মডেলের দাম উল্লেখ করেছি। মডেল দাম (BDT) আইফোন ১৪ (১২৮GB) ১,১০,০০০ টাকা আইফোন ১৪ (২৫৬GB) ১,২০,০০০ টাকা আইফোন ১৪ (৫১২GB) ১,৩০,০০০ টাকা &amp;nbsp; &amp;nbsp; নিষ্কর্ষ আইফোন ১৪ একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এর বৈশিষ্ট্য এবং পারফরম্যান্স খুবই উন্নত। বাংলাদেশে এর দাম বিভিন্ন মডেলের উপর নির্ভর করে। আপনি যদি একটি উন্নত স্মার্টফোন চান, তবে আইফোন ১৪ আপনার জন্য সেরা পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 14 Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 14? IPhone 14 features A15 Bionic chip, 5G support, improved cameras, and a Super Retina XDR display. How Much Does Iphone 14 Cost In Bangladesh? The iPhone 14 price in Bangladesh starts at approximately BDT 1,20,000. Does Iphone 14 Support 5g? Yes, iPhone 14 supports 5G connectivity for faster internet speeds. What Is The Battery Life Of Iphone 14? IPhone 14 offers up to 20 hours of video playback. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_35.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_35.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_35.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone SE (3rd gen): এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23742</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23742</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 08:08:48 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone se,iphone se 2022,iphone se 3,iphone,iphone se 3rd generation,iphone se review,iphone se 3rd gen,iphone se 3 review,iphone se 2022 review,new iphone se,iphone se 3rd gen in 2024,2022 iphone se,iphone se 2020,new iphone,iphone se 3rd gen 2024,iphone se 3rd gen ios 17,apple iphone,iphone se 3rd gen in 2023,iphone tricks,apple iphone se,iphone se 3rd gen long term,iphone se camera,apple iphone se 3,iphone se 3 in 2024,iphone se 3 camera]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone SE (3rd Gen) এর নতুন সংস্করণটি বাজারে এসেছে। এটি একাধিক উন্নত বৈশিষ্ট্য সহ এসেছে। বাংলাদেশে এর দাম কত এবং এর বৈশিষ্ট্য কী কী তা আমরা এখানে জানব। &amp;nbsp; i...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_34.jpg" alt="iPhone SE (3rd gen): এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone SE (3rd Gen) এর নতুন সংস্করণটি বাজারে এসেছে। এটি একাধিক উন্নত বৈশিষ্ট্য সহ এসেছে। বাংলাদেশে এর দাম কত এবং এর বৈশিষ্ট্য কী কী তা আমরা এখানে জানব। &amp;nbsp; iPhone SE (3rd Gen) এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য iPhone SE (3rd Gen) এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করা হলো: ডিসপ্লে: 4.7 ইঞ্চি রেটিনা এইচডি ডিসপ্লে চিপ: A15 Bionic চিপ ক্যামেরা: 12 মেগাপিক্সেল ওয়াইড ক্যামেরা ব্যাটারি: দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ সুরক্ষা: ফেস আইডি এবং টাচ আইডি &amp;nbsp; ডিসপ্লে iPhone SE (3rd Gen) এর ডিসপ্লে 4.7 ইঞ্চি রেটিনা এইচডি। এটি উচ্চ মানের ছবি এবং ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতা দেয়। এর রেজুলেশন 1334 x 750 পিক্সেল। &amp;nbsp; চিপ iPhone SE (3rd Gen) এ ব্যবহৃত হয়েছে A15 Bionic চিপ। এই চিপটি খুবই দ্রুত এবং শক্তিশালী। এটি গেমিং এবং গ্রাফিক্স কাজের জন্য আদর্শ। &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনে রয়েছে 12 মেগাপিক্সেল ওয়াইড ক্যামেরা। এটি উচ্চ মানের ছবি এবং ভিডিও ধারণ করতে সক্ষম। নাইট মোড, পোর্ট্রেট মোড এবং 4K ভিডিও রেকর্ডিং এর মতো বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। &amp;nbsp; ব্যাটারি iPhone SE (3rd Gen) এর ব্যাটারি লাইফ অনেক দীর্ঘস্থায়ী। সাধারণ ব্যবহারে একদিনের বেশি চলতে পারে। দ্রুত চার্জিং সুবিধাও রয়েছে। &amp;nbsp; সুরক্ষা ফোনটি সুরক্ষার জন্য ফেস আইডি এবং টাচ আইডি সহ এসেছে। এটি আপনার ডেটা সুরক্ষিত রাখে। &amp;nbsp; iPhone SE (3rd Gen) এর বাংলাদেশে দাম বাংলাদেশে iPhone SE (3rd Gen) এর দাম বিভিন্ন হতে পারে। তবে সাধারণত এর দাম ৫০,০০০ টাকা থেকে ৬০,০০০ টাকার মধ্যে থাকে। &amp;nbsp; ফোনটির অন্যান্য বৈশিষ্ট্য iPhone SE (3rd Gen) এ আরও কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে: ওজন: 148 গ্রাম স্টোরেজ: 64GB, 128GB, 256GB রঙ: ব্ল্যাক, হোয়াইট, এবং প্রোডাক্ট রেড ওয়াটার এবং ডাস্ট রেসিস্ট্যান্স: IP67 অপারেটিং সিস্টেম: iOS 15 &amp;nbsp; ওজন এবং আকার iPhone SE (3rd Gen) এর ওজন মাত্র 148 গ্রাম। এটি খুবই হালকা এবং সহজে বহনযোগ্য। &amp;nbsp; স্টোরেজ এই ফোনে তিনটি স্টোরেজ অপশন রয়েছে: 64GB, 128GB, এবং 256GB। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; রঙ iPhone SE (3rd Gen) তিনটি রঙে পাওয়া যায়: ব্ল্যাক, হোয়াইট, এবং প্রোডাক্ট রেড। &amp;nbsp; ওয়াটার এবং ডাস্ট রেসিস্ট্যান্স ফোনটি IP67 রেটিং সহ এসেছে। এটি ওয়াটার এবং ডাস্ট রেসিস্ট্যান্স। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম iPhone SE (3rd Gen) এ ব্যবহৃত হয়েছে iOS 15 অপারেটিং সিস্টেম। এটি খুবই ব্যবহার-বান্ধব এবং উন্নত। &amp;nbsp; Credit: support.apple.com &amp;nbsp; ফোনটি কেন কিনবেন? iPhone SE (3rd Gen) কেনার কিছু কারণ নিচে উল্লেখ করা হলো: দ্রুত এবং শক্তিশালী A15 Bionic চিপ উচ্চ মানের ক্যামেরা দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ ফেস আইডি এবং টাচ আইডি সুরক্ষা ওয়াটার এবং ডাস্ট রেসিস্ট্যান্স &amp;nbsp; ফোনটি কোথায় কিনবেন? আপনি iPhone SE (3rd Gen) বিভিন্ন অনলাইন এবং অফলাইন স্টোরে কিনতে পারেন। কিছু জনপ্রিয় অনলাইন স্টোর হল: Daraz Pickaboo Bagdoom Gadget &amp;amp; Gear &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: www.apple.com &amp;nbsp; সারসংক্ষেপ iPhone SE (3rd Gen) একটি উন্নত এবং শক্তিশালী ফোন। এর A15 Bionic চিপ, উচ্চ মানের ক্যামেরা, এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ একে সেরা ফোনগুলোর একটি করে তুলেছে। বাংলাদেশে এর দাম ৫০,০০০ টাকা থেকে ৬০,০০০ টাকার মধ্যে থাকে। আপনি অনলাইন এবং অফলাইন স্টোর থেকে এটি কিনতে পারেন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone SE (3rd gen) Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; প্রশ্ন ও উত্তর Iphone Se (3rd Gen) এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? iPhone SE (3rd Gen) এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল 4.7 ইঞ্চি রেটিনা এইচডি ডিসপ্লে, A15 Bionic চিপ, 12 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি। বাংলাদেশে Iphone Se (3rd Gen) এর দাম কত? বাংলাদেশে iPhone SE (3rd Gen) এর দাম সাধারণত ৫০,০০০ টাকা থেকে ৬০,০০০ টাকার মধ্যে থাকে। ফোনটি কোন রঙে পাওয়া যায়? iPhone SE (3rd Gen) ব্ল্যাক, হোয়াইট, এবং প্রোডাক্ট রেড রঙে পাওয়া যায়। ফোনটির স্টোরেজ অপশন কী কী? iPhone SE (3rd Gen) এ তিনটি স্টোরেজ অপশন রয়েছে: 64GB, 128GB, এবং 256GB। ফোনটি কোথায় পাওয়া যাবে? আপনি iPhone SE (3rd Gen) বিভিন্ন অনলাইন এবং অফলাইন স্টোরে কিনতে পারেন। অনলাইন স্টোরের মধ্যে Daraz, Pickaboo, এবং Gadget &amp;amp; Gear উল্লেখযোগ্য। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone Se (3rd Gen)? IPhone SE (3rd Gen) features A15 Bionic chip, 5G support, 12MP camera, and 4. 7-inch Retina HD display. Does Iphone Se (3rd Gen) Support 5g? Yes, iPhone SE (3rd Gen) supports 5G for faster internet speeds and better connectivity. What Is The Battery Life Of Iphone Se (3rd Gen)? The battery life of iPhone SE (3rd Gen) lasts up to 15 hours of video playback. How Much Does Iphone Se (3rd Gen) Cost In Bd? In Bangladesh, iPhone SE (3rd Gen) price starts around BDT 44,000. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_34.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_34.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_34.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 13 Pro Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23741</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23741</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 08:08:27 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 13 pro max,iphone 13,iphone 13 pro,iphone 13 unboxing,iphone 13 pro max review,iphone 13 pro max unboxing,iphone 13 review,iphone,iphone 13 mini,apple iphone 13 pro max,iphone 13 pro max camera,iphone 13 pro review,iphone 13 max,iphone 13 camera,iphone 13 pro max vs,iphone 13 pro max gold,review iphone 13 pro max,iphone 13 pro max español,iphone 13 tips,iphone 13 green,apple iphone 13,iphone 13 pro max camera test]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স অ্যাপলের সর্বশেষ এবং সর্বাধিক আধুনিক স্মার্টফোন। এই ফোনটি উন্নত প্রযুক্তি এবং ফিচার সমৃদ্ধ। আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি আইফোন ১৩ প্রো...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_33.jpg" alt="iPhone 13 Pro Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স অ্যাপলের সর্বশেষ এবং সর্বাধিক আধুনিক স্মার্টফোন। এই ফোনটি উন্নত প্রযুক্তি এবং ফিচার সমৃদ্ধ। আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সের সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশনস এবং বাংলাদেশে মূল্য সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা। &amp;nbsp; Credit: www.amazon.com &amp;nbsp; আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সের মূল ফিচার ৬.৭ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে এ১৫ বায়োনিক চিপ ১২ মেগাপিক্সেল ট্রিপল ক্যামেরা সিস্টেম ১২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫জি সাপোর্ট iOS 15 অপারেটিং সিস্টেম ৪৩৫২ এমএএইচ ব্যাটারি ডিসপ্লে আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সে ৬.৭ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে রয়েছে। এই ডিসপ্লেটি ২৭৭৮ x ১২৮৪ পিক্সেল রেজোলিউশন সমর্থন করে। ডিসপ্লের রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্জ, যা আপনাকে স্মুথ এবং রেসপন্সিভ অভিজ্ঞতা প্রদান করে। প্রসেসর এবং পারফরম্যান্স এই ফোনে রয়েছে এ১৫ বায়োনিক চিপ। এটি অ্যাপলের সর্বশেষ এবং শক্তিশালী চিপ। এই চিপে ৬ কোর সিপিইউ এবং ৫ কোর জিপিইউ রয়েছে। ফলে গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিং আরও স্মুথ হয়। ক্যামেরা আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সে ১২ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল ক্যামেরা সিস্টেম রয়েছে। এতে রয়েছে আল্ট্রা ওয়াইড, ওয়াইড এবং টেলিফটো লেন্স। এছাড়াও, নাইট মোড, ডিপ ফিউশন এবং স্মার্ট এইচডিআর ৪ এর মত ফিচারও রয়েছে। ক্যামেরা ফিচার বিস্তারিত প্রধান ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল (ওয়াইড) আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল টেলিফটো ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল &amp;nbsp; ব্যাটারি আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সে ৪৩৫২ এমএএইচ ব্যাটারি রয়েছে। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ ধরে রাখতে সক্ষম। এই ফোনটি ফাস্ট চার্জিং এবং ম্যাগসেফ চার্জিং সমর্থন করে। স্টোরেজ এবং র&amp;zwj;্যাম এই ফোনটি বিভিন্ন স্টোরেজ অপশনে পাওয়া যায়। যেমন ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি এবং ১ টিবি। সব মডেলেই ৬ জিবি র&amp;zwj;্যাম রয়েছে। অপারেটিং সিস্টেম আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সে iOS 15 অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। এটি নতুন নতুন ফিচার এবং উন্নত নিরাপত্তা প্রদান করে। &amp;nbsp; বাংলাদেশে মূল্য বাংলাদেশে আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সের মূল্য মডেল এবং স্টোরেজ অপশনের উপর নির্ভর করে। এখানে কিছু মূল্য তালিকা দেওয়া হলো: মডেল মূল্য (টাকা) ১২৮ জিবি প্রায় ১,৪৫,০০০ ২৫৬ জিবি প্রায় ১,৬০,০০০ ৫১২ জিবি প্রায় ১,৮০,০০০ ১ টিবি প্রায় ২,০০,০০০ &amp;nbsp; Credit: www.phonearena.com &amp;nbsp; &amp;nbsp; শেষ কথা আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স একটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। এটি উন্নত প্রযুক্তি এবং ফিচার সমৃদ্ধ। বাংলাদেশে এর মূল্য কিছুটা বেশি হলেও এটি উচ্চমানের পারফরম্যান্স প্রদান করে। আপনি যদি একটি উন্নত স্মার্টফোন খুঁজছেন, তবে আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স হতে পারে আপনার জন্য সেরা পছন্দ।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 13 Pro Max Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 13 Pro Max? The iPhone 13 Pro Max features a 6. 7-inch OLED display, A15 Bionic chip, and 5G support. What Is The Battery Life Of Iphone 13 Pro Max? The iPhone 13 Pro Max offers up to 28 hours of video playback. Does Iphone 13 Pro Max Support 5g? Yes, the iPhone 13 Pro Max supports 5G connectivity for faster internet speeds. How Much Storage Does Iphone 13 Pro Max Offer? The iPhone 13 Pro Max comes in 128GB, 256GB, 512GB, and 1TB storage options. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_33.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_33.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_33.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 13 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23740</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23740</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 08:08:21 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 13 pro,iphone 13,iphone 13 pro max,iphone 13 pro review,iphone,iphone 13 unboxing,iphone 13 mini,iphone 13 pro camera,iphone 13 review,iphone 13 pro unboxing,iphone 13 pro max vs,iphone 13 camera,iphone 13 pro max review,iphone 14,iphone 13 pro accessories,iphone 13 pro vs iphone 13 pro max,iphone 13 pro unboxing aesthetic,iphone 13 pro vs,iphone 13 vs,vs iphone 13,iphone 13 pro 2024,iphone 13 pro 2023,apple iphone 13 pro,new iphone]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 13 Pro হলো Apple এর নতুন স্মার্টফোন। এটি অনেক উন্নত ফিচার সহ আসে। এই গাইড আপনাকে iPhone 13 Pro এর সবকিছু জানাবে। &amp;nbsp; iPhone 13 Pro এর মূল ফিচারসমূহ iP...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_32.jpg" alt="iPhone 13 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 13 Pro হলো Apple এর নতুন স্মার্টফোন। এটি অনেক উন্নত ফিচার সহ আসে। এই গাইড আপনাকে iPhone 13 Pro এর সবকিছু জানাবে। &amp;nbsp; iPhone 13 Pro এর মূল ফিচারসমূহ iPhone 13 Pro এর কিছু মূল ফিচার নিচে দেওয়া হলো: প্রসেসর: A15 Bionic চিপ ডিসপ্লে: 6.1 ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে ক্যামেরা: ট্রিপল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা স্টোরেজ: ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি, ১ টিবি ব্যাটারি: লম্বা ব্যাটারি লাইফ রঙ: সিয়েরা ব্লু, সিলভার, গোল্ড, গ্রাফাইট &amp;nbsp; প্রসেসর এবং পারফরম্যান্স iPhone 13 Pro এ ব্যবহার করা হয়েছে A15 Bionic চিপ। এটি খুব দ্রুত এবং শক্তিশালী। এই চিপের মাধ্যমে গেম খেলা এবং অ্যাপ চালানো খুব সহজ। &amp;nbsp; ডিসপ্লে iPhone 13 Pro এর ডিসপ্লে হলো 6.1 ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে। এটি খুবই পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল। এই ডিসপ্লে ভিডিও দেখা এবং গেম খেলার জন্য উপযুক্ত। &amp;nbsp; ক্যামেরা iPhone 13 Pro এ রয়েছে ট্রিপল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এই ক্যামেরা দিয়ে খুব সুন্দর ছবি তোলা যায়। ক্যামেরায় রয়েছে নাইট মোড, পোর্ট্রেট মোড এবং 4K ভিডিও রেকর্ডিং সুবিধা। &amp;nbsp; &amp;nbsp; স্টোরেজ iPhone 13 Pro এ বিভিন্ন স্টোরেজ অপশন রয়েছে। এটি ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি এবং ১ টিবি স্টোরেজের সাথে আসে। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোরেজ বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; Credit: www.amazon.com &amp;nbsp; &amp;nbsp; ব্যাটারি লাইফ iPhone 13 Pro এর ব্যাটারি লাইফ খুবই ভালো। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ থাকে। আপনি সারাদিন ব্যাটারি নিয়ে চিন্তা না করেও ব্যবহার করতে পারবেন। &amp;nbsp; রঙ iPhone 13 Pro এর বিভিন্ন রঙের অপশন রয়েছে। এটি সিয়েরা ব্লু, সিলভার, গোল্ড এবং গ্রাফাইট রঙে পাওয়া যায়। &amp;nbsp; iPhone 13 Pro এর বাংলাদেশে দাম iPhone 13 Pro এর দাম বাংলাদেশে ভিন্ন হতে পারে। নিচে বিভিন্ন স্টোরেজ অপশন এবং তাদের দাম উল্লেখ করা হলো: স্টোরেজ দাম (বাংলাদেশি টাকা) ১২৮ জিবি ১,২০,০০০ টাকা ২৫৬ জিবি ১,৩০,০০০ টাকা ৫১২ জিবি ১,৫০,০০০ টাকা ১ টিবি ১,৭০,০০০ টাকা &amp;nbsp; কেন iPhone 13 Pro কিনবেন? iPhone 13 Pro এর অনেক ভালো ফিচার রয়েছে। এটি দ্রুত, শক্তিশালী এবং ব্যবহার করা সহজ। এর ক্যামেরা এবং ডিসপ্লে খুবই উন্নত। এছাড়া এর ব্যাটারি লাইফও ভালো। &amp;nbsp; উপসংহার iPhone 13 Pro একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এর স্পেসিফিকেশন এবং ফিচারগুলো খুবই উন্নত। আপনি যদি একটি ভালো স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাহলে iPhone 13 Pro হতে পারে আপনার জন্য সেরা পছন্দ। &amp;nbsp; iPhone 13 Pro Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 13 Pro? The iPhone 13 Pro features ProMotion display, A15 Bionic chip, and advanced camera system. Does Iphone 13 Pro Support 5g? Yes, the iPhone 13 Pro supports 5G connectivity for faster internet speeds. What Is The Battery Life Of Iphone 13 Pro? The iPhone 13 Pro offers up to 22 hours of video playback. How Many Cameras Does Iphone 13 Pro Have? The iPhone 13 Pro has a triple-camera system on the rear. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_32.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_32.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_32.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 13 mini: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23739</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23739</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 08:08:32 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 13 mini,iphone 13,iphone 13 mini review,iphone 13 mini vs iphone 13,iphone 13 mini pink,apple iphone 13 mini,iphone 13 mini camera,iphone 13 mini size,iphone 13 mini battery,iphone 13 mini unboxing,iphone 13 mini battery life,iphone 13 mini long term review,iphone 13 pro max,iphone 13 mini vs iphone 12 mini,iphone 13 mini vs,iphone 13 pro,iphone 13 unboxing,iphone 13 mini 2024,iphone 13 mini vs 13,iphone 13 mini in 2023]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 13 Mini হল একটি কমপ্যাক্ট কিন্তু শক্তিশালী স্মার্টফোন। এটি বাংলাদেশে জনপ্রিয়। আসুন এর ফিচার এবং দাম সম্পর্কে জানি। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 13 Mini এর মূল ফ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_31.jpg" alt="iPhone 13 mini: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 13 Mini হল একটি কমপ্যাক্ট কিন্তু শক্তিশালী স্মার্টফোন। এটি বাংলাদেশে জনপ্রিয়। আসুন এর ফিচার এবং দাম সম্পর্কে জানি। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 13 Mini এর মূল ফিচার iPhone 13 Mini অনেক আকর্ষণীয় ফিচার সমৃদ্ধ। নিচে এর প্রধান ফিচারগুলো উল্লেখ করা হলো: ডিসপ্লে: 5.4 ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে প্রসেসর: A15 বায়োনিক চিপ ক্যামেরা: ডুয়াল 12MP ক্যামেরা সিস্টেম ব্যাটারি লাইফ: সারা দিন ব্যাটারি লাইফ স্টোরেজ: 128GB, 256GB, 512GB ডিসপ্লে iPhone 13 Mini এর ডিসপ্লে খুবই উজ্জ্বল। এটি 5.4 ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে। এতে আপনি স্পষ্ট এবং জীবন্ত ছবি পাবেন। প্রসেসর iPhone 13 Mini তে A15 বায়োনিক চিপ রয়েছে। এই চিপ খুব দ্রুত এবং শক্তিশালী। এটি গেম খেলা এবং মাল্টিটাস্কিং খুব সহজ করে দেয়। ক্যামেরা iPhone 13 Mini তে ডুয়াল 12MP ক্যামেরা সিস্টেম আছে। প্রধান ক্যামেরা এবং আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা দিয়ে আপনি সুন্দর ছবি তুলতে পারবেন। ব্যাটারি iPhone 13 Mini এর ব্যাটারি লাইফ খুব ভাল। একবার চার্জ দিলে সারা দিন ব্যবহার করা যায়। স্টোরেজ iPhone 13 Mini তে তিনটি স্টোরেজ অপশন আছে। 128GB, 256GB এবং 512GB। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোরেজ বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 13 Mini এর বাংলাদেশি দাম iPhone 13 Mini এর দাম স্টোরেজ অনুযায়ী ভিন্ন হয়। নিচে বাংলাদেশি দামের তালিকা দেওয়া হলো: স্টোরেজ দাম (BDT) 128GB ৮৫,০০০ টাকা 256GB ৯৫,০০০ টাকা 512GB ১,১০,০০০ টাকা &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 13 Mini কেন কিনবেন? iPhone 13 Mini কেনার অনেক কারণ আছে। এটি ছোট এবং হালকা। এটি শক্তিশালী এবং দ্রুত। এর ক্যামেরা অসাধারণ। ব্যাটারি লাইফ ভাল। ছোট এবং হালকা iPhone 13 Mini খুবই ছোট এবং হালকা। এটি সহজে পকেটে রাখা যায়। এটি হাতে ধরতে আরামদায়ক। শক্তিশালী এবং দ্রুত A15 বায়োনিক চিপের কারণে এটি খুব দ্রুত। গেম খেলা এবং মাল্টিটাস্কিং সহজ। অসাধারণ ক্যামেরা ডুয়াল 12MP ক্যামেরা সিস্টেম দিয়ে সুন্দর ছবি তোলা যায়। নাইট মোড এবং ডিপ ফিউশন ফিচার আছে। ভাল ব্যাটারি লাইফ iPhone 13 Mini এর ব্যাটারি লাইফ সারা দিন চলে। একবার চার্জ দিলে সারাদিন ব্যবহার করা যায়। ফাইনাল থটস iPhone 13 Mini একটি চমৎকার স্মার্টফোন। এটি ছোট, শক্তিশালী এবং দুর্দান্ত ক্যামেরা যুক্ত। বাংলাদেশে এর দামও তুলনামূলক সাশ্রয়ী। আপনার জন্য সেরা যদি আপনি একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী ফোন খুঁজছেন, তাহলে iPhone 13 Mini সেরা। এর ফিচার এবং দাম আপনাকে সন্তুষ্ট করবে। আজই কিনুন এবং উপভোগ করুন iPhone 13 Mini এর চমৎকার অভিজ্ঞতা।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 13 mini Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Screen Size Of Iphone 13 Mini? IPhone 13 Mini has a 5. 4-inch OLED display. How Much Does Iphone 13 Mini Weigh? IPhone 13 Mini weighs approximately 141 grams. Does Iphone 13 Mini Support 5g? Yes, iPhone 13 Mini supports 5G connectivity. What Is The Battery Life Of Iphone 13 Mini? The iPhone 13 Mini offers up to 17 hours of video playback. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_31.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_31.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_31.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 13: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23738</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23738</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 08:08:22 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 13,iphone 13 mini,iphone 13 pro,iphone 13 review,iphone 13 unboxing,apple iphone 13,iphone 13 pro max,iphone,iphone 13 camera,iphone 13 vs iphone 12,new iphone 13,iphone 13 guide,iphone 13 battery,iphone 13 hidden features,apple iphone,best iphone 13,iphone 13 mkbhd,iphone 13 setup,green iphone 13,iphone 13 tricks,iphone 13 hands on,iphone 13 features,new iphone,iphone 13 pro camera,apple iphone 13 mini,iphone 13 pro review]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 13 হলো Apple এর নতুন স্মার্টফোন। এটি অনেক নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে। আমরা এখানে iPhone 13 এর সব ফিচার নিয়ে আলোচনা করবো। &amp;nbsp; iPhone 13 এর প্রধান ফিচার iP...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_30.jpg" alt="iPhone 13: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 13 হলো Apple এর নতুন স্মার্টফোন। এটি অনেক নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে। আমরা এখানে iPhone 13 এর সব ফিচার নিয়ে আলোচনা করবো। &amp;nbsp; iPhone 13 এর প্রধান ফিচার iPhone 13 এ অনেক নতুন ফিচার আছে। চলুন দেখি কি কি ফিচার আছে। ডিসপ্লে iPhone 13 এর ডিসপ্লে খুবই সুন্দর। ডিসপ্লে এর সাইজ হলো 6.1 ইঞ্চি। ডিসপ্লে টাইপ: Super Retina XDR রেজল্যুশন: 2532 x 1170 পিক্সেল পিক্সেল ডেনসিটি: 460 ppi &amp;nbsp; ক্যামেরা iPhone 13 এর ক্যামেরা খুবই শক্তিশালী। এটি দিয়ে অসাধারণ ছবি তোলা যায়। ক্যামেরা বিবরণ প্রধান ক্যামেরা 12 MP আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা 12 MP সেলফি ক্যামেরা 12 MP &amp;nbsp; ব্যাটারি iPhone 13 এর ব্যাটারি খুবই শক্তিশালী। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলে। ব্যাটারি টাইপ: লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ক্ষমতা: 3095 mAh চার্জিং: 20W ফাস্ট চার্জিং &amp;nbsp; প্রসেসর iPhone 13 এর প্রসেসর খুবই দ্রুত। এটি সব কাজ দ্রুত করে। প্রসেসর: A15 Bionic CPU: হেক্সা-কোর GPU: 4-core গ্রাফিক্স &amp;nbsp; স্টোরেজ এবং র&amp;zwj;্যাম iPhone 13 এ অনেক স্টোরেজ এবং র&amp;zwj;্যাম আছে। এটি অনেক ডাটা রাখতে পারে। র&amp;zwj;্যাম: 4 GB স্টোরেজ অপশন: 128 GB, 256 GB, 512 GB &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম iPhone 13 এ নতুন অপারেটিং সিস্টেম আছে। এটি খুবই সহজ এবং মজাদার। অপারেটিং সিস্টেম: iOS 15 &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 13 এর দাম iPhone 13 এর দাম বাংলাদেশে কত? এখানে আমরা iPhone 13 এর দাম সম্পর্কে জানবো। স্টোরেজ দাম (BDT) 128 GB প্রায় ১,১০,০০০ টাকা 256 GB প্রায় ১,২৫,০০০ টাকা 512 GB প্রায় ১,৪৫,০০০ টাকা &amp;nbsp; iPhone 13 কেন কিনবেন? iPhone 13 কেনার অনেক কারণ আছে। এখানে কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো। শক্তিশালী ক্যামেরা দ্রুত প্রসেসর বড় স্টোরেজ দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ নতুন iOS 15 &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 13 কোথায় কিনবেন? আপনি iPhone 13 অনেক জায়গায় কিনতে পারেন। এখানে কিছু জায়গার নাম উল্লেখ করা হলো। Apple স্টোর অনলাইন মার্কেটপ্লেস বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স শপ &amp;nbsp; শেষ কথা iPhone 13 একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এটি অনেক ফিচার নিয়ে এসেছে। এর দামও যুক্তিযুক্ত। তাই দেরি না করে আজই কিনুন iPhone 13।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 13 Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 13? IPhone 13 features a 6. 1-inch OLED display, A15 Bionic chip, and dual-camera system. How Much Does Iphone 13 Cost In Bangladesh? The iPhone 13 price in Bangladesh starts from approximately BDT 95,000. Does Iphone 13 Support 5g Technology? Yes, iPhone 13 supports 5G connectivity for faster internet speeds. What Is The Battery Life Of Iphone 13? IPhone 13 offers up to 19 hours of video playback on a single charge. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_30.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_30.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_30.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 12 Pro Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23737</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23737</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 08:08:53 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 12 pro max,iphone 12,iphone 12 pro,apple iphone 12 pro max,iphone 12 pro max review,iphone 12 pro max unboxing,iphone,iphone 12 mini,12 pro max,iphone 12 pro max camera,iphone 12 unboxing,iphone 12 max,iphone 12 pro max apple,iphone 12 pro max in 2024,apple iphone 12,iphone 12 review,iphone 12 camera,vs iphone 12 pro,iphone 12 pro max 2024,iphone 12 pro max gold,iphone 12 vs,iphone 12 pro max price,iphone 12 pro max colors]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 12 Pro Max একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি Apple কোম্পানির নির্মিত। এই ফোনটি বাজারে এসেছে অসাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ে। &amp;nbsp; Credit: www.apple.com &amp;nbsp; &amp;nb...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_29.jpg" alt="iPhone 12 Pro Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 12 Pro Max একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি Apple কোম্পানির নির্মিত। এই ফোনটি বাজারে এসেছে অসাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ে। &amp;nbsp; Credit: www.apple.com &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 12 Pro Max এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য iPhone 12 Pro Max এর অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিচে এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি দেওয়া হলো: 6.7 ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে A14 বায়োনিক চিপ ৫জি সমর্থন প্রো ক্যামেরা সিস্টেম LiDAR স্ক্যানার ডলবি ভিশন HDR রেকর্ডিং Ceramic Shield সুরক্ষা MagSafe প্রযুক্তি &amp;nbsp; ডিসপ্লে iPhone 12 Pro Max এর 6.7 ইঞ্চি ডিসপ্লে রয়েছে। এটি সুপার রেটিনা XDR প্রযুক্তির। এই ডিসপ্লে খুব স্পষ্ট এবং রঙিন। &amp;nbsp; চিপ এবং পারফরমেন্স এই ফোনে A14 বায়োনিক চিপ রয়েছে। এটি অনেক দ্রুত এবং শক্তিশালী। &amp;nbsp; ৫জি সমর্থন iPhone 12 Pro Max ৫জি সমর্থন করে। ফলে ইন্টারনেট ব্যবহার আরও দ্রুত হয়। &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনে প্রো ক্যামেরা সিস্টেম রয়েছে। এটি তিনটি ক্যামেরা দিয়ে তৈরি। প্রধান ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেলের। &amp;nbsp; Lidar স্ক্যানার LiDAR স্ক্যানার এই ফোনের আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি (AR) অভিজ্ঞতা উন্নত করে। &amp;nbsp; ভিডিও রেকর্ডিং iPhone 12 Pro Max ডলবি ভিশন HDR রেকর্ডিং সমর্থন করে। এর ফলে ভিডিওগুলো খুবই স্পষ্ট এবং সুন্দর হয়। &amp;nbsp; Ceramic Shield এই ফোনে Ceramic Shield সুরক্ষা রয়েছে। এটি ফোনকে দারুনভাবে সুরক্ষা দেয়। &amp;nbsp; Magsafe প্রযুক্তি MagSafe প্রযুক্তি ফোনটিকে আরও সুবিধাজনক করে তোলে। এতে দ্রুত এবং সঠিকভাবে চার্জ করা যায়। &amp;nbsp; iPhone 12 Pro Max এর বাংলাদেশে মূল্য iPhone 12 Pro Max এর মূল্য বিভিন্ন দোকানে ভিন্ন হতে পারে। নিচে বাংলাদেশে এর আনুমানিক মূল্য দেওয়া হলো: মডেল স্টোরেজ মূল্য (টাকা) iPhone 12 Pro Max 128GB 1,40,000 iPhone 12 Pro Max 256GB 1,50,000 iPhone 12 Pro Max 512GB 1,70,000 &amp;nbsp; &amp;nbsp; উপসংহার iPhone 12 Pro Max একটি অসাধারণ ফোন। এটি অনেক বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা নিয়ে আসে। যদি আপনি একটি প্রিমিয়াম ফোন চান, তবে এটি একটি ভালো পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 12 Pro Max Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Screen Size Of Iphone 12 Pro Max? IPhone 12 Pro Max has a 6. 7-inch Super Retina XDR display. How Many Cameras Does Iphone 12 Pro Max Have? It features a triple-camera system: Ultra Wide, Wide, and Telephoto. What Is The Battery Life Of Iphone 12 Pro Max? The battery lasts up to 20 hours of talk time. Does Iphone 12 Pro Max Support 5g? Yes, it supports 5G networks for faster internet speeds. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_29.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_29.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_29.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 12 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23736</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23736</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 08:08:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 12 pro,iphone 12,iphone 12 pro max,iphone 12 pro unboxing,iphone 12 pro review,iphone 12 pro camera,iphone 12 unboxing,iphone 12 camera,iphone,iphone 12 vs iphone 12 pro,apple iphone 12,iphone 12 review,iphone 12 pro camera test,iphone 12 pro max unboxing,iphone 12 pro vs,iphone 12 vs,iphone 12 pro size,iphone 12 pro gold,apple iphone 12 pro,iphone 12 tips,iphone 12 blue,iphone 12 mini,iphone 12 pro colors,how much iphone 12 pro]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 12 Pro একটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। এটি অনেক ফিচার এবং শক্তিশালী স্পেসিফিকেশন নিয়ে আসে। এই গাইডে আমরা iPhone 12 Pro এর স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে দাম সম্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_28.jpg" alt="iPhone 12 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 12 Pro একটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। এটি অনেক ফিচার এবং শক্তিশালী স্পেসিফিকেশন নিয়ে আসে। এই গাইডে আমরা iPhone 12 Pro এর স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে দাম সম্পর্কে জানবো। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 12 Pro এর গুরুত্বপূর্ণ ফিচার iPhone 12 Pro এর অনেক চমৎকার ফিচার রয়েছে। আসুন আমরা বিস্তারিত জেনে নেই: ডিসপ্লে: ৬.১ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে প্রসেসর: এ১৪ বায়োনিক চিপ ক্যামেরা: ট্রিপল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সিস্টেম ব্যাটারি: লং-লাস্টিং ব্যাটারি লাইফ স্টোরেজ: ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি অপশন ডিসপ্লে iPhone 12 Pro এর ডিসপ্লে খুবই স্পষ্ট। ৬.১ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে রয়েছে। এটি HDR10 এবং ডলবি ভিশন সমর্থন করে। ডিসপ্লের রেজোলিউশন ১১৭০ x ২৫৩২ পিক্সেল। প্রসেসর iPhone 12 Pro এ১৪ বায়োনিক চিপ ব্যবহার করে। এটি অ্যাপলের সবচেয়ে শক্তিশালী চিপ। এই চিপ ফোনকে দ্রুত এবং কার্যকরী করে তোলে। ক্যামেরা iPhone 12 Pro এর ক্যামেরা সিস্টেম খুবই উন্নত। এতে ট্রিপল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা রয়েছে। একটি আল্ট্রা-ওয়াইড, একটি ওয়াইড এবং একটি টেলিফটো লেন্স রয়েছে। নাইট মোড, ডীপ ফিউশন এবং স্মার্ট এইচডিআর ৩ এর মত ফিচার রয়েছে। ব্যাটারি iPhone 12 Pro এর ব্যাটারি খুবই শক্তিশালী। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ ধরে রাখতে পারে। আপনি সহজেই একটি দিন পেরিয়ে যেতে পারেন। স্টোরেজ iPhone 12 Pro এর স্টোরেজ অপশন অনেক। আপনি ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি বা ৫১২ জিবি স্টোরেজ বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; iPhone 12 Pro এর বাংলাদেশে দাম বাংলাদেশে iPhone 12 Pro এর দাম বিভিন্ন হতে পারে। দাম নির্ভর করে স্টোরেজ এবং রঙের উপর। এখানে আমরা একটি টেবিল দেখাচ্ছি: স্টোরেজ দাম (টাকা) ১২৮ জিবি ১,৩০,০০০ ২৫৬ জিবি ১,৪০,০০০ ৫১২ জিবি ১,৬০,০০০ &amp;nbsp; iPhone 12 Pro কেন কিনবেন? iPhone 12 Pro কেনার জন্য অনেক কারণ রয়েছে। আসুন আমরা কিছু কারণ দেখি: অত্যাধুনিক ক্যামেরা সিস্টেম শক্তিশালী এ১৪ বায়োনিক চিপ সুন্দর ও স্পষ্ট ডিসপ্লে দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ বেশি স্টোরেজ অপশন &amp;nbsp; অন্য ফোনের সাথে তুলনা iPhone 12 Pro অনেক ফোনের সাথে তুলনা করা যায়। এটি অনেক ফোনের থেকে ভাল পারফর্ম করে। নিম্নে একটি তুলনা টেবিল দেওয়া হলো: ফিচার iPhone 12 Pro Samsung Galaxy S21 ডিসপ্লে ৬.১ ইঞ্চি ৬.২ ইঞ্চি প্রসেসর এ১৪ বায়োনিক এক্সিনস ২১০০ ক্যামেরা ট্রিপল ১২ মেগাপিক্সেল ট্রিপল ১২ মেগাপিক্সেল ব্যাটারি ২৮১৫ এমএএইচ ৪০০০ এমএএইচ &amp;nbsp; Credit: www.phonearena.com &amp;nbsp; Credit: www.apple.com &amp;nbsp; শেষ কথা iPhone 12 Pro একটি অসাধারণ ফোন। এর ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন খুবই উন্নত। বাংলাদেশে এর দাম মানানসই। আপনি যদি একটি প্রিমিয়াম ফোন খুঁজছেন, তবে iPhone 12 Pro আপনার জন্য সেরা পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 12 Pro Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 12 Pro? IPhone 12 Pro features A14 Bionic chip, Super Retina XDR display, and triple-camera system. How Much Does Iphone 12 Pro Cost In Bd? The iPhone 12 Pro price in BD starts around 1,30,000 BDT. Does Iphone 12 Pro Support 5g? Yes, iPhone 12 Pro supports 5G for faster internet speeds. What Is The Battery Life Of Iphone 12 Pro? IPhone 12 Pro offers up to 17 hours of video playback. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_28.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_28.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_28.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 12 mini: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23735</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23735</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 07:08:42 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 12 mini,iphone 12 mini review,iphone 12,apple iphone 12 mini,iphone 12 mini unboxing,iphone 12 mini size,iphone 12 pro,iphone 12 mini price,iphone 12 mini camera,iphone mini,iphone 12 pro max,iphone 12 mini colors,iphone 12 mini hands on,iphone 12 mini vs iphone 12,iphone 12 review,iphone,iphone 12 mini screen size,iphone 12 mini release date,iphone 12 mini size comparison,iphone 12 mini vs,iphone 12 mini vs 12,iphone 12 mini tips,12 mini]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী ফোন খুঁজছেন? তাহলে iPhone 12 Mini হতে পারে আপনার জন্য উপযুক্ত। এই ফোনটি ছোট হলেও এতে অনেক উন্নত ফিচার আছে। আসুন দেখি এই ফোনের...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_27.jpg" alt="iPhone 12 mini: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী ফোন খুঁজছেন? তাহলে iPhone 12 Mini হতে পারে আপনার জন্য উপযুক্ত। এই ফোনটি ছোট হলেও এতে অনেক উন্নত ফিচার আছে। আসুন দেখি এই ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে এর দাম। &amp;nbsp; iPhone 12 Mini এর মূল ফিচারসমূহ ডিসপ্লে: ৫.৪ ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে প্রসেসর: এ১৪ বায়োনিক চিপ ক্যামেরা: ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ব্যাটারি: দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি স্টোরেজ: ৬৪GB, ১২৮GB, ২৫৬GB রঙ: কালো, সাদা, লাল, নীল, সবুজ &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; ডিসপ্লে iPhone 12 Mini এর ডিসপ্লে ৫.৪ ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR। এটি খুব পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল। আপনি এতে ছবি এবং ভিডিও খুব ভালোভাবে দেখতে পারবেন। &amp;nbsp; প্রসেসর এই ফোনে আছে এ১৪ বায়োনিক চিপ। এটি খুবই দ্রুত এবং শক্তিশালী। আপনি সহজেই কোনো অ্যাপ চালাতে পারবেন। &amp;nbsp; ক্যামেরা iPhone 12 Mini তে ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা আছে। এটি খুব ভালো ছবি তোলে। রাতে ছবি তোলার জন্য নাইট মোডও আছে। &amp;nbsp; ব্যাটারি এই ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী। আপনি দীর্ঘ সময় ধরে ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। চার্জও খুব দ্রুত হয়। &amp;nbsp; স্টোরেজ iPhone 12 Mini বিভিন্ন স্টোরেজ অপশনে আসে। আপনি ৬৪GB, ১২৮GB, এবং ২৫৬GB স্টোরেজ নিতে পারেন। &amp;nbsp; রঙ এই ফোনটি বিভিন্ন রঙে পাওয়া যায়। কালো, সাদা, লাল, নীল, এবং সবুজ রঙে এটি পাওয়া যায়। &amp;nbsp; বাংলাদেশে iPhone 12 Mini এর দাম বাংলাদেশে iPhone 12 Mini এর দাম বিভিন্ন হতে পারে। নিচে বিভিন্ন স্টোরেজ অপশনের দাম দেওয়া হল: স্টোরেজ দাম (টাকা) ৬৪GB ৮৫,০০০ ১২৮GB ৯০,০০০ ২৫৬GB ৯৫,০০০ &amp;nbsp; কেন iPhone 12 Mini কিনবেন? ছোট এবং হালকা, সহজে বহনযোগ্য উন্নত প্রসেসর এবং ক্যামেরা দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি বিভিন্ন স্টোরেজ এবং রঙের অপশন &amp;nbsp; উপসংহার iPhone 12 Mini একটি চমৎকার ফোন। এটি ছোট হলেও এতে অনেক উন্নত ফিচার আছে। আপনি যদি একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী ফোন খুঁজছেন, তাহলে এটি আপনার জন্য উপযুক্ত হতে পারে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 12 mini Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 12 Mini? The iPhone 12 Mini features A14 Bionic chip, 5G support, dual-camera system, and Super Retina XDR display. How Much Does Iphone 12 Mini Cost In Bd? In Bangladesh, the iPhone 12 Mini costs approximately BDT 70,000. Does Iphone 12 Mini Support 5g? Yes, the iPhone 12 Mini supports 5G connectivity for faster internet speeds. What Is The Battery Life Of Iphone 12 Mini? The iPhone 12 Mini offers up to 15 hours of video playback. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_27.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_27.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_27.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 12: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23734</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23734</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 04:08:31 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 12,iphone 12 pro,iphone 12 review,iphone 12 unboxing,iphone 12 pro max,iphone,iphone 12 vs,iphone 12 mini,iphone 12 pro unboxing,iphone 12 2024,iphone 12 camera,iphone 11 vs iphone 12,iphone 11,iphone 11 vs 12,iphone 12 in 2024,iphone 12 pro review,iphone 14,vs iphone 12,iphone 12 blue,apple iphone 12,iphone 12 guide,iphone 12 black,iphone 12 white,white iphone 12,iphone 13,iphone 12 magsafe,ios 18 on iphone 12]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 12 হলো অ্যাপলের একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি অনেক উন্নত ফিচার নিয়ে এসেছে। চলুন দেখি এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে এর মূল্য। &amp;nbsp; iPhone 12...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_15.jpg" alt="iPhone 12: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 12 হলো অ্যাপলের একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি অনেক উন্নত ফিচার নিয়ে এসেছে। চলুন দেখি এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে এর মূল্য। &amp;nbsp; iPhone 12 এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ডিসপ্লে: ৬.১ ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে প্রসেসর: A14 বায়োনিক চিপ ক্যামেরা: ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা ব্যাটারি: ২৮১৫ এমএএইচ ব্যাটারি স্টোরেজ: ৬৪GB, ১২৮GB, ২৫৬GB অপারেটিং সিস্টেম: iOS 14 &amp;nbsp; ডিসপ্লে iPhone 12 এর ডিসপ্লে খুবই চমৎকার। এর ৬.১ ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে আছে। এটি HDR10 এবং ডলবি ভিশন সাপোর্ট করে। ডিসপ্লেটি খুবই উজ্জ্বল। এটি ১২০০ নিট পিক ব্রাইটনেস প্রদান করে। &amp;nbsp; প্রসেসর iPhone 12 তে A14 বায়োনিক চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি খুবই শক্তিশালী চিপ। এটি দ্রুত এবং কার্যক্ষম। আপনি গেম খেলা, ভিডিও সম্পাদনা সহ সব কাজ সহজেই করতে পারবেন। &amp;nbsp; ক্যামেরা iPhone 12 এর ক্যামেরা খুবই উন্নত। এর ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা আছে। একটি ওয়াইড ক্যামেরা এবং একটি আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা। এছাড়াও নাইট মোড এবং ডীপ ফিউশন আছে। সেলফি ক্যামেরাও ১২ মেগাপিক্সেল। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; ব্যাটারি iPhone 12 এর ব্যাটারি লাইফ ভালো। এর ২৮১৫ এমএএইচ ব্যাটারি আছে। এটি দ্রুত চার্জিং সাপোর্ট করে। আপনি সারাদিন ব্যবহার করতে পারবেন। &amp;nbsp; স্টোরেজ iPhone 12 বিভিন্ন স্টোরেজ অপশনে পাওয়া যায়। ৬৪GB, ১২৮GB এবং ২৫৬GB। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোরেজ বেছে নিতে পারবেন। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম iPhone 12 তে iOS 14 অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি খুবই সহজ এবং ব্যবহারবান্ধব। নতুন ফিচার এবং আপডেট সহ আসে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 12 এর বাংলাদেশে মূল্য বাংলাদেশে iPhone 12 এর মূল্য বিভিন্ন স্টোরেজ অপশনের উপর নির্ভর করে। নিচে একটি টেবিল দেওয়া হলো: মডেল মূল্য (বাংলাদেশে) iPhone 12 (64GB) প্রায় ৮৮,০০০ টাকা iPhone 12 (128GB) প্রায় ৯৪,০০০ টাকা iPhone 12 (256GB) প্রায় ১,০৫,০০০ টাকা &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; উপসংহার iPhone 12 একটি উন্নতমানের স্মার্টফোন। এর স্পেসিফিকেশন এবং বৈশিষ্ট্য চমৎকার। বাংলাদেশে এর মূল্য কিছুটা বেশি হতে পারে। তবে এর ফিচার এবং পারফরমেন্সের কারণে এটি একটি ভালো ইনভেস্টমেন্ট। &amp;nbsp; iPhone 12 Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Display Size Of Iphone 12? IPhone 12 features a 6. 1-inch Super Retina XDR display. Does Iphone 12 Support 5g Network? Yes, iPhone 12 supports 5G connectivity for faster internet speeds. How Much Ram Does Iphone 12 Have? IPhone 12 comes with 4GB of RAM. What Is The Battery Capacity Of Iphone 12? The battery capacity of iPhone 12 is 2815 mAh. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_15.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_15.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_15.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone SE (2nd gen): এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23733</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23733</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 00:08:28 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone se,iphone,iphone se 2020,iphone se 2,iphone se 3,iphone se 2nd generation,iphone se (2nd gen),iphone se 2nd gen,new iphone se,iphone 8,iphone se review,iphone se 2020 review,2020 iphone se,apple iphone se,iphone 11 pro max,iphone 11,iphone 12,iphone se 2 review,iphone 2020,iphone se 2nd gen 2024,apple iphone,iphone 11 pro,iphone se 2nd gen review,iphone se 2nd gen in 2024,iphone se 2022,iphone 9,iphone xr]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি একটি নতুন ফোন খুঁজছেন? iPhone SE (2nd Gen) হতে পারে আপনার জন্য সেরা পছন্দ। এটি একটি শক্তিশালী ফোন। এখানে আমরা iPhone SE (2nd Gen) এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_04.jpg" alt="iPhone SE (2nd gen): এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি একটি নতুন ফোন খুঁজছেন? iPhone SE (2nd Gen) হতে পারে আপনার জন্য সেরা পছন্দ। এটি একটি শক্তিশালী ফোন। এখানে আমরা iPhone SE (2nd Gen) এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশের মূল্য সম্পর্কে আলোচনা করবো। &amp;nbsp; iPhone SE (2nd Gen) এর প্রধান বৈশিষ্ট্য iPhone SE (2nd Gen) একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী ফোন। এটি অনেক সুবিধা দেয়। নিচে এর প্রধান বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলো: বৈশিষ্ট্য বর্ণনা প্রসেসর A13 Bionic চিপ স্ক্রিন সাইজ 4.7 ইঞ্চি Retina HD ডিসপ্লে ক্যামেরা 12MP রিয়ার ক্যামেরা, 7MP ফ্রন্ট ক্যামেরা স্টোরেজ 64GB, 128GB, 256GB ব্যাটারি Li-Ion 1821 mAh অপারেটিং সিস্টেম iOS 13 (আপডেটযোগ্য) &amp;nbsp; প্রসেসর iPhone SE (2nd Gen) এ রয়েছে A13 Bionic চিপ। এটি খুব দ্রুত কাজ করে। গেম খেলা এবং অ্যাপ ব্যবহার করা সহজ হয়। &amp;nbsp; স্ক্রিন সাইজ এর স্ক্রিন সাইজ 4.7 ইঞ্চি। এটি Retina HD ডিসপ্লে। ছবি এবং ভিডিও দেখতে খুব সুন্দর লাগে। &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনের রিয়ার ক্যামেরা 12MP। ফ্রন্ট ক্যামেরা 7MP। ছবি এবং সেলফি খুব ভালো আসে। &amp;nbsp; স্টোরেজ iPhone SE (2nd Gen) এ তিনটি স্টোরেজ অপশন আছে। 64GB, 128GB এবং 256GB। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোরেজ বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; ব্যাটারি এর ব্যাটারি ক্ষমতা 1821 mAh। এটি আপনাকে একটি পূর্ণ দিনের জন্য ব্যাটারি লাইফ প্রদান করে। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম iPhone SE (2nd Gen) এ iOS 13 অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি আপডেটযোগ্য। নতুন ফিচার এবং সিকিউরিটি আপডেট পেতে পারবেন। &amp;nbsp; iPhone SE (2nd Gen) এর বাংলাদেশ মূল্য বাংলাদেশে iPhone SE (2nd Gen) এর মূল্য বিভিন্ন হতে পারে। এটা নির্ভর করে স্টোরেজের উপর। নিচে বাংলাদেশে এর আনুমানিক মূল্য দেওয়া হলো: 64GB: প্রায় ৪৫,০০০ টাকা 128GB: প্রায় ৫০,০০০ টাকা 256GB: প্রায় ৫৮,০০০ টাকা মূল্য স্টোর এবং সময় অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। &amp;nbsp; iPhone SE (2nd Gen) কেন কিনবেন? iPhone SE (2nd Gen) একটি দুর্দান্ত ফোন। এটি ছোট এবং হালকা। কিন্তু এর ক্ষমতা খুব বেশি। নিচে কিছু কারণ দেওয়া হলো কেন আপনি এটি কিনবেন: শক্তিশালী A13 Bionic চিপ উচ্চ মানের ক্যামেরা ছোট এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য উন্নত সিকিউরিটি ফিচার সাশ্রয়ী মূল্য &amp;nbsp; Credit: www.apple.com &amp;nbsp; উপসংহার iPhone SE (2nd Gen) একটি শক্তিশালী এবং সাশ্রয়ী ফোন। এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশের মূল্য সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি। আশা করি এটি আপনার জন্য সহায়ক হবে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone SE (2nd gen) Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone Se (2nd Gen)? IPhone SE (2nd Gen) features A13 Bionic chip, 4. 7-inch Retina HD display, and 12MP rear camera. What Is The Battery Life Of Iphone Se (2nd Gen)? The iPhone SE (2nd Gen) offers up to 13 hours of video playback. Does Iphone Se (2nd Gen) Support Wireless Charging? Yes, iPhone SE (2nd Gen) supports Qi wireless charging. What Is The Price Of Iphone Se (2nd Gen) In Bd? The price of iPhone SE (2nd Gen) in Bangladesh starts at BDT 39,999. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 11 Pro Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23732</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23732</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 02 Aug 2024 00:08:19 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 11 pro max,iphone 11 pro,iphone 11,iphone 11 pro max review,iphone 11 pro unboxing,iphone,iphone 11 unboxing,iphone 11 pro max unboxing,apple iphone 11,iphone 11 review,iphone 11 pro max in 2024,iphone 11 pro review,iphone 11 pro max 2022,iphone 11 pro max 2024,apple iphone 11 pro,iphone 11 pro colors,iphone 11 pro max midnight green,iphone 11 pro vs max,apple iphone 11 max pro,iphone 11 pro max price,iphone 11 pro vs pro max]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 11 Pro Max একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এটি অ্যাপল কোম্পানির একটি বিখ্যাত মডেল। এখানে আমরা এর সমস্ত বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে দাম আলোচনা করব। &amp;nbsp; Credit: ww...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_03.jpg" alt="iPhone 11 Pro Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 11 Pro Max একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এটি অ্যাপল কোম্পানির একটি বিখ্যাত মডেল। এখানে আমরা এর সমস্ত বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে দাম আলোচনা করব। &amp;nbsp; Credit: www.bestbuy.com &amp;nbsp; iPhone 11 Pro Max এর মূল বৈশিষ্ট্য iPhone 11 Pro Max এর অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিচে আমরা প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করব। &amp;nbsp; ডিজাইন এবং ডিসপ্লে স্ক্রীন সাইজ: 6.5 ইঞ্চি ডিসপ্লে টাইপ: Super Retina XDR OLED রেজোলিউশন: 1242 x 2688 পিক্সেল &amp;nbsp; ক্যামেরা iPhone 11 Pro Max এর ক্যামেরা অনেক শক্তিশালী। এর প্রধান ক্যামেরা তিনটি লেন্স নিয়ে গঠিত। প্রধান ক্যামেরা: 12 MP + 12 MP + 12 MP সেলফি ক্যামেরা: 12 MP &amp;nbsp; পারফরমেন্স এই ফোনটি খুবই দ্রুত। এটি শক্তিশালী প্রসেসর এবং র্যাম ব্যবহার করে। প্রসেসর: A13 Bionic চিপ র্যাম: 4 GB &amp;nbsp; ব্যাটারি iPhone 11 Pro Max এর ব্যাটারি লাইফ অসাধারণ। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলতে সক্ষম। ব্যাটারি ক্যাপাসিটি: 3969 mAh ফাস্ট চার্জিং: 18W &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম iPhone 11 Pro Max সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে। এটি iOS 13 দিয়ে আসে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 11 Pro Max এর দাম বাংলাদেশে বাংলাদেশে iPhone 11 Pro Max এর দাম বিভিন্ন হতে পারে। এখানে আমরা একটি আনুমানিক দাম দিচ্ছি। মডেল দাম (প্রায়) iPhone 11 Pro Max (64 GB) ৳ 1,14,999 iPhone 11 Pro Max (256 GB) ৳ 1,31,999 iPhone 11 Pro Max (512 GB) ৳ 1,49,999 &amp;nbsp; iPhone 11 Pro Max কেন কিনবেন? iPhone 11 Pro Max কেনার অনেক কারণ রয়েছে। এটি একটি প্রিমিয়াম ডিভাইস। এর ডিজাইন, ক্যামেরা, এবং পারফরমেন্স খুবই ভালো। &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনের ক্যামেরা ছবি তোলার জন্য অসাধারণ। এটি খুবই স্পষ্ট এবং সুন্দর ছবি তোলে। &amp;nbsp; পারফরমেন্স iPhone 11 Pro Max খুব দ্রুত কাজ করে। এর প্রসেসর এবং র্যাম খুবই শক্তিশালী। &amp;nbsp; ব্যাটারি লাইফ এই ফোনটির ব্যাটারি লাইফ খুবই ভালো। এটি একবার চার্জ দিলে দীর্ঘ সময় ধরে চলে। &amp;nbsp; ডিজাইন iPhone 11 Pro Max এর ডিজাইন খুবই সুন্দর। এটি দেখতেও খুবই প্রিমিয়াম লাগে। &amp;nbsp; Credit: www.independent.co.uk &amp;nbsp; ফাইনাল চিন্তাভাবনা iPhone 11 Pro Max একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এটি অনেক বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা প্রদান করে। বাংলাদেশে এর দাম একটু বেশি হলেও এটি মূল্যের জন্য সেরা।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 11 Pro Max Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 11 Pro Max? The iPhone 11 Pro Max features a 6. 5-inch Super Retina XDR display, A13 Bionic chip, and triple-camera system. How Long Does The Battery Last? The battery lasts up to 20 hours of talk time and 80 hours of audio playback. Does Iphone 11 Pro Max Support 5g? No, the iPhone 11 Pro Max does not support 5G connectivity. What Are The Available Colors? The iPhone 11 Pro Max is available in Midnight Green, Space Gray, Silver, and Gold. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_02-08-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 11 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23731</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23731</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 21:08:30 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 11 pro,iphone 11,iphone 11 pro max,iphone,iphone 11 pro review,iphone 11 review,iphone 11 pro max review,apple iphone 11 pro,apple iphone 11,iphone 11 pro unboxing,iphone 11 unboxing,iphone 11 pro vs,iphone 11 pro 2024,iphone 11 pro green,novo iphone 11,iphone 11 pro camera,iphone 11 pro in 2023,iphone 11 pro max 2024,iphone 11 camera,11 pro,apple iphone 11 pro max,iphone 11 pro max in 2024,iphone 12,iphone 11 pro max unboxing]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি আইফোন ১১ প্রো সম্পর্কে জানতে চান? এই গাইডটি আপনার জন্য। এখানে আমরা আইফোন ১১ প্রো এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে মূল্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। &amp;nbsp; Cr...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_27.jpg" alt="iPhone 11 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি আইফোন ১১ প্রো সম্পর্কে জানতে চান? এই গাইডটি আপনার জন্য। এখানে আমরা আইফোন ১১ প্রো এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে মূল্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। &amp;nbsp; Credit: www.phonearena.com &amp;nbsp; আইফোন ১১ প্রো এর মূল বৈশিষ্ট্য আইফোন ১১ প্রো একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং আধুনিক স্মার্টফোন। এটি অনেক উন্নত প্রযুক্তি এবং সুবিধা নিয়ে এসেছে। চলুন দেখি এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো। &amp;nbsp; ডিসপ্লে আইফোন ১১ প্রো এর ডিসপ্লে খুবই চমৎকার। এর আছে ৫.৮ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে। রেজোলিউশন: ২৪৩৬ x ১১২৫ পিক্সেল পিক্সেল ডেনসিটি: ৪৫৮ পিপিআই এইচডিআর ১০ এবং ডলবি ভিশন সাপোর্ট &amp;nbsp; ক্যামেরা আইফোন ১১ প্রো এর ক্যামেরা সিস্টেম অত্যন্ত শক্তিশালী। এটি তিনটি ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা নিয়ে আসে। প্রাইমারি ক্যামেরা: ১২ মেগাপিক্সেল ওয়াইড অ্যাঙ্গেল টেলিফটো ক্যামেরা: ১২ মেগাপিক্সেল আলট্রা ওয়াইড ক্যামেরা: ১২ মেগাপিক্সেল &amp;nbsp; পারফরমেন্স আইফোন ১১ প্রো এর পারফরমেন্স খুবই ভালো। এতে আছে এ১৩ বায়োনিক চিপ। প্রসেসর: হেক্সা-কোর জিপিইউ: এ১৩ বায়োনিক &amp;nbsp; ব্যাটারি লাইফ আইফোন ১১ প্রো এর ব্যাটারি লাইফ অসাধারণ। এটি পুরো দিন চালিয়ে নিতে পারে। ব্যাটারি ক্যাপাসিটি: ৩০৪৬ এমএএইচ ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট &amp;nbsp; অন্যান্য বৈশিষ্ট্য আইফোন ১১ প্রো এর আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য আছে। ফেস আইডি ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্ট আইওএস ১৩ অপারেটিং সিস্টেম &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশে আইফোন ১১ প্রো এর মূল্য বাংলাদেশে আইফোন ১১ প্রো এর মূল্য কিছুটা বেশি। তবে এটি এর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যথার্থ। মডেল মূল্য (বিডি) আইফোন ১১ প্রো ৬৪ জিবি ১,১০,০০০ টাকা আইফোন ১১ প্রো ২৫৬ জিবি ১,২৫,০০০ টাকা আইফোন ১১ প্রো ৫১২ জিবি ১,৪০,০০০ টাকা &amp;nbsp; &amp;nbsp; কেন আইফোন ১১ প্রো কেনা উচিত? আইফোন ১১ প্রো কেনা অনেক কারণ আছে। এটি একটি প্রিমিয়াম ডিভাইস। উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম শক্তিশালী পারফরমেন্স দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ সুন্দর এবং মজবুত ডিজাইন &amp;nbsp; এইসব বৈশিষ্ট্য আইফোন ১১ প্রো কে একটি আদর্শ স্মার্টফোন করে তুলেছে। &amp;nbsp; উপসংহার আইফোন ১১ প্রো একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এটি অনেক উন্নত প্রযুক্তি এবং সুবিধা নিয়ে এসেছে। এর মূল্য কিছুটা বেশি হলেও এটি এর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যথার্থ। আপনি যদি একটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাহলে আইফোন ১১ প্রো আপনার জন্য সেরা পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 11 Pro Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Screen Size Of Iphone 11 Pro? IPhone 11 Pro features a 5. 8-inch Super Retina XDR display. How Many Cameras Does Iphone 11 Pro Have? IPhone 11 Pro has three rear cameras and one front camera. What Is The Battery Capacity Of Iphone 11 Pro? IPhone 11 Pro has a 3046 mAh battery. Does Iphone 11 Pro Support Wireless Charging? Yes, iPhone 11 Pro supports wireless charging. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_27.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_27.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_27.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 11: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23730</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23730</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 21:08:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 11, iphone 11 pro max, iphone 11 pro, iphone 11 screen replacement, iphone 11 unboxing, iphone 11 vs 12, iphone 11 review, iphone 11 in 2024, iphone 11 camera test, iphone 11 battery replacement, iphone 11 pro max screen replacement, iphone 11 ad, iphone 11 aesthetic, iphone 11 and 12 comparison, iphone 11 app lock, iphone 11 all colors, iphone 11 accessories, iphone 11 apple logo on and off, iphone 11 and 11 pro, iphone 11 aesthetic unboxing, iphone 11 activation lock bypass jailbreak, a iphone 11 pro max, a iphone 11 pro, apple iphone 11, alexa order an iphone 11 original, assistive touch iphone 11, app lock in iphone 11, apple id kaise banaye iphone 11, asmr unboxing iphone 11, aesthetic iphone 11, activate esim in iphone 11, iphone 11 back glass replacement, iphone 11 black, iphone 11 battery test, iphone 11 black unboxing, iphone 11 black screen, iphone 11 black screen but still on, iphone 11 back cover, iphone 11 battery, iphone 11 battery drain test, best camera settings for iphone 11, battery replacement iphone 11, black iphone 11, best cover for iphone 11, black screen iphone 11, bgmi iphone 11, battery health iphone 11, battery change iphone 11, back glass replacement iphone 11, battery iphone 11, iphone 11 camera settings, iphone 11 camera review, iphone 11 camera, iphone 11 charging port replacement]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 11 একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি অ্যাপল দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এই ফোনে অনেক উন্নত ফিচার আছে। আসুন iPhone 11 এর স্পেসিফিকেশন্স, ফিচারস এবং বাংলাদেশের দাম...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_26.jpg" alt="iPhone 11: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 11 একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি অ্যাপল দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এই ফোনে অনেক উন্নত ফিচার আছে। আসুন iPhone 11 এর স্পেসিফিকেশন্স, ফিচারস এবং বাংলাদেশের দাম সম্পর্কে জানি। &amp;nbsp; iPhone 11 এর প্রধান ফিচারস iPhone 11 এর কিছু প্রধান ফিচারস নিচে উল্লেখ করা হলো: ডিসপ্লে: 6.1 ইঞ্চি লিকুইড রেটিনা এইচডি ডিসপ্লে প্রসেসর: A13 বায়োনিক চিপ ক্যামেরা: ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা ওয়াইড এবং ওয়াইড ক্যামেরা ব্যাটারি: দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ স্টোরেজ: ৬৪জিবি, ১২৮জিবি, ২৫৬জিবি অপারেটিং সিস্টেম: iOS 13 &amp;nbsp; ডিসপ্লে iPhone 11 এর ডিসপ্লে খুবই উন্নত। এটি 6.1 ইঞ্চি লিকুইড রেটিনা এইচডি ডিসপ্লে। ডিসপ্লের রেজল্যুশন 1792 x 828 পিক্সেল। ডিসপ্লে খুবই স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল। &amp;nbsp; প্রসেসর iPhone 11 এ A13 বায়োনিক চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি খুব দ্রুত এবং শক্তিশালী প্রসেসর। এই চিপের কারণে ফোনটি খুব দ্রুত কাজ করে। &amp;nbsp; ক্যামেরা iPhone 11 এ ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা আছে। একটি ক্যামেরা আল্ট্রা ওয়াইড এবং আরেকটি ওয়াইড। এই ক্যামেরাগুলো দিয়ে অনেক সুন্দর ছবি তোলা যায়। নাইট মোড এবং 4K ভিডিও রেকর্ডিং সুবিধাও আছে। &amp;nbsp; ব্যাটারি iPhone 11 এর ব্যাটারি লাইফ অনেক ভালো। এটি দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখে। একবার চার্জ দিলে পুরো দিন ব্যবহার করা যায়। &amp;nbsp; স্টোরেজ iPhone 11 এ তিনটি স্টোরেজ অপশন আছে। ৬৪জিবি, ১২৮জিবি এবং ২৫৬জিবি। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোরেজ বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম iPhone 11 এ iOS 13 অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এই অপারেটিং সিস্টেমটি খুবই ব্যবহার বান্ধব এবং সহজে ব্যবহার করা যায়। &amp;nbsp; iPhone 11 এর বিশেষ ফিচারস iPhone 11 এর কিছু বিশেষ ফিচারস নিচে উল্লেখ করা হলো: ফেস আইডি: ফেস আইডি দিয়ে ফোন আনলক করা যায়। এটি খুবই নিরাপদ। ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্স: iPhone 11 IP68 রেটিং প্রাপ্ত। এটি পানির নিচে ২ মিটার পর্যন্ত ৩০ মিনিট থাকতে পারে। ডলবি এটমস সাউন্ড: ডলবি এটমস সাউন্ড সিস্টেম আছে। এটি খুবই উন্নত সাউন্ড কোয়ালিটি প্রদান করে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 11 এর অন্যান্য ফিচারস iPhone 11 এর আরও কিছু ফিচারস নিচে উল্লেখ করা হলো: ডুয়াল সিম সাপোর্ট ওয়্যারলেস চার্জিং ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট HDR 10 এবং ডলবি ভিশন সাপোর্ট &amp;nbsp; iPhone 11 এর বাংলাদেশের দাম iPhone 11 এর দাম বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন হতে পারে। দাম নির্ভর করে স্টোরেজ এবং অন্যান্য ফিচারসের ওপর। নিচে iPhone 11 এর বাংলাদেশের দাম উল্লেখ করা হলো: মডেল দাম (প্রায়) iPhone 11 (64GB) ৳৭০,০০০ - ৳৭৫,০০০ iPhone 11 (128GB) ৳৭৫,০০০ - ৳৮০,০০০ iPhone 11 (256GB) ৳৮৫,০০০ - ৳৯০,০০০ &amp;nbsp; কেন iPhone 11 কিনবেন? iPhone 11 কেনার জন্য কিছু কারণ নিচে উল্লেখ করা হলো: অত্যন্ত উন্নত ক্যামেরা দ্রুত এবং শক্তিশালী প্রসেসর দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ উন্নত সাউন্ড কোয়ালিটি ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্স &amp;nbsp; iPhone 11 একটি অত্যন্ত উন্নত স্মার্টফোন। এটি অনেক ফিচারস এবং সুবিধা প্রদান করে। যদি আপনি একটি উন্নত এবং নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাহলে iPhone 11 একটি ভালো পছন্দ হতে পারে। iPhone 11 Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 11? IPhone 11 features include A13 Bionic chip, dual-camera system, and 6. 1-inch Liquid Retina display. How Much Does Iphone 11 Cost In Bangladesh? IPhone 11 price in Bangladesh starts at BDT 74,999. Does Iphone 11 Support Wireless Charging? Yes, iPhone 11 supports Qi wireless charging. How Good Is The Iphone 11 Camera? IPhone 11 has a dual-camera system with ultra-wide and wide lenses. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_26.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_26.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_26.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone XS Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23729</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23729</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 20:08:23 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone xs max, iphone xs max unboxing, iphone xs max screen replacement, iphone xs max vs iphone 11, iphone xs max camera test, iphone xs max in 2024, iphone xs max price in bangladesh, iphone xs max review, iphone xs max pubg test, iphone xs max battery replacement, iphone xs max camera, iphone xs max aesthetic, iphone xs max ad, iphone xs max apple logo on and off, iphone xs max app lock, iphone xs max auto restart problem, iphone xs max all colors, iphone xs max aesthetic unboxing, iphone xs max accessories, iphone xs max asmr, iphone xs max app store download problem, apple iphone xs max, apple iphone xs max unboxing, always on display iphone xs max, app lock in iphone xs max, add esim iphone xs max, asmr iphone xs max]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone XS Max একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটির স্পেসিফিকেশন ও ফিচারগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বাংলাদেশে এর দাম কেমন হতে পারে তা নিয়েও আলোচনা করবো। &amp;nbsp; iPhone XS M...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_25.jpg" alt="iPhone XS Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone XS Max একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটির স্পেসিফিকেশন ও ফিচারগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বাংলাদেশে এর দাম কেমন হতে পারে তা নিয়েও আলোচনা করবো। &amp;nbsp; iPhone XS Max এর স্পেসিফিকেশন iPhone XS Max এর স্পেসিফিকেশনগুলো নিম্নরূপ: স্পেসিফিকেশন বিবরণ স্ক্রিন সাইজ 6.5 ইঞ্চি রেজোলিউশন 2688 x 1242 পিক্সেল প্রসেসর A12 বায়োনিক চিপ র&amp;zwj;্যাম 4GB স্টোরেজ 64GB, 256GB, 512GB ক্যামেরা 12MP ডুয়াল ক্যামেরা ব্যাটারি 3174 mAh অপারেটিং সিস্টেম iOS 12, আপগ্রেডেবল রঙ গোল্ড, সিলভার, স্পেস গ্রে &amp;nbsp; স্ক্রিন সাইজ এবং রেজোলিউশন iPhone XS Max এর স্ক্রিন সাইজ 6.5 ইঞ্চি। এর রেজোলিউশন 2688 x 1242 পিক্সেল। &amp;nbsp; প্রসেসর এবং র&amp;zwj;্যাম এই ফোনে A12 বায়োনিক চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। র&amp;zwj;্যাম 4GB রয়েছে। &amp;nbsp; স্টোরেজ iPhone XS Max তিনটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যায়। 64GB, 256GB, এবং 512GB। &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনে 12MP ডুয়াল ক্যামেরা আছে। এই ক্যামেরা দিয়ে সুন্দর ছবি তোলা যায়। &amp;nbsp; ব্যাটারি iPhone XS Max এর ব্যাটারি 3174 mAh। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ থাকে। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম এই ফোনে iOS 12 অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি আপগ্রেড করা যায়। &amp;nbsp; রঙ iPhone XS Max তিনটি রঙে পাওয়া যায়। গোল্ড, সিলভার, এবং স্পেস গ্রে। &amp;nbsp; iPhone XS Max এর ফিচার iPhone XS Max এর কিছু বিশেষ ফিচার রয়েছে। নিচে সেই ফিচারগুলো দেওয়া হলো: ফেস আইডি ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্ট ওয়্যারলেস চার্জিং ডুয়াল সিম সাপোর্ট অ্যাপল পে &amp;nbsp; ফেস আইডি ফেস আইডি হলো একটি নিরাপদ ফিচার। এটি দিয়ে ফোন আনলক করা যায়। &amp;nbsp; ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্ট iPhone XS Max ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্ট। এটি আইপি৬৮ রেটেড। &amp;nbsp; ওয়্যারলেস চার্জিং এই ফোনে ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট রয়েছে। এটি একটি সুবিধাজনক ফিচার। &amp;nbsp; ডুয়াল সিম সাপোর্ট এই ফোনে ডুয়াল সিম সাপোর্ট আছে। এতে একটি ই-সিম এবং একটি ন্যানো সিম ব্যবহার করা যায়। &amp;nbsp; অ্যাপল পে অ্যাপল পে একটি পেমেন্ট ফিচার। এটি দিয়ে সহজে পেমেন্ট করা যায়। &amp;nbsp; Credit: www.apple.com &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশে iPhone XS Max এর দাম বাংলাদেশে iPhone XS Max এর দাম ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। নিচে একটি সম্ভাব্য দাম তালিকা দেওয়া হলো: স্টোরেজ প্রায় দাম (BDT) 64GB প্রায় ১,১০,০০০ টাকা 256GB প্রায় ১,২৫,০০০ টাকা 512GB প্রায় ১,৪০,০০০ টাকা উল্লেখ্য, দাম ভিন্ন হতে পারে। স্থানীয় বাজার এবং ভ্যাটের উপর নির্ভর করে। &amp;nbsp; শেষ কথা iPhone XS Max একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এর স্পেসিফিকেশন এবং ফিচারগুলো অত্যন্ত উন্নত। বাংলাদেশে এর দাম ভিন্ন হতে পারে। আপনি যদি একটি উন্নত স্মার্টফোন চান, তাহলে iPhone XS Max একটি ভালো পছন্দ হতে পারে। আপনার যদি আরও প্রশ্ন থাকে, তবে নীচে মন্তব্য করুন। আমরা সর্বদা সাহায্য করতে প্রস্তুত। ধন্যবাদ!&amp;nbsp; iPhone XS Max Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Display Size Of Iphone Xs Max? IPhone XS Max features a 6. 5-inch Super Retina display. Does Iphone Xs Max Support Wireless Charging? Yes, iPhone XS Max supports wireless charging. What Is The Camera Resolution Of Iphone Xs Max? IPhone XS Max has a 12MP dual-camera system. How Much Ram Does Iphone Xs Max Have? IPhone XS Max comes with 4GB of RAM. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_25.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_25.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_25.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone XS: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23728</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23728</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 20:08:11 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone xs,iphone xs max,iphone,iphone xr,iphone x,iphone xs review,new iphone,iphone xs vs,2018 iphone,apple iphone,apple iphone xs,iphone xs unboxing,iphone xs 2024,iphone review,iphone xs max review,iphone xs camera,best iphone,iphone xs max unboxing,iphone xs in 2024,iphone unboxing,iphone xs in 2022,iphone max,iphone 10s,apple iphone xs max,iphone xs 2024 review,iphone xs 2023,iphone xs plus,gold iphone xs,iphone xs max vs]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone XS একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি। এই ফোনটির অনেক ফিচার আছে। আসুন জেনে নেই বিস্তারিত। &amp;nbsp; iPhone XS এর প্রধান স্পেসিফিকেশন iPho...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_24..jpg" alt="iPhone XS: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone XS একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি। এই ফোনটির অনেক ফিচার আছে। আসুন জেনে নেই বিস্তারিত। &amp;nbsp; iPhone XS এর প্রধান স্পেসিফিকেশন iPhone XS এর অনেক ফিচার আছে। নিচে কিছু প্রধান স্পেসিফিকেশন দেওয়া হল: ফিচার বিবরণ ডিসপ্লে 5.8 ইঞ্চি সুপার রেটিনা প্রসেসর A12 বায়োনিক চিপ ক্যামেরা 12MP + 12MP ডুয়াল ক্যামেরা ব্যাটারি 2658 mAh স্টোরেজ 64GB, 256GB, 512GB অপারেটিং সিস্টেম iOS 12 &amp;nbsp; ডিসপ্লে এবং ডিজাইন iPhone XS এর ডিসপ্লে 5.8 ইঞ্চি। এটি সুপার রেটিনা। এর রেজোলিউশন 2436 x 1125 পিক্সেল। ফোনটির ডিজাইন খুবই সুন্দর। এটি গ্লাস এবং স্টিলের তৈরি। &amp;nbsp; প্রসেসর এবং পারফরম্যান্স iPhone XS এ A12 বায়োনিক চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি খুব দ্রুত কাজ করে। যে কোন কাজ সহজে করা যায়। গেম খেলা বা ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন সহজে। &amp;nbsp; Credit: www.apple.com &amp;nbsp; ক্যামেরা কোয়ালিটি iPhone XS এর ক্যামেরা খুবই ভাল। এর পিছনে দুটি 12 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা আছে। ছবি খুবই পরিষ্কার আসে। সামনে একটি 7 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা আছে। সেলফি তোলার জন্য আদর্শ। &amp;nbsp; ব্যাটারি লাইফ iPhone XS এর ব্যাটারি 2658 mAh। এটি দীর্ঘ সময় চলে। চার্জ দ্রুত শেষ হয় না। পুরো দিন ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। &amp;nbsp; স্টোরেজ অপশন iPhone XS এ তিনটি স্টোরেজ অপশন আছে। 64GB, 256GB এবং 512GB। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারবেন। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম iPhone XS এ iOS 12 অপারেটিং সিস্টেম আছে। এটি খুবই দ্রুত এবং স্মুথ। নতুন ফিচার এবং সিকিউরিটি আপডেট রয়েছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone XS এর অন্যান্য ফিচার iPhone XS এ আরও অনেক ফিচার আছে। নিচে কিছু উল্লেখ করা হল: ফেস আইডি: ফোন আনলক করার জন্য ফেস আইডি ব্যবহার করা হয়। ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট: ফোনটি পানিতে ভিজলেও ক্ষতি হয় না। ওয়্যারলেস চার্জিং: ফোনটি ওয়্যারলেস চার্জ করা যায়। &amp;nbsp; বাংলাদেশে iPhone XS এর মূল্য বাংলাদেশে iPhone XS এর মূল্য বিভিন্ন হতে পারে। স্টোরেজ এবং কালার অনুযায়ী দাম ভিন্ন হয়। সাধারণত 64GB মডেলের দাম ৯০,০০০ টাকা থেকে শুরু। 256GB মডেলের দাম ১,১০,০০০ টাকা। 512GB মডেলের দাম ১,৩০,০০০ টাকা। &amp;nbsp; কেন iPhone XS কিনবেন? iPhone XS একটি অত্যাধুনিক ফোন। এর ফিচার এবং পারফরম্যান্স অসাধারণ। ফটোগ্রাফি, গেমিং এবং প্রতিদিনের কাজের জন্য আদর্শ। &amp;nbsp; &amp;nbsp; শেষ কথা iPhone XS একটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। এর ফিচার এবং পারফরম্যান্স খুবই ভাল। বাংলাদেশে এর মূল্যও সাশ্রয়ী। আপনি যদি একটি ভাল ফোন খুঁজছেন, iPhone XS একটি ভাল পছন্দ।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone XS Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Specs Of Iphone Xs? IPhone Xs features a 5. 8-inch OLED display, A12 Bionic chip, dual 12MP cameras, and Face ID. How Much Ram Does Iphone Xs Have? IPhone Xs comes with 4GB of RAM, ensuring smooth performance and multitasking. Does Iphone Xs Support Wireless Charging? Yes, iPhone Xs supports Qi wireless charging, making it convenient to charge without cables. What Is The Battery Capacity Of Iphone Xs? The iPhone Xs has a 2,658 mAh battery, providing all-day battery life. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_24..jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_24..jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_24..jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone XR: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23727</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23727</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 20:08:27 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone xr,iphone,iphone xr review,iphone xr unboxing,apple iphone,new iphone,apple iphone xr,iphone xs,iphone xr vs xs,iphone xr price,iphone x,iphone xs max,iphone xr vs iphone xs,iphone unboxing,iphone xr colors,iphone 2018,iphone xr hands on,iphone xr vs x,new iphone xr,iphone xr 2024,iphone 11,iphone xr camera,iphone max,vs iphone xr,red iphone xr,iphone xs vs xr,iphone 15,iphone 13,iphone se,iphone xr vs iphone x,best iphone]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আইফোন এক্সআর একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এটি উন্নত প্রযুক্তি এবং চমৎকার ডিজাইনের মিশ্রণ। আজকের এই ব্লগ পোস্টে, আমরা আইফোন এক্সআর এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_23.jpg" alt="iPhone XR: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আইফোন এক্সআর একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এটি উন্নত প্রযুক্তি এবং চমৎকার ডিজাইনের মিশ্রণ। আজকের এই ব্লগ পোস্টে, আমরা আইফোন এক্সআর এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশে মূল্য সম্পর্কে আলোচনা করবো। &amp;nbsp; &amp;nbsp; আইফোন এক্সআর এর প্রধান ফিচার আইফোন এক্সআর এর কিছু প্রধান ফিচার এখানে উল্লেখ করা হলো: অ্যাপল এ১২ বায়োনিক চিপ ৬.১ ইঞ্চি লিকুইড রেটিনা ডিসপ্লে ফেস আইডি একক ১২ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা আইওএস ১২ অপারেটিং সিস্টেম &amp;nbsp; অ্যাপল এ১২ বায়োনিক চিপ অ্যাপল এ১২ বায়োনিক চিপ আইফোন এক্সআর এর শক্তিশালী পারফরমেন্সের মূল। এটি অত্যন্ত দ্রুত এবং কার্যকরী। আপনি একাধিক অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন ঝামেলা ছাড়াই। &amp;nbsp; ৬.১ ইঞ্চি লিকুইড রেটিনা ডিসপ্লে এই ফোনের ডিসপ্লে চমৎকার। ৬.১ ইঞ্চি লিকুইড রেটিনা ডিসপ্লে আপনাকে চমৎকার ভিউয়িং এক্সপিরিয়েন্স দেবে। ভিডিও দেখা বা গেম খেলার মজা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। &amp;nbsp; ফেস আইডি ফেস আইডি আপনার ফোনকে সুরক্ষিত রাখে। আপনি সহজেই আপনার মুখের মাধ্যমে ফোন আনলক করতে পারবেন। এটি খুবই নিরাপদ এবং কার্যকরী। &amp;nbsp; একক ১২ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা আইফোন এক্সআর এর ক্যামেরা অসাধারণ। এটি একটি ১২ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা। আপনি সুন্দর ছবি এবং ভিডিও তুলতে পারবেন। &amp;nbsp; আইওএস ১২ অপারেটিং সিস্টেম আইফোন এক্সআর আইওএস ১২ অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে চলে। এটি অনেক ফিচার এবং অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করে। আইওএস ১২ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা খুবই সহজ। &amp;nbsp; আইফোন এক্সআর এর স্পেসিফিকেশন এখন আমরা আইফোন এক্সআর এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন দেখবো: স্পেসিফিকেশন বিবরণ ডিসপ্লে ৬.১ ইঞ্চি লিকুইড রেটিনা প্রসেসর অ্যাপল এ১২ বায়োনিক ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল রিয়ার, ৭ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট স্টোরেজ ৬৪ জিবি, ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি ব্যাটারি ২৯৪২ এমএএইচ অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ১২ ওজন ১৯৪ গ্রাম &amp;nbsp; বাংলাদেশে আইফোন এক্সআর এর মূল্য বাংলাদেশে আইফোন এক্সআর এর মূল্য বিভিন্ন হতে পারে। মূল্য নির্ভর করে স্টোরেজ এবং রঙের উপর। নিচে কিছু মূল্য উল্লেখ করা হলো: মডেল মূল্য (টাকা) ৬৪ জিবি ৭৫,০০০ টাকা ১২৮ জিবি ৮০,০০০ টাকা ২৫৬ জিবি ৯০,০০০ টাকা &amp;nbsp; কেন আইফোন এক্সআর কিনবেন? আইফোন এক্সআর কেনার কিছু কারণ এখানে দেওয়া হলো: উন্নত পারফরমেন্স চমৎকার ক্যামেরা বড় ডিসপ্লে দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ নিরাপদ ফেস আইডি &amp;nbsp; &amp;nbsp; শেষ কথা আইফোন এক্সআর একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এর উন্নত ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন আপনার মোবাইল অভিজ্ঞতা উন্নত করবে। যদি আপনি একটি নতুন ফোন কিনতে চান, তাহলে আইফোন এক্সআর একটি চমৎকার পছন্দ হতে পারে। আমাদের এই গাইড আপনাকে আইফোন এক্সআর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে সক্ষম হয়েছে বলে আমরা আশা করি। ধন্যবাদ!&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone XR Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone Xr? The iPhone XR features a 6. 1-inch Liquid Retina display, A12 Bionic chip, Face ID, and a 12MP rear camera. How Much Does Iphone Xr Cost In Bd? The iPhone XR price in Bangladesh varies but generally ranges between BDT 50,000 to BDT 65,000. Is Iphone Xr Water-resistant? Yes, the iPhone XR is water-resistant with an IP67 rating, which means it can withstand water up to 1 meter. Does Iphone Xr Support Wireless Charging? Yes, the iPhone XR supports Qi wireless charging, allowing you to charge it without plugging in a cable. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_23.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_23.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_23.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone X: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23726</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23726</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 20:08:11 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone x,iphone,iphone 10,iphone x review,iphone 8,iphone xs,iphone x unboxing,new iphone,iphone xr,iphone 8 plus,iphone 11,iphone ten,iphone x features,phone,apple iphone,iphone x camera,iphone x hands on,iphone x battery,iphonex,i̇phone,iphone 8+,iphone x vs,i̇phone x,iphone x box,best iphone,2017 iphone,iphone 8 vs x,iphone x vs 8,iphone 7 vs 8,case iphone,i̇phone 11,iphone notch,iphone x tips,iphone 11 pro]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone X অ্যাপল কোম্পানির একটি চমৎকার স্মার্টফোন। এটি বহু নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে। এখানে iPhone X এর সমস্ত স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে এর মূল্য সম্পর্কে জানুন। &amp;nb...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_22.jpg" alt="iPhone X: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone X অ্যাপল কোম্পানির একটি চমৎকার স্মার্টফোন। এটি বহু নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে। এখানে iPhone X এর সমস্ত স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে এর মূল্য সম্পর্কে জানুন। &amp;nbsp; iPhone X এর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ iPhone X তার নতুন ডিজাইন এবং উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে সবার মন জয় করেছে। নিচে এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি দেওয়া হলো: স্ক্রিন: 5.8 ইঞ্চি সুপার রেটিনা ডিসপ্লে প্রসেসর: অ্যাপল এ১১ বায়োনিক চিপ র&amp;zwj;্যাম: ৩ জিবি স্টোরেজ: ৬৪ জিবি এবং ২৫৬ জিবি ক্যামেরা: ১২ মেগাপিক্সেল ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা, ৭ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যাটারি: ২৭১৬ এমএএইচ অপারেটিং সিস্টেম: iOS 11 (উন্নত করা যেতে পারে) &amp;nbsp; iPhone X এর ডিসপ্লে iPhone X এর ডিসপ্লে অত্যন্ত সুন্দর। এটি 5.8 ইঞ্চি সুপার রেটিনা ডিসপ্লে ব্যবহার করে। ডিসপ্লের রেজোলিউশন 1125 x 2436 পিক্সেল। এটি OLED প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই ডিসপ্লে খুবই উজ্জ্বল এবং রঙগুলি খুবই জীবন্ত। &amp;nbsp; iPhone X এর প্রসেসর iPhone X তে অ্যাপল এ১১ বায়োনিক চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি খুব দ্রুত এবং শক্তিশালী। এই চিপটি ৬ কোর প্রসেসর। এটি মাল্টিটাস্কিং এবং গেমিং এর জন্য আদর্শ। &amp;nbsp; iPhone X এর র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ iPhone X তে ৩ জিবি র&amp;zwj;্যাম রয়েছে। এছাড়া, দুটি স্টোরেজ অপশন পাওয়া যায়: ৬৪ জিবি এবং ২৫৬ জিবি। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোরেজ নির্বাচন করতে পারেন। &amp;nbsp; iPhone X এর ক্যামেরা iPhone X এর ক্যামেরা খুবই উন্নত। এতে ১২ মেগাপিক্সেল ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা আছে। এই ক্যামেরা দিয়ে খুব সুন্দর ছবি তোলা যায়। এছাড়া, এতে ৭ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরাও রয়েছে। সেলফি তোলার জন্য এই ক্যামেরা আদর্শ। &amp;nbsp; Credit: www.apple.com &amp;nbsp; iPhone X এর ব্যাটারি iPhone X তে ২৭১৬ এমএএইচ ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি দীর্ঘক্ষণ চলতে পারে। এছাড়া, এতে ফাস্ট চার্জিং এবং ওয়্যারলেস চার্জিং এর সুবিধা রয়েছে। &amp;nbsp; iPhone X এর অপারেটিং সিস্টেম iPhone X এ iOS 11 অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা আছে। এটি উন্নত করা যায়। নতুন আপডেটগুলি ডাউনলোড করে ইনস্টল করা যায়। &amp;nbsp; iPhone X এর অন্যান্য ফিচার ফেস আইডি ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্টেন্স স্টেরিও স্পিকার &amp;nbsp; বাংলাদেশে iPhone X এর দাম বাংলাদেশে iPhone X এর দাম কিছুটা বেশি। বিভিন্ন দোকানে দাম ভিন্ন হতে পারে। তবে, গড়ে দাম নিচের মতো: মডেল দাম (টাকা) iPhone X 64GB প্রায় ৭৫,০০০ টাকা iPhone X 256GB প্রায় ৯০,০০০ টাকা &amp;nbsp; iPhone X কেন কিনবেন? iPhone X এর অনেক সুবিধা আছে। এতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ডিজাইন অত্যন্ত সুন্দর। ক্যামেরা খুবই ভালো ছবি তোলে। এছাড়া, ব্যাটারি লাইফও ভালো। উপসংহার iPhone X একটি চমৎকার স্মার্টফোন। এটি আধুনিক এবং উন্নত ফিচার নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশে এর দাম কিছুটা বেশি হলেও, এটি একটি মূল্যবান পণ্য। আপনি যদি একটি উন্নত স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাহলে iPhone X আপনার জন্য আদর্শ।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone X Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone X? IPhone X features a 5. 8-inch Super Retina display, Face ID, dual 12MP cameras, and A11 Bionic chip. How Much Does Iphone X Cost In Bangladesh? The iPhone X price in Bangladesh starts around 75,000 BDT, depending on the retailer and storage variant. Does Iphone X Support Wireless Charging? Yes, iPhone X supports Qi wireless charging, compatible with various wireless charging pads. What Is The Battery Life Of Iphone X? IPhone X offers up to 21 hours of talk time and 13 hours of internet use. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_22.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_22.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_22.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 8 Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23725</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23725</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 20:08:41 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 8 plus,iphone 8,iphone,iphone 8 plus review,iphone 8 plus unboxing,iphone 8 camera,apple iphone 8 plus,iphone 8 plus camera,iphone x,iphone 8 review,iphone 8 vs 8 plus,iphone 8 plus 2023,iphone 8plus,iphone 8 plus in 2023,iphone 8 plus on ios 16,iphone 8 plus hands on,iphone 8 plus price 2023,iphone 8 plus camera test,iphone 8 plus 2023 review,iphone 8 plus review 2023,apple iphone 8,iphone 8 plus review camera]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি নতুন ফোন কিনতে চান? iPhone 8 Plus হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। এটি একটি শক্তিশালী এবং উন্নত স্মার্টফোন। এই ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশের মূল্য সম্পর্ক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_21.jpg" alt="iPhone 8 Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি নতুন ফোন কিনতে চান? iPhone 8 Plus হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। এটি একটি শক্তিশালী এবং উন্নত স্মার্টফোন। এই ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশের মূল্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 8 Plus এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ডিসপ্লে সাইজ: 5.5 ইঞ্চি রেজোলিউশন: 1080 x 1920 পিক্সেল প্রসেসর: Apple A11 Bionic র&amp;zwnj;্যাম: 3GB স্টোরেজ: 64GB / 256GB ক্যামেরা: ডুয়াল 12MP রিয়ার ক্যামেরা ব্যাটারি: 2691 mAh অপারেটিং সিস্টেম: iOS 11, আপগ্রেডেবল &amp;nbsp; ডিসপ্লে iPhone 8 Plus এ রয়েছে 5.5 ইঞ্চির ডিসপ্লে। রেজোলিউশন 1080 x 1920 পিক্সেল। এটি একটি রেটিনা এইচডি ডিসপ্লে। ছবি ও ভিডিও দেখতে খুব ভালো লাগে। &amp;nbsp; প্রসেসর এবং র&amp;zwnj;্যাম এই ফোনে রয়েছে Apple A11 Bionic প্রসেসর। এটি খুব দ্রুত কাজ করে। র&amp;zwnj;্যাম 3GB, যা মাল্টিটাস্কিং এর জন্য উপযুক্ত। &amp;nbsp; স্টোরেজ iPhone 8 Plus এ রয়েছে দুইটি স্টোরেজ অপশন। একটি 64GB এবং অন্যটি 256GB। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনে ডুয়াল 12MP রিয়ার ক্যামেরা রয়েছে। আপনি খুব সুন্দর ছবি তুলতে পারবেন। এছাড়া 7MP ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে সেলফির জন্য। &amp;nbsp; ব্যাটারি iPhone 8 Plus এ রয়েছে 2691 mAh ব্যাটারি। এটি দীর্ঘক্ষণ চার্জ ধরে রাখে। আপনি সারাদিন ব্যবহার করতে পারবেন। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম এই ফোনে iOS 11 অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। এটি আপগ্রেডেবল। আপনি নতুন আপডেট পেতে পারেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 8 Plus এর বাংলাদেশে মূল্য মডেল মূল্য (টাকা) iPhone 8 Plus 64GB প্রায় ৫৫,০০০ টাকা iPhone 8 Plus 256GB প্রায় ৬৫,০০০ টাকা &amp;nbsp; iPhone 8 Plus কেন কিনবেন? উন্নত ক্যামেরা শক্তিশালী প্রসেসর দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ভালো ডিজাইন iPhone 8 Plus একটি অত্যন্ত মানসম্মত ফোন। এটি আপনার প্রতিদিনের কাজগুলোকে সহজ করবে। এছাড়া এর ক্যামেরা দিয়ে আপনি খুব সুন্দর ছবি তুলতে পারবেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ) Iphone 8 Plus কি ওয়াটারপ্রুফ? হ্যাঁ, iPhone 8 Plus ওয়াটারপ্রুফ। এটি আইপি৬৭ রেটিং পেয়েছে। Iphone 8 Plus এর ব্যাটারি লাইফ কেমন? এর ব্যাটারি লাইফ অনেক ভালো। আপনি সারাদিন ব্যবহার করতে পারবেন। Iphone 8 Plus এর সাইজ কেমন? এর ডিসপ্লে সাইজ 5.5 ইঞ্চি। এটি হ্যান্ডেল করা সহজ। Iphone 8 Plus এ কি ফেস আইডি রয়েছে? না, এতে ফেস আইডি নেই। তবে এতে টাচ আইডি রয়েছে। শেষ কথা iPhone 8 Plus একটি অত্যন্ত মানসম্মত ফোন। এর স্পেসিফিকেশন এবং বৈশিষ্ট্য খুব ভালো। আপনি যদি একটি শক্তিশালী এবং উন্নত স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাহলে এটি হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। এছাড়া এর দামও বেশ যুক্তিসঙ্গত। আশা করি এই গাইডটি আপনার জন্য উপকারী হবে। আপনার যদি আরও প্রশ্ন থাকে, তাহলে কমেন্টে জানান। আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত। ধন্যবাদ!&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 8 Plus Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 8 Plus? IPhone 8 Plus features include a 5. 5-inch Retina HD display, dual 12MP cameras, and A11 Bionic chip. Does Iphone 8 Plus Support Wireless Charging? Yes, iPhone 8 Plus supports Qi-standard wireless charging for convenient power-ups. What Is The Battery Life Of Iphone 8 Plus? IPhone 8 Plus offers up to 21 hours of talk time on a single charge. Is The Iphone 8 Plus Water Resistant? Yes, iPhone 8 Plus has an IP67 rating, making it water and dust resistant. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 8: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23724</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23724</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 20:08:15 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 8,iphone 8 plus,iphone,iphone 8 review,apple iphone 8,iphone 8 unboxing,iphone 13,iphone 8 setup,iphone x,iphone 14,iphone 8 vs iphone 7,iphone 11,iphone 15,iphone 14 pro max,iphone 8 vs,iphone 8+,the iphone 8,iphone 14 pro,iphone 8 case,iphone 8 2022,iphone 8 cases,iphone 8 ios 16,iphone 8 water,using iphone 8,iphone 8 in 2023,iphone unboxing,iphone se,iphone 12,ios 16 on iphone 8,iphone 8 battery,iphone 8 on ios 16]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 8 একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি অ্যাপলের একটি উল্লেখযোগ্য মডেল। চলুন দেখি এর স্পেসিফিকেশন এবং বৈশিষ্ট্য। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 8 এর প্রধান বৈশিষ্ট্য iPhon...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_20.jpg" alt="iPhone 8: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 8 একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি অ্যাপলের একটি উল্লেখযোগ্য মডেল। চলুন দেখি এর স্পেসিফিকেশন এবং বৈশিষ্ট্য। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 8 এর প্রধান বৈশিষ্ট্য iPhone 8 অনেক উন্নত বৈশিষ্ট্য আছে। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিয়ে আসে। &amp;nbsp; ডিজাইন এবং নির্মাণ ম্যাটেরিয়াল: গ্লাস এবং অ্যালুমিনিয়াম ডিসপ্লে সাইজ: ৪.৭ ইঞ্চি রেজোলিউশন: ১৩৩৪ x ৭৫০ পিক্সেল &amp;nbsp; প্রসেসর এবং পারফরমেন্স প্রসেসর: অ্যাপল A11 বায়োনিক কোর সংখ্যা: ৬-কোর জিপিইউ: ৩-কোর গ্রাফিক্স &amp;nbsp; ক্যামেরা প্রধান ক্যামেরা: ১২ মেগাপিক্সেল সামনের ক্যামেরা: ৭ মেগাপিক্সেল ভিডিও রেকর্ডিং: ৪কে ৬০ FPS পর্যন্ত &amp;nbsp; স্টোরেজ এবং র&amp;zwj;্যাম স্টোরেজ অপশন: ৬৪ জিবি, ২৫৬ জিবি র&amp;zwj;্যাম: ২ জিবি &amp;nbsp; ব্যাটারি এবং চার্জিং ব্যাটারি: ১৮২১ এমএএইচ ফাস্ট চার্জিং: ৫০% পর্যন্ত ৩০ মিনিটে ওয়্যারলেস চার্জিং: কিউআই স্ট্যান্ডার্ড &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম এবং সফটওয়্যার অপারেটিং সিস্টেম: iOS 11 (আপগ্রেডেবল) সিরি: অ্যাপল সহকারী সিকিউরিটি: ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর &amp;nbsp; iPhone 8 এর বাংলাদেশে দাম বাংলাদেশে iPhone 8 এর দাম বিভিন্ন হতে পারে। এটি নির্ভর করে স্টোর এবং স্টোরেজ অপশনের উপর। মডেল স্টোরেজ দাম (BDT) iPhone 8 ৬৪ জিবি প্রায় ৪০,০০০ টাকা iPhone 8 ২৫৬ জিবি প্রায় ৫০,০০০ টাকা &amp;nbsp; iPhone 8 কেন কিনবেন? iPhone 8 অনেক কারণে জনপ্রিয়। এটি উন্নত প্রসেসর এবং ক্যামেরা নিয়ে আসে। &amp;nbsp; উন্নত পারফরমেন্স iPhone 8 এর A11 বায়োনিক চিপ অনেক দ্রুত। এটি গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিং এর জন্য উপযুক্ত। &amp;nbsp; দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি iPhone 8 এর ব্যাটারি লাইফ ভাল। এটি দিনব্যাপী ব্যবহার করতে পারবেন। &amp;nbsp; উন্নত ক্যামেরা iPhone 8 এর ক্যামেরা ছবি এবং ভিডিওর জন্য চমৎকার। এটি ৪কে ভিডিও রেকর্ড করতে পারে। &amp;nbsp; ওয়্যারলেস চার্জিং iPhone 8 ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট করে। এটি চার্জিং সহজ করে দেয়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 8 এর ব্যবহারকারীদের মতামত iPhone 8 ব্যবহারকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়। অনেকেই এর পারফরমেন্স এবং ক্যামেরার প্রশংসা করেন। &amp;nbsp; পজিটিভ রিভিউ দ্রুত প্রসেসর উন্নত ক্যামেরা ওয়্যারলেস চার্জিং &amp;nbsp; নেগেটিভ রিভিউ উচ্চ দাম স্টোরেজ সীমাবদ্ধতা ব্যাটারি লাইফ আরও ভাল হতে পারে &amp;nbsp; iPhone 8 এর বিকল্প যদি iPhone 8 আপনার জন্য উপযুক্ত না হয়, তবে কিছু বিকল্প আছে। &amp;nbsp; Iphone 7 iPhone 7 একটি ভাল বিকল্প হতে পারে। এটি iPhone 8 এর চেয়ে সস্তা। &amp;nbsp; Iphone Se (2020) iPhone SE (2020) একটি আধুনিক বিকল্প। এটি উন্নত স্পেসিফিকেশন এবং সাশ্রয়ী দাম নিয়ে আসে। &amp;nbsp; Iphone X iPhone X একটি উন্নত বিকল্প। এটি ফুল-স্ক্রীন ডিজাইন এবং ফেস আইডি নিয়ে আসে। &amp;nbsp; সারসংক্ষেপ iPhone 8 একটি উন্নত স্মার্টফোন। এটি উন্নত স্পেসিফিকেশন এবং বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে। বাংলাদেশে এর দাম বিভিন্ন হতে পারে। আশা করি এই গাইডটি আপনাকে সাহায্য করবে। iPhone 8 কিনতে গেলে এই তথ্যগুলো মনে রাখবেন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 8 Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 8? The iPhone 8 features a 4. 7-inch Retina HD display, A11 Bionic chip, and 12MP rear camera. Does Iphone 8 Support Wireless Charging? Yes, iPhone 8 supports wireless charging with Qi-certified chargers. How Much Ram Does Iphone 8 Have? The iPhone 8 comes with 2GB of RAM. What Is The Battery Life Of Iphone 8? IPhone 8 offers up to 14 hours of talk time. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_20.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_20.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_20.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Motorola Edge 50 Ultra: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23723</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23723</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 19:08:56 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[motorola edge 50 ultra,motorola edge 50 ultra review,moto edge 50 ultra,edge 50 ultra,motorola edge 50 pro,motorola moto edge 50 ultra,motorola edge 50 ultra price,motorola edge 50 ultra unboxing,edge 50 ultra motorola,motorola edge 50 ultra camera test,moto edge 50 ultra review,motorola edge 50 ultra specs,moto edge 50 ultra unboxing,motorola,moto edge 50 ultra camera test,motorola edge 50 ultra release date,edge 50 ultra unboxing]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রা একটি নতুন স্মার্টফোন। এটি আধুনিক প্রযুক্তি এবং ফিচার নিয়ে এসেছে। এই আর্টিকেলে, আমরা মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রার স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংল...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_19.jpg" alt="Motorola Edge 50 Ultra: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রা একটি নতুন স্মার্টফোন। এটি আধুনিক প্রযুক্তি এবং ফিচার নিয়ে এসেছে। এই আর্টিকেলে, আমরা মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রার স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশে দাম নিয়ে আলোচনা করব। &amp;nbsp; মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রার স্পেসিফিকেশনস ফিচার বিবরণ প্রসেসর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ র&amp;zwnj;্যাম ৮ জিবি স্টোরেজ ১২৮ জিবি ডিসপ্লে ৬.৭ ইঞ্চি ফুল এইচডি+ AMOLED ক্যামেরা ১০৮ মেগাপিক্সেল ট্রিপল ক্যামেরা ব্যাটারি ৫,০০০ এমএএইচ অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ১১ &amp;nbsp; প্রসেসর এবং পারফর্মেন্স মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রা কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ প্রসেসর ব্যবহার করে। এটি উচ্চ গতি এবং দক্ষতা প্রদান করে। আপনি সহজেই গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিং করতে পারবেন। &amp;nbsp; র&amp;zwnj;্যাম এবং স্টোরেজ এই ফোনে ৮ জিবি র&amp;zwnj;্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ আছে। এই স্টোরেজ যথেষ্ট বড়। আপনি অনেক অ্যাপস এবং মিডিয়া ফাইল সংরক্ষণ করতে পারবেন। &amp;nbsp; ডিসপ্লে মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রার ডিসপ্লে ৬.৭ ইঞ্চি। এটি একটি ফুল এইচডি+ AMOLED ডিসপ্লে। এই ডিসপ্লে তে রঙ খুব স্পষ্ট এবং জীবন্ত। ভিডিও এবং গেমিং এর জন্য এটি আদর্শ। &amp;nbsp; ক্যামেরা এই ফোনের প্রধান ক্যামেরা ১০৮ মেগাপিক্সেল। এছাড়াও দুটি অতিরিক্ত ক্যামেরা আছে। এই ক্যামেরাগুলি উচ্চ মানের ছবি এবং ভিডিও ধারণ করতে সক্ষম। &amp;nbsp; ব্যাটারি মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রার ব্যাটারি ৫,০০০ এমএএইচ। এই ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ ধরে রাখে। আপনি একটি চার্জে সারা দিন ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম এই ফোনে অ্যান্ড্রয়েড ১১ অপারেটিং সিস্টেম আছে। এটি ব্যবহার করতে খুব সহজ এবং দ্রুত। আপনি নতুন ফিচার এবং আপডেট পাবেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রার ফিচার উন্নত ক্যামেরা দ্রুত প্রসেসর বড় র&amp;zwnj;্যাম এবং স্টোরেজ উজ্জ্বল এবং স্পষ্ট ডিসপ্লে দীর্ঘমেয়াদী ব্যাটারি অ্যান্ড্রয়েড ১১ অপারেটিং সিস্টেম &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশে মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রার দাম বাংলাদেশে মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রার দাম প্রায় ৬০,০০০ টাকা। এই দাম পরিবর্তন হতে পারে। বিভিন্ন দোকানে এবং অনলাইন শপে দাম ভিন্ন হতে পারে। &amp;nbsp; উপসংহার মোটোরোলা এজ ৫০ আল্ট্রা একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি উন্নত ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন নিয়ে আসে। আপনি যদি একটি উচ্চ মানের ফোন খুঁজছেন, তবে এটি আপনার জন্য আদর্শ। বাংলাদেশে এর দামও যুক্তিসঙ্গত।&amp;nbsp; &amp;nbsp; Motorola Edge 50 Ultra Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions &amp;nbsp; What Are The Motorola Edge 50 Ultra Specifications? The Motorola Edge 50 Ultra features a Snapdragon 8 Gen 2 processor, 6. 7-inch OLED display, and 108MP camera. How Much Is The Motorola Edge 50 Ultra In Bd? The Motorola Edge 50 Ultra price in Bangladesh is approximately BDT 75,000. Does Motorola Edge 50 Ultra Support 5g? Yes, the Motorola Edge 50 Ultra supports 5G connectivity. What Is The Battery Capacity Of Motorola Edge 50 Ultra? The Motorola Edge 50 Ultra has a 5000mAh battery. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_19.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_19.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_19.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Motorola Edge 50 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23722</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23722</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 19:08:28 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[motorola edge 50 pro,moto edge 50 pro,motorola edge 50 pro review,motorola edge 50 pro 5g,moto edge 50 pro unboxing,motorola edge 50 ultra,motorola edge 50 pro unboxing,motorola edge 50 fusion,motorola edge 50,edge 50 pro,moto edge 50 pro review,moto edge 50 pro vs,motorola,motorola edge 50 vs,motorola edge 50 neo,motorola edge 50 pro camera test,motorola edge 50 fusion review,motorola edge 50 pro vs oneplus nord 4,edge 50 pro review]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Motorola Edge 50 Pro একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এই ফোনটি আধুনিক প্রযুক্তি এবং অনন্য ডিজাইন নিয়ে এসেছে। &amp;nbsp; Credit: www.linkedin.com &amp;nbsp; ফোনটির প্রধান বৈ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_18.jpg" alt="Motorola Edge 50 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Motorola Edge 50 Pro একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এই ফোনটি আধুনিক প্রযুক্তি এবং অনন্য ডিজাইন নিয়ে এসেছে। &amp;nbsp; Credit: www.linkedin.com &amp;nbsp; ফোনটির প্রধান বৈশিষ্ট্য দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি উচ্চ মানের ক্যামেরা উন্নত প্রসেসর বড় ডিসপ্লে Motorola Edge 50 Pro এর স্পেসিফিকেশন স্পেসিফিকেশন বিবরণ ডিসপ্লে 6.7 ইঞ্চি AMOLED, 1080 x 2400 পিক্সেল প্রসেসর Snapdragon 888+ র&amp;zwj;্যাম 8GB স্টোরেজ 128GB ক্যামেরা প্রধান: 108MP, সেলফি: 32MP ব্যাটারি 5000 mAh অপারেটিং সিস্টেম Android 12 &amp;nbsp; ডিসপ্লে Motorola Edge 50 Pro এর ডিসপ্লে অত্যন্ত পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল। 6.7 ইঞ্চি AMOLED ডিসপ্লে আপনার চোখকে দেবে আরামের অনুভূতি। প্রসেসর এবং পারফরম্যান্স Snapdragon 888+ প্রসেসর দিয়ে ফোনটি চালিত হয়। এই প্রসেসরটি ফোনকে করে তোলে অত্যন্ত দ্রুত। র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ ফোনটিতে 8GB র&amp;zwj;্যাম এবং 128GB স্টোরেজ রয়েছে। এই স্টোরেজ আপনাকে প্রচুর ফাইল সংরক্ষণ করতে সহায়তা করবে। ক্যামেরা ফোনটির প্রধান ক্যামেরা 108MP। এর ফলে আপনি পাবেন উচ্চ মানের ছবি। এছাড়াও, 32MP সেলফি ক্যামেরা রয়েছে। ব্যাটারি 5000 mAh ব্যাটারি ফোনটিকে দীর্ঘ সময় ধরে চালাতে সক্ষম। এই ব্যাটারি দ্রুত চার্জিং সুবিধা নিয়ে আসে। অপারেটিং সিস্টেম ফোনটি Android 12 অপারেটিং সিস্টেমে চলে। এই সিস্টেমটি ব্যবহারকারীকে দেবে আধুনিক ফিচার। &amp;nbsp; Credit: www.motorola.com বাংলাদেশে Motorola Edge 50 Pro এর মূল্য বাংলাদেশে এই ফোনটির মূল্য প্রায় ৭০,০০০ টাকা। তবে, মূল্য কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। ফোনটি কেন কিনবেন? উচ্চ মানের ক্যামেরা দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি উন্নত প্রসেসর আধুনিক ডিজাইন ফোনটির সুবিধা এবং অসুবিধা সুবিধা অসুবিধা উচ্চ মানের ডিসপ্লে মূল্য কিছুটা বেশি দ্রুত প্রসেসর ভারী ওজন দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি স্টোরেজ অপশন সীমিত &amp;nbsp; শেষ কথা Motorola Edge 50 Pro একটি উন্নতমানের স্মার্টফোন। এতে আছে আধুনিক ফিচার এবং চমৎকার পারফরম্যান্স। আপনি যদি একটি উন্নতমানের ফোন খুঁজছেন, তবে এটি হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। ফোনটি সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে আমাদের সাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; Motorola Edge 50 Pro Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Motorola Edge 50 Pro? Motorola Edge 50 Pro features a 108MP camera, Snapdragon 888 processor, and a 5000mAh battery. How Much Does Motorola Edge 50 Pro Cost In Bd? The Motorola Edge 50 Pro costs around BDT 70,000 in Bangladesh. Does Motorola Edge 50 Pro Support 5g? Yes, Motorola Edge 50 Pro supports 5G connectivity. What Is The Display Size Of Motorola Edge 50 Pro? Motorola Edge 50 Pro has a 6. 7-inch OLED display. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_18.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_18.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_18.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Redmi 13C 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23721</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23721</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 18:08:56 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[redmi 13c,redmi 13c 5g,redmi 13c 5g unboxing,redmi,redmi 13c unboxing,redmi 13c price,redmi 13c 5g review,redmi 13c review,redmi 13 5g,redmi 12 5g,redmi 13,redmi 13c 5g price,redmi 13 5g unboxing,redmi 13c specs,redmi 13 5g battery,redmi 13 5g vs,redmi 13 5g price,redmi 13c camera,redmi 13c 5g vs redmi 12 5g,redmi 13 5g review,redmi 13 5g camera,redmi 13c 5g camera,redmi 13 vs redmi 12,redmi 13c 4g,redmi 12,redmi 13 5g camera test]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[পরিচয় Redmi 13C 5G একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি অনেক উন্নত ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন সহ আসে। বাংলাদেশে এর দাম এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানুন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; মূল ব...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_17.jpg" alt="Redmi 13C 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>পরিচয় Redmi 13C 5G একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি অনেক উন্নত ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন সহ আসে। বাংলাদেশে এর দাম এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানুন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; মূল বৈশিষ্ট্য Redmi 13C 5G এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে আলোচনা করা হলো। &amp;nbsp; ডিসপ্লে এই ফোনে আছে 6.5 ইঞ্চি IPS LCD ডিসপ্লে। এর রেজোলিউশন 1080 x 2400 পিক্সেল। ডিসপ্লেটি খুবই উজ্জ্বল এবং স্পষ্ট। &amp;nbsp; ক্যামেরা Redmi 13C 5G এর পিছনে আছে ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ। প্রধান ক্যামেরা 48 মেগাপিক্সেল। এছাড়া আছে 8 মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড লেন্স এবং 2 মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর। সেলফি ক্যামেরা 16 মেগাপিক্সেল। &amp;nbsp; প্রসেসর ফোনটিতে আছে MediaTek Dimensity 900 প্রসেসর। এটি খুবই দ্রুত এবং কার্যক্ষম। &amp;nbsp; ব্যাটারি এই ফোনে 5000 mAh ব্যাটারি আছে। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ ধরে রাখতে সক্ষম। &amp;nbsp; স্টোরেজ Redmi 13C 5G এ 6GB RAM এবং 128GB ইন্টারনাল স্টোরেজ আছে। &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম ফোনটি Android 12 ভিত্তিক MIUI 13 এ চলে। &amp;nbsp; Redmi 13C 5G এর দাম বাংলাদেশে বাংলাদেশে Redmi 13C 5G এর দাম প্রায় ২৫,০০০ টাকা। বিভিন্ন দোকানে দামের তারতম্য হতে পারে। &amp;nbsp; Redmi 13C 5G কেন কিনবেন? Redmi 13C 5G কেনার কিছু কারন নিচে দেওয়া হলো: উন্নত ক্যামেরা ফিচার দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি দ্রুত পারফরমেন্স উজ্জ্বল ডিসপ্লে &amp;nbsp; Redmi 13C 5G এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন বৈশিষ্ট্য বিবরণ ডিসপ্লে 6.5 ইঞ্চি IPS LCD, 1080 x 2400 পিক্সেল প্রসেসর MediaTek Dimensity 900 র&amp;zwnj;্যাম 6GB স্টোরেজ 128GB ক্যামেরা 48MP + 8MP + 2MP ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা, 16MP সেলফি ক্যামেরা ব্যাটারি 5000 mAh অপারেটিং সিস্টেম Android 12 ভিত্তিক MIUI 13 &amp;nbsp; &amp;nbsp; উপসংহার Redmi 13C 5G একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এর উন্নত ফিচার এবং সাশ্রয়ী দামে এটি একটি ভাল পছন্দ। বাংলাদেশে এই ফোনটি খুবই জনপ্রিয়।&amp;nbsp; Redmi 13C 5G Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; FAQ Redmi 13c 5g এর দাম কত? বাংলাদেশে Redmi 13C 5G এর দাম প্রায় ২৫,০০০ টাকা। Redmi 13c 5g কি ভালো ক্যামেরা আছে? হ্যাঁ, এতে 48 মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরা এবং 16 মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা আছে। Redmi 13c 5g এর ব্যাটারি কেমন? ফোনটিতে 5000 mAh ব্যাটারি আছে যা দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ ধরে রাখতে সক্ষম। Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Redmi 13c 5g? Redmi 13C 5G features a 6. 5-inch display, quad-camera setup, and a 5000mAh battery. Does Redmi 13c 5g Support Fast Charging? Yes, Redmi 13C 5G supports 18W fast charging. What Is The Processor In Redmi 13c 5g? Redmi 13C 5G is powered by the MediaTek Dimensity 700 processor. How Much Ram Does Redmi 13c 5g Have? Redmi 13C 5G comes with 4GB and 6GB RAM options. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_17.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_17.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_17.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Motorola Edge 50: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23720</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23720</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 18:08:04 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[motorola edge 50 pro,motorola edge 50 fusion,motorola edge 50,moto edge 50 pro,edge 50 pro,edge 50 fusion,motorola edge 50 pro review,motorola edge 50 fusion review,motorola edge 50 vs,moto edge 50 fusion,motorola edge 50 ultra,motorola edge 50 pro 5g,moto edge 50 pro unboxing,motorola edge 50 pro unboxing,motorola,moto edge 50,moto edge 50 pro review,moto edge 50 fusion review,motorola edge 50 neo,edge 50,moto edge 50 fusion unboxing]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মোটোরোলা এজ ৫০ একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি তার দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যের জন্য পরিচিত। এই গাইডে, আমরা মোটোরোলা এজ ৫০ এর বিস্তারিত বৈশিষ্ট্য এব...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_16.jpg" alt="Motorola Edge 50: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মোটোরোলা এজ ৫০ একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি তার দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যের জন্য পরিচিত। এই গাইডে, আমরা মোটোরোলা এজ ৫০ এর বিস্তারিত বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে এর মূল্য নিয়ে আলোচনা করব। &amp;nbsp; মোটোরোলা এজ ৫০ এর মূল বৈশিষ্ট্য মোটোরোলা এজ ৫০ এর কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: বৈশিষ্ট্য বর্ণনা ডিসপ্লে ৬.৭ ইঞ্চি ফুল এইচডি+ ওলেড প্রসেসর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৭০ র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ ৮ জিবি র&amp;zwj;্যাম, ১২৮ জিবি স্টোরেজ ক্যামেরা ১০৮ এমপি প্রধান ক্যামেরা, ৩২ এমপি সেলফি ক্যামেরা ব্যাটারি ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৩০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ১১ &amp;nbsp; ডিসপ্লে এবং ডিজাইন মোটোরোলা এজ ৫০ এর ডিসপ্লে ৬.৭ ইঞ্চি। এটি ফুল এইচডি+ ওলেড স্ক্রিন। স্ক্রিনটি খুবই উজ্জ্বল এবং রঙ সমৃদ্ধ। এই ফোনটির ডিজাইন খুবই স্লিম এবং স্টাইলিশ। &amp;nbsp; Credit: www.motorola.com &amp;nbsp; প্রসেসর এবং পারফরম্যান্স মোটোরোলা এজ ৫০ এ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৭০ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রসেসরটি খুবই শক্তিশালী। এটি মাল্টিটাস্কিং এবং গেমিং এ অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদান করে। &amp;nbsp; Credit: www.motorola.com &amp;nbsp; র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ এই ফোনটিতে ৮ জিবি র&amp;zwj;্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ রয়েছে। পর্যাপ্ত স্টোরেজের কারণে আপনি অনেক অ্যাপ এবং ফাইল সংরক্ষণ করতে পারবেন। ক্যামেরা মোটোরোলা এজ ৫০ এর প্রধান ক্যামেরা ১০৮ এমপি। এটি খুবই উচ্চ মানের ছবি তোলে। সেলফি ক্যামেরা ৩২ এমপি যা সুন্দর সেলফি তোলে। ব্যাটারি এই ফোনটির ব্যাটারি ৫০০০ এমএএইচ। এটি দীর্ঘ সময় ব্যাটারি লাইফ প্রদান করে। এছাড়াও, ৩০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে। অপারেটিং সিস্টেম মোটোরোলা এজ ৫০ এ অ্যান্ড্রয়েড ১১ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি অনেক নতুন এবং উন্নত বৈশিষ্ট্য যুক্ত করেছে। বাংলাদেশে মোটোরোলা এজ ৫০ এর মূল্য বাংলাদেশে মোটোরোলা এজ ৫০ এর মূল্য প্রায় ৫০,০০০ টাকা। এই মূল্য পরিবর্তন হতে পারে। সুতরাং, আপনি কেনার আগে আপনার নিকটস্থ দোকানে যাচাই করে নিন। উপসংহার মোটোরোলা এজ ৫০ একটি দুর্দান্ত স্মার্টফোন। এর বৈশিষ্ট্য এবং পারফরম্যান্স খুবই উচ্চ মানের। যদি আপনি একটি নতুন স্মার্টফোন খুঁজছেন, তবে মোটোরোলা এজ ৫০ আপনার জন্য একটি ভালো পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; Motorola Edge 50 Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are Motorola Edge 50 Specifications? Motorola Edge 50 features a 6. 7-inch OLED display, Snapdragon 8 Gen 2 processor, 12GB RAM, and a 5000mAh battery. How Much Does Motorola Edge 50 Cost In Bd? In Bangladesh, Motorola Edge 50 is priced around BDT 70,000. Does Motorola Edge 50 Support 5g? Yes, Motorola Edge 50 supports 5G connectivity for faster internet speeds. What Is The Display Size Of Motorola Edge 50? Motorola Edge 50 has a 6. 7-inch OLED display. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_16.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_16.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_16.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 7: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23719</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23719</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 18:08:57 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 7,iphone 7 plus,iphone,iphone 7 review,apple iphone 7,iphone 7 in 2024,iphone 7 unboxing,iphone 7 2021,iphone 7 tips,iphone 7 secrets,iphone 7 plus review,iphone 7 tips and tricks,iphone 7 hidden features,iphone 14,iphone 13,iphone 14 pro max,iphone 7 help,iphone 7 2016,iphone 7 vs 6s,iphone 7 to 12,iphone 7 sale,iphone 7 2023,iphone 7 2024,iphone 7 video,iphone 7 guide,iphone 7 specs,iphone 7 128 gb,iphone 7 apple]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 7 একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি Apple কোম্পানি তৈরি করেছে। এর অনেক চমৎকার ফিচার আছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 7 এর মূল বৈশিষ্ট্য iPhone 7 এর অনেক বৈশিষ্ট্য আ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_15.jpg" alt="iPhone 7: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 7 একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি Apple কোম্পানি তৈরি করেছে। এর অনেক চমৎকার ফিচার আছে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 7 এর মূল বৈশিষ্ট্য iPhone 7 এর অনেক বৈশিষ্ট্য আছে। এর কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে দেয়া হলো: &amp;nbsp; ডিসপ্লে iPhone 7 এর ডিসপ্লে 4.7 ইঞ্চি। এটি রেটিনা HD ডিসপ্লে। এর রেজুলেশন 1334x750 পিক্সেল। ডিসপ্লে খুবই উজ্জ্বল এবং স্পষ্ট। &amp;nbsp; প্রসেসর iPhone 7 এ আছে A10 Fusion চিপ। এটি খুব দ্রুত এবং শক্তিশালী। এই চিপের কারণে ফোনটি দ্রুত কাজ করে। &amp;nbsp; ক্যামেরা iPhone 7 এ আছে 12 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এটি খুব ভাল ছবি তুলতে পারে। এর ফ্রন্ট ক্যামেরা 7 মেগাপিক্সেল। &amp;nbsp; ব্যাটারি iPhone 7 এর ব্যাটারি লাইফ বেশ ভাল। এটি দীর্ঘ সময় ব্যাটারি ব্যাকআপ দেয়। আপনি সহজেই পুরো দিন ব্যবহার করতে পারবেন। &amp;nbsp; সংযোগ iPhone 7 এ আছে 4G LTE, Wi-Fi, Bluetooth, NFC এবং GPS। এই সব সংযোগের মাধ্যমে আপনি সহজেই ইন্টারনেট এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হতে পারবেন। &amp;nbsp; স্টোরেজ iPhone 7 এর স্টোরেজ তিনটি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যায়: 32GB, 128GB, এবং 256GB। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনটি বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; iPhone 7 এর দাম বাংলাদেশে বাংলাদেশে iPhone 7 এর দাম ভিন্ন হতে পারে। এটি আপনার স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের উপর নির্ভর করে। নিচে একটি টেবিলে দাম দেয়া হলো: স্টোরেজ দাম (BDT) 32GB প্রায় ২৫,০০০ - ৩০,০০০ টাকা 128GB প্রায় ৩০,০০০ - ৩৫,০০০ টাকা 256GB প্রায় ৩৫,০০০ - ৪০,০০০ টাকা &amp;nbsp; &amp;nbsp; কেন iPhone 7 কিনবেন? iPhone 7 একটি ভাল ফোন। এর অনেক সুবিধা আছে। কিছু প্রধান কারণ নিচে দেয়া হলো: উচ্চ মানের ডিসপ্লে দ্রুত প্রসেসর ভাল ক্যামেরা দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ ভাল সংযোগ সুবিধা &amp;nbsp; iPhone 7 এর কিছু বিশেষ ফিচার iPhone 7 এ কিছু বিশেষ ফিচার আছে। নিচে কিছু ফিচার দেয়া হলো: &amp;nbsp; ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট iPhone 7 ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট। এটি পানিতে ডুবে গেলে নষ্ট হয় না। &amp;nbsp; স্টেরিও স্পিকার iPhone 7 এ স্টেরিও স্পিকার আছে। এর সাউন্ড কোয়ালিটি খুব ভাল। &amp;nbsp; নতুন হোম বাটন iPhone 7 এ নতুন হোম বাটন আছে। এটি টাচ সেন্সিটিভ। &amp;nbsp; Ios 10 iPhone 7 এ iOS 10 অপারেটিং সিস্টেম আছে। এটি খুবই স্মার্ট এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য। &amp;nbsp; iPhone 7 এর কিছু অসুবিধা iPhone 7 এর কিছু অসুবিধাও আছে। নিচে কিছু অসুবিধা দেয়া হলো: হেডফোন জ্যাক নেই ব্যাটারি পরিবর্তন করা যায় না স্টোরেজ বাড়ানো যায় না &amp;nbsp; &amp;nbsp; শেষ কথা iPhone 7 একটি চমৎকার ফোন। এটি অনেক ফিচার এবং সুবিধা দেয়। তবে কিছু অসুবিধাও আছে। আপনি যদি একটি ভাল মানের ফোন চান, তাহলে iPhone 7 আপনার জন্য ভাল হতে পারে।&amp;nbsp; iPhone 7 Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 7? The iPhone 7 features a 12MP camera, A10 Fusion chip, and water resistance. How Is The Battery Life Of Iphone 7? The iPhone 7 offers up to 14 hours of talk time. Does Iphone 7 Support Wireless Charging? No, iPhone 7 does not support wireless charging. What Is The Display Size Of Iphone 7? The display size of the iPhone 7 is 4. 7 inches. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_15.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_15.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_15.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone SE (1st gen): এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23718</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23718</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 18:08:04 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone se,iphone se 1st generation,iphone,iphone se 1st gen,iphone se 1st gen in 2021,iphone se 1st gen in 2020,iphone 7,should you still buy iphone se (1st gen) 2021,iphone se 2016,iphone se 2nd generation,iphone se 1st generation unboxing,#phone,iphone se 2nd gen,iphone se 2,#iphone,iphone se 2020,iphone se 1st gen vs 2nd gen,iphone se review,iphone se 1st generation 2021,iphone se 1st generation review,cheap iphone,iphone 7 plus,iphone 12 mini]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আইফোন SE (1st Gen) অ্যাপল এর একটি জনপ্রিয় মডেল। এটি মার্চ ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই ফোনটি ছোট এবং শক্তিশালী। এখানে আমরা এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে দাম সম্পর্ক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_14.jpg" alt="iPhone SE (1st gen): এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আইফোন SE (1st Gen) অ্যাপল এর একটি জনপ্রিয় মডেল। এটি মার্চ ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই ফোনটি ছোট এবং শক্তিশালী। এখানে আমরা এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে দাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। আইফোন SE (1st Gen) স্পেসিফিকেশন বৈশিষ্ট্য বিবরণ স্ক্রিন সাইজ ৪ ইঞ্চি রেজোলিউশন ৬৪০ x ১১৩৬ পিক্সেল প্রসেসর A9 চিপ র&amp;zwj;্যাম ২ জিবি স্টোরেজ ১৬/৩২/৬৪/১২৮ জিবি ক্যামেরা (পিছন) ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা (সামনে) ১.২ মেগাপিক্সেল ব্যাটারি ১৬২৪ mAh অপারেটিং সিস্টেম iOS 9.3.2, আপগ্রেডেবল রঙ সিলভার, স্পেস গ্রে, গোল্ড, রোজ গোল্ড &amp;nbsp; আইফোন SE (1st Gen) এর বৈশিষ্ট্য স্ক্রিন: ৪ ইঞ্চি রেটিনা ডিসপ্লে, যা উজ্জ্বল এবং স্পষ্ট। প্রসেসর: A9 চিপ, যা খুব দ্রুত এবং শক্তিশালী। ক্যামেরা: ১২ মেগাপিক্সেল পিছনের ক্যামেরা, যা উচ্চ মানের ছবি তোলে। ভিডিও: 4K ভিডিও রেকর্ডিং সমর্থন করে। সিকিউরিটি: টাচ আইডি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। ব্যাটারি: লম্বা ব্যাটারি লাইফ, যা সারাদিন চলতে পারে। &amp;nbsp; আইফোন SE (1st Gen) এর বাংলাদেশে দাম বাংলাদেশে আইফোন SE (1st Gen) এর দাম পরিবর্তনশীল। নতুন ফোনের দাম সাধারণত বেশি হয়। তবে পুরানো ফোনের দাম কম হয়ে থাকে। নিচে আমরা এর সম্ভাব্য দাম উল্লেখ করেছি: স্টোরেজ দাম (টাকা) ১৬ জিবি ১৫,০০০ - ২০,০০০ ৩২ জিবি ২০,০০০ - ২৫,০০০ ৬৪ জিবি ২৫,০০০ - ৩০,০০০ ১২৮ জিবি ৩০,০০০ - ৩৫,০০০ &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; আইফোন SE (1st Gen) কেন কিনবেন? আইফোন SE (1st Gen) কেনার কিছু কারণ নিচে উল্লেখ করা হলো: ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য। উচ্চ মানের ক্যামেরা। শক্তিশালী প্রসেসর। লম্বা ব্যাটারি লাইফ। টাচ আইডি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। অ্যাপলের নির্ভরযোগ্যতা। &amp;nbsp; উপসংহার আইফোন SE (1st Gen) একটি চমৎকার ফোন। এটি ছোট, শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য। বাংলাদেশে এর দাম বিভিন্ন হতে পারে। তবে এর বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধাগুলি নিশ্চিতভাবেই এটি একটি ভালো নির্বাচন। আপনি যদি একটি ছোট এবং শক্তিশালী ফোন খুঁজছেন, তবে আইফোন SE (1st Gen) আপনার জন্য উপযুক্ত হতে পারে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone SE (1st gen) Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ) আইফোন Se (1st Gen) কি এখনও ভালো ফোন? হ্যাঁ, এটি এখনও একটি ভালো ফোন। এটি শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য। আইফোন Se (1st Gen) এর ব্যাটারি লাইফ কেমন? এর ব্যাটারি লাইফ ভালো। এটি সারাদিন চলতে পারে। আইফোন Se (1st Gen) এর ক্যামেরা কেমন? এর ক্যামেরা খুব ভালো। এটি উচ্চ মানের ছবি তোলে। বাংলাদেশে আইফোন Se (1st Gen) এর দাম কত? বাংলাদেশে এর দাম ১৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone Se 1st Gen? IPhone SE 1st Gen features a 4-inch Retina display, A9 chip, 12MP camera, Touch ID, and iOS compatibility. Does Iphone Se 1st Gen Support 4g Lte? Yes, iPhone SE 1st Gen supports 4G LTE for faster internet connectivity. How Much Ram Does Iphone Se 1st Gen Have? IPhone SE 1st Gen comes with 2GB of RAM for smooth multitasking. What Is The Battery Life Of Iphone Se 1st Gen? The battery offers up to 14 hours of talk time on 3G. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_14.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_14.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_14.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 6S Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23717</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23717</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 18:08:04 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 6s plus,iphone 6s,iphone,iphone 6,iphone 6s plus review,iphone 6s review,iphone 6s plus unboxing,iphone 6 plus,apple iphone 6s plus,iphone 6s unboxing,apple iphone 6s,apple iphone,iphone 6s vs iphone 6s plus,iphone review,iphone 6s plus 2023,ios 16 iphone 6s plus,iphone (video game platform),iphone 6s plus in 2023,iphone 6s plus in 2022,iphone 6s+,iphone 6s plus features,iphone 6s plus bend test,iphone 6s plus 2023 review]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আইফোন ৬এস প্লাস একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি অ্যাপলের তৈরি। এটি অনেক ফিচার সমৃদ্ধ। &amp;nbsp; ডিজাইন এবং ডিসপ্লে আইফোন ৬এস প্লাসের ডিজাইন খুব সুন্দর। এটি স্টাইলিশ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_13.jpg" alt="iPhone 6S Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আইফোন ৬এস প্লাস একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি অ্যাপলের তৈরি। এটি অনেক ফিচার সমৃদ্ধ। &amp;nbsp; ডিজাইন এবং ডিসপ্লে আইফোন ৬এস প্লাসের ডিজাইন খুব সুন্দর। এটি স্টাইলিশ এবং মজবুত। ডিসপ্লে সাইজ: ৫.৫ ইঞ্চি রেজোলিউশন: ১০৮০ x ১৯২০ পিক্সেল ডিসপ্লে টাইপ: LED-backlit IPS LCD &amp;nbsp; ক্যামেরা আইফোন ৬এস প্লাসের ক্যামেরা খুব ভালো। এটি দারুণ ছবি তোলে। প্রধান ক্যামেরা: ১২ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল ভিডিও রেকর্ডিং: 4K রেজোলিউশন &amp;nbsp; পারফরম্যান্স আইফোন ৬এস প্লাসের পারফরম্যান্স খুব ভালো। এটি দ্রুত কাজ করে। প্রসেসর: Apple A9 র&amp;zwj;্যাম: ২ জিবি অপারেটিং সিস্টেম: iOS 9 (আপগ্রেডেবল) &amp;nbsp; &amp;nbsp; ব্যাটারি আইফোন ৬এস প্লাসের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী। এটি দীর্ঘক্ষণ চলে। ব্যাটারি ক্যাপাসিটি: ২৭৫০ এমএএইচ ব্যাকআপ টাইম: ১৪ ঘণ্টা (টক টাইম) &amp;nbsp; স্মৃতি এবং স্টোরেজ আইফোন ৬এস প্লাস বিভিন্ন স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যায়। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন। ইন্টারনাল স্টোরেজ: ১৬ জিবি, ৩২ জিবি, ৬৪ জিবি, ১২৮ জিবি এক্সপান্ডেবল মেমোরি: নেই &amp;nbsp; নেটওয়ার্ক এবং কানেক্টিভিটি আইফোন ৬এস প্লাসের কানেক্টিভিটি অপশন খুব ভালো। এটি বিভিন্ন নেটওয়ার্ক সমর্থন করে। সিম কার্ড: ন্যানো-সিম নেটওয়ার্ক: 4G, 3G, 2G ব্লুটুথ: v4.2 ওয়াইফাই: 802.11 a/b/g/n/ac &amp;nbsp; অন্যান্য ফিচার আইফোন ৬এস প্লাসে আরও অনেক ফিচার আছে। এসব ফিচার ব্যবহারকারীদের জন্য খুব উপকারী। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর: হ্যাঁ এনএফসি: হ্যাঁ অডিও জ্যাক: ৩.৫ মিমি &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশে দাম বাংলাদেশে আইফোন ৬এস প্লাসের দাম ভিন্ন হতে পারে। এটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্ট এবং দোকানের উপর নির্ভর করে। স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্ট দাম (প্রায়) ১৬ জিবি ২০,০০০ টাকা ৩২ জিবি ২৫,০০০ টাকা ৬৪ জিবি ৩০,০০০ টাকা ১২৮ জিবি ৩৫,০০০ টাকা &amp;nbsp; শেষ কথা আইফোন ৬এস প্লাস একটি ভালো স্মার্টফোন। এটি অনেক ফিচার সমৃদ্ধ। বাংলাদেশে এটি বিভিন্ন দামে পাওয়া যায়। আপনি আপনার বাজেট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 6S Plus Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Screen Size Of Iphone 6s Plus? The iPhone 6S Plus has a 5. 5-inch Retina HD display. Does Iphone 6s Plus Support 4g? Yes, the iPhone 6S Plus supports 4G LTE connectivity. How Much Ram Does Iphone 6s Plus Have? The iPhone 6S Plus comes with 2GB of RAM. What Is The Battery Capacity Of Iphone 6s Plus? The iPhone 6S Plus has a 2750 mAh battery. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_13.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_13.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_13.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 6S: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23716</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23716</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 17:08:42 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 6s,iphone 6s plus,iphone 6,iphone,iphone 6s review,apple iphone 6s,iphone 6s in 2022,iphone 6 plus,iphone (video game platform),iphone 6s plus review,old iphone,iphone 6s in 2023,iphone 6s+,apple iphone,iphone 6s vs,iphone 6 vs 6s,iphone 7,iphone 6s 2024,iphone 6s 2022,iphone 11,iphone 14,iphone se,iphone 6s vs iphone 6s plus,iphone 6 in 2024,iphone 6s ios 15,ios 15 iphone 6s,iphone 6 in 2022,iphone 6s in 2024,new iphone]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি iPhone 6S এর সম্পর্কে জানতে চান? আমাদের এই গাইডটি আপনাকে সম্পূর্ণ তথ্য দেবে। আপনি iPhone 6S এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশে এর মূল্য সম্পর্কে বিস্ত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_12.jpg" alt="iPhone 6S: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি iPhone 6S এর সম্পর্কে জানতে চান? আমাদের এই গাইডটি আপনাকে সম্পূর্ণ তথ্য দেবে। আপনি iPhone 6S এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশে এর মূল্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। &amp;nbsp; iPhone 6S এর মূল ফিচারসমূহ iPhone 6S একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি উন্নত প্রযুক্তি এবং দুর্দান্ত ফিচার নিয়ে এসেছে। নিচে এর কিছু প্রধান ফিচারের তালিকা দেওয়া হলো: ডিসপ্লে: 4.7 ইঞ্চি Retina HD ডিসপ্লে প্রসেসর: A9 চিপ ক্যামেরা: 12 মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, 5 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যাটারি: দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ স্টোরেজ: 16GB, 32GB, 64GB, এবং 128GB বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম: iOS 9 (আপগ্রেডযোগ্য) &amp;nbsp; iPhone 6S এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন iPhone 6S এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন নিচে টেবিল আকারে দেওয়া হলো: ফিচার বিবরণ ডিসপ্লে 4.7 ইঞ্চি Retina HD ডিসপ্লে প্রসেসর A9 চিপ রিয়ার ক্যামেরা 12 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা 5 মেগাপিক্সেল র&amp;zwj;্যাম 2GB স্টোরেজ 16GB, 32GB, 64GB, 128GB ব্যাটারি 1715 mAh অপারেটিং সিস্টেম iOS 9 (আপগ্রেডযোগ্য) রঙ সিলভার, গোল্ড, রোজ গোল্ড, স্পেস গ্রে &amp;nbsp; iPhone 6S এর ক্যামেরা ফিচার iPhone 6S এর ক্যামেরা ফিচার খুবই উন্নত। এর 12 মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা এবং 5 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে দুর্দান্ত ছবি তোলা যায়। 4K ভিডিও রেকর্ডিং ফেস ডিটেকশন অটোফোকাস প্যানারোমা লাইভ ফটো iPhone 6S এর ব্যাটারি লাইফ iPhone 6S এর ব্যাটারি 1715 mAh। এটি আপনাকে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ দেয়। সাধারণ ব্যবহারে এটি পুরো দিন চলতে পারে। iPhone 6S এর স্টোরেজ অপশন iPhone 6S বিভিন্ন স্টোরেজ অপশনে পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে 16GB, 32GB, 64GB, এবং 128GB। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোন একটি বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; বাংলাদেশে iPhone 6S এর মূল্য বাংলাদেশে iPhone 6S এর মূল্য ভিন্ন হতে পারে। এটি নির্ভর করে স্টোরেজ অপশন এবং কন্ডিশনের উপর। নিচে আনুমানিক মূল্যের তালিকা দেওয়া হলো: 16GB: আনুমানিক ২০,০০০ - ২৫,০০০ টাকা 32GB: আনুমানিক ২৫,০০০ - ৩০,০০০ টাকা 64GB: আনুমানিক ৩০,০০০ - ৩৫,০০০ টাকা 128GB: আনুমানিক ৩৫,০০০ - ৪০,০০০ টাকা এই মূল্যগুলি পরিবর্তিত হতে পারে। তাই কেনার আগে ভালো করে যাচাই করে নিন। iPhone 6S কেন কিনবেন? iPhone 6S কেনার অনেক কারণ রয়েছে। এর উন্নত ক্যামেরা, ভালো ব্যাটারি লাইফ, এবং বিভিন্ন স্টোরেজ অপশন এটি একটি ভালো পছন্দ করে তোলে। এছাড়াও, এটি iOS এর আপডেট পায় যা আপনার ফোনকে সবসময় আপ-টু-ডেট রাখে। iPhone 6S এর বিকল্প যদি আপনি iPhone 6S কিনতে না চান, তাহলে কিছু বিকল্পও রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে iPhone 7, iPhone 8, এবং iPhone SE (2020)। এই ফোনগুলিও উন্নত ফিচার এবং ভালো পারফরমেন্স দেয়। শেষ কথা iPhone 6S একটি দুর্দান্ত স্মার্টফোন। এটি উন্নত প্রযুক্তি এবং ফিচার দিয়ে সজ্জিত। আপনি যদি একটি ভালো মানের স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাহলে iPhone 6S একটি ভালো পছন্দ হতে পারে। বাংলাদেশে এর মূল্যও বেশ সাশ্রয়ী। তাই আজই একটি iPhone 6S কিনে নিন এবং এর দারুণ ফিচার উপভোগ করুন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 6S Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Specs Of Iphone 6s? The iPhone 6S features a 4. 7-inch display, A9 chip, 12MP camera, and 2GB RAM. How Much Ram Does Iphone 6s Have? The iPhone 6S comes with 2GB of RAM. What Is The Battery Life Of Iphone 6s? The iPhone 6S offers up to 14 hours of talk time. Does Iphone 6s Support 4k Video Recording? Yes, the iPhone 6S supports 4K video recording at 30fps. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_12.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_12.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_12.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 6 Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23715</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23715</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 17:08:49 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 6 plus,iphone 6,iphone,iphone 6 plus bend,iphone 6 plus review,apple iphone 6 plus,iphone 6 plus unboxing,iphone 6 bend,iphone 6s,iphone 6s plus,обзор iphone 6 plus,iphone 6 plus in 2023,review iphone 6 plus,iphone 6+,iphone 6 in 2022,iphone 6 plus vs,iphone 6 vs 6 plus,iphone 6 plus vs 6,iphone 6 plus 2023,bent iphone 6 plus,iphone 6 plus 2022,iphone 6 plus gold,iphone 6 plus vs 5s,iphone 6 plus pubg,игры iphone 6 plus]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 6 Plus বিশ্বের প্রথম বড় আকারের আইফোন। এটি ২০১৪ সালে বাজারে আসে। এই ফোনটি বাজারে আসার পর থেকে এখনো অনেক জনপ্রিয়। আসুন জেনে নেই এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_11.jpg" alt="iPhone 6 Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 6 Plus বিশ্বের প্রথম বড় আকারের আইফোন। এটি ২০১৪ সালে বাজারে আসে। এই ফোনটি বাজারে আসার পর থেকে এখনো অনেক জনপ্রিয়। আসুন জেনে নেই এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে দাম। &amp;nbsp; iPhone 6 Plus এর স্পেসিফিকেশন iPhone 6 Plus এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্পেসিফিকেশন নিচে উল্লেখ করা হলো: বিভাগ বিবরণ স্ক্রিন সাইজ ৫.৫ ইঞ্চি রেজোলিউশন ১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেল প্রসেসর এ৮ চিপ র&amp;zwj;্যাম ১ জিবি স্টোরেজ ১৬/৬৪/১২৮ জিবি ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল (পিছনে), ১.২ মেগাপিক্সেল (সামনে) ব্যাটারি ২৯১৫ এমএএইচ অপারেটিং সিস্টেম iOS 8 (আপগ্রেডযোগ্য) স্ক্রিন এবং রেজোলিউশন iPhone 6 Plus এর স্ক্রিন সাইজ ৫.৫ ইঞ্চি। এর রেজোলিউশন ১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেল। এই স্ক্রিনটি রেটিনা HD ডিসপ্লে। ফলে ছবির গুণমান খুবই ভাল। প্রসেসর এবং র&amp;zwj;্যাম এটি এ৮ চিপ প্রসেসর দ্বারা চালিত। র&amp;zwj;্যাম ১ জিবি। তাই এটি দ্রুত কাজ করতে সক্ষম। স্টোরেজ এবং ক্যামেরা স্টোরেজ অপশন ১৬, ৬৪, এবং ১২৮ জিবি। পিছনের ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল। সামনে ১.২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা আছে। ছবি তুলতে খুবই ভালো। ব্যাটারি এবং অপারেটিং সিস্টেম ব্যাটারি ২৯১৫ এমএএইচ। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ ধরে রাখতে পারে। অপারেটিং সিস্টেম iOS 8, যা আপগ্রেডযোগ্য। বাংলাদেশে iPhone 6 Plus এর দাম বাংলাদেশে iPhone 6 Plus এর দাম ভিন্ন হতে পারে। এটি নির্ভর করে স্টোরেজ এবং কন্ডিশনের উপর। নতুন ফোনের দাম তুলনামূলক বেশি। পুরাতন ফোনের দাম কম হতে পারে। নতুন ফোনের দাম ১৬ জিবি: প্রায় ৩৫,০০০ টাকা ৬৪ জিবি: প্রায় ৪০,০০০ টাকা ১২৮ জিবি: প্রায় ৪৫,০০০ টাকা পুরাতন ফোনের দাম ১৬ জিবি: প্রায় ২০,০০০ টাকা ৬৪ জিবি: প্রায় ২৫,০০০ টাকা ১২৮ জিবি: প্রায় ৩০,০০০ টাকা iPhone 6 Plus কেনার পরামর্শ iPhone 6 Plus একটি ভাল ফোন। এটি বড় স্ক্রিন পছন্দ করেন তাদের জন্য উপযুক্ত। এর ব্যাটারি লাইফ ভাল। ক্যামেরা মানও ভাল। তবে, এটি এখন পুরানো মডেল। তাই আপগ্রেড করা ডিভাইস পাওয়া উচিত। নতুন মডেল বিবেচনা করুন আপনি যদি নতুন আইফোন কিনতে চান, তাহলে নতুন মডেল বিবেচনা করুন। নতুন মডেলগুলি আরও ভাল পারফর্মেন্স এবং ফিচার দেয়। দাম বিবেচনা করুন আপনার বাজেট অনুযায়ী ফোন কিনুন। পুরাতন মডেল সস্তা হতে পারে। তবে নতুন মডেল আরও উন্নত। &amp;nbsp; সারাংশ iPhone 6 Plus একটি ভাল ফোন। এটি বড় স্ক্রিন এবং ভাল ব্যাটারি লাইফ সহ আসে। ক্যামেরা মানও ভাল। তবে, এটি পুরানো মডেল। নতুন মডেল বিবেচনা করুন। বাংলাদেশে দাম ভিন্ন হতে পারে। আশা করি এই গাইডটি আপনাকে সাহায্য করবে। iPhone 6 Plus সম্পর্কে আরও জানতে আমাদের সাইটে ভিজিট করুন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 6 Plus Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Screen Dimensions Of Iphone 6 Plus? The iPhone 6 Plus features a 5. 5-inch Retina HD display. What Is The Battery Capacity Of Iphone 6 Plus? The iPhone 6 Plus has a 2,915mAh battery. How Much Ram Does Iphone 6 Plus Have? The iPhone 6 Plus comes with 1GB of RAM. What Is The Camera Resolution Of Iphone 6 Plus? It has an 8MP rear camera and a 1. 2MP front camera. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_11.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_11.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_11.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 6: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23714</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23714</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 17:08:37 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 6,iphone 6 plus,iphone,iphone 6s,apple iphone 6,iphone 6 vs,iphone 6 review,iphone 6 vs 6 plus,iphone 14,iphone 13,iphone 6 unboxing,apple iphone 6s,i phone 6,iphone 6s plus,iphone 6 s,iphone6,iphone 6 song,iphone 6 help,iphone 6 bend,bent iphone 6,iphone 6 bent,gold iphone 6,iphone 6 vs 5s,iphone 6 gold,iphone 6 vs 6s,iphone 6 2023,iphone 6 pubg,apple phone 6,iphone 6 guide,iphone 6 price,iphone 6 specs,iphone 6 ekran]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি iPhone 6 কিনতে চান? তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই গাইডে আমরা আলোচনা করব iPhone 6 এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশে দাম। iPhone 6 এর স্পেসিফিকেশন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_10.jpg" alt="iPhone 6: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি iPhone 6 কিনতে চান? তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই গাইডে আমরা আলোচনা করব iPhone 6 এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশে দাম। iPhone 6 এর স্পেসিফিকেশন iPhone 6 এর স্পেসিফিকেশন জানলে আপনি সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। নিচে iPhone 6 এর প্রধান স্পেসিফিকেশন দেওয়া হলো: বৈশিষ্ট্য বিবরণ ডিসপ্লে 4.7 ইঞ্চি Retina HD ডিসপ্লে প্রসেসর Apple A8 চিপ RAM 1GB স্টোরেজ 16GB, 64GB, 128GB ক্যামেরা 8MP প্রাইমারি, 1.2MP ফ্রন্ট ব্যাটারি 1810 mAh অপারেটিং সিস্টেম iOS 8, আপগ্রেডেবল ডাইমেনশন 138.1 x 67 x 6.9 মিমি ওজন 129 গ্রাম কালার সিলভার, গোল্ড, স্পেস গ্রে &amp;nbsp; iPhone 6 এর ফিচার এখন আমরা আলোচনা করব iPhone 6 এর ফিচার সম্বন্ধে। এই ফিচারগুলো আপনার ফোন ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করবে। ডিসপ্লে iPhone 6 এর 4.7 ইঞ্চি Retina HD ডিসপ্লে আছে। এই ডিসপ্লেতে ছবিগুলো খুবই স্পষ্ট এবং সুন্দর দেখা যায়। প্রসেসর এবং পারফরমেন্স iPhone 6 এ আছে Apple A8 চিপ। এই চিপ আপনার ফোনকে দ্রুত এবং স্মুথভাবে চলতে সাহায্য করে। স্টোরেজ iPhone 6 এর তিনটি ভেরিয়েন্ট আছে: 16GB, 64GB এবং 128GB। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন। ক্যামেরা iPhone 6 এ 8MP প্রাইমারি ক্যামেরা এবং 1.2MP ফ্রন্ট ক্যামেরা আছে। এই ক্যামেরাগুলো দিয়ে ছবি এবং ভিডিও অনেক ভালো করা যায়। ব্যাটারি iPhone 6 এর ব্যাটারি 1810 mAh। এই ব্যাটারি একবার চার্জ দিলে দীর্ঘ সময় ফোন চালানো যায়। অপারেটিং সিস্টেম iPhone 6 এ iOS 8 অপারেটিং সিস্টেম আছে। আপনি এই সিস্টেমকে নতুন ভার্সনে আপগ্রেড করতে পারেন। iPhone 6 এর দাম বাংলাদেশে বাংলাদেশে iPhone 6 এর দাম বিভিন্ন দোকানে বিভিন্ন হতে পারে। নিচে আমরা একটি আনুমানিক দাম তালিকা দিচ্ছি: iPhone 6 (16GB): ১৪,০০০ - ১৬,০০০ টাকা iPhone 6 (64GB): ১৮,০০০ - ২০,০০০ টাকা iPhone 6 (128GB): ২২,০০০ - ২৫,০০০ টাকা এই দামগুলো পরিবর্তিত হতে পারে। তাই দোকানে গিয়ে দাম যাচাই করে নেবেন। &amp;nbsp; কেন iPhone 6 কিনবেন? iPhone 6 এর অনেকগুলো ভালো দিক আছে। এগুলো আপনাকে কেনার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। ডিজাইন iPhone 6 এর ডিজাইন খুবই সুন্দর। এর স্লিম এবং লাইট ওয়েট ডিজাইন সবাই পছন্দ করে। পারফরমেন্স Apple A8 চিপ এবং 1GB RAM iPhone 6 কে খুব দ্রুত এবং স্মুথ করে তোলে। ক্যামেরা 8MP প্রাইমারি ক্যামেরা দিয়ে আপনি চমৎকার ছবি তুলতে পারবেন। 1.2MP ফ্রন্ট ক্যামেরা সেলফি তোলার জন্য ভালো। মূল্য iPhone 6 এর দাম এখন অনেক কমে গেছে। এটি একটি বাজেট-ফ্রেন্ডলি অপশন। &amp;nbsp; উপসংহার iPhone 6 একটি ভালো অপশন হতে পারে। এর স্পেসিফিকেশন এবং ফিচার চমৎকার। দামও এখন অনেক কম। আপনি যদি একটি ভালো স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাহলে iPhone 6 কিনতে পারেন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 6 Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Specs Of Iphone 6? The iPhone 6 features a 4. 7-inch Retina HD display, A8 chip, 8MP camera, and Touch ID. How Much Ram Does Iphone 6 Have? The iPhone 6 comes with 1GB of RAM. What Is The Battery Capacity Of Iphone 6? The iPhone 6 has a 1810mAh battery capacity. Does Iphone 6 Support 4g Lte? Yes, the iPhone 6 supports 4G LTE connectivity. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_10.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_10.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_10.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 5S: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23713</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23713</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 17:08:11 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 5s,iphone,iphone 5,iphone 5c,iphone 5s in 2022,iphone 5s review,phone,iphone 5s unboxing,iphone 5s in 2023,apple iphone 5s,iphone 5s 2022,iphone 5s apps,iphone 5s gold,iphone unboxing,iphone se,iphone 5s games,iphone 5s in 2024,old iphone,iphone 5s features,apple iphone,iphone 5s vs iphone 5,iphone review,iphone 5s 2022 review,iphone 5s vs iphone 5c,phone 5s,iphone 5 (mobile phone),ios16 update for iphone 5s,iphone 5s vs]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 5S একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি ২০১৩ সালে মুক্তি পায়। এই ফোনে আছে অসাধারণ ফিচার। চলুন জেনে নেই iPhone 5S এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে দাম। &amp;...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_09.jpg" alt="iPhone 5S: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 5S একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি ২০১৩ সালে মুক্তি পায়। এই ফোনে আছে অসাধারণ ফিচার। চলুন জেনে নেই iPhone 5S এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশে দাম। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 5S এর প্রধান ফিচার রিলিজ তারিখ: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৩ ওজন: ১১২ গ্রাম ডিসপ্লে: ৪.০ ইঞ্চি IPS LCD রেজোলিউশন: ৬৪০ x ১১৩৬ পিক্সেল প্রসেসর: ডুয়াল-কোর ১.৩ GHz Cyclone (ARM v8-based) RAM: ১ GB DDR3 স্টোরেজ: ১৬/৩২/৬৪ GB ক্যামেরা: ৮ MP (পিছনে), ১.২ MP (সামনে) ব্যাটারি: ১৫৬০ mAh অপারেটিং সিস্টেম: iOS ৭, আপগ্রেডেবল iOS ১২.৫.৫ &amp;nbsp; iPhone 5S এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন ফিচার বিস্তারিত রিলিজ তারিখ সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৩ ওজন ১১২ গ্রাম ডিসপ্লে ৪.০ ইঞ্চি IPS LCD রেজোলিউশন ৬৪০ x ১১৩৬ পিক্সেল প্রসেসর ডুয়াল-কোর ১.৩ GHz Cyclone (ARM v8-based) RAM ১ GB DDR3 স্টোরেজ ১৬/৩২/৬৪ GB পিছনের ক্যামেরা ৮ MP সামনের ক্যামেরা ১.২ MP ব্যাটারি ১৫৬০ mAh অপারেটিং সিস্টেম iOS ৭, আপগ্রেডেবল iOS ১২.৫.৫ &amp;nbsp; iPhone 5S এর ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি iPhone 5S এর ডিজাইন খুবই আকর্ষণীয়। এটি মেটাল এবং গ্লাস দিয়ে তৈরি। ফোনটি হালকা এবং পাতলা। এটি খুব সহজে হাতে ধরে রাখা যায়। &amp;nbsp; iPhone 5S এর ডিসপ্লে iPhone 5S এর ডিসপ্লে ৪.০ ইঞ্চি। এটি IPS LCD স্ক্রিন। রেজোলিউশন ৬৪০ x ১১৩৬ পিক্সেল। ডিসপ্লে খুবই স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল। &amp;nbsp; iPhone 5S এর পারফরম্যান্স iPhone 5S এ আছে ডুয়াল-কোর ১.৩ GHz Cyclone (ARM v8-based) প্রসেসর। RAM ১ GB DDR3। ফোনটি খুব দ্রুত কাজ করে। মাল্টিটাস্কিং খুব সহজে করা যায়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 5S এর ক্যামেরা iPhone 5S এ আছে ৮ MP পিছনের ক্যামেরা। সামনের ক্যামেরা ১.২ MP। ক্যামেরা ছবি খুবই পরিষ্কার এবং স্পষ্ট। এটি ভিডিও রেকর্ডিংও করতে পারে। &amp;nbsp; iPhone 5S এর ব্যাটারি iPhone 5S এর ব্যাটারি ১৫৬০ mAh। এটি সহজেই একদিন চলতে পারে। ব্যাটারি চার্জ দ্রুত হয়। &amp;nbsp; iPhone 5S এর অপারেটিং সিস্টেম iPhone 5S এ আছে iOS ৭। এটি আপগ্রেড করা যায় iOS ১২.৫.৫ এ। অপারেটিং সিস্টেম খুবই সহজ এবং ব্যবহার বান্ধব। &amp;nbsp; iPhone 5S এর বাংলাদেশে দাম বাংলাদেশে iPhone 5S এর দাম ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত, দাম ১০,০০০ টাকা থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে। তবে, দাম পরিবর্তিত হতে পারে। &amp;nbsp; কেন iPhone 5S কিনবেন? হালকা এবং পাতলা ডিজাইন উজ্জ্বল ডিসপ্লে দ্রুত পারফরম্যান্স ভালো ক্যামেরা দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যবহার বান্ধব অপারেটিং সিস্টেম &amp;nbsp; iPhone 5S এর কিছু সীমাবদ্ধতা RAM কম ব্যাটারি ক্ষমতা কম প্রসেসর আপডেট নয় দ্রুত চার্জিং নেই &amp;nbsp; &amp;nbsp; শেষ কথা iPhone 5S একটি ভালো ফোন। এর ফিচার এবং পারফরম্যান্স ভালো। এটি বাংলাদেশে সহজলভ্য। যারা একটি সাশ্রয়ী মূল্যের আইফোন চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 5S Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Specs Of Iphone 5s? The iPhone 5S features a 4-inch Retina display, A7 chip, 8MP camera, and Touch ID. Does Iphone 5s Support 4g Lte? Yes, the iPhone 5S supports 4G LTE connectivity for faster internet speeds. What Is The Battery Life Of Iphone 5s? The iPhone 5S provides up to 10 hours of talk time on 3G. How Much Ram Does The Iphone 5s Have? The iPhone 5S is equipped with 1GB of RAM. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_09.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_09.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_09.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 5C: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23712</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23712</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 16:08:09 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 5c,iphone,iphone 5,iphone 5s,iphone 5c review,apple iphone 5c,iphone 5c unboxing,iphone 5c 2022,iphone (mobile phone),iphone 5c in 2023,iphone 5s vs iphone 5c,iphone 4,iphone 5 (mobile phone),iphone 14,iphone 4s,iphone 5c features,iphone 5c drop test,iphone 5c vs iphone 5,iphone 5c comparison,iphone 5 s,iphone 5c worth buying,iphone unboxing,phone,buy iphone 5,the iphone 5,iphone 5c new,new iphone 5c,iphone 5 2018,iphone 5 cost]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 5C একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। আপনি এই ফোনের স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশে দাম জানবেন। iPhone 5C এর প্রধান ফিচার স্ক্রীন: ৪.০ ইঞ্চি ক্যামেরা: ৮ মেগাপিক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_08.jpg" alt="iPhone 5C: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 5C একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। আপনি এই ফোনের স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশে দাম জানবেন। iPhone 5C এর প্রধান ফিচার স্ক্রীন: ৪.০ ইঞ্চি ক্যামেরা: ৮ মেগাপিক্সেল ব্যাটারি: ১৫১০ এমএএইচ প্রসেসর: ডুয়াল-কোর ১.৩ গিগাহার্টজ অপারেটিং সিস্টেম: iOS 7 &amp;nbsp; iPhone 5C এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন বিভাগ বিশদ স্ক্রীন ৪.০ ইঞ্চি, ৬৪০ x ১১৩৬ পিক্সেল ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল প্রধান, ১.২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ব্যাটারি ১৫১০ এমএএইচ প্রসেসর ডুয়াল-কোর ১.৩ গিগাহার্টজ র&amp;zwj;্যাম ১ জিবি মেমোরি ৮/১৬/৩২ জিবি অপারেটিং সিস্টেম iOS 7, আপগ্রেডেবল &amp;nbsp; iPhone 5C এর বিশেষ সুবিধা এই ফোনে অনেক সুবিধা আছে। নিচে কিছু প্রধান সুবিধা দেওয়া হলো: টেকসই এবং মজবুত ডিজাইন উজ্জ্বল এবং স্পষ্ট ডিসপ্লে উন্নত ক্যামেরা ফিচার দ্রুত পারফরম্যান্স &amp;nbsp; iPhone 5C এর বাংলাদেশে দাম বাংলাদেশে iPhone 5C এর দাম বিভিন্ন হতে পারে। সাধারণত এই ফোনের দাম ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকার মধ্যে থাকে। &amp;nbsp; iPhone 5C কেনা কেন উপযুক্ত হবে? iPhone 5C একটি ভালো বাজেট ফোন। এর ডিজাইন, পারফরম্যান্স, এবং ফিচার অনেক ভালো। আপনি যদি একটি সাশ্রয়ী দামে ভালো ফোন চান, তাহলে iPhone 5C একটি ভালো পছন্দ। &amp;nbsp; iPhone 5C এর ক্যামেরা ফিচার iPhone 5C এর ক্যামেরা খুব ভালো। এর প্রধান ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ১.২ মেগাপিক্সেল। &amp;nbsp; iPhone 5C এর ব্যাটারি লাইফ iPhone 5C এর ব্যাটারি ১৫১০ এমএএইচ। এটি একটি সম্পূর্ণ দিন চালানোর জন্য যথেষ্ট। &amp;nbsp; iPhone 5C এর পারফরম্যান্স iPhone 5C এর প্রসেসর ডুয়াল-কোর ১.৩ গিগাহার্টজ। এটি খুব দ্রুত কাজ করে। &amp;nbsp; iPhone 5C এর ডিজাইন iPhone 5C এর ডিজাইন খুব সুন্দর এবং মজবুত। এটি বিভিন্ন রঙে পাওয়া যায়। &amp;nbsp; iPhone 5C এর অপারেটিং সিস্টেম iPhone 5C এ iOS 7 অপারেটিং সিস্টেম আছে। এটি আপগ্রেড করা যায়। &amp;nbsp; iPhone 5C এর র&amp;zwj;্যাম এবং মেমোরি iPhone 5C এ ১ জিবি র&amp;zwj;্যাম আছে। এর মেমোরি ৮/১৬/৩২ জিবি পর্যন্ত হতে পারে। &amp;nbsp; iPhone 5C এর অন্যান্য ফিচার Bluetooth 4.0 Wi-Fi GPS 3G, 4G সমর্থন &amp;nbsp; iPhone 5C এর ব্যবহারকারীর মতামত iPhone 5C এর ব্যবহারকারীরা সাধারণত সন্তুষ্ট। তারা এর ডিজাইন এবং পারফরম্যান্স পছন্দ করে। &amp;nbsp; iPhone 5C এর বৈশিষ্ট্যসমূহ ভাল ডিজাইন দ্রুত পারফরম্যান্স উন্নত ক্যামেরা ভাল ব্যাটারি লাইফ &amp;nbsp; iPhone 5C এর সাপোর্ট এবং সার্ভিস iPhone 5C এর জন্য Apple সাপোর্ট প্রদান করে। এর সার্ভিস সেন্টার অনেক স্থানে আছে। &amp;nbsp; iPhone 5C কেনার পরামর্শ আপনি যদি একটি ভালো বাজেট ফোন চান, তাহলে iPhone 5C একটি ভালো পছন্দ। &amp;nbsp; উপসংহার iPhone 5C একটি ভালো ফোন। এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং দাম অনুযায়ী এটি একটি ভালো পছন্দ।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 5C Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Iphone 5c Specifications? IPhone 5C features a 4-inch Retina display, A6 chip, 8MP camera, and 1GB RAM. How Much Does Iphone 5c Cost In Bd? The iPhone 5C price in Bangladesh is around 10,000-12,000 BDT. Does Iphone 5c Support 4g Network? Yes, iPhone 5C supports 4G LTE connectivity. What Colors Are Available For Iphone 5c? IPhone 5C is available in blue, green, pink, yellow, and white. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_08.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_08.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_08.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 5: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23711</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23711</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 15:08:25 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 5,iphone,iphone 5s,iphone 5 review,iphone 5 in 2025,iphone 5 unboxing,iphone5,iphone 5c,iphone 5 2025,iphone 5 ios 6,iphone 5 2016,iphone 5 white,iphone 5 in 2026,new iphone 5,ipone 5,phone,iphone 5 16gb,iphone 5 32gb,iphone 5 64gb,apple iphone 5,обзор iphone 5,iphone 5 black,iphone 5 экран,iphone 4,iphone 6,iphone 5 design,iphone 5 sealed,iphone 5 in 2016,sealed iphone 5]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 5 একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি প্রথম বাজারে আসে ২০১২ সালে। এই গাইডে আমরা iPhone 5 এর সমস্ত বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে এর দাম সম্পর্কে জানবো। iPhone 5 এর প্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_07.jpg" alt="iPhone 5: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 5 একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি প্রথম বাজারে আসে ২০১২ সালে। এই গাইডে আমরা iPhone 5 এর সমস্ত বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে এর দাম সম্পর্কে জানবো। iPhone 5 এর প্রধান বৈশিষ্ট্য স্ক্রিন সাইজ: ৪ ইঞ্চি রেজোলিউশন: ৬৪০ x ১১৩৬ পিক্সেল প্রসেসর: A6 চিপ র&amp;zwj;্যাম: ১ জিবি স্টোরেজ: ১৬/৩২/৬৪ জিবি ক্যামেরা: ৮ মেগাপিক্সেল (পেছনে), ১.২ মেগাপিক্সেল (সামনে) ব্যাটারি: ১৪৪০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার স্ক্রিন এবং ডিসপ্লে iPhone 5 এর স্ক্রিন ৪ ইঞ্চি। এটি রেটিনা ডিসপ্লে প্রযুক্তি ব্যবহার করে। রেজোলিউশন ৬৪০ x ১১৩৬ পিক্সেল। স্ক্রিনটি খুবই স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল। প্রসেসর এবং পারফরম্যান্স iPhone 5 তে A6 চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি খুব দ্রুত এবং দক্ষ। আপনি সহজেই গেম খেলতে এবং অ্যাপস চালাতে পারবেন। র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ এই ফোনে ১ জিবি র&amp;zwj;্যাম রয়েছে। স্টোরেজ অপশনগুলি হল ১৬, ৩২, এবং ৬৪ জিবি। আপনি আপনার পছন্দমত স্টোরেজ বেছে নিতে পারবেন। ক্যামেরা iPhone 5 এর পেছনের ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল। সামনের ক্যামেরা ১.২ মেগাপিক্সেল। ছবি এবং ভিডিও খুবই স্পষ্ট হয়। ব্যাটারি iPhone 5 এর ব্যাটারি ১৪৪০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার। এটি পুরো দিন চলবে। আপনি সহজেই ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশে iPhone 5 এর দাম বাংলাদেশে iPhone 5 এর দাম ভিন্ন হতে পারে। এটি নির্ভর করে স্টোরেজ এবং কন্ডিশনের উপর। সাধারণত দাম ৮,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে থাকে। স্টোরেজ দাম (টাকা) ১৬ জিবি ৮,০০০ - ১০,০০০ ৩২ জিবি ১০,০০০ - ১২,০০০ ৬৪ জিবি ১২,০০০ - ১৫,০০০ iPhone 5 কেন কিনবেন? দ্রুত পারফরম্যান্স: A6 চিপ খুব দ্রুত। হালকা ওজন: iPhone 5 খুবই হালকা। উচ্চ মানের ক্যামেরা: ছবি এবং ভিডিও খুবই স্পষ্ট। দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ: ব্যাটারি পুরো দিন চলবে। &amp;nbsp; iPhone 5 এর অসুবিধা কম র&amp;zwj;্যাম: ১ জিবি র&amp;zwj;্যাম আধুনিক স্ট্যান্ডার্ডে কম। পুরানো মডেল: iPhone 5 এখন পুরানো মডেল। আপডেটের অভাব: নতুন iOS আপডেট পাওয়া যায় না। iPhone 5 এর বিকল্প আপনি যদি নতুন মডেল চান, তাহলে iPhone SE বা iPhone 6S দেখতে পারেন। এই মডেলগুলি আরও উন্নত বৈশিষ্ট্য প্রদান করে। শেষ কথা iPhone 5 একটি দুর্দান্ত ফোন। এটি দ্রুত, হালকা এবং উচ্চ মানের ক্যামেরা। তবে, এটি একটি পুরানো মডেল। আপনি যদি নতুন মডেল চান, তাহলে iPhone SE বা iPhone 6S দেখতে পারেন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 5 Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Specifications Of Iphone 5? IPhone 5 features a 4-inch Retina display, A6 chip, 8MP camera, and LTE support. How Much Ram Does Iphone 5 Have? IPhone 5 comes with 1GB of RAM. What Is The Battery Capacity Of Iphone 5? IPhone 5 has a 1440mAh battery capacity. Does Iphone 5 Support 4g Lte? Yes, iPhone 5 supports 4G LTE connectivity. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_07.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_07.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_07.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 4S: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23710</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23710</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 03:08:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone,iphone 4s,iphone 4s review,iphone 4,apple iphone 4s,old iphone,iphone 4s in 2023,apple iphone,phone,iphone review,iphone 6,iphone 5,iphone 4s 2018,iphone 4s in 2024,new iphone,iphone 4s in 2022,iphone 4s in 2018,iphone 4s 2023 review,iphone 4s in 2023 review,i phone,new iphone 4s,iphone 4s vs 4,iphone 4s vs 5,iphone 7,iphone 4s 2024,iphone 4s 2022,iphone 4s 2011,iphone 4s siri,2018 iphone 4s,iphone 4s vs xs,iphone 4s test]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 4S একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি ২০১১ সালে মুক্তি পেয়েছিল। iPhone 4S এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে এর দাম সম্পর্কে জানুন। &amp;nbsp; Credit: www.cnet.com iPhon...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_06.jpg" alt="iPhone 4S: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 4S একটি জনপ্রিয় স্মার্টফোন। এটি ২০১১ সালে মুক্তি পেয়েছিল। iPhone 4S এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে এর দাম সম্পর্কে জানুন। &amp;nbsp; Credit: www.cnet.com iPhone 4S এর বৈশিষ্ট্য iPhone 4S এর অনেক বৈশিষ্ট্য আছে। নিচে কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য দেওয়া হল: ডিসপ্লে ৩.৫ ইঞ্চি রেটিনা ডিসপ্লে ৬৪০ x ৯৬০ পিক্সেল রেজোলিউশন ৩২৬ পিপিআই পিক্সেল ঘনত্ব প্রসেসর ডুয়াল-কোর A5 চিপ ৮০০ মেগাহার্টজ কোর ক্লক স্পিড ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরা ১০৮০পি ভিডিও রেকর্ডিং ভিজিএ ফ্রন্ট ক্যামেরা স্টোরেজ ৮ জিবি, ১৬ জিবি, ৩২ জিবি, এবং ৬৪ জিবি সংস্করণ ব্যাটারি ১৪৩২ এমএএইচ ব্যাটারি স্ট্যান্ডবাই সময়: ২০০ ঘণ্টা টক টাইম: ৮ ঘণ্টা (৩জি) অপারেটিং সিস্টেম iOS 5, আপগ্রেডেবল iOS 9.3.5 পর্যন্ত অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর নেই স্যাফারি ব্রাউজার সিরি ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ৪.০ iPhone 4S এর বাংলাদেশে দাম বাংলাদেশে iPhone 4S এর দাম বিভিন্ন হতে পারে। এটি নির্ভর করে স্টোরেজ এবং কন্ডিশনের উপর। নতুন Iphone 4s এর দাম নতুন iPhone 4S এর দাম বাংলাদেশে প্রায় ২০,০০০ টাকা থেকে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। ব্যবহৃত Iphone 4s এর দাম ব্যবহৃত iPhone 4S এর দাম বাংলাদেশে সাধারণত ৫,০০০ টাকা থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 4S কেন কিনবেন? iPhone 4S কেনার কিছু কারণ নিচে দেওয়া হল: বাজেটের মধ্যে ভালো স্মার্টফোন ছোট আকার, সহজে বহনযোগ্য অ্যাপলের নির্ভরযোগ্যতা iPhone 4S এর অসুবিধা iPhone 4S এর কিছু অসুবিধা আছে। নিচে কিছু প্রধান অসুবিধা দেওয়া হল: সফ্টওয়্যার আপডেট সীমিত ব্যাটারি লাইফ কম ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর নেই &amp;nbsp; উপসংহার iPhone 4S একটি ভালো স্মার্টফোন। এটি বাজেটের মধ্যে একটি ভালো বিকল্প। তবে, এর কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 4S Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Screen Size Of Iphone 4s? IPhone 4S features a 3. 5-inch Retina display with a resolution of 960x640 pixels. Does Iphone 4s Support Siri? Yes, iPhone 4S is the first model to introduce Siri, Apple&amp;#39;s voice assistant. How Much Ram Does Iphone 4s Have? IPhone 4S comes with 512MB of RAM. What Is The Camera Resolution Of Iphone 4s? IPhone 4S has an 8-megapixel rear camera with 1080p video recording. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_06.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_06.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_06.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 4 (GSM) and iPhone 4 (CDMA) : এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23709</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23709</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 03:08:32 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 4,iphone,iphone 4 gsm,iphone 4 (mobile phone),phone,iphone 4 broken,iphone 4 repair,iphone 4s,iphone 4 vs iphone 4s,iphone4,diy iphone 4 gsm repair video,iphone 4 screen replacement,iphone se 4,new iphone 4,iphone 4 scam,iphone 4 cdma,apple iphone 4,iphone 4 damage,iphone 4s case,iphone se 4 specs,iphone se 4 leaks,iphone se 4 price,cracked iphone 4,verizon iphone 4,iphone se 4 design,how to fix iphone 4,repair iphone 4 att,apple iphone 4 cdma,iphone 4 (computer),iphone 5,iphone 4g,vzw iphone 4,cdma iphone 4,at&amp;t iphone 4,iphone 4 review,iphone 4 cdma vs gsm,iphone 4 cdma model,iphone 4 cdma unlock,iphone 4 cdma ifixit,iphone 4 antennagate,antennagate iphone 4,apple iphone 4 verizon,iphone 4 cdma firmware,cell phone]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি iPhone 4 সম্পর্কে জানতে আগ্রহী? এখানে আপনি iPhone 4 (GSM) এবং iPhone 4 (CDMA) এর সমস্ত স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশ মূল্য সম্পর্কে জানতে পারবেন। &amp;nb...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_04.jpg" alt="iPhone 4 (GSM) and iPhone 4 (CDMA) : এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি iPhone 4 সম্পর্কে জানতে আগ্রহী? এখানে আপনি iPhone 4 (GSM) এবং iPhone 4 (CDMA) এর সমস্ত স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশ মূল্য সম্পর্কে জানতে পারবেন। &amp;nbsp; iPhone 4 (GSM) এবং iPhone 4 (CDMA) এর বিবরণ iPhone 4 দুটি ভেরিয়েন্টে আসে: GSM এবং CDMA। এই দুটি মডেলের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। এখানে আমরা প্রতিটি মডেলের বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করব। &amp;nbsp; Iphone 4 (gsm) স্পেসিফিকেশন ফিচার বিবরণ ডিসপ্লে 3.5 ইঞ্চি LED-backlit IPS LCD রেজোলিউশন 640 x 960 পিক্সেল প্রসেসর Apple A4 র&amp;zwj;্যাম 512MB স্টোরেজ 8GB/16GB/32GB ক্যামেরা 5 মেগাপিক্সেল পেছনের ক্যামেরা, VGA সামনের ক্যামেরা ব্যাটারি 1420mAh অপারেটিং সিস্টেম iOS 4 (আপগ্রেডেবল) কানেক্টিভিটি Wi-Fi, Bluetooth, GPS &amp;nbsp; Iphone 4 (cdma) স্পেসিফিকেশন ফিচার বিবরণ ডিসপ্লে 3.5 ইঞ্চি LED-backlit IPS LCD রেজোলিউশন 640 x 960 পিক্সেল প্রসেসর Apple A4 র&amp;zwj;্যাম 512MB স্টোরেজ 16GB/32GB ক্যামেরা 5 মেগাপিক্সেল পেছনের ক্যামেরা, VGA সামনের ক্যামেরা ব্যাটারি 1420mAh অপারেটিং সিস্টেম iOS 4 (আপগ্রেডেবল) কানেক্টিভিটি Wi-Fi, Bluetooth, GPS &amp;nbsp; iPhone 4 (GSM) এবং iPhone 4 (CDMA) এর পার্থক্য iPhone 4 (GSM) এবং iPhone 4 (CDMA) এর মধ্যে কিছু মূল পার্থক্য রয়েছে। নিচে আমরা সেই পার্থক্যগুলি তুলে ধরছি: কানেক্টিভিটি: GSM মডেল সিম কার্ড ব্যবহার করে, যেখানে CDMA মডেল সিম কার্ড ব্যবহার করে না। স্টোরেজ: CDMA মডেলে 8GB স্টোরেজ অপশন নেই, যেখানে GSM মডেলে এই অপশন আছে। অপারেটর: GSM মডেল বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়, যেখানে CDMA মডেল কেবল নির্দিষ্ট দেশগুলিতে ব্যবহৃত হয়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 4 (GSM) এবং iPhone 4 (CDMA) এর ফিচার iPhone 4 (GSM) এবং iPhone 4 (CDMA) উভয় মডেলেই কিছু সাধারণ ফিচার রয়েছে। নিচে সেই ফিচারগুলি দেওয়া হলো: ডিজাইন: উভয় মডেলের ডিজাইন একই। ডিসপ্লে: উভয় মডেলের ডিসপ্লে একই। ক্যামেরা: উভয় মডেলের ক্যামেরা একই। ব্যাটারি: উভয় মডেলের ব্যাটারি একই। অপারেটিং সিস্টেম: উভয় মডেলের অপারেটিং সিস্টেম একই। &amp;nbsp; বাংলাদেশে iPhone 4 (GSM) এবং iPhone 4 (CDMA) এর মূল্য বাংলাদেশে iPhone 4 (GSM) এবং iPhone 4 (CDMA) এর মূল্য ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। নিচে আমরা বাংলাদেশে এই দুটি মডেলের আনুমানিক মূল্য প্রদান করছি: মডেল মূল্য (BDT) iPhone 4 (GSM) 8GB ৳10,000 iPhone 4 (GSM) 16GB ৳12,000 iPhone 4 (GSM) 32GB ৳15,000 iPhone 4 (CDMA) 16GB ৳11,000 iPhone 4 (CDMA) 32GB ৳14,000 &amp;nbsp; শেষ কথা iPhone 4 (GSM) এবং iPhone 4 (CDMA) উভয় মডেলেই অসাধারণ ফিচার রয়েছে। আপনি যদি একটি পুরাতন কিন্তু কার্যকরী স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাহলে iPhone 4 একটি ভালো অপশন হতে পারে। বাংলাদেশে এর মূল্যও বেশ সাশ্রয়ী।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 4 (GSM) and iPhone 4 (CDMA) Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Screen Sizes Of Iphone 4 Models? Both iPhone 4 (GSM) and iPhone 4 (CDMA) have 3. 5-inch screens. Do Iphone 4 Models Support 4g Connectivity? No, iPhone 4 (GSM) and iPhone 4 (CDMA) support only 3G connectivity. How Much Ram Does Iphone 4 Have? IPhone 4 models come with 512MB of RAM. What Is The Camera Resolution Of Iphone 4? Both models feature a 5-megapixel rear camera. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 3GS: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23708</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23708</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 03:08:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone,iphone 3gs,iphone 3g,iphone 4,iphone 3,iphone 3g s,iphone 2g,iphone 3gs review,iphone review,iphone 4s,iphone comparison,apple iphone 3gs,new iphone,iphone 3gs in 2024,apple iphone,iphone unboxing,phone,iphone 3 fake,iphone 2,iphone 5,iphone 3g 2024,new iphone 3gs,iphone 3gs 2023,iphone 3gs 2024,iphone 14,iphone 13,iphone 3gs tour,iphone 3gs 2018,iphone 3g in 2023,iphone 3g in 2024,old iphone,iphone fix,2nd iphone]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 3Gs একটি পুরনো মডেল হলেও, এটি এখনও অনেকের প্রিয়। এই লেখায় আমরা iPhone 3Gs এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে দাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। &amp;nbsp; Credit: en.wi...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_03.jpg" alt="iPhone 3GS: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 3Gs একটি পুরনো মডেল হলেও, এটি এখনও অনেকের প্রিয়। এই লেখায় আমরা iPhone 3Gs এর বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে দাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। &amp;nbsp; Credit: en.wikipedia.org iPhone 3Gs এর বৈশিষ্ট্য বৈশিষ্ট্য বিস্তারিত প্রদর্শন ৩.৫ ইঞ্চি TFT capacitive টাচস্ক্রিন রেজোলিউশন ৩২০ x ৪৮০ পিক্সেল ক্যামেরা ৩.১৫ মেগাপিক্সেল প্রসেসর ৬০০ MHz Cortex-A8 র&amp;zwj;্যাম ২৫৬MB স্টোরেজ ৮/১৬/৩২GB ব্যাটারি ১২১৯ mAh অপারেটিং সিস্টেম iOS ৬.১.৬ (সর্বশেষ আপডেট) &amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 3Gs এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য ৩.৫ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন: iPhone 3Gs এর ডিসপ্লে ৩.৫ ইঞ্চি। এটি সহজে ব্যবহার করা যায়। ৩.১৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা: ক্যামেরা ছবি তুলতে ভালো। কিন্তু এখনকার স্মার্টফোনের মতো উন্নত নয়। ৬০০ MHz প্রসেসর: প্রসেসর খুব দ্রুত নয়। তবে দৈনন্দিন কাজের জন্য যথেষ্ট। ২৫৬MB র&amp;zwj;্যাম: র&amp;zwj;্যাম কম। তাই অনেক অ্যাপ্লিকেশন একসঙ্গে চালানো কঠিন। ৮/১৬/৩২GB স্টোরেজ: স্টোরেজ অপশন বিভিন্ন। বেশি ডাটা সংরক্ষণ করতে পারবেন। ১২১৯ mAh ব্যাটারি: ব্যাটারি ক্ষমতা কম। কিন্তু সাধারণ ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট। iOS ৬.১.৬: এটি সর্বশেষ আপডেট। তবে নতুন অ্যাপ্লিকেশনগুলো সমর্থন করে না। &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশে iPhone 3Gs এর দাম iPhone 3Gs এখন আর নতুন অবস্থায় বাজারে পাওয়া যায় না। তবে পুরনো অবস্থায় আপনি এটি কিনতে পারেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে iPhone 3Gs এর দাম প্রায় ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। দাম নির্ভর করে ফোনের অবস্থার উপর। &amp;nbsp; কেন Iphone 3gs কিনবেন? iPhone 3Gs একটি ঐতিহ্যবাহী ফোন। এর ডিজাইন এবং ব্যবহারের সহজতা অনেকের পছন্দ। যদি আপনি একটি ক্লাসিক ফোন চান, তাহলে iPhone 3Gs আপনার জন্য ভালো হতে পারে। &amp;nbsp; Iphone 3gs এর বিকল্প আপনি যদি নতুন মডেলের আইফোন চান, তাহলে iPhone SE, iPhone 6s এবং অন্যান্য নতুন মডেলগুলো দেখতে পারেন। এরা উন্নত স্পেসিফিকেশন এবং বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে। &amp;nbsp; সারসংক্ষেপ iPhone 3Gs একটি ক্লাসিক এবং ঐতিহ্যবাহী ফোন। এর স্পেসিফিকেশন এবং বৈশিষ্ট্যগুলি সাধারণ হলেও, এটি এখনও অনেকের প্রিয়। বাংলাদেশে এটি পুরনো অবস্থায় ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকায় পাওয়া যায়। আশা করি এই গাইড আপনাকে iPhone 3Gs সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দিয়েছে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 3GS Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 3gs? IPhone 3Gs includes a 3MP camera, 3. 5-inch display, and 600MHz processor. How Much Does Iphone 3gs Cost In Bd? IPhone 3Gs is priced around 10,000 BDT in Bangladesh. Does Iphone 3gs Support 3g Connectivity? Yes, iPhone 3Gs supports 3G connectivity for faster internet browsing. What Is The Battery Life Of Iphone 3gs? IPhone 3Gs offers up to 5 hours of talk time. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 3G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23707</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23707</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 03:08:01 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone,iphone 3g,iphone 3gs,iphone 4,iphone 3g unboxing,iphone 3g review,phone,apple iphone,iphone 4s,iphone 2g,apple iphone 3g,iphone 3,old iphone,iphone 3g in 2024,iphone 2,iphone comparison,new iphone,first iphone,every iphone,iphone review,iphone in 2024,iphone 3g s,original iphone,apple iphone 3g unboxing,iphone 3 fake,iphone 1,uber iphone 3g,iphone 3g 2019,iphone 3g 2024,iphone 3g 2021,iphone incoming call,iphone 12]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আইফোন ৩জি একটি দুর্দান্ত ফোন। এটি প্রথম আইফোনের উন্নত সংস্করণ। আজ আমরা এর স্পেসিফিকেশন ও দাম সম্পর্কে জানবো। আইফোন ৩জি স্পেসিফিকেশন &amp;nbsp; ডিসপ্লে আইফোন ৩জি&amp;#39...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_02.jpg" alt="iPhone 3G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আইফোন ৩জি একটি দুর্দান্ত ফোন। এটি প্রথম আইফোনের উন্নত সংস্করণ। আজ আমরা এর স্পেসিফিকেশন ও দাম সম্পর্কে জানবো। আইফোন ৩জি স্পেসিফিকেশন &amp;nbsp; ডিসপ্লে আইফোন ৩জি&amp;#39;র ডিসপ্লে এক কথায় অসাধারণ। এর স্ক্রিন সাইজ ৩.৫ ইঞ্চি। স্পেসিফিকেশন বিবরণ স্ক্রিন সাইজ ৩.৫ ইঞ্চি রেজোলিউশন ৩২০ x ৪৮০ পিক্সেল &amp;nbsp; ক্যামেরা আইফোন ৩জি&amp;#39;র ক্যামেরা ভালো মানের ছবি তোলে। এটি ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। স্পেসিফিকেশন বিবরণ প্রধান ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল ভিডিও রেকর্ডিং ভিজিএ ৩০ ফ্রেম প্রতি সেকেন্ড &amp;nbsp; ব্যাটারি আইফোন ৩জি&amp;#39;র ব্যাটারি ভালো ব্যাকআপ দেয়। এটি ১১৫০ এমএএইচ ব্যাটারি। স্পেসিফিকেশন বিবরণ ব্যাটারি ক্যাপাসিটি ১১৫০ এমএএইচ স্ট্যান্ডবাই টাইম ৩০০ ঘন্টা টক টাইম ১০ ঘন্টা &amp;nbsp; প্রসেসর এবং র&amp;zwj;্যাম আইফোন ৩জি&amp;#39;র প্রসেসর ও র&amp;zwj;্যাম ভালো পারফরম্যান্স দেয়। এর প্রসেসর ৪১২ মেগাহার্টজ এবং র&amp;zwj;্যাম ১২৮ এমবি। স্পেসিফিকেশন বিবরণ প্রসেসর ৪১২ মেগাহার্টজ র&amp;zwj;্যাম ১২৮ এমবি &amp;nbsp; স্টোরেজ আইফোন ৩জি&amp;#39;র স্টোরেজ ভালো পরিমাণে ডাটা সংরক্ষণ করতে পারে। এটি ৮ জিবি এবং ১৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যায়। স্পেসিফিকেশন বিবরণ ইন্টারনাল স্টোরেজ ৮ জিবি / ১৬ জিবি এক্সপ্যান্ডেবল স্টোরেজ নেই &amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম আইফোন ৩জি&amp;#39;র অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ২ দিয়ে চালিত। এটি পরবর্তীতে আপডেট করে আইওএস ৪.২.১ পর্যন্ত করা যায়। স্পেসিফিকেশন বিবরণ অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ২ (আপডেটেবল আইওএস ৪.২.১) &amp;nbsp; &amp;nbsp; আইফোন ৩জি&amp;#39;র অন্যান্য ফিচার জিপিএস ৩জি নেটওয়ার্ক সাপোর্ট ওয়াই-ফাই ব্লুটুথ এজ ইউএসবি ২.০ &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশে আইফোন ৩জি&amp;#39;র দাম বাংলাদেশে আইফোন ৩জি&amp;#39;র দাম ভিন্ন হতে পারে। যদিও এটি পুরানো মডেল, তারপরেও কিছু দোকানে পাওয়া যায়। আইফোন ৩জি&amp;#39;র দাম প্রায় ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে হতে পারে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; উপসংহার আইফোন ৩জি একটি চমৎকার ফোন। এর স্পেসিফিকেশন ও দাম বিবেচনা করলে এটি ভালো একটি ফোন। আপনি যদি একটি পুরানো কিন্তু কার্যকর ফোন খুঁজছেন, তাহলে আইফোন ৩জি ভালো পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; iPhone 3G Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Iphone 3g? The iPhone 3G features 3G connectivity, GPS, and a 2MP camera. How Much Ram Does Iphone 3g Have? The iPhone 3G comes with 128MB of RAM. What Is The Iphone 3g&amp;#39;s Screen Size? The iPhone 3G has a 3. 5-inch display. Does Iphone 3g Support Ios Updates? The iPhone 3G supports up to iOS 4. 2. 1. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[POCO F6 Deadpool Limited Edition: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23706</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23706</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 02:08:20 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[poco f6 deadpool limited edition,poco f6 deadpool limited edition price,poco f6 deadpool edition,poco f6 deadpool limited edition review,poco f6 deadpool limited edition unboxing,poco f6 deadpool limited edition first impressions,poco f6 deadpool limited edition first look,poco f6 deadpool limited edition price in india,poco f6 deadpool limited edition unboxing in hindi,poco f6 deadpool limited edition india price,deadpool limited edition]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Poco F6 Deadpool Limited Edition একটি বিশেষ স্মার্টফোন। এটি বিশেষত বাংলাদেশের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই ফোনে অসাধারণ ফিচার এবং আকর্ষণীয় ডিজাইন রয়েছে। আসুন জেন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_01.jpg" alt="POCO F6 Deadpool Limited Edition: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Poco F6 Deadpool Limited Edition একটি বিশেষ স্মার্টফোন। এটি বিশেষত বাংলাদেশের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই ফোনে অসাধারণ ফিচার এবং আকর্ষণীয় ডিজাইন রয়েছে। আসুন জেনে নেই এর স্পেসিফিকেশন্স এবং বাংলাদেশে এর মূল্য। ফোনের ডিজাইন এই ফোনের ডিজাইন অত্যন্ত আকর্ষণীয়। Deadpool এর থিমে এটি বানানো হয়েছে। পিছনের কভারে Deadpool এর ছবি রয়েছে। ফোনের রঙও Deadpool এর কমিক্স থেকে অনুপ্রাণিত। ডিসপ্লে ডিসপ্লে সাইজ: ৬.৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে টাইপ: AMOLED রেজোলিউশন: ২৪০০ x ১০৮০ পিক্সেল রিফ্রেশ রেট: ১২০ হার্টজ &amp;nbsp; পারফরমেন্স এই ফোনে শক্তিশালী প্রসেসর রয়েছে। এটি গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিং এর জন্য উপযুক্ত। প্রসেসর এবং র&amp;zwj;্যাম প্রসেসর: Qualcomm Snapdragon ৮৮৮ র&amp;zwj;্যাম: ৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ: ১২৮ জিবি ক্যামেরা এই ফোনের ক্যামেরা অসাধারণ। ফটোগ্রাফি প্রেমীদের জন্য এটি একটি আদর্শ ফোন। পিছনের ক্যামেরা প্রধান ক্যামেরা: ৬৪ মেগাপিক্সেল অল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা: ৮ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল সামনের ক্যামেরা সেলফি ক্যামেরা: ২০ মেগাপিক্সেল ব্যাটারি এবং চার্জিং এই ফোনে শক্তিশালী ব্যাটারি রয়েছে। এটি দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ প্রদান করে। ব্যাটারি ক্ষমতা ব্যাটারি: ৫০০০ এমএএইচ ফাস্ট চার্জিং: ৬৭ ওয়াট &amp;nbsp; Credit: timesofindia.indiatimes.com অপারেটিং সিস্টেম এবং ইউজার ইন্টারফেস এই ফোনে নতুনতম অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। ইউজার ইন্টারফেসও ব্যবহার করা সহজ। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড: ১২ ইউজার ইন্টারফেস: MIUI ১৩ অন্যান্য ফিচার এই ফোনে আরও অনেক ফিচার রয়েছে। এগুলি ফোনটির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর টাইপ: আন্ডার-ডিসপ্লে কানেক্টিভিটি ৫জি সাপোর্ট ব্লুটুথ ৫.২ ওয়াই-ফাই ৬ &amp;nbsp; বাংলাদেশে মূল্য এই ফোনের বাংলাদেশে মূল্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এটি সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যাবে। মূল্য বাংলাদেশে মূল্য: ৪৫,০০০ টাকা &amp;nbsp; Credit: www.financialexpress.com কেন এই ফোন কেনা উচিত এই ফোনটি কেনার অনেক কারণ রয়েছে। এটি অসাধারণ পারফরমেন্স প্রদান করে। ফিচার রিক্যাপ শক্তিশালী প্রসেসর উচ্চ রেজোলিউশন ক্যামেরা দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ Deadpool থিমযুক্ত আকর্ষণীয় ডিজাইন সারাংশ Poco F6 Deadpool Limited Edition একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এর ফিচার এবং ডিজাইন উভয়ই অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বাংলাদেশের বাজারে এটি সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। এই ফোনটি গেমিং, ফটোগ্রাফি এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য আদর্শ। তাই, আপনি যদি একটি নতুন স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাহলে Poco F6 Deadpool Limited Edition হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। আপনি যদি এই ফোনটি কিনতে চান, তাহলে আজই আপনার নিকটস্থ স্টোরে যোগাযোগ করুন।&amp;nbsp; &amp;nbsp; POCO F6 Deadpool Limited Edition Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are Poco F6 Deadpool Specs? Poco F6 Deadpool features Snapdragon 870, 6GB RAM, 128GB storage, 120Hz AMOLED display, and 5000mAh battery. What Is Poco F6 Bd Price? Poco F6 Deadpool Limited Edition costs approximately BDT 35,000 in Bangladesh. Does Poco F6 Deadpool Support 5g? Yes, Poco F6 Deadpool supports 5G connectivity for faster internet speeds. How Is Poco F6 Camera Quality? Poco F6 Deadpool has a 64MP triple-camera setup, offering sharp and vibrant photos. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_01-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Poco M6 Plus 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23705</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23705</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 01:08:53 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[poco m6 plus 5g,poco m6 plus,m6 plus poco,pocom6plus,poco m6 plus 5g ram,poco m6 pro plus 5g,poco m 6 plus,poco m6 plus 5g price,poco m6 plus 5g tamil,poco m6 plus 5g specs,poco m6 plus 5g leaks,poco m6 plus vs,poco m6 plus ff,poco m6 plus 5g review,poco m6 plus 5g gaming,poco m6 plus 5g camera,poco m6 plus 5g rumors,poco m6 plus ram,poco m6 pro plus,poco m6 plus 5g display,poco m6 plus 5g battery,poco m6 plus 5g unboxing]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Poco M6 Plus 5G বাজারে নতুন এক স্মার্টফোন। এটি উন্নত ফিচার এবং আকর্ষণীয় ডিজাইনের জন্য জনপ্রিয়। আজকের আর্টিকেলে আমরা Poco M6 Plus 5G এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_18.jpg" alt="Poco M6 Plus 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Poco M6 Plus 5G বাজারে নতুন এক স্মার্টফোন। এটি উন্নত ফিচার এবং আকর্ষণীয় ডিজাইনের জন্য জনপ্রিয়। আজকের আর্টিকেলে আমরা Poco M6 Plus 5G এর স্পেসিফিকেশন, ফিচার এবং বাংলাদেশি দাম নিয়ে আলোচনা করব। প্রধান ফিচারসমূহ দুর্দান্ত ক্যামেরা শক্তিশালী ব্যাটারি উন্নত প্রসেসর 5G সাপোর্ট স্পেসিফিকেশন বৈশিষ্ট্য বিবরণ ডিসপ্লে 6.67 ইঞ্চি AMOLED, 120Hz রিফ্রেশ রেট প্রসেসর Snapdragon 778G RAM 6GB/8GB স্টোরেজ 128GB/256GB ক্যামেরা 108MP প্রধান ক্যামেরা, 8MP আল্ট্রা-ওয়াইড, 5MP ম্যাক্রো ব্যাটারি 5000mAh, 33W দ্রুত চার্জিং অপারেটিং সিস্টেম Android 12, MIUI 13 ডিসপ্লে Poco M6 Plus 5G এর ডিসপ্লে 6.67 ইঞ্চি AMOLED। এর রেজোলিউশন 2400x1080 পিক্সেল। এটি 120Hz রিফ্রেশ রেট সমর্থন করে। ডিসপ্লের রঙ এবং উজ্জ্বলতা খুবই ভালো। প্রসেসর এই ফোনে Snapdragon 778G প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি শক্তিশালী প্রসেসর। এটি গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিং এর জন্য উপযুক্ত। &amp;nbsp; Credit: www.haveprice.com RAM এবং স্টোরেজ Poco M6 Plus 5G দুটি ভেরিয়েন্টে পাওয়া যায়। একটি 6GB RAM এবং 128GB স্টোরেজ। অন্যটি 8GB RAM এবং 256GB স্টোরেজ। ক্যামেরা এই ফোনে তিনটি ক্যামেরা রয়েছে। প্রধান ক্যামেরা 108MP। এছাড়াও রয়েছে 8MP আল্ট্রা-ওয়াইড এবং 5MP ম্যাক্রো ক্যামেরা। ক্যামেরার ছবি এবং ভিডিও খুবই উচ্চ মানের। ব্যাটারি Poco M6 Plus 5G এর ব্যাটারি 5000mAh। এটি 33W দ্রুত চার্জিং সমর্থন করে। একবার চার্জ দিলে সারা দিন ব্যবহার করা যায়। অপারেটিং সিস্টেম এই ফোনে Android 12 এবং MIUI 13 অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। এটি নতুন ফিচার এবং আপডেট সমর্থন করে। &amp;nbsp; Credit: tech.hindustantimes.com &amp;nbsp; বাংলাদেশি দাম Poco M6 Plus 5G এর বাংলাদেশি দাম নির্ভর করে স্টোরেজের উপর। 6GB RAM এবং 128GB স্টোরেজের দাম প্রায় ২৫,০০০ টাকা। 8GB RAM এবং 256GB স্টোরেজের দাম প্রায় ৩০,০০০ টাকা। উপসংহার Poco M6 Plus 5G একটি দুর্দান্ত স্মার্টফোন। এর ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন খুবই উন্নত। বাংলাদেশে এর দামও সাশ্রয়ী। আপনি যদি একটি ভালো ফোন খুঁজছেন, তবে এটি আপনার জন্য সেরা হতে পারে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; Poco M6 Plus 5G Specifications: Ultimate Guide to Features and Performance &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Display Size Of Poco M6 Plus 5g? Poco M6 Plus 5G features a 6. 7-inch FHD+ display. How Much Ram Does Poco M6 Plus 5g Have? The device comes with 8GB of RAM. What Is The Battery Capacity Of Poco M6 Plus 5g? The phone has a 5000mAh battery. Does Poco M6 Plus 5g Support Fast Charging? Yes, it supports 33W fast charging. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_18.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_18.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_18.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Honor X9b 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23704</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23704</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 19:07:10 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[honor x9b 5g,honor x9b,honor x9b 5g review,honor x9b price,honor x9b review,honor x9b specs,honor x9b 5g price,honor x9b 5g unboxing,honor x9b camera,honor x9b 5g camera test,honor x9b vs,honor x9b unboxing,honor x9b 5g specs,honor x9b 5g feature,honor x9b 5g malaysia,honor x9a,honor x9b gaming,honor x9b drop test,honor x9b malaysia,honor x9b features,honor x9b 5g specification,honor x9a vs honor x9b,honor x9b vs honor x9a,honor x9b camera test]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Honor X9B 5G হল একটি শক্তিশালী স্মার্টফোন। এটি অনেক ফিচার নিয়ে এসেছে। আমরা এখানে বিস্তারিত জানাবো। ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি Honor X9B 5G এর ডিজাইন খুবই আকর্ষণী...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_17.jpg" alt="Honor X9b 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Honor X9B 5G হল একটি শক্তিশালী স্মার্টফোন। এটি অনেক ফিচার নিয়ে এসেছে। আমরা এখানে বিস্তারিত জানাবো। ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি Honor X9B 5G এর ডিজাইন খুবই আকর্ষণীয়। এটি স্লিম এবং হালকা ওজনের। উপাদান: মেটাল এবং গ্লাস ওজন: 190 গ্রাম ডাইমেনশন: 162.3 x 75.5 x 8.2 মিমি ডিসপ্লে Honor X9B 5G এর ডিসপ্লে বড় এবং উজ্জ্বল। এটি অত্যন্ত স্পষ্ট এবং রঙিন। ডিসপ্লে টাইপ সাইজ রেজোলিউশন রিফ্রেশ রেট AMOLED 6.67 ইঞ্চি 1080 x 2400 পিক্সেল 120Hz &amp;nbsp; Credit: www.honor.com পারফরমেন্স Honor X9B 5G এর পারফরমেন্স অত্যন্ত শক্তিশালী। এর হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উন্নত। প্রসেসর: Qualcomm Snapdragon 778G জিপিইউ: Adreno 642L র&amp;zwnj;্যাম: 8GB স্টোরেজ: 128GB/256GB ক্যামেরা Honor X9B 5G এর ক্যামেরা সেটআপ খুবই উন্নত। এতে বিভিন্ন মোড রয়েছে। ক্যামেরা টাইপ রেজোলিউশন ফিচার প্রধান ক্যামেরা 108MP অটোফোকাস, ফ্ল্যাশ আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা 8MP 120 ডিগ্রি ফিল্ড অফ ভিউ ম্যাক্রো ক্যামেরা 2MP ক্লোজ-আপ শট সেলফি ক্যামেরা 32MP বিউটি মোড, পোর্ট্রেট মোড &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: tech.hindustantimes.com ব্যাটারি Honor X9B 5G এর ব্যাটারি ক্ষমতা বেশি। এটি দ্রুত চার্জ হয়। ব্যাটারি ক্যাপাসিটি: 4500mAh ফাস্ট চার্জিং: 66W ওয়্যারলেস চার্জিং: 15W সফটওয়্যার Honor X9B 5G এর সফটওয়্যার আপডেটেড। এটি বিভিন্ন ফিচার সমৃদ্ধ। অপারেটিং সিস্টেম: Android 12 ইউআই: Magic UI 5.0 সংযোগ Honor X9B 5G এর সংযোগ ব্যবস্থা উন্নত। এতে বিভিন্ন সংযোগ সুবিধা রয়েছে। 5G: হ্যাঁ Wi-Fi: 802.11 a/b/g/n/ac/6 Bluetooth: 5.2 NFC: হ্যাঁ USB Type-C: হ্যাঁ অন্যান্য ফিচার Honor X9B 5G এর অন্যান্য ফিচারও রয়েছে। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য আরও সুবিধা দেয়। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর: আন্ডার-ডিসপ্লে ফেস আনলক: হ্যাঁ স্পিকার: স্টেরিও স্পিকার হেডফোন জ্যাক: নেই মূল্য এবং উপলব্ধতা Honor X9B 5G এর মূল্য সাশ্রয়ী। এটি বিভিন্ন মার্কেটে উপলব্ধ। মূল্য: $399 (প্রায়) উপলব্ধতা: অনলাইন এবং অফলাইন স্টোর সারসংক্ষেপ Honor X9B 5G একটি শক্তিশালী এবং ফিচার সমৃদ্ধ স্মার্টফোন। এটি সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যায়। এই ফোনটি ভালো ডিজাইন, উন্নত ডিসপ্লে, এবং শক্তিশালী পারফরমেন্স দেয়। ক্যামেরা সেটআপ এবং ব্যাটারি সক্ষমতা চমৎকার। সংযোগ ব্যবস্থাও উন্নত। Honor X9B 5G এর ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন নিশ্চিতভাবে আপনাকে সন্তুষ্ট করবে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; Honor X9B 5G Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;amp; Performance &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Honor X9b 5g? Honor X9B 5G features a 6. 5-inch display, 108MP camera, 5000mAh battery, and 5G connectivity. Does Honor X9b 5g Support Fast Charging? Yes, Honor X9B 5G supports 66W fast charging, ensuring quick power-ups. What Is The Battery Capacity Of Honor X9b 5g? Honor X9B 5G has a 5000mAh battery, offering extended usage. How Good Is The Camera On Honor X9b 5g? Honor X9B 5G boasts a 108MP primary camera, delivering stunning photos. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_17.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_17.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_17.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Xiaomi 14 Civi Limited Edition: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23703</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23703</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 19:07:21 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[xiaomi 14 civi,xiaomi 14,xiaomi 14 civi review,xiaomi 14 civi unboxing,xiaomi,xiaomi 14 lite,xiaomi 14 civi specifications,xiaomi 14 civi camera test,xiaomi 14 civi specs,xiaomi 14 civi camera,xiaomi 14 civi price in india,xiaomi 14 civi bgmi test,xiaomi 14 civi 5g,xiaomi civi 14,limited edition,xiaomi 14 civi price,xiaomi 14 ultra,xiaomi civi 4 pro,xiaomi civi,xiaomi 14 civi india,xiaomi 14 civi vs,xiaomi 14 civi vs xiaomi 14]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Xiaomi 14 Civi Limited Edition একটি নতুন এবং উন্নত স্মার্টফোন। এটি আকর্ষণীয় ডিজাইন এবং উন্নত ফিচারের জন্য পরিচিত। এই আর্টিকেলে আমরা Xiaomi 14 Civi Limited Edit...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_16.jpg" alt="Xiaomi 14 Civi Limited Edition: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Xiaomi 14 Civi Limited Edition একটি নতুন এবং উন্নত স্মার্টফোন। এটি আকর্ষণীয় ডিজাইন এবং উন্নত ফিচারের জন্য পরিচিত। এই আর্টিকেলে আমরা Xiaomi 14 Civi Limited Edition এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। ডিজাইন ও বিল্ড Xiaomi 14 Civi Limited Edition এর ডিজাইন অত্যন্ত চমৎকার। এর বিল্ড কোয়ালিটি প্রিমিয়াম। ফোনটি পাতলা এবং হালকা। এটি হাতে ধরতে খুবই আরামদায়ক। ফোনের ওজন: ১৭০ গ্রাম পুরুত্ব: ৬.৯৯ মিমি ম্যাট ফিনিশ গ্লাস ব্যাক &amp;nbsp; Credit: gagadget.com ডিসপ্লে এই স্মার্টফোনটির ডিসপ্লে অত্যন্ত উন্নত। ডিসপ্লেটি রঙিন এবং পরিষ্কার। এটি যে কোনও কন্টেন্ট দেখার জন্য উপযুক্ত। ডিসপ্লে সাইজ: ৬.৫৫ ইঞ্চি রেজোলিউশন: ২৪০০ x ১০৮০ পিক্সেল এমোলেড প্যানেল রিফ্রেশ রেট: ১২০ হার্জ পারফরম্যান্স Xiaomi 14 Civi Limited Edition এর পারফরম্যান্স অত্যন্ত শক্তিশালী। এটি গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য উপযুক্ত। প্রসেসর: Snapdragon 778G র্যাম: ৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ: ২৫৬ জিবি &amp;nbsp; ক্যামেরা এই স্মার্টফোনটির ক্যামেরা অত্যন্ত উন্নত। এটি ফটো এবং ভিডিওগ্রাফির জন্য আদর্শ। ক্যামেরা টাইপ স্পেসিফিকেশন প্রধান ক্যামেরা ৬৪ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড এঙ্গেল ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা ৩২ মেগাপিক্সেল ব্যাটারি Xiaomi 14 Civi Limited Edition এর ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী। এটি একটি চার্জে সারাদিন ব্যবহার করা যায়। ব্যাটারি ক্যাপাসিটি: ৪৫০০ এমএএইচ ফাস্ট চার্জিং: ৫৫ ওয়াট অপারেটিং সিস্টেম ও ইন্টারফেস এই ফোনটি MIUI ১২.৫ এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি অ্যান্ড্রয়েড ১১ এর সাথে আসে। ইন্টারফেসটি ব্যবহার করা সহজ এবং সুন্দর। সংযোগযোগ্যতা ফোনটির সংযোগযোগ্যতা অত্যন্ত ভালো। এতে আধুনিক সব ফিচার রয়েছে। ৫জি সাপোর্ট ওয়াইফাই ৬ ব্লুটুথ ৫.২ এনএফসি ইউএসবি টাইপ-সি অতিরিক্ত ফিচার এই স্মার্টফোনটিতে অনেক অতিরিক্ত ফিচার রয়েছে। যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করে। আন্ডার-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ফেস আনলক ডুয়াল সিম সাপোর্ট স্টেরিও স্পিকার মুল্য এবং উপলব্ধতা Xiaomi 14 Civi Limited Edition এর মুল্য প্রতিযোগিতামূলক। এটি বিভিন্ন বাজারে সহজেই উপলব্ধ। মুল্য: প্রায় ৪০,০০০ টাকা উপলব্ধ রঙ: কালো, সাদা, গোলাপী &amp;nbsp; Credit: tech.hindustantimes.com উপসংহার Xiaomi 14 Civi Limited Edition একটি চমৎকার স্মার্টফোন। এর ডিজাইন, পারফরম্যান্স এবং ক্যামেরা সবকিছুই অত্যন্ত উন্নত। এটি যে কোনও ব্যবহারকারীর জন্য একটি ভালো পছন্দ।&amp;nbsp; Xiaomi 14 Civi Limited Edition Specifications: Ultimate Feature Guide &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Display Features Of Xiaomi 14 Civi? Xiaomi 14 Civi features a 6. 55-inch AMOLED display with 120Hz refresh rate and HDR10+ support. Does Xiaomi 14 Civi Support Fast Charging? Yes, Xiaomi 14 Civi supports 67W fast charging, ensuring quick battery recharge. What Is The Battery Capacity Of Xiaomi 14 Civi? The Xiaomi 14 Civi comes with a 4500mAh battery, offering long-lasting performance. Which Processor Powers Xiaomi 14 Civi? Xiaomi 14 Civi is powered by the Qualcomm Snapdragon 778G+ processor, ensuring smooth and efficient performance. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_16.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_16.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_16.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Samsung Galaxy Watch5 Pro: এক নজর স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23702</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23702</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 19:07:46 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[samsung galaxy watch 5 pro,samsung galaxy watch5 pro,galaxy watch 5 pro,samsung galaxy watch 5,galaxy watch 5,galaxy watch5 pro,samsung galaxy,samsung galaxy watch,samsung galaxy watch5 pro review,samsung,samsung galaxy watch 5 pro review,samsung watch5 pro,samsung galaxy watch5,samsung galaxy watch 6,galaxy watch 5 pro review,watch 5 pro samsung,samsung watch 5 pro,watch 5 pro,samsung galaxy watch 6 classic,galaxy watch5,samsung watch 5]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Samsung Galaxy Watch5 Pro একটি আধুনিক স্মার্টওয়াচ। এটি উন্নত প্রযুক্তি ও বৈশিষ্ট্য সহ আসে। এই নিবন্ধে আমরা এর সকল স্পেসিফিকেশন ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করব। ডি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_15.jpg" alt="Samsung Galaxy Watch5 Pro: এক নজর স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Samsung Galaxy Watch5 Pro একটি আধুনিক স্মার্টওয়াচ। এটি উন্নত প্রযুক্তি ও বৈশিষ্ট্য সহ আসে। এই নিবন্ধে আমরা এর সকল স্পেসিফিকেশন ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করব। ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি Samsung Galaxy Watch5 Pro এর ডিজাইন খুব সুন্দর। এর বিল্ড কোয়ালিটি খুবই ভালো। এটি টাইটেনিয়াম ফ্রেম সহ আসে। ফ্রেম: টাইটেনিয়াম স্ট্র্যাপ: সিলিকন রঙ: কালো, সিলভার ডিসপ্লে এই স্মার্টওয়াচে ১.৪ ইঞ্চির সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে রয়েছে। এর রেজুলেশন ৪৫০ x ৪৫০ পিক্সেল। ডিসপ্লেটি কর্নিং গরিলা গ্লাস DX দ্বারা সুরক্ষিত। ডিসপ্লে টাইপ সুপার অ্যামোলেড সাইজ ১.৪ ইঞ্চি রেজুলেশন ৪৫০ x ৪৫০ পিক্সেল প্রোটেকশন কর্নিং গরিলা গ্লাস DX &amp;nbsp; Credit: www.bestbuy.com পারফরম্যান্স এটি Exynos W920 চিপসেট দ্বারা চালিত। এর সাথে ১.৫ জিবি র&amp;zwj;্যাম এবং ১৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ রয়েছে। চিপসেট: Exynos W920 র&amp;zwj;্যাম: ১.৫ জিবি স্টোরেজ: ১৬ জিবি অপারেটিং সিস্টেম এবং সফটওয়্যার Samsung Galaxy Watch5 Pro Wear OS ৩.৫ দ্বারা চালিত। এটি Samsung এর নিজস্ব One UI Watch ৪.৫ ইন্টারফেস সহ আসে। অপারেটিং সিস্টেম: Wear OS ৩.৫ ইন্টারফেস: One UI Watch ৪.৫ ব্যাটারি এই স্মার্টওয়াচে ৫৯০ এমএএইচ ব্যাটারি রয়েছে। এটি দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাটারি ব্যাকআপ প্রদান করে। ব্যাটারি ক্যাপাসিটি ৫৯০ এমএএইচ চার্জিং টাইম প্রায় ২ ঘন্টা ব্যাকআপ টাইম ২-৩ দিন &amp;nbsp; Credit: www.samsung.com সেন্সর এবং কানেক্টিভিটি এতে বিভিন্ন ধরনের সেন্সর এবং কানেক্টিভিটি অপশন রয়েছে। সেন্সর: হার্ট রেট মনিটর, SpO2 সেন্সর, অ্যাক্সিলোমিটার, জাইরোস্কোপ কানেক্টিভিটি: ব্লুটুথ ৫.০, ওয়াইফাই, এনএফসি, জিপিএস &amp;nbsp; অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য ওয়াটার রেসিস্টেন্স: 50 মিটার মাল্টি-স্পোর্ট মোড মিউজিক প্লেয়ার নোটিফিকেশন সাপোর্ট মূল্য এবং উপলব্ধতা Samsung Galaxy Watch5 Pro বিভিন্ন দেশে উপলব্ধ। এর মূল্য ভিন্ন হতে পারে। মূল্য: প্রায় ৩৫,০০০ টাকা থেকে শুরু উপলব্ধতা: Samsung স্টোর এবং অনলাইন মার্কেট উপসংহার Samsung Galaxy Watch5 Pro একটি উন্নত স্মার্টওয়াচ। এটি প্রিমিয়াম ডিজাইন এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স প্রদান করে। এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য এবং সেন্সর আপনার দৈনন্দিন জীবনে সহায়ক হতে পারে। Samsung Galaxy Watch5 Pro Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Is The Screen Size Of Galaxy Watch5 Pro? The Galaxy Watch5 Pro features a 1. 4-inch Super AMOLED display. Does Galaxy Watch5 Pro Have Gps? Yes, the Galaxy Watch5 Pro comes with built-in GPS for accurate tracking. Is The Galaxy Watch5 Pro Water-resistant? Yes, the watch has a 5ATM water resistance rating, suitable for swimming. What Battery Life Does Galaxy Watch5 Pro Offer? The Galaxy Watch5 Pro offers up to 80 hours of battery life on a single charge. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_15.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_15.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_15.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Samsung Galaxy M35 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23701</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23701</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 19:07:25 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[samsung galaxy m35,samsung galaxy m35 5g,samsung m35,samsung galaxy m35 price,galaxy m35,galaxy m35 5g,samsung galaxy m35 5g review,samsung galaxy m35 unboxing,samsung galaxy m35 5g price,samsung m35 5g,samsung galaxy m35 first look,samsung,m35 samsung,samsung galaxy m35 vs,galaxy m35 unboxing,samsung galaxy m35 camera,samsung galaxy m35 review,samsung galaxy m35 5g unboxing,samsung m35 5g price,samsung galaxy m35 5g specs,samsung m35 5g review]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Samsung Galaxy M35 5G একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি সেরা ফিচার ও প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে। এই গাইডে আমরা সবকিছু জানবো। আসুন শুরু করি। ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি Sa...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_13.jpg" alt="Samsung Galaxy M35 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Samsung Galaxy M35 5G একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি সেরা ফিচার ও প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে। এই গাইডে আমরা সবকিছু জানবো। আসুন শুরু করি। ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি Samsung Galaxy M35 5G-এর ডিজাইন অত্যাধুনিক। এর বিল্ড কোয়ালিটিও শক্তিশালী। ফোনটি হাতে নিলেই এটি বোঝা যায়। ডিজাইন ফোনটির ডিজাইন খুবই আকর্ষণীয়। এটি দেখতে স্টাইলিশ এবং মডার্ন। বিল্ড কোয়ালিটি ফোনটির বিল্ড কোয়ালিটি খুবই মজবুত। এটি অনেকটা দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনায়ও টিকে থাকতে পারে। ডিসপ্লে Samsung Galaxy M35 5G-এর ডিসপ্লে খুবই চমৎকার। এটি বড় এবং উজ্জ্বল। ডিসপ্লে সাইজ ফোনটির ডিসপ্লে সাইজ ৬.৭ ইঞ্চি। এটি বড় স্ক্রিন লাভারদের জন্য আদর্শ। ডিসপ্লে টাইপ ফোনটির ডিসপ্লে টাইপ সুপার AMOLED। এটি ছবির মান উন্নত করে। রেজোলিউশন ডিসপ্লের রেজোলিউশন ১০৮০ x ২৪০০ পিক্সেল। এটি খুবই স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল। পারফরম্যান্স Samsung Galaxy M35 5G-এর পারফরম্যান্স অসাধারণ। এটি দ্রুত এবং স্মুথ ভাবে কাজ করে। প্রসেসর ফোনটিতে Exynos 9611 প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি শক্তিশালী প্রসেসর। র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ ৬ জিবি র&amp;zwj;্যাম ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ স্টোরেজ বাড়ানো যায় ক্যামেরা Samsung Galaxy M35 5G-এর ক্যামেরা খুবই উন্নত। এটি দুর্দান্ত ছবি তুলতে পারে। প্রধান ক্যামেরা ৬৪ মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল ওয়াইড-এঙ্গেল ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো ক্যামেরা সেলফি ক্যামেরা ফোনটির সেলফি ক্যামেরা ৩২ মেগাপিক্সেল। এটি সুন্দর সেলফি তুলতে পারে। &amp;nbsp; Credit: tech.hindustantimes.com ব্যাটারি Samsung Galaxy M35 5G-এর ব্যাটারি খুবই শক্তিশালী। এটি দীর্ঘ সময় চার্জ থাকে। ব্যাটারি ক্যাপাসিটি ফোনটির ব্যাটারি ক্যাপাসিটি ৫০০০ mAh। এটি দীর্ঘ সময় ধরে ফোন ব্যবহার করতে দেয়। ফাস্ট চার্জিং ফোনটিতে ২৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট আছে। এটি দ্রুত চার্জ হয়। সফটওয়্যার Samsung Galaxy M35 5G-এর সফটওয়্যার খুবই আপডেটেড। এটি দ্রুত এবং স্মুথ ভাবে কাজ করে। অপারেটিং সিস্টেম ফোনটিতে Android 11 অপারেটিং সিস্টেম আছে। এটি দ্রুত এবং স্মুথ কাজ করে। Ui Samsung-এর নিজস্ব One UI 3.1 ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ব্যবহার করা সহজ। &amp;nbsp; Credit: www.samsung.com নেটওয়ার্ক এবং কানেক্টিভিটি Samsung Galaxy M35 5G-এর নেটওয়ার্ক এবং কানেক্টিভিটি খুবই উন্নত। নেটওয়ার্ক ৫জি সাপোর্ট ৪জি এলটিই সাপোর্ট ৩জি এবং ২জি সাপোর্ট কানেক্টিভিটি Wi-Fi Bluetooth ৫.০ GPS NFC অন্যান্য ফিচার Samsung Galaxy M35 5G-এর আরও কিছু ফিচার আছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ফোনটিতে ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর আছে। এটি দ্রুত লক খুলতে পারে। ডুয়াল সিম ফোনটিতে ডুয়াল সিম সাপোর্ট আছে। এটি খুবই সুবিধাজনক। Usb টাইপ-সি ফোনটিতে USB টাইপ-সি পোর্ট আছে। এটি দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে। মূল্য এবং উপলব্ধতা Samsung Galaxy M35 5G এর মূল্য এবং উপলব্ধতা নিয়ে আলোচনা করা যাক। মূল্য ফোনটির মূল্য ২৫,৯৯৯ টাকা। এটি বাজারের অন্যান্য ফোনের তুলনায় সাশ্রয়ী। উপলব্ধতা ফোনটি সকল বড় রিটেইল স্টোরে পাওয়া যাবে। এছাড়া অনলাইনেও কেনা যাবে। &amp;nbsp; সারসংক্ষেপ Samsung Galaxy M35 5G একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি দুর্দান্ত ফিচার এবং পারফরম্যান্স নিয়ে এসেছে। আপনি যদি একটি নতুন ফোন কিনতে চান, তবে এটি একটি চমৎকার বিকল্প। &amp;nbsp; Samsung Galaxy M35 5G Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;nbsp; Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Samsung Galaxy M35 5g? Samsung Galaxy M35 5G boasts 6. 5-inch display, 5000mAh battery, and triple rear cameras. Does Samsung Galaxy M35 5g Support Fast Charging? Yes, Samsung Galaxy M35 5G supports 25W fast charging for quick power boosts. What Is The Processor Used In Samsung Galaxy M35 5g? Samsung Galaxy M35 5G is powered by the Exynos 1280 processor. How Much Ram Does Samsung Galaxy M35 5g Have? Samsung Galaxy M35 5G comes with 6GB or 8GB of RAM options. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_13.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_13.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_13.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Realme 13 Pro Plus 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23700</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23700</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 18:07:14 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[realme 13 pro plus,realme 13 pro,realme 13 pro plus 5g,realme 13 pro plus 5g unboxing,realme 13 pro 5g,realme 13 pro plus 5g review,realme 13 pro 5g price,realme 13 pro+ 5g,realme 13 pro plus 5g price,realme 13 pro plus unboxing,realme 13 pro plus 5g price in india,realme 13 pro plus price,realme 13 pro series 5g,realme 13 pro plus launch date in india,realme 13 pro plus review,realme 13 pro plus camera,realme 13 pro plus camera test]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Realme 13 Pro Plus 5G একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এই ফোনটি অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে। আসুন আমরা এই ফোনটির সমস্ত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানি। প্রধান বৈশিষ্ট্য...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_12.jpg" alt="Realme 13 Pro Plus 5G: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Realme 13 Pro Plus 5G একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এই ফোনটি অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে। আসুন আমরা এই ফোনটির সমস্ত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানি। প্রধান বৈশিষ্ট্য Realme 13 Pro Plus 5G ফোনটি অনেক উন্নত ফিচার সহ আসে। নিচে আমরা এই ফোনটির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করেছি। ডিসপ্লে 6.7 ইঞ্চি AMOLED ডিসপ্লে 120Hz রিফ্রেশ রেট HDR10+ সাপোর্ট প্রসেসর Qualcomm Snapdragon 888+ চিপসেট Octa-core প্রসেসর Adreno 660 GPU ক্যামেরা Realme 13 Pro Plus 5G ফোনটিতে উন্নত ক্যামেরা সেটআপ রয়েছে। 108MP প্রধান ক্যামেরা 16MP আলট্রা-ওয়াইড এঙ্গেল ক্যামেরা 8MP টেলিফটো লেন্স 2MP ম্যাক্রো লেন্স 32MP ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যাটারি 5000mAh ব্যাটারি 65W ফাস্ট চার্জিং রিভার্স চার্জিং সাপোর্ট স্টোরেজ এবং Ram 12GB RAM 256GB ইন্টারনাল স্টোরেজ মাইক্রোএসডি কার্ড সাপোর্ট &amp;nbsp; Credit: www.notebookcheck.net অপারেটিং সিস্টেম এবং UI Realme 13 Pro Plus 5G ফোনটি Android 12 এর উপর ভিত্তি করে Realme UI 3.0 ব্যবহার করে। এটি ইউজারদের জন্য একটি উন্নত এবং স্মুথ এক্সপিরিয়েন্স প্রদান করে। কানেক্টিভিটি 5G সাপোর্ট Wi-Fi 6 Bluetooth 5.2 NFC USB Type-C পোর্ট &amp;nbsp; Credit: tech.hindustantimes.com নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য Realme 13 Pro Plus 5G ফোনটিতে উন্নত নিরাপত্তা ফিচার রয়েছে। ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ফেস আনলক নক কোড অতিরিক্ত ফিচার এই ফোনটিতে আরও কিছু অতিরিক্ত ফিচার রয়েছে যা ইউজারদের জন্য খুবই উপকারী। স্টেরিও স্পিকার ডলবি অ্যাটমস সাপোর্ট হাই-রেজ অডিও IP68 ওয়াটার এবং ডাস্ট রেসিস্ট্যান্ট &amp;nbsp; মোটামুটি মূল্য Realme 13 Pro Plus 5G ফোনটির মূল্য আপনার বাজেটের মধ্যে হতে পারে। এটি একটি প্রিমিয়াম ফোন হলেও এর দাম বাজারে প্রতিযোগিতামূলক। সারাংশ Realme 13 Pro Plus 5G একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি উন্নত ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন সহ আসে। এই ফোনটি আপনার দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য আদর্শ। আপনি যদি একটি উন্নত এবং বহুমুখী স্মার্টফোন খুঁজছেন, তবে Realme 13 Pro Plus 5G আপনার সেরা পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; Realme 13 Pro Plus 5G Specifications: Ultimate Features Guide Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Realme 13 Pro Plus 5g? The Realme 13 Pro Plus 5G features a 108MP camera, Snapdragon 888 processor, and a 5000mAh battery. Does Realme 13 Pro Plus 5g Support Fast Charging? Yes, Realme 13 Pro Plus 5G supports 65W fast charging for quick and efficient power replenishment. What Is The Display Size Of Realme 13 Pro Plus 5g? The Realme 13 Pro Plus 5G boasts a 6. 7-inch Super AMOLED display with 120Hz refresh rate. Is Realme 13 Pro Plus 5g Water-resistant? No, Realme 13 Pro Plus 5G does not have an official IP rating for water resistance. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_12.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_12.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_12.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Realme 13 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23699</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23699</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 18:07:42 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[realme 13 pro plus,realme 13 pro,realme 13 pro plus 5g,realme 13 pro 5g,realme 13 pro+ 5g,realme 13 pro plus unboxing,realme 13 pro plus 5g unboxing,realme 13 pro plus review,realme 13 pro 5g price,realme 13 pro plus 5g price,realme 13 pro plus 5g review,realme 13 pro series 5g,realme 13 pro plus 5g price in india,realme 13 pro plus price,realme 13 pro plus camera,realme 13 pro plus launch date in india,realme 13 pro plus camera test,realme 13 pro unboxing]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Realme 13 Pro একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এই ফোনে রয়েছে অসাধারণ ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন। চলুন, এই গাইডে আমরা Realme 13 Pro এর বিস্তারিত জানি। ডিসপ্লে Realme 13 P...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_11.jpg" alt="Realme 13 Pro: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Realme 13 Pro একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এই ফোনে রয়েছে অসাধারণ ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন। চলুন, এই গাইডে আমরা Realme 13 Pro এর বিস্তারিত জানি। ডিসপ্লে Realme 13 Pro এর ডিসপ্লে অনেক ভালো। এতে রয়েছে ৬.৫ ইঞ্চি AMOLED ডিসপ্লে। রেজোলিউশন হলো ২৪০০ x ১০৮০ পিক্সেল। ডিসপ্লে রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্জ। প্রসেসর এবং পারফরমেন্স এই ফোনে আছে শক্তিশালী প্রসেসর। Qualcomm Snapdragon 870 চিপসেট ব্যবহৃত হয়েছে। এই প্রসেসর খুব দ্রুত কাজ করে। র&amp;zwj;্যাম এবং স্টোরেজ Realme 13 Pro এ রয়েছে ৮ জিবি র&amp;zwj;্যাম। এছাড়াও, ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ আছে। স্টোরেজ বাড়ানোর জন্য মাইক্রো এসডি কার্ড সাপোর্ট করে। ক্যামেরা এই ফোনে রয়েছে চারটি ক্যামেরা। প্রধান ক্যামেরা ৬৪ মেগাপিক্সেল। এছাড়াও ৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা আছে। ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো লেন্স এবং ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর আছে। সামনের ক্যামেরা ৩২ মেগাপিক্সেল। ব্যাটারি এবং চার্জিং Realme 13 Pro এর ব্যাটারি ৪৫০০ এমএএইচ। দ্রুত চার্জিং এর জন্য ৫০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। অপারেটিং সিস্টেম এই ফোনে Android 11 অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। Realme UI 2.0 এর সাথে আসে। &amp;nbsp; Credit: tech.hindustantimes.com &amp;nbsp; সংযোগ Realme 13 Pro এ ৫জি সাপোর্ট আছে। এছাড়াও Wi-Fi 6 এবং ব্লুটুথ ৫.১ সাপোর্ট করে। নকশা এবং নির্মাণ এই ফোনটি অনেক সুন্দর। এর বডি মেটাল এবং গ্লাসের সমন্বয়ে তৈরি। ফোনের ওজন ১৮৯ গ্রাম। অন্যান্য ফিচার ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ফেস আনলক ডুয়াল সিম সাপোর্ট এনএফসি মূল্য এবং উপলব্ধতা Realme 13 Pro এর মূল্য বাংলাদেশে প্রায় ৩০,০০০ টাকা। ফোনটি অনলাইন এবং অফলাইন স্টোরে পাওয়া যায়। সারণী: Realme 13 Pro স্পেসিফিকেশন ফিচার বিবরণ ডিসপ্লে ৬.৫ ইঞ্চি AMOLED, ২৪০০ x ১০৮০ পিক্সেল, ১২০ হার্জ প্রসেসর Qualcomm Snapdragon 870 র&amp;zwj;্যাম ৮ জিবি স্টোরেজ ১২৮ জিবি, মাইক্রো এসডি সাপোর্ট প্রধান ক্যামেরা ৬৪ মেগাপিক্সেল + ৮ মেগাপিক্সেল + ২ মেগাপিক্সেল + ২ মেগাপিক্সেল সামনের ক্যামেরা ৩২ মেগাপিক্সেল ব্যাটারি ৪৫০০ এমএএইচ, ৫০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং অপারেটিং সিস্টেম Android 11, Realme UI 2.0 সংযোগ ৫জি, Wi-Fi 6, ব্লুটুথ ৫.১ নকশা মেটাল এবং গ্লাস বডি, ১৮৯ গ্রাম অন্যান্য ফিচার ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, ফেস আনলক, ডুয়াল সিম, এনএফসি শেষ কথা Realme 13 Pro একটি দুর্দান্ত ফোন। এই ফোনে রয়েছে অসাধারণ ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন। আপনি যদি একটি নতুন ফোন কিনতে চান, তাহলে Realme 13 Pro একটি ভালো পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; Realme 13 Pro Specifications: Ultimate Guide to Features &amp;amp; Benefits Frequently Asked Questions What Are The Display Features Of Realme 13 Pro? Realme 13 Pro has a 6. 7-inch AMOLED display with 120Hz refresh rate and HDR10+ support. Does Realme 13 Pro Support 5g Connectivity? Yes, Realme 13 Pro supports 5G connectivity for faster internet speeds and better network performance. How Much Ram Does Realme 13 Pro Have? Realme 13 Pro is available with up to 12GB of RAM for smooth multitasking. What Is The Battery Capacity Of Realme 13 Pro? Realme 13 Pro has a 5000mAh battery, ensuring long-lasting usage on a single charge. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_11.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_11.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_11.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Nothing Phone 2a Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23698</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23698</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 18:07:54 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[nothing phone 2a plus,nothing phone 2a,nothing phone,nothing phone 2a plus review,nothing phone 2a plus unboxing,nothing phone 2a plus leaks,nothing phone 2a camera,nothing phone 2a plus specs,nothing phone 3,nothing phone 2a camera test,nothing phone 2a price,nothing phone 2a review,nothing phone 2,nothing phone 2a plus specifications,nothing phone 2a plus launch date,nothing phone 2a plus design,nothing,nothing 2a plus,nothing phone 2a unboxing]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Nothing Phone 2A Plus একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসেছে। আজ আমরা এই ফোনের সব স্পেসিফিকেশন ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করব। Nothi...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_10.jpg" alt="Nothing Phone 2a Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Nothing Phone 2A Plus একটি অত্যাধুনিক স্মার্টফোন। এটি অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসেছে। আজ আমরা এই ফোনের সব স্পেসিফিকেশন ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করব। Nothing Phone 2A Plus এর বৈশিষ্ট্য Nothing Phone 2A Plus-এর বৈশিষ্ট্যগুলো অনেক। এখানে আমরা প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে আলোচনা করব। ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি Nothing Phone 2A Plus-এর ডিজাইন খুবই সুন্দর। এর বিল্ড কোয়ালিটি খুবই মজবুত। এটির বডি মেটাল ও গ্লাসের তৈরি। ফোনটি ওজনেও বেশ হালকা। এটির পেছনে রয়েছে একটি LED লাইটিং সিস্টেম। ডিসপ্লে Nothing Phone 2A Plus-এর ডিসপ্লে খুবই উন্নত। এটি আপনাকে চমৎকার ভিউইং এক্সপেরিয়েন্স প্রদান করবে। ডিসপ্লে টাইপ AMOLED সাইজ 6.7 ইঞ্চি রেজোলিউশন 1440 x 3200 পিক্সেল রিফ্রেশ রেট 120Hz প্রসেসর ও পারফরম্যান্স Nothing Phone 2A Plus-এর পারফরম্যান্স খুবই দ্রুত। এটি একটি শক্তিশালী প্রসেসর দ্বারা চালিত। প্রসেসর: Snapdragon 8 Gen 1 GPU: Adreno 730 র&amp;zwj;্যাম: 12GB স্টোরেজ: 256GB ক্যামেরা Nothing Phone 2A Plus-এর ক্যামেরা সিস্টেম খুবই উন্নত। এটি দারুণ ফটো ও ভিডিও তুলতে সক্ষম। প্রাইমারি ক্যামেরা 64MP অল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা 12MP ম্যাক্রো ক্যামেরা 5MP সেলফি ক্যামেরা 32MP ব্যাটারি ও চার্জিং Nothing Phone 2A Plus-এর ব্যাটারি লাইফ চমৎকার। এটি দ্রুত চার্জিং সুবিধা প্রদান করে। ব্যাটারি ক্যাপাসিটি: 5000mAh ফাস্ট চার্জিং: 65W ওয়্যারলেস চার্জিং: 15W অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার Nothing Phone 2A Plus-এর অপারেটিং সিস্টেম অত্যাধুনিক। এটি ইউজারদের জন্য সহজ ও স্মার্ট। অপারেটিং সিস্টেম: Android 12 ইউআই: Nothing OS কানেক্টিভিটি ও সেন্সর Nothing Phone 2A Plus-এর কানেক্টিভিটি অপশন অনেক। এটি বিভিন্ন সেন্সর দ্বারা সজ্জিত। 5G সাপোর্ট Wi-Fi 6 Bluetooth 5.2 NFC ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ফেস আনলক অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য Nothing Phone 2A Plus-এর অতিরিক্ত কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ডুয়াল স্টেরিও স্পিকার ডাস্ট এবং ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট (IP68) অ্যাডভান্সড হ্যাপটিক ফিডব্যাক গেমিং মোড &amp;nbsp; Credit: hypebeast.com &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: tech.hindustantimes.com Nothing Phone 2A Plus কেন কিনবেন? Nothing Phone 2A Plus কেনার অনেক কারণ রয়েছে। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ। চমৎকার ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি উন্নত ডিসপ্লে ও ভিউইং এক্সপেরিয়েন্স শক্তিশালী পারফরম্যান্স ও দ্রুত প্রসেসিং অত্যাধুনিক ক্যামেরা সিস্টেম দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও দ্রুত চার্জিং স্মার্ট ও সহজ অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন কানেক্টিভিটি অপশন ও সেন্সর অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য যা ফোনকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলে উপসংহার Nothing Phone 2A Plus একটি দুর্দান্ত স্মার্টফোন। এর বৈশিষ্ট্য এবং স্পেসিফিকেশন সত্যিই চমৎকার। এটি আপনার সকল চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। আপনি যদি একটি নতুন স্মার্টফোন কিনতে চান, তাহলে Nothing Phone 2A Plus আপনার জন্য একটি ভালো পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; Nothing Phone 2A Plus Specifications: Ultimate Features Guide Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Nothing Phone 2a Plus? Nothing Phone 2A Plus features a 108MP camera, 5000mAh battery, and 5G support. Does Nothing Phone 2a Plus Support 5g? Yes, Nothing Phone 2A Plus supports 5G for faster internet speeds. How Long Is The Battery Life? The 5000mAh battery provides up to two days of usage. What Is The Screen Size? The screen size is 6. 7 inches with AMOLED display. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_10.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_10.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_10.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Xiaomi Poco M6 Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23697</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23697</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 18:07:47 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[xiaomi poco m6 plus,xiaomi poco m6,xiaomi,xiaomi poco m6 plus 5g vs realme c61,xiaomi poco m6 plus vs poco m6 4g specs,poco x6 pro vs xiaomi 13t,redmi note 13 pro vs 13 pro plus vs xiaomi 13t,poco m6 plus,pocom6plus,poco m6 plus 5g tamil,poco m6 plus 5g,poco m6 plus vs,poco m6 plus 5g gaming,poco m6 plus bgmi test,poco m6 plus malaysia,poco m6 pro plus,poco m6 plus ram,poco m6 plus indonesia,poco m6 plus news,poco m6 plus pubg,poco m6 plus 5gofficial]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Xiaomi Poco M6 Plus একটি নতুন স্মার্টফোন। এটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং সাশ্রয়ী দামে উপলব্ধ। এই গাইডে আমরা এই ফোনের সব বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা নিয়ে আলোচনা করব। ডিজাইন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_09.jpg" alt="Xiaomi Poco M6 Plus: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Xiaomi Poco M6 Plus একটি নতুন স্মার্টফোন। এটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং সাশ্রয়ী দামে উপলব্ধ। এই গাইডে আমরা এই ফোনের সব বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা নিয়ে আলোচনা করব। ডিজাইন এবং বিল্ড Xiaomi Poco M6 Plus এর ডিজাইন খুবই আকর্ষণীয়। ফোনটির পেছনে গ্লাস ফিনিশ রয়েছে। এতে একটি মেটাল ফ্রেমও রয়েছে। ডাইমেনশন: 163.6 x 75.8 x 8.7 মিমি ওজন: 200 গ্রাম কালার অপশন: কালো, নীল, সিলভার ডিসপ্লে Xiaomi Poco M6 Plus এ একটি বিশাল ডিসপ্লে রয়েছে। ডিসপ্লে খুবই স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল। ডিসপ্লে টাইপ IPS LCD সাইজ 6.67 ইঞ্চি রেজোলিউশন 1080 x 2400 পিক্সেল রিফ্রেশ রেট 120Hz পারফরমেন্স এই ফোনটির পারফরমেন্স খুবই শক্তিশালী। এটি গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিং এর জন্য চমৎকার। প্রসেসর: Qualcomm Snapdragon 870 জিপিইউ: Adreno 650 র&amp;zwj;্যাম: 6GB / 8GB ইন্টারনাল স্টোরেজ: 128GB / 256GB &amp;nbsp; ক্যামেরা Xiaomi Poco M6 Plus এ উচ্চ মানের ক্যামেরা আছে। এতে অসাধারণ ছবি এবং ভিডিও করা যায়। প্রাইমারি ক্যামেরা 64MP আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা 8MP ম্যাক্রো ক্যামেরা 5MP ডেপথ সেন্সর 2MP সেলফি ক্যামেরা 20MP ব্যাটারি এই ফোনটির ব্যাটারি খুবই শক্তিশালী। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে। ব্যাটারি ক্যাপাসিটি: 5000mAh ফাস্ট চার্জিং: 33W &amp;nbsp; Credit: www.notebookcheck.net সফটওয়্যার Xiaomi Poco M6 Plus এর সফটওয়্যার খুবই আপডেটেড। এতে MIUI 12.5 ইন্টারফেস রয়েছে। অপারেটিং সিস্টেম: Android 11 ইউজার ইন্টারফেস: MIUI 12.5 সংযোগ এই ফোনটি বিভিন্ন ধরনের সংযোগ সাপোর্ট করে। এতে দ্রুত ইন্টারনেট এবং ব্লুটুথ রয়েছে। ওয়াইফাই: Dual-band, Wi-Fi Direct, Hotspot ব্লুটুথ: 5.1 জিপিএস: Yes, with A-GPS, GLONASS, BDS ইউএসবি: Type-C 2.0 অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর: সাইড-মাউন্টেড ফেস আনলক: Yes আইআর ব্লাস্টার: Yes স্টেরিও স্পিকার: Yes &amp;nbsp; মূল্য এবং উপলব্ধতা Xiaomi Poco M6 Plus এর মূল্য খুবই সাশ্রয়ী। এটি বিভিন্ন দেশে সহজলভ্য। মূল্য: $300 (প্রায়) উপলব্ধতা: অনলাইন এবং অফলাইন স্টোর উপসংহার Xiaomi Poco M6 Plus একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এতে অনেক বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা রয়েছে। এই ফোনটি সাশ্রয়ী দামে উপলব্ধ। আপনি যদি একটি নতুন ফোন কিনতে চান, তবে এটি একটি ভালো পছন্দ হতে পারে।&amp;nbsp; Xiaomi Poco M6 Plus Specifications: Ultimate Guide to Features Frequently Asked Questions What Are The Key Features Of Xiaomi Poco M6 Plus? Xiaomi Poco M6 Plus offers a 6. 67-inch display, Snapdragon 870 processor, and a 5000mAh battery. Does Poco M6 Plus Support Fast Charging? Yes, Poco M6 Plus supports 33W fast charging. What Is The Camera Setup In Poco M6 Plus? Poco M6 Plus features a quad-camera setup with a 64MP main sensor. How Much Ram Does Poco M6 Plus Have? Poco M6 Plus comes with 6GB and 8GB RAM options. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_09.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_09.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_09.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone (1St Gen): এক নজরে স্পেসিফিকেশন ও দাম]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23696</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23696</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 18:07:50 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone,iphone 2g,iphone se,first iphone,iphone 1,original iphone,apple iphone,first gen iphone,iphone 14,2007 iphone,iphone se 2016,1st gen iphone,iphone 1st gen,iphone 5,iphone 7,iphone first gen,iphone 11,iphone fix,1st generation iphone,iphone se 1st gen review,iphone repair,first generation iphone,iphone se 1st generation,iphone original,iphone 14 pro max,iphone unboxing,iphone se review,iphone battery replacement]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি জানেন প্রথম জেনারেশনের আইফোন সম্পর্কে? এই ব্লগ পোস্টটি আপনার জন্য। আমরা আলোচনা করব এই অসাধারণ ডিভাইসটি সম্পর্কে। আইফোন (প্রথম জেনারেশন) এর পরিচিতি প্রথম...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_08.jpg" alt="iPhone (1St Gen): এক নজরে স্পেসিফিকেশন ও দাম" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি জানেন প্রথম জেনারেশনের আইফোন সম্পর্কে? এই ব্লগ পোস্টটি আপনার জন্য। আমরা আলোচনা করব এই অসাধারণ ডিভাইসটি সম্পর্কে। আইফোন (প্রথম জেনারেশন) এর পরিচিতি প্রথম জেনারেশনের আইফোন ২০০৭ সালে অ্যাপল কোম্পানি দ্বারা প্রকাশিত হয়। এটি মোবাইল ফোনের জগতে বিপ্লব এনেছিল। প্রথম জেনারেশনের আইফোনের মূল বৈশিষ্ট্য প্রথম জেনারেশনের আইফোনের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য এখানে উল্লেখ করা হল: ৩.৫ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ৮ গিগাবাইট স্টোরেজ জিপিএস নেই আইওএস অপারেটিং সিস্টেম ডিসপ্লে প্রথম জেনারেশনের আইফোনে ছিল ৩.৫ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে। এর রেজ্যুলেশন ছিল ৩২০x৪৮০ পিক্সেল। এই ডিসপ্লে তে মাল্টি-টাচ সাপোর্ট ছিল। &amp;nbsp; Credit: everymac.com &amp;nbsp; ক্যামেরা এই আইফোনের পিছনে ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ছিল। এর মাধ্যমে আপনি ছবির মুহূর্তগুলি ধরে রাখতে পারেন। তবে, ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সুবিধা ছিল না। স্টোরেজ প্রথম জেনারেশনের আইফোনে ছিল ৪, ৮, এবং ১৬ গিগাবাইট স্টোরেজের বিকল্প। এতে কোনো মেমোরি কার্ড স্লট ছিল না। ব্যাটারি এই আইফোনে ছিল ১৪০০ মিলিএম্পিয়ার ব্যাটারি। এটি ২৫০ ঘণ্টা পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই টাইম এবং ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত টক টাইম দিতে পারত। &amp;nbsp; Credit: support.apple.com অপারেটিং সিস্টেম প্রথম জেনারেশনের আইফোনে আইওএস অপারেটিং সিস্টেম ছিল। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ এবং সুন্দর ইন্টারফেস প্রদান করত। সংযোগ এই আইফোনে ছিল ২জি নেটওয়ার্ক সংযোগ। এছাড়াও, ওয়াইফাই এবং ব্লুটুথ সংযোগের সুবিধা ছিল। সেন্সর প্রথম জেনারেশনের আইফোনে ছিল অ্যাক্সেলেরোমিটার এবং প্রক্সিমিটি সেন্সর। এই সেন্সরগুলি ডিভাইসটির ব্যবহারে সহজতা যোগ করত। ফিজিক্যাল বৈশিষ্ট্য প্রথম জেনারেশনের আইফোনের ওজন ছিল ১৩৫ গ্রাম। এর মাপ ছিল ১১৫ x ৬১ x ১১.৬ মিলিমিটার। প্রথম জেনারেশনের আইফোনের টেবিল স্পেসিফিকেশন বৈশিষ্ট্য বিবরণ ডিসপ্লে ৩.৫ ইঞ্চি, ৩২০x৪৮০ পিক্সেল ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল স্টোরেজ ৪/৮/১৬ গিগাবাইট ব্যাটারি ১৪০০ মিলিএম্পিয়ার অপারেটিং সিস্টেম আইওএস সংযোগ ২জি, ওয়াইফাই, ব্লুটুথ সেন্সর অ্যাক্সেলেরোমিটার, প্রক্সিমিটি ওজন ১৩৫ গ্রাম মাপ ১১৫ x ৬১ x ১১.৬ মিলিমিটার প্রথম জেনারেশনের আইফোনের প্রভাব প্রথম জেনারেশনের আইফোন মোবাইল ফোনের জগতে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। এটি মোবাইল ফোনের ডিজাইন এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা পরিবর্তন করেছিল। উপসংহার প্রথম জেনারেশনের আইফোন ছিল একটি বিপ্লবী ডিভাইস। এর বৈশিষ্ট্য এবং ডিজাইন এখনো মানুষের মনে গেঁথে আছে। এটি মোবাইল প্রযুক্তির জগতে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই ব্লগ পোস্টটি পড়ে আপনি প্রথম জেনারেশনের আইফোন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।&amp;nbsp; iPhone (1st Gen) Specifications: Ultimate Guide to Features Frequently Asked Questions What Are The Dimensions Of The Iphone 1st Gen? The iPhone 1st Gen measures 115 x 61 x 11. 6 mm. How Much Does The Iphone 1st Gen Weigh? The iPhone 1st Gen weighs 135 grams. What Screen Size Does The Iphone 1st Gen Have? The iPhone 1st Gen has a 3. 5-inch display. What Is The Resolution Of The Iphone 1st Gen? The resolution is 320 x 480 pixels. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_08.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_08.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_08.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[iPhone 15 Pro Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23695</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23695</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 17:07:07 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[গ্যাজেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[iphone 15 pro max,iphone 15 pro,iphone 15,iphone 15 pro max review,iphone 15 pro max camera,iphone 15 review,iphone 15 pro max unboxing,iphone,iphone 15 pro review,iphone 15 plus,iphone 15 pro max vs iphone 14 pro max,iphone 15 comparison,iphone 15 pro max camera test,iphone 15 pro max features,iphone 15 pro max first look,iphone 15 pro max 2023,apple iphone 15 pro max,iphone 15 camera,iphone 15 event,apple iphone 15,iphone pro 15 review,15 pro max]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[iPhone 15 Pro Max হলো অ্যাপলের নতুন স্মার্টফোন। এর স্পেসিফিকেশন ও ফিচারগুলো অসাধারণ। যারা প্রযুক্তি প্রেমী, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত। &amp;nbsp; প্রদর্শন (Display) iP...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_07.jpg" alt="iPhone 15 Pro Max: এক নজর ফোনের স্পেসিফিকেশন এবং দামে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>iPhone 15 Pro Max হলো অ্যাপলের নতুন স্মার্টফোন। এর স্পেসিফিকেশন ও ফিচারগুলো অসাধারণ। যারা প্রযুক্তি প্রেমী, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত। &amp;nbsp; প্রদর্শন (Display) iPhone 15 Pro Max এর ডিসপ্লে খুবই উন্নত। এর প্রদর্শন কেমন জানুন নিচে: ডিসপ্লে সাইজ: 6.7 ইঞ্চি রেজুলেশন: 2778 x 1284 পিক্সেল প্রযুক্তি: Super Retina XDR OLED &amp;nbsp; Credit: geometricgoods.com ক্যামেরা (Camera) iPhone 15 Pro Max এ আছে চমৎকার ক্যামেরা। এর ক্যামেরা সিস্টেম সম্পর্কে জানুন: প্রধান ক্যামেরা: 48 মেগাপিক্সেল সেকেন্ডারি ক্যামেরা: 12 মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড টেলিফটো ক্যামেরা: 12 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা: 12 মেগাপিক্সেল প্রসেসর (Processor) iPhone 15 Pro Max এ অ্যাপল তাদের নতুন প্রসেসর ব্যবহার করেছে। এর প্রসেসরের বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো: প্রসেসর: Apple A15 Bionic চিপ কোর: হেক্সা-কোর গ্রাফিক্স: Apple GPU (5-core graphics) ব্যাটারি (Battery) iPhone 15 Pro Max এর ব্যাটারি লাইফ যথেষ্ট দীর্ঘ। এর ব্যাটারি ফিচারগুলো জানুন: ব্যাটারি টাইপ: লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ক্যাপাসিটি: 4500 mAh ফাস্ট চার্জিং: 25W স্টোরেজ এবং র&amp;zwj;্যাম (Storage and RAM) iPhone 15 Pro Max এর স্টোরেজ এবং র&amp;zwj;্যাম অপশনগুলো সম্পর্কে জানুন: স্টোরেজ অপশন: 128GB, 256GB, 512GB, 1TB র&amp;zwj;্যাম: 8GB অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) iPhone 15 Pro Max এ চলবে সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেম। এর অপারেটিং সিস্টেম ফিচারগুলো জানতে পারেন: অপারেটিং সিস্টেম: iOS 17 নতুন ফিচার: উন্নত নিরাপত্তা ও পারফরম্যান্স সংযোগ (Connectivity) iPhone 15 Pro Max এ সংযোগের জন্য বিভিন্ন অপশন আছে। এর সংযোগ ফিচারগুলো নিচে দেওয়া হলো: 5G সাপোর্ট Wi-Fi 6E Bluetooth 5.3 উন্নত GPS ডিজাইন এবং রঙ (Design and Colors) iPhone 15 Pro Max এর ডিজাইন খুবই আকর্ষণীয়। এর ডিজাইন এবং রঙ সম্পর্কে জানুন: ডিজাইন: স্লিম এবং স্টাইলিশ রঙ: ব্ল্যাক, সিলভার, গোল্ড, ব্লু অন্যান্য ফিচার (Other Features) iPhone 15 Pro Max এর কিছু অতিরিক্ত ফিচার আছে। সেগুলো জানতে পারেন: ফেস আইডি ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্স স্টেরিও স্পিকার ম্যাগসেফ চার্জিং মুল্য (Price) iPhone 15 Pro Max এর মূল্য বিভিন্ন স্টোরেজের জন্য আলাদা। নিচে দামগুলো দেওয়া হলো: স্টোরেজ অপশন মূল্য (USD) 128GB 1099 256GB 1199 512GB 1399 1TB 1599 &amp;nbsp; Credit: support.apple.com&amp;nbsp; উপসংহার (Conclusion) iPhone 15 Pro Max হলো একটি অসাধারণ স্মার্টফোন। এর ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন অসাধারণ। যারা নতুন প্রযুক্তি পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত।&amp;nbsp; Iphone 15 Pro Max Specifications: Unveiling the Ultimate Features Frequently Asked Questions What Is The Screen Size Of Iphone 15 Pro Max? IPhone 15 Pro Max features a 6. 7-inch OLED display. Does Iphone 15 Pro Max Support 5g? Yes, iPhone 15 Pro Max supports 5G connectivity for faster internet speeds. What Is The Battery Life Of Iphone 15 Pro Max? The battery life can last up to 28 hours with moderate use. What Camera Features Does Iphone 15 Pro Max Offer? It includes a triple-camera system with 48MP main sensor, ultra-wide, and telephoto lenses. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_07.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_07.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_07.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Tunnelbear Vpn কীভাবে ব্যবহার করবেন: নতুনদের জন্য সম্পূর্ণ গাইড]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23694</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23694</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 17:07:05 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[tunnelbear,tunnelbear vpn,tunnelbear review,tunnelbear vpn review,tunnelbear pc,tunnelbear free,tunnelbear tutorial,tunnelbear how to use,tunnelbear app review,tunnelbear reviews,how to use tunnelbear,tunnelbear safe,tunnelbear chrome,how to install tunnelbear,tunnelbear free vpn review,tunnelbear torrenting,tunnelbear vpn how to use,tunnelbear privacy review,tunnelbear download,tunnelbear free review,how to use tunnelbear vpn,tunnelbear vpn free]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[VPN মানে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ রাখে। আজকে আমরা শিখব Tunnelbear VPN কীভাবে ব্যবহার করবেন। Tunnelbear VPN কেন ব্যবহার...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_06.jpg" alt="Tunnelbear Vpn কীভাবে ব্যবহার করবেন: নতুনদের জন্য সম্পূর্ণ গাইড" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>VPN মানে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ রাখে। আজকে আমরা শিখব Tunnelbear VPN কীভাবে ব্যবহার করবেন। Tunnelbear VPN কেন ব্যবহার করবেন? আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। অনলাইন কার্যক্রম গোপন রাখে। ব্লক করা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। প্রয়োজনীয়তা একটি ইন্টারনেট সংযোগ। একটি Tunnelbear অ্যাকাউন্ট। একটি কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইস। স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড Step 1: Tunnelbear অ্যাকাউন্ট তৈরি Tunnelbear ওয়েবসাইটে যান। Sign Up বাটনে ক্লিক করুন। আপনার ইমেল এবং পাসওয়ার্ড দিন। আপনার ইমেল ঠিকানায় প্রেরিত লিঙ্কে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত করুন। Step 2: Tunnelbear অ্যাপ ডাউনলোড এবং ইনস্টল আপনার ডিভাইসের জন্য উপযুক্ত অ্যাপটি ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড সম্পূর্ণ হলে ইনস্টল করুন। ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে অ্যাপটি খুলুন। Step 3: অ্যাপ লগইন করুন আপনার ইমেল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। লগইন সম্পূর্ণ হলে অ্যাপের মেনুতে যান। Step 4: সার্ভার নির্বাচন মেনু থেকে সার্ভার তালিকা দেখুন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভার নির্বাচন করুন। সার্ভারের সাথে সংযোগ করুন। Step 5: ইন্টারনেট ব্রাউজিং শুরু করুন সার্ভারের সাথে সংযোগ হয়ে গেলে, ইন্টারনেট ব্রাউজিং শুরু করুন। আপনার ইন্টারনেট কার্যক্রম এখন সুরক্ষিত। Tunnelbear VPN এর সুবিধা সহজ ব্যবহারযোগ্য ইন্টারফেস। বেশি সংখ্যক সার্ভার বিকল্প। উচ্চ স্তরের নিরাপত্তা। ফ্রি এবং প্রিমিয়াম সংস্করণ উপলব্ধ। Tunnelbear VPN এর সীমাবদ্ধতা ফ্রি সংস্করণে সীমিত ডেটা। কিছু নির্দিষ্ট দেশে কাজ করতে সমস্যা হতে পারে। নিরাপত্তা টিপস সর্বদা আপনার অ্যাপ আপডেট রাখুন। দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। অজানা ওয়েবসাইট থেকে দূরে থাকুন। &amp;nbsp; Tunnelbear VPN এর বিকল্প ExpressVPN NordVPN CyberGhost &amp;nbsp; সাধারণ সমস্যা ও সমাধান সমস্যা সমাধান সংযোগ ব্যর্থ ইন্টারনেট সংযোগ চেক করুন। পুনরায় চেষ্টা করুন। স্লো ইন্টারনেট অন্য সার্ভার নির্বাচন করুন। অ্যাপ ক্র্যাশ অ্যাপ আপডেট করুন বা পুনরায় ইনস্টল করুন। Tunnelbear VPN এর প্রাইস প্ল্যান ফ্রি প্ল্যান: 500MB ডেটা প্রতি মাসে। প্রিমিয়াম প্ল্যান: আনলিমিটেড ডেটা। Tunnelbear VPN সম্পর্কে আরও জানুন Tunnelbear VPN একটি জনপ্রিয় VPN সেবা। এটি ব্যবহার করা সহজ। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ রাখে। আপনি সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারেন। &amp;nbsp; সারসংক্ষেপ Tunnelbear VPN একটি সহজ ও নিরাপদ VPN সেবা। এটি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখে। আপনি সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারেন। আশা করি এই গাইডটি আপনার কাজে আসবে। Frequently Asked Questions Tunnelbear Vpn কি নিরাপদ? Tunnelbear VPN নিরাপদ এবং ব্যবহারকারীর ডাটা এনক্রিপ্ট করে। এটি প্রাইভেসি রক্ষা করে। Tunnelbear Vpn কিভাবে ইনস্টল করব? Tunnelbear VPN ইনস্টল করতে অ্যাপ ডাউনলোড করে ইনস্টলেশন নির্দেশনা অনুসরণ করুন। সহজেই সম্পন্ন হবে। Tunnelbear Vpn এর দাম কত? Tunnelbear VPN এর বিভিন্ন প্ল্যান আছে। বিনামূল্যে প্ল্যান ছাড়াও পেইড প্ল্যান শুরু $3. 33/মাস থেকে। Tunnelbear Vpn কি ফ্রি? Tunnelbear VPN এর একটি ফ্রি প্ল্যান আছে। এতে প্রতি মাসে 500MB ডাটা লিমিট থাকে।&amp;nbsp; How to Use Tunnelbear VPN: A Beginner&amp;#39;s Step-by-Step Guide &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_06.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_06.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_06.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Letsvpn কীভাবে ব্যবহার করবেন: নতুনদের জন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23693</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23693</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 15:07:50 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[letsvpn,lets vpn,lets vpn app,letsvpn app,lets vpn pro,lets vpn free,lets vpn на пк,lets vpn crack,lets vpn взлом,lets vpn уроки,lets vpn обзор,letsvpn login,lets vpn mod apk,lets vpn review,lets vpn tricks,lets vpn logout,lets vpn free app,lets vpn kashmir,letsvpn free app,lets vpn на айфон,lets vpn moded apk,how to use lets vpn,lets vpn free apps,lets vpn туториал,lets vpn обучение,lets vpn обучалка,lets vpn how to use]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনি কি ইন্টারনেট সুরক্ষার জন্য VPN ব্যবহার করতে চান? Letsvpn আপনার জন্য একটি সহজ সমাধান। এই গাইডে আপনি শিখবেন কীভাবে Letsvpn ব্যবহার করবেন। কেন Letsvpn ব্যবহার...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_05.jpg" alt="Letsvpn কীভাবে ব্যবহার করবেন: নতুনদের জন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনি কি ইন্টারনেট সুরক্ষার জন্য VPN ব্যবহার করতে চান? Letsvpn আপনার জন্য একটি সহজ সমাধান। এই গাইডে আপনি শিখবেন কীভাবে Letsvpn ব্যবহার করবেন। কেন Letsvpn ব্যবহার করবেন? Letsvpn আপনাকে ইন্টারনেটে নিরাপদে ব্রাউজ করতে সাহায্য করে। এটি আপনার প্রাইভেসি রক্ষা করে এবং অনলাইন সুরক্ষায় সহায়তা করে। Letsvpn-এর সুবিধা অনলাইন প্রাইভেসি রক্ষা ইন্টারনেট সুরক্ষা বৃদ্ধি ব্লক করা সাইট অ্যাক্সেস কোনো ডেটা লিমিট নেই Letsvpn ডাউনলোড এবং ইনস্টলেশন নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই Letsvpn ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন। স্টেপ ১: Letsvpn ডাউনলোড Letsvpn ডাউনলোড করতে প্রথমে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। Letsvpn ওয়েবসাইট খুলুন। ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন। আপনার ডিভাইসের জন্য সঠিক ভার্সন নির্বাচন করুন। স্টেপ ২: ইনস্টলেশন ডাউনলোড করা ফাইল ওপেন করুন। ইনস্টলেশন উইজার্ড অনুসরণ করুন। ইনস্টলেশন সম্পন্ন হলে অ্যাপ ওপেন করুন। &amp;nbsp; Letsvpn ব্যবহার শুরু করুন ইনস্টলেশন সম্পন্ন হলে Letsvpn ব্যবহার করা সহজ। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন। স্টেপ ৩: অ্যাকাউন্ট তৈরি Letsvpn ব্যবহার করতে প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। অ্যাপ ওপেন করুন। &amp;ldquo;সাইন আপ&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে নিবন্ধন করুন। স্টেপ ৪: লগইন করুন &amp;ldquo;লগইন&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিন। &amp;ldquo;লগইন&amp;rdquo; বাটনে আবার ক্লিক করুন। স্টেপ ৫: সার্ভার নির্বাচন &amp;ldquo;সার্ভার&amp;rdquo; মেনুতে যান। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী একটি সার্ভার নির্বাচন করুন। &amp;ldquo;কানেক্ট&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। স্টেপ ৬: ব্রাউজিং শুরু করুন কানেক্ট হওয়ার পর আপনি নিরাপদে ব্রাউজ করতে পারেন। আপনার পছন্দের ব্রাউজার ওপেন করুন। ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করুন। &amp;nbsp; Letsvpn-এর অন্যান্য ফিচার Letsvpn-এর কিছু অতিরিক্ত ফিচার আছে যা আপনি ব্যবহার করতে পারেন। অটো কানেক্ট এই ফিচারটি আপনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে VPN কানেক্ট করতে সাহায্য করে। অ্যাপ সেটিংসে যান। &amp;ldquo;অটো কানেক্ট&amp;rdquo; অপশনটি অন করুন। কিল সুইচ কিল সুইচ ফিচারটি ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন হলে আপনার ডেটা সুরক্ষা করে। সেটিংসে যান। &amp;ldquo;কিল সুইচ&amp;rdquo; অপশনটি অন করুন। মাল্টি ডিভাইস সাপোর্ট মোবাইল কম্পিউটার ট্যাবলেট &amp;nbsp; সাধারণ সমস্যার সমাধান Letsvpn ব্যবহার করতে গিয়ে কিছু সাধারণ সমস্যা হতে পারে। কানেকশন সমস্যা &amp;ldquo;সার্ভার&amp;rdquo; মেনুতে যান। অন্য সার্ভার নির্বাচন করুন। &amp;ldquo;কানেক্ট&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। অ্যাপ ক্র্যাশ অ্যাপ স্টোরে যান। Letsvpn সার্চ করুন। &amp;ldquo;আপডেট&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। লগইন সমস্যা &amp;ldquo;ফরগট পাসওয়ার্ড&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। ইমেইল দিন। নতুন পাসওয়ার্ড সেট করুন। Letsvpn ব্যবহার করার টিপস Letsvpn ব্যবহার করার কিছু টিপস রয়েছে যা আপনার উপকারে আসবে। টিপ ১: নিয়মিত আপডেট টিপ ২: সঠিক সার্ভার নির্বাচন টিপ ৩: প্রাইভেসি সেটিংস উপসংহার Letsvpn একটি সহজ এবং কার্যকর VPN সেবা। এই গাইডটি অনুসরণ করে আপনি সহজেই Letsvpn ব্যবহার করতে পারবেন। ইন্টারনেট সুরক্ষায় Letsvpn আপনাকে সাহায্য করবে। Frequently Asked Questions Letsvpn কী? Letsvpn একটি ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) যা ইন্টারনেট নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করে। Letsvpn ইনস্টল করবেন কীভাবে? Letsvpn ইনস্টল করতে অ্যাপ স্টোর বা গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন। Letsvpn কীভাবে ব্যবহার করবেন? Letsvpn অ্যাপটি খুলে সার্ভার নির্বাচন করে সংযোগ বোতাম চাপুন। Letsvpn নিরাপদ কি? হ্যাঁ, Letsvpn নিরাপদ এবং আপনার অনলাইন কার্যকলাপকে গোপন রাখে। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_05.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_05.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_05.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Planet Vpn কীভাবে ব্যবহার করবেন: নতুনদের জন্য সহজ গাইড]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23692</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23692</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 03:07:04 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[planet vpn,planet,planet vpn free,planet vpn review,how to use planet vpn app,planet proxy,planet vpn ios,planet vpn app,впн planet vpn,тест planet vpn,free vpn planet,обзор planet vpn,planet vpn хорош,planet vpn для пк,planet proxy vpn,planet vpn kya hai,planet vpn купить,planet vpn android,planet vpn premium,тест planet vpn 2023,how to use planet vpn,planet vpn how to use,обзор planet vpn 2023,planet vpn app kya hai,planet vpn app review]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[VPN ব্যবহার করা আজকাল খুবই জরুরি। এটি আমাদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আমাদের প্রাইভেসি রক্ষা করতে সাহায্য করে। আজকে আমরা Planet VPN ব্যবহার করার সহজ পদ্ধতি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_04.jpg" alt="Planet Vpn কীভাবে ব্যবহার করবেন: নতুনদের জন্য সহজ গাইড" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>VPN ব্যবহার করা আজকাল খুবই জরুরি। এটি আমাদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আমাদের প্রাইভেসি রক্ষা করতে সাহায্য করে। আজকে আমরা Planet VPN ব্যবহার করার সহজ পদ্ধতি শিখব। &amp;nbsp; Planet VPN কী? Planet VPN একটি নিরাপদ এবং সহজ VPN সেবা। এটি আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় প্রাইভেসি রক্ষা করে। আরও অনেক সুবিধা প্রদান করে। কেন VPN ব্যবহার করবেন? অনলাইন প্রাইভেসি রক্ষা করে ইন্টারনেট সিকিউরিটি বৃদ্ধি করে অবৈধ ব্লক করা সাইট অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে অনলাইন ট্র্যাকিং থেকে রক্ষা করে &amp;nbsp; Planet VPN ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন প্রথমে আমাদের Planet VPN ডাউনলোড করতে হবে। নিচের স্টেপগুলো অনুসরণ করুন: প্রথমে Planet VPN ওয়েবসাইট এ যান। &amp;quot;ডাউনলোড&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। আপনার অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন করুন। ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ইনস্টলেশন ফাইল ওপেন করুন। ইনস্টলেশন গাইড অনুসরণ করুন। Planet VPN ব্যবহার শুরু করা ইনস্টলেশন সম্পন্ন হলে, এখন ব্যবহার শুরু করবেন। নিচের স্টেপগুলো অনুসরণ করুন: Planet VPN অ্যাপ ওপেন করুন। আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। কোনো সার্ভার নির্বাচন করুন। &amp;quot;Connect&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। VPN সার্ভার নির্বাচন সার্ভার নির্বাচন করা খুব সহজ। নিচের স্টেপগুলো অনুসরণ করুন: Planet VPN অ্যাপে &amp;quot;Servers&amp;quot; অপশন খুঁজে নিন। একটি সার্ভার নির্বাচন করুন। সার্ভার কন্ট্রি এবং লোকেশন দেখতে পাবেন। যেকোনো সার্ভার বেছে নিন। VPN ব্যবহার করে কীভাবে নিরাপদ থাকবেন VPN ব্যবহার করলে আপনার অনলাইন নিরাপত্তা বেড়ে যায়। নিচের টিপসগুলো অনুসরণ করুন: সর্বদা একটি রক্ষিত সার্ভার ব্যবহার করুন। অপরিচিত ওয়েবসাইটে ক্লিক করবেন না। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না। VPN ব্যবহারের সুবিধা VPN ব্যবহারের অনেক সুবিধা রয়েছে। নিচে কিছু সুবিধা দেওয়া হলো: সুবিধা বর্ণনা অনলাইন প্রাইভেসি আপনার প্রাইভেট তথ্য গোপন থাকে। সিকিউর ব্রাউজিং আপনার ব্রাউজিং ডাটা নিরাপদ থাকে। অবৈধ সাইট অ্যাক্সেস ব্লক করা সাইট অ্যাক্সেস করা যায়। Planet VPN এর দাম Planet VPN এর নানা ধরনের প্ল্যান রয়েছে। কিছু প্ল্যান বিনামূল্যে পাওয়া যায়। কিছু প্ল্যানের জন্য অর্থ প্রদান করতে হয়। বিনামূল্যের প্ল্যান বিনামূল্যের প্ল্যান ব্যবহার করতে পারেন। এতে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। প্রিমিয়াম প্ল্যান প্রিমিয়াম প্ল্যান ব্যবহার করলে আরও বেশি সুবিধা পাবেন। এতে উচ্চ গতির সার্ভার অ্যাক্সেস পাবেন। &amp;nbsp; Planet VPN এর বিকল্প Planet VPN এর পাশাপাশি আরও কিছু VPN সেবা রয়েছে। নিচে কিছু বিকল্প দেওয়া হলো: NordVPN ExpressVPN CyberGhost সচরাচর জিজ্ঞাসা নিচে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো: Vpn কি নিরাপদ? হ্যাঁ, VPN নিরাপদ। এটি আপনার অনলাইন প্রাইভেসি রক্ষা করে। Planet Vpn কি বিনামূল্যে? কোন Vpn সেরা? বিভিন্ন VPN সেবা রয়েছে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সেরা বেছে নিন। উপসংহার VPN ব্যবহার করা আমাদের অনলাইন জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। Planet VPN একটি সহজ ও নিরাপদ সেবা। এই গাইড অনুসরণ করে আপনি সহজেই Planet VPN ব্যবহার করতে পারবেন। Frequently Asked Questions Planet Vpn কীভাবে ডাউনলোড করবেন? Planet Vpn ডাউনলোড করতে, অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান এবং &amp;#39;ডাউনলোড&amp;#39; বাটনে ক্লিক করুন। Planet Vpn ইনস্টল করার পদ্ধতি কী? ফাইল ডাউনলোড করার পর, ইনস্টলেশন উইজার্ড ফলো করুন। সহজ ধাপগুলি মেনে চলুন। Planet Vpn কীভাবে সেটআপ করবেন? ইনস্টলেশন শেষে, অ্যাপটি ওপেন করুন। প্রয়োজনীয় সেটিংস কনফিগার করুন এবং সার্ভার সিলেক্ট করুন। Planet Vpn কি ফ্রি ব্যবহার করা যায়? হ্যাঁ, Planet Vpn-এর ফ্রি ভার্সন উপলব্ধ। প্রিমিয়াম ফিচার্সের জন্য সাবস্ক্রিপশন প্রয়োজন। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Surfshark Vpn কীভাবে ব্যবহার করবেন: সহজ স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23691</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23691</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 03:07:34 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[surfshark vpn,surfshark,surfshark vpn review,surfshark review,how to use surfshark,how to use surfshark vpn,surfshark tutorial,surfshark vpn reviews,surfshark reviews,surfshark vpn how to use,is surfshark good,surfshark coupon code,is surfshark vpn good,surfshark review vpn,vpn surfshark,vpn surfshark review,surfshark review 2024,nordvpn vs surfshark,surfshark download,surfshark vs nordvpn,review of surfshark vpn,surfshark vpn tutorial]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[VPN (Virtual Private Network) ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে। Surfshark VPN একটি জনপ্রিয় VPN পরিষে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_03.jpg" alt="Surfshark Vpn কীভাবে ব্যবহার করবেন: সহজ স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>VPN (Virtual Private Network) ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে। Surfshark VPN একটি জনপ্রিয় VPN পরিষেবা। আসুন জেনে নেই কীভাবে Surfshark VPN ব্যবহার করবেন। Surfshark VPN কী? Surfshark VPN একটি VPN পরিষেবা। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে এনক্রিপ্ট করে। এটি আপনার গোপনীয়তা রক্ষা করে। Surfshark VPN কেন ব্যবহার করবেন? নিরাপদ ইন্টারনেট ব্রাউজিং গোপনীয়তা রক্ষা ভিন্ন দেশের কন্টেন্ট অ্যাক্সেস পাবলিক Wi-Fi নিরাপত্তা &amp;nbsp; Surfshark VPN ইনস্টলেশন গাইড Surfshark VPN ব্যবহার করতে হলে প্রথমে এটি ইনস্টল করতে হবে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন। Step 1: Surfshark Vpn ডাউনলোড করুন প্রথমে Surfshark এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। সেখানে &amp;quot;Download&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। আপনার ডিভাইসের জন্য সঠিক ভার্সন নির্বাচন করুন। Step 2: Surfshark Vpn ইনস্টল করুন ডাউনলোড ফাইলটি ওপেন করুন। ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে। স্ক্রিনে প্রদর্শিত নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন। ইনস্টলেশন সম্পন্ন হলে অ্যাপটি ওপেন করুন। Step 3: Surfshark অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন অ্যাপটি ওপেন করলে &amp;quot;Sign Up&amp;quot; অপশন পাবেন। আপনার ইমেল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। আপনার ইমেল ঠিকানায় একটি ভেরিফিকেশন লিঙ্ক পাঠানো হবে। লিঙ্কটি ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করুন। Step 4: Surfshark Vpn লগইন করুন অ্যাপটি ওপেন করুন। আপনার ইমেল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। Step 5: সার্ভার নির্বাচন করুন Surfshark VPN অনেক সার্ভার অফার করে। আপনি যে দেশে সার্ভার চান, তা নির্বাচন করুন। অ্যাপের হোম স্ক্রীনে সার্ভার তালিকা পাবেন। আপনার পছন্দের দেশে সার্ভার নির্বাচন করুন। Step 6: সংযোগ স্থাপন করুন পছন্দের সার্ভার নির্বাচন করার পর &amp;quot;Connect&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। কিছু সেকেন্ডের মধ্যে সংযোগ স্থাপন হবে। Surfshark VPN ব্যবহার করার টিপস প্রতিদিন VPN ব্যবহার করুন। পাবলিক Wi-Fi ব্যবহার করার সময় VPN চালু রাখুন। আপনার পছন্দের দেশ থেকে সার্ভার নির্বাচন করুন। VPN সংযোগ পরীক্ষা করুন। &amp;nbsp; সমস্যা সমাধান VPN ব্যবহার করার সময় কিছু সমস্যা হতে পারে। নিচে কিছু সাধারণ সমস্যার সমাধান দেওয়া হলো। সংযোগ সমস্যা VPN সংযোগ স্থাপন করতে পারছেন না? নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন। ইন্টারনেট সংযোগ পরীক্ষা করুন। অ্যাপটি পুনরায় চালু করুন। অন্য সার্ভার চেষ্টা করুন। অ্যাপটি আপডেট করুন। ধীর গতির ইন্টারনেট VPN ব্যবহার করার সময় ইন্টারনেট ধীর হতে পারে। নিচের টিপস অনুসরণ করুন। নিকটবর্তী সার্ভার ব্যবহার করুন। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করুন। ইন্টারনেট স্পিড পরীক্ষা করুন। &amp;nbsp; Surfshark VPN এর সুবিধা সাশ্রয়ী মূল্যে প্রিমিয়াম পরিষেবা। অসীম ডিভাইস সংযোগ। উচ্চ গতির সার্ভার। ২৪/৭ গ্রাহক সহায়তা। Surfshark VPN এর অসুবিধা কিছু দেশে সার্ভার কম। কিছু সময় সংযোগ সমস্যা হতে পারে। Surfshark VPN এর বিকল্প Surfshark VPN এর কিছু বিকল্পও রয়েছে। যেমন: ExpressVPN NordVPN CyberGhost Surfshark VPN: শেষ কথা Surfshark VPN একটি শক্তিশালী VPN পরিষেবা। এটি আপনার ইন্টারনেট নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা রক্ষা করে। নতুনদের জন্য এটি খুবই সহজ। এই গাইডটি অনুসরণ করে আপনি সহজেই Surfshark VPN ব্যবহার করতে পারবেন। Surfshark VPN সম্পর্কে আরও জানতে আপনি Surfshark এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে পারেন। আরও বিস্তারিত তথ্য পেতে ব্লগ এবং টিউটোরিয়াল পড়তে পারেন। আশা করি এই গাইডটি আপনার কাজে আসবে। নিরাপদ এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্রাউজিং উপভোগ করুন। Frequently Asked Questions Surfshark Vpn কি? Surfshark VPN একটি নিরাপদ ও দ্রুত VPN সেবা যা আপনার অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষা করে। Surfshark Vpn ইনস্টল করবেন কিভাবে? প্রথমে Surfshark এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন। Surfshark Vpn অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন কিভাবে? Surfshark এর ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্টার করুন। Surfshark Vpn দিয়ে সার্ফিং নিরাপদ? Surfshark VPN আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যা আপনার অনলাইন কার্যকলাপকে সুরক্ষিত করে। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_31-07-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Vpn কী এবং কেন ব্যবহার করে? জেনে নিন সবকিছু!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23690</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23690</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 31 Jul 2024 02:07:00 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[why use a vpn,how to use vpn,why use vpn,vpn,how to use a vpn,best vpn,what is a vpn,vpn explained,what is vpn,why do i need vpn,why should i use a vpn,how vpn works,should you use vpn,why to use a vpn,vpn how to use,should i use vpn,use vpn,best vpn service,vpn tutorial,using vpn,why do i need a vpn,how to use vpn on android,use a vpn,what vpn do i use,why you should use a vpn,why should you use a vpn,how to use vpn on iphone]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[VPN কী এবং কেন ব্যবহার করে? VPN (Virtual Private Network) ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ এবং গোপন রাখতে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহারকারীর অনলাইন কার্যকলাপ লুকিয়ে রাখে। V...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-ak_31-07-24_02.jpg" alt="Vpn কী এবং কেন ব্যবহার করে? জেনে নিন সবকিছু!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>VPN কী এবং কেন ব্যবহার করে? VPN (Virtual Private Network) ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ এবং গোপন রাখতে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহারকারীর অনলাইন কার্যকলাপ লুকিয়ে রাখে। VPN ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টুল। এটি আপনার ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে এবং অনলাইন প্রাইভেসি রক্ষা করে। VPN ব্যবহার করলে আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় নিরাপদ থাকবেন। এটি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা হ্যাকারদের থেকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষা করে। এছাড়াও, VPN ব্যবহার করে আপনি ভৌগোলিকভাবে সীমাবদ্ধ কনটেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন। VPN এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন দেশের সার্ভার ব্যবহার করতে পারবেন, যা আপনাকে একটি নির্দিষ্ট দেশের কনটেন্ট দেখতে সহায়তা করবে। সংক্ষেপে, VPN ইন্টারনেট নিরাপত্তা এবং প্রাইভেসি রক্ষার জন্য অপরিহার্য। ভিপিএন কী? ভিপিএন (VPN) হলো এক ধরনের প্রযুক্তি যা ইন্টারনেট ব্যবহারকে আরও সুরক্ষিত করে। ভিপিএন ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা ও গোপনীয়তা রক্ষা করে। এটি ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একটি নিরাপদ টানেল তৈরি করে। ভিপিএন এর পূর্ণরূপ ভিপিএন এর পূর্ণরূপ হলো Virtual Private Network। এটি একটি বিশেষ ধরনের নেটওয়ার্ক যা ব্যবহারকারীর ডেটা নিরাপদ রাখে। ভিপিএন এর মূলনীতি ভিপিএন এর মূলনীতি হলো ইন্টারনেট সংযোগ সুরক্ষিত করা। এটি ব্যবহারকারীর ডেটা এনক্রিপ্ট করে। নিচে ভিপিএন এর মূলনীতির কিছু দিক তুলে ধরা হলো: এনক্রিপশন: ভিপিএন ব্যবহারকারীর ডেটা এনক্রিপ্ট করে। এটি ডেটা অনিরাপদ হাত থেকে রক্ষা করে। আইপি লুকিয়ে রাখা: ভিপিএন ব্যবহারকারীর আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে। এটি ব্যবহারকারীর অবস্থান গোপন করে। নিরাপদ টানেল: ভিপিএন একটি নিরাপদ টানেল তৈরি করে। এটি ডেটা নিরাপদে স্থানান্তর করতে সাহায্য করে। ভিপিএন এর এই মূলনীতিগুলো ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে। ভিপিএন ব্যবহার করে আপনি ইন্টারনেট নিরাপদে ব্যবহার করতে পারেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; ভিপিএন এর প্রকারভেদ ভিপিএন এর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানলে ভিপিএন সঠিকভাবে ব্যবহার করা সহজ হবে। ভিপিএন এর দুটি প্রধান প্রকারভেদ রয়েছে। প্রতিটি প্রকারভেদ বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: রিমোট অ্যাক্সেস ভিপিএন রিমোট অ্যাক্সেস ভিপিএন ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্য। এটি ব্যবহার করে দূরবর্তী অবস্থান থেকে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়া যায়। রিমোট অ্যাক্সেস ভিপিএন সাধারণত ব্যবসায়িক কাজে বেশি ব্যবহৃত হয়। প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা অফিসের বাইরে থেকেও নেটওয়ার্কে কাজ করতে পারেন। ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীরা নিরাপদভাবে ইন্টারনেটে ব্রাউজ করতে পারেন। ডেটা এনক্রিপশন এর মাধ্যমে ডেটা সুরক্ষিত থাকে। সাইট-টু-সাইট ভিপিএন সাইট-টু-সাইট ভিপিএন কর্পোরেট স্তরে ব্যবহৃত হয়। এটি বিভিন্ন শাখার নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে। এটি সাধারণত বড় প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করে। বৈশিষ্ট্য বর্ণনা নেটওয়ার্ক সংযোগ বিভিন্ন শাখার নেটওয়ার্ক সংযুক্ত থাকে। ডেটা ট্রান্সফার ডেটা নিরাপদভাবে স্থানান্তর হয়। ব্যবহার বড় প্রতিষ্ঠান এবং কর্পোরেট স্তরে ব্যবহৃত হয়। ভিপিএন এর কার্যকারিতা ভিপিএন বা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) একটি শক্তিশালী টুল। এটি আমাদের ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের সময় গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা প্রদান করে। ভিপিএন আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে সহায়ক। এটি ইন্টারনেট সেন্সরশিপ এড়াতে সহায়তা করে। গোপনীয়তা রক্ষা ভিপিএন ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজিং নিরাপদ হয়। আপনার আইপি ঠিকানা গোপন থাকে। ভিপিএন আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে। হ্যাকাররা আপনার ডেটা চুরি করতে পারে না। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকে। ইন্টারনেট সেন্সরশিপ এড়ানো অনেক দেশে ইন্টারনেট সেন্সরশিপ থাকে। ভিপিএন আপনাকে সেন্সরশিপ এড়াতে সাহায্য করে। আপনি ব্লক করা ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশ করতে পারবেন। ভিপিএন আপনার সংযোগকে অন্য দেশে সরিয়ে দেয়। ফলে আপনি অবাধ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন। ভিপিএন এর কার্যকারিতা: কার্যকারিতা বর্ণনা গোপনীয়তা রক্ষা আপনার আইপি ঠিকানা গোপন রাখে এবং ডেটা এনক্রিপ্ট করে। ইন্টারনেট সেন্সরশিপ এড়ানো ব্লক করা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। ভিপিএন এর ব্যবহার ভিপিএন (VPN) এর ব্যবহার বর্তমান ডিজিটাল যুগে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এটি আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারকে নিরাপদ এবং গোপনীয় রাখে। ভিপিএন এর মাধ্যমে আপনি অনলাইনে নিজের পরিচয় গোপন রাখতে পারেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিপিএন ব্যবহার হয়ে থাকে, যেমন ব্যক্তিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহার। ব্যক্তিগত ব্যবহারে ভিপিএন ব্যক্তিগত ব্যবহারে ভিপিএন অত্যন্ত জরুরি। এটি ব্যবহার করে আপনি নিরাপদে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারেন। ভিপিএন আপনার আইপি অ্যাড্রেস গোপন রাখে, ফলে আপনার অনলাইন কার্যকলাপ ট্র্যাক করা যায় না। ভিপিএন ব্যবহার করে আপনি সহজেই জিও-ব্লকড কনটেন্ট দেখতে পারেন। এটি আপনাকে সেন্সরশিপ বাইপাস করতে সহায়তা করে। আপনি বিদেশে থেকে নিজের দেশের কনটেন্ট উপভোগ করতে পারবেন। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কিছু জনপ্রিয় ভিপিএন সার্ভিস রয়েছে, যেমন: NordVPN ExpressVPN CyberGhost প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারে ভিপিএন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারে ভিপিএন আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি প্রতিষ্ঠানের ডেটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ভিপিএন ব্যবহার করে দূরবর্তী কর্মীদের সাথে নিরাপদে যোগাযোগ রাখা সহজ হয়। ভিপিএন ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষিত রাখতে পারে। এটি হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করে। প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কিছু জনপ্রিয় ভিপিএন সার্ভিস রয়েছে, যেমন: Perimeter 81 OpenVPN Fortinet তাহলে, এখন আপনি জানেন কেন ভিপিএন ব্যবহার করা প্রয়োজন। নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে ভিপিএন ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। ভিপিএন এর সুবিধা ভিপিএন (VPN) এর সুবিধা নিয়ে আলোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নিরাপত্তা এবং সুবিধা প্রদান করে। ভিপিএন ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা বিভিন্নভাবে উপকৃত হতে পারি। নিচে ভিপিএন এর কিছু প্রধান সুবিধা নিয়ে আলোচনা করা হলো। সুরক্ষা বৃদ্ধি ভিপিএন ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় তথ্য সুরক্ষিত থাকে। এটি আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। ভিপিএন ব্যবহারকারীর আইপি ঠিকানা গোপন রাখে। ফলে তথ্য চুরি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ভিপিএন ব্যবহার করে পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কেও নিরাপদ থাকা যায়। এটি আমাদের অনলাইন কার্যক্রমে নিরাপত্তা প্রদান করে। অ্যাক্সেসিবিলিটি বৃদ্ধি ভিপিএন বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং কনটেন্ট অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে। এটি বিভিন্ন দেশের সাইট এবং পরিষেবা ব্যবহার করতে দেয়। ভিপিএন জিও-রেস্ট্রিকশন বাইপাস করতে সহায়তা করে। এতে আমরা ব্লক করা কনটেন্ট সহজেই দেখতে পারি। ভিপিএন ব্যবহার করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অ্যাক্সেস পাওয়া যায়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; ভিপিএন এর অসুবিধা ভিপিএন (VPN) ব্যবহার করলে কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। যদিও ভিপিএন গোপনীয়তা রক্ষা করে, কিছু সমস্যা এড়ানো কঠিন। নিচে ভিপিএন ব্যবহার করার প্রধান কিছু অসুবিধা উল্লেখ করা হলো। গতির সমস্যা ভিপিএন ব্যবহার করলে ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। ভিপিএন সার্ভার দিয়ে ডেটা পাস করায় এই সমস্যা হয়। অনেক সময় সার্ভার দূরে থাকলে গতি আরো কমে যায়। খরচের সমস্যা উন্নতমানের ভিপিএন সেবা পেতে খরচ বেশি হতে পারে। বিনামূল্যের ভিপিএন সেবায় সীমাবদ্ধতা থাকে। প্রিমিয়াম ভিপিএন সেবা কিনতে হলে মাসিক বা বার্ষিক ফি দিতে হয়। অসুবিধা কারণ গতির সমস্যা ডেটা ট্রান্সফার খরচের সমস্যা প্রিমিয়াম সেবা ভিপিএন ব্যবহারকারীরা এই সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে পারেন। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য ভিপিএন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এসব অসুবিধা মাথায় রাখা উচিত। ভিপিএন সেবা প্রদানকারী ভিপিএন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের ইন্টারনেট ব্রাউজিংকে নিরাপদ ও ব্যক্তিগত রাখতে সাহায্য করে। তারা বিভিন্ন ধরণের সেবা প্রদান করে, যা বিনামূল্যে ও প্রিমিয়াম উভয়ই হতে পারে। ভিপিএন সেবা প্রদানকারীর পছন্দ নির্ভর করে আপনার প্রয়োজন ও বাজেটের উপর। বিনামূল্যে সেবা অনেক ভিপিএন সেবা প্রদানকারী বিনামূল্যে সেবা দিয়ে থাকে। বিনামূল্যে সেবা সাধারণত সীমিত ব্যান্ডউইথ ও সার্ভার অ্যাক্সেস প্রদান করে। এটি সাধারণত কম নিরাপত্তা ফিচার সহ আসে। সীমিত ব্যান্ডউইথ কম সার্ভার অ্যাক্সেস কম নিরাপত্তা ফিচার বিনামূল্যে ভিপিএন সেবা সাধারণত বিজ্ঞাপন সমর্থিত হয়। এটি ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। সুতরাং, বিনামূল্যে সেবা ব্যবহার করার আগে সতর্ক থাকুন। প্রিমিয়াম সেবা প্রিমিয়াম ভিপিএন সেবা অনেক বেশি সুবিধা প্রদান করে। আপনি উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও সার্ভার অ্যাক্সেস পাবেন। এছাড়াও, এতে উন্নত নিরাপত্তা ফিচার থাকে। উচ্চ ব্যান্ডউইথ বেশি সার্ভার অ্যাক্সেস উন্নত নিরাপত্তা ফিচার প্রিমিয়াম সেবা সাধারণত সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক হয়। এটি বিজ্ঞাপন মুক্ত এবং বেশি ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা প্রদান করে। নিচে একটি উদাহরণ টেবিল দেওয়া হলো: সেবা বিনামূল্যে প্রিমিয়াম ব্যান্ডউইথ সীমিত উচ্চ সার্ভার অ্যাক্সেস কম বেশি নিরাপত্তা কম উন্নত বিজ্ঞাপন হ্যাঁ না ভিপিএন ব্যবহারের পরামর্শ ভিপিএন ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজিং আরও নিরাপদ করতে পারেন। তবে সঠিকভাবে ভিপিএন ব্যবহারের জন্য কিছু পরামর্শ মেনে চলা জরুরি। নিচে সেই পরামর্শগুলো দেওয়া হল: বিশ্বস্ত সেবা প্রদানকারী ভিপিএন সেবা গ্রহণের আগে বিশ্বস্ত সেবা প্রদানকারী নির্বাচন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কিছু বিষয় লক্ষ্য করুন: সেবা প্রদানকারীর রিভিউ পড়ুন। সেবা প্রদানকারীর গোপনীয়তা নীতি যাচাই করুন। সেবা প্রদানকারী কোনো লগ সংরক্ষণ করে কিনা তা নিশ্চিত হন। গ্রাহক সহায়তা কেমন তা পরীক্ষা করুন। সঠিক সেটআপ ভিপিএন সঠিকভাবে সেটআপ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নিশ্চিত করবে আপনি সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাচ্ছেন। নিচে সঠিক সেটআপের কিছু ধাপ দেওয়া হল: বিশ্বস্ত সেবা প্রদানকারী থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করুন। অ্যাপ ইন্সটল করার পর গোপনীয়তা সেটিংস পরীক্ষা করুন। সুরক্ষিত সার্ভার নির্বাচন করুন। সার্ভার কানেক্ট করে ইন্টারনেট ব্রাউজিং শুরু করুন। এই পরামর্শগুলো মেনে চললে ভিপিএন ব্যবহারে আপনি নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত থাকবেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions Vpn কি কাজে ব্যবহার করা হয়? VPN ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে এবং ভৌগোলিক বাধা এড়াতে ব্যবহৃত হয়। এটি নিরাপদ ইন্টারনেট ব্রাউজিং নিশ্চিত করে। মানুষ কেন ভিপিএন ব্যবহার করে? মানুষ ভিপিএন ব্যবহার করে অনলাইন গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে, সুরক্ষিত ব্রাউজিং করতে এবং সাইটের ভূ-অবরোধ এড়াতে। এছাড়া, ভিপিএন ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে এবং নিরাপদ পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সহায়তা করে। ভিপিএন কেন ব্যবহার করা হয়? ভিপিএন ব্যবহার করা হয় অনলাইনে নিরাপত্তা বাড়াতে, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে এবং ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা পাশ কাটাতে। সব থেকে ভালো Vpn কোনটি? সব থেকে ভালো VPN হলো নর্ডভিপিএন। এটি দ্রুত, নিরাপদ এবং ব্যবহার করা সহজ। এছাড়া, সুরক্ষা ও গোপনীয়তায় শ্রেষ্ঠ। Conclusion একটি VPN ব্যবহার করে আপনি নিরাপদে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারেন। এটি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখে। এছাড়া, সংরক্ষিত কনটেন্ট অ্যাক্সেস করা সহজ হয়। VPN ব্যবহার করে আপনার অনলাইন অভিজ্ঞতা উন্নত করতে পারেন। নিরাপত্তা এবং প্রাইভেসি বজায় রাখতে VPN অপরিহার্য। সঠিক VPN বেছে নিন এবং নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-ak_31-07-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-ak_31-07-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-ak_31-07-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ExpressVPN কীভাবে ব্যবহার করবেন: নতুনদের জন্য ধাপে ধাপে গাইড]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23689</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23689</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 17:07:47 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[expressvpn,express vpn,vpn express,expressvpn ad,expressvpn app,expressvpn mac,expressvpn key,buy expressvpn,nord vs express,get expressvpn,expressvpn vpn,expressvpn 2024,express vpn 2024,expressvpn 2021,expressvpn tv ad,expressvpn keys,expressvpn deal,expressvpn cost,expressvpn code,expressvpn 2020,expressvpn free,express vpn free,express vpn cost,expressvpn roku,expressvpn xbox,expressvpn 2023,cost expressvpn,expressvpn guide]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ExpressVPN ব্যবহারের জন্য প্রথমে অ্যাপ ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন। তারপর আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন এবং সার্ভার নির্বাচন করুন। ExpressVPN একটি জনপ্রিয় ভিপিএন পরি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_14.jpg" alt="ExpressVPN কীভাবে ব্যবহার করবেন: নতুনদের জন্য ধাপে ধাপে গাইড" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ExpressVPN ব্যবহারের জন্য প্রথমে অ্যাপ ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন। তারপর আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন এবং সার্ভার নির্বাচন করুন। ExpressVPN একটি জনপ্রিয় ভিপিএন পরিষেবা যা আপনাকে অনলাইনে নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা প্রদান করে। এটি ব্যবহারের জন্য আপনাকে কিছু সহজ ধাপ অনুসরণ করতে হবে। প্রাথমিকভাবে, আপনাকে ExpressVPN অ্যাপ ডাউনলোড এবং ইনস্টল করতে হবে। এরপর আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর, আপনি বিভিন্ন সার্ভারের মধ্যে থেকে একটি নির্বাচন করতে পারবেন। এই ধাপগুলি সম্পন্ন করার পর, আপনি নিরাপদে এবং গোপনে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবেন। ExpressVPN এর ব্যবহার করা সহজ এবং এটি আপনার অনলাইন নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। Expressvpn পরিচিতি ExpressVPN একটি জনপ্রিয় ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) সেবা। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে এবং আপনার অনলাইন কার্যকলাপকে গোপন রাখে। ExpressVPN ব্যবহার করলে আপনি আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করতে পারেন। Expressvpn কি? ExpressVPN হল একটি প্রিমিয়াম VPN সেবা যা দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য সংযোগ প্রদান করে। এটি বিশ্বের প্রায় সকল দেশে সার্ভার স্থাপন করেছে। এটি আপনার আসল আইপি ঠিকানাকে লুকিয়ে রাখে এবং একটি ভিন্ন দেশের আইপি ঠিকানা দেয়। ExpressVPN ব্যবহার করা খুবই সহজ এবং এটি বিভিন্ন ডিভাইসে সাপোর্ট করে। আপনি এটি আপনার কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং আরও অনেক ডিভাইসে ব্যবহার করতে পারেন। Vpn এর প্রয়োজনীয়তা VPN আপনাকে ইন্টারনেটে নিরাপদে এবং গোপনীয়ভাবে ব্রাউজ করতে সাহায্য করে। এটি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখে এবং হ্যাকারদের থেকে রক্ষা করে। আপনার অনলাইন কার্যকলাপ গোপন রাখে। সার্চ ইঞ্জিন এবং ওয়েবসাইটগুলির ট্র্যাকিং থেকে রক্ষা করে। পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় আপনার তথ্য সুরক্ষিত রাখে। VPN এর মাধ্যমে আপনি জিও-রেস্ট্রিকটেড কনটেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন। এটি আপনাকে বিভিন্ন দেশের কনটেন্ট দেখতে দেয়। এভাবে আপনি আপনার পছন্দের শো এবং সিনেমা উপভোগ করতে পারবেন। ফিচার বর্ণনা নিরাপত্তা উচ্চমানের এনক্রিপশন প্রযুক্তি গোপনীয়তা আপনার তথ্য গোপন রাখে গতি দ্রুত সংযোগ ExpressVPN ব্যবহার করে আপনি ইন্টারনেটে নিরাপদে এবং গোপনীয়ভাবে ব্রাউজ করতে পারবেন। এটি আপনার অনলাইন কার্যকলাপকে নিরাপদ রাখে এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখে। Credit: graphicsprings.com Expressvpn এর বৈশিষ্ট্য ExpressVPN এর বৈশিষ্ট্য আপনাকে একটি নিরাপদ এবং দ্রুত ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা দেয়। নিচে ExpressVPN এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো। উচ্চ গতির সার্ভার ExpressVPN এর উচ্চ গতির সার্ভার সার্ভিস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে রয়েছে। সার্ভার সংখ্যা: 3000+ দেশ সংখ্যা: 94+ উচ্চ ব্যান্ডউইথ কম লেটেন্সি এগুলো আপনাকে বাফারিং ছাড়াই স্ট্রিমিং করতে সহায়তা করে। শক্তিশালী এনক্রিপশন 256-বিট AES এনক্রিপশন OpenVPN প্রোটোকল কিল সুইচ DNS লিক প্রটেকশন Expressvpn একাউন্ট তৈরি ExpressVPN একটি প্রিমিয়াম ভিপিএন সার্ভিস যা আপনার ইন্টারনেট প্রাইভেসি রক্ষা করে। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য এটি ব্যবহার করা খুব সহজ। এখানে আমরা কিভাবে সহজে ExpressVPN একাউন্ট তৈরি করা যায় তা দেখাবো। নিবন্ধন প্রক্রিয়া ExpressVPN একাউন্ট তৈরির জন্য প্রথমে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। ExpressVPN ওয়েবসাইট খুলুন। &amp;ldquo;Get Started&amp;rdquo; বোতামে ক্লিক করুন। আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রবেশ করুন। একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করুন। &amp;ldquo;Create Account&amp;rdquo; বোতামে ক্লিক করুন। সাবস্ক্রিপশন পরিকল্পনা একাউন্ট তৈরি করার পর, আপনাকে একটি সাবস্ক্রিপশন পরিকল্পনা বেছে নিতে হবে। পরিকল্পনা মূল্য 1 মাস $12.95 6 মাস $9.99/মাস 12 মাস $8.32/মাস 1 মাসের পরিকল্পনা শর্ট-টার্ম ব্যবহারকারীদের জন্য উপযুক্ত। 6 মাসের পরিকল্পনা আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী। 12 মাসের পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারকারীদের জন্য সেরা। সবকিছু ঠিকঠাক হলে, &amp;quot;Subscribe Now&amp;quot; বোতামে ক্লিক করুন এবং পেমেন্ট সম্পূর্ণ করুন। Expressvpn ডাউনলোড এবং ইনস্টল ExpressVPN ডাউনলোড এবং ইনস্টল করা খুব সহজ। এই গাইডটি সাহায্যে আপনি সহজেই ExpressVPN ব্যবহার শুরু করতে পারবেন। অ্যাপ ডাউনলোড প্রথমে, আপনার ডিভাইসের জন্য সঠিক ExpressVPN অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। ExpressVPN-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। সাইন আপ করুন এবং একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। আপনার ডিভাইসের জন্য সঠিক অ্যাপটি নির্বাচন করুন। ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন। ইনস্টলেশন পদক্ষেপ ডাউনলোড করা ফাইলটি খুলুন। ইনস্টলেশন উইন্ডো খুলে যাবে। ইনস্টলেশন নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন। ইনস্টলেশন সম্পন্ন হলে, অ্যাপটি চালু করুন। আপনার প্রয়োজন অনুসারে একটি সার্ভার নির্বাচন করুন এবং সংযোগ করুন। এখন আপনি নিরাপদ ইন্টারনেট ব্রাউজিং উপভোগ করতে পারবেন। প্রথমবার লগইন এবং সেটআপ ExpressVPN আপনার ইন্টারনেট কার্যক্রমকে সুরক্ষিত রাখার জন্য একটি চমৎকার সেবা। প্রথমবার লগইন এবং সেটআপ করতে কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হবে। নিচের নির্দেশনা অনুসরণ করে সহজেই ExpressVPN ব্যবহার শুরু করতে পারেন। লগইন প্রক্রিয়া প্রথমে ExpressVPN অ্যাপটি ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন। অ্যাপটি ওপেন করুন এবং আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। লগইন করার পরে আপনি আপনার অ্যাকাউন্টের ড্যাশবোর্ড দেখতে পাবেন। প্রাথমিক সেটআপ লগইন করার পরে, প্রাথমিক সেটআপ প্রক্রিয়া শুরু হবে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: আপনার পছন্দের সার্ভার লোকেশন নির্বাচন করুন। এটি আপনার অবস্থান গোপন করবে। কানেক্ট বাটনে ক্লিক করুন। এটি আপনাকে VPN সার্ভারের সাথে সংযুক্ত করবে। সংযুক্ত হওয়ার পরে, আপনি নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। ExpressVPN সেটআপ প্রক্রিয়া এতটাই সহজ যে আপনি কয়েক মিনিটের মধ্যেই এটি সম্পন্ন করতে পারবেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সার্ভার নির্বাচন ExpressVPN ব্যবহার করার সময় সার্ভার নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সার্ভার নির্বাচন করলে আপনি পাবেন দ্রুত ইন্টারনেট স্পিড এবং ভালো গোপনীয়তা। নিচে সার্ভার নির্বাচন করার কিছু ধাপ দেওয়া হলো। উপযুক্ত সার্ভার বাছাই ExpressVPN-এ প্রচুর সার্ভার রয়েছে। আপনার জন্য উপযুক্ত সার্ভার বাছাই করতে হবে। নিচের টেবিল থেকে বিভিন্ন সার্ভারের বৈশিষ্ট্য দেখতে পারেন: সার্ভার লোকেশন গতি (স্পিড) গোপনীয়তা (প্রাইভেসি) যুক্তরাষ্ট্র উচ্চ উচ্চ যুক্তরাজ্য উচ্চ উচ্চ জাপান মাঝারি উচ্চ গতি এবং গোপনীয়তার উপর ভিত্তি করে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভার বাছাই করুন। লোকেশন পরিবর্তন ExpressVPN ব্যবহার করে আপনি সহজেই লোকেশন পরিবর্তন করতে পারেন। এটির জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: ExpressVPN অ্যাপে লগইন করুন। সার্ভার তালিকা থেকে একটি লোকেশন নির্বাচন করুন। সার্ভার সংযোগ বাটনে ক্লিক করুন। এই ধাপগুলো অনুসরণ করলে আপনি সহজেই আপনার লোকেশন পরিবর্তন করতে পারবেন। Expressvpn এর ব্যবহার ExpressVPN একটি জনপ্রিয় ভিপিএন সার্ভিস। এটি ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ ও ব্যক্তিগত করে তোলে। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য ExpressVPN ব্যবহার করা কিছুটা জটিল হতে পারে। এই গাইডে আমরা সহজ ভাষায় ExpressVPN এর ব্যবহার শিখব। ইন্টারফেস পরিচিতি প্রথমে ExpressVPN অ্যাপটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করুন। অ্যাপটি চালু করুন। আপনি একটি সহজ ও ব্যবহারকারী-বান্ধব ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। প্রধান বোতাম: এটি ভিপিএন সংযোগ চালু ও বন্ধ করে। লোকেশন নির্বাচন: এখানে আপনি সার্ভার লোকেশন বেছে নিতে পারবেন। মেনু আইকন: সেটিংস ও অন্যান্য অপশনগুলি এখানে পাওয়া যাবে। কানেকশন স্থাপন প্রথমে, প্রধান বোতামে ক্লিক করুন। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সর্বোত্তম সার্ভারে সংযুক্ত হবে। আপনি চাইলে লোকেশন নির্বাচন অপশন থেকে বিভিন্ন দেশ বেছে নিতে পারেন। একটি দেশ বেছে নিতে লোকেশন তালিকা থেকে সেটি ক্লিক করুন। প্রধান বোতামে আবার ক্লিক করুন। এটি সার্ভার পরিবর্তন করবে। আপনার কানেকশন সফল হলে, অ্যাপটি সবুজ রং দেখাবে। এটি নির্দেশ করে যে আপনার ইন্টারনেট সংযোগ এখন নিরাপদ ও ব্যক্তিগত। সাধারণ সমস্যা এবং সমাধান ExpressVPN ব্যবহার করার সময় অনেক ধরনের সাধারণ সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যাগুলোর সমাধান জানা থাকলে ব্যবহার করা সহজ হয়। নিচে কিছু সাধারণ সমস্যার সমাধান দেয়া হলো। কানেকশন সমস্যা ExpressVPN ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক সময় কানেকশন সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যার সমাধানের জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: ইন্টারনেট কানেকশন চেক করুন। ইন্টারনেট সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা দেখুন। VPN সার্ভার পরিবর্তন করুন। অন্য সার্ভারে কানেক্ট করার চেষ্টা করুন। অ্যাপ রিস্টার্ট করুন। ExpressVPN অ্যাপ বন্ধ করে আবার চালু করুন। ডিভাইস রিস্টার্ট করুন। ডিভাইস বন্ধ করে আবার চালু করুন। গতি সমস্যা ExpressVPN ব্যবহার করার সময় গতি সমস্যা হতে পারে। গতি বৃদ্ধি করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: নিকটবর্তী সার্ভার ব্যবহার করুন। আপনার অবস্থানের কাছাকাছি সার্ভার ব্যবহার করুন। প্রটোকল পরিবর্তন করুন। অ্যাপের সেটিংস থেকে প্রটোকল পরিবর্তন করুন। অ্যাপ আপডেট করুন। সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করুন। ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করুন। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করুন। Credit: www.safetydetectives.com Frequently Asked Questions How Do I Use Vpn Step By Step? VPN ব্যবহার করার ধাপগুলি: ১. পছন্দের VPN পরিষেবা ডাউনলোড ও ইনস্টল করুন। ২. অ্যাকাউন্ট তৈরি করে লগ ইন করুন। ৩. সার্ভার অবস্থান নির্বাচন করুন। ৪. সংযোগ বোতামে ক্লিক করুন। ৫. সংযোগ স্থাপিত হলে ইন্টারনেট ব্রাউজ করুন। How Do I Use Expressvpn On Wi-fi? ExpressVPN ব্যবহার করতে প্রথমে অ্যাপ ডাউনলোড করুন। অ্যাকাউন্ট লগইন করুন। সার্ভার নির্বাচন করে সংযোগ করুন। Wi-Fi এর মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকুন। How To Use Expressvpn On Tv? ExpressVPN টিভিতে ব্যবহার করতে অ্যাপটি ডাউনলোড করুন, লগইন করুন এবং সার্ভার সংযোগ করুন। স্মার্ট টিভি না থাকলে রাউটার ব্যবহার করুন। How Does A Vpn Work For Dummies? VPN আপনার ইন্টারনেট ট্র্যাফিককে এনক্রিপ্ট করে। এটি আপনার আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে। আপনি একটি সুরক্ষিত সার্ভারের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্রাউজ করেন। এটি আপনার অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষা করে এবং সুরক্ষিত সংযোগ প্রদান করে। Conclusion ExpressVPN ব্যবহার করা খুবই সহজ এবং দ্রুত। এই গাইড অনুসরণ করে আপনি নিরাপদে এবং গোপনীয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবেন। বিভিন্ন সুবিধা পেতে এখনই ExpressVPN ব্যবহার শুরু করুন। নিরাপদ অনলাইন অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন। আশা করি এই গাইডটি আপনার জন্য উপকারী হয়েছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_14.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_14.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_14.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[NordVPN কীভাবে ব্যবহার করবেন: নতুনদের জন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23688</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23688</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 17:07:07 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[vpn nord,nordvpn,nord vpn,nordlynx,nord lynx,torguard,nordvpn;,nordvpn vs,nordvpn pc,nordvpn ad,nordvpn fr,nordvpn app,vpn nordvpn,nordvpn mac,nordvpn bad,mac nordvpn,nordvpn dns,nordvpn mod,nordvpn 2024,nordvpn cons,nordvpn cost,nord vpn cost,nordvpn safe,nordvpn 2021,nordvpn 2023,nordvpn 2022,nordvpn good,nordvpn avis,avis nordvpn,nordvpn scam,nord is a scam,nordvpn news,nordvpn lg tv,nordvpn meme,nordvpn ekşi]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[NordVPN ব্যবহার করতে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। তারপর আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করে সার্ভার পছন্দ করুন। ইন্টারনেট নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_13.jpg" alt="NordVPN কীভাবে ব্যবহার করবেন: নতুনদের জন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>NordVPN ব্যবহার করতে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। তারপর আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করে সার্ভার পছন্দ করুন। ইন্টারনেট নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে VPN একটি অপরিহার্য টুল। NordVPN হলো এমন একটি জনপ্রিয় VPN পরিষেবা যা সহজে ব্যবহার করা যায়। এটি আপনার ইন্টারনেট কানেকশন এনক্রিপ্ট করে, অনলাইন কার্যকলাপ গোপন রাখে এবং জিও-ব্লকড কন্টেন্ট আনলক করতে সহায়তা করে। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য NordVPN ব্যবহার করা খুব সহজ। আপনাকে শুধু অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে, ইন্সটল করে অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে এবং একটি সার্ভার পছন্দ করতে হবে। এভাবে আপনি নিরাপদ ইন্টারনেট ব্রাউজিং উপভোগ করতে পারেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; নর্ডভিপিএন কি? নর্ডভিপিএন একটি ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক যা ইন্টারনেট ব্রাউজিংকে নিরাপদ করে। এটি আপনার অনলাইন পরিচয় এবং ডেটাকে সুরক্ষা প্রদান করে। নর্ডভিপিএন ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি অনলাইন গোপনীয়তা বজায় রাখতে পারেন এবং সাইবার আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন। নর্ডভিপিএন এর সংজ্ঞা নর্ডভিপিএন একটি VPN সার্ভিস যা আপনার ইন্টারনেট কানেকশনকে এনক্রিপ্ট করে। এটি আপনার আসল আইপি এড্রেস লুকিয়ে রাখে এবং আপনাকে একটি নতুন আইপি এড্রেস প্রদান করে। এর ফলে আপনি ব্লক করা কনটেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন এবং অনলাইন সুরক্ষা বাড়াতে পারেন। নর্ডভিপিএন এর গুরুত্ব অনলাইন সুরক্ষা: নর্ডভিপিএন আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যা সাইবার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। গোপনীয়তা: এটি আপনার আসল আইপি এড্রেস লুকিয়ে রাখে, যা আপনাকে অনলাইনে গোপনীয়তা দেয়। ব্লক করা কনটেন্ট অ্যাক্সেস: নর্ডভিপিএন ব্যবহার করে আপনি বিভিন্ন দেশের ব্লক করা কনটেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন। পাবলিক ওয়াই-ফাই সুরক্ষা: পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় এটি আপনার ডেটা সুরক্ষিত রাখে। নর্ডভিপিএন ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি অনলাইনে সুরক্ষিত থাকতে পারেন এবং আপনার ডেটাকে নিরাপদ রাখতে পারেন। এটি আপনার অনলাইন অভিজ্ঞতাকে আরও নিরাপদ এবং গোপনীয় করে তোলে। নর্ডভিপিএন ডাউনলোড ও ইনস্টল নর্ডভিপিএন একটি জনপ্রিয় ভিপিএন সেবা। এটি ইন্টারনেট ব্রাউজিং নিরাপদ করে। আজ আমরা নর্ডভিপিএন ডাউনলোড ও ইনস্টল নিয়ে আলোচনা করব। এই গাইডটি আপনাকে সহজেই সাহায্য করবে। ডাউনলোডের প্রক্রিয়া প্রথমে নর্ডভিপিএনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। হোমপেজ থেকে &amp;quot;ডাউনলোড&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। আপনার অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন করুন। সফটওয়্যার ডাউনলোড শুরু হবে। ইনস্টলেশনের ধাপ ডাউনলোড করা ফাইলটি খুলুন। &amp;quot;ইনস্টল&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। ইনস্টলেশন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ইনস্টলেশন শেষে, সফটওয়্যারটি চালু করুন। আপনার লগইন তথ্য প্রবেশ করুন। এখন আপনি নর্ডভিপিএন ব্যবহার করতে প্রস্তুত। ইন্টারনেট ব্রাউজিং নিরাপদ করুন। একাউন্ট তৈরি ও লগইন NordVPN ব্যবহারের প্রথম ধাপ হল একাউন্ট তৈরি ও লগইন। এই ধাপটি অনুসরণ করা অত্যন্ত সহজ। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য এটি একটি মূলভিত্তিক গাইড। এখানে কীভাবে একাউন্ট তৈরি করতে হয় এবং লগইন করতে হয় তা দেখানো হয়েছে। নতুন একাউন্ট তৈরি নতুন একাউন্ট তৈরি করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: প্রথমে NordVPN এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। ওয়েবসাইটের শীর্ষে &amp;quot;Sign Up&amp;quot; বোতামে ক্লিক করুন। আপনার ইমেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড প্রবেশ করুন। আপনার পাসওয়ার্ডটি শক্তিশালী হওয়া উচিত। তারপর &amp;quot;Create Account&amp;quot; বোতামে ক্লিক করুন। লগইন করার পদ্ধতি একাউন্ট তৈরি করার পর লগইন করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: NordVPN অ্যাপটি ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন। অ্যাপটি খুলুন এবং &amp;quot;Log In&amp;quot; বোতামে ক্লিক করুন। আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড প্রবেশ করুন। তারপর &amp;quot;Log In&amp;quot; বোতামে ক্লিক করুন। এই ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই আপনি NordVPN এ লগইন করতে পারবেন। সার্ভার নির্বাচন নর্ডভিপিএন ব্যবহারের প্রথম ধাপ হলো সার্ভার নির্বাচন। সার্ভার নির্বাচন সঠিকভাবে করতে পারলে আপনি আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করতে পারবেন। এখন আমরা কিভাবে উপযুক্ত সার্ভার নির্বাচন করবেন তা শিখব। সার্ভার তালিকা নর্ডভিপিএনে অসংখ্য সার্ভার রয়েছে। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভার নির্বাচন করতে পারবেন। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সার্ভার তালিকা দেয়া হলো: আমেরিকা ইউরোপ এশিয়া অস্ট্রেলিয়া উপযুক্ত সার্ভার বাছাই উপযুক্ত সার্ভার বাছাই করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: নর্ডভিপিএন অ্যাপ খুলুন। সার্চ বারে আপনার পছন্দের দেশ লিখুন। দেশের তালিকায় থেকে নির্দিষ্ট সার্ভার নির্বাচন করুন। সংযোগ বোতাম চেপে সার্ভার সংযুক্ত করুন। নির্দিষ্ট সার্ভার বাছাই আপনার ইন্টারনেট স্পিড এবং নিরাপত্তা উন্নত করতে সাহায্য করবে। প্রতিটি সার্ভারের গতি এবং স্থিতিশীলতা ভিন্ন হতে পারে। তাই আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক সার্ভার বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ। সংযোগ স্থাপন নর্ডভিপিএন একটি জনপ্রিয় ভিপিএন সেবা। এটি ব্যবহার করে আপনি নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করতে পারেন। এই গাইডে আমরা দেখাবো কিভাবে নর্ডভিপিএন সংযোগ স্থাপন করবেন। সংযোগ স্থাপনের ধাপ নর্ডভিপিএন অ্যাকাউন্ট তৈরি: প্রথমে নর্ডভিপিএন এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান এবং একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টল: আপনার ডিভাইসের জন্য উপযুক্ত নর্ডভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং ইনস্টল করুন। অ্যাপ লগইন: অ্যাপ ওপেন করে আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য দিয়ে লগইন করুন। সার্ভার নির্বাচন: অ্যাপের মূল পর্দা থেকে একটি সার্ভার নির্বাচন করুন। সংযোগ করুন: সংযোগ বোতামে ক্লিক করুন। এখন আপনি নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। সংযোগ সফল হলে কি করবেন সংযোগ সফলভাবে স্থাপিত হলে, কিছু ধাপ অনুসরণ করুন: আপনার আইপি ঠিকানা পরীক্ষা করুন: আপনার আইপি ঠিকানা পরিবর্তিত হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। নিরাপদ ব্রাউজিং: আপনার ব্রাউজিং কার্যক্রম নিরাপদ কিনা তা যাচাই করুন। ব্লকড কন্টেন্ট অ্যাক্সেস: আপনি আপনার ভিপিএন সার্ভারের মাধ্যমে ব্লকড কন্টেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারবেন। রেগুলার চেক: আপনার সংযোগ নিয়মিতভাবে পরীক্ষা করুন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সেটিংস ও কনফিগারেশন নর্ডভিপিএন ব্যবহারের জন্য সঠিক সেটিংস ও কনফিগারেশন জানা প্রয়োজন। এটি সহজ এবং দ্রুত ইন্টারনেট নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। প্রাথমিক সেটিংস প্রাথমিক সেটিংস সঠিকভাবে কনফিগার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: নর্ডভিপিএন অ্যাপ ইনস্টল করুন এবং লগইন করুন। হোম স্ক্রিন থেকে &amp;lsquo;Quick Connect&amp;rsquo; বোতাম চাপুন। আপনার প্রিয় সার্ভার নির্বাচন করুন। সফলভাবে কানেক্টেড হলে সবুজ আইকন দেখতে পাবেন। অ্যাডভান্সড সেটিংস অ্যাডভান্সড সেটিংস আরও বেশি কাস্টমাইজেশন প্রদান করে। নিম্নলিখিত অ্যাডভান্সড সেটিংসগুলো ব্যবহার করতে পারেন: Kill Switch: ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ হয়ে গেলে ডিভাইসকে সুরক্ষিত রাখে। Custom DNS: নিজের DNS সার্ভার সেট করতে পারেন। Obfuscated Servers: ভিপিএন ব্যবহারের চিহ্ন লুকাতে সাহায্য করে। Double VPN: দ্বিগুণ নিরাপত্তা প্রদান করে। সেটিংস ও কনফিগারেশন সঠিকভাবে করলে নর্ডভিপিএন আপনার ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নর্ডভিপিএন ব্যবহার করে আপনি আপনার অনলাইন কার্যক্রমকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন। নিচে আমরা নর্ডভিপিএনের বিভিন্ন নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য এবং কিভাবে গোপনীয়তা বজায় রাখা যায় তা আলোচনা করব। নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য এনক্রিপশন: নর্ডভিপিএন সামরিক গ্রেড এনক্রিপশন ব্যবহার করে। এটি আপনার ডেটা সুরক্ষিত রাখে। কিল সুইচ: ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে এটি আপনার ডেটা লিক হওয়া থেকে রক্ষা করে। ডবল ভিপিএন: ডবল এনক্রিপশন সুবিধা। এটি অতিরিক্ত সুরক্ষা প্রদান করে। ম্যালওয়্যার প্রোটেকশন: নর্ডভিপিএন ম্যালওয়্যার ও ফিশিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। গোপনীয়তা বজায় রাখা নো-লগ পলিসি: নর্ডভিপিএন কোনো ডেটা লগ রাখে না। এটি আপনার গোপনীয়তা বজায় রাখে। আইপি মাস্কিং: নর্ডভিপিএন আপনার আসল আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে। এটি আপনার অনলাইন কার্যক্রম গোপন রাখে। অ্যানোনিমিটি: নর্ডভিপিএন আপনার অনলাইন পরিচয় গোপন রাখে। আপনি নিরাপদে ব্রাউজ করতে পারেন। নর্ডভিপিএন এর এই সব বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে আপনি নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে পারেন। আপনার অনলাইন অভিজ্ঞতা আরও নিরাপদ এবং সুরক্ষিত হবে। সাহায্য ও সমর্থন যখন আপনি নর্ডভিপিএন ব্যবহার শুরু করবেন, তখন কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এই সমস্যাগুলি সমাধান করার জন্য সঠিক সাহায্য এবং সমর্থন প্রয়োজন। নিচে আমরা এই প্রক্রিয়াটি আরও সহজ করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। সাধারণ সমস্যার সমাধান নর্ডভিপিএন ব্যবহার করার সময় কিছু সাধারণ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এই সমস্যাগুলি সমাধান করতে আপনি নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করতে পারেন: সংযোগ সমস্যা: যদি আপনি ইন্টারনেটে সংযোগ করতে না পারেন, তাহলে প্রথমে আপনার ইন্টারনেট কানেকশন চেক করুন। তারপর নর্ডভিপিএন অ্যাপটি রিস্টার্ট করুন। গতি সমস্যা: যদি আপনার ইন্টারনেট গতি ধীর হয়ে যায়, তাহলে অন্য সার্ভার নির্বাচন করুন। এছাড়াও ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ্লিকেশন বন্ধ করুন। লগইন সমস্যা: যদি আপনি লগইন করতে না পারেন, তাহলে আপনার ব্যবহারকারীর নাম এবং পাসওয়ার্ড পুনরায় চেক করুন। তারপরও সমস্যা থাকলে পাসওয়ার্ড রিসেট করুন। গ্রাহক সমর্থন নর্ডভিপিএন-এর গ্রাহক সমর্থন টিম সবসময় আপনাকে সাহায্য করতে প্রস্তুত। আপনি তাদের সাথে বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগ করতে পারেন: লাইভ চ্যাট: নর্ডভিপিএন ওয়েবসাইটে ২৪/৭ লাইভ চ্যাট সুবিধা পাওয়া যায়। ইমেইল: আপনি তাদের ইমেইল করে সমস্যার সমাধান পেতে পারেন। সহায়তা কেন্দ্র: নর্ডভিপিএন-এর ওয়েবসাইটে একটি বিশদ সহায়তা কেন্দ্র রয়েছে যেখানে সাধারণ সমস্যার সমাধান পাবেন। উপরোক্ত তথ্যগুলি আপনাকে নর্ডভিপিএন ব্যবহার করার সময় যে কোনও সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করবে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions How To Use Nordvpn Step By Step? নর্ডভিপিএন ব্যবহার করার ধাপগুলি নিম্নরূপ: ১. নর্ডভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করুন। ২. অ্যাপ ইনস্টল করুন। ৩. অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন বা লগইন করুন। ৪. সার্ভার নির্বাচন করুন। ৫. কানেক্ট বাটনে ক্লিক করুন। How To Start With Nordvpn? NordVPN শুরু করতে প্রথমে তাদের ওয়েবসাইটে যান। একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। পছন্দের পরিকল্পনা নির্বাচন করুন। অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টল করুন। লগইন করে সংযোগ শুরু করুন। How To Use Nordvpn After Purchase? NordVPN কিনে ব্যবহারের জন্য অ্যাপ ডাউনলোড করুন। ইনস্টল করে লগ ইন করুন। সার্ভার নির্বাচন করে সংযোগ স্থাপন করুন। নিরাপদে ব্রাউজ করুন। How Do I Use Nordvpn Once Installed? NordVPN ব্যবহারের জন্য অ্যাপে লগইন করুন। সেরা সার্ভার নির্বাচন করুন। কানেক্ট বাটনে ক্লিক করুন। ইন্টারনেট ব্রাউজিং শুরু করুন। Conclusion নর্ডভিপিএন ব্যবহার করা সহজ এবং নিরাপদ। এই গাইডটি অনুসরণ করে, আপনি সহজেই নর্ডভিপিএন সেট আপ করতে পারবেন। ইন্টারনেটে নিরাপদে ব্রাউজ করতে নর্ডভিপিএন একটি দুর্দান্ত উপায়। নর্ডভিপিএন এর মাধ্যমে আপনার অনলাইন প্রাইভেসি বজায় রাখুন। আশা করি এই গাইডটি আপনার কাজে আসবে। নিরাপদে ব্রাউজ করুন!</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_13.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_13.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_13.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Ivacy VPN কীভাবে ব্যবহার করবেন: নবাগতদের জন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23687</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23687</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 16:07:41 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ivacy vpn,ivacy vpn review,ivacy,ivacy review,ivacy vpn netflix,ivacy vpn speed test,is ivacy vpn good,ivacy vpn free,ivacy vpn on firestick,ivacy ios,is ivacy vpn safe,ivacy wireguard,is ivacy worth it,ivacy speed test,ivacy l2tp,ivacy 1 day free trial,ivacy vpn review 2019,ivacy split tunneling,ivacy smart dns,ivacy streaming,ivacy vpn apple tv,ivacy vpn download,ivacy raspberry pi,ivacy pptp,ivacy vpn vs nordvpn,ivacy vpn review 2022]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Ivacy VPN ব্যবহারের জন্য প্রথমে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। এরপর আপনার একাউন্টে লগইন করে সঠিক সার্ভার নির্বাচন করুন। ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় নিরাপত্তা ও...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_12.jpg" alt="Ivacy VPN কীভাবে ব্যবহার করবেন: নবাগতদের জন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Ivacy VPN ব্যবহারের জন্য প্রথমে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। এরপর আপনার একাউন্টে লগইন করে সঠিক সার্ভার নির্বাচন করুন। ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Ivacy VPN হচ্ছে একটি নির্ভরযোগ্য এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য VPN সার্ভিস, যা আপনার অনলাইন কার্যক্রমকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। এই গাইডে আমরা ধাপে ধাপে দেখাবো কিভাবে আপনি Ivacy VPN ব্যবহার করতে পারেন। Ivacy VPN আপনাকে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সার্ভারে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে, যা আপনাকে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা প্রদান করে। এছাড়া এটি আপনার ব্রাউজিং স্পিডকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই, Ivacy VPN ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবেন। Credit: www.cloudwards.net Ivacy Vpn কী আজকের ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Ivacy VPN একটি শক্তিশালী সরঞ্জাম যা আপনার অনলাইন কার্যকলাপকে সুরক্ষিত রাখে। এটি ব্যবহার করা খুব সহজ এবং এটি আপনার তথ্যকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। Vpn এর সংজ্ঞা VPN এর পুরো নাম Virtual Private Network। এটি একটি প্রযুক্তি যা আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে এনক্রিপ্ট করে। আপনার ডেটা নিরাপদ রাখে এবং আপনার অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষা করে। Ivacy Vpn এর বৈশিষ্ট্য উচ্চ গতির সংযোগ - Ivacy VPN উচ্চ গতির সংযোগ সরবরাহ করে। বিশ্বব্যাপী সার্ভার - এটি বিভিন্ন দেশে সার্ভার রয়েছে। সুরক্ষিত ব্রাউজিং - এটি আপনার ব্রাউজিং সুরক্ষিত রাখে। সহজ ব্যবহার - এর ইন্টারফেস খুব সহজ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। 24/7 গ্রাহক সেবা - Ivacy VPN 24/7 গ্রাহক সেবা প্রদান করে। Ivacy VPN এর মাধ্যমে আপনি সহজেই অনলাইন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারেন। এটি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখে এবং আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে তোলে। Credit: www.youtube.com Ivacy Vpn ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন Ivacy VPN ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন একটি সহজ প্রক্রিয়া। এই গাইড আপনাকে ধাপে ধাপে সাহায্য করবে। আপনি সহজেই Ivacy VPN ব্যবহার করতে পারবেন। ডিভাইস নির্বাচন প্রথমে আপনার ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। Ivacy VPN বিভিন্ন ডিভাইসে কাজ করে: Windows Mac Android iOS ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া Ivacy VPN ইনস্টল করা খুবই সহজ। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: Ivacy VPN ডাউনলোড করুন: আপনার ডিভাইসের জন্য Ivacy VPN অ্যাপটি ডাউনলোড করুন। ফাইল ওপেন করুন: ডাউনলোড করা ফাইলটি ওপেন করুন। ইনস্টলেশন শুরু করুন: ইনস্টলেশন শুরু করতে &amp;ldquo;Install&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন: নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন বা বিদ্যমান অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। VPN চালু করুন: ইনস্টলেশন সম্পন্ন হলে Ivacy VPN অ্যাপটি ওপেন করুন এবং চালু করুন। এভাবে আপনি সহজেই Ivacy VPN ইনস্টল করতে পারবেন। একাউন্ট তৈরি Ivacy VPN ব্যবহার শুরু করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে। একাউন্ট তৈরি প্রক্রিয়া খুব সহজ এবং সরল। এই গাইডে আমরা ধাপে ধাপে একাউন্ট তৈরি পদ্ধতি ব্যাখ্যা করবো। নিবন্ধন প্রক্রিয়া Ivacy VPN এ একাউন্ট নিবন্ধন করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন: Ivacy VPN এর ওয়েবসাইট এ যান। হোম পেজের উপরের ডান দিকে &amp;ldquo;সাইন আপ&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। আপনার ইমেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড লিখুন। &amp;ldquo;নিবন্ধন&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। আপনার ইমেইলে প্রেরিত ভেরিফিকেশন লিঙ্কে ক্লিক করে একাউন্ট নিশ্চিত করুন। লগইন পদ্ধতি Ivacy VPN এ লগইন করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন: Ivacy VPN এর ওয়েবসাইট এ যান। হোম পেজের উপরের ডান দিকে &amp;ldquo;লগইন&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। আপনার ইমেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড লিখুন। &amp;ldquo;লগইন&amp;rdquo; বাটনে ক্লিক করুন। এখন আপনি Ivacy VPN এর বিভিন্ন সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। Credit: articlesbase.com সেটিংস কনফিগারেশন ইভাসি ভিপিএন ব্যবহার করে অনলাইন গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে সেটিংস কনফিগারেশন অপরিহার্য। এই গাইডটি আপনাকে সহজে সেটিংস কনফিগার করতে সহায়তা করবে। প্রাথমিক সেটিংস প্রাথমিক সেটিংস কনফিগারেশন সহজ। নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন: অ্যাপ্লিকেশন খুলুন: ইভাসি ভিপিএন অ্যাপ্লিকেশনটি খুলুন। লগইন করুন: আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। সার্ভার নির্বাচন করুন: আপনার পছন্দের সার্ভার নির্বাচন করুন। সংযোগ করুন: &amp;quot;Connect&amp;quot; বোতামে ক্লিক করে সংযোগ করুন। অ্যাডভান্সড সেটিংস অ্যাডভান্সড সেটিংস কনফিগারেশন আরও কিছু কাস্টমাইজেশন অপশন প্রদান করে। প্রটোকল নির্বাচন: প্রোটোকল মেনু থেকে পছন্দের প্রটোকল নির্বাচন করুন। কিল সুইচ: কিল সুইচ অপশন সক্রিয় করুন। এটি সংযোগ ব্যর্থ হলে ইন্টারনেট বন্ধ করবে। DNS সেটিংস: কাস্টম DNS সার্ভার যোগ করুন। এটি আপনার নিরাপত্তা বাড়ায়। স্প্লিট টানেলিং: স্প্লিট টানেলিং অপশন কাস্টমাইজ করুন। এটি নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনগুলি ভিপিএন ছাড়া চালাতে সহায়তা করে। এই কনফিগারেশনগুলি সম্পূর্ণ করার পরে, আপনার ইভাসি ভিপিএন সেটিংস সম্পূর্ণ হবে। সার্ভার নির্বাচন সার্ভার নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বিশেষ করে যখন আপনি একটি ভিপিএন ব্যবহার করছেন। সঠিক সার্ভার নির্বাচন করার মাধ্যমে আপনার ইন্টারনেট সংযোগ নিরাপদ ও দ্রুত হবে। Ivacy VPN ব্যবহার করতে চাইলে, সঠিক সার্ভার নির্বাচন করার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ রয়েছে। নিচে এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। দেশ অনুসারে সার্ভার নির্বাচন Ivacy VPN এর মাধ্যমে, আপনি বিভিন্ন দেশের সার্ভার ব্যবহার করতে পারেন। দেশ অনুসারে সার্ভার নির্বাচন করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন: Ivacy VPN অ্যাপ খুলুন। লগইন করুন। সার্ভার তালিকা থেকে পছন্দের দেশ নির্বাচন করুন। সার্ভার আইকনে ক্লিক করুন। সংযোগ সম্পন্ন হলে, আপনার নতুন আইপি ঠিকানা পরীক্ষা করুন। সর্বোত্তম সার্ভার নির্বাচন টিপস Ivacy VPN ব্যবহার করার সময় সর্বোত্তম সার্ভার নির্বাচন করতে কিছু টিপস অনুসরণ করুন: লোকেশন: আপনার নিকটবর্তী সার্ভার নির্বাচন করুন। এতে গতি বাড়বে। লোড: কম লোডযুক্ত সার্ভারগুলি বেছে নিন। এটি আপনার সংযোগকে দ্রুত করবে। উদ্দেশ্য: স্ট্রিমিং, গেমিং, বা ডাউনলোডিংয়ের জন্য বিশেষ সার্ভার নির্বাচন করুন। এই টিপসগুলো অনুসরণ করলে Ivacy VPN এর মাধ্যমে আপনি দ্রুত এবং নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। সংযোগ স্থাপন Ivacy Vpn ব্যবহারের জন্য সংযোগ স্থাপন করা খুবই সহজ। এই ধাপে, আমরা দেখব কিভাবে আপনি Ivacy Vpn এর মাধ্যমে নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করতে পারেন। সার্ভার সংযোগ প্রক্রিয়া প্রথমে Ivacy Vpn অ্যাপটি খুলুন। তারপর আপনার পছন্দের সার্ভার নির্বাচন করুন। সার্ভারের তালিকা থেকে আপনার প্রয়োজনীয় দেশ নির্বাচন করুন। দেশের নামের উপর ক্লিক করুন এবং সংযোগ বোতাম চাপুন। সংযোগ স্থাপনের জন্য কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। ধাপ বর্ণনা ১ Ivacy Vpn অ্যাপ খুলুন ২ সার্ভার নির্বাচন করুন ৩ দেশ নির্বাচন করুন ৪ সংযোগ বোতাম চাপুন সংযোগ যাচাইকরণ সংযোগ স্থাপিত হলে, সংযোগ বোতাম সবুজ হয়ে যাবে। এটি সংযোগ সফল হয়েছে বোঝায়। এছাড়া, আপনি আপনার আইপি ঠিকানা পরীক্ষা করতে পারেন। ব্রাউজারে &amp;quot;What is my IP&amp;quot; লিখে সার্চ করুন। নতুন আইপি ঠিকানা দেখলে, সংযোগ সফল হয়েছে বোঝা যাবে। সংযোগ বোতাম সবুজ হওয়া নতুন আইপি ঠিকানা পরীক্ষা এই ধাপগুলি অনুসরণ করে, আপনি সহজেই Ivacy Vpn এর মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করতে পারবেন। নিরাপদ ব্রাউজিং নিশ্চিত হবে। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। Ivacy VPN এর সেবা ব্যবহার করে আপনি আপনার অনলাইন কার্যক্রমকে নিরাপদ রাখতে পারেন। এই গাইডে, আমরা কিভাবে Ivacy VPN ব্যবহার করতে হয় তার ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেব। এনক্রিপশন ব্যাখ্যা Ivacy VPN ব্যবহার করে আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করা হয়। এই এনক্রিপশন পদ্ধতি আপনার তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে। এনক্রিপশন হল একটি পদ্ধতি যা আপনার ডেটাকে কোডে রূপান্তরিত করে। ফলে কোনো হ্যাকার বা তৃতীয় পক্ষ এটি বুঝতে পারে না। Ivacy VPN 256-বিট এনক্রিপশন ব্যবহার করে, যা অত্যন্ত শক্তিশালী ও নিরাপদ। নিরাপত্তা টিপস Ivacy VPN ব্যবহার করার সময় কিছু নিরাপত্তা টিপস মেনে চলা উচিত: সর্বদা VPN চালু রাখুন যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। পাবলিক Wi-Fi ব্যবহার করার সময় VPN অবশ্যই চালু রাখুন। VPN সার্ভার পরিবর্তন করে বিভিন্ন অবস্থান থেকে সংযোগ নিন। ব্যক্তিগত তথ্য ও পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এই টিপসগুলো মেনে চললে আপনার অনলাইন কার্যক্রম আরো সুরক্ষিত থাকবে। Ivacy Vpn এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য Ivacy VPN এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা সুরক্ষিত রাখে। এই বৈশিষ্ট্যগুলি আপনাকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় নিরাপদ রাখে। এখানে Ivacy VPN এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো: স্প্লিট টানেলিং স্প্লিট টানেলিং এর মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট অ্যাপ বা সাইটগুলি VPN এর মাধ্যমে ব্রাউজ করতে পারেন। অন্যদিকে, অন্যান্য অ্যাপ বা সাইটগুলি সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। এটি আপনার ইন্টারনেট গতি বজায় রাখে এবং আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সুরক্ষা প্রদান করে। নির্দিষ্ট অ্যাপ বা সাইট VPN এর মাধ্যমে ব্রাউজ করুন। অন্য অ্যাপ বা সাইট সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহার করুন। ইন্টারনেট গতি বজায় রাখুন। প্রয়োজন অনুযায়ী সুরক্ষা পান। কিল সুইচ কিল সুইচ একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয় যদি VPN সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এটি আপনার তথ্য ও পরিচয় গোপন রাখে। VPN সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যায়। তথ্য ও পরিচয় গোপন রাখে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। Ivacy VPN এর এই বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যবহারকারীদের সুরক্ষিত রাখে এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা প্রদান করে। সাধারণ সমস্যার সমাধান Ivacy VPN ব্যবহার করার সময় অনেকের কিছু সাধারণ সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান পেতে, নিচের নির্দেশনাগুলি অনুসরণ করুন। এতে আপনি সহজেই ইভ্যাসি ভিপিএন ব্যবহার করতে পারবেন। সংযোগ সমস্যার সমাধান Ivacy VPN-এ সংযোগ সমস্যার সমাধান করতে কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করুন: ইন্টারনেট সংযোগ পরীক্ষা করুন: আপনার ইন্টারনেট সংযোগ সচল আছে কিনা নিশ্চিত করুন। VPN সার্ভার পরিবর্তন করুন: অন্য কোনো সার্ভার নির্বাচন করে দেখুন। অ্যাপ রিস্টার্ট করুন: Ivacy VPN অ্যাপ বন্ধ করে আবার চালু করুন। ডিভাইস রিস্টার্ট করুন: আপনার ডিভাইস পুনরায় চালু করুন। অ্যাকাউন্ট সমস্যার সমাধান Ivacy VPN অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান পেতে নিচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন: লগইন তথ্য যাচাই করুন: আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড সঠিক কিনা নিশ্চিত করুন। পাসওয়ার্ড রিসেট করুন: পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে, পাসওয়ার্ড রিসেট করুন। অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করুন: অ্যাকাউন্ট সক্রিয় কিনা যাচাই করুন। সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করুন: সমস্যার সমাধান না হলে সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করুন। Ivacy Vpn এর গ্রাহক সহায়তা Ivacy VPN এর গ্রাহক সহায়তা ব্যবহারকারীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান দিতে সক্ষম। Ivacy VPN এর গ্রাহক সহায়তা বিভিন্ন ধরণের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। নিচে Ivacy VPN এর গ্রাহক সহায়তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো। লাইভ চ্যাট সাপোর্ট Ivacy VPN এর লাইভ চ্যাট সাপোর্ট ২৪/৭ সময়সীমায় উপলব্ধ। এটি ব্যবহারকারীদের তাত্ক্ষণিক সহায়তা প্রদান করে। লাইভ চ্যাট সাপোর্ট ব্যবহার করে আপনি সরাসরি একজন গ্রাহক সেবা প্রতিনিধি সাথে কথা বলতে পারবেন। এর মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। ইমেইল সাপোর্ট Ivacy VPN এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা হল ইমেইল সাপোর্ট। এটি ব্যবহারকারীদের তাদের সমস্যাগুলি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করার সুযোগ দেয়। ইমেইল সাপোর্ট ব্যবহার করে আপনি একটি ইমেইল পাঠিয়ে সমস্যার সমাধান পেতে পারেন। সাধারণত ইমেইলের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টার মধ্যে উত্তর প্রদান করা হয়। সাপোর্ট সেবা বিশেষত্ব লাইভ চ্যাট সাপোর্ট ২৪/৭ উপলব্ধতা, তাত্ক্ষণিক সহায়তা ইমেইল সাপোর্ট বিস্তারিত সমস্যা বর্ণনা, ২৪ ঘন্টার মধ্যে উত্তর Frequently Asked Questions How Do I Use Vpn Step By Step? VPN ব্যবহার করতে ধাপে ধাপে নির্দেশনা: ১. VPN অ্যাপ ডাউনলোড করুন। ২. অ্যাপ ইনস্টল করুন। ৩. অ্যাপ খুলুন এবং লগ ইন করুন। ৪. সার্ভার অবস্থান নির্বাচন করুন। ৫. সংযোগ বোতামে ক্লিক করুন। How To Use Ivacy? Ivacy ব্যবহার করতে প্রথমে অ্যাপ ডাউনলোড করুন। অ্যাকাউন্ট তৈরি করে লগইন করুন। সার্ভার নির্বাচন করে সংযোগ করুন। নিরাপদে ব্রাউজ করুন। How To Use Vpn For Dummies? VPN ব্যবহার করতে প্রথমে একটি VPN অ্যাপ ডাউনলোড ও ইন্সটল করুন। অ্যাপটি খুলে একটি সার্ভার নির্বাচন করুন। কনেক্ট বাটনে ক্লিক করুন। আপনার IP ঠিকানা গোপন হবে এবং নিরাপদে ব্রাউজ করতে পারবেন। How Do I Use Simple Vpn? সাধারণ VPN ব্যবহারের জন্য, প্রথমে একটি বিশ্বস্ত VPN অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টল করুন। অ্যাপটি খুলে সার্ভার নির্বাচন করুন। তারপর &amp;quot;Connect&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। আপনার ইন্টারনেট সংযোগ সুরক্ষিত হবে। Conclusion Ivacy VPN ব্যবহার করা সহজ এবং নিরাপদ। এই ধাপে ধাপে গাইডটি অনুসরণ করে, আপনি সহজেই সেটআপ করতে পারবেন। গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে Ivacy VPN একটি উৎকৃষ্ট পছন্দ। ইন্টারনেট ব্রাউজিং আরো নিরাপদ ও দ্রুত করতে এটি ব্যবহার করুন। আজই Ivacy VPN চেষ্টা করুন এবং সুবিধা উপভোগ করুন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_12.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_12.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_12.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ফ্রি ভিপিএন: শীর্ষ ১০টি দ্রুততম ভিপিএন রিভিউ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23686</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23686</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 15:07:24 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[best free vpn for android,free vpn for android,best free vpn,best vpn for android,best vpn for free,best free vpn for pc,vpn for free,free vpn for pc,free vpn,best android vpn,vpn for android,the best vpn for android,fastest free vpn for android,best free vpn review,best vpn,best free vpn for iphone,best free vpn android,best vpns for android,best free vpns,free vpn for android phone,best vpn for android phone,best vpn on android]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[অ্যান্ড্রয়েড এর জন্য সেরা ফ্রি ভিপিএন হল প্রোটোন ভিপিএন ও উইন্ডস্ক্রাইব। এরা দ্রুততম এবং নির্ভরযোগ্য। বর্তমান যুগে অনলাইন নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_04.jpg" alt="অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ফ্রি ভিপিএন: শীর্ষ ১০টি দ্রুততম ভিপিএন রিভিউ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>অ্যান্ড্রয়েড এর জন্য সেরা ফ্রি ভিপিএন হল প্রোটোন ভিপিএন ও উইন্ডস্ক্রাইব। এরা দ্রুততম এবং নির্ভরযোগ্য। বর্তমান যুগে অনলাইন নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে ভিপিএন ব্যবহার করে। ভিপিএন বা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট ব্রাউজিংকে নিরাপদ করে। ফ্রি ভিপিএন সার্ভিসের মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার ডেটা রক্ষা করতে পারেন। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য বেশ কিছু ফ্রি ভিপিএন পাওয়া যায়। সেরা ফ্রি ভিপিএন গুলির মধ্যে প্রোটোন ভিপিএন ও উইন্ডস্ক্রাইব উল্লেখযোগ্য। তারা দ্রুতগতির এবং ব্যবহারকারী বান্ধব। সঠিক ভিপিএন নির্বাচন করলে আপনার অনলাইন অভিজ্ঞতা নিরাপদ ও মসৃণ হবে। অ্যান্ড্রয়েড এর জন্য ভিপিএন কেন দরকার অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ভিপিএন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার ডিভাইসকে সুরক্ষিত ও নিরাপদ রাখে। ভিপিএন ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি অনলাইন গোপনীয়তা বজায় রাখতে পারেন এবং সীমাবদ্ধ কনটেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন। নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা ভিপিএন আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রদান করে। এটি আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে, ফলে হ্যাকাররা আপনার তথ্য চুরি করতে পারে না। গোপনীয়তা রক্ষায় ভিপিএন অত্যন্ত কার্যকরী। এটি আপনার আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে, ফলে আপনার অনলাইন কার্যকলাপ ট্র্যাক করা সম্ভব হয় না। সীমাবদ্ধ কনটেন্ট অ্যাক্সেস অনেক ওয়েবসাইট এবং সার্ভিস নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকে। ভিপিএন ব্যবহার করে আপনি সহজেই সীমাবদ্ধ কনটেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন। এটি আপনাকে বিভিন্ন দেশের সার্ভারে সংযুক্ত হতে সাহায্য করে। ফলস্বরূপ, আপনি যেকোনো স্থান থেকে কনটেন্ট উপভোগ করতে পারেন। ভিপিএন এর কার্যপ্রণালী ভিপিএন বা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট ব্যবহারকে নিরাপদ করে তোলে। এটি আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে এবং আইপি ঠিকানা লুকায়। ভিপিএন ব্যবহার করে আপনি অনলাইনে নিরাপদে ব্রাউজ করতে পারবেন। এখন আমরা ভিপিএন এর কার্যপ্রণালী নিয়ে আলোচনা করব। ডেটা এনক্রিপশন ভিপিএন ব্যবহার করে আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করা হয়। এটি মানে আপনার ডেটা সুরক্ষিত থাকবে। এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায় আপনার ডেটা কোডে রূপান্তরিত হয়। ফলে হ্যাকাররা ডেটা পড়তে পারবে না। এনক্রিপশন স্তর সুবিধা AES-256 উচ্চ নিরাপত্তা RSA-2048 দ্রুত এনক্রিপশন আইপি ঠিকানা লুকানো ভিপিএন আপনার আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে। এটি আপনার পরিচয় সুরক্ষিত রাখে। আইপি ঠিকানা লুকানোর মাধ্যমে আপনি অনলাইনে গোপনীয়তা বজায় রাখতে পারবেন। অনলাইনে নিরাপদ ব্রাউজিং গোপনীয়তা রক্ষা অবস্থান পরিবর্তন এই সুবিধাগুলি ভিপিএন কে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টুল করে তোলে। এটি ব্যবহার করে আপনি অনলাইনে নিরাপদে এবং গোপনীয়ভাবে থাকতে পারবেন। সেরা ফ্রি ভিপিএন এর বৈশিষ্ট্য অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য সেরা ফ্রি ভিপিএন নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ভিপিএন গুলোর বৈশিষ্ট্যগুলি জেনে রাখা প্রয়োজন। নিচে আমরা সেরা ফ্রি ভিপিএন এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করব। উচ্চ গতি একটি ভিপিএন এর গতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ গতি প্রদানকারী ভিপিএন আপনার ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করে। নিচে কিছু উচ্চ গতির ভিপিএন এর তালিকা দেওয়া হলো: ProtonVPN: এটি বিনামূল্যে এবং উচ্চ গতি প্রদান করে। Windscribe: দ্রুত সংযোগ এবং আরো অনেক সুবিধা রয়েছে। Hotspot Shield: এটি দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য। নিরাপত্তা প্রোটোকল নিরাপত্তা প্রোটোকল ভিপিএন এর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। এটি আপনার ডেটা সুরক্ষা নিশ্চিত করে। নিচে কিছু ভিপিএন এর নিরাপত্তা প্রোটোকল সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হলো: OpenVPN: এটি সবচেয়ে নিরাপদ এবং বহুল ব্যবহৃত প্রোটোকল। IKEv2/IPSec: এটি দ্রুত এবং নিরাপদ। WireGuard: এটি নতুন এবং নিরাপদ প্রোটোকল। এই ভিপিএন গুলো উচ্চ গতি এবং নিরাপত্তা প্রোটোকল প্রদানে শ্রেষ্ঠ। আপনি নিশ্চিন্তে এগুলো ব্যবহার করতে পারেন। এক্সপ্রেস ভিপিএন এক্সপ্রেস ভিপিএন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য একটি জনপ্রিয় ভিপিএন পরিষেবা। এটি উচ্চ গতি ও নিরাপত্তা প্রদান করে। এক্সপ্রেস ভিপিএন ব্যবহারকারীদের জন্য একাধিক সুবিধা নিয়ে আসে। গতি এবং কার্যক্ষমতা এক্সপ্রেস ভিপিএন খুব দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য। এর সার্ভারগুলির গতি অত্যন্ত ভালো। ব্যবহারকারীরা সহজেই উচ্চ গতির ইন্টারনেট উপভোগ করতে পারেন। নেটফ্লিক্স বা ইউটিউবে ভিডিও স্ট্রিমিং করতে কোনো সমস্যা হয় না। গেমিং এর জন্যও এটি উপযুক্ত। ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা এক্সপ্রেস ভিপিএন এর ইন্টারফেস ব্যবহারকারী বান্ধব। এটি ব্যবহার করা খুব সহজ। অ্যাপটি ইনস্টল এবং সেট আপ করতে মাত্র কয়েক মিনিট লাগে। এক্সপ্রেস ভিপিএন গ্রাহক সেবা খুব ভালো। ২৪/৭ লাইভ চ্যাট সাপোর্ট পাওয়া যায়। যে কোনো সমস্যা হলে তারা দ্রুত সমাধান করে দেয়। এক্সপ্রেস ভিপিএন এর প্রাইভেসি পলিসি খুব শক্তিশালী। তারা ব্যবহারকারীর ডেটা সংরক্ষণ করে না। এটি ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা রক্ষা করে। নর্ড ভিপিএন নর্ড ভিপিএন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য একটি জনপ্রিয় ফ্রি ভিপিএন। এটি দ্রুত, নিরাপদ এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য। নর্ড ভিপিএন আপনাকে নিরাপদে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে সাহায্য করে। এটি বিভিন্ন নিরাপত্তা ফিচার এবং সার্ভার অবস্থানের জন্য বিখ্যাত। নিরাপত্তা ফিচার নর্ড ভিপিএন-এর নিরাপত্তা ফিচারগুলো অত্যন্ত উন্নত। এটি AES-256 এনক্রিপশন ব্যবহার করে যা আপনার ডেটাকে সুরক্ষিত রাখে। কিল সুইচ ফিচার: ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে আপনার ডেটা লিক হওয়া থেকে রক্ষা করে। ডাবল ভিপিএন: আপনার ডেটা দুটি ভিপিএন সার্ভারের মাধ্যমে এনক্রিপ্ট করে অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রদান করে। সাইবারসেক: এটি ম্যালওয়্যার, ফিশিং এবং অন্যান্য অনলাইন হুমকি থেকে রক্ষা করে। সার্ভার অবস্থান নর্ড ভিপিএন-এর সার্ভার অবস্থানগুলো বৈচিত্র্যময় এবং বিস্তৃত। এতে ৫৯টি দেশে ৫৫০০+ সার্ভার রয়েছে। দেশ সার্ভার সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭০+ যুক্তরাজ্য ৪৪০+ কানাডা ৪৮০+ জার্মানি ২৪০+ অস্ট্রেলিয়া ২৩০+ এই বিস্তৃত সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের দ্রুত এবং স্থিতিশীল সংযোগ প্রদান করে। নর্ড ভিপিএন এর মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার প্রয়োজনীয় সার্ভার বেছে নিতে পারেন। সার্ফশার্ক ভিপিএন অ্যান্ড্রয়েড এর জন্য সেরা ফ্রি ভিপিএন-এর মধ্যে সার্ফশার্ক ভিপিএন অন্যতম। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দ্রুত এবং নিরাপদ ভিপিএন পরিষেবা সরবরাহ করে। সার্ফশার্ক ভিপিএন তার সুরক্ষিত এবং বেনামী ব্রাউজিং অভিজ্ঞতার জন্য জনপ্রিয়। প্রাইভেসি পলিসি সার্ফশার্ক ভিপিএন-এর প্রাইভেসি পলিসি অত্যন্ত শক্তিশালী। এটি ব্যবহারকারীর ডেটা সংরক্ষণ করে না। সমস্ত ব্রাউজিং তথ্য এনক্রিপ্টেড থাকে। তাই কোন তৃতীয় পক্ষ আপনার ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে না। ইউজার ইন্টারফেস সার্ফশার্ক ভিপিএন-এর ইউজার ইন্টারফেস খুবই সহজ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। এটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। সহজে সংযোগ স্থাপন করা যায় এক ক্লিকেই সার্ভার পরিবর্তন করা যায় বিভিন্ন ভাষায় উপলব্ধ এই ভিপিএন অ্যাপটি বিভিন্ন ডিভাইসের জন্যও সমর্থিত। একাধিক ডিভাইসে একসঙ্গে ব্যবহার করা যায়। ফিচার বিবরণ সহজ ইনস্টলেশন কয়েক মিনিটেই ইনস্টল করা যায় উচ্চ গতির সংযোগ দ্রুত ইন্টারনেট ব্রাউজিং নিরাপত্তা শক্তিশালী এনক্রিপশন সাইবারগোস্ট ভিপিএন অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য সেরা ফ্রি ভিপিএন খুঁজছেন? সাইবারগোস্ট ভিপিএন হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য উন্নত নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা প্রদান করে। এছাড়া, এটি দ্রুত সার্ভারের সুবিধাও দেয়, যা অনলাইন ব্রাউজিংকে আরো মসৃণ করে তোলে। ফ্রি ভার্সন সুবিধা সাইবারগোস্ট ভিপিএন এর ফ্রি ভার্সন সহজেই ব্যবহারযোগ্য। আপনি বিনামূল্যে ১ সপ্তাহের জন্য প্রিমিয়াম ফিচার উপভোগ করতে পারবেন। কোনো বিজ্ঞাপন নেই, যা ব্রাউজিংকে নিরবিচ্ছিন্ন করে তোলে। দ্রুত সার্ভার গতি সাইবারগোস্ট ভিপিএন এর সার্ভার গতি খুবই দ্রুত। এটি বিভিন্ন স্থানে সার্ভার রয়েছে। ফলে আপনি সহজেই আপনার পছন্দের সার্ভার বেছে নিতে পারবেন। অঞ্চল গতি (Mbps) আমেরিকা ৯০ ইউরোপ ৮৫ এশিয়া ৮০ এই দ্রুত সার্ভার গতি আপনার অনলাইন স্ট্রিমিং এবং গেমিং অভিজ্ঞতাকে উন্নত করবে। আন্তর্জাতিক ভিপিএন সার্ভিস অ্যান্ড্রয়েড এর জন্য সেরা ফ্রি ভিপিএন ব্যবহার করা খুবই জরুরি। আন্তর্জাতিক ভিপিএন সার্ভিস ব্যবহার করে আপনি সহজেই বিভিন্ন দেশের কনটেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন। এই সেকশনে আমরা গ্লোবাল সার্ভার নেটওয়ার্ক এবং ইউজার রিভিউ নিয়ে আলোচনা করব। গ্লোবাল সার্ভার নেটওয়ার্ক একটি ভালো ভিপিএন সার্ভিসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর গ্লোবাল সার্ভার নেটওয়ার্ক। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে দ্রুত এবং নিরাপদ রাখে। নিচে কিছু জনপ্রিয় ভিপিএন সার্ভিসের সার্ভার নেটওয়ার্কের তালিকা দেওয়া হলো: ভিপিএন সার্ভিস সার্ভার সংখ্যা দেশ সংখ্যা ExpressVPN 3,000+ 94 NordVPN 5,400+ 59 CyberGhost 6,800+ 90 ইউজার রিভিউ ইউজার রিভিউ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ফ্যাক্টর। এটি একটি ভিপিএন সার্ভিসের মান যাচাই করতে সাহায্য করে। নিচে কিছু জনপ্রিয় ভিপিএন সার্ভিসের ইউজার রিভিউ দেওয়া হলো: ExpressVPN: ইউজাররা এর দ্রুত গতি এবং নিরাপত্তা নিয়ে সন্তুষ্ট। NordVPN: এর গোপনীয়তা নীতি এবং সহজ ইন্টারফেস প্রশংসিত। CyberGhost: এটি ব্যবহার করা সহজ এবং গ্রাহক সাপোর্ট ভালো। আন্তর্জাতিক ভিপিএন সার্ভিস ব্যবহার করে আপনি সহজেই বিভিন্ন দেশের কনটেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে দ্রুত এবং নিরাপদ রাখে। ভিপিএন ব্যবহার করার টিপস ভিপিএন ব্যবহার করার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস মানলে আপনার অভিজ্ঞতা আরও ভালো হবে। নিচে দেওয়া টিপসগুলো মেনে চললে আপনি নিরাপদ এবং দ্রুত ইন্টারনেট ব্রাউজিং উপভোগ করতে পারবেন। সঠিক সার্ভার নির্বাচন ভিপিএন ব্যবহার করার সময় সঠিক সার্ভার নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যে দেশের সার্ভার ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করবে আপনার প্রয়োজনের উপর। কিছু সার্ভার গেমিং এর জন্য ভালো, কিছু স্ট্রিমিং এর জন্য। আপনার অবস্থান থেকে নিকটবর্তী সার্ভার নির্বাচন করুন। যদি আপনি নির্দিষ্ট কন্টেন্ট আনলক করতে চান, সেই দেশের সার্ভার বেছে নিন। স্পিড টেস্ট করা ভিপিএন ব্যবহার করার আগে স্পিড টেস্ট করা অত্যন্ত জরুরি। এটি নিশ্চিত করবে আপনি সর্বোচ্চ স্পিড পাচ্ছেন কিনা। প্রথমে ভিপিএন সংযোগ ছাড়া স্পিড টেস্ট করুন। তারপর ভিপিএন সংযোগ করে পুনরায় স্পিড টেস্ট করুন। স্পিড কম হলে, অন্য সার্ভার চেষ্টা করুন। স্টেপ বিবরণ ১ ভিপিএন সংযোগ ছাড়া স্পিড টেস্ট করুন ২ ভিপিএন সংযোগ করে পুনরায় স্পিড টেস্ট করুন ৩ স্পিড কম হলে, অন্য সার্ভার চেষ্টা করুন এসব টিপস মেনে চললে ভিপিএন ব্যবহার করা আরও সহজ হবে। উপসংহার অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ফ্রি ভিপিএন গুলোর মধ্যে কয়েকটি সত্যিই অসাধারণ। ব্যবহারের সহজতা, গতি, এবং নিরাপত্তা সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে আমরা শীর্ষ ১০টি ভিপিএন রিভিউ করেছি। এই তালিকায় আপনার জন্য উপযুক্ত ভিপিএন খুঁজে পাওয়া সহজ হবে। সেরা পছন্দ ভিপিএন নাম গতি নিরাপত্তা ব্যবহারকারীর রেটিং ProtonVPN উচ্চ উচ্চ ৪.৮/৫ Windscribe মাঝারি উচ্চ ৪.৬/৫ Hotspot Shield উচ্চ মাঝারি ৪.৫/৫ এই তিনটি ভিপিএন সেবা বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীর মধ্যে জনপ্রিয়। ভবিষ্যৎ ভাবনা বিপিএন প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশাল। ভবিষ্যতে আরো উন্নত ভিপিএন সেবা পাওয়া যাবে। নিরাপত্তা এবং গতি উন্নত হবে। ফ্রি ভিপিএন সেবার মান আরো বৃদ্ধি পাবে। নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হবে। ব্যবহারকারীদের জন্য আরো সুবিধা নিয়ে আসবে। উন্নত গতি উন্নত নিরাপত্তা বেশি সার্ভার Frequently Asked Questions বিশ্বের সেরা ভিপিএন কোনটি? বিশ্বের সেরা ভিপিএন হলো নর্ডভিপিএন। এটি উচ্চমানের নিরাপত্তা, দ্রুত গতি এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষা করে। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য কোন ফ্রি ভিপিএন আছে? হ্যাঁ, অ্যান্ড্রয়েডের জন্য বেশ কিছু ফ্রি ভিপিএন আছে। কিছু জনপ্রিয় ফ্রি ভিপিএন হলো ProtonVPN, Windscribe এবং TunnelBear। কোন অ্যাপে ফ্রি ভিপিএন আছে? ফ্রি ভিপিএন পাওয়া যায় এমন কয়েকটি অ্যাপ হল: প্রোটন ভিপিএন, উইন্ডস্ক্রাইব এবং টানেলবিয়ার। এগুলো সহজে ব্যবহারযোগ্য। ফ্রি আনলিমিটেড ভিপিএন আছে কি? হ্যাঁ, কিছু ফ্রি আনলিমিটেড ভিপিএন পাওয়া যায়। তবে, সেগুলির নিরাপত্তা এবং গতি প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। Conclusion অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ফ্রি ভিপিএন বাছাই করা সহজ নয়। তবে, শীর্ষ ১০টি ভিপিএন আপনাকে দ্রুততম এবং নিরাপদ অভিজ্ঞতা দিতে পারে। এই ভিপিএনগুলি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখবে। সঠিক ভিপিএন নির্বাচন করে নিরাপদে ব্রাউজ করুন এবং উপভোগ করুন অনলাইন স্বাধীনতা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[২০২৪ সালের সেরা ১০টি সেরা ভিপিএন: সেরা রিভিউ ও বিশ্লেষণ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23685</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23685</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 15:07:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[best vpn 2024,best vpn in 2024,top vpn 2024,best vpn for 2024,top vpn in 2024,best vpn for android 2024,best vpn for android in 2024,best free vpn for windows 10,best vpn service 2024,free vpn windows 10,top 10 vpn in the world,best vpn for windows 10,vpn on windows 10,best cheap vpn 2024,top 10 best vpn,best vpn for china 2024,top 10 best vpns,cheapest vpns 2024,best vpn for pc 2024,best budget vpns 2024,free vpn 2024,best vpn services 2024]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[২০২৪ সালের সেরা ১০টি ভিপিএন পরিষেবা হল নর্ডভিপিএন, এক্সপ্রেসভিপিএন, সার্ফশার্ক, সাইবারগোস্ট, পিআইএ, হটস্পট শিল্ড, নর্ডলিন্কস, আইভ্যাসি, ভিপিএন ৩৬০ এবং প্রোটনভিপ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_11.jpg" alt="২০২৪ সালের সেরা ১০টি সেরা ভিপিএন: সেরা রিভিউ ও বিশ্লেষণ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>২০২৪ সালের সেরা ১০টি ভিপিএন পরিষেবা হল নর্ডভিপিএন, এক্সপ্রেসভিপিএন, সার্ফশার্ক, সাইবারগোস্ট, পিআইএ, হটস্পট শিল্ড, নর্ডলিন্কস, আইভ্যাসি, ভিপিএন ৩৬০ এবং প্রোটনভিপিএন। এই ভিপিএন পরিষেবাগুলি উচ্চমানের নিরাপত্তা এবং দ্রুতগতি প্রদান করে। বর্তমানে ইন্টারনেট নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিপিএন (ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) ব্যবহারকারীদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে। এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা রক্ষা করে এবং তাদের অনলাইন কার্যক্রম গোপন রাখে। সেরা ভিপিএন পরিষেবাগুলি ব্যবহারকারীদের ডেটা এনক্রিপ্ট করে এবং সাইবার আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। বিভিন্ন ভিপিএন পরিষেবা বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা প্রদান করে। এই ব্লগে, আমরা ২০২৪ সালের সেরা ১০টি ভিপিএন পরিষেবা এবং তাদের বৈশিষ্ট্যগুলি নিয়ে আলোচনা করব। ভিপিএন কি এবং কেন প্রয়োজন ভিপিএন বা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক একটি নিরাপদ সংযোগ প্রদান করে। এটি ইন্টারনেটে আপনার তথ্য সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। ২০২৪ সালে সেরা ভিপিএন খুঁজে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার অনলাইন কার্যক্রম সুরক্ষিত রাখে এবং গোপনীয়তা নিশ্চিত করে। ভিপিএন এর মৌলিক ধারণা ভিপিএন মূলত একটি নিরাপদ টানেল সৃষ্টি করে। এটি আপনার ডিভাইস এবং ইন্টারনেট সার্ভারের মধ্যে কাজ করে। এই টানেলের মাধ্যমে আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট হয়। তাই হ্যাকার বা সাইবার অপরাধীরা আপনার তথ্য পায় না। একটি ভিপিএন সার্ভার ব্যবহার করে আপনি ভিন্ন আইপি ঠিকানা পেতে পারেন। এটি আপনার অবস্থান গোপন রাখে। এভাবে আপনি যেকোনো জায়গা থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন। ভিপিএন এর ব্যবহারিক সুবিধা গোপনীয়তা রক্ষা: ভিপিএন আপনার আসল আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে। নিরাপদ ব্রাউজিং: ভিপিএন আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে রাখে। জিও-ব্লক এড়ানো: ভিপিএন ভিন্ন দেশের কন্টেন্ট দেখতে সাহায্য করে। পাবলিক ওয়াই-ফাই সুরক্ষা: পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন। ভিপিএন এর এই সুবিধাগুলি ইন্টারনেটে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। এটি বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ যদি আপনি অনলাইন ব্যাঙ্কিং বা সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করেন। ২০২৪ সালের সেরা ভিপিএন এর তালিকা ২০২৪ সালে সেরা ভিপিএন এর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকায় শীর্ষ ১০টি ভিপিএন রয়েছে। প্রতিটি ভিপিএন এর বৈশিষ্ট্য এবং কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই তালিকা আপনার ভিপিএন নির্বাচনে সহায়ক হবে। ভিপিএন বাছাইয়ের মানদণ্ড ভিপিএন বাছাই করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট মানদণ্ড আছে। এই মানদণ্ডগুলো হলো: নিরাপত্তা: ভিপিএন নিরাপত্তা প্রদান করে কি না, তা নিশ্চিত করুন। গোপনীয়তা: ব্যবহারকারীর ডেটা সুরক্ষিত রাখতে পারে কি না। গতির মান: ইন্টারনেট সংযোগের গতি ঠিক থাকে কি না। সার্ভার সংখ্যা: বেশি সার্ভার থাকলে সংযোগ স্থাপন সহজ হয়। ব্যবহারযোগ্যতা: সহজে ব্যবহার করা যায় কি না। মূল্য: দাম সাশ্রয়ী কিনা। ভিপিএন র&amp;zwj;্যাঙ্কিং পদ্ধতি ভিপিএন র&amp;zwj;্যাঙ্কিং করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিগুলো হলো: ব্যবহারকারীর পর্যালোচনা: ব্যবহারকারীরা কেমন পর্যালোচনা দিয়েছেন। পরীক্ষার ফলাফল: বিভিন্ন পরীক্ষায় কেমন ফলাফল এসেছে। বৈশিষ্ট্য মূল্যায়ন: ভিপিএন এর বৈশিষ্ট্যগুলো মূল্যায়ন করা। মূল্যের তুলনা: অন্যান্য ভিপিএনের সাথে মূল্য তুলনা। সাপোর্ট সিস্টেম: গ্রাহক সেবা কেমন। ২০২৪ সালের সেরা ভিপিএন তালিকায় এই সমস্ত মানদণ্ড এবং পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। নিচের টেবিলে ২০২৪ সালের সেরা ভিপিএন গুলো উল্লেখ করা হলো। অন্য ভিপিএন গুলোও তালিকাভুক্ত করুন ভিপিএন নাম বৈশিষ্ট্য মূল্য এক্সপ্রেস ভিপিএন উচ্চ নিরাপত্তা, দ্রুত সংযোগ $12.95/মাস নর্ড ভিপিএন উন্নত গোপনীয়তা, অনেক সার্ভার $11.95/মাস সার্ফশার্ক সাশ্রয়ী, সীমাহীন ডিভাইস $2.49/মাস নর্ডভিপিএন নর্ডভিপিএন হল ২০২৪ সালের সেরা ভিপিএন সেবাগুলির মধ্যে একটি। এটি সুরক্ষা এবং গোপনীয়তার জন্য বিখ্যাত। নর্ডভিপিএন ব্যবহারকারীকে দ্রুত এবং সুরক্ষিত ইন্টারনেট ব্রাউজিং প্রদান করে। প্রধান বৈশিষ্ট্য ডবল এনক্রিপশন: এটি আপনার ডেটা দুটি স্তরে এনক্রিপ্ট করে। কিল সুইচ: ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্লক করে। নো লগ পলিসি: ব্যবহারকারীর ডেটা সংরক্ষণ করা হয় না। ৫,৫০০+ সার্ভার: বিশ্বের ৬০টি দেশে বিস্তৃত। সুবিধা ও অসুবিধা সুবিধা অসুবিধা উচ্চ গতি কিছু সার্ভারে সংযোগ সমস্যা উন্নত সুরক্ষা মূল্য তুলনামূলকভাবে বেশি সহজ ব্যবহারের ইন্টারফেস কাস্টমার সাপোর্ট দ্রুত নয় নর্ডভিপিএন ব্যবহার করে আপনি সহজেই আপনার অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেন। এটি বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধার জন্য খুবই জনপ্রিয়। এক্সপ্রেসভিপিএন এক্সপ্রেসভিপিএন ২০২৪ সালের সেরা ভিপিএনগুলোর মধ্যে একটি। এটি উচ্চমানের নিরাপত্তা ও দ্রুতগতির সংযোগ প্রদান করে। প্রধান বৈশিষ্ট্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: এক্সপ্রেসভিপিএন উন্নত এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে। দ্রুতগতি: এটি উচ্চ গতির সার্ভার প্রদান করে। সার্ভার নেটওয়ার্ক: ৯৪টি দেশে ৩,০০০+ সার্ভার রয়েছে। গ্রাহক সমর্থন: ২৪/৭ লাইভ চ্যাট সেবা প্রদান করে। সহজ ইন্টারফেস: ব্যবহার করা খুবই সহজ। সুবিধা ও অসুবিধা সুবিধা অসুবিধা উচ্চমানের নিরাপত্তা উচ্চ গতির সংযোগ সহজ ব্যবহার মূল্য তুলনামূলকভাবে বেশি কিছু দেশে সীমাবদ্ধতা সার্ফশার্ক ২০২৪ সালের সেরা ভিপিএনগুলির মধ্যে সার্ফশার্ক একটি উল্লেখযোগ্য নাম। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য প্রিমিয়াম সুরক্ষা এবং গোপনীয়তা প্রদান করে। সার্ফশার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিরাপদে এবং অজ্ঞাতনামায় ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারেন। এই ভিপিএনটি বিশেষত এর সহজ ব্যবহার এবং ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্যগুলির জন্য পরিচিত। প্রধান বৈশিষ্ট্য অনলিমিটেড ডিভাইস সংযোগ: একাধিক ডিভাইস একই সাথে সংযোগ করতে পারে। নো-লগ পলিসি: ব্যবহারকারীর ডাটা সংরক্ষণ করে না। ক্লিনওয়েব: বিজ্ঞাপন এবং ম্যালওয়্যার মুক্ত ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা। ওয়াইটলিস্টার: নির্দিষ্ট অ্যাপ বা সাইট ভিপিএন ব্যতীত অ্যাক্সেস করতে পারে। ক্যামোফ্লেজ মোড: ভিপিএন ব্যবহার লুকানোর জন্য বিশেষ মোড। সুবিধা ও অসুবিধা সুবিধা অসুবিধা উচ্চ গতির সংযোগ। গ্লোবাল সার্ভার নেটওয়ার্ক। স্বল্প মূল্যে প্রিমিয়াম পরিষেবা। কিছু সার্ভার ধীর গতির হতে পারে। প্রথমবার ব্যবহারকারীদের জন্য কিছু সেটআপ জটিলতা। সাইবারগোস্ট ভিপিএন পরিষেবার মধ্যে সাইবারগোস্ট একটি জনপ্রিয় নাম। এটি ব্যবহারকারীকে দ্রুত, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। ২০২৪ সালে এটি সেরা ভিপিএন পরিষেবাগুলির মধ্যে অন্যতম। প্রধান বৈশিষ্ট্য সার্ভারের সংখ্যা: ৯০০০+ স্থান: ৯০+ দেশ একযোগে সংযোগের সংখ্যা: ৭টি ডিভাইস নিরাপত্তা: উচ্চমানের এনক্রিপশন নো-লগ পলিসি: প্রবেশাধিকার নেই গ্রাহক সহায়তা: ২৪/৭ লাইভ চ্যাট সুবিধা ও অসুবিধা সুবিধা অসুবিধা অত্যন্ত দ্রুত গতি কিছু দেশে সীমিত সার্ভার সহজ ইন্টারফেস মূল্য অন্যান্যদের তুলনায় বেশি উচ্চমানের নিরাপত্তা কিছু সময় সংযোগ সমস্যা প্রোটনভিপিএন প্রোটনভিপিএন হল একটি জনপ্রিয় ভিপিএন সার্ভিস যা সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক। এটি উচ্চ মানের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা প্রদান করে। প্রোটনভিপিএন এর অনেক বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা রয়েছে যা এটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে জনপ্রিয় করেছে। প্রধান বৈশিষ্ট্য উচ্চ মানের এনক্রিপশন: প্রোটনভিপিএন AES-256 এনক্রিপশন ব্যবহার করে। নো লগিং পলিসি: প্রোটনভিপিএন কোন লগ সংরক্ষণ করে না। কাস্টমাইজড সার্ভার: ৫০+ দেশে প্রোটনভিপিএন এর সার্ভার রয়েছে। কিল সুইচ: ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে নিরাপত্তা বজায় থাকে। টর সাপোর্ট: প্রোটনভিপিএন টর সাপোর্ট করে। সুবিধা ও অসুবিধা সুবিধা অসুবিধা উচ্চ মানের নিরাপত্তা ফ্রি ভার্সন সীমাবদ্ধ কোনো লগ সংরক্ষণ করে না কিছু সার্ভার ধীরগতির টর সাপোর্ট মূল্য তুলনামূলক বেশি কিল সুইচ কাস্টমার সাপোর্ট ধীর ভিপিএন এর সঠিক ব্যবহার ও সতর্কতা ভিপিএন ব্যবহার করে ইন্টারনেটে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা যায়। তবে ভিপিএন ব্যবহারের আগে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং টিপস তুলে ধরা হলো। নিরাপত্তা টিপস বিশ্বস্ত ভিপিএন সেবা ব্যবহার করুন: ভিপিএন সেবা নির্বাচন করার সময় তার রিভিউ এবং রেটিং দেখে নিন। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড: সর্বদা শক্তিশালী এবং ইউনিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। দ্বি-স্তরীয় প্রমাণীকরণ: দ্বি-স্তরীয় প্রমাণীকরণ সক্রিয় রাখুন। এটি আপনার অ্যাকাউন্টকে আরও সুরক্ষিত করবে। ভিপিএন ব্যবহারের ভুল ধারণা সম্পূর্ণ অজ্ঞাত পরিচয়: ভিপিএন সম্পূর্ণ অজ্ঞাত পরিচয় নিশ্চিত করে না। সবকিছু নিরাপদ: ভিপিএন ব্যবহার করলেই সবকিছু নিরাপদ হয় না। নিরাপত্তা টিপস মেনে চলা জরুরি। ফ্রি ভিপিএন সেবা: ফ্রি ভিপিএন সেবা সবসময় নিরাপদ নয়। অনেক ক্ষেত্রে এগুলি আপনার ডেটা সংগ্রহ করে। ভিপিএন এর ভবিষ্যত ভিপিএন প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ অনেক সম্ভাবনা ও উদ্ভাবনের দিকে ইঙ্গিত করে। প্রতিদিনই নতুন নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন ভিপিএন এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা বাড়াচ্ছে। ২০২৪ সালে ভিপিএন প্রযুক্তিতে কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন ভিপিএন প্রযুক্তিতে নতুন নতুন উদ্ভাবন প্রত্যাশিত। কোয়ান্টাম এনক্রিপশন ভিপিএন এর নিরাপত্তা বাড়াবে। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তি ভিপিএন এর এনক্রিপশন আরও শক্তিশালী করবে। অন্যদিকে, ব্লকচেইন প্রযুক্তি ভিপিএন এর ডেটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ব্লকচেইন ব্যবহারে ডেটা লিক হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। উদ্ভাবন প্রভাব কোয়ান্টাম এনক্রিপশন নিরাপত্তা বৃদ্ধি ব্লকচেইন ডেটা নিরাপত্তা বাজারের প্রবণতা ভিপিএন বাজারে কিছু উল্লেখযোগ্য প্রবণতা রয়েছে। বিনামূল্যে ভিপিএন সেবার চাহিদা বাড়ছে। অনেক ব্যবহারকারী বিনামূল্যে সেবা পেতে চান। মোবাইল ভিপিএন এর ব্যবহার বাড়ছে। মোবাইল ব্যবহারকারীরা নিরাপত্তার জন্য ভিপিএন ব্যবহার করছেন। বিনামূল্যে ভিপিএন মোবাইল ভিপিএন উন্নত এনক্রিপশন এই প্রবণতাগুলি ভিপিএন সেবার ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করবে। Frequently Asked Questions 2024 সালে বাংলাদেশে ফ্রি ফায়ারের জন্য সেরা ভিপিএন কোনটি? ২০২৪ সালে বাংলাদেশে ফ্রি ফায়ারের জন্য সেরা ভিপিএন হলো নর্ড ভিপিএন। এটি দ্রুত, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য। সব থেকে ভালো Vpn কোনটি? সব থেকে ভালো VPN হলো NordVPN, ExpressVPN এবং CyberGhost। এগুলো দ্রুত, নিরাপদ ও ব্যবহারবান্ধব। এগুলো গোপনীয়তা রক্ষা করে। ভিপিএন কীভাবে কাজ করে? ভিপিএন ইন্টারনেটে আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে এবং একটি দূরবর্তী সার্ভারের মাধ্যমে রুট করে। এটি আপনার অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষা করে। ভিপিএন ব্যবহারের সুবিধা কী? ভিপিএন আপনার অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষা করে, সুরক্ষিত সংযোগ প্রদান করে এবং ভূ-প্রতিবন্ধকতা বাইপাস করতে সাহায্য করে। Conclusion ২০২৪ সালের সেরা ভিপিএন নির্বাচন করা কঠিন হতে পারে। এই তালিকা আপনার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হবে। সেরা ভিপিএন বেছে নিন যা আপনার প্রয়োজন মেটাবে। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে ভিপিএন ব্যবহার করুন। সেরা ভিপিএন নিয়ে নিশ্চিন্তে ব্রাউজ করুন। সুরক্ষিত ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_11.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_11.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_11.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কিভাবে Proton VPN ব্যবহার করবেন: সহজ গাইড]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23684</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23684</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 15:07:21 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[proton vpn,proton vpn review,proton vpn tutorial,proton,proton vpn free,vpn proton,proton mail,how to use proton vpn,proton vpn for pc,free proton vpn,proton vpn 2024,proton vpn setup,is proton vpn safe,proton mail review,proton review 2021,proton vpn download,how to use proton vpn free,express vpn vs proton vpn,proton plus,proton pass,proton drive,proton vpn mac,proton vpn trial,proton vpn guide,guide proton vpn,techlore proton]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Proton VPN ব্যবহার করতে অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। এরপর, সার্ভার নির্বাচন করে সংযোগ স্থাপন করুন। Proton VPN একটি নিরাপদ এবং গোপনীয় ইন্টারনেট...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_10.jpg" alt="কিভাবে Proton VPN ব্যবহার করবেন: সহজ গাইড" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Proton VPN ব্যবহার করতে অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। এরপর, সার্ভার নির্বাচন করে সংযোগ স্থাপন করুন। Proton VPN একটি নিরাপদ এবং গোপনীয় ইন্টারনেট ব্রাউজিং সমাধান। এটি ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট সংযোগকে এনক্রিপ্ট করে, তাদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখে। Proton VPN-এর মাধ্যমে আপনি অনলাইনে নিরাপদে ব্রাউজ করতে পারেন এবং আপনার অবস্থান গোপন রাখতে পারেন। এটি সহজেই ডাউনলোড ও ইনস্টল করা যায় এবং বিনামূল্যে ব্যবহার করা সম্ভব। Proton VPN-এর ব্যবহার শুরু করতে হলে প্রথমে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। এরপর, একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে লগইন করতে হবে। সার্ভার নির্বাচন করে সংযোগ স্থাপন করলেই আপনি নিরাপদ ইন্টারনেট ব্রাউজিং শুরু করতে পারবেন। Proton VPN কি? Proton VPN একটি নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য ভিপিএন পরিষেবা। প্রোটন ভিপিএন ব্যবহারে আপনার ইন্টারনেট সংযোগ সুরক্ষিত হয়। এটি আপনার অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষা করে। প্রোটন ভিপিএন সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান। এটি প্রোটনমেইল প্রতিষ্ঠাতাদের দ্বারা তৈরি। প্রোটন ভিপিএনের সুবিধা নিরাপত্তা: প্রোটন ভিপিএন শক্তিশালী এনক্রিপশন ব্যবহার করে। এটি হ্যাকারদের থেকে রক্ষা করে। গোপনীয়তা: প্রোটন ভিপিএন আপনার আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে। এটি আপনাকে অনলাইন গোপনীয়তা দেয়। নো লগ পলিসি: প্রোটন ভিপিএন আপনার কার্যকলাপ লোগ করে না। এটি আপনার ডেটা সুরক্ষিত রাখে। উচ্চ গতির সংযোগ: প্রোটন ভিপিএন উচ্চ গতির সংযোগ প্রদান করে। এটি দ্রুত ইন্টারনেট ব্রাউজিং সক্ষম করে। প্রোটন ভিপিএনের অসুবিধা মূল্য: প্রোটন ভিপিএন এর প্রিমিয়াম সংস্করণ খরচবহুল। এটি কিছু ব্যবহারকারীর জন্য অসুবিধা হতে পারে। সংযোগ সীমাবদ্ধতা: প্রোটন ভিপিএন এর ফ্রি সংস্করণে সীমিত সংযোগ পাওয়া যায়। সার্ভার সংখ্যা: প্রোটন ভিপিএন এর সার্ভার সংখ্যা সীমিত। এটি কিছু দেশে সীমিত সংযোগ প্রদান করে। Credit: play.google.com প্রোটন ভিপিএন এর ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন প্রোটন ভিপিএন হল একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ভিপিএন সেবা। এটি ব্যবহার করে আপনি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ রাখতে পারেন। এখানে আমরা আলোচনা করব প্রোটন ভিপিএন এর ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন সম্পর্কে। উইন্ডোজে ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন উইন্ডোজে প্রোটন ভিপিএন ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন খুব সহজ। নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন: প্রোটন ভিপিএন এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। &amp;quot;ডাউনলোড&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। উইন্ডোজ সংস্করণ নির্বাচন করুন। ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করুন। ইনস্টলেশন উইজার্ডের নির্দেশনা অনুসরণ করুন। ইনস্টলেশনের পর অ্যাপ্লিকেশনটি চালু করুন। ম্যাক ওএসে ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন ম্যাক ওএসে প্রোটন ভিপিএন ইনস্টল করতে নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করুন: প্রোটন ভিপিএন এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। &amp;quot;ডাউনলোড&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। ম্যাক ওএস সংস্করণ নির্বাচন করুন। ডাউনলোড সম্পন্ন হলে .dmg ফাইলটি ওপেন করুন। অ্যাপ্লিকেশন ফোল্ডারে প্রোটন ভিপিএন আইকনটি ড্রাগ করুন। ইনস্টলেশনের পর অ্যাপ্লিকেশনটি চালু করুন। প্রোটন ভিপিএন অ্যাকাউন্ট তৈরি প্রোটন ভিপিএন ব্যবহার করতে হলে প্রথমে একটি প্রোটন ভিপিএন অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এটি একটি খুব সহজ প্রক্রিয়া যা কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা যায়। নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করে আপনি সহজেই আপনার প্রোটন ভিপিএন অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারেন। নতুন অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন প্রথমে প্রোটন ভিপিএন এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। সেখানে &amp;quot;Sign Up&amp;quot; বা &amp;quot;Register&amp;quot; বোতামে ক্লিক করুন। আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস প্রদান করুন। একটি পাসওয়ার্ড তৈরি করুন। আপনার দেশের নাম নির্বাচন করুন। এটি সম্পন্ন হলে, &amp;quot;Create Account&amp;quot; বোতামে ক্লিক করুন। অ্যাকাউন্ট যাচাই ও লগইন আপনার ইমেইল চেক করুন। প্রোটন ভিপিএন থেকে একটি যাচাইকরণ ইমেইল পাবেন। ইমেইলে থাকা যাচাইকরণ লিঙ্কে ক্লিক করুন। আপনার প্রোটন ভিপিএন অ্যাকাউন্টটি এখন সক্রিয়। এখন আপনি প্রোটন ভিপিএন ওয়েবসাইটে লগইন করতে পারবেন। ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। &amp;quot;Log In&amp;quot; বোতামে ক্লিক করুন। এখন আপনি প্রোটন ভিপিএন অ্যাকাউন্টে সফলভাবে প্রবেশ করেছেন। একটি প্রোটন ভিপিএন অ্যাকাউন্ট তৈরি করা খুব সহজ এবং দ্রুত। এটি আপনার অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। Credit: bn.quora.com প্রথমবার প্রোটন ভিপিএন ব্যবহার প্রথমবার প্রোটন ভিপিএন ব্যবহার করা বেশ সহজ এবং সরল। এটি ইন্টারনেটে আপনার গোপনীয়তা রক্ষা করতে সাহায্য করে। প্রোটন ভিপিএন ব্যবহারের জন্য আপনাকে কিছু সহজ ধাপ অনুসরণ করতে হবে। নিচে এই ধাপগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হল। লগইন করা প্রথমেই, প্রোটন ভিপিএন অ্যাপটি ডাউনলোড ও ইন্সটল করুন। অ্যাপটি ইন্সটল করার পর, এটি খুলুন। সেখানে একটি লগইন পৃষ্ঠা দেখতে পাবেন। আপনার ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড প্রবেশ করান। যদি আপনার অ্যাকাউন্ট না থাকে, নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। লগইন বোতামে ক্লিক করুন। সার্ভার নির্বাচন লগইন করার পরে, আপনি বিভিন্ন সার্ভারের তালিকা দেখতে পাবেন। দেশ সার্ভার যুক্তরাষ্ট্র us-ny-01 জার্মানি de-fr-02 একটি সার্ভার নির্বাচন করুন। সংযোগ বোতামে ক্লিক করুন। সংযোগ স্থাপন হলে, আপনার আইপি ঠিকানা পরিবর্তিত হবে। প্রোটন ভিপিএন এর বৈশিষ্ট্য প্রোটন ভিপিএন একটি শক্তিশালী এবং নিরাপদ ভিপিএন পরিষেবা। এটি ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট সংযোগকে সুরক্ষিত করে। প্রোটন ভিপিএন এর বৈশিষ্ট্যগুলি জানতে নিচের অংশগুলি পড়ুন। নিরাপত্তা সেটিংস প্রোটন ভিপিএন নিরাপত্তা সেটিংসগুলি খুবই উন্নত। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য শক্তিশালী এনক্রিপশন সরবরাহ করে। নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলি প্রোটন ভিপিএনকে নিরাপদ করে তোলে: AES-256 এনক্রিপশন: এটি সামরিক গ্রেড এনক্রিপশন সরবরাহ করে। কিল সুইচ: এটি ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয়। যদি ভিপিএন সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। DNS লিক প্রটেকশন: এটি আপনার DNS তথ্য লিক হওয়া রোধ করে। প্লাস ও প্রিমিয়াম বৈশিষ্ট্য প্রোটন ভিপিএন এর প্লাস এবং প্রিমিয়াম বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করে। এদের মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল: ব্লাজিং ফাস্ট সার্ভার: প্লাস এবং প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীরা দ্রুততম সার্ভারগুলিতে অ্যাক্সেস পান। সার্ভার লোকেশন: প্রোটন ভিপিএন সারা বিশ্বে ৬০+ দেশে সার্ভার সরবরাহ করে। স্ট্রিমিং সাপোর্ট: প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন স্ট্রিমিং পরিষেবায় দ্রুত অ্যাক্সেস পেতে পারেন। প্রোটন ভিপিএন ব্যবহারকারীদের জন্য একটি শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য পরিষেবা। এর বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। প্রোটন ভিপিএন এর সেটিংস প্রোটন ভিপিএন ব্যবহার করতে গেলে এর সেটিংস গুলো সঠিকভাবে কনফিগার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটন ভিপিএন এর সেটিংস গুলো বুঝতে পারলে আপনি এর সুবিধা সম্পূর্ণভাবে উপভোগ করতে পারবেন। ভাষা ও ইন্টারফেস সেটিংস প্রোটন ভিপিএন এর ভাষা ও ইন্টারফেস সেটিংস খুবই সহজে পরিবর্তন করা যায়। ইন্টারফেস এর ভাষা পরিবর্তন করতে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন: প্রোটন ভিপিএন অ্যাপ ওপেন করুন। উপরের ডানদিকে থাকা মেনু আইকনে ক্লিক করুন। সেটিংস অপশন সিলেক্ট করুন। ভাষা সেটিংস থেকে আপনার পছন্দের ভাষা নির্বাচন করুন। ভাষা পরিবর্তনের পর, ইন্টারফেস স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন ভাষায় রিফ্রেশ হবে। অ্যাডভান্সড সেটিংস অ্যাডভান্সড সেটিংস এর মাধ্যমে প্রোটন ভিপিএন এর নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। অ্যাডভান্সড সেটিংস এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ অপশন নিচে উল্লেখ করা হল: VPN প্রোটোকল: এখানে আপনি OpenVPN বা IKEv2 প্রোটোকল নির্বাচন করতে পারবেন। Kill Switch: এই ফিচারটি সক্রিয় করলে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে আপনার ডিভাইস স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হবে। DNS লিক প্রোটেকশন: এই অপশনটি সক্রিয় করে আপনার DNS লিক থেকে রক্ষা পাবেন। এই সেটিংসগুলো ঠিকঠাকভাবে কনফিগার করলে আপনার অনলাইন নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। প্রোটন ভিপিএন এর সমস্যা সমাধান প্রোটন ভিপিএন ব্যবহার করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যাগুলোর সমাধান জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমরা প্রোটন ভিপিএন এর সাধারণ সমস্যা ও তাদের সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করবো। সাধারণ সমস্যার সমাধান প্রোটন ভিপিএন ব্যবহার করতে গিয়ে কিছু সাধারণ সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিচে আমরা সেই সমস্যাগুলোর সমাধান নিয়ে আলোচনা করবো: কানেকশন সমস্যা: কানেকশন সমস্যা হলে প্রথমে ইন্টারনেট কানেকশন চেক করুন। রাউটার বা মডেম রিস্টার্ট করুন। লোডিং সমস্যা: প্রোটন ভিপিএন অ্যাপ্লিকেশন আপডেট আছে কিনা চেক করুন। অ্যাপ্লিকেশন আপডেট করুন। অ্যাকাউন্ট সমস্যা: লগইন সমস্যা হলে পাসওয়ার্ড রিসেট করুন। সঠিক ইমেইল ব্যবহার করছেন কিনা চেক করুন। গ্রাহক সেবা প্রোটন ভিপিএন এর গ্রাহক সেবা খুবই সহায়ক। আপনি যেকোনো সমস্যার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। পরিষেবা যোগাযোগের উপায় ইমেল সাপোর্ট support@protonvpn.com লাইভ চ্যাট প্রোটন ভিপিএন ওয়েবসাইটে লাইভ চ্যাট অপশন গ্রাহক সেবা তত্পর এবং সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রদান করে। প্রোটন ভিপিএন এর বিকল্প প্রোটন ভিপিএন এর বিকল্প খুঁজছেন? আপনি সঠিক স্থানে এসেছেন। প্রোটন ভিপিএন একটি জনপ্রিয় ভিপিএন সেবা। কিন্তু আরো অনেক বিকল্প আছে যা আপনি বিবেচনা করতে পারেন। এখানে প্রোটন ভিপিএন এর কিছু বিনামূল্যের ও প্রিমিয়াম বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা হলো। বিনামূল্যের বিকল্প উইন্ডসক্রাইব: উইন্ডসক্রাইব ১০ জিবি মাসিক ডেটা প্রদান করে। এটি বিনামূল্যে এবং নিরাপদ। টানেলবিয়ার: টানেলবিয়ার ৫০০ এমবি মাসিক ডেটা প্রদান করে। এটি ব্যবহার করা সহজ। হটস্পট শিল্ড: হটস্পট শিল্ড ৫০০ এমবি দৈনিক ডেটা প্রদান করে। এটি দ্রুত এবং নিরাপদ। প্রিমিয়াম বিকল্প নর্ডভিপিএন: নর্ডভিপিএন উচ্চমানের নিরাপত্তা ও দ্রুতগতি প্রদান করে। এটি প্রিমিয়াম সেবা হিসাবে জনপ্রিয়। এক্সপ্রেসভিপিএন: এক্সপ্রেসভিপিএন অতি দ্রুত এবং নিরাপদ। এটি প্রিমিয়াম সেবা প্রদান করে। সার্ফশার্ক: সার্ফশার্ক সীমাহীন ডিভাইস সংযোগের সুবিধা প্রদান করে। এটি প্রিমিয়াম সেবা হিসেবে প্রিয়। এই বিকল্পগুলির মধ্যে থেকে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন। &amp;nbsp; &amp;nbsp; Frequently Asked Questions প্রোটন ভিপিএন 2024 কিভাবে ব্যবহার করব? প্রোটন ভিপিএন 2024 ব্যবহার করতে, প্রথমে প্রোটন ভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করুন। অ্যাপ ইনস্টল করে লগইন করুন। সার্ভার নির্বাচন করে সংযোগ করুন। প্রোটন ভিপিএন কিভাবে ব্যবহার করব? প্রোটন ভিপিএন ব্যবহারের জন্য প্রথমে প্রোটন ভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করুন। অ্যাপ ইনস্টল করে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। এরপর লগইন করে সার্ভার নির্বাচন করুন এবং সংযোগ দিন। প্রোটন ভিপিএন কিভাবে কাজ করে? প্রোটন ভিপিএন ইন্টারনেট ট্র্যাফিক এনক্রিপ্ট করে নিরাপদে ব্রাউজ করতে সাহায্য করে। এটি আইপি ঠিকানা লুকিয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করে। বিভিন্ন সার্ভারের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রদান করে। ক্রোমে প্রোটন ভিপিএন কিভাবে ব্যবহার করব? ক্রোমে প্রোটন ভিপিএন ব্যবহার করতে প্রথমে প্রোটন ভিপিএন এক্সটেনশন ইনস্টল করুন। এক্সটেনশন চালু করে লগইন করুন। তারপর সার্ভার নির্বাচন করুন। Conclusion প্রোটন ভিপিএন ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপদ ও গোপনীয়তা রক্ষা করা সম্ভব। সহজ ইন্টারফেস এবং শক্তিশালী এনক্রিপশন সুবিধা দেয়। প্রোটন ভিপিএন ব্যবহার শুরু করুন এবং অনলাইন নিরাপত্তা বাড়ান। নিরাপদ ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য এটি একটি আদর্শ সমাধান। আরও জানতে আমাদের ব্লগটি পড়ুন এবং সুরক্ষিত থাকুন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_10.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_10.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_10.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কিভাবে Warp Vpn ব্যবহার করবেন: সহজ গাইড ও সুবিধাসমূহ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23683</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23683</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 14:07:24 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[warp+,warp+ free,warp+ data,warp+ review,warp+ reveiw,warp+ free key,warp+ 1.1.1.1,warp+ 1.1.1.1 key,warp+ unlimited free,unlimited free warp+,warp vpn,vpn warp,warp.vpn,warp,1.1.1.1 warp+ unlimited key,1.1.1.1 + warp: safer internet,warp plus vpn,free vpn warp,how do i connect to cloudflare warp?,warp vpn review,dns warp,1.1.1.1 vpn warp+ not connecting solution ios/android,warp vpn problem,warp vpn 1.1.1.1,vpn for pc,وصل شدن به warp vpn]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Warp VPN কি? Warp VPN একটি ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) সেবা। এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা করে। Warp VPN ব্যবহার করলে আপনার...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_09.jpg" alt="কিভাবে Warp Vpn ব্যবহার করবেন: সহজ গাইড ও সুবিধাসমূহ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Warp VPN কি? Warp VPN একটি ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) সেবা। এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা করে। Warp VPN ব্যবহার করলে আপনার ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্টেড হয়। Credit: www.youtube.com Warp VPN কেন ব্যবহার করবেন? নিরাপত্তা বৃদ্ধি: Warp VPN আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে। গোপনীয়তা রক্ষা: এটি আপনার আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে। ব্লকড সাইট অ্যাক্সেস: Warp VPN দিয়ে ব্লকড সাইটও ব্যবহার করতে পারবেন। Warp VPN ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন Warp VPN ব্যবহার করতে প্রথমে এটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে হবে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে অ্যাপ স্টোরে যান। সার্চ বারে &amp;quot;Warp VPN&amp;quot; লিখে সার্চ করুন। অ্যাপটি খুঁজে পেলে &amp;quot;ইনস্টল&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। ইনস্টলেশন সম্পন্ন হলে অ্যাপটি ওপেন করুন। Warp VPN সেটআপ ও ব্যবহার Warp VPN ইন্সটল হওয়ার পর সেটআপ করতে হবে। নীচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: অ্যাপটি ওপেন করুন। &amp;quot;Get Started&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করুন। Terms &amp;amp; Conditions মেনে নিন। &amp;quot;Sign Up&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। &amp;nbsp; Warp VPN সংযোগ Warp VPN অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পর সংযোগ স্থাপন করতে হবে। নীচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: অ্যাপটি ওপেন করুন। &amp;quot;Connect&amp;quot; বাটনে ক্লিক করুন। সংযোগ স্থাপিত হলে একটি আইকন দেখাবে। আপনি এখন নিরাপদভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। Warp VPN এর বৈশিষ্ট্য Warp VPN এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিচে সেগুলো উল্লেখ করা হলো: দ্রুত সংযোগ: Warp VPN উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। সহজ ব্যবহার: এটি ব্যবহার করা খুব সহজ। উন্নত নিরাপত্তা: এটি উন্নত নিরাপত্তা প্রদান করে। Warp VPN সমস্যা ও সমাধান Warp VPN ব্যবহার করতে গিয়ে কিছু সমস্যা হতে পারে। নিচে কিছু সাধারণ সমস্যার সমাধান দেওয়া হলো: সমস্যা সমাধান সংযোগ স্থাপিত হচ্ছে না ইন্টারনেট সংযোগ পরীক্ষা করুন। অ্যাপ ক্র্যাশ করছে অ্যাপটি আপডেট করুন। ব্লকড সাইট অ্যাক্সেস হচ্ছে না VPN সার্ভার পরিবর্তন করুন। Warp VPN এর বিকল্প Warp VPN ছাড়াও আরও কিছু VPN সেবা রয়েছে। নিচে কিছু জনপ্রিয় বিকল্প উল্লেখ করা হলো: NordVPN: এটি একটি জনপ্রিয় VPN সেবা। ExpressVPN: উচ্চ গতির সংযোগ প্রদান করে। CyberGhost: সহজ ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস রয়েছে। শেষ কথা Warp VPN ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্যবহার আরও নিরাপদ ও গোপনীয় হয়। এটি সহজে ব্যবহার করা যায়। উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যায়। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য Warp VPN একটি অসাধারণ সেবা। Frequently Asked Questions Warp Vpn কি? Warp Vpn একটি নিরাপদ এবং দ্রুত ইন্টারনেট ব্রাউজিং সেবা। Warp Vpn ইন্সটল করবেন কিভাবে? Warp Vpn ইন্সটল করতে প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন। Warp Vpn কীভাবে কাজ করে? Warp Vpn আপনার ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে এবং দ্রুতগামী করে। Warp Vpn ব্যবহার করতে কি খরচ লাগে? Warp Vpn ফ্রি ভার্সন আছে, তবে প্রিমিয়াম অপশনও আছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_09.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_09.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_09.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সেরা 1 1 1 1 ফ্রি ওয়ার্প ভিপিএন টু জিরো ট্রাস্ট: আলটিমেট সিকিউরিটি গাইড]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23682</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23682</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 14:07:05 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[1.1.1.1 vpn,1.1.1.1,cloudflare 1.1.1.1,cloudflare 1.1.1.1 android,cloudflare dns 1.1.1.1,1.1.1.1 dns,1.1.1.1 vpn pubg not working,cloudflare 1.1.1.1 warp,cloudflare 1.1.1.1 ios,1.1.1.1 + warp: safer internet,1.1.1.1 vpn not connecting,warp vpn 1.1.1.1,1.1.1.1 vpn warp+ not connecting solution ios/android,1.1.1.1 vpn free data,1.1.1.1 vpn europe server problem,1.1.1.1 vpn problem free fire,1.1.1.1. vpn kaise use kare,1.1.1.1 vpn problem]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজকের পৃথিবীতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা খুব সাধারণ বিষয়। কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবহারের সাথে সাথে নিরাপত্তার সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে। তাই ইন্টারনেট নিরাপত্তার জন্য VPN ব্যব...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_07.jpg" alt="সেরা 1 1 1 1 ফ্রি ওয়ার্প ভিপিএন টু জিরো ট্রাস্ট: আলটিমেট সিকিউরিটি গাইড" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজকের পৃথিবীতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা খুব সাধারণ বিষয়। কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবহারের সাথে সাথে নিরাপত্তার সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে। তাই ইন্টারনেট নিরাপত্তার জন্য VPN ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। VPN কী? VPN (Virtual Private Network) হলো একটি প্রযুক্তি যা আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে। এটি আপনার ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে এবং আপনার পরিচয় গোপন রাখে। 1.1.1.1 Free Warp VPN 1.1.1.1 Free Warp VPN হলো একটি জনপ্রিয় ফ্রি VPN সেবা। এটি Cloudflare দ্বারা পরিচালিত। এই VPN সেবা আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে এবং দ্রুতগতির করে। 1.1.1.1 Vpn এর বৈশিষ্ট্য ফ্রি এবং ব্যবহার করা সহজ। দ্রুত গতির ইন্টারনেট সংযোগ। বিজ্ঞাপন মুক্ত। গোপনীয়তা রক্ষা করে। Zero Trust কী? Zero Trust হলো একটি নিরাপত্তা মডেল যা বিশ্বাস করে না। এটি প্রত্যেক ব্যবহারকারী এবং ডিভাইসকে যাচাই করে। Zero Trust এর গুরুত্ব নিরাপত্তার মান বাড়ায়। ডেটা চুরি রোধ করে। অভ্যন্তরীণ হুমকি কমায়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; Credit: blog.cloudflare.com 1.1.1.1 Free Warp VPN এবং Zero Trust 1.1.1.1 Free Warp VPN এবং Zero Trust একসাথে ব্যবহার করা গেলে নিরাপত্তা অনেক বেড়ে যায়। VPN আপনার ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে এবং Zero Trust আপনার আইডেন্টিটি যাচাই করে। কেন 1.1.1.1 Free Warp Vpn ব্যবহার করবেন? ফ্রি এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য। দ্রুত গতির ইন্টারনেট সংযোগ। গোপনীয়তা রক্ষা করে। বিজ্ঞাপন মুক্ত। কেন Zero Trust ব্যবহার করবেন? নিরাপত্তা বাড়ায়। ডেটা চুরি রোধ করে। অভ্যন্তরীণ হুমকি কমায়। 1.1.1.1 Free Warp VPN ইনস্টলেশন 1.1.1.1 Free Warp VPN ইনস্টল করা খুব সহজ। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: আপনার ডিভাইসে Google Play Store বা Apple App Store এ যান। সার্চ বারে &amp;quot;1.1.1.1&amp;quot; লিখুন। 1.1.1.1 অ্যাপটি ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন। অ্যাপটি খুলে &amp;quot;Connect&amp;quot; বোতামে ক্লিক করুন। &amp;nbsp; Credit: community.cloudflare.com Zero Trust বাস্তবায়ন Zero Trust বাস্তবায়ন করা কিছুটা জটিল হতে পারে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনি এটি করতে পারেন: প্রথমে আপনার নেটওয়ার্ক এবং ডিভাইসগুলো যাচাই করুন। প্রতিটি ব্যবহারকারী এবং ডিভাইসকে যাচাই করুন। নিরাপত্তা নিয়মগুলি কড়াকড়ি করুন। ডেটা এনক্রিপশন ব্যবহার করুন। উপসংহার 1.1.1.1 Free Warp VPN এবং Zero Trust একসাথে ব্যবহার করলে আপনার ইন্টারনেট নিরাপত্তা অনেক বেড়ে যাবে। এটি আপনার ডেটা এবং ব্যক্তিগত তথ্যকে সুরক্ষিত রাখবে। তাই আজই 1.1.1.1 Free Warp VPN এবং Zero Trust ব্যবহার শুরু করুন এবং নিরাপদ থাকুন। Frequently Asked Questions What Is 1.1.1.1 Warp Vpn? 1. 1. 1. 1 Warp VPN is a free, secure VPN service by Cloudflare. How Does 1.1.1.1 Warp Work? Warp encrypts your internet traffic, enhancing privacy and speed. Is 1.1.1.1 Warp Vpn Free? Yes, Warp VPN offers a free version with essential features. What Is Zero Trust In Vpn? Zero Trust assumes no device is safe; it verifies all connections. &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_07.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_07.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_07.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কিভাবে মোবাইলে ভিপিএন ব্যবহার করবেন! সহজ সেটআপ গাইড: দ্রুত এবং সহজ উপায়]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23681</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23681</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 14:07:31 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[how to use a vpn,how to use vpn in mobile,free vpn settings for android mobile,how to connect vpn in mobile,computer and mobile tips,how to use a vpn on android,how to use vpn on mobile,use vpn in mobile,vpn mobile,mobile vpn,how to use vpn in mobile free,how to use vpn aap in mobile phone,vpn for mobile,how to use vpn in mobile for capcut,android mobile vpn settings,mobile connection,free vpn for mobile,how to connect vpn in mobile phone]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপনার মোবাইল ফোনে ভিপিএন ব্যবহার করা খুবই সহজ। ভিপিএন ব্যবহার করলে আপনি ইন্টারনেটে নিরাপদে ব্রাউজ করতে পারবেন। ভিপিএন আপনাকে অনলাইনে গোপনীয়তা রক্ষা করতে সাহায্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_06.jpg" alt="কিভাবে মোবাইলে ভিপিএন ব্যবহার করবেন! সহজ সেটআপ গাইড: দ্রুত এবং সহজ উপায়" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপনার মোবাইল ফোনে ভিপিএন ব্যবহার করা খুবই সহজ। ভিপিএন ব্যবহার করলে আপনি ইন্টারনেটে নিরাপদে ব্রাউজ করতে পারবেন। ভিপিএন আপনাকে অনলাইনে গোপনীয়তা রক্ষা করতে সাহায্য করে। &amp;nbsp; &amp;nbsp; ভিপিএন কি? ভিপিএন এর পূর্ণ রূপ হল ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক। এটি একটি টুল যা আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে এনক্রিপ্ট করে। ভিপিএন ব্যবহার করলে আপনার তথ্য সুরক্ষিত থাকে। মোবাইলে ভিপিএন কেন ব্যবহার করবেন? ইন্টারনেট ব্রাউজিং নিরাপদ রাখতে গোপনীয়তা রক্ষা করতে অবস্থান ভিত্তিক কন্টেন্ট অ্যাক্সেস করতে ওয়াইফাই হটস্পট নিরাপদ রাখতে মোবাইলে ভিপিএন সেটআপ করার সহজ ধাপ ধাপ ১: ভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করুন প্রথমে একটি ভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে আপনি সহজেই ভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন। কিছু জনপ্রিয় ভিপিএন অ্যাপ হচ্ছে: ExpressVPN NordVPN CyberGhost ProtonVPN ধাপ ২: অ্যাপ ইনস্টল করুন অ্যাপ ডাউনলোড করার পর, সেটি ইনস্টল করুন। ইনস্টল করার জন্য আপনাকে কিছু অনুমতি দিতে হতে পারে। ধাপ ৩: অ্যাপ ওপেন করুন অ্যাপ ইনস্টল করার পর, অ্যাপটি ওপেন করুন। আপনার একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হতে পারে। ধাপ ৪: সার্ভার নির্বাচন করুন অ্যাপ ওপেন করার পর, একটি সার্ভার নির্বাচন করুন। সার্ভারটি এমন দেশ থেকে নির্বাচন করুন যেখান থেকে আপনি কন্টেন্ট অ্যাক্সেস করতে চান। ধাপ ৫: কানেক্ট করুন সার্ভার নির্বাচনের পর, কানেক্ট বাটন চাপুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আপনি ভিপিএন এর সাথে সংযুক্ত হবেন। ভিপিএন ব্যবহারের সুবিধা সুবিধা বর্ণনা গোপনীয়তা ভিপিএন আপনার অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষা করে। নিরাপত্তা ভিপিএন আপনার তথ্য এনক্রিপ্ট করে নিরাপদ রাখে। অবস্থান পরিবর্তন ভিপিএন ব্যবহার করে আপনি আপনার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারেন। কন্টেন্ট অ্যাক্সেস ভিপিএন ব্যবহার করে আপনি নিষিদ্ধ কন্টেন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন। &amp;nbsp; মোবাইলে ভিপিএন ব্যবহারের কিছু সতর্কতা সব সময় বিশ্বস্ত ভিপিএন ব্যবহার করুন। ফ্রি ভিপিএন ব্যবহার করলে আপনার ডেটা লিক হতে পারে। ভিপিএন ব্যবহারের সময় ইন্টারনেট স্পিড কমতে পারে। সাধারণ প্রশ্নাবলী ভিপিএন কি আইনসম্মত? হ্যাঁ, বেশিরভাগ দেশে ভিপিএন ব্যবহার করা আইনসম্মত। তবে কিছু দেশে ভিপিএন নিষিদ্ধ। ভিপিএন কি ইন্টারনেট স্পিড কমিয়ে দেয়? কখনও কখনও ভিপিএন ব্যবহার করলে ইন্টারনেট স্পিড কমে যেতে পারে। ফ্রি ভিপিএন কি নিরাপদ? ফ্রি ভিপিএন সবসময় নিরাপদ নয়। আপনার তথ্য লিক হতে পারে। কতক্ষণ ভিপিএন ব্যবহার করা উচিত? আপনার নিরাপত্তার জন্য সবসময় ভিপিএন ব্যবহার করা উচিত। শেষ কথা মোবাইলে ভিপিএন ব্যবহার করা সহজ এবং নিরাপদ। ভিপিএন আপনার গোপনীয়তা রক্ষা করে। নিরাপদে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে ভিপিএন ব্যবহার করুন। Frequently Asked Questions মোবাইলে ভিপিএন কীভাবে কাজ করে? VPN আপনার ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে। এটি আপনার আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে এবং অনলাইন প্রাইভেসি নিশ্চিত করে। মোবাইলে ভিপিএন সেটআপ করতে কী লাগে? আপনার ফোনে একটি VPN অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। তারপর নির্দেশিকা অনুসরণ করে সেটআপ করুন। ভিপিএন ব্যবহারের সুবিধা কী? VPN ব্যবহার আপনার অনলাইন প্রাইভেসি রক্ষা করে। এছাড়া, এটি জিও-ব্লকড কনটেন্ট আনলক করতে সাহায্য করে। কোন ভিপিএন অ্যাপ সবচেয়ে ভালো? প্রসিদ্ধ ভিপিএন অ্যাপগুলোর মধ্যে NordVPN, ExpressVPN, এবং CyberGhost অন্যতম।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_06.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_06.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_06.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[অ্যান্ড্রয়েডে ভিপিএন কীভাবে ব্যবহার করবেন! সহজ সেটআপ গাইড: স্টেপ-বাই-স্টেপ টিউটোরিয়াল]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23680</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23680</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 14:07:23 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[android vpn,android,vpn for android,free vpn for android,how to setup a vpn server on android phone,vpn android,how to use vpn on android,best vpn for android,how to setup free vpn on android phone,how to setup vpn on android,best free vpn for android,free vpn settings for android mobile,android phone,vpn free app for android,use a vpn android,how to use a vpn on android,use vpn android,how to use a vpn on an android tv box,use vpn on android]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ভিপিএন বা Virtual Private Network আমাদের নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে সহায়তা করে। এটি আমাদের অনলাইন পরিচয় গোপন রাখে। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ভিপিএন সেটআপ করা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_01.jpg" alt="অ্যান্ড্রয়েডে ভিপিএন কীভাবে ব্যবহার করবেন! সহজ সেটআপ গাইড: স্টেপ-বাই-স্টেপ টিউটোরিয়াল" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ভিপিএন বা Virtual Private Network আমাদের নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে সহায়তা করে। এটি আমাদের অনলাইন পরিচয় গোপন রাখে। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ভিপিএন সেটআপ করা খুব সহজ। এখানে আমরা আপনাকে ধাপে ধাপে দেখাবো কীভাবে সেটআপ করবেন। &amp;nbsp; ভিপিএন কী এবং কেন ব্যবহার করবেন? ভিপিএন আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে। এটি আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে এবং আপনার আইপি ঠিকানা গোপন রাখে। ফলে আপনি নিরাপদে ব্রাউজ করতে পারেন। এছাড়াও এটি আপনাকে জিও-ব্লকড কনটেন্ট অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে। ভিপিএন ব্যবহারের সুবিধা নিরাপদ ব্রাউজিং জিও-ব্লকড কনটেন্ট অ্যাক্সেস ডেটা এনক্রিপশন প্রাইভেসি রক্ষা &amp;nbsp; Credit: cpj.org কীভাবে অ্যান্ড্রয়েডে ভিপিএন সেটআপ করবেন? অ্যান্ড্রয়েডে ভিপিএন সেটআপ করা খুব সহজ। নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন: ধাপ ১: একটি ভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করুন প্রথমে একটি ভালো ভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। গুগল প্লে স্টোরে অনেক ভিপিএন অ্যাপ পাওয়া যায়। কিছু জনপ্রিয় ভিপিএন অ্যাপ হল: নর্ড ভিপিএন (NordVPN) এক্সপ্রেস ভিপিএন (ExpressVPN) সার্ফশার্ক (Surfshark) সাইবারগোস্ট (CyberGhost) ধাপ ২: অ্যাপটি ইনস্টল করুন ভিপিএন অ্যাপটি ডাউনলোড করার পরে এটি ইনস্টল করুন। ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া খুব সহজ। শুধু ইনস্টল বোতামে ক্লিক করুন এবং নির্দেশনা অনুসরণ করুন। ধাপ ৩: অ্যাপটি ওপেন করুন অ্যাপ ইনস্টল করার পরে এটি ওপেন করুন। প্রথমবার ওপেন করার সময় কিছু অনুমতি চাওয়া হতে পারে। এগুলো অনুমোদন করুন। ধাপ ৪: একটি সার্ভার নির্বাচন করুন অ্যাপটি ওপেন করার পর একটি সার্ভার নির্বাচন করুন। বিভিন্ন দেশ থেকে সার্ভার নির্বাচন করতে পারবেন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভার নির্বাচন করুন। ধাপ ৫: সংযুক্ত হন সার্ভার নির্বাচন করার পরে সংযুক্ত হওয়ার বোতাম চাপুন। কিছু সময় অপেক্ষা করুন। সংযোগ স্থাপন হয়ে গেলে আপনি নিরাপদে ব্রাউজ করতে পারবেন। &amp;nbsp; Credit: www.linkedin.com ভিপিএন ব্যবহারের সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস কোনো ফ্রি ভিপিএন ব্যবহার করবেন না। নিয়মিত ভিপিএন অ্যাপ আপডেট করুন। সর্বদা বিশ্বস্ত ভিপিএন সার্ভিস ব্যবহার করুন। প্রয়োজন না হলে ভিপিএন সংযোগ বন্ধ রাখুন। উপসংহার অ্যান্ড্রয়েডে ভিপিএন ব্যবহার করা খুব সহজ এবং এটি আপনার অনলাইন প্রাইভেসি রক্ষা করে। উপরের ধাপগুলি অনুসরণ করে আপনি সহজেই ভিপিএন সেটআপ করতে পারবেন। নিরাপদে ব্রাউজ করুন এবং আপনার ডেটা সুরক্ষিত রাখুন। Frequently Asked Questions ভিপিএন কীভাবে অ্যান্ড্রয়েডে ইনস্টল করবেন? গুগল প্লে স্টোর থেকে ভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। অ্যান্ড্রয়েডে ভিপিএন সেটআপ কতটা সহজ? ভিপিএন সেটআপ খুবই সহজ। অ্যাপ ডাউনলোড করে লগইন করলেই কাজ শেষ। অ্যান্ড্রয়েডে কোন ভিপিএন অ্যাপ ভালো? নর্ডভিপিএন, এক্সপ্রেসভিপিএন, এবং সাইবারগোস্ট ভালো অপশন। ভিপিএন ব্যবহার করে কীভাবে সুরক্ষা পাবেন? ভিপিএন আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে, তাই অনলাইন নিরাপত্তা বাড়ে। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ফেসবুকের জন্য কীভাবে ভিপিএন ব্যবহার করবেন: চূড়ান্ত গাইড]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/technology/23679</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/technology/23679</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 29 Jul 2024 14:07:05 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সফটওয়্যার ও অ্যাপ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[facebook,facebook problem,facebook kivabe chalabo,how to use facebook now,vpn diye facebook use,how to use vpn for facebook,vpn for facebook,vpn facebook,how to use facebook with vpn,kon vpn diye facebook use korbo,how to use facebook in bangladesh,facebook vpn connect,facebook not opening,how to use facebook,facebook ban,facebook vpn,#facebook,facebook censorship,best vpn for facebook,use facebook with vpn,how to access facebook,access facebook]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ফেসবুক এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু আপনি কি জানেন, ফেসবুক ব্যবহার করতে গিয়ে আপনার নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে? এই সমস্যার সমাধান হতে পারে ভিপি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_05.jpg" alt="ফেসবুকের জন্য কীভাবে ভিপিএন ব্যবহার করবেন: চূড়ান্ত গাইড" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ফেসবুক এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু আপনি কি জানেন, ফেসবুক ব্যবহার করতে গিয়ে আপনার নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে? এই সমস্যার সমাধান হতে পারে ভিপিএন। &amp;nbsp; ভিপিএন কী? ভিপিএন (VPN) এর পূর্ণরূপ হল ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে তোলে। &amp;nbsp; Credit: ascentoptics.com ভিপিএন ব্যবহারের উপকারিতা নিরাপত্তা: ভিপিএন আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত করে। গোপনীয়তা: ভিপিএন আপনার অনলাইন কার্যকলাপ গোপন রাখে। অবাধ প্রবেশ: ভিপিএন ব্যবহার করে আপনি ব্লক হওয়া সাইটে প্রবেশ করতে পারেন। &amp;nbsp; ফেসবুকের জন্য ভিপিএন কেন প্রয়োজন? ফেসবুক ব্যবহারের সময় আপনার তথ্য চুরি হতে পারে। ভিপিএন ব্যবহার করলে আপনি নিরাপদ থাকবেন। ভিপিএন সেটআপ করার ধাপ ভিপিএন সেটআপ করা খুব সহজ। নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন: একটি ভিপিএন সেবা প্রদানকারী নির্বাচন করুন। ভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন। অ্যাপে লগইন করুন এবং একটি সার্ভার নির্বাচন করুন। সংযোগ করুন এবং ফেসবুক ব্যবহার করুন। ভিপিএন সেবা প্রদানকারী নির্বাচন করার পরামর্শ ভিপিএন সেবা প্রদানকারী নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। কিছু জনপ্রিয় ভিপিএন সেবা প্রদানকারী হল: এক্সপ্রেস ভিপিএন (ExpressVPN) নর্ড ভিপিএন (NordVPN) সার্ফশার্ক (Surfshark) সাইবারগোস্ট (CyberGhost) ভিপিএন ব্যবহার করার সময় সতর্কতা ভিপিএন ব্যবহারের সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। অজানা বা বিনামূল্যে ভিপিএন সেবা ব্যবহার করবেন না। ভিপিএন সংযোগ ছাড়া সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করবেন না। ভিপিএন অ্যাপ আপডেট রাখতে ভুলবেন না। ফেসবুকে ভিপিএন ব্যবহার করার সুবিধা সুবিধা বিবরণ নিরাপত্তা আপনার তথ্য সুরক্ষিত থাকে। গোপনীয়তা অনলাইন কার্যকলাপ গোপন থাকে। অবাধ প্রবেশ ব্লক হওয়া সাইটে প্রবেশ করতে পারেন। সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ) ভিপিএন কীভাবে কাজ করে? ভিপিএন আপনার ইন্টারনেট ট্রাফিককে একটি নিরাপদ সার্ভারের মাধ্যমে রাউট করে। ভিপিএন কি আইনি? ভিপিএন কি ফ্রি পাওয়া যায়? কিছু ফ্রি ভিপিএন আছে, কিন্তু সেগুলি নিরাপদ নাও হতে পারে। ভিপিএন ব্যবহারে কি ইন্টারনেট স্পিড কমে যায়? হ্যাঁ, কিছুটা কমে যেতে পারে। তবে ভালো ভিপিএন সেবায় খুব কম প্রভাব পড়ে। উপসংহার ফেসবুক ব্যবহার করার সময় ভিপিএন একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল। এটি আপনার নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা নিশ্চিত করে। সঠিক ভিপিএন সেবা নির্বাচন করে নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন। Frequently Asked Questions ফেসবুকে ভিপিএন কেন ব্যবহার করবেন? ফেসবুকের নিরাপত্তা বাড়াতে এবং আইপি লুকানোর জন্য ভিপিএন ব্যবহার করতে পারেন। কোন ভিপিএন ফেসবুকের জন্য সেরা? নর্ডভিপিএন, এক্সপ্রেসভিপিএন এবং সাইবারগোস্ট ফেসবুকের জন্য ভালো ভিপিএন। ফেসবুকে ভিপিএন কীভাবে কাজ করে? ভিপিএন আপনার আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে এবং এনক্রিপশন ব্যবহার করে আপনার ডেটা সুরক্ষিত করে। ফেসবুকের জন্য ফ্রি ভিপিএন কি নিরাপদ? ফ্রি ভিপিএন সাধারণত কম নিরাপদ। পেইড ভিপিএন বেশি নিরাপত্তা প্রদান করে। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_05.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_05.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_29-07-24_05.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কুষ্টিয়ায় ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতায় দিনব্যাপী ফুটবল টূর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23678</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23678</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 28 Jul 2024 17:07:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[খুলনা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ওয়ালটন ফুটবল টূর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দল রানা একাডেমি ফুটবল একাদশ &amp;ldquo;মাঠে মাঠে উল্ল...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs25-28-07-16.jpg" alt="কুষ্টিয়ায় ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতায় দিনব্যাপী ফুটবল টূর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ওয়ালটন ফুটবল টূর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দল রানা একাডেমি ফুটবল একাদশ &amp;ldquo;মাঠে মাঠে উল্লাস, খেলাধুলা বারোমাস&amp;rdquo; এই স্লোগানে দেশের প্রতিটি জেলায় বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী এক ফুটবল টূর্নামেন্ট।&amp;nbsp; শনিবার (২৭ জুলাই) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে দিনব্যাপি এই ফুটবল টূর্নামেন্টের আয়োজন করে ওয়ালটনের পরিবেশক প্রতিষ্ঠান &amp;lsquo;শাফিম ইলেকট্রনিক্স&amp;rsquo;। দিনব্যাপি এ টূর্নামেন্টে দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট চারটি দল অংশগ্রহন করে। টূর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় কামালপুর ফুটবল একাডেমীকে ২-৩ গোলে হারিয়ে রানা একাডেমি ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়। বিজয়ী দলকে একটি ওয়ালটন ফ্রিজ এবং রানারআপ দলকে একটি ওয়ালটন টেলিভিশন পুরষ্কার দেয়া হয়। পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল হক চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে হোসেনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি সরদার আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এর অ্যাডমিনিস্টেটর মাহবুব আলম পলো উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সাংসদ রেজাউল হক চৌধুরী বলেন, &amp;ldquo;মাদককে না বলে খেলাধুলায় যুব সমাজকে অগ্রসর হতে হবে। খেলাধুলা মানুষের মন ও শরীর সুস্থ্য রাখে। একটি সুস্থ্য জাতী গঠনে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। তিনি যুবসমাজকে মাঠে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করার প্রতি আহবান জানান। সেই সাথে গ্রামীন পর্যায়ে এমন খেলার আয়োজন করার জন্য ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ড্রাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;কে ধন্যবাদ জানান। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ওয়ালটন ফুটবল টূর্নামেন্টে উপস্থিত অতিথিবৃন্দের সঙ্গে বিজয়ী ও রানারআপ দল ফুটবল টূর্নামেন্ট ঘিরে হোসেনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সকল বয়সের নারী পুরুষসহ প্রায় তিন শতাধিক ফুটবলপ্রেমিরা খেলা উপভোগ করেন এবং এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। খেলাটি পরিচালনা করেন কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার রেফারি আসাদুজ্জামান মিনু এবং সহযোগী হিসাবে ছিলেন নাজমুল ইসলাম শান্ত ও মনিরুজ্জামান মনির। পুরো খেলা জুড়ে ধারাভাষ্যদেন ডিজিএম ফ্রেন্ডস ক্লাবের সদস্য সামসুল আলম। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্রনেতা মোতাসিম বিল্লাহ&amp;rsquo;র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের রিজিওনাল সেল্স ম্যানেজার আবু সাঈদ, কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এলাকা পরিচালক আমিনুল হক লালা, শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম, হোসেনাবাদ শাফিম ইলেক্ট্রনিক্স এর স্বত্ত্বাধিকারী শামিম হোসেন, ক্রীড়া সংগঠক মুন্নাফ মন্ডল প্রমুখ। উল্লেখ্য, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলায় নিয়মিত পৃষ্ঠপোষকতা করছে দেশের সেরা ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। সারা বছর ঘরোয়া, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরেও ৫০টির বেশি ফেডারেশনের সঙ্গে কাজ করছে ওয়ালটন। এছাড়াও দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা গ্রামীণ পর্যায়ে সব ধরণের খেলাধুলায় পৃষ্ঠপোষকতা করছে প্রতিষ্ঠানটি। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs25-28-07-16.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs25-28-07-16.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/nbs25-28-07-16.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সারাদেশে নিহত ১০, উত্তরা হাসপাতালে ৪ মরদেহ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23677</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23677</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 17:07:08 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, কোটা পদ্ধতি সংস্কার করা হোক। এই বিক্ষোভে সারা দেশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।&amp;nbsp;...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-07-24_16.jpg" alt="সারাদেশে নিহত ১০, উত্তরা হাসপাতালে ৪ মরদেহ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, কোটা পদ্ধতি সংস্কার করা হোক। এই বিক্ষোভে সারা দেশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।&amp;nbsp;কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আরও চারজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এই চারজনের মরদেহ রয়েছে রাজধানীর উত্তরার বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে। হাসপাতালটির পরিচালক মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেছেন, চারজনের মধ্যে দুজন শিক্ষার্থী। দুজনের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।&amp;nbsp;ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন... এর আগে উত্তরায় পুলিশ ও র&amp;zwj;্যাবের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে দুজন নিহতের খবর পাওয়া যায়। তাঁদের একজন উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যান এবং আরেকজন উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে মারা যান। দুই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সব মিলিয়ে উত্তরায় ছয়জনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতাল সূত্রে। এ ছাড়া রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের এক শিক্ষার্থী, রামপুরায় একজন, সাভারে একজন ও মাদারীপুরে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেল ১০ জনের। কোটা পদ্ধতি কী? কোটা পদ্ধতি একটি বিশেষ ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় সরকারি চাকরিতে সংরক্ষিত পদ থাকে। এই পদগুলো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নারী প্রতিবন্ধী আদিবাসী শিক্ষার্থীদের দাবি শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, এই পদ্ধতি অন্যায্য। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেকে চাকরি পাচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিগুলো: মুক্তিযোদ্ধার কোটা ৩০% থেকে ১০% করা হোক কোটার সংখ্যা কমানো হোক কোটার মেয়াদ নির্ধারণ করা হোক কোটার অপব্যবহার বন্ধ করা হোক বিক্ষোভের ঘটনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রথম বিক্ষোভ শুরু করে। পরে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেয়। বিক্ষোভ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। উত্তরা হাসপাতালের ঘটনা উত্তরায় একটি হাসপাতালে চারটি মরদেহ পাওয়া গেছে। এই মরদেহগুলো বিক্ষোভের সময় আহতদের। আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর তারা মারা যায়। সারা দেশে নিহত ১০ বিক্ষোভের কারণে সারা দেশে ১০ জন নিহত হয়েছে। আহতের সংখ্যা অনেক বেশি। বিক্ষোভের প্রভাব এই বিক্ষোভের কারণে সারা দেশে যানবাহন বন্ধ থাকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকে। বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকার শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী কোটা পদ্ধতি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সামাজিক প্রতিক্রিয়া সামাজিক মাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের সমর্থন পেয়েছে। অনেকেই শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে মত প্রকাশ করেছে। কোটা সংস্কারের সম্ভাবনা সরকার কোটা পদ্ধতি সংস্কার করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা এই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চায়। সংস্কারের প্রস্তাব: বর্তমান কোটা প্রস্তাবিত কোটা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ৩০% মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ১০% নারী ১০% নারী ৫% প্রতিবন্ধী ১% প্রতিবন্ধী ২% আদিবাসী ৫% আদিবাসী ৩% শেষ কথা কোটা সংস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়া উচিত। এতে যোগ্য প্রার্থীরা চাকরি পাবে। দেশের উন্নয়ন হবে। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions কেন শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের জন্য বিক্ষোভ করছে? কোটা সংস্কার শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন। এটি চাকরির ক্ষেত্রে সমতা নিশ্চিত করে। উত্তরায় কিভাবে আরও চার মরদেহ পাওয়া গেল? উত্তরায় হাসপাতালের মর্গে আরও চার মরদেহ পাওয়া গেছে। এই মরদেহগুলো বিক্ষোভের সময় নিহতদের। সারা দেশে মোট কজন নিহত হয়েছে? সারা দেশে বিক্ষোভের সময় মোট ১০ জন নিহত হয়েছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের মূল কারণ কী? কোটা সংস্কার আন্দোলনের মূল কারণ হলো চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা। তথ্য সূত্র: প্রথম আলো</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-07-24_16.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-07-24_16.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_18-07-24_16.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[হামলা-সংঘর্ষে উত্তাল ঢাকা; বিটিভি ভবন ও পুলিশ বক্সে আগুন, উত্তেজনা চরমে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23676</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23676</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 17:07:50 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সম্প্রতি ঢাকায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিটিভি ভবন ও একটি পুলিশ বক্সে আগুন লাগে। শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে।&amp;nbsp;ভিডিও দেখতে ক্লিক ক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_15.jpg" alt="হামলা-সংঘর্ষে উত্তাল ঢাকা; বিটিভি ভবন ও পুলিশ বক্সে আগুন, উত্তেজনা চরমে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সম্প্রতি ঢাকায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিটিভি ভবন ও একটি পুলিশ বক্সে আগুন লাগে। শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে।&amp;nbsp;ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন... ঘটনার পেছনের কারণ কোটা সংস্কার শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি। তারা কোটা পদ্ধতির পরিবর্তন চায়। শিক্ষার্থীরা মনে করে, কোটা পদ্ধতি অন্যায়। কোটা পদ্ধতি কী? সরকারি চাকরিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক পদ কোটা পদ্ধতিতে সংরক্ষিত থাকে। এটি বিভিন্ন শ্রেণির জন্য নির্ধারিত। শিক্ষার্থীরা মনে করে, এটি মেধার বিকাশে বাধা। বিক্ষোভের শুরু শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করে। তারা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে রাস্তায় নামে। তাদের দাবির পক্ষে শ্লোগান দেয়। বিক্ষোভের সময় সংঘর্ষ বিক্ষোভের সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অনেকেই আহত হয়। বিটিভি ভবনে আগুন একটি বিটিভি ভবনে আগুন লাগে। এই আগুনে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ বক্সে আগুন একটি পুলিশ বক্সে আগুন লাগে। এই আগুনে বক্সটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পুলিশের পদক্ষেপ পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে। তারা বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার করে। শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে সমর্থন অনেকেই শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে সমর্থন জানায়। তারা মনে করে, কোটা পদ্ধতি সংস্কার হওয়া উচিত। কোটা সংস্কারের প্রস্তাব সরকার কোটা সংস্কারের প্রস্তাব দেয়। তারা শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে। আলোচনার ফলাফল আলোচনায় কিছু সমাধান আসে। সরকার কোটা পদ্ধতি পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া শিক্ষার্থীরা আশ্বাস পেয়ে কিছুটা শান্ত হয়। তারা নতুন কোটা পদ্ধতির জন্য অপেক্ষা করে। সম্পূর্ণ পরিস্থিতির পর্যালোচনা ঢাকার পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির পক্ষে দৃঢ় অবস্থানে আছে। সরকারের ভূমিকা সরকার শিক্ষার্থীদের দাবিকে গুরুত্ব দেয়। তারা সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছে। ভবিষ্যতের পরিকল্পনা সরকার ভবিষ্যতে কোটা পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা করবে। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি নিয়ে সচেতন থাকবে। সারসংক্ষেপ ঢাকায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ। বিটিভি ভবন ও পুলিশ বক্সে আগুন লাগে। শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করে। শিক্ষার্থীদের দাবি কোটা পদ্ধতি সংস্কার মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ সরকারের সাথে আলোচনা সরকারের প্রতিক্রিয়া কোটা পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ উপসংহার এই ঘটনার পর পরিস্থিতি এখন কিছুটা শান্ত। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিতে দৃঢ়। সরকার সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করছে। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions ঢাকায় হামলা-সংঘর্ষ কেন ঘটছে? শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করছে, পুলিশ ও বিটিভি ভবনে আগুন লেগেছে। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের কারণ কী? কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। বিটিভি ভবনে আগুন লাগার কারণ কী? বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ বিটিভি ভবনে আগুন লাগিয়েছে। পুলিশ বক্সে আগুন লাগার কারণ কী? বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলিশ বক্সে আগুন দিয়েছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_15.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_15.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_15.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ছাদে পুলিশ, হেলিকপ্টারে উদ্ধার করলো র‍্যাব: নাটকীয় অভিযান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23675</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23675</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 17:07:25 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীরা পুলিশকে ধা&amp;#39;ও&amp;#39;য়া করেছিল। পুলিশ ছাদে আশ্রয় নেয়। এরপর র&amp;zwj;্যাব হেলিকপ্টারে এসে তাদের উদ্ধার করে।&amp;nbsp;ভ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_14.jpg" alt="শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ছাদে পুলিশ, হেলিকপ্টারে উদ্ধার করলো র‍্যাব: নাটকীয় অভিযান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীরা পুলিশকে ধা&amp;#39;ও&amp;#39;য়া করেছিল। পুলিশ ছাদে আশ্রয় নেয়। এরপর র&amp;zwj;্যাব হেলিকপ্টারে এসে তাদের উদ্ধার করে।&amp;nbsp;ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন... ঘটনার পটভূমি এই ঘটনা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় ঘটে। শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন করছিল। আন্দোলনের কারণ শিক্ষার্থীরা কিছু সমস্যার সমাধান চাচ্ছিল। তাদের মধ্যে প্রধান সমস্যা ছিল শিক্ষার মান উন্নয়ন। তারা আরও কিছু দাবিও জানিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের দাবি শিক্ষার মান উন্নয়ন পরীক্ষার ফি কমানো বৃত্তি বিতরণের স্বচ্ছতা শিক্ষকের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটনার বিবরণ শিক্ষার্থীরা প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিল। কিন্তু পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থান থেকে জড়ো হয়েছিল। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল। শিক্ষার্থীদের শ্লোগান &amp;quot;আমাদের দাবি মানতে হবে&amp;quot; &amp;quot;শিক্ষার মান উন্নয়ন চাই&amp;quot; &amp;quot;পরীক্ষার ফি কমাতে হবে&amp;quot; পুলিশের ভূমিকা পুলিশ প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। পুলিশের পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা সমাবেশ ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা অবশেষে ছাদে আশ্রয় নেওয়া র&amp;zwj;্যাবের ভূমিকা পুলিশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র&amp;zwj;্যাব ডাকা হয়। র&amp;zwj;্যাব এসে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে পুলিশকে উদ্ধার করে। র&amp;zwj;্যাবের পদক্ষেপ তাত্ক্ষণিক অভিযান হেলিকপ্টারে পুলিশ উদ্ধার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা ঘটনার প্রভাব এই ঘটনা সমাজে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলনে সফল হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি পূরণের জন্য আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়েছে। তারা আন্দোলন চালিয়ে যেতে চায়। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য &amp;quot;আমরা আমাদের দাবি আদায় করবো&amp;quot; &amp;quot;শিক্ষার মান উন্নয়ন চাই&amp;quot; &amp;quot;পরীক্ষার ফি কমাতে হবে&amp;quot; পুলিশের প্রতিক্রিয়া পুলিশ এই ঘটনায় কিছুটা বিচলিত হয়েছে। তারা ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবে। সমাজের প্রতিক্রিয়া সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া এসেছে। সবাই শিক্ষার্থীদের সমর্থন করেছে। জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া জনসাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবিকে ন্যায্য মনে করেছে। তারা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। জনসাধারণের বক্তব্য &amp;quot;শিক্ষার্থীরা ঠিক বলেছে&amp;quot; &amp;quot;শিক্ষার মান উন্নয়ন জরুরি&amp;quot; &amp;quot;পরীক্ষার ফি কমানো উচিত&amp;quot; বিশেষজ্ঞদের মতামত শিক্ষাবিদরা এই ঘটনার বিশ্লেষণ করেছেন। তারা শিক্ষার্থীদের দাবিকে সমর্থন করেছেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য &amp;quot;শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রয়োজন&amp;quot; &amp;quot;পরীক্ষার ফি কমানো উচিত&amp;quot; &amp;quot;শিক্ষার্থীদের দাবি ন্যায্য&amp;quot; উপসংহার এই ঘটনা থেকে অনেক কিছু শেখা যায়। শিক্ষার্থীদের দাবি ন্যায্য। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions কেন শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে পুলিশ ছাদে? শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এবং উত্তেজনা পুলিশকে ছাদে আশ্রয় নিতে বাধ্য করেছে। র&amp;zwj;্যাব কীভাবে হেলিকপ্টারে উদ্ধার করেছে? র&amp;zwj;্যাব হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দ্রুত অভিযান চালিয়ে পুলিশকে উদ্ধার করেছে। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের কারণ কী? শিক্ষার্থীরা ন্যায্য দাবির জন্য বিক্ষোভ করছিল। পুলিশ কীভাবে সাড়া দিয়েছে? পুলিশ প্রথমে মাটিতে প্রতিরোধ করেছে, পরে ছাদে আশ্রয় নেয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_14.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_14.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_14.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[উত্তপ্ত সিলেট নগরী: কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, দফায়-দফায় হামলা-পাল্টা হামলা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23674</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23674</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 17:07:19 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সিলেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সিলেট নগরী বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও সংস্কৃতিক নগরী। সিলেটের বেশিরভাগ মানুষ শিক্ষার অধিকার জমিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু অনেক সময় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মিছিল অব...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_13.jpg" alt="উত্তপ্ত সিলেট নগরী: কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, দফায়-দফায় হামলা-পাল্টা হামলা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সিলেট নগরী বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও সংস্কৃতিক নগরী। সিলেটের বেশিরভাগ মানুষ শিক্ষার অধিকার জমিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু অনেক সময় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মিছিল অব্যাহত থাকে।&amp;nbsp;ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন... দফায়-দফায় হামলা-পাল্টা হামলা সিলেট নগরীতে মুসলিম সম্প্রদায়ের দফায়-দফায় হামলা হয়। এই হামলা শিক্ষার্থীদের উপর প্রভাব ফেলে। এছাড়াও, পাল্টা হামলা এই নগরীতে গড়ে উঠেছে। কোটা সংস্কারের পক্ষে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোটা সংস্কারের প্রশ্ন চর্চা হয়। অনেক শিক্ষার্থী মনে করেন যে এই সংস্কার তাদের উচ্চশিক্ষা গতির পথে বাধা তৈরি করতে পারে। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-মিছিল উত্তপ্ত সিলেট নগরীতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিক্ষোভ-মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এই মিছিলে অনেক শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে তাদের কার্যক্রম সাজিয়ে তুলে। মিছিলের গুরুত্ব শিক্ষার্থীদের মিছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় যার মাধ্যমে তারা তাদের কার্যক্রম এবং প্রতিষ্ঠানের সমস্যাগুলি সামনে নিয়ে আসতে পারে। মিছিলের উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের মিছিল অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য হল তাদের কার্যক্রমের সুযোগ দেওয়া এবং তাদের মতামত এবং পরামর্শ শোনার সুযোগ সৃষ্টি করা। মিছিলের প্রধান আয়োজনকারী উত্তপ্ত সিলেট নগরীতে মিছিলের প্রধান আয়োজনকারী হল বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র সংগঠন। মিছিলের ফলাফল মিছিলের ফলাফল হল শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমের উন্নতি এবং তাদের মতামত ও পরামর্শের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সূচিতে পরিকল্পিত করা। মিছিলের পরিকল্পনা মিছিলের পরিকল্পনা হল শিক্ষার্থীদের মতামত ও পরামর্শ শোনা এবং তারা তাদের কার্যক্রমের উন্নতির পথ দেখানো। মিছিলের প্রভাব মিছিলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মতামত এবং পরামর্শ স্বীকৃত হয়। এটি তাদের কার্যক্রমে উন্নতি এনে থাকে। পরিষ্কার উত্তরণ উত্তপ্ত সিলেট নগরীতে মিছিল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম পরিষ্কার উত্তরণ পায়। মিছিলের উন্নতি মিছিল শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমের উন্নতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। এটি শিক্ষার্থীদের মতামত ও পরামর্শ শোনার সুযোগ সৃষ্টি করে। মিছিলের সুযোগ শিক্ষার্থীদের মিছিল অনুষ্ঠানে তারা তাদের কার্যক্রমের প্রশ্ন ও সূচি নিয়ে আসতে পারে। এটি তাদের উন্নতির সুযোগ সৃষ্টি করে। উত্তপ্ত সিলেট নগরী: একটি শিক্ষামুখী নগরী সিলেট নগরী একটি শিক্ষামুখী নগরী, যেখানে শিক্ষার্থীদের উন্নতি ও প্রগতির প্রতি গভীর লালায়িত্ব রয়েছে। পরিষ্কার উত্তরণের প্রয়োজনীয়তা শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমের পরিষ্কার উত্তরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। এটি তাদের উন্নতি ও প্রগতির পথ দেখায়। মিছিলের গুরুত্ব মিছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম উন্নতি এবং প্রগতির পথে পরিষ্কার উত্তরণ পায়। মিছিলের সুযোগ মিছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উন্নতি এবং প্রগতির পথ দেখায়। মিছিলের ফলাফল মিছিলের ফলাফল হল শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমের উন্নতি এবং প্রগতির পথে পরিষ্কার উত্তরণ পায়। মিছিলের প্রভাব মিছিলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমে উন্নতি এনে থাকে এবং তাদের মতামত ও পরামর্শের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সূচিতে পরিষ্কার উত্তরণ করে। সমাপ্তি উত্তপ্ত সিলেট নগরীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-মিছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান যা তাদের কার্যক্রমের প্রগতি এবং উন্নতির পথে সাহায্য করে। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions সিলেটে কেন বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়? কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। বিক্ষোভে কতজন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন? হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন। পুলিশের সাথে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের কারণ কী? শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ হয়। হামলা-পাল্টা হামলা কেন হচ্ছে? বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা হলে পাল্টা হামলা হয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_13.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_13.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_13.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আরাভ খানের লাইভে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের আবেগী মুহূর্ত (ভিডিও)]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23673</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23673</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 17:07:57 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রংপুর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আরাভ খান আমাদের দেশের একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি। তিনি সম্প্রতি একটি লাইভ সেশনে অংশ নেন। সেখানে তিনি শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবারের সাথে কথা বলেন।&amp;nbsp;ভিডিও দেখতে ক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_12.jpg" alt="আরাভ খানের লাইভে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের আবেগী মুহূর্ত (ভিডিও)" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আরাভ খান আমাদের দেশের একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি। তিনি সম্প্রতি একটি লাইভ সেশনে অংশ নেন। সেখানে তিনি শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবারের সাথে কথা বলেন।&amp;nbsp;ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন... শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের জীবন শহীদ আবু সাঈদ ভাই ছিলেন একজন সাহসী যোদ্ধা। তিনি দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তার পরিবার তাকে অনেক ভালোবাসে। শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবারের পরিচিতি শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবারে পাঁচজন সদস্য আছেন। তারা হলেন তার স্ত্রী, দুই সন্তান, বাবা ও মা। পরিবারের সদস্য সম্পর্ক শহীদ আবু সাঈদ প্রধান ব্যক্তি মিসেস সাঈদ স্ত্রী রাহিম ছেলে মারিয়া মেয়ে মোঃ সাঈদ বাবা মিসেস সাঈদ (বৃদ্ধা) মা আরাভ খানের লাইভ সেশন আরাভ খান একটি অনলাইন লাইভ সেশন আয়োজন করেন। সেখানে তিনি শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবারের সাথে কথা বলেন। লাইভ সেশনের উদ্দেশ্য এই লাইভ সেশনের উদ্দেশ্য ছিল শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবারের সাথে মানুষের পরিচিতি করানো। তাদের সংগ্রামের কথা জানানো। লাইভ সেশনের সময় কি কি আলোচনা হয় শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের জীবনের কথা তার পরিবারের সংগ্রামের কথা তাদের বর্তমান পরিস্থিতি পরিবারের অনুভূতি শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবার অনেক আবেগপ্রবণ হয়। তারা আরাভ খানের সাথে কথা বলে অনেক খুশি হয়। পরিবারের কৃতজ্ঞতা শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের স্ত্রী বলেন, &amp;quot;আমরা আরাভ খানের প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি আমাদের কথা শুনেছেন।&amp;quot; লাইভ সেশনের প্রতিক্রিয়া লাইভ সেশনটি অনেক জনপ্রিয় হয়। অনেক মানুষ এটি দেখেন। তারা শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। মানুষের প্রতিক্রিয়া অনেক মানুষ মন্তব্য করেন। তারা শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। অনেকে তাদের সাহায্য করতে চান। আরাভ খানের প্রতিশ্রুতি আরাভ খান বলেন, &amp;quot;আমি শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবারের পাশে আছি। আমি তাদের সাহায্য করবো।&amp;quot; ভবিষ্যত পরিকল্পনা আরাভ খান আরও বলেন, &amp;quot;আমি ভবিষ্যতে আরও এমন লাইভ সেশন করবো। যেখানে মানুষের কথা শুনবো।&amp;quot; উপসংহার এই লাইভ সেশনটি অনেক মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবার তাদের সংগ্রামের কথা জানাতে পারে। আরাভ খান তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এটি একটি উদাহরণ। কিভাবে একটি লাইভ সেশন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে। Frequently Asked Questions আরাভ খানের লাইভে শহীদ আবু সাঈদ ভাই কে ছিলেন? শহীদ আবু সাঈদ ভাই একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের পরিবারের প্রতিক্রিয়া কী? তাঁরা আবেগাপ্লুত হয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। আরাভ খানের লাইভে কি আলোচনা হয়েছে? লাইভে শহীদ আবু সাঈদ ভাইয়ের আত্মত্যাগের কথা বলা হয়েছে। লাইভে কোন বিশেষ অতিথি ছিলেন? না, বিশেষ অতিথি ছিলেন না।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_12.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_12.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_12.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রামপুরা–বাড্ডায় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলা: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23672</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23672</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 16:07:09 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রামপুরা&amp;ndash;বাড্ডা এলাকায় মানুষের উপর পুলিশের হামলা দেখা গেছে। এই হামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেছেন।&amp;nbsp;ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন....]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_11.jpg" alt="রামপুরা–বাড্ডায় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলা: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রামপুরা&amp;ndash;বাড্ডা এলাকায় মানুষের উপর পুলিশের হামলা দেখা গেছে। এই হামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেছেন।&amp;nbsp;ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন... ঘটনার বিবরণ রামপুরা&amp;ndash;বাড্ডা এলাকায় পুলিশের হামলার ঘটনা ঘটেছে যা সহজেই মনোমুগ্ধকর এবং নিন্দনীয়। পুলিশের এই হামলায় গ্যাস কাঁদান, রাবার বুলেট এবং ছররা গুলি নিক্ষেপ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অবস্থা এই হামলায় অংশ নিয়েছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি স্কুল এবং কলেজের শিক্ষার্থীরা। এই হিংসাত্মক ঘটনার ফলে শিক্ষার্থীদের মানসিকতা আঘাত পেয়েছে। পুলিশের পক্ষের দাবি পুলিশ অধিকারীদের দাবি অনুযায়ী, তারা এই হামলা করেছে শান্তিপ্রিয়ভাবে এবং গোলাগুলি ছুঁড়েনি। তারা দাবি করেছেন যে, এই পদক্ষেপটি একমাত্র অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য নেওয়া হয়েছে। সহযোগিতার জরুরি প্রয়োজনীয়তা এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা প্রতিরোধ করার জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সকল পক্ষের সহযোগিতা এবং সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে যাতে এই ধরনের হামলা আর ঘটতে না পারে। সমাপ্তির কথা রামপুরা&amp;ndash;বাড্ডা এলাকায় শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের হামলার ঘটনা জানানো হয়েছে। এই ঘটনা মানুষের মানসিকতায় অশান্তি সৃষ্টি করেছে এবং সকলের সহযোগিতা এবং সমর্থন প্রয়োজন। Frequently Asked Questions কাঁদানে গ্যাস কি ক্ষতিকর? কাঁদানে গ্যাস শ্বাসকষ্ট, চোখে জ্বালা এবং ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে। রাবার বুলেট কি বিপজ্জনক? রাবার বুলেট গুরুতর আঘাত এবং স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। শিক্ষার্থীরা কেন বিক্ষোভ করছে? শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার এবং ন্যায্যতার জন্য বিক্ষোভ করছে। ছররা গুলি কি বিপদজনক? ছররা গুলি শরীরে গুরুতর আঘাত করতে পারে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_11.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_11.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_11.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কোটা সংস্কার নিয়ে যে আশ্বাস দিলেন আইনমন্ত্রী (ভিডিও)]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23671</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23671</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 16:07:14 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশে কোটা ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা কোটা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন। আইনমন্ত্রী সম্প্রতি কোটা সংস্কার নিয়ে ক...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_10.jpg" alt="কোটা সংস্কার নিয়ে যে আশ্বাস দিলেন আইনমন্ত্রী (ভিডিও)" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশে কোটা ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা কোটা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন। আইনমন্ত্রী সম্প্রতি কোটা সংস্কার নিয়ে কিছু আশ্বাস দিয়েছেন। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত) ক্ষেত্রে কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আবেদন আপিল বিভাগে শুনানির জন্য আগামী ৭ আগস্ট দিন ধার্য রয়েছে। শুনানির তারিখ এগিয়ে আনতে আপিল বিভাগে আগামী রোববার আবেদন করার জন্য নির্দেশের কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে গণভবন থেকে বেরিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, &amp;lsquo;প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঘোষণা দিতে বলেছেন যে, আগামী ৭ আগস্ট যে মামলাটি শুনানির কথা ছিল, সেই মামলার শুনানি এগিয়ে আনার জন্য ব্যবস্থা নিতে। আমি সে মর্মে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দিয়েছি যে, আগামী রোববার তিনি দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে আবেদন করবেন, যাতে মামলাটির শুনানির তারিখ তাঁরা এগিয়ে আনেন।&amp;rsquo;&amp;nbsp;ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন... কোটা ব্যবস্থা কি? কোটা ব্যবস্থা হলো সরকারের নির্ধারিত একটি নিয়ম। এটি বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের জন্য সংরক্ষিত। কোটা ব্যবস্থায় কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক পদ সংরক্ষিত থাকে। কোটা ব্যবস্থার প্রকারভেদ মুক্তিযোদ্ধা কোটা নারী কোটা প্রতিবন্ধী কোটা আদিবাসী কোটা কোটা সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে কোটা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন। আন্দোলনকারীরা মনে করেন, কোটা ব্যবস্থায় সমস্যা আছে। আন্দোলনের কারণ মেধার মূল্যায়ন কম হয় কোটা ব্যবস্থায় বৈষম্য আছে কোটা পূরণ না হলে পদ ফাঁকা থাকে আইনমন্ত্রীর আশ্বাস আইনমন্ত্রী সম্প্রতি কোটা সংস্কার নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিয়েছেন। মন্ত্রী বলেছেন, কোটা সংস্কার নিয়ে সরকার কাজ করছে। আইনমন্ত্রীর বক্তব্য আইনমন্ত্রী বলেছেন, &amp;quot;কোটা ব্যবস্থার সমস্যা আমরা বুঝতে পেরেছি। শিক্ষার্থীদের দাবি আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়েছি।&amp;quot; সরকারের পদক্ষেপ সরকার কোটা সংস্কারের জন্য কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে। কোটা সংস্কার কমিটি সরকার কোটা সংস্কারের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি কোটা ব্যবস্থার সমস্যা নির্ধারণ করবে। কমিটির কাজ কোটা ব্যবস্থার পর্যালোচনা সমস্যা চিহ্নিত করা সমাধানের প্রস্তাব দেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া আইনমন্ত্রীর আশ্বাসের পর শিক্ষার্থীরা কিছুটা সন্তুষ্ট হয়েছেন। তবে তারা দ্রুত সমাধান চান। শিক্ষার্থীদের দাবি কোটা ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ বৈষম্য দূর করা কোটা সংস্কারের ভবিষ্যৎ কোটা সংস্কার নিয়ে সরকার কাজ করছে। এই কাজ সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন। সম্ভাব্য পরিবর্তন মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ কোটা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা বৈষম্য দূরীকরণ উপসংহার কোটা সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যৌক্তিক। সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। আশা করা যায়, শীঘ্রই কোটা ব্যবস্থা সংস্কার হবে। &amp;nbsp; Frequently Asked Questions কোটা সংস্কার কি? কোটা সংস্কার হলো সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতির পরিবর্তন। আইনমন্ত্রী কোন আশ্বাস দিয়েছেন? আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোটা সংস্কারের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি কত দিনে রিপোর্ট দেবে? কমিটি তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে। কোটা সংস্কার কেন প্রয়োজন? কোটা সংস্কার প্রয়োজন যাতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত হয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_10.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_10.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_10.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কোটা নিয়ে শুনানির তারিখ এগোতে আপিল বিভাগে রোববার আবেদন: আইনমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23670</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23670</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 16:07:15 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন যে, শুনানির তারিখ এগিয়ে আনতে আপিল বিভাগে আগামী রোববার আবেদন করা হবে। তিনি জানান যে, এই পদক্ষেপটি আইনি প্রক্রিয়ার দ্রু...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_09.jpg" alt="কোটা নিয়ে শুনানির তারিখ এগোতে আপিল বিভাগে রোববার আবেদন: আইনমন্ত্রী" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন যে, শুনানির তারিখ এগিয়ে আনতে আপিল বিভাগে আগামী রোববার আবেদন করা হবে। তিনি জানান যে, এই পদক্ষেপটি আইনি প্রক্রিয়ার দ্রুততার জন্য নেওয়া হচ্ছে। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত) ক্ষেত্রে কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আবেদন আপিল বিভাগে শুনানির জন্য আগামী ৭ আগস্ট দিন ধার্য রয়েছে। শুনানির তারিখ এগিয়ে আনতে আপিল বিভাগে আগামী রোববার আবেদন করার জন্য নির্দেশের কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে গণভবন থেকে বেরিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, &amp;lsquo;প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঘোষণা দিতে বলেছেন যে, আগামী ৭ আগস্ট যে মামলাটি শুনানির কথা ছিল, সেই মামলার শুনানি এগিয়ে আনার জন্য ব্যবস্থা নিতে। আমি সে মর্মে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দিয়েছি যে, আগামী রোববার তিনি দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে আবেদন করবেন, যাতে মামলাটির শুনানির তারিখ তাঁরা এগিয়ে আনেন।&amp;rsquo; কোটা পদ্ধতির পটভূমি কোটা পদ্ধতি বাংলাদেশের এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কোটা পদ্ধতির ইতিহাস কোটা পদ্ধতি প্রথম প্রবর্তন করা হয় স্বাধীনতার পরে। এটি বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয়েছে। বর্তমান কোটা পদ্ধতি বর্তমানে কোটা পদ্ধতিতে মুক্তিযোদ্ধা, নারী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা নির্ধারিত আছে। শুনানির তারিখ এগোনোর প্রস্তাব আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, রোববার একটি আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। এতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে শুনানির তারিখ এগোনোর প্রস্তাব করা হয়েছে। আবেদনের কারণ আবেদনে বলা হয়েছে, কোটা পদ্ধতির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তা নিয়ে দ্রুত শুনানি করা প্রয়োজন। আদালতের প্রতিক্রিয়া আদালত এই আবেদন বিবেচনা করবেন। শুনানির তারিখ এগোনোর সিদ্ধান্ত নেবেন। জনমত ও প্রতিক্রিয়া কোটা পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন মহলের মতামত রয়েছে। কেউ এই পদ্ধতির সমর্থন করেন। আবার কেউ এর বিরোধিতা করেন। সমর্থকদের মতামত সমর্থকদের মতে, কোটা পদ্ধতি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়ক। এটি তাদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ দেয়। বিরোধিতাকারীদের মতামত বিরোধিতাকারীদের মতে, কোটা পদ্ধতি মেধার মূল্যায়ন কমায়। এটি মেধাবীদের প্রতি অবিচার করে। কোটা পদ্ধতির ভবিষ্যৎ কোটা পদ্ধতির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন মহল থেকে প্রস্তাব আসছে। সম্ভাব্য পরিবর্তন কোটা পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কোটা হ্রাস বা বৃদ্ধি। জনমতের ভিত্তি জনমতের ভিত্তিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সাধারণ জনগণের মতামত গুরুত্বপূর্ণ। উপসংহার কোটা পদ্ধতি বাংলাদেশের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি নিয়ে আদালতের রায় এবং জনমত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কোটা শ্রেণী শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা সরকারি চাকরি ৩০% নারী সরকারি চাকরি ১০% ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সরকারি চাকরি ৫% প্রতিবন্ধী সরকারি চাকরি ১% সর্বশেষ, আইনমন্ত্রীর এই প্রস্তাব কোটা পদ্ধতি নিয়ে নতুন আলোচনার সূচনা করেছে। Frequently Asked Questions কোটা নিয়ে শুনানির তারিখ কখন? শুনানির তারিখ এগোতে আপিল বিভাগে রোববার আবেদন করা হয়েছে। কোন মন্ত্রী এই তথ্য জানিয়েছেন? আইনমন্ত্রী এই তথ্য জানিয়েছেন। কোন আদালতে আবেদন করা হয়েছে? আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছে। কেন শুনানির তারিখ এগোনোর আবেদন? কোটা বিষয়ে দ্রুত শুনানির জন্য।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_09.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_09.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_09.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[টাঙ্গাইলে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘর্ষ, আহত ১২, আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23669</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23669</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 16:07:54 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ঢাকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এই সংঘর্ষে দুজন সাংবাদিকসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আন্দোলন চল...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_08.jpg" alt="টাঙ্গাইলে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘর্ষ, আহত ১২, আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এই সংঘর্ষে দুজন সাংবাদিকসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আন্দোলন চলাকালে শহরে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা ও আগুন ধরিয়ে দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। সংঘর্ষের সূচনা কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সকালে টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জমায়েত হন। Frequently Asked Questions টাঙ্গাইলে কোটা সংস্কার আন্দোলন কবে শুরু হয়? কোটা সংস্কার আন্দোলন আজ বৃহস্পতিবার থেকে টাঙ্গাইলে শুরু হয়। পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের কারণ কী? কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। কতজন আহত হয়েছেন টাঙ্গাইলে সংঘর্ষে? সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুজন সাংবাদিকও আছেন। আন্দোলনকারীরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে? আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা ও আগুন ধরিয়ে দেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_08.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_08.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_08.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পুলিশের কাজে বাধা ও গাড়ি ভাঙচুর মামলায় সাখাওয়াতসহ ২১ বিএনপি নেতাকর্মী গ্রেপ্তার]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23668</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23668</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 16:07:41 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[পুলিশের কাজে বাধা ও গাড়ি ভাঙচুরের একটি মামলায় বিএনপিপন্থী চিকিৎসক সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থসহ বিএনপি ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পল্টন থানা&amp;ndas...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_07.jpg" alt="পুলিশের কাজে বাধা ও গাড়ি ভাঙচুর মামলায় সাখাওয়াতসহ ২১ বিএনপি নেতাকর্মী গ্রেপ্তার" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>পুলিশের কাজে বাধা ও গাড়ি ভাঙচুরের একটি মামলায় বিএনপিপন্থী চিকিৎসক সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থসহ বিএনপি ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পল্টন থানা&amp;ndash;পুলিশ। গতকাল বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের কারণ পুলিশের দাবি, এই ২১ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা সৃষ্টি এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। তাঁরা একটি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন যা পুলিশের অনুমতি ছাড়া আয়োজিত হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ, বিএনপিপন্থী চিকিৎসক বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মী অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা অভিযান এবং গ্রেপ্তার পুলিশের একটি টিম রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। এতে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের স্থান অঞ্চল গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সংখ্যা পল্টন ৫ জন মতিঝিল ৭ জন গুলিস্তান ৯ জন আইনি প্রক্রিয়া গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলার ধারা পুলিশের কাজে বাধা গাড়ি ভাঙচুর অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ প্রতিক্রিয়া বিএনপি এই গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলছে, এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ। বিএনপির বক্তব্য বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্য বলেন, &amp;quot;এই গ্রেপ্তার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।&amp;quot; সামাজিক প্রতিক্রিয়া সামাজিক মাধ্যমে এই গ্রেপ্তার নিয়ে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন। আবার কেউ কেউ এর বিরোধিতা করছেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া কিছু মানুষ বলছেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য এটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। অন্যরা বলছেন, এটি জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর আঘাত। পরবর্তী পদক্ষেপ পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তের অগ্রগতি পুলিশের তদন্ত টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। সাক্ষী এবং প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিচার প্রক্রিয়া গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করা হবে। এরপর বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সারসংক্ষেপ পুলিশের কাজে বাধা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএনপি এই গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়েছে। Frequently Asked Questions কে সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ? সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ বিএনপিপন্থী একজন চিকিৎসক। কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে? পুলিশ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। কোথায় অভিযান চালানো হয়েছিল? রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছিল। কোন থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে? পল্টন থানা&amp;ndash;পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_07.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_07.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_07.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সিলেটে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষ!]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23667</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23667</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 16:07:22 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সিলেট]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[সিলেটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামনের সড়ক অবরোধ করেছেন। তারা বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করছেন। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_06.jpg" alt="সিলেটে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষ!" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>সিলেটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামনের সড়ক অবরোধ করেছেন। তারা বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করছেন। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। আন্দোলনের কারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান চান। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, প্রশাসন তাদের কথা শুনছে না। প্রধান দাবিগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিবেশ উন্নয়ন করা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সঠিক সময়ে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা শিক্ষকদের যথাযথ আচরণ নিশ্চিত করা আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায় শিক্ষার্থীরা প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন শুরু করেন। তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে সড়কে দাঁড়ান। তারা স্লোগান দেন এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পুলিশের হস্তক্ষেপ আন্দোলন দীর্ঘায়িত হলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। পুলিশ শিক্ষার্থীদের সড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা করে। তখনই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের কারণ পুলিশের অতিরিক্ত বল প্রয়োগ শিক্ষার্থীদের উত্তেজনা দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সংঘর্ষের পরিণতি সংঘর্ষে অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পুলিশেরও কিছু সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সন্দিহান। তারা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। সিলেটের সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া সিলেটের সাধারণ মানুষ শিক্ষার্থীদের সমর্থন করছেন। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের দাবি ন্যায্য। তারা প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ আশা করছেন। সংঘর্ষের ভিডিও ও ছবি সংঘর্ষের ভিডিও ও ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝা যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ কর্মসূচি শিক্ষার্থীরা আরও বড় আন্দোলনের পরিকল্পনা করছেন। তারা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও সমর্থন চাইছেন। আন্দোলনের প্রভাব এই আন্দোলন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব ফেলেছে। অনেক ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। সরকারের পদক্ষেপ সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। তারা প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমঝোতা করার চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও এই ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থীরাও এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন। শেষ কথা শিক্ষার্থীদের দাবি ন্যায্য। প্রশাসনের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া। সংঘর্ষের মতো ঘটনা এড়ানো প্রয়োজন। Frequently Asked Questions কেন শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছেন? শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের বিভিন্ন দাবির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সড়ক অবরোধ করেছেন। পুলিশের সাথে সংঘর্ষ কেন ঘটেছে? সংঘর্ষ হয়েছে শিক্ষার্থীদের অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করলে। শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো কী? শিক্ষার্থীরা বেশ কিছু দাবির মধ্যে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, উন্নত সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছেন। সংঘর্ষে কতজন আহত হয়েছেন? সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও পুলিশ আহত হয়েছেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_06.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_06.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_06.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কোটা আন্দোলন নিয়ে সর্বশেষ আপডেট: নতুন মোড় ও প্রভাব]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23666</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23666</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 15:07:33 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কোটা আন্দোলন বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। তারা কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবি করে। কোটা পদ্ধতির ইতিহাস কোটা পদ্ধতি বাংলাদে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_04.jpg" alt="কোটা আন্দোলন নিয়ে সর্বশেষ আপডেট: নতুন মোড় ও প্রভাব" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কোটা আন্দোলন বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। তারা কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবি করে। কোটা পদ্ধতির ইতিহাস কোটা পদ্ধতি বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত। এটি সরকারি চাকরিতে সংরক্ষিত আসন নির্ধারণ করে। বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জন্য এই কোটা নির্ধারিত হয়। কোটা পদ্ধতির শ্রেণিবিন্যাস মুক্তিযোদ্ধা কোটা নারী কোটা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটা প্রতিবন্ধী কোটা কোটা আন্দোলনের সূচনা কোটা আন্দোলনের সূচনা হয় ২০১৮ সালে। শিক্ষার্থীরা তখন এই আন্দোলন শুরু করে। তাদের দাবি ছিল কোটা পদ্ধতি বাতিল করা। তারা মনে করেছিল এটি অসাম্য তৈরি করে। আন্দোলনের কারণ শিক্ষার্থীরা মনে করেছিল, কোটা পদ্ধতি যোগ্যতার ভিত্তিতে নয়। এটি মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতি অবিচার করে। ফলে তারা আন্দোলনে নামে। আন্দোলনের গতি ও প্রতিবাদ কোটা আন্দোলন দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে সারাদেশে ছড়িয়ে যায়। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ করে। আন্দোলনের প্রভাব শিক্ষার্থীদের মনোবল বৃদ্ধি পায় সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি হয় সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয় সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকার প্রথমে আন্দোলনকে গুরুত্ব দেয়নি। পরে শিক্ষার্থীদের দাবির ব্যাপারে আলোচনা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন, কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা করা হবে। কোটা পদ্ধতির সংস্কার সরকার কোটা পদ্ধতি সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু করে। একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি কোটা পদ্ধতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে। কোটা আন্দোলনের সর্বশেষ অবস্থা বর্তমানে কোটা আন্দোলনের অবস্থা স্থিতিশীল। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি থেকে পিছপা হয়নি। তারা এখনও কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানায়। আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কোটা আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থীরা আশাবাদী, তাদের দাবি পূরণ হবে। তবে সরকার এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়নি। সংক্ষেপে কোটা আন্দোলন বিষয় বর্ণনা আন্দোলনের সূচনা ২০১৮ সালে প্রধান দাবি কোটা পদ্ধতি বাতিল সরকারের প্রতিক্রিয়া কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল উপসংহার কোটা আন্দোলন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। সরকার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমঝোতা প্রয়োজন। কোটা পদ্ধতি নিয়ে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনা দরকার। Frequently Asked Questions কোটা আন্দোলন কী? কোটা আন্দোলন বাংলাদেশে কোটা সংস্কারের দাবিতে হওয়া একটি ছাত্র আন্দোলন। কোটা আন্দোলনের পেছনের কারণ কী? এই আন্দোলন কোটা ব্যবস্থার সংস্কার ও সমতা নিশ্চিতের জন্য। কোটা আন্দোলনের প্রধান দাবিগুলি কী? প্রধান দাবিগুলি ছিল কোটা ব্যবস্থা সংস্কার ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ। কোটা আন্দোলনের ইতিহাস কী? কোটা আন্দোলনের শুরু ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[কোটা আন্দোলনকারীদের দখলে মিরপুর ১০: উত্তেজনার চরমে]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23665</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23665</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 15:07:10 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু করেছে। আন্দোলনকারীরা মিরপুর ১০ এলাকায় অবস্থান করছে। তারা কোটা পদ্ধতির সংস্কার চাইছে। কোটা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_03.jpg" alt="কোটা আন্দোলনকারীদের দখলে মিরপুর ১০: উত্তেজনার চরমে" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু করেছে। আন্দোলনকারীরা মিরপুর ১০ এলাকায় অবস্থান করছে। তারা কোটা পদ্ধতির সংস্কার চাইছে। কোটা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট কোটা পদ্ধতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের কোটার ব্যবস্থা রয়েছে। কোটা পদ্ধতিতে চাকরি ও শিক্ষায় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। কোটা পদ্ধতির কারণ কোটা পদ্ধতি প্রাথমিকভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার জন্য ছিল। তবে, অনেকেই মনে করছেন এটি এখন অন্যায় সুবিধা দিচ্ছে। আন্দোলনের কারণ শিক্ষার্থীরা মনে করছেন কোটা পদ্ধতি অযৌক্তিক। তারা সাধারণ মেধাবীদের বঞ্চিত করছে। এজন্যই তারা আন্দোলনে নেমেছে। &amp;nbsp; মিরপুর ১০ এর পরিস্থিতি মিরপুর ১০ এলাকায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছে। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে। পুলিশও সেখানে উপস্থিত রয়েছে। তবে, পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। &amp;nbsp; আন্দোলনের দাবি কোটা পদ্ধতির সংস্কার মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ সমান সুযোগ নিশ্চিত করা আন্দোলনের প্রভাব কোটা আন্দোলন বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রভাব ফেলেছে। শিক্ষার্থীরা এখন আরও সচেতন। তারা নিজেদের অধিকার নিয়ে কথা বলছে। সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকার কোটা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করছে। তারা শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করছে। তবে, এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কোটা আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কোটা আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি আদায় করতে পারবেন কি না, তা সময়ই বলবে। কোটা আন্দোলনের ইতিবাচক দিক কোটা আন্দোলন শিক্ষার্থীদের মধ্যে একতা সৃষ্টি করেছে। তারা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়েছে। কোটা আন্দোলনের নেতিবাচক দিক আন্দোলনের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে। উপসংহার কোটা আন্দোলন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি নিয়ে সোচ্চার হয়েছে। সরকারের উচিত শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করা। Frequently Asked Questions কী কারণে কোটা আন্দোলন শুরু হয়েছিল? কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ছাত্ররা এই আন্দোলন শুরু করে। মিরপুর ১০-এ কোটা আন্দোলনের প্রভাব কী? মিরপুর ১০ এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কোটা আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য কী? সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার। মিরপুর ১০-এ আন্দোলনকারীরা কীভাবে সংগঠিত হয়েছিল? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সরাসরি মিটিং এর মাধ্যমে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[গাজীপুরে মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ–মিছিল: নিরাপত্তা ও অধিকার দাবি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/whole-country/23664</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/whole-country/23664</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 14:07:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[পুরোদেশ]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ঢাকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar, bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[গাজীপুরে মহাসড়কে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ&amp;ndash;মিছিল করেছে। তাঁরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে। গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ&amp;ndash;মিছিল জনজীবনে বিশৃঙ্খলা...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_02.jpg" alt="গাজীপুরে মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ–মিছিল: নিরাপত্তা ও অধিকার দাবি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>গাজীপুরে মহাসড়কে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ&amp;ndash;মিছিল করেছে। তাঁরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে। গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ&amp;ndash;মিছিল জনজীবনে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে মহাসড়কে বিক্ষোভ করেছে। শিক্ষার্থীরা দাবি করছে, সড়কে নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও দুর্ঘটনা কমানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের মতে, সড়কে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে এবং প্রশাসনের উদাসীনতা এর মূল কারণ। শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে, যার ফলে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এই বিক্ষোভের ফলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছে। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। শিক্ষার্থীদের দাবি দ্রুত মেনে নেওয়া জরুরি। গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের কারণ গাজীপুরে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে বিক্ষোভ করেছে। সম্প্রতি এক শিক্ষার্থীকে বাস চাপা দেয়। এতে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে নামে। তাদের দাবি ন্যায্য বলে মনে করেন অনেকেই। শিক্ষার্থীদের প্রথম দাবি ছিল সুষ্ঠু বিচার। তারা নিরাপদ সড়কের দাবি জানায়। আরও দাবি ছিল বাস চালকদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। শিক্ষার্থীরা সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের দাবি করে। তারা নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চায়। &amp;nbsp; মহাসড়কে বিক্ষোভের প্রভাব গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের কারণে মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। পরিবহন সমস্যার জন্য সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছেন। যানবাহনগুলো কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিল। বাস, ট্রাক ও প্রাইভেট কার চলাচল ছিল ব্যাহত। জনজীবনে ভোগান্তি বেড়েছে। সাধারণ মানুষ বিক্ষোভের কারণে খুবই বিরক্ত। অনেকেই সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ছাত্রছাত্রীদের সমর্থন থাকলেও, যানজটের কারণে তারা অসন্তুষ্ট। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মতামত শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে চায়। তারা বলে, নিরাপদ সড়ক তাদের প্রাপ্য। এক শিক্ষার্থী জানায়, &amp;quot;আমরা দুর্ঘটনা চাই না।&amp;quot; আরেকজন বলে, &amp;quot;আমাদের জীবন মূল্যবান।&amp;quot; মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কলেজের ছাত্রনেতারা। তারা সংগঠিত ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। নেতৃত্বের মাধ্যমে শৃঙ্খলা বজায় রাখছে। এক নেতা বলেন, &amp;quot;আমরা একতাবদ্ধ।&amp;quot; অন্য একজন যোগ করেন, &amp;quot;আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট।&amp;quot; &amp;nbsp; আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ নিশ্চিত করতে পুলিশ আলোচনা করে। বিক্ষোভকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বেষ্টনী তৈরি করে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বেশি সংখ্যা মোতায়েন করে। প্রাথমিক চিকিৎসা সরবরাহের জন্য মেডিকেল টিম রাখা হয়। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে মোবাইল কোর্ট চালানো হয়। ট্রাফিক ব্যবস্থা সুষ্ঠু রাখতে বিকল্প রুট দেওয়া হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিক্রিয়া গাজীপুরে মহাসড়কে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ&amp;ndash;মিছিল করেছে। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। বিক্ষোভের ফলে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষের মতামত স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো বিবেচনা করা উচিত। কর্তৃপক্ষের মতে, শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান করা জরুরি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রশাসনের সাহায্য চাইছে। তাদের মতামত হলো, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক। শিক্ষকদের বক্তব্য শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ বুঝতে পারেন। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা উচিত। শিক্ষকদের মতে, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ রাখা জরুরি। তাদের বক্তব্য হলো, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার আছে। শিক্ষকদের মতে, প্রশাসন ছাত্রদের কথা শুনুক। মহাসড়কে নিরাপত্তার বর্তমান অবস্থা বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বেশি। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ দুর্ঘটনায় আহত হয়। প্রতিমাসে গাজীপুরে প্রায় ৫০টি দুর্ঘটনা ঘটে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৬০০। সড়ক নিরাপত্তার জন্য প্রশাসন কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ মহাসড়কে নিয়মিত টহল দেয়। নতুন সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে। এই সব উদ্যোগের ফলে দুর্ঘটনা কিছুটা কমেছে। &amp;nbsp; সরকারের প্রতিক্রিয়া গাজীপুরে মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-মিছিলের পর সরকার তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়েছে। নিরাপত্তা বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারি বিবৃতি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ&amp;ndash;মিছিল নিয়ে সরকার তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে মাঠে নেমেছে। সম্ভাব্য পদক্ষেপ সরকার নিরাপত্তা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। পুলিশ মোতায়েন করা হবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হবে। কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের মতের গুরুত্ব দিচ্ছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ শিক্ষার্থীরা পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে সমাবেশ আয়োজন করবে। তারা কোর্টে যাবে এবং আইনগত পদক্ষেপ নিবে। শিক্ষার্থীরা মিডিয়ার সাথে যোগাযোগ করবে। তারা সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করবে প্রচারের জন্য। সকল শিক্ষার্থী একত্রিত হবে এবং একক সিদ্ধান্ত নিবে। সমাধানের প্রস্তাবনা হিসেবে শিক্ষার্থীরা কিছু দাবি পেশ করেছে। তারা সড়ক নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি করেছে। ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করার পরামর্শ দিয়েছে। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট উন্নত করার দাবি জানিয়েছে। শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট বাস স্টপেজের ব্যবস্থা চেয়েছে। তারা ড্রাইভারদের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে। Frequently Asked Questions গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের কারণ কী? গাজীপুরে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে বিক্ষোভ করেছে নিরাপদ সড়কের দাবিতে। তারা দ্রুতগতির গাড়ির কারণে দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। বিক্ষোভের কারণে মহাসড়কে কী প্রভাব পড়েছে? বিক্ষোভের কারণে মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হয়। যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতে অসুবিধা হয়। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা কী পদক্ষেপ নিয়েছে? শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে মিছিল করেছে। তারা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে স্লোগান দিয়েছে এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া কী ছিল? প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছে। তারা দ্রুতগতির গাড়ি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। Conclusion গাজীপুরে মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ&amp;ndash;মিছিল আমাদের সমাজে বড় বার্তা প্রেরণ করেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি ও আন্দোলন গুরুত্বপূর্ন। এই পরিস্থিতি সমাধানে কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। সকলের সহযোগিতায় সমস্যার সমাধান সম্ভব। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তাদের দাবির প্রতি সম্মান জানানো উচিত।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_17-07-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[মিরপুর–১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ পুলিশের অভিযান]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23663</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23663</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 18 Jul 2024 13:07:36 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bangla news24,ananda khabar,bangla news,bangla news today,bangladesh news,atn bangla news,bd news bangla,bangladeshi news,bangla news live,bangla tv news,atn news,bnp news,atn bangla,bd news,bangla khobor,ajker bangla khobor,atn google news,google news,us news,america news,atn bangla program,today bd news,latest bangladeshi news,khaleda zia news,jamuna news,atn bd news,today news,ajker news,somoy news,online news,bbc news bangla,bd news today,election news, bangla news, #anandakhabar, #aknews, #irannews, #gazanews, #banglanewstoday, #radio_tehran, #tehran, #bangladesh, #Save_Bangladeshi_students, #ALjazerra, #Bbcnews, #CNN, #TheWashingtonPost, #TheNewYorkTimes, #TheGuardian, #BBC, #AlJazeeraEnglish, #TheWallStreetJournal, #CNBC, #DhruvRathee, #UnitedNations, #NewYorkTimesOpinion, #ABCNews, #NewYorkPost, #ProjectNightfall, #AbhiandNiyu, #QuotaReformProtest]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মিরপুর&amp;ndash;১০ নম্বর গোলচত্বর একটি ব্যস্ত এলাকা। এখানে প্রতিদিন অনেক মানুষ চলাচল করে। সাম্প্রতিক সময়ে, মিরপুর&amp;ndash;১০ নম্বর গোলচত্বরে একটি বিশেষ ঘটনা ঘটে। পুল...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z1.jpg" alt="মিরপুর–১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ পুলিশের অভিযান" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মিরপুর&amp;ndash;১০ নম্বর গোলচত্বর একটি ব্যস্ত এলাকা। এখানে প্রতিদিন অনেক মানুষ চলাচল করে। সাম্প্রতিক সময়ে, মিরপুর&amp;ndash;১০ নম্বর গোলচত্বরে একটি বিশেষ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এই ঘটনা সবাইকে অবাক করে দেয়। &amp;nbsp; &amp;nbsp; সাউন্ড গ্রেনেড কী? &amp;nbsp; সাউন্ড গ্রেনেড একটি বিশেষ ধরনের বিস্ফোরক। এটি শব্দ ও আলো তৈরি করে। এটি মানুষকে বিভ্রান্ত করে। কেন সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়? সাউন্ড গ্রেনেড সাধারণত পুলিশের কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি অপরাধীদের আটকাতে ব্যবহৃত হয়। মিরপুর&amp;ndash;১০ এ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা মিরপুর&amp;ndash;১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় একটি বিশেষ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। ঘটনার পটভূমি একদিন মিরপুর&amp;ndash;১০ এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। অনেক মানুষ জড়ো হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের কারণ পুলিশ ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এটি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। মানুষের প্রতিক্রিয়া অনেক মানুষ ভয় পায়। তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তবে পরিস্থিতি শান্ত হয়। সাউন্ড গ্রেনেডের প্রভাব সাউন্ড গ্রেনেডের প্রভাব অনেক। এটি মানুষের মনে ভয় সৃষ্টি করে। স্বাস্থ্যগত প্রভাব সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দ কানে সমস্যা করতে পারে। এটি মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। সামাজিক প্রভাব অর্থনৈতিক প্রভাব বাজার ও ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। মানুষের আর্থিক ক্ষতি হয়। পুলিশের দায়িত্ব পুলিশের দায়িত্ব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করে। পুলিশের প্রশিক্ষণ পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করার প্রশিক্ষণ পায়। তারা এটি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে জানে। মানবিক দিক পুলিশ মানবিকভাবে কাজ করে। তারা মানুষের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে। সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের নিয়ম সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের কিছু নিয়ম আছে। পুলিশ এসব নিয়ম মেনে চলে। আইনি নিয়ম সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারে আইন আছে। পুলিশ আইন মেনে এটি ব্যবহার করে। নিরাপত্তা নিয়ম সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। এটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়। ভবিষ্যতে করণীয় ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি পুলিশের প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি করতে হবে। তারা আরও দক্ষ হতে হবে। মানুষের সচেতনতা মানুষকে সচেতন করতে হবে। তারা যেন নিয়ম মেনে চলে। আইন প্রয়োগ আইন প্রয়োগ কঠোর করতে হবে। সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। উপসংহার মিরপুর&amp;ndash;১০ এ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা একটি শিক্ষণীয় বিষয়। পুলিশ ও জনগণ উভয়েরই করণীয় আছে। Frequently Asked Questions কীভাবে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ নিয়ে? পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয় পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে সম্পূর্ণ সক্ষম। কেন মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ প্রয়োজন? মিরপুর-১০ নম্বর এলাকা বৃহৎ এবং সকলের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ প্রয়োজন। সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করার সময় কি সাবধানি অবলম্বন করতে হয়? সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করার সময় প্রাথমিক সুরক্ষা প্রেরণ ও সাবধানি অবলম্বন করতে হয়। সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করার আগে কী প্রয়োজনীয়? সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করার আগে প্রয়োজনীয় ভাল প্রশিক্ষণ এবং প্রস্তুতি করা প্রয়োজন। &amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z1.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/z1.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/z1.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[তথ্য কমিশনে আজ ৮টি অভিযোগ নিষ্পত্তি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23662</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23662</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 15 Jul 2024 16:07:11 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[তথ্য কমিশন বাংলাদেশে আজ সোমবার (১৫ জুলাই) তারিখে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় ১০টি অভিযোগের শুনানী করে ৮টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তিনটি অভিযোগে দায়িত্বপ্রাপ্ত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-information-commission.jpg" alt="তথ্য কমিশনে আজ ৮টি অভিযোগ নিষ্পত্তি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>তথ্য কমিশন বাংলাদেশে আজ সোমবার (১৫ জুলাই) তারিখে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় ১০টি অভিযোগের শুনানী করে ৮টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তিনটি অভিযোগে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী দুটিতে জরিমানা আরোপ, অপর একটিতে বিভাগীয় মোকদ্দমার সুপারিশ করা হয়েছে। তথ্য কমিশন বাংলাদেশ এর প্রধান তথ্য কমিশনার ডক্টর আবদুল মালেক এবং তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক শুনানী গ্রহণ করেন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-information-commission.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-information-commission.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/2-information-commission.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বিইউপি ও নগদ যৌথভাবে চালু করছে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন কোর্স]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23661</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23661</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 15 Jul 2024 15:07:00 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন দারুণ জনপ্রিয় একটি বিষয়। অনেকের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঠিকভাবে না জানার কারণে কন্টেন্ট ক্রিয়েশনে ভালো করতে পারেন...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-07-24_01.jpg" alt="বিইউপি ও নগদ যৌথভাবে চালু করছে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন কোর্স" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন দারুণ জনপ্রিয় একটি বিষয়। অনেকের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঠিকভাবে না জানার কারণে কন্টেন্ট ক্রিয়েশনে ভালো করতে পারেন না। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল-এর (বিইউপি) সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ লিমিটেড।&amp;nbsp; সম্প্রতি বিইউপি ক্যাম্পাসে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে নগদ ও বিইউপি। বিউপির পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারপারসন লে. কর্নেল মাসুদুর রহমান খান ও নগদের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সোলায়মান স্বাক্ষর করেন। এ সময় নগদের হেড অব মার্কেটিং স্ট্রাটেজি অ্যান্ড প্ল্যানিং মনসুরুল আজিজ, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক আরিফুল ইসলাম, সহকারী ব্যবস্থাপক তানহা ওয়াহিদ আদৃতাসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।&amp;nbsp; ফলে চলতি মাস থেকে বিইউপির সাংবাদিকতা বিভাগে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন কোর্স চালু হবে। এর জন্য প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে গিয়ে আগ্রহী শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় ফরম পূরণ করে ৫১০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে। এরপর বিইউপির প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী বাকি প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য যে ফি প্রদান করবেন, সেটিও নগদের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক প্রদান করতে পারবেন। &amp;nbsp; এই কোর্সে সফলভাবে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এই কোর্সে ভালো করা শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের মতো নগদের দেওয়া &amp;lsquo;ক্রিয়েটরশিপ&amp;rsquo; ইন্টার্নশিপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। বিইউপির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক এবং বিভিন্ন দক্ষ পেশাদার ব্যক্তিদের মাধ্যমে এই কোর্স পরিচালিত হবে। ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই কোর্সে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। নগদের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সোলায়মান বিইউপির সাথে চুক্তির বিষয়ে বলেন, &amp;lsquo;নগদ শুরু থেকেই প্রযুক্তিগত দিক থেকে শুরু করে উদ্ভাবনী সব ভাবনা নিয়ে কাজ করছে। যার কারণে আমরা দেশের বাইরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশেও কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের বিষয়ে যারা ভালোভাবে জানতে আগ্রহী, তাদের জন্য বিইউপির সাথে যৌথভাবে এই কোর্স চালু হচ্ছে। আশা করি এখান থেকে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন এবং মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরি করতে পারবেন।&amp;rsquo;&amp;nbsp; চুক্তির বিষয়ে বিইউপির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারপারসন লে. কর্নেল মাসুদুর রহমান খান বলেন, &amp;lsquo;দেশে প্রথমবারের মতো কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের ওপর বিইউপি ও নগদ এমন একটি কোর্স নিয়ে আসছে। এই কোর্সে অত্যাধুনিক মিডিয়া ল্যাব ব্যবহার করে প্রতি শুক্র ও শনিবার দেশের সেরা পেশাদার ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মাধ্যমে মানসম্মত কন্টেন্ট ক্রিয়েশন শিখতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।&amp;rsquo;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-07-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-07-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_15-07-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণ পদক পেল দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23660</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23660</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 14 Jul 2024 20:07:11 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে &amp;lsquo;জাতীয় রপ্তানি ট্রফি&amp;rsquo;র স্বর্ণ পদক গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তম...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_04.jpg" alt="জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণ পদক পেল দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে &amp;lsquo;জাতীয় রপ্তানি ট্রফি&amp;rsquo;র স্বর্ণ পদক গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানিতে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় রপ্তানি ট্রফি&amp;rsquo;র স্বর্ণ পদক পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। আগের অর্থবছরেও জাতীয় রপ্তানি ট্রফি অর্জন করেছিল বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ রপ্তানিকারক মাল্টিন্যাশনাল এই ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান। &amp;nbsp; দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ রোববার (১৪ জুলাই, ২০২৪) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৩২টি পণ্য খাতের মোট ৭৭টি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি&amp;rsquo;র স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানিতে স্বর্ণ পদক অর্জন করেছে ওয়ালটন।&amp;nbsp; অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণ পদক গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি।&amp;nbsp; পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী বলেন, এক সময়ের সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভরতা কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন &amp;nbsp;ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিদেশে রপ্তানি করছে। নিঃসন্দেহে এটা অত্যন্ত গর্বের। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটনকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করায় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। তিনি জানান, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন শিল্পের টেকসই বিকাশে বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল ভবিষ্যত তৈরি করছে ওয়ালটন। বর্তমানে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার ৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করছে &amp;lsquo;মেড ইন বাংলাদেশ&amp;rsquo; ট্যাগযুক্ত ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য। প্রচুর পরিমান বৈদেশিক মুদ্রার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক সুনাম অর্জন করছে ওয়ালটন। এতে করে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হচ্ছে।&amp;nbsp; বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু&amp;rsquo;র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো&amp;rsquo;র ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং বাণিজ্য সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন।&amp;nbsp; ওয়ালটনের গ্লোবাল বিজনেস শাখা জানায়, দেশের রপ্তানিমুখী ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হলে উন্নত বিশ্বে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে পথ আরো সুগম হবে। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানকে সহজ শর্তে সহজ সুদে ব্যাংক ঋণ প্রদান করা হলে দেশের ইলেকট্রিক্যাল ও &amp;nbsp;ইলেকট্রনিক্স পণ্যের রপ্তানি আয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।&amp;nbsp; বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন। ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ উন্নত বিশ্বের বাজারে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছে। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের উদ্ভাবনী পণ্যের পাশাপাশি ইউরোপ ও আমেরিকার স্ট্যান্ডার্ড, আবহাওয়া এবং ক্রেতাদের চাহিদা ইত্যাদি বিষয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা চালাচ্ছে ওয়ালটনের রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন &amp;nbsp;সেন্টারের প্রকৌশলীরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় মেলাতেও অংশ নিচ্ছে ওয়ালটন। ইতোমধ্যে ২০২৩ সালে আমেরিকার লাস ভেগাসে কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্সের সর্ববৃহৎ মেলা &amp;lsquo;সিইএস ফেয়ার&amp;rsquo; এবং চীনের ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিয়ে ভালো সাড়া পেয়েছে ওয়ালটন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[প্রাইম ব্যাংক ও আইএফসি’র মধ্যে ৯০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23659</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23659</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 14 Jul 2024 19:07:42 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[Ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নির্ভর মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এমএসএমই) সহায়তায় ৯০ মিলিয়ন ডলারের টার্ম লোন চুক্তি করেছে বেসরকারি প্রাইম ব্যাংক পিএলসি এবং...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-img_20240714_190855.png" alt="প্রাইম ব্যাংক ও আইএফসি’র মধ্যে ৯০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নির্ভর মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এমএসএমই) সহায়তায় ৯০ মিলিয়ন ডলারের টার্ম লোন চুক্তি করেছে বেসরকারি প্রাইম ব্যাংক পিএলসি এবং বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের সদস্য ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)। এই বিনিয়োগের উদ্দেশ্য হলো- বাংলাদেশের এমএসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য আর্থিক সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো, যার মাধ্যমে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতা বাড়বে। &amp;nbsp; বাংলাদেশের এসএমই খাতে প্রায় ১০ মিলিয়ন উদ্যোক্তা রয়েছেন, যেখানে প্রায় ২৪ মিলিয়ন মানুষ নিয়োজিত রয়েছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এখাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে এ খাতের অবদান ২৫ শতাংশ, ২০৩০ সালে এ অবদান বেড়ে দাঁড়াবে ৩৫ শতাংশে। যদিও এ খাতের উদ্যোক্তারা মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক সীমাবদ্ধতাসহ নানামুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন। তবে এখাতের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে অনেক সম্ভাবনা আছে। বর্তমানে এ খাতের ৩৯ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন ঘাটতি কমাতে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রাহণ করা হয়েছে। &amp;nbsp; আইএফসি&amp;rsquo;র এই বিনিয়োগের প্রধান লক্ষ্য প্রাইম ব্যাংকের সক্ষমতা বাড়িয়ে এমএসএমই খাতে অর্থায়ন বাড়ানো এবং এ খাতের অর্থায়ন ঘাটতি কমাতে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা। এই উদ্যোগ এখাতে শুধু তাৎক্ষণিক তারল্য চাহিদাই পূরণ করবে না বরং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর জন্য অত্যাবশ্যকীয় খাতগুলোকেও সহায়তা করবে, বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ফলে যেসব খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। &amp;nbsp; সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি&amp;rsquo;র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান ও. রশীদ এবং আইএফসি&amp;rsquo;র এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের রিজিওনাল ইন্ডাস্ট্রি ডিরেক্টর অ্যালেন ফরলেমু নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। &amp;nbsp; প্রাইম ব্যাংক পিএলসি&amp;rsquo;র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান ও. রশীদ বলেন, &amp;lsquo;এই সহযোগীতা প্রাইম ব্যাংকের প্রতি আইএফসি&amp;rsquo;র আস্থা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন। আমাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে আইএফসি&amp;rsquo;র সাথে দশকব্যাপী দীর্ঘ অংশীদারিত্ব সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের প্রতি ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য আমরা আইএফসি&amp;rsquo;র প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের এমএসএমই ক্লায়েন্টদের সহায়তার জন্য ৯০ মিলিয়ন ডলারের নতুন এই অর্থায়ন নিঃসেন্দেহে আমাদের এমএসএমই পোর্টফোলিও বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।&amp;rsquo; &amp;nbsp; আইএফসি&amp;rsquo;র এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের রিজিওনাল ইন্ডাস্ট্রি ডিরেক্টর অ্যালেন ফরলেমু বলেন, &amp;lsquo;প্রাইম ব্যাংকে আমাদের বিনিয়োগ বাংলাদেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিশেষ করে নারী নেতৃত্বে পরিচালিত এমএসএমই খাতকে ক্ষমতায়ন করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এমএসএমই খাতে আর্থিক সুবিধা বাড়ানো এবং আর্থিক ইকোসিস্টেম শক্তিশালী করার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের সমন্বিত প্রবৃদ্ধি এবং অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করতে চাই। আমরা আশা করি যে, আমাদের সমর্থন এমএসএমই খাতে শুধু আর্থিক সুবিধাই বাড়াবে না বরং বৃহত্তর বাজারের স্থিতিশীলতা বাড়াবে, যা বাংলাদেশের এমএসএমই খাতে আরও বিনিয়োগ আকর্ষণে সক্ষম হবে।&amp;rsquo; &amp;nbsp; প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশের একটি নেতৃস্থানীয় বেসরকারি খাতের বাণিজ্যিক ব্যাংক। ২০২৩ সালে ব্যাংকের গ্লোবাল ট্রেড ফাইন্যান্স প্রোগ্রাম (জিটিএফপি)-এর অধীনে আইএফসি কর্তৃক ব্যাংকটি স্বীকৃত এবং পুরস্কৃত হয়েছিল। এই সুবিধাটি আইএফসি থেকে প্রাইম ব্যাংকের বিদ্যমান আর্থিক সহায়তা পেতে সহায়তা করে। আইএফসি থেকে পাওয়া সহায়তাগুলোর মধ্যে রয়েছে- ৫০ মিলিয়ন ডলারের ক্যাপিটাল লোন সুবিধা এবং গ্লোবাল ট্রেড ফাইন্যান্স প্রোগ্রামের আওতায় ৮০ মিলিয়ন ডলারের ক্রেডিট গ্যারান্টি সুবিধা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-img_20240714_190855.png" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-img_20240714_190855.png" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-img_20240714_190855.png]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ইউসিবি’তে মোনাশ ফাউন্ডেশনের ওরিয়েন্টেশন শুরু]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23658</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23658</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 14 Jul 2024 18:07:28 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[Nbs24]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ ১৪ জুলাই ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশে (ইউসিবি) মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার (এমইউএফওয়াই) প্রোগ্রামের নবম ইনটেকের ওরিয়েন্টেশন সেশন শুরু হয়েছে। গত জানুয়ারিত...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/img-20240714-wa0001.jpg" alt="ইউসিবি’তে মোনাশ ফাউন্ডেশনের ওরিয়েন্টেশন শুরু" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ ১৪ জুলাই ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশে (ইউসিবি) মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার (এমইউএফওয়াই) প্রোগ্রামের নবম ইনটেকের ওরিয়েন্টেশন সেশন শুরু হয়েছে। গত জানুয়ারিতে চলতি বছরের প্রথম ইনটেকের ওরিয়েন্টেশন সফলভাবে শেষ হওয়ার পর এবারে শুরু হতে যাচ্ছে বছরের দ্বিতীয় ব্যাচের কার্যক্রম।&amp;nbsp; ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের বিশ্বখ্যাত এমইউএফওয়াই প্রোগ্রাম এবং ইউসিবি ও মোনাশের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষাপদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়। আয়োজনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্যও নির্ধারিত ওরিয়েন্টেশনের ব্যবস্থা ছিল, যেখানে তাদের বিভিন্নরকম এমইউএফওয়াই প্রোগ্রামের খুঁটিনাটি এবং শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রাম শেষ করে কীভাবে মোনাশ ও বিশ্বমানসম্পন্ন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন তা বিস্তারিত জানানো হয়। &amp;nbsp; আয়োজনে ইউসিবি&amp;rsquo;র পক্ষ থেকে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ডিন অব অ্যাকাডেমিক অ্যাফেয়ার্স অধ্যাপক মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন এবং ইউসিবি&amp;rsquo;র প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট অধ্যাপক হিউ গিল। আয়োজনে মোনাশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মোনাশ ইউনিভার্সিটির ইউনিভার্সিটি মার্কেটিং, অ্যাডমিশনস অ্যান্ড কমিউনিকেশনস আজরা করিম ও মোনাশ ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, মার্কেটিং অ্যান্ড ফিউচার স্টুডেন্টস ড্যানিয়েল লাম। মোনাশের এই দলটি অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন মোনাশ প্রোগ্রাম এবং এমইউএফওয়াইয়ে পড়াশোনা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সকলকে জানান। এছাড়াও, শিক্ষার্থীরা এমইউএফওয়াই প্রোগ্রাম থেকে কী অর্জন করতে পারবেন, ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এ সম্পর্কে তাদের জানান সিনিয়র লেকচারার ও এমইউএফওয়াই প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আমব্রিন জামান।&amp;nbsp; এ বিষয়ে ইউসিবি&amp;rsquo;র প্রেসিডেন্ট ও প্রভোস্ট অধ্যাপক হিউ গিল বলেন, &amp;ldquo;ঢাকায় ইউসিবি এমইউএফওয়াইয়ের ফলাফল এখন অস্ট্রেলিয়ায় মোনাশের থেকেও ভালো। এমইউএফওয়াই সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা বিশ্বের ৪০টি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে। আর আমাদের সকল শিক্ষার্থীই এ প্রোগ্রাম থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে এবং আমাদের এখানে ভর্তির হারও বাড়ছে। আমাদের এই সাফল্য বাংলাদেশে বসেই বিশ্বমানের শিক্ষার স্বপ্নপূরণ করতে এবং সামনের দিকে এগিয়ে যেতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আরও বেশি অনুপ্রাণিত করছে। আমাদের সকল শিক্ষার্থীর জন্য সেরা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশগ্রহণ এবং পেশাগত জীবনে সফল হওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে সুযোগ তৈরি করতে পেরে ইউসিবি অত্যন্ত গর্বিত।&amp;rdquo;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/img-20240714-wa0001.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/img-20240714-wa0001.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/img-20240714-wa0001.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৪’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হলো]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23657</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23657</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 14 Jul 2024 17:07:29 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অডিটোরিয়াম, আইসিটি টাওয়ার, আগারগাঁও, ঢাকায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রয...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_03.jpg" alt="‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৪’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হলো" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অডিটোরিয়াম, আইসিটি টাওয়ার, আগারগাঁও, ঢাকায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক আনুষ্ঠানিকভাবে ২৭ এবং ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য &amp;#39;বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৪&amp;#39;-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এশিয়ার দ্রুতবর্ধনশীল সম্ভাবনার বাজারগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরো উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে, &amp;lsquo;স্মার্ট বাংলাদেশ: এন্ডলেস পসিবিলিটিজ&amp;rsquo; থিম নিয়ে দ্বিতীয় বছরের মতো আয়োজন হচ্ছে &amp;lsquo;বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট&amp;#39;। আইসিটি বিভাগের সেক্রেটারি এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড-এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শামসুল আরেফিন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এছাড়াও আয়োজকদের দিক থেকে উপস্থিত ছিলেন স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর সামি আহমেদ, সামিটটির ইভেন্ট পার্টনার উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেড থেকে ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাব্বির রহমান তানিম, কম্যুনিকেশন পার্টনার এশিয়াটিক মাইন্ডশেয়ার লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোরশেদ আলম এবং ম্যানেজিং পার্টনার তাসনুভা আহমেদ টিনা-সহ প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাওয়ারড বাই স্পন্সর&amp;mdash; এসবিকে টেক ভেঞ্চারস থেকে ফাউন্ডার অ্যান্ড ম্যানেজিং পার্টনার, সোনিয়া বশির কবির এবং সিইও অব এক্সেলারেট হার, মুনজারিন মাহবুব অবনি; প্রিমিয়াম স্পন্সরদের মধ্য থেকে&amp;mdash; আমি প্রবাসী লিমিটেড-এর সিইও অ্যান্ড কো-ফাউন্ডার নামির আহমেদ নুরি, এবং বিজনেস অপারেশন লিড, আহসানুল হক আদনান; এবং নেক্সট ভেঞ্চারস-এর চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার সৈয়দ আবদুল্লাহ জায়েদ এবং চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার সৈয়দ আবদুল্লাহ গালিব। অনুষ্ঠানটি সামি আহমেদের স্বাগত বক্তব্য দিয়ে শুরু হয়, তারপর সামিট ইভেন্টটির প্ল্যান এবং ডিজাইনের দিকগুলো নিয়ে আগত অতিথিদেরকে সেখানে বিস্তারিত ধারণা দেন উইন্ডমিল-এর সাব্বির রহমান তানিম। দেশের বাইরে থেকে বিজনেস ও স্টার্টআপ জগতের কোন্ গুরুত্বপূর্ণ ভেঞ্চার ক্যাপিটলিস্ট-গণ এবং ইনভেস্টর অর্গানাইজেশন-গুলো এই ইভেন্টে অংশ নিতে আসছেন, সেই বিষয়েও জানানো হয়। মাইন্ডশেয়ার-এর মোরশেদ আলম তার বক্তব্যে, &amp;#39;বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৪&amp;#39; সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন, সেই সাথে ইভেন্টের আগে-পরে এবং সমস্ত আয়োজন চলাকালে পুরো সামিটের বিষয়ে আগ্রহী এবং সংশ্লিষ্ট নাগরিক-সহ সব মহলকে যথাযথভাবে অবগত করার পরিকল্পনা সবার সামনে তুলে ধরেন।&amp;nbsp; বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট-এর ২০২৩ সালের ব্যাপক সাফল্যের ধারাবাহিকতায়, এই বছরের আয়োজনটি আন্তর্জাতিক কম্যুনিটির কাছ থেকে বিশেষ সাড়া পেয়েছে। ১০০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারী নিয়ে বিশ্বব্যাপী দ্বিগুণ হয়েছে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা। সামিটে ৫৫+ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এবং বিনিয়োগ সংস্থার পাশাপাশি, বহু সংখ্যক অ্যাঞ্জেল বিনিয়োগকারী, স্টার্টআপ উৎসাহী এবং আন্তর্জাতিক স্টার্টআপ হোস্ট করবে। ভারতের ইউনিকর্ন স্টার্টআপ আপগ্রেড-এর এমডি মিঃ মায়াঙ্ক, সিলিকন ভ্যালির গ্লোবাল স্টার্টআপস, বাংলাদেশের বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠাতাদের মতো সম্মানিত ব্যক্তিরা মূল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থাকবেন। সারা বিশ্ব থেকে ১০০ জনেরও বেশি প্রসিদ্ধ বক্তা, ৩০+ আকর্ষণীয় সেশনের প্রতিশ্রুতি এই আয়োজনকে আঞ্চলিক স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে পরিণত করেছে। সামিটে এআই অ্যান্ড টেকনোলজি, স্টার্টআপ এডুকেশন, দ্য আর্ট অফ ফান্ডরেইজিং, ফিনটেক, এডটেক, ক্লাইমেট ভালনারেবিলিটি, ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট, লজিস্টিকস, মোবিলিটি অ্যান্ড ই-কমার্স, আরএমজি শোকেসিং এবং ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিটেক-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে কাভার করে সেশনের আয়োজন থাকবে। অংশগ্রহণকারীদের জন্য দিনব্যাপী শোকেস, প্রশিক্ষণ সেশন, নীতি আলোচনা এবং নেটওয়ার্কিং সুযোগ থাকবে। ইভেন্টটি বাংলাদেশ স্টার্টআপ আউটলুকের একটি উদ্বোধনী অধিবেশনের মাধ্যমে শুরু হবে, এরপর &amp;#39;লেভারেজিং এআই ইন বাংলাদেশ: টুডে অ্যান্ড দ্য নেক্সট ফাইভ ইয়ারস&amp;#39;-এর সাথে এআই-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করা হবে। এছাড়াও &amp;#39;দ্য আর্ট অফ ফান্ডরেইজিং&amp;#39; এবং &amp;lsquo;ফিউচার অব লার্নিং&amp;rsquo; আলোচনার মাধ্যমে কাভার করা হবে। বৈদ্যুতিক যানবাহন, কৃষি-প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং ফিনটেক নিয়ে শিল্প-নির্দিষ্ট আলোচনা করা হবে। স্টার্টআপদের জন্য এআই-সক্ষম টেক প্রডাক্ট তৈরি করার এবং কার্যকরভাবে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম নেভিগেট করার নতুন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থাকবে। নির্বাচিত স্টার্টআপগুলো সরাসরি অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীদের কাছে পিচ করার সুযোগ পাবে, যা তাদের বিনিয়োগ এবং সহযোগিতার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দিবে। স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ দুই দিনব্যাপী সামিট-এর সুযোগ-সুবিধাগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন: &amp;ldquo;২ দিনের সামিট থেকে এছাড়াও, যা তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগের বৃদ্ধি এবং স্কেলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ডিং সংগ্রহের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিবে।&amp;rdquo; ২ দিনের সামিট থেকে, অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের সেরা দিকগুলো দেখার সাথে সাথে বিশ্বের শীর্ষ স্টার্টআপ লিডারদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পাবেন। স্টার্টআপ ফাউন্ডাররা, ইন্ডাস্ট্রি লিডারদের কাছ থেকে মার্কেটের সাম্প্রতিক অবস্থা, ব্যবসায়িক কৌশল এবং স্কেলিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। মূল স্টেকহোল্ডারদের সাথে সংযোগের মাধ্যমে, উদ্যোক্তারা তাদের নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ পাবে, কার্যকর ফান্ডিং স্ট্র্যাটেজি সম্পর্কে জানতে পারবে এবং উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলো কার্যকর করার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা পাবে। এছাড়াও এক জায়গাতেই বহু সংখ্যক স্থানীয় এবং বৈশ্বিক ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টদের সাথে সংযোগের অনন্য সুযোগ পাবেন, যা তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগের বৃদ্ধি এবং স্কেলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ডিং সংগ্রহের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিবে। সকল সম্ভাব্য উদ্যোক্তারা, তাদের আইডিয়াগুলোকে ইকোসিস্টেম লিডারদের সহায়তায় বাণিজ্যিক সমাধানে পরিণত করতে শিখবে। এই সামিটটি স্টার্টআপ বাংলাদেশের একটি ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ, যা বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের প্রবৃদ্ধির গল্প এবং অফুরন্ত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরবে। প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক উদ্যোগটির প্রশংসা করে বলেন, &amp;quot;&amp;lsquo;বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৪&amp;rsquo; আমাদের উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেমের বৈশ্বিক সম্ভাবনার একটি অনন্য সাক্ষ্য। উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকদের একত্রিত করে, ক্রমবর্ধমান স্টার্টআপ অঙ্গনে বাংলাদেশ নিজের অগ্রণী অবস্থান নিশ্চিত করেছে। &amp;nbsp;এই সামিটটি আমাদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের বৃদ্ধি এবং প্রচারকে ত্বরান্বিত করে, নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা চেতনাকে উদ্দীপ্ত করবে। সামিটটি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্ঞান বিনিময় সহজতর এবং স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতাদের জন্য সম্ভাবনা বৃদ্ধি করবে। এটি বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করে, দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করবে। আমরা একসাথে বৈশ্বিক স্টার্টআপ ল্যান্ডস্কেপে বাংলাদেশকে অগ্রগণ্য অবস্থানে নিয়ে যেতে কাজ করে যাবো।&amp;rdquo; &amp;#39;বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৪&amp;#39; ইভেন্টটিতে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড-এর সাথে সিগনেচার স্পন্সর সুইস অ্যাম্বাসি, কম্যুনিকেশন পার্টনার মাইন্ডশেয়ার, ইভেন্ট পার্টনার উইন্ডমিল, ইকোসিস্টেম ইন্যাবলার পার্টনার ইয়ুথ কো:ল্যাব, হসপিটালিটি পার্টনার ইন্টারকন্টিনেন্টাল, নলেজ পার্টনার লাইটক্যাসেল এবং রেজিস্ট্রেশন পার্টনার সহজ সম্পৃক্ত আছে। &amp;#39;বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৪&amp;#39; সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে আপনার আসন সংরক্ষণের জন্য, ভিজিট করুন: www.startupsummit.gov.bd এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলের সাথে সংযুক্ত থাকুন। &amp;nbsp; তথ্য বুথ&amp;mdash; কীভাবে আইপি পেটেন্ট এবং আইপি সুরক্ষিত করা যায় বিশেষ ডিসকাউন্টে এআই স্কিল ডেভেলপমেন্ট সার্টিফিকেশনের জন্য নিবন্ধন &amp;nbsp; সামিট সম্পর্কে যে-কোনো তথ্য জানতে, যোগাযোগ করুন: নাফিস আলম চিফ কোঅর্ডিনেটর বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৪ ইমেইল: summit@startupsummit.gov.bd এবং মার্কেটিং ম্যানেজার স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড ইমেইল: nafis@startupbangladeshvc.gov.bd ফোন: +8801615731839</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পিরোজপুরে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23656</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23656</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 14 Jul 2024 10:11:34 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ে পিরোজপুরের ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে বাংলাদেশের আর্থিক খাতে অ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_01.jpg" alt="পিরোজপুরে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ে পিরোজপুরের ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে বাংলাদেশের আর্থিক খাতে অপরাধ দমনে মূল ভূমিকা পালনকারী বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। ১৩ জুলাই, শনিবার, পিরোজপুর কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেন ১৯টি ব্যাংকের শতাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। ব্র্যাক ব্যাংক লিড ব্যাংক হিসেবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি পরিচালনা করে। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএফআইইউ- এর পরিচালক মুহাম্মদ আনিছুর রহমান। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড ক্যামেলকো চৌধুরী মঈনুল ইসলাম। প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেন বিএফআইইউ- এর যুগ্ম পরিচালক ইবনে আহসান কবির ও মোঃ আশরাফুল আলম এবং উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম। তাঁরা মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনার মধ্যে ছিল রেগুলেটরি রিকয়্যারমেন্টে সম্প্রতি যুক্ত হওয়া নানান বিষয়, টাইপোলজি এবং ট্রেন্ড, যেমন ট্রেড-বেজড এবং ক্রেডিট-ব্যাকড মানিলন্ডারিংয়ের ঝুঁকি ও প্রভাব, অনলাইন জুয়া, বাজি, গেমিং, ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ফরেন এক্সচেঞ্জের অবৈধ লেনদেন, ট্রানজ্যাকশন মনিটরিং এবং এএমএল অ্যান্ড সিএফটি সিস্টেম চেকিং এবং রেটিং সম্পর্কিত সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জনাব রহমান তাঁর বক্তব্যে আমাদের অর্থনীতি ও সমাজে বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধের ওপর জোর দেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_14-07-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশে রেমিটেন্স ও বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরে যুক্তরাজ্যে ব্র্যাক সাজনের আয়োজন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23655</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23655</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 11 Jul 2024 19:51:17 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক সাজন এক্সচেঞ্জ গত ২৬ জুন ২০২৪ তারিখে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামের নিউ বিংলে হলে &amp;lsquo;বাংলাদেশে রেমিটেন্স ও বিনিয়োগ সু...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_11-07-24_15.jpg" alt="বাংলাদেশে রেমিটেন্স ও বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরে যুক্তরাজ্যে ব্র্যাক সাজনের আয়োজন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক সাজন এক্সচেঞ্জ গত ২৬ জুন ২০২৪ তারিখে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামের নিউ বিংলে হলে &amp;lsquo;বাংলাদেশে রেমিটেন্স ও বিনিয়োগ সুযোগ&amp;rsquo; শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ব্র্যাক সাজন এক্সচেঞ্জ হলো একটি নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ এবং স্বনামধন্য মানি ট্রান্সফার সার্ভিস, যা বাংলাদেশে রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্যভাবে ভূমিকা রেখে আসছে। আকর্ষণীয় এক্সচেঞ্জ রেট এবং স্বল্প ট্রান্সফার ফি&amp;rsquo;র কারণে ব্র্যাক সাজন প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংক ও ব্র্যাক সাজনের চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান; ব্র্যাক সাজনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও আব্দুস সালাম; ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন; ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিএফও এম. মাসুদ রানা এফসিএ; যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের মাননীয় সহকারী হাইকমিশনার মো. আলীমুজ্জামান; স্থানীয় রাজনীতিবিদ এবং ইউকেবিসিসিআই, বিবিসিসিআই এবং বিসিএ- এর সদস্যসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে আব্দুস সালাম যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে গ্রাহক ও এজেন্টদের জন্য নতুন চালু হওয়া প্রিভিলেজ প্রোগ্রাম সম্পর্কে জানান। তিনি উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের সামনে ব্র্যাক সাজনের মূল্যবোধ এবং দ্রুত ও সুবিধাজনক রেমিটেন্স সুবিধা দেওয়ার যাত্রায় ব্র্যাক সাজনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। ২০০৮ সাল থেকে যাত্রা শুরু করা ব্র্যাক সাজন মানি ট্রান্সফারে এক বিশ্বস্ত নাম হয়ে উঠেছে। তিনি নির্ভরযোগ্য রেমিটেন্স সেবার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামনে ব্র্যাক সাজনের ভ্যালু প্রপোজিশনের ওপর আলোকপাত করেন। অনুষ্ঠানে সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন ব্র্যাক ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) প্রোডাক্ট &amp;lsquo;বন্ধন&amp;rsquo;- এর বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার সাথে প্রবাসীদের পরিচয় করিয়ে দেন। নতুন এই অফশোর ব্যাংকিং প্রোডাক্টে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্র্যাক ব্যাংক গ্রাহকদের দিচ্ছে সর্বোচ্চ ৮.৫৯% পর্যন্ত মুনাফা অর্জনের সুযোগ। এই প্রোডাক্টটি ট্যাক্স-ফ্রি এবং এখানে ৩ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছর মেয়াদে ডিপোজিট করা যাবে। তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;দেশে রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা আমাদের রেমিটেন্স সেবার উন্নয়ন-প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি, যাতে প্রবাসী বাংলাদেশি গ্রাহকরা স্বচ্ছন্দে আমাদের এই নিরাপদ সেবাটি নিতে পারেন। এই লক্ষ্যে আমরা আধুনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং বিশ্বের স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে পার্টনারশিপ অব্যাহত রেখেছি, যাতে আমাদের প্রবাসী গ্রাহকরা নির্বিঘ্নে এবং দ্রুততম সময়ে দেশে রেমিটেন্স পাঠাতে সক্ষম হন। এভাবে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।&amp;rdquo; আয়োজনে ব্র্যাক সাজন বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংস্থা&amp;mdash; &amp;lsquo;ব্র্যাক&amp;rsquo;- এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবন ও কর্মের প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করে। অনুষ্ঠানে মেহেরিয়ার এম. হাসান, সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন এবং আব্দুস সালাম &amp;lsquo;রেমিটএনগো&amp;rsquo; অ্যাপ ব্যবহারকারী সেরা ১৫ জন ব্র্যাক সাজন এজেন্ট এবং সর্বোচ্চ রেমিটেন্স প্রেরকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। বৈধ চ্যানেলে দেশে রেমিটেন্স পাঠানোর ব্যাপারে গ্রাহকদের উদ্বুদ্ধ করতে ব্র্যাক ব্যাংক নিয়মিত নিজেদের ডিজিটাল সক্ষমতার উন্নয়ন করে যাচ্ছে। রেমিটেন্স সুবিধাভোগীরা ব্যাংকটির ডিজিটাল চ্যানেল ব্যবহারের পাশাপাশি ১৮৭টি শাখা, ৩৬টি উপশাখা এবং ১,১০০টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট থেকেও সেবা নিতে পারছেন। রেমিটেন্স পাঠানো ছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্র্যাক ব্যাংক থেকে সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা, যেমন প্রবাসী অ্যাকাউন্ট খোলা, এনএফসিডি অ্যাকাউন্ট, ওবিইউ অ্যাকাউন্ট, এফডি এবং ডিপিএস খোলা (বন্ধন ওবিইউ এফসি এফডিসহ), সরকারি এনআরবি বন্ড ক্রয় ইত্যাদি সেবা পেতে probashi@bracbank.com- এ ইমেইল করতে পারেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_11-07-24_15.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_11-07-24_15.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_11-07-24_15.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[প্রথম ৬ মাসে ব্র্যাক ব্যাংকের ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নিট ডিপোজিট প্রবৃদ্ধি অর্জন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23654</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23654</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Thu, 11 Jul 2024 17:51:40 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চলতি বছরের (২০২৪) প্রথম ছয় মাসে ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নিট ডিপোজিট প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ব্র&amp;zwj;্যাক ব্যাংকের &amp;nbsp;ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক। ব্যাংকিং খাতের নি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_11-07-24_11.jpg" alt="প্রথম ৬ মাসে ব্র্যাক ব্যাংকের ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নিট ডিপোজিট প্রবৃদ্ধি অর্জন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চলতি বছরের (২০২৪) প্রথম ছয় মাসে ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নিট ডিপোজিট প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ব্র&amp;zwj;্যাক ব্যাংকের &amp;nbsp;ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক। ব্যাংকিং খাতের নিট ডিপোজিট প্রবৃদ্ধির অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দেওয়া এই সাফল্য ব্যাংকটির ওপর গ্রাহকের ক্রমবর্ধমান আস্থা, গ্রাহক-কেন্দ্রিক আয়োজন ও গ্রাহকের সাথে ব্যাংকের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন।&amp;nbsp; গত ১১ জুলাই ২০২৪, বৃহস্পতিবার, ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব ব্রাঞ্চেস শেখ মোহাম্মদ আশফাক এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ডিপোজিট প্রবৃদ্ধির এই সাফল্য উদ্যাপন করেন। এই সময় মেহেরিয়ার এম. হাসান জোর দিয়ে বলেন, &amp;ldquo;সুশাসনই হলো ব্র্যাক ব্যাংকের গ্রাহক আস্থা অর্জন এবং তা অব্যাহত রাখার মূল ভিত্তি&amp;rdquo;। তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;গ্রাহকের সাথে ব্যাংকের চমৎকার সম্পর্কের কারণেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে ব্যবসায় দ্বিগুণ করার আমাদের যে লক্ষ্য রয়েছে, সেটি বাস্তবায়নে আমরা সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছি।&amp;rdquo;&amp;nbsp; এমন অর্জন নিয়ে সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন, &amp;ldquo;ব্র্যাক ব্যাংক শুধু আমাদের গ্রাহকদের ব্যাংকিং পার্টনার নয়, বরং তাঁদের লাইফস্টাইলের অংশ হিসেবে আর্থিক পরামর্শদাতা হতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ব্রাঞ্চ ও সাব-ব্রাঞ্চের ধারাবাহিক সম্প্রসারণ, গ্রাহকের স্বাচ্ছন্দ্য বিবেচনা করে সেগুলোর স্থান পরিবর্তন, নিবেদিত গ্রাহক সেবা এবং আমাদের ডিজিটাল ব্যাংকিং চ্যানেলের অব্যাহত উন্নয়ন এমন সাফল্য এনে দিয়েছে আমাদের।&amp;rdquo; অনুষ্ঠানে ব্যাংকের সিনিয়র জোনাল হেড একেএম তারেক, তাহের হাসান আল মামুন, রিজিওনাল হেড, ক্লাস্টার ম্যানেজার, ও ব্রাঞ্চ ম্যানেজাররাও উপস্থিত ছিলেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_11-07-24_11.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_11-07-24_11.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_11-07-24_11.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ওয়ালটন-ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল শুরু]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23653</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23653</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 12 Jul 2024 19:31:21 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) আয়োজনে আজ শুক্রবার (১২ জু...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-ak_12-07-24_02.jpg" alt="ওয়ালটন-ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল শুরু" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) আয়োজনে আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) থেকে শুরু হয়েছে &amp;lsquo;ওয়ালটন-ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল-২০২৪।&amp;rsquo; সকালে ভার্চুয়ালি স্পোর্টস ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি। এ সময় ভার্চুয়ালি আরও যুক্ত ছিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি&amp;rsquo;র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), সিনিয়র ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন ও ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্র্যাবের সভাপতি কামরুজ্জামান খান। সঞ্চালনায় ছিলেন ক্র্যাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম মানিক। উদ্বোধনী দিনে দাবা ইভেন্টের গ্রুপ পর্বের কয়েকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ইনডোর ও আউটডোরে মোট ১১টি ডিসিপ্লিন ও ইভেন্ট থাকবে এবারের এই আয়োজনে। ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে- দাবা, ক্যারম, স্পেডট্রাম, অকশন ব্রিজ, শ্যুটিং, ম্যারাথন, লুডু, ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টন। এছাড়া এবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় যেসব সিনিয়র সদস্য অংশগ্রহণ করতে পারবেন না তাদের মধ্যে দশজনকে বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা করছে ওয়ালটন। পাশাপাশি সদস্যদের স্ত্রীদের জন্য লুডু খেলার আয়োজন থাকছে। ওয়ালটন- ক্র্যাব ক্রীড়া উৎসবের ইভেন্ট পার্টনার ওয়ালটনের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-ak_12-07-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-ak_12-07-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-ak_12-07-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[Benefits of Owning a Dog: Unleashing Joy and Health]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23652</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23652</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 12 Jul 2024 15:07:07 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[আমেরিকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[Benefits of Owning a Dog: Unleashing Joy and Health, health benefits of owning a dog,mental health benefits of owning a dog,benefits of owning a dog,health benefits of having a dog,benefits of having a dog,the health benefits of owning a dog,physical health benefits of owning a dog,what are the health benefits of owning a dog,pros and cons of having a dog,benefits or owning a dog,benefits of pets,benefits of adopting a dog,benefits of owning a dog for your mental health,owning a dog,health benefits of dogs]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[Owning a dog offers companionship and promotes physical activity. Dogs also provide emotional support and enhance social interactions. Dogs are more than just p...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_12-07-24_02.jpg" alt="Benefits of Owning a Dog: Unleashing Joy and Health" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>Owning a dog offers companionship and promotes physical activity. Dogs also provide emotional support and enhance social interactions. Dogs are more than just pets; they become cherished family members. Their unwavering loyalty and affection create strong bonds with their owners. Regular walks and playtime keep both the owner and the dog active, contributing to better health. Dogs also help reduce stress and anxiety, offering emotional support through their presence. Social interactions increase as dog owners often meet others during walks or at dog parks. Having a dog can lead to a more active, social, and fulfilling life. This unique relationship between humans and dogs enriches lives in countless ways, making dog ownership a truly rewarding experience. Emotional Support Dogs offer amazing emotional support. They bring joy and comfort. Many people find dogs to be the best companions. They help improve mental health and well-being. Reducing Stress Dogs are great at reducing stress. Petting a dog can lower blood pressure. Their presence brings a sense of calm. Dogs help release feel-good hormones like oxytocin. This makes you feel happier and more relaxed. Activity Stress Reduction Petting Increases oxytocin Walking Boosts endorphins Playing Reduces cortisol Combating Loneliness Dogs are loyal friends. They are always there for you. Their company helps combat loneliness. Dogs offer unconditional love and companionship. Company: Always by your side. Social Interaction: Encourage meeting new people. Loyalty: Provide unwavering support. Many people feel less lonely with a dog. They give you a reason to smile every day. Dogs make excellent emotional supporters. Credit: pottstownfoundation.org Physical Health Owning a dog brings numerous physical health benefits. From encouraging regular exercise to improving heart health, a furry companion can help you stay fit and healthy. Encouraging Exercise Dogs need daily walks, which means you get more exercise too. Walking your dog can lead to better cardiovascular health, stronger muscles, and improved flexibility. Playing fetch, running, and even hiking with your dog boosts your physical activity. These activities help you burn calories and maintain a healthy weight. Activity Calories Burned (per hour) Walking 200-300 Playing Fetch 300-400 Running 500-700 Improving Heart Health Owning a dog can lead to a lower risk of heart disease. Studies show dog owners have lower blood pressure and healthier cholesterol levels. Interacting with your dog reduces stress hormones. Lower stress levels mean a healthier heart. Petting your dog releases oxytocin, which has calming effects. Lower blood pressure Reduced cholesterol Decreased stress hormones Increased oxytocin levels These benefits together contribute to better heart health and overall well-being. Mental Well-being Owning a dog can greatly improve your mental well-being. Dogs provide companionship, reduce stress, and bring joy into your daily life. Let&amp;#39;s explore how dogs can boost your mood and reduce anxiety. Boosting Mood Dogs have a unique ability to make people happy. Their playful nature and loyalty bring smiles to faces. Playing with a dog releases feel-good hormones like serotonin and dopamine. These hormones lift your mood and make you feel joyful. Dogs also provide unconditional love. They are always happy to see you and shower you with affection. This love helps you feel valued and important. Many dog owners say their pet is their best friend. This strong bond can improve your overall happiness. Reducing Anxiety Dogs are great for reducing anxiety. Their presence alone can make you feel calmer. Petting a dog lowers your heart rate and blood pressure. This physical touch can reduce stress and anxiety levels. Dogs also need regular exercise, which benefits you too. Taking your dog for a walk can be relaxing and helps you clear your mind. This activity releases endorphins, which reduce anxiety and stress. Many dogs are trained as therapy animals. They visit hospitals and schools to help people with anxiety. Just spending time with a therapy dog can bring a sense of calm and peace. Mental Health Benefits How Dogs Help Boost Mood Playing with dogs, unconditional love Reduce Anxiety Petting, walking, therapy dogs Social Connections Owning a dog can boost your social life. Dogs help people connect and build relationships. Let&amp;#39;s explore how dogs improve social connections. Meeting New People Dogs are natural icebreakers. They can help you meet new people. Walking your dog in the park creates opportunities. People often stop to pet or admire dogs. This opens the door to conversation. Dog parks are another great place for socializing. Here, both dogs and owners mingle. Sharing stories about your pets can lead to new friendships. Also, dog training classes bring dog owners together. These classes teach your dog skills and help you bond with other pet lovers. Strengthening Bonds Dogs can strengthen family and friend bonds. Playing with a dog brings people together. It creates fun moments that everyone enjoys. Dogs also encourage group activities. Family walks or hikes become routine. These shared experiences build stronger connections. They help everyone feel closer and happier. Additionally, dogs can bridge generational gaps. Both young and old find joy in dogs. This shared interest can bring different age groups together. It fosters understanding and mutual respect. Family Dynamics Owning a dog can significantly impact family dynamics. Dogs bring joy, love, and companionship to a household. They help in building stronger family bonds and teach valuable life lessons. Teaching Responsibility Dogs require daily care. Feeding, walking, and grooming are essential tasks. Children can learn responsibility through these activities. Feeding: Kids can manage the dog&amp;rsquo;s meals. Walking: Taking the dog for walks builds routine. Grooming: Regular grooming teaches patience and care. Children understand the importance of consistency. They see the direct impact of their actions. This fosters a sense of duty and accomplishment. Enhancing Family Time Dogs encourage families to spend more time together. Walking a dog can be a family activity. Playing fetch in the yard is another fun option. These activities provide opportunities for bonding. Activity Benefits Walking Exercise and fresh air Playing Fetch Fun and laughter Training Sessions Teamwork and communication Shared experiences create lasting memories. Families grow closer through these shared moments. Dogs bring joy and unity to the household. Safety And Security Owning a dog can greatly improve your safety and security. Dogs have natural instincts to protect their families. They can deter intruders and alert you to danger. Let&amp;rsquo;s explore these benefits. Deterring Intruders Dogs can scare away intruders. Their barking alone can be a big deterrent. Loud barking can make intruders rethink their plans. Presence of a dog can be intimidating. Dog signs on your property can also warn off potential threats. Alerting To Danger Dogs have keen senses. They can alert you to dangers like fires and gas leaks. Danger How Dogs Help Fire They can smell smoke and alert you. Gas Leaks They can detect gas and warn you. Strangers They can sense unfamiliar people and alert you. Therapeutic Benefits Owning a dog offers many therapeutic benefits. These furry friends bring joy, comfort, and companionship. They also support mental and physical well-being. Let&amp;#39;s explore how dogs assist therapy and support disabilities. Assisting Therapy Dogs play a big role in therapy sessions. They help reduce stress and anxiety. Therapists often use dogs to calm patients. Their presence can make a big difference. Petting a dog can lower heart rates and blood pressure. This leads to a more relaxed and open environment for therapy. Therapy dogs are trained to provide comfort. They visit hospitals, schools, and nursing homes. These dogs help people feel less lonely and isolated. They also encourage social interactions and boost overall mood. Supporting Disabilities Dogs can support people with disabilities in many ways. Service dogs are trained to assist with daily tasks. They help people with visual or hearing impairments. They also aid those with mobility issues. For example, a service dog can help someone in a wheelchair. The dog can fetch items, open doors, or even turn on lights. This support makes life easier and more independent for their owners. Dogs also assist people with mental health conditions. They provide emotional support and companionship. This can be life-changing for those with anxiety, depression, or PTSD. Type of Support Examples Physical Assistance Fetching items, opening doors, guiding the visually impaired Emotional Support Reducing anxiety, providing companionship, boosting mood Therapeutic Presence Calming patients, encouraging social interactions, visiting hospitals In summary, dogs offer immense therapeutic benefits. They assist in therapy and support disabilities, enhancing lives in many ways. Credit: caringfamilyhealth.com Educational Growth Owning a dog can greatly contribute to a child&amp;#39;s educational growth. Dogs teach kids valuable life skills that support their learning journey. These lessons extend beyond traditional academic subjects and foster personal development. Learning Patience Having a dog helps children learn patience. Training a dog requires time and consistency. Kids must wait for their pet to understand commands. This process teaches them to be patient and calm. Feeding schedules and regular walks also instill a sense of routine. Children understand the importance of waiting for the right time to do things. Activity Lesson Training Patience and consistency Feeding Routine and timing Walking Responsibility and time management Understanding Empathy Dogs help children understand empathy. Kids learn to recognize their pet&amp;#39;s needs. They notice when the dog is happy, sad, or scared. This awareness helps them understand other people&amp;#39;s feelings. Caring for a dog also teaches compassion and kindness. Children learn to put their pet&amp;#39;s needs before their own at times. Recognizing emotions Practicing kindness Developing compassion Overall, owning a dog can shape a child&amp;#39;s character. These experiences foster emotional intelligence and personal growth. Dogs are more than just pets; they are educators in their own right. Credit: www.kurgo.com Frequently Asked Questions How Is Owning A Dog Beneficial? Owning a dog offers companionship and reduces stress. Dogs encourage physical activity and improve mental health. They also boost social interaction and provide a sense of security. Are Dog Owners Happier? Yes, dog owners tend to be happier. Studies show they experience less stress and more social interactions. Dogs provide companionship and improve mental health. Is Owning A Dog Worth It? Yes, owning a dog is worth it. Dogs provide companionship, reduce stress, and encourage physical activity. They offer unconditional love and loyalty. Pet ownership can improve mental health and overall well-being. However, ensure you have time, resources, and commitment for their care. Do Dogs Help Mental Health? Yes, dogs help improve mental health. They reduce stress, anxiety, and depression. Dogs provide companionship and emotional support. Owning a dog encourages physical activity and social interaction. Conclusion Owning a dog brings countless benefits to your life. From companionship to improved mental health, dogs offer unique joys. They encourage physical activity and provide unconditional love. Embrace the positive changes a dog can bring to your home. Consider adopting a furry friend and experience these wonderful benefits firsthand.</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_12-07-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_12-07-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_12-07-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আপেলের উপকারিতা: সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টির গোপন রহস্য]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/international/23651</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/international/23651</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Fri, 12 Jul 2024 15:07:01 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[আমেরিকা]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[benefits of apples,health benefits of apples,benefits of apple,benefits of green apples,benefits of apple cider vinegar,health benefits of apple,benefits of eating apples,apple benefits,apple health benefits,apple cider vinegar benefits,health benefits of apple cider vinegar,apples health benefits,health benefits of eating apples,apples,apple cider vinegar health benefits,apple benefits for health,benefits of apple juice,benefits of green apple]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আপেল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবারের চমৎকার উৎস। আপেল একটি পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু ফল। এটি বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ যা শরীর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_12-07-24_01.jpg" alt="আপেলের উপকারিতা: সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টির গোপন রহস্য" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আপেল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবারের চমৎকার উৎস। আপেল একটি পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু ফল। এটি বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ যা শরীরের প্রতিদিনের প্রয়োজন মেটাতে সহায়ক। আপেলে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। আপেল নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া, এটি ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং বার্ধক্য রোধ করে। আপনি দিনে একটি আপেল খেয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে পারেন। তাই প্রতিদিন আপেল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। আপেলের পুষ্টিগুণ আপেলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানলে আপনি অবাক হবেন। আপেল শুধু সুস্বাদু নয়, এটি স্বাস্থ্যকরও। আপেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। তাছাড়া, আপেল ফাইবারের অন্যতম উৎস। আসুন, আপেলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানি। ভিটামিন ও খনিজ আপেলে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আপেলে ভিটামিন এ ও থাকে, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। এছাড়াও আপেলে পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ও কপার রয়েছে। এই খনিজগুলি শরীরের জন্য অপরিহার্য। উপাদান পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) ভিটামিন সি ৪.৬ মিগ্রা পটাশিয়াম ১০৭ মিগ্রা ম্যাঙ্গানিজ ০.০৩৪ মিগ্রা কপার ০.০২৭ মিগ্রা ফাইবারের গুরুত্ব আপেল ফাইবারের অন্যতম উৎস। ফাইবার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। আপেলের ফাইবার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়াও, ফাইবার ওজন কমাতে সহায়ক। হজম প্রক্রিয়া উন্নত কোষ্ঠকাঠিন্য দূর কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ওজন কমাতে সহায়ক একটি মাঝারি আকারের আপেলে প্রায় ৪ গ্রাম ফাইবার থাকে। সুতরাং, প্রতিদিন আপেল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। হৃদরোগ প্রতিরোধে আপেল আপেল শুধু সুস্বাদু ফল নয়, এটি হৃদরোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। আপেলের মধ্যে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ আপেল খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এতে থাকা ফাইবার কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয়। এটি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগের কারণ হতে পারে। রক্তচাপ হ্রাস আপেলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ। নিয়মিত আপেল খেলে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। ওজন কমাতে আপেল ওজন কমাতে আপেল একটি অসাধারণ প্রাকৃতিক খাবার। এটি শুধু সুস্বাদু নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। আপেলের মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে আপেল খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করে। ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। এটি দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরা রাখে। এর ফলে ক্ষুধা কম লাগে এবং অতিরিক্ত খাওয়া কম হয়। আপেল খেলে খাবারের মধ্যবর্তী সময়ে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ক্যালোরি হ্রাস একটি আপেলে মাত্র ৯৫ ক্যালোরি থাকে। এটি কম ক্যালোরির একটি খাবার। আপেল খেলে ক্যালোরির গ্রহণ কম হয়। আপেলের উপাদান পরিমাণ ফাইবার ৪ গ্রাম ক্যালোরি ৯৫ আপেল খেলে ক্যালোরির গ্রহণ কম হয়। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। আপেল খেলে দীর্ঘ সময় ক্ষুধা লাগে না। অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আদর্শ খাবার। Credit: www.healthline.com ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আপেল আপেল শুধুমাত্র সুস্বাদু নয়, এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। আপেলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এগুলি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ আপেলের মধ্যে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফাইবার ধীরে ধীরে গ্লুকোজ শোষণ করতে সহায়ক। এটি রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি রোধ করে। আপেলে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যা কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সে সমৃদ্ধ। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক। ইনসুলিন সংবেদনশীলতা আপেলের মধ্যে থাকা পলিফেনল ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়। ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়লে দেহ সহজেই গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে। পলিফেনল ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। আপেলের উপাদান উপকারিতা ফাইবার রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ পলিফেনল ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি ফাইবার রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। পলিফেনল ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়। প্রতিদিন আপেল খাওয়া উপকারী। আপেলে প্রাকৃতিক শর্করা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে আপেল &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; আপেল খাওয়া আমাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। আপেলে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়ক। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আপেলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এই উপাদান শরীর থেকে ফ্রি র&amp;zwj;্যাডিকেল দূর করে। এটি কোষের ক্ষতি কমায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। ভিটামিন সি এর ভূমিকা আপেলে ভিটামিন সি রয়েছে। ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ত্বকের স্বাস্থ্যও রক্ষা করে। ভিটামিন সি শ্বাসকষ্ট এবং ঠান্ডা জনিত রোগ প্রতিরোধ করে। এটি শরীরকে শক্তিশালী রাখে। উপাদান উপকারিতা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের ক্ষতি কমানো ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ত্বকের যত্ন শরীরকে শক্তিশালী রাখা Credit: www.pinterest.com ত্বকের যত্নে আপেল আপেল খাওয়া শুধু স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়, এটি ত্বকের যত্নেও সহায়ক। আপেলের বিভিন্ন উপাদান ত্বককে করে উজ্জ্বল এবং বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি আপেলে আছে প্রচুর ভিটামিন সি। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। আপেলের নির্যাস ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। আপেলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে করে তোলে প্রাণবন্ত। উপাদান উপকারিতা ভিটামিন সি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কালো দাগ দূর বয়সের ছাপ কমানো আপেলের মধ্যে আছে কোলাজেন এবং ইলাস্টিন। এগুলি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। নিয়মিত আপেল খেলে ত্বকের বলিরেখা কমে যায়। আপেলের নির্যাস ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়ক। কোলাজেন ত্বককে মসৃণ রাখে ইলাস্টিন ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে পাচনতন্ত্রের সুরক্ষায় আপেল আপেল শুধুমাত্র সুস্বাদু নয়, এটি পাচনতন্ত্রের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আপেল যোগ করলে পাচনতন্ত্র অনেক স্বাস্থ্যকর থাকে। ফাইবারের ভূমিকা আপেলের মধ্যে প্রচুর ফাইবার রয়েছে যা পাচনতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। ফাইবার খাবারের ভেতরে জল ধরে রাখে। এটি মল সহজে বের হতে সাহায্য করে। ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। গ্যাস্ট্রিক সমস্যা হ্রাস আপেলে পেকটিন নামক উপাদান থাকে। পেকটিন পাকস্থলীতে অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ করে। এটি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হ্রাস করে। আপেলের বিভিন্ন প্রকার &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; আপেল একটি জনপ্রিয় ফল। এটি বিভিন্ন প্রকারে পাওয়া যায়। প্রতিটি প্রকারের আপেল স্বাদ এবং পুষ্টিগুণে ভিন্ন। এখানে আমরা লাল আপেল এবং সবুজ আপেল নিয়ে আলোচনা করবো। &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; লাল আপেল লাল আপেল দেখতে আকর্ষণীয়। এটি মিষ্টি স্বাদের এবং রসালো। লাল আপেল খেলে ত্বক উজ্জ্বল হয়। এতে প্রচুর ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় সবুজ আপেল সবুজ আপেল টক স্বাদের। এটি বেশ খাস্তা। সবুজ আপেল খেলে হজম শক্তি বাড়ে। এতে প্রচুর ফাইবার এবং ভিটামিন এ রয়েছে। হজম শক্তি বাড়ায় ওজন কমাতে সাহায্য করে দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখে আপেলের প্রকার স্বাদ পুষ্টিগুণ লাল আপেল মিষ্টি ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সবুজ আপেল টক ফাইবার, ভিটামিন এ Credit: www.facebook.com Frequently Asked Questions What Are The 5 Benefits Of Apples? আপেলের ৫টি উপকারিতা হলো: হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, হজমশক্তি বাড়ায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, এবং ত্বক ভালো রাখে। Is It Really Good To Eat An Apple Everyday? হ্যাঁ, প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এটি ভিটামিন, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। What Apples Do To Your Body? আপেল শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সহায়তা করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। আপেলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে সুস্থ রাখে। নিয়মিত আপেল খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। Which Is The Healthiest Fruit In The World? বিশ্বের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ফল হল আমলকী। এতে প্রচুর ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার থাকে। এটি ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। Conclusion আপেল খাওয়ার উপকারিতা অসীম। এটি স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন একটি আপেল খেলে শরীর ফিট থাকে। আপেল সহজলভ্য এবং সুস্বাদু, তাই এটি খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। নিয়মিত আপেল খাওয়া আপনাকে সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে পারে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_12-07-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_12-07-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_12-07-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ওমানে ১২ ক্যাটাগরিতে শ্রমবাজার উন্মুক্ত: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23650</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23650</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 09 Jul 2024 18:33:22 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[ওমান সরকার চিকিৎসক, প্রকৌশলী, নার্স, শিক্ষকসহ ১২ ক্যাটাগরিতে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহম...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_21.jpg" alt="ওমানে ১২ ক্যাটাগরিতে শ্রমবাজার উন্মুক্ত: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>ওমান সরকার চিকিৎসক, প্রকৌশলী, নার্স, শিক্ষকসহ ১২ ক্যাটাগরিতে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, এমপি। তিনি বলেন, দেশটিতে অবৈধ ৯৬ হাজার বাংলাদেশি অভিবাসীকে বৈধ করবে সরকার। অবৈধ অভিবাসীদের জরিমানা মওকুফের বিষয়েও ভাবছে ওমান। আজ মঙ্গলবার (০৯ জুলাই) বিকেলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী,এমপি&amp;rsquo;র সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী&amp;rsquo;র অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমানের রাষ্ট্রদূত আবদুল গাফফার বিন আবদুল করিম আল-বালুশী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠককালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: রুহুল আমিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন । প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন দক্ষ জনবল ভিসা পেলেও, অদক্ষ জনবল নেওয়ার বিষয়ে ওয়ার্কিং কমিটিতে প্রস্তাবনা দেওয়া হবে। ওমানকে একটি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) ডেডিকেটেড করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আমরা চাই, আমাদের একটি টিটিসিতে ওমানের চাহিদামত কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে।&amp;nbsp; সাক্ষাৎকালে বন্ধুপ্রতীম দু&amp;#39;দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছাড়াও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের মধ্যে দ্রুত একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।&amp;nbsp; ওমানে দক্ষ জনবল প্রেরণের মাধ্যমে বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী,এমপি।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_21.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_21.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_21.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বিদেশে শ্রমবাজারের টেকসই উন্নয়নে কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা আরও বাড়াতে হবে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23649</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23649</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 07 Jul 2024 19:15:52 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের টেকসই উন্নয়নের জন্য শ্রমিকদের কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফি...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_18.jpg" alt="বিদেশে শ্রমবাজারের টেকসই উন্নয়নে কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা আরও বাড়াতে হবে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের টেকসই উন্নয়নের জন্য শ্রমিকদের কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, এমপি। তিনি বলেন, আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। আজ রবিবার (৭ জুলাই) বিকেলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের &amp;nbsp;বিজয়-৭১ হলে &amp;nbsp;দক্ষিণ কোরিয়াগামী ইপিএস কর্মীদের কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, ওয়েস আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ হামিদুর রহমান, কোরিয়ার ডিরেক্টর এইচআরডি কিম ডং চ্যানসহ অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন দক্ষ করে জনশক্তি বিদেশে প্রেরণ করতে হবে এবং বৈধ পথে তাদের অর্জিত রেমিটেন্স দেশে পাঠাতে হবে। এলক্ষ্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছি। আমাদের কর্মীরা বিভিন্ন কারিগরী জ্ঞান ও ভাষার উপর দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে। মালদ্বীপগামী ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা এককেকজন দেশের প্রতিনিধি, বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর। আপনাদের কাজ, চলাফেরা, ব্যবহারে দেশের সুনাম হবে। আপনাদের আনুসরণ করে দেশে থেকে আরো ডাক্তার বিভিন্ন দেশে যেতে পারবে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যারা বিদেশ যেতে চায় তাদের জন্য আপনারা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবেন। আপনারা তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করবেন যাতে সবাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে বিদেশে যায়। সভায় জানানো হয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, দুই দেশের দূতাবাস ও এইচআরডি কোরিয়ার সহযোগিতায় এবং নিয়োগকর্তার চাহিদা মোতাবেক বোয়েসেল দ্রুত কর্মী প্রেরণ করায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ কোরিয়ায় অধিক সংখ্যক কর্মী প্রেরণে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। গত দুই বছরে ১০,৬৯৫ জন ইপিএস কর্মী দক্ষিণ কোরিয়া কর্মসংস্থান সুযোগ লাভ করেছে। ফলে বাংলাদেশ ২০২৩ সালে ১০,০০০ জন এবং ২০২৪ সালে ১১৫০০ জন &amp;nbsp; কর্মী প্রেরণের কোটা লাভ করে। এ পর্যন্ত ২০০৮ সাল হতে জুন ২০২৪ পর্যন্ত মোট ৩৪,০৬৯ জন এপিএস কর্মী সফলভাবে দক্ষিণ কোরিয়া গমন করেছেন এবং এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_18.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_18.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_18.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[দক্ষ কর্মী তৈরিতে বাংলাদেশকে ১০০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ার: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23648</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23648</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 07 Jul 2024 18:51:37 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজনীতি]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) বাংলাদেশের দক্ষ কর্মী গড়তে ১০০ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_17.jpg" alt="দক্ষ কর্মী তৈরিতে বাংলাদেশকে ১০০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ার: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) বাংলাদেশের দক্ষ কর্মী গড়তে ১০০ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপি। আজ রবিবার (০৭ জুলাই) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কোইকার প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা জানান। এসময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ খায়রুল আলম, বিএমইটি-এর মহাপরিচালক সালেহ আহমেদ মোজাফফর, কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর তাইয়ং কিমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোইকা চট্টগ্রামের বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি আধুনিকায়ন ও চাহিদা নির্ভর দক্ষ জনশক্তি গড়তে আর্থিক সহায়তা করবে বলে প্রস্তাব করেছে। আমরা প্রস্তারটিকে ভালো মনে করছি। এজন্য দ্রুত তাদের প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে বলেছি।&amp;nbsp; দক্ষ জনবল গড়তে কোরিয়ার এ ধরনের সহযোগিতার প্রস্তাব আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে আরও যুগপোযোগি করবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসকল কেন্দ্রগুলো আমাদের জনবলকে দক্ষভাবে গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_17.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_17.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_17.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: হুয়াওয়ের সঙ্গে নগদের চুক্তি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23647</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23647</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 09 Jul 2024 13:21:49 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar,nagad]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দেশের সাধারণ মানুষের ডিজিটাল লেনদেন অভিজ্ঞতা বদলে দিতে একসঙ্গে কাজ করবে নগদ ও হুয়াওয়ে টেকনোলজিস। এ লক্ষ্যে দুই পক্ষ একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যা দেশের মানুষ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_15.jpg" alt="প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: হুয়াওয়ের সঙ্গে নগদের চুক্তি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দেশের সাধারণ মানুষের ডিজিটাল লেনদেন অভিজ্ঞতা বদলে দিতে একসঙ্গে কাজ করবে নগদ ও হুয়াওয়ে টেকনোলজিস। এ লক্ষ্যে দুই পক্ষ একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যা দেশের মানুষকে নগদের মাধ্যমে উপহার দেবে বিশ্বমানের স্মার্ট লেনদেনের অভিজ্ঞতা।&amp;nbsp; মঙ্গলবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বেইজিংয়ের শাংরিলা হোটেলে বাংলাদেশের সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ লিমিটেড এবং হুয়াওয়ে টেকনোলজিস-এর মধ্যে এ বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির ফলে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক ও নগদ মোবাইল আর্থিক সেবার বিদ্যমান সুবিধার সাথে যুক্ত হবে বিশ্বসেরা সব অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। ফলে দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংকের গ্রাহক হিসেবে নগদের গ্রাহকেরা যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে আন্তর্জাতিক মানের লেনদেন সেবা উপভোগ করতে পারবেন। নগদের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এ মিশুক। অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ফরিদ খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।&amp;nbsp; হুয়াওয়ের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন হুয়াওয়ের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্যান জুনফেং। এ সময় চীন সরকারের একাধিক মন্ত্রী এবং পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে নগদের অভাবনীয় অবদানের কথা উল্লেখ করে ভূয়সী প্রশংসা করেন পিপলস রিপাবলিক অব চায়না-এর ভাইস মিনিস্টার অব কমার্স লি ফেই। &amp;nbsp; চুক্তির বিষয়ে নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ফরিদ খান বলেন, &amp;lsquo;মোবাইল আর্থিক সেবা হিসেবে নগদ গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশের আর্থিকখাতে বড় রকমের বিপ্লব ঘটিয়েছে। এখন এটিকে বিশ্বমানে নিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। নগদ এবং হুয়াওয়ে যৌথভাবে বাংলাদেশে কাজটি করবে। নগদ ডিজিটাল ব্যাংক এক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখবে; যার মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার পথে বড় অগ্রগতি ঘটবে।&amp;rsquo; তিনি বলেন, &amp;lsquo;শতভাগ ক্যাশলেস সমাজ গড়তে যে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন দরকার, তা নিশ্চিত করতেই বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে টেকনোলজিসের সাথে আমাদের এই চুক্তি হল। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের এমএফএস ও ডিজিটাল ব্যাংকের গ্রাহকেরা বিশ্বমানের সেবার অভিজ্ঞতা পাবেন। ফলে ডিজিটাল লেনদেন হবে আরো নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সাশ্রয়ী।&amp;rsquo; আগামী বছর বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে গত ৮ জুলাই থেকে চীন সফর শুরু করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সফরে বেশকিছু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হচ্ছে। আট বছর আগে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং যখন বাংলাদেশ সফরে আসেন, তখন বলা হয়েছিল, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক চিরাচরিত অর্থনৈতিক সম্পর্ক থেকে কৌশলগত সহযোগিতায় উন্নীত হয়েছে। পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময় চীনকে বাংলাদেশের উন্নয়নের নিবিড় কৌশলগত অংশীদার বলে উল্লেখ করা হয়। দুই দেশের সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় নগদের সঙ্গে হুয়াওয়েই-এর এই চুক্তি, যা ডিজিটাল লেনদেনের বৈশ্বিসক প্রেক্ষাপটেও গুরুত্বপূর্ণ। এই চুক্তির ফলে গ্রাহকদের জন্য বাংলাদেশে একেবারেই নতুন কিছু আর্থিক সেবা ও পণ্যের প্রচলন শুরু হবে, যা ভবিষ্যতে দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার ধরণ বদলে দেওয়ার মতো ভূমিকা রাখবে। &amp;nbsp; পাঁচ বছর আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে যাত্রা করা নগদ কিছুদিন আগে পেয়েছে দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে পূর্ণাঙ্গ লাইসেন্স। মোবাইল আর্থিক সেবার যাত্রায় স্বল্পতম সময়ে নয় কোটি গ্রাহকের সর্ববৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে প্রতিদিন নগদের লেনদেন ১৮০০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে দেশের দ্রুততম ইউনিকর্ন হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিও পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_15.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_15.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_15.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[নগদ মেগা ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে আকর্ষণীয় উপহার পেলেন বিজয়ীরা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23646</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23646</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 07 Jul 2024 15:25:05 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[দেশের সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদের বৃহত্তম লেনদেন ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন পর্যায়ের আরো ৩১ জন বিজয়ীর পুরস্কার হস্তান্তর করেছে প্রতিষ্ঠানটি। নগদের প্রায়...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_11.jpg" alt="নগদ মেগা ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে আকর্ষণীয় উপহার পেলেন বিজয়ীরা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>দেশের সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদের বৃহত্তম লেনদেন ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন পর্যায়ের আরো ৩১ জন বিজয়ীর পুরস্কার হস্তান্তর করেছে প্রতিষ্ঠানটি। নগদের প্রায় ২০ কোটি টাকার এই ক্যাম্পেইনের ইতিমধ্যে চারটি দল ও একজন মালয়েশিয়া প্রবাসী বুঝে পেয়েছেন ঢাকায় নিজেদের জমি।&amp;nbsp; সম্প্রতি নগদের প্রধান কার্যালয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ মার্কেটিং অফিসার সাদাত আদনান আহমেদ এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেপুটি চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ সোলাইমান।&amp;nbsp; পবিত্র রমজান মাসে প্রতি বছরই দারুণ সব আকর্ষণীয় অফার নিয়ে আসে নগদ। গত বছর ছিল বিএমডব্লিউ, সেডানগাড়ি, মোটরসাইকেল, টিভি, ফ্রিজসহ বিভিন্ন পুরস্কার জেতার সুযোগ। এবার নগদ ঢাকায় জমি দেওয়ার মাধ্যমে বৃহত্তম লেনদেন ক্যাম্পেইন করেছে এবং গ্রাহকদের বিপুল সারা পেয়েছে। ঢাকায় জমির ক্যাম্পেইনে ইতিমধ্যে পাঁচজনকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিদেরও জমি বুঝিয়ে দেওয়া হবে। যারা ইতিমধ্যে ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়েছেন এবং পুরস্কার জিতে নিয়েছেন, তারা ছাড়া এই ক্যাম্পেইনে পুরস্কার জেতার সুযোগ আর নেই। কারণ গত ৩০ জুন থেকে ক্যাম্পেইনটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। &amp;nbsp; লেনদেন করে, রেমিট্যান্স গ্রহণ করে এবং দল বানিয়ে টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি, স্মার্ট ফোন পুরস্কার জিতেছেন মো. আরিফুল ইসলাম, মো. জসিম উদ্দিন, মো. মাসুদ খান ও মো. গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। ইনফ্লুয়েন্সার্স ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে পুরস্কার জিতেছেন রাহাত আহমেদ সীমান্ত ও রিফাত বিন সিদ্দিক। এ ছাড়া ভিউয়ার্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন শেখ সুফিয়ান ও আফরিন লিজা। এরকম আরো বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৩১ জন বিজয়ী মেগা ক্যাম্পেইনের পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। &amp;nbsp; মেগা ক্যাম্পেইনের পুরস্কার বিতরণের সময় নগদের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ মার্কেটিং অফিসার সাদাত আদনান আহমেদ বলেন, &amp;lsquo;নগদের মাধ্যমে অনেক মানুষের ঢাকার বুকে জমির মালিক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এ ছাড়া নগদের এবারের মেগা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ২০ কোটি টাকার উপহার বিতরণ করেছি আমরা। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা আমাদের গ্রাহকদের বিপুল সাড়া পেয়েছি, আশা করি ভবিষ্যতে আমরা গ্রাহকদের জন্য এমন আরো দারুণ অফার নিয়ে আসব।&amp;rsquo;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_11.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_11.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_11.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[ঢাকায় শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপি রোসা ৩য় কিচেন, বাথ অ্যান্ড লিভিং এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৪]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23645</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23645</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 09 Jul 2024 18:49:14 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[অন্যান্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আগামী ১৮ জুলাই &amp;nbsp;থেকে রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) শুরু হচ্ছে রোসা ৩য় কিচেন, বাথ অ্যান্ড লিভিং এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৪। যুক্তরাজ্য...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_61.jpg" alt="ঢাকায় শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপি রোসা ৩য় কিচেন, বাথ অ্যান্ড লিভিং এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৪" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আগামী ১৮ জুলাই &amp;nbsp;থেকে রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) শুরু হচ্ছে রোসা ৩য় কিচেন, বাথ অ্যান্ড লিভিং এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৪। যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইটালি, আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলংকা, ভারত ও স্বাগতিক বাংলাদেশসহ ৮ টি দেশের ৭০ টি ব্র্যান্ড একই ছাদের নিচে অংশ নিবে তিনদিনব্যাপী এ মেলায়। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান আয়োজক প্রতিষ্ঠান ওয়েম বাংলাদেশের পরিচালক মার্কেটিং নাসিমুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান ওয়েম বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোঃ আরিফ, পরিচালক মার্কেটিং নাসিমুর রহমান, পরিচালক অপারেশন রাজীব পাটোয়ারী, টাইটেল স্পন্সর আকিজবসির গ্রূপের হেড অব মার্কেটিং &amp;nbsp;শাহরিয়ার জামান, রোসা&amp;#39;র ব্র্যান্ড লিড গোলাম রাব্বানী, প্লাটিনাম স্পন্সর জাকুয়ার &amp;nbsp;গ্রুপের কান্ট্রি হেড মোহাম্মাদ তানভীর রহমান, লিড পার্টনার আর্কিকানেক্ট এর কো-ফাউন্ডার এবং সিবিডিও জাহীন আনোয়ার আহমেদ , বাংলাদেশ ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি ওনার্স এসোসিয়েশন এর ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন &amp;nbsp;ও এয়ারলাইন্স পার্টনার ইউ এস বাংলা এয়ারলাইন্স এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ কামরুল ইসলাম। &amp;nbsp;&amp;nbsp; সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৮ &amp;nbsp;জুলাই আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরায় শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, এমপি মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। ওয়েম বাংলাদেশের পরিচালক মার্কেটিং নাসিমুর রহমান বলেন , প্রস্তুতকারক, রফতানিকারক এবং সরবরাহকারীরা তাদের নতুন পণ্য, আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিজেদের দক্ষতা বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন এ এক্সপোতে। সেই সাথে থাকবে স্পট অর্ডারের সুযোগ। তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী দর্শনার্থী ও ক্রেতা-বিক্রেতাসহ সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত। মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে থাকছে রোসা , প্লাটিনাম স্পন্সর জাকুয়ার ও বেঙ্গল এজেন্সি, গোল্ড স্পন্সর পার্লে, হুইদা, গ্যাসডাম ও &amp;nbsp;ইউ কমফোর্ট এবং সিলভার স্পন্সর গ্রিন বোর্ড, ডরফেন, জোমু, এসবিইএম , সুপার বোর্ড, &amp;nbsp;ওরিয়েন্টাল ও আলোয় । মেলায় এয়ারলাইন্স পার্টনার ইউ এস বাংলা এয়ারলাইন্স। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পণ্য প্রদর্শনীর পাশাপাশি ৩ দিন ব্যাপী এই এক্সপোতে স্টুডেন্ট ডিজাইন কম্পিটিশন, ওয়ার্কশপ, বায়ার সেলার মিটিং, ইনোভেশন এক্সচেঞ্জ ও জব সার্চ। এছাড়া প্রতিদিন থাকছে রাফেল ড্রতে আকর্ষনীয় পুরস্কার। &amp;nbsp;সংবাদ সম্মেলনে ওয়েম বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোঃ আরিফ বলেন, ওয়েম বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকে দেশি -বিদেশি ইভেন্ট আয়োজন করে আসছে। সবসময় ওয়েম নতুন কিছু দেওয়ার চেষ্টা করে। বাংলাদেশে প্রথম হেলথ অ্যান্ড বিউটি, সিরামিক, ফুড অ্যান্ড হসপিটালিটিস মেলার সফল আয়োজন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার রোসা ৩য় কিচেন, বাথ অ্যান্ড লিভিং এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৪ আয়োজন করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_61.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_61.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_09-07-24_61.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশে ইউকে&#039;র বিশ্ববিখ্যাত স্যানিটারি ওয়্যার ব্র্যান্ড Gasdum-এর আনুষ্ঠানিক রিলঞ্চিং]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23644</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23644</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 07 Jul 2024 17:15:06 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[অন্যান্য]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[আজ রবিবার (৭ জুলাই) ইউকে&amp;#39;র বিশ্ববিখ্যাত স্যানিটারি ওয়্যার ব্র্যান্ড &amp;ldquo;Gasdum&amp;rdquo;-এর রি-ব্র্যান্ডিং উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজিত হয়েছে রাজধানীর হল...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_71.jpg" alt="বাংলাদেশে ইউকে&#039;র বিশ্ববিখ্যাত স্যানিটারি ওয়্যার ব্র্যান্ড Gasdum-এর আনুষ্ঠানিক রিলঞ্চিং" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>আজ রবিবার (৭ জুলাই) ইউকে&amp;#39;র বিশ্ববিখ্যাত স্যানিটারি ওয়্যার ব্র্যান্ড &amp;ldquo;Gasdum&amp;rdquo;-এর রি-ব্র্যান্ডিং উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজিত হয়েছে রাজধানীর হলিডে ইনে সকাল ১১টায়। এই অনুষ্ঠানের নেপথ্যে কাজ করছেন বাংলাদেশের স্যানিটারি ওয়্যার ক্ষেত্রে অতি পরিচিত মুখ মুন গ্যালারী। উল্লেখ্য, Gasdum ব্র্যান্ডটি ২০০৫ সাল থেকে ইউকে-:সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে।&amp;nbsp;&amp;nbsp; ১৪০০-এরও বেশী মাসিক ক্রেতা নিয়ে Gasdum বাংলাদেশের বিভিন্ন আবাসিক এবং ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। Gasdum বাংলাদেশ মাল্টি ফাংশনাল কিচেন সল্যুশন থেকে শুরু করে অজু বেসিন, মুসলিম কমোড সহ ক্রেতাদের পছন্দমত ডিজাইনের পণ্য তৈরি করছে। বর্তমানে Gasdum পরিবেশ বান্ধব পণ্য তৈরিতে বদ্ধপরিকর। গ্যাসদামের সাথে যুক্ত হওয়া মুন গ্যালারি বাংলাদেশের স্যানিটারি ওয়্যার শোরুম ক্ষেত্রে একটি অতি পরিচিত নাম। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। Gasdum এর কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব মাসুদ পারভেজ জানান &amp;ldquo;Gasdum ব্র্যান্ডটি আমরা ২০২১ সালেই বাংলাদেশে নিয়ে আসি।&amp;ldquo; তিনি জানিয়েছেন, &amp;ldquo;রি--ব্র্যান্ডিং-এর অংশ হিসেবে গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে সকল রকম নতুন ফিচার পেতে ওয়েবসাইটকে সাজিয়ে নেয়া হয়েছে।&amp;ldquo; গ্রাহকেরা Gasdum-এর ফেসবুক এবং ইন্সটাগ্রাম পেজ থেকেও যেকোন আপডেট পাবেন বলে জানিয়েছেন সংস্থাটি। গ্যাসদাম বাংলাদেশ আগামী ১৮, ১৯ এবং ২০ জুলাই বসুন্ধরার ৩০০ ফিট-এ আইসিসিবিতে অনুষ্টিতব্য &amp;#39; কিচেন বাথ এন্ড লিভিং এক্সপো-তে অংশগ্রহণ করবে এবং মেলার ৩ দিন গ্যাসদামের সকল পণ্যের উপর গ্রাহকদের জন্য ৫০% পর্যন্ত ছাড়ের কথাও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেন তিনি। &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp; Gasdum বাংলাদেশ পণ্যে গুণমান ও স্থায়িত্বকে বেশী প্রাধান্য দেয়। এর সাথে এই নতুন ব্র্যান্ডের পরিচিতি বাংলাদেশের স্যানিটারি ওয়্যার মার্কেটে বেশ সাড়া ফেলবে বলে আশাবাদী প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে গ্যাসদামের নতুন আসা সব প্রোডাক্টের উপর করা একটি তথ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়। Gasdum বাংলাদেশ সম্পর্কে আরো জানতে লগ ইন করুন : https://gasdum.com.bd অথবা www.facebook.com/gasdumbd &amp;nbsp;থেকে। গ্যাসদামের গ্র্যান্ড রিলঞ্চিং এই ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইডেব)এর আহ্বায়ক শফিউল ইসলাম, সদস্য সচিব সৈয়দ কামরুল আহসান এবং ইসি কমিটি মেম্বার মো. সাইফুল ইসলাম সরন -সহ বিআইসিএ (বাংলাদেশ ইন্টেরিয়র কোম্পানিজ এসোসিয়েশন) প্রেসিডেন্ট এলএন সালাউদ্দিন মানিক ও সেক্রেটারি মারুফ লিয়াকত, &amp;nbsp;মেঘনা গ্রুপ এর অ্যাসিস্ট্যান্ট আর্কিটেক্ট অমিও অহনা অর্চি প্রমুখ।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_71.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_71.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_71.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[এমপ্লয়ি ব্যাংকিং গ্রাহকদের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের সম্পূর্ণ ডিজিটাল ইন্সট্যান্ট লোন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23643</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23643</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 10 Jul 2024 19:09:54 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[&amp;nbsp; এমপ্লয়ি ব্যাংকিং গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল ইন্সট্যান্ট লোনের সুবিধা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। সোমবার (১০ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। দেশের প্রথম...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_07.jpg" alt="এমপ্লয়ি ব্যাংকিং গ্রাহকদের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের সম্পূর্ণ ডিজিটাল ইন্সট্যান্ট লোন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>&amp;nbsp; এমপ্লয়ি ব্যাংকিং গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল ইন্সট্যান্ট লোনের সুবিধা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। সোমবার (১০ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। দেশের প্রথম এই সম্পূর্ণ ডিজিটাল লোন চালুর এক বছরের মধ্যেই ব্র্যাক ব্যাংক ইতিমধ্যে ১২ হাজারেরও বেশি লোন বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছে, যার পরিমাণ ১০০ কোটি টাকারও বেশি। ব্র্যাক ব্যাংক এমপ্লয়ি ব্যাংকিং গ্রাহকরা শুধুমাত্র কয়েকটি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করেই মাত্র কয়েক ক্লিকে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই লোনটি নিতে পারবেন। সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এই লোন পরিশোধ করা যাবে সর্বোচ্চ ৩৬ মাসে।&amp;nbsp; এমপ্লয়ি ব্যাংকিং গ্রাহকরা ব্যাংকের &amp;lsquo;আস্থা&amp;rsquo; অ্যাপ ব্যবহার করে বাংলাদেশের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময় এই ডিজিটাল ইন্সট্যান্ট লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে লোনটি অনুমোদনপূর্বক ডিজবার্সমেন্টও পেয়ে যাবেন। ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম, এই ইনস্ট্যান্ট লোনের বিষয়ে বলেন, &amp;ldquo;আমরা গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ করেছি। এই প্রোডাক্টটি ডিজিটাল ব্যাংকিং খাতে আমাদের উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার এক নতুন উদাহরণ। আমরা গ্রাহকদের দৈনন্দিন ব্যাংকিং প্রয়োজন মেটাতে সবসময় উদ্ভাবনে জোর দিয়ে যাচ্ছি। গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক গ্রাহকদের সহজ, নিরাপদ এবং আনন্দদায়ক ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দিতে নতুন নতুন প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস উদ্ভাবনে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।&amp;rdquo; ব্র্যাক ব্যাংকের এই ইন্সট্যান্ট লোনের বৈশিষ্ট্য হলো, এর অ্যাপ্লিকেশন, অ্যাসেসমেন্ট এবং ডিজবার্সমেন্ট&amp;mdash; সবই হবে ডিজিটালভাবে, যা গ্রাহকদের সম্পূর্ণ ডিজিটাল ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দেবে।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_07.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_07.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_07.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[সিইএবি ও ব্র্যাক ব্যাংকের চুক্তি: বিশেষায়িত সেবা দিতে চায়না ডেস্ক চালু]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23642</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23642</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 08 Jul 2024 18:25:47 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[চাইনিজ এন্টারপ্রাইজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি) সদস্যদের আরও বিস্তৃত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে সিইএবি- এর সাথে চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এই...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_08-07-24_06.jpg" alt="সিইএবি ও ব্র্যাক ব্যাংকের চুক্তি: বিশেষায়িত সেবা দিতে চায়না ডেস্ক চালু" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>চাইনিজ এন্টারপ্রাইজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি) সদস্যদের আরও বিস্তৃত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে সিইএবি- এর সাথে চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এই কৌশলগত চুক্তির ফলে এখন থেকে সিইএবি&amp;rsquo;র সদস্যরা ব্র্যাক ব্যাংক থেকে অগ্রাধিকারমূলক ব্যাংকিং সেবার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করবে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক নিজেদের কর্পোরেট ব্যাংকিং ডিভিশনে একটি নিবেদিত &amp;lsquo;চায়না ডেস্ক&amp;rsquo; চালু করেছে, যেখানে চীনা ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনমতো সেরা ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার জন্য ম্যান্ডারিন ভাষায় পারদর্শী কর্মী নিয়োজিত থাকবেন। মঙ্গলবার (০২ জুলাই) ঢাকার বারিধারায় সিইএবি কার্যালয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব কর্পোরেট ব্যাংকিং ডিভিশন তারেক রেফাত উল্লাহ খান এবং সিইএবি&amp;rsquo;র ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং হং বো চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্র্যাক ব্যাংক থেকে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির হেড অব ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং একেএম ফয়সাল হালিম, ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিংয়ের ইউনিট হেড মুসাব্বির আহমেদ এবং ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিংয়ের ইউনিট লিড দিলরুবা শারমিন হক। সিইএবি&amp;rsquo;র প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়াং জিয়ানশি, গুও হুজিন এবং হান জিংচাওসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সিইএবি দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতার প্রসার, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও অবদান রাখতে চায়। সম্প্রতি সিইএবি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোকে সমুন্নত করতে আটটি বিশেষায়িত শিল্প শাখার উদ্বোধন করেছে। ২৮০টি বড় এবং মাঝারি আকারের চীনা শিল্পপ্রতিষ্ঠান নিয়ে সিইএবি বাংলাদেশে মহাসড়ক, সেতু, রেলপথ এবং বিদ্যুৎ খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প নির্মাণে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের কর্পোরেট ব্যাংকিং ডিভিশন বিভিন্ন সেক্টরের ব্যতিক্রমী ব্যাংকিং প্রয়োজন মেটাতে খাতভিত্তিক বিশেষায়িত এবং আধুনিক ব্যাংকিং সেবা দিয়ে যাচ্ছে। সিইএবি&amp;rsquo;র সাথে ব্র্যাক ব্যাংকের এই চুক্তি বাংলাদেশে কর্মরত চীনা বিনিয়োগকারী এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে ব্যবসায় সম্প্রসারণের চলমান প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_08-07-24_06.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_08-07-24_06.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_08-07-24_06.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[পোলট্রি খামারিদের জন্য কৃষি অর্থায়নের সুবিধা দিতে ম্যানুফার্মস-এর সাথে পার্টনারশিপ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23641</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23641</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sun, 07 Jul 2024 15:31:51 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[পোলট্রি খামারিদের জন্য এসএমই ডিজিটাল মাইক্রোলোনের মাধ্যমে কৃষি অর্থায়ন নিশ্চিত করতে ইন্টিগ্রেটেড পোলট্রি ম্যানেজমেন্ট মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন &amp;lsquo;পোলট্রি ম্যানে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_05.jpg" alt="পোলট্রি খামারিদের জন্য কৃষি অর্থায়নের সুবিধা দিতে ম্যানুফার্মস-এর সাথে পার্টনারশিপ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>পোলট্রি খামারিদের জন্য এসএমই ডিজিটাল মাইক্রোলোনের মাধ্যমে কৃষি অর্থায়ন নিশ্চিত করতে ইন্টিগ্রেটেড পোলট্রি ম্যানেজমেন্ট মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন &amp;lsquo;পোলট্রি ম্যানেজার&amp;rsquo; এর স্বত্বাধিকারী&amp;mdash; &amp;lsquo;ম্যানুফার্মস&amp;rsquo;-এর সাথে একটি অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। &amp;nbsp; এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো অভিজ্ঞতা এবং তথ্য শেয়ার করে, ম্যানুফার্মস-এর সাথে সংযুক্ত পোলট্রি খামারিদের অর্থায়নের পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সুদূরপ্রসারী উন্নয়নকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আর্থিক খাতকে মূল্যবান তথ্য ও ধারণা দেওয়া।&amp;nbsp; উভয় সংস্থাই প্রান্তিক পোলট্রি খামারিদের জন্য প্রযুক্তি এবং আর্থিক সেবাকে একত্র করে এমএসএমই-এর জন্য একটি ইকোসিস্টেম তৈরির চেষ্টা করছে। ব্যাংক নীতিমালা অনুযায়ী, ম্যানুফার্মস-এর তালিকাভুক্ত পোলট্রি খামারিদের আর্থিক সপরিষেবা প্রদান করবে ব্র্যাক ব্যাংক। প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে ময়মনসিংহ, রাজশাহী এবং গোপালগঞ্জে শুরু হবে এবং এই এলাকার খামারি ও উদ্যোক্তাদের ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করবে। &amp;lsquo;পোলট্রি ম্যানেজার&amp;rsquo; অ্যাপটি সম্পূর্ণরূপে পোলট্রি ব্লকচেইন এবং আইওটি ডিভাইসগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা রেকর্ড রাখার সুবিধা দেয় এবং ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করে। একই সাথে পোলট্রি খাদ্য বিবরণ, টিকাদান এবং তারিখ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে গ্রাহকদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ৫,০০০ সক্রিয় ব্যবহারকারী নিয়ে, অ্যাপটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে &amp;lsquo;স্মার্ট বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩&amp;rsquo;&amp;ndash;এ ভূষিত হয়েছে। ২৩ জুন, ২০২৪ ঢাকার ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে, ব্র্যাক ব্যাংক এবং ম্যানুফার্মস-এর ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাগণ এই পার্টনারশিপের সুযোগ এবং পোলট্রি শিল্প এবং বাংলাদেশের প্রান্তিক পোলট্রি খামারিদের জন্য সম্ভাব্য সুবিধাগুলি নিয়ে আলোচনা করেন।&amp;nbsp; ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন; হেড অব এমএফআই এবং অ্যাগ্রিকালচার ফাইন্যান্স তাপস কুমার রায়; এবং হেড অব এসএমই স্ট্র্যাটেজি, ইনোভেশন অ্যান্ড নিউ বিজনেস মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম। ম্যানুফার্মস-এর পক্ষে কো-ফাউন্ডার এবং সিইও মুহাম্মদ শাহিন; কো-ফাউন্ডার আলিফ বিনতে শাহিন এবং ম্যানেজার ডিএসএম ওয়াজেদুল ইসলাম অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_05.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_05.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_07-07-24_05.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[‘ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২২’-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23640</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23640</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 06 Jul 2024 19:31:26 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[বাংলা সাহিত্যের প্রসার ও লেখকদের অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে গত এক যুগ ধরে লেখক ও সাহিত্যিকদের সম্মাননা দিয়ে আসছে ব্র্যাক ব্যাংক ও দৈনিক সমকাল।&amp;nbsp; ১২তম সাহিত্যে...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-07-24_04.jpg" alt="‘ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২২’-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>বাংলা সাহিত্যের প্রসার ও লেখকদের অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে গত এক যুগ ধরে লেখক ও সাহিত্যিকদের সম্মাননা দিয়ে আসছে ব্র্যাক ব্যাংক ও দৈনিক সমকাল।&amp;nbsp; ১২তম সাহিত্যে পুরস্কার আসরে ভাষা সৈনিক, লেখক ও গবেষক আহমদ রফিককে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। বেগম আখতার কামাল, ময়ূখ চৌধুরী ও মাহরীন ফেরদৌস জিতে নিয়েছেন &amp;lsquo;ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২২&amp;rsquo; । &amp;nbsp;&amp;nbsp; দ্বিতীয়বারের মত এবার দেয়া হলো &amp;lsquo;আজীবন সম্মাননা পুরস্কার&amp;rsquo;। &amp;nbsp;আজীবন এ বছর সম্মাননা পেয়েছেন ভাষা সৈনিক, খ্যাতিমান গবেষক ও লেখক আহমদ রফিক। &amp;nbsp; বেগম আখতার কামাল &amp;lsquo;কবিতার নান্দনিকতা&amp;rsquo; গ্রন্থের জন্য প্রবন্ধ, আত্মজীবনী, ভ্রমণ ও অনুবাদ শ্রেণিতে; ময়ূখ চৌধুরী &amp;lsquo;অনিদ্রার কারুকাজ&amp;rsquo; গ্রন্থের জন্য কবিতা ও কথাসাহিত্য শ্রেণিতে এবং মাহরীন ফেরদৌস &amp;lsquo;অরিগামির গোলকধাঁধায়&amp;rsquo; গ্রন্থের জন্য &amp;lsquo;তরুণ সাহিত্যিক পুরস্কার&amp;rsquo; বিজয়ী হন।&amp;nbsp; শুক্রবার (৫ জুলাই) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এফ. হোসেন ও দৈনিক সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ খান। দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গও এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। &amp;nbsp; &amp;lsquo;আজীবন সম্মাননা পুরস্কার&amp;rsquo; বিজয়ীকে পুরস্কার হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা; &amp;lsquo;প্রবন্ধ, আত্মজীবনী, ভ্রমণ ও অনুবাদ&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;কবিতা ও কথাসাহিত্য&amp;rsquo; এ দুই শ্রেণিতে বিজয়ী প্রত্যেকে পুরস্কার হিসেবে দুই লাখ টাকা করে পান এবং &amp;lsquo;তরুণ সাহিত্যিক পুরস্কার&amp;rsquo; বিজয়ী পান এক লাখ টাকা। প্রত্যেক বিজয়ীকে ক্রেস্ট ও সম্মননাপত্রও প্রদান করা হয়।&amp;nbsp; এই পুরস্কার বাংলাদেশের সাহিত্যিক, পাঠক ও প্রকাশক মহলে অনেক আগ্রহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। তিন শ্রেণিতে ৫২৬টি বই জমা পড়েছিল। কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, কবি আবিদ আনোয়ার, গবেষক ও প্রাবন্ধিক ড. ফয়জুল লতিফ চৌধুরী এবং প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক খালিকুজ্জামান ইলিয়াসের সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ড ২০২২ সালে প্রকাশিত সেরা তিনটি বই নির্বাচন করেন।&amp;nbsp; সাহিত্য প্রসারের এ উদ্যোগ সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন, &amp;lsquo;এই পুরস্কার ইতিমধ্যে দেশের সাহিত্য জগতে একটি অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে। এই পুরস্কার দেশের লেখক ও সাহিত্যিকদের বিশেষ করে তরুণ লেখকদের অনুপ্রাণিত করছে। আর পাঠকরা পাচ্ছেন রুচিশীল বই পড়ার সুযোগ। দেশের তরুণ উদীয়মান এবং প্রতিভাবান লেখকদের সৃষ্টিশীল কাজের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে এ পুরস্কার। আমরা এই সাহিত্য পুরস্কারের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে গর্বিত।&amp;rsquo;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-07-24_04.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-07-24_04.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-07-24_04.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে পেরোল ব্যাংকিং চুক্তি করেছে রিভ গ্রুপ]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23639</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23639</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 10 Jul 2024 18:45:36 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি&amp;rsquo;র সাথে পেরোল ব্যাংকিং চুক্তি সই করেছে প্রযুক্তি ও পোশাক খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান রিভ গ্রুপ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_03.jpg" alt="প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে পেরোল ব্যাংকিং চুক্তি করেছে রিভ গ্রুপ" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি&amp;rsquo;র সাথে পেরোল ব্যাংকিং চুক্তি সই করেছে প্রযুক্তি ও পোশাক খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান রিভ গ্রুপ। চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য রিভ গ্রুপের কর্মীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা বাড়ানো। আজ ১০ জুলাই গুলশানে ব্যাংকের করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ চুক্তি সই হয়। চুক্তির আওতায়, রিভ গ্রুপের কর্মীদের এক্সক্লুসিভ সুবিধা প্রদান করবে প্রাইম ব্যাংক। সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড, ঋণ এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা প্রদান। প্রাইম ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম এ চৌধুরী এবং রিভ গ্রুপের সিইও মো. রেজাউল হাসান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাইম ব্যাংকের হেড অব কমার্শিয়াল ব্যাংকিং মো. আসিফ বিন ইদ্রিস, হেড অব পেরোল ব্যাংকিং অনুপ কান্তি দাশ, কমার্শিয়াল ব্যাংকিং বিভাগের টিম হেড মেহেদী জামান খান এবং রিভ গ্রুপের ডেপুটি সিএফও মো. শহীদুল ইসলাম সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_03.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_03.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_03.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সাথে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23638</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23638</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Sat, 06 Jul 2024 19:45:45 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[ব্যাংক]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের (এনপিএ) সাথে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে বেসরকারি প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। গত ৩ জুলাই দুই প্রতিষ্ঠান এ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে।...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_02.jpg" alt="জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সাথে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের (এনপিএ) সাথে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে বেসরকারি প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। গত ৩ জুলাই দুই প্রতিষ্ঠান এ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। অনুষ্ঠানে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের (এনপিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান কবিরুল ইজদানী খান এবং প্রাইম ব্যাংক পিএলসি&amp;rsquo;র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হাসান ও রশীদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারক &amp;nbsp;স্বাক্ষর করেন। এই সমঝোতা চুক্তির ফলে এখন থেকে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় পেনশন স্কিমের আওতায় পেনশনধারীদের কাছ থেকে অনলাইন ও অফলাইনে মাসিক কিস্তি সংগ্রহ করতে পারবে। অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ ও প্রইম ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_02.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_02.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_02.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[জয়পুরহাটে ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/business/23637</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/business/23637</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 10 Jul 2024 20:07:16 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[করপোরেট খবর]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[bd news24]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ শোরুম &amp;lsquo;আপন এন্টারপ্রাইজ&amp;rsquo; উদ্বোধন করছেন অতিথিবৃন্দ বিশ্বমানের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য মানুষের দো...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_01.jpg" alt="জয়পুরহাটে ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘আপন এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ শোরুম &amp;lsquo;আপন এন্টারপ্রাইজ&amp;rsquo; উদ্বোধন করছেন অতিথিবৃন্দ বিশ্বমানের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে যাত্রা শুরু করলো দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ পরিবেশক শোরুম &amp;lsquo;আপন এন্টারপ্রাইজ&amp;rsquo;। উপজেলার ডাকবাংলো সংলগ্ন মেইন রোডে চালু হওয়া শোরুমটিতে পাওয়া যাচ্ছে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, ফ্যান, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার, ওভেন, এলইডি লাইট, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, আইসিটি, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যসামগ্রী। উদ্বোধন উপলক্ষে ওয়ালটনের যেকোনো পণ্য কেনায় ক্রেতাদের ১০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে আপন এন্টারপ্রাইজ। এই সুবিধা চলবে চলতি জুলাই মাস জুড়ে। মঙ্গলবার (৯ জুলাই, ২০২৪) ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এক্সক্লুসিভ শোরুম &amp;lsquo;আপন এন্টারপ্রাইজ&amp;rsquo; উদ্বোধন করেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও চিত্রনায়ক আমিন খান এবং ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস ফিরোজ আলম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আক্কেলপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাদেকুর রহমান, থানার অফিসার ইন-চার্জ নয়ন হোসেন, ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহজালাল হোসেন লিমন, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শহীদুজ্জামান রানা, ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার মিজানুর রহমান, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মেহেদি হাসান, আপন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ছানোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে আপন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ছানোয়ার হোসেন জানান, আন্তর্জাতিকমানের পণ্য ও সেবা প্রদানের মাধ্যমে ওয়ালটন বাংলাদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। ওয়ালটন সব সময় সর্বোচ্চ ক্রেতাসুবিধা দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন শোরুমটি উদ্বোধন উপলক্ষে চলতি জুলাই মাস জুড়ে যেকোনো পণ্য কেনায় ক্রেতারা ১০ শতাংশ ছাড় পাবেন। ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস ফিরোজ আলম বলেন, ওয়ালটনের আন্তর্জাতিকমানের পণ্য এখন প্রতিটি ঘরে শোভা পাচ্ছে। রপ্তানি হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। ওয়ালটনের ইলেকট্রনিক্স পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এই শোরুমটির উদ্বোধন। নতুন শোরুমটি থেকে এই অঞ্চলের মানুষ এখন আরও সহজেই ওয়ালটনের পণ্য ও সেবা পাবেন। চিত্রনায়ক আমিন খান বলেন, দেশে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের চাহিদা মিটিয়ে &amp;lsquo;মেড ইন বাংলাদেশ&amp;rsquo; ট্যাগযুক্ত ওয়ালটনের পণ্য এখন ৪০টিরও অধিক দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এই অঞ্চলে নতুন শোরুমের মাধ্যমে ওয়ালটনের ব্যবসায়িক পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে। আপন এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে হাতের নাগালেই পাবেন প্রয়োজনীয় ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_10-07-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[আজ তথ্য কমিশনে ৬টি অভিযোগ নিষ্পত্তি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23636</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23636</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Wed, 10 Jul 2024 16:07:45 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[তথ্য কমিশন বাংলাদেশে আজ বুধবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিকার আইনের আওতায় ৭টি অভিযোগের শুনানী করে ৬টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়।&amp;nbsp; তথ্য কমিশন বাংলাদেশ এর প্রধান তথ্...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-information-commission.jpg" alt="আজ তথ্য কমিশনে ৬টি অভিযোগ নিষ্পত্তি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>তথ্য কমিশন বাংলাদেশে আজ বুধবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিকার আইনের আওতায় ৭টি অভিযোগের শুনানী করে ৬টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়।&amp;nbsp; তথ্য কমিশন বাংলাদেশ এর প্রধান তথ্য কমিশনার ডক্টর আবদুল মালেক এবং তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক শুনানী গ্রহণ করেন।&amp;nbsp;</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-information-commission.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-information-commission.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-information-commission.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[তথ্য কমিশন ৬টি অভিযোগ নিষ্পত্তি]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/national/23635</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/national/23635</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Mon, 08 Jul 2024 18:07:37 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[রাজধানী]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[ananda khabar]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[তথ্য কমিশন বাংলাদেশে আজ সোমবার (৮ জুলাই) তথ্য অধিকার আইনের আওতায় ৬টি অভিযোগের শুনানী করে সবগুলো অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়।&amp;nbsp; তথ্য কমিশন বাংলাদেশের প্রধান তথ...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-information-commission.jpg" alt="তথ্য কমিশন ৬টি অভিযোগ নিষ্পত্তি" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>তথ্য কমিশন বাংলাদেশে আজ সোমবার (৮ জুলাই) তথ্য অধিকার আইনের আওতায় ৬টি অভিযোগের শুনানী করে সবগুলো অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়।&amp;nbsp; তথ্য কমিশন বাংলাদেশের প্রধান তথ্য কমিশনার ডক্টর আবদুল মালেক এবং তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক শুনানী গ্রহণ করেন।&amp;nbsp; তথ্য কমিশন বাংলাদেশের জনসংযোগ কর্মকর্তা লিটন কুমার প্রামাণিক স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-information-commission.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-information-commission.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/1-information-commission.jpg]]></thumbimage>
  </item>
      <item>
    <title><![CDATA[রক্তপিপাসু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার কুকীর্তি: অজানা সত্য এবং বিতর্ক]]></title>
    <link>https://anandakhabar.com/ananda-special/101</link>
    <guid isPermaLink="true">https://anandakhabar.com/ananda-special/101</guid>
    
    <dc:creator><![CDATA[আনন্দ খবর ডেস্ক]]></dc:creator>
    
    <pubDate>Tue, 06 Aug 2024 06:08:15 +0600</pubDate>
    
    <category><![CDATA[আনন্দ স্পেশাল]]></category>
    
        <subcategory><![CDATA[সর্বশেষ]]></subcategory>
        
        <news_keywords><![CDATA[শেখ হাসিনা স্বৈরাচার,শেখ হাসিনা,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার!,স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে,দেশ ছেড়ে পালালো স্বৈরাচার শেখ হাসিনা !,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার এই মুহুর্তে গদি ছাড়,হাসিনা,শেখ হাসিনা স্বৈরাচার...,দিল্লিতে পালিয়েছে স্বৈরাচার হাসিনা: মাতোয়ারা বাংলাদেশ!,স্বৈরশাসক হাসিনার পতন,সারাবাংলা কারাগার শেখ হাসিনা স্বৈরাচার...,হাসিনার পতন,শেখ হাসিনার বিদায়,সৈরাচার সরকার,পদত্যাগ করে দেশ ছেরেছেন শেখ হাসিনা,গান লিখে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে প্রেরণা যুগিয়েছিলেন দুই তরুণ]]></news_keywords>
        
    <description><![CDATA[রক্তপিপাসু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিতর্কিত অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিরোধী দলের উপর দমন-পীড়নের অভিযোগ রয়েছে।&amp;nbsp;স্বৈরাচার হাসিনা ব...]]></description>
    
    
    <content:encoded><![CDATA[
              <p><img src="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_01.jpg" alt="রক্তপিপাসু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার কুকীর্তি: অজানা সত্য এবং বিতর্ক" style="width:100%; max-width:700px; display:block; margin-bottom:15px;" /></p>
            <p>রক্তপিপাসু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিতর্কিত অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিরোধী দলের উপর দমন-পীড়নের অভিযোগ রয়েছে।&amp;nbsp;স্বৈরাচার হাসিনা বাংলাদেশের স্বৈরশাসক ছিলেন। তার দীর্ঘ স্বৈরাচারী রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন কুকীর্তির অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিরোধীদের উপর দমন-পীড়নের অভিযোগ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। স্বৈরাচারী হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার দেশে উন্নয়নের নামে বিরোধী দলের সদস্য ও সাংবাদিকদের উপর চালায় চরম নির্যাতন। মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ, বাকস্বাধীনতা হ্রাস, এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের ফলে তার শাসনকাল নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের একজন প্রতিশোধ পরায়ণ ও স্বৈরাচারী রাজনৈতিক নেতা। ১৯৮১ সালে তার বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের গঠন করা একদলীয় শাসনব্যবস্থা &amp;zwnj;&amp;lsquo;বাকশাল&amp;rsquo; না করার শর্তে হাসিনাকে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এরপরই শুরু হয় শেখ হাসিনার প্রতিশোধ পরায়ণ ও স্বৈরাচারী রাজনৈতিক অধ্যায়। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর। ১৯৮১ সালে&amp;nbsp;তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান&amp;nbsp;রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়ার পর&amp;nbsp;তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তার নেতৃত্বে দলটি&amp;nbsp;প্রতিশোধ পরায়ণ ও স্বৈরাচারী হিসেবে নতুন জীবন লাভ করে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নির্বাচনী কার্যকলাপ নিয়ে সবসময় বিতর্কিত আলোচনা হয়। এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে নির্বাচন এবং বিতর্ক। নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনার নানান কৌশল এবং ভোট কারচুপির অভিযোগ নিয়ে সবসময় প্রশ্ন উঠে। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার নির্বাচনী কৌশল অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং চালাক। তিনি নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে নানান কৌশল অবলম্বন করেন। তার দলকে সংগঠিত করতে এবং ভোটারদের প্রভাবিত করতে তিনি অনেক রকম কৌশল গ্রহণ করেন। জনসভা এবং প্রচার: শেখ হাসিনা বিশাল জনসভা এবং প্রচারে অংশ নেন। মিডিয়া ব্যবহারের কৌশল: তিনি মিডিয়ার মাধ্যমে নিজের প্রচার বাড়িয়ে তোলেন। দলীয় কর্মীদের সংগঠন: তার দলীয় কর্মীরা নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ভোট কারচুপি অভিযোগ সবসময় স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার নির্বাচনের সাথে যুক্ত থাকে। তার বিরোধীরা দাবি করেন যে, তিনি ভোট কারচুপির মাধ্যমে জয়ী হন। ভোট কেন্দ্র দখল: বিরোধীরা অভিযোগ করেন যে, তার দল ভোট কেন্দ্র দখল করে। জাল ভোট: অনেকেই বলেন, স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার দলের সদস্যরা জাল ভোট দেন। ভোটারদের হুমকি: ভোটারদের হুমকি দিয়ে তাদের ভোট দিতে বাধ্য করা হয়। অভিযোগ বিস্তারিত ভোট কেন্দ্র দখল : ভোট কেন্দ্র দখলের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়। জাল ভোট : ভোটার তালিকায় ভুয়া নাম যোগ করা হয়। ভোটারদের হুমকি : ভোটারদের হুমকি দিয়ে সঠিক ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখা হয়। &amp;nbsp; স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। তিনি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে অনেক অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারি ঘটেছে। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে লোটপাটের তাণ্ডব চালান। তিনি ও তার দলের নেতারা দেশের অর্থনীতি উন্নয়নের শীর্ষে পৌঁছানোর নামে করেছেন ব্যাপক দুর্নীতি। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক নীতিতে অনেক কেলেঙ্কারি হয়েছে। অনেক প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। প্রকল্প দুর্নীতির মাত্রা পদ্মা সেতু &amp;nbsp;: উচ্চ মেট্রোরেল &amp;nbsp;: উচ্চ মাঝারি বুলেট ট্রেন &amp;nbsp;: মাঝারি এই কেলেঙ্কারির ফলে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জনগণ এতে হতাশ হয়েছে। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে অনেক কেলেঙ্কারি ঘটেছে। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার শাসনামলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের উপর দমন-পীড়ন ও বাকস্বাধীনতা হরণের মত ঘটনা ঘটেছে। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনা কুকীর্তির মানবাধিকার লঙ্ঘনে গুম ও খুন অগ্রগতি পেল। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনা কুকীর্তির মানবাধিকার লঙ্ঘনে সাংবাদিক নির্যাতন ঘটে। রাজনীতিতে প্রতিহিংসা এক ভয়ানক অস্ত্র। এটি ক্ষমতাসীনদের দ্বারা প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমনে ব্যবহৃত হয়। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঘটনা প্রচুর। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের কঠোরভাবে দমন করেছেন। তিনি এই উদ্দেশ্যে পুলিশ এবং বিচার ব্যবস্থা ব্যবহার করেছেন। বিরোধী দলীয় নেতাদের গ্রেফতার: রাজনৈতিক নেতাদের বিনা বিচারে আটক করা হয়েছে। মিথ্যা মামলা: বিরোধী দলের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ: স্বাধীন মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনা প্রচার মেশিনারি ব্যবহার করে বিরোধীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছেন। তিনি প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন। মিথ্যা তথ্য প্রচার: বিরোধীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়েছে। গুজব ছড়ানো: বিভিন্ন ধরণের গুজব ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। মিডিয়ার ব্যবহার: মিডিয়াকে নিজের পক্ষে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিহিংসার ধরন বর্ণনা বিরোধীদের গ্রেফতার : রাজনৈতিক নেতাদের বিনা বিচারে আটক করা হয়েছে। মিথ্যা মামলা : বিরোধী দলের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ : স্বাধীন মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। &amp;nbsp; স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার শাসনামলে পরিবারতন্ত্র ও ক্ষমতার অপব্যবহার একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। এই পরিবারের সম্পৃক্ততা ও ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে আজকের আলোচনা। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যরা সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা। তার বোন শেখ রেহানা বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিতে জড়িত। তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ অটিজম বিষয়ক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত। পরিবারের সদস্যদের এমন সম্পৃক্ততা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ বিবরণ প্রভাব খাটানো : সরকারি পদে পরিবারের সদস্যদের বসানো। স্বজনপ্রীতি : পরিবারের সদস্যদের বিশেষ সুবিধা প্রদান। অবৈধ সম্পদ : অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ। এই সব অভিযোগ সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার কুকীর্তি নিয়ে জনমত ও ভবিষ্যৎ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্তমান সময়ে এটি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। জনমত নিয়ে বিশ্লেষণ করলে বুঝতে পারি,&amp;nbsp;৫ই আগস্ট দুপুরে বাংলাদেশ থেকে পালানোর পর&amp;nbsp;তার রাজনৈতিক জীবন এখানেই ইতি। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার কুকীর্তি নিয়ে জনমতের প্রতিক্রিয়া মিশ্রিত। কেউ সমর্থন করছেন, আবার কেউ কঠোর সমালোচনা করছেন। সমর্থনকারীরা বলছেন, শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন করেছেন। সাধারণ জনগণ মনে করেন, উন্নয়নের নামে গুম, খুন, বিরোধী দলের উপর নির্যাতনসহ অনেক কুকীর্তি দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। &amp;nbsp; স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার কুকীর্তি কী কী? স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার কুকীর্তি বলতে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিতর্ক এবং সিদ্ধান্তকে বোঝানো হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ মাধ্যমে আলোচনা হয়েছে। &amp;nbsp; স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ কী? শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগগুলি বিভিন্ন সময়ে সংবাদ শিরোনামে এসেছে। &amp;nbsp; স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার কুকীর্তি সম্পর্কে তথ্য কোথায় পাবো? স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার কুকীর্তি সম্পর্কে তথ্য বিভিন্ন সংবাদপত্র, অনলাইন পোর্টাল এবং গবেষণাপত্রে পাওয়া যায়। বিভিন্ন ব্লগেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। &amp;nbsp; স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার কুকীর্তি নিয়ে বিতর্ক কেন? স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার কুকীর্তি নিয়ে বিতর্ক তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সিদ্ধান্তের জন্য। তার নেতৃত্বে নেওয়া কিছু পদক্ষেপ বিতর্কিত হয়েছে। স্বৈরাচার&amp;nbsp;শেখ হাসিনার কুকীর্তি নিয়ে আলোচনা শেষে একটি বিষয় স্পষ্ট, তার নেতৃত্বের অনেক দিক নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। জনগণের স্বার্থে নেতাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা গুরুত্বপূর্ণ। সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব সঠিক তথ্য জানানো। এই বিষয়ে আরও গবেষণা ও বিশ্লেষণ প্রয়োজন।</p>
    ]]></content:encoded>
    
    
    <enclosure url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_01.jpg" length="123456" type="image/jpeg" />
    <media:content url="https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_01.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
    <thumbimage><![CDATA[https://anandakhabar.com/upload/images/news/ak_06-08-24_01.jpg]]></thumbimage>
  </item>
  
</channel>
</rss>